| 05/11/2011 3:33 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | SEC needs immediate restructuring
New watchdog member, expert say
Mohammad Mufazzal
The government should complete the restructuring of the securities regulator on an urgent basis for smooth operation of the stock market, a newly appointed SEC member said.
On the other hand, the experts said both the partial and delayed implementation of actions will be dangerous for the stock market, as the government is yet to complete the restructuring of the Securities and Exchange Commission (SEC).
“We have so many works, which must be completed as early as possible to restore stability to the stock market,” newly appointed SEC member Professor Helal Uddin Nizami told the FE.
“That’s why the government should immediately complete the proposed re-structuring of the SEC,” Nizami added.
Finance Minister AMA Muhith recently said at a press briefing, arranged on April 30 to publish the share market probe body’s report, that the government would restructure SEC.
He said the core team of SEC would be reshuffled by appointing a new chairman and the two existing members would also have to go, as part of the government’s restructuring initiative.
Meanwhile, the Finance Minister left the country to attend the fourth UN Conference on Least Developed Countries Istanbul in Turkey.
In absence of the minister, two SEC members Mohammad Anisuzzaman and Muhammad Yasin Ali submitted their resignation letters on May 8 and May 9, 2011 respectively to comply with the verbal order of the finance ministry.
But the partial restructuring of the SEC is affecting its policy making decisions, as thousands of angry investors are still now continuing demonstration following the sharp declining trend of the market.
The probe committee on the recent stock market scam made 25 recommendations, including restructuring of the SEC in its report for the sake of the stock market.
By adding 11 more recommendations, the Finance Minister declared the implementation of 36 recommendations in phases.
The retail investors demanded Monday completion of the process of restructuring the regulator within 72 hours.
“The government should complete the proposed restructuring of the SEC on an urgent basis, as partial and incomplete measures will be dangerous for the stock market,” stock expert Professor Salahuddin Ahmed told the FE.
Anisuzzaman is not attending the office after the submission of his resignation letter.
The other member Yasin Ali is attending office, as the law says a member will have to continue his job until his resignation letter is accepted by the authorities concerned.
But Mr Ali in a letter has requested the SEC chairman not to engage him in any kind of policy-level tasks as long as he remains present at SEC, after submitting resignation, in order to comply with the relevant law. Ali was not served any file on Wednesday.
By this time, the prime bourse — Dhaka Stock Exchange (DSE) — has not complied with a directive, issued by the SEC, to make the MI Cement a listed issue.
A stakeholder said, on condition of anonymity, that apparently it appears that the DSE is stronger than its regulator.
“Such kind of non-compliance may continue if the government fails to strengthen the SEC, by appointing new members and a chairman,” he said.
Presently, the existing SEC chairman Ziaul Haque Khondker and newly appointed member Helal Uddin Nizami are in the commission.
These two persons will not be able to hold any commission meeting in absence of quorum in the commission.
Meanwhile, Finance Minister AMA Muhith returned home on Wednesday from Istanbul.
The investors and experts expressed their hope that the Finance Minister would be serious in completing the proposed restructuring of the SEC. |
|
|
| 05/11/2011 3:34 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন পুঁজিবাজারে
ঢাকা, ১১ মে (শীর্ষ নিউজ ডটকম): আজ বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে আজ লেনদেন হয়েছে ৩০৭ কোটি টাকা। এর আগে ২০০৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি লেনদেন হয় ৩০২ কোটি টাকা। আজ বুধবার ডিএসইতে লেনদেন কমে যাওয়ার পাশাপাশি কমেছে তালিকভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দাম। যার ফলে দিনশেষে সূচক ৩৬ দশমিক ৯৯ পয়েন্ট কমে ৫৪৮২ দশমিক ৮৭ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সাধারণ সূচক কমার সঙ্গে সঙ্গে কমেছে ডিএসআই সার্বিক সূচক। আজ সার্বিক সূচক কমেছে ৩২ পয়েন্ট।
এদিকে অব্যাহত পতনের ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীসহ বড় বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের অভাবেই লেনদেন কমে গিয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। আজ ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে ছিল না তেমন বিনিয়োগকারীর উপস্থিতি।
এদিকে গতকাল ১১৮ পয়েন্ট পতনের পর আজো একই ধারা অব্যাহত রয়েছে ডিএসইতে। লেনদেন হয়েছে ডিএসই'র তালিকাভুক্ত ২৪৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। যার মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ১১২টির, কমেছে ১২৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টি কোম্পানির দাম।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/সস/১৬.০৭ঘ.) |
|
|
| 05/11/2011 3:35 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ ব্যাংকগুলো মানছে না
ঢাকা, ১১ মে (শীর্ষ নিউজ ডটকম): বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নির্দেশনা জারি করা হচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তা মানছে না বলে অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা।
আজ বুধবার ব্যাংকার্স মিটিং শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণের রি-সিডিউলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেয়া নিয়ম ভঙ্গ করছে। আয়, ব্যয় ও বিবরণীতেও প্রকৃত তথ্য দিচ্ছে না। মুনাফার ক্ষেত্রেও অসত্য তথ্য দেয়া হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে এ সময় ডেপুটি গভর্নর মুরশেদ কুলি খানসহ অধিকাংশ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএএম/ডিএইচ/এএইচ/১৩.৫৪ঘ) |
|
|
| 05/11/2011 3:35 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | হ্যাক সিকিউরিটিজের লেনদেন আবার চালু
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) অনুমোদন দেওয়ায় একদিন বন্ধ থাকার পর হ্যাক সিকিউরিটিজে আবার লেনদেন চালু করা হয়েছে।
সেটেলমেন্ট প্রক্রিয়া শেষে বুধবার দুপুর দেড়টায় বন্ধ থাকা ব্রোকারেজ হাউজটিতে লেনদেন শুরু হয়।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক লাইক আলী চৌধুরী বাংলনিউজকে লেনদেন শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নির্দেশনা অনুযায়ী শর্টসেল হওয়া শেয়ারটি আজ (বুধবার) সকালে সেটেলমেন্ট করে পুনরায় লেনদেন চালু করা হয়েছে।
উল্লেষ্য, ডিএসই মঙ্গলবার সকালে শর্ট সেলের অভিযোগে এ ব্রোকারেজ হাউজের লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় ।
জানা যায়, গত ৯ মে হ্যাক সিকিউরিটিজের বনানী শাখায় মো: সেলিম রেজা নামক এক বিনিয়োগকারীর ( কোড নং-২১১৫১) কোড থেকে নর্দান জুটের ১ হাজার ৬০০ শেয়ার ৩৯.৩০ টাকায় বিক্রি করা হয়। কিন্তু ওই গ্রাহকের কোড নম্বরে নর্দান জুটের কোনো শেয়ার না থাকায় দিন শেষে সেটেলমেন্ট অকার্যকর হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সেটেলমেন্ট না হওয়া পর্যন্ত ওই হাউজের লেনদেন স্থগিত করে।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৫ঘণ্টা, মে ১১, ২০১১ |
|
|
| 05/11/2011 3:36 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | অভিভাবকহীন পুঁজিবাজার!
দুই বছরে সর্বনিম্ন লেনদেন
পবন আহমেদ, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার গত দুই বছরের মধ্যে সর্ব নিম্ন লেনদেন হয়েছে।
বুধবার ৩০৭ কোটি ১১ লাখ ৫১ হাজার ৯৫৪ টাকা লেনদেন হয়েছে । যা গত ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৯ সালের সর্বনিম্ন ২৮৭ কোটি ৩৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছিল।
বাজেট সামনে রেখে নানামুখি গুজব এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার সঙ্কটের কারণেই পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনের ঘটনা ঘটছে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ধারাবাহিক দরপতনের প্রধান কারণ হিসেবে তারা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বড় বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয় থাকা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কটকেই দায়ী করেছেন।
তাঁরা জানান, ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত একটানা বড় বিপর্যয়ের পর সরকারের দিক থেকে বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আস্থা ফিরে এসেছিল। কিন্তু পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংকের অর্জিত মুনাফার পুনর্বিনিয়োগসহ অধিকাংশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত না হওয়ায় বাজারে তারল্য সঙ্কট (নগদ মুদ্রার সংকট)অব্যাহত রয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীরা আবারও বাজারের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছেন।
এছাড়া বিনিয়োগকারীরা ব্যাংকের কাছ থেকে গত বছরের যে লভ্যাংশ প্রত্যাশা করেছিলেন তা না হওয়ায় অনেকেই নিজের কাছে থাকা শেয়ার কম মূল্যে বিক্রি করে দেন। ফলে শেয়ারবাজারে দিনকে দিন ধারাবাহিক পতন হতে থাকে।
বাজারের এ পরিস্থিতির বিষয়ে ডিএসই’র সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা সালেউদ্দিন আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘পুঁজিবাজার এখন অভিভাবকহীন। একে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য যে প্রতিষ্ঠান কাজ করে, তারা নিজেরাই বর্তমানে নিষ্ক্রিয়। এক কথায় বলা যেতে পারে, এতিম। যাকে দেখা য়ায়, তার কথা শোনা যায়, তবে কিছু করা যাচ্ছে না।‘
তিনি আরও বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি তাদের মনে আতংকও রয়েছে। এসব দিক সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করে সরকারকে শিগগিরই উদ্যোগ নিতে হবে। আর এ উদ্যোগ নেওয়ায় যদি আরো বিলম্ব হয় তা হলে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের স্থান হবে যাদুঘরে।‘
এদিকে বিশিষ্ট ব্যাংকার ও শেয়ারবাজার বিশ্লেষক ড. মামুন রশীদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘বাজেট সামনে রেখে নানা ধরনের গুজব বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত করে তুলছে। বিশেষ করে পুঁজিবাজার থেকে অর্জিত আয়ের ওপর কর আরোপ এবং বিও হিসাব খোলার জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হতে পারে বলে বাজারে ব্যাপক গুজব রয়েছে। তারই প্রভাব বাজারকে দর পতনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সেই সঙ্গে বাজারের লেনদেনের পরিমাণও কমতে শুরু করে দিয়েছে।’
এ সঙ্কট থেকে মুক্ত করতে হলে সরকারকে বেশ কিছু কৌশল অবলম্বল করতে হবেউল্লেখ করে তিনি বলেন,‘পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন কোনও পদক্ষেপ আগামী বাজেটে নেওয়া ঠিক হবে না বলেও অভিমত তার।
তিনি আরও বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করতে এখনই বাজেটের বিষয়ে সুস্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া উচিত।’
এদিকে বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ২৪৪ টি কোম্পানির ৩ কোটি ৫৩ লাখ ১৪ হাজার ৩২৭ টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসই’তে বুধবার মোট লেনদেনের পরিমাণ ৩০৭ কোটি ১১ লাখ ৫১ হাজার ৯৫৪ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৭৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা কম।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৭.০০ পয়েন্ট কমে ৫৪৮২.৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৮.৪১ পয়েন্ট কমে ৩৬২৫.৯৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আজ লেনদেনকৃত ২৪৪ টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১২ টির কমেছে ১২৪ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮ টি কোম্পানির শেয়ারের।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো - তিতাস গ্যাস লি:, আফতাব অটোমোবাইলস্, মেঘনা লাইফ ইন্সুরেন্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, বে-লিজিং, আরএন স্পিনিং, বিএসআরএম, ইউসিবিএল, এবি ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক লি:।
দর বৃদ্ধি পাওয়া আজকের ১০টি কো¤পানি হলো, এশিয়া ইন্সুরেন্স, সিনোবাংলা ইন্সুরেন্স, আইসিবি ৩য় এনআরবি, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, ফু-ওয়াং ফুড, রেকিট বেঙ্কিজার, এসিআই ফর্মুলেশন, ফাইন ফুডস্, আরামিট সিমেন্ট ও কেয়া ডিটারজেন্ট।
অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো, স্কয়ার টেক্সটাইল, তাক্কাফুল ইন্সুরেন্স, গোল্ডেনসন লি:, স্ট্যান্ডার্ড ইন্সুরেন্স, রংপুর ফাউন্ড্রি, সিএমসি কামাল, জিকিউ বলপেন, ঢাকা ইন্সুরেন্স, পূরবী জেনারেল ও অ্যাপেক্স স্পিনিং।
বাংলাদেশ সময়: ১৮০১ ঘণ্টা, ১১ মে, ২০১১ |
|
|
| 05/11/2011 3:36 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | বহুমুখী সঙ্কটে পুঁজিবাজার
পবন আহমেদ, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: বহুমুখী সঙ্কটে নিমজ্জিত দেশের পুঁজিবাজার। এর মধ্যে তারল্য সঙ্কট, বিনিয়োগকারীদের আস্থার সঙ্কট, শেয়ার সঙ্কট, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি’র জনবল সঙ্কটের পাশাপাশি কোম্পানি আইনের ধারার পরির্বতন, এসইসি’র চেয়ারম্যান নিয়োগ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কও রয়ে গেছে।
এসব সঙ্কটের কারণে গত ১৫ কার্যদিবস পুঁজিবাজার নিম্নমুখী অবস্থানের দিকে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে দিন দিন কমছে লেনদেনের পরিমাণ।
ফলে ঢাকা স্টক একচেঞ্জ (ডিএসই)’র বাজার মূলধন ২৪ হাজার ২৮৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা কমে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
এদিকে ক্রমাগত দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারিয়ে আবারও রাস্তায় নেমেছেন।
ধারাবাহিক পতনের কারণে গত সোমবার বিনিয়োগকারীরা ডিএসই’র সামনে অবস্থান ধর্মঘট ও অনশন কর্মসূচি পালন করেন।
বাজার বিশ্লেষক ডিএসই’র সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা সালেউদ্দিন আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কটের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংক যে হারে পুঁজিবাজরের পিছু লেগেছে তাতে মনে হচ্ছে ব্যাংকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে পুঁজিবাজার কাজ করছে বলেই তাদের পিছু লাগতে হবে।’
এ ব্যাপারে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)‘র পদত্যাগী সদস্য ইয়াছিন আলী বলেন, ‘স্বাধীনভাবে এসইসিকে কাজ করতে না দেওয়া হলে আগামীতেও বাজারে বিপদ ঘটতে পারে।’
এর কারণ ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ‘এসইসি’র উপর বাইরের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। এসইসিকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে।’
এ সময় তিনি টেকসই পুঁজিবাজার গঠনে নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসি’র সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সেইসঙ্গে বাজারের বর্তমান অবস্থার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও এসইসির মধ্যে সমন্বয়হীনতাকেও দায়ী করেন তিনি।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হলে কয়েকটি ধাপে কাজ করতে হবে। প্রথমত, এসইসি’র সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। সেইসঙ্গে এসইসি’র আইনেরও পরির্বতন করতে হবে।’
তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে। এসইসি এককভাবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে পাববে না। এজন্য প্রয়োজন নতুন নতুন কোম্পানির শেয়ার বাজারে প্রবেশ করা।
ব্যাংক এশিয়ার বিনিয়োগকারী আবুল বাশার বাংলানিউজকে বলেন, ‘এসইসি নিয়ম অনুযায়ী মার্জিন ঋণ অনুপাত হওয়ার কথা ১ঃ২ অর্থাৎ ১ লাখ টাকায় ২ লাখ টাকা দেওয়ার কথা।’
তবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণের পরিমাণ অনেক কমিয়ে দিচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘অনেক হাউজে আবার ঋণ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। বর্তমানে কোনও কোনও হাউজে ১ঃ০.৫ অথবা ১ঃ০.৭ অর্থাৎ ১ লাখ টাকায় ৫০ হাজার অথবা ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে।’
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রীর জন্য এসইসির চেয়ারম্যান নির্বাচন এবং টাস্কফোর্স গঠনসহ পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা রক্ষায় তদন্ত কমিটির বিভিন্ন সুপারিশ বাস্তবায়নের কাজ আটকে রয়েছে।
অন্যদিকে, কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান নিয়মিত অফিস করলেও বাজার স্থিতিশীলতা রক্ষায় কোনও সিদ্ধান্ত বা মতামত দিচ্ছেন না।
চলতি মাসের শুরুর দিকে আইপিডিসির সাবেক এমডি চাকলাদার মুনসুর আলমকে এসইসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অতীতে বিতর্কিত কর্মকা-ে জড়িত থাকার কারণে তাকে এ পদে নেওয়া হচ্ছে না বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি নিয়ন্ত্রক সংস্থার এসইসি’র দু’ সদস্য ইয়াসিন আলী এবং আনিসুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন।
এর আগে গত জানুয়ারি মাসে পদত্যাগ করেছিলেন মনসুর আলম।
মনসুর আলমের জায়গায় গত মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী যোগ দেন।
ফলে এখনও সদস্য পদে তিনটি পদ খালি রয়েছে। এ অবস্থায় বাজারে শুরু হয়েছে ব্যাপক দরপতন এবং বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে বর্তমানে এক হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিরাজ করছে। বাজারের নিয়ন্ত্রণ যে সরকারের হাতে নেই তা বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে যে ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীর ভাগ্য এখন কার হাতে? কে নিয়ন্ত্রণ করছে পুঁজিবাজার?
বিশ্লেষকরা এর জবাবে বলেন, অর্থমন্ত্রীর দেশে না থাকা এবং এসইসির লোকবল সঙ্কটের ফায়দা নিয়ে একাধিক চক্র বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের নাম এসেছে, তারাই বাজার এবং বিনিয়োগকারীদের ভাগ্য নিয়ে ছেলেখেলায় মেতে উঠেছে বলেও মনে করছেন তারা।
বিশ্লেষকরা বলেন, এসব চক্র সরকারকে দেখাতে চায় যে তাদের বিচার করা হলে পুঁজিবাজারে আবারও ভয়াবহ ধস নেমে আসবে।
বাংলাদেশ সময়: ২১১২ ঘণ্টা, ১০ মে, ২০১১ |
|
|
| 05/11/2011 3:39 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantho
পুঁজিবাজারের ৩৮৭৭ কোটি টাকা দেশের বাইরে
মজুমদার বাবু
মাত্র সাড়ে চার বছরে বাংলাদেশের শেয়ারবাজার থেকে তিন হাজার ৮৭৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা দেশের বাইরে চলে গেছে। ২০০৬ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত এ অর্থের সমপরিমাণ ৫৩ কোটি ১০ লাখ ডলার বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ব্যাংকের মাধ্যমে নিয়ে যান। আর এ সময়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মুনাফা করেন এক হাজার ৫৭৫ কোটি ৭ লাখ টাকা (প্রায় ২১ কোটি ৫০ লাখ ডলার)। এর মধ্যে এবারের শেয়ারবাজার বিপর্যয়ের কাছাকাছি সময় অর্থাৎ জুলাই ২০১০ থেকে জানুয়ারি ২০১১ পর্যন্ত তাঁদের মুনাফার পরিমাণ ছিল ৬১১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা (প্রায় আট কোটি ৪০ লাখ ডলার)।
অনিবাসী বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১৯৯৬ ও ২০১০ সালের শেয়ারবাজার বিপর্যয়ের আগ মুহূর্তে পুঁজিবাজার থেকে বিদেশিরা অন্য সময়ের চেয়ে বেশি বিনিয়োগ উঠিয়ে নিয়ে গেছেন। এক সঙ্গে বাজার থেকে এত বড় অঙ্কের অর্থ তুলে নেওয়ার কারণে পুঁজিবাজারে যেমন তারল্য সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি ডলারে রূপান্তরিত হয়ে এ অর্থ দেশের বাইরে চলে যাওয়ায় মুদ্রাবাজারে ডলারের ঘাটতিও দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলেছেন, ১৯৯৭ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ ছিল হঠাৎ করে ব্যাপক হারে বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগ তুলে নেওয়া।
বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে জানান, দেশের বড় বিনিয়োগকারীরা অবৈধভাবে ডলার পাচার করে সেখান থেকে কোনো বিদেশি নাগরিকের নামে নতুন কম্পানি গঠন করে এ দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেন। এ প্রক্রিয়ায় বিদেশে গঠিত কম্পানি প্রথমে এফসি অ্যাকাউন্ট খোলে। ওই এফসি অ্যাকাউন্ট থেকে এ দেশের কোনো ব্যাংক শাখায় খোলা ওই কম্পানির নিটা অ্যাকাউন্টে (নন রেসিডেন্ট ইনভেস্টরস টাকা অ্যাকাউন্ট) ডলার স্থানান্তর করা হয়।
সেই ডলার টাকায় রূপান্তর করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হয়। এসব বিনিয়োগকারী সুবিধামতো সময়ে শেয়ার বিক্রি করে তাঁদের বিনিয়োগ উঠিয়ে ফেলেন। ওই নিটা অ্যাকাউন্টেই জমা হয় সে টাকা। সেখান থেকে ডলারে রূপান্তর হয়ে এফসি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ওই অবৈধ ডলার বৈধ হয়ে ব্যাংকিং চ্যানেলে বিদেশে ফেরত যায়। পরে এদেশীয় বিনিয়োগকারীরাই বিদেশে তাঁদের বিভিন্ন সম্পদ গড়ে তোলেন।
পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগের প্রাপ্ত তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে পুঁজিবাজার থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মুনাফা করেছেন ৫৭ কোটি ৬৩ লাখ; ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ৩২৪ কোটি ৩২ লাখ; ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১৩১ কোটি ৬৫ লাখ এবং ২০০৯-১০ অর্থবছরে ৪৫০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
১৯৯২ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০১০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা এ দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছিলেন চার হাজার ৪০২ কোটি ৪২ লাখ এবং এ সময়ে তাঁরা বিদেশে নিয়ে গেছেন চার হাজার ৮১০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে ২০০৬ সাল থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংকিং চ্যানেলে নিয়ে গেছেন তিন হাজার ৮৭৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ বিদেশি বিনিয়োগকারীরা গত সাড়ে চার বছরে তাঁদের ৮৮ শতাংশ বিনিয়োগ বিদেশে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।
পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক ধস ও ১৯৯৬ সালের ধসের সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আচরণের সামঞ্জস্যও রয়েছে। ১৯৯৬ সালের ধসের নিকটবর্তী সময়ে ১৯৯৩-৯৪, ১৯৯৪-৯৫, ১৯৯৫-৯৬, ১৯৯৬-৯৭ ও ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যথাক্রমে ৯১ কোটি ৮৪ লাখ, ১৩৮ কোটি ৮৯ লাখ, ১৯৭ কোটি ২০ লাখ ও ৬৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যাংকিং চ্যানেলেই বিদেশে নিয়ে যান। বর্তমান ধসের নিকটবর্তী সময়ে অর্থাৎ ২০০৬-০৭, ২০০৭-০৮, ২০০৮-০৯, ২০০৯-১০ ও চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যথাক্রমে ১৪৮ কোটি ২৩ লাখ, ৭২৪ কোটি ৯৭ লাখ, ১২৭২ কোটি ৯৪ লাখ, ৯২৮ কোটি ১৭ লাখ এবং ৮০৩ কোটি ২২ লাখ টাকা বিদেশে সরিয়ে নিয়েছেন।
এ বিপুল পরিমাণ টাকা বিদেশে চলে যাওয়া সাম্প্রতিক সময়ের ডলার সংকটের জন্য অনেকাংশে দায়ী। কারণ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ প্রায় ২০৫ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে ব্যাংকগুলোকে। সম্প্রতি ব্যাংকগুলোর সাময়িক ঘাটতি মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫৬৫ মিলিয়ন ডলার সরবরাহ করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ একজন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে জানান, সম্প্রতি পুঁজিবাজারে দরপতনের পর বেশ কয়েকটি ব্যাংকে ডলার সংকটের কারণ অনুসন্ধানে নামে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, পুঁজিবাজারে দরপতনের আগ মুহূর্তে বিদেশি ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের নিটা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ৮০০ কোটি, এইচএসবিসি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রায় ৯৮ কোটি এবং সিটি ব্যাংক এনএ-এর মাধ্যমে সাত থেকে আট কোটি টাকার সমপরিমাণ ডলার দেশ থেকে তুলে নিয়ে গেছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। পুঁজিবাজারে দরপতনের আগ মুহূর্তে তাঁরা বিনিয়োগ তুলে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
পুঁজিবাজারে দরপতনের ঘটনায় এমনই একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান জেম গ্লোবাল আলোচনায় আসে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটির রিপোর্টে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি পশ্চিম ক্যারিবীয় সাগরের কেম্যান দ্বীপে নিবন্ধিত। কম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন মাত্র এক সেন্ট। ২০০৬ সালে এক চীনা ব্যবসায়ী এ কম্পানির বিরুদ্ধে মামলাও করেন। অথচ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটি নিটা অ্যাকাউন্ট খুলে বিনিয়োগের মাধ্যমে মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে ১৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা মুনাফা করে।
এ বিষয়ে শেয়ার কেলেঙ্কারিসংক্রান্ত তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়, 'জেম গ্লোবাল ইতিমধ্যে ১৫ কোটি টাকা বিদেশে স্থানান্তর করেছে (সিটি ব্যাংক এনএ-এর মাধ্যমে)। এ টাকা নিটা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে স্থানান্তর হয়েছে। জেম গ্লোবাল শেয়ার ঋণ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে প্রভাবশালীদের মাধ্যমে। এসইসি (সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন) ডিএসইকে (ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ) শর্টসেলের মাধ্যমে টাকা দেওয়া যায় কি না, সে নির্দেশনাও দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমের তথ্য মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জেম গ্লোবালের পক্ষে চাপ সৃষ্টি করেছেন সালমান এফ রহমান এবং '৯৬ সালের দরপতনের সময়ে এসইসি সদস্য মাহবুব আলম।'
পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিষয়ে জানতে চাইলে খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এ দেশে নিটা অ্যাকাউন্ট খোলা ও এর মাধ্যমে অর্থ বাইরে যাওয়ার বিষয়টি তদারকির ক্ষেত্রে এন্টি-মানি লন্ডারিং আইনে কিছু ঘাটতি আছে বলে আমি শুনেছি। যেমন, বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক কে, তাঁর পরিশোধিত মূলধন কত, তিনি কী পরিমাণ বিনিয়োগ করতে পারবেন, প্রকৃত পক্ষেই ওই বিদেশি মালিকের এ ধরনের বিনিয়োগ করার সামর্থ্য আছে কি না, তাঁর ক্রেডিট রিপোর্ট কোন কোন পয়েন্টে ভালোভাবে পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে_এসব বিষয়ে এন্টি-মানি লন্ডারিং আইন শক্তিশালী করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভেবে দেখতে পারে।'
বিদেশি বিনিয়োগকারী জেম গ্লোবালের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের মালিকানাধীন কারো বেনামি প্রতিষ্ঠান হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেননি ইব্রাহীম খালেদ। তিনি বলেন, এসব বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের কোনো ব্যক্তির মালিকানাধীন কি না কিংবা এগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশে এজেন্ট হিসেবে পুঁজিবাজারের বড় ধরনের গ্যাম্বলাররা সংশ্লিষ্ট আছে কি না, তা প্রমাণ করা দুরূহ।
ইব্রাহীম খালেদ আরো বলেন, 'বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় ধরনের অর্থ পুঁজিবাজার থেকে চলে যাওয়ার ক্ষেত্রে এসইসিকে নিয়মিত তথ্য সংরক্ষণ ও তদারকি করার কথা। কিন্তু তা ঘটেছে বলে আমার মনে হয় না। তাই এসইসিকে পুনর্গঠনের পরামর্শ দিয়েছি আমরা।' এসইসি পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলোকে সরকারের বিবেচনায় নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। |
|
|
| 05/11/2011 3:39 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantho
সেই ২০০ কোটি ডলার দেশে আনার তাগিদ দিলেন গভর্নর
নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যাংকগুলো উচ্চ রপ্তানি প্রবৃদ্ধির বিপরীতে প্রাপ্য মূল্য দ্রুত দেশে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বাজারে তারল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার তাগিদ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। তিনি বলেন, পণ্য রপ্তানির বিপরীতে প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্য এখনো প্রত্যাবাসিত হয়নি। এসব বিলের অংশবিশেষ যদি দ্রুত সংগ্রহ করা যায়, তাহলে বাজারে টাকা ও মার্কিন ডলার উভয় ক্ষেত্রে তারল্য পরিস্থিতি সহনীয় হবে। একই সঙ্গে টাকার বিনিময় হার ও সুদের হার আরো সহনীয় পর্যায়ে আসবে।
গতকাল বুধবার ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের নিয়ে আয়োজিত ব্যাংকার্স সভায় তিনি এ তাগিদ দেন।
গভর্নর বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক রেপোর মাধ্যমে টাকা ও মার্কিন ডলারের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য তারল্যের ওপর চাপ সহনীয় করার কাজ করে যাচ্ছে। সে কারণেই তারল্য পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হচ্ছে। তবে এরূপ তহবিল সঞ্চালনের ব্যাপ্তি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং রিজার্ভ সংরক্ষণের ওপর নির্ভরশীল।
গভর্নর ড. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীরা ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা ও মুরশিদ কুলি খান, নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ও এস কে সুর চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে গভর্নর আরো বলেন, যেসব ব্যাংকের ঋণ-আমানত অনুপাত এখনো ৮৫ শতাংশের ওপরে, তাদের অবশ্যই আমানত বৃদ্ধি এবং ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আগামী জুনের মধ্যে নির্দেশিত মাত্রায় নামিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় তাদের ক্যামেলস রেটিংয়ের মান কমিয়ে দেওয়া এবং ব্যাংক কম্পানি আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া নতুন শাখা খোলার অনুমোদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কঠোরতা অবলম্বন করবে। চলমান উৎপাদনশীল খাতে এবং আবশ্যকীয় আমদানির ক্ষেত্রে ঋণদানে অনীহার বিষয়ে কিছু অভিযোগ রয়েছে। কাঙ্ক্ষিত মাত্রার চেয়ে উচ্চ মাত্রায় ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে যেহেতু ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনা প্রয়োজন, সে ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে খেয়াল রাখতে হবে ঋণ যেন প্রয়োজনীয় আমদানি এবং উৎপাদনশীল খাতে না কমিয়ে অপ্রয়োজনীয় অনুৎপাদনশীল খাতে কম দেওয়া হয়। মূল্যস্ফীতি কমানোই আমাদের জন্য প্রধানতম এজেন্ডা। তবে একই সঙ্গে প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যও আমাদের পূরণ করতে হবে।
সভা শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন নির্দেশনা অমান্য করছে বেশির ভাগ ব্যাংক। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঠানো ব্যাংকের প্রতিবেদনের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির গরমিল দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সতর্ক করে নিয়ম মেনে চলার জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নজরুল হুদা সাংবাদিকদের বলেন, সম্প্রতি ব্যাংকগুলোর মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম ভঙ্গের একটা প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। ক্রেডিট ডিপোজিট রেশিও, মুনাফা, শ্রেণীকৃত ঋণসহ ব্যাংকগুলোর দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অমিল পাওয়া যাচ্ছে। এ জন্য সভায় ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এ ছাড়া এখনো ৯টি ব্যাংকের সিডিআর নির্দিষ্ট সীমার বাইরে আছে, তাদের আগামী জুনের মধ্যে অবশ্যই নির্দিষ্ট সীমায় নামিয়ে আনতে বলা হয়েছে। ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে ব্যাংকগুলো এলসি না খোলার যে অভিযোগ উঠেছে, তার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, শেয়ারবাজার কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে যেসব ব্যাংকের নাম এসেছে, তাদের বিষয়ে শিগগিরই তদন্ত করা হবে। তদন্তে ব্যাংকের অপরাধের ধরন বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রতিবেদনে ব্যাংকে আমানতকারীর টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ না করার বিষয়ে যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে।
নজরুল হুদা বলেন, আমদানি-রপ্তানি বাড়ায় তারল্যের ওপর চাপ আছে। তবে কয়েকটি ব্যাংক ছাড়া সামগ্রিকভাবে ব্যাংকিং সিস্টেমে তারল্য সংকট নেই। বর্তমানে ২৮ হাজার কোটি টাকা উদ্বৃত্ত তারল্য আছে, অলস টাকা পড়ে আছে দুই হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া রপ্তানির যে ২০০ কোটি ডলার আটকে আছে, তা চার মাসের পরিবর্তে কিভাবে আরো তাড়াতাড়ি দেশে ফেরত আনা যায়, সে বিষয়েও ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে |
|
|
| 05/11/2011 3:41 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Somokal
ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা গভীর হতাশায়
শেয়ারবাজার নিয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের হতাশা কাটছে না। কোনোভাবেই আস্থা ফিরে পাচ্ছেন না তারা। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে তেমন কোনো উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে না। ফলে অন্যান্য দিনের মতো গতকালও পুঁজিবাজারে দরপতন দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। গত এক মাসে শেয়ারবাজারে মোট ২২ কার্যদিবসের মধ্যে ১৬ দিনই দরপতন হয়েছে। এ সময়ে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে ১০৫৭ পয়েন্টেরও বেশি। এরই মধ্যে গতকাল শেয়ারবাজারের লেনদেনের অঙ্ক গত চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। পুঁজি হারিয়ে ইতিমধ্যে প্রায় তিন লাখ বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজার ছেড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বর্তমানের শেয়ার-বাজারকে সম্পূর্ণ অভিভাবকহীন উল্লেখ করে সামগ্রিক অবস্থার জন্য সিকিউরিটিজ
অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ও সরকারের সিদ্ধান্তহীনতাকে দায়ী করেছেন। তারা সরকারকে সতর্ক করে বলেছেন, শিগগিরই এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। সংকট কাটাতে এসইসির দ্রুত পুনর্গঠন করে বাজারবান্ধব কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
বাজারের সামগ্রিক অবস্থা : গত নভেম্বর-ডিসেম্বরের তুলনায় বর্তমানে শেয়ারবাজারের লেনদেন পাঁচ ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। ওই সময়ে ঢাকার শেয়ারবাজারে গড়ে প্রতিদিন দুই হাজার ১৪৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। কোনো কোনো দিন লেনদেন ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। চলতি মে মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত গড় লেনদেন ৪৩১ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মাত্র ৩০৪ কোটি টাকার শেয়ার। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে না পারলে ভবিষ্যতে এর পরিমাণ আরও কমতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। ঢাকার শেয়ারবাজারের সাধারণ সূচক গত বছর ৫ ডিসেম্বরে ছিল ৮ হাজার ৯১৮ পয়েন্ট। এরপর নামতে থাকে। গতকাল সেই সূচক ছিল ৫৪৮২ পয়েন্ট। ছয় মাসের ব্যবধানে সূচকের পতনের হার ৩৮ দশমিক ৫২ শতাংশ।
বাজারে অব্যাহত দরপতনের কারণে যেসব বিনিয়োগকারী মার্জিন ঋণে শেয়ার কিনেছিলেন, তাদের প্রায় সবাই বড় লোকসানের মুখে। লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী আমীর হোসেন সমকালকে বলেন, 'নিজের ৪২ লাখ টাকা মূলধনের বাইরে আরও ৩৫ লাখ টাকা মার্জিন ঋণ নিয়ে শেয়ার কিনেছিলাম। এখন সব শেয়ার বিক্রি করে ঋণের টাকা ও সুদ ফেরত দিলে সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা ফেরত পাব।' আমীর হোসেনের মতো অবস্থা বাজারের অধিকাংশ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর। অপর এক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ফয়সাল জানান, ব্রোকারেজ হাউসে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ডিসেম্বরের তুলনায় দশ ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। বেশ কিছু হাউস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। মার্জিন ঋণে শেয়ার না কিনলেও তার নিজের ১২ লাখ টাকায় কেনা শেয়ারের বর্তমান মূল্য সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা। অপেক্ষায় আছেন বাজারদর কিছুটা বাড়লে লোকসান দিয়ে হলেও বের হয়ে যাবেন তিনি। আমীর হোসেন বা ফয়সালের অবস্থা দেশের শেয়ারবাজারের অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর। গত ডিসেম্বরের সক্রিয় ১২ লাখ বিনিয়োগকারীর মধ্যে প্রায় তিন লাখ বিনিয়োগকারী লোকসান স্বীকার করে বাজার ছেড়েছেন বলে মনে করছেন স্টক এক্সচেঞ্জ সংশ্লিষ্টরা। মাত্র দুই থেকে তিন লাখ বিনিয়োগকারী বাজারে আসেন। বাকিরা অনেকটা নিষ্ক্রিয়।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ সমকালকে জানান, শেয়ারবাজারের পরিস্থিতি নাজুক অবস্থায় চলে গেছে। নতুন করে কেউ বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হচ্ছে না। বরং বিনিয়োগকারীদের অনেকেই অপেক্ষায় রয়েছেন, কখন বের হয়ে যাবেন। এই অবস্থা সরকারের সিদ্ধান্তহীনতার কারণে হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী জানান, গত ডিসেম্বরে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বাজারে অংশগ্রহণের হার ছিল মোট লেনদেনের ৭০ শতাংশ। বর্তমানে তা প্রায় শূন্যের কোঠায়। ডিএসই সভাপতি এর কারণ হিসেবে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে সবাই। কারণ সরকারের পদক্ষেপের ওপর বাজারের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
সিদ্ধান্তহীনতা : গত ৭ এপ্রিল শেয়ার কারসাজির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে সরকার সময় নিয়েছিল ২৩ দিন। সরকার ৩০ এপ্রিল তদন্ত রিপোর্ট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে। রিপোর্ট প্রকাশের সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এসইসির শীর্ষ পদে পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। দু'একদিনের মধ্যেই নতুন চেয়ারম্যান যোগ দেবেন বলে জানান তিনি। এসইসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়ার ১২ দিন পরও নিয়োগ হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিডিসির একজন সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালককে এসইসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত হয়েছিল। তার সম্পর্কে স্পর্শকাতর অভিযোগ আসায় শেষ পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে গেছে। সপ্তাহখানেক বিদেশে থাকার পর অর্থমন্ত্রী গতকাল দেশে ফিরেছেন। অচিরেই এসইসিতে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে এসইসির অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ বাজার কারসাজির সঙ্গে অভিযুক্ত অন্তত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার ঘোষণাও বাস্তবায়িত হয়নি। শেয়ারবাজারের কারসাজির জন্য অধিকতর তদন্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়েও কোনো অগ্রগতি নেই। আইপিও, বুক বিল্ডিং আইনসহ সংশ্লিষ্ট অনেক আইনের সংশোধন প্রক্রিয়া আটকে আছে। এসব কারণেই শেয়ারবাজার অস্থিতিশীল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, একথা সত্যি, বাজারের বর্তমান পরিস্থিতির মোকাবেলায় সরকার হিমশিম খাচ্ছে। শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, শেয়ারবাজারের ভাগ্য সরকার নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছে। সরকার এ বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে, এমনটা মনে হচ্ছে না। তিনি বলেন, শেয়ারবাজার বিষয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারণী মহলে উদাসীনতা রয়েছে।
সরকারের করণীয় : বর্তমান পরিস্থিতিতে যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে বাজার পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, পুরো শেয়ারবাজার অভিভাবকহীন অবস্থায় পড়ে আছে। অর্থনীতির স্বার্থে শেয়ারবাজার পরিস্থিতি উন্নয়ন করতে হবে। এখনই এসইসির পুনর্গঠন সম্পন্ন করতে হবে। যোগ্য লোক নিয়োগ দিতে হবে এসইসিতে। সরকারের করণীয় সম্পর্কে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সভাপতি বলেন, শেয়ারবাজারের উন্নয়নের জন্য সরকারকে টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। দরকার কেবল সরকারের সমর্থন। |
|
|
| 05/11/2011 3:41 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Somokal
এসইসি চেয়ারম্যানসহ পনের জনের ব্যাংক হিসাব তলব
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী, সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) জিএম ইফতিখার-উজ-জামানসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট মোট ১৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে এনবিআর। এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল থেকে গতকাল বুধবার দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এক গোপন চিঠিতে এসব ব্যক্তির নামে গত পাঁচ বছরের যাবতীয় ব্যাংক লেনদেনের তথ্য আগামী সাতদিনের
মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে। আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪-এর ১১৩(এফ) ধারার ক্ষমতাবলে এনবিআর এ তথ্য চেয়েছে। জানা গেছে, এসব ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবের লেনদেনের সঙ্গে তাদের আয়কর বিবরণীর সামঞ্জস্য খতিয়ে দেখবে এনবিআর। এছাড়া পুঁজিবাজার কারসাজি বিষয়ে সরকারের অধিকতর তদন্তের জন্য এসব তথ্য প্রয়োজন হবে।
সূত্র জানায়, এনবিআর যাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে তারা হলেন_ এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার, ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী ও তার স্ত্রী রেহানা রিজভী, ডিএসইর সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান ও তার স্ত্রী গুলজার বেগম, আইসিবির জিএম ইফতিখার-উজ-জামান ও তার স্ত্রী শায়লা জামান, আইসিবির ডিজিএম মোঃ আবদুর রউফ ও তার স্ত্রী সাইদা পারভীন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত
কোম্পানি চিটাগাং ভেজিটেবলের পরিচালক শামসুল আলম শামীম, এএইচএম হাবিবুল্লাহ, মোঃ নুরুল আলম, মোঃ আমিন এবং ইমরানুল হক। চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০০৪-০৫ থেকে ২০০৯-১০ অর্থবছর সময়কালে এসব ব্যক্তির নামে খোলা চলতি, সঞ্চয়ী ও মেয়াদি আমানত হিসাব, ঋণ হিসাব, ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড হিসাব, ভল্ট, লকার, সঞ্চয়পত্র এবং যে কোনো সঞ্চয় ও আর্থিক বিনিয়োগের তথ্য চিঠি পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলে পাঠাতে হবে।
বিশিষ্ট ব্যাংকার খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত পুঁজিবাজার বিষয়ক তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এসইসির বর্তমান চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অনৈতিকতাকে প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তাকে অপসারণের সুপারিশও করেছে তদন্ত কমিটি। তদন্ত রিপোর্টে ডিএসইর বর্তমান সভাপতি শাকিল রিজভী ও সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমানের পুঁজিবাজারের লেনদেন এবং পরিচালনায় প্রভাব বিস্তারের কথা উল্লেখ করে তাদের সম্পর্কে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে পুঁজিবাজার উন্নয়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান আইসিবির কর্মকর্তাদের ব্যাপকভাবে শেয়ার ব্যবসার তথ্য পাওয়া যায়। অন্যদিকে দুর্বল কোম্পানি চিটাগাং ভেজিটেবলের শেয়ারমূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি কেস স্টাডি তদন্ত রিপোর্টে রয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট এবং ডিএসইর ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, একটানা তিন বছর এটি লোকসানি প্রতিষ্ঠান ছিল। খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের এ কোম্পানি ২০০৯ সালে লোকসান দেয় ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা । ওই বছর কোম্পানির কোনো বিক্রি ছিল না। অথচ পরের বছর ২০১০ সালে এসে কোম্পানি মুনাফা দেখিয়েছে ২ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ওই বছরের জন্য তারা বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ হিসেবে ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয় এবং চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি কোম্পানিটি 'এ' ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়। এসব কারণে এর শেয়ারের দর অস্বাভাবিক বাড়তে থাকে। তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ২০১০ সালের ৮ ডিসেম্বর যেদিন পুঁজিবাজারে সাধারণ ধস নামে, সেদিনও চিটাগাং ভেজিটেবলের শেয়ারের দর বৃদ্ধি পায়। তদন্ত কমিটি মনে করে, ২০১০ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে শেয়ার ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে কোম্পানিটির শেয়ারমূল্যে কারসাজি করা হয়েছে। এছাড়া এসইসির নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। |
|
|
| 05/11/2011 3:44 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Sangbad
পুঁজিবাজার কারসাজিতে ব্যাংকের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখতে পৃথক কমিটি করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
য় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রতি কঠোর নজরদারির উদ্যোগ
পুঁজিবাজার কারসাজির সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখতে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি ব্যাংকিং নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রতি কঠোর নজরদারিরও উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স অফ বাংলাদেশ (এবিবি) নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা এসব কথা জানান। বৈঠকে ৪৭টি বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ এবিবি সভাপতি কে মাহমুদ সাত্তারের নেতৃত্বে ১৭ জন নির্বাহী কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। তিনি ব্যাংকিং সেক্টরকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে ব্যাংকারদের প্রতি বিভিন্ন পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, বিগত কয়েক মাস থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক, রেপোর মাধ্যমে টাকার সরবরাহ এবং বিক্রয় ও জমাতিরিক্ত উত্তোলন সুবিধা প্রদান করছে। যার মাধ্যমে মার্কিন ডলার তহবিলের অব্যাহত সরবরাহ বৃদ্ধি ও বাজার তারল্যের ওপর চাপ (যা মূলতঃ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জোরালো প্রবৃদ্ধির জন্য সৃষ্ট) সহনীয় করতে কাজ করে যাচ্ছে। সে কারণেই তারল্য পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হচ্ছে। অপরদিকে এ ধরনের তহবিল সঞ্চালনের ব্যাপ্তি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং রিজার্ভ সংরক্ষণের ওপর নির্ভরশীল।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রণীত ব্যাংকিং খাতে মূখ্য ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য নূ্যনতম প্রয়োজনীয় মান নির্দেশক নীতিমালা প্রায় এক দশক আগের, যা সাম্প্রতিক সময়ে প্রবর্তিত আন্তর্জাতিকভাবে সর্বাধিক ব্যবহৃত নীতিমালার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে উন্নত এবং বর্ধিতকরণ করা প্রয়োজন। ব্যাংকিং খাতের জন্যে প্রণীত দিকনির্দেশনাগুলোর প্রকৃত সুবিধাভোগী যেহেতু আপনারা, সে কারণে এ দিকনির্দেশনাগুলোর সংশোধন প্রক্রিয়ায় অইই এবং ইঅই -এর যৌথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
সভায় নজরুল হুদা আরও বলেন, 'পুঁজি বাজার তদন্ত রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে যেসব ব্যাংকের অনিয়মের অভিযোগ এসেছে তাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আলাদা তদন্ত করবে। খুব শিগগিরই এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।' এছাড়া শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলো যে ইনভেস্ট করেছে, সেটা আইন অনুযায়ী ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোম্পানি ব্যাংক আইন সংশোধনে কাজ করছে।'
ব্যাংকগুলো যাতে অনুৎপাদনশীল খাতে বেশি বিনিয়োগ না করে সেজন্য সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকের নামে অভিযোগ এসেছে তারা এলসি খুলছেন না। অনেকের বিরুদ্ধে এর প্রমাণও মিলেছে। তাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সতর্ক করা হয়েছে।'
এছাড়া গত তিন মাসে সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় গেল বছরের তুলনায় ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এলসি খোলার হার ৫৫ শতাংশ কমেছে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, 'ব্যাংকের আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদনে সঠিকভাবে তথ্য প্রদান করছে না বিভিন্ন ব্যাংক। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রেও তারা সঠিক তথ্য প্রদানে বিরত থাকছে।' তাই ব্যাংকিং সেক্টরে ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাংকগুলোর প্রতি নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি ব্যাংকের তারল্যের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, 'তারল্য সংকটের যে কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ব্যাংকিং খাতে তারল্য সঙ্কট নেই। তবে তারল্যের কিছু চাপ রয়েছে।'
এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে অপ্রয়োজনীয় অনুৎপাদনশীল খাতে ঋণ কম দিয়ে তিনি প্রয়োজনীয় আমদানি ও উৎপানশীল খাতে ঋণ দেয়ার কথা বলেন।
একইসঙ্গে তিনি বলেন, 'বেশকিছু ব্যাংক তাদের ডিপোজিট বাড়ানোর লক্ষ্যে চকমপ্রদ বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডিপোজিট বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে। দেখা গেছে আকর্ষণীয় সুদের হারও তাদের অফার করা হচ্ছে। যা ব্যাংক আইনের লঙ্ঘন। সেক্ষেত্রে সাধারণ আমানতকারীদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যেসব ব্যাংক এসব কাজ করছে তাদের সতর্ক হওয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।'
বৈঠকে বলা হয়, ব্যাংক ঋণ-আমানত অনুপাত বিভিন্ন ব্যাংকের এখন ৮৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে। তাদের আমানত বৃদ্ধি এবং ঋণের অংক কমিয়ে আগামী জুন মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ আমানত অনুপাত নির্দেশিত মাত্রায় নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। জুনের মধ্যে যদি তা না করা হয়, তাহলে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি।
সভায় লিবিয়া ফেরত বাংলাদেশিদের জন্য আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টিও স্থান পেয়েছে। এ ব্যাপারে একটি ফান্ড খুলতে ব্যাংকারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে বলে ডেপুটি গভর্নর জানান। |
|
|
| 05/11/2011 3:59 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলে এখন কার্যত কিছু নেই কারসাজিকারীরা এখনো সক্রিয়, বিনিয়োগে নিষ্ক্রিয়
পুঁজিবাজার স্থবির, ক্রেতা নেই
বিশেষ প্রতিনিধি | তারিখ: ১২-০৫-২০১১
ষাঁড়ের তেজ আগেই উধাও। শেয়ারবাজার যেন ভালুকের কবলেও নেই। ভালুকেরও এখন মরণ দশা। দেশের পুঁজিবাজার মৃতপ্রায়। আর এই বাজারে বিনিয়োগ করে লাখ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী সবকিছু হারিয়ে চরম হতাশ, অসহায় ও দিশেহারা।
পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন দিয়েছে এক মাস চার দিন আগে, ৭ এপ্রিল। প্রতিবেদনটি অর্থমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন ৩০ এপ্রিল। এ সময় তিন মেয়াদে ৩৬ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। একটি টাস্কফোর্স গঠনেরও সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু এত দিনেও তেমন কোনো ক্ষেত্রেই কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বাজারে কোনো তদারকি নেই, বরং বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা নানাভাবে বাজারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
শেয়ারবাজার এখন টানা দরপতনের ধারায়। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা থাকায় প্রতিদিনই কমছে মূল্যসূচক, সেই সঙ্গে কমছে লেনদেনের পরিমাণ। এই অবস্থায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড দিয়ে বাজারকে কৃত্রিমভাবে আবারও ঠেলে ওপরে ওঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যদিও বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আর্থিক সংকট নয়, বাজারের সমস্যা এখন আস্থার অভাব। আস্থার এই সংকট না কাটলে বাজারও ফিরবে না ইতিবাচক ধারায়।
এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী মনে করেন, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরও দীর্ঘদিন ধরে এসইসির পুনর্গঠন-প্রক্রিয়া ঝুলে থাকাই সবচেয়ে বড় বিষয়। তিনি বলেন, এসইসির দুজন সদস্যকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, হয়তো চেয়ারম্যানও সরে যাবেন। কিন্তু এখনো একজন সদস্য ছাড়া নতুন আর কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে কার্যত এখন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলে কিছু নেই। এই অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে পারে না। তাই পুনর্গঠনের কাজটি তাড়াতাড়ি করে ফেলা দরকার, যাতে পুনর্গঠিত কমিশন নব-উদ্যমে কাজ শুরু করতে পারে।
ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী আরও বলেন, এসইসি পুনর্গঠনের পরপরই তদন্ত প্রতিবেদনের যে সুপারিশগুলো সরকার গ্রহণ করেছে, সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনগুলো করা হবে, আরও কোনগুলো করা হবে না, সেটিও দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। তা না হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তার প্রভাব থেকেই যাবে।
দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন: গতকাল বুধবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে আশঙ্কাজনক হারে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল মাত্র ৩০৭ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২০ ও ২৫ তারিখের অস্বাভাবিক লেনদেনকে বাদ দিলে গত দুই বছরের মধ্যে এটাই সর্বনিম্ন। এর আগে ২০০৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩০২ কোটি টাকা, আর চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি ৬৮ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। সূচকের ওপর সার্কিট ব্রেকার থাকায় ওই দিন মাত্র পাঁচ মিনিটেই লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়। ২৫ জানুয়ারি বেশির ভাগ শেয়ারের দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমায় আটকে যাওয়ায় লেনদেন হয় ২০৬ কোটি টাকার।
ডিএসইর শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ হাউসের প্রধান নির্বাহী প্রথম আলোকে বলেন, বাজার ধসের আগে তাঁদের এককভাবেই গড়ে ১০০ কোটি টাকার ওপর লেনদেন হতো, এখন তা ৩০-৩৫ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। বাজারের মন্দা দীর্ঘস্থায়ী হলে খরচ কমাতে কর্মী ছাঁটাই করা ছাড়া উপায় থাকবে না।
ব্রোকারেজ হাউসগুলো ঘুরে দেখা গেছে, কয়েক দিন ধরেই হাউসগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি অনেক কম। আবার অনেকে হাউসে এলেও তাঁরা লেনদেনে সক্রিয় হচ্ছেন না। অনেক ঢাকঢোল পিটিয়ে খোলা ঢাকার বাইরের ব্রোকারেজ হাউসের শাখাগুলোর অবস্থা আরও সঙিন বলে জানা গেছে।
এসইসি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেই: খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা আছে, পুঁজিবাজার বিনষ্টকরণে এসইসির ভূমিকা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হয়েও মার্কেট প্লেয়ারদের পরামর্শে পরিচালিত হওয়া এবং তাদের যোগসাজশে অনৈতিক কর্মে বৈধতা প্রদান, বাজার নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা ও শৈথিল্য প্রদর্শন প্রভৃতি কারণে এসইসির ভাবমূর্তি অতিমাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। কমিটি এসইসির চেয়ারম্যান এবং দুই নির্বাহী পরিচালককে অপসারণ করে দ্রুত সংস্থাটির পুনর্গঠন করে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনার সুপারিশ করেছিল। কমিটি মনে করে, এখনকার বড় পুঁজিবাজার পরিচালনার মতো জনবল, দক্ষতা বা নৈতিকতা কোনোটাই তাদের নেই।
এই সুপারিশ মানা হবে বলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি, বরং উল্টোটা হয়েছে। একরকম জোর করেই এসইসির দুই সদস্য ইয়াছিন আলী এবং এস আনিসুজ্জামানকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। যদিও এই দুজনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ তোলেনি তদন্ত কমিটি। এই দুই সদস্যের পদত্যাগ করানোর ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতি উৎসাহের পেছনে সরকারের একটি অংশের প্রভাব ছিল বলেও জানা গেছে।
সূত্র জানায়, এসইসির নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়েও শুরু হয়েছে নানা টালবাহানা। প্রথমে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালককে নতুন চেয়ারম্যান করা প্রায় চূড়ান্ত হয়েছিল। সাবেক বিএনপি সরকারের সময়েও একই ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করার চেষ্টা হয়েছিল। এই ব্যক্তির নানা অনিয়ম নিয়ে ২০০০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক বিস্তারিত তদন্ত করেছিল। এমনকি তাঁকে বঙ্গবন্ধুর খুনির লালনকারী বলেও তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। ফলে এই নামটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে এসইসির আগের চেয়ারম্যানকে রেখে দেওয়ার একটি উদ্যোগ চলছে বলে সূূত্র জানায়। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এ চেষ্টা চালাচ্ছেন। নিজেদের রক্ষা করতে এবং হঠাৎ ধস নামায় বাজার থেকে আরও অর্থ তোলার অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে এই ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এখনো সক্রিয় বলে জানা গেছে। এরা এখন নিজেদের পছন্দমতো এসইসি গঠন করতে চায়।
উল্লেখ্য, তদন্ত কমিটি সরকারকে সালমান এফ রহমান ও রকিবুর রহমানকে নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে প্রতিবেদনে লিখেছিল, এসইসি পরিচালনায় দুজনেরই অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব ছিল। এ কারণে সাধারণ্যে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তা ছাড়া মার্কেট প্লেয়াররা এসইসির ওপর প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হলে এসইসি অকার্যকর হয়ে পড়বে এবং আবারও বাজারে বিপর্যয় ঘটবে।
নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারী: শেয়ারবাজারের বড় বিনিয়োগকারীরা নিষ্ক্রিয় রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে যাদের নাম তদন্ত প্রতিবেদনে রয়েছে, তাঁরা বাজার থেকে দূরে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে সরকার কী ব্যবস্থা নেবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। আর এই সুযোগ নিয়ে এসব বিনিয়োগকারী উল্টো সরকারকে চাপে ফেলতে বিনিয়োগ করছেন না বলে জানা গেছে। তাঁরা দেখাতে চাচ্ছেন, তাঁদের ছাড়া শেয়ারবাজার চলবে না।
এ ছাড়া আসন্ন বাজেটে পুঁজিবাজার নিয়ে কী ধরনের প্রস্তাব থাকবে, সেসব নিয়েও রয়েছে নানা অনিশ্চয়তা ও গুজব। এ কারণেও অনেক বিনিয়োগকারী নতুন বিনিয়োগে এগিয়ে আসছেন না বলে জানা গেছে।
ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সরকারের জন্য একটি বড় উদ্বেগ হিসেবে দেখা দিয়েছে। মূল্যস্ফীতি কমাতে ঋণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে। সংকোচনমূলক বলা না হলেও কার্যত মুদ্রা সংকোচনের নীতি নেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে খুব কমই উদ্বৃত্ত অর্থ থাকছে। ফলে মুদ্রাবাজার থেকে পুঁজিবাজারে অর্থের প্রবাহ সীমিত হয়ে গেছে। এই অবস্থা থেকে বাজারকে সচল করতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে।
এসইসির এই সাবেক চেয়ারম্যান মনে করেন, বর্তমানে শেয়ারের দাম যে জায়গায় পৌঁছেছে, তাতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সামনে একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু তাঁরা সেই সুযোগ গ্রহণের জন্য এগিয়ে আসছেন না। এ ক্ষেত্রে তারল্য-সংকট একটা বড় কারণ হতে পারে। আবার দাম আরও কমবে—এ আশঙ্কায় তাঁরা হয়তো অপেক্ষা করছেন, বিনিয়োগে যাচ্ছেন না। এর বাইরে বাজেট সামনে রেখে নানা গুজবের কারণেও বিনিয়োগকারীরা নিষ্ক্রিয় রয়েছেন বলে মনে হয়। ব্যক্তিশ্রেণীর বিনিয়োগকারীদের মূলধনি মুনাফার ওপর কর বসানো হবে কি না, বেনিফিশিয়ারি হিসাব (বিও) খোলার সময় করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে কি না, এ প্রশ্নগুলো হয়তো তাঁদের বাজার থেকে কিছুটা দূরে রাখতে পারে। এ ছাড়া সরকারি চাকরিজীবীরা শেয়ারবাজারে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি না, এই অনিশ্চয়তার কারণে সরকারি চাকরিতে রয়েছেন, এমন অনেক বিনিয়োগকারী বাজারে নিষ্ক্রিয় থাকতে পারেন। এ ধরনের অনেকগুলো কারণ মিলিয়ে বাজারে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
গতকালের বাজার: ডিএসইতে গতকালও আগের দিনের ধারাবাহিকতায় সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে সূচক ৭০ পয়েন্টের বেশি নেমে যায়। এরপর সূচক বেশ কয়েকবার ওঠানামা করে। লেনদেনের শেষ দিকে সূচক কিছুটা পুনরুদ্ধার হলেও দিনশেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৩৭ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ৪৮৩ পয়েন্টে দাঁড়ায়। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচকও ১৯৫ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৩১৩ পয়েন্টে নেমে আসে।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, সামগ্রিকভাবেই বাজার এখন স্থবির হয়ে গেছে। কোনো কিছুই যেন এগোচ্ছে না। নতুন কোনো কোম্পানিও আসছে না। বাজারে গতি সঞ্চারের জন্য নতুন নতুন কোম্পানিকে বাজারে আসার সুযোগ করে দিতে হবে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিটি স্থগিত রাখা হয়েছে। এ পদ্ধতির যেখানে সংস্কার দরকার, সেটা দ্রুত করে যেসব কোম্পানি বাজারে আসার অপেক্ষায় ছিল, তাদের নিয়ে আসতে হবে। আবার বাংলাদেশ ফান্ডের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে বাজারকে ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদে এটি বাজারের জন্য ভালো হবে না। |
|
|
|