Page 1 / 2 1 - 2 Next »
NEWS 25.04.2011
04/24/2011 7:14 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
মানি ও ক্যাপিটাল মার্কেট বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় ছিল না

খায়রুল হোসেন রাজু ॥ পুঁজিবাজার ও মানি মার্কেটের অস্থিরতার পেছনে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর সমঝোতা স্বাক্ষর না হওয়াই দায়ী। দেশের মানি মার্কেট, পুঁজিবাজার এবং বীমা খাত নিয়ন্ত্রণ করতে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এবং বীমা কর্তৃপৰের মধ্যে সমন্বয় ছিল না। এসব সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় না থাকার কারণেই মানি মার্কেট ও শেয়ার বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বলেও অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার এবং বিশেজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন।
বাজার বিশেস্নষক ও একাধিক ব্যাংকার মন্তব্য করছেন, যে কোন দেশের আর্থিক খাত স্থিতিশীল রাখতে ওই দেশের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বা একটি সমঝোতা স্বাক্ষর অথবা চুক্তি থাকা দরকার। সে চুক্তি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো যথাযথভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তারা এর কারণ দর্শাবে। এ চুক্তি বাংলাদেশে ছিল না। যেটি সুইজ্যারল্যান্ডভিত্তিক ব্যাসেল কমিটি তাদের সুপারিশে তুলে ধরেছে। এটি বাংলাদেশে না থাকলেও পৃথিবীর উন্নত দেশের আর্থিক বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে। ফলে সেখানে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা খাত এবং শেয়ার বাজারের অস্থিরতা খুবই কম দেখা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গবর্নর ড. সালাউদ্দিন আহমেদ এ বিষয়ে জনকণ্ঠকে বলেন, সমন্বয়হীনতার কারণেই মানিমার্কেট ও ক্যাপিটাল মার্কেটে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কারণ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করছে এসইসি। কিন্তু ওই কতর্ৃপৰ এক এক সময় এক একটি সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করেছে। এতে বাংলাদেশ ব্যাংক, বীমা কতর্ৃপৰ এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতা ছিল না। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকও যখন মানি মার্কেট সম্পর্কে সিদ্ধানত্ম নিয়েছিল তখনও এসইসি, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বীমা কতর্ৃপৰের সঙ্গে চুক্তি করে কোন সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করেনি। এর ফলে বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয় অর্থনীদিবিদ ড. আবুল বারকাত জনকণ্ঠকে বলেন, বর্তমানে শেয়ার বাজার ক্রাস এবং মানি মার্কেটে অস্থিরতার জন্য প্রধানত নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোর ভুল সিদ্ধানত্মই দায়ী। কারণ শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতির ৰেত্রে যখন সম্প্রসারণ নীতি গ্রহণ করার কথা ছিল, তখন সঙ্কোচন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এতে বাজারে ক্রাস হয়েছে, অথবা শেয়ার বাজারের যেমন দ্রম্নত উত্থান, তেমনি দ্রম্নততার সঙ্গে পতন হয়েছে। এ ৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভাব লৰ্য করা গেছে। কিন্তু শেয়ার বাজার যখন মোটামুটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে, ঠিক তখনই সকল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো ঐকমত্য হয়ে সিদ্ধানত্ম নিতে শুরম্ন করেছে। এটি আগে করা হলে বাজারের এ অবস্থা সৃষ্টি হতো না।
Quote   
04/24/2011 7:15 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
ইব্রাহিম খালেদসহ তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধে মামলা
প্রতিবেদন আংশিক বাতিল দাবি থাই এ্যালুমিনিয়ামের

কোর্ট রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজার তদন্ত প্রতিবেদন আংশিক বাতিল চেয়ে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদসহ তদন্ত কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বাংলাদেশ-থাই এ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড। তদন্ত প্রতিবেদনের যতটুকু বিডি থাইয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ততটুকু পর্যন্ত প্রতিবেদনটি মিথ্যা, উদ্দেশ্যমূলক ও অকার্যকর ঘোষণায় আদালতের প্রতি আবেদন জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
মামলায় ইব্রাহিম খালেদ ছাড়া নাম উলেস্নখ করা অন্য তিন বিবাদী হলেন-চার্টার্ড একাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশের সভাপতি মোঃ আবদুল বারি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের পরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার নিহাদ কবির। মামলায় তদন্ত কমিটির চার সদস্য ছাড়াও সিকিউরিটজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক, সিটি ব্যাংক (এনএ) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের প্রধান নির্বাহীকে (সিইও) মামলার বিবাদী করা হয়েছে। বাংলাদেশ-থাই এ্যালুমিনিয়ামের পক্ষে প্রতিষ্ঠানের আইন কর্মকর্তা আব্দুস সেলিম মিয়া রবিবার ঢাকার দ্বিতীয় সহকারী জজ আদালতে মামলাটি করেন। বিচারক মোঃ আফতাবুজ্জামান আগামী ১২ জুন বিবাদীদের হাজির হয়ে লিখিত জবাব দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
গত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে পুঁজিবাজারে রেকর্ড ধসের পর ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে সরকার একটি তদন্ত কমিটি করে। গত ৭ এপ্রিল সরকারকে কাছে দেয়া তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বাংলাদেশ-থাই এ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ তুলে ধরা হয়। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবেদনের ওই অংশই বাতিল ঘোষণা করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।
মামলায় বলা হয়েছে, শেয়ারবাজার তদনত্ম কমিটির চেয়ারম্যান ও অন্য বিবাদীরা গত ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রীর কাছে তদনত্ম প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদন দাখিলের পর ইব্রাহিম খালেদ গণমাধ্যমে বলেন-'আমরা জেম গেস্নাবালের যোগসাজশে বাংলাদেশ-থাই এ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের ১৫ কোটি টাকা পাচার বা হস্তান্তরের প্রমাণ পেয়েছি।' এতে বাদীর প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা ও সম্মান ক্ষতি হয়েছে। বিবাদীরা সিকিউরিটি এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনের সঠিক তথ্য যাচাই না করে এবং বাংলাদেশ-থাই এ্যালুমিনিয়াম কর্তৃপক্ষের কোন বক্তব্য না শুনে একতরফাভাবে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলায় আরও বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা তদনত্ম প্রতিবেদনটির যতটুকু অংশ বিডি থাইয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ততটুকু পর্যনত্ম প্রতিবেদনটি মিথ্যা, উদ্দেশ্যমূলক ও অকার্যকর মর্মে ঘোষণামূলক ডিক্রি দেয়া হোক। বিডি থাই কোন টাকা কোথায় কিভাবে পাচার বা স্থানানত্মর করেছে তা বাদী প্রতিষ্ঠানের বোধগম্য নয়। ইব্রাহিম খালেদের বক্তব্য অনুযায়ী জেম গেস্নাবালের কাছে বিডি থাই যে বন্ড ইসু্য করে তা লকিংয়ে থাকার কথা ছিল। কিন্তু জেম গেস্নাবাল তা বেআইনিভাবে অফলোড করেছে বলে প্রকাশ করা হয়েছে যা অসত্য। বিডি থাই ও জেম গেস্নাবালের সঙ্গে অনুমোদিত চুক্তি অনুযায়ী বিডি থাই এ্যালুমিনিয়াম জেম গেস্নাবালের অনুকূলে উন্মুক্ত বাণিজ্য (ফ্রিলি ট্রেডেবল) শেয়ার এবং ওয়ারেন্ট ইসু্য করেছে। এ সব কিছু করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যংকের আইন, বৈদেশিক মুদ্রা আইন ও সিকিউরিটি এঙ্চেঞ্জ কমিশনের অনুমোদন নিয়ে।
তদনত্ম প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জেম গেস্নাবাল কোম্পানির সহায়তায় বিডি থাই এ্যালুমিনিয়াম শেয়ার বিক্রি করে অবিশ্বাস্যভাবে মুনাফা অর্জন করেছে। জেম গেস্নাবাল সিটি ব্যাংক (এনএ) এর মাধ্যমে ১৫ কোটি টাকা বিদেশে স্থানানত্মর করেছে। কমিটি পুরো বিষয়টি তদনত্মের জন্য সিআইডির কাছে হসত্মানত্মরের সুপারিশ করে।
Quote   
04/24/2011 7:15 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
এসইসি চেয়ারম্যানের তদন্ত রিপোর্ট প্রসঙ্গে দেয়া চিঠি নিয়ে প্রশ্ন

রাজু আহমেদ ॥ সরকারের পৰ থেকে আনুষ্ঠানিক মতামত প্রকাশের আগেই পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনকে 'পৰপাতমূলক' আখ্যায়িত করেছেন সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের কাছে দেয়া একটি চিঠি ও পর্যালোচনায় তিনি তদন্ত কমিটির সদস্যদের যোগ্যতা ও প্রতিবেদনের যথার্থতা নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেন। সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশ নাকচ করে তাঁর এ একতরফা চিঠি নিয়ে সংশিস্নষ্ট মহলে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। কমিশন সদস্যদের সঙ্গে কোনরকম আলোচনা ছাড়াই এসইসি চেয়ারম্যান ব্যক্তিগতভাবে এ চিঠি পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে।
ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ তদনত্মে গত ২৫ জানুয়ারি কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গবর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তদনত্ম কমিটি গঠন করা হয়। নির্ধারিত দু'মাসের তদনত্ম কাজ শেষে গত ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে কমিটির প্রতিবেদন পেশ করা হয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওইদিন অর্থমন্ত্রী জানান, ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।
ইতোমধ্যে অর্থমন্ত্রীর দেয়া ওই সময়সীমা শেষ হলেও সরকারের পৰ থেকে এখনও প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়নি। তদনত্ম প্রতিবেদনের বিষয়ে সরকারের দিক থেকে আনুষ্ঠানিক কোন মনত্মব্যও জানানো হয়নি। প্রতিবেদন প্রকাশের সময় এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং কমিটির সুপারিশের আলোকে গৃহীত পদৰেপ সম্পর্কে জানানো হবে বলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
তা সত্ত্বেও এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার গত সপ্তাহে তদনত্ম প্রতিবেদন সম্পর্কে বেশকিছু মনত্মব্যসহ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে একটি চিঠি দেন। এসইসির মনত্মব্য ও পর্যালোচনা হিসেবে পাঠানো এ চিঠিতে তদনত্ম প্রতিবেদনকে 'সাধারণভাবে ধারণার ভিত্তিতে রচিত', 'সত্যের অপলাপ', 'পৰপাতমূলক', 'অবিবেচনাপ্রসূত' এবং 'তথ্যভিত্তিক নয়' বলে অভিহিত করা হয়েছে। চিঠিতে এসইসির কর্মকা- সম্পর্কে তদনত্ম কমিটির মূল্যায়ন ও সুপারিশগুলো সরাসরি নাকচ করে দেয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন কোম্পানির প্রাথমিক শেয়ারের অতি মূল্যায়ন, প্রাক-আইপিও পেস্নসমেন্ট কারসাজি ও অমনিবাস হিসাবে অনিয়ম সম্পর্কে তদনত্ম প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, কোনরকম তদনত্ম ছাড়াই সেগুলোর পৰে সাফাই গেয়েছেন এসইসি চেয়ারম্যান। নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষপদে অধিষ্ঠিত থেকে তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন পুরোপুরি নাকচ করে অভিযুক্ত কোম্পানির পৰে এ ধরনের অবস্থান ব্যক্ত করায় সংশিস্নষ্ট মহলে বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে 'পুঁজিবাজার তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনের ওপর মনত্মব্য' শিরোনামে এসইসি চেয়ারম্যানের চিঠিতে বলা হয়েছে, 'প্রতিবেদনে শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক উত্থান-পতনের জন্য এসইসিকে ব্যাপকভাবে দায়ী করা হলেও এসব বিষয়ে কখনোই এসইসির কোন ব্যাখ্যা নেয়া হয়নি। পুতক (পুঁজিবাজার তদনত্ম কমিটি) এসব বিষয়ে এসইসির লিখিত ব্যাখ্যা নিলে প্রতিবেদনটি আরও তথ্যভিত্তিক হতো।' এসইসি চেয়ারম্যানের এ ধরনের বক্তব্য সঠিক নয় বলে সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন। কারণ তদনত্ম কার্যক্রম পরিচালনার বিভিন্ন পর্যায়ে তদনত্ম কমিটি বেশ কয়েকবার এসইসির সঙ্গে বৈঠক করেছে। পত্র-পত্রিকায় ওইসব বৈঠকের খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
এসইসি চেয়ারম্যান বলেছেন, 'এ তদনত্ম রিপোর্টটি সাধারণভাবে ধারণার (পারসেপশন) ওপর ভিত্তি করে রচিত। এ রিপোর্ট অনুযায়ী কারও বিরম্নদ্ধে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেয়া খুব সহজ হবে না।' তদনত্ম প্রতিবেদন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ায় তদনত্ম কমিটির চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদও বলেছেন, এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হলে আরও তদনত্ম করতে হবে। অধিকাংশ ৰেত্রেই সুনির্দিষ্ট কারসাজি তদনত্মের দায়িত্ব এসইসির। কিন্তু কারসাজি ও অনিয়মের অভিযোগগুলো নাকচ করে এসইসি চেয়ারম্যান সেই দায়িত্ব পালন না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
এছাড়া সম্পর্কিত তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা ও ভবিষ্যতে কারসাজির পথ বন্ধে ২৫ দফা সুপারিশ পেশ করা হলেও এগুলো বাসত্মবায়নে সরকারের করণীয় সম্পর্কে কোন মনত্মব্য না করলেও কয়েকটি সম্পর্কে নেতিবাচক মতামত দিয়েছেন। এর মধ্যে বিও হিসাব পরিচালনায় টিআইএন নম্বর দেয়ার বিধান, এসইসি থেকে অবসরপ্রাপ্তদের পুঁজিবাজারের সঙ্গে যুক্ত না থাকা এবং অমনিবাস হিসাবকে সাধারণ বিও হিসাবে রূপানত্মরের সুপারিশের ঘোর বিরোধিতা করেছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবকে দেয়া এ চিঠি সম্পর্কে জানতে এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। কমিশনের সদস্য ইয়াসিন আলীর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'তদনত্ম প্রতিবেদন সম্পর্কে কোন মতামত বা পর্যবেৰণ নিয়ে কমিশন সভায় কোন আলোচনা হয়নি। ফলে বিষয়টি সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই।'
এদিকে তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন সম্পর্কে এসইসি চেয়ারম্যানের এ ধরনের মনত্মব্য পুঁজিবাজারে কারসাজির দায়ে অভিযুক্তদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ৰেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন। তাঁদের মতে, ভবিষ্যতে সরকার কারও বিরম্নদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা করলেও তারা আদালতে এসইসি চেয়ারম্যানের এ চিঠি উপস্থাপন করে তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে। একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে এসইসি চেয়ারম্যানের দিক থেকে এ ধরনের সুযোগ করে দেয়া কাম্য হতে পারে না। সরকার তাঁর কাছে মতামত চাইলেও বিভিন্ন ব্যক্তি ও কোম্পানি সম্পর্কে তদনত্ম প্রতিবেদনে আনীত অভিযোগগুলো আরও তদনত্মের পর তিনি তা সরকারের কাছে তুলে ধরতে পারতেন।
উলেস্নখ্য, গত ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রীর কাছে পুঁজিবাজারসংশিস্নষ্ট তদনত্ম প্রতিবেদন পেশ করার পর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে তদনত্ম কমিটি ও প্রতিবেদনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সরকার ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি ভিন্নদিকে সরাতে বাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে অভিযুক্তরা নানা কৌশলে তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে নেতিবাচক প্রচার চালাতে শুরম্ন করেছে। পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরম্নদ্ধে শাসত্মিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণের জনআকাঙ্ৰাকে পাশ কাটিয়ে তদনত্ম কমিটির সদস্যদের নিরপেৰতা ও প্রতিবেদনের যথার্থতা নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের প্রবণতা পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের পার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
মাত্র দু'মাস সময়ের মধ্যে পুঁজিবাজারের মতো একটি বিশাল ৰেত্র নিয়ে সামগ্রিক তদনত্ম কার্যক্রম পরিচালনা করা বেশ কঠিন কাজ। তা সত্ত্বেও খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত তদনত্ম কমিটি গত দু'বছরে পুঁজিবাজারে সংঘটিত সবরকম প্রবণতা বিশেস্নষণ করে প্রতিবেদন পেশ করেছে। প্রতিবেদনে যেমন বড় ধরনের কারসাজি ও অনৈতিক কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িতদের সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তেমনি প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা ও শৈথিল্য সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে মূলধন সংগ্রহের নামে পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য, অস্বাভাবিক প্রিমিয়ামসহ নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি এবং বিশেষ মহলের সুবিধা সৃষ্টির জন্য আইন ও বিধিবিধান সংশোধনে প্রভাব বিসত্মারকারীদের সম্পর্কেও তথ্য তুলে ধরেছে তদনত্ম কমিটি। এসব ৰেত্রে জড়িতদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে না পারলেও অনেকের সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য দেয়া হয়েছে। এসব তথ্য উলেস্নখ করে সংশিস্নষ্টদের বিরম্নদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের পৰ থেকে অধিকতর তদনত্মের সুপারিশ করেছে তদনত্ম কমিটি।
তদনত্ম প্রতিবেদনে বাজারে কারসাজির প্রবণতাগুলো চিহ্নিত করে এর পদ্ধতিগত সমস্যাগুলো তুলে ধরার দিকে বেশি গুরম্নত্ব দেয়া হয়েছে। সীমিত সময়ের মধ্যে প্রতিটি সমস্যা চিহ্নিত করতে গিয়ে দৈবচয়ন ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। একইসঙ্গে বাজারসংশিস্নষ্ট বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলোচনা ও বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ পর্যালোচনা করে আইন, বিধিবিধান ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করার পাশাপাশি কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অনৈতিক প্রবণতা বন্ধ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি রোধে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক সংস্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন ৰেত্রে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তবে অধিকাংশ ৰেত্রেই ঘটনাপরম্পরা এবং সামগ্রিক প্রবণতা বিশেস্নষণ করে অনৈতিক কমর্কা-ের বিষয়গুলো উলেস্নখ করা হয়েছে। কমিটির মেয়াদ মাত্র দু'মাসের হওয়ায় সব বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মতো সুস্পষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সন্দেহজনক তৎপরতার বিবরণ তুলে ধরে অধিকতর তদনত্মের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। কোন কোন ৰেত্রে অনৈতিক কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িতদের বিরম্নদ্ধে সরকারী সংস্থার মাধ্যমে তদনত্ম করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
তদনত্ম প্রতিবেদন সম্পর্কে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী রবিবার জনকণ্ঠকে বলেন, নানা দিক থেকে নানা প্রসঙ্গ টেনে তদনত্ম প্রতিবেদনের মূল আলোচনাকে দূরে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারের স্বার্থসংশিস্নষ্ট যেসব ইতিবাচক সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদৰেপ নেয়া উচিত।
Quote   
04/24/2011 7:16 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
তদন্ত প্রতিবেদন মতামতের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে, পরে প্রকাশের সিদ্ধান্ত ॥ মুহিত

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, পুঁজিবাজারের উত্থান-পতন বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর মতামতের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতামত পাওয়ার পরই তা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ।
রবিবার সচিবালয়ে সরকারী ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে তিনি বলেন, প্রতিবেদনে কিছু বিষয়ের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতামত নেয়া প্রয়োজন। এজন্যই সেখানে তদনত্ম প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান-পতন বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের পুঁজিবাজারে সূচকের সামান্য পতন হলেই বিনিয়োগকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। অথচ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সূচকের অনেক বেশি পতন হলেও বিনিয়োগকারীরা কোন ধরনের হৈচৈ করেন না। উত্থান-পতন পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা বলেও উলেস্নখ করেন তিনি। পুঁজিবাজার অস্থিরতা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর সংশিস্নষ্ট সংস্থাগুলো মতামত দিচ্ছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, সে সব পর্যালোচনার পরই সরকার এ বিষয়ে বক্তব্য দেবে। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ইতোমধ্যে তদনত্ম প্রতিবেদনের বিষয়ে তাদের মতামত মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।
গত ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের কাছে জমা দেয়া তদনত্ম কমিটির ৩০০ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনের জবাবে গত সপ্তাহে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের বরাবরে আট পৃষ্ঠার এই চিঠি পাঠায় এসইসি।
এতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারের ্তুসাধারণ কর্মপদ্ধতি্থ সম্পর্কে ্তুস্পষ্ট ধারণা্থ না থাকায় কেবল সাধারণ ধারণার ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে তদনত্ম কমিটি। কোনরূপ প্রমাণ ছাড়া এসইসির মতো একটি গুরম্নত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর সরকারী প্রতিষ্ঠানকে সিন্ডিকেশনের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা সত্যের অপলাপ ছাড়া আর কিছুই না।
কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের ওই তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনে এসইসির শীর্ষ পর্যায়ে রদবদলসহ প্রতিষ্ঠানটির পুনর্গঠনের সুপারিশ করা হয়।
এসইসির চিঠির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এ বিষয়ে আমি কোন মনত্মব্য করব না। আমরা তদনত্ম প্রতিবেদন পর্যালোচনা করছি, সংশিস্নষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে। সেটা দেখে আমাদের মতামত জানাব।
তদনত্ম কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, প্রয়োজনে আংশিক সম্পাদনা করে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হবে। রবিবার এ বিষয়ে বলেন, 'তা আমি বলতে পারব না।'
Quote   
04/24/2011 7:16 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
শর্তসাপেৰে তালিকাভুক্ত হচ্ছে এমআই সিমেন্ট
এসইসি, স্টক এক্সচেঞ্জ ও কোম্পানি কর্মকর্তাদের বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত

অর্থনেতিক রিপোর্টার ॥ লেনদেন শুরুর পর ছয় মাসের মধ্যে শেয়ারের বাজার মূল্য বরাদ্দ মূল্যের নিচে নেমে গেলে পরিচালকদের পৰ থেকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের শর্তে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাচ্ছে এম আই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড (ক্রাউন সিমেন্ট)। বিনিয়োগকারীদের ৰতিপূরণ দেয়ার জন্য লেনদেন শুরম্নর আগেই কোম্পানির পরিচালকরা স্টক এক্সচেঞ্জের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে ৫ কোটি টাকা এবং ৭৫ লাখ শেয়ার জমা রাখবেন। গতকাল রবিবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি), দুই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং এমআই সিমেন্টের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এসইসির কাছ থেকে লিখিত নির্দেশনা পাওয়ার পর ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইনী জটিলতা থাকলেও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ জন্য কোম্পানির পরিচালকরা কয়েকটি শর্ত মেনে নিয়েছেন। তালিকাভুক্তির ৬ মাসের মধ্যে কোম্পানির শেয়ারের দর বরাদ্দ মূল্যের নিচে নেমে এলে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দপ্রাপ্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। কোম্পানির পরিচালকরা নিজস্ব তহবিল থেকে ৰতিপূরণের টাকা যোগান দেবেন। প্রাথমিক শেয়ারধারীরা তাদের শেয়ার বিক্রি করে ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্রোকারেজ হাউসগুলো আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কোম্পানিকে অবহিত করবে। পরে নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাব থেকে বিনিয়োগকারীদের ৰতির সমপরিমাণ টাকা পাঠিয়ে দেয়া হবে। কোম্পানির পরিচালকরা প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে জমা রাখার প্রসত্মাব দিয়েছেন। পাশাপাশি উদ্যোক্তা পরিচালকদের মালিকানায় থাকা ৭৫ লাখ শেয়ার ডিএসই ও সিএসইতে জমা রাখা হবে। নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে টাকা না থাকলে এসব শেয়ার বিক্রি করে ৰতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে। এজন্য প্রয়োজনে এসইসি পরিচালকদের নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ারের ওপর লক-ইন তুলে নেবে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমদ বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইনী জটিলতা থাকলেও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করেই এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া না হলে এটি একটি খারাপ দৃষ্টানত্ম হিসাবে পরিগণিত হতো। তবে বিশেষ বিচেনায় এই কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হলেও ভবিষ্যতে এটিকে উদাহরণ হিসাবে দেখান যাবে না এবং এ বিষয়ে একটি নির্দেশনাও দেয়া থাকবে।
তিনি আরও বলেন, মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে একই ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকেও এমআই সিমেন্টের মতো প্রসত্মাব দেয়া হলে তালিকাভুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী জনকণ্ঠকে বলেন, পরিচালকদের পৰ থেকে ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তসহ এসইসি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিলে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।
এমআই সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোক্তার এইচ তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, 'আমরা এসইসির সকল শর্ত মেনে নিয়েছি। শর্তানুযায়ী প্রাথমিক শেয়ারধারীদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে রাখা হবে। এছাড়া যে পরিমাণ শেয়ার অফলোড করা হয়েছে তার এক-চতুর্থাংশ দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লিয়েন রাখা হবে। আশা করছি খুব শীঘ্রই এমআই সিমেন্ট বাজারে আসবে।
এর আগে প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারদের কোম্পানির প্রিমিয়াম হিসাব থেকে ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তে এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করতে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছিল এসইসি। কিন্তু ৰতিপূরণ প্রদানের ৰেত্রে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ৫৭(২) এর গ ধারাকে ভিত্তি ধরা হলেও ওই ধারায় প্রিমিয়াম আয় থেকে এ ধরনের ব্যয় অনুমোদন না করায় এমআই সিমেন্টের পাশাপাশি মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টকে তালিকাভুক্তিতে অসম্মতি জানায় ডিএসই। এ কারণে গত বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময় শেষ হলেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারেনি কোম্পানি। তবে ওইদিনই কোম্পানির তালিকাভুক্তির সময় দু' সপ্তাহ বৃদ্ধি করে এসইসি।
Quote   
04/24/2011 7:17 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
ইউসিবিএল ও উত্তরা ফাইন্যান্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের বিভিন্ন হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল) ও উত্তরা ফাইন্যান্স লিমিটেড।
ইউসিবিএল ॥ গত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এ ইউসিবিএল। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২৫টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৩০ মে সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আর্মি গলফ ক্লাবে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৭ টাকা ৫০ পয়সা।
উত্তরা ফাইন্যান্স ॥ গত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এ উত্তরা ফাইন্যান্স। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৪টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৩০ মে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের সময় ও স্থান নিধর্ারণ করা হয়নি। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৩ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১৬ টাকা ০২ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা।

এনটিসির লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ অস্বাভাবিকভাবে দর বৃদ্ধির কারণে ন্যাশনাল টি কোম্পানির (এনটিসি) লেনদেন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) কতর্ৃপৰ। গতকাল ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
রবিবার লেনদেন চালু হওয়ার পরপরই এ কোম্পানি শেয়ারের দাম বাড়তে থাকলে সংশিস্নষ্ট কতর্ৃপৰ লেনদেন স্থগিত করার সিদ্ধানত্ম নেয়।
এর আগে গত সপ্তাহের শেষ দুই কার্যদিবসেও এনটিসির লেনদেন স্থগিত রেখেছিল ডিএসই। তখন ডিএসই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতি ভেবেচিনত্মে বিনিয়োগের অনুরোধ জানায়। বুধবার ও বৃহস্পতিবার দু'দিনই আলাদাভাবে একদিনের জন্য লেনদেন স্থগিত করে ডিএসই। কিন্তু কোনভাবেই থামছে না এ কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধির মাত্রা। ফলে অস্বাভাবিক এ দরবৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করার স্বার্থে সর্বশেষ এ সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসই।

মিউচু্যয়াল ফান্ডের সর্বশেষ প্রকৃত সম্পদমূল্য
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৩টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৯টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের সর্বশেষ প্রকৃত সম্পদমূল্যের (এনএভি) সাপ্তাহিক হিসাব রবিবার প্রকাশিত হয়েছে।
সর্বশেষ ঘোষিত হিসাব অনুযায়ী ২৪ এপ্রিল পর্যনত্ম চলতি বাজার মূল্যের ভিত্তিতে আইসিবির ৮টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের প্রতি ইউনিটের প্রকৃত সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রথম আইসিবি ১১,০২০.৪৬ টাকা, দ্বিতীয় আইসিবি ৩,০৬৩.০০ টাকা, ততৃীয় আইসিবি ২,২১৫.৬৬ টাকা, চতুর্থ আইসিবি ২,৬৪২.৬৫ টাকা, পঞ্চম আইসিবি ২,১৮৪.৪১ টাকা, ষষ্ঠ আইসিবি ৮০৯.৬২ টাকা, সপ্তম আইসিবি ১,২৭৫.০২ এবং অষ্টম আইসিবি ৯৩৪.৭১ টাকা।
এছাড়া সর্বশেষ হিসাবে ইবিএল ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ডের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে ইউনিট প্রতি এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৪.৪০ টাকা, আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট ৬৫২.৯৭ টাকা, আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড ১২৮.১২ টাকা, আইসিবি ইসলামিক ২৯৩.৫৩ টাকা, ফার্স্ট প্রাইম ফাইন্যান্স ১৮.৫৬ টাকা, আইসিবি ফার্স্ট এনআরবি ৪৪৪.৫৪ টাকা, আইসিবি সেকেন্ড এনআরবি ১৯৭.৭৩ টাকা, আইসিবি থার্ড এনআরবি ১০.২৬ টাকা, আইসিবি এমপস্নয়িজ প্রভিডেন্ট ১১.৩৮ টাকা, পিএইচপি ৯.৪১ টাকা, পপুলার ফার্স্ট ৯.৮৮ টাকা, ফার্স্ট জনতা ১০.১৯ টাকা, আইএফআইসি ফার্স্ট ১৩.১৮ টাকা, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট ১৩.৮৯ টাকা, পিএফ ফার্স্ট ১০.৯৫ টাকা, এআইবিএল ফার্স্ট ৯.৯১ টাকা, এমবিএল ফার্স্ট ৯.৭৯ টাকা, ফার্স্ট বিএসআরএস ১৭৭৯.৪৮ টাকা, গ্রীন ডেল্টা ৯.৭১ টাকা, ডিবিএইচ ফার্স্ট ১২.২৯ টাকা, প্রাইম ব্যাংক ফার্স্ট আইসিবি এএমসিএল ১১.১৬ টাকা।
Quote   
04/24/2011 7:17 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
পুঁজিবাজারে মন্দা অব্যাহত
অর্থমন্ত্রীর বিরূপ মন্তব্যকে দায়ী করছেন বিনিয়োগকারীরা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও অর্থমন্ত্রীর বিরূপ মন্তব্যই পুঁজিবাজারের দরপতনের কারণ বলে মনে করছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
সরকারী প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতার বিষয়ে সন্দিহান ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। বিনিয়োগকারী ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠনে যোগ্য লোকের অভাব_ অর্থমন্ত্রীর এ ধরনের মন্তব্যর কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরছে না। ফয়সাল আরও বলেন, দ্রম্নত বাংলাদেশ ফান্ডের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা দরকার।
হামিদুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, পুঁজিবাজারে অনেক সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। দ্রুত এগুলোর সমাধান হলে ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরবে বলে মনে করেন তিনি। হামিদুল আরও বলেন, বাংলাদেশ ফান্ডের বাসত্মবায়ন, মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা এবং এসইসির পুনর্গঠন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিকতার বহি:প্রকাশ জরম্নরি।
মোসত্মফা কামাল বলেন, সরকারী প্রচেষ্টা ছাড়া এ অবস্থার উত্তোরণ সম্ভব নয়। রবিবারের দরপতনের জন্য তিনি অর্থমন্ত্রীর বিরম্নপ মনত্মব্যকে দায়ী করেন।
গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) মোট ২৫৫টি কোম্পানির ৬ কোটি ৭১ লাখ ৭৭ হাজার ২১৯টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসই'তে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৬৩১ কোটি ১০ লাখ ৬৮ হাজার ১২৩ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৫৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা বেশি।
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১১৬.৩০ পয়েন্ট কমে ৬০৭৬.৩১ পয়েন্টে দাঁড়ায়। অন্যদিকে ডিএসই- ২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪২.৭৮ পয়েন্ট কমে ৩৮০৯.৭৩ পয়েন্টে পেঁৗছে। লেনদেনকৃত ২৫৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩টির কমেছে ২২৭ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টি কোম্পানির শেয়ারের।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো - বেঙ্মিকো লিঃ, বেঙ্টেঙ্ লিঃ, শাইনপুকুর সিরামিকস্, বেঙ্মিকো ফামর্া, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, আফতাব অটোমোবাইলস, মালেক স্পিনিং, তিতাস গ্যাস, বেঙ্মিকো সিনথেটিকস্ ও সালভো কেমিক্যালস্।
দর বৃদ্ধিতে রবিবারের প্রধান ১০টি কোমপানি হলো - বেঙ্টেঙ্ লিঃ, শাইনপুকুর সিরামিকস্, বেঙ্মিকো ফামর্া, বেঙ্মিকো লিঃ, বেঙ্মিকো সিনথেটিকস্, রেকিট বেঙ্কাইজার, চিটাগাং ভেজিটেবলস, ন্যাশনাল টি কোম্পানি, বঙ্গজ লি: ও দেশ গার্মেন্টস।
অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো - শাহজালাল ব্যাংক, নদার্ন ইন্সুরেন্স, বীকন ফামর্া, বিডি ফাইন্যান্স, সোনারগাঁও টেঙ্টাইল, সিটি জেনারেল ইন্সুরেন্স, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লি:, কন্টিনেন্টাল ইন্সুরেন্স, বিআইএফসি ও রিপাবলিক ইন্সুরেন্স।
গতকাল সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৫টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১৭৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ছয়টির দাম। সাধারণ সূচক ১৮৮ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৯৮০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ২৯২ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ৫০ পয়েন্টে পেঁৗছেছে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয় ৭৯ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার ৫১৫ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৬২ কোটি ৯০ লাখ ৫০ হাজার ৩৪৪ টাকা।
Quote   
04/24/2011 7:19 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামত এলেই প্রতিবেদন প্রকাশ
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৫-০৪-২০১১

পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামত পাওয়ার পরই পুরো প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
গতকাল রোববার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মতামতের জন্য মূল প্রতিবেদনটি বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) পাঠানো হয়েছিল। এসইসির মতামত এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামত এলেই তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।
প্রতিবেদনের বেশ কিছু বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামত নেওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
বাজারের সাম্প্রতিক উত্থান-পতন সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটি বাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা। আমাদের পুঁজিবাজারে সূচকের সামান্য পতন হলেই বিনিয়োগকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সূচকের বড় ধরনের পতনও হয়। তাঁরা কিন্তু এতটা হইচই করেন না।’
এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনটি সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতিবেদনটি ২০ এপ্রিল সিডিতে রূপান্তর করা হয়েছে। সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টদের একটি করে সিডি সরবরাহ করা হবে বলেও সূত্র জানিয়েছিল।
জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন তৈরি করে ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে জমা দিয়েছে। কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বাধীন কমিটি ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রীর বাসায় গিয়ে এ প্রতিবেদন জমা দেয়।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী প্রতিবেদনের কিছু বিষয় নিয়ে পুনর্তদন্তের কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন।
দুই প্রস্তাব অনুমোদন: অর্থমন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন ও চিনি ক্রয়-সম্পর্কিত দুটি প্রস্তাব বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো প্রাইভেট সেক্টর পাওয়ার জেনারেশন পলিসি অব বাংলাদেশের আওতায় চট্টগ্রামে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন। অন্যটি ২৫ হাজার টন চিনি ক্রয়।
আট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজটি পেয়েছে বরকত উল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিক্স নামক একটি প্রতিষ্ঠান। বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১৫ বছরে এ প্রতিষ্ঠানকে তিন হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা পরিশোধ করবে সরকার। আর চিনি কেনা হবে ডব্লিউ অ্যান্ড ডব্লিউ ফ্রান্স করপোরেশনের কাছ থেকে প্রতি টন ৭২৩ ডলারে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৫৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা।
Quote   
04/24/2011 7:19 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
পুঁজিবাজার আবারও নিম্নমুখী ধারায়
এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৫-০৪-২০১১

দেশের পুঁজিবাজার আবারও নিম্নমুখী ধারায় ফিরে এসেছে। সপ্তাহের প্রথম দিনই দেশের পুঁঁজিবাজারে মূল্যসূচক আবার বেশ খানিকটা পড়ে গেছে। তা ছাড়া লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে। গতকাল সপ্তাহের প্রথম দিনে ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ১১৬ পয়েন্টের বেশি এবং সিএসইতে সার্বিক মূল্যসূচক ২৯২ পয়েন্টের বেশি কমেছে। তবে লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে।
অন্যদিকে এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও এমআই সিমেন্টের প্রতিনিধিদের এক যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে এ ব্যাপারে একটি নির্দেশনা জারি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এসইসি।
জানা গেছে, গত সপ্তাহের প্রথম চার দিন টানা মূল্যসূচক কমে যায়। তবে শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার মূল্যসূচক কিছুটা বেড়েছিল।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পুঁজিবাজারে কারসাজির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে সব ধরনের বিনিয়োগকারীর মধ্যে এক ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া অর্থ মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করার ঘোষণা দিলেও এখনো পর্যন্ত দেয়নি। সরকার প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর কী ধরনের ব্যবস্থা নেবে, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে অনেকেই। এ জন্য অনেক বিনিয়োগকারী বাজার থেকে দূরে রয়েছেন। এ কারণে বাজারে নিম্নমুখী অবস্থা বিরাজ করছে। তবে বিনিয়োগকারীরা তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত প্রকাশ করে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনারও দাবি জানান।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে গতকাল ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের শুরুতে সূচক ২৬ পয়েন্ট বেড়ে যায়। কিন্তু ২০ মিনিটের মাথায় সূচক ২৫ পয়েন্ট নেমে যায়। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সূচক কিছুটা বাড়লেও এর পর থেকে সূচক নিম্নগামী হতে থাকে, যা সারা দিনই অব্যাহত ছিল। দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১১৬ দশমিক ৬০ পয়েন্ট কমে ৬০৭৬ দশমিক ৩২ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
গতকাল ডিএসইতে ৬৩১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ১৫৫ কোটি টাকা বেশি। এদিন হাতবদল হওয়া ২৫৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ২৩টির, কমেছে ২২৭টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের দাম।
অন্যদিকে গতকাল সিএসইতে সার্বিক মূল্যসূচক ২৯২ দশমিক ৫০ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ৫০ দশমিক ৬৩ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ১৬টির, কমেছে ১৭৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। এদিন ৭৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ১৭ কোটি টাকা বেশি।
গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সটেক্স, শাইনপুকুর সিরামিকস, বেক্সিমকো ফার্মা, ইউনাইটেড এয়ার, আফতাব অটো, মালেক স্পিনিং, তিতাস গ্যাস, বেক্সিমকো সিনথেটিকস ও সালভো কেমিক্যাল।
এমআই সিমেন্ট: এসইসি সূত্র জানায়, এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে পুঁজিবাজারে এমআই সিমেন্টের লেনদেন শুরু হওয়ার পর ছয় মাস পর্যন্ত শেয়ারের দাম আইপিও মূল্যের নিচে নেমে এলে প্রাথমিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেবেন কোম্পানির উদ্যোক্তারা। এ জন্য ডিএসইর জিম্মায় প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তাদের পাঁচ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি ও ৭৫ লাখ শেয়ার রাখতে হবে।
Quote   
04/24/2011 7:20 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামত পেলেই তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ: মুহিত

ঢাকা, ২৪ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারের উত্থান-পতন বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর মতামতের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতামত পাওয়ার পরই তা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আজ রোববার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী।
তিনি বলেন, প্রতিবেদনে বেশকিছু বিষয়ের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতামত নেয়া প্রয়োজন। এজন্যই সেখানে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান-পতন বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের পুঁজিবাজারে সূচকের সামান্য পতন হলেই বিনিয়োগকারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। অথচ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সূচকের অনেক বেশি পতন হলেও বিনিয়োগকারীরা কোনো ধরনের হৈচৈ করেন না। উত্থান-পতন পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
Quote   
04/24/2011 7:21 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
শেয়ারবাজার কারসাজি
এ সপ্তাহে প্রতিবেদন প্রকাশ হবে কিনা জানেন না অর্থমন্ত্রী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
শেয়ারবাজার কারসাজি এ সপ্তাহে প্রতিবেদন প্রকাশ হবে কিনা জানেন না অর্থমন্ত্রী

ঢাকা: চলতি সপ্তাহের মধ্যে শেয়ারবাজার কারসাজির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে কিনা সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

রোববার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী।

তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে কিনা তা আমি বলতে পারবো না।’

প্রসঙ্গক্রমে তিনি জানান, প্রতিবেদনটি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে। মতামত পেলে সেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রকাশ করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবেদনটি আমি দেখেছি। পত্র-পত্রিকায় কিছু কিছু প্রকাশিত হয়েছে। সত্যি-মিথ্যা জানিনা।’

এসময় তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে এসইসি’র প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৩০ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৪, ২০১১
     
Quote   
04/24/2011 7:25 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Banks, NBFIs to face fresh liquidity pressure
Siddique Islam

With the government going for increased borrowing from the banking system to meet its budget deficit in the last quarter of the current fiscal, the banks are likely to face additional pressure on their liquidity position.

Financial institutions, particularly banks and non-banking financial institutions (NBFIs) working as primary dealers, will come under fresh liquidity pressure between April and June in fiscal year (FY) 2010-11 (FY11) when the government will be borrowing, at least, an amount of Tk 63.25 billion from them.

The government's net borrowing from all commercial banks and financial institutions through issuing treasury bills (T-bills) and bonds stood at Tk 93.55 billion during July-March period of the fiscal '11, according to the central bank statistics.

During the period, the government borrowed from the banking system up to 60 per cent of its annual borrowing target, which was fixed at Tk 156.80 billion to finance the budget deficit for the FY11.

"The government's borrowing from the financial sector may fluctuate due to seasonal effects," a senior government official, who is familiar with the government's overall borrowing activities, told the FE Sunday.

He also said the rate of implementation of the Annual Development Programme (ADP) normally goes up during by the last quarter of every fiscal year.

"Around Tk 44 billion will be injected to the market during the period under review because of redemption of the T-bills," the official added.

Market players, however, expressed their concern over higher bank borrowings of the government in the current quarter, saying that it will create fresh pressure on the country's money market, adding that the primary dealers (PDs) will particularly be affected.

"Our liquidity constraints will further mount this quarter as the government has decided to borrow more from the country's banking system during the period," a senior member of the Primary Dealers Bangladesh Limited (PDBL) told the FE.

He also said the central bank has allowed only PDs to submit bids in the primary auction of the government securities for the ongoing quarter of this fiscal year.

Currently, non-PD banks and financial institutions can take part in the auction only through the PDs.

Earlier, all banks and NBFIs could directly participate in the primary auction of the government securities without going through the PDs

This newly introduced system may be continued further, subject to its successful implementation, the BB said in its circular earlier.

"This system has been introduced to help broaden, and bring depth to, the secondary market in government securities," the BB added.

The central bank of Bangladesh earlier selected 15 PDs -- 12 banks and three NBFIs -- to handle government-approved securities in the secondary market.

Currently, three T-bills are being transacted through auctions to adjust the government borrowing from the banking system.

The T-bills have 91-day, 182-day and 364-day maturity periods.

On the other hand, four government bonds - five-year, 10-year, 15-year and 20-year -are being traded in the market.
Quote   
04/24/2011 7:25 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
MI Cement to be listed
FE Report

The securities regulator has decided to pave the way for the listing of MI Cement after the company has assured the authority to arrange separate fund and share mortgage for the compensation of shareholders, officials said.

The decision came Sunday after a tri-partite meeting held among Securities and Exchange Commission, Dhaka Stock Exchange (DSE) and Chittagong Stock Exchange (CSE).

Earlier, the SEC set a condition for the listing of MI Cement to buy the shares of intending shareholders if the market price of the company goes down within six months from the date of listing.

As per regulatory condition, MI Cement will create a fund of Tk 50 million for the compensation of its shareholders.

The company will also make a mortgage of 25 per cent shares (7.5 million) of company directors to DSE, so that this authority can make compensation to the shareholders by selling these shares.

In that case, the SEC will ease the lock-in period on the shares of company directors.

The DSE President Shakil Rizvi said they would go for the listing of the company after the SEC issued a directive on the issue.

Cement sector shares showed a strong performance in the stock trading in recent years with the possibilities of construction of large bridges and road-expansion projects including the Expressway services.
Quote   
04/24/2011 7:26 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
DSE news in brief


Cos' board meet

Golden Son: A meeting of the board of directors of Golden Son Ltd will be held on April 28, 2011 at 5:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.

Confidence Cement: A meeting of the board of directors of Confidence Cement Limited will be held on April 27, 2011 at 3:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.

Sonar Bangla Ins: A meeting of the board of directors of Sonar Bangla Insurance Ltd will be held on April 28, 2011 at 3:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.

Rupali Insurance: A meeting of the board of directors of Rupali Insurance will be held on April 28, 2011 at 3:00pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.

Standard Insurance: A meeting of the board of directors of Standard Insurance Limited will be held on April 28, 2011 at 3:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.

Nitol Insurance: A meeting of the board of directors of Nitol Insurance Company Ltd will be held on April 25, 2011 at 3:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.

Mercantile Bank credits stock dividend

Mercantile Bank Ltd has informed that it has credited the stock dividend to the respective shareholders' BO accounts.

Confirmation of shares sale

Mutual Trust Bank: M A Rouf, one of the sponsors of Mutual Trust Bank Ltd, has stated that he has completed his buy of 30,000 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange as announced earlier.

Mercantile Bank: M Amanullah, one of the sponsors/directors of Mercantile Bank Ltd, has stated that he has completed his sale of 122,000 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange as announced earlier.

BSRM Steels: Tehseen Zohair Taherali, one of the directors of BSRM Steels Limited, has stated that she has completed her sale of 7,500 shares of the company at prevailing market price through stock exchange as announced earlier.

BSRM Steels: Bangladesh Steel Re-Rolling Mills Ltd, one of the corporate sponsors/directors of BSRM Steels Limited, has stated that it has completed its sale of 100,000 shares of the company at prevailing market price through stock exchange as announced earlier.

Offer to sell shares

Asia Pacific General Ins: AHM Mustafa Kamal, FCA, one of the sponsors/directors of Asia Pacific General Insurance Company, has expressed his willingness to sell 77,700 shares out of his total holdings of 1,55,400 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.

ONE Bank: Asaduz Zaman, one of the sponsors of ONE Bank Limited, has expressed his willingness to sell 60,000 shares (bonus shares) out of his total holdings of 4,69,346 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.

Peoples Insurance: Golam Faruk Ahmed, one of the directors of Peoples Insurance, has expressed his willingness to sell 2,00,000 shares (bonus shares) out of his total holdings of 6,87,450 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.

Fu Wang Food: Biplob Kumar Chakraborty, one of the directors of Fu Wang Food, has expressed his willingness to sell 14,000 shares out of his total holdings of 29,220 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within April 30, 2011.

Summit Alliance: Alliance Holdings Ltd, one of the corporate sponsors of Summit Alliance Port Limited, has expressed its willingness to sell 11,95,690 shares out of its total holdings of 79,36,300 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.

Spot trading

Bangladesh Finance: Trading of the shares of Bangladesh Finance and Investment Company Ltd will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Monday) to April 27. Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on April 28.

Green Delta Insurance: Trading of the shares of Green Delta Insurance will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Monday) to April 27. Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on April 28.

United Leasing: Trading of the shares of United Leasing will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Monday) to April 27. Trading of the shares of the company will remain suspended on record date on April 28.

— DSE Online
Quote   
04/24/2011 7:26 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Three cos recommend dividends
FE Report

Three listed companies Sunday recommended stock dividends . The companies are Uttara Finance Limited, United Commercial Bank Limited and City General Insurance Company Limited.

The board of the directors of Uttara Finance has recommended 40 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The annual general meeting of the company will be held on May 30. The record date is May 3. Time and venue of the AGM will be notified later.

The company has stated net profit after tax of Tk 845.95 million, EPS of Tk 16.02, NAV per share of Tk 62.68 and NOCFPS of Tk 15.72 for the year that ended on December 31, 2010 as against Tk 495.43 million, Tk 9.38, Tk 65.27 and Tk 23.31 respectively for the year that ended on December 31, 2009.

The board of directors of United Commercial Bank Ltd has recommended 25 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The AGM of the company will be held at Army Golf Club, Dhaka Cantonment, Dhaka at 10:30 AM on May 30. The record date is May 4.

The bank has stated net asset value (NAV) of Tk 7,816.50 million, EPS of Tk 7.50 and NOCFPS of Tk 6.08 for the year that ended on December 31, 2010.

The board of directors of City General Insurance Company Ltd has recommended 12 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The AGM of the company will be held at Institution of Diploma Engineers, Bangladesh, Kakrail, Dhaka at 10:30 AM on June 23. The record date is May 4.

The company has stated EPS of Tk 2.65, NAV per share of Tk 15.16 and NOCFPS of Tk 3.93 for the year that ended on December 31, 2010.
Quote   
Page 1 / 2 1 - 2 Next »
Login with Facebook to post
Preview