| 03/26/2011 4:55 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
কাল খসড়া সংশোধনী নিয়ে এসইসিতে বৈঠক
আপাতত বুক বিল্ডিং পদ্ধতির পক্ষে নয় ডিএসই ও সিএসইনিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৭-০৩-২০১১
প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের বুক বিল্ডিং পদ্ধতি এখনই আবার সচল করার পক্ষে নয় দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিএপিএলসি) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)।
সংগঠনগুলো চাইছে শেয়ারবাজারবিষয়ক তদন্ত কমিটি বুক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে কী ধরনের সুপারিশ দেয়, সেটি দেখেই এ ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে। এ জন্য তারা বুক বিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনীর খসড়া প্রস্তাবের ওপরও আপাতত আর কোনো মতামত না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রাজধানীর গুলশান ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে গতকাল শনিবার উল্লিখিত চারটি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা এ ব্যাপারে মতৈক্যে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে।
বৈঠকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), বিএপিএলসি ও বিএমবিএর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
যোগাযোগ করা হলে সিএসইর সভাপতি ফখরউদ্দীন আলী আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বুক বিল্ডিং সংশোধনী নিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) খসড়া প্রস্তাবের ওপর কাল সোমবার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে বাজারের স্বার্থে আমরা যাতে সম্মিলিতভাবে ঐক্যবদ্ধ মতামত দিতে পারি, সে জন্যই নিজেদের মধ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছি।’
বৈঠকের আলোচ্যসূচি সম্পর্কে সিএসইর সভাপতি বলেন, ‘বুক বিল্ডিং পদ্ধতি নানা কারণে ঠিকভাবে কাজ করেনি। ফলে পদ্ধতিটি বিভিন্ন মহলে সমালোচিত হয়েছে। সমালোচনার মুখে সরকারের পক্ষ থেকে পদ্ধতিটি স্থগিত করা হয়েছে। তাই আমরা মনে করছি, এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির মতামত পর্যালোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত হবে।’
সিএসইর সভাপতি আরও বলেন, যত দিন পর্যন্ত বুক বিল্ডিং পুনরায় চালু না হবে, তত দিন পর্যন্ত কোনো কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে বাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে চাইলে স্থিরমূল্য পদ্ধতিতে তা করতে হবে। বাজারে যাতে শেয়ারের ঘাটতি তৈরি না হয়, সে জন্য এ পদ্ধতিতে কোম্পানিগুলোকে বাজারে নিয়ে আসতে হবে।
বর্তমানে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৪৮টির মতো কোম্পানি বাজারে আসার অপেক্ষায় রয়েছে। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে বৈঠকে জানানো হয়েছে, এর মধ্যে ১২ থেকে ১৩টি কোম্পানি স্থিরমূল্য পদ্ধতিতে বাজারে আসতে রাজি আছে।
ফখরউদ্দীন আলী আহমেদ এসব কোম্পানিকে দ্রুত বাজারে আনার ব্যাপারে তাগিদ দেন। |
|
|
| 03/26/2011 4:56 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom-Alo
আজকালের মধ্যেই এসইসিতে প্রস্তাব পাঠাবে আইসিবিনিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৭-০৩-২০১১
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ নামে একটি মেয়াদহীন বা ওপেন এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। এরই মধ্যে তহবিলটির বেশির ভাগ উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ পরিচালনা পর্ষদে তহবিল জোগানের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাকি দুই উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান অগ্রণী ব্যাংক ও জীবন বীমা করপোরেশনের কাছ থেকে তহবিল জোগানোর জন্য শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। এ ছাড়া দু-এক দিনের মধ্যে তহবিল গঠন ও ট্রাস্ট চুক্তির অনুমোদন চেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন পাঠানো হবে। এসইসির অনুমোদন পাওয়ার পরপরই তহবিলটি তার কার্যক্রম শুরু করবে।
বাংলাদেশ ফান্ডের মূল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) এমডি মো. ফায়েকুজ্জামান প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানান।
ফায়েকুজ্জামান বলেন, মূল উদ্যোক্তা হিসেবে ইতিমধ্যে আইসিবির পরিচালনা পর্ষদ ফান্ডের ১০ শতাংশ, অর্থাৎ ৫০০ কোটি টাকার অনুমোদন করেছে। সহ-উদ্যোক্তা হিসেবে সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি, জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি, রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ১০০ কোটি এবং সাধারণ বীমা করপোরেশন ১০০ কোটি টাকা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদন করেছে।
এ ছাড়া অগ্রণী ব্যাংক ও জীবন বীমা করপোরেশন মিলে বাকি ৩০০ কোটি টাকা দেবে বলে মৌখিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
ফায়েকুজ্জামান জানান, তহবিলটির অনুমোদন নিয়ে গত বৃহস্পতিবার এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উদ্যোক্তাদের অংশ চূড়ান্ত হলেই অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হবে।
ফায়েকুজ্জামান আরও বলেন, উদ্যোক্তা ও সহ-উদ্যোক্তাদের অংশ চূড়ান্ত হওয়ার পর বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি উদ্যোক্তাদের ফান্ডটিতে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হবে। এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও ফান্ডটিতে অংশ নিতে বলা হবে।
বাংলাদেশ ফান্ড নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) মন্তব্যের ব্যাপারে ফায়েকুজ্জামান বলেন, ‘আমরা এখানে নেতিবাচক কিছু দেখছি না। এটি একটি মিউচুয়াল ফান্ড। পুঁজিবাজার আইনে মিউচুয়াল ফান্ডের সব নিয়ম মেনেই ফান্ডটি আসছে।’
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকারের নির্দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর ৬ মার্চ ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ নামে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।
এই তহবিলের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হতে পারে। এ ছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তহবিলের আকার বাড়ানো যাবে। |
|
|
| 03/26/2011 4:58 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
এক সপ্তাহে ২৪৭ পয়েন্ট কমেছে ডিএসইর সূচক
নানামুখী গুজবে বিনিয়োগকারীরা বিভ্রান্ত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ লেনদেন বাড়লেও মূল্য সংশোধনের ধারায় গত সপ্তাহ পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। নানামুখী গুজবের প্রভাবে অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর পর্যবেৰণশীল মনোভাবের কারণেই সপ্তাহের শেষ তিন দিন অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর উলেস্নখযোগ্যহারে কমে গেছে। মার্চেন্ট ব্যাংকের অমনিবাস হিসাব নিয়ে অনিশ্চয়তা, তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে নানামুখী আলোচনা এবং ব্যাংকিং খাত নিয়ে নানা গুজবের কারণে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী কেনাবেচার পরিবর্তে বাজারের গতি-প্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি লভ্যাংশ ঘোষণার পর উলেস্নখযোগ্যসংখ্যক কোম্পানির শেয়ারের মূল্য সমন্বয় হওয়ায় বাজার সূচকে এর প্রভাব পড়েছে। শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক আখ্যায়িত করে বিশেস্নষকরা বলছেন, বাজারের গতি-প্রকৃতিতে বিনিয়োগকারীদের কোনভাবেই আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। একটু ধৈর্য ধরলেই বাজার ভাল হয়ে যায়।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, সপ্তাহজুড়ে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) মোট ২৬৩টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৯১টির, কমেছে ১৭১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল একটি কোম্পানির দর। এর প্রভাবে ডিএসই সাধারণ সূচক ৩.৮৫ শতাংশ বা ২৪৭.১০ পয়েন্ট কমে ৬১৬৪.৮২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসই সার্বিক সূচক ৩.৭০ শতাংশ বা ১৯৬.৩৫ পয়েন্ট কমে ৫১১১.০৬ পয়েন্টে নেমেছে।
সূচক কমলেও আগের সপ্তাহের তুলনায় আর্থিক লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৬ হাজার ১১৫ কোটি ৯৬ লাখ ২২ হাজার ৪৬০ টাকার শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট এবং কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ২৬.৯০ শতাংশ বেশি। এর আগের সপ্তাহে ডিএসইতে ৪ হাজার ৮১৯ কোটি ৫৪ লাখ ২৯ হাজার ৩১৮ টাকা লেনদেন হয়েছিল।
অন্যদিকে অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ২১৪টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৪২টির, কমেছে ১৬৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টির। এক সপ্তাহে সিএসই নির্বাচিত সূচক ৪.৯ শতাংশ কমে ১১১৪১.৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সারা সপ্তাহে মোট ৬৩৯ কোটি ১২ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৫ টাকা লেনদেন হয়েছে। এই স্টক এঙ্চেঞ্জে আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৫৬৬ কোটি ৪৫ লাখ ১১ হাজার ১১১ টাকা।
বাজার সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরার পরিস্থিতি তৈরি হলেও নানা ধরনের গুজবের কারণে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা বিভ্রানত্ম হয়েছেন। বিশেষ করে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল নিয়ে অনিশ্চয়তার খবর বিনিয়োগকারীদের নিরম্নৎসাহিত করেছে। এছাড়া অমনিবাস হিসাবের আওতাধীন সকল বিনিয়োগ হিসাবকে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশের (সিডিবিএল) সঙ্গে সংযুক্ত করা নিয়ে এসইসির সঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর দর কষাকষির বিষয়টিও বাজারে প্রভাব ফেলছে বলে অনেকে মনে করছেন। এসইসিকে চাপে ফেলতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বাজারে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে তাদের আশঙ্কা। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক সিআরআর আরেক দফা বাড়াচ্ছে_ দু'একদিন ধরে বাজারে এ ধরনের গুজব রয়েছে। এসব কারণে বিনিয়োগকারীরা কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে গত কিছুদিন ধরেই তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে পুঁজিবাজারে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। শেয়ারবাজারের বড় বিনিয়োগকারীদের অনেকেই কারসাজির দায়ে অভিযুক্ত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটতে পারে বলে অনেক বিনিয়োগকারী আশঙ্কা করছেন। বাজারের সামগ্রিক লেনদেনে এর প্রভাব পড়ছে। অধিকাংশ বিনিয়োগকারী কেনা-বেচার পরিবর্তে বাজারের গতি-প্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করছেন। এ কারণেই বাজারে সূচক কিছুটা চুপসে গেছে। |
|
|
| 03/26/2011 4:59 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
দুই ব্যাংক ও এক কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল), আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড ও এপেঙ্ ফুটওয়্যার লিমিটেড।
আইবিবিএল ॥ ব্যাংকের সাধারণ শেয়ারহোল্ডার ও বন্ডহোল্ডারদের ৩৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে আইবিবিএল পরিচালনা পর্ষদ। শুক্রবার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৩৫টি বোনাস শেয়ার পাবেন। একইভাবে বন্ডহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ বন্ডের বিপরীতে ৩৫টি বোনাস বন্ডের অধিকারী হবেন।
আগামী ১৮ মে ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এবং বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১৩ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ২১ পয়সা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩১৬ টাকা ৯৩ পয়সা।
আল আরাফা ব্যাংক ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২৬ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে আল আরাফা ব্যাংক লিমিটেড। শুক্রবার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২৬টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
আগামী ১০ মে আল আরাফা ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) রাজধানীর গলফ গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১০ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর আল আরাফা ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৫ পয়সা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪২ পয়সা।
এপেঙ্ ফুটওয়্যার ॥ গত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিচ্ছে এপেঙ্ ফুটওয়্যার লিমিটেড। শুক্রবার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। শেয়ারহোল্ডাররা ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৪০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন।
আগামী ৩ মে এপেঙ্ ফুটওয়্যারের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১০ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০২ টাকা ৮৭ পয়সা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৬৮৫ টাকা।
সিটি জেনারেল ও মার্কেন্টাইল ইন্সু্যরেন্সের রেকর্ডের তারিখ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ রাইট শেয়ার ইসু্যর অনুমোদন পাওয়ার পর রেকর্ডের তারিখ ঘোষণা করেছে সিটি জেনারেল ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি এবং মার্কেন্টাইল ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।
মার্কেন্টাইল ইন্সু্যরেন্স : কোম্পানিটির ঘোষিত রেকর্ডের তারিখ অনুযায়ী আগামী ১২ এপ্রিল যেসব বিনিয়োগকারীর কাছে কোম্পানির শেয়ার থাকবে তারাই রাইট শেয়ার পাওয়ার দাবিদার হবেন। মার্কেন্টাইল ইন্সু্যরেন্স মোট ১৬ লাখ ৫০ হাজার রাইট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ২৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। শেয়ারহোল্ডাররা ১:১ হারে (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) রাইট শেয়ার পাবেন। মার্কেন্টাইল ইন্সু্যরেন্সের ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের রাইট শেয়ারের জন্য ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ১৫০ টাকা গ্রহণ করা হবে। কোম্পানিটি আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে ১৬ মে পর্যনত্ম রাইট শেয়ারের টাকা জমা নেবে।
সিটি জেনারেল : কোম্পানিটির ঘোষিত রেকর্ডের তারিখ অনুযায়ী আগামী ১৯ এপ্রিল যেসব বিনিয়োগকারীর কাছে কোম্পানির শেয়ার থাকবে তাঁরাই রাইট শেয়ার পাওয়ার দাবিদার হবেন। কোম্পানিটি আগামী ২৪ মে থেকে ২০ জুন পর্যনত্ম রাইট শেয়ারের টাকা জমা নেবে।
কোম্পানিটি মোট ১ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার রাইট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ২৭ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১:১ হারে (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) রাইট শেয়ার পাবেন। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে ৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১৫ টাকা নেয়া হবে। |
|
|
| 03/26/2011 5:01 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
আরও ১১ ব্রোকারেজ হাউসকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা
'জেড' ক্যাটাগরির শেয়ারে মার্জিন ঋণ প্রদান
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মার্জিন ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য ১১টি ব্রোকারেজ হাউসকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় জরিমানার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে একই অনিয়মের জন্য ১২টি ব্রোকারেজ হাউসকে সমপরিমান জরিমানা করা হয়েছিল।
গত সপ্তাহে জরিমানার মুখে পড়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো_ আইসিবি সিকিউরিটিজ, শ্যামল ইকু্যইটি ম্যানেজমেন্ট, এসএনএম সিকিউরিটিজ, মাইকা প্রপার্টিজ অ্যান্ড সার্ভিসেস, ম-ল সিকিউরিটিজ, ডায়নামিক সিকিউরিটিজ, এঙ্পো ট্রেডার্স এবংএনসিসি ব্যাংক ব্রোকারেজ হাউস।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত 'জেড' ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে মার্জিন দেয়া নিষিদ্ধ থাকলেও অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো তা ভঙ্গ করেছে। প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে এসইসির পৰ থেকে গঠিত তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনে এ অভিযোগ প্রমাণিত হয়। বিধি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের শুনানিতে ডাকা হয়। তবে তাদের দেয়া ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় জরিমানার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময়ে ডিএসইর সদস্য ২৩টি ব্রোকারেজ হাউসে 'জেড' ক্যাটাগরিভুক্ত শেয়ারে মার্জিন ঋণ প্রদানের তথ্য পেয়েছে এসইসি। এর প্রভাবে দূর্বল মৌলভিত্তির এসব কোম্পানির শেয়ারের দর অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এসইসির পৰ থেকে ব্রোকারেজ হাউস পরিদর্শনকালে এ অনিয়ম চিহ্নিত করা হয়। পরে কমিশনের পৰ থেকে এ বিষয়ে তদনত্ম কমিটি গঠন করা হয়। তদনত্মে মার্জিন ঋণ প্রদানে অনিয়ম প্রমাণিত হয়। এ কারণে সংশিস্নষ্ট ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে শুনানিতে ডাকা হয়। শুনানিতে হাজির হয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা অনিয়মের অভিযোগ স্বীকার করে এসইসির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। তবে তাদের এই আবেদন গ্রহণ না করে বিধি অনুযায়ী শাসত্মি প্রদানের জন্য কমিশন সভায় পেশ করা হয়। প্রথম দফায় গত ১ মার্চ অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় ১২টি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। আর ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় বাকি ১১টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিআইএফসি ও ফাইন ফুডের কর্মকর্তাদের শুনানিতে ডেকেছে এসইসি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট আইন ভঙ্গ করায় বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি) এবং ফাইন ফুডস লিমিটেডকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কোম্পানি দুটির কিছু কর্মকর্তা সিকিউরিটিজ ও এঙ্চেঞ্জ কমিশন (সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালা, ১৯৯৫ ভঙ্গ করায় এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তাদের শুনানির জন্য এসইসিতে তলব করা হয়েছে। পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট আইন ভঙ্গ করেছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, সিকিউরিটিজ ও এঙ্চেঞ্জ কমিশন (সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালা, ১৯৯৫ এর ৩(১) ধারা অনুযায়ী মূল্য সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহের ওপর বাধা নিষেধ কোম্পানির সংঘবিধি এবং কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্য কোন বিধি-বিধানের প্রয়োজন ছাড়া কোম্পানি থেকে সুবিধাভোগী কোন ব্যক্তি মূল্য সংবেদনশীল তথ্য অন্য কারও কাছে সরবরাহ করতে পারে না।
একই বিধিমালার ৪(১) ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি নিজে বা অন্য কারও মাধ্যমে সুবিধাভোগী ব্যবসা করতে পারবে না। পাশাপাশি সুবিধাভোগীরা অন্য কাউকে ব্যবসার বিষয়ে কোন ব্যক্তিগত পরামর্শ দিতে পারবে না। বিআইএফসি এবং ফাইন ফুডের কিছু কর্মকর্তা বিধিমালার এ দু'টি ধারা ভঙ্গ করেছে বলে এসইসির প্রাথমিক তদনত্মে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণেই সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তাদের আত্মপৰ সমর্থনের জন্য শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এরমধ্যে ফাইন ফুডের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় ডিএসইর কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস |
|
|
| 03/26/2011 5:03 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Somokal
বুক বিল্ডিং বিধির সংশোধন চায় না চার স্টেকহোল্ডার
আনোয়ার ইব্রাহীম
আইপিওর (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) বুক-বিল্ডিং পদ্ধতি এ মুহূর্তে সংশোধন না করার পক্ষে মত দিয়েছে শেয়ারবাজারের চার স্টেকহোল্ডার। তারা বলছেন, বর্তমান আইনটি পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। আপাতত বুক বিল্ডিং আইন স্থগিত রাখার পক্ষে মত দিয়ে তারা বলেন, এর ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা থাকলে, তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তবে তা শেয়ারবাজারের কারসাজি বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার পর।
গতকাল ওই চার স্টেকহোল্ডার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের (বিএপিএলসি) বৈঠকে এসব কথা বলা হয়। ডিএসইর প্রধান কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।
প্রসঙ্গত, বুক বিল্ডিং বিধি সংশোধন করার উদ্যোগের প্রেক্ষাপটে গত সোমবার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামত নেওয়ার জন্য শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) একটি যৌথ সভা করে। সভায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো মতামত প্রদানের জন্য ২৮ মার্চ পর্যন্ত সময় নেয়। এ পরিপ্রেক্ষিতেই সংশ্লিষ্টরা নিজেদের যৌথ মতামত দেওয়ার জন্য গতকাল নিজেরা আলোচনায় বসেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটো, সহসভাপতি মোঃ শাহজাহান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সতিপতি মৈত্র, সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আল মারুফ খান, বিএমবিএর পক্ষে জনতা ক্যাপিটাল ও ইনভেস্টমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর, বিএপিএলসির সভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমান প্রমুখ।
গতকালের বৈঠক সম্পর্কে ডিএসই জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটো বলেন, এসইসি বুক-বিল্ডিং আইনের সংশোধন বিষয়ে মতামত চাওয়ায় শেয়ারবাজারের প্রধান চার প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা একটি সম্মিলিত মতামত প্রদানের জন্য ওই বৈঠকে বসেন। এ বিষয়ে আমাদের সম্মিলিত মত হলো, বুক বিল্ডিং বিধি এ মুহূর্তে সংশোধন করার প্রয়োজন নেই। তাই এর সংশোধন প্রস্তাব বিষয়ে আমরা কোনো মতামত দেওয়ার প্রয়োজন দেখছি না। শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক দরপতন বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রসঙ্গ ধরে ডিএসই জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আরও বলেন, শিগগিরই কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে, হয়তো বেশ কিছু আইন সংশোধনের প্রস্তাব করবে। এখন বুক-বিল্ডিং বিধি সংশোধন করার পর কয়েকদিন পরই হয়তো অন্য কোনো আইন সংশোধন করার প্রয়োজন পড়বে। এতে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বস্তি বোধ করবেন না। বুক-বিল্ডিং বিধির সংশোধন প্রসঙ্গে আহসানুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বিধিতে কোনো সমস্যা আছে বলে আমি মনে করি না। তাই এ বিধিতে বিশেষ কোনো বাধ্যবাধকতা রাখার পক্ষে নই। তবে এর ব্যবহার নিয়ে কিছু প্রশ্ন থাকতে পারে। সেগুলো কীভাবে সমাধান করা যায় সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করতে পারি।
প্রসঙ্গত, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে সরকারের নির্দেশে এসইসি গত ২০ জানুয়ারি এ পদ্ধতিটি স্থগিত করে। পরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি এ বিধির বেশ কিছু সংশোধন প্রস্তাব এনেছে। যার উল্লেখযোগ্য হলো_ এ পদ্ধতিতে শেয়ার বিক্রি করতে ইচ্ছুক কোম্পানির নির্দেশক মূল্য (ইনডেকেটিভ প্রাইস) কোনোক্রমে তার মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ১৫ এর বেশি বা তার শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্যের (এনএভি) পাঁচগুণের বেশি বা এ দুইটির মধ্যে যেটি কম তার থেকে বেশি হবে না। শেয়ারবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এসইসির এ সংশোধন প্রস্তাব গৃহীত হলে কোম্পানিগুলো তাদের চাহিদার তুলনায় চার থেকে পাঁচ ভাগের এক ভাগ পরিমাণ মূল্য পাবে। এরই মধ্যে বুক-বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার বিক্রি করতে উদ্যোগ নেওয়া অন্তত ৪০টি কোম্পানি অভিহিত মূল্যের ৫ থেকে ১৭ গুণ পর্যন্ত মূল্য নিয়েছে। |
|
|
| 03/26/2011 5:03 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Somokal
আর্থিক খাতের শেয়ারের দর কমেছে
সমকাল প্রতিবেদক
সার্বিকভাবে গত সপ্তাহে দেশের উভয় বাজারে শেয়ারদর কমেছে। দর কমার দিক থেকে আর্থিক খাতের ব্যাংক, বীমা, লিজিং এবং মিউচুয়াল ফান্ডের প্রায় সবকটি ছিল সর্বাধিক। অন্য সব খাতে শেয়ার দর কমলেও তাতে মিশ্র অবস্থা ছিল। দেশের উভয় বাজারে আগের সপ্তাহের তুলনায় দৈনিক শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণ কিছুটা বেড়েছিল।
গত সপ্তাহে ঢাকার বাজারে লেনদেন হওয়া ২৬৩টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ১৭১টিরই দর কমেছে, বেড়েছে ৭১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১টির দর। ডিএসইর সাধারণ সূচক আগের সপ্তাহের তুলনায় ২৪৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬১৬৪ পয়েন্টে। সূচক কমার হার ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ছয় হাজার ১১৬ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজ। দেশের অপর শেয়ারবাজার সিএসইর নির্বাচিত খাত সূচক কমেছে ৬৮১ পয়েন্ট, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে এ বাজারে মোট ৬৩৯ কোটি ১২ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের লেনদেন সম্পন্ন হয়। লেনদেন হওয়া ২১৪টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ১৬৮টির দর কমে, বাড়ে ৪২টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৪টির দর।
ডিএসইতে গত সপ্তাহে যে ১৭১টির কোম্পানির শেয়ার দর কমে, তার মধ্যে ব্যাংকিং খাতের ৩০টির মধ্যে ২৭টি রয়েছে। বীমা খাতের ৪৪টির মধ্যে কমেছে ৪১টির, লিজিং খাতের ২১টির মধ্যে ১৭টির এবং মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ৩৪টির মধ্যে ৩০টিরই দর কমেছে। তবে ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২০টি কোম্পানির মধ্যে ১৩টির দর বেড়েছে। একই ভাবে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ১৫টির মধ্যে দর বেড়েছে ৯টির। দরবৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রায় একই অবস্থা ছিল অন্যসব খাতে।
এদিকে, খাতভিত্তিক মোট লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং খাতের লেনদেন ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। গত সপ্তাহে এ খাতে ৩০ কোম্পানির অনুকূলে মোট লেনদেন হয়েছে ৯১৭ কোটি টাকারও বেশি শেয়ার, খাতভিত্তিক মোট লেনদেনের দিক থেকে এটির অবস্থান শীর্ষে। এর পরের অবস্থানে ছিল লিজিং খাত, লেনদেন হয়েছে ৮৬৪ কোটি টাকার শেয়ার। তৃতীয় অবস্থানে বস্ত্র খাতের লেনদেন সাম্প্রতিক সময়ের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে; গত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ৭৯৫ কোটি টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৩ শতাংশ। একইসঙ্গে প্রকৌশল খাত, জ্বালানি, বীমা ও বিবিধ খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে লেনদেন বেড়েছে। |
|
|
| 03/26/2011 5:07 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
Sunday, March 27, 2011
BusinessStocks down for second week
Star Business Report Stocks fell for a second straight week, influenced by sell-offs. The benchmark index of Dhaka Stock Exchange (DGEN) lost 247 points, or 3.85 percent, to close at 6,114 points last week.
Market insiders said investors, including the institutions, went for panic sales of shares as they became nervous about how the market would behave after the release of an investigation report. A committee that probed the recent stockmarket debacle will submit its investigation report on March 31.
Most investors speculated that the probe report would name some big market players, including businessmen, politicians and bankers, as responsible for the debacle in January, said insiders.
Akter H Sannamat, a market analyst, said the International Monetary Fund (IMF) warning about the country's economic condition intensified further and Bangladesh Fund will fail to make a positive impact on the capital market in helping the investors regain their dashed confidence.
Sannamat said, however, there is no matter of fear that the market will drop any further.
Most of the major sectors retraced this week: banks lost 6.16 percent, non-bank financial institutions 4.56 percent and telecommunication sector was the biggest loser of the week with Grameenphone retracing 8.03 percent, while the pharmaceuticals gained 1.49 percent, fuel and power 1.53 percent and tannery 1.12 percent.
Of the total 263 issues traded in the week on the DSE floor, 171 declined, 91 advanced and one remained unchanged.
Beximco topped the turnover leaders with 13.67 lakh shares worth Tk 421.61 crore traded through the week.
The other turnover leaders of the week were People's Leasing and Financial Services, Bextex, Titas Gas, Aftab Automobiles, Golden Son, United Airways, Maksons Spinning Mills, R N Spinning Mills and Union Capital.
|
|
|
| 03/26/2011 5:08 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE REPORT
Some SEC officials may get the axe
Mohammad Mufazzal
The government is likely to remove some top and mid-level officials of the securities regulator shortly in a move to bring about integrity, transparency and dynamism in its operations, sources said.
The government is seriously considering appropriate measures as a section of officials of the Securities and Exchange Commission (SEC) were blamed for helping vested quarters in siphoning off a large amount of money from the stock market. The body now investigating the share market scam has also found some truth in such allegations.
Sources said the government has already selected persons who would replace some top officials of the securities regulator.
The probe body is expected to submit its report recommending restructuring of the SEC.
A competent source said the probe body members Friday called on the Finance Minister AMA Muhith at his residence and gave a hint about the possible structural changes of the SEC.
"The finance minister also felt the necessity of restructuring the SEC," the source told the FE.
After the meeting held at the residence of finance minister, the probe body expressed their hope that the government would take action in accordance with the report that they will be submitting.
"The government is awaiting the report of the probe body," the source told the FE. Though the report would be ready within the deadline, it would be submitted to the finance minister on April 4 when he returns home from a foreign trip. The minister is scheduled to leave Dhaka today (Saturday).
"It's a matter of pleasure that the finance minister is positive to bring about structural changes in the capital market regulatory body, a probe body member said.
Sources said the probe body has scanned the activities of some businessmen, politicians, key officials of PM (prime minister) and SEC offices, members of the DSE board and listing committee and different stakeholders who allegedly made hefty profits through illegal private placement.
|
|
|
| 03/26/2011 5:10 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE Report
Dhaka stocks see sell pressure
Dhaka stocks finished lower than the previous week as sell pressure gripped the investors in the last three sessions of the week amid high volatility in all the five trading sessions.
Starting the week positively the benchmark index of Dhaka Stock Exchange (DSE)-- DGEN plummeted 3.85 per cent or 247.10 points to peg at 6,164.82.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 5,111.06, losing 3.70 per cent or 196.35 points. The DSE-20 index including blue chips lost 5.01 per cent or 206.26 points to 3,909.03.
Out of five trading sessions, Index shed in the last three sessions amid strong sell pressure mainly due to concern over formation of Bangladesh Fund.
Market insiders said, in the last three trading sessions investors became shaky over comment of the International Monetary Fund (IMF) about the exposure risk in relation to banks' stock market investment. During the week, total turnover of the week increased significantly as it happened to have one more working day compared to the previous week. Total turnover for the week stood at Tk 61.15 billion (USD 886.4 million).
However, during the week the daily average turnover value slightly increased. The daily average turnover in the week was Tk 12.2 billion in value terms, slightly up by 1.5 per cent compared to the previous week.
The total market capitalization stood at Tk 2772.52 billion at the end of the week, down by 3.40 per cent compared to the previous session from Tk 2,870.11 billion on the opening day of the week.
Out of 263 issues traded during the week, only 91 advanced, 171 declined and one issue remained unchanged.
Most of the major sectors lost during the week with telecommunication sector suffered most. Grameenphone, the lone listed company in the telco sector lost 8.03 per cent in the week.
Among the losers were banking sector and non-banking financial sector lost 6.16 per cent and 4.56 per cent respectively. Insurance sector was also among the losers with general insurances and life insurances losing 7.52 per cent and 2.55 per cent respectively.
Cement sector lost 4.18 per cent while pharmaceuticals 1.49 per cent, fuel & power 1.53 per cent and tannery 1.12 per cent were among the few gainers of the week.
The week started with a positive movement of DGEN continuing from the last working session of the previous week.
The benchmark DGEN went up 57.99 per cent or 0.90 per cent and stood at 6,469.91, Sunday, the opening day of the week with substantially rise in turnover value due to broader participation of the investors. On the day, turnover stood at Tk 15.24 billion after nearly two and half months highest since January 12.
On Monday, the Dhaka stocks also gained 58.30 points or 0.90 per cent with substantially rise in turnover as the investors went for fresh buying mainly on banking and power issues.
On Tuesday, the DGEN, of the DSE ended at 6,451.85, shedding 1.17 per cent or 76.36 points amid profit taking some sector. The market also experienced sharp decline in the turnover volume and see-saw throughout the whole trading session.
However, market experts termed the profit taking, which resulted in a price correction in the market, as a good sign for a sound market.
On Wednesday, bearish mood continued with high volatility as investors took cautious stand by selling off shares which prompted main index DGEN go down by 110.93 points or 1.71 per cent.
On Thursday, the market also closed negative as the DGEN shed 2.77 per cent or 6,164.81 points. Turnover decreased by 18.5 per cent.
Beximco Limited retained its top turnover position during the week with shares worth Tk 4.22 billion changing hands.
The other turnover leaders were Peoples Leasing & Financial Services,
BEXTEX Limited, Titas Gas, Aftab Automobiles, Golden Son, United Airways, Maksons Spinning Mills Limited, R N Spinning Mills Limited and Union Capital.
Bangas was the week's top gainer posting 33.86 per cent. It was followed by Tallu Spinning, Chittagong Vegetable, Pharma Aids, Imam Button, Mithun Knitting, Jute Spinning, Anlima Yarn Dyeing Ltd, Desh Garment and BD Autocars.
Eastland Insurance was the top loser of the week followed by Premier Bank Ltd, Phoenix Finance First Mutual Fund, First Lease Finance & Investment Ltd, Quasem Drycells, Asia Insurance Limited, Rupali Insurance, Active Fine Chemicals Limited, United Airways (BD) Ltd and Federal Insurance.
Last week nine listed companies made their corporate declaration. Among them Trust Bank recommended 20 per cent bonus share, Union Capital 75 per cent bonus share, Rupali Bank 10 per cent bonus, Reliance Insurance 35 per cent bonus, RN Spinning 30 per cent bonus, PLFSL 75 per cent, First lease International 75 per cent bonus, Padma Oil 50 per cent Cash and 50 per cent bonus and Jamuna oil recommended 30 per cent cash and 20 per cent stock dividends.
|
|
|
| 03/26/2011 5:11 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE Report
NAV of Prime Financial First Unit Fund
The total NAV of Prime Financial First Unit Fund stood at Tk 207,615,947 on the basis of cost price and Tk 187,895,171 on the basis of market price at the close of business operation on March 24, 2011.
The NAV per unit stood at Tk 100.58 on the basis of cost price and Tk 91.03 on the basis of current market price on the same day against the face value of Tk 100.00 per unit after taking into consideration all assets and liabilities of the Fund. |
|
|
| 03/26/2011 5:12 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
এমএলএম ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে আইন হচ্ছে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানির ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে অচিরেই আইন করছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এ ব্যবসা নীতিমালার আওতায় আনতে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১১ নামে একটি আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা দৈনিক আমার দেশকে বলেন, এর মধ্যেই আইনটির খসড়া চূড়ান্ত হয়ে গেছে। যাচাই-বাছাইয়ের জন্য খসড়াটি দু’একদিনের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। তিনি জানান, কাল্পনিক দ্রব্য ব্যতিরেকে শুধু অস্তিত্বসম্পন্ন পণ্য বিক্রয়ের বিধান রেখে এমএলএম ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে আইনটি পাস হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এ কর্মকর্তা জানান, কেউ এমন কোনো পণ্য বিক্রয় করতে পারবে না সত্যিকারে যেটার অস্তিত্ব নেই। কাল্পনিক জগতের কোনো বস্তুর প্রলোভন দেখিয়ে টাকা সংগ্রহ করা যাবে না। তিনি আরও বলেন, মাল্টিলেভেল কোম্পানির জন্য এ রকম কাজ করা সম্পূর্ণ অবৈধ। এটি ব্যাংক ব্যবসায়ীদের কাজ বলেও তিনি মনে করেন। কোম্পানিগুলো শতভাগ আর্থিক লাভ দেয়ার লোভ দেখিয়ে টাকা নিচ্ছে। এতে অনেকেরই বিপুল অংকের টাকা প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জানা যায়, বাংলাদেশে জয়েন্ট স্টক কোম্পানির আওতায় রেজিস্ট্রেশন করে অর্ধ শতাধিক কোম্পানি এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তাদের অধিকাংশই উচ্চ দামে গ্রাহকদের নিম্নমানের পণ্য দিয়ে আসছে। আবার তাদের অনেকেই গ্রাহকদের কোনো পণ্যই প্রদান করে না। বরং তাদের টাকা দিয়ে বিদেশ থেকে পণ্য ক্রয় করার কথা বলে টাকা নেয়। এর আগে এমন অনেক কোম্পানি গ্রাহকদের উচ্চহারে লাভ দেয়ার কথা বলে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়ে রাতের আঁধারে হারিয়ে গেছে। এর শিকার হয়ে শত শত লোক তাদের শেষ সম্বল হারিয়ে পথে বসেছেন।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রণালয় ‘এমএলএম নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১১’-এর চূড়ান্ত খসড়া প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেছে। পর্যালোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আইনটি পাস হলে এর মাধ্যমে সরকার দেশের এমএলএম ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, প্রথমে দেশের এমএলএম ব্যবসা পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়নের চিন্তাভাবনা চলছিল। পরে দেশে ব্যবসাটির বিস্তৃতি ও এর মধ্যেই এ খাতের কর্তা ব্যক্তিদের অসঙ্গতি দেখে একটি আইন করা হচ্ছে, যেন এ খাত নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, মালয়েশিয়া, ইংল্যান্ড ও থাইল্যান্ডে বিভিন্ন আইনের মাধ্যমে এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তাই আমরাও এমএলএম ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতে এবার আইন প্রণয়ন করছি। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, নতুন ও বর্তমান এমএলএম কোম্পানিকে জয়েন্ট স্টক কেম্পানি আইনের আওতায় লাইসেন্স নিতে হবে। তাদের পণ্য তালিকায় নতুন কোনোকিছু যোগ করতে হলেও কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। পণ্যের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য মোড়কে লেখা থাকতে হবে। কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স প্রদানের পাশাপাশি সর্বদা পণ্যের দাম ও মান পর্যবেক্ষণ করবে।
সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে অনেক কোম্পানি মাল্টি লেভেল মার্কেটিংয়ের নামে কম দামের পণ্য খুবই উচ্চমূল্যে বিক্রয় করছে। মাত্র কয়েক ডলারে কেনা একটি ব্রেসলেট প্রায় ৬ হাজার টাকায় বিক্রয় করছে কয়েকটি কোম্পানি। নতুন আইনের আওতায় এ বিষয়টিও পর্যবেক্ষণ করবে কর্তৃপক্ষ। যদি কোনো সময় এমএলএম কোম্পানির পণ্যমূল্য বাজার মূল্যের চেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয় তবে পর্যবেক্ষক সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন।
তবে নতুন এ আইনের আওতায় এমএলএম নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে কোনো বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে না। এ ব্যবসার নামে কেউ যদি প্রতারণা করে বা অন্য কোনো ভুল করে তবে তাদের গ্রেফতার, কোনো শাস্তি প্রদান বা জরিমানা করার এখতিয়ার এ কর্তৃপক্ষের থাকবে না। যে কোনো অন্যায়ের জন্য এমএলএম কোম্পানিকে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় বিচার করা হবে।
|
|
|
| 03/26/2011 5:13 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
সপ্তাহের শেয়ারবাজার : ডিএসই সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
গত সপ্তাহে দেশের দুই পুঁজিবাজারেই সূচকের পতন হয়েছে। সেইসঙ্গে কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর। তবে উভয় বাজারে আগের সপ্তাহের চেয়ে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল বেশি। সমাপ্ত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই পতন হয়েছে সূচকের। তিন দিনে ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই) সাধারণ সূচক কমেছে ৩৬৪ পয়েন্ট। আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে একদিনে কমেছে ১৭৬ পয়েন্ট। তবে সপ্তাহের শুরুতে রোববার ও সোমবার সূচক কিছুটা বাড়ে। দুই দিনে ডিএসই সাধারণ সূচক বাড়ে ১১৭ পয়েন্ট। কিন্তু সপ্তাহ শেষে মোট সূচক কমেছে ২৪৭ পয়েন্ট। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ২৬৩টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯১টির, কমেছে ১৭১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল একটি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এদিকে আগের সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছিল ২২৭ পয়েন্ট। সবমিলিয়ে গেল দুই সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে ৪৭৪পয়েন্ট। এ সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৬ হাজার ১১৫ কোটি ৯৬ লাখ ২২ হাজার ৪৬০ টাকার শেয়ার ও ইউনিট, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ২৬ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল মোট ৪ হাজার ৮১৯ কোটি ৫৪ লাখ ২৯ হাজার ৩১৮ টাকা। দরপতনের ফলে গত সপ্তাহে বাজার মূলধন কমেছে ৯ হাজার ৭৫৯ কোটি টাকা। গত দুই সপ্তাহে মোট বাজার মূলধন কমেছে ১৯ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। এদিকে টানা দুই সপ্তাহ পুঁজিবাজারের এ নিম্নমুখী প্রবণতাকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন বলে মেনে নিতে পারছেন না সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। আর এ সঙ্কটের জন্য ইন্টারন্যাশনাল মনিটরিং ফান্ডের (আইএমএফ) ‘বাংলাদেশ তহবিল’ নিয়ে মন্তব্যকেই দায়ী করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
গেল সপ্তাহে দাম বৃদ্ধির দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি বঙ্গজ। এরপর পর্যায়ক্রমে ছিল তাল্লু স্পিনিং, চিটাগাং ভেজিটেবল, ফার্মা এইডস, ইমাম বাটন, মিথুন নিটিং, জুট স্পিনার্স, আনলিমা ইয়ার্ন, দেশ গার্মেন্টস ও বিডি অটোকারস।
দাম কমার দিক দিয়ে দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স। এরপর ক্রমানুসারে ছিল প্রিমিয়ার ব্যাংক, ফিনিক্স ফিন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, কাসেম ড্রাইসেলস, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালস, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ও ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স।
লেনদেনের ক্ষেত্রে দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি বেক্সিমকো লিমিটেড। এরপর ছিল যথাক্রমে পিপলস লিজিং, বেক্সটেক্স, তিতাস গ্যাস, আফতাব অটোমোবাইলস, গোল্ডেন সন, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ম্যাকসন্স স্পিনিং, আরএন স্পিনিং ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৯টি কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ট্রাস্ট ব্যাংক ২০ শতাংশ শেয়ার, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল ৭৫ শতাংশ শেয়ার, রূপালী ব্যাংক ১০ শতাংশ শেয়ার, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স ৩৫ শতাংশ শেয়ার, যমুনা অয়েল ৩০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ শেয়ার, আরএন স্পিনিং ৩০ শতাংশ শেয়ার, পিএলএফএসএল ৭৫ শতাংশ শেয়ার, পদ্মা অয়েল ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ শেয়ার ও ফার্স্ট লিজ ৭৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
অন্যদিকে, গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয় ২১৪টি কোম্পানির। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৪২টির, কমেছে ১৬৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
একইসঙ্গে সিএসইতে সাধারণ সূচক ৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১১ হাজার ১৪১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ৪ দশমিক ৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ২৪৫ পয়েন্টে।
গেল সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৬৩৯ কোটি ১২ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৫ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। যেখানে আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৫৬৬ কোটি ৪৫ লাখ ১১ হাজার ১১১ টাকা।
এ সপ্তাহে ডিএসইর মতো সিএসইতেও লেনদেনের ক্ষেত্রে দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড। এরপর যথাক্রমে ছিল ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, বেক্সটেক্স, আফতাব অটোমোবাইলস, ম্যাকসন্স স্পিনিং, পিপলস লিজিং, ইউসিবিএল, এবি ব্যাংক, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক ও গ্রামীণফোন।
|
|
|
| 03/26/2011 5:14 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
এ সপ্তাহে ১৪ কোম্পানির এজিএম-ইজিএম
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
চলতি সপ্তাহে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৪টি কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা যায়। কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, প্রাইম ব্যাংক, এইচ আর টেক্সটাইল মিলস, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, ঢাকা ব্যাংক, প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ইস্টার্ন ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএলএফএসএল), এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড, ব্যাংক এশিয়া, আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেড ও পূবালী ব্যাংক।
আজ ২৭ মার্চ লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্সের এজিএম ও ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। গুলশান-১-এর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে সকাল সাড়ে ১০টায় ইজিএম ও বেলা ১১টায় এজিএম শুরু হবে। কোম্পানিটি গত অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫৫ শতাংশ শেয়ার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার রেকর্ড ডেট ছিল গত ৩ মার্চ। পাশাপাশি আজ প্রাইম ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর হোটেল শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে সকাল সাড়ে ১০টায় এজিএম শুরু হবে। ব্যাংকটি গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৩৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যার রেকর্ড ডেট ছিল গত ৩ মার্চ। ২৮ মার্চ এইচআর টেক্সটাইলস মিলস লিমিটেডের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ট্রাস্ট মিলনায়তনে এজিএম শুরু হবে। কোম্পানিটি সমাপ্ত বছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ছিল এর রেকর্ড ডেট। একইদিন মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজিএম-ইজিএম, ওয়ান ব্যাংক ও কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ইজিএম শুরু হবে সকাল ১০টায় ও এজিএম সাড়ে ১০টায়। এছাড়া বেলা ১১টায় রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে ওয়ান ব্যাংকের এজিএম শুরু হবে। একই সময়ে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের এজিএম শুরু হবে। মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ওয়ান ব্যাংক তার শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫৫ শতাংশ শেয়ার এবং ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স গত অর্থবছরের জন্য এদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৭ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কোম্পানিগুলোর রেকর্ড ডেট ছিল যথাক্রমে ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৩ মার্চ ও ১০ মার্চ।
|
|
|
| 03/26/2011 5:15 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ১৪ কোম্পানির এজিএম-ইজিএম চলতি সপ্তাহে
----------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৪টি কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েব সাইট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
আগামী ২৭ মার্চ লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স লিমিটেডের এজিএম ও ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। গুলশান-১ এর স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে সকাল সাড়ে ১০টায় ইজিএম ও বেলা ১১টায় এজিএম শুরু হবে। কোম্পানিটি গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের ৫৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ৩ মার্চ।
একইদিন প্রাইম ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর হোটেল শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে সকাল সাড়ে ১০টায় এজিএম শুরু হবে। ব্যাংকটি গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৩৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ৩ মার্চ।
আগামী ২৮ মার্চ এইচআর টেক্সটাইলস মিলস লিমিটেডের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট’র ট্রাস্ট মিলনায়তনে এজিএম শুরু হবে। কোম্পানিটি গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ছিল এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট।
একইদিন মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এজিএম-ইজিএম, ওয়ান ব্যাংক ও কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।
ওইদিন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ইজিএম শুরু হবে সকাল ১০টায় ও এজিএম সাড়ে ১০টায়। এছাড়া বেলা ১১টায় রাজধানীর অফিসার্স কাবে ওয়ান ব্যাংকের এজিএম শুরু হবে। একইসময়ে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের এজিএম শুরু হবে ।
মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক ও কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স গত অর্থবছরের জন্য এদের শেয়ারহোল্ডারদের যথাক্রমে ২০ শতাংশ শেয়ার, ৫৫ শতাংশ শেয়ার এবং ৫ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কোম্পানিগুলোর এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল যথাক্রমে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৩মার্চ ও ১০মার্চ।
আগামী ২৯ মার্চ ঢাকা ব্যাংক ও প্রাইম ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে।
ওইদিন এয়ারপোর্ট রোডের হোটেল রেডিসনে বেলা ১১টায় ঢাকা ব্যাংকের ও সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রাইম ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের এজিএম শুরু হবে। এ কোম্পানি দুটি গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য যথাক্রমে ৩৫ শতাংশ শেয়ার ও ৮০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
আগামী ৩০ মার্চ ইস্টার্ন ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (আইএলএফএসএল), এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেডের এজিএম ও ব্যাংক এশিয়ার এজিএম-ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে।
ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইস্টার্ন ব্যাংকের এজিএম শুরু হবে। এছাড়া বেলা ১১টায় আইএলএফএসএল-এর ও সাড়ে ১১টায় এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেডের এজিএম শুরু হবে।
ইস্টার্ন ব্যাংক, আইএলএফএসএল, ব্যাংক এশিয়া ও এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের যথাক্রমে ৫৫ শতাংশ শেয়ার, ৬০ শতাংশ শেয়ার, ৪০শতাংশ শেয়ার এবং ৫শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
আগামী ৩১ মার্চ আইডিএলসি ফিন্যান্স লিমিটেড ও পূবালী ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন বেলা ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আইডিএলসির ও বেইলি রোডের অফিসার্স কাবে পূবালী ব্যাংকের এজিএম শুরু হবে।
কোম্পানি দুটি গত অর্থবছরের জন্য এর শেয়ারহোল্ডারদের যথাক্রমে ৩৫ শতাংশ নগদ ও ৬৫ শতাংশ শেয়ার এবং ৫ শতাংশ নগদ ও ৩৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৩৩ ঘণ্টা, মার্চ ২৫, ২০১১
|
|
|
|