| 03/25/2011 2:21 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত
বাংলাদেশ ফান্ড গঠনে অনুমোদন প্রক্রিয়া চলছে
-------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত রয়েছে। টানা তিন কার্যদিবসে সূচক ৩৬৪ পয়েন্ট কমেছে। শেয়ারবাজারকে সাপোর্ট দিতে চলছে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের প্রক্রিয়া। যে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান তহবিল যোগান দেবে এখন তার অনুমোদন প্রক্রিয়া চলছে।
ইতোমধ্যে প্রাথমিক সহযোগী উদ্যোক্তা হিসেবে সোনালী, রূপালী, জনতা, জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (বিডিবিএল) পরিচালনা পর্ষদের সভায় ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ ফান্ড গঠন নিয়ে আইএমএফ’র নেতিবাচক মতামত বাজারকে প্রভাবিত করেছে। শেয়ারবাজারকে সাপোর্ট দিতে ফান্ড গঠনের উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে শুরু করেছে।
এরই মধ্যে আইএমএফ’র এ মতামতের কারণে বাজারে আবারও ফান্ড গঠনে অনিশ্চয়তার গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা কমে যাওয়ায় বাজারে সূচক ও লেনদেন কমছে।
এ ব্যাপারে আইসিবির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জনান, বাংলাদেশ ফান্ড গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তার গুজব একাধিকবার বাজারকে প্রভাবিত করেছে। এজন্য গত ১৩ মার্চ আইসিবি থেকে বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে ফান্ড গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তার অবকাশ নেই বলে জানানো হয়। এতে বাজার স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
কিন্তু আইএমএফ’র মতামত আবারো বিনিয়োগকারীদের আস্থার জায়গাকে নাড়া দিয়েছে। তবে এটি শুধুই গুজব। ফান্ড গঠনের সকল প্রক্রিয়া দ্রুতাতর সঙ্গে চলছে।
তহবিলের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি। প্রতিষ্ঠানটি মোট তহবিলের ১০ শতাংশ অর্থ যোগান দেবে। প্রাথমিকভাবে সহযোগী উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছে চার রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা, জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল)।
এ পর্যন্ত অগ্রণী ছাড়া আইসিবিসহ সকল প্রতিষ্ঠানের বোর্ড মিটিংয়ে ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন হয়েছে। এছাড়া বেসিক ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনকেও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী হিসেবে এই তহবিলে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে বৃহস্পতিবার মোট ২৫০ টি কোম্পানির ৭ কোটি ৫০ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪৬ টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসই’তে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৮৬৭ কোটি ২ লাখ ১৪ হাজার ৩২৪ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৯৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা কম।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৭৬ দশমিক ০৯ পয়েন্ট কমে ৬১৬৪ দশমিক ৮২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৮৮ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট কমে ৩৯০৯ দশমিক ০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ২৫০ টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩১ টির, কমেছে ২১৭ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২টি কোম্পানির শেয়ার।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো : বেক্সিমকো লি., বেক্সটেক্স, তিতাস গ্যাস, গোল্ডেন সন, পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লি., ম্যাকসন স্পিনিং, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, শাইনপুকুর সিরামিকস্, আরএন স্পিনিং ও কনফিডেন্স সিমেন্ট।
দর বৃদ্ধিতে আজকের প্রধান ১০ টি কো¤পানি হলো: বিডি অটোকারস্, বঙ্গজ লি., জেমীনি সী ফুড, চিটাগাং ভেজিটেবল, ফার্মা এইড, লিব্রা ইনফিউশন, কে অ্যান্ড কিউ, স্টাইল ক্র্যাফট্, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস্ ও এপেক্স স্পিনিং।
অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০ টি কো¤পানি হলো: দেশ গার্মেন্টস, পিপলস্ ইন্সুরেন্স, বিআইএফসি, সামিট এলায়েন্স পোর্ট, ন্যাশনাল হাউজিং, আনলিমা ইয়ার্ণ, সাফকো স্পিনিং, অ্যাম্বী ফার্মা, সন্ধানী ইন্সুরেন্স ও রিপাবলিক ইন্সুরেন্স।
বাংলাদেশ সময়: ১৮২৩ঘণ্টা, মার্চ ২৪, ২০১১
|
|
|
| 03/25/2011 2:22 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়নি দুই স্টক এক্সচেঞ্জ
----------------------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়নি দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। বৃহস্পতিবার ডিএসইর বোর্ড মিটিংয়ে অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে।
তবে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির জন্য দুই সপ্তাহের সময় বাড়িয়ে দিয়ে ডিএসইকে একটি চিঠি দিয়েছে ।
জানা যায়, আবেদন গ্রহণের তারিখ থেকে ৭৫ দিনের মধ্যে কোম্পানিকে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হতে হয়। নির্ধারিত সময় পার হলেও বাইব্যাকের শর্ত জটিলতার কারণে ডিএসই কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়নি।
বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ডিএসই থেকে এসইসিকে জানানো হয়।
এ সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এসইসি তালিকাভুক্তির জন্য আরও দুই সপ্তাহের সময় বাড়িয়ে দিয়ে চিঠি দেয়। এ সময়ের মধ্যে তালিকাভুক্তির জটিলতা কিভাবে নিরসন করা যায় তা আলোচনা করতে বলা হয়েছে।
তবে ডিএসইর বৈঠক সূত্রে জানা যায়, যেহেতু কোম্পানিটি বাইব্যাক থেকে সরে এসে ক্ষতিপূরণের শর্ত দিচ্ছে। সেহেতু ডিএসই এ শর্তে কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করবে না। কোম্পানিটির স্পন্সররা যদি বাইব্যাকের শর্তে রাজি হয় তাহলে তালিকাভুক্তির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৫০ ঘন্টা, ২৪ মার্চ, ২০১১
|
|
|
| 03/25/2011 2:23 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | বিনিয়োগকারীদের বুঝে-শুনে বিনিয়োগ করা উচিত: মির্জা আজিজুল ইসলাম
----------------------------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেছেন, শেয়ার মার্কেটে তড়িৎ গতিতে মুনাফার সম্ভাবনা এবং পুঁজি হারানোর সম্ভাবনা-দুটোই স্বাভাবিক। তাই বিনিয়োগকারীদের বুঝে-শুনে বিনিয়োগ করা উচিত। তিনি বলেন, এসইসির কর্মকর্তাদের পেশাগত দতা, সততা আর নতজানু হয়ে কাজ না করার সামর্থ্য থাকা প্রয়োজন।
বৃহষ্পতিবার জাতীয় প্রেসকাবে সুশাসনের জন্য নাগরিক(সুজন) আয়োজিত ‘পুঁজিবাজারের অস্থিরতা নিয়ে নাগরিক উদ্বেগ” শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি পুঁজিবাজারে আস্থার পরিবেশ তৈরির প্রতিও গুরুত্ব দেন।
সুজন সভাপতি ড. বদিউল আলম মজুমদারের সভাপতিত্বে এতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সিপিডি’র সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক আবু আহমেদ ও অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ।
অধাপক আবু আহমেদ বলেন, শেয়ারবাজারের সঙ্গে অবশ্যই পাবলিক ইন্টারেস্ট জড়িত। তিনি বলেন, বেশিরভাগ দুর্নীতির সঙ্গে এসইসির নাম জড়িত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যাস বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন এসইসি‘কে দায়ী করে বলেন, এ পরিস্থিতির দুটি কারণ জড়িত আর তা হলো এক সরবরাহ ঘাটতি দুই পর্যাপ্ত মনিটরিং এর অভাব।
মূলপ্রবন্ধে ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, অর্থনীতিতে বিনিয়োগ সংকট দেখা দিয়েছে। ২০১০ সালে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ১২ দশমিক ৭ শতাংশ। গত ৫ বছরের মধ্যে এই প্রবৃ্িদ্ধ সবচেয়ে কম। স্বল্প ঝুঁকি ও স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফার আশায় পুঁজিবাজারে ব্যাপকহারে নতুন বিনিয়োগকারীর আগমন ঘটে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ২০১০ সালে নতুন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ১৫ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৩২ লাখে দাঁড়িয়েছে। বাজারে প্রতিদিন নতুন নতুন বিনিয়োগকারী প্রবেশ করছে। এটি বাজার পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে।
|
|
|
| 03/25/2011 2:24 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ট্রাস্ট ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা
-------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠান ট্রাস্ট ব্যাংক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি ব্যাংকটি ১ আর : ৫ হারে রাইট শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েব সাইটে এসব তথ্য জানানো হয়।
ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এর বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২০টি বোনাস শেয়ার দেওয়া হবে।
আগামী ২৪ মে বেলা ১১টায় এয়ারপোর্ট রোডের আর্মি গলফ ক্লাবে এ প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৪ এপ্রিল।
একইসঙ্গে ট্রাস্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এর বিনিয়োগকারীদের কাছে ১ আর : ৫ হারে রাইট শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থাৎ এ ব্যাংকের বিনিয়োগকারীরা প্রতি পাঁচটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার নিতে পারবেন। ১০০ টাকা প্রিমিয়ামসহ রাইট শেয়ারের ইস্যু প্রাইস নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। এর রেকর্ড ডেট পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।
৩১ ডিসেম্বর ২০১০ সমাপ্ত অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির কর পরিশোধের পর মুনাফা হয়েছে ১শ’ ২৭ কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় ৫৭.৪৮ টাকা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য ২২৬.৬১ টাকা।
|
|
|
| 03/25/2011 2:26 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Ittefaq
নগদ অর্থ সংকটের সুযোগ নিচ্ছে বিদেশী ব্যাংক
জামাল উদ্দীন ও রেজাউল করীম
স্থানীয় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যখন নগদ টাকার সংকটে ভুগছে, তখন বেশি সুদে কলমানি মার্কেটে (ব্যাংকগুলোর সাময়িক ধারের বাজার) টাকা খাটাচ্ছে বিদেশী ব্যাংকগুলো। এসব ব্যাংকের বাণিজ্যিক ঋণের সুদের হার বেশি; কিন্তু আমানতের সুদের হার অনেক কম। অন্যদিকে, স্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি সুদ দিয়ে আমানত নিচ্ছে। এসব ব্যাংকের বাণিজ্যিক ঋণের সুদের হারও কম। ফলে স্থানীয় ব্যাংকের তুলনায় বিদেশী ব্যাংকগুলোর ব্যবসা রমরমা ও লাভের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। এসব ব্যাংকের মুনাফার টাকাও দেশে থাকে না।
সূত্র জানায়, গত কোরবানির ঈদের পর থেকেই কলমানি মার্কেটে সুদের হার বেড়ে চলেছে। সাধারণত ঈদের সময় মুদ্রাবাজারে কলমানি রেট বা ব্যাংকগুলোর নিজেদের মধ্যে সাময়িক ধার নেয়ার ক্ষেত্রে সুদের হার বেশি থাকে। ঈদের পর কলমানি রেট সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসে; কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম ঘটছে। গত নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে কলমানি মার্কেটে সুদের হার ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে। যা নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হারের সীমা বেঁধে দেয়। এতে ব্যাংকগুলোতে নগদ অর্থের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়। এ অবস্থার সুযোগ নেয় বিদেশী ব্যাংকগুলো। কলমানি মার্কেটে টাকা খাটিয়ে প্রায় একচেটিয়া লাভবান হচ্ছে এসব ব্যাংক।
গত এক সপ্তাহের ব্যাংকের আন্তঃব্যাংক লেনদেন বিশেস্নষণ করে দেখা গেছে, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক প্রতি কার্যদিবসেই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ধার (ঋণ) করছে। অন্যদিকে বিদেশী ব্যাংক নগণ্য পরিমাণ অর্থ অন্য ব্যাংক থেকে ধার করছে। বিদেশী ব্যাংকগুলোর মধ্যে সিটি ব্যাংক এনএ প্রতিদিন বিভিন্ন ব্যাংককে গড়ে সাড়ে ৬শ' কোটি টাকা ধার দিয়েছে। এরপরে রয়েছে এইচএসবিসি ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দৈনিক ভিত্তিতে করা এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত রবিবার চার রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ৫১১ কোটি টাকা ধার করে; কিন্তু কাউকে কোনো টাকা ধার দিতে পারেনি। বিদেশী ৯ ব্যাংক ১৪৭ কোটি টাকা ধার করে; কিন্তু তার বিপরীতে ধার দেয় ১ হাজার ৯০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বেসরকারি ২২ ব্যাংক ১ হাজার ৫৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ধার করে, ধার দেয় ১ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা। বিশেষায়িত বেসিক ধার করে ১৫২ কোটি টাকা।
গত সোমবার চার রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ৩১৬ কোটি টাকা ধার করে, বিদেশী ৯ ব্যাংক ৬৯ কোটি টাকা ধার করে; কিন্তু তার বিপরীতে ধার দেয় ১ হাজার ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বেসরকারি তেইশটি ব্যাংক ১ হাজার ৩৮৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ধার করে। বিশেষায়িত বেসিক ধার করে ১৩২ কোটি টাকা।
গত মঙ্গলবার চার রাষ্ট্রীয় ব্যাংক ৪৮৫ কোটি টাকা ধার করে। বিদেশী ৯ ব্যাংক মাত্র ৪৭ কোটি টাকা ধার করে; কিন্তু তার বিপরীতে ধার দেয় ১ হাজার ৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বাইশ বেসরকারি ব্যাংক ১ হাজার ৩১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা ধার করে। বিশেষায়িত বেসিক ধার করে ১৫৬ কোটি টাকা।
ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিতে বিদেশী ব্যাংকগুলো লাভবান হচ্ছে। অপরদিকে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রা সরবরাহ কমানোর যে কথা বলা হচ্ছে তাও কাজে আসছে না। সরকারের উন্নয়ন কাজে ব্যয়িত অর্থ বাজারে টাকার সরবরাহ বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা মূল্যস্ফীতিকেও উস্কে দিচ্ছে।
|
|
|
| 03/25/2011 2:27 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ইত্তেফাক রিপোর্ট
সপ্তাহের শেষ দিনে ব্যাপক দরপতন
সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে বৃহস্পতিবার দেশের দুই শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচকের সঙ্গে কমেছে লেনদেনও। কমেছে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) ছিল একই চিত্র।
গতকাল ডিএসইতে দিনের লেনদেন শেষে সূচক ১৭৬ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ১৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মোট ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ৩১টির, কমেছে ২১৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ৮৬৭ কোটি টাকার, যা গত দিনের চেয়ে ১৯৬ কোটি টাকা কম। ডিএসইতে লেনদেন শুরুর পাঁচ মিনিটের দিকেই সূচক ১০০ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর সূচক দ্রুত কমতে থাকে। সূচক কমার এ ধারা দিনভর অব্যাহত ছিল।
গতকাল লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, তিতাস গ্যাস, গোল্ডেন সন, পিএলএফএসএল, ম্যাকসন স্পিনিং, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, শাইনপুকুর সিরামিকস, আরএন স্পিনিং এবং কনফিডেন্স সিমেন্ট।
গতকাল সিএসইতে দিনের লেনদেন শেষে সূচক ৫১৮ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ২৪৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে মোট ১৯৪টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে নয়টির, কমেছে ১৮২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ১০৪ কোটি টাকার, যা গত দিনের চেয়ে ১৫ কোটি টাকা কম।
|
|
|
| 03/25/2011 2:38 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
ইনসাইডার ট্রেডিং : শুনানিতে ডেকেছে এসইসি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের (সুবিধাভোগী ব্যবসা) সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স করপোরেশন (বিআইএফসি) এবং ফাইন ফুড কোম্পানির কয়েকজন সুবিধাভোগীকে (ইনসাইডারস) শুনানিকে ডেকেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। একইসঙ্গে এসব সুবিধাভোগীকে কারণ দর্শানো নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে। সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী সুবিধাভোগী ব্যবসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিআইএফসির শেয়ার লেনদেনে দু’জন সুবিধাভোগী সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালা ১৯৯৫-এর ৪(১) এবং ৪(২) ধারা লঙ্ঘন করেছে। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই সুবিধাভোগী ব্যক্তি যদি কোনো ব্রোকার, স্টক ডিলার বা অনুমোদিত প্রতিনিধি বা অন্য কোনো মাধ্যম হন, তবে তার সনদ বাতিল বা স্থগিত করতে পারবে কমিশন। অপরদিকে ফাইন ফুড কোম্পানির ক্ষেত্রে ৪(১) এবং ৩(১) ধারা ভঙ্গ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
৩(১) ধারা অনুযায়ী—‘তালিকাভুক্ত প্রতিটি সিকিউরিটি ইস্যুকারী উহার কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ৩০ মিনিটের মধ্যে কিংবা তথ্যটি গোচরে আসার তারিখেই তাত্ক্ষণিকভাবে উহার চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা কোম্পানি সচিব-এর স্বাক্ষরে লিখিতভাবে একই সাথে এসইসি এবং স্টক এক্সচেঞ্জকে ফ্যাক্স, বার্তাবাহক মারফত, ক্ষেত্রবিশেষে কুরিয়ার সার্ভিসযোগে প্রেরণ করিবে এবং উক্ত তথ্য দুটি বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশনা নিশ্চিত করিবে।’ কিন্তু ফাইন ফুড কোম্পানির পরিচালনা পরিষদের বৈঠকে মূল্য সংবেদনশীল সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও তা সময়মত যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
|
|
|
| 03/25/2011 2:39 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | সূচকের পতন প্রয়োজন ছিল: মির্জা আজিজ
ঢাকা, ২৪ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সূচকের পতন প্রয়োজন ছিল। পুঁজিবাজারে শেয়ারের উল্লম্ফনের ফলে সূচকের পতন ছাড়া অন্য কোনো উপায় ছিল না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্রেসক্লাবে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত পুঁজিবাজারের অস্থিরতা নিয়ে নাগরিক উদ্বেগ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ড. মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের যোগ্য হতে হবে এবং নতজানু হয়ে কাজ না করার মানসিকতাসম্পন্ন হতে হবে। তা না হলে আইন করেও কোনো কাজ হবে না। পরিবর্ধন ও সংস্কার করেও কোনো লাভ হবে না।
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ, ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সাবেক সিইও সালাউদ্দিন আহমেদ, সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার প্রমুখ।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/এএএ/এসসি/ ১৮.১৩ঘ.)
|
|
|
| 03/25/2011 2:52 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Sangbad
সিপিডির গবেষণা প্রতিবেদন
পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ অনৈতিক লেনদেন আর্থিক শৃঙ্খলা ও সুশাসনের অভাব
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
সুশাসনের অভাব, বাজারে অনৈতিক লেনদেন এবং আর্থিকখাতে শৃঙ্খলা সমস্যাই পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ। এছাড়া প্রকৃত অর্থনীতিতে বিনিয়োগ সংকট, পুঁজিবাজারের ব্যবস্থাপনা ও নজরদারিতে দুর্বলতা, বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি পুঁজি সরবরাহ করা, সংবাদ মাধ্যমের আকর্ষণীয় উপস্থাপনা এবং সর্বোপরি শাসক শ্রেণীর কারসাজি পুঁজিবাজারের এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী। গতকাল বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। এ সময় সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ'র (সিপিডি) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম তাদের এ সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপনা করেন। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৬ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ অত্যন্ত লাভজনক ছিল। ২০১০ এর ডিসেম্বরে ডিএসই'র সাধারণ সূচক দাঁড়ায় ৮৯১৯। শুধুমাত্র জুলাই ২০১০ থেকে ডিসেম্বর ২০১১ পর্যন্ত ডিএসই'র সাধারণ সূচক বেড়েছে শতকরা ৩৪.৭। বাজার মূলধন বেড়েছে শতকরা ২৯.৫ এবং মূল্য আয় অনুপাত বেড়েছে শতকরা ২৬.৩। পুঁজিবাজারে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ বাড়ার কারণেই বাজার মূলধন কিংবা সূচক বেড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শিল্পখাতের জন্য পুঁজি সরবরাহ করা পুঁজিবাজারের মূল কাজ। স্বল্পমেয়াদি লেনদেনের মাধ্যমে মুনাফা লাভ পুঁজিবাজারের কাজ নয়। অথচ চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে স্বল্পমেয়াদি লেনদেনের হার বেড়েছে অনেক গুণ। ব্যাংক একাউন্ট বা অন্য কোন ফান্ডে টাকা বিনিয়োগ করলে যে মুনাফা অর্জিত হয় পুঁজিবাজারে স্বল্প সময়ে এর চেয়ে অনেক বেশি মুনাফা অর্জিত হওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে এগিয়ে আসে। এতে বাজারে টাকার সরবরাহ বেড়ে যায় অনেক কিন্তু সে তুলনায় শেয়ার সংখ্যা বাড়েনি। পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির জন্য এটাও অনেকাংশে দায়ী ।
এছাড়া প্রকৃত অর্থনীতিতে বিনিয়োগের অভাব, পুঁজিবাজারের ব্যবস্থাপনা ও তদারকিতে দুর্বলতা, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ সুবিধার অভাব এবং ব্যাংকিং খাতে অতিরিক্ত তারল্য, অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরিচালন দুর্বলতা, দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, ব্রোকারেজ হাউজ মনিটরিং না করা, বাজারে অনৈতিক লেনদেন, আইপিও'র প্লেসমেন্ট শেয়ার লেনদেন, কতিপয় কোম্পানির জন্য 'লক ইন' সময়কাল উঠিয়ে দেয়া, জেড শ্রেণীভুক্ত শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বৃদ্ধি করার ফলে বাজার পরিস্থিতি সোচনীয় হয়েছে বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়।
প্রতিবেদনটিতে বাজার পরিস্থিতির উত্তরণে পুঁজিবাজারে স্বল্পমেয়াদি লেনদেনে নিরুৎসাহিত করা, এসইসি'র পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং শক্তিশালী করা, ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কার্যক্রমের নিবিড় পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া, পূর্ণাঙ্গ তদন্তের ব্যবস্থা করা, নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য শিক্ষামূলক কার্যক্রম নেয়া, এসইসি'র পরিচালনা পরিষদকে শক্তিশালী করার সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুজন'র সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মির্জা আজিজুল ইসলাম, অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান প্রমুখ। |
|
|
|