| 04/13/2011 1:28 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
ডিএসইতে সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
বড় ধরনের দরপতনের পর গতকাল শেয়ারবাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও ব্যাপকহারে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। তিন দিন টানা হাজার কোটি টাকারও বেশি লেনদেন হলেও গতকাল তা নেমে এসেছে ৮০০ কোটি টাকার নিচে। লেনদেন হয়েছে ৭৯২ কোটি ৫৬ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকার শেয়ার। মাত্র একদিনের ব্যবধানেই লেনদেন কমেছে ৪৩১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এ মাসের মধ্যে গতকালই সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। এর আগে ডিএসইতে গত ৩০ মার্চ সর্বনিম্ন ৭৪৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। আগের দিন শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হলেও আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল। অথচ গতকাল অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি হলেও লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়াকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শেয়ারবাজার কারসাজির ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির রিপোর্টে অনেক রাঘব বোয়ালের নাম বেরিয়ে আসায় বাজার পরিস্থিতি নিয়ে অনেক বিনিয়োগকারীর মধ্যে নানা ধরনের শঙ্কা কাজ করছে। এ জন্য বিনিয়োগকারীরা লেনদেন কার্যক্রমে অংশ না নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
এদিকে আর্থিক লেনদেন কমে যাওয়া নিয়ে বাজার বিশ্লেষকরা কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, শেয়ারবাজারে সূচকের ওঠানামা থাকবে। এটি বাজারের স্বাভাবিক আচরণ। কিন্তু লেনদেন কমে যাওয়া বাজারের জন্য ইতিবাচক নয়। তবে শুধুমাত্র একদিনের লেনদেন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার বিশেষ কারণ নেই। এ ধারা অব্যাহত থাকলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা হলেও আস্থার সঙ্কট তৈরি করবে।
গতকালের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, লেনদেনে অংশ নেয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। ২৫২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩০টির, কমেছে মাত্র ১৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩ টির দাম। আগের দিন ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাতের প্রায় সবকটি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমলেও গতকাল পাল্টে গেছে সে চিত্র।
ব্যাংকিং খাতের সবকটি কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লেও পরিমাণের দিক থেকে তা ছিল খুবই সামান্য। ফলে দাম বাড়লেও এ খাতের বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রির ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন না।
গতকাল ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৬০ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে দিনশেষে ৬ হাজার ৪২৩ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-২০ সূচক ৮৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৬০ দশমিক ৮৩ পয়েন্টে।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো—বেক্সিমকো, আফতাব অটোমোবাইলস্, তিতাস গ্যাস, আরএকে সিরামিকস্, বেক্সটেক্স, পিপলস্ লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস, ফু-ওয়াং সিরামিকস, ডেসকো, বে-লিজিং ও প্রিমিয়ার লিজিং।
দর বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো—সিএমসি কামাল, আরএকে সিরামিকস্, সিনোবাংলা, এসিআই, জিকিউ বল পেন, কে এন্ড কিউ, বীচ্ হ্যাচারি, ইমাম বাটন, কাশেম ড্রাইসেল ও আনলিমা ইয়ার্ন।
অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো—কোহিনূর কেমিক্যালস, ২য় আইসিবি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, পিপলস্ ইন্স্যুরেন্স, স্টাইলক্র্যাফট্, এআইবিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি ১ম এনআরবি, ৫ম আইসিবি, বিডি ল্যাম্পস্ ও রেনেটা।
|
|
|
| 04/13/2011 1:33 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর লাগামহীন মুনাফাকঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে এফবিসিসিআই
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমানের কাছে দাবি জানান ব্যবসায়ীদের শীর্ষস্থানীয় সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) নেতারা। তাঁরা বলেছেন, দেশের কিছু কিছু ব্যাংক অধিক মুনাফার উদ্দেশ্যে নীতিবহির্ভূত কাজ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
গতকাল মঙ্গলবার এফবিসিসিআই ভবনের সম্মেলনকক্ষে কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের অর্থায়নবিষয়ক এক গোলটেবিল আলোচনায় ব্যবসায়ীরা এ দাবি জানান। আলোচনার প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ ীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআই সভাপতি এ কে আজাদ।
অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে লাগামহীন মুনাফা করেছে। কোনো কোনো ব্যাংক ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ করেছে। এসব নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংককে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ব্যাংকগুলো ঋণের বিপরীতে উচ্চ হারে সুদ আদায় করলে দেশের শিল্পায়ন ব্যাহত হবে উল্লেখ করে ড. আতিউর রহমান বলেন, 'আমি আশা করব ব্যাংক পরিচালক ও ব্যাংকাররা দেশের ব্যবসায়ীদের ব্যথা বুঝবে। সুদের বিষয়ে আমরা ইতিমধ্যেই ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বসেছি। আমরা একটা ভালো সমাধানের দিকে যাব।' মূল্যস্ফীতি সম্পর্কে গভর্নর বলেন, 'বাংলাদেশ ব্যাংক মূল্যস্ফীতি টেনে ধরেছে। আমরা মূল্যস্ফীতি বাড়তে দেব না। কারণ মূল্যস্ফীতি বাড়লে গরিব মানুষ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।' সারা বিশ্বের তুলনায় এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক ভালো বলেও দাবি করেন তিনি।
দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমাতে কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশ ও উন্নয়ন অতি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন গভর্নর। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির মূল কারণ কর্মসংস্থান। প্রতিবছর যদি আমরা ৩০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারি, তবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব হবে। এ বছর আমরা কৃষি খাতে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছি। ইতিমধ্যে ৬৫ শতাংশ ঋণ দেওয়া হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন যেকোনো সময়ের থেকে শক্তিশালী। দক্ষিণ এশিয়ায় অর্থনৈতিকভাবে ভারতের পরই আমাদের অবস্থান।
সম্ভাবনাময় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের ক্ষেত্রে ইইএফ তহবিলের ঋণ নতুন করে দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, দুই বছরে কৃষিভিত্তিক শিল্পে ৪০১টি প্রকল্পে ৬৪৩ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে।
এ কে আজাদ বলেন, কৃষিভিত্তিক এসএমই শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এ খাতে সুসংগঠিত ঋণপ্রবাহ বাড়াতে হবে।
গোলটেবিল আলোচনায় আরো বক্তব্য দেন, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, এফবিসিসিআই স্ট্যান্ডিং কমিটি অন এগ্রিকালচার অ্যান্ড এগ্রোবেসড ইন্ডাস্ট্রিজের ডিরেক্টর ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা তালুকদার, এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু, সোনালী ব্যাংকের পরিচালক লুৎফর রহমান খান, বাংলাদেশ জুট গুডস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল হোসেনসহ বিভিন্ন শিল্পমালিক সমিতির নেতারা।
গোলটেবিল আলোচনার মূল প্রবন্ধ পেশ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই এবং স্পেশাল প্রোগামস্ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক সুকোমল সিংহ চৌধুরী। প্রবন্ধে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষিভিত্তিক শিল্পের অবদান, কৃষির উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপ, প্রতিবন্ধকতা, সম্ভাবনা উল্লেখ করা হয়। প্রবন্ধে বলা হয়, জিডিপিতে কৃষির অবদান প্রায় ২০ শতাংশ। কৃষিতে তুলনামূলক কর্মসংস্থান বেশি। ২০১০ সালে কৃষিভিত্তিক শিল্পে বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ ১৬ হাজার কোটি টাকা। প্রবন্ধে কৃষিভিত্তিক শিল্পের প্রায় ২৫টি প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করা হয়। |
|
|
| 04/13/2011 1:34 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
সাংবাদিকদের আ হ ম মোস্তফা কামালপ্রতিবেদনে কোথাও বলা হয়নি আমি অপরাধ করেছি
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে সিএমসি কামাল সম্পর্কে যা বলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ সঠিক বলে মন্তব্য করেছেন ওই প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী অর্থ মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল।
তিনি দাবি করেছেন, তিনি আইনগতভাবে কোনো অন্যায় কাজ করেননি। কোনো অনৈতিক কাজও করেননি। প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগও আনা হয়নি। প্রতিবেদনে কোথাও বলা হয়নি তিনি কোনো অপরাধ করেছেন।
গতকাল ঢাকা শেরাটন হোটেলে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পত্রিকায় যা লেখা হচ্ছে, তার ভেতরে কিছু নেই। কিন্তু অযথা ছবি ছাপানো হচ্ছে পত্রিকার কাটতি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে।
তিনি বলেন, 'আমি প্রতিবেদনটি এখনো দেখিনি। তবে পত্রিকায় ছাপানো প্রতিবেদন দেখেছি। পত্রিকার প্রতিবেদনে যা বলা হয়েছে, তাতে তদন্ত কমিটি আমার বিরুদ্ধে দাঁড়ি-কমা অভিযোগও আনেনি। কতগুলো ঘটনা (কেইস) তারা স্টাডি করেছে। কেইস স্টাডি আর কেস (মামলা) তো আর এক জিনিস না। আমি এসইসি ও ডিএসইকে যা দিয়েছি, তা-ই প্রতিবেদনে হুবহু ছাপা হয়েছে। ছাপানো কোনো অপরাধ না, সেখানে কোথাও বলা হয় নাই আমি কোনো অপরাধ করেছি। তাহলে আমার ছবি কেন ছাপা হচ্ছে।'
আ হ ম কামাল বলেন, 'তারা আমার বিরুদ্ধে কিছু বলেনি। পত্রপত্রিকা নিজের থেকে আমার বিরুদ্ধে কিছু বললে সেটা কেন বলছে, আমার জানা নেই। তারা আগেও বলেছে, এখনো বলছে।'
পত্রিকায় অযথা তাঁর ছবি ছাপানো হচ্ছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, 'তারা তথ্য যা দিচ্ছে, তাতে কোথাও বলা নাই আমি অপরাধ করেছি। আমি যে কাজগুলো করেছি, তার কোনটা অপরাধ? হয়তো বিক্রি করার জন্য তারা ছবি ছাপাচ্ছে। হয়তো আমার ছবির কাটতি বেশি, আমি জানি না।'
বেঙ্মিকো গ্রুপের বক্তব্য
সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারের বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সূত্র ধরে দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সালমান এফ রহমান এবং বেঙ্মিকো গ্রুপের নাম আসার পরিপ্রেক্ষিতে এর ব্যাখ্যা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। গতকাল ইমপ্যাক্ট পিআরের সিনিয়র অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার জাহেদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেঙ্মিকোর বিরুদ্ধে সুনাম হানিকর প্রচারণায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
আমরা সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমাদের সব লেনদেন দেশের প্রচলিত আইন ও বিধি মোতাবেক হয়েছে। বিধিবহির্ভূত ও অনৈতিক কোনো লেনদেনের সঙ্গে বেঙ্মিকো জড়িত নয়। আমরা আমাদের তিন লাখ শেয়ারহোল্ডার, ৪৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বেঙ্মিকো গ্রুপের সঙ্গে জড়িত সবার বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষায় সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ গ্রহণে অঙ্গীকারবদ্ধ।
রিপোর্টের প্রাথমিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পুঁজিবাজার কারসাজি বা সাম্প্রতিক শেয়ারবাজার বিপর্যয়ের সঙ্গে সালমান রহমান বা বেঙ্মিকো গ্রুপের কোনো ধরনের সম্পর্ক রয়েছে বলে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি।
এটা দুর্ভাগ্যজনক যে প্রতিবেদনের কোথাও সালমান রহমান বা বেঙ্মিকোকে শেয়ার বিপর্যয়ের জন্য দায়ী করা না হলেও রিপোর্টে অপ্রাসঙ্গিকভাবে বেঙ্মিকো গ্রুপের কয়েকটি কম্পানিকে কাল্পনিক অনিয়মের সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বাংলাদেশ ও বহির্বিশ্বে সালমান রহমান ও বেঙ্মিকোর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যেই এটা করা হয়েছে। আমরা রিপোর্টে উলি্লখিত এ ধরনের অসত্য, কাল্পনিক ও অনুমাননির্ভর মন্তব্য ও পর্যবেক্ষণকে জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।
আমাদের বিশ্বাস, কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই অনেকে এই রিপোর্টে প্রাপ্ত তথ্যের অপব্যাখ্যা করে বেঙ্মিকোকে শেয়ারবাজার অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত বলে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এ ধরনের অপপ্রয়াসের একমাত্র উদ্দেশ্য, বেঙ্মিকোর শীর্ষ কর্তৃপক্ষকে হেয় করা। আমরা সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি এমন কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি, যা বস্তুনিষ্ঠ নয় এবং যা শেয়ারবাজারকে অস্থিতিশীল করে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থকে বিপন্ন করবে।
|
|
|
| 04/13/2011 1:34 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
কারসাজির কারখানাসম্পদের দ্বিগুণ পুঁজি বাজার থেকে তুলে নিয়েছে মবিল যমুনা
নিজস্ব প্রতিবেদক
শুরু হতে না হতেই বুকবিল্ডিংয়ের মতো স্বীকৃত আধুনিক একটি পদ্ধতিকেও কলুষিত করা হয়েছে। সরাসরি তালিকাভুক্তি এবং বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের ব্যাপারে নিয়মকানুন প্রবর্তন ও প্রয়োগে ব্যর্থ হয়েছে এসইসি। এ পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের কারসাজির আশঙ্কা অত্যন্ত বেশি। তাই এসইসির বেশি নজরদারির প্রয়োজন ছিল প্রাইস ডিসকভারি অথবা বিডিং প্রসেসের ওপর। কিন্তু তা যথাযথভাবে করতে পারেনি নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
এ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন স্তরে নিরীক্ষিত হিসাব বিররণী এবং মূল্য ভিত্তি নিয়ে যে কারসাজি হয়েছে, তাও এসইসির নজর এড়িয়ে গেছে। মবিল যমুনা লুব্রিকেন্ট্স বাংলাদেশ লিমিটেডের (এমজেএল) বুকবিল্ডিং প্রক্রিয়ায়ও নানা অস্বচ্ছতার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এই কম্পানিটি অতি উচ্চ প্রিমিয়ামে অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাব করেছে বলে কমিটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। কয়েকটি প্রকল্পে বিনিয়োগের কথা বলে কম্পানিটি বাজার থেকে পুঁজি উঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে খুলনায় ৭৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬০ হাজার টন উৎপাদন ক্ষমতার একটি এলপিজি প্রকল্প স্থাপন, ১৩৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে এক লাখ টন ধারণ ক্ষমতার একটি অয়েল ট্যাংকার কেনা। গুলশানে এক বিঘা জমি ক্রয় করে ১৬ তলাবিশিষ্ট করপোরেট হাউস নির্মাণের খরচ ধরা হয়েছে ১১৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া ২১ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে অ্যান্টি-ফ্রিজ ম্যানুফেকচারিং প্লান্ট স্থাপন ও এমজেএল ফুয়েল লিমিটেড নামে একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানে ২৫০ কোটি টাকা সমমূলধন বিনিয়োগের প্রস্তাবও ছিল। বুকবিল্ডিংয়ের জন্য প্রদত্ত হিসাব-নিকাশ পরীক্ষা করে তদন্ত কমিটি নানা গরমিল চিহ্নিত করেছে। মূল্য সংযোজন করের ক্ষেত্রে অসংগতি পেয়েছে কমিটি। কম্পানিটি ২০০৯ সালের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) চেয়ে ২০১০ সালের প্রথম প্রান্তিকে বিক্রয় থেকে আয় ২৮.৬৬ শতাংশ বেশি দেখিয়েছে। কিন্তু এই সময়ে মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) প্রবৃদ্ধি দেখানো হয়েছে ২২.৪৮ শতাংশ। এই সময়ে কম্পানির বিক্রি যে অনুপাতে বেড়েছে ভ্যাটদান সেই হারে বাড়েনি। কম্পানিটির আয়ের তথ্যেও অসংগতি ধরা পড়েছে। ২০১০ সালের প্রথম প্রান্তিকে ৩৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ কম। কিন্তু বিনিয়োগ থেকে আয় দেখানো হয়েছে ৬২৪ শতাংশ বেশি। এ ধরনের আয়ের তথ্যে কারসাজি করা হয়েছে বলে কমিটি মনে করছে। কম্পানির প্রকৃত সম্পদ ২৭২ কোটি ১৯ লাখ টাকা। কিন্তু কম্পানি শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে মূলধন উঠাতে চেয়েছে ৬০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। যেটি কম্পানির মোট সম্পদের দ্বিগুণেরও বেশি। |
|
|
| 04/13/2011 1:35 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
সূচক ও শেয়ারের দাম বাড়লেও লেনদেন কমেছে ডিএসইতেবাজারে তদন্ত প্রতিবেদনের খুব বেশি প্রভাব পড়েনি : ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের সঙ্গে বেড়েছে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম। তবে আগের দিনের চেয়ে লেনদেন কমেছে ৪০০ কোটি টাকারও বেশি। তবে তদন্ত প্রতিবেদনে বাজারে খুব বেশি প্রভাব পড়েনি বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গতকাল ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম আধঘণ্টা সাধারণ মূল্যসূচক ওঠানামা করলেও পরবর্তী সময়ে বাড়তে থাকে। আর দিন শেষে সূচক ১৬০.৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ৬৪২৩.২৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। যদিও সোমবার সূচক কমে গিয়েছিল ২৯৩. ৮৩ পয়েন্ট।
এদিকে গতকাল সূচক বাড়লেও আগের দিনের চেয়ে ৪৩১ কোটি ৬০ লাখ টাকা কম লেনদেন হয়েছে। সোমবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ২২৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আর গতকাল ৭৯২ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার হাত বদল হয়েছে।
তবে গতকাল লেনদেন কমলেও বেড়েছে বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম। লেনদেন হওয়া ২৫২টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩০টির, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি কম্পানির শেয়ারের দাম। গতকাল ব্যাংক, সিমেন্ট, সিরামিকস্, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, জুট, রিয়েল এস্টেট এবং চামড়া খাতের সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। অন্য খাতের বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দামও বেড়েছে।
গতকালকে বাজার সম্পর্কে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, আগের দিন বাজার পড়েছিল। কাল আবার উঠেছে। এতে বলা যায়, তদন্ত প্রতিবেদন বাজারে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেনি। এদিকে বাংলাদেশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ নামের একটি সংগঠন শেয়ারবাজারের কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করে সমাবেশের ঘোষণা দিলেও পুলিশের বাধায় তা হয়নি। বেলা ৩টার দিকে ডিএসই ভবনের সামনে সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এ সময় বিনিয়োগকারী পরিচয়ে বেশ কিছু লোক তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
গতকাল লেনদেন হওয়া কম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বাড়ার শীর্ষে ছিল সিএমসি কামাল, আরএকে সিরামিকস্, সিনোবাংলা, এসিআই লি., জিকিউ বল পেন, কে অ্যান্ড কিউ, বিচ হ্যাচারি, ইমাম বাটন, কাশেম ড্রাইসেল ও আনলিমা ইয়ার্ন। আর লেনেদেনের ভিত্তিতে প্রধান কম্পানিগুলো হচ্ছে বেঙ্মিকো লি., আফতাব অটোমোবাইলস্, তিতাস গ্যাস, আরএকে সিরামিকস্, বেঙ্টেঙ্, পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লি., ফু-ওয়াং সিরামিকস, ডেসকো লি., বে-লিজিং ও প্রিমিয়ার লিজিং। অন্যদিকে দাম কমায় এগিয়ে ছিল কোহিনূর কেমিক্যালস্, দ্বিতীয় আইসিবি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লি., প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, পিপলস্ ইনস্যুরেন্স, স্টাইলক্র্যাফট্, এআইবিএল প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইসিবি প্রথম এনআরবি, পঞ্চম আইসিবি, বিডি ল্যাম্পস্ ও রেনেটা লি.। |
|
|
| 04/13/2011 1:36 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Sangbad
পুঁজিবাজারে দাম ও সূচক বেড়েছে
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
দেশের দুই পুঁজিবাজারে সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচকও বেড়েছে। তবে উভয় বাজারে আগের কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে লেনদেন।
এদিন ডিএসইতে মোট ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩০টির, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩টি কোম্পানির।
একই সঙ্গে সাধারণ সূচক ১৬০ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৪২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ১৩০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩৩১ পয়েন্টে পেঁৗছেছে।
এদিন ডিএসইতে ৬ কোটি ১৩ লাখ ৫৪ হাজার ৪৯৪টি শেয়ার মোট ১ লাখ ৬৯ হাজার ৭৮০ বারে হাতবদল হয়। যার বাজার মূল্য ৭৯২ কোটি ৫৬ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২২৪ কোটি ১৬ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।
এদিন লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো লিমিটেড আফতাব অটোমোবাইলস, তিতাস গ্যাস, আরএকে সিরামিকস, বেক্সটেক্স, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড, ফু-ওয়াং সিরামিকস, ডেসকো লিমিটেড, বে-লিজিং ও প্রিমিয়ার লিজিং।
দর বৃদ্ধিতে এদিন প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- সিএমসি কামাল, আরএকে সিরামিকস, সিনোবাংলা, এসিআই লিমিটেড, জিকিউ বলপেন, কে অ্যান্ড কিউ, বীচ হ্যাচারি, ইমাম বাটন, কাশেম ড্রাইসেল ও আনলিমা ইয়ার্ন।
অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- কোহিনুর কেমিক্যালস, ২য় আইসিবি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, স্টাইলক্র্যাফট, এআইবিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি ১ম এনআরবি, ৫ম আইসিবি, বিডি ল্যাম্পস ও রেনেটা লিমিটেড।
অন্যদিকে, গতকাল সিএসইতে মোট ১৯৬টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এরমধ্যে বেড়েছে ১৭২ টির, কমেছে ১৯টির ও অপরিবর্তিত ছিল পাঁচটি কোম্পানির দাম।
পাশাপাশি সাধারণ সূচক ২৪২ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ৫৮১ পয়েন্টে ওঠে আসে। সার্বিক সূচক ৩৭৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৯৪৫ পয়েন্টে পেঁৗছায়।
এদিন সিএসইতে মোট লেনদেন হয় ১০১ কোটি ২১ লাখ ১৭ হাজার ৭৪২ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১২৩ কোটি ৮২ লাখ ২৬ হাজার ৬৯২ টাকা। |
|
|
| 04/13/2011 1:37 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি আইনেই কারসাজির উৎসাহ
সংঘটিত অপরাধের জন্য মাত্র পাঁচ বছরের জেল এবং অন্যূন পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে এসইসি আইনে
আহমেদ দীপু
দেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সরকারি সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) আইনেই শেয়ার কারসাজিচক্রকে বিনিয়োগকারীদের অর্থ লোপাটে উৎসাহিত করা হয়েছে। এসইসি আইনে বিশাল এই পুঁজিবাজারে সংঘটিত অপরাধের জন্য মাত্র পাঁচ বছরের জেল এবং অনূ্যন পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। এ পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় আইন লঙ্ঘনকারীদের অর্থদণ্ড দিয়ে কিছু অর্থ আদায় করা হলেও কাউকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে_এমন নজির নেই বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা তাই এসইসি আইনকে অকিঞ্চিৎকর আখ্যা দিয়ে বলছেন, আইনে যেটুকুই বা আছে তারও যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় কারসাজিচক্র বুকবিল্ডিং, পুনর্মূল্যায়ন, প্রি-আইপিও প্লেসমেন্ট, অমনিবাস অ্যাকাউন্ট খোলাসহ আপাত বৈধ এসব পদ্ধতির অপব্যবহার করে নানাভাবে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সর্বস্বান্ত করছে। এসইসির দুর্বল নেতৃত্বের সুযোগ নিয়ে কারসাজিচক্রটি সময়মতো তাদের থাবা বিস্তার করেছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির সাবেক দুই প্রধান কালের কণ্ঠকে বলেন, আইনে যতটুকু আছে, সেটুকুরও যদি যথাযথ প্রয়োগ হতো, তবু বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব ছিল।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কালের কণ্ঠকে জানান, আইন আছে কিন্তু এর প্রয়োগ নেই। আইনে পাঁচ বছর পর্যন্ত সাজার কথা বলা আছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে সাজা দেওয়া হয়েছে_এমন নজির নেই। তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পুঁজিবাজার থেকে টাকা পাচার করা হলে তা মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় পড়বে। সেই আইনেও সাজা দেওয়া যেতে পারে। মোট কথা হচ্ছে আইন প্রয়োগ করতে হবে।
এসইসির আরেক সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী জানান, বর্তমান আইনেও দোষীদের শাস্তি দেওয়া সম্ভব। এখন পর্যন্ত এ আইনের আওতায় এনে কাউকে শাস্তি দেওয়া যায়নি।
এদিকে পুঁজিবাজারে অনিয়ম ও দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে একই সঙ্গে শেয়ার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের দাবি জানানো হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ গতকাল এ লিগ্যাল নোটিশ দেন।
পাশাপাশি শেয়ারবাজারে বিভিন্ন ধরনের (ছোট, বড়) বিনিয়োগকারীও কারসাজিচক্রের শাস্তি দাবি করেছেন। তাঁদের মতে, যাঁরা পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন, ক্ষুদ্র সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সর্বনাশ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে। তাঁরা বলেন, ১৯৯৬ সালেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। তখন সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত করে অপরাধীদের চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যে কারণে অসাধু ব্যবসায়ীদের এই চক্র এবার মানুষের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
আইনের ফাঁকে অপরাধ : ব্যাংক কম্পানি আইনের ২৬-এর ২ ধারায় বলা আছে, বেসরকারি খাতের কোনো ব্যাংক তার আমানতের ১০ শতাংশ পর্যন্ত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। আমানতের ১০ শতাংশ_এই বিশাল অঙ্কের টাকা আমানতকারীদের অনুমতি ছাড়াই পুঁজিবাজারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসায় বিনিয়োগ করার বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি আইনে। অথচ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত ও শ্রীলঙ্কা এ ক্ষেত্রে তাদের দেশের ব্যাংকগুলোকে পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের অনুমতি দিয়েছে। পরিশোধিত মূলধনের সঙ্গে আমানতকারীদের কোনো সম্পর্ক না থাকায় এ ক্ষেত্রে আমানতকারীদের অনুমতি নেওয়ার বিধানটিও প্রযোজ্য হয়নি। বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে মুনাফা বেশি হওয়ায় অনেক ব্যাংক ১০ শতাংশের বেশি অর্থও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। পরে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক হস্তক্ষেপ করে ব্যাংকগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করেছে।
মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর অমনিবাস হিসাব পরিচালনার বিধান এসইসির আইনেই বিদ্যমান। প্রি-আইপিও প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যু করাও বিধিসম্মত। কিন্তু এই বিধির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজারে শেয়ার আসার আগেই দাম বাড়ানো হয়েছে। এসইসির দুর্বল নেতৃত্বের কারণে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।
পুঁজিবাজারে পুনর্মূল্যায়নের বিষয়টি এসইসি আইনেই স্বীকৃতি দেওয়া আছে। কিন্তু এই পদ্ধতির অপ্রয়োগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ (এসইসি) ধরতে না পারার কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ লোকসানে থাকা একাধিক প্রতিষ্ঠানকে হঠাৎ করেই লাভজনক দেখানো হয়েছে। লাভের বিপরীতে ডিভিডেন্ট ঘোষণা দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এতে লোকসানের সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম অভিহিত মূল্যের নিচে থাকলেও লাভজনক ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারের দাম ১৬ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধির ঘটনাও ঘটেছে। এক বছর আগে লোকসানে থাকা প্রতিষ্ঠান কিভাবে লাভজনক হলো, এ দিকটি খতিয়ে দেখেনি এসইসি। অথচ পুনর্মূল্যায়নের মতো বড় পথ তারা খুলে রেখে দিয়েছে। কারসাজি চক্রটি এই পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ নিয়ে লোকসানি প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক দেখিয়ে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে।
এসইসি আইনে পুঁজিবাজারে বুকবিল্ডিং আধুনিক পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত। কোনো প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে আসার ক্ষেত্রে আইপিওর পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। কিন্তু আইপিওর দীর্ঘ মেয়াদি প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে দ্রুত বাজারে আসার জন্য বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রয়োগ করার বিষয়টি আইনেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই পদ্ধতিকে কলুষিত করে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি নির্দেশকমূল্য ধরা হয়েছে। বাজারে আসার আগেই এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়েছে। ফলে ব্যাপক দর পতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এসব ক্ষেত্রে ইস্যু ম্যানেজার, আন্ডার রাইটার, অডিট ফার্মেরও ভূমিকা রয়েছে, যারা সংশ্লিষ্ট কম্পানির সঙ্গে যোগসাজশে রোডশোর মাধ্যমে অস্বাভাবিকভাবে মূল্য ধার্য করে। এসইসি কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই অসাধু অডিট ফার্মসহ অন্যদের অনুমতি দিয়েছে। কাজেই সম্প্রতি যে তদন্ত হলো এতে অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু এসইসির দুর্বল নেতৃত্বের কারণে যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, এর সঙ্গে যাঁরা জড়িত তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। |
|
|
| 04/13/2011 1:37 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
দুই বিশেষজ্ঞের মত
শেয়ার কেলেঙ্কারির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না করার কিছু নেই
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে সরকারের নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট করা দরকার বলে মনে করছেন দুজন বিশেষজ্ঞ। তাঁরা মনে করেন, সরকার ও শেয়ারবাজারের প্রতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা উচিত। এরই মধ্যে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ পাওয়ায় এখন এটি সরকারিভাবে প্রকাশ না করারও কিছু নেই।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতার জন্য এ মুহূর্তে সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে নীতিগত অবস্থান পরিষ্কার করা দরকার। যাঁরা অল্প সময়ে বেশি মুনাফার জন্য শেয়ারবাজারে ঢুকেছিলেন, বাজারের এই উত্থান-পতনের মধ্যে তাঁরা বাজার থেকে বেরিয়ে গেছেন। এখন বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখার জন্য সরকারের ভূমিকা পরিষ্কার করা দরকার। দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা উচিত। তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কর্মকর্তাদের মধ্যে যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে এসইসির নিজস্ব আইন ও দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কারসাজির সঙ্গে জড়িতদেরও একইভাবে শাস্তি দিতে হবে।
এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী কালের কণ্ঠকে বলেন, অর্থমন্ত্রী আগামী সপ্তাহে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন বলে জানিয়েছেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সাধারণ মানুষ তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জেনে গেছে। এখন তা প্রকাশ না করার কিছু নেই। তদন্ত প্রতিবেদনের কারণে শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিবেদন প্রকাশের পর সোমবার বাজারে বড় রকমের দরপতন হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার তা আবার বেড়েছে। ফলে এ কথা বলা যাবে না, বাজারে এ প্রতিবেদনের খুব প্রভাব পড়েছে |
|
|
| 04/13/2011 1:40 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ব্যক্তিশ্রেণীর আয়করের সীমা বাড়ানোর সুপারিশ ডিসিসিআইয়ের
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে ২০১১-১২ অর্থবছরের প্রাক বাজেট আলোচনায় ব্যক্তিশ্রেণীর আয়করের সীমা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।
মঙ্গলবার বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত এ আলোচনায় ডিসিসিআইয়ের সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম এ সুপারিশ করেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান ড. নাসির উদ্দীন আহমেদ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন।
ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি এবং মূল্যস্ফীতির কারণে জনসাধারণের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। তাই জীবনযাত্রা ব্যয় বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যক্তিশ্রেণীর করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো প্রয়োজন।’
তিনি ব্যক্তিশ্রেণীর করমুক্ত আয়ের সীমা ১ লাখ ৬৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা, নারী ও বয়স্ক নাগরিকের (৬০ বছর) করমুক্ত আয়ের সীমা ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, প্রতিবন্ধীদের করমুক্ত আয়ের সীমা ২ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ করের হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করার সুপারিশ করেন।
আলোচনা সভায় আসিফ ইব্রাহিম করপোরেট কর হার কমানোরও সুপারিশ করেন।
এ ক্ষেত্রে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মুনাফার ওপর করের হার ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ, তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির কর হারের পার্থক্য ১০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর হার ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ এবং মোবাইল কোম্পানির করের হার ৪৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ করার সুপারিশ করেন তিনি।
তিনি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের টার্ন ওভার ট্যাক্সের জন্য বার্ষিক টার্ন ওভার ৬০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি টাকা নির্ধারণ এবং টার্ন ওভার ট্যাক্স ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করারও প্রস্তাব করেন।
এছাড়া ডিসিসিআই সভাপতি ট্যাক্স হলিডে, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), আমদানি ও সম্পূরক শুল্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ তুলে ধরেন।
কর হার না বাড়িয়ে করের আওতা বাড়ানোর জন্য এনবিআরের লোকবল বাড়ানো ও অবকাঠামো উন্নয়নের সুপারিশও করেন তিনি।
এনবিআর চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে ডিসিসিআইয়ের সুপারিশগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করে তা বিবেচনার আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, ‘মূসক ও আয়কর ফাঁকি একটা প্রকট সমস্যা। এ সমস্যার সমাধানে ডিসিসিআইয়ের সঙ্গে কাজ করার চিন্তা করছে এনবিআর।’
আলোচনা সভায় ডিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি টিআই নুরুল কবীর, সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন, এনবিআরের বাজেট সমন্বয়ক আনোয়ার হোসেন, আয়কর নীতি বিভাগের সদস্য আমিনুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময় : ১৬৪৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ১২, ২০১১ |
|
|
| 04/13/2011 1:41 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | সাফকো স্পিনিংয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সাফকো স্পিনিং গত অর্থবছরের জন্য ১৬ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
সাফকো স্পিনিংয়ের পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালে তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৬ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আগামী ২৬ মে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।
এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৪ মে।
সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৫.৯৮ টাকা ও শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য ৫০.১৫ টাকা।
বাংলাদেশ সময় : ১৪২১ ঘণ্টা, এপ্রিল ১২, ২০১১ |
|
|
| 04/13/2011 1:41 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | শেয়ারবাজার কারসাজির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: আগামী সাত দিনের মধ্যে শেয়ারবাজারের কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করতে সরকারকে আইনি নোটিশ (লিগ্যাল নোটিশ) দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইট অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ জনস্বার্থে এ নোটিশটি পাঠান।
শেয়ারবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তার, তাদের পাসপোর্ট ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করতে অনুরোধ করা হয়েছে ওই নোটিশে।
নোটিশে বেআইনিভাবে শেয়ারবাজার থেকে লুটে নেওয়া অর্থ ফেরত আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
মন্ত্রীপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের/সচিবালয়ের সচিব, অর্থসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিভাগের সচিব, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, স্টক এক্সচেঞ্জ, পুলিশ কমিশনার ও মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
এ সম্পর্কে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শেয়ারবাজারের কারসাজির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা বিভিন্নভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় এবং অর্জিত অথের জোরে দুর্নীতির মাধ্যমে স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে বলে আশংকা রয়েছে। লাখ লাখ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জনস্বার্থে নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৪৪ ঘণ্টা, এপ্রিল ১২, ২০১১ |
|
|
| 04/13/2011 1:43 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজার চাঙ্গা
ঢাকা, ১৩ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের উর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ডিএসই সাধারণ সূচক ৩৭ দশমিক ৩৭ পয়েন্ট বেড়ে ৬৪৬০ দশমিক ৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর আগে বেলা ১১টা ৫ মিনিটে ডিএসই সাধারণ সূচক ৭২ পয়েন্ট বেড়ে ৬৪৯৯ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়। তবে পরবর্তি ২৫ মিনিটে সূচক বাড়ার হার কিছুটা কমে যায়। এ পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১২০টির, কমেছে ১১০টির এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এ পর্যন্ত হাতবদল হয়েছে এক কোটি ২০ লাখের কিছু বেশি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের যার বাজার মূল্য ১৪৫ কোটি টাকার কিছু বেশি। |
|
|
|