| 04/16/2011 7:42 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE REPORT
100 leading share investors under NBR scrutiny
Doulot Akter Mala
More than 100 leading share investors who invested in the capital market availing the opportunity that was offered in 2009 with a condition to hold the investment for two consecutive years, are now under scrutiny of the revenue intelligence cell.
Central Intelligence Cell (CIC) of the National Board of Revenue (NBR) board has identified those leading players who invested in the share market, availing an opportunity under which the NBR would treat their investment as capital gains.
"There was a rule of NBR under which investors in the share market were under obligation to hold their investment for two years to get the facilities of investment without any question," said a senior tax official.
A good many investors have not complied with the rules on holding the investment for two years for making their investment in stock market "without being asked any question" about the sources of their funds, he said.
"A number of investors sold their shares during the upward trend of market in the late 2010," the official added.
Intelligence team of the NBR has found 100 such players of the market who enjoyed the facilities of 'question-free' investment but not complied with the relevant order of 2009, he said.
The facility of investment in share market without any question by tax men was offered in June 2009. The opportunity was withdrawn in fiscal 2010-2011.
"The investors in the capital market were expected to keep their share-holdings until 2011 to make their investment to be treated as capital gains," the official said.
Those who sold out their shares in the period are subject to pay tax at normal rates, ranging from 10 per cent to 42.5 per cent, which the revenue board slapped for individuals and companies, he added.
The CIC has also identified tax files of some of the sick companies that raised capital from the share market and disappeared later, he added.
Those companies have floated shares in the capital market by presenting false audit reports that did not even get the clearance of the Securities and Exchange Commission (SEC), the official added.
The NBR will treat those investments as business income, not capital gains, he added.
The revenue board official said they have launched investigation on their own against suspects as mentioned in the report of the probe committee on the recent share market scam.
"It is not interlinked with the report of probe committee. The tax intelligence team is moving with its own information collected from various sources," the official added.
|
|
|
| 04/16/2011 7:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler kantho
গত সপ্তাহে ডিএসইতে সূচক ও লেনদেন কমেছে
নাজমুল আলম শিশির
গত সপ্তাহে পুঁজিবাজারের প্রধান আলোচনা ছিল অনিয়ম নিয়ে গঠিত তদন্ত প্রতিবেদন। সপ্তাহজুড়েই প্রতিবেদনে উলি্লখিত নাম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ পেতে থাকে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন বাজারে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে না পারলেও গত সপ্তাহে আগের সপ্তাহের তুলনায় ডিএসইতে সূচক ও লেনদেন কমেছে। অবশ্য এই পতনকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত সপ্তাহে পহেলা বৈশাখের বন্ধের কারণে এক দিন কম লেনদেন হয়েছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই)। ফলে আগের সপ্তাহ থেকে ২০.৯৪ শতাংশ কম লেনদেন হয়েছে। গত সপ্তাহে চার হাজার ১৬১ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল পাঁচ হাজার ২৬৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। যদিও প্রতিদিনের গড় হিসাবে আগের সপ্তাহ থেকে গত সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ১.১৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহে যেখানে গড়ে প্রতিদিন এক হাজার ৫২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে, সেখানে গত সপ্তাহে ডিএসইতে এক হাজার ৪০ কোটি ৩৯ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।
আগের সপ্তাহে লেনদেন করা ২৬৫টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছিল ১৭৬টির, কমেছিল ৭৯টির, অপরিবর্তিত ছিল সাতটির আর লেনদেন হয়নি তিনটি কম্পানির। তবে গত সপ্তাহে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। ২৬৫টির মধ্যে ১১৪টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১৪৯টির আর দুটি কম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়নি।
গত সপ্তাহে সাধারণ মূল্যসূচক ২.৩৬ শতাংশ কমেছে। আগের সপ্তাহে ৬ হাজার ৫৪০.৬০ পয়েন্টে লেনদেন স্থগিত হলেও চলতি সপ্তাহে ১৫৪.২৪ পয়েন্ট কমে সূচক ৬ হাজার ৩৮৬.৩৬ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজার সম্পর্কে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন বাজারে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেনি।
গত সপ্তাহে মূল্যবৃদ্ধিতে শীর্ষে ছিল ইস্টার্ন ইনস্যুরেন্স, ইমাম বাটন, দেশ গার্মেন্টস, বিএসসি, প্রথম বিএসআরএস, গ্রামীণ মিউচ্যুয়াল ওয়ান, জিকিউ বল পেন, অ্যামইস প্রথম মি. ফা, মুন্নু স্টিফার্স এবং মুন্নু জুটেঙ্।
অপরদিকে গত সপ্তাহে আগের সপ্তাহ থেকে দাম কমেছে এমন ১০টি শীর্ষ কম্পানি হচ্ছে মার্কেন্টাইল ইনস্যুরেন্স, এঙ্মি ব্যাংক, সামিট পাওয়ার, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, ওশেন কনটেইনারর্স, নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং, বিডি ফাইন্যান্স এবং যমুনা অয়েল। গত সপ্তাহে মোট ৯টি কম্পানি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে অ্যাকটিভ ফাইন ১৫ শতাংশ স্টক, এশিয়া প্যাসেফিক ইনস্যুরেন্স ১০ শতাংশ নগদ, বিডি ফাইন্যান্স ২২ শতাংশ স্টক, বিডি ল্যাম্পস ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের ঘোষণা দিয়েছে। |
|
|
| 04/16/2011 7:51 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
এসইসির পুনর্গঠন এখন সময়ের ব্যাপার
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। যে কোনো মুহূর্তে এ পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হবে। আর এজন্য বর্তমান চেয়ারম্যান, সদস্যদের সরিয়ে দিয়ে নতুন নিয়োগ দেয়া হবে। এছাড়া অধিকাংশ সদস্যকেও এসইসি থেকে সরিয়ে দেয়া হতে পারে। চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে পরিবর্তনের বিষয়ে সরকারের উচ্চমহল থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গ্রহণযোগ্য লোক না পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে সরকার গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে এসইসির শৈথিল্য ও দুর্বলতাকে দায়ী করা হয়েছে। প্রভাবশালী মহলের চাপের মুখে এসইসি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে এতে বলা হয়। এছাড়া কমিশনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জড়িত থাকার তথ্য তদন্ত প্রতিবেদনে স্থান পেয়েছে। এসব কারণে বাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসির ব্যর্থতাকে দায়ী করা হয়েছে।
জানা গেছে, এসইসি পুনর্গঠনের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত তদন্ত কমিটির সঙ্গে সম্পূর্ণ ঐকমত্য পোষণ করেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসইসির সর্বোচ্চ পর্যায়ে পরিবর্তনের বিষয়টি তিনি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছেন। কিন্তু চেয়ারম্যান পদে সত্, যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নাম চূড়ান্ত করতে না পারায় এখনও তা সম্পন্ন করা যায়নি। তবে এসইসির চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে নিয়োগের জন্য এরই মধ্যেই বেশ কয়েকটি নাম বিবেচনা করছে সরকার। তাদের অতীত রেকর্ড, আর্থসামাজিক অবস্থান এবং নীতি-নৈতিকতা সম্পর্কে বিভিন্নভাবে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। অবশ্য দু-একজন নিজে থেকেই অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আবার আর্থিক সুযোগ-সুবিধা সীমিত হওয়ায় বেসরকারি খাতের উচ্চপদে অধিষ্ঠিত কেউ এসইসিতে যোগ দিতে আগ্রহী হচ্ছে না। তবে এসব সমস্যা কাটিয়ে দু-এক সপ্তাহের মধ্যেই এসইসির চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে রদবদল সম্পন্ন হতে পারে।
কমিশন পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে নির্বাহী পরিচালক ও পরিচালক পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে যেসব কর্মকর্তা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ রয়েছে, সেসব কর্মকর্তার বিষয়ে সর্বপ্রথম পদক্ষেপ নেয়া হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে নির্বাহী পরিচালক পর্যায়ের অধিকাংশ কর্মকর্তাকে সরকারের অন্য কোনো সংস্থায় সরিয়ে নেয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এর আগে একইসঙ্গে সব কর্মকর্তাকে সরিয়ে নেয়ার বিষয়টিও অর্থমন্ত্রীর ভাবনায় ছিল। তবে এতে কমিশনের কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের শূন্যতা সৃষ্টির আশঙ্কায় পর্যায়ক্রমে রদবদলের কথা ভাবা হচ্ছে।
এদিকে এসইসির পুনর্গঠন প্রক্রিয়া বিলম্ব হওয়ায় বাজারে নানা ধরনের অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। কমিশন কর্মকাণ্ডেও বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনসহ আবার চালু, মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির জটিলতা নিরসন, মার্জিন লোন নীতিমালা প্রণয়ন, নতুন সূচক চালুসহ অনেক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না কমিশন। অবশ্য বর্তমান চেয়ারম্যান এ পরিস্থিতিতেই আগামীকাল কািমশনের বৈঠক ডেকেছেন। সংশ্লিষ্ট অনেকে আশঙ্কা করছেন, বর্তমান চেয়ারম্যানকে বহাল রাখার পক্ষে একটি শক্তিশালী মহল নানাভাবে চেষ্টা-তদবির চালাচ্ছে। চেয়ারম্যানকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে অধিকতর তদন্ত হলে আরও বড় ধরনের দুর্নীতির চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে এ ভয়ে তারা কািমশনে বড় ধরনের পরিবর্তনের বিরোধী। কিন্তু বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের কোনো চেষ্টা করা হলে সরকারকে আরও বড় ধরনের বেকায়দায় পড়তে হবে।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে পুঁজিবাজারের সব রকম অপর্কম, অস্বচ্ছতা, অনৈতিকতা পরীক্ষা করার দায়িত্ব এসইসির। তাদের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের অন্যায় সংঘটিত হওয়ার সুযোগ নেই। ফলে সব ধরনের দুর্নীতি অস্বাভাবিকভাবে অনুমোদন দিয়ে বৈধতা প্রদান করে সঙ্কট সৃষ্টির জন্য এসইসি-ই দায়ী।
বাজারে অনিয়ম রোধে ব্যর্থতা, অনৈতিক কমর্কাণ্ডে অনুমোদন প্রদানসহ অনৈতিকতা ও পেশাগত ব্যর্থতার কারণে এসইসির ভাবমূর্তি অতিমাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হয়ে পড়েছে। তাছাড়া এখনকার বড় পুঁজিবাজার পরিচালনার মতো জনবল, দক্ষতা ও নৈতিকতা কোনোটিই এসইসির নেই। তাই এই সংস্থাটির সার্বিক পুনর্গঠন প্রয়োজন। সত্, দক্ষ ও অতীতে সফল হয়েছেন, এমন চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট, আইন বিশেষজ্ঞসহ পেশাজীবীদের নিয়ে সংস্থার পুনর্গঠন প্রয়োজন। বাজারভিত্তিক বেতনকাঠামো নির্ধারণ করে মেধাবী ও যোগ্যদের আকর্ষণ করে এসইসির জনবল বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। অরগানাইজেশন স্টাডির ওপর ভিত্তি করে ‘এসইসি রিস্ট্রাকচারিং’ পরিকল্পনা তৈরি করে পরিকল্পিতভাবে এসইসি পুনর্গঠন করার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
|
|
|
| 04/16/2011 7:52 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
করমুক্ত থাকছেন ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা টিআইএন বাধ্যতামূলক হচ্ছে না
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
শেয়ারবাজার থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে অর্জিত মূলধনী মুনাফার ওপর করারোপ এবং বিও হিসাব পরিচালনার ক্ষেত্রে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি এবারের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে না। সম্প্রতি শেয়ারবাজারে টানা বিপর্যয়ের কারণে বিনিয়োগকারীদের লোকসানের বিষয়টি মাথায় রেখেই এ দুটি বিষয় অন্তর্ভ্থক্ত করা হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে—এ ধরনের সিদ্ধান্ত না নিয়ে বরং বাজারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখার বিষয়টি এবারের বাজেটে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও এ বিষয়ে খানিকটা ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এমন কিছু বাজেটে থাকবে না। অর্থমন্ত্রীর এ ঘোষণায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
গত বাজেটে ব্যক্তি পর্যায়ে মূলধনী মুনাফার ওপর করারোপ এবং বিও হিসাব পরিচালনার জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক করা নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারীর আগমনের কারণে অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ দুটি বিষয় বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষপাতী ছিল। কিন্তু দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞরা এ ব্যাপারে তাদের তীব্র আপত্তি জানায়। তারা বলেন, এটি করা হলে পুঁজিবাজারের বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নানা জটিলতার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনাগ্রহ তৈরি হবে। তবে আরো কয়েক বছর পর এ দুটি বিষয় চালুর পক্ষে তাদের মত প্রকাশ করেন। তবে ধারণা করা হচ্ছিল, ২০১১-১২ বছরের বাজেটে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কিন্তু গত ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে শেয়ারবাজারে একের পর এক ধস নামতে শুরু করলে অধিকাংশ বিনিয়োগকারী তাদের পুঁজি হারিয়ে বসেন। এখনও অধিকাংশ বিনিয়োগকারী তাদের হারানো পুঁজি ফিরে পাননি। এ অবস্থায় ব্যক্তি পর্যায়ে অর্জিত মুনাফার ওপর করারোপ করা হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে এবং টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হলে বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নানা ধরনের আতঙ্ক তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করেই এবারের বাজেটে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখার বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিও হিসাব খোলার জন্য এবারও টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হবে না। পাশাপাশি মূলধনী মুনাফার ওপর ব্যক্তি পর্যায়ে কর আরোপের বিষয়টিও নতুন করে ভাবা হচ্ছে না। বড় বিপর্যয়ের পর বাজেটকে কেন্দ্র পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস যাতে দুর্বল না হয়, সেজন্য বাজেটে শেয়ারবাজার নিয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত থাকবে না। বর্তমান অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের ওপর নতুন করে কর আরোপ বা টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হলে বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। দেশের পুঁজিবাজার এবং লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর স্বার্থে বর্তমান সহায়ক নীতিগুলো আগামী বাজেটেও অব্যাহত রাখা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ ফান্ডকে করমুক্ত রাখার প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ইতোমধ্যে তাদের বাজেট সুপারিশ প্রণয়ন করেছে। গত ১৩ এপ্রিল এ নিয়ে এনবিআরের সঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে বসার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বৈঠকটি বাতিল হয়ে যায়। শিগগিরই বৈঠকের ব্যাপারে এনবিআরের পক্ষ থেকে নতুন তারিখ জানানো হবে বলে ডিএসইর একটি সূত্র জানিয়েছে। ডিএসইর পক্ষ থেকে আগামী বাজেটে ব্যক্তি আয়ের মূলধনের ওপর করারোপ এবং বিও একাউন্ট হিসাব পরিচালনার ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক না করার বিষয়ে তাদের সুপারিশ প্রণয়ন করেছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর মূলধনী আয়ের ওপর আরোপিত কর, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে কর্পোরেট ট্যাক্স কমানো, দ্বৈত করারোপ না করার সুপারিশ করেছে। পুঁজিবাজারের স্বার্থে এসব সুপারিশ করা হয়েছে বলে ডিএসই সূত্র জানিয়েছে।
|
|
|
| 04/16/2011 7:52 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
সপ্তাহের পুঁজিবাজার : সূচক ও লেনদেন কমেছে উভয় পুঁজিবাজারে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উভয় বাজারেই সমাপ্ত সপ্তাহে অধিকাংশ শেয়ারের দাম, সূচক ও লেনদেন কমেছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে চার হাজার ১৬১ কোটি ৫৬ লাখ ৩৮ হাজার ২৬৭ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ২০ দশমিক ৯৪ শতাংশ কম। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল পাঁচ হাজার ২৬৩ কোটি ৪৯ লাখ ২৭ হাজার ৯৫৩ টাকা। পাশাপাশি মোট বাজার মূলধনও কমে দাঁড়ায় দুই লাখ ৮৬ হাজার ৯৮৮ কোটি ৭৮ লাখ ৫৮ হাজার ৩৭৬ টাকায়। আগের সপ্তাহে ছিল দুই লাখ ৯২ হাজার ৩৩ কোটি ৫৬ লাখ ৬৫ হাজার ১০৮ টাকা। উল্লেখ্য, এই সপ্তাহে চার কার্য দিবস লেনদেন হয়েছে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি থাকায় এদিন উভয় পুঁজিবাজার বন্ধ ছিল। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২৬৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম কমেছে ১৪৯টির ও বেড়েছে ১১৪ প্রতিষ্ঠানের। একই সঙ্গে সাধারণ সূচক দুই দশমিক ৩৬ শতাংশ বা ১৫৪ দশমিক ২৪ পয়েন্ট কমে ৬৩৮৬ দশমিক ৩৬ পয়েন্টে নেমে যায়। সার্বিক সূচক দুই দশমিক ২৪ শতাংশ বা ১২১ দশমিক ২৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫৩০৩ দশমিক ১৩ পয়েন্টে।
সমাপনী দাম বৃদ্ধির দিক থেকে সাপ্তাহিক সর্বোচ্চ দশ গেইনার কোম্পানির তালিকার শীর্ষে ছিল ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। এরপর পর্যায়ক্রমে ছিল ইমাম বাটন, দেশ গার্মেন্টস, বিএসসি, ফার্স্ট বিএসআরএস, গ্রামীণ মিউচ্যুয়াল ওয়ান, জিকিউ বলপেন, এইমস ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, মুন্নু স্ট্যাফলার্স ও মুন্নু জুটেক্স।
সাপ্তাহিক টপটেন লুজারের দিক থেকে মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, এক্সিম ব্যাংক, সামিট পাওয়ার, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, সামিট অ্যালিয়েন্স পোর্ট, ওশেন কন্টেইনার্স, নর্দান জুট, বিডি ফিন্যান্স ও যমুনা অয়েল ছিল শীর্ষে।
লেনদেনের ভিত্তিতে সাপ্তাহিক টপটেন কোম্পানি ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, আফতাব অটোমোবাইলস, বেক্সটেক্স, ডেসকো, বে-লিজিং, ফুওয়াং সিরামিক, স্কয়ার ফার্মা, বিএসআরএম স্টিলস ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।
এদিকে গত সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ১৩৯টির, বেড়েছে ৭৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।আগের সপ্তাহের তুলনায় সিএসইর সাধারণ সূচক এক দশমিক ৯৫ শতাংশ কমে ১১ হাজার ৫৪০ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। সার্বিক সূচক এক দশমিক আট শতাংশ কমে ১৭ হাজার ৮৮৪ পয়েন্টে পৌঁছেছে। গত সপ্তাহে সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৩০ কোটি ৭৩ লাখ ছয় হাজার ৯৭৭ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল মোট ৫০২ কোটি ৭৮ লাখ ৮১ হাজার ৭৫৭ টাকা।
|
|
|
| 04/16/2011 7:52 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক প্রতিবেদন : ডলারের বিপরীতে টাকা আরও দুর্বল হচ্ছে : বাড়ছে কলমানি রেট
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
বিশ্বের প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে ডলার ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়লেও টাকার মান ক্রমেই কমে যাচ্ছে ডলারের বিপরীতে। প্রতি সপ্তাহেই ডলারের বিপরীতে টাকা দুর্বল হয়ে পড়ছে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১২ এপ্রিলে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার ছিল ৭২ দশমিক ৮৩। যেখানে ৩১ মার্চে এই হার ছিল ৭২ দশমিক ৭৭। আগের বছর ১২ এপ্রিলে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার ছিল ৬৯ দশমিক ২৫। এদিকে ব্যাংকগুলোয় তারল্য সঙ্কট তীব্র হওয়ায় কলমানি রেটের ক্ষেত্রেও কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ধারা লক্ষ্য করা গেছে গত সপ্তাহে। গত ১২ এপ্রিলে সমাপ্ত সপ্তাহের গড় কলমানি রেট দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৭৬, যা ৩১ মার্চের সমাপ্ত সপ্তাহে ছিল ৫ দশমিক ৮৩।
এদিকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও তেমন কোনো উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত ১২ এপ্রিল ডলারের রিজার্ভ ছিল ১০ হাজার ৯৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা গত ৩১ মার্চে ছিল ১০ হাজার ৭৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছর ৩০ জুনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৭৪৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাত্ গত ১০ মাসের ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ মাত্র ১৯৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
|
|
|
| 04/16/2011 7:55 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The daily Sangbad
দাম সূচক ও লেনদেন কমার মধ্যদিয়ে সপ্তাহ পার করল শেয়ারবাজার
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
দেশের প্রধান দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসে অধিকাংশ শেয়ারের দাম, সূচক ও লেনদেন কমেছে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি থাকায় উভয় পুঁজিবাজার বন্ধ ছিল।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২৬৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম কমেছে ১৪৯টির ও বেড়েছে ১১৪টি প্রতিষ্ঠানের। একই সঙ্গে সাধারণ সূচক ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ বা ১৫৪ দশমিক ২৪ পয়েন্ট কমে ৬৩৮৬ দশমিক ৩৬ পয়েন্টে নেমে যায়। সার্বিক সূচক ২ দশমিক ২৪ শতাংশ বা ১২১ দশমিক ২৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫৩০৩ দশমিক ১৩ পয়েন্টে।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয় ৪ হাজার ১৬১ কোটি ৫৬ লাখ ৩৮ হাজার ২৬৭ টাকা, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ২০ দশমিক ৯৪ শতাংশ কম। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ৫ হাজার ২৬৩ কোটি ৪৯ লাখ ২৭ হাজার ৯৫৩ টাকা।
পাশাপাশি মোট বাজার মূলধনও কমে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার ৯৮৮ কোটি ৭৮ লাখ ৫৮ হাজার ৩৭৬ টাকায়। আগের সপ্তাহে ছিল ২ লাখ ৯২ হাজার ৩৩ কোটি ৫৬ লাখ ৬৫ হাজার ১০৮ টাকা।
সমাপনী দরের ভিত্তিতে সাপ্তাহিক শীর্ষ দশের তালিকায় শীর্ষে ছিল ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। এরপর পর্যায়ক্রমে ছিল ইমাম বাটন, দেশ গার্মেন্টস, বিএসসি, ফার্স্ট বিএসআরএস, গ্রামীণ মিউচ্যুয়াল ওয়ান, জিকিউ বলপেন, এইমস ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, মুন্নু স্ট্যাফলার্স ও মুন্নু জুটেক্স।
সাপ্তাহিক টপ টেন লুজারে ছিল মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, এক্সিম ব্যাংক, সামিট পাওয়ার, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, সামিট অ্যালিয়েন্স পোর্ট, ওশেন কন্টেইনার্স, নর্দান জুট, বিডি ফিন্যান্স ও যমুনা অয়েল।
লেনদেনের ভিত্তিতে সাপ্তাহিক টপ টেন কোম্পানি ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, আফতাব অটোমোবাইলস, বেক্সটেক্স, ডেসকো, বে-লিজিং, ফুওয়াং সিরামিক, স্কয়ার ফার্মা, বিএসআরএম স্টিলস ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ১৩৯টির, বেড়েছে ৭৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
এর আগের সপ্তাহের তুলনায় সিএসই'র সাধারণ সূচক ১ দশমিক ৯৫ শতাংশ কমে ১১ হাজার ৫৪০ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। সার্বিক সূচক ১ দশমিক আট শতাংশ কমে ১৭ হাজার ৮৮৪ পয়েন্টে পেঁৗছেছে।
গত সপ্তাহে সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৩০ কোটি ৭৩ লাখ ৬ হাজার ৯৭৭ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল মোট ৫০২ কোটি ৭৮ লাখ ৮১ হাজার ৭৫৭ টাকা। |
|
|
| 04/16/2011 7:57 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | এসইসির কার্যক্রমে অচলাবস্থা
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: শেয়ারবাজার কারসাজির ঘটনায় তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের পর এসইসির ব্যর্থতার চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পেশাগত ব্যর্থতার কারণে এসইসির ভাবমূর্তি দারুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কমিশনের সব কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, এসইসির চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় এসইসির মধ্যে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। ফলে মার্জিন লোন, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার, বাইব্যাক আইন, বাংলাদেশ ফান্ড, মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি, জনবল নিয়োগসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে।
এরই মধ্যে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় এসইসির ১০ কর্মকর্তাকে উদ্বৃত্ত ঘোষণা করেছে। সব মিলিয়ে এসইসিতে সংকট তৈরি হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সরকারিভাবে এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা সে ব্যাপারেও এসইসি নিশ্চিত নয়। এ অবস্থায় এসইসির কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন ব্যাহত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও ডিএসইর সাবেক সিইও সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, প্রতিষ্ঠান অচল হয়ে পড়লে তা বাজারের জন্য মঙ্গলজনক নয়। এসইসির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে দ্রুত নতুন জনবল নিয়োগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সচল করা উচিত।
জানা যায়, বাজার নিয়ন্ত্রণে এসইসি কোনো দীর্ঘস্থায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেনি। তালিকাভুক্তির শর্ত, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি, ফেসভ্যালু পরিবর্তন, প্রেফারেন্স শেয়ারসহ বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত এসইসি নিলেও তা বাজারের জন্য ভাল ফল বয়ে আনেনি।
পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক উত্থান-পতন ও বিপর্যয়ের সঙ্গে কিছু ইস্যু ব্যবস্থাপক, তালিকাভুক্ত কোম্পানি, স্টক ব্রোকার, স্টক ডিলার, চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট, সম্পদ মূল্যায়নকারী কোম্পানিসহ অনেকেই জড়িত। এসব কারসাজি রোধে এসইসির ব্যবস্থা নেওয়ার কথা থাকলেও তা গ্রহণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন তারা।
বাজারে অনিয়ম রোধে ব্যর্থতা, অনৈতিক কমর্কাণ্ডে অনুমোদন দেওয়াসহ অনৈতিকতা ও পেশাগত ব্যর্থতার কারণে এসইসির ভাবমূর্তি অতিমাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হয়ে পড়েছে।
পুঁজিবাজার ধসের পর থেকে বিতর্কিত হয়ে ওঠে এসইসির নেতৃত্ব। সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে না পারা, বাজার নিয়ন্ত্রণে অদক্ষতা এবং ৯৬’ এর কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের প্রশ্রয় দিয়ে ব্যাপক সমালোচনা কুড়িয়েছেন এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার।
অর্থমন্ত্রীসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সকল মহলই শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির জন্য এসইসির অদক্ষতাকে দায়ী করেছে। সর্বশেষ সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনেও পুঁজিবাজার পরিস্থিতির জন্য এসইসিকে দায়ী করেছে এবং চেয়ারম্যানসহ একাধিক কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে কমিশনকে ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে এখনকার বড় পুঁজিবাজার পরিচালনার মতো জনবল, দক্ষতা ও নৈতিকতা কোনোটিই এসইসির নেই। তাই সংস্থাটির সার্বিক পুনর্গঠন প্রয়োজন। প্রতিবেদনে বিভিন্ন সময়ে আলোচিত অর্ধশতাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনৈতিক তৎপরতার তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৯০৯ ঘণ্টা, ১৫ এপ্রিল ২০১১ |
|
|
|