| 03/15/2011 4:55 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
শেয়ারবাজারে দরপতননিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৬-০৩-২০১১
এক দিন ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর দেশের পুঁজিবাজারে গতকাল মঙ্গলবার নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। এদিন দুই স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে। এর ফলে কমেছে মূল্যসূচক। সংশ্লিষ্টরা বিষয়টিকে দেখছেন বাজারের স্বাভাবিক আচরণ হিসেবে।
যোগাযোগ করা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, শেয়ারবাজারে ওঠানামা থাকবে এটাই স্বাভাবিক এবং বাজারের জন্য ইতিবাচক। তবে অতিরিক্ত ওঠানামাটা অস্বাভাবিকতার লক্ষণ।
ডিএসই গতকাল দিনভর সূচকের ওঠানামা ছিল চোখে পড়ার মতো। লেনদেনের শুরুতে স্টক এক্সচেঞ্জটির সাধারণ মূল্যসূচক ১০০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যে সূচক সাত পয়েন্ট নেমে যায়। বেলা ১১টা ২৫ মিনিটের পর থেকে সূচক আবার বাড়তে থাকে। এরপর কয়েকবার ওঠানামা করে সূচক। কিন্তু দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ সূচক ১৪০ পয়েন্ট কমে ছয় হাজার ৩১৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক ৪০৮ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ৭৮২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল মোট ২০১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ১৩৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। আর মোট আর্থিক লেনদেন হয়েছে ১৩৮ কোটি টাকার।
ডিএসইতে ২৫৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ১৮৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১৫০ কোটি টাকা, যা গতকালের চেয়ে নয় কোটি টাকা কম।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল—বেক্সিমকো, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, আফতাব অটোমোবাইল, বেক্সটেক্স, ম্যাকসন স্পিনিং, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, কনফিডেন্স সিমেন্ট, শাইনপুকুর সিরামিক এবং আর এন স্পিনিং।
সবচেয়ে বেশি কমেছে প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া ইনটেক অনলাইন, এইচআর টেক্সটাইল, সমতা লেদার, গ্রামীণ মিউচুয়াল ফান্ড স্কিম-১, ইস্টার্ণ ব্যাংক, অলটেক্স, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও রহিমা ফুড দাম কমে যাওয়ার শীর্ষ ১০-এর তালিকায় রয়েছে।
নিম্নমুখী বাজারে গতকাল দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ অবস্থানে ছিল বস্ত্র খাতের কোম্পানি সিএমসি কামাল। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বা ছয় টাকা ৮০ পয়সা বৃদ্ধি পায়। সারা দিন প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার ৭১ থেকে ৭৫ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে লেনদেন হয়। এ ছাড়া অ্যাকটিভ ফাইন, সিনোবাংলা, ফিনিক্স ইনস্যুরেন্স, রূপালি ইনস্যুরেন্স, কাশেম ড্রাইসেল, মেঘনা সিমেন্ট, কন্টিনেন্টাল ইনস্যুরেন্স, সোনার বাংলা ইনস্যুরেন্স ও তাক্কাফুল ইনস্যুরেন্স দাম বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০-এর তালিকায় রয়েছে।
৪০০ কোটি টাকা দিচ্ছে সোনালি ও জনতা: পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য তারল্য বাড়াতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার ‘বাংলাদেশ ফান্ড’-এ পৃথকভাবে ৪০০ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকারি মালিকানাধীন দেশের বৃহত্তম দুই বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংক লিমিটেড। তহবিলটিতে সোনালী ব্যাংক ২০০ ও জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেবে। গত সোমবার ব্যাংক দুটির পরিচালনা পর্ষদ ওই ফান্ডে অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদের সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান কাজী বাহারুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবীরসহ অন্যান্য পরিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, তহবিল গঠনের জন্য যখন প্রয়োজন হবে, তখনই এ অর্থ ছাড় করা হবে। একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। |
|
|
| 03/15/2011 4:59 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
ব্যাংকের মূলধন হতে হবে কমপক্ষে ৭শ' কোটি টাকা
আগামী মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংলাপ
বুধবার, ১৬ মার্চ
খায়রুল হোসেন রাজু ॥
ব্যাংকগুলোর হাতে পর্যাপ্ত মূলধন রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগোপযোগী নির্দেশনা এবং কঠোর মনিটরিংয়ের কারণেই তফসিলি ব্যাংকগুলো পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে সৰম হয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের পরিমাণ বাড়ার পাশাপাশি ঝুঁকিও হ্রাস পাচ্ছে। তবে ব্যাসেল-২ এর দ্বিতীয় পিলার অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর নির্ধারিত ৪শ' কোটি টাকা মূলধনের পাশাপাশি আরও ৩শ' কোটি টাকা অতিরিক্ত রাখতে হবে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোকে মোট ৭শ' কোটি টাকা মূলধন রাখতে হবে। এ বিষয় খুব শীঘ্রই প্রত্যেক ব্যাংকের উর্ধতন কতর্ৃপৰের সঙ্গে সংলাপ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সংলাপের পরেই মূলধন বাড়ানোর জন্য একটি নির্দেশনা প্রদান করা হবে বলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকেসুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, দু'একটি ব্যাংক ছাড়া সকল ব্যাংকেরই পর্যাপ্ত মূলধন রয়েছে। যেসব ব্যাংকের হাতে পর্যাপ্ত মূলধন নেই সেগুলো হয় প্রোবলেন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক। তবে ওই ব্যাংকগুলোও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী মূলধন সংরৰণে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ব্যাংকিং খাতে পর্যাপ্ত তারল্য রয়েছে। তবে যেসব ব্যাংকে তারল্য কম বা কিছু সঙ্কট রয়েছে সেগুলোর মিস ম্যানেজমেন্টের জন্যই হয়েছে। তবে এ সঙ্কট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিনই প্রায় গড়ে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা রেপো ও লিকিউডিটির মাধ্যমে সহায়তা করছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত চারটি ব্যাংকের সঙ্গে বেসরকারী চারটি ব্যাংকের পর্যাপ্ত মূলধন নেই। এছাড়া বাকি সকল সফসিলি ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ৯ শতাংশের ওপরে পর্যাপ্ত মূলধন রয়েছে।
সংশিস্নষ্টরা বলছেন, দেশের ব্যাংকিং খাত তথা আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমান বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে যেসব ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ রয়েছে তা কমাতে নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অনুৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না করার জন্যও সংশিস্নষ্ট সকল ব্যাংকে নির্দশ দিয়েছেন গবর্নর। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর মূলধন বৃদ্ধি করতে ক্রেডিট রেশিওর সীমা অতিক্রম করে ঋণ বিতরণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, যাতে করে ব্যাংকগুলোর মূলধন বৃদ্ধি পায়। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা রোধ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছেন গবর্নর। যেসব ব্যাংকের দুর্বল ফান্ড ম্যানেজমেন্ট রয়েছে তা উন্নয়নের লৰ্যে তাগিদ দেয়া হচ্ছে। মোটকথা মন্দার মতো যদি কোন ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, সেৰেত্রেও দেশের ব্যাংকগুলো যাতে মোকাবেল করে টিকে থাকতে পারে এ বিষয়ে গবর্নর ব্যাপকহারে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁরা বলেন, গবর্নর কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে বিভিন্ন মসলা জাতীয় ফসলে ২ শতাংশ হারে ঋণ বিতরণ করছেন। যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় দিক। এর আগে কোন গবর্নরই দেশের ব্যাংকিং খাত তথা আর্থিক খাতের উন্নয়নে এ ধরনের ভূমিকা পালন করতে সৰম হয়নি।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন ৪শ' কোটি টাকা বা ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ এ দুই অপেৰা যেটি বেশি ওই পরিমাণ মূলধন সংরৰণ করতে হবে। ২০০৮ সালের আগস্ট মাসে এ সংক্রানত্ম একটি সাকর্ুলার জারি করে বাংলাদেশ। এ নির্দেশনায় বলা হয়, ২০১১ সালের আগস্টের মধ্যে ব্যাংকের মূলধন ৪শ' কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। এরমধ্যে ২শ' কোটি টাকা অনাদায়ী মূলধন এবং ২শ' কোটি টাকা সংরৰিত মূলধন রাখতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের মোট ৯ শতাংশ মূলধন থাকার কথা থাকলেও কয়েকটি ব্যাংকের তা নেই। নির্ধারিত মোট ৮টি ব্যাংক ছাড়া বাকি ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত মূলধন রয়েছে। এছাড়া ব্যাসেল-২ এর দ্বিতীয় পিলার অনুযায়ী প্রত্যেক ব্যাংকের ৪শ' কোটি মূলধনের পাশাপাশি আরও ৩শ' কোটি টাকা অতিরিক্ত রাখতে হবে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের কর্মকর্তারা উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। আগামী মাসের মধ্যেই এ লৰ্যে প্রত্যেক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংলাপ হতে পারে। সংলাপ শেষ হওয়ার পরেই ব্যাংকগুলোর মূলধন মোট ৭শ' কোটি বাধ্যতামূলক রাখতে নির্দেশ দেয়া হবে বলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে। |
|
|
| 03/15/2011 5:00 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
ঋণ ও লভ্যাংশ খেলাপী কোম্পানি বাই ব্যাকের সুযোগ পাবে না
কোম্পানি আইনে সংযোজিত হচ্ছে শেয়ার পুনঃক্রয়ের ধারা
বুধবার, ১৬ মার্চ ২০১১,
রাজু আহমেদ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বৃদ্ধি, ইসু্যকৃত শেয়ার সংখ্যা হ্রাস বা শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে কোম্পানির নিজস্ব শেয়ার পুনঃক্রয়ের (বাই ব্যাক) সুযোগ দিতে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনে তিনটি নতুন ধারা সংযোজন করা হচ্ছে। পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ইতোমধ্যেই বাই ব্যাক আইনের খসড়া চূড়ানত্ম করেছে। এতে সংশিস্নষ্ট কোম্পানির উন্মুক্ত রিজার্ভ অথবা শেয়ার থেকে অর্জিত প্রিমিয়াম হিসাব ব্যবহার করে শেয়ার বাই ব্যাকের সুযোগ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়ায় ঋণ ও লভ্যাংশ খেলাপী কোম্পানির জন্য বাই ব্যাক নিষিদ্ধ করারও প্রসত্মাব করা হয়েছে। পাশাপাশি একবার শেয়ার বাই ব্যাক করার পর দু'বছরের (২৪ মাস) মধ্যে পুনরায় শেয়ার ছেড়ে মূলধন বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ করারও প্রসত্মাব করা হয়েছে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বাই ব্যাক সংক্রানত্ম খসড়ার ওপর বাজার সংশিস্নষ্টদের মতামতের জন্য মঙ্গলবার দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ ও এ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তবে এসইসির খসড়ার ওপর কোন পৰই তেমন দ্বিমত প্রকাশ করেনি। ফলে কমিশনের পৰ থেকে দু'একদিনের মধ্যেই ওই খসড়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ে যাচাই-বাছাইয়ের পর কোম্পানি আইন সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনেই বিল উত্থাপন করা হতে পারে।
জানা গেছে, বর্তমানে কোম্পানি আইনের ৫৮ ধারায় শেয়ার দ্বারা সীমিত দায় কোম্পানির জন্য নিজস্ব এবং এর উদ্যোক্তা কোম্পানির শেয়ার ক্রয় নিষিদ্ধ রয়েছে। এমনকি কোম্পানিটি তার নিজস্ব শেয়ার কেনার জন্য প্রত্যৰ বা পরোৰভাবে কাউকে ঋণ গ্যারান্টি, জামানত বা অন্য কোন আর্থিক সহায়তা দিতে পারে না। কোম্পানি আইনের এ ধারা লঙ্ঘন করলে ওই কোম্পানি ও সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তাদের ৫ হাজার টাকা পর্যনত্ম জরিমানার বিধান রয়েছে। তবে যেসব ঋণ প্রদান করাই যেসব কোম্পানির সাধারণ ব্যবসা সেসব কোম্পানির ৰেত্রে এ ধারা প্রযোজ্য নয়।
সূত্র জানায়, কোম্পানি আইনের ৫৮ ধারার পর ৫৮ক ধারা সংযুক্ত করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য শেয়ার পুনঃক্রয় বা বাই ব্যাকের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রসত্মাবিত এই ধারা কোম্পানির উন্মুক্ত তহবিল (ফ্রি রিজার্ভ) এবং সিকিউরিটির প্রিমিয়াম হিসাব ব্যবহার করে শেয়ার বাই-ব্যাক করা যাবে। তবে কোম্পানির সংঘবিধিতে (মেমোরেন্ডাম) বাই-ব্যাকের ব্যবস্থা সম্পর্কে উলেস্নখ থাকতে হবে। এছাড়া শেয়ার বাই-ব্যাক করতে হলে সাধারণ সভায় কোম্পানির দুই-তৃতীয়াংশ শেয়ারহোল্ডারের অনুমোদন নিতে হবে। সাধারণ সভার বিজ্ঞপ্তিতে বাই ব্যাকের পূর্ণাঙ্গ তথ্য, প্রয়োজনীয়তা, কোন শ্রেণীর শেয়ার বাই ব্যাক করা হবে, এজন্য বিনিয়োগকৃত অর্থের পরিমাণ, এর উৎস এবং শেয়ার কেনার সময়সীমা উলেস্নখ করতে হবে।
প্রসত্মাবে বলা হয়েছে, কোন কোম্পানি তার মোট পরিশোধিত মূলধন ও উন্মুক্ত তহবিলের ২৫ শতাংশের বেশি বাই ব্যাক করতে পারবে না। তবে এক আর্থিক বছরে ওই বছরের মোট পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি বাই ব্যাক করা যাবে না। শেয়ার বাই ব্যাকের পর কোম্পানির মোট দায়ের পরিমাণ মূলধন ও উন্মুক্ত তহবিলের দ্বিগুণের বেশি হতে পারবে না। এছাড়া বাই ব্যাকের জন্য নির্ধারিত সকল শেয়ার পরিশোধিত হতে হবে।
প্রসত্মাবে বাই ব্যাকের সিদ্ধানত্ম গ্রহণের পর ১২ মাসের মধ্যে তা কার্যকর করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধানত্ম কার্যকর করার আগে কোম্পানি ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ কমপৰে দুই-তৃতীয়াংশ পরিচালকের স্বাৰরের মাধ্যমে রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজে ঘোষণা দিতে হবে যে, কোম্পানিটি তার সকল দায় পরিশোধে সমর্থ এবং এক বছরের মধ্যে দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কা নেই।
এসইসির প্রসত্মাবে বাই ব্যাক সম্পন্ন করার পর ১৫ দিনের মধ্যে এসব শেয়ার বাতিল ও ধ্বংস, এ সংক্রানত্ম তথ্য সংরৰণ, ৩০ দিনের মধ্যে আরজেএসসি, এসইসি ও ডিপোজিটরিতে তথ্য প্রেরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
প্রসত্মাবিত ৫৮কক ধারায় শেয়ার বাই ব্যাক করার ফলে হ্রাসকৃত মূলধনের সমপরিমাণ অর্থ উদ্ধার সঞ্চিতি হিসাবে স্থানানত্মরের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া ৫৮খ নামে একটি পৃথক ধারায় কয়েকটি ৰেত্রে বাই ব্যাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে সংশিস্নষ্ট কোম্পানির নিজস্ব বা অন্য কোন সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মাধ্যমে, কোন বিনিয়োগ কোম্পানি বা বিনিয়োগ কোম্পানির গ্রম্নপের মাধ্যমে কোম্পানি কোন শেয়ারহোল্ডার বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের জমা ও সুদ, ডিবেঞ্চার উদ্ধার বা অগ্রাধিকার শেয়ার বা এর লভ্যাংশ বা মেয়াদী ঋণ বা এর পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে থাকলে ওই কোম্পানির জন্য বাই ব্যাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিশেস্নষকরা মনে করেন, শেয়ারবাজারে বাইব্যাকের মতো একটি পদ্ধতি চালু করার আগে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এজন্য অন্যান্য দেশে বিদ্যমান আইন-কানুন এবং বাজার সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে পদ্ধতিটি চালু করতে হবে। তাড়াহুড়ো কোন কিছু করা ঠিক হবে না। বাসত্মব কারণে কোম্পানির মূলধন সঙ্কোচন ছাড়া অন্য কোন কারণে বাইব্যাকের সুযোগ দেয়া হলে কোম্পানিগুলো নিজেরাই শেয়ার কেনা-বেচায় জড়িয়ে পড়তে পারে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহ উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, শুধু বণ্টনযোগ্য মুনাফা উদ্বৃত্ত আকারে থাকলে তবেই কোম্পানি শেয়ার বাই ব্যাক করতে পারে। কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি বা কমে যাওয়ার সঙ্গে বাই ব্যাকের কোন ধরনের সম্পর্ক নেই। যদি দর কমে গেলে বাই ব্যাক করার সুযোগ দেয়া হয় তাহলে শেয়ারের দরের ক্ষেত্রে কারসাজির ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করেন।
উলেস্নখ্য, গত সোমবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বাই ব্যাক পদ্ধতি চালু করার কথা ঘোষণা করেন। সংসদের চলতি অধিবেশনেই কোম্পানি আইন সংশোধন করে এ পদ্ধতিটি চালু করা হবে বলে তিনি জানান।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শেয়ার বাই ব্যাক করা হলে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন কমে যায়। কোন কোম্পানি তার পরিশোধিত মূলধন কমাতে চাইলে শেয়ার বাই ব্যাক করতে পারে। কিন্তু বাই ব্যাক করতে হলে কোম্পানির কাছে বন্টনযোগ্য মুনাফা উদ্বৃত্ত থাকতে হবে। রিজার্ভ বা অন্য কোন উৎস থেকে অর্থ ধার করে শেয়ার বাই ব্যাক করা যায় না। কোন কোম্পানি তখনই শেয়ার বাই ব্যাক করে থাকে যখন কোম্পানির কর্মকা- সম্প্রসারণ সম্ভব হচ্ছে না অথচ কোম্পানির কাছে বিপুল পরিমাণ বন্টনযোগ্য মুনাফা রয়েছে। এছাড়া মুদ্রাবাজারে সুদের হার ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ার ফলে পুঁজিবাজারের তুলনায় কম ব্যয়ে (কস্ট অব ফান্ড) তহবিল সংগ্রহের সুযোগ সৃষ্টি হলে কোম্পানি তার মূলধন কমিয়ে ব্যাংক ঋণ নিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণের সিদ্ধানত্ম নিতে পারে। |
|
|
| 03/15/2011 5:03 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
পূর্ণাঙ্গ আর্থিক প্রতিবেদন ওয়েবসাইট প্রকাশের নির্দেশ এসইসির
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
বুধবার, ১৬ মার্চ ২০১১
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সকল প্রতিষ্ঠানের ত্রৈমাসিক পূর্ণাঙ্গ আর্থিক প্রতিবেদন নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সম্প্রতি কমিশনের এক নির্দেশনায় দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে বিষয়টি তদারকির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এসইসির নির্দেশনায় বলা হয়, ২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারিতে জারি করা এক নির্দেশনায় তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পূর্ণাঙ্গ আর্থিক প্রতিবেদন ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশ দেয়া হয়। তবে অধিকাংশ কোম্পানিই বাসত্মবে এ নির্দেশনা মেনে চলছে না। দু'একটি কোম্পানি তাদের আর্থিক প্রতিবেদনের সারসংৰেপ জাতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশ করে। তবে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক প্রতিবেদন কোম্পানির ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করছে না। এ কারণে বাধ্য হয়ে পুনরায় এ সংক্রানত্ম নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলে এতে উলেস্নখ করা হয়েছে।
এসইসি মনে করে, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের এ নির্দেশনা না মানায় বিনিয়োগকারীরা ৰতিগ্রসত্ম হচ্ছেন। তারা সংশিস্নষ্ট কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক তথ্য জানতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
নির্দেশনায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরৰণ ও পুঁজিবাজারের উন্নয়নের জন্য ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জকে (সিএসই) আর্থিক তথ্য প্রকাশের বিষয়টি তদারকির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, কোম্পানির ওয়েবসাইটে ত্রৈমাসিক পূর্ণাঙ্গ আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি উভয় স্টক এঙ্চেঞ্জের ওয়েবসাইটে লিঙ্কের মাধ্যমে এটি প্রদর্শন করতে হবে। স্টক এঙ্চেঞ্জকে এ নির্দেশনার বাসত্মবায়ন সংক্রানত্ম প্রতিবেদন ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে এসইসিকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
মেঘনা পেট্রোলিয়ামের লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ও ৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০ টাকা মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের ৰেত্রে সাড়ে চার টাকা নগদ লভ্যাংশ ও প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৫টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৭ মে সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ হোটেলে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ২৮ মার্চ রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর মেঘনা পেট্রোলিয়ামের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১০ টাকা ৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৩২ টাকা ৮ পয়সা। |
|
|
| 03/15/2011 5:04 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | একদিন পর সংশোধনের ধারায় পুঁজিবাজার
সূচকের সঙ্গে কমেছে আর্থিক লেনদেন
বুধবার, ১৬ মার্চ ২০১১
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
একদিন বৃদ্ধির পর পুঁজিবাজারে আবারও শেয়ারের মূল্য ও সূচকের সংশোধন হয়েছে। সেইসঙ্গে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও কিছুটা কমে গেছে। দিনভর উঠা-নামার প্রবণতা থাকলেও দিন শেষে গত কয়েক দিনের তুলনায় মঙ্গলবার শেয়ারবাজারের আচরণ অনেকটাই ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ফলেই বাজার ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তবে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সরকারী পদৰেপগুলো বাসত্মবায়ন করতে হবে। আইসিবির উদ্যোগে যে বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে তা কার্যকর হলে তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধির ফলে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল হবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করছেন।
সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারসহ বিভিন্ন মহলের নানামুখী উদ্যোগের ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কট অনেকটাই কেটে গেছে। বিশেষ করে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) উদ্যোগে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের ঘোষণা তাদের মধ্যে নতুন আশাবাদ তৈরি করেছে। তবে গত দু'মাসে বেশ কয়েক দফা দরবৃদ্ধির পরও তা স্থায়ী না হওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারী এবারও সতর্কতার সঙ্গে লেনদেন করছেন। এ কারণে দর উঠার পরই বিক্রির চাপ বেড়ে যাচ্ছে। এ কারণেই বাজারে উত্থান-পতনের ঘটনা ঘটছে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা যায়, ডিএসইতে লেনদেনের শুরম্নতেই সূচক দ্রম্নত বাড়তে থাকে। তবে লেনদেনের ২০ মিনিটের পর থেকে সূচক কমতে থাকে। তবে আধঘণ্টা পর আবার সূচক বাড়তে থাকে। এভাবে দিনভর সূচক ওঠানামা করে। শেষ পর্যনত্ম সব সূচক আগের দিনের চেয়ে নিচে অবস্থান করেই লেনদেন শেষ হয়।
ডিএসইতে মঙ্গলবার মোট ২৫৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে দর বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ১৮৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দু'টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। বীমা বাদে বাকি সব খাতের অধিকাংশ কোম্পানির দর কমেছে। তা সত্ত্বেও একসঙ্গে সব শেয়ারের দর হ্রাস বা বৃদ্ধির প্রবণতা থেকে বেরিয়ে কিছুটা হলেও ভারসাম্যপূর্ণ আচরণ বাজারে স্বাভাবিকতা ফেরার লৰণ বলে অনেকে মনে করছেন।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ১৩৯.৮৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬৩১৮ পয়েন্টে। সারা দিনে মোট ১০ কোটি ২৩ লাখ ৬২ হাজার ৫১৪টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ১ হাজার ১৫০ কোটি ৭৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৪০ টাকা_ যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৯ কোটি টাকা কম।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক ৩৬৮.৩২ পয়েন্ট কমে ১৫৬৭৭.১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এখানে লেনদেন হওয়া ২০১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ১৩৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৩৮ কোটি টাকার।
আর্থিক লেনদেনের ভিত্তিতে ডিএসইতে শীর্ষ অবস্থানে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো_ বেঙ্মিকো লিমিটেড, পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, আফতাব অটোমোবাইলস, বেঙ্টেঙ্, ম্যাকসন্স স্পিনিং, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, কনফিডেন্স সিমেন্ট, পূবালী ব্যাংক, শাইনপুকুর সিরামিকস ও আর এন স্পিনিং।
দরবৃদ্ধিতে শীর্ষে থাকা ১০টি কোমপানি হলো_ সিএমসি কামাল, একটিভ ফাইন, সিনোবাংলা, ফিনিঙ্ ইন্সু্যরেন্স, রূপালী ইন্সু্যরেন্স, কাশেম ড্রাইসেল, মেঘনা সিমেন্ট, কন্টিনেন্টাল ইন্সু্যরেন্স, সোনারবাংলা ইন্সু্যরেন্স ও তাকাফুল ইন্সু্যরেন্স।
দর হ্রাসের দিক থেকে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো_ প্রিমিয়ার ব্যাংক, ইনটেক অনলাইন, এইচ আর টেঙ্টাইল, সমতা লেদার, গ্রামীণ মিউচু্যয়াল ফান্ড স্কিম-১, ইস্টার্ন ব্যাংক, অলটেঙ্, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও রহিমা ফুড। |
|
|
| 03/15/2011 5:09 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
Stakeholders propose buyback guideline
Star Business Report
Stockmarket stakeholders yesterday decided to send a proposal to the law ministry on how to implement a new regular buyback system in an effort to contain the bearish trend in the market.
The stakeholders discussed the guideline for the proposed new regular buyback system at a meeting at the Securities and Exchange Commission.
By definition, a buyback means a repurchase of outstanding shares by a company to reduce the number of shares on the market. Companies buy back shares either to increase the value of shares by reducing supply, or to eliminate any threats by shareholders who may be looking for a controlling stake. In Bangladesh, the government moved to introduce the system in a bid to prop up the stockmarket.
Ziaul Haque Khondker, SEC chairman, Shakil Rizvi, president of Dhaka Stock Exchange, Fakhor Uddin Ali Ahmed, president of Chittagong Stock Exchange, and Salman F Rahman, president of Bangladesh Association of Publicly Listed Companies, participated in the discussion.
In line with the proposal, a company would not be able to buy back shares worth more than 25 percent of its paid-up capital by using 10 percent cash of free reserve, said people who attended the meeting.
The company could buy back shares by using the money of security premium and free reserve, said a participant of the meeting.
Before going for a buyback, the company will have to publish a disclosure for the shareholders mentioning why the company has decided to go for a buyback and which shares and in what quantities it would like to buy back.
The disclosure will also mention the importance and the duration of the buyback period.
If a company decides to buy back shares, it will need the decision to be approved by its shareholders in a general meeting.
According to the proposal, a company would not be able to go for a buyback more than once within a 365-day period.
Recently Finance Minister AMA Muhith said at parliament that a buyback system would be introduced to prop up the stockmarket.
Earlier, during the public offer of MJL Bangladesh, the regulator decided that if the market price of MJL goes below the offer price -- Tk 162 -- within the first 30 days of trading, the company must go for a buyback of shares of the general investors intending to sell their shares at the 'offer price'.
"We discussed the Indian context and situations in other countries," said a meeting source.
The source said it will be a new buyback system, which will address more than a company's share price fluctuations.
Usually the purpose of a buyback is to utilise the unused cash, raising the earnings per share, increasing internal control over the company and obtaining stocks for employee stock option plans or pension plans.
|
|
|
| 03/15/2011 5:10 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
Stocks sink back into red
Star Business Report
A selling pressure pulled down the stocks yesterday as investors went into profit-taking.
The benchmark general index of Dhaka Stock Exchange slumped 140 points, or 2.16 percent, to close at 6,318 points, while the selective categories index of Chittagong Stock Exchange ended down 255 points, or 2.17 percent, to close at 11,508 points.
Market analysts observed that speculators and manipulators pulled the prices of low-profile companies, while the share prices of some high-profile companies went down.
Surveillance and market monitoring committee should fine players who manipulate the prices of low-profile companies, said analysts.
Most of the fundamentally weak companies were on the list of the top ten gainers, such as CMC Kamal, the biggest gainer of the day, posting a 9.94 percent rise in its prices without any price sensitive news.
"It's not a good market trend because the prices of some high-profile companies dropped, while some low-profile ones gained sharply," said Professor Mahmud Osman Imam, who teaches finance at Dhaka University.
“But it is positive that investors' participation as well as the trading volume increased in the market,” said Imam.
Most of the major sectors such as banks dropped 3.04 percent, non-bank financial institutions 2.14 percent, telecommunication 4.02 percent, pharma-ceuticals and chemicals 1.66 percent and fuel and power 2.70 percent on the day.
Of the 254 issues traded on DSE, 189 declined, 63 advanced and two remained unchanged.
The daily turnover on the DSE stood at Tk 1,150 crore, up by Tk 91.75 crore from Monday's trading.
Beximco topped the turnover leaders with 19.85 lakh shares worth of Tk 59.89 crore.
The other turnover leaders were Peoples Leasing and Financial Services, Aftab Automobiles, Bextex, Maksons Spinning Mills, Union Capital, United Airways, Confident Cement, Shinepukur Ceramics and RN Spinning Mills.
Premier Bank was the biggest loser of the day, posting a 8.07 percent slump in its share prices.
|
|
|
| 03/15/2011 5:11 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
SEC to get more manpower
Star Business Report
The government plans to increase the manpower of the Securities and Exchange Commission (SEC) in a bid to make it more effective and powerful.
The banking division will send a proposal to the finance minister with the recommendation to turn the posts of SEC members into commissioners.
Also, there will be six commissioners instead of four, according to the new securities rules. At present, the SEC has two members -- Muhammad Yasin Ali and Md Anisuzzaman.
Yasin Ali looks after the surveillance, supervision and regulation of markets and issuer companies in addition to capital issue, supervision and regulation of intermediaries, registration and SRMIC department of the SEC.
Administration and finance, law enfor-cement and the central depository system are under the charge of Md Anisuzzaman.
The government plans to increase the commission's manpower as it does not have a public relations department yet. As per the new proposal, a commissioner will be selected from the public and private sectors.
In the new draft rules, banks and non-bank financial institutions are bound to give any kind of information for the sake of proper investigations.
|
|
|
| 03/15/2011 5:14 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
পুঁজিবাজারে কারসাজি
তদন্ত প্রতিবেদন এ মাসেই
নিজস্ব প্রতিবেদক
পুজিবাজারের সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের পেছনে জড়িতদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে শেয়ারবাজারে অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটি। জড়িতদের চিহ্নিত করে এ মাসের শেষ দিকে এ কমিটি তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারে বলে জানা গেছে। কারসাজির সঙ্গে জড়িত বলে যাঁদের নাম শেয়ারবাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সবার মুখে শোনা যায়, তাঁদের অনেকেই কমিটির কাছে ধরা দিয়ে নিজেদের সাফাই গেয়েছেন। কেউ কেউ প্রকারান্তরে নিজেদের দোষ স্বীকার করে নিয়ে সন্দেহভাজন অন্যদের কারসাজির তথ্যও দিয়েছেন কমিটির কাছে।
কমিটির চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেছেন, 'শেয়ারবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত অনেকে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তির ভূমিকাও তুলে ধরেছেন। তদন্তকাজ প্রায় শেষের পথে।' এ মাসের শেষ দিকেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, 'মোটামুটি তথ্য আমরা পেয়ে গেছি। বাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন_এমন সবার প্রতিনিধিকে আমরা ডেকেছি, তাদের মতামত নিয়েছি। আমরা চিনি না এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকেও আমরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছি।' চার সদস্যের এ কমিটি ধাপে ধাপে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তারিত আলাপ করেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ছাড়াও ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের পরিচালক ও সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কমিটির সদস্যরা। মার্চেন্ট ব্যাংক, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কম্পানিগুলোর প্রতিনিধি এবং পুঁজিবাজারের গবেষকদের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে তাঁদের। কমিটির নিজস্ব ই-মেইলে ও বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে অভিযোগের পাহাড় জমা পড়েছে। 'তদন্তকাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক। আমরা সবার সহযোগিতা পাচ্ছি। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে পারব বলে আশা করছি।' বললেন কমিটির প্রধান। সরকার বা কারসাজির সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কমিটির ওপর কোনো চাপ নেই বলে জানালেন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ।
তদন্ত প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত একটি সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটি গঠন ও সরকার এ বিষয়ে জোর দেওয়ার পর থেকে মানসিক চাপের মধ্যে ছিল কারসাজির সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি, বিদেশ গমনের ওপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার খবরে তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। সন্দেহভাজনদের তালিকার কেউ কেউ দেশের বাইরে আত্মগোপন করেছেন বলেও তাঁদের ঘনিষ্ঠ মহল থেকে জানা গেছে। সে কারণে বেশ কিছুদিন বাজার থেকে হাত গুটিয়ে রেখেছিলেন তাঁরা। ফলে ক্রেতার অভাবে অব্যাহতভাবে পড়ছিল ভালো-মন্দ সব শেয়ারের দাম। নিজেদের দোষ স্বীকার করলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁদের কেউ কেউ বিনিয়োগে ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় সেই বাড়তি বিনিয়োগের প্রভাব রয়েছে বলে মনে করেন বাজার-সংশ্লিষ্টরা। টানা ছয় দিন মূল্য বেড়েছে শেয়ারবাজারে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন বেড়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা। বাজার মূলধন বেড়েছে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা। সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে ১ হাজার ২১০ পয়েন্ট। তবে নাম গোপন রাখা ও তার পরিবর্তে বাড়তি বিনিয়োগ করার শর্তে তদন্ত কমিটি রাজি হয়নি বলে কমিটির ঘনিষ্ঠ এক সূত্র জানায়। তবে জড়িত ব্যক্তিদের নাম গণমাধ্যমে প্রকাশ না করার আশ্বাস দিয়েছে তদন্ত কমিটি। কমিটি বলে দিয়েছে, তারা তাদের প্রতিবেদন অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেবে। সেটি প্রকাশ করা বা না করার সিদ্ধান্ত নেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের। পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক উত্থান-পতনের ঘটনা খতিয়ে দেখতে গত ২৬ জানুয়ারি বুধবার কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। |
|
|
| 03/15/2011 5:16 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
দুই বছর মূলধন বৃদ্ধিতে নিষেধাজ্ঞা রেখে বাইব্যাকের সুপারিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
দুই বছর পর্যন্ত মূলধন বৃদ্ধির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কম্পানির সিকিউরিটিজ বা শেয়ার পুনরায় ক্রয়ের (বাইব্যাক) সুযোগ রাখা হচ্ছে বাইব্যাক পদ্ধতিতে। স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের সঙ্গে (এসইসি) এ সুপারিশ প্রণয়ন করেছে। সুপারিশে পরিশোধিত মূলধন ও উদ্ধৃত মজুদের ১০ শতাংশ বাইব্যাক করার বিধি রাখা হচ্ছে। কম্পানির দায় বা দেনার পরিমাণ মোট মূলধন ও উদ্ধৃত্ত অর্থের দ্বিগুণ হলে বাই ব্যাক করা যাবে না বলে বিধান রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাইব্যাক সম্পন্ন করার পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে কম্পানি ক্রয়কৃত সিকিউরিটিজ বাতিল এবং ধ্বংসের বিধান রাখা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার স্টেকহোল্ডারদের এক পর্যালোচনা বৈঠক শেষে এসইসি এ সুপারিশ প্রণয়ন করে। এসইসি কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এসইসির প্রস্তাবিত সুপারিশে বাইব্যাক আইন লঙ্ঘনের দায়ে কম্পানির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ডের বিধান বাতিল করে আর্থিক জরিমানার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বাইব্যাক অনিয়মের জন্য সংশ্লিষ্ট কম্পানিকে সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এ ছাড়া এই আইনে কম্পানির বাইব্যাক সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী ২৪ মাসের মধ্যে বোনাস শেয়ার ব্যতীত অন্য সিকিউরিটিজ বা শেয়ার ইস্যু করতে পারবে না বলে প্রস্তাব করা হয়েছে।
এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভী, চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের সভাপতি ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ এবং বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড কম্পানি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সালমান এফ রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এ সুপারিশ শিগগিরই মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে এসইসি। মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাই শেষে কম্পানি আইন সংশোধনের মাধ্যমে বাইব্যাক প্রথা চালু করার জন্য একটি বিল সংসদে উপস্থাপন করবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সালমান এফ রহমান সাংবাদিকদের বলেন, 'কোনো কম্পানি যদি মূলধন কমাতে চায়, তাকে সে সুবিধা দেওয়ার জন্য এই আইন করা প্রয়োজন।' তবে কোনো কম্পানির অতিরিক্ত মূলধন না থাকলে সে কম্পানিকে বাইব্যাকের সুযোগ দেওয়া উচিত নয় বলেও মত দেন তিনি। এসইসির প্রস্তাবিত আইনে কম্পানি ফ্রি রিজার্ভ অথবা সিকিউরিটিজ প্রিমিয়াম হিসাব ব্যবহার ছাড়াও কোনো শেয়ার অথবা বিশেষ সিকিউরিটিজ থেকে অর্জিত মুনাফা ব্যবহারের মাধ্যমেও ব্যাইব্যাক করা যাবে। তবে শর্ত থাকে, কোনো শেয়ার অথবা বিশেষ সিকিউরিটিজ থেকে অর্জিত মুনাফা দ্বারা একই ধরনের শেয়ার অথবা একই ধরনের বিশেষ সিকিউরিটিজ বাইব্যাক করা যাবে না। তবে বাইব্যাক করতে হলে সংশ্লিষ্ট কম্পানির সাধারণ সভায় দুই-তৃতীয়াংশের ভোটে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অপরদিকে বাইব্যাকের পরিমাণ কম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধন এবং ফ্রি রিজার্ভের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বাইব্যাক করা যাবে। বাইব্যাক সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী এক বছর কম্পানিটি দেউলিয়া হবে না মর্মে ঘোষণাদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। রেজিস্টার অব জয়েন স্টক কম্পানি (আরজেএসসি) ও এসইসিকে এ ঘোষণা দেবেন সংশ্লিষ্ট কম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ পরিচালক। প্রসঙ্গত, মূলধন বাড়ানোর জন্য কোনো কম্পানি ইতিপূর্বে শেয়ারহোল্ডারদের কাছে যে শেয়ার বিক্রি করেছিল, তা পুনরায় কিনে নেওয়ার প্রক্রিয়া বাইব্যাক হিসাবে পরিচিত। বাইব্যাক আইনের উদ্দেশ্য হলো, প্রয়োজনের তুলনায় কোনো কম্পানির মূলধন বেশি হয়ে গেলে, শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে শেয়ার কিনে নিয়ে কম্পানির অতিরিক্ত মূলধন বিনিয়োগকারীদের ফেরত দেওয়া।
|
|
|
| 03/15/2011 5:21 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
ঢাকার শেয়ারবাজারে মূল্য সংশোধন
লেনদেন বাড়লেও কমেছে সূচক
নিজস্ব প্রতিবেদক
এক দিনের ব্যবধানে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)-এ দর পতন হয়েছে। সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ১৩৯.৮৩ পয়েন্ট। বাজার সংশ্লিষ্টরা এই দরপতনকে মূল্য সংশোধন হিসেবেই দেখছেন। তবে সূচক কমলেও আগের দিনের তুলনায় লেনেদেন বেড়েছে ৯১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
আইসিবি ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রউফ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'গতকাল স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন হয়েছে। যেহেতু লেনদেন বেশি হয়েছে সেহেতু ভয়ের কোনো কারণ নেই।'
টানা ছয় দিন বাড়ার পর রবিবার সূচক কমে গিয়েছিল ৪৫৯.৬৫ পয়েন্ট। পরের দিন সোমবার সূচক আবারও বাড়ে ২৭৮.৪৫ পয়েন্ট। গতকাল সূচক আবারও ১৩৯.৮৩ পয়েন্ট কমে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক দাঁড়িয়েছে এখন ৬৩১৮.১৫ পয়েন্টে। তবে বার বার দর ওঠা-নামা সঙ্গে ওঠা-নামা করেছে সূচক।
এদিকে গতকাল সূচক কমলেও সোমবারের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে। সোমবার যেখানে এক হাজার ৫৯ কোটি তিন লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছিল, সেখানে গতকাল মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১৫০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৪টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টির। ১৮৯টি কম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে আর দুটি কম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
গতকাল দাম বাড়ার শীর্ষে ছিল সিএমসি কামাল, অ্যাক্টিভ ফাইন, সিনোবাংলা, ফিনিঙ্ ইনস্যুরেন্স, রূপালী ইনস্যুরেন্স, কাশেম ড্রাইসেল, মেঘনা সিমেন্ট, কন্টিনিন্টাল ইনস্যুরেন্স, সোনারবাংলা ইনস্যুরেন্স এবং তাক্কাফুল ইনস্যুরেন্স।
আর দাম কমার দিক দিয়ে এগিয়ে ছিল প্রিমিয়ার ব্যাংক, ইনটেক অনলাইন, এইচ আর টেঙ্টাইল, সমতা লেদার, গ্রামীণ স্কিম-১, ইস্টার্ণ ব্যাংক লি. , অলটেঙ্, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, মেঘনা পেট্রোলিয়াম এবং রহিমা ফুড।
|
|
|
| 03/15/2011 5:25 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Somokal
বাইব্যাক আইন বিষয়ে পরস্পরবিরোধী সুপারিশ
আনোয়ার ইব্রাহীম
লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার প্রদান এবং একইসঙ্গে বাইব্যাক করার পরবর্তী ২৪ মাসের মধ্যে মূলধন বৃদ্ধি না করার মতো পরস্পরবিরোধী সুপারিশ করেছেন ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানির অ্যাসোসিয়েশন নেতারা। শেয়ারবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, উভয় শর্ত রেখে আইনটি করা হলে এর অপব্যবহার হতে পারে। বাইব্যাক আইনের খসড়া পর্যালোচনা করতে গতকাল সোমবার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কার্যালয়ে বিশেষ সভা হয়। সভায় পরস্পরবিরোধী ওই সুপারিশ করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার, সদস্য ইয়াছিন আলী, সদস্য মোঃ আনিসুজ্জামান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী, সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ, বিএপিএলসির সভাপতি সালমান এফ রহমান প্রমুখ।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ গতকাল সমকালকে বলেন, সরকার ও এসইসি বাইব্যাক আইনের যে খসড়া তৈরি করেছে, তা ভারতে প্রচলিত আইনের প্রতিলিপি। খসড়ায় বোনাস ইস্যু ও মূলধন না বাড়ানোর বিষয়ে পরস্পরবিরোধী প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি বলেন, তাড়াহুড়া করার কিছু নেই। আরও আলোচনা করে ও বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে সবকিছু ঠিক করা প্রয়োজন। এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, বোনাস শেয়ার যেভাবেই ইস্যু করা হোক না কেন, তাতে কোম্পানির মূলধন বাড়বে। এসইসির অপর সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক উপদেষ্টা মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম মনে করেন, লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস শেয়ার ইস্যু ও বাইব্যাকের কারণে শেয়ারদর বাড়ে। এই দুই অবস্থায় মূল্য কারসাজি করা অসম্ভব নয়। তাই বাইব্যাক বিধিতে লভ্যাংশ প্রদানের শর্ত বাদ দেওয়া যেতে পারে। তবে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের (বিএপিএলসি) সভাপতি সালমান এফ রহমান বলেন, বিনিয়োগকারীরা নগদ লভ্যাংশ নয়, বোনাস লভ্যাংশ বেশি প্রত্যাশা করেন। তাদের কথা বিবেচনা করে বাইব্যাক বিধিতে লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এদিকে শেয়ারবাজার বিশ্লেষকরা বাইব্যাক আইন করার প্রয়োজন থাকলেও এর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, শেয়ারদর বাড়ার জন্যই বাইব্যাক আইন করার দাবি উঠেছে, যা বাইব্যাকের মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী। তিনি বলেন, বাইব্যাক আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো, কোম্পানির প্রয়োজনের তুলনায় মূলধন বেশি হয়ে গেলে শেয়ার বাইব্যাক করে মূলধন কমিয়ে নেওয়া। কিন্তু যে উদ্দেশ্যে আইনটি করা হচ্ছে, তাতে শেয়ারবাজারে কারসাজির নতুন পথ তৈরি হতে পারে।
খসড়ায় বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি শেয়ার বাইব্যাক করতে চাইলে অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ শেয়ারহোল্ডারের অনুমোদন নিতে হবে, বাইব্যাকের প্রস্তাব অনুমোদনের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের মধ্যে নতুন করে বাইব্যাক করা যাবে না, বাইব্যাকের সাত দিনের মধ্যে কোম্পানির হিসাব থেকে শেয়ার বিলুপ্ত করতে হবে এবং একই আর্থিক বছরে বাইব্যাকের পরিমাণ ওই আর্থিক বছরের মোট পরিশোধিত শেয়ার মূলধনের শতকরা ২৫ ভাগের বেশি হবে না, কোম্পানি নিজস্ব সহযোগী কোম্পানির মাধ্যমে বা অন্য বিনিয়োগ কোম্পানির মাধ্যমে শেয়ার কিনতে পারবে না। এছাড়া কোম্পানি ব্যাংক ঋণ, সুদ, ডিভেঞ্চার ও অগ্রাধিকার শেয়ারের সুদ প্রদানে ব্যর্থ হলে বাইব্যাক করতে পারবে না। |
|
|
| 03/15/2011 5:26 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Somokal
আবার কমল শেয়ারদর ও সূচক
সমকাল প্রতিবেদক
আবারও কিছুটা অস্থির হয়ে উঠছে শেয়ারবাজার। রোববারের দরপতনের পর সোমবার বিরতি দিয়ে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে গতকাল অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর ও বাজার মূল্যসূচক কমেছে। তবে টানা দরবৃদ্ধি বা দরহ্রাস হওয়া থেকে এ অবস্থা অনেকটাই সহনীয় বলে মন্তব্য করেছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। চলতি সপ্তাহের তিনদিনের লেনদেন পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, লেনদেনের প্রায় পুরোটা সময় জুড়ে শেয়ারের দর বাড়া বা কমার মধ্যে পরিবর্তন ছিল লক্ষণীয়। বাজার সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ মূলধন বৃদ্ধিজনিত মুনাফা তুলে নেওয়াকে বাজারের এ অবস্থার জন্য দায়ী করেন। তবে শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু আহমেদ বর্তমান বাজার পরিস্থিতিকে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ সিদ্ধানহীনতার প্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা যখন নিজের বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারে না, তখনই এমন ঘটনা ঘটে। বিনিয়োগকারীদের এমন দোদুল্যমানতার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, বাজারে পরস্পরবিরোধী কিছু সিদ্ধান্ত বা খবর আসার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। আবু আহমেদ বলেন, স্বল্পমেয়াদের বিনিয়োগ কৌশল থেকে বের হয়ে বিনিয়োগকারীদের এখন দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ পরিকল্পনা করা উচিত।
বাজার পরিস্থিতি : গতকাল ঢাকার শেয়ারবাজারে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ২৫৪টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ১৮৯টিরই দর কমে, বাড়ে ৬৩টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ২টির দর। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমার কারণে প্রতিটি বাজার সূচকই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। ডিএসই সাধারণ সূচক সোমবারের তুলনায় ১৩৯ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট কমে ৬৩১৮ দশমিক ১৫ পয়েন্টে ক্লোজ হয়েছে; সূচক কমার হার ছিল ২ দশমিক ১৬ পয়েন্ট। অপর দুটি সূচক কমার হারও প্রায় সমান ছিল। ডিএসইতে লেনদেনের খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। এদিন মোট লেনদেন হয় এক হাজার ১৫০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজ। তবে ব্যাংকিং খাতে লেনদেন গত কয়েকদিনের তুলনায় বেশ খানিকটা কমেছে। এ খাতে গতকাল লেনদেন হয়েছে ১৯৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার; যা মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। দেশের অপর শেয়ারবাজার সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২০১টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ১৩৭টিরই দর কমে, বাড়ে ৬০টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৪টির দর। সিএসই নির্বাচিত খাত সূচক ২৫৫ দশমিক ৫২ পয়েন্ট কমে ১১৫০৮ দশমিক ৬৩ পয়েন্টে ক্লোজ হয়েছে; সূচক কমার হার ছিল ২ দশমিক ১৭ পয়েন্ট। সিএসইতে এদিন মোট ১৩৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার লেনদেন হয়। |
|
|
| 03/15/2011 5:30 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
বাই ব্যাক সম্পন্ন হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে শেয়ার অবলোপন করতে হবে : বাই ব্যাক পদ্ধতির খসড়া চূড়ান্ত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
বাই ব্যাক সম্পন্ন করার পর ১৫ দিনের মধ্যে এসব শেয়ার অবলোপনের প্রস্তাব করে এ পদ্ধতির খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। শেয়ার অবলোপনসংক্রান্ত তথ্য ৩০ দিনের মধ্যে আরজেএসসি, এসইসি ও ডিপোজিটরিতে প্রেরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গতকাল শেয়ার বাই ব্যাকসংক্রান্ত খসড়ার ওপর দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে তা চূড়ান্ত করেছে এসইসি। কমিশনের পক্ষ থেকে দু-এক দিনের মধ্যেই ওই খসড়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি তার মোট পরিশোধিত মূলধন ও উন্মুক্ত তহবিলের ২৫ শতাংশের বেশি বাই ব্যাক করতে পারবে না। তবে এক আর্থিক বছরে ওই বছরের মোট পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি বাই ব্যাক করা যাবে না। শেয়ার বাই ব্যাকের পর কোম্পানির মোট দায়ের পরিমাণ মূলধন ও উন্মুক্ত তহবিলের দ্বিগুণের বেশি হতে পারবে না। এছাড়া বাই ব্যাকের জন্য নির্ধারিত সব শেয়ার পরিশোধিত হতে হবে।
প্রস্তাবে বাই ব্যাকের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর ১২ মাসের মধ্যে তা কার্যকর করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার আগে কোম্পানি ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ পরিচালকের স্বাক্ষরের মাধ্যমে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজে ঘোষণা দিতে হবে, কোম্পানিটি তার সব দায় পরিশোধে সমর্থ এবং এক বছরের মধ্যে দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কা নেই।
সূত্র জানায়, এসইসির প্রস্তাবে কোম্পানির উন্মুক্ত তহবিল (ফ্রি রিজার্ভ) এবং সিকিউরিটির প্রিমিয়াম হিসাব ব্যবহার করে শেয়ার বাই ব্যাক করার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে কোম্পানির সংঘবিধিতে (মেমোরেন্ডাম) বাই ব্যাকের ব্যবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ থাকতে হবে। এছাড়া শেয়ার বাই ব্যাক করতে হলে সাধারণ সভায় কোম্পানির দুই-তৃতীয়াংশ শেয়ারহোল্ডারের অনুমোদন নিতে হবে। সাধারণ সভার বিজ্ঞপ্তিতে বাই ব্যাকের পূর্ণাঙ্গ তথ্য, প্রয়োজনীয়তা, কোন শ্রেণীর শেয়ার বাই ব্যাক করা হবে—এজন্য বিনিয়োগকৃত অর্থের পরিমাণ, এর উত্স এবং শেয়ার কেনার সময়সীমা উল্লেখ করতে হবে।
বাই ব্যাক পদ্ধতি চালু করার আগে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহ উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, শুধু বণ্টনযোগ্য মুনাফা উদ্বৃত্ত আকারে থাকলে তবেই কোম্পানি শেয়ার বাই ব্যাক করতে পারে।
কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি বা কমে যাওয়ার সঙ্গে বাই ব্যাকের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। যদি দর কমে গেলে বাই ব্যাক করার সুযোগ দেয়া হয় তাহলে শেয়ারের দরের ক্ষেত্রে কারসাজির ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করেন। |
|
|
| 03/15/2011 5:35 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Banglanews24.com
15 Mar 2011 06:56:30 PM Tuesday BdST
মবিল যমুনা, এমআই সিমেন্টে আটকে আছে বিনিয়োগকারীদের এক হাজার কোটি টাকা
--------------------------------------------------------------------------------
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা: মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে সাত লাখ বিনিয়োগকারীর প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থ আদৌ ফেরত পাওয়া যাবে কিনা এ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।
তালিকাভুক্তির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ৬ মাসের বাইব্যাকের যে শর্ত দেওয়া হয়েছে তা আইন সঙ্গত নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর তাই আশাবাদী হতে পারছেন না তারা।
জানা যায়, নিজেদের শেয়ার বাজার থেকে কিনে নেওয়ার জন্য (বাইব্যাক) সরকার এ দু’টি কোম্পানিকে ৬ মাস সময় বেঁধে দিয়েছে। কিন্তু এ দুই কোম্পানির শেয়ার বাইব্যাকের এই বিশেষ শর্ত বাইব্যাক আইনে গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া পর্যাপ্ত রিজার্ভ না থাকলে চাইলেও শেয়ার বাইব্যাক করতে পারবে না তারা। তবে স্পন্সররা চাইলে নিজেদের টাকা দিয়ে বাইব্যাক করতে পারবে।
এ শর্ত নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার কারণে তালিকাভুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মবিল যমুনার পক্ষ থেকে তালিকাভুক্তির জন্য দু’মাস সময় চাওয়া হয়েছে। গত ১৩ মার্চ এসইসি এ আবেদন নাকচ করে দিয়েছে।
এদিকে তালিকাভুক্তিতে বিলম্ব হলে কোম্পানি দু’টিতে সাত লাখ বিনিয়োগকারীর ৯৪৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা আটকে যাবে এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মবিল যমুনার চার কোটি শেয়ারের বিপরীতে চার লাখ বিনিয়োগকারী লটারি পেয়েছেন। এ কোম্পানির মার্কেট-লট ১০০টিতে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৬০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছে।
এমআই সিমেন্টে তিন কোটি শেয়ারের বিপরীতে তিন লাখ বিনিয়োগকারী লটারি পেয়েছেন। এ কোম্পানির মার্কেট লট ১০০টিতে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩৩৪ কোটি টাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
কোম্পানি দু’টির তালিকাভুক্তির অনিশ্চয়তা নিয়ে বাংলাদেশ পাবলিক লিস্টেড কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএপিএলসি) সভাপতি ও এসইসির পরামর্শক কমিটির সদস্য সালমান এফ রহমান বলেন, শেয়ার বাইব্যাকের জন্য এক মাস বা ৬ মাস-- যে সময়ই দেওয়া হোক তা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, এক্ষেত্রে দু’টি পথ খোলা আছে। আর তা হলো কোম্পানি দু’টিকে আইপিওর টাকা ফেরত দিতে হবে অথবা কোনো শর্ত ছাড়াই বাজারে আসার সুযোগ দিতে হবে। এক্ষেত্রে শেয়ারের দর পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বিনিয়োগকারীদেরই নিতে হবে।
এ ব্যাপারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, এ ধরনের শর্ত যুক্তিসঙ্গত নয়। এ শর্ত নিয়ে বাজারে আসার সুযোগ দিলে খারাপ উদাহরণ সৃষ্টি হবে।
|
|
|
|