Page 1 / 3 1 - 2 - 3 Next »
NEWS 18.05.2011+19.05.2011
05/18/2011 11:12 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
18.05.2011
শেয়ার ব্যবসায় লাভ করলেই দুষ্টচক্র নয়
শাকিল রিজভী

ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি মোঃ শাকিল রিজভী বলেছেন, কিছু লোকের অনৈতিক কর্মকর্তাদের জন্য পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নেতিবাচকভাবে বিচার করা ঠিক নয়। জনমনে এমন ধারণা দেয়া উচিত হবে না যে, শেয়ার ব্যবসা থেকে লাভ করা মানেই দুষ্টচক্রের অংশ। জাতীয় স্বার্থেই পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করতে হবে। পাশাপাশি এই বাজার থেকে অনিয়মও দূর করতে হবে। এমন কিছু করা ঠিক হবে না, যা লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর জন্য ৰতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বরং পুঁজিবাজারকে উৎপাদনশীল খাতে মূলধন যোগান দেয়ার অন্যতম উৎস হিসেবে গড়ে তুলে জাতীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার জনকণ্ঠের সঙ্গে একানত্ম সাৰাতকারে ডিএসই সভাপতি এসব কথা বলেন। তাঁর এই সাৰাতকারের বিসত্মারিত তুলে ধরা হলো_
জনকণ্ঠ : গত কয়েক মাসে দেশের পুঁজিবাজার বড় ধরনের বিপর্যয়কর পরিস্থিতি পার হয়ে এসেছে। বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে সরকার গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন পেশ করেছে। তার ভিত্তিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। ইতোমধ্যেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার পুনর্গঠন প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তিত এই পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?
শাকিল রিজভীর : পুঁজিবাজারে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে জরুরী কাজ হলো বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। এজন্য শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ এবং বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে হবে। যে কোনভাবে বিনিয়োগকারীরা যদি হতাশার মধ্যে ফেলা হয়, তাহলে সমস্যার সমাধান হবে না। জাতীয় স্বার্থেই পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করতে হবে। পাশাপাশি এই বাজার থেকে অনিয়মও দূর করতে হবে। এমন কিছু করা ঠিক হবে না, যা লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর জন্য ৰতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বরং পুঁজিবাজারকে উৎপাদনশীল খাতে মূলধন যোগান দেয়ার অন্যতম উৎস হিসেবে গড়ে তুলে জাতীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। কিছু লোকের অনৈতিক কর্মকা-ের জন্য পুঁজিবাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নেতিবাচকভাবে বিচার করা ঠিক নয়। জনমনে এমন ধারণা দেয়া উচিত হবে না যে, শেয়ার ব্যবসা থেকে লাভ করা মানেই দুষ্টচক্রের অংশ। বিনিয়োগকারীদের যাতে কোন রকম অসম্মান না হয়_ সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত। কারণ তারাই পুঁজিবাজারের মূল শক্তি। দু'চার জন অনিয়ম করলে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায়। সেজন্য এসইসির অনেক রকম আইন ও বিধি রয়েছে। এগুলো সঠিকভাবে কাজে লাগালে পুঁজিবাজারে অনৈতিক কর্মকা- নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
উদাহরণ হিসেবে বলছি, সাম্প্রতিক সময়ে পেস্নসমেন্ট নিয়ে নানা ধরনের কথা হয়েছে। যারাই পেস্নসমেন্ট নিয়েছেন, তাঁরাই খারাপ কাজ করেছেন_ এ ধরনের একটা ধারণা তৈরি করা হয়েছে। অথচ সামগ্রিকভাবে পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ দেয়া বা নেয়া খারাপ কিছু নয়। পেস্নসমেন্টের নামে অনৈতিক বাণিজ্য হলে বা ঘুষ হিসেবে নিলে তা অবশ্যই অপরাধ। এ ধরনের তথ্যভিত্তিক অভিযোগ থাকলে তার বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু ঢালাওভাবে সবাইকে দোষারোপ করা বা পেস্নসমেন্ট নিলেই খারাপ_ এভাবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। কারণ উৎপাদনশীল খাতে মূলধন বাড়ানোর জন্য পেস্নসমেন্ট একটি ভাল মাধ্যম। আমাদের অর্থনীতি এখন যে পর্যায়ে রয়েছে_ তাতে উন্নয়নের উচ্চ সত্মরে পেঁৗছতে হলে ভবিষ্যতে শিল্প ও অন্যান্য খাতে অনেক বড় বড় প্রকল্প গড়ে তুলতে হবে। ওইসব প্রকল্প বাসত্মবায়নের জন্য বিপুল পরিমাণ মূলধনের প্রয়োজন হবে। শুধু আইপিওর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ মূলধন সংগ্রহ করা সম্ভব নাও হতে পারে। বড় বড় প্রকল্পের অর্থ সংগ্রহের জন্য পেস্নসমেন্ট লাগবেই। হুট করে এই পদ্ধতি বন্ধ করে দেয়া ঠিক হবে না। তাহলে ভবিষ্যতে বড় মূলধন সংগ্রহের একটি পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এজন্য পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহের ব্যবস্থা খোলা রাখতে হবে। তবে এখানে যেন কোন অনিয়ম হতে না পারে, সেজন্য আইন করে দেয়া যায়। পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দের পদ্ধতি কী হবে, ব্যক্তি ও কোম্পানির ৰেত্রে পরিমাণ কত হবে, এই প্রক্রিয়ায় টাকা নিয়ে কোম্পানিতে কীভাবে ব্যবহার করতে হবে_ এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নিয়ম করে দেয়া যেতে পারে। আবার পেস্নসমেন্টের শেয়ার কেনা-বেচার জন্য কোন কার্ব মার্কেট যাতে গড়ে না উঠে_ সেদিকেও নজর রাখতে হবে। স্টক এঙ্চেঞ্জের বাইরে যাতে শেয়ার লেনদেন না হয়_ সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে কোন কোম্পানির ৰেত্রে এমন হয়েছে কিনা_ তাও তদনত্ম করে দেখা যেতে পারে।
জনকণ্ঠ : পুনগর্ঠিত এসইসি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আপনি মনে করেন?
শাকিল রিজভী : এসইসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান খায়রম্নল হোসেন বিশ্বদ্যিালয়ের শিৰক। তিনি আইসিবির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পুঁজিবাজারের সামগ্রিক বিষয় সম্পর্কে তিনি অবগত। তাঁর এই জ্ঞান ও চিনত্মা ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে। নতুন সদস্য অধ্যাপক হেলালউদ্দীন নিজামীও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিৰকতা করেছেন। সংশিস্নষ্ট বিষয়ের শিৰক হিসেবে তিনিও পুঁজিবাজার সম্পর্কে ভাল জ্ঞান রাখেন। পুঁজিবাজার সম্পর্কে তাঁরা অত্যনত্ম ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন। বাজার সম্পর্কে তাঁদের জানাশোনাও যথেষ্ট।
ডিএসইর পৰ থেকে আমরা ইতোমধ্যেই সদস্যরা এসইসি চেয়ারম্যান ও সদস্যের সঙ্গে সৌজন্য সাৰাত করেছি। তাঁরা দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য সমতার ভিত্তিতে কাজ করবেন বলে আমাদের আশ্বসত্ম করেছেন। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ এবং জাতীয় অর্থনীতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদৰেপ নেয়া হবে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।
জনকণ্ঠ : সাম্প্রতিক সময়ে এসইসির ভাবমূর্তি প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এটা দূর করতে করণীয় কী?
শাকিল রিজভী : একথা ঠিক যে, নানা কারণে এসইসির ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। একদিনেই সেটা দূর করা সম্ভব হবে না। কাজের মধ্য দিয়েই এসইসিকে বিনিয়োগকারীসহ সকলের আস্থা অর্জন করতে হবে। তবে এ কথা মনে রাখতে হবে যে, এসইসির সবাই খারাপ নয়। হয়ত হাতেগোনা কয়েক জনের জন্য প্রতিষ্ঠানের বদনাম হয়ে গেছে। দেশের পুঁজিবাজার যেভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে, সে অনুযায়ী এসইসির সামর্থ্য বাড়েনি। এসইসির বর্তমান জনবল দিয়ে এত বড় বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
জনকণ্ঠ : গত কয়েক মাস ধরে দেশের পুঁজিবাজার মন্দা সময় পার করছে। বিনিয়োগকারীরাও বাজারের ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কিত। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটাতে এই মুহূর্তে কী ধরনের পদৰেপ নেয়া প্রয়োজন?
শাকিল রিজভী : আগেই বলেছি, বর্তমান পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে গতিশীলতা ফেরাতে হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কট দূর করতে হবে। বাজারে বর্তমানে তারল্য সঙ্কট রয়েছে। এই সঙ্কট অব্যাহত থাকলে বাজার শস্নথ হবে। তবে এটাই বড় সমস্যা নয়। পুঁজির নিরাপত্তা ও বিনিয়োগকারীদের স্বসত্মি নিশ্চিত করা গেলে এমনিতেই টাকা চলে আসবে। ফলে বাজার সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা ও ভীতি দূর করাই সবচেয়ে গুরম্নত্বপূর্ণ। গত কয়েক মাসে সরকারের বিভিন্ন ঘোষণা ও পদৰেপে বিনিয়োগকারীদের মনে আশার সঞ্চার হয়েছিল। কিন্তু ভাল কোন উদ্যোগের পর সময়ৰেপণ হলে মানুষ আশাহত হয়। এজন্য পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে সরকার যেসব সিদ্ধানত্ম নিয়েছে, সেগুলো দ্রম্নত বাসত্মবায়ন করা উচিত।
জনকণ্ঠ : পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের একটি বড় কারণ ছিল চাহিদার তুলনায় শেয়ার সরবরাহে ঘাটতি। ভবিষ্যতে চাহিদা ও যোগানোর এই সঙ্কট দূর করতে কী পদৰেপ নেয়া উচিত?
শাকিল রিজভী : পুঁজিবাজার যেভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে তাতে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত করে উৎপাদনশীল খাতে পুঁজি স্থানানত্মর করতে পারলে জাতীয় অর্থনীতির জন্য তা অত্যনত্ম কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারত। সময় মতো সেটা করতে না পারাই বর্তমান সঙ্কট সৃষ্টির মূল কারণ। যখন বাজারের জন্য শেয়ার সরবরাহ সবচেয়ে বেশি জরম্নরী ছিল, তখন তা করা হয়নি। তবে পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করার জন্য সব সময়ই নতুন নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির বিষয়টি গুরম্নত্বপূর্ণ। আবার এখান থেকে পুঁজি সরবরাহ করে জাতীয় অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনার জন্যও নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি প্রয়োজন। যে কোন পরিস্থিতিতেই এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা সম্ভব। তবে আইপিওর মাধ্যমে যেসব কোম্পানি বাজারে আসবে তার শেয়ারের দর যেন যৌক্তিকভাবে নির্ধারিত হয়_ সেটা নিশ্চিত করতে হবে। শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করার ৰেত্রে যদি মৌলভিত্তির চেয়ে ১০ শতাংশ কম-বেশি হয়_ তাতে সমস্যা নেই। কিন্তু ২০০ শতাংশ বেশি হলে তা যৌক্তিক কিনা_ সেটা ভাবতে হবে। এ ধরনের অসঙ্গতি দূর করতে প্রয়োজনে সংশিস্নষ্ট বিধি-বিধান সংস্কার করতে হবে। মূল্য নির্ধারণের ৰেত্রে সকলের জন্য উইন ইউন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে। শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীও যাতে ৰতিগ্রসত্ম না হন, আবার কোম্পানির উদ্যোক্তারা যাতে ন্যায্য মূল্য পান সে ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
জনকণ্ঠ : পুঁজিবাজারের উন্নয়নে আগামী বাজেটে কী ধরনের পদৰেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন?
শাকিল রিজভী : স্টক মার্কেটে আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের চেষ্টা শেয়ারবাজারকে আরও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো। পুঁজিবাজারের জন্য বাজেটে এমন পদৰেপ নিতে হবে, যাতে বিনিয়োগকারীরা আশ্বসত্ম বোধ করেন। বাজারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে যা যা করণীয়_ তাই করতে হবে। যেহেতু এটি একটি বিশাল খাত_ প্রচুর মানুষ এর সঙ্গে জড়িত, সেদিকে দৃষ্টি রেখেই বাজেটে পদৰেপ নিতে হবে। বিশেষ করে একটি বড় বিপর্যয়ের পর আগামী বাজেটে এমন কোন সিদ্ধানত্ম নেয়া উচিত হবে না, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন কোন আতঙ্ক সৃষ্টি করবে।
ইতোমধ্যেই আমরা ডিএসইর পৰ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে আমাদের বাজেট প্রসত্মাব পেশ করেছি। সেখানে শেয়ারহোল্ডারদের প্রাপ্ত লভ্যাংশের ওপর দ্বৈত কর পরিহারের ওপর গুরম্নত্বারোপ করা হয়েছে। দ্বৈত কর পরিহার করে কর্তিত ১০ শতাংশকে চূড়ানত্ম কর হিসেবে গণ্য করা হলে ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজারে আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে_ যা দেশের পুঁজিবাজারের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার ৰেত্রে প্রিমিয়ামের ওপর ধার্য ৩ শতাংশ কর প্রত্যাহারের প্রসত্মাব দেয়া হয়েছে। আইসিবির পাশাপাশি সকল প্রতিষ্ঠানের ইউনিট সার্টিফিকেট ও মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিটে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফাকে করমুক্ত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। পুঁজিবাজারে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য মূলধনী মুনাফার ওপর কোন রকম কর আরোপ না করার প্রসত্মাব করা হয়েছে। এছাড়া স্টক এঙ্চেঞ্জের সদস্যদের শেয়ার লেনদেনের ওপর আরোপিত উৎসে কর ০.০৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.০২৫ শতাংশ এবং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আয়ের ওপর কর হার ৪২.৫০ থেকে কমিয়ে ৩৭.৫০ নির্ধারণেরও প্রসত্মাব করা হয়েছে।
বেনিফিশারি ওনার্স (বিও) এ্যাকাউন্টে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করার গুজব শোনা যাচ্ছে। পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থায় এ ধরনের ব্যবস্থা কোনভাবেই তা গ্রহণযোগ্য হবে না। এ ধরনের ব্যবস্থা করা হলে দেশের উদীয়মান পুঁজিবাজার মারাত্মকভাবে বাধাগ্রসত্ম হবে। কারণ আমাদের দেশে এখনও পুঁজিকরণ প্রক্রিয়া সুসংগঠিত হয়নি। পুঁজি এখনও বিৰিপ্তভাবে রয়েছে। মানুষের কাছে ছড়িয়ে ছটিয়ে থাকা ৰুদ্র ৰুদ্র পুঁজিকে সুসংগঠিত করার জন্য পুঁজিবাজারই সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। মানুষের কাছে থাকা সঞ্চিত বা অলস অর্থকে পুঁজিবাজারের মাধ্যমে উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে গতিশীল করা সম্ভব হবে।
অর্থনীতির বর্তমান সত্মরে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা প্রয়োজন। টিআইএন বাধ্যতামূলক করা বা মূলধনী মুনাফার ওপর কর আরোপ করা হলে সেটা বরং বিনিয়োগকে নিরম্নৎসাহিত করবে। পৃথিবীর সব দেশই অর্থনীতির এই পর্যায়ে থাকা অবস্থায় পুঁজিবাজারকে উৎসাহ দিয়েছে। পুঁজিকরণ প্রক্রিয়া শক্তিশালী করে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হওয়ার আগে পুঁজিবাজারকে কর জালের আওতায় নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে না। বর্তমান সত্মর অতিক্রম করে উন্নত পর্যায়ে যাওয়ার পর অনেক কিছু করা সম্ভব হবে। কিন্তু এখনই টিআইএন বা কর সংক্রানত্ম সিদ্ধানত্ম নেয়া হলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের বর্তমান প্রচেষ্টাই কেবল বাধাগ্রসত্ম হবে। এতে মানুষ ভয় পেয়ে পুঁজিবাজার থেকে দূরে সরে যাবে।
জনকণ্ঠ : পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে সরকার স্টক এঙ্চেঞ্জের বিন্যসত্মকরণের (ডিমিউচু্যয়ালাইজেশন) ওপর গুরম্নত্ব দিয়েছে। এ বিষয়ে আপনাদের অগ্রগতি কত দূর?
শাকিল রিজভী : এ বিষয়ে আমরা সরকারের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। ইতোমধ্যেই ডিএসই ডিমিউচু্যয়ালাইজেশনের প্রক্রিয়া শুরম্ন করা হয়েছে। যত দ্রম্নত সম্ভব কাজটি শেষ করা দরকার। সরকার ও স্টক এঙ্চেঞ্জ একসঙ্গে কাজ করলে খুব বেশি সময় লাগার কথা নয়। কিন্তু সরকারের সিদ্ধানত্ম বাসত্মবায়ন করা সময়সাপেৰ ব্যাপার।
জনকণ্ঠ : পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
শাকিল রিজভী : বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধারণ করতে হবে। তাঁদের মনে রাখতে হবে, বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ১৯৯৬ সালের মতো নয়। এখন আমাদের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির অধিকাংশই ভাল মৌলভিত্তির। সব কোম্পানির সম্পদ ও আয় ভাল। এসব কোম্পানি নিয়মিত লভ্যাংশ দিচ্ছে। ফলে বিনিয়োগের মানসিকতা নিয়ে শেয়ার ধরে রাখলে কারোই লোকসান হবে না। গত কয়েক মাসে অধিকাংশ শেয়ারের মূল্য সংশোধন হওয়ায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ঝুঁকি কমেছে। অধিকাংশ মৌলভিত্তির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের অনুপাত (পিই রেশিও) এখন ভাল অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
Quote   
05/18/2011 11:13 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily janakantha
18.05.2011
বড় বিনিয়োগকারীদের ভয় দূর করা জরুরী
ফখর উদ্দীন আলী আহমেদ

চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখর উদ্দীন আলী আহমেদ বলেছেন, পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট আইন ও বিধির ব্যাখ্যা স্পষ্ট না হওয়ায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে বড় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। শেয়ারবাজারের লেনদেনে কোন কোন বিষয় আইনগতভাবে বৈধ আর কোনগুলো বৈধ নয় তা_ তা অনেকেই বুঝতে পারছেন না। এ কারণে তদনত্ম প্রতিবেদন প্রকাশের পর বড় বিনিয়োগকারীরা এক ধরনের ভীতির মধ্যে রয়েছেন। তাঁদের এই ভয়টা দূর করা জরুরী। কারণ ভীতির কারণে বড় বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ থেকে দূরে রয়েছেন। তাঁরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। বাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এদের সক্রিয় করার পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগকারীর প্রবেশকে উৎসাহিত করতে হবে।
সম্প্রতি জনকণ্ঠ ও আরেকটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদককে দেয়া একানত্ম সাৰাতকারে সিএসই সভাপতি এসব কথা বলেন। এই সাক্ষাতকারের বিস্তারিত তুলে ধরা হলো_
জনকণ্ঠ : গত কয়েক মাসে দেশের পুঁজিবাজার বড় ধরনের বিপর্যয়কর পরিস্থিতি পার হয়ে এসেছে। বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে সরকার গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন পেশ করেছে। তার ভিত্তিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। ইতোমধ্যেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার পুনর্গঠন প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তিত এই পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?
ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ : দেশের পুঁজিবাজারে এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে বলা যাবে না। বাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নতুন বিনিয়োগকারীর প্রবেশকে উৎসাহিত করতে হবে। কারণ বেশি দরে শেয়ার কেনার কারণে পুরনো বিনিয়োগকারীদের ফান্ড আটকে রয়েছে। তাঁরা নতুন করে বিনিয়োগ করতে পারছে না। এজন্য আসন্ন বাজেট শেয়ারবাজারবান্ধব হতে হবে। তাহলে নতুন বিনিয়োগকারীরা আসবেন।
অন্যদিকে বড় বিনিয়োগকারীরা এখনও বাজার পর্যবেক্ষণ করছেন। পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট আইন ও বিধির ব্যাখ্যা স্পষ্ট না হওয়ায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের কাছে আইনের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পেঁৗছে দিতে হবে। শেয়ারবাজারের লেনদেনে কোন কোন বিষয় আইনগতভাবে বৈধ আর কোনগুলো বৈধ নয় তা_ তা অনেকেই বুঝতে পারছেন না। এ কারণে বড় বিনিয়োগকারীরা এক ধরনের ভীতির মধ্যে রয়েছেন। এই ভয়টা দূর করা জরুরী। তদন্ত প্রতিবেদনে অনেক কর্মকা-কে অনৈতিক বলা হলেও সেগুলোকে বেআইনী বলা হয়নি। কিন্তু কোনটা বেআইনী আর কোনটা অনৈতিক_ বিনিয়োগকারীরা সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাচ্ছে না না। অনৈতিক কাজের কোন শাসত্মি দেয়ার বিধান নেই। কিন্তু এর একটা সামাজিক বিচার আছে। তদনত্ম প্রতিবেদনে যাঁদের নাম এসেছে সবাই আইনের আওতায় দোষী নন। তবে অনৈতিক কাজের দায়ে তাঁদের নাম এসেছে। এদের অনেকে সামাজিকভাবে হেয় হয়েছেন। এটাও এক ধরনের বিচার।
বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিনিয়োগকারীদের ভীতি দূর করা, নতুন বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্রিয় করার জন্য প্রলুব্ধ করতে হবে।
জনকণ্ঠ : তদনত্ম কমিটির অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট আইন ও বিধি-বিধানের অনেক দুর্বলতা বেরিয়ে এসেছে। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই নানা ধরনের কারসাজি হয়েছে। এই দুর্বলতাগুলো দূর করার উপায় কী?
ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ : আমি এই বিষয়টির কথাই বলেছি। আইনের এসব ফাঁক অতি দ্রম্নত বন্ধ করতে হবে। এ জন্য আইনের স্পষ্টিকরণ জরম্নরী। যেমন, পেস্নসমেন্ট নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হচ্ছে। পেস্নসমেন্টটা তো অবৈধ নয়। কোম্পানির পুঁজিগঠনের জন্য পেস্নসমেন্ট জরম্নরী। পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে কোম্পানির প্রাথমিক ফান্ড সংগ্রহ করতে হয়। তবে পেস্নসমেন্ট শেয়ারের হাত বদল অন্যায়। আবার কাউকে ঘুষ হিসেবে পেস্নসমেন্ট উপহার দেয়া অন্যায়। এ কারণে পেস্নসমেন্টের সুস্পষ্ট আইন থাকতে হবে।
জনকণ্ঠ : কিছুটা দেরিতে হলেও সরকার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সরকার। কয়েকটি ক্ষেত্রে অধিকতর তদনত্মের কথাও বলছে। শেয়ারবাজারে এই তদনত্ম প্রতিবেদন ও অধিকতর তদনত্ম কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে?
ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ : পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদনত্ম প্রতিবেদন প্রকাশ করা ছিল অত্যনত্ম জরম্নরী কাজ। সরকার সাহসের সঙ্গেই সেটা করেছে। এর একটা দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্প মেয়াদী প্রভাব পড়বে। কারসাজির সঙ্গে জড়িতরা হয়ত শেয়ারবাজারে ধস নামিয়ে সরকারকে চাপে রাখতে চাইবে। কিন্তু বাজারের একটা নিজস্ব শক্তি আছে। ধারাবাহিক দরপতনের মধ্য দিয়ে বড় সংশোধন হওয়ার পর শেয়ারবাজার এখন সম্পূর্ণ বিনিয়োগযোগ্য অবস্থায় পেঁৗছেছে। বাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দরই এখন মৌলভিত্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। ফলে এই বাজারে বিনিয়োগে ঝুঁকির মাত্রা একেবারেই সামান্য। তা সত্ত্বেও বাজার স্বাভাবিক আচরণ করছে না। এক্ষেত্রে তারল্য সঙ্কট একটি কারণ হলেও সবচেয়ে বড় কারণ আস্থার সঙ্কট। বিনিয়োগকারীদেরও আতঙ্কিত হলে চলবে না। মার্কেটের স্থায়ী ভালর জন্য এটা মেনে নিতে হবে। আজকে যদি দোষীরা কোন কারণে ছাড়া পায় তবে কাল আবার বাজার নিয়ে খেলার সুযোগ খুঁজবে। সে সুযোগ বন্ধের স্বার্থে দোষীদের শাসত্মি দিতে হবে। হয়ত দরপতন ঘটিয়ে কারসাজি চক্র সরকারকে সাময়িক বিপদে ফেলতে পারে। কিন্তু সেটা স্থায়ী করতে পারবে না।
জনকণ্ঠ : দেশের পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করার জন্য করণীয় কী?
ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ : শেয়ার বাজার সম্পর্কে দেশের নীতি নির্ধারক মহলে ও সুশীল সমাজের কারও কারও একটু ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকে এটাকে ফটকাবাজারের সঙ্গে তুলনা করেছেন। কেউ কেউ জুয়া খেলাও বলে থাকেন। তাঁদের এই ধারণা পুরোপুরি ভুল। ব্যাংক থেকে বেশি সুদে টাকা না নিয়ে কোম্পানিগুলো তাদের অবকাঠামো নির্মাণের জন্য শেয়ারবাজারের প্রাথমিক মার্কেট থেকে টাকা সংগ্রহ করতে পারে। এই টাকা দিয়ে নতুন নতুন শিল্প কলকারখানা গড়ে ওঠে। এই প্রাইমারী মার্কেটের শেয়ার পরবর্তী সময়ে লেনদেন হয় সেকেন্ডারী মার্কেটে। পুঁজিবাজারের প্রাইমারী মার্কেট থেকে সংগৃহীত টাকা সেকেন্ডারী মার্কেটের মাধ্যমে এর শেয়ারহোল্ডাররা ফেরত পান। নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যনত্ম ধরে রাখলে লভ্যাংশও পান ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শেয়ারহোল্ডাররা। এটা দেয়া হয় কোম্পানির অর্জিত মুনাফা থেকে। সেকেন্ডারী মার্কেট চাঙ্গা থাকলে প্রাইমারী মার্কেট থেকে টাকা সংগ্রহ করার আগ্রহ থাকে শিল্প উদ্যোক্তাদের। ব্যাংক থেকে সুদে ঋণ নেয়ার চেয়ে এটা অনেক ভাল পদ্ধতি। এ কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শেয়ারবাজারের গুরম্নত্ব অনেক বেশি।
আমাদের দেশে শেয়ার মার্কেট শক্তিশালী করার জন্য দরকার এর ইমেজটা ফিরিয়ে আনা। তারপর দরকার তারল্য সঙ্কট কাটানো। তবে সবার আগে প্রয়োজন বিনিয়োগকারীদের আস্থার সঙ্কট দূর করা। আস্থা ফেরানোই এখন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হলে এখনও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব। এছাড়া শক্তিশালী শেয়ারবাজারের জন্য আইনের ফাঁকফোকর বন্ধ করা দরকার। দরকার নতুন বিনিয়োগকারী বাজারে আনা। নতুন বিনিয়োগাকারী আনতে হলে দরকার আসন্ন বাজেটে শেয়ারবাজারের জন্য প্রনোদনা দেয়া। নতুন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে সঙ্গে নতুন শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে হবে। নইলে আবার সঙ্কট দেখা দেবে। যে সঙ্কটের কারণে বাজারে ধস নেমেছিল। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে অনেক কোম্পানির শেয়ার প্রাইমারী মাকের্টে আসার পাইপলাইনে রয়েছে। কিন্তু বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এর আগে আসা কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত করে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়া হয়েছে। এ জন্য সরকার এটা সাময়িকবাবে বন্ধ রেখেছে। এই আইন সংশোধনের পর্যায়ে রয়েছে। আইনগুলো দ্রম্নত সংশোধন করে এ পদ্ধতির পুনর্প্রবর্তন করতে হবে। নতুন কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে আনতে হবে।
জনকণ্ঠ : পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে সরকার স্টক এঙ্চেঞ্জের ডিমিউচু্যয়ালাইজেশনে গুরম্নত্ব দিয়েছে। তদনত্ম প্রতিবেদনেও এ বিষয়ে সুপারিশ রয়েছে। এ বিষয়ে আপনাদের অগ্রগতি কত দূর?
ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ : ডি-মিউচু্যয়ালাইজেশন হলে সদস্য ব্রোকারেজ হাউসগুলোর লেনদেন করার অধিকার পরিবর্তন হয়ে যাবে। যে কোন প্রশিক্ষিত সনদপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্টক এঙ্চেঞ্জের অনুমতি নিয়ে লেনদেন কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে মেম্বাররাও এঙ্চেঞ্জের মুনাফার ভাগ পাবেন। এখন কেউ এই মুনাফা পান না। স্টক এঙ্চেঞ্জের মূল ব্যক্তিতে পরিণত হবেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। আমরাও ডিমিউচু্যয়ালাইজেশনের পক্ষে। অন্যান্য দেশে যেভাবে করা হয়েছে সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমাদের দেশে ডিমিউচু্যয়ালাইজেশন করতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যেসব দেশে স্টক এঙ্চেঞ্জ ডিমিউচু্যয়ালাইজড হয়েছে তাদের অভিজ্ঞতা কতটা ভাল বা মন্দ।
জনকণ্ঠ : পুঁজিবাজারের উন্নয়নে আগামী বাজেটে কী ধরনের পদৰেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন?
ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ : আগামী ২২ মে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আমরা আমাদের বাজেট প্রসত্মাব জমা দেব। সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের প্রাপ্ত লভ্যাংশের ওপর দ্বৈত কর পরিহারের প্রসত্মাব দিচ্ছি। পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার ক্ষেত্রে অভিহিত মূল্যের অতিরিক্ত প্রিমিয়ামের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহারেরও প্রসত্মাব দেব। এছাড়া লভ্যাংশের ওপর ব্যক্তির করারোপ করার চিনত্মা থেকে সরকারকে বিরত থাকার সুপারিশ থাকবে। এছাড়া বিও এ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ট্যাঙ্ আইডেনটিফিকেশন নাম্বার বা টিন নাম্বার বাধ্যতামূলক করার একটা চিনত্মা ছিল সরকারের। আমরা এটা না করার অনুরোধ করছি। এটা করা হলে নাজুক শেয়ারবাজারে আবার ধস নামবে। আমাদের প্রসত্মাবনায় অবলিখন আয়ের ওপর আরোপিত কর শতকরা ৩৭.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রসত্মাব করা হয়েছে। বিও এ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আদায়কৃত ফির ওপর শতকরা ৩৭.৫ ভাগ কর আদায় করা হচ্ছে। এই কর কমিয়ে শতকরা ১০ শতাংশ রাখার প্রসত্মাব করছি। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর বর্তমান কর হার শতকরা ২৭.৫ শতাংশ। এই হার শতকরা ২৫ ভাগ ধার্য করার প্রসত্মাব করা হয়েছে। ঋণপত্র এবং বন্ডের আয় এই মুহূর্তে কর প্রদেয় আয়। এই কর থেকে পুরোপুরি অব্যাহতি চেয়েছে সিএসই।
বাজেট প্রসত্মাবে পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার ক্ষেত্রে প্রিমিয়ামের ওপর ধার্য ৩ শতাংশ কর প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া বেনিফিসিয়ারি ওনার্স এ্যাকাউন্ট বা বিও এ্যাকাউন্ট খোলার জন্য নতুন ফি ধার্য করার প্রসত্মাব করা হয়েছে। নতুন প্রসত্মাব অনুযায়ী ৫০০ টাকার ফির মধ্যে এসইসি সংগ্রহ করবে ২০০ টাকা। সিডিবিএল সংগ্রহ করবে ১০০ টাকা এবং ডিপি বা ব্রোকার বা ডিলার নেবে ২০০ টাকা।
Quote   
05/18/2011 11:15 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
18.05.2011
বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো জরুরী

দেশের পুঁজিবাজার বর্তমানে এক রকম ক্রানত্মিকাল অতিক্রম করছে। তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির দর কমতে কমতে স্মরণকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এর ফলে পুঁজি হারিয়ে সম্পূর্ণ নিঃস্ব হতে চলেছেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রম্নয়ারি পর্যন্ত টানা ধসের সময় অর্থমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে বিনিয়োগকারীদের নানাভাবে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। ওই সময় একের পর এক বিপর্যয় এবং বিনিয়োগকারীদের সহিংস বিৰোভের মুখে বাজার চাঙ্গা করতে সরকার ১৪ দফা পদৰেপ গ্রহণের ঘোষণা দেয়। এরমধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে তদনত্ম কমিটি গঠন। দু'মাস কাজ করে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বাধীন তদনত্ম কমিটি গত ৭ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে প্রতিবেদন পেশ করে। এরপর প্রায় এক মাস ধরে সরকারীভাবে ওই প্রতিবেদন প্রকাশ ও এর ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা হয়েছে। প্রতিবেদনের যথার্থতা এবং অভিযুক্তদের নিয়েও চলেছে ব্যাপক বিতর্ক। অবশেষে গত ৩০ এপ্রিল কোন রকম সম্পাদনা ছাড়াই সরকারের পৰ থেকে পুরো প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে তদনত্ম কমিটির সুপারিশ এবং সরকারের নিজস্ব পর্যবেৰণের ভিত্তিতে পুঁজিবাজার সংস্কার ও সংহত করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী ইতোমধ্যেই পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠনের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। পুরনোদের সরিয়ে নতুন চেয়ারম্যান ও একজন সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আরও তিন জন সদস্য নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
সব মিলিয়ে বড় বিপর্যয়ের পর দেশের পুঁজিবাজারে একটি নতুন প্রেৰাপট তৈরি হয়েছে। তবে এত কিছুর পরও বাজারে বড় কোন ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। শেয়ারের দর, সূচক ও বাজার মূলধন কমেই চলেছে। ফলে বাজারের ভবিষ্যত নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা দূর হচ্ছে না।
এই পরিস্থিতিতে বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনাই সবচেয়ে জরম্নরী কাজ বলে মনে করছেন দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সভাপতি। জনকণ্ঠকে দেয়া একানত্ম সাৰাতকারে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন তাঁরা। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি মোঃ শাকিল রিজভী এবং চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখরউদ্দীন আলী আহমেদের সাৰাতকার দু'টি গ্রহণ করেছেন সিনিয়র রিপোর্টার রাজু আহমেদ।

এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে পাঁচ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত পাঁচ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন গত এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। দর বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে তদনত্ম কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় এসব কোম্পানির লেনদেন চালু করা হচ্ছে না। এ কারণে বিপাকে পড়েছেন এসব কোম্পানির সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। কোম্পানিগুলো হলো_ অলটেঙ্ অনলাইন, দুলামিয়া কটন, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, লিগেসি ফুটওয়্যার ও ন্যাশনাল টি কোম্পানি (এনটিসি)।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণে গত ১৮ এপ্রিল ডিএসইতে তালিকাভুক্ত অলটেঙ্ অনলাইন, দুলামিয়া কটন, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, ও লিগেসি ফুটওয়্যারের শেয়ার লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত করে ডিএসই কর্তৃপক্ষ। একই কারণে ২৪ এপ্রিল স্থগিত করা হয় এনটিসির শেয়ার লেনদেন। ওই সময় ডিএসই ওয়েবসাইটে দেয়া ঘোষণায় অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণ উদ্ঘাটনে তদনত্ম কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে লেনদেন স্থগিত রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়।
গত ১৭ মার্চ খাদ্য ও সেবা খাতের 'এ' ক্যাটাগরির কোম্পানি এনটিসির প্রতিটি শেয়ারের দর ছিল পাঁচ হাজার ৪০০ টাকা। এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দর ৯০০ টাকা বেড়ে ২৪ এপ্রিল ছয় হাজার ৩০০ টাকায় লেনদেন হয়। লেনদেন স্থগিত থাকলেও কোম্পানিটি ইতোমধ্যেই শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ হারে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
প্রায় এক মাস ধরে শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকায় কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগকারীরা বিপাকে পড়েছেন। কয়েক বিনিয়োগকারী জানান, ডিএসই কর্তৃপক্ষ কোম্পানিগুলোর দর বৃদ্ধির কারণ তদনত্ম করার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু এক মাস অতিবাহিত হলেও তদনত্ম শেষ হয়েছে কিনা_ তা জানায়নি। এ কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। তাঁরা দ্রম্নত তদনত্ম শেষ করে কোম্পানিগুলোর লেনদেন আবার চালু করার দাবি জানান।
Quote   
05/18/2011 11:16 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
18.05.2011
পুনর্গঠিত এসইসির সামনে নানামুখী চ্যালেঞ্জ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার॥ পুঁজিবাজারে একের পর এক বিপর্যয়ের পর তদনত্ম কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠন করেছে সরকার। পুরনোদের সরিয়ে নতুন চেয়ারম্যান ও একজন সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আরও তিন জন সদস্য নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। বড় বিপর্যয়ের পর বিভিন্ন ৰেত্রে সংস্কার শুরম্ন করলেও এর কোনটিই শেষ করে যেতে পারেননি কমিশনের বিদায়ী চেয়ারম্যান ও সদস্যরা। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন, মার্জিন ঋণের নীতিমালা প্রণয়ন, মার্চেন্ট ব্যাংকের অমনিবাস হিসাবের ভবিষ্যত নির্ধারণ, এসইসির অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিষয়ে সিদ্ধানত্ম গ্রহণ, তদনত্ম প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার ঘোষিত বেশকিছু পদৰেপ বাসত্মবায়ন, স্টক এঙ্চেঞ্জের ডিমিউচু্যয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া চূড়ানত্মকরণসহ বেশকিছু বিষয়ে শুরম্ন থেকেই তৎপর হতে হবে নতুন চেয়ারম্যান ও সদস্যদের। তবে এসব কিছু ছাপিয়ে এই মুহূর্তে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার গুরম্নদায়িত্ব বর্তেছে তাদের ওপর। এৰেত্রে সাফল্য লাভের জন্য এসইসির ভাবমূর্তি পুনরম্নদ্ধার করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করাই তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশেস্নষকরা।
এ বিষয়ে এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারম্নক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, নতুন চেয়ারম্যানের প্রথম কাজ হবে আস্থা অর্জন করা। আস্থা অর্জনের জন্য দরকার সৎ ও নিরপেক্ষভাবে আইন অনুযায়ী দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়া। এটা করতে পারলে দ্রম্নতই বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে এসইসির নতুন নেতৃত্বের প্রতি।
বাজার বিশেস্নকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করে শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য দরকার তদনত্ম প্রতিবেদনের সুপারিশগুলো বাসত্মবায়ন করা। এজন্য আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ যেমন দরকার। তেমনি আইনের ফাঁক বন্ধ করে নতুন আইন প্রণয়ন করা দরকার। বিদায়ী চেয়ারম্যান ও সদস্যরা বেশকিছু বিষয়ে কাজ শুরম্ন করলেও শেষ করে যেতে পারেননি। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তরা কত দ্রম্নত সেই কাজগুলো শেষ করতে পারবে_ তার ওপর পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যতে কারসাজি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নির্ভর করছে।
কমিশনের ভাবমূর্তি পুনরম্নদ্ধার বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর দেশের পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা জরম্নরী হয়ে পড়েছে। পুঁজিবাজার তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনে বাজার নিয়ন্ত্রণে কমিশনের ব্যর্থতা এবং চেয়ারম্যানসহ কয়েকজন কর্মকর্তার অনৈতিক কর্মকা-ের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। পুনর্গঠন করতে গিয়ে তদনত্ম প্রতিবেদনে অভিযুক্তদের সঙ্গে সৎ ও দৰ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেয়ার কারণেও জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। একসঙ্গে পুরো কমিশন বদলে ফেলায় এসইসিতে এখন কিছুটা শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। এই সুযোগে পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে যুক্ত ৰমতাবান ব্যক্তিরা নতুন কমিশনকে প্রভাবিত করার সুযোগ নিতে পারে বলেও অনেকের ধারণা। প্রশ্নবিদ্ধ এই অবস্থান থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে পুনর্গঠিত এসইসিকে সর্বপ্রথম পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণে স্বাধীন ভূমিকা পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। নিজেদের কাজের মধ্য দিয়ে বিনিয়োগকারীসহ বাজার সংশিস্নষ্ট সকল মহলের আস্থা অর্জন করাই এখন নতুন কমিশনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
এদিকে কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিরম্নদ্ধে অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসাসহ অনৈতিক কর্মকা-ে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এরমধ্যে দু'জন নির্বাহী পরিচালকের বিরম্নদ্ধে অভিযোগ এনেছে তদনত্ম কমিটি। সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ সাপেৰে এদের সম্পর্কে সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করতে হবে এসইসিকে। পাশাপাশি আরেকজন নির্বাহী পরিচালকের স্ত্রী ও ছেলের নামে শেয়ার ব্যবসার তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া একজন পরিচালক তার ভাই ও নিকটাত্মীয়ের নামে বিও হিসাব খুলে নিজে বিপুল পরিমাণ শেয়ার লেনদেন করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। কমিশনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এ ধরনের কর্মকা- সম্পর্কেও পুনর্গঠিত এসইসিকে পদৰেপ নিতে হবে। তা না হলে কমিশনের ভাবমূর্তি পুনরম্নদ্ধার করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কার দীর্ঘদিন পরীৰা-নিরীৰার পর পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক আগে থেকেই সফলভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। দেশের পুঁজিবাজারে এই পদ্ধতি চালু করার জন্য গত বছরের ৯ মার্চ বিধিমালা জারি করে এসইসি। প্রচলিত পদ্ধতির নির্ধারিত মূল্যের (ফিঙ্ড প্রাইস) পাশাপাশি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণের লৰ্যে ২০০৬ সালের সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইসু্য) আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চালু হলেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি না থাকায় এটি প্রয়োগ করতে সময় লেগেছে এক বছর। ২০১০ সালের মার্চে এই পদ্ধতির প্রয়োগ শুরম্ন হয়।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অংশ হিসেবে দর প্রসত্মাবের (বিডিং) মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞার (লক ইন) মেয়াদ খুবই কম হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বেশি দরে শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই শেয়ারের দর কমে যায়। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রসত্ম হন।
পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের প্রেৰাপটে গত ২২ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের অতি মূল্যায়নের বিষয়টি আলোচনায় আসে। বৈঠকে বলা হয়, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি ব্যবহার করে অনেক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসার আগেই শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে। এর ফলে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ স্থানানত্মরিত হয়ে যাচ্ছে। এই পদ্ধতি মূল্য নির্ধারণের পর প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হওয়ায় শেয়ারবাজারে বর্তমান অর্থ সঙ্কট বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার প্রসত্মাব করা হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই প্রসত্মাবে সম্মতি প্রকাশ করে বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা না ফেরা পর্যনত্ম বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার পরামর্শ দেন। এর ভিত্তিতে এসইসি বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়। এর পরপরই এই পদ্ধতির দুর্বলতাগুলো দূর করতে সংশিস্নষ্ট বিধি সংশোধনেরও উদ্যোগ নিয়েছিল এসইসি।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে গত ২১ মার্চ এসইসিতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এসইসির পৰ থেকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএর নেতাদের কাছে সংশোধনী প্রসত্মাবগুলো তুলে ধরা হয়। ওই বৈঠকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএ প্রতিনিধিরা তাৎৰণিকভাবে এসইসির প্রসত্মাবের ওপর কোন মতামত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ কারণে পরবর্তীতে আরেকটি বৈঠক করে সব প্রতিষ্ঠানের মতামত গ্রহণের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। কমিশনের প্রসত্মাবের ওপর নিজ নিজ ফোরামে আলোচনার পর পরবর্তী বৈঠকে মতামত পেশ করার কথা। কিন্তু এসইসির সঙ্গে বৈঠকের আগেই বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে নিজেদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএ নেতারা। বৈঠকে সংগঠনগুলোর নেতারা তদনত্ম কমিটির সুপারিশ পাওয়ার আগে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনের উদ্যোগ স্থগিত রাখার পৰে অবস্থান নেন। পরে ২৮ মার্চ এসইসিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তাদের এই সিদ্ধানত্মের বিষয়টি অবহিত করা হয়। এর পর এসইসি আর বিষয়টি নিয়ে অগ্রসর হয়নি। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের এই প্রক্রিয়া সমাপ্ত করা অগ্রাধিকার কাজ হিসেবে নতুন এসইসির সামনে উপস্থিত হয়েছে।
মার্জিন ঋণের নীতিমালা প্রণয়ন পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্য অনেক বিষয়ের সঙ্গে মার্জিন ঋণ প্রদানের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। ওই বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধানত্মের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনেও মার্জিন ঋণের নীতিমালার বিষয়টি উলেস্নখ করা হয়। সে অনুযায়ী মার্জিন ঋণের নীতিমালা প্রণয়নের জন্য গত ১ ফেব্রম্নয়ারি দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ এবং বিএমবিএ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে এসইসি। বৈঠকে নীতিমালার বিষয়ে বিএমবিএ এবং স্টক ব্রোকারদের পৰে স্টক এঙ্চেঞ্জের কাজে প্রসত্মাব চাওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে ১০ ফেব্রম্নয়ারির মধ্যে ওই প্রসত্মাব জমা দিতে বলা হয়। তবে পরবর্তীতে দু'পৰই এসইসির কাছ থেকে সময় বাড়িয়ে নেয়। ইতোমধ্যে বিএমবিএর পৰ থেকে একটি প্রসত্মাব জমা দেয়া হলেও স্টক এঙ্চেঞ্জের পৰ থেকে এখনও তা করা হয়নি। এ কারণে প্রায় সাড়ে তিন মাসেও মার্জিন ঋণের নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারেনি এসইসি।
মার্চেন্ট ব্যাংকের অমনিবাস হিসাব সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশের (সিডিবিএল) সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকায় এসইসির প্রত্যৰ নজরদারির বাইরে থেকেই শেয়ার লেনদেন করছেন মার্চেন্ট ব্যাংকের বিনিয়োগকারীরা। মার্চেন্ট ব্যাংকের এক একটি অমনিবাস বা ইনভেস্টরস এ্যাকাউন্টে কয়েক হাজার বিনিয়োগকারীর শেয়ার লেনদেন করা হয়। ওই হিসাবের আওতাধীন কোন বিনিয়োগকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সিডিবিএল-এ থাকে না। বিনিয়োগকারীরা মার্চেন্ট ব্যাংকের দেয়া একটি নম্বরের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করেন। ফলে অমনিবাস হিসাবের আওতায় শেয়ার ব্যবসায় যুক্ত বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বা অর্থ লেনদেনের কোন তথ্য এসইসি'র পৰে জানা সম্ভব হয় না। শেয়ার লেনদেনে এ ধরনের ব্যবস্থাকে শেয়ারবাজারের স্বচ্ছতার পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছে তদনত্ম কমিটি। অবশ্য এর আগেই অমনিবাস হিসাব পদ্ধতি বিলুপ্ত করে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য আলাদা হিসাব খোলার জন্য এসইসির পৰ থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হলেও মার্চেন্ট ব্যাংক তা কার্যকর করেনি।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ১৬ জুন এসইসি একটি গেজেট জারি করে ১৯৯৬ সালের সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার) বিধিমালা সংশোধন করে মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য পৃথক বিও হিসাব খোলার বিধান করে। কিন্তু মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এসইসির এই নির্দেশ বাসত্মবায়নের উদ্যোগ নেয়নি। সম্প্রতি অমনিবাস বিও হিসাবের আওতাধীন সকল বিনিয়োগকারীর জন্য পৃথক হিসাব চালু না করায় সম্প্রতি এসইসির পৰ থেকে তিনটি মার্চেন্ট ব্যাংককে কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করা হয়। এর প্রেৰিতে মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের পৰ থেকে এসইসি চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি দিয়ে অমনিবাস হিসাব বিলুপ্ত না করার দাবি জানানো হয়।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএমবিএর পৰ থেকে এসইসিতে দেয়া চিঠিতে মার্জিন ঋণের হিসাব সংরৰণেকে পৃথক বিও হিসাব চালুর ৰেত্রে প্রধান সমস্যা হিসেবে উলেস্নখ করা হয়েছে। এছাড়া পৃথক হিসাব খোলা হলে গ্রাহকের কাছ থেকে বিভিন্ন ফি আদায়, তহবিল নিষ্পত্তি, শেয়ার সংরৰণের সর্বশেষ অবস্থা নির্ণয়, ব্যয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা উলেস্নখ করা হয়েছে। এছাড়া বিএমবিএর মতে, বিপুলসংখ্যক একক বিও হিসাব খুলতে হলে সিডিবিএলের সফটওয়্যারের ৰমতা বাড়াতে হবে। এছাড়া প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য আলাদা বিও হিসাব খুলতে হলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট (ডিপি) লাইসেন্স নিতে হবে। পাশাপাশি নতুন ডিপি যুক্ত করতে সিডিবিএলের সফটওয়্যার আপডেট করতে হবে।
তাঁদের মতে, অমনিবাস হিসাব বিলুপ্ত হলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম সঙ্কোচিত হয়ে পড়বে। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজার থেকে দূরে সরে যাবে। তাদের জন্য কেনা লাখ লাখ শেয়ার একসঙ্গে বিক্রি শুরম্ন হলে বাজারে বড় ধরনের ধস নামবে।
তবে বিএমবিএর এসব যুক্তিকে অগ্রহণযোগ্য মনে করেন অনেক বিশেস্নষক। তাঁদের মতে, মার্চেন্ট ব্যাংকের মতো স্টক এঙ্চেঞ্জের অনেক ব্রোকারেজ হাউসও গ্রাহকদের মার্জিন ঋণ দিয়ে থাকে। পৃথক বিও হিসাবের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেনে তাঁদের কোন সমস্যা হচ্ছে না। ফলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোতেও কোন সমস্যা হওয়ার কারণ নেই। এছাড়া অন্যান্য যেসব সমস্যার কথা বলা হয়েছে সেগুলো স্টক এঙ্চেঞ্জ, সিডিবিএল ও তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
Quote   
05/18/2011 11:17 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
বারাকাতউল্লাহ ইলেকট্রো ডাইনামিকসের লেনদেন শুরু কাল
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১৮-০৫-২০১১

দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে কাল বৃহস্পতিবার থেকে বারাকাতউল্লাহ ইলেকট্রো ডাইনামিকস লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন শুরু হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির তালিকাভুক্তি অনুমোদন করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বারাকাতউল্লাহ ইলেকট্রো ডাইনামিকসের পুঁজিবাজারে দুই কোটি শেয়ার ছেড়ে মোট ১২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৬০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
বারাকাতউল্লাহ ইলেকট্রো ডাইনামিকসের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষে প্রতিষ্ঠানটির পরিশোধিত মূলধন দাঁড়ায় ৮৬ কোটি টাকা। আইপিও বিবরণীতে দেওয়া হিসাব অনুযায়ী গত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল এক টাকা ৭৬ পয়সা।
আজ বুধবার ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয়, ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বারাকাতউল্লাহ ইলেকট্রো ডাইনামিকসের শেয়ার লেনদেন ‘এন’ ক্যাটাগরির অধীনে কাল শুরু হবে। এ ক্ষেত্রে ডিএসই ট্রেডিং কোড ‘বিইডিএল’ আর কোম্পানি কোড ১৫৩১৩।
Quote   
05/18/2011 11:18 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
রোববার থেকে লেনদেন শুরু করবে এমআই সিমেন্ট
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১৮-০৫-২০১১

আগামী রোববার থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের লেনদেন শুরু হবে।
আজ বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ডিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সতিপতী মৈত্র এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
সতিপতী মৈত্র বলেন, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশনা অনুয়ায়ী আজই প্রতিষ্ঠানটি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে, ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভী বলেছেন, ‘এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির ব্যাপারে আর কোনো জটিলতা নেই। এসইসির নির্দেশ অনুযায়ী কোম্পানিটি ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হবে। তবে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা বিভাগ এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।’ দুপুরে এসইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
শাকিল রিজভী বলেন, ‘আজকের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা শেষে এসইসি এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির ব্যাপারে আগের নির্দেশনা বহাল রাখে। তবে এর আগে ডিএসইর পক্ষ থেকে ওই নির্দেশনা পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।’
বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে এসইসির চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেন, সদস্য হেলালউদ্দিন নিজামী, ডিএসইর সহসভাপতি মো. শাহজাহান, পরিচালক আহমদ রশীদ, পরিচালক এস এম মতিউর রহমান ও আবদুল হাফিজ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০ জানুয়ারি এমজেএল ও এমআই সিমেন্টের শেয়ার অতিমূল্যায়িত উল্লেখ করে সরকার এগুলোর তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে। পরে সরকারের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় এসইসি।
Quote   
05/18/2011 11:19 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
বাজারে স্থিতিশীলতা ও গতিশীলতা আনাই আমাদের লক্ষ্য: সিএসই সভাপতি
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১৮-০৫-২০১১

‘বাজারে স্থিতিশীলতা ও গতিশীলতা আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে যেসব আইন-কানুন পরিবর্তন করা দরকার, তা দ্রুত করা হবে।’
আজ বুধবার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেনের সঙ্গে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রতিনিধিদলের সাক্ষাত্ শেষে সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ এ কথা বলেন।
ফখর উদ্দিন বলেন, এসইসির নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাজারে স্থিতিশীলতা ও গতিশীলতা কীভাবে আনা যায়, সে ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন আইপিও আসার ও বুক বিল্ডিংয়ের ক্ষেত্রে যেসব আইন পরিবর্তন করা দরকার, সেসব বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া ১৯৯৬-এর অর্ডিন্যান্সের ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। বাজারে সার্ভিল্যান্স ও নিয়ন্ত্রণ আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, সে ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে।
ফখর উদ্দিন আরও বলেন, সর্বোপরি বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে বাজারকে স্থিতিশীল রাখার ব্যাপারে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কমিশন এ ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে এসইসির চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেন, সদস্য হেলাল উদ্দিন নিজামী, সিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আল মারুফ খান, সহসভাপতি তারেক কামাল, পরিচালক এ এস এম শহিদুল্লাহ, এম কে এম মহিউদ্দিন ও মফিজ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
Quote   
05/18/2011 11:20 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
শেষ ঘণ্টার লেনদেনে পুঁজিবাজার নিম্নমুখী
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১৮-০৫-২০১১

দেশের পুঁজিবাজারে আজ বুধবার শেষ ঘণ্টার লেনদেনে নিম্নমুখী ধারা লক্ষ করা গেছে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই আজ দিনের শেষে সাধারণ সূচক কমেছে। পাশাপাশি কমেছে আর্থিক লেনদেনও।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, আজ লেনদেনের শুরুতে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২৫ পয়েন্ট নেমে যায়। এর পরের ১৫ মিনিটে সূচক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর বেশ কয়েকবার সূচক ওঠানামা করে। বেলা দেড়টার পর থেকে সূচক আবার নিম্নমুখী হয়। তবে শেষ ঘণ্টার লেনদেনে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৩০.৪৯ পয়েন্ট কমে ৫৭৬০.৬১ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে আজ ৪৫৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা গতকালের চেয়ে ১৫৪ কোটি টাকা কম।
ডিএসইতে আজ হাতবদল হওয়া ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৭টির, কমেছে ১৫৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি প্রতিষ্ঠানের দাম।
ডিএসইতে আজ লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো বেক্সিমকো, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সটেক্স, তিতাস গ্যাস, আফতাব অটো, পিপলস লিজিং, গোল্ডেন সন, বেক্সিমকো সিনথেটিকস, ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও এবি ব্যাংক।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৯৫.৮০ পয়েন্ট কমে ১৬০৪২.১৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৫৪টির, কমেছে ১২৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
Quote   
05/18/2011 11:21 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
শেষ ঘণ্টার লেনদেনে পুঁজিবাজার নিম্নমুখী
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ১৮-০৫-২০১১

দেশের পুঁজিবাজারে আজ বুধবার শেষ ঘণ্টার লেনদেনে নিম্নমুখী ধারা লক্ষ করা গেছে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই আজ দিনের শেষে সাধারণ সূচক কমেছে। পাশাপাশি কমেছে আর্থিক লেনদেনও।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, আজ লেনদেনের শুরুতে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২৫ পয়েন্ট নেমে যায়। এর পরের ১৫ মিনিটে সূচক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর বেশ কয়েকবার সূচক ওঠানামা করে। বেলা দেড়টার পর থেকে সূচক আবার নিম্নমুখী হয়। তবে শেষ ঘণ্টার লেনদেনে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৩০.৪৯ পয়েন্ট কমে ৫৭৬০.৬১ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে আজ ৪৫৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা গতকালের চেয়ে ১৫৪ কোটি টাকা কম।
ডিএসইতে আজ হাতবদল হওয়া ২৫০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৭টির, কমেছে ১৫৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি প্রতিষ্ঠানের দাম।
ডিএসইতে আজ লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো বেক্সিমকো, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সটেক্স, তিতাস গ্যাস, আফতাব অটো, পিপলস লিজিং, গোল্ডেন সন, বেক্সিমকো সিনথেটিকস, ফার্স্ট লিজ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও এবি ব্যাংক।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৯৫.৮০ পয়েন্ট কমে ১৬০৪২.১৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৫৪টির, কমেছে ১২৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
Quote   
05/18/2011 11:25 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Star
18.05.2011
Market PE hits 1-yr low


Market PE (price-earnings) ratio has come down to one year low at 16, indicating that the stockmarket becomes less risky for investment.

The PE ratio came to this level due mainly to a two-month long debacle, which was unavoidable following unusual rise in share prices.

The PE ratio is an indicator for considering the extent of risks an investment might entail. Price earning means a valuation ratio of a company's current share price compared to its earnings per share.

The indicator is also important to better understand what happens in the market after a large gain or decline. It is also one of the best gauges to know how expensive or cheap the overall stockmarket is at a certain moment.

AB Mirza Azizul Islam, former adviser to a caretaker government, said: “It is high time for people to invest in high-profile companies as the current market PE is 16.01.”

Islam, also former chairman of Securities and Exchange Commission, said: “Some of the sectors are still overpriced; such as 34 PE is too high for insurance and ceramic sectors though ceramics have an international market.”

He also said PE ratio depends on growth of market and the index should be 6,000 to 6,500 according the current market situation.

Professor Salahuddin Ahmed Khan, who teaches finance at Dhaka University, said, “The price-earning ratio depends on the company's future and recent performances, including potential growth, perceived risks, and risk due to high leverage.”

Khan, also a former chief executive officer of Dhaka Stock Exchange, said, “The shares of the banking sector are under priced because its PE ratio is very low and the earnings of this sector will decline next year.”

“The fuel and power sector has good growth potential as Bangladesh will develop its power sector within a couple of years; so the sector is lucrative for investors,” said Khan, adding that most of the sectors are still overpriced due to a high PE ratio.

When markets lose their poise and equilibrium, for example, during a bubble, high PE ratios may also reflect over-optimism and over-pricing. Conversely, a lower PE ratio can reflect either poorer future opportunities or potentially a bargain if the market is over-pessimistic or if one believes the market is not taking into account potential restructuring.

Khan said the PE ratios of some high profile sectors are still lucrative for investment but the prices of some low-profile companies increased out of the blue, which may prove risky for small investors.

The highest market PE was 30.51 on December 5 last year, while it was
Quote   
05/18/2011 11:26 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
18.05.2011
DSE halts trade of five companies
Star Business Report

Dhaka Stock Exchange (DSE) has halted trading of five listed companies for a month due to an unusual price hike.

The companies are Alltex Industries Ltd, Dulamia Cotton Spinning Mills Ltd, Anwar Galvanising Ltd, Legacy Footwear and National Tea Company Ltd.

DSE suspended activities of the first four companies on April 18 and National Tea faced the halt on April 24, according to a posting in DSE website.

The DSE formed five committees to find out the reasons for the unusual price hike.

Alltex Industries traded at Tk 110 each share in the first week of March, but rose to Tk 360.25 on the last day of trade. The face value of the company, a 'Z' category share, is Tk 100.

Dulamia Cotton traded at Tk 160 in the first week of March, but the share prices rose to Tk 481 each on the last day of trade on the prime bourse. The face value of the 'Z' category company was Tk 100.

Share price of Anwar Galvanising was Tk 250 in the first week of March and the shares traded at Tk 440.50 each on the last day of trading on the bourse. It is also a 'Z' category company.

On March 17, National Tea's share price was Tk 5,400, but the shares traded at Tk 6,300 each on April 24. The Legacy Footwear share price was Tk 25 in the first week of March but the shares soared to Tk 50 on the last day of trading
Quote   
05/18/2011 11:29 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
এসইসি'র সঙ্গে সিএসই কর্মকর্তাদের বৈঠক

ঢাকা, ১৮ মে (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারের স্থিতি ও গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার উপায় নিয়ে নবনিযুক্ত এসইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সিএসই কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে বিদ্যমান আইন-কানুন পরিবর্তন এবং তা দ্রুত করার বিষয়ে বৈঠকে ঐক্যমত্য হয়েছে।
আজ বুধবার সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেনের সঙ্গে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাত শেষে সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ এটা জানান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে এসইসি'র চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেন, সদস্য হেলাল উদ্দিন নিজামী, সিএসই'র জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আল মারুফ খান, সহসভাপতি তারেক কামাল, পরিচালক এএসএম শহিদুল্লাহ, এমকেএম মহিউদ্দিন ও মফিজ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
ফখর উদ্দিন জানান, এসইসি'র নব নিযুক্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাজারে স্থিতি ও গতিশীলতা কিভাবে ফিরিয়ে আনা যায় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন আইপিও আসা ও বুক বিল্ডিং পদ্ধতি সঠিকভাবে কার্যকর করার জন্য যেসব আইন পরিবর্তন করা দরকার সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া ১৯৯৬-এর অধ্যাদেশের ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। বাজারে সার্ভিল্যান্স ও নিয়ন্ত্রণ আরো কিভাবে বাড়ানো যায় সে বিষয়ে কথা হয়েছে।
বাজেটের বিষয়ে সরকারের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনায় যাতে পুঁজিবাজার নিয়ে অভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরা যায় এ বিষয়েও এসইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। আর কিভাবে পুঁজিবাজারের ধারণা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সঠিকভাবে তুলে ধরা যায় সেসব বিষয়ে চেয়াম্যানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
ফখর উদ্দিন আরোবলেন, সর্বোপরি বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে বাজারকে স্থিতিশীল রাখার ব্যাপারে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কমিশন এ ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
Quote   
05/18/2011 11:30 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
বাজারে স্থিতিশীলতা ও গতিশীলতা আনাই আমাদের লক্ষ্য: এসইসি চেয়ারম্যান
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: সিকিউরিটিজ একচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন বলেছেন, বাজারে স্থিতিশীলতা ও গতিশীলতা আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

সেইসঙ্গে এসইসি’র আইন পরিবর্তনের কাজ শিগগিরই শুরু করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

বুধবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠককালে এসইসি‘র এ নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

বৈঠক শেষে সিএসই চেয়ারম্যান ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এসইসির নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাজারে স্থিতিশীলতা ও গতিশীলতা কীভাবে আনা যায় সে ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।’

একই সঙ্গে নতুন আইপিও আসার ক্ষেত্রে, বুক বিল্ডিংয়ের ক্ষেত্রে যেসব আইন পরিবর্তন করা দরকার সেসব বিষয় নিয়েও আলোচনা হয় বলে জানান তিনি।

এছাড়া ১৯৯৬ এর অর্ডিন্যান্সের ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে। বাজারে সার্ভিল্যান্স ও নিয়ন্ত্রণ কীভাবে বাড়ানো যায় সে ব্যাপারেও আলোচনা হয়েছে।

ফখর উদ্দিন আরও বলেন, ‘সর্বোপরি বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে তা স্থিতিশীল রাখার ব্যাপারে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কমিশন এ ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এসইসির চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেন, সদস্য হেলাল উদ্দিন নিজামী, সিএসইর জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আল মারুফ খান, সহ-সভাপতি তারেক কামাল, পরিচালক এএসএম শহিদুল্লাহ, এমকেএম মহিউদ্দিন ও মফিজ।

বাংলাদেশ সময়: ১৪২৮ ঘণ্টা ১৮ মে, ২০১১
Quote   
05/18/2011 11:31 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
রেকর্ড ডে: বৃহস্পতিবার দুই প্রতিষ্ঠানের লেনদেন বন্ধ
ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা:  বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) রেকর্ড ডে তে ১৯ মে, বৃহস্পতিবার  পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দু’টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন বন্ধ থাকবে।  

প্রতিষ্ঠান দু’টি হলো ব্যাংকিং খাতের এবি ব্যাংক ও বীমা খাতের সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।  

বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৪০ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০১১
Quote   
05/18/2011 11:31 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
পুঁজিবাজার: ৪ কোম্পানির স্বাভাবিক লেনদেন শুরু বৃহস্পতিবার
ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৪ প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হবে ১৯ মে বৃহস্পতিবার থেকে। কোম্পানিগুলো হলো- আরামিট সিমেন্ট, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স ও ইনটেক।

বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বাংলাদেশ সময় : ১৬৫৩ ঘণ্টা, মে ১৮, ২০১১
Quote   
Page 1 / 3 1 - 2 - 3 Next »
Login with Facebook to post
Preview