Page 1 / 2 1 - 2 Next »
NEWS 22.03.2011
03/21/2011 8:55 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি
সংশিস্নষ্ট চার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এসইসির বৈঠক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার বিষয়ে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) প্রস্তাবের ওপর মতামত দেয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় নিয়েছে পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট চারটি প্রতিষ্ঠান। সংশিস্নষ্ট বিধিমালার সংশোধনী চূড়ান্ত করতে সোমবার এসইসিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সময় দেয়া হয়। দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিপিএলসি) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) নেতারা তাৎৰণিকভাবে কোন মতামত প্রদানে অসম্মত হওয়ায় চূড়ানত্ম সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিশনের নির্বাহী পরিচালক রোকসানা চৌধুরী বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের জন্য পাবলিক ইসু্য বিধিমালা, ২০০৬-এর প্রসত্মাবিত সংশোধনী সম্পর্কে কমিশনের প্রসত্মাব তুলে ধরেন। এতে কোন কোম্পানির প্রাথমিক শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ও আয়ের (পি/ই) অনুপাত ১৫ এর কম এবং শেয়ারপ্রতি এনএভির পাঁচ গুণের নিচে রাখার প্রসত্মাব করা হয়। এসইসির প্রসত্মাবে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের সর্বোচ্চ সীমার পাশাপাশি নূ্যনতম মূল্য নিশ্চিত করার উপরও গুরম্নত্ব দেয়া হয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান সংশিস্নষ্ট কোম্পানির এনএভির কম নির্দেশক মূল্য প্রসত্মাব করতে পারবে না। আর মূল্য নির্ধারণে কোম্পানির তিন বছরের আয়ের গড়ের ভিত্তিতে পিই নির্ধারিত হবে। নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে রোড শো' আয়োজনের কমপৰে ৫ দিন আগে কোম্পানির বিবরণীর (প্রসপেক্টাস) খসড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কাছে পাঠাতে হবে। তবে এতে কোনভাবেই নির্দেশক মূল্যের কোন প্রসত্মাব করা যাবে না। কোম্পানির আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার জন্য আইসিএবি, আইসিএমএবি, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। তবে এতে কোম্পানির সঙ্গে সংশিস্নষ্ট কোন ব্যক্তি থাকতে পারবেন না।
কমিশনের প্রসত্মাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রসত্মাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বরাদ্দ শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। দর প্রসত্মাব প্রক্রিয়ার সময়সীমা তিন দিনের পরিবর্তে দু'দিন করার কথা বলা হয়েছে। দর প্রসত্মাবের মাধ্যমে চূড়ানত্ম মূল্য নির্ধারণের দু'দিনের মধ্যে আইপিও বিবরণী (প্রসপেক্টাস) এসইসিতে জমা এবং ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরম্নর বাধ্যবাধকতা আরোপ করার কথা বলা হয়।
এসইসির প্রসত্মাবের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে বিএপিএলসির চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে জটিলতা এড়াতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি বাতিলের প্রসত্মাব করেন। তিনি নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির প্রসত্মাব করেন। তবে ডিএসই-সিএসই, বিএমবিএ প্রতিনিধি এবং এসইসি কর্মকর্তারা তার এই প্রসত্মাবের বিরোধিতা করেন। তাঁরা বলেন, দীর্ঘদিন পরীৰা-নিরীৰার পর বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয়েছে। নতুন পদ্ধতি হিসেবে এর কিছু অপব্যবহার হয়েছে। কিন্তু মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলা কোন সমাধান হতে পারে না। দুর্বলতাগুলো দূর করে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর করতে হবে।
পরে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএ প্রতিনিধিরা তাৎৰণিকভাবে এসইসির প্রসত্মাবের ওপর কোন মতামত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তাঁরা জানান, বৈঠকের আগে এসইসির প্রসত্মাবগুলোর লিখিত আকারে না পাওয়ায় তাদের পৰে মতামত দেয়া সম্ভব নয়। তারা সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পরবর্তীতে এসইসির প্রসত্মাবের ওপর মতামত পেশ করার কথা বলেন। এসইসি কর্মকর্তারা এতে সম্মত হলে পরবর্তীতে আরেকটি বৈঠক করে সব প্রতিষ্ঠানের মতামত গ্রহণের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়।
বৈঠক শেষে এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএ নেতারা বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনের বিষয়ে এসইসির প্রসত্মাবগুলো নিয়ে গেছেন। নিজ নিজ ফোরামে আলোচনার পর তাঁরা কমিশনের কাছে মতামত পেশ করবে। এর ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনে আরও আলাপ-আলোচনার পর সংশোধনী চূড়ানত্ম করা হবে।
বিএপিএলসির চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান বলেন, এসইসির প্রসত্মাবের আগামী ২৮ মার্চ আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। নিজস্ব ফোরামে আলোচনার পর প্রতিটি সংগঠন ওই দিনের বৈঠকে তাদের মতামত পেশ করবে। ওইদিনই বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনী চূড়ানত্ম হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, মূলত প্রাথমিক শেয়ারের একটি গ্রহণযোগ্য মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ঠিক করার বিষয়টিই গুরম্নত্ব দেয়া হচ্ছে। তবে বাজারে আসার পর শেয়ারের দর অস্বাভাবিক হারে কমে গেলে কী ধরনের পদৰেপ নেয়া হবে তাও ভাবতে হবে।
ডিএসইর সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বর্তমানে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কাযর্কারিতা স্থগিত রয়েছে। এটিকে পুনরায় কার্যকর করাই মূল লৰ্য।
তিনি বলেন, প্রায় পাঁচ বছর আলাপ-আলোচনার পর বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয়েছে। পুঁজিবাজারের জন্য এটি অবশ্যই প্রয়োজনীয়। কিন্তু এই পদ্ধতির কয়েকটি ধারার অপব্যবহার করে কেউ কেউ বাজার থেকে বাড়তি সুবিধা আদায় করেছে। এই প্রবণতা বন্ধ করতে সংশিস্নষ্ট ধারাগুলো কীভাবে সংশোধন করা যায়_ সে বিষয়েই আলোচনা হচ্ছে।
এসইসি সদস্য মো. ইয়াসিন আলী ও মো. আনিসুজ্জামান, নির্বাহি পরিচালক ফরহাদ আহমেদ, এটিএম তারিকুজ্জামান, সাইফুর রহমান, ডিএসইর সিইও সতিপতি মৈত্র, সিএসইর সিনিয়র সহ-সভাপতি আল মারম্নফ খান, সিইও অধ্যাপক ড. আবদুলস্নাহ মামুন, বিএমবিএ সভাপতি শেখ মোতর্জা আহমেদ প্রমুখ বৈঠকে উপস্থি ছিলেন।
Quote   
03/21/2011 8:56 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
পদ্মা অয়েলের পরিবর্তিত লভ্যাংশ ঘোষণা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ উচ্চ আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর নতুন করে লভ্যাংশ, এজিএম ও রেকর্ডের তারিখ ঘোষণা করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড। ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ও ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ নতুন সিদ্ধানত্মের ফলে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে নগদ ৫ টাকা পাবেন এবং ২টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কোম্পানির মূল স্থাপনায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর পদ্মা অয়েলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ২১ টাকা ৬৯ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৮০ টাকা ২২ পয়সা।
উলেস্নখ্য, এর আগে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ১০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দেয় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সরকারী এ প্রতিষ্ঠানটি। ওই সময় পদ্মা অয়েলের এজিএম ৫ মার্চ সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত কোম্পানির প্রধান কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এজিএম সামনে রেখে গত ৬ জানুয়ারি কোম্পানির রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছিল।
কিন্তু ১৮ ফেব্রম্নয়ারি ঘোষিত এ লভ্যাংশে সন্তুষ্ট হননি শেয়ারহোল্ডাররা। ফলে হাইকোর্টে রিট মামলা করেন আজিজ আহমেদ নামে এক শেয়ারহোল্ডার। ওই রিট পিটিশনের প্রেৰিতে কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট ও ্এজিএমের তারিখ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রীমকোর্টে আপীল করে পদ্মা অয়েল লিমিটেড। আপীল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেয়া পূর্বের রায় স্থগিত করে। ফলে এজিএম অনুষ্ঠিত হতে আর কোন বাধা থাকে না। কিন্তু আপীল বিভাগের আদেশের আগেই রেকর্ডের তারিখ চলে যাওয়ায় নতুন করে লভ্যাংশ, এজিএম ও রেকর্ডের তারিখ ঘোষণা করা হলো।
চলতি বছরও কোম্পানিটি বোনাস শেয়ার ঘোষণা করবে বলে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশা করছিলেন। তবে তাদের এই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় সম্প্রতি কোম্পানির শেয়ারের দরে বড় ধরনের ধস নামে। অনেকটা হতাশ হয়ে পড়েন বিনিয়োগকারীরা।

আরএন স্পিনিং এবং পিএলএফএসএলের লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৭৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড (পিএলএফএসএল)। পাশাপাশি পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে ২:১ হারে (২টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) রাইট ইসু্যর সিদ্ধানত্ম নিয়েছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। সংশিস্নষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনুমোদন পেলে রাইট শেয়ারের এ সিদ্ধানত্ম কার্যকর হবে। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা নেয়া হবে।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ২ মে সকাল ১১টায় রাজধানীর গলফ গার্ডেনে (রেডিসান হোটেলের বিপরীতে) কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৩ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরএন স্পিনিং: শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান আরএন স্পিনিং লিমিটেড। একইসঙ্গে কোম্পানিটি ১:১ হারে (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) রাইট ইসু্যর সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। এৰেত্রে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২০ টাকা নেয়া হবে।
আগামী ২৪ এপ্রিল সকাল ১১টায় কুমিলস্না ইপিজেডে কোম্পানির বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। একই ভেনু্যতে সকাল সাড়ে ১১টায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। ইজিএম ও এজিএম সামনে রেখে আগামী ৩০ মার্চ রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
Quote   
03/21/2011 8:57 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
শেয়ারবাজারে বড় লেনদেনের ধারা অব্যাহত
সূচকের স্বাভাবিক হ্রাস-বৃদ্ধিকে ইতিবাচক বলছেন বিশ্লেষকরা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ তারল্য সঙ্কট কাটিয়ে আবারও বড় লেনদেনের ধারায় ফিরেছে দেশের পুঁজিবাজার। গত সাড়ে তিন মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো টানা দু'দিন দেড় হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) আর্থিক লেনদেন। সপ্তাহের প্রথম দিন ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার পর সোমবার আরও ৬৮ কোটি ২১ লাখ টাকা বেড়েছে লেনদেন। সামগ্রিকভাবে বাজারে মূল্য সংশোধনের প্রবণতা থাকলেও সূচকের উর্ধমুখী অবস্থানের মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছে দিনের লেনদেন।
লেনদেন বৃদ্ধির পাশাপাশি সূচকের স্বাভাবিক হ্রাস-বৃদ্ধির প্রবণতাকে পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাজার বিশেস্নষকরা। তাদের মতে, গত কয়েক মাস ধরে বাজারে একসঙ্গে প্রায় সব শেয়ারের দর বেড়েছে বা কমেছে। কয়েক দিন ধরে এ ধরনের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসার লৰণ দেখা যাচ্ছে। এটা বাজারে স্থিতিশীলতার লক্ষণ।
তাঁরা মনে করেন, পুঁজিবাজার তার নিজস্ব গতিতে চলবে। কখনও বাড়বে। আবার কখনও কমবে। তবে অতিরিক্ত বাড়া-কমা বাজারের জন্য শুভ লক্ষণ নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের অবশ্যই কোম্পানির মৌলভিত্তি দেখে বুঝে-শুনে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।
সোমবার ডিএসইতে মোট ২৫৯টি কোম্পানির ১২ কোটি ১১ লাখ ২২ হাজার ৯৭৩টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ১ হাজার ৫৯২ কোটি ৬০ লাখ ৬২ হাজার ১৮৯ টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১২০টির, কমেছে ১৩২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টির শেয়ারের দর। দর হ্রাস পাওয়া কোম্পানির সংখ্যা বেশি হলেও ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উর্ধমুখী প্রবণতার কারণে দিন শেষে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৮.৩০ পয়েন্ট বেড়ে ৬৫২৮.২১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৫.৭০ পয়েন্ট বেড়ে ৪১০৮.২৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, লেনদেনের শুরম্নতে ব্যাংকিং খাতে আগের দিনের সংশোধনের ধারা বজায় থাকলেও শেষ দিকে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দর উর্ধমুখী হয়ে ওঠে। তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ১টি বাদে সবগুলোর দর বেড়েছে। অন্যদিকে ২১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টির দর বেড়েছে এবং ৭টির কমেছে। পাশাপাশি জ্বালানি খাতের ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭টির দর বেড়েছে ৪টির কমেছে। এছাড়া বস্ত্র খাতেও অধিকাংশ কোম্পানির উর্ধমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এ খাতে ২৫টি কোম্পানির মধ্যে ১০টির দর কমেছে এবং ১৫টির বেড়েছে। মূলত এসব খাতের মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর উর্ধমুখী থাকার কারণেই দিন শেষে ডিএসই সূচক আগের দিনের চেয়ে উপরে অবস্থান করেছে।
অন্যদিকে বেশ কয়েক দিন বৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতার কারণে বীমা খাতের অধিকাংশ কোম্পানির মূল্য সংশোধন হয়েছে। ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ৪৪টি বীমা কোম্পানির মধ্যে ৩৮টিরই দর কমেছে। এছাড়া রেকর্ড ডেটের কারণে ইস্টল্যান্ড ইন্সুরেন্সের লেনদেন হয়নি। বাকি পাঁচটি বীমার শেয়ারের দর অবশ্য উলেস্নখযোগ্য হারে বেড়েছে। সিমেন্ট, সিরামিক, প্রকৌশল, খাদ্য, তথ্য-প্রযুক্তি ও চামড়া শিল্প খাতের অধিকাংশ কোম্পানি এবং গ্রামীণফোনের শেয়ারের দর কমেছে। এছাড়া মিউচু্যয়াল ফান্ড ও ওষুধ খাতে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে।
Quote   
03/21/2011 8:57 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা রৰায় মনিটরিং জোরদার করতে হবে
চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টদের সেমিনার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোর স্বাধীনভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি পুঁজিবাজারে কোন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার আগে কোম্পানির উদ্দেশ্য, লৰ্য, শেয়ারহোল্ডারদের অর্থ ফেরত দেয়ার ক্ষমতা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাসহ ম্যানেজমেন্টের দৰতা যাচাই-বাছাই করতে হবে। এসব বিষয় যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে সরকারের অর্থমন্ত্রণালয় এবং এসইসির কাছে রিপোর্ট করতে চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টদের অনেক ভূমিকা রয়েছে।
সোমবার রাজধানীর কাওরান বাজারের ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) ভবনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তারা এসব মনত্মব্য করেন। অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম। আইসিএবি আয়োজিত সেমিনারে সংগঠনের সভাপতি পারভিন মাহমুদ এফসিএ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিএবির সদস্য ফেরদৌস আহমেদ খান এফসিএ। সেমিনারে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি এ কে চৌধুরী এফসিএ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি মির্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারের সার্বিক কার্যক্রমে স্থিতিশীল পরিবেশ ও গতি ফিরিয়ে আনতে নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোকে নিরপেৰ ও সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবেই তদারকি করতে হবে। কোনভাবেই এসব প্রতিষ্ঠানের কাজে হসত্মৰেপ করা যাবে না। একই সঙ্গে বাজারের স্বচ্ছতা, সুশানস, দৰতা এবং কোম্পানিগুলোর আর্থিক সূচকগুলোর যথাযথ মাপকাঠি নির্ণয় করার ৰেত্রে চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টদের আরও গুরম্নত্ব সহকারে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
পুঁজিবাজারে চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টদের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, বাজার অস্থিতিশলী হওয়ার পেছনে অনেকাংশে কোম্পানিগুলোই দায়ী। অনেক কোম্পানি রয়েছে যেগুলো শুধু বাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে অর্থ তুলে নিয়ে লাপাত্তা হওয়া ছাড়া অন্য কোন কাজ করে না। পাশাপাশি শেয়ারের আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব প্রদান করে না। আয়ের সঙ্গে লভ্যাংশের সঙ্গতি রেখেও কোন লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয় না। এসব বিষয় তদারকি করার ৰেত্রে চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টদের অনেক ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু সংশিস্নষ্টদের কাজের ৰেত্রেও কিছুটা ঘাটতি রয়েছে।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে কোন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার আগে প্রথম ওই কোম্পানির আর্থিক সূচকগুলো উপযুক্ত কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। কোম্পানিটির পেশাগত দৰতা আছে কিনা, শেয়ারহোল্ডারদের অর্থ নিয়ে তা পুনরায় ফেরত দেয়া যাবে কিনা তা নিশ্চিত করা। কোম্পানিটির গুনগতমান আনত্মর্জাতিক কিনা তা দেখাসহ কোম্পানির উদ্দেশ কি তার একটি বিসত্মারিত বিবরণ অর্থমন্ত্রণালয়সহ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) পেশ করতে হবে। এসব বিষয়ে অসঙ্গি পাওয়া গেলে কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত না হওয়ার জন্যও সুপারিশ করতে হবে। কিন্তু চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টদের রিপোর্ট প্রদানের বিষয়ে কিছু ঘাটতি রয়েছে। কিন্তু এটি রোধ করে অনেক যোগ্যতা, দৰতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রিপোর্ট করতে হবে চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টদের। তাহলেই পুঁজিবাজারে ধস নামলেও শেয়ারহোল্ডারদের তেমন ৰতি হবে না।
শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের নিয়ে তিনি বলেন, অধিকাংশ বিনিয়োগকারীদেরই পুঁজিবাজারের ওপর যথাযথ প্রশিৰণ নেই। নেই কোন সঠিক দিকনির্দেশনা। এখানে বিনিয়োগকারীরা এসেই বিনিয়োগ করেই লাভ করতে চান। কিন্তু পুঁজিবাজারে এসেই মুনাফা করে যাওয়ার মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে। এখানে দীর্ঘদিনের জন্য বিনিয়োগ করতে হবে।
Quote   
03/21/2011 8:58 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
লোকসানের বিপরীতে ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি মবিল যমুনা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) বরাদ্দ মূল্যের কমে শেয়ার বিক্রি করে লোকসানের মুখে পড়লে প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে মবিল-যমুনা লুব্রিক্যান্ট (এমজেএল)। শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর পর ছয় মাসের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি করে ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোম্পানির পরিচালকদের পৰ থেকে এই ৰতিপূরণ দেয়া হবে। এৰেত্রে বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে বিক্রয় মূল্যের যে পার্থক্য হবে মবিল-যমুনার পরিচালকরা সংশিস্নষ্ট শেয়ারহোল্ডারকে সেই টাকা পরিশোধ করবেন। কোম্পানির পৰ থেকে গতকাল সোমবার স্টক এঙ্চেঞ্জ ও এসইসিতে এ সংক্রানত্ম অঙ্গীকারনামা জমা দেয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে মবিল-যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে জটিলতার অবসান ঘটবে বলে কোম্পানি সংশিস্নষ্টরা আশা করছেন।
সূত্র জানায়, লেনদেন শুরম্নর পর ছয় মাসের মধ্যে আইপিওতে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিক্রি করে ৰতিগ্রসত্ম হলে মবিল-যমুনার পরিচালকরা তার ৰতিপূরণ দেবে। এৰেত্রে প্রাথমিক শেয়ারধারীদের মধ্যে যারা লোকসান দেবেন স্টক এঙ্চেঞ্জের কাছ থেকে সেই তালিকা সংগ্রহ করা হবে। এরপর সংশিস্নষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের কাছে লোকসানের সমপরিমাণ ৰতিপূরণের অর্থ পাঠিয়ে দেয়া হবে। এৰেত্রে বিভিন্ন কোম্পানির লভ্যাংশ বিতরণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হতে পারে।
সূত্র জানায়, বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে বাজার দর কমে গেলে শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তে রাজি হওয়ার পরই মবিল যুমনা লুব্রিক্যান্টের আইপিও লটারি অনুষ্ঠানের অনুমতি দিয়েছিল এসইসি। গত ৩১ জানুয়ারি কোম্পানিটি লটারির মাধ্যমে আবেদনকারীদের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দ করে। প্রাথমিকভাবে লেনদেন শুরম্নর পর এক মাসের মধ্যে শেয়ারের দর বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে কমে গেলে কোম্পানির পৰ থেকে সকল শেয়ার কিনে নেয়ার (বাই ব্যাক) প্রসত্মাব দেয়া হয়। কিন্তু আইনী সীমাবদ্ধতার কারণে এ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে শেয়ারহোল্ডারদের অন্য কোন উপায়ে ৰতিপূরণ প্রদানের প্রসত্মাব চেয়েছিল এসইসি। কিন্তু দেড় মাস পার হলেও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন প্রসত্মাব দিতে পারেনি কোম্পানিটি। এরমধ্যে গত ১৩ ফেব্রম্নয়ারি শেয়ারহোল্ডারদের বিও হিসেবে শেয়ার পাঠিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু ৰতিপূরণের বিষয়টি সমাধান না হওয়ায় কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিচ্ছে না এসইসি।
উলেস্নখ্য, মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট লিমিটেড (এমজেএল) পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার বরাদ্দ করেছে। ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৬০৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা।
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ডাকা বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার প্রবণতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের নির্ধারিত মূল্যকে কোম্পানির মৌল ভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংক্রানত্ম বিধি সংশোধন করে স্থায়ীভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় এ দু'টি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে শেয়ার কিনে নেয়ার শর্তারোপের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়।
Quote   
03/21/2011 8:59 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom-Alo
নিবিড় তদারকের পরামর্শ আইএমএফের
পুঁজিবাজারের অস্থিরতায় ব্যাংক-ব্যবস্থা ঝুঁকিতে
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২২-০৩-২০১১


পুঁজিবাজারের চলমান অস্থিরতা দেশের ব্যাংক-ব্যবস্থাকে পদ্ধতিগত ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
তাই আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রকদের পুঁজিবাজারে ব্যাংকের সংশ্লিষ্টতা নিবিড়ভাবে তদারক করার পরামর্শ দিয়েছে এই আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি।
চলমান অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে গণসম্পদ সুরক্ষার জন্য রাষ্ট্রীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজিবাজারে হস্তক্ষেপের জন্য চাপ না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আইএমএফ।
বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর আইএমএফের এক স্মারকপত্রে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে প্রকৃত ও প্রত্যক্ষ আনুষ্ঠানিক হস্তক্ষেপের মধ্য দিয়ে এক ধরনের নৈতিক ঝুঁকি তৈরি হয় এবং শেয়ারের দরকে বাজারে তাদের সত্যিকার মূল্য খুঁজে নিতে বাধা তৈরি করে।
রাজস্ব ও মুদ্রানীতি এবং ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আইএমএফ সাম্প্রতিক সময়ে শিথিল করা পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ ক্রমান্বয়ে কঠোর করার পক্ষে মত দিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির মতে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের উচিত, যত দ্রুত সম্ভব একটি আপৎকালীন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা, যেন একটি স্থিতিশীল ও সুশৃঙ্খল লেনদেনের পরিবেশ তৈরি করা যায়।
পুঁজিবাজারে ব্যাপকভিত্তিক সুশাসন জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আইএমএফ স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ডিমিউচালাইজেশনের (পরিচালন, ব্যবস্থাপন ও কারবার পৃথকীকরণ) ওপর জোর দিয়েছে।
আইএমএফ আরও মনে করে, পুঁজিবাজারের জন্য ‘বাংলাদেশ তহবিল’ গঠনের উদ্যোগ আরেকটি নৈতিক ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে। বিশেষত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোসহ এই তহবিলের উদ্যোক্তা বা পৃষ্ঠপোষকদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
উল্লেখ্য, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চার ব্যাংক (সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা), জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) যৌথভাবে পাঁচ হাজার কোটি টাকার এ তহবিল গঠন করবে।
এসব ব্যাংকের ওপর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান দ্বারা নিরীক্ষা সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়ে আইএমএফ পুনর্মূলধনায়নের একটি পরিকল্পনা তৈরির কথা বলেছে আইএমএফ, যেন মূলধনের পর্যাপ্ততার আন্তর্জাতিক মান পরিপালন করা সম্ভব হয়।
Quote   
03/21/2011 9:01 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
FE REPORT
MJL agrees to buy back IPO shares, MI Cement yet to decide
Jasim Uddin Haroon


The authorities of Mobil Jamuna Lubricants (MJL) have agreed to buy back their shares within six months of trading if the prices fall below offer prices, while the MI Cement Factory authorities are yet to take decision in this connection.

The authorities of MJL gave an undertaking to the capital market regulator in this connection Sunday, MJL official sources told the FE Monday.

The MJL authorities had received a letter from the Securities and Exchange Commission (SEC) to sign a deal in this connection three days back.

It is expected that the company will sign an agreement with the bourses to be listed today (Tuesday) or tomorrow (Wednesday).

When asked, officials at the MI Cement Factory said they will hold a meeting today (Tuesday) to discuss about the SEC letter relating to buy back of shares.

MI Cement officials said they received a letter from the SEC in this connection Monday.

Chief Financial Officer of MI Cement Md Mukter Hossian Talukder told the FE: "We will discuss about it and will try to follow the SEC directives."

The SEC sent letters to the authorities of the two companies asking them to buy back their IPO shares only once those fall below the offer prices.

According to the SEC Rules, companies' initial public offering (IPO) will be scrapped once they fail to be listed within 75 days of subscription.

The IPO of MJL will be suspended today (Tuesday) if it fails to be listed with the bourses, while the MI Cement expires on March 29.

Closing date for MJL IPO subscription was January 3, while MI Cement was January 13.
Quote   
03/21/2011 9:02 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
DSE continues to rise
FE Report


Dhaka stocks gained for the third successive day Monday. All the three indices-DGEN, DSI and DSE-20-in DSE (Dhaka Stock Exchange) gained on the day as the investors went for fresh buying.

The daily total turnover, in value terms, stood at Tk 15.93 billion from Tk 15.24 billion in the previous session.

The turnover is increasing day-by-day as buy-sell augmented substantially due mainly to larger participation of institutional and small investors, said a leading merchant banker.

The benchmark DSE General Index (DGEN), main gauge of the DSE, ended at 6,528.21 on the day, gaining 0.90 per cent or 58.30 points.

The broader DSE All Shares Price Index (DSI) rose 49.02 points or 0.92 per cent to 5,403.23. The DSE-20 index including blue chips gained 0.63 per cent or 25.70 points to 4108.28.

Gainers and losers were almost same on the day as out of total 259 issues traded, 120 advanced, 132 declined and seven remained unchanged.

When asked, Director of the DSE Ahmad Rashid Lali said, "The market's behaviour is very good. Many investors are coming to the market with fresh investment in chorus big investors are coming back in the market along with small ones."

"The investors' confidence level continued to rise and many of them are making profit while some of them are making fresh investment in the market which is a good sign for the market," said Mr Rashid, also managing director of Rashid Investment Services.

However, he advised the investors to be cautious during investment as prices of some low profile companies are increasing.

"The investors should invest in those stocks which are fundamentally strong," he added.

The market started the day with a positive note and the momentum continued until the closure, as the investors went for fresh buying mainly banking and power sectors shares.

"Mainly baking and power issues pulled the market up", said a stock broker.

Except banking, fuel and power, jute and services and real estate sectors, all other sectors ended in the red zone. Insurance sector suffered a most on the day.

Banking issues, which make up more than one-third of the market capitalisation, soared 3.52 per cent and out of 30 banks in the banking sector, 29 gained while Primer Bank was the only loser.

Fuel and power sector advanced 3.49 per cent, while jute sector gained 5.03 per cent and services and real estate sector gained 0.49 per cent. NBFIs sector and pharmaceuticals sector lost 0.01 per cent and 0.38 per cent respectively.

Grameenphone lost Tk 3.10 a share and ended the day at Tk 174.8 a share.

Among 43 issues traded in the insurance sector, only five issues gained while 38 issues lost in prices.
Quote   
03/21/2011 9:03 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Guideline on book building yet to be finalised
FE Report


The stakeholders of the stock market will sit for further discussion to finalise the revised guideline on book building method, officials said.

A spokesman of the Securities and Exchange Commission (SEC) said this Monday immediately after a meeting held on the revised guideline of the IPO method.

The SEC official said, the regulator made a recommendation on revised guideline and the stakeholders elaborately discussed the issue at Monday’s meeting.

"Both the stock exchanges, Bangladesh Association of Publicly Listed Companies (BAPLC) and Bangladesh Merchant Bankers' Association will sit again with the securities regulator after holding their separatemeetings," the SEC official said.

Salman F Rahman, the president of BAPLC, told the reporters that the stakeholders would sit with the SEC on March 28 to finalise the revised guideline.

The SEC has proposed for a review committee in its recommendation to scrutinise and verify the audited financial statements submitted in connection with an IPO (initial public offering).

A stakeholder who attended the meeting said, during the discussion on the point of review committee, Mr Salman urged the SEC to take action against the specific companies that submit ‘doctored’ balance sheets.
Quote   
03/21/2011 9:04 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Tuesday, March 22, 2011
Regulator, stakeholders spar on book building
Star Business Report

Market stakeholders will now come up with recommendations for modifications in book-building rules as they could not agree with the regulator's proposal of some changes in the pricing method.

After a meeting with Dhaka and Chittagong stock exchanges, Bangladesh Association of Publicly Listed Companies (BAPLC) and Bangladesh Merchant Bankers' Association (BMBA) in Dhaka yesterday, the Securities and Exchange Commission (SEC) asked the two associations and the two bourses to come up with a set of recommendations on the book building method, which was suspended by the government in January in the face of criticism.

"The commission decided to sit with them on March 28 again. In that meeting, the changes in the book building method will be finalised after scrutinising the recommendations sought,” Saifur Rahman, spokesperson and an executive director of the SEC, told reporters after the meeting.

Earlier in the meeting, all parties made their observations on the proposed changes in the book building system by the SEC.

The stakeholders opposed the SEC's suggestions on fixing an indicative price based on price-earnings (PE) and net asset value (NAV), and calculation method of earnings per share (EPS), meeting participants said.

Salman F Rahman, president of BAPLC, said the fixing of an indicative price of a share is the most important issue under the book building method; so the rules on the issue cannot be reset or modified without a careful scrutiny.

"The book building is a good system for companies listed on the stockmarket, but neither our market nor the stakeholders are mature enough to implement the method."

"It is too early to implement the book building method considering the development of our market," said Rahman.

Ahsanul Islam Titu, senior vice-president of Dhaka Stock Exchange, said the book building is a good mechanism for pricing. "It should be continued. If anyone abuses the process, they should be punished," he said.

In line with the SEC recommendation, the offer price of a company's share will be no more than 15 PE (price-earnings), or must not exceed five times its net asset value per share, or whichever is lower, under the book building system.

The PE should be calculated based on the company's preceding three years' average earnings per share (EPS) mentioned in the audited accounts, according to the SEC.

For example, if a company's face value is Tk 10 and EPS is Tk 5, under the proposed method, its highest offer price would be Tk 75. If the net asset value (NAV) per share is Tk 20, the highest offer price would not cross Tk 100. But the final offer price should be within Tk 75, as it is the lowest.

The SEC also suggested forming a committee comprising the Institute of Chartered Accountants of Bangladesh, the Institute of Cost and Management Accountants of Bangladesh, Dhaka Stock Exchange and Chittagong Stock Exchange to scrutinise the audited accounts submitted by the companies before IPO.

The officials of other departments concerned will also have representatives on the committee. If the committee has any comments or opinions after the scrutiny, those will have to be sent to the commission within seven working days.

The lock-in period for institutional investors has been proposed at 60 days instead of the current 15, while the subscription period at 15 days, down from 25.

The SEC also recommended a cut in the institutional bidding period from 72 hours to 48 hours.

After the bidding, the issuer company and the issue manager will have to submit the final IPO prospectus to the SEC within 48 hours.

The printed draft IPO prospectus will have to be sent to the related institutions and organisations at least five days before the roadshow.

In line with a draft recommendation, DSE and CSE officials will be present at the roadshow, and indicative price would be mentioned in the draft prospectus.
Quote   
03/21/2011 9:06 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
ইউনিপেটু ইউর আরও ৬৫০ অ্যাকাউন্ট জব্দ
সমকাল প্রতিবেদক

মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি 'ইউনিপেটু ইউ'-এর আরও ৬৫০ অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। এর আগে কোম্পানিটির ১১১টি অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগ থেকে ৪টি ব্যাংকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক চারটি হলো_ ব্র্যাক, দি সিটি, এনসিসি ও মার্কেন্টাইল। এ নিয়ে ইউনিপেটু ইউ-এর সাড়ে ৭০০টিরও বেশি অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হলো। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রে জানা গেছে, গ্রাহকদের টাকা নিয়ে যেন ইউনিপেটু ইউ পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য তাদের নামে-বেনামে থাকা এসব অ্যাকাউন্ট জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিন পর্যন্ত এসব অ্যাকাউন্ট থেকে কোনো টাকা ওঠানো যাবে না। তবে কেউ চাইলে সেখানে জমা দিতে পারবেন। এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি কোনো ব্যাংকে এমএলএম কোম্পানির অ্যাকাউন্ট থাকলে সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তা জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে এসব কোম্পানির সার্বিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে ৪৭টি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বরাবর চিঠি পাঠানো হয়। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০০৯ এর ১৫ (ছ) ধারার ক্ষমতা বলে বাংলাদেশ ব্যাংক ওই নির্দেশ দেয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সমকালকে বলেন, অর্থ পাচারের অভিযোগে সম্প্রতি ইউনিপেটু ইউ-এর প্রায় সাড়ে ৬০০ অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। অধিক লাভের আসায় এমএলএম কোম্পানিতে টাকা রেখে সব টাকা হারাতে পারেন। যে কারণে প্রাথমিকভাবে ৩০ দিনের জন্য এসব অ্যাকাউন্ট জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এসব কোম্পানি অধিক লাভের কথা বলে যেভাবে টাকা সংগ্রহ করছে তা আইনসিদ্ধ নয়। তারা এভাবে টাকা সংগ্রহ করে পালিয়ে যেতে পারে। এর আগে যুবকের বেলায় এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এ জন্য সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
জানা গেছে, ব্র্যাক, দি সিটি, এনসিসি ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সঙ্গে ইউনিপেটু ইউ লেনদেন করত। এর আগে এ চারটি ব্যাংকে থাকা ১১১টি অ্যাকাউন্ট জব্দ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেসব অ্যাকাউন্টও ছিল ওই চারটি ব্যাংকে। ওই ঘটনার পর ইউনিপেটু ইউ নামের কোম্পানিটি বিভিন্ন নামে অ্যাকাউন্ট খুলে আবার তাদের গ্রাহকদের টাকা জমা দিতে বলে। এমএলএম কোম্পানির সংগৃহীত টাকা বিভিন্নভাবে পাচার হয়ে যাচ্ছে এমন খবর পেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সব ব্যাংককে এ বিষয়ে তথ্য দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এর পর তাদের বিষয়ে এ তথ্য বেরিয়ে আসে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, যে কোনো আর্থিক কার্যক্রম করতে গেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হয়। তবে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি এমএলএম কোম্পানি বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি না নিয়ে ডিপোজিট সংগ্রহ করছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাৎসরিক ভিত্তিতে দুই গুণ বা তারও বেশি লাভের কথা বলে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করছে। এতে অনেক গ্রাহক ব্যাংক বা অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে টাকা না রেখে অধিক লাভের আসায় এসব এমএলএম কোম্পানিতে টাকা রাখছেন।
Quote   
03/21/2011 9:08 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টতা কমিয়ে আনার পরামর্শ আইএমএফ’র
টুটুল রহমান, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম


ঢাকা: আর্থিক বাজারের শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টতা কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছে আর্ন্তজাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংককে।
সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আইএমএফের মনোভাবের কথা জানাতে গিয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘ঋণ সহায়তা অব্যাহত রাখতে বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে আর্ন্তজাতিক এই সংস্থাটি। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মূলধন বাড়ানো, ঋণে সুদের হারের সীমা প্রত্যাহার, ব্যাংকগুলোকে স্বীকৃত অডিট প্রতিষ্ঠান দিয়ে অডিট করার শর্ত দিয়েছে আইএমএফ।’তিনি আরও বলেন, ‘অন্যদিকে পুঁজিবাজার চাঙ্গা করতে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের যে উদ্যোগ নিয়েছে আইসিবি তার বিপক্ষে মত দিয়েছে আর্ন্তজাতিক এই সংস্থাটি।’ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাংলা নিউজকে বলেন, ‘এর মধ্যে ঋণে সুদের হারের সীমা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোকে মূলধন বাড়ানোর সময় দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টতা কমিয়ে আনার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’গত ৮ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত আইএমএফের ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করেছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সংস্থার এশিয়ার প্যাসিফিক অঞ্চলের উপ- প্রধান মি. ডেভিড কয়েন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আইএমএফ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছে। যেখানে দেশের আর্থিক ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা ও পর্যালোচনা করেছে তারা। দেশের আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে খোলাখুলি কোনো মন্তব্য করেনি তারা। তবে আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাংকগুলোর পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টতা কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছে তারা। এছাড়াও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) ডি-মিউচুয়ালাইজেশন করার পরামর্শ দিয়েছে তারা। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলানিউজকে বলেন, ‘ব্যাংকগুলোতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারক নিয়ে তেমন কোনো মন্তব্য করেনি আইএমএফ।’ পুঁজিবাজার সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। তবে পুঁজিবাজারের আস্থা বাড়ানো ও স্থিতিশীলতা রক্ষার স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক তদারক আগে থেকে অব্যাহত রেখেছে। পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত বিনিয়োগ তুলে নেয়ার জন্য ব্যাংকগুলোকে সময় দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ৬টি ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ রয়েছে। যা তাদের মোট আমানতের ১১ শতাংশ। এরই মধ্যে ঋণে সুদের হারের সর্বোচ্চ সীমা তুলে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে আইএমএফ ১০০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৫ ঘণ্টা, মার্চ ২১, ২০১১
Quote   
03/21/2011 9:09 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
তিন কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিন কোম্পানি সোমবার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। জানা গেছে, গত অর্থবছরের জন্য আরএন স্পিনিং ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি কোম্পানিটি এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১(আর):১ হারে রাইট শেয়ার ঘোষণা দেয়। রাইট শেয়ারের জন্য প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে ১০ টাকা। এছাড়া গত অর্থবছরের জন্য পিপলস লিজিং ৭৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  এ কোম্পানিটিও এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১(আর) :২ হারে রাইট শেয়ার দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এর রাইট শেয়ারের প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে ১৫ টাকা। এদিকে গত অর্থবছরের জন্য পদ্মা অয়েল  ৫০ শতাংশ স্টক ও ৫০ শতাংশ নগদসহ মোট ১০০ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৩২৭ ঘণ্টা, মার্চ ২১, ২০১১
Quote   
03/21/2011 9:10 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
মঙ্গলবার তালিকাভুক্ত হচ্ছে না মবিল যমুনা
জেবুন নেসা আলো, স্টাফকরেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম


ঢাকা: নির্ধারিত সময় শেষ হলেও আগামীকাল মঙ্গলবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে না মবিল যমুনা।  তবে এরইমধ্যে কোম্পানিটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) ৬ মাস পর্যন্ত শেয়ার বাইব্যাকের মুচলেকা দিয়েছে।

দুই স্টক এক্সচেঞ্জের লিস্টিং কমিটির বৈঠক না হওয়ায় কোম্পানিটি নির্ধারিত সময়ে তালিকাভুক্ত হতে পারছে না বলে জানা গেছে।

জানা যায়, এর আগে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টকে বাজারে নিয়ে আসার জন্য ৬ মাস শেয়ার বাইব্যাকের শর্ত দিয়েছে এসইসি। অর্থাৎ এ সময়ের মধ্যে শেয়ার দর ফেসভ্যালুর নিচে নেমে এলে কোম্পানিকে শেয়ার কিনতে হবে। এ শর্তের পরিপ্রেক্ষিতে মবিল যমুনা এসইসিতে তালিকাভুক্তির সময় ২ মাস বাড়িয়ে চায়। গত ১৩ মার্চ এসইসি এ আবেদন নাকচ করে দেয়। এবং  স্বল্প সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে ব্যর্থ হলে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও জানায় সংস্থাটি।

এসইসির কঠোরতার কারণে কোম্পানিটি ৬ মাস বাইব্যাকের শর্তে রাজি হয়ে এ ব্যাপারে এসইসিতে মুচলেকা দিয়েছে। কিন্তু দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সিদ্ধান্তহীনতার কারণে নির্ধারিত সময়ে তালিকাভুক্ত হতে ব্যর্থ হলো কোম্পানিটি।

এদিকে ডিএসই সূত্রে জানা যায়, মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির সময় না বাড়ানোর জন্য এসইসি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা আজ সোমবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জ চিঠি আকারে পেয়েছে। কোনো কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করতে হলে স্টক এক্সচেঞ্জের লিস্টিং কমিটির বৈঠকে অনুমোদন নিতে হয়।

কিন্তু এসইসির নির্দেশনা আজকে পাওয়ায় এ ব্যাপারে কোনো বৈঠক স্টক এক্সচেঞ্জ করতে পারেনি। আগামী বৃহস্পতিবার স্টক এক্সচেঞ্জের বৈঠক হবে। ওই দিন এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফলে চলতি সপ্তাহে কোম্পানিটির তালিকাভুক্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

এ ব্যাপারে সিএসইর প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দীন আলী আহমেদ বলেন, এসইসির নির্দেশনা আমরা আজকে চিঠি আকারে পেয়েছি। ফলে আজকের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে না। লিস্টিং কমিটির বৈঠক না হওয়া পর্যন্ত কোম্পানিটি তালিকাভুক্ত হতে পারবে না।

এদিকে এসইসি সূত্রে জানা যায়, তবে নির্ধারিত সময়ে তালিকাভুক্ত হতে না পারলে আইনি জটিলতার সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসইসি বিশেষ ক্ষমতাবলে এ কোম্পানিকে সময় বাড়িয়ে দিতে পারে। এতে কোম্পানিটি কোনো আইনি জটিলতার মধ্যে পড়বে না।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০৫ঘণ্টা, মার্চ ২১, ২০১১
Quote   
03/21/2011 9:11 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
বুক বিল্ডিং পদ্ধতি চূড়ান্ত হচ্ছে ২৮ মার্চ

ঢাকা, ২১ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): বুক বিল্ডিং পদ্ধতির খসড়া সংশোধনী চূড়ান্ত হবে আগামী ২৮ মার্চ। ওইদিন এ নিয়ে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রস্তাব যাচাইয়ের পর নিজেদের প্রস্তাব পেশ করবেন স্টেক হোল্ডাররা। আলোচনার পর তা চূড়ান্ত হবে। আজ সোমবার বুক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে এসইসিতে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন বিএপিএলসি'র সভাপতি সালমান এফ রহমান।
তিনি বলেন, এ পদ্ধতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ। এটি কিভাবে নির্ধারণ করা হবে সে বিষয়টি আরো পর্যালোচনার প্রয়োজন। এছাড়া কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন কিভাবে যাচাই ও শেয়ারের ইস্যু মূল্য বাজারে আসার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ এসোসিয়েশন (বিএপিএলসি), মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন ও দুই স্টক এক্সচেঞ্জের লিস্টিং কমিটি এসইসির প্রস্তাব যাচাই করবে। এরপর বুক বিল্ডিং পদ্ধতি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডাররা নিজেদের প্রস্তাব ২৮ মার্চ উপস্থাপন করবে এবং সেদিনই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বুক বিল্ডিং পদ্ধতির প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করতে সোমবার সকাল ১১টায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএপিএলসি, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসে এসইসি। এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন এসইসির সদস্য মো. ইয়াসিন আলী, মো. আনিসুজ্জামান, বিএপিএলসি'র সভাপতি সালমান এফ রহমান, বিএমবিএ'র সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদ, দুই স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধিসহ এসইসির নির্বাহি পরিচালকরা। বৈঠকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির খসড়া বিষয়ে এসইসির প্রস্তাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
জানা গেছে, বুক বিল্ডিং পদ্ধতির প্রস্তাবিত সংশোধনে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ও পিই রেশিও (মূল্য আয় অনুপাত) বেঁধে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী এ সংক্রান্ত আইন সংশোধন হলে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ও প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) বিবেচনায় নিয়ে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে লেনদেন শুরুর আগে কোনো কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের (পি/ই) অনুপাত ১৫ এর বেশি হতে পারবে না। একইসঙ্গে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য কোম্পানির শেয়ার প্রতি এনএভির ৫ গুণের নিচে থাকতে হবে।
এছাড়া মূল্য নির্ধারণে কোম্পানির তিন বছরের আয়ের গড়ের ভিত্তিতে পিই নির্ধারিত হবে। নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে রোড শো' আয়োজনের কমপক্ষে ৫ দিন আগে কোম্পানির বিবরণীর (প্রসপেক্টাস) খসড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কাছে পাঠাতে হবে। তবে এতে কোনোভাবেই নির্দেশক মূল্যের কোনো প্রস্তাব করা যাবে না। এছাড়া কোম্পানির আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার জন্য আইসিএবি, আইসিএমএবি, দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। তবে এতে কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি থাকতে পারবেন না বলে খসড়া প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
কমিশনের প্রস্তাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রস্তাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মধ্যে বরাদ্দ শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
Quote   
Page 1 / 2 1 - 2 Next »
Login with Facebook to post
Preview