 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
কমিটি রিপোর্ট প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি
রাজু আহমেদ ॥ পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে সরকারগঠিত তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে একটি মহল। সরকার ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে সরাতে বাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে অভিযুক্তরা নানা কৌশলে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালাতে শুরম্ন করেছে। পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণের জনআকাঙ্ৰাকে পাশ কাটিয়ে তদন্ত কমিটির সদস্যদের নিরপেৰতা ও প্রতিবেদনের যথার্থতা নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের প্রবণতা পুঁজিবাজারের খলনায়কদের নতুন ষড়যন্ত্রের সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
এ বিষয়ে সাবেক অর্থ উপদেষ্টা এবং এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে কোন অসম্পূর্ণতা থাকলে তা নিয়ে কথা বলা অন্যায় কিছু নয়। তবে এটাকে মূল ইসু্য বানিয়ে প্রতিবেদনের মৌলিক বিষয়গুলোকে বিতর্কিত করার চেষ্টা কারোই কাম্য হতে পারে না।
তিনি বলেন, তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে বিভিন্ন মহলে কী ধরনের আলোচনা হচ্ছে সেটা বড় কথা নয়। মূল বিষয় হলো সরকার বিষয়টি নিয়ে কী ভাবছে। তদনত্ম প্রতিবেদনে যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে_সরকারের দিক থেকে তাদের আড়াল করা বা রৰা করার কোন ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তদনত্ম প্রতিবেদনের সামগ্রিক দিকগুলো বিবেচনা করে সরকার সঠিক পদৰেপ নিতে চাইলে_ কোন বিশেষ মহলেরও নেতিবাচক প্রচারণায় খুব বেশি লাভ হবে বলে মনে হয় না।
মাত্র দু'মাস সময়ের মধ্যে পুঁজিবাজারের মতো একটি বিশাল ৰেত্র নিয়ে সামগ্রিক তদনত্ম কার্যক্রম পরিচালনা করা বেশ কঠিন কাজ। তা সত্ত্বেও খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত তদনত্ম কমিটি গত দু'বছরে পুঁজিবাজারে সংঘটিত সব রকম প্রবণতা বিশেস্নষণ করে প্রতিবেদন পেশ করেছে। প্রতিবেদনে যেমন বড় ধরনের কারসাজি ও অনৈতিক কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িতদের সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তেমনি প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা ও শৈথিল সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে মূলধন সংগ্রহের নামে পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য, অস্বাভাবিক প্রিমিয়ামসহ নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি এবং বিশেষ মহলের সুবিধা সৃষ্টির জন্য আইন ও বিধি-বিধান সংশোধনে প্রভাব বিসত্মারকারীদের সম্পর্কেও তথ্য তুলে ধরেছে তদনত্ম কমিটি। এসব ৰেত্রে জড়িতদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে না পারলেও অনেকের সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য দেয়া হয়েছে। এসব তথ্য উলেস্নখ করে সংশিস্নষ্টদের বিরম্নদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের সরকারের পৰ থেকে অধিকতর তদনত্মের সুপারিশ করেছে তদনত্ম কমিটি।
প্রতিবেদন পেশ করার আগে তদনত্ম কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ জনকণ্ঠকে বলেছিলেন, 'সময় সীমিত হলেও আমরা কখনোই দায়সারাভাবে কাজ শেষ করতে চাইনি। শুরম্ন থেকেই আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদনত্ম শেষ করার বিষয়ে সচেতন ছিলাম। এ কারণে কম সময়ে সবচেয়ে বেশি কাজ করার চেষ্টা করেছি। এমন একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে চেয়েছি যাতে সরকার চাইলে পুঁজিবাজারে কারসাজির কারণ ও এর নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের সহেজই শনাক্ত করতে পারে। পাশাপাশি সরকার ইচ্ছা করলে তদনত্ম প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পুঁজিবাজারের আমূল সংস্কার সাধন করতে পারবে_যা কারসাজি বন্ধের ৰেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রাখতে সৰম।'
তদনত্ম প্রতিবেদনে প্রকৃত অর্থেই তাঁর এই বক্তব্যের প্রতিফলন দেখা গেছে। তদনত্ম প্রতিবেদনে বাজারে কারসাজির প্রবণতাগুলো চিহ্নিত করে এর পদ্ধতিগত সমস্যাগুলো তুলে ধরার দিকে বেশি গুরম্নত্ব দেয়া হয়েছে। সীমিত সময়ের মধ্যে প্রতিটি সমস্যা চিহ্নিত করতে গিয়ে দৈবচয়ন ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাজার সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলোচনা ও বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ পর্যালোচনা করে আইন, বিধি-বিধান ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করার পাশাপাশি কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অনৈতিক প্রবণতা বন্ধ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি রোধে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক সংস্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন ৰেত্রে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তবে অধিকাংশ ৰেত্রেই ঘটনাপরম্পরা এবং সামগ্রিক প্রবণতা বিশেস্নষণ করে অনৈতিক কমর্কা-ের বিষয়গুলো উলেস্নখ করা হয়েছে। কমিটির মেয়াদ মাত্র দু'মাসের হওয়ায় সব বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মতো সুস্পষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সন্দেহজনক তৎপরতার বিবরণ তুলে ধরে অধিকতর তদনত্মের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। কোন কোন ৰেত্রে অনৈতিক কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িতদের বিরম্নদ্ধে সরকারী সংস্থার মাধ্যমে তদনত্ম করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
তদনত্ম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'পুঁজিবাজারে সংঘটিত বিপুল অনিয়ম-অনৈতিকতা এবং অনিয়ম-অনৈতিকতার সঙ্গে জড়িত বিশাল অঙ্কের লেনদেন পর্যালোচনায় তদনত্ম কমিটির অনুমতি হলো, এ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি বিদ্যমান। একেকটি লেনদেন তদনত্ম করে দুর্নীতি নিরূপণ করা বেশ সময়সাপেক্ষ। সামগ্রিক লেনদেন তদনত্ম করে দুর্নীতির সামগ্রিক চিত্র উন্মোচন অসম্ভব না হলেও কয়েক বছরের কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজন। তদনত্ম কমিটি অল্প কয়েকটি নমুনা হিসাবের লেনদেন পরীক্ষার সিদ্ধানত্ম নেয়। এত অল্পসংখ্যক নমুনায় দুর্নীতি থাকতে পারে, নাও থাকতে পারে, কারণ সব হিসাবেই দুর্নীতি থাকে না। তবে পরীক্ষানত্মে কমিটি নিশ্চিত হয়েছে যে, এত অল্প নমুনার মধ্যেও দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে। দুর্নীতির নির্দেশক হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে প্রাপ্ত তথ্যগুলো পরিবেশিত হলো। এসইসি পুনর্গঠিত হয়ে সক্ষমতা অর্জন করলে, একই প্রক্রিয়ায় সংস্থাটি সন্দেহজনক লেনদেন হিসাব পরীক্ষাকার্য গ্রহণ করতে পারে।'
স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পুঁজিবাজারের সামগ্রিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তদনত্ম প্রতিবেদন পেশ করার কারণে প্রশংসা প্রাপ্য হলেও গত কয়েকদিন ধরে তদনত্ম কমিটির কর্মকা-কে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। তদনত্ম প্রতিবেদনে কী আছে এবং এর ভিত্তিতে সরকারের পৰ থেকে কী ধরনের পদৰেপ নেয়া উচিত_ সেসব আলোচনা ছাপিয়ে এখন প্রতিবেদনের অসম্পূর্ণতাকে মূল আলোচ্য বিষয়ে পরিণত করার চেষ্টা করছে একটি মহল। বিশেষ করে শেয়ারবাজারের খলনায়কদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ঘোষণার পর এসব প্রবণতা বেশি লৰ্য করা যাচ্ছে। তদনত্মের মাধ্যমে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনৈতিক কর্মকা-ের প্রমাণ পাওয়া যায়নি_তাদের বিষয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। একইসঙ্গে তদনত্ম কমিটির সদস্যদের নিরপেৰতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আড়াল করতেই এ ধরনের 'বেস্নইম গেম' চালানো হচ্ছে বলে বিশেস্নষকদের ধারণা।
তদনত্ম প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারের অস্বাভাবিক উত্থান ও পরবর্তী বিপর্যয়ের জন্য বেশকিছু ব্যক্তি বিনিয়োগকারী পাশাপাশি কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও দায়ী করেছে। বেশ কয়েকটি ব্যাংকের কর্মকা- সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরে তাদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি ও স্টক এঙ্চেঞ্জের সমন্বয়হীনতাও যে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে সে বিষয়টিও স্পষ্টভাবে উলেস্নখ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও শেয়ারবাজার পতনের জন্য কেন বাংলাদেশ ব্যাংককে দায়ী করা হলো না_সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধানত্ম বা কর্মকা- ব্যাপকভাবে পর্যালোচনা করার বিষয়টি তদনত্ম কমিটির কার্যপরিধিতে ছিল না। তাছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব সিদ্ধানত্ম পরোৰভাবে পুঁজিবাজারে প্রভাব ফেলেছে_সেসব সিদ্ধানত্ম ছিল সামগ্রিক অর্থনীতি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সংশিস্নষ্ট। পুঁজিবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর আগ্রাসী অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণে ২০০৯ সালের এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নানা পদৰেপ নিলেও পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্টদের আপত্তিতেই সময় বাড়ানো হয়েছে। আর পুঁজিবাজারের সঙ্কট নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা গ্রহণের বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে এসইসির ওপর। এসইসি এ বিষয়ে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। উল্টো বাংলাদেশ ব্যাংক দু'একবার এসইসির সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করলেও তাতে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যায়নি বলে তদনত্ম প্রতিবেদনে উলেস্নখ করা হয়েছে।
তদনত্ম প্রতিবেদনে এসইসির চেয়ারম্যানসহ কয়েক কর্মকর্তার অনৈতিক কমর্কা-ের সুনির্দিষ্ট তথ্য উপস্থাপন করে তাদের অপসারণের সুপারিশ করা হয়েছে। পুনর্গঠনের মাধ্যমে এসইসিকে একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু এসব সুপারিশ বাসত্মবায়নের দাবি না তুলে যেসব কর্মকর্তার বিরম্নদ্ধে অনৈতিক কর্মকা-ের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তারা কেন অভিযুক্ত হলেন না_এ ধরনের অবানত্মর প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত দু'বছরে পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দিতে এসইসি যেসব সিদ্ধানত্ম নিয়েছে, কমিশনের একজন সদস্য প্রতিটি ৰেত্রেই আপত্তি তুলেছেন। বিশেষ করে সরাসরি তালিকাভুক্তি, বুকবিল্ডিংয়ের মাধ্যমে অতি মূল্যায়িত শেয়ারবাজারে নিয়ে আসা, পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য, অগ্রাধিকার শেয়ারে কারসাজি বন্ধের জন্য ওই সদস্য সব সময় সোচ্চার ছিলেন। কিন্তু কমিশন চেয়ারম্যান এবং আরেক সদস্য মনসুর আলম সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সব রকম অনৈতিক প্রসত্মাব কমিশন সভায় পাস করিয়ে নিয়েছেন।
পুঁজিবাজারের সুবিধাবাদী মহল সব সময়ই ওই সদস্যের ওপর ৰিপ্ত ছিলেন। তার সততা ও দৰতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পেরে 'পুঁজিবাজার সম্পর্কে নেতিবাচক' ব্যক্তি আখ্যায়িত করে বেশ কয়েক বার সরকারের নীতি-নির্ধারকদের বিভ্রানত্ম করারও চেষ্টা করা হয়েছে। অথচ বাজারের অতি মূল্যায়ন ও বিপর্যয়কালে ওই সদস্যই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ এবং সরকারের মর্যাদা রৰায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু তদনত্ম প্রতিবেদনে কেন তার নাম নেই_ এই প্রশ্ন তুলে এখন বড় ধরনের বিভ্রানত্মি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ক্যাপিটাল ইসু্য বিভাগের দায়িত্ব যার হাতে তদনত্ম কমিটি কেন তাকে ছাড় দিয়েছে? প্রকৃতপৰে সংশিস্নষ্ট বিভাগের দায়িত্বে থাকলেই এসইসির কোন সদস্য এককভাবে কোন সিদ্ধানত্ম গ্রহণ বা বাতিল করতে পারেন না। কমিশন সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধানত্ম হয়। আবার সদস্যদের আপত্তি বা সম্মতি থাকলেও চেয়ারম্যান নিজ ৰমতা বলে তা স্থগিত রাখতে পারেন।
এসব যৌক্তিক বিষয়কে পাশ কাটিয়ে তদনত্ম কমিটির প্রধান ইব্রাহিম খালেদের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের অতীত সম্পর্ক সামনে এনে সরকার ও বিনিয়োগকারীদের বিভ্রানত্ম করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি এসইসি ও স্টক এঙ্চেঞ্জের যেসব কর্মকর্তা তদনত্ম কাজে আনত্মরিক সহহযোগিতা করেছেন, তাদেরকে নানাভাবে চাপের মুখে ফেলা হচ্ছে। এ ধরনের প্রবণতা পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে সংশয়ের জন্ম দিতে পারে_ যা প্রকৃত অপরাধীদের আড়ালে থাকার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন। |