| 03/25/2011 1:56 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
সপ্তাহের শেষ দিনে বাজারে বড় পতননিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৫-০৩-২০১১
সপ্তাহের শেষ দিনে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটেছে। এ নিয়ে টানা তিন দিনের মতো সূচক কমল বাজারে। বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজারের ধস ঠেকাতে সরকার ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ নামে একটি বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে কিছুটা স্থিতিশীলতার লক্ষণ দেখা গিয়েছিল।
কিন্তু সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) তহবিলটির বিষয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করায় বিনিয়োগকারীরা এ তহবিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়ের মধ্যে পড়ে যান। দরপতনের পেছনে এটি একটি বড় কারণ বলে মনে করেন তাঁরা।
এ ছাড়া দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি নানামুখী চাপের মধ্যে রয়েছে—গত কয়েক দিন বিভিন্ন সংবাদপত্রে এ ধরনের সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে। এ নিয়েও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা সংশয় থাকতে পারে বলে বিশ্লেষকেরা জানান। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ধসের পর বাজার স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও বিনিয়োগকারীরা এখনো পুরোপুরি আতঙ্কমুক্ত নন। এ কারণে ছোটখাটো খবরেও তাঁদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। তবে বাজার-সংশ্লিষ্টদের অনেকে বলেন, তদন্ত কমিটি এ মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। এতে কারসাজির সঙ্গে জড়িত অনেক বড় বিনিয়োগকারীর নামই হয়তো বেরিয়ে আসবে। প্রতিবেদন জমা দেওয়াকে সামনে রেখে এ ধরনের অনেকেই বর্তমানে খুব একটা সক্রিয় নেই। এটিও বাজারের দরপতনের পেছনে ভূমিকা থাকতে পারে। সরকারকে চাপের মধ্যে রাখতেই হয়তো এটা করা হয়েছে।
এদিকে, রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান গতকাল বাংলাদেশ ফান্ডের ব্যাপারে এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ফান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা নেই। আগামী সপ্তাহেই ফান্ড গঠনের অনুমোদন চেয়ে এসইসিতে আবেদন করা হবে।
বাজার পরিস্থিতি: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল দিনের লেনদেন শেষে মূল্যসূচক ১৭৬ পয়েন্ট কমে ছয় হাজার ১৬৫ পয়েন্টে নেমে আসে। এ নিয়ে গত তিন দিনে ডিএসইতে সূচক কমেছে ৩৬৪ পয়েন্টের মতো।
সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ৫১৮ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ২৪৬ পয়েন্টে নেমে আসে। এ স্টক এক্সচেঞ্জটিতে মোট ১৯৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে নয়টির, কমেছে ১৮২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ১০৪ কোটি টাকার, যা গত দিনের চেয়ে ১৫ কোটি টাকা কম।
অন্যদিকে, ডিএসইতে মোট ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ৩১টির, কমেছে ২১৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ৮৬৭ কোটি টাকার, যা গত দিনের চেয়ে ১৯৬ কোটি টাকা কম। |
|
|
| 03/25/2011 2:00 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The daily Janakantha
মবিল যমুনার ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব নাকচ করেছে ডিএসই
তালিকাভুক্তির সময় দু'সপ্তাহ বাড়াতে পারে এসইসি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি করে লোকসান হলে সংশিস্নষ্ট শেয়ারহোল্ডারকে ৰতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের (এমজেএল) দেয়া প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) বৃহস্পতিবার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় ৰতিপূরণের অঙ্গীকারের ভিত্তিতে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার প্রসত্মাব অনুমোদন করেনি। এর ফলে পুঁজিবাজারে কোম্পানিটির তালিকাভুক্তি নিয়ে নতুন জটিলতা তৈরি হলো। তবে সংশিস্নষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সময়সীমা শেষ হওয়ার পর মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির সময়সীমা দু'সপ্তাহ বাড়ানো হতে পারে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তে গত মঙ্গলবার মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির বিষয়ে এসইসির পৰ থেকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণ করতে বলা হয়। কিন্তু ডিএসইর তালিকাভুক্তি বিভাগ আইনজীবীর মতামতের ভিত্তিতে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তুলে। ৰতিপূরণ প্রদানের ৰেত্রে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ৫৭(২) এর গ ধারাকে ভিত্তি ধরা হলেও ওই ধারায় প্রিমিয়াম আয় থেকে এ ধরনের ব্যয় অনুমোদন করে না বলে ডিএসই মনে করে। এ কারণে তালিকাভুক্তি কমিটি মবিল যমুনার দেয়া অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে তালিকাভুক্তির বিষয়ে নেতিবাচক অবস্থান ব্যক্ত করেছে।
জানা গেছে, মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির বিষয়ে বৃহস্পতিবার ডিএসই পরিচালনা পর্ষদ সভায় বিসত্মারিত আলোচনা হয়েছে। কোম্পানির অঙ্গীকারনামা, এসইসি এবং আইনজীবীর মতামত পর্যালোচনা করে ৰতিপূরণ প্রদানের শর্ত গ্রহণযোগ্য নয় বলে সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে।
এদিকে ৰতিপূরণের অঙ্গীকার নাকচ হয়ে যাওয়ায় মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হলো। প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দের পর ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্তির বিধান থাকলেও এই কোম্পানিটি সময় মতো তা করতে পারবে কিনা_ সে বিষয়ে সংশয় রয়ে গেছে। আইপিওর মাধ্যমে প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা জমা নেয়ার শেষ সময়ের হিসাবে আগামী ৩১ মার্চ মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির শেষ দিন। তবে ওই সময়ের মধ্যে জটিলতা না কাটলে কোম্পানির আবেদনের প্রেৰিতে তালিকাভুক্তির সময়সীমা দু'সপ্তাহ বাড়ানো হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। কোম্পানিটি ইতোমধ্যেই সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে।
উলেস্নখ্য, মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট লিমিটেড (এমজেএল) পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। এজন্য শেয়ার প্রতি ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৬০৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে মবিল যমুনার পিই দাঁড়াচ্ছে ৬২।
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ডাকা বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার প্রবণতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের নির্ধারিত মূল্যকে কোম্পানির মৌলভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংক্রানত্ম বিধি সংশোধন করে স্থায়ীভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় এ দু'টি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতায় শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্ত আরোপের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। |
|
|
| 03/25/2011 2:01 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
ট্রাস্ট ব্যাংকের ২০% বোনাস, ১:৫ রাইট ঘোষণা
অর্থনেতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। সভায় ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে ১:৫ (৫টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) রাইট শেয়ার প্রদানের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী ট্রাস্ট ব্যাংকের ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের জন্য ১০০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২০০ টাকা গ্রহণ করা হবে। এসইসিসহ সংশিস্নষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনুমোদনের পর এ সিদ্ধানত্ম কার্যকর হবে।
আগামী ২৪ মে ট্রাস্ট ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এবং বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) ঢাকার আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর ট্রাস্ট ব্যাংক সর্বমোট ১২৭ কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা করপরবর্তী মুনাফা অর্জন করেছে। এতে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ৪৮ পয়সা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২২৬ টাকা ৬১ পয়সা।
|
|
|
| 03/25/2011 2:02 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
দরপতনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো সপ্তাহের লেনদেন
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজার স্বাভাবিক, আতঙ্কের কিছু নেই
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ নানামুখী গুজবের প্রভাবে অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর পর্যবেৰণশীল মনোভাবের কারণে টানা তৃতীয় দিনের মতো সংশোধনের ধারায় শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। একইসঙ্গে কমেছে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ। মার্চেন্ট ব্যাংকের অমনিবাস হিসাব নিয়ে অনিশ্চয়তা, তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে নানামুখী আলোচনা এবং ব্যাংকিং খাত নিয়ে নানা গুজবের কারণে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী কেনা-বেচার পরিবর্তে বাজারের গতি-প্রকৃতি বোঝার চেষ্টা করছেন। এ কারণেই বাজারে লেনদেন ও সূচক কিছুটা চুপসে গেছে। তবে শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক আখ্যায়িত করে বিশেস্নষকরা বলছেন, বাজারের গতি-প্রকৃতিতে বিনিয়োগকারীদের কোনভাবেই আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। একটু ধৈর্য ধরলেই বাজার ভাল হয়ে যায়।
বাজার সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কিছুদিন ধরেই তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে পুঁজিবাজারে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। শেয়ারবাজারের বড় বিনিয়োগকারীদের অনেকেই কারসাজির দায়ে অভিযুক্ত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটতে পারে বলে অনেক বিনিয়োগকারী আশঙ্কা করছেন। বাজারের সামগ্রিক লেনদেনে এর প্রভাব পড়ছে।
অন্যদিকে অমনিবাস হিসাবের আওতাধীন সকল বিনিয়োগ হিসাবকে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশের (সিডিবিএল) সঙ্গে সংযুক্ত করা নিয়ে এসইসির সঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর দর কষাকষির বিষয়টিও বাজারে প্রভাব ফেলছে বলে অনেকে মনে করছেন। এসইসিকে চাপে ফেলতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো বাজারে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে তাদের আশঙ্কা। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক সিআরআর আরেক দফা বাড়াচ্ছে_ দু'একদিন ধরে বাজারে এ ধরনের গুজব রয়েছে। আবার বাংলাদেশ ফান্ড নিয়েও গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এসব কারণে বিনিয়োগকারীরা কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের পুঁজিবাজারকে স্বাভাবিক গতিতে চলতে দিতে হলে এই মুহূর্তে বড় প্রয়োজন বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করে আস্থা ফিরিয়ে আনা। এ জন্য বাজার সংশিস্নষ্ট সকল পক্ষকে আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি অর্থ মন্ত্রণালয় ঘোষিত ১৪ দফা পদৰেপ দ্রম্নত বাসত্মবায়ন করতে হবে। তা না হলে বাজারে কিছুটা দরপতন হলেই বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়বে_ যা আরও বড় পতনের পথ ত্বরান্বিত করবে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) মোট ২৫০টি কোম্পানির ৭ কোটি ৫০ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪৬টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট এবং কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ৮৬৭ কোটি ২ লাখ ১৪ হাজার ৩২৪ টাকা_ যা আগের দিনের চেয়ে ১৯৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা কম।
সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫০টি কোম্পানির ২১৭টিরই দর কমেছে। এর বিপরীতে বেড়েছে ৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২টি কোম্পানির শেয়ারের দর। এর প্রভাবে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৭৬.০৯ পয়েন্ট কমে ৬১৬৪.৮২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৮৮.৪৭ পয়েন্ট কমে ৩৯০৯.০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ সূচক ৫১৮.০৮ পয়েন্ট কমে ১৭২৪৫.৮৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এখানে মোট ১৯৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ৯টির, কমেছে ১৮২টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটির। মোট লেনদেন হয়েছে ১০৪ কোটি টাকা_ যা আগের দিনের চেয়ে ১৫ কোটি কম। |
|
|
| 03/25/2011 2:03 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
ঝুঁকি এড়াতে অতিরিক্ত ঋণ না দেয়ার নির্দেশ
রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠক
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ক্রেডিট ডিপোজিটের তুলনায় অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করে ব্যাংকগুলো যাতে আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে এ লক্ষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধী চার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি ঋণ আদায়, ব্যাসেল-২ অনুযায়ী মূলধন বৃদ্ধি এবং শ্রেণীকৃত ঋণ কমিয়ে আনারও নির্দেশ দিয়েছেন গবর্নর ড. আতিউর রহমান।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মিলনায়তনে গবর্নরের সভাপতিত্বে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের মধ্যে রূপালী ব্যাংকের এমডি এম ফরিদ উদ্দিন, জনতা ব্যাংকের এমডি এসএম আমিনুর রহমান, অগ্রণী ব্যাংকের এমডি দৈয়দ আবদুল হামিদ এবং সোনালী ব্যাংকের পৰে উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরী অনুষ্ঠিত সভায় ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং ও দিক নির্দেশনা কারণেই রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চার ব্যাংকের বকেয়া ঋণ আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে। একই সঙ্গে শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ব্যাংকের মোট আমানতের তুলনায় অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো। যা ব্যাংকের জন্যে ঝুঁকি বয়ে আনতে পারে। এটি রোধে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, ঋণ আদায় হলেও টার্গেটের তুলনায় আদায় অনেক কম। টপ-২০ ঋণ খেলাপীদের থেকেও টাকা আদায় কম হচ্ছে। এছাড়া ঋণ আদায়ের ৰেত্রে যে মামলা দায়ের করা হয়েছে তা দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার কারণে গ্রাহকদের থেকে অর্থ আদায় হচেছ না। দ্রম্নত মামলা নিষ্পত্তির জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে।
সূত্রে আরও জানা গেছে, ব্যাংকগুলোর আর্থিক উন্নয়সহ সার্বিক কর্মকা-ে গতি ফিরিয়ে আনতে মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। যাতে ব্যাংকগুলো তার কর্মকা- পরিচালনার জন্য যোগ্য ও দৰ লোক নিয়োগ করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি ব্যাংকের অভ্যনত্মরে প্রতিটি বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যাংকের এমডিদের মাসিক বৈঠক করতে বলা হয়েছে।
ঋণ বিতরণ করার আগে কোন খাতে কি পরিমাণ ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে, কাদের ঋণ দেয়া হচ্ছে এসব বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করেই প্রদান করতে বলা হয়। কোনভাবেই যাতে ভুয়া ঋণ প্রদান করা না হয় এ লৰ্যে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয় বৈঠকে।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চার ব্যাংকের মোট ২৫০টি শাখা লোকশানে রয়েছে। এ শাখাগুলো যাতে দ্রম্নত লাভজনক করা যায় এ বিষয়ে এমডিদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সম্প্রতি ব্যাংকিং খাতে যাতে কোন ধরনের ঝুঁকির সৃষ্টি না হতে পারে এ জন্য কঠোর হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই অংশ হিসেবে প্রতি মাসেই ব্যাংকগুলো উধর্তন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক, গাইডলাইন এবং মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।
এদিকে ব্যাংকিং খাতে ব্যাসেল-২ অনুযায়ী আর্থিক ঝুঁকি রোধে কঠোর অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর্থিক ঝুঁকির পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা ঝুঁকি প্রতিরোধেও নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরম্ন করা হবে। এসব প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়গুলো উলেস্নখ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খুব শীঘ্রই ৪৭টি তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে চিঠি পাঠাবে বলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশিস্নষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশিস্নষ্ট বিভাগের এক উর্ধতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনকণ্ঠকে বলেন, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকিসহ সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলা করার লৰ্যে ব্যাসেল-২ এর (এক নম্বর পিলার) বাসত্মবায়নে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে গাইডলাইন তৈরি করে সকল তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়। এরই অংশ হিসেবে আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম মূলধন ৪শ' কোটি রাখতে হবে। গত ডিসেম্বর অনুযায়ী মাত্র ৬টি ব্যাংক ছাড়া প্রায় সব ব্যাংকই নূ্যনতম মূলধন সংরৰণ করেছে। বাকি ব্যাংকগুলোও বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, এখন আবার ব্যাসেল-২ এর দ্বিতীয় নম্বার পিলার বাসত্মবায়ন করতে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংলাপ করা হচ্ছে। এর নাম হবে সুপারভাইজারি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজারি রিভিউ ইবেলুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ। এতে প্রতিটি ব্যাংকের এমডিরা উপস্থিত থাকবেন। |
|
|
| 03/25/2011 2:04 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির আবেদন নাকচ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের শর্তে রাজি মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের (এমজেএল) তালিকাভুক্তির আবেদন অনুমোদন করেনি ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)। বৃহস্পতিবার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় কম্পানির ক্ষতিপূরণের অঙ্গীকারের প্রস্তাব বাতিল করে দেয় ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ। এতে কম্পানিটির পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হলো।
ছয় মাসে মধ্যে প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের শর্তে রাজি হওয়ায় গত মঙ্গলবার মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির আবেদন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন অনুমোদন করে। এ বিষয়ে এসইসির দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়। ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষেত্রে ১৯৯৪ সালের কম্পানি আইনের ৫৭(২)-এর গ ধারাকে ভিত্তি ধরা হলে ওই ধারায় প্রিমিয়াম আয় থেকে এ ধরনের ব্যয় অনুমোদন করে না বলে ডিএসইর তালিকাভুক্তি বিভাগের আইনজীবী বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলেন। এ কারণে তালিকাভুক্তি কমিটি মবিল যমুনার দেওয়া অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে তালিকাভুক্তির আবেদন নাকচ করে দেয় বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে ক্ষতিপূরণের অঙ্গীকার নাকচ হয়ে যাওয়ায় মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হলো। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দের পর ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্তির বিধান থাকলেও এই কম্পানিটি সময় মতো তা করতে পারবে কি না_সে বিষয়ে সংশয় রয়ে গেছে।
|
|
|
| 03/25/2011 2:07 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | প্রথম আলো
শেয়ারবাজারে কারসাজিতে জড়িতদের শাস্তি দাবিনিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৫-০৩-২০১১
শেয়ারবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারির পরও তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিন্তু কাউকে শাস্তির মুখোমুখি করা যায়নি। ওই সময় যদি দোষীদের শাস্তি দেওয়া যেত, তাহলে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়ানো যেত।
জাতীয় প্রেসক্লাবে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘পুঁজিবাজারের অস্থিরতা নিয়ে নাগরিক উদ্বেগ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে গতকাল বৃহস্পতিবার বক্তারা এ দাবি করেন। এ সময় তাঁরা বলেন, শেয়ারবাজারের অস্থিরতার কারণে লাখ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী সর্বস্বান্ত হয়ে গেছেন। আর এটি ঘটেছে পুঁজিবাজারের ব্যবস্থাপনা ও তদারকির দুর্বলতার সুযোগে। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে বাজারব্যবস্থায় সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
সুজনের সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) জ্যেষ্ঠ গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
প্রবন্ধে বাজারের সাম্প্রতিক অস্থিরতার বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করে পুঁজিবাজারের সংস্কার ও উন্নয়ন বিষয়ে বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে আছে: সুপারিশগুলো হলো: পুঁজিবাজারে স্বল্পমেয়াদি লেনদেন নিরুৎসাহিত করা; নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসিতে আইনজীবী, সনদপ্রাপ্ত হিসাব নিরীক্ষক নিয়োগ; বাজার পর্যবেক্ষণ ও তদারকি ব্যবস্থা শক্তিশালী করা ইত্যাদি। এ ছাড়া তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর সুপারিশ করা হয় প্রবন্ধে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ সূচক যেভাবে বাড়ছিল বা বাজার যেভাবে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল, তাতে সূচকের পতন অনিবার্য ছিল। তাই সূচকের পতনের কারণে বিলাপ করাটা ঠিক নয়।’ মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম আরও বলেন, এতে করে অনেক বিনিয়োগকারী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তবে মনে রাখতে হবে, এটাও শেয়ারবাজারের অনিবার্য পরিণতি।
মির্জ্জা আজিজের মতে, এসইসির কেবল লোকবল বাড়ালেই হবে না। নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের দক্ষতা, সততা ও নতজানু হয়ে কাজ না করার মানসিকতার ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার সময় বা ফারুক আহমেদ সিদ্দিকীর সময় এসইসির যে ক্ষমতা ছিল, এখনো তা-ই রয়েছে। কিন্তু এসইসি সম্পর্কে আজকে যে কথাগুলো উঠছে, তখন সেগুলো ওঠেনি।’ বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে মির্জ্জা আজিজ বলেন, ‘দিনশেষে লাভ হলে আপনার, আবার ক্ষতি হলেও আপনার। কাউকে দোষ দিয়ে লাভ হবে না। ঘরের দরজা খুলে ঘুমালে চুরি হলে পুলিশকে দোষ দিয়ে লাভ হবে না।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, শেয়ারবাজারে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের পেছনে সরকারি নীতির দায় আছে। বাজার যেভাবে বেড়েছে, সেভাবে শেয়ারের সরবরাহ বাড়েনি। অন্যদিকে শেয়ারের ঘাটতির সুযোগ নিয়ে অনেক কোম্পানি অতিমূল্যে শেয়ার বিক্রি করেছে।
আবু আহমেদ বুক বিল্ডিং পদ্ধতির সমালোচনা করে বলেন, এ পদ্ধতি এখন ওয়েলথ বিল্ডিং বা সম্পদ বাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। এ পদ্ধতিটির সংস্কার দরকার। বাংলাদেশ ফান্ড গঠন নিয়ে আইএমএফের সমালোচনা প্রসঙ্গে আবু আহমেদ বলেন, তারা বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় এসব কথা বলে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বলে না। বারাক ওবামা যখন ওয়ালস্ট্রিটে ডলার দিয়ে সয়লাব করে দিলেন, তখন তারা সেখানে যায় না।
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, অতীতেও কারসাজি হয়েছে, কিন্তু কারও বিচার হয়নি। এ জন্য কারসাজির নায়কেরা উৎসাহিত হচ্ছেন।
বাজার বিশেষজ্ঞ সৈয়দ মাহবুব রশীদ বলেন, কতটা বিনিয়োগ আর কতটা ফাটকাবাজি হয়েছে, তা দেখা দরকার। |
|
|
| 03/25/2011 2:09 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
Dhaka bourse rejects listing proposals of MJL, MI Cement
Regulator extends MJL listing deadline
Sarwar A Chowdhury
The Dhaka Stock Exchange (DSE) yesterday turned down the listing proposals of MJL Bangladesh Ltd and MI Cement Factory Ltd.
The decision of the bourse came in response to an instruction from the regulator that asked the exchanges to take necessary steps about the twin companies' listing in line with the existing rules.
The refusal put a lid on the debate that surfaced over the last few days following the two companies' compensation offers to the investors if their share prices go below the IPO (initial public offering) price within six months of trading.
“The board took the decision as the two companies' proposal of compensation to the investors from their 'share premium account' conflicts with rules,” said DSE Senior Vice-president Ahsanul Islam Titu who chaired a board meeting to take the decision.
The companies earlier said they will compensate the retail investors as per clause 57(2)C of the Companies Act, if their share prices go below the IPO prices within six months of trading.
“Secondly, the compensation is not a practical issue in the context of our market,” Titu said, explaining that it will be difficult to maintain a record of which investor has lost how much.
Earlier, the listing of MJL Bangladesh and MI Cement faced a hurdle when the stockmarket regulator suspended book building system in January this year upon a government instruction.
The government later said the two companies can be allowed on condition of buying back by the sponsors if their share prices go below the IPO prices within one month of trading.
But, instead of this, the companies had offered the compensation package referring the clause 57(2)C of the Companies Act that states: “The share premium account may be applied by the company in writing off the expenses of, or the commission paid or discount allowed, on any issue of shares or debentures of the company.”
It means, a company can compensate or write off when it issues shares or debentures at a discount price. For example, if share price is Tk 100, and it is sold at a discount price of Tk 90 -- the company can compensate Tk 10 from its account.
But, here it does not mean that the company can compensate for the secondary market investors, who are liable for losses or profit from share investment. And it is not also a company's liability if its share prices go up or down than the IPO price in the secondary market.
The Listing Committee of the DSE sat on the issue on Tuesday and came up with a conclusion that if the two companies cannot be listed in line with their compensation offer, it will be conflicting with the Companies Act.
Moreover, it will raise huge complexities also. The companies and the stockbrokers will face problems to manage several lakhs of beneficiary owners' accounts, if their share prices come below the IPO prices.
In another development, the Securities and Exchange Commission yesterday extended the deadline for MJL Bangladesh listing by two more weeks.
The extended time will be counted from the next day of the legitimate deadline of March 31 for listing.
The latest development came after the fuel company applied to the regulator for time extension for its listing.
If MJL Bangladesh and MI Cement cannot list by the deadline, the two IPOs will be scrapped as per listing rules.
|
|
|
| 03/25/2011 2:11 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE Report
DSE won't allow listing of MJL, MI Cement
The Dhaka Stock Exchange (DSE) has not allowed the listing permission of Mobil Jamuna Lubricants (MJL) and MI Cement Limited under the terms and condition offered by the companies.
The DSE board in a meeting Thursday took the decision, meeting sources said.
MJL and MI Cement, two aspirant companies to be listed with the two bourses of the country had proposed to compensate their primary share holders if the prices fall below offer prices within six months of start of the trading.
When contacted Senior Vice President of DSE Ahsanul Islam Titu told FE that, the terms and condition proposed by the MJL and MI Cement authorities appeared to be unlawful. We have already taken legal opinion over the issue.
"The companies have offered to give compensation to the investor from the premium account, which seems to be unrealistic to us" said Titu, the newly-elected Senior Vice President of DSE.
He informed that, DSE will soon convey their opinion to the capital market regulator, Securities and Exchange Commission (SEC) in this regard.
Earlier, SEC sent a letter to the DSE authority to take decision on the MJL and MI cement listing issue.
Sources said, DSE listing committee initially raised some question mark over the proposal of MJL and MI cement.
After taking legal expert opinion, the listing committee opined that in the existing companies act there is no provision for giving compensation from the premium account.
The DSE's legal expert argued that the Companies Act, 1994 remained silent about listing of companies under the condition of paying compensation from premium fund.
The listing committee of DSE Wednesday ended its meeting without any decision regarding the listing of the company following the argument of their legal expert.
MJL and MI Cement already raised money from the investors. MI Cement has floated 30 million shares with face value of Tk 10 per share. Under the book building system, MI Cement authority has raised Tk 101.60 premium per share issued at Tk 111.60 to the investors.
MJL floated 40 million shares with face value of Tk 10 per share. MJL has raised Tk 142.60 premium against per share.
|
|
|
| 03/25/2011 2:13 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE Report
BRAC Bank okays 20 percent stock, 10 percent cash dividend
BRAC Bank Limited has approved 20 percent Stock Dividend (Bonus Shares) and 10 percent Cash Dividend for its shareholders for the year 2010.
The approval came at the Bank's 12th Annual General Meeting (AGM), held at Bashundhara Convention Centre in the city Thursday.
Chaired by Mr. Muhammad A. (Rumee) Ali, Chairman of BRAC Bank Limited, the meeting was attended, among others, by the Directors Mr. Quazi Md. Shariful Ala, Ms. Nihad Kabir, Mr. Shib Narayan Kairy, Dr. Hafiz G. A. Siddiqi, Managing Director & CEO Mr. Syed Mahbubur Rahman and Company Secretary Mr. Rais Uddin Ahmad.
The Chairman of the Bank informed the AGM that Bank earned Taka 4,969 million operating profit and Taka 1,664 million Profit-After-Tax during the year 2010; growth rates are 34% and 28% respectively, which is another milestone of continuous success for BRAC Bank Limited.
Addressing the AGM, the Bank's Chairman expressed his gratitude to the shareholders, stakeholders and management for their continuous support to the Company.
A large number of shareholders also attended the AGM.
|
|
|
| 03/25/2011 2:14 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE Report
Investors embark on selling
Dhaka stock indices and turnover fell by big margin Thursday as sell pressure gripped most of the investors in the trading session. The benchmark index of Dhaka Stock Exchange (DSE), DGEN slumped by 176.09 points on the day for the third consecutive session.
From the very beginning of the trading, the index fell heavily as share prices lost across the board. Market insiders said, investors expressed concerns over a number of issues which affected the economy.
The benchmark DSE General Index (DGEN), the yardstick of the DSE shed 2.77 per cent or 6,164.81 points.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) went down by 143.23 points to settle at 5111.05 points. The DSE-20 index lost 2.21 per cent or 88.81 points.
Turnover also witnessed substantial decline on the day as investors were not active to participate in the trading activities. The total turnover stood at Tk 8.67 billion which was Tk 10.64 billion in the previous session, in value terms.
Beximco Ltd emerged as the top traded company of the day with shares worth Tk 530.68 million changing hands. The other top turnover leaders of the day were Bextex, Titas Gas, Golden Son, PLFSL, Maksons Spinning, Shine Pukur Ceramics, RN Spinning and Confidence Cement.
Market analyst Abu Ahmed said, investors are frustrated as market is not getting enough support from different quarters of the market as the the proposed Bangladesh Fund is yet to be formed.
"If the macro economy doesn't perform well, there are concerns that listed companies will not be able to give better pay-out for the investors in the coming years" he added.
Meanwhile, General Insurance and Textile Sector emerged as the biggest loser of the day losing 4.01 per cent and 3.31 per cent respectively.
Banking, the most weighted sector among the listed companies lost 2.73 per cent with the entire traded bank on the day lost price except the state owned Rupali Bank.
Among the other major sectors share, NBFIs lost 2.83 per cent, Life Insurance 2.71 per cent, Telecommunication 3.36 per cent and Fuel and Power sector loses 2.72 per cent.
Out of the total traded shares of the day, only 31 issues advanced, 217 declined and 2 issues remain unchanged.
|
|
|
| 03/25/2011 2:16 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE Report
DBBL approves 30pc cash dividend
Dutch Bangla Bank Limited (DBBL) Thursday approved 30 per cent cash dividend (Tk 30 per share of Tk 100 each) for general public shareholders and foreign sponsors/shareholders for the year that ended on December 2010 excluding local sponsors, said a press statement.
The approval came at the 15th annual general meeting (AGM) of the Bank held on the day in the city.
Chairman of Dutch Bangla Bank Limited Zahid Hossain Khan presided over the meeting.
Among others, members of the board, Sayem Ahmed (Chairman, Executive Committee of the Board), Md Fakhrul Islam, Dr Irshad Kamal Khan, Dr Syed Fakhrul Ameen, Chowdhury M Ashraf Hossain and the managing director of the bank KS Tabrez were present in the AGM. M Sahabuddin Ahmed, Chairman of Dutch-Bangla Bank Foundation and Founder Chairman of the bank and Bernhard Frey, former director of board of directors of DBBL and representative of foreign sponsor ECOTRIM Hongkong Limited were also present in the meeting.
The accounts of the bank for the year that ended on December 31, 2010 were placed in the meeting.
The bank has informed, the deposit of the bank increased by 22.8 per cent from Tk 67,788.5 million in 2009 to Tk 83,244.8 million in 2010, while loans and advances increased by 39.8 per cent from Tk 48,411 million to Tk 67,657.7 million in 2010 while import business increased by 65.1 per cent and export business increased by 78.6 per cent.
The bank earned operating profit of Tk 4,198.47 million in 2010 as against Tk 2,695.72 million in 2009 registering 56 per cent growth. Capital adequacy ratio stood at 9.64 per cent and it was above the statutory requirement of 9.0 per cent.
|
|
|
| 03/25/2011 2:17 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | এমজেএলকে তালিকাভুক্ত করবে না ডিএসই
সমকাল প্রতিবেদক
'ক্ষতিপূরণ শর্ত' আইনসিদ্ধ নয়_ এমন যুক্তিতে মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টসকে (এমজেএল) তালিকাভুক্ত করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদ। গতকাল পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) তালিকাভুক্তি কমিটিতে আলোচনা হলেও তারা কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এদিকে, তালিকাভুক্তির সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বিশেষ বিবেচনায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এমজেএলের তালিকাভুক্তির সময়সীমা ১৫ দিন বাড়িয়েছে। জানা গেছে, এ সময়ের মধ্যে কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির বিষয়ে গ্রহণযোগ্য সমাধান না হলে আইপিও বাতিল করে কোম্পানিটিকে বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলতে পারে এসইসি। তবে এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
ডিএসইর সহ-সভাপতি মোঃ শাহজাহান জানান, ক্ষতিপূরণের যে শর্তে এসইসি এমজেএল তালিকাভুক্তি বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছিল সে বিষয়ে ডিএসই পরিচালনা পর্ষদ বিস্তারিত আলোচনা করে। ওই শর্ত আইনসিদ্ধ না হওয়ায় ডিএসই কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে ডিএসইর সিদ্ধান্ত এসইসিকে জানানো হবে। তবে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির ব্যাপারে ডিএসই গতকাল পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।
এদিকে সিএসইর সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, এমজেএল ও এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্তির বিষয়টি জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এ ব্যাপারে পরিচালনা পর্ষদকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভা আগামী ৩১ মার্চ হবে বলে জানান তিনি। |
|
|
| 03/25/2011 2:18 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | সমকাল প্রতিবেদক
দরপতন দিয়ে সপ্তাহের লেনদেন শেষ
'শেয়ারবাজারে দরপতর আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে'_ এমন গুজবের কারণে গতকাল সপ্তাহের শেষ দিনে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। দিনের শেষ পর্যন্ত ডিএসইর সাধারণ সূচক কমেছে ১৭৬ পয়েন্ট। ফলে সপ্তাহের শেষ তিন দিনে টানা সূচক পড়েছে ৩৬৩ পয়েন্ট। আর সপ্তাহজুড়ে সূচক পতনের পরিমাণ ২৪৭ পয়েন্ট। সূচক পতনের হার ৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
দরপতনের পাশাপাশি উভয় শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মোট ৮৬৭ কোটি টাকার শেয়ার। লেনদেন হওয়া ২৫০টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৩১টির দর বাড়ে, কমে ২১৭টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ২টির দর। |
|
|
| 03/25/2011 2:19 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | সমকাল প্রতিবেদক
ট্রাস্ট ব্যাংক ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেবে
ট্রাস্ট ব্যাংক ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২০টি বোনাস শেয়ার দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি ব্যাংকটি ১ আর : ৫ হারে রাইট শেয়ার ছাড়বে। এজিএম আগামী ২৪ মে। রেকর্ড তারিখ ৪ এপ্রিল। ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি পাঁচটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার নিতে পারবেন। ১০০ টাকা প্রিমিয়ামসহ রাইট শেয়ারের ইস্যু প্রাইস নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা। রেকর্ড তারিখ পরে জানানো হবে। কর পরিশোধের পর মুনাফা ১২৭ কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় ৫৭ দশমিক টাক ৪৮ ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ২২৬ টাকা ৬১ পয়সা।
আরএন স্পিনিং, ইউনাইটেড এয়ার : স্পট ও ব্লক মার্কেটে শেয়ারের লেনদেন করা যাবে ২৭ থেকে ২৯ মার্চ। রেকর্ড তারিখের কারণে ৩০ মার্চ কোনো লেনদেন হবে না। এসইসির অনুমোদনের পর প্রস্তাবিত রাইট শেয়ারের জন্য আরেকটি রেকর্ড তারিখ জানানো হবে।
অলিম্পিক : নারায়ণগঞ্জের কেওঢালায় ২৫ দশমিক ৫০ ডেসিমেল জমি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ।
গ্রামীণফোন : এজিএম আগামী ১৯ এপ্রিল সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।
বিআইএফসি ও ফাইন ফুডকে শোকজ : শেয়ার লেনদেনে বিধি লঙ্ঘনের কারণে দুই কোম্পানিকে শোকজ নোটিশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। কোম্পানির কর্মকর্তাদের শুনানিতে তলব করা হয়েছে। |
|
|
|