Page 2 / 3 1 - 2 - 3 « previous | Next »
NEWS 18.05.2011+19.05.2011
05/18/2011 11:31 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
ইউসিবিএলের এজিএম’র স্থান পরিবর্তন
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেসরকারি ‘ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (ইউসিবিএল) বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে।  

আগামী ৩০ মে সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর রেডিসন ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে এ ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে । এর আগে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার আর্মি গলফ ক্লাবে ব্যাংকটির এজিএম হওয়ার কথা ছিল।

বুধবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বাংলাদেশ সময় : ১৬৫০ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০১১
Quote   
05/18/2011 11:32 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
দাম বাড়ার কোনো তথ্য নেই: ডিএসই’কে জানালো চার কোম্পানি
ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: অস্বাভাবিকভাবে দর বাড়ার ব্যাপারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৪টি কোম্পানি।  

কোম্পানিগুলো হলো- সাফকো স্পিনিং, মুন্নু জুটেক্স, মুন্নু জুট স্ট্যাফলার্স ও ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।  

বুধবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

সম্প্রতি দাম বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ওই চার কোম্পানিকে নোটিশ পাঠায় ডিএসই। এর জবাবে কোম্পানিগুলো এ তথ্য জানায়।

বাংলাদেশ সময় : ১৬৩৫ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০১১
Quote   
05/18/2011 11:32 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
এমআই সিমেন্টের লেনদেন শুরু রোববার
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা : অবশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত হলো এমআই সিমেন্ট। এর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন শুরু হচ্ছে আগামী রোববার।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ডিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সতিপ্রতি মিত্র সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

এর আগে বুধবার দুপুরে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে এসইসি চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেন এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির ব্যাপারে আলোচনা করেন।  

দুপুর একটায় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সভা কক্ষে এ আলোচনা হয়।  

আলোচনা শেষে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, ‘এসইসির নির্দেশক্রমে ও ডিএসইর আইনানুযায়ী এমআই সিমেন্টেকে তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে।‘

তবে কবে নাগাদ লেনদেন শুরু হবে এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে তখন কিছু জানাননি তিনি।

ওই আলোচনায় এসইসির সদস্য হেলাল উদ্দিন নিজামী উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসইর পক্ষ থেকে শাকিল রিজভী ছাড়াও ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. শাহজাহান ও পরিচালক আহমদ রশীদ (লালী)।

বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৭ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০১১
Quote   
05/18/2011 11:32 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক হিসাব দিতে আট কোম্পানি ব্যর্থ
ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আট কোম্পানি ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ, জনতা ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা সিমেন্ট মিলস, ন্যাশনাল টি, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, সালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ ও সোনারগাঁও টেক্সটাইল ২০১১ সালের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) আর্থিক হিসাব দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিটি কোম্পানিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিতে হয়।

বাংলাদেশ সময় : ১৩৪৮ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০১১
Quote   
05/18/2011 11:33 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
পুঁজিবাজার: তিন কার্যদিবস পর কমেছে সূচক ও লেনদেন
ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: দেশের দুই পুঁজিবাজারে বুধবার বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম, মূল্যসূচক ও লেনদেন কমেছে। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার, চলতি সপ্তাহের রোববার ও সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পাশাপাশি লেনদেন বেড়েছিল। মঙ্গলবার সরকারি ছুটি থাকায় পুঁজিবাজারে বন্ধ ছিল লেনদেন।

বুধবার উভয় বাজারে লেনদেন শুরু হয় সূচকের ঊর্ধ্বগতি দিয়ে। লেনদেনের প্রথম একঘণ্টায় ডিএসইতে মূল্যসূচক বাড়ে ৪ পয়েন্ট ও সিএসইতে ৩১ পয়েন্ট। এসময়ে ডিএসইতে মোট ২২৭টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বাড়ে ১০৯টির, কমে ৯৯টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ১৯টি প্রতিষ্ঠানের দাম।  

বেলা ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইতে সূচক দ্রুত ওঠানামা করে। এরপর সূচক কমতে থাকে যা লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।

ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বুধবার লেনদেন হওয়া ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৭টির, কমেছে ১৫৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল দশটি প্রতিষ্ঠানের দাম।

একইসঙ্গে সাধারণ সূচক ৩০ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৭৬০ পয়েন্টে নেমে যায়। সার্বিক সূচক ২১ পয়েন্ট কমে নেমে যায় ৪ হাজার ৭৯৩ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৪৫৫ কোটি ৪ লাখ ৮৩ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৬০৯ কোটি ২২ লাখ ৫ হাজার টাকা।

ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে দশ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষে উঠে আসে বেক্সিমকো লিমিটেড। এদিন এ কোম্পানির শেয়ার দর ১৬৭.৩০ টাকা থেকে ১৭২.৫০ টাকায় ওঠানামা করে সর্বশেষ ১৬৮.৪০ টাকায় লেনদেন হয়। এর মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৭০০ শেয়ার ৩ হাজার ৯২৪ বারে হাতবদল হয়।

লেনদেনের শীর্ষে  থাকা অন্য নয় কোম্পানি হলো-  বিএসআরএম স্টিল, বেক্সটেক্স, তিতাস গ্যাস, আফতাব অটো., পিএলএফএসএল, গোল্ডেন সন, বেক্সিমকো সিনথেটিক্স, ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও এবি ব্যাংক।

দাম বাড়ার শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো- বিচ হ্যাচারি, সিএমসি কামাল, এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এমবি ফার্মা, এনএইচএফআইএল, নর্দান ইন্স্যুরেন্স, ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস, সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স ও পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স।

দাম কমার দিক দিয়ে শীর্ষ দশ কোম্পানি ছিল- ইবনে সিনা, অগ্রনী ইন্স্যুরেন্স, নর্দান জুট, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, আইএফআইসি ব্যাংক, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, ইমাম বাটন, মেট্রো স্পিনিং ও সোনারগাঁও টেক্সটাইল।

অন্যদিকে সিএসই ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়,  বুধবার  সিএসইর সাধারণ সূচক ৬৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয় ১০ হাজার ৩৩০ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক ৯৫ পয়েন্ট কমে নেমে যায় ১৬ হাজার ৪২ পয়েন্টে।

লেনদেন হওয়া ১৮৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৪টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১২৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল আটটি প্রতিষ্ঠানের দাম।

মোট লেনদেন হয় ৫৮ কোটি ১৭ লাখ ৫১ হাজার ৮৫৩ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৮৩ কোটি ১৮ লাখ ৮৯ হাজার ৬২৬ টাকা।

বাংলাদেশ সময়:  ১৬০৫ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০১১
Quote   
05/18/2011 11:37 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantha
18.05.2011
অনেক বড় দায় এসইসির নতুন চেয়ারম্যানের কাঁধে
তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু

অবশেষে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষক ড. এম খায়রুল হোসেন। এর আগে নতুন সদস্য হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হেলালউদ্দীন নিজামীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আরো দুজন সদস্য নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
দেরিতে হলেও এসইসি পুনর্গঠনের কাজ শুরু করাকে শেয়ারবাজারের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। এতে অভিভাবকহীন একটা অসহায় পরিস্থিতি থেকেও শেয়ারবাজার মুক্ত হবে বলে তাঁদের বিশ্বাস। বিধ্বস্ত পুঁজিবাজারে প্রাণসঞ্চার করা, বিনিয়োগকারী ও তালিকাভুক্ত কম্পানির আস্থা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে নিজের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করার বিশাল দায় এখন পুনর্গঠিত এসইসির কাঁধে। দায়িত্বের বিশালতা উপলব্ধি করছেন নতুন চেয়ারম্যান নিজেও। রবিবার কাজে যোগ দেওয়ার পরই তিনি বলেন, 'অনেক চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে এসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছি। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনাই হবে আমার প্রথম কাজ। এসইসির কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। বিনিয়োগকারীদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করা হবে। পুঁজিবাজারকে কাজে লাগিয়ে দেশের শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা হবে। বর্তমান আইনে সম্ভব না হলে এসইসির আইন পরিবর্তন করা হবে।'
এসইসির ভাবমূর্তি এখন শূন্যের কোঠায়। সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সংশ্লিষ্ট সবার আস্থার জায়গায় দাঁড় করানোই এসইসির নতুন নেতৃত্বের প্রথম কাজ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কাজটি যে সহজ নয়, তারও ইঙ্গিত দিলেন তাঁরা। এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ সিদ্দিকী কালের কণ্ঠকে বলেন, নতুন চেয়ারম্যানের প্রথম কাজ হবে আস্থা অর্জন করা। আস্থা অর্জনের জন্য দরকার সৎ ও নিরপেক্ষভাবে আইন অনুযায়ী দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়া। এটা করতে পারলে দ্রুতই বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে এসইসির নতুন নেতৃত্বের প্রতি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ওসমান ইমাম বলেন, এখনো এসইসির পুরোপুরি পুনর্গঠন হয়নি। আরো দুজন সদস্য নিয়োগ দিতে হবে। এসইসির পুনর্গঠন প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্ভব হবে, তত গুজব কমে যাবে। বাজার স্থিতিশীল হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন চেয়ারম্যানের এ সহকর্মীর মতে, বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর কিছু নেই। স্থিতিশীল হওয়া আর ঘুরে দাঁড়ানো এক কথা নয়। এখন দরকার স্থিতিশীল করা। এটা করতে হলে প্রথম কাজ হবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন। সেটা করার জন্য দরকার সততার সঙ্গে কাজ করা। এসইসিকে তদন্ত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে। বেশি আইপিও বাজারে আনতে হবে। শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে হবে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে যেসব কম্পানি ইতিমধ্যে আবেদন করেছে, তাদের সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে আলাদা অডিট ফার্ম দিয়ে। এসব শেয়ারের দাম কমিয়ে করে প্রাইমারি মার্কেটে আইপিও ছাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
বিগত সময়ে যেসব আইনের ব্যত্যয় ঘটেছে, তা দূর করতে আইন সংশোধন করার কথাও বললেন ড. ওসমান ইমাম। এসইসিকে সহযোগিতা করার জন্য আলাদা পরামর্শক কমিটি ও কারিগরি কমিটি গঠনের পরামর্শ দিলেন তিনি। এ ছাড়া তিনি অমনিবাস অ্যাকাউন্ট, প্লেসমেন্ট শেয়ার, মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকাণ্ডে যেসব অসংগতি ও অনিয়ম হয়েছে, তা রোধ করার জন্য তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এসইসিকে কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করা চলবে না। এসইসির কোনো আইন না মানার সাহস কারো থাকার কথা নয়।
গত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে শেয়ারবাজারে ঘটে যাওয়া বিপর্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ জানুয়ারি সরকার কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। দুই মাস তদন্ত শেষে গত ৭ এপ্রিল সরকারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি। এতে সুনির্দিষ্টভাবে এসইসির শীর্ষস্থানীয় চার কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁদের অপসারণ করে এসইসি পুনর্গঠনের তাগিদ দেওয়া হয়। তাঁদের রেখে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পুনর্গঠন ও পুঁজিবাজারের সামগ্রিক সংস্কার সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করে কমিটি। নানা জল্পনাকল্পনার পর প্রতিবেদন পেশের এক মাসের মাথায় সরকার নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়। এর আগে একজন সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে দুজন সদস্য পদত্যাগ করেন। সাবেক চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। আরো দুই সদস্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত এসইসি পুরোদমে কাজ শুরু করতে পারবে না বলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তারা জানান।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আস্থা অর্জন করে শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য দরকার তদন্ত প্রতিবেদনের উলি্লখিত সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করা। তদন্ত প্রতিবেদনে সুপারিশে এসইসির কয়েকটি আইনের ফাঁক বন্ধ করার সুপারিশ করার কথা বলা হয়েছে। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর অমনিবাস অ্যাকাউন্টে সবচেয়ে বেশি কারসাজির সুযোগ রয়েছে। এই ধরনের অ্যাকাউন্ট থেকে ভৌতিক লেনদেন হয়েছে। এটা বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। শেয়ারবাজারের প্লেসমেন্ট ব্যবসাকে বেআইনি না বলা হলেও অনৈতিক বলা হয়েছে। এ জন্য প্লেসমেন্টের আইন সংশোধন করার কথা বলা হয় প্রতিবেদনে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতির আইনি দুর্বলতা দূর করার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের ডি-মিউচুলাইজেশন করা, এসইসি ও দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সমন্বয়হীনতা দূর করা, আলাদা অডিট ফার্মের মাধ্যমে অতিমূল্যায়িত কম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। বাজারকে স্থিতিশীল করার জন্য এসইসির নতুন নেতৃত্বকে এসব সুপারিশই বাস্তবায়ন করতে হবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
Quote   
05/18/2011 11:39 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantha
18.05.2011
নতুন চেয়ারম্যানের সঙ্গে ডিএসই নেতাদের সাক্ষাৎ
বিনিয়োগকারীদের বিপক্ষে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না এসইসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাজার-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে পুনর্গঠিত সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বিনিয়োগকারীদের বিপক্ষে যায়_এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না বলে কমিশনের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ড. খায়রুল হোসেন জানিয়েছেন। পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে এসইসি। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা সোমবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এসইসি চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎ শেষে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী সাংবাদিকদের জানান, 'স্টক এঙ্চেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা এসইসির নতুন চেয়ারম্যান ও সদস্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। পুঁজিবাজার সম্পর্কে অত্যন্ত ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন চেয়ারম্যান। বাজার সম্পর্কে তাঁদের জানাশোনাও যথেষ্ট। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ এবং জাতীয় অর্থনীতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তাঁরা জানান। কমিশনের নতুন সদস্য অধ্যাপক হেলালউদ্দীন নিজামী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ডিএসই সভাপতি জানান, 'কমিশনের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করে বিনিয়োগকারীসহ সংশ্লিষ্টদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এসইসির দিক থেকে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ জন্য স্টক এঙ্চেঞ্জসহ সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে এসইসি চেয়ারম্যান মনে করেন। দ্রুততম সময়ে ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।'
ডিএসই সভাপতি জানান, পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনে সিকিউরিটিজ-সংক্রান্ত আইন ও বিধি-বিধান সংশোধন করা হবে বলে এসইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে স্টক এঙ্চেঞ্জকে কিছু ক্ষেত্রে প্রজ্ঞাপন জারির ক্ষমতা দেওয়া হবে। আগে ছোটখাটো অনেক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রজ্ঞাপন জারি ও তা বাস্তবায়নের ক্ষমতা স্টক এঙ্চেঞ্জের কাছে ছিল; কিন্তু একপর্যায়ে সব কিছুই এসইসির হাতে চলে গেছে। এসব কাজে ব্যস্ত থাকায় এসইসি গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজে মনোযোগ দিতে পারেনি। স্টক এঙ্চেঞ্জ বিন্যস্তকরণের (ডিমিউচ্যুয়ালাইজড) প্রেক্ষাপটে অনেক বিষয়ে এসআরও জারি ও তা বাস্তবায়নের ক্ষমতা স্টক এঙ্চেঞ্জকে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, 'এসইসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি আইসিবির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পুঁজিবাজারের সামগ্রিক বিষয় সম্পর্কে তিনি অবগত। দলমত নির্বিশেষে সবার জন্য সমতার ভিত্তিতে কাজ করবেন বলে তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। তাঁর এই জ্ঞান ও চিন্তা ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে।' এনবিআরের পক্ষ থেকে তিনিসহ কয়েকজনের ব্যাংক হিসাব তলব করার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে শাকিল রিজভী বলেন, রাজস্ব বোর্ড যে কারো হিসাব জানতে চাইতে পারে। ঠিকমতো কর পরিশোধ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কারো সম্পর্কে জানতে চাইলেই তিনি অপরাধী হয়ে যান না। এ কারণে বিষয়টিকে হেয়ভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
Quote   
05/18/2011 5:55 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
19.05.2011
The Daily Janakantha
অবশেষে তালিকাভুক্ত করতে বাধ্য হলো ডিএসই
রবিবার থেকে এমআই সিমেন্টের লেনদেন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশনা পুনর্বিবেচনার সব রকম প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় অবশেষে এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডকে তালিকাভুক্ত করতে বাধ্য হলো ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)। এসইসির নির্দেশনা পরিবর্তনের অনুরোধ চূড়ান্তভাবে নাকচ হওয়ার পর বুধবার কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই কর্তৃপক্ষৈ। আগামী রবিবার থেকে এই স্টক এক্সচেঞ্জে এমআই সিমেন্টের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে বলে ডিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সতিপতি মৈত্র জানিয়েছেন।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শেয়ারধারীদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি সংক্রান্ত এসইসির নির্দেশনা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানাতে ডিএসইর একটি প্রতিনিধি দল বুধবার সকালে এসইসি নতুন চেয়ারম্যান ড. খায়রুল হোসেন এবং সদস্য অধ্যাপক হেলালউদ্দীন নিজামীর সঙ্গে সাৰাত করেন। এ সময় ডিএসই নেতারা কোম্পানিটির তালিকাভুক্তি সংক্রান্ত জটিলতার প্রেৰাপট তুলে ধরে বলেন, ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তে কোন কোম্পানির তালিকাভুক্তির নজির কোথাও নেই। এই প্রক্রিয়ায় এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করলে ভবিষ্যতে খারাপ উদাহরণ তৈরি হতে পারে। তারা প্রয়োজনে ৰতিপূরণের শর্ত বাদ দিয়ে তালিকাভুক্তির নির্দেশনা প্রদানের অনুরোধ করেন। তবে তাদের এই অনুরোধ সরাসরি নাকচ করে এসইসির পৰ থেকে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে আগের নির্দেশনা বহাল রাখার সিদ্ধানত্ম জানানো হয়।
এ কারণে এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করা ছাড়া ডিএসইর সামনে অন্য কোন পথ ছিল না। বিকেলে ডিএসই কতর্ৃপৰ কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধানত্ম নেয়।
পরে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সতিপতি মৈত্র বলেন, এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। আগামী রবিবার থেকে ডিএসইতে এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরম্ন হবে।
উলেস্নখ্য, সিকিউরিটি এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯ এর ২০(এ) ধারা অনুযায়ী বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে কিংবা পুঁজিবাজার উন্নয়নের স্বার্থে প্রয়োজন মনে করলে এসইসির পৰ থেকে স্টক এঙ্চেঞ্জসহ পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংশিস্নষ্ট যে কোন প্রতিষ্ঠানকে যে কোন বিষয়ে লিখিত নির্দেশনা দিতে পারে। এসইসির এ ধরনের নির্দেশনা পরিপালন করা সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক। ফলে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি বিষয়ে জারি করা নির্দেশনা পরিপালনে স্টক এঙ্চেঞ্জ বাধ্য। এজন্য পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন বা মতামতের প্রয়োজন নেই। এসইসির নির্দেশনা অনুসরণ করে ইতোমধ্যেই কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করেছে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জ (সিএসই)। গত ৮ মে থেকে সিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হচ্ছে।
কিন্তু এসইসির নির্দেশনা পরিপালন না করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য পরিচালনা পর্ষদে পাঠায় ডিএসই কতর্ৃপৰ। গত ৩ মে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের জরম্নরী সভায় কয়েক জন পরিচালকের কঠোর বিরোধিতার কারণে এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করেনি ডিএসই। কমিশনের নির্দেশনা উপেৰা করার সুযোগ না থাকায় কৌশল হিসেবে এটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে ডিএসইর এই অনুরোধ নাকচ করে দেয় এসইসি। তবে এরপরও নির্দেশনাটি কার্যকর না করে এসইসির নতুন চেয়ারম্যান ও সদস্যের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসই।
Quote   
05/18/2011 5:55 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
19.05.2011
The Daily Janakantha
ভুয়া ঋণের তথ্য সংগ্রহে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভিযান শুরু

খায়রুল হোসেন রাজু ॥ ব্যাংক ব্যবস্থায় ভুয়া ঋণের তথ্য সংগ্রহে অভিযানে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ভুয়া ঋণ বিতরণের সঙ্গে একাধিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং শাখা ব্যবস্থাপকও জড়িত রয়েছেন। ভুয়া ঋণ চিহ্নিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের তিনটি টিম মাঠে কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে ৭টি ব্যাংকের একাধিক শাখায় অভিযান শুরম্ন করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই তদন্ত টিম তাদের রিপোর্ট দাখিল করবে বলেও সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রে জানা গেছে, একাধিক ব্যাংকের কর্মকর্তা রয়েছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া ঋণ বিতরণ করে আসছেন। ঋণ গ্রহীতাদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে মোটা অঙ্কের মাশোয়ারা নিয়ে ও একই রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারী হয়ে সংশিস্নষ্ট গ্রাহকদের ভুয়া ঋণ বিতরণ করেছে। এসব ঋণ বিতরণের ৰেত্রে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের ম্যানেজার বা উর্ধতন কতর্ৃপৰ উপযুক্ত জামানত গ্রহণ করেনি। জামানতবিহীন বা নামেমাত্র জামানত নিয়ে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। ফলে একাধিক ব্যাংক তারল্য সঙ্কটে ভুগছে। যদি ব্যাংক ব্যবস্থায় বর্তমানে তারল্য সঙ্কট নেই বললেই চলে। কিন্তু অধিকাংশ ব্যাংক রয়েছে যেগুলো তাদের ডিপোজিটের তুলনায় অনেক বেশি ঋণ বিতরণ করেছে। ওই ব্যাংকগুলো এখন তারল্য সঙ্কটে ভুগছে। যার দায়ভার অন্যান্য ব্যাংকের ওপর পড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, কিছু কিছু ব্যাংক তাদের টার্গেটের চেয়েও অনেক বেশি ঋণ বিতরণ করেছে। এৰেত্রে ব্যাংকগুলো যেমন পর্যাপ্ত জামানত রাখেনি, তেমনি ভুয়া ঋণ বিতরণ করেছে। এর ফলে ওইসব ব্যাংকগুলোতে তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপৰে ব্যাংকিং খাতে এখন কোন তারল্য সঙ্কট নেই। সম্প্রতি বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে আশার পর থেকেই অভিযান নামেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ অভিযানের অংশ হিসাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তিনটি তদনত্ম টিম মাঠে কাজ করছে। খুব শীঘ্রই টিমের কর্মকর্তারা রিপোর্ট পেশ করবে বলেও জানা গেছে।
সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া ঋণ বিতরণে কারণে সম্প্রতি একাধিক ব্যাংকের শাখার ম্যানেজারকে চাকরিচু্যতও করা হয়েছে। কয়েকজনকে আবার শোকজ করা হয়। সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের উর্ধতন কর্মকর্তারা শাসত্মিমূলক এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। ভুয়া ঋণের তথ্য সংগ্রহে প্রাথমিকভাবে ৭টি ব্যাংকের শাখায় অভিযান শুরম্ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এগুলোর মধ্যে উলেস্নখযাগ্য হলো-যমুনা ব্যাংক, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, বেসিক ব্যাংক এবং ইউসিবিএলসহ মোট ৭টি ব্যাংক। এদিকে ভুয়া ঋণ প্রদান করার কারণে ক্রেডিট ইনফরমেশন বু্যরো (সিআইবি) অনলাইনে যেতে পারছে না। কারণ একাধিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভুয়া ঋণ বিতরণ করেছে। যাদের ঋণ বিতরণ করা হয়েছে তাদের নাম ঠিকানার কোন মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না
Quote   
05/18/2011 5:56 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
19.05.2011
The Daily Janakantha
৩০ জুন ইজিএম করবে বেক্সিমকো ও বেক্সটেক্স
উচ্চ আদালতের আদেশে একীভূতকরণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হবে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত অনুমোদনের জন্য আগামী ৩০ জুন বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) করবে বাংলাদেশ এঙ্পোর্ট ইম্পোর্ট কোম্পানি লিমিটেডের (বেক্সিমকো) এবং বেঙ্টেঙ্ লিমিটেড। কোম্পানি আইন অনুযায়ী হাইকোর্টের আদেশ পাওয়ার পর দুই কোম্পানির পৰ থেকে গতকাল বুধবার ইজিএমের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে বেঙ্মিকো লিমিটেডের সঙ্গে বেঙ্টেঙ্কে একীভূত করার ঘোষণা দিয়েছিল বেঙ্মিকো গ্রম্নপ। ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অনুমোদন চেয়ে দুই কোম্পানির পৰ থেকে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। এর ভিত্তিতে গত সোমবার হাইকোর্টের সংশিস্নষ্ট বেঞ্চ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে দুই কোম্পানির ইজিএম করে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন গ্রহণের আদেশ দেন। আদেশে এজিএমের সিদ্ধানত্ম ৬ জুলাইয়ের মধ্যে আদালতে পেশ করতে বলা হয়েছে। আগামী ৭ জুলাই এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
হাইকোর্টের ওই আদেশ পাওয়ার পর দুই কোম্পানির ইজিএমের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৩০ জুন সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে গাজীপুরে অবস্থিত বেঙ্মিকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে বেঙ্মিকো লিমিটেডের ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন বেলা ১২টা ১৫ মিনিটে বেঙ্টেঙ্রে ইজিএম একই স্থানে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৩০ মে দুই কোম্পানির ইজিএমের রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
একীভূতকরণের ঘোষণা বেঙ্টেঙ্রে শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানির ৫টি শেয়ারের বিপরীতে বেঙ্মিকো লিমিটেডের ১টি শেয়ার পাবেন। দুই কোম্পানির সম্পদ মূল্যায়ন করে নিরীৰা প্রতিষ্ঠান মেসার্স আতা খান এ্যান্ড কোম্পানি শেয়ার বিনিময়ের এ হার নির্ধারণ করেছে।
সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী বেঙ্টেঙ্রে মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৬ কোটি ৬৪ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৮। সর্বশেষ ঘোষিত লভ্যাংশ অনুযায়ী ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার যুক্ত হলে কোম্পানিটির শেয়ারসংখ্যা ৫৩ কোটি ৬৪ লাখ ১৪ হাজার ৫৯৯টিতে দাঁড়াবে। এর বিনিময়ে বেঙ্মিকো লিমিটেডের ১০ কোটি ৭২ লাখ ৮২ হাজার ৯২০টি শেয়ার ইসু্য করা হবে। এই কোম্পানির বর্তমান শেয়ারসংখ্যা ১৬ কোটি ৫৪ লাখ ৭৯ হাজার ৫৮০। ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার যুক্ত হওয়ার পর এই সংখ্যা ১৬ কোটি ৯ লাখ ২৪ হাজার ৩৮০টিতে উন্নীত হবে। আর দুই কোম্পানি একীভূত হওয়ার পর বেঙ্মিকোর শেয়ারসংখ্যা হবে ২৬ কোটি ৮২ লাখ ৭ হাজার ৩ শ'।

বরকতউলস্নাহ ইলেকট্রোর শেয়ার লেনদেন শুরু হচ্ছে আজ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে বরকতউলস্নাহ ইলেকট্রো ডায়নামিকস লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যেই ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জ এই কোম্পানির তালিকাভুক্তি অনুমোদন করেছে।
বরকতউলস্নাহ ইলেকট্রো ডায়নামিকস পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে মোট ১২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৬০ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক ছিল প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
বরকতউলস্নাহ ইলেকট্রোর অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষে পরিশোধিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ৮৬ কোটি টাকা। আইপিও বিবরণীতে দেয়া হিসাব অনুযায়ী গত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৭৬ পয়সা। সর্বশেষ হিসেবে গত বছরের জুন পর্যনত্ম কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১১ টাকা ৭০ পয়সা।
জানা গেছে, কোম্পানিটি ইতোমধ্যেই বিডিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ৫১ মেগাওয়াট উৎপাদন ৰমতা সম্পন্ন বিদু্যত কেন্দ্র স্থাপন, উৎপাদন ও সরবরাহের জন্য বাংলাদেশ বিদু্যত উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সঙ্গে ১৫ বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ২০০৯ সালের ১০ অক্টোবর এই বিদু্যত কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদু্যত সরবরাহ করা হচ্ছে।
কোম্পানিটি নতুন বিদু্যত কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে বাণিজ্যিক কর্মকা- সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ৰমতাসম্পন্ন আরেকটি বিদু্যত কেন্দ্র উৎপাদনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির কার্যক্রম সম্প্রসারণের কাজে ব্যয় করা হবে।
Quote   
05/18/2011 5:57 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
19.05.2011
The Daily Janakantha
দিনভর অস্থিরতার পর ৩০.৪৯ পয়েন্ট কমেছে সূচক
বিনিয়োগকারীদের উৎকণ্ঠা কাটছে না

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দিনভর অস্থিরতার পর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন সত্ত্বেও মাত্র ৩০.৪৯ পয়েন্ট কমেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক। বুধবার লেনদেনের শুরম্নর দিকে অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধির প্রভাবে সূচক উর্ধমুখী থাকলেও শেষ দিকে ব্যাপকহারে দরপতন ঘটেছে। তবে ব্যাংকিং খাতসহ মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর দর হ্রাসের মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে সূচকের বড় ধস সামাল দেয়া সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি বাজারে তারল্য সঙ্কট অব্যাহত থাকায় আগের দিনের তুলনায় ১৫৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা কমে গেছে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ। বাজারের আচরণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, বুধবার দরপতনের মধ্য দিয়েই দিনের লেনদেন শুরম্ন হয়। তবে পাঁচ মিনিটের মধ্যে অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়তে শুরু করে। এতে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আগের দিনের চেয়ে ২০ পয়েন্টের মতো উপরে অবস্থান করে। এরপর বাজারে নিম্নগতি শুরু হয়। বেলা ১২টায় ডিএসই সাধারণ সূচক আগের চেয়ে নিচে নেমে আসে। এরপর আরেক দফা দরবৃদ্ধির ফলে সূচকেও কিছুটা বৃদ্ধি পায়। বেলা দেড়টা পর্যন্ত উত্থান-পতনের এ ধারা অব্যাহত থাকে। কিন্তু এরপর বেলা ২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত একটানা কমতে থাকে অধিকাংশ শেয়ারের দর। এর পর ২০ মিনিটের জন্য বাজার উর্ধমুখী হলেও শেষ দিকে আরেক দফা দরপতন ঘটে। শেষ পর্যনত্ম লেনদেন হওয়া ২৫০টি কোম্পানির মধ্যে ১৫৩টিরই শেয়ারের দর কমেছে। এর বিপরীতে বেড়েছে ৮৭টির দর। বাকি ১০টি কোম্পানির শেয়ারের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। অডলট মার্কেটের মূল্য সমন্বয়ের পর দিন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩০.৪৯ পয়েন্ট কমে ৫৭৬০.৬১ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সূচকের এই উত্থান-পতনই ছিল বুধবারের বাজারের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
সারা দিনে ডিএসইতে মোট ৪ কোটি ৭১ লাখ ৪৪ হাজার ৮৫১টি শেয়ার, কর্পোরেট বন্ড ও মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ৪৫৫ কোটি ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৬৩৪ টাকা_ যা আগের দিনের চেয়ে ১৫৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা কম। দিন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬২২ কোটি ২৭ লাখ ৫৮ হাজার ৫৪৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ১৮৬টি কোম্পানির মধ্যে ১২৪টির দর কমেছে, ৫৪টির বেড়েছে এবং ৮টির অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক ৬৭.৪৮ পয়েন্ট কমে ১০৩৩০.০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে মোট ৭৯ লাখ ৯৫ হাজার ৯৪৬টি শেয়ার, কর্পোরেট বন্ড ও মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে_ যার মূল্য ৫৮ কোটি ১৭ লাখ ৫১ হাজার ৮৫৩ টাকা।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তারল্য (নগদ টাকা) সঙ্কট তীব্র হয়ে ওঠার কারণেই পুঁজিবাজারে টানা মন্দা তৈরি হয়েছে। নগদ টাকার সঙ্কট থাকায় একদিকে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে আপাতত কোন বিনিয়োগ করছে না। বরং হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে নগদ অর্থ সংগ্রহের দিকে ঝুঁকে পড়েছে এসব প্রতিষ্ঠান। একই কারণে অনেক মার্চেন্ট ব্যাংক মার্জিন ঋণ দিতে পারছে না। সব মিলিয়ে শেয়ারবাজারে বড় রকমের তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে লেনদেনের পরিমাণ ব্যাপকহারে কমে গেছে।
Quote   
05/18/2011 5:59 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
19.05.2011
The Daily Star
2011-12 Budget
Stocks now await budgetary boost

Stock investors set cardboard and plastic bottles afire to protest a stockmarket fall in Dhaka in January. The troubled investors look to the upcoming national budget, now deemed crucial for the market.Photo: STAR
Sarwar A Chowdhury
Investment of untaxed or undeclared money in the stockmarket is also a much-talked issue for the next fiscal year, as the opportunity will end this year

The upcoming fiscal year's budget would be a crucial one for the stockmarket, as a buzz is in the air about tax on individuals' capital gain and compulsory tax identification for BO accounts.

Also, the possible comeback of the stockmarket from the ongoing upheavals mostly depends on the budgetary measures. Investors, market intermediaries and experts look to the upcoming budget to see what the government is going to do in the budget for the stockmarket.

Retail investors say it would not be wise to impose tax on capital gains made by individuals that the government did on institutional investors in the current fiscal year.

They also oppose any plan of making tax identification number (TIN) compulsory for BO (beneficiary owner's) account, saying that, in that case many investors will leave the market.

“The recent debacle in share prices rattled many of us, and we are still looking for a breather in the market. If the government imposes tax on the capital gains made by individual investors, it will be depressing for us,” said Zahir Ahmed, a retail investor.

Apart from stock investors, there are many people from other professions or services and small businesses who are not under the tax net now, but they have investments in the stockmarket and make returns.

“If tax is imposed, they will have to come under the tax net, which many investors will not take easily,” Ahmed said.

Ahmed is not alone; most investors think like him.

Faruq Ahmad Siddiqi, a former chairman of the Securities and Exchange Commission, said: “In principle, there should be taxes, and such taxation can start from a lower rate.”

But, he said, currently the market is depressed after the recent debacle in the market. “The government should assess at first the possible impacts of tax imposition on individuals' capital gains,” he said.

An investment banker, however, said tax can be imposed on individual investors who are engaged in regular trading. “But, it should not be on long-term investments,” he said.

The government, for the first time in fiscal 2010-11, imposed a 10 percent tax on institutions that profit from share trade.

A 5 percent tax on the income made by sponsor shareholders or directors of listed companies, and a 3 percent tax on the premium value of shares were also imposed.

However, the Dhaka Stock Exchange in its budget proposal has urged the government to withdraw the 3 percent tax on premium value of shares, as it is creating negative impact on the market.

“Premium is part of capital. Income tax cannot be levied on capital, as such tax comes from income and not from capital,” the DSE said in the proposal that was submitted to the National Board of Revenue recently.

The compulsory TIN for BO accounts is also a much-talked issue ahead of the budget announcement for the 2011-12 fiscal. It already has given a rise to debates among the market stakeholders.

The probe committee on recent share market debacle in its report recommended that the government make the TIN mandatory for BO accounts.

But, market insiders said, the compulsory taxpayer's identity will create a mess in the market, which now has around 32 lakh investors. It means 32 lakh TIN certificates will be needed at a time.

The compulsory TIN will also force many of the investors to quit the market, as there is a common perception that everyone has to face difficulties in getting a TIN.

“Our market is yet to reach this stage where TIN can be made mandatory for BO accounts,” said Arif Khan, a market expert and managing director of Zenith Investment Ltd.

Besides, he said, the country's taxation system is not capable of handling the situation of having TIN for every BO account. “I think it is not the right time to make the TIN mandatory for BO accounts,” he said.

Investment of untaxed or undeclared money in the stockmarket is also a much-talked issue for the next fiscal year, as the opportunity will end this year.

“Investment of untaxed money on a particular sector should be allowed for a certain period, not for long,” said Khan, adding that if the tradition continues for a long time, it will be discouraging for regular taxpayers.

“However, considering the current market situation, investment of the untaxed money may be allowed for one more year to keep the money flow in the market and to bring back confidence among the investors,” he added
Quote   
05/18/2011 6:00 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
19.05.2011
MI Cement gets listing nod, finally
Star Business Report

The Dhaka Stock Exchange (DSE) yesterday approved the listing of MI Cement Factory Ltd in line with a directive of the Securities and Exchange Commission (SEC).

“The trading of MI Cement will begin on the DSE floor on Sunday,” said Satipati Moitra, chief executive officer of the Dhaka bourse.

“We approved the listing as per the directives of the SEC,” he added.

However, before the go-ahead was given, top leaders of the Dhaka bourse met SEC Chairman Professor M Khairul Hossain yesterday to discus the listing issue of the cement maker.

The new chairman asked them to list the company following the regulator's directives.

“We have upheld our directives,” the SEC chairman said.

Helal Uddin Nizami, a newly appointed SEC member, said the DSE authorities were asked to follow the regulator's directives.

After the meeting, DSE President Shakil Rizvi said there is no uncertainty about the listing of MI Cement.

He also said the company has sound fundamentals, and the investors will be benefited.

Ahmed Rashid, a director of the premier bourse, said the DSE has approved the listing for the greater interest of the market.

However, the company was listed on the Chittagong Stock Exchange (CSE) on May 6.

Earlier, the bourses were asked to list MI Cement after fulfilment of the conditions that the company proposed.

MI Cement had proposed that sponsor directors would compensate the investors if its share prices go below the offer price within the first six months of trade. The company had also said it would deposit Tk 5 crore in security funds to fulfil the compensation package before receiving the listing approval from the bourses.

Also, the company agreed to set aside a fourth of total shares from the directors' portion for the bourses. If the compensation amount crosses Tk 5 crore, the exchanges could go for selling those shares, according to its proposals.

MI Cement has already raised Tk 335.05 crore from the public using the book-building method by floating three crore ordinary shares of Tk 10 each with issue price of Tk 111.60 per share.

Data submitted by the company to the DSE shows earnings per share of MI are Tk 93.87 and net asset value is Tk 37.01 per share as of June 2009.

Earlier, the SEC had also asked the company to buy back shares, if its share prices slip below the offer price within the first six months of trading, and directed the bourses to take proper actions as per the listing rules.

But the listing committee of bourses had opposed the move on a condition of buy-back, saying huge complexities would arise if the company was listed.

The stalemate was created over MI Cement after the stockmarket regulator suspended the book building method in January following a government instruction.

A volley of criticisms came from economists, market experts, analysts and stakeholders over the misuse of the mechanism.
Quote   
05/18/2011 6:02 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
19.05.2011
MI Cement makes debut on DSE Sunday
MJL gets two weeks to complete listing process
FE Report

The board of directors of Dhaka Stock Exchange (DSE) has finally approved the listing proposal of MI Cement. The company will make its debut in DSE Sunday (May 22).

The DSE board Wednesday approved the listing proposal following a meeting with the newly appointed chairman of the Securities and Exchange Commission (SEC).

Sources said Chairman of the SEC Dr M Khairul Hossain also directed the DSE authorities to approve MI Cement listing proposal by supporting the views of his predecessor.

Under the chairmanship of Ziaul Huq Khondoker, the SEC directed the DSE twice to approve MI Cement listing in line with a provision of Securities and Exchange Commission Ordinance, 1969.

Finally, the DSE board decided to give the final approval after holding discussion with the newly appointed SEC chair.

However, the company made debut in the Chittagong Stock Exchange (CSE) on May 8.

Meanwhile, the securities regulator Wednesday further allowed MJL Bangladesh two weeks more time to be listed with the bourses.

An official of the SEC said the regulator granted the extension as the company authorities earlier applied to the regulator seeking four weeks more for the purpose.

On April 21 the regulator allowed two weeks to the MJL authorities for the purpose.

But the MJL authorities failed to meet the deadline, as the bourses refused to accept their listing proposal due to overpriced.

Under the book building system, MJL Bangladesh offloaded 40 million shares with an offer price of Tk 152.40, including a premium of Tk 142.40 each, against Tk 10.
Quote   
05/18/2011 6:03 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
19.05.2011
Changes in securities rules in the offing
FE Report

The Securities and Exchange Commission (SEC) has agreed to bring some changes in the securities rules in a move to stabilise the stock market.

Chittagong Stock Exchange (CSE) President Fakhor Uddin Ali Ahmed said this Wednesday after holding a meeting with newly appointed SEC Chairman Dr M Khairul Hossain.

The CSE chief along with other members of the board of directors made a courtesy call on the SEC chief to discuss present situation of the stock market.

After the meeting, the CSE president said during the meeting they discussed various issues relating to restoration of investors' confidence and bringing stability in the stock market.

At the same time, CSE stressed for bringing fresh IPOs into the market and reforms of book building method.
Quote   
Page 2 / 3 1 - 2 - 3 « previous | Next »
Login with Facebook to post
Preview