| 04/25/2011 4:39 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
শেয়ারবাজারে টানা দরপতন বিক্ষোভ সংঘর্ষ আগুন : একদিনেই ডিএসই সূচক কমেছে ২১২ পয়েন্ট
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
টানা দরপতনে পুঁজি হারিয়ে বিনিয়োগকারীরা ফের রাস্তায় নেমে এসেছে। গত ৮ কার্যদিবসের মধ্যে ৭ দিনই শেয়ারবাজারে দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজির একটি বড় অংশ হারিয়েছেন। গতকাল লেনদেন শুরুর পর থেকে সূচকের ক্রমাগত পতন হতে থাকলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের আতঙ্ক দেখা দেয়। বেলা সাড়ে ১২টায় মাত্র দেড় ঘণ্টার লেনদেনে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১৩৮ পয়েন্ট পতন হলে কয়েকশ’ বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারী রাস্তায় নেমে আসে। তারা ডিএসই ভবনের সামনের রাস্তায় জড়ো
হয়ে দরপতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। আগুন জ্বালিয়ে রাজপথ দখলে নেয় তারা। তাদের বিক্ষোভের কারণে রাজধানীর মতিঝিল থেকে ইত্তেফাকের মোড় পর্যন্ত রাস্তায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা শেয়ারবাজারে দরপতনের জন্য অর্থমন্ত্রী, এসইসি চেয়ারম্যান ও ডিএসই প্রেসিডেন্টকে দায়ী করে অবিলম্বে তাদের পদত্যাগের দাবি জানায়।
এদিকে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভের পরও শেয়ারবাজারে পতন অব্যাহত ছিল, যা লেনদেনের শেষ অবধি বজায় ছিল। ফলে দিনশেষে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় ২১২ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ হারিয়ে ৫ হাজার ৮৬৩ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়। গত ৮ মার্চের পর এটিই ডিএসই সূচকের সর্বনিম্ন অবস্থান। ওই সময় ডিএসই সাধারণ সূচক ছিল ৫ হাজার ৭৭৯ দশমিক ৯১ পয়েন্ট। অপরদিকে গত ১৪ ফেব্রুয়ারির পর গতকাল একদিনে সূচকের সর্বোচ্চ পতন হয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি ডিএসই সাধারণ সূচকের পতন হয়েছিল ৪৭৩ পয়েন্ট। এ সময় বিনিয়োগকারীরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছিল। শেয়ারবাজারে দরপতনের প্রতিবাদে সর্বশেষ বিক্ষোভের ঘটনা ছিল সেটি। গতকাল আবার ২ মাস ১০ দিন পর ফের বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। গতকাল ডিএসই সাধারণ সূচকের পাশাপাশি ডিএসই-২০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৯০ পয়েন্ট হারিয়ে ৩ হাজার ৭১৯ পয়েন্টে এবং ডিএসআই সূচক ১৭৩ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮৭৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা জানান, শেয়ারবাজারে কারসাজি নিয়ে গঠিত তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও এর প্রভাব পড়েছে। অর্থমন্ত্রী তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে একেক সময় একেক বক্তব্য দেয়ায় বিভ্রান্তি আরও বাড়ছে। বিভ্রান্তি দূর করে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করার বিষয়ে সরকারের উচিত দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া। এ নিয়ে যত বেশি দেরি হবে বাজারে তত বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। তবে সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ মনে করেন, যাদের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে কারসাজির অভিযোগ উঠেছে তারাই পরিকল্পিতভাবে শেয়ারবাজারে ধস নামাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে যাতে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া না হয়, সেজন্য চাপ সৃষ্টি করতেই তারা দরপতন ঘটাচ্ছে। গতকাল দরপতনের প্রতিবাদে যারা রাস্তায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন, তাদের মধ্যে ক’জন ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, তদন্ত কমিটি গঠন করার পর থেকেই বাজারে ফের দরপতন শুরু হয়েছে। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শেয়ারবাজারে ভয়াবহ ধস শুরু হলেও পরে তা স্থিতিশীল হতে শুরু করে। কিন্তু তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করার পর থেকে আবার বাজারে পতন শুরু হয়েছে। মফিজুর রহমান নামে একজন বিনিয়োগকারী বলেন, তদন্তের কারণে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। আমরা তদন্ত চাই না, বিচার চাই না, আমরা চাই বাজার ঠিক হোক। তিনি আরও বলেন, মার্কেটে বড় বিনিয়োগকারীদের ফিরিয়ে আনা হোক। তারা বাজার লেনদেনে অংশ নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
দরপতনের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনসহ পুঁজিবাজারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হওয়ার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। অর্থমন্ত্রী তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দেয়ায় বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে। আসলে অর্থমন্ত্রী কি বলতে চান তা বিনিয়োগকারীদের কাছে স্পষ্ট নয়। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক এবং ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা লেনদেনে অংশ নিচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে এখন অনেকেই আদালতমুখী হচ্ছেন। আদালতে যাওয়ার কারণে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে নানা ধরনের শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। এসব কিছুর প্রভাবে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে তিনি বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যারা মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করেছেন তাদের উচিত হবে শেয়ার ধরে রাখা, দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ করা।
বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ : গতকাল বেলা সাড়ে ১২টা থেকে দুপুর পৌনে ১টা পর্যন্ত কয়েকশ’ বিনিয়োগকারী রাজধানীর মতিঝিলস্থ ডিএসই ভবনের সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। বিক্ষোভ সমাবেশ চলাকালীন বিনিয়োগকারীরা রাস্তা অবরোধ করে এবং রাস্তার ওপর আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। এতে এলাকায় আতঙ্ক বেড়ে যায়। বিক্ষোভ চলাকালীন বেলা পৌনে ১টার দিকে বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ডের এক কর্মীর মোটর সাইকেলে বিনিয়োগকারীরা ঢিল ছুড়লে তিনি তাদের ওপর ক্ষিপ্ত তেড়ে যান। এসময় বিনিয়োগকারীরা তার ওপর চড়াও হলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে এবং বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে। এসময় পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জ করে। পুলিশের বাধার মুখে বিনিয়োগকারীরা আর বিক্ষোভ করতে পারেনি। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
বাজার পরিস্থিতি : গতকাল ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেয়া ২৫১টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ১১টির। কমেছে ২৩৭টির, অপরিবর্তিত ছিল ৩টির দাম। সবচেয়ে বেশি দর কমেছে ম্যারিকো কোম্পানির। শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণার পর গতকাল এ কোম্পানিটি সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ২২ শতাংশ দর হারিয়েছে। কাল সূচকের পতন হয়েছে ২১২ পয়েন্ট। এদিকে সূচক পতনের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। আগের দিনের তুলনায় ১৮ কোটি টাকা কমে গতকাল দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ৬১৩ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার। ৫৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্য দিয়ে লেনদেনের শীর্ষে স্থান করে নেয় বেক্সিমকো। গতকাল ডিএসইর বাজার মূলধন আগের দিনের তুলনায় ৮ হাজার ২০৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা কমে ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৯৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
ক্রমাগত দরপতন : গত ৮ কার্য দিবসের মধ্যে একদিন ব্যতীত ৭ দিনই শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। গত ১২ এপ্রিল থেকে ডিএসইতে টানা ৫ দিন দরপতন ঘটে। ৫ দিনে ডিএসই সাধারণ সূচকের পতন হয় ৩৯১ পয়েন্ট। এরপর একদিন সূচক বাড়লেও গত দু’দিন ফের সূচকের পতন ঘটেছে। এ নিয়ে গত ৮ কার্য দিবসে ডিএসই সূচকের পতন হয়েছে ৫৬০ পয়েন্ট। এর মধ্যে গতকাল একদিনেই পতন হয়েছে ২১২ পয়েন্ট। সূচকের ধারাবাহিক পতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি নিয়ে আবার শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর সূচক কমেছে ৬৭৬ পয়েন্ট : ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ভয়াবহ ধস নামার প্রেক্ষিতে পুঁজিবাজারের কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর থেকে গত ১১ কার্যদিবসে ডিএসই সাধারণ সূচকের পতন হয়েছে ৬৭৬ পয়েন্ট। গত ৭ এপ্রিল তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন অর্থমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। ওইদিন ডিএসই সাধারণ সূচক ছিল ৬ হাজার ৫৪০ পয়েন্ট। আর গতকাল তা কমে এসেছে ৫ হাজার ৮৬৪ পয়েন্টে। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তহীনতার কারণেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নানা ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। এজন্যই বাজারে দরপতন হচ্ছে। সর্বশেষ গত রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণের কথা বলতে পারেননি। অথচ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর তিনি বলেছিলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের নাম এসেছে সেগুলো মুছে দিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। কিন্তু পরবর্তীতে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, এক সপ্তাহের মধ্যে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা প্রকাশের ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে সরকার। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় বাজারে দরপতন হচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। শিগগিরই এ প্রতিবেদন প্রকাশ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
|
|
|
| 04/25/2011 4:40 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
আগামী সপ্তাহ থেকে কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ফান্ডের
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
আগামী সপ্তাহ থেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু হতে পারে বাংলাদেশ ফান্ডের। প্রাথমিকভাবে উদ্যোক্তা অংশের দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে। পরে প্রাতিষ্ঠানিক ও অন্যান্য বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে ফান্ডের বাকি সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা জোগাড় করে বিনিয়োগ করবে ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান। এখানে উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল পুঁজিবাজারে বহুল আলোচিত ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের অনুমোদন দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
এদিকে আগামী ২৮ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) ফান্ডটির নিবন্ধন সম্পন্ন হবে। ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশসহ (আইসিবি) উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীরা যৌথভাবে ঢাকার সাবরেজিস্ট্রারের মাধ্যমে ফান্ডের দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। নিবন্ধনের কাগজপত্রসহ ওইদিনই সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) নির্ধারিত ১০ কোটি টাকা ফি জমা দেয়া হবে। এসব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে ফান্ডের বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে। আগামী সপ্তাহ থেকে ফান্ডটির উদ্যোক্তা অংশ নিলে বিনিয়োগ শুরু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ফান্ডের প্রধান উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান বলেন, ফান্ড নিবন্ধনের জন্য এরই মধ্যে সব উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার আইসিবিতে তাদের উপস্থিতিতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ওইদিনই নিবন্ধন ফিসহ সব কাগজপত্র এসইসিতে জমা দেয়া হবে। এসইসির কাছ থেকে নিবন্ধনের চূড়ান্ত সনদ পাওয়ার পরই পুঁজিবাজারে ফান্ডের কার্যক্রম শুরু হবে।
সূত্র জানায়, আইসিবির পক্ষ থেকে এরই মধ্যে ঢাকার সাবরেজিস্ট্রার অফিসে যোগাযোগ করে আগামী বৃহস্পতিবার ফান্ড নিবন্ধনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইসিবিতে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। অনুষ্ঠানে সব উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত থাকবেন। নিবন্ধন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১০ কোটি টাকা ফিসহ সত্যায়িত ফটোকপি এসইসিতে পাঠানো হবে। এর পরই উদ্যোক্তাদের জোগান দেয়া দেড় হাজার কোটি টাকার ফান্ডের কার্যক্রম শুরু হবে। একইসঙ্গে দেড় হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত সাড়ে তিন হাজার টাকা সংগ্রহের জন্য বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানানো হবে।
জানা গেছে, গত ১৮ এপ্রিল এসইসি বাংলাদেশ ফান্ড নামে ৫ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন মিউচুয়াল ফান্ড অনুমোদন করে। তবে কমিশন সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন বিলম্বিত হওয়ায় গত সপ্তাহে লিখিত অনুমোদন পায়নি আইসিবি। তবে গত রোববার এসইসির পক্ষ থেকে কোনো রকম বিশেষ সুবিধা ছাড়া ফান্ড অনুমোদনের কথা জানানো হয়। বিশেষ সুবিধা না দেয়ায় ফান্ডের প্রস্তাবটি সংশোধন করে আবার এসইসিতে জমা দেয়ার প্রয়োজন পড়ে। রোববারই আইসিবির পক্ষ থেকে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দেয়া হয়েছে। এসইসির পক্ষ থেকে ফান্ডের ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের অনুমোদনের বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ফলে ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আর কোনো বাধা নেই।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারের পতনের ধারা রোধ করতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয় আইসিবি। কয়েক দফা আলোচনার পর ৬ মার্চ এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বাংলাদেশ ফান্ডে যৌথ উদ্যোক্তা হিসেবে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বিডিবিএল, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং জীবন বীমা করপোরেশন রয়েছে। |
|
|
| 04/25/2011 4:41 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Stock plunge triggers protests
FE Report
Dhaka shares plunged 3.49 per cent to seven weeks low Monday with the benchmark index falling below 6,000 mark, sparking violent protests by investors in front of the Dhaka Stock Exchange building.
The protesters hit the streets for the first time in two months after the DGEN --- the market barometer --- shed more than 2.0 per cent or 138 points in the first 90 minutes of trading.
Riot police swung into actions, using batons to break up the protesters who barricaded the main roads leading to the Motijheel Commercial Area, smashed motorbikes, torched tyres and office furniture to vent their anger.
Police said transport movement at the busy area came to a halt for about two hours as investors staged demonstrations occupying the key road between Shapla Chttar and the Ittefaq crossing.
They chanted slogans against the authorities, demanding resignation of the finance minister, Securities and Exchange Commission chief and the Bangladesh Bank governor.
Market sentiment was hit in recent days by the events set off by the stock scam report submitted two weeks back. The DGEN lost four straight sessions last week, before gaining ground on Thursday.
The DSE General Index (DGEN Index) declined throughout the session to close at 5,863.98 points, losing 212.34 points or 3.49 per cent, the lowest mark since March 7.
The broader All Shares Price Index plunged 3.44 per cent or 173.79 points to 4,879.30 points and the blue-chips DSE 20 Index sagged 2.36 per cent or 90.06 points to close at 3,719.67.
The investors have demanded publication of the probe report and stern government action against the market manipulators. They also questioned the sincerity of the finance minister in making the report public.
"It was the government that formed the probe committee. Then what makes the finance minister to depend on the opinion of SEC and central bank to publish the report?" Akmol Hossain, who demonstrated at Motijheel, said.
Salahuddin Ahmed Khan, a finance teacher at Dhaka University, said uncertainty over the share scam report publication and lack of action against the fraudsters have confused the investors.
"They want a clear government stand on the probe report. The attempts to make the probe committee's findings controversial also have angered them," he said, urging the authorities to clear the air over the fate of the findings.
Mirza AB Azizul Islam, former finance adviser of the caretaker government, said the investors are shaky and feeling insecure regarding the probe report.
"The investors are frustrated and anxious about the fate of the probe report. A feeling of hopelessness has gripped the market for some days," said Mr Aziz, also a former SEC chairman.
He added the recent fall in stock prices don't reflect the fundamentals. "I don't think the DGEN should dive below 6,000," he added.
Nervous investors dumped shares amid speculation that the bearish trend may prolong for weeks, said a leading merchant banker.
All sectors bled red on the day with insurance sector suffering the most. General and life insurers lost 5.18 per cent and 3.37 per cent respectively.
Among the major sectors, banks dived 3.08 per cent, NBFIs lost 4.95 per cent, telecommunications 4.49 per cent and fuel and power 1.95 per cent.
Textiles shed 5.19 per cent, ceramics 4.82 per cent, pharmaceuticals 3.34 per cent, mutual funds 2.50 per cent, tanneries 1.40 per cent.
Beximco Limited topped the turnover list with share worth Tk 556.81 million changing hands.
Other turnover leaders were Bextex Limited, United Airways, Titas Gas, Aftab Automobiles, DESCO, Shinepukur Ceramics, Olymics, Malek Spinning and BSRM Steels.
A total of 61.31million shares changed hands on the day against 67.17 million in the previous session. Total trade deals declined to 137,812 against 140,538 in the previous session.
Total market capitalization stood at Tk 2,672.98 billion against Tk 2,755.06 billion in the previous session.
The losers took strong lead over the gainers as out of 251 issues traded, only 11 advanced, 237 declined and three remained unchanged.
The daily turnover slightly decreased and stood at Tk 6.13 billion in value terms against Sunday's Tk 6.31 billion.
Delta Brac Housing Finance Corp. Ltd was the day's top gainer posting 4.61 per cent rise. It was followed by Reckitt Benckiser (Bd.) Ltd, IFIC, Golden Sons and BATBC.
Marico Bangladesh Limited was the day's top loser. The company lost 10.21 per cent following its modest corporate declaration of 20 per cent cash dividend.
It was followed by Takaful Insurance, BD Finance, UCBL, Prime Insurance, Prime Finance, Bextex, Phoenix Insurance, Saiham Textile and Sonargaon Textile.
|
|
|
| 04/25/2011 4:42 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Northern Power to float Tk 1.75b bond
FE Report
Northern Power Solution Limited Monday signed a trust deed with Investment Corporation of Bangladesh (ICB) to float a Tk 1.75 billion styled 'Northern Power Solution Bond' to raise capital from the market.
Managing Director of Northern Power Solution Ltd Engr. Md. Enamul Haque, MP, and Managing Director of ICB Mr. Fayekuzzaman signed the deed at the ICB office on behalf of their respective companies as sponsor and trustee of the bond.
ICB capital Management Ltd. will act as the issue manager to the bond, 50 per cent convertible after maturity.
The company will offer 1.75 million bonds at the issue price of Tk 1,000 per bond at an 18 percent interest to institutional investors to establish a power plant at Katakhali in Rajshahi.
The redemption period of the bond is four and half years, including six months grace period.
After the maturity, 50 per cent of it will be allowed to be converted into shares at the prices of IPO instead of face value. |
|
|
| 04/25/2011 4:42 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | DBH Finance discloses Q3 accounts
As per un-audited quarterly accounts for the 3rd quarter that ended on March 31, 2011 Delta Brac Housing Finance Corporation Ltd has stated profit after tax and preference dividend of Tk 243.47 million with EPS of Tk 48 as against Tk 25.73 million and Tk 5.0 respectively for the same period of the previous year.
Whereas profit after tax and preference dividend was Tk 533 million with EPS of Tk 106 for the period of nine months (July '10 to March '11) that ended on March 31 as against Tk 213.85 million and Tk 42 respectively for the same period of the previous year. — DSE News
|
|
|
| 04/25/2011 4:42 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | DSE news in brief
Dividends
Marico Bangladesh: The board of directors of Marico Bangladesh Limited has recommended 20 per cent final cash dividend (Tk 2.0 per share of Tk 10.0 each) for the period that ended on March 31, 2011. The annual general meeting (AGM) of the company will be held on June 28 at 10:30am. The record date is May 8. The venue of the AGM will be announced later. The company has stated net profit after Tax of Tk 350.73 million, basic EPS of Tk 11.34, NAV per share of Tk 78.18 and NOCFPS of Tk (22.21) for extended six months period that ended on March 31, 2011 (Oct' 2010 to March' 2011) as against Tk 26.17 crore, Tk 8.31, Tk 55.67 and Tk 7.89 respectively for the same period of the previous year.
Takaful Islami Ins: The board of directors of Takaful Islami Insurance Limited has recommended 15 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010.The board has decided to enhance paid-up capital of the company from Tk 150 million to Tk 400 million to change other necessary clauses of Memorandum of Association and Articles of Association of the company subject to the approval of authorities concerned. The EGM and AGM of the company will be held on July 2. Time of EGM and AGM are 10:00am and 11:00am respectively. The record date is May 10. Venue of the EGM and AGM will be announced later. The company has stated EPS of Tk 34.52, NAV per share of Tk 173.27 and NOCFPS of Tk 45.33 for the year that ended on December 31, 2010.
Cos' board meet
Aramit Cement: A meeting of the board of directors of Aramit Cement will be held on April 30, 2011 at 2:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.
Beach Hatchery: A meeting of the board of directors of Beach Hatchery Limited will be held on April 28, 2011 at 4:00pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.
Provati Insurance: A meeting of the board of directors of Provati Insurance Company Limited will be held on April 28, 2011 at 3:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.
Agrani Insurance: A meeting of the board of directors of Agrani Insurance Company Ltd will be held on April 30, 2011 at 4:00pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.
Federal Insurance: A meeting of the board of directors of Federal Insurance will be held on April 28, 2011 at 3:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.
Spot trading
Trading of the shares of Dhaka Insurance Limited will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Tuesday) to April 28. Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on May 2.
Offer to sell shares
BSRM Steels: Bangladesh Steel Re-Rolling Mills Ltd, one of the corporate sponsors/directors of BSRM Steels Limited, has expressed its willingness to sell 100,000 shares (bonus shares) out of its total holdings of 9,034,105 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
Peoples Insurance: Md Mahbubur Rahman Patwari, one of the sponsors/directors of Peoples Insurance, has expressed his willingness to sell 100,000 shares out of his total holdings of 612,260 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
Sonali Aansh: Md Nurul Islam Patwari, one of the sponsors/directors of Sonali Aansh, has expressed his willingness to sell 1,000 shares out of his total holdings of 93,044 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within April 30, 2011.
Imam Button: Ali Imam, one of the sponsors/directors of Imam Button, has expressed his willingness to sell 13,000 shares out of his total holdings of 16,500 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within April 30, 2011.
United Airways: Shahinoor Alam, one of the directors of United Airways (BD) Ltd, has expressed his willingness to sell 75,000 shares (bonus shares) out of his total holdings of 15,75,000 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within April 30, 2011.
— DSE Online
|
|
|
| 04/25/2011 4:43 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantho
বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন ২৮ এপ্রিল নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ২৮ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সম্পন্ন হবে পুঁজিবাজারে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া। মূল উদ্যোক্তা ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশসহ (আইসিবি) বাকি সাতটি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা যৌথভাবে ঢাকার সাব রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে ফান্ডের দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। নিবন্ধনের কাগজপত্রসহ ওই দিনই সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) নির্ধারিত ১০ কোটি টাকা ফি জমা দেওয়া হবে। এসব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে উদ্যোক্তা অংশের দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, আইসিবির পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই ঢাকার সাব রেজিস্ট্রার অফিসে যোগাযোগ করে আগামী বৃহস্পতিবার ফান্ড নিবন্ধনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইসিবিতে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
এ ফান্ডের মূল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান গতকাল সোমবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ফান্ড নিবন্ধনের জন্য ইতিমধ্যেই সব উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার আইসিবিতে তাদের উপস্থিতিতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ওই দিনই নিবন্ধন ফিসহ সব কাগজপত্র এসইসিতে জমা দেওয়া হবে। এসইসির কাছ থেকে নিবন্ধনের চূড়ান্ত সনদ পাওয়ার পরই পুঁজিবাজারে ফান্ডে কার্যক্রম শুরু হবে। |
|
|
| 04/25/2011 4:43 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantho
আস্থার সংকটে সূচক নামছে পুঁজিবাজারে
রাশেদুল তুষার, চট্টগ্রাম
আস্থার প্রচণ্ড সংকট চলছে পুঁজিবাজারে। ফলে ক্রমান্বয়ে শেয়ারবাজার আবার অস্থির হয়ে উঠছে। নতুন কেউ বিনিয়োগ নিয়ে আসছেন না। তাঁদের উৎসাহ দেওয়া তো দূরের কথা; বরং শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করে বলেছেন, নতুন বিনিয়োগ না আসার জন্য যা যা করা দরকার, তার সবই করা হচ্ছে। পুঁজিবাজারের ভবিষ্যতের জন্য যা ভালো হবে না।
আর এই পরিস্থিতি সৃষ্টির দায় সরকারকেই নিতে হবে বলে মনে করেন তাঁরা। কারণ তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে যে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে, সেটা দূর করতে সরকারের তরফ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। বরং তদন্ত ও এর দায়িত্বে থাকা কমিটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
গতকাল একদিনে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচকের পতন হয়েছে ৬১৭ পয়েন্ট। গত ১৩ মার্চের পর এটাই সিএসইতে একদিনে সর্বোচ্চ সূচকের পতন। আর সাধারণ সূচক কমেছে ৪০৪ পয়েন্ট। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই পুঁজিবাজারে গতকাল ৮৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া শেয়ারের ৯৭ শতাংশেরই পতন ঘটেছে। লেনদেন হওয়া ১৯৭টি কম্পানির মধ্যে মাত্র ছয়টির দাম বেড়েছে। এক দিনে বাজার মূলধন হারিয়েছে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা। গতকালের ধসের পর চট্টগ্রামে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ বিক্ষোভ করতে চাইলেও পরবর্তিতে পিছু হটে। আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রামে এশিয়ান উইমেন ইউনিভার্সিটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসায় বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে বলে বিনিয়োগকারীদের একটি পক্ষ জানায়।
শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্ট সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, 'বাজারে এখন নতুন বিনিয়োগকারী নেই। তাদের বাজারে আকৃষ্ট করার মতো কোনো কর্মসূচিই আমাদের হাতে নেই। বরং বর্তমানে যারা আছে, তাদেরই তাড়িয়ে দেওয়ার উপায় খুঁজছি।' তিনি বলেন, 'সরকারের বিভিন্ন দপ্তর শেয়ারবাজারকে এখনো ফটকাবাজার বলছে। বাজেট প্রণয়নে প্রায় সব সেক্টরের সাথে অর্থমন্ত্রী বৈঠক করে মতামত নিয়েছেন। কিন্তু শেয়ারবাজারের সাথে যারা জড়িত, তাদের সাথে কোনো আলাপই করেননি। তাঁরা হয়তো এটাকে অর্থনীতির অংশ হিসেবে ভাবছেন না।'
গত কিছু দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটির প্রধানের বিপক্ষে মামলা এবং তদন্ত কমিটিকে অযোগ্য দাবি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে এসইসির চিঠি দেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন সিএসইর সাবেক সভাপতি নাসিরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, 'তদন্ত কমিটি এসইসি রুলস অনুযায়ী করা হয়েছে। যত দিন তাঁরা তদন্ত করেছে তখনো তারা অযোগ্য_এ কথা কেউ বলেনি। তাহলে এখন কেন এ ধরনের মন্তব্য। তাঁদের যেভাবে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে, তাতে ভবিষ্যতে আর কোনো ভালো লোক এ ধরনের কোনো তদন্ত কমিটির দায়িত্ব নেবেন না। কিংবা নিলেও নিরপেক্ষ তদন্ত করবেন না।'
|
|
|
| 04/25/2011 4:44 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
পুঁজিবাজার_তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে লেজেগোবরে
সময় ক্ষেপণে বাড়ছে সন্দেহ, ঘনীভূত হচ্ছে সমঝোতার গুজব, কমিটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা
রাজু আহমেদ ॥ পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে ক্রমশ লেজেগোবরে অবস্থা তৈরি হচ্ছে। প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর ১৮ দিন পার হলেও সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোন ঘোষণা না দেয়ায় জনমনে সংশয়-সন্দেহ বেড়েই চলেছে। প্রতিবেদন প্রকাশে সময়ৰেপণের কারণে সরকারের অবস্থান সম্পর্কে একের পর এক গুজব তৈরি হচ্ছে। এ সুযোগে সরকারের আগেই আদালতে যেতে শুরম্ন করেছেন কারসাজির দায়ে অভিযুক্তরা। একইসঙ্গে বিভিন্নভাবে চলছে তদন্ত কমিটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা। সব মিলিয়ে তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আবারও মন্দার কবলে পড়েছে পুঁজিবাজার। আবারও বিৰুব্ধ হয়ে রাস্তায় নামতে শুরু করেছেন ডিসেম্বর-জানুয়ারির ধসে পুঁজি হারানো বিনিয়োগকারীরা। সব মিলিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ বিলম্বিত হওয়ায় সরকারের ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ৰুণ্ন হচ্ছে বলে বিশেস্নষকরা মনে করছেন। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ তদন্তে গত ২৫ জানুয়ারি কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গবর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। নির্ধারিত দু'মাসের তদনত্ম কাজ শেষে গত ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে কমিটির প্রতিবেদন পেশ করা হয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওইদিন অর্থমন্ত্রী জানান, ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।
ইতোমধ্যে অর্থমন্ত্রীর দেয়া ওই সময়সীমা শেষ হলেও সরকারের পৰ থেকে এখনও প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়নি। তদনত্ম প্রতিবেদনের বিষয়ে সরকারের দিক থেকে আনুষ্ঠানিক কোন মনত্মব্যও জানানো হয়নি। শুধু তাই নয়, প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর নানামুখী বক্তব্যে বিভ্রানত্ম হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। প্রতিবেদন প্রকাশ ও অভিযুক্তদের বিরম্নদ্ধে পদৰেপ গ্রহণের বিষয়ে সরকারের অবস্থান সম্পর্কে ছড়ানো হচ্ছে নানা গুজব। গত কয়েক দিন ধরে শেয়ারবাজারসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে, সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে কারসাজির দায়ে অভিযুক্তদের সমঝোতা হয়ে যাওয়ায় বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে। এমনকি পুঁজিবাজারে কারসাজির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান যে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, সরকার ও ৰমতাসীন দলের শীর্ষ পর্যায়ের কে কে তার ভাগ পেয়েছে_ এ ধরনের কাল্পনিক তথ্যও আলোচনায় আসছে। প্রতিবেদন প্রকাশ ও ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দিতে যত বিলম্ব হবে, এ ধরনের নেতিবাচক আলোচনা ততই প্রবল হবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
এদিকে তদনত্ম প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরম্নদ্ধে সরকারের পৰ থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হলেও সময়ৰেপণের সুযোগে উল্টো তদনত্ম কমিটি ও সরকারের বিরম্নদ্ধে মামলা করতে শুরম্ন করেছে অভিযুক্তরা। ইতোমধ্যে বিডি থাই এ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের পৰ থেকে এ ধরনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদনত্ম প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের পথ বন্ধে অন্য অভিযুক্তরাও ইতোমধ্যে আইনী পদৰেপ গ্রহণের প্রস্তুতি শুরম্ন করেছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, সেকেন্ডারি মার্কেটে কারসাজির দায়ে অভিযুক্ত গোলাম মোসত্মফা, আবু সাদাত মোঃ সায়েম, ইয়াকুব আলী খন্দকার, সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা, মোঃ খলিলুজ্জামান, মুনিরম্নদ্দিন আহমদ, লুৎফর রহমান বাদলসহ কয়েকজন তদনত্ম কমিটির বিরম্নদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছেন। অনৈতিকভাবে পেস্নসমেন্ট শেয়ার গ্রহণের দায়ে অভিযুক্ত এবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরওয়াই শমসেরও মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বেঙ্মিকো গ্রম্নপের পৰ থেকেও আইনজীবীর পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। সরকারের পৰ থেকে দ্রম্নত পদৰেপ নেয়া হলে অভিযুক্তরা এ ধরনের সুযোগ পেত না বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
তাঁদের মতে, তদনত্ম প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে সরকারের পৰ থেকে মামলা দায়েরের কথা থাকলেও এখন উল্টো তদনত্ম কমিটি ও সরকার নিজেই অভিযুক্ত হচ্ছে। এতে তদনত্ম প্রতিবেদন সম্পর্কে সরকারের অবস্থান নৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। অভিযুক্তরা আগে আদালতে যাওয়ার সুযোগ পাওয়ায় সরকারের পৰ থেকে পরে মামলা করা হলেও আইনগতভাবে তার গুরম্নত্ব কমে যাবে। তাছাড়া সময়ৰেপণের ফলে অভিযুক্তরা একদিকে তদনত্ম প্রতিবেদনের দুর্বলতা চিহ্নিত করার সুযোগ পাচ্ছে, অন্যদিকে অপরাধের তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করারও সময় পাচ্ছে। এসব কারণে শেষ পর্যনত্ম পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিচারের ৰেত্রে ১৯৯৬ সালের ঘটনার পুনরাবৃত্তির ৰেত্র তৈরি হচ্ছে।
এদিকে সরকারের দিক থেকে সময়ৰেপণের সুযোগ নিয়ে তদনত্ম কমিটির সদস্যদের নিরপেৰতা ও প্রতিবেদনের যথার্থতা নিয়ে নেতিবাচক প্রচারের সুযোগ পাচ্ছে অভিযুক্তরা। তদনত্ম প্রতিবেদনে কী আছে এবং এর ভিত্তিতে সরকারের পৰ থেকে কী ধরনের পদৰেপ নেয়া উচিত_ সেসব আলোচনা ছাপিয়ে এখন প্রতিবেদনের অসম্পূর্ণতাকে মূল আলোচ্য বিষয়ে পরিণত করা হয়েছে। পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আড়াল করতেই এ ধরনের 'বেস্নম গেম' চালানো হচ্ছে। খোদ এসইসি চেয়ারম্যান অর্থ মন্ত্রণালয়ে দেয়া মতামতে তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনকে 'পৰপাতমূলক' আখ্যায়িত করেছেন। প্রতিবেদন সম্পর্কে এসইসি চেয়ারম্যানের এ ধরনের মনত্মব্য পুঁজিবাজারে কারসাজির দায়ে অভিযুক্তদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ৰেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন। তাঁদের মতে, ভবিষ্যতে সরকার কারও বিরম্নদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা করলেও তারা আদালতে এসইসি চেয়ারম্যানের এ চিঠি উপস্থাপন করে তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে। অথচ তদনত্ম প্রতিবেদনে শেয়ারবাজারে কারসাজির সঙ্গে এসইসি চেয়ারম্যানের যোগসূত্র রয়েছে বলে অভিযোগ এনে তাকে অপসারণের সুপারিশ করা হয়েছে। একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে তদনত্ম প্রতিবেদন সম্পর্কে মতামত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন।
এদিকে তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে নানামুখী আলোচনার প্রভাবে আবারও ধারাবাহিক মন্দার কবলে পড়েছে পুঁজিবাজার। ডিসেম্বর-জানুয়ারির ধসের পর সরকারের দিক থেকে নানামুখী পদৰেপের ফলে বাজার ঘুরে দাঁড়ায়। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও নতুন আশার আলো তৈরি হয়েছিল। কিন্তু গত দু'সপ্তাহ ধরে আবারও দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকায় মনোবল হারিয়ে ফেলতে শুরম্ন করেছেন তারা। আরেক দফা বিপর্যয়ের আশঙ্কায় সব শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজছেন তাঁরা। ক্রেতাশূন্যতার কারণে প্রতিদিনই ব্যাপক হারে কমে যাচ্ছে শেয়ারের দর। সামগ্রিক পরিস্থিতিতে আবারও বিৰুব্ধ হয়ে উঠছেন বিনিয়োগকারীরা। প্রায় দু'মাস শানত্ম থাকার পর সোমবার রাসত্মায় নেমে বিৰোভ করেছেন তাঁরা।
বিশেস্নষকদের মতে, মাত্র তিন মাসের মাথায় পুঁজিবাজারে আরেক দফা বিপর্যয় ঘটলে সরকারের জন্য বড় ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। লাখ লাখ বিনিয়োগকারী দ্বিতীয়বারের মতো ৰতিগ্রসত্ম হলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার সরকারের ওপর এসে পড়বে। কারণ তদনত্ম কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এবার ষড়যন্ত্রকারী বা কারসাজির কথা বললে তা কারও কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। ফলে প্রতিবেদন প্রকাশ ও অভিযুক্তদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়া না হলে সরকারের ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ৰুণ্ন হতে পারে। এ কারণে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সরকারের দিক থেকে এখনই প্রয়োজনীয় পদৰেপ নেয়া প্রয়োজন। |
|
|
| 04/25/2011 4:44 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
পুঁজিবাজারে দরপতন, আবার রাস্তায় বিনিয়োগকারীরা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ অব্যাহত দরপতনে বিক্ষুব্ধ হয়ে আবারও রাসত্মায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা। সোমবার লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যে (বেলা ১২টা) ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১৩৮ পয়েন্ট কমে ৬ হাজারের নিচে নেমে এলে রাসত্মায় নেমে বিৰোভ শুরম্ন করেন তাঁরা। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাসত্মার ওপর আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে রাজধানীর টিকাটুলি মোড় থেকে মতিঝিল শাপলা চত্বর পর্যন্ত ব্যস্ততম রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বিনিয়োগকারী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে সোমবার ডিএসইতে লেনদেন শুরম্ন হয়। দুপুর ১২টার দিকে সূচক ১৩৮ পয়েন্ট পড়ে গেলে বিনিয়োগকারীরা ডিএসই ভবনের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরম্ন করেন। দুই শতাধিক বিনিয়োগকারী রাসত্মায় দফায় দফায় মিছিল করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সরকারবিরোধী সেস্নস্নাগান দেয়। তাঁরা পুঁজির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তদনত্ম প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিচারের দাবি জানান। তাঁরা অভিযুক্তদের পুঁজিবাজার থেকে বের করে দেয়ারও দাবি জানান।
এ সময় বিৰুব্ধ বিনিয়োগকারীরা সাংবাদিকদের বলেন, শেয়ারবাজারে কারসাজির দায়ে অভিযুক্ত রাঘববোয়ালরা এখনও বেকার যুবকদের অর্থ নিয়ে খেলে যাচ্ছে। তাঁরা সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ও বিচারের হাত থেকে রৰা পেতে বাজারে ধস নামাতে সচেষ্ট রয়েছে।
বিনিয়োগকারী আশরাফুল, মিথুন, ইউনুস ও সায়েম বলেন, 'আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমাদের ঘুম নেই। সরকার কোন ব্যবস্থা করছে না। বিষয়টি নিয়ে সরকারের কোন সহানুভূতি নেই। বিগ পেস্নয়াররা এখনও বহালতবিয়তে খেলে যাচ্ছে।'
বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেন, পুঁজিবাজারের কারসাজি তদনত্মে গঠিত কমিটি অর্থমন্ত্রীর কাছে তদনত্ম রিপোর্ট জমা দিলেও এখনও তা প্রকাশ না করা এবং তদনত্ম রিপোর্ট নিয়ে অর্থমন্ত্রীর নানা মনত্মব্যের কারণে বিনিয়োগকারীরা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন। একই সঙ্গে অনেক বিনিয়োগকারী তদনত্ম রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যনত্ম বাজারে সক্রিয় হতে চাচ্ছেন না। এর ফলে বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়ায় দরপতনের ঘটনা ঘটছে। বিনিয়োগকারীরা দ্রম্নত বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার দাবি করেন।
আশা আফ্রোদিতি নামে এক বিনিয়োগকারী বলেন, 'তদনত্ম কমিটির প্রধান ইব্রাহীম খালেদ একজন সাহসী ব্যক্তি। তিনি সরকারের হয়ে অত্যনত্ম দৃঢ়তার সঙ্গে তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বিরম্নদ্ধে মামলা করাটা বিনিয়োগকারীরা মেনে নেবে না। ইব্রাহীম খালেদের প্রতিবেদন অনুযায়ী সরকার দ্রম্নত ব্যবস্থা নিলে পুঁজিবাজারের স্থায়ী সমাধান হবে।'
বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিৰুব্ধ বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় দু'টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে। বিক্ষোভের কারণে মতিঝিল ও এর আশপাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় জরম্নরী বিদু্যত সরবরাহের কাজে নিয়োজিত ঈশান নামে এক ব্যক্তি ডিএসইর সামনে দিয়ে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় বিনিয়োগকারীরা তার ওপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া দিয়ে তাদের উদ্ধার করে। দুপুর ১টার দিকে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। পরে পুলিশের চেষ্টায় বেলা দেড়টার দিকে ডিএসইর সামনের রাসত্মা যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়।
ডিএসই থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, সোমবার লেনদেন হওয়া ২৫১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে মাত্র ১১টি শেয়ারের দর। এর বিপরীতে কমেছে ২৩৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। এতে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ২১২.৩৪ পয়েন্ট বা তিন দশমিক ৪৯ শতাংশ কমে ৫৮৬৩.৯৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সারাদিনে ডিএসইতে ৬১৩ কোটি ৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ১৮ কোটি ১ লাখ টাকা কম।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৬১৬.৮৬ বা ৩ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ১৬৪৩৩.৭৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৬টির, কমেছে ১৯০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। এ স্টক এঙ্চেঞ্জে মোট ৮৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। |
|
|
| 04/25/2011 4:45 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন বৃহস্পতিবার
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের প্রস্তুতি সম্পন্ন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আগামী ২৮ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সম্পন্ন হবে। ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশসহ (আইসিবি) উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীরা যৌথভাবে ঢাকার সাব রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে ফান্ডের দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। নিবন্ধনের কাগজপত্রসহ ওইদিনই সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) নির্ধারিত ১০ কোটি টাকা ফি জমা দেয়া হবে। এসব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে উদ্যোক্তা অংশের দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ফান্ডের প্রধান উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান সোমবার জনকণ্ঠকে বলেন, ফান্ড নিবন্ধনের জন্য ইতোমধ্যেই সকল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার আইসিবিতে তাদের উপস্থিতিতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ওইদিনই নিবন্ধন ফিসহ সকল কাগজপত্র এসইসিতে জমা দেয়া হবে। এসইসির কাছ থেকে নিবন্ধনের চূড়ানত্ম সনদ পাওয়ার পরই পুঁজিবাজারে ফান্ডে কার্যক্রম শুরম্ন হবে।
জানা গেছে, গত ১৮ এপ্রিল এসইসি বাংলাদেশ ফান্ড নামে ৫ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন মিউচু্যয়াল ফান্ড অনুমোদন করে। তবে কমিশন সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন বিলম্বিত হওয়ায় গত সপ্তাহে লিখিত অনুমোদন পায়নি আইসিবি। তবে গত রবিবার এসইসির পৰ থেকে কোন রকম বিশেষ সুবিধা ছাড়া ফান্ড অনুমোদনের কথা জানানো হয়। বিশেষ সুবিধা না দেয়ায় ফান্ডের প্রসত্মাবটি সংশোধন করে পুনরায় এসইসিতে জমা দেয়ার প্রয়োজন পড়ে। রবিবারই আইসিবির পৰ থেকে সংশোধিত প্রসত্মাব জমা দেয়া হয়েছে। এসইসির পৰ থেকে ফান্ডের ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের অনুমোদনের বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ফলে ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আর কোন বাধা নেই।
সূত্র জানায়, আইসিবির পৰ থেকে ইতোমধ্যেই ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে যোগাযোগ করে আগামী বৃহস্পতিবার ফান্ড নিবন্ধনের বিষয়টি চূড়ানত্ম করা হয়েছে। আইসিবিতে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। অনুষ্ঠানে সকল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত থাকবেন।
জানা গেছে, নিবন্ধন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১০ কোটি টাকা ফিসহ সত্যায়িত ফটোকপি এসইসিতে পাঠানো হবে। এরপরই উদ্যোক্তাদের যোগান দেয়া দেড় হাজার কোটি টাকায় ফান্ডের কার্যক্রম শুরম্ন হবে। একই সঙ্গে দেড় হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত সাড়ে তিন হাজার টাকা সংগ্রহের জন্য প্রতিষ্ঠানিকে বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানানো হবে।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারের পতনের ধারা রোধ করতে গত ২৮ ফেব্রম্নয়ারি ৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠন করার সিদ্ধানত্ম নেয় আইসিবি। কয়েক দফা আলোচনার পর ৬ মার্চ এ বিষয়ে চূড়ানত্ম সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। বাংলাদেশ ফান্ডে যৌথ উদ্যোক্তা হিসেবে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বিডিবিএল, সাধারণ বীমা কপের্ারেশন এবং জীবন বীমা কপের্ারেশন রয়েছে। |
|
|
| 04/25/2011 4:45 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
ম্যারিকো ও তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের বিভিন্ন হারে লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা করেছে ম্যারিকো ও তাকাফুল ইন্সু্যরেন্স লিমিটেড।
ম্যারিকো ॥ গত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এ ম্যারিকো। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে নগদ ২ টাকা লভ্যাংশ পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৮ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। তবে এজিএমের স্থান পরে জানানো হবে বলে কোম্পানির পৰ থেকে জানানো হয়েছে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৮ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর এই কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১১ টাকা ৩৪ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৭৮ টাকা ১৮ পয়সা।
তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স ॥ গত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এ কোম্পানি। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১৫টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ২ জুলাই সকাল ১১টায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। তবে এজিএমের স্থান পরে জানানো হবে বলে কোম্পানির পৰ থেকে জানানো হয়েছে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১০ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৩৪ টাকা ৫২ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৭৩ টাকা ২৭ পয়সা। |
|
|
| 04/25/2011 4:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Stock plunge sets off protests
Star Business Report
A group of investors staged protests in front of the Dhaka Stock Exchange yesterday as the share prices nosedived sharply. The downward trend has been continuing for more than a week, except last Thursday.
The investors went for panic sell-offs from the opening hour of trading as most of them lost confidence following a debate on the stock probe report, said experts.
Speculations over the report created panic among small investors as they complained that the government is deliberately wasting time before making the report public, said one of the experts.
“The institutional investors also faced a credit crunch due to the tight money market, while some of them adopted a wait-and-see policy fearing another crash impending,” said Akter H Sannamat, a market analyst.
Sannamat, also the former managing director of Prime Finance and Investment, said: “The government should take a series of good initiatives to help the investors restore their lost confidence.”
The aggrieved investors started coming out of the trading houses around 12:30am when the market declined by around 140 points.
They set fire to vehicle tyres, wood blocks and paper in front of the DSE building blocking the avenue from Shapla Chattar to Ittefaq crossing and vandalised a motor bike.
The agitating investors also chanted slogans against the finance minister, top bosses of the premier bourse and demanded the resignation of the SEC chairman.
Investors demanded that the government publish the probe report as soon as possible and take action against those who are responsible for January's stock debacle.
Traffic returned to normal at 1pm after law enforcers intervened.
The benchmark general index of DSE lost 212 points, or 3.5 percent, to close at 5,863 points. The DSE index had lost 116 points on the opening day of the week.
The selective categories of index of Chittagong Stock Exchange slumped 404 points, or 3.64 percent, to close at 10,557 points.
Jewel Ahmed, an agitating investor said: “Small investors will leave the market if the government does not take any initiative to protect them.”
“The government's unclear moves made us confused.”
Lankabangla Securities said in its daily market analysis: "Frustration, fear and anxiety over the pending outcome of the probe report took a heavy toll on the market. As the opening bell rang, the market witnessed the gauge shedding blood and the situation exacerbated as the session progressed. Nervousness gripped the investors who offloaded shares in speculation of further index fall and prolonged bearish trend."
Some people deliberately made huge sell-offs to bring back another debacle to defame the government, said an SEC official.
The state run Investment Corporation of Bangladesh (ICB) bought shares of Tk 28 crore to halt the slumping trend of the market, he added.
Of the total 251 issues traded on the DSE floor, 237 declined, 11 advanced and three remained unchanged.
The low confidence also left its impact on the day's turnover, which came down to Tk 613 crore, down by Tk 18.1 crore from that of the previous day. The bank sector lost 3.09 percent, reaching 27.2 percent of the total market capitalisation, while non-bank financial institutions lost 4.46 percent. |
|
|
| 04/25/2011 4:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে টানা পতনে বিক্ষোভ
ঢাকা, ২৫ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): টানা দরপতনে ডিএসইর সামনে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। আজ সোমবার সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের লেনদেনের শুরু থেকে শেয়ারবাজারে দরপতন শুরু হয়। দরপতনে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ডিএসই সাধারণ সূচক ১৩৮ পয়েন্ট পড়ে গেলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসে এবং ডিএসইর সামনে জড়ো হয়ে দরপতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে। বিক্ষোভের মুখে মতিঝিল ও এর আশপাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, এসইসি, ডিএসই কর্মকর্তাদের পদত্যাগ দাবি করে।
দুপুর পৌনে ১টার দিকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তিকে মারধর শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জ করে। তবে কাউকে আটক করেনি।
বিনিয়োগকারীরা পুলিশি বাধার মুখে পরে আর বিক্ষোভ করতে পারেনি। দুপুর ১টা থেকে হালকা যান চলাচল শুরু করে এবং ধীরে ধীরে তা স্বাভাবিক হয়ে আসে।
বিক্ষোভে অংশ নেয়া বিনিয়োগকারীরা জানান, পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তহীনতা এবং বড় বড় বিনিয়োগকারীরা লেনদেনে অংশ না নেয়ায় পতন ত্বরান্বিত হয়েছে। দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশসহ জড়িতদের শাস্তি দিয়ে বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ দাবি জানান তারা।
সোমবার লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ২১২ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট কমে ৫৮৬৩ দশমিক ৯৭ পয়েন্টে নেমে আসে। সূচক কমেছে ৩.৪৯ শতাংশ হারে। ডিএসআই সাবিক সূচক কমেছে ১৭৩ পয়েন্ট। পতনের হার ৩.৪৪ শতাংশ।
এদিকে সোমবার ডিএসইতে ২৫২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে প্রায় সবকটি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। দাম বেড়েছে মাত্র ১১টির, কমেছে ২৩৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩টির। কমেছে ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ইঞ্জিনিয়ারিং, মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ সব ধরনের শেয়ারদর। আজ লেনদেন হয়েছে ৬১৩ কোটি টাকার কিছু বেশি। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয় ৬৩১ কোটি টাকার। যা আজকের লেনদেনের তুলনায় ১৮ কোটি টাকা বেশি।
উল্লেখ্য, গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচক ৬০ পয়েন্টের কিছু বাড়ে। কিন্তু, এর আগে টানা ৫ কার্যদিবসে ডিএসই সাধারণ সূচক ২৯১ কমে যায়। এ নিয়ে গত ৮ কার্যদিবসের ৭ দিনই ডিএইতে দরপতন হয়েছে, কমেছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর। আর এ ৭ কার্যদিবসে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে ৬২০ পয়েন্টের কিছু বেশি। |
|
|
| 04/25/2011 4:47 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | বাংলাদেশ ফান্ড নিবন্ধন বৃহস্পতিবার
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ফান্ড গঠন হচ্ছে। এরমধ্যেই এই ফান্ড গঠনের সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হচ্ছে বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া।
পুঁজিবাজারকে চাঙ্গা করার লক্ষ্যে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের দলিল ঢাকার সাব রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পূন্ন করবে।
আগামী বৃহস্পতিবার নিবন্ধনের কাগজপত্রসহ ওইদিনই সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) নির্ধারিত ১০ কোটি টাকা ফি জমা দেওয়া হবে।
ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশসহ (আইসিবি) উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে যৌথভাবে এ নিবন্ধন করা হবে।
এসব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে উদ্যোক্তা অংশের দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ফান্ডের প্রধান উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান বলেন, ‘ফান্ড নিবন্ধনের জন্য এরইমধ্যে সকল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী বৃহস্পতিবার আইসিবিতে উদ্যোক্তাদের উপস্থিতিতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ওইদিনই নিবন্ধন ফিসহ সকল কাগজপত্র এসইসিতে জমা দেওয়া হবে। এসইসির কাছ থেকে নিবন্ধনের চূড়ান্ত সনদ পাওয়ার পরই পুঁজিবাজারে ফান্ডে কার্যক্রম শুরু হবে।’
গত ১৮ এপ্রিল এসইসি বাংলাদেশ ফান্ড নামে ৫ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন মিউচ্যুয়াল ফান্ড অনুমোদন করে। তবে কমিশন সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন বিলম্বিত হওয়ায় গত সপ্তাহে লিখিত অনুমোদন পায়নি আইসিবি।
তবে গত রোববার এসইসির পক্ষ থেকে কোনো বিশেষ সুবিধা ছাড়া ফান্ড অনুমোদনের কথা জানানো হয়। বিশেষ সুবিধা না দেওয়ায় ফান্ডের প্রস্তাবটি সংশোধন করে পুনরায় এসইসিতে জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। রোববারই আইসিবির পক্ষ থেকে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়।
এসইসির পক্ষ থেকে ফান্ডের ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের অনুমোদনের বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ফলে ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আর কোনো বাধা নেই।
সূত্র জানায়, আইসিবির পক্ষ থেকে এরইমধ্যে ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে যোগাযোগ করে আগামী বৃহস্পতিবার ফান্ড নিবন্ধনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইসিবিতে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। অনুষ্ঠানে সকল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত থাকবেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৫০ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৫, ২০১১
|
|
|
|