Page 2 / 2 1 - 2 « previous
NEWS 14.04.2011
04/14/2011 1:51 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
কমিটি রিপোর্ট প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি

রাজু আহমেদ ॥ পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে সরকারগঠিত তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে একটি মহল। সরকার ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে সরাতে বাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে অভিযুক্তরা নানা কৌশলে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালাতে শুরম্ন করেছে। পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণের জনআকাঙ্ৰাকে পাশ কাটিয়ে তদন্ত কমিটির সদস্যদের নিরপেৰতা ও প্রতিবেদনের যথার্থতা নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের প্রবণতা পুঁজিবাজারের খলনায়কদের নতুন ষড়যন্ত্রের সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
এ বিষয়ে সাবেক অর্থ উপদেষ্টা এবং এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে কোন অসম্পূর্ণতা থাকলে তা নিয়ে কথা বলা অন্যায় কিছু নয়। তবে এটাকে মূল ইসু্য বানিয়ে প্রতিবেদনের মৌলিক বিষয়গুলোকে বিতর্কিত করার চেষ্টা কারোই কাম্য হতে পারে না।
তিনি বলেন, তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন মহলে কী ধরনের আলোচনা হচ্ছে সেটা বড় কথা নয়। মূল বিষয় হলো সরকার বিষয়টি নিয়ে কী ভাবছে। তদনত্ম প্রতিবেদনে যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে_সরকারের দিক থেকে তাদের আড়াল করা বা রৰা করার কোন ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তদনত্ম প্রতিবেদনের সামগ্রিক দিকগুলো বিবেচনা করে সরকার সঠিক পদৰেপ নিতে চাইলে_ কোন বিশেষ মহলেরও নেতিবাচক প্রচারণায় খুব বেশি লাভ হবে বলে মনে হয় না।
মাত্র দু'মাস সময়ের মধ্যে পুঁজিবাজারের মতো একটি বিশাল ৰেত্র নিয়ে সামগ্রিক তদনত্ম কার্যক্রম পরিচালনা করা বেশ কঠিন কাজ। তা সত্ত্বেও খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত তদনত্ম কমিটি গত দু'বছরে পুঁজিবাজারে সংঘটিত সব রকম প্রবণতা বিশেস্নষণ করে প্রতিবেদন পেশ করেছে। প্রতিবেদনে যেমন বড় ধরনের কারসাজি ও অনৈতিক কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িতদের সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তেমনি প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা ও শৈথিল সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে মূলধন সংগ্রহের নামে পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য, অস্বাভাবিক প্রিমিয়ামসহ নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি এবং বিশেষ মহলের সুবিধা সৃষ্টির জন্য আইন ও বিধি-বিধান সংশোধনে প্রভাব বিসত্মারকারীদের সম্পর্কেও তথ্য তুলে ধরেছে তদনত্ম কমিটি। এসব ৰেত্রে জড়িতদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে না পারলেও অনেকের সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য দেয়া হয়েছে। এসব তথ্য উলেস্নখ করে সংশিস্নষ্টদের বিরম্নদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের সরকারের পৰ থেকে অধিকতর তদনত্মের সুপারিশ করেছে তদনত্ম কমিটি।
প্রতিবেদন পেশ করার আগে তদনত্ম কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ জনকণ্ঠকে বলেছিলেন, 'সময় সীমিত হলেও আমরা কখনোই দায়সারাভাবে কাজ শেষ করতে চাইনি। শুরম্ন থেকেই আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদনত্ম শেষ করার বিষয়ে সচেতন ছিলাম। এ কারণে কম সময়ে সবচেয়ে বেশি কাজ করার চেষ্টা করেছি। এমন একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে চেয়েছি যাতে সরকার চাইলে পুঁজিবাজারে কারসাজির কারণ ও এর নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের সহেজই শনাক্ত করতে পারে। পাশাপাশি সরকার ইচ্ছা করলে তদনত্ম প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পুঁজিবাজারের আমূল সংস্কার সাধন করতে পারবে_যা কারসাজি বন্ধের ৰেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রাখতে সৰম।'
তদনত্ম প্রতিবেদনে প্রকৃত অর্থেই তাঁর এই বক্তব্যের প্রতিফলন দেখা গেছে। তদনত্ম প্রতিবেদনে বাজারে কারসাজির প্রবণতাগুলো চিহ্নিত করে এর পদ্ধতিগত সমস্যাগুলো তুলে ধরার দিকে বেশি গুরম্নত্ব দেয়া হয়েছে। সীমিত সময়ের মধ্যে প্রতিটি সমস্যা চিহ্নিত করতে গিয়ে দৈবচয়ন ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাজার সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলোচনা ও বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ পর্যালোচনা করে আইন, বিধি-বিধান ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করার পাশাপাশি কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অনৈতিক প্রবণতা বন্ধ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি রোধে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক সংস্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন ৰেত্রে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তবে অধিকাংশ ৰেত্রেই ঘটনাপরম্পরা এবং সামগ্রিক প্রবণতা বিশেস্নষণ করে অনৈতিক কমর্কা-ের বিষয়গুলো উলেস্নখ করা হয়েছে। কমিটির মেয়াদ মাত্র দু'মাসের হওয়ায় সব বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মতো সুস্পষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সন্দেহজনক তৎপরতার বিবরণ তুলে ধরে অধিকতর তদনত্মের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। কোন কোন ৰেত্রে অনৈতিক কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িতদের বিরম্নদ্ধে সরকারী সংস্থার মাধ্যমে তদনত্ম করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
তদনত্ম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'পুঁজিবাজারে সংঘটিত বিপুল অনিয়ম-অনৈতিকতা এবং অনিয়ম-অনৈতিকতার সঙ্গে জড়িত বিশাল অঙ্কের লেনদেন পর্যালোচনায় তদনত্ম কমিটির অনুমতি হলো, এ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি বিদ্যমান। একেকটি লেনদেন তদনত্ম করে দুর্নীতি নিরূপণ করা বেশ সময়সাপেক্ষ। সামগ্রিক লেনদেন তদনত্ম করে দুর্নীতির সামগ্রিক চিত্র উন্মোচন অসম্ভব না হলেও কয়েক বছরের কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজন। তদনত্ম কমিটি অল্প কয়েকটি নমুনা হিসাবের লেনদেন পরীক্ষার সিদ্ধানত্ম নেয়। এত অল্পসংখ্যক নমুনায় দুর্নীতি থাকতে পারে, নাও থাকতে পারে, কারণ সব হিসাবেই দুর্নীতি থাকে না। তবে পরীক্ষানত্মে কমিটি নিশ্চিত হয়েছে যে, এত অল্প নমুনার মধ্যেও দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে। দুর্নীতির নির্দেশক হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে প্রাপ্ত তথ্যগুলো পরিবেশিত হলো। এসইসি পুনর্গঠিত হয়ে সক্ষমতা অর্জন করলে, একই প্রক্রিয়ায় সংস্থাটি সন্দেহজনক লেনদেন হিসাব পরীক্ষাকার্য গ্রহণ করতে পারে।'
স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তদনত্ম প্রতিবেদন পেশ করার কারণে প্রশংসা প্রাপ্য হলেও গত কয়েকদিন ধরে তদনত্ম কমিটির কর্মকা-কে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। তদনত্ম প্রতিবেদনে কী আছে এবং এর ভিত্তিতে সরকারের পৰ থেকে কী ধরনের পদৰেপ নেয়া উচিত_ সেসব আলোচনা ছাপিয়ে এখন প্রতিবেদনের অসম্পূর্ণতাকে মূল আলোচ্য বিষয়ে পরিণত করার চেষ্টা করছে একটি মহল। বিশেষ করে শেয়ারবাজারের খলনায়কদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ঘোষণার পর এসব প্রবণতা বেশি লৰ্য করা যাচ্ছে। তদনত্মের মাধ্যমে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনৈতিক কর্মকা-ের প্রমাণ পাওয়া যায়নি_তাদের বিষয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। একইসঙ্গে তদনত্ম কমিটির সদস্যদের নিরপেৰতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আড়াল করতেই এ ধরনের 'বেস্নইম গেম' চালানো হচ্ছে বলে বিশেস্নষকদের ধারণা।
তদনত্ম প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক উত্থান ও পরবর্তী বিপর্যয়ের জন্য বেশকিছু ব্যক্তি বিনিয়োগকারী পাশাপাশি কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও দায়ী করেছে। বেশ কয়েকটি ব্যাংকের কর্মকা- সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরে তাদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি ও স্টক এঙ্চেঞ্জের সমন্বয়হীনতাও যে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে সে বিষয়টিও স্পষ্টভাবে উলেস্নখ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও শেয়ারবাজার পতনের জন্য কেন বাংলাদেশ ব্যাংককে দায়ী করা হলো না_সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধানত্ম বা কর্মকা- ব্যাপকভাবে পর্যালোচনা করার বিষয়টি তদনত্ম কমিটির কার্যপরিধিতে ছিল না। তাছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব সিদ্ধানত্ম পরোৰভাবে পুঁজিবাজারে প্রভাব ফেলেছে_সেসব সিদ্ধানত্ম ছিল সামগ্রিক অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সংশিস্নষ্ট। পুঁজিবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর আগ্রাসী অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণে ২০০৯ সালের এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নানা পদৰেপ নিলেও পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্টদের আপত্তিতেই সময় বাড়ানো হয়েছে। আর পুঁজিবাজারের সঙ্কট নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা গ্রহণের বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে এসইসির ওপর। এসইসি এ বিষয়ে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। উল্টো বাংলাদেশ ব্যাংক দু'একবার এসইসির সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করলেও তাতে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যায়নি বলে তদনত্ম প্রতিবেদনে উলেস্নখ করা হয়েছে।
তদনত্ম প্রতিবেদনে এসইসির চেয়ারম্যানসহ কয়েক কর্মকর্তার অনৈতিক কমর্কা-ের সুনির্দিষ্ট তথ্য উপস্থাপন করে তাদের অপসারণের সুপারিশ করা হয়েছে। পুনর্গঠনের মাধ্যমে এসইসিকে একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু এসব সুপারিশ বাসত্মবায়নের দাবি না তুলে যেসব কর্মকর্তার বিরম্নদ্ধে অনৈতিক কর্মকা-ের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তারা কেন অভিযুক্ত হলেন না_এ ধরনের অবানত্মর প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত দু'বছরে পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দিতে এসইসি যেসব সিদ্ধানত্ম নিয়েছে, কমিশনের একজন সদস্য প্রতিটি ৰেত্রেই আপত্তি তুলেছেন। বিশেষ করে সরাসরি তালিকাভুক্তি, বুকবিল্ডিংয়ের মাধ্যমে অতি মূল্যায়িত শেয়ারবাজারে নিয়ে আসা, পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য, অগ্রাধিকার শেয়ারে কারসাজি বন্ধের জন্য ওই সদস্য সব সময় সোচ্চার ছিলেন। কিন্তু কমিশন চেয়ারম্যান এবং আরেক সদস্য মনসুর আলম সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সব রকম অনৈতিক প্রসত্মাব কমিশন সভায় পাস করিয়ে নিয়েছেন।
পুঁজিবাজারের সুবিধাবাদী মহল সব সময়ই ওই সদস্যের ওপর ৰিপ্ত ছিলেন। তার সততা ও দৰতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পেরে 'পুঁজিবাজার সম্পর্কে নেতিবাচক' ব্যক্তি আখ্যায়িত করে বেশ কয়েক বার সরকারের নীতি-নির্ধারকদের বিভ্রানত্ম করারও চেষ্টা করা হয়েছে। অথচ বাজারের অতি মূল্যায়ন ও বিপর্যয়কালে ওই সদস্যই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ এবং সরকারের মর্যাদা রৰায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু তদনত্ম প্রতিবেদনে কেন তার নাম নেই_ এই প্রশ্ন তুলে এখন বড় ধরনের বিভ্রানত্মি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ক্যাপিটাল ইসু্য বিভাগের দায়িত্ব যার হাতে তদনত্ম কমিটি কেন তাকে ছাড় দিয়েছে? প্রকৃতপৰে সংশিস্নষ্ট বিভাগের দায়িত্বে থাকলেই এসইসির কোন সদস্য এককভাবে কোন সিদ্ধানত্ম গ্রহণ বা বাতিল করতে পারেন না। কমিশন সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধানত্ম হয়। আবার সদস্যদের আপত্তি বা সম্মতি থাকলেও চেয়ারম্যান নিজ ৰমতা বলে তা স্থগিত রাখতে পারেন।
এসব যৌক্তিক বিষয়কে পাশ কাটিয়ে তদনত্ম কমিটির প্রধান ইব্রাহিম খালেদের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের অতীত সম্পর্ক সামনে এনে সরকার ও বিনিয়োগকারীদের বিভ্রানত্ম করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি এসইসি ও স্টক এঙ্চেঞ্জের যেসব কর্মকর্তা তদনত্ম কাজে আনত্মরিক সহহযোগিতা করেছেন, তাদেরকে নানাভাবে চাপের মুখে ফেলা হচ্ছে। এ ধরনের প্রবণতা পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে সংশয়ের জন্ম দিতে পারে_ যা প্রকৃত অপরাধীদের আড়ালে থাকার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
Quote   
04/14/2011 1:51 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
পুঁজিবাজারে আরেক দফা মূল্য সংশোধন
বিশেষজ্ঞদের মতে বাজার স্বাভাবিক, আতঙ্কের কিছু নেই

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও বাংলাদেশ ফান্ড নিয়ে নানামুখী আলোচনায় অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর পর্যবেক্ষণশীল মনোভাবের কারণে পুঁজিবাজারের লেনদেনে কিছুটা শস্নথগতি বিরাজ করছে। বুধবার সপ্তাহের শেষ লেনদেনে দিনের অধিকাংশ সময় অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধি সত্ত্বেও শেষ দিকের সংশোধনের কারণে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে সূচক কমেছে। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৩৬.৮৭ পয়েন্ট এবং চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) নির্বাচিত সূচক ৪০.৯৬ পয়েন্ট কমেছে। তবে উভয় স্টক এঙ্চেঞ্জে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে।
শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক আখ্যায়িত করে বাজার বিশেস্নষকরা বলছেন, টানা সাড়ে তিন মাস ধরে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি বিরাজ করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার ধরে রাখার প্রবণতা কমে গেছে। শেয়ার কেনার পর সামান্য মুনাফা হলেই বিক্রির দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। এর ফলে বাজার ঘন ঘন সংশোধন হচ্ছে। তাছাড়া বাজারে সামান্য নেতিবাচক কোন খবর ছড়িয়ে পড়লেই বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। বর্তমানে তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা হচ্ছে। সরকারের দিক থেকে কোন সিদ্ধানত্ম না এলেও বিভিন্ন মহল থেকে বিভ্রানত্মি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা এসব আলোচনায় প্রভাবিত হয়ে শেয়ার কেনা-বেচা করছেন। গত চার কার্যদবিসেই বাজারে এই প্রবণতা দেখা গেছে। তাঁরা মনে করেন, বাজারের গতি-প্রকৃতিতে বিনিয়োগকারীদের কোনভাবেই আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। একটু ধৈর্য ধরলেই বাজার ভাল হয়ে যায়।
বিশেস্নষকদের মতে, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ৰেত্রে এখন ঝুঁকির মাত্রা অনেকটা কমে গেছে। অধিকাংশ মৌলভিত্তির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের অনুপাত (পিই রেশিও) এখন ভাল অবস্থায় রয়েছে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি সব ধরনের বিনিয়োগকারীর জন্যই ইতিবাচক। এই মুহূর্তে বিনিয়োগ করা হলে লোকসানের আশঙ্কা খুবই কম। তাই বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তাঁদের উচিত মৌলভিত্তি দেখে আস্থার সঙ্গে বিনিয়োগ করা।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের পুঁজিবাজারকে স্বাভাবিক গতিতে চলতে দিতে হলে এই মুহূর্তে বড় প্রয়োজন বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করে আস্থা ফিরিয়ে আনা। এ জন্য বাজার সংশিস্নষ্ট সকল পক্ষকে আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি সময়ৰেপণ না করে তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে সরকারের সিদ্ধানত্ম ঘোষণা করা প্রয়োজন। তা না হলে বাজারে কিছুটা দরপতন হলেই বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়বে_ যা আরও বড় পতনের পথ ত্বরান্বিত করবে।
বুধবার দিনের লেনদেন শুরম্নর পর সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ডিএসই সাধারণ সূচক ৭২ পয়েন্ট বেড়ে ৬৪৯৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়। তবে পরবর্তী ২৫ মিনিটে ডিএসই তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় সূচক বাড়ার হার কিছুটা কমে যায়। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যনত্ম ডিএসই সাধারণ সূচক ৩৭.৩৭ পয়েন্ট বেড়ে ৬৪৬০ দশমিক ৬০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এরপর কয়েক দফা উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়। শেষ পর্যনত্ম লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোম্পানির মধ্যে ৯৮টির দর বৃদ্ধি পায়। এর বিপরীতে ১৫৭টির হ্রাস প্রায় এবং ১টির অপরিবর্তিত থাকে। এতে দিন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ৩৬.৮৬ পয়েন্ট কমে ৬৩৮৬.৩৫ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
সারা দিনে ডিএসইতে হাতবদল হয়েছে ৮ কোটি ৭৬ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৪টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড। লেনদেন হওয়া এসব সিকিউরিটিজের মূল্য ৮৫৫ কোটি ৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা_ যা আগের দিনের চেয়ে ৬৩ কোটি টাকা বেশি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৬০.৬৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৭৮৮৪.৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২০৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৭৯টির, কমেছে ১২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠানের। সিএসইতে মোট ৮৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
Quote   
04/14/2011 1:51 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
একটিভ ফাইন কেমিক্যাল ও নর্দার্ন ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০১০ সালের লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একটিভ ফাইন কেমিক্যাল এবং নর্দার্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এরমধ্যে একটিভ ফাইন কেমিক্যাল ১৫ শতাংশ হারে এবং নর্দার্ন ইন্সু্যরেন্স ১২ শতাংশ হারে বোনাস লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
একটিভ ফাইন কেমিক্যাল ॥ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে। কোম্পানির বার্ষিক সাধরণ সভা (এজিএম) ২১ জুন সকাল ১১টায় রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত আইডিইবি ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে ২৭ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১০ সালে শাহজালাল ব্যাংকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ১২ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৫ টাকা ৪ পয়সা।
নর্দার্ন ইন্স্যুরেন্স ॥ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২০ জুন সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে ২৭ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১০ সালে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১১ টাকা ১৯ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১১৮ টাকা ৫০ পয়সা।

পাখাপলস্নীর শিল্পীরা এখন মহাব্যস্ত
খোকন আহম্মেদ হীরা, গৌরনদী ॥ "ওরে ও তালের পাখা শীত কালেতে দ্যাও না দেখা....গ্রীষ্মকালে প্রাণের সখা/ তোমার হাত পাখার বাতাসে....প্রাণ জুড়িয়ে আসে" গ্রীষ্মের মাসেই মনে পড়ে এসব গানের কথা। আর ক'দিন পরেই পহেলা বৈশাখ। দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার বসবে মাসব্যাপী বৈশাখী মেলা। মেলায় তালপাখা সরবরাহ করতে হবে। তাই এখন মহাব্যসত্ম সময় কাটাচ্ছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার উত্তর চাঁদশী গ্রামের পাখাপলস্নীর শিল্পীরা। এ পলস্নীর তালপাখা বিক্রি হয় বিভিন্ন মেলা, হাটবাজার, বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন দোকানে।
গ্রীষ্মকালে বিদু্যতের লোডশেডিংয়ে প্রচ- দাপদাহ থেকে একটু স্বসত্মি পেতে সকলের হাতেই দেখা যায় তালের হাত পাখা। আর এসব পাখা তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন গৌরনদী উপজেলার উত্তর চাঁদশী গ্রামের শতাধিক পরিবার। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ওইসব পরিবারের সদস্যরা তাল পাতা দিয়ে হাত পাখা তৈরি করছেন। এরই মধ্যে উপকরণের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় অর্থাভাবে এখানকার অনেকেই পেশা পরিবর্তন করেছেন। যাঁরা এখনও এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন তাঁরা সরকারের সংশিষ্ট দফতরের পৃষ্ঠপোষকতা চেয়েছেন। সুদমুক্ত ঋণ দিয়ে হসত্মশিল্পটিতে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সর্বসত্মরে এখন জোর দাবি উঠেছে। গ্রামটির নাম চাঁদশী হলেও পাখা তৈরির এলাকাটি 'পাখাপলস্নী' নামেই সবার কাছে পরিচিত।
ওই পলস্নীর হাসেম খলিফা (৬০) জানান, গত ২০ বছর ধরে তিনি পাখা বানানোর কাজ করছেন। তাঁর পরিবারের সদস্যদের হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের ফলে তিনি এখনও এ পেশায় টিকে আছেন। বর্তমানে পাখা তৈরির প্রধান উপকরণ তাল পাতার তীব্র সঙ্কট চলছে। গৌরনদীসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে অধিক মূল্যে তাঁদের তালপাতা ও বাঁশ ক্রয় করতে হচ্ছে। বছরের নয় মাসই তাঁরা এ কাজ করে থাকেন। হাসেমের পরিবারের সাত সদস্য এ কাজের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তাঁর কন্যা শিমু আক্তার নবম ও কাজল দশম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত। স্কুল থেকে ফিরেই বাবার সঙ্গে একত্রিতভাবে পাখা বানানোর কাজ করছেন। রোগাক্রানত্ম হাসেমের সাত সদস্যর সংসার চলছে হাত পাখা বানিয়েই। তাঁর পরিবারের সকলে মিলে একদিন এক শ' পিস করে পাখা তৈরি করতে পারেন। প্রতিটি পাখা তৈরি করতে তাঁদের খরচ হয় দু'টাকা আর পাইকারি হিসেবে বিক্রি করছেন তিন টাকায়।
Quote   
04/14/2011 1:52 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির সময় আরও এক সপ্তাহ বৃদ্ধি
ডিএসই, সিএসই এবং সংশিস্নষ্ট কোম্পানিকে চিঠি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মবিল যমুনা লুব্রিকেন্টের (এমজেএল) তালিকাভুক্তির সময়সীমা আরও এক সপ্তাহ বৃদ্ধি করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কোম্পানিটি পৰ থেকে দু'সপ্তাহ সময় বাড়ানোর আবেদন করা হলেও তালিকাভুক্তির জন্য আগামী ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার কমিশনের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে যায়।
আইপিওর মাধ্যমে প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা জমা নেয়ার শেষ সময়ের হিসাবে গত ৩১ মার্চ মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির শেষ দিন। তবে ওই সময়ের মধ্যে জটিলতা না কাটায় কোম্পানির আবেদনের প্রেৰিতে তালিকাভুক্তির সময়সীমা দু'সপ্তাহ বৃদ্ধি করেছিল এসইসি। সে অনুযায়ী গতকাল বুধবার ওই সময়সীমা শেষ হয়েছে। তবে এই সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধান হওয়ায় আরও দু'সপ্তাহ সময় বাড়ানোর আবেদন করে কোম্পানিটি। এর প্রেৰিতে এক সপ্তাহ সময় বাড়িয়েছে এসইসি।
সর্বশেষ মবিল যমুনা লুব্রিকেন্ট (এমজেএল) প্রাথমিক গণ-প্রসত্মাবে (আইপিও) শেয়ার বরাদ্দপ্রাপ্তদের ৩০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দেয়ার প্রসত্মাব করা হয়। এ বিষয়ে বিসত্মারিত জানতে গত রবিবার ডিএসই পরিচালনা পর্ষদের সভায় এমজেএলের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে শেষ পর্যনত্ম কোম্পানির এই প্রসত্মাব নাকচ করে দেয় ডিএসই।
উলেস্নখ্য, মবিল যমুনা লুব্রিকেন্ট লিমিটেড (এমজেএল) পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। এজন্য শেয়ারপ্রতি ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৬০৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। মবিল যমুনা লুব্রিকেন্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে মবিল যমুনার পিই দাঁড়ায় ৬২।
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ডাকা বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার প্রবণতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের নির্ধারিত মূল্যকে কোম্পানির মৌলভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংক্রানত্ম বিধি সংশোধন করে স্থায়ীভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় এ দু'টি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতার শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্ত আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এবারো লভ্যাংশ দিচ্ছে না আইসিবি ইসলামী ব্যাংক
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বিপুল পরিমাণ লোকসানের বোঝা কাটিয়ে উঠতে না পারায় এবারো সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দিচ্ছে না আইসিবি ইসলামী ব্যাংক লিমিটডে। গত এক বছরে ব্যাংকটি সর্বমোট ১৩৫ কোটি ৮২ লাখ ৪০ হাজার টাকা লোকসান দিয়েছে। এ নিয়ে ব্যাংকের পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১ হাজার ২৪৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
২০১০ সালের নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ২ টাকা ৪ পয়সা। বছর শেষে কোম্পানির মোট সম্পদের পরিমাণও নেতিবাচক পর্যায়ে রয়েছে। সম্পদের তুলনায় শেয়ারপ্রতি ঋণের পরিমাণ ৮ টাকা ৭৩ পয়সা বেশি।
ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২১ জুন সকাল ১১টায় আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য ৫ মে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে।
Quote   
04/14/2011 1:55 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
আবারো এমজেএল'র তালিকাভুক্তির সময় বাড়ল

ঢাকা, ১৩ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): আবারো মোবিল যমুনা লুব্রিকেন্টস (এমজেএল) বাংলাদেশ লিমিটেডের তালিকাভুক্তির সময় বাড়াল সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ বুধবার কমিশনের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে এসইসি সূত্রে জানা যায়।
এ নিয়ে এমজেএল'র তালিকাভুক্তির মেয়াদ দ্বিতীয় বারের মত বাড়ানো হলো। এবার সময় বাড়ানো হয়েছে এক সপ্তাহ। এসইসি'র এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির তালিকাভুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।
এর আগে গত ২৭ মার্চ এমজেএল'র তালিকাভুক্তির মেয়াদ দু'সপ্তাহ বাড়ায় এসইসি। সে মোতাবেক আগামীকাল শেষ হচ্ছে তালিকাভুক্তির সময়।
নিয়মানুসারে ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক। সে অনুসারে ৩১ মার্চ এমজেএল'র তালিকাভুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকা সত্ত্বেও দু'দফা সময় বাড়াল এসইসি।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের রোববার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) বোর্ড সভায় এমজেএলকে তালিকাভুক্ত না করা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে একই দিন চিটাগাং স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) লিস্টিং কমিটির বৈঠকে এমজেএলকে তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। লিস্টিং কমিটির বৈঠক থেকে তা বোর্ডে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
Quote   
Page 2 / 2 1 - 2 « previous
Login with Facebook to post
Preview