Page 1 / 2 1 - 2 Next »
NEWS 13.04.2011
04/13/2011 1:00 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
কাউকে ছাড় নয় ॥ শেয়ার কেলেঙ্কারির খলনায়করা
০ সরকার বর্তমান তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শীঘ
০ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে
০ অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে আইনগত দিক খতিয়ে দেখতে শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হচ্ছে
০ বর্তমান প্রতিবেদন প্রকাশের পাশাপাশি নতুন কমিটি ঘোষণা যে কোন সময়ে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের কোনরকম ছাড় দেবে না সরকার। শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী শীঘ্রই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদৰেপ গ্রহণ করা হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠনের মধ্য দিয়েই তদন্ত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন শুরু হবে। এছাড়া ইব্রাহিম খালেদ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিভিন্ন পর্যায়ে কারসাজিতে জড়িত ও সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মতো তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও আইনী দিক খতিয়ে দেখতে অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
জানা গেছে, অধিকতর তদন্ত কমিটির সদস্যদের নাম ঠিক না হলেও বিষয়টি নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী সপ্তাহে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একইসঙ্গে অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিতে পারেন বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
পুঁজিবাজার সম্পর্কিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে। জনস্বার্থ বিবেচনায় সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পদৰেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে তদনত্ম প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের কাজগুলো দ্রম্নত শুরম্ন করা সম্ভব হলেও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সম্পর্কে এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ করা কঠিন। সময়স্বল্পতার কারণে শেয়ার লেনদেনসহ বিভিন্ন কর্মকা-ে অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার বিষয়ে আইনী পদৰেপ গ্রহণ করার মতো তথ্য-প্রমাণ যোগাড় করতে পারেনি। এসব ৰেত্রে সরকারের পৰ থেকে আরও তদনত্ম করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন ৰেত্রে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তবে অধিকাংশ ৰেত্রেই ঘটনাপরম্পরা এবং সামগ্রিক প্রবণতা বিশেস্নষণ করে অনৈতিক কর্মকা-ের বিষয়গুলো উলেস্নখ করা হয়েছে। কমিটির মেয়াদ মাত্র দু'মাসের হওয়ায় সব বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মতো সুস্পষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সন্দেহজনক তৎপরতার বিবরণ তুলে ধরে অধিকতর তদনত্মের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। কোন কোন ৰেত্রে অনৈতিক কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িতদের বিরম্নদ্ধে সরকারী সংস্থার মাধ্যমে তদনত্ম করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
কার্যপরিধির ব্যাপকতার বিপরীতে নির্ধারিত দু'মাস সময় নিতান্তই অপ্রতুল উলেস্নখ করে তদনত্ম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, "পুঁজিবাজারে সংঘটিত বিপুল অনিয়ম-অনৈতিকতা এবং অনিয়ম-অনৈতিকতার সঙ্গে জড়িত বিশাল অঙ্কের লেনদেন পর্যালোচনায় তদনত্ম কমিটির অনুমিতি হলো, এ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি বিদ্যমান। একেকটি লেনদেন তদনত্ম করে দুর্নীতি নিরূপণ করা বেশ সময়সাপেক্ষ। সামগ্রিক লেনদেন তদনত্ম করে দুর্নীতির সামগ্রিক চিত্র উন্মোচন অসম্ভব না হলেও কয়েক বছরের কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজন। তদনত্ম কমিটি অল্প কয়েকটি নমুনা হিসাবের লেনদেন পরীক্ষার সিদ্ধানত্ম নেয়। এত অল্পসংখ্যক নমুনায় দুর্নীতি থাকতে পারে, নাও থাকতে পারে। কারণ সব হিসাবেই দুর্নীতি থাকে না। তবে পরীক্ষানত্মে কমিটি নিশ্চিত হয়েছে যে, এত অল্প নমুনার মধ্যেও দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে। দুর্নীতির নির্দেশক হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে প্রাপ্ত তথ্যগুলো পরিবেশিত হলো। এসইসি পুনর্গঠিত হয়ে সক্ষমতা অর্জন করলে একই প্রক্রিয়ায় সংস্থাটি সন্দেহজনক লেনদেন হিসাব পরীক্ষাকার্য গ্রহণ করতে পারে।"
সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটি পুঁজিবাজারের সামগ্রিক দিক সম্পর্কে বিসত্মারিত আলোচনা ও সুপারিশ প্রণয়ন করলেও এর ভিত্তিতে দোষীদের বিরম্নদ্ধে আইনগত পদৰেপ গ্রহণ করা কঠিন। আবার কোন কোন ৰেত্রে নৈতিকতার মানদ-ে অভিযুক্ত হলেও আইন ও বিধিবিধানের মধ্যে থেকেই কর্মকা- পরিচালিত হওয়ায় সরকারের পৰে আইনী পদৰেপ গ্রহণ করা সম্ভব নাও হতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনা করে তদনত্ম প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে সুনির্দিষ্ট করণীয় নির্ধারণের জন্যই বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটি প্রয়োজন মনে করলে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি সম্পর্কে নতুন করে তদনত্মের ব্যবস্থা করবে।
Quote   
04/13/2011 1:01 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
একদিন পরই উর্ধমুখী পুঁজিবাজার
সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে ৪৩২ কোটি টাকা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বড় দরপতনের এক দিন পরই ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার। মঙ্গলবার দুই স্টক এঙ্চেঞ্জেই দিনভর চাঙ্গাভাব বজায় ছিল। অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধিতে উলেস্নখযোগ্য হারে বেড়েছে সূচক। তবে উর্ধমুখী এই প্রবণতার মধ্যেও আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে কমেছে।
সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রভাব নিয়ে সংশয়ের কারণে সোমবার শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটে। ওইদিন লেনদেন হওয়া ২৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ২৭টির শেয়ারের দর বৃদ্ধি পায়। এর বিপরীতে ২৩০টির শেয়ারের দর হ্রাস পায়। এর ফলে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ২৯৩.৮২ পয়েন্ট কমে যায়। তবে শেয়ারের দর কমলেও ওইদিন সামগ্রিক লেনদেন বৃদ্ধি পায়।
তবে একদিনের মধ্যেই সব সংশয় কাটিয়ে মঙ্গলবার দুই পুঁজিবাজারে ইতিবাচক ধারা ফিরে এসেছে। এদিন লেনদেনের শুরুতে অধিকাংশ শেয়ারের দর কমলেও ১৫ মিনিটের মধ্যে বাজার ঘুরে দাঁড়ায়। এ সময় ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর একাধিকবার ওঠানামার পর বেলা একটা থেকে সূচক দ্রম্নত বাড়তে থাকে_ যা শেষ পর্যনত্ম অব্যাহত ছিল। দিন শেষে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ১৬০.৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ৬৪২৩.২২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ২৩০টির, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর।
সূচক বাড়লেও দিনভর শেয়ার লেনদেনে শস্নথগতি অব্যাহত ছিল। ডিএসইতে মোট ৭৯২ কোটি ৫৬ লাখ ৪৭ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ৪৩২ কোটি টাকা কম।
ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো_ বেঙ্মিকো, আফতাব অটো, তিতাস গ্যাস, আরএকে সিরামিকস, বেঙ্টেঙ্, পিএলএফএসএল, ফু-ওয়াং সিরামিকস, ডেসকো, বে লিজিং এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও প্রিমিয়ার লিজিং এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট।
দর বৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো_ সিএমসি কামাল, আরএকে সিরামিকস, সিনোবাংলা, এসিআই, জিকিউ বলপেন, কে এ্যান্ড কিউ, বিচ হ্যাচারি, ইমাম বাটন, কাশেম ড্রাইসেল ও আনলিমা ইয়ার্ন।
দর হ্রাসের শীর্ষ-১০ কোম্পানি হলো_ কোহিনুর কেমিক্যালস আইসিবি মিউচু্যয়াল ফান্ড, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, পিপলস ইন্সু্যরেন্স, স্টাইল ক্র্যাফট, এআইবিএল প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি প্রথম এনআরবি মিউচু্যয়াল ফান্ড, পঞ্চম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, বিডি ল্যাম্পস ও রেনেটা লিমিটেড।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৩৭৩.১৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৭৯৪৫.২৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এই স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন হওয়া ১৯৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ১৭২টির, কমেছে ১৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের। সিএসইতে মোট ১০১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ২২ কোটি টাকা কম।
Quote   
04/13/2011 1:02 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
আমি কোন অন্যায় ও দুর্নীতি করিনি ॥ লোটাস কামাল

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে কারসাজির বিষয়ে সরকার গঠিত তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন সম্পর্কে নিজের মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রণায় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) বলেছেন, 'পুঁজিবাজারে আমি কোন অনিয়ম ও দুর্নীতি করিনি। তাঁর মতে, আমি যা কিছু করেছি আইনের মধ্যে থেকেই করেছি।'
এ বিষয়ে তিনি বলেন, তদন্ত কমিটি আমার ও আমার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যে প্রতিবেদন দিয়েছে, সেটি পুরোপুরি সত্য। তিনি দাবি করেছেন, 'আমি যা করেছি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ঠিক এসেছে।
মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) উদ্যোগে হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মনত্মব্য করেন।
আ হ ম মুসত্মফা কামাল (লোটাস কামাল) দাবি করেন, তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনে তাঁর থাকার বিষয়ে এবং তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে যেসব প্রপাগা-া হচ্ছে-তাঁর সবই অপপ্রচার, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এতে করে সামাজিকভাবে তাঁর সম্মানহানি হয়েছে বলেও জানান তিনি। এটি অত্যনত্ম দুঃখজনক মনত্মব্য করে তিনি গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে বলেন, কোন ব্যক্তি-কিংবা প্রতিষ্ঠানের বিরম্নদ্ধে প্রতিবেদন প্রকাশ করার আগে ওই ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে পুরোপুরি অবহিত হওয়া উচিত। নতুবা এতে ব্যক্তি অধিকার ৰুণ্ন হতে পারে।
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে লোটাস কামাল বলেন, সবার কাছে পুঁজিবাজার সম্পর্কিত তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করতে দু'একদিনের মধ্যেই সংবাদ সম্মেলন করবেন।

১৬% বোনাস শেয়ার দেবে সাফকো স্পিনিং
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৬ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সাফকো স্পিনিং। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১০০টি শেয়ারের বিপরীতে ১৬টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
সাফকো স্পিনিংয়ের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৬ মে সকাল ১১টায় হবিগঞ্জে অবস্থিত কারখানা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ মে।
২০১০ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৫ টাকা ৯৮ পয়সা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ১৫ পয়সা।
Quote   
04/13/2011 1:02 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
সুনামহানির অপচেষ্টা চলছে ॥ বেক্সিমকো

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সূত্র ধরে পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে বেঙ্মিকো গ্রম্নপকে জড়িয়ে সংবাদ পরিবেশন উদ্দেশ্যমূলক বলে দাবি করছে প্রতিষ্ঠানটি। গতকাল মঙ্গলবার বেঙ্মিকো গ্রম্নপ অব কোম্পানির পৰ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তদনত্ম প্রতিবেদনে গ্রুপের কারর নাম উলেস্নখ না করা হলেও বিভিন্ন সূত্র ধরে সালমান এফ রহমান এবং বেঙ্মিকো গ্রুপ অব কোম্পানির সুনাম ক্ষুণ্নের চেষ্টা চলছে।
পুঁজিবাজারে অস্থিরতার কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটি গত বৃহস্পতিবার সরকারের কাছে প্রতিবেদন দেয়। ওই প্রতিবেদন সরকার প্রকাশ না করলেও তার ভিত্তিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে কারসাজিতে বেঙ্মিকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান জড়িত বলে উলেস্নখ করা হয়।
বেঙ্মিকো গ্রম্নপের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুঁজিবাজার কারসাজি বা সাম্প্রতিক শেয়ারবাজার বিপর্যয়ের সঙ্গে সালমান রহমান বা বেঙ্মিকো গ্রম্নপের কোন ধরনের সম্পর্ক রয়েছে বলে তদনত্ম প্রতিবেদনে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি।
'প্রতিবেদনের কোথাও সালমান রহমান বা বেঙ্মিকোকে শেয়ার বিপর্যয়ের জন্য দায়ী করা না হলেও রিপোর্টে (সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন) অপ্রাসঙ্গিকভাবে বেঙ্মিকো গ্রম্নপের কয়েকটি কোম্পানিকে কাল্পনিক অনিয়মের সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বাংলাদেশ ও বহির্বিশ্বে সালমান রহমান ও বেঙ্মিকোর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যেই এটা করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়।
এতে বলা হয়, 'আমাদের বিশ্বাস, কোন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই অনেকে এ রিপোর্টে (পুঁজিবাজার তদনত্ম) তথ্যের অপব্যাখ্যা করে বেঙ্মিকোকে শেয়ারবাজারে অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত বলে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এ ধরনের অপপ্রয়াসের একমাত্র উদ্দেশ্য, বেঙ্মিকোর শীর্ষ কর্তৃপক্ষকে হেয় করা।'
বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইনে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের প্রেৰিতে শীঘ্রই বেঙ্মিকো গ্রম্নপের পৰ থেকে ব্যাখ্যা দেয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। এতে আরও বলা হয়, ৩ লাখ শেয়ারহোল্ডার, ৪৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে গড়া বেঙ্মিকো গ্রম্নপ কোন ধরনের বিধিবহির্ভূত ও অনৈতিক কাজে জড়িত নয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বস্তুনিষ্ঠ নয় এবং শেয়ারবাজারকে অস্থিতিশীল করে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী ও শেয়ারহোল্ডারের স্বার্থ বিপন্ন করবে_ এমন কোন মনত্মব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংবাদমাধ্যম ও সংশিস্নষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
Quote   
04/13/2011 1:03 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
এসইসির ১০ কর্মকর্তা উদ্বৃত্ত ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন
সহজেই ভুল শোধরাতে পারে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়

বাংলানিউজ২৪.কম ॥ অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি ভুল শোধরাতে আরেকটি ভুল নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়। দু্ই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়হীনতার কারণে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ১০ জন সরকারী কর্মকর্তাকে উদ্বৃত্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সেৰেত্রে দীর্ঘ ১৫ বছর পর ১০ কর্মকর্তা উদ্বৃত্ত ঘোষিত হলে সংশিস্নষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহ এবং কমিশনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হবে এবং সরকারের ভাবমূর্তিও বিনষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশিস্নষ্টরা।
জানা যায়, ১৯৯৩ সালে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কমিশনের মূল সাংগঠনিক কাঠামোতে এলডিএ, ইউডিএ ও পিও পদসহ মোট ৬৪টি স্থায় পদ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯৯৭ সালে সরকার কর্তৃক কমিশনের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হয়। নতুন সাংগঠনিক কাঠামো সৃষ্টির সময় নীতিগত সিদ্ধান্ত ছিল যে মূল সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী নিয়োগকৃত ও কর্মরত কর্মচারীদের নতুন সৃষ্ট সাংগঠনিক কাঠামোতে যথোপযুক্ত পদের বিপরীতে আত্তীকরণ করা হবে।
এ শর্তে পুরনো সাংগঠনিক কাঠামোর এলডিএ, ইউডিএ ও পিএ পদ বিলুপ্ত করা হয় এবং উক্ত পদসমূহে কর্মরত কর্মচারীগণের জন্য পিও পদ সৃষ্টি করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালের ১৭ মে তারিখের অর্থবিভাগের স্মারকের প্রেৰিতে কর্মরত কর্মচারীদের স্ব স্ব বেতনে ও স্ব স্ব স্কেলে পিও পদে আত্তীকরণ করা হয়।
পরে ২০০৪ সালের ১০ মে তারিখের অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্মারকের প্রেৰিতে ২০০২ সালের সংশোধিত নিয়োগবিধির শর্ত পূরণ সাপেৰে ২০০৪ সালে সকল পিও পদের বেতন স্কেল প্রদান করে জিও জারি করা হয়।
১৯৯৩ সালে নিয়োগ, ১৯৯৭ সালে আত্তীকরণ এবং ২০০৪ সালে বেতন স্কেল প্রদান করায় এবং বেতন স্কেল প্রদানের তারিখ হতে ফিডার পদে চাকরিকাল গণনা করায় তাদের পদোন্নতি অত্যনত্ম বিলম্বিত ও বিঘি্নত হয়। তাই তাদের পদোন্নতির স্বার্থে ফিডার পদে চাকরিকাল বেতন স্কেল প্রদানের তারিখের পরিবর্তে পিও পদে আত্তীকরণের তারিখ হতে গণনা করার অনুমোদন চেয়ে এসইসি থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়টি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। তবে সেখানে এসইসি সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের মনোনয়ন ব্যতীত, এমনকি অর্থ মন্ত্রণালয়কে অবহিত না করে পূর্বতন সাংগঠনিক কাঠামোভুক্ত পিও পদে আত্তীকরণ করেছে। এখানে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের দায়িত্ব অর্থমন্ত্রণালয়ের থাকলেও নিজেদের সমন্বয়হীনতা লুকানোর চেষ্টা করেছে। অর্থমন্ত্রণালয়ের এ সুপারিশের প্রেৰিতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় আলোচনা কর্মকর্তাদের উদ্বৃত্ত ঘোষণা করেছে।
উদ্বৃত্ত ঘোষণার প্রেৰিতে আইনী পর্যালোচনায় দেখা যায়, যেহেতু উলিস্নখিত কর্মচারীদের যথোপযুক্ত পদের বিপরীতে আত্তীকরণ করা হবে এই শর্তেই নতুন সাংগঠনিক কাঠামো অনুমোদন করা হয়েছিল সেহেতু তারা উদ্বৃত্ত সরকারী কর্মচারী আত্তীকরণ অধ্যাদেশ ১৯৯৮৫ এর ধারা ২(ই) অনুযায়ী উদ্বৃত্তকরণ গ্রহণযোগ্য নয়। যেহেতু সংস্থাপন মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামোতেই আত্তীকরণ করা হয়েছে সেহেতু এৰেত্রে আত্তীকরণ এর বেলায় পুনরায় সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি গ্রহণের প্রয়োজন নেই।
কমিশন স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে আত্তীকরণ করেনি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১৯৯৮ সালের ১৮ মে তারিখের সম্মতির আলোকে তাদের স্ব স্ব বেতনে স্ব স্ব বেতন বেতন স্কেলে আত্তীকরণ করা হয়েছে।
যেহেতু আলোচন্য আত্তীকরণ সরকারী কর্মচারী আত্তীকরণ অধ্যাদেশ ১৯৮৫ এর ৫ ধারার (১) উপধারার বিধানের সঙ্গে সমাঞ্জস্যপূর্ণ সহেতু তা গ্রহণযোগ্য।
উদ্বৃত্ত সরকারী কর্মচারী আত্তীকরণ অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ অনুযায়ী তাদের বিলুপ্তকৃত পদ হতে উদ্বৃত্ত ঘোষণা করা সম্ভব কিন্তু বর্তমানে তারা সেই পদে নিয়োজিত নেই। বিধায় উদ্বৃত্তকরণ আদেশ গ্রহণযোগ্যতা হারায়।
Quote   
04/13/2011 1:03 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
আইসিবি ইসলামী ব্যাংককে অন্য ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার নির্দেশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আইসিবি ইসলামী ব্যাংকটিকে অন্য ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকটির সামগ্রিক আর্থিক সূচকের তেমন অগ্রগতি না হওয়ার কারণেই এ নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর মোঃ নজরম্নল হুদা সভাপতিত্ব করেন। নির্বাহী পরিচালক এসকেসুর চৌধুরীসহ সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউল হক চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আইসিবি ইসলামী ব্যাংকটির শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ এখনও ৬০ শতাংশ পর্যনত্ম রয়েছে। এছাড়া এ ব্যাংকের সমন্বিত মূলধন ঘাটতি রয়েছে প্রায় ৯শ' কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে ৩০০ কোটি এবং ব্যাংকের লচ রয়েছে ৬শ' কোটি টাকা।
সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে ব্যাংকটি প্রবলেম ব্যাংকের তালিকায় অনত্মভর্ুক্ত হলেও বর্তমান পর্যনত্ম এটির তেমন কোন আর্থিক উন্নতি ঘটেনি। যদিও ব্যাংকটিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং ও তত্ত্বাবধায়নে রাখা হয়েছে। কিন্তু কোনভাবেই এটির আর্থিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক ডিপোজিটের অর্থ ফেরত প্রদান এবং সামগ্রিক কর্মকা-ে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে অন্য কোন ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ব্যাংকের মালিকদের। কিন্তু মালিক পৰ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাংকের বিরম্নদ্ধে মামলা থাকার কারণে এটি বিক্রি বা অন্য ব্যাংকের সঙ্গে অনত্মভর্ুক্ত করা যাচ্ছে না।
বৈঠক সূত্রে আরও জানা গেছে, ব্যাংকটির দুর্বলতার পাশাপাশি কিছু সাফল্যও রয়েছে। এটি ২০০৯ সালের ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিবর্তে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যনত্ম প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। একই সঙ্গে ডিপোজিট সংগ্রহ করেছে অনেক বেশি।

রেপো নিলামের ফল
১২ এপ্রিল, ২০১১ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য রেপো নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নিলামে ১ দিন মেয়াদী ২৩৫৭৫.১৪ কোটি টাকার ১৫টি দরপত্র পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২১০১.১১ কোটি টাকার ১৫টি দরপত্র গৃহীত হয়। অধিকন্তু, লিকুইডিটি সুবিধা বাবদ ১ দিন মেয়াদী ১৫টি প্রাইমারী ডিলারকে ৪৮৩৭.৮২ কোটি টাকা প্রদান করা হয়। গৃহীত রেপো ও লিকুইডিটি সুবিধা উভয়ের বার্ষিক সুদের হার ছিল শতকরা ৬.০০ ভাগ। বিজ্ঞপ্তি।

১৫ বছর মেয়াদী গভঃট্রেজারি বন্ডের নিলামের ফল
মঙ্গলবার ১৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ গভঃট্রেজারি বন্ডের ৩৮(১৫বছর/২০১০-১১নং নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নিলামে ২৫০ কোটি টাকার ১৫টি দরপত্র পাওয়া যায়। প্রাপ্ত সকল দরপত্রই গৃহীত হয়। গৃহীত দরপত্রসমূহের কুপন রেট ছিল শতকরা ৯.৩০০০ ভাগ। বিজ্ঞপ্তি
Quote   
04/13/2011 1:04 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
শেয়ারবাজার তদন্ত প্রতিবেদন
প্রাথমিক বাজারের অতি মূল্যায়ন সেকেন্ডারি বাজারে
বিশেষ প্রতিনিধি | তারিখ: ১৩-০৪-২০১১

এবার শেয়ার কেলেঙ্কারিতে প্রাথমিক বাজারেই অতি মূল্যায়ন করে প্রথম দফা মুনাফা তুলে নিয়েছে কিছু কোম্পানি ও উদ্যোক্তা। এই প্রক্রিয়ায় প্রাক-আইপিও প্লেসমেন্ট, প্রেফারেন্স বা অগ্রাধিকার শেয়ার ছাড়া, বুক বিল্ডিং পদ্ধতি ও সরাসরি তালিকাভুক্তি, ঋণকে শেয়ারে রূপান্তর এবং রিপিট আইপিও পদ্ধতির প্রয়োগ হয়।
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে শেয়ারবাজার বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি বলেছে, ‘প্রাক-আইপিও মূল্য-কারসাজি (ম্যানিপুলেশন) এবং ফলশ্রুতিতে আকাশচুম্বী মূল্যবৃদ্ধি না ঘটানো হলে, এবারের পুঁজিবাজার ধস ঘটত না।’
তদন্ত কমিটি বলেছে, স্টক এক্সচেঞ্জের বাইরে এসইসির প্রত্যক্ষ সহায়তায়, সহযোগিতায় এবং সম্ভবত শীর্ষ নির্বাহীদের সংশ্লিষ্টতায় প্রাক-আইপিও পর্যায়ে যে মূল্য-কারসাজি ঘটেছে, তা অপ্রত্যাশিত, অনৈতিক এবং সুনির্দিষ্ট সিন্ডিকেশনের ফল। প্রকৃতপক্ষে এসইসির ছত্রচ্ছায়ায় একটি ‘বেআইনি কার্ব বাজার’ সৃষ্টি করা হয়েছিল, যেখানে ‘টোকেনের মাধ্যমে শেয়ার প্লেসমেন্ট ও প্লেসমেন্ট ক্রয়-বিক্রয় সংঘটিত হয়েছে।’
তদন্ত প্রতিবেদনে বেশ কয়েকটি প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রির উদাহরণ রয়েছে। এর একটি এসটিএস হোল্ডিং (বাংলাদেশে অ্যাপোলো হাসপাতালের মূল প্রতিষ্ঠান)। এই কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় ১.৪৪ টাকা। ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এটা ছিল লোকসানি কোম্পানি। অথচ বুক বিল্ডিংয়ে এর নির্দেশক মূল্য হয় ১২৫ টাকা। তার আগেই মাত্র ১৫ টাকা করে অর্ধেকের বেশি শেয়ার প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করে কোম্পানিটি। তবে কাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে, তা জানানো হয়নি। বিষয়টি এসইসি তদন্তও করেনি এবং যথার্থতাও দেখেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে নির্দেশক মূল্য বেশি দেখানোর আরেকটি বড় উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে এসেছে খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড বা কেপিসিএলের নাম। ২০০৯ সাল শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় যেখানে ছিল ২ দশমিক ৭৯ টাকা এবং প্রকৃত সম্পদমূল্য ছিল ১৮ দশমিক ৫৩ টাকা, সেখানে প্রতি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ হয় ১৬২ টাকা। এই মূল্য শেয়ারপ্রতি আয়ের ৫৮ গুণের বেশি ও প্রকৃত সম্পদের নয় গুণ। আবার শেয়ারটির প্রারম্ভিক বিক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয় ১৯৪ দশমিক ২৫ টাকা, যা একাধারে শেয়ারপ্রতি আয়ের ৬৯ গুণের বেশি, প্রকৃত সম্পদের ১০ দশমিক ৫ গুণ ও নির্দেশক মূল্যের ২০ শতাংশ বেশি। তদন্ত কমিটি বলেছে, ‘এ ধরনের দর হাঁকানো কারসাজিমূলক বা সহযোগিতাপূর্ণ মূল্য নির্ধারণকে নির্দেশ করে।’
প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতারা ১৯৪ দশমিক ২৫ টাকা দরে প্রায় ১০১ কোটি টাকা মূল্যের ৫২ লাখ ১৪ হাজার ৮২৫টি শেয়ার কিনে নেয়। এই পরিমাণ শেয়ার কোম্পানির বিক্রীত শেয়ারের ১১ শতাংশ।
তদন্ত কমিটি বলছে, অভিযোগ পাওয়া গেছে যে মাত্রাতিরিক্ত নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে সহায়তা করার পেছনে আর্থিক প্রণোদনা কাজ করেছে। কমিটি তাদের পর্যালোচনায় আরও বলেছে, প্রকৃত সম্পদমূল্য হিসাব করার সময় প্রায় এক কোটি টাকার দায় এবং পরিশোধযোগ্য অগ্রাধিকার শেয়ারের বিপরীতে ১১ কোটি টাকার দায় হিসাবে ধরা হয়নি। এই দায় হিসাবে নিলে শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য হতো ১৮ দশমিক ৫৩ টাকার বদলে ১৩ দশমিক ২০ টাকা।
কেপিসিএলের শেয়ারটির লেনদেনের প্রথম দিনের (১৮ এপ্রিল ২০১০) সমাপনী দর ছিল ২৭৩ দশমিক ৬ টাকা। আর ২৫ মে অবিশ্বাস্য পরিমাণে অর্থাৎ ২১৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। ২৪ মে ৩৮ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০টি শেয়ার ২৭টি ব্লক বাণিজ্যে ২০০ টাকা করে ৭৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকায় লেনদেন হয়।
শেয়ারটির উদ্যোক্তা পক্ষ লেনদেনের প্রথম ৩০ দিনে নিজেদের অংশের ২৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির জন্য সম্মত হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এর শেষ সাত দিনে বিক্রি হয় দুই কোটি ৮৯ লাখ ৩৯ হাজার ১২৫টি শেয়ার, যা তাদের মোট প্রস্তাবিত শেয়ার বিক্রির ৬১ দশমিক ৬৫ শতাংশ।
প্রতিবেদন অনুসারে, কিছুসংখ্যক ক্রেতা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই শেয়ারগুলোর একটি অংশ কিনে নেয়। আবার ডিএসইর ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান সাব-ভ্যালি সিকিউরিটিজের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি হয়েছে। অথচ সাব-ভ্যালি প্রথমে নির্ধারিত পাঁচ ব্রোকারের একটি ছিল না। আর ৩০ দিন শেষে শেয়ারের দাম ১৭০ টাকায় নেমে যায়, আর বাড়েনি।
যোগাযোগ করা হলে কেপিসিএলের মালিকপক্ষ সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান প্রথম আলোকে বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে যে বিধিবিধানগুলোর কথা বলা হয়েছে, তা সরাসরি তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তিনি বলেন, নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব ছিল বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর। আর কেপিসিএলের নিরীক্ষার কাজ করানো হয়েছে রহমান রহমান হক ও আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাত কেপিএমজিকে দিয়ে।
আজিজ খান আরও বলেন, শর্ত ছিল ৩০ দিনের মধ্যে প্রত্যেকের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ শেয়ার বাজারে বিক্রি করতে হবে। প্রথম দিকে দাম বেশি ছিল। কারণ তখন সরবরাহ কম ছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা কিন্তু পারতাম সে সময় সব শেয়ার বিক্রি করতে। আমরা তা করিনি বিনিয়োগকারীদের প্রতি আমাদের ভালো মানসিকতার কারণে।’ তিনি আরও বলেন, শেষের সাত দিনে ব্লক ট্রেড হয়েছে। এ সময় শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারী কেনেনি। আবার পরে দাম কমে গেছে। তাই যারা ব্লক ট্রেড করেছে, তারা কিন্তু লাভবান হয়নি। ফলে তদন্ত কমিটি যা বলতে চেয়েছে, তা ঠিক নয়।
আজিজ খান আরও বলেন, খুলনা পাওয়ারের ১১৫ মেগাওয়াটের দ্বিতীয় ইউনিট এবং খানজাহান আলী পাওয়ার কোম্পানির ৪৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার কেন্দ্র দুটি বর্তমানে পরীক্ষামূলক উৎপাদনে রয়েছে। শেয়ারবাজার থেকে তোলা টাকা এসব প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে সাতটি কোম্পানির অগ্রাধিকার বা প্রেফারেন্স শেয়ার ছাড়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মাত্র দু-তিন মাসের জন্য অগ্রাধিকার শেয়ার ছাড়া হয়েছে। সামিট পাওয়ার ও পিপলস লিজিং মাত্র এক মাসের জন্য অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, অগ্রাধিকার শেয়ারগুলো সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরের সময় বাজারমূল্যের গড়ের চেয়ে ২৫ থেকে ৪৫ ভাগ ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রূপান্তরের আনুপাতিক হার এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি বেশ কিছু প্রিমিয়াম (উপরি মূল্য) পায়। যেমন: ১০ টাকার অগ্রাধিকার শেয়ার মেয়াদ শেষে তিনটি সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে অর্থাৎ ১০: ৩ অনুপাত। অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে অর্থ সংগ্রহকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে আছে: এস আলম কোল্ডরোল স্টিল, বাংলাদেশ-থাই, বেক্সিমকো ফার্মা, সামিট পাওয়ার, পিপলস লিজিং ও বিডি কম।
ব্যক্তি খাতে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রিমিয়াম বা উপরি মূল্যে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে পাঁচটি কোম্পানি বড় অঙ্কের মুনাফা তুলে নিয়েছে। এগুলো হলো—আরএকে সিরামিকস, এমজেএল লিমিটেড (প্রস্তাবিত), এমআই সিমেন্ট (প্রস্তাবিত), কেপিসিএল ও ওশান কনটেইনার। তদন্ত কমিটি বলেছে, এমজেএল ও এমআই সিমেন্ট অতি উচ্চ প্রিমিয়ামে অর্থ সংগ্রহ করেছে। সে তুলনায় আরএকে সংযতভাবে গ্রহণযোগ্য প্রিমিয়ামে পুঁজি সংগ্রহ করেছে। তাই আরএকের বাজারমূল্য সেভাবে হ্রাস না পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হননি।
প্রতিবাদ: প্রথম আলোতে গতকাল প্রকাশিত ‘লোভের ফাঁদ তৈরি করে শেয়ার কারসাজি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে মোসাদ্দেক আলীর ফালুর একান্ত সচিব হাসিব হাসান খান প্রতিবাদ পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শেয়ারের মূল্য বাড়ানো বা কমানোর কোনো কৌশলের সঙ্গেই মোসাদ্দেক আলী জড়িত ছিলেন না। পুঁজিবাজারের মূল্যসূচক যখন ৮৩০০-তে পৌঁছায়, তখন মোসাদ্দেক আলী কোনো শেয়ার তাঁর হিসাব থেকে বিক্রি করেননি। তিনি মোসাদ্দেক আলীর সাউথইস্ট মার্চেন্ট ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় নিজ নামে খোলা হিসাবের প্রমাণাদি পাঠিয়েছেন। বলেছেন, এই হিসাবে তিনি এক লাখ ৫১ হাজার ৬০৫টি আইএফআইসি ব্যাংকের শেয়ার ক্রয় করেন, যার প্রতিটির মূল্য ছিল এক হাজার ১৪১ দশমিক ৬৪ টাকা। আর ডিসেম্বরে ৮৩০০ সূচকের সময় এই শেয়ারের বাজারদর ছিল এক হাজার ৬০০ টাকার ওপরে। কিন্তু তার পরও এই শেয়ার বিক্রি করা হয়নি। সুতরাং অস্বাভাবিক দরপতনের সঙ্গে মোসাদ্দেক আলীর জড়িত থাকার অভিযোগটি অবাস্তব, ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।
এসইসির সাবেক সদস্য এ কে এম সাহাবুব আলম গতকালের এবং ৯ এপ্রিল প্রকাশিত ‘কারসাজিতে জড়িত ৬০ ব্যক্তি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে তাঁর নাম উল্লেখ থাকায় এর প্রতিবাদ করেছেন। বলেছেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনে কারসাজির সঙ্গে আমাকে সম্পৃক্ত করা হয়নি। তথাপি উক্ত প্রতিবেদনে আমার নাম উল্লেখ করে আমাকে হেয় করা হয়েছে ও সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।’ ৯ এপ্রিলের প্রতিবেদন সম্পর্কে তিনি বলেছেন, ‘আমি অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব অনুমোদন করানোর ব্যবস্থা করি বলা হয়েছিল, যা তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।’
প্রতিবেদকের বক্তব্য: তদন্ত প্রতিবেদন এবং গণমাধ্যমে ইব্রাহিম খালেদের দেওয়া বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করেই প্রথম আলোর প্রতিবেদনগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।
Quote   
04/13/2011 1:05 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
আইএফআইসি ব্যাংক কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনিঅনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ১৩-০৪-২০১১

আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। আজ বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২১ জুন বেলা ১১টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ৫ মে। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় ২.০৪ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ৮.৭৩ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ০.২৮ টাকা।
Quote   
04/13/2011 1:06 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
অ্যাকটিভ ফাইন ও নর্দার্ন জেনারেল ইনস্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণাঅনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ১৩-০৪-২০১১

অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালস লিমিটেড ১৫ শতাংশ এবং নর্দার্ন জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ১২ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আজ বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালস লিমিটেড: এর পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৯ জুন বেলা ১১টায় ঢাকার কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ২৭ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় ৩.১২ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ১৫.০৪ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ০.০৮ টাকা।
নর্দার্ন জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২০ জুন বেলা ১১টায় ঢাকার ঢাকার শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ২৭ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় ১১.১৯ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ১১৮.৫০ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ২১.৬৩ টাকা।
Quote   
04/13/2011 1:14 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Star
Strong cartel behind scam
Stocks probe report says nexus targeted primary market for manipulation by inflating prices  
Rejaul Karim Byron and Sarwar A Chowdhury


A strong cartel has used the primary market as a tool to fleece people by inflating share prices, says a probe committee report.

“The 1996 crash was in the secondary market. But this time it was created in the primary market from behind the scene by a nexus of the issuer, issue manager, valuer, chartered accountant and placement holder with the SEC's support,” the report said.

“The huge price inflation due to misuse of premium, book building and placement before issuing IPO caused massive instability in the secondary or open market,” the report said.

Primary market deals with the issuance of new securities. In Secondary market previously issued securities and financial instruments in the primary market such as stock, bonds, options, and futures are bought and sold or traded.

In 2009-10, 34 companies, eight of which were non-listed, raised capital totaling Tk 3,776 crore through private placements.

Private placement is a non-public offering in which securities are usually sold to a limited number of chosen private investors.

Some of them distributed primary shares equivalent to 50-90 percent of their paid-up capital.

“Using the placement illegally, the issuer companies or the issue managers or their representatives gave placement shares to many high civil and military officials in a bid to increase their share prices in the market,” the report said.

“It is not possible to know their complete identity by names and addresses mentioned in the prospectuses. If extensive police or intelligence probe is launched against these people….conspirators behind the scene will be unmasked and forgery in the stockmarket will be stopped in future,” said the report. It also disclosed a list of 100 people who received shares through placement in a big amount.

The probe found that business people, stock exchange members and directors, chief executives of some merchant banks, relatives of high officials of the ICB and wives of banks officials were among those who received placement shares worth above Tk 1 crore.

The probe committee also received allegations that high officials of the SEC and stock exchanges members and directors took placement shares in condition of giving listing approval.

Eight non-listed companies raised Tk 1,367 crore from many individual and institutional investors through private placement. But these companies are yet to be listed on the stock exchanges. As a result, the prevailing liquidity crisis in the stockmarket may be intensified further, as the individuals' and institutional investors' money got stuck in the companies' placement.

“The placement business outside the capital market has become a new system for share transaction that is totally illegal. Taking this opportunity some weak companies through fabricated financial statements raised hundreds of crores of taka from immature investors,” the report said.

Pubali Bank Securities Limited is one of the institutional investors that bought around Tk 13 crore worth shares of Unique Hotel and Resorts Ltd and Energy Prima Limited through placement. As the stockbroker's investment got stuck on the two companies, the bank brokerage house on March 1 sent a letter to the SEC seeking support from the regulator to get back the investment.

Not only in the case of companies placement, the probe committee also found irregularities in the pre-IPO placement of mutual funds that also helped to create instability in the stockmarket.

According to the probe committee's finding, placement holder of six to seven mutual funds pocketed around Tk 350 crore.

Lack of guidelines or rules in the SEC widened the scope of the irregularities in the placement, said the report, which also suggested formulating specific rules on placemen
Quote   
04/13/2011 1:15 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Star
Stocks spring back from losses  

Star Business Report Stocks bounced back yesterday after investors went for heavy buying of shares to cash in on lower prices.

The benchmark general index of Dhaka Stock Exchange gained 160 points, or 2.56 percent, to close at 6,423 points.

The general index of DSE lost 294 points on Monday, influenced by rumours that manipulators were trying to create a volatile situation in the market.

The selective price index of Chittagong Stock Exchange advanced by 242 points, or 2.13 percent, to 11,581 points.

Of 252 issues, 230 advanced, 19 declined and three remained unchanged on the DSE trading floor.

Professor Salahuddin Ahmed Khan, who teaches finance at Dhaka University, said: "Investors' buying pressure pulled the market."

Islam, also a former chief executive officer of DSE, said the market gained after an initial loss of some points. “So it seems to be rational market behaviour.”

The general index of DSE dropped 95 points in the first five minutes of trading but gained 40 points after 15 minutes of trading.

Most of the major sectors such as banks gained 1.66 percent, non-bank financial institutions 2.51 percent, telecoms 1.44 percent and fuel and power 2.61 percent.

Daily turnover on the DSE was recorded at Tk 792 crore, down Tk 431.60 crore from the previous day. The trading volume declined from the previous day.

Beximco topped the turnover leaders with 13.07 lakh shares worth Tk 36.73 crore traded on the day.

The other turnover leaders were Aftab Automobiles, Titas Gas, Rak Ceramics, Bextex, Peoples Leasing and Financial Services, Fu-wang Ceramic, Desco, Bay Leasing and Investment, Premier Leasing and Financial.

CMC Kamal was the biggest gainer of the day, posting a 9.99 percent rise in its share price, while Kohinoor Chemicals was the worst loser, slumping by 4.90 percent
Quote   
04/13/2011 1:19 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
FE REPORT
The report that speaks trouble
Shamsul Huq Zahid

Finance Minister AMA Muhith has to make a decision whether he would take the trouble of 'editing' the report of the probe committee on share market scam and make it public, officially.

The content of the main report, submitted to the finance minister by the probe committee Thursday last, is already out for public consumption by the courtesy of the Bangladesh's agile media. Newspapers have already published a series of news items on the content of the report.

There should be no reason for anyone to be annoyed with the media for publishing the details of the report before its 'official' publication. It is the job of the media to dig out secrets, not the ones involving national security and privacy of individuals, and bring the same to the notice of the people. The media has done nothing unethical as far as publication of the report is concerned.

It could be that someone has, deliberately, leaked the report to the press out of the fear that there could be an attempt to shield the names of some powerful and influential people whom the probe committee found to be involved in the stock market scam.

The press statement issued by the finance minister following the submission of the report by the probe committee, possibly, encouraged some people who are in the know of the things to leak the content of the report to the press. The minister said the government would make the report public after dropping the names of persons whom the committee suspected to be involved in the latest stock market manipulations.

His statement had given rise to suspicion that the there was a behind-the-scene move from some quarters to shield a few powerful and influential people whose names have been mentioned as suspects in the probe committee report. The bitter experience in relation to the 1996 stock market scam, obviously, has played a role in the back of the mind of the people who have leaked the full report to the press.

True, anyone suspected of committing a crime cannot be recognized as a criminal unless and until he or she is found guilty by a recognized court of law. The probe body in its report has also suggested the government to be sure about the wrongdoings by the suspected individuals before taking any actions against them.

Under such circumstances, the decision of the finance minister to drop names of individuals, suspected to be involved in manipulations, from the report might appear justified to many. But the enormity of the scam that has affected millions of investors across the country and the fate of a past report on similar event tend to make people suspicious about even a reasonable action.

But, unfortunately, there are a few signs of 'media trial' of the suspects of the stock market manipulations. While the publication of report has been very much within the bounds of the professional ethics, targeting the suspects for the purpose of maligning them without proof would be an unethical act.

In fact, the probe committee, despite facing lots of limitation, has accomplished its job. It is the responsibility of the government to play its part now to bring the real culprits to book. It matters little how it does it. But any sort of foot-dragging would only strengthen the widespread suspicion that the masterminds of the scam would, finally, go off the hook.

The report has put to test the government's sincerity to try the stock market manipulators, who, allegedly, include some influential ruling party men, businessmen, officials. It will be not an easy task either, particularly when the probe body chief has admitted that the act of manipulations both in primary and secondary markets, in a number of cases, were done within the lawful bounds.

One particular institution, the Securities and Exchange Commission (SEC), did create opportunities for the manipulators to make their fortunes availing themselves of the legal lacunae. There are instances where the regulator kept in abeyance its own decisions just to facilitate some companies to fleece the small investors.

There should be no reason for the government to delay the job of cleansing the securities regulator that, according to the probe body report, had become a den of some greedy officials. While selecting top officials for the SEC, what should count most is competence, not political loyalty. A strong regulator, in terms of manpower, logistics and legal provisions, is the best safeguard against manipulation, be it stock market or money market.

Quote   
04/13/2011 1:19 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Stocks rise amid see-saw
FE Report

Dhaka stocks witnessed see-saw in the trading session Tuesday with all indices gained more than two per cent despite low turnover amid cautious mood prevailed among the general investors.

Dhaka Stock Exchange main index DGEN gained 160.53 points or 2.56 per cent to peg at 6423.22 points although the daily turnover dipped significantly on the day.

In value terms, the daily turnover of DSE stood at Tk 7.92 billion, which was Tk 12.24 billion in the previous session.

Market analyst Salahuddin Ahmed Khan Said, in the last two or three trading session the market experienced heavy fluctuation as some quarter is trying to destabilize the market. This certain quarter may not be happy with the recently published share scam report.

Praising the published report on share scam, former chief executive officer (CEO) of DSE Salahuddin Ahmed Khan said, the committee has covered major part of the recent share scam in span of short period of time, which is very commendable.

But if the general investors don't get panicked the intentions of the vested quarter will not be implemented, he added.

A high official of a leading merchant bank said, the trading pattern is hard to understand now days. But whatever is driving the market, everything is related with submitted scam report on share market.

Meanwhile the market opened in a bearish mood and at one point DGEN lost almost 100 points. After several rounds of ups and down the DGEN finally closes up by 160.53 points.

The broader All Shares Price Index (DSI) rose 130.86 points or 2.52 per cent to close at 5331.69. The DSE-20 index comprising blue-chip shares went up by 86.07 points or 2.22 per cent to 3960.83.

A total of 61.35 million shares changed hands on the day against 107.62 million in the previous session. The trade deals also decreased to 169,780 against 238,264 in the previous session.

Market capitalization slightly increased to Tk 2,876.20 billion against Tk 2,818.30 billion in the previous session.

Share prices of all the sectors gained across the board on the day.

Banking issues, which make up more than one-third of the market capitalization gained 1.66 per cent on the day. As out of 29 banks traded all the banks gained with DBBL at the helm. DBBL share price increased Tk 34.25 per share and closed at Tk 1,449.5.

Grameenphone (GP), the most weighted shares in DSE and the lone listed company in telecommunications sector, advanced Tk 2.10 per share and closed at Tk 168.8, after two session of loss. The sector advanced 1.44 per cent.

In the financial sector 20 issues traded, all issues gained on the day with Midas Finance leading the sector as its share price rose Tk 85.25 per share and closed at Tk 1,430.75. Overall the NBFIs sector gained 2.51 per cent.

In the fuel and power sector 10 issues traded, all issues advanced with DESCO was the leading and the company's share price rose Tk 84.75 per share and closed at Tk 2,035. The sector also gained 2.61 per cent.

The textile sector gained 5.25 per cent and in the sector 24 issues traded, 23 issues gained and only stylecraft was the sole loser in the sector. The company lost Tk 224 per share on the day and closed at Tk 6,362.75.

In the pharmaceuticals sector 20 issues traded, 18 issues gained on the day. The sector also gained 2.05 per cent.

In the Insurance sector 43 issues traded, 40 issues advanced while three issues declined while general insurance and life insurance gained 4.19 per cent and 2.99 per cent on the day.

Among others gainers---ceramics sector gained 8.38 per cent, mutual fund sector 1.2 per cent, cement 2.31 per cent and jute 2.47 per sent gained on the day.

Beximco Limited continued topped the turnover list with shares worth Tk 367.30 million changing hands.

The other turnover leaders were Aftab Automobiles, Titas Gas, RAK Ceramics, Bextex Limited, Peoples Leasing, Fu-Wang Ceramics, DESCO, Bay Leasing and Premier Leasing.

CMC Kamal was the day's highest gainer posting 9.98 per cent rise. It was followed by RAK Ceramics, Sinobangla Industries, ACI, GQ Ball Pen, Kay & Que, Beach Hatchery, Immam Button, Quasem Drycell, and Anlima Yarn.

Kohinoor Chemicals was the day's top loser, followed by Second ICB, MBL First Mutual Fund, Peoples Leasing, Stylecraft, AIBL First Mutual Fund, ICB First NRB, Fifth ICB, BD Lamps and Renata.

Meanwhile, as per the Monday's decision, a group of investors tried to form a human chain in front of the DSE office. But their attempt was foiled as police intervened.

Quote   
04/13/2011 1:19 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Beximco Group clears position
FE Report

Beximco Group has urged media and all concerned to refrain from making any remarks which are not based on facts regarding the recent stock market scam.

"Such remarks will only destabilize the market and put large number of investors and shareholders at stake," Beximco Group said in a statement issued Tuesday.

"We are deeply concerned about the slanderous statements against Mr Salman F Rahman and Beximco group of companies, following the submission of the stock market probe report publicized through some print and electronic media in the country. From initial scanning of the report it appears to us that no specific allegation has been brought against Mr. Rahman or Beximco companies which has any relationship to any sort of market manipulation or recent share market debacle," the statement said.

It said it is unfortunate that although nowhere in the report Mr. Rahman or Beximco Companies have been held responsible for the stock market crash, the report has mentioned some of the Beximco companies unnecessarily in an attempt to relate them to possible irregularities, which is irrelevant and baseless, and simply done to tarnish and malign the image of Mr. Rahman and Beximco at home and abroad.

"Thus we vehemently reject these comments and observations made in the report, which are totally false, fabricated and purely based on hearsay and assumptions only."

"We are reviewing the findings of the probe report which have been published in several dailies and also available online, and will shortly respond to each and every point raised in the report about us."

"We believe that without proper verification, many have misinterpreted the report findings and on many instances, linked Beximco with market irregularities just to humiliate its top management," it said.

"We clearly state that all transactions were made within the legal framework of the country, and there was not a single instance where we violated any regulatory norms, or did anything unethical or immoral. We are fully committed to take all possible measures to protect the greater interest of our 300,000 shareholders, 45,000 employees and other stakeholders," the statement added.

Quote   
04/13/2011 1:28 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Amar Desh
বাংলাদেশ ফান্ড ও বাইব্যাকের নামে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা
সৈয়দ মিজানুর রহমান ও কাওসার আলম

পাঁচ হাজার কোটি টাকার ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ এবং ‘বাইব্যাক পদ্ধতি’র নামে পুঁজিবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। শেয়ারবাজারে সম্প্রতি ভয়াবহ ধসের কারণে পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া কয়েক লাখ বিনিয়োগকারী বাংলাদেশ ফান্ড এবং বাইব্যাক পদ্ধতি চালু নিয়ে নতুন করে আশায় বুক বাঁধলেও বাস্তবে এগুলোর মাধ্যমে তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
জানুয়ারিতে পুঁজিবাজারে ভয়াবহ ধস নামার পর ২০ জানুয়ারি অনির্দিষ্টকালের জন্য শেয়ারবাজার বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। সরকারি পর্যায়ে কিছু পদক্ষেপ নিয়ে ২৫ জানুয়ারি বাজার খুলে দেয়া হয়। কিন্তু পক্ষকাল না যেতেই আবার বাজারে ধস নামে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ডিএসই’র সাধারণ সূচক সাম্প্রতিক সময়ে সর্বনিম্ন ৫২০৩ পয়েন্টে নেমে আসে। এর পরই জোরেশোরে সরকারি পর্যায়ে এবং আইসিবির মাধ্যমে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের ঘোষণা দিয়ে বাজারকে পতনের হাত থেকে রক্ষার চেষ্টা চলে।
প্রায় একই সময়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত তার কেবিনেট সহকর্মী বাণিজ্যমন্ত্রী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খানের পারিবারিক মালিকানাধীন দু’টি কোম্পানির শেয়ার বাইব্যাকের ঘোষণা দিয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আশার বাণী শোনান। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রভাব খাটিয়ে উচ্চদর নির্ধারণ করে ডিরেক্ট লিস্টিং-এর মাধ্যমে এই দু’টি কোম্পানি বাজারে প্রবেশ করে। যে দামে তারা বাজারে আসে, পরে এ দু’কোম্পানির শেয়ারের দাম প্রায় অর্ধেক নেমে আসে। এ নিয়ে মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনা হয়। এক পর্যায়ে কোম্পানি দু’টিও তাদের শেয়ার ওপেনিং প্রাইসে বাজার থেকে বাইব্যাক পদ্ধতিতে কিনে নেয়ার ঘোষণা আসে। বাণিজ্যমন্ত্রীর পারিবারিক প্রতিষ্ঠান খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড বা কেপিসিএল-এর ১০ টাকা ফেস ভেল্যুর প্রইমারি শেয়ার সরকারি প্রভাব খাটিয়ে ও এসইসির সহযোগিতায় বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ১৮৪ টাকা প্রিমিয়াম ধরে মূল্য ১৯৪ টাকায় বাজারে আসে। অথচ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এর দর ছিল মাত্র ৭৮ টাকা ৫০ পয়সা। গতকাল ছিল ৯৩ টাকা ৫০ পয়সা। অন্যদিকে বাণিজ্যমন্ত্রীর পারিবারিক অপর প্রতিষ্ঠান ওশেন কন্টেইনার লিমিটেড বা ওসিএল-এর ১০ টাকা ফেস ভেল্যুর শেয়ার ১৩৫ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ১৪৫ টাকায় ডিরেক্ট লিস্টিংয়ে বাজারে আসে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এর দর অর্ধেকে নেমেছিল। ২৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণার পরও সোমবার এই শেয়ারের দাম ছিল মাত্র ১০৭ টাকা ৩০ পয়সা। খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি বলেছে, এ দু’টি কোম্পানির পরিচালকরা অবৈধভাবে বাড়তি প্রিমিয়াম অদায় করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১,১৮৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা তুলে নিয়েছে।
আমাদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, বাংলাদেশ ফান্ড ও বাইব্যাক-এ দু’টি বিষয় নিয়েই সরকার ও সরকারি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। প্রথমত দু’মাসেও প্রতিশ্রুতি দু’টির বাস্তবায়ন হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর বাস্তবায়নে আইন ও বিধি-বিধানে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। তার কিছুই করা হয়নি। সরকার এখনও এ নিয়ে কোনো উদ্যোগই নেয়নি।
দ্বিতীয়ত সরকারি প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ-আইসিবির মাধ্যমে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের কথা শোনানোর কিছুদিন পরই বেরিয়ে আসে এর অর্ধেক বিনিয়োগ হবে শেয়ারবাজারে এবং বাকি অর্ধেক মানি মার্কেটে। সে হিসেবে এর পরিমাণ দাঁড়ায় আড়াই হাজার কোটি টাকা । কিন্তু সরকারি আইসিবি বাংলাদেশ ফান্ডের যে প্রস্তাব এসইসি’র কাছে পাঠিয়েছে তাতে দেখা গেছে, মোট মাত্র দেড় হাজার কোটি টাকা ফান্ডের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে। এর অর্ধেক দাঁড়ায় মাত্র সাড়ে ৭শ’ কোটি টাকা। অর্থাত্ বাংলাদেশ ফান্ড যদি গঠিত হয়, তবে এ পর্যন্ত এ ফান্ড থেকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য মাত্র সাড়ে ৭শ’ কোটি টাকার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। যেহেতু আইসিবি ছাড়া বাকি উদ্যোক্তারা বিভিন্ন ব্যাংক এবং ব্যাংকগুলোর তারল্য ঘাটতি সাম্প্রতিক সময়ে প্রকট, সে বিবেচনায় প্রতিশ্রুত ফান্ড নিয়েও এক ধরনের অনিশ্চয়তা আছে। তৃতীয়ত বাংলাদেশ ফান্ডের প্রস্তাবে এটাকে এক ধরনের ওপেন ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড হিসেবে দেখানো হয়েছে। এ ধরনের ফান্ডে একজন ফান্ড ম্যানেজার থাকেন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন কখন ফান্ডের টাকা দিয়ে কোন শেয়ার কেনা বা বিক্রি করা হবে এবং ফান্ডের স্পন্সর প্রতিষ্ঠান বা ইউনিট ক্রয়ের মাধ্যমে অন্য যারা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হবেন, তাদের টার্গেট হবে শেয়ারবাজারে ব্যবসা করে লাভ করা। যেহেতু প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দক্ষ লোকদের দিয়ে ফান্ডের টাকা বিনিয়োগ করা হবে, সে জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের চেয়ে তাদের বিনিয়োগ অনেক ম্যাচিয়ুর হবে এবং তাদেরই বাজার থেকে বেশ লাভের সুযোগ থাকবে। ব্যবসায়িক বিবেচনায় বাজারে থাকা অন্য বিনিয়োগকারীদের সুবিধার চেয়ে অসুবিধাই হবে এ ফান্ডে। শুধুমাত্র ভালো দিক হবে যদি কোনো দিন এ ফান্ড সচল হয় তবে শেয়ারবাজারে নতুন করে কিছু টাকা ঢুকবে। তবে এ টাকা বাজারের খারাপ অবস্থায় ঢুকবে আর ভালো অবস্থায় বাজারের বাইরে থাকবে—এ নিশ্চয়তা সরকার কিভাবে দিবে? এ প্রশ্ন থেকেই যাবে।
সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের ঘোষণা দেয়া হলেও বাস্তবে এ ফান্ড গঠন করা সম্ভব নয়। অপরদিকে বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করতে হলে কোম্পানি আইন সংশোধনের প্রয়োজন হবে। কিন্তু এটি সংশোধনে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। আর যে উদ্দেশ্যে এ পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হওয়ায় আপাতত তা নিয়ে সরকার কিছুটা পিছু হটেছে। যদিও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ঘোষণা দিয়েছিলেন, সংসদের গত অধিবেশনেই আইন সংশোধন করে বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করা হবে। কিন্তু তা হয়নি।
এদিকে পুঁজিবাজারের বিশেষ সহায়তা তহবিল হিসাবে বাংলাদেশ ফান্ড গঠন করা হলেও এর ৫০ শতাংশ অর্থবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে। কিন্তু এসইসির মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা অনুযায়ী, মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর ৭০ শতাংশ অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ জন্য আইসিবির পক্ষ থেকে মিউচুয়াল ফান্ডের এ বিধি থেকে অব্যাহতি চেয়েছে আইসিবি। এছাড়া ফান্ডের জন্য আরও দুটি বিশেষ সুবিধা চেয়েছে আইসিবি। বর্তমানে আইপিওতে মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য ১০ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রয়েছে। এ কোটা আরও ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে এবং তা শুধু বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য বরাদ্দ দেয়ার জন্য এসইসিতে আবেদন জানানো হয়েছে। বর্তমানে আইসিবির অন্যান্য মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটহোল্ডারদের ২৫ হাজার পর্যন্ত ডিভিডেন্ড আয়করমুক্ত। বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য আয়করের সীমা তুলে দেয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে এসইসির একজন কর্মকর্তা বলেন, এসইসি ফান্ড অনুমোদনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। তবে ফান্ডের ক্ষেত্রে যেসব সুবিধা চাওয়া হয়েছে তার মধ্যে ৭০ শতাংশ বিনিয়োগের বাধ্যবাধকতার বিষয়ে এসইসি চাইলে ছাড় দিতে পারে। কমিশন সভায় ছাড় না দিলে ফান্ডটি বিধিমালা মেনেই বিনিয়োগ করতে পারে। তবে অন্যান্য যে বিষয়ে সেগুলো অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এসব অনুমোদন পরে নিলেও সমস্যা হবে না। ফান্ডটির কাস্টডিয়ান চুক্তি সম্পন্ন হলে এসইসি জরুরি সভা ডেকেও ফান্ডটির কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দিতে পারে। সহসাই ফান্ডটির অনুমোদন দেয়া হতে পারে বলে জানান তিনি। ফান্ডটির ট্রাস্টি হিসাবে কাজ করবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজম্যান্ট। আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট ফান্ডটির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসিবির সাবসিডিয়ারী কোম্পানি হওয়ার কারণে ট্রাস্ট্রির জন্য আলাদা রেজিস্ট্রেশন করতে হচ্ছে বলে আইসিবি সূত্র জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে তীব্র তারল্য সঙ্কট বিরাজ করছে। তারল্য সঙ্কটের কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঠিকমত ঋণপত্র খুলতে পারছে না। সঙ্কট এতোটাই তীব্র আকার ধারণ করেছে যে, ব্যাংকগুলো এখন আমানত সংগ্রহে অনেকটা সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে। ১৪/১৫ শতাংশ সুদে তারা আমানত সংগ্রহ করছে। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলোর পক্ষে এ ধরনের ফান্ডে বিনিয়োগ করা একেবারেই অসম্ভব। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে তীব্র তারল্য সঙ্কট তৈরি হওয়ার জন্য এ খাতের সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সংকোচনমূলক মুদ্রানীতিকে দায়ী করছেন। আর বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরামর্শে। আইএমএফ একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর শেয়ারবাজারে অধিক পরিমাণে বিনিয়োগের বিপক্ষে। শেয়ারবাজারের মতো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ খাতে ব্যাংকগুলোকে বিনিয়োগ না করার জন্য আইএমএফ বারবার পরামর্শ দিয়ে আসছে। সম্প্রতি শেয়ারবজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণে আইএমএফের পক্ষ থেকে আবারও ব্যাংকগুলোর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ আর কমিয়ে আনতে বলেছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলো তাদের মোট দায়ের ১০ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। আইএমএফ ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন এবং রিজার্ভের অর্থাত্ মোট ইক্যুয়িটির ২৫ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য পরামর্শ দিয়েছে। আইএমএফের পরামর্শ অনুসরণ করা হলে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের পরিমাণ একেবারে কমে আসবে। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পক্ষে বাংলাদেশ ফান্ডে অর্থ জোগান দেয়া সম্ভব হবে না। যেহেতু ফান্ডের ৫০ শতাংশ অর্থই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। অপরদিকে আইএমএফ এরই মধ্যে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের বিষয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে। ফলে একদিকে আইএমএফের চাপ, অন্যদিকে ব্যাংকিং সেক্টরে তীব্র তারল্য সঙ্কট—এ দুটি মিলে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড একটি অলীক স্বপ্ন বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
অবশ্য ফান্ডটির উদ্যোক্তা সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান ফান্ড গঠনের বিষয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা নেই বলে দাবি করেছেন। তিনি আমার দেশকে জানান, আমরা এরই মধ্যে স্পন্সরদের দেড় হাজার কোটি টাকা জোগান দেয়ার প্রতিশ্রুুতি পেয়েছি এবং এটি স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের বোর্ড সভায় অনুমোদিত হয়েছে। ফান্ডটির ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদনের জন্য এসইসিতে আবেদন জানানো হয়েছে। আমরা আশা করি, সহসাই এটির অনুমোদন হবে। অনুমোদন পেলেই ফান্ডটি তার কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের বিষয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের তাত্ক্ষণিক সমস্যা সমাধানের জন্য এ ধরনের ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও এটি বাজারের জন্য দীর্ঘমেয়াদে কোনো ভালো ফল বয়ে আনবে না। পুঁজিবাজারের জন্য স্বল্পমেয়াদি নয়, প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি নীতি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বড় সমস্যা হচ্ছে চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে ঘাটতি। গত দুই বছরে শেয়ারবাজারে যখন চাহিদা বাড়ছিল তখন সে অনুযায়ী শেয়ার সরবরাহ হয়নি। শেয়ার সরবরাহ করা হলে কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম এত বাড়ত না। ফলে বাজারে এ ধরনের ভয়াবহ ধসের ঘটনাও ঘটত না। বাংলাদেশ ফান্ড নামে যে বিশেষ তহবিল গঠন করা হচ্ছে তা একটি ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড। ক্লোজ অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড বাজারে চাহিদা তৈরির পাশাপাশি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কিন্তু ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড বাজারে শুধু চাহিদা তৈরি করে থাকে। ফলে ৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠন করা যদি সম্ভব হয় তাহলে আগামী কয়েকমাসের মধ্যে বাজারে ফের চাহিদা বেড়ে যাবে। এতে বাজার আবারও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে। এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান আরও বলেন, বর্তমানে মানি মার্কেটে যে পরিস্থিতি রয়েছে এবং দাতাগোষ্ঠী যে ধরনের পরামর্শ দিয়ে আসছে তাতে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড গঠন খুবই কঠিন কাজ হবে। তিনি মনে করেন, বাজারের মূল্য পরিস্থিতি এমন কোনো পর্যায়ে পৌঁছেনি যে শেয়ারের মূল্য বাড়ানোর জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের প্রয়োজন হতে পারে।
তহবিল গঠনের বিষয়ে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বিশেষ তহবিল গঠনের ফলে বাজার কিছুটা সাপোর্ট পাবে। কিন্তু সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যারা বাজারে তাদের পুঁজি হারিয়েছেন এ ফান্ড তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখবে না। ফান্ড ম্যানেজার যখন শেয়ার কিনবে তখন উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ দেখেই বিনিয়োগ করবে। তবে বিনিয়োগকারীরা যদি দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করে থাকে তাহলে তারা তাদের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক এবং ডিএসইর সাবেক কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের ঘোষণায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা হলেও আস্থা ফিরে এসেছে। তা না হলে বাজারে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারত। এতে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী তাদের আরও পুঁজি হারাতেন। ফান্ড গঠন বাজারে একটি নৈতিক সমর্থন জুগিয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান গতকাল আমার দেশকে জানান, বাইব্যাক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত কিছু হয়নি। কোম্পানি আইনের কিছু জটিলতা আছে। বাংলাদেশের বর্তমান কোম্পানি আইনে বাইব্যাক নিষিদ্ধ আছে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে প্রচলিত বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করতে চাচ্ছি। তবে এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের খুব একটা লাভ হবে না। ‘আপনারা জানিয়েছিলেন বাইব্যাক ও বাংলাদেশ ফান্ড চালু হলে পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে, আসলে সেটি কি সম্ভব?’ এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মশিউর বলেন, বাইব্যাক হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি তার নিজের শেয়ার নিজে কিনবে। সে এতে লাভ করবে না। বাজার কিছুটা স্থিতিশীল রাখতে ভূমিকা পালন করবে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজি বাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের লাভের সম্ভাবনা নেই। তিনি বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি শেয়ার বাজারে আসতে হলে লাভ-লোকসানের মানসিকতা নিয়েই আসতে হবে। কারণ পুঁজিবাজারে বড় বিনিয়োগকারীদের সুযোগ বেশি থাকে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের লাভের সুযোগ যেমন কম, তেমনি ঝুঁকি বেশি। তবে তাদের সময় নিয়ে বুঝে-শুনে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা উচিত।
বাংলাদেশ ফান্ড কবে আসছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটিও আলোচনার পর্যায়ে আছে।
যেভাবে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে : পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে আইসিবির উদ্যোগে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ ফান্ড নামে একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৬ মার্চ ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ নামে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল চূড়ান্ত করা হয়। এই ওপেন অ্যান্ড (মেয়াদহীন) মিউচুয়াল ফান্ড হিসেবে গঠিত তহবিলের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তহবিলের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি। প্রতিষ্ঠানটি মোট তহবিলের ১০ শতাংশ অর্থাত্ ৫০০ কোটি টাকা জোগান দিচ্ছে। বাকি অর্থের মধ্যে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা করে, সাধারণ বীমা করপোরেশন, রূপালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং জীবন ব
Quote   
Page 1 / 2 1 - 2 Next »
Login with Facebook to post
Preview