| 05/11/2011 3:24 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
ব্যাংক খাতে তারল্যঘাটতি নেই: কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বিশেষ প্রতিনিধি
দেশের ব্যাংক খাতে কোনো তারল্যঘাটতি নেই। বরং ব্যাংক খাতে আজ বুধবার পর্যন্ত ২৮ হাজার কোটি টাকার উদ্বৃত্ত তারল্য রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকে ব্যাংকগুলোর হিসাবে (সিআরআর) দুই হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে ব্যাংকার্স বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা বলেন, ব্যাংক ব্যবস্থায় কোনো তারল্যসংকট নেই। দু-একটা ব্যাংকে একটা চাপ থাকতে পারে। এটা হয়েছে ঋণ প্রবৃদ্ধির কারণে। তবে সামগ্রিক ব্যাংক খাতে উদ্বৃত্ত তারল্য রয়েছে।
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান কে মাহমুদ সাত্তার সাংবাদিকদের বলেন, তারল্যসংকট যে নেই, তা বুঝা যাবে মুদ্রাবাজারের দিকে তাকালে। মুদ্রাবাজারে স্বল্প সময়ের জন্য ধার করা (কলমানি) অর্থের সুদের হার মাত্র ৫ থেকে ৬ শতাংশ। এতে বুঝা যায় ব্যাংক ব্যবস্থায় যথেষ্ট তারল্য আছে।
কে মাহমুদ সাত্তার আরও বলেন, কয়েকটি ব্যাংক যে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারছে না, তার কারণ ওইসব ব্যাংকে ঋণ আমানত অনুপাত অনেক বেশি। এখন তাদের উচ্চ সুদে আমানত সংগ্রহ করতে হচ্ছে। |
|
|
| 05/11/2011 3:25 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
ডিএসইতে গত সাড়ে তিন মাসের সর্বনিম্ন লেনদেন
আব্দুল্লাহিল ওয়ারিশ
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। আজকের এ লেনদেন গত সাড়ে তিন মাসের মধ্যেও সবচেয়ে কম। গত বুধবারও ডিএসইতে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়। আজ বুধবারও লেনদেন কমার পাশাপাশি দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় সাধারণ সূচকও কমে গেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেশ কিছুদিন ধরে পুঁজিবাজারে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা বিশেষ করে অনেক বড় বিনিয়োগকারী বাজার থেকে দূরে থাকছেন। এর ফরে লেনদেন অনেক কমেছে।
কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউসও বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
ব্রোকারেজ হাউস সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে হাউসগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি অনেক কমে গেছে। আবার অনেকে হাউসে এলেও লেনদেনে অংশ নিচ্ছেন না। এ ক্ষেত্রে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বাজার-সংশ্লিষ্টরা।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আজ ডিএসইতে ৩০৭ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যা গত সাড়ে তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে গত বুধবার ৩৮১ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এ ছাড়া ২৫ জানুয়ারি ডিএসইতে ২০৬ কোটি টাকা, ১ মার্চ ৪৩১ কোটি ও ২৬ এপ্রিল ৪৪৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়।
আজ ডিএসইতে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে সূচক ৭০ পয়েন্টের বেশি নেমে যায়। এরপর সূচক বেশ কয়েকবার ওঠানামা করে। দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৩৭ পয়েন্ট কমে ৫৪৮২.৮৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
ডিএসইতে হাতবদল হওয়া ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ১১২টির, কমেছে ১২৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
আজ ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে তিতাস গ্যাস, আফতাব অটো, মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি, ইউনাইটেড এয়ার, বে লিজিং, আরএন স্পিনিং, বিএসআরএম স্টিল, ইউসিবিএল, এবি ব্যাংক ও এনবিএল।
অন্যদিকে আজ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ১৯৪.৭৮ পয়েন্ট কমে ১৫,৩১৩.২২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এ সময়ে লেনদেন হওয়া ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৩৪টির, কমেছে ১৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইতে আজ মোট ৪০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ১২ কোটি টাকা কম। |
|
|
| 05/11/2011 3:25 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
হ্যাক সিকিউরিটিজের লেনদেন শুরু
অনলাইন প্রতিবেদক
সেটেলমেন্ট প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় আজ বুধবার বেলা সোয়া একটার দিকে হ্যাক সিকিউরিটিজে লেনদেন শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জিকরুল হক লেনদেন শুরু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিনিয়োগ কোষ বা পোর্টফোলিওতে শেয়ার না থাকার পরও একটি কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করার (শর্ট সেল) কারণে সেটেলমেন্ট ফেইলর হওয়ায় গতকাল দিনের শুরুতে থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন বন্ধ করে দেয়।
জিকরুল হক জানান, গতকাল থেকে বন্ধ থাকার পর আজ সকাল থেকে চলে সেটেলমেন্ট প্রক্রিয়া। বেলা সোয়া একটার দিকে হাউসটিতে লেনদেন শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার হ্যাক সিকিউরিটিজের বনানী শাখায় ২১১৫১ নম্বর গ্রাহক কোড থেকে নর্দার্ন জুটের এক হাজার ৬০০ শেয়ার ৩৮.৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। কিন্তু ওই গ্রাহকের কোড নম্বরে নর্দার্ন জুটের কোনো শেয়ার ছিল না, ফলে দিন শেষে সেটেলমেন্ট ফেইলর হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই হাউসের লেনদেন স্থগিত করে।
ডিএসইর মহাব্যবস্থাপক (এমডি, ফাইন্যান্স) জীবন চন্দ্র দাস স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, ‘সেটেলমেন্ট অব স্টক এক্সচেঞ্জ ট্রানজেকশনস রুলস ১৯৯৮’ আইনের আওতায় হাউসটির লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। |
|
|
| 05/11/2011 3:26 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা
অনলাইন প্রতিবেদক
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য ১২ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আজ বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ৩০ জুলাই বেলা ১১টায় চট্টগ্রামে হোটেল আগ্রাবাদে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ৩০ মে। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় ২.৩৩ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ১২.৮১ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ২.১৬ টাকা। |
|
|
| 05/11/2011 3:26 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
লিগেসি ফুটওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা
অনলাইন প্রতিবেদক
লিগেসি ফুটওয়ারের পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (সিএসই) অনুমোদনের জন্য ১:১ অর্থাত্ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ারের সুপারিশ করবে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। এই রাইট শেয়ারের ইস্যু প্রাইস হবে ২০ টাকা, যার মধ্যে প্রিমিয়াম থাকবে ১০ টাকা। আজ বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির ইজিএম ও বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২৮ জুলাই গাজীপুরে ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। ইজিএম দুপুর ১২টায় এবং এজিএম দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১ জুন, তবে ইজিএমের রেকর্ড ডেট পরে জানানো হবে। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় ১.১৪ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ১২.৪০ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ০.৩০ টাকা। |
|
|
| 05/11/2011 3:27 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
বড় ধরনের দরপতন কমেছে লেনদেনও
নিজস্ব প্রতিবেদক
এক দিন একটু আলোর ঝলক দিয়ে আবারও দরপতনের ধারায় দেশের দুই শেয়ারবাজার। বাংলাদেশ ফান্ডের সমর্থনে গত সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক কিছুটা বাড়লেও গতকাল মঙ্গলবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই বড় দরপতন হয়েছে।
স্টক এক্সচেঞ্জ দুটিতে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমায় কমেছে সূচকও। একই সঙ্গে লেনদেনও আগের দিনের চেয়ে কমে গেছে। আর এতে বিনিয়োগকারীদের হতাশা দীর্ঘায়িত হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ইচ্ছাকৃতভাবে এ অবস্থার সৃষ্টি করছে।
বাজারসংশ্লিষ্ট অনেকের মতে, পুঁজিবাজারের কারসাজির ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পরও সরকারের অবস্থান সম্পর্কে অনিশ্চয়তায় বাজারে অস্থিতিশীল পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট তৈরি করেছে। আর আস্থাহীনতার কারণে অনেক বড় বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি বিনিয়োগকারীরাও বাজার থেকে দূরে রয়েছেন। বাজারে তীব্র তারল্য-সংকট থাকার বিষয়টিও বাজারে মন্দা পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
আবার বিশ্লেষকদের মতে, বেশির ভাগ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা হয়ে যাওয়ায় সেগুলো আর বিনিয়োগকারীদের কাছে খুব একটা আকর্ষণীয় নেই। তা ছাড়া অনেক কোম্পানির বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী লভ্যাংশ না দেওয়াও সেগুলোর দরপতন ঘটেছে।
গতকাল দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১১৯ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ৫২০ পয়েন্টে নেমে আসে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ১৭৭ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৫০৮ পয়েন্টে নেমে আসে। সিএসইতে গতকাল লেনদেন হয়েছে ১৯১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩২টির, কমেছে ১৫১টির ও অপরিবর্তিত থাকে আটটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল ৫২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা কম।
ডিএসইতে ২৪৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৮টির, কমেছে ২১৫টির ও অপরিবর্তিত ছিল দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইতে গতকাল ৩৮২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ৪৪ কোটি টাকা কম।
বাজারে দরপতন ঘটলেও গতকাল ডিএসই কার্যালয়ের সামনে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ দেখা যায়নি। পরিস্থিতি ছিল শান্ত। তবে ডিএসই কার্যালয়ের বিপরীতে মধুমিতা ভবনে অবস্থিত এরিনা সিকিউরিটিজ থেকে এস এম সোহেল নামের এক বিনিয়োগকারী রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়ির ওপর চায়ের কাপ নিক্ষেপ করেন। পরে পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় বলে মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক তাজুল ইসলাম জানান।
লেনদেন স্থগিত: বিনিয়োগ কোষ বা পোর্টফোলিওতে না থাকার পরও একটি কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করার (শর্ট সেল) অভিযোগে হ্যাক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। গত সোমবার প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠলে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ ব্রোকারেজ হাউসটির লেনদেন স্থগিত করে।
ওই হাউসের গ্রাহকেরা অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটি গত বৃহস্পতিবার থেকে ধারাবাহিকভাবে গ্রাহকদের দেওয়া ঋণ সমন্বয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করে শেয়ার বিক্রি (ফোর্সড সেল) করে আসছিল। এ ছাড়া তাঁরা দ্বৈত বিক্রিরও (ডাবল সেল) অভিযোগ আনেন। একপর্যায়ে বিনিয়োগকারীদের প্রতিবাদের মুখে ব্রোকারেজ হাউসটি মতিঝিলের মূল কার্যালয়ে ফোর্সড সেল না করে বনানীর শাখা কার্যালয় থেকে ফোর্সড সেল শুরু করতে গিয়েই শর্ট সেল সমস্যার মুখোমুখি হয় বলে অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের।
হ্যাক সিকিউরিটিজের মহাব্যবস্থাপক মো. জিকরুল হক শর্ট সেলের কারণে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও ফোর্সড সেল সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি। |
|
|
| 05/11/2011 3:28 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
পুঁজিবাজার দীর্ঘস্থায়ী মহামন্দার কবলে, লাখ লাখ নিঃস্ব
অধিকাংশ কোম্পানির দর স্মরণকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে, ৰোভ বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের ॥ কারও মাথাব্যথা নেই
রাজু আহমেদ ॥ একের পর এক বিপর্যয়ের কারণে দীর্ঘস্থায়ী মহামন্দার কবলে পড়েছে দেশের পুঁজিবাজার। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রম্নয়ারি পর্যনত্ম টানা ধসের পর সরকারের ইতিবাচক কিছু ঘোষণায় বাজারে কিছুটা হলেও স্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে আবারও পতনের ধারায় ফিরে আসে শেয়ারবাজার। কারসাজি অনুসন্ধানে গঠিত তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ, সরকারের দিক থেকে সংস্কার কর্মসূচী ঘোষণা এবং ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের কার্যক্রম শুরম্ন হলেও ইতিবাচক কোন পরিবর্তন আসছে না। বরং তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির দর কমতে কমতে স্মরণকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এর ফলে পুঁজি হারিয়ে সম্পূর্ণ নিঃস্ব হতে চলেছেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী।
বাজারের এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা সরকারের দিক থেকে কার্যকর পদৰেপ আশা করলেও এ নিয়ে কারও কোন মাথাব্যথা আছে বলে মনে হচ্ছে না। ডিসেম্বর-জানুয়ারির ধসের সময় শেয়ারবাজার নিয়ে সরকারের সকল পর্যায়ে নানামুখী তৎপরতা দেখা গেলেও এখন সর্বত্রই চলছে নীরবতা। এ অবস্থায় হতাশাগ্রসত্ম বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সরকারের প্রতি ৰোভ বাড়ছে। পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে এখনই কার্যকর পদৰেপ নেয়া না হলে লাখ লাখ মানুষের এই ৰোভ আগামী নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
পুঁজি হারানোর পথে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত ৫ মাস ধরে দেশের পুঁজিবাজারে মন্দা পরিস্থিতি চলছে। একদিকে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছে না। অন্যদিকে তহবিলের অভাবে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো বর্ধিত হারে মার্জিন ঋণ দিতে পারছে না। সর্বশেষ তদনত্ম প্রতিবেদন প্রকাশের পর কারসাজির দায়ে অভিযুক্ত বড় বিনিয়োগকারীরাও বাজার থেকে দূরে সরে গেছেন। আর যাদের বিরম্নদ্ধে কোন অভিযোগ নেই, তারাও পরিস্থিতি পর্যবেৰণের জন্য লেনদেনে নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে আছেন। সব মিলিয়ে শেয়ারবাজারে বড় রকমের তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। বিক্রির চাপ ব্যাপকহারে বাড়লেও এর বিপরীতে ক্রেতা খুুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিনই ব্যাপক মাত্রায় কমছে শেয়ারের দর ও বাজার সূচক। গত বছরের ৬ ডিসেম্বর থেকে গতকাল সোমবার পর্যনত্ম দু'মাসে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক পড়েছে ৩৪৩৫ পয়েন্ট। একই সময়ের মধ্যে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ৩২৫০ কোটি টাকা থেকে ৩০০ কোটি টাকার কাছাকাছি নেমে এসেছে। ডিএসইর বাজার মূলধন (তালিকাভুক্ত সকল শেয়ারের বাজার মূল্যের যোগফল) কমেছে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে গত এক মাসে ডিএসই সাধারণ সূচক ১০৭৩ পয়েন্ট কমেছে। এই সময়ে বাজার মূলধন কমেছে ৩৫ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা।
তবে এসব পরিসংখ্যানে পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে না। কারণ গত এক-দেড় মাসে বাজারে দর কমলেও বিভিন্ন কোম্পানির বিপুল সংখ্যক বোনাস ও রাইট শেয়ার যোগ হয়েছে। শেয়ারসংখ্যা বেড়েছে ও পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির কারণে বাজার মূলধন ও সূচকও বেড়েছে। বর্ধিত শেয়ারের অংশ বাদ দিলে প্রকৃতপৰে ডিএসই সাধারণ সূচক ৪০০০ এবং বাজার মূলধন ২ লাখ কোটি টাকার নিচে নেমে আসবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন। বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশই শেয়ারবাজার থেকে অর্জিত মুনাফার টাকা লোকসান দেয়ার পর এখন মূলধন হারানোর আশঙ্কায় ভুগছেন। গত ৫ মাসে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যনত্ম কমেছে।
ৰতিগ্রসত্ম হলেন কত লাখ বিনিয়োগকারী
পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণে কী পরিমাণ মানুষ ৰতিগ্রসত্ম হয়েছে_ তার সুনির্দিষ্ট হিসাব কারও কাছেই নেই। তবে কোন কোন মহল থেকে সরকারকে বিভ্রানত্ম করার চেষ্টা করা হচ্ছে যে, শেয়ারবাজারে বিও হিসাবের সংখ্যা অনেক হলেও প্রকৃত বিনিয়োগকারী এরচেয়ে অনেক কম। ফলে এই বিপর্যয়ের প্রভাব আগামী নির্বাচনে খুব বেশি পড়বে না।
কিন্তু বিও হিসাবের তুলনায় প্রকৃত বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কম হলেও এই সংখ্যাটি একেবারে ফেলনা নয়। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশের (সিডিবিএল) তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের ১০ জানুয়ারি পর্যনত্ম দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের আওতায় বিও হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৩ লাখ। এরমধ্যে ১১ লাখ বিও হিসাব নিয়মিত লেনদেনে সক্রিয় ছিল। এসব বিনিয়োগকারীর প্রায় সবাই কম-বেশি ৰতিগ্রসত্ম হয়েছেন। এছাড়া ৯ লাখ বিও হিসাব থেকে গত জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের আগেই সব শেয়ার বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। এদের একটি অংশও ডিসেম্বরের ধসের সময় লোকসানে শেয়ার বিক্রি করে ৰতির মুখে পড়েছেন। বাকি ১৩ লাখ বিও হিসাবে কখনও কোন শেয়ার ছিল না। তবে এই হিসাবধারীদের অধিকাংশই প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবে (আইপিও) আবেদন করেন। ধারাবাহিক বিপর্যয়ের কারণে এদের মধ্যেও শেয়ারবাজার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যনত্ম নতুন করে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার বিও হিসাব খোলা হয়েছে। বড় ধরনের মূল্য সংশোধনের পর বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার প্রত্যাশায় এসব বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারে এসেছেন। কিন্তু গত এক মাসের দরপতনে এই নতুন বিনিয়োগকারীরাও ব্যাপকভাবে ৰতিগ্রসত্ম হয়েছেন।
অন্যদিকে সিডিবিএলের বাইরে মার্চেন্ট ব্যাংকের অমনিবাস হিসাবের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেন করেন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ বিনিয়োগকারী। এদের অধিকাংশই নিজের পুঁজির সঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে মার্জিন ঋণ নিয়ে শেয়ার ব্যবসা করেন। বাজার দর যে অবস্থানে নেমেছে তাতে শেয়ার বিক্রি করে ওই ঋণ শোধ করতে গেলে এদের নিজের টাকার পুরোটাই চলে যাবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ঋণ আদায়ের জন্য মার্জিন ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাধ্যতামূলক শেয়ার বিক্রির (ফোর্স সেল) শুরম্ন করলে অনেক বিনিয়োগকারীর সম্পূর্ণ মূলধন হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস মিলিয়ে শেয়ার কেনার জন্য মার্জিন ঋণ গ্রহণকারী বিনিয়োগকারীর সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ বলে জানা গেছে।
সাইফুল আলম নামে এক বিনিয়োগকারী জানান, গত বছরের জুন মাসে একটি মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে তিনি ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। পরের ৫ মাসে তাঁর মুনাফা হয় দেড় লাখ টাকা। মূলধন ও মুনাফা মিলিয়ে সাড়ে চার লাখ টাকার সঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংকের ঋণ যোগ করে তিনি ডিসেম্বর মাসে ৭ লাখ ৯২ হাজার টাকার শেয়ার কিনেছেন। তাঁর ওই শেয়ারের বর্তমান বাজার মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৮২ হাজার টাকা। তাঁর সব শেয়ার ফোর্স সেল করা হলে মার্চেন্ট ব্যাংকের ঋণ ও সুদ পরিশোধের পর নিজের মূলধন থাকবে মাত্র ৭২ হাজার টাকা।
অন্যদিকে গত নবেম্বরে শেয়ারবাজারে আসা মানিক মজুমদার জানান, ২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ১২ হাজার টাকা মুনাফা করার পরই বাজারে মন্দা শুরম্ন হয়। ওই সময় তাঁর বিও হিসাবে থাকা সব শেয়ারের মোট ক্রয়মূল্য ছিল ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। বর্তমানে ওই শেয়ারের বাজার মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। বর্তমান অবস্থায় শেয়ার বিক্রি করা হলে তাঁর পুঁজি থাকবে মাত্র ৬৪ হাজার টাকা।
হতাশায় নিমজ্জিত বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারের অবস্থা গত আড়াই বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হলেও নানা কারণে বিনিয়োগকারীদের রাসত্মায় নেমে জ্বালাও-পোড়াও প্রবণতা কমেছে। তাই বলে তাঁদের ৰোভ কমেনি। বিনিয়োগকারীদের একাংশ লোকসান দিয়ে শেয়ার বিক্রি করে পুঁজিবাজার ছেড়েছেন। আর যাঁরা এখনও শেয়ার ধরে রেখেছেন তাঁদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম হতাশা। অধিকাংশই প্রতিবাদী হয়ে ওঠার মনোবল হারিয়ে ফেলেছেন। মানসিকভাবে বিপর্যসত্ম হয়ে পড়ছেন তাঁরা। এরইমধ্যে শেয়ারবাজারে সর্বস্ব হারিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন গাজীপুরের টঙ্গীর রনি জামান নামে এক বিনিয়োগকারী। লোকসানের চাপ সইতে না পেরে হৃদযন্ত্রের ক্রীড়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন খুলনার এক বিনিয়োগকারী। এছাড়া শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের ধাক্কায় হৃদরোগ ও রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন হাজার হাজার মানুষ। বাবার পেনশনের টাকা, বিদেশ যাওয়ার জন্য সংগৃহীত অর্থ কিংবা ঋণের টাকা নিয়ে শেয়ার ব্যবসায় নামা হাজার হাজার মানুষের পরিবারে চলছে নানা ধরনের সমস্যা। সব মিলিয়ে পুঁজিবাজারের দীর্ঘস্থায়ী মন্দা দেশজুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক সঙ্কট সৃষ্টি করছে।
প্রয়োজন কার্যকর পদৰেপ ধারাবাহিক দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সঙ্কট তৈরি হওয়ার কারণেই পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরানো যাচ্ছে না। টানা বিপর্যয়ের কারণে বিনিয়োগকারীরা বাজারের ওপর আস্থা হারাতে বসেছেন। তবে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হলে এখনও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে করছেন বাজার সংশিস্নষ্টরা।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে বাজার সম্পর্কে তাঁদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করতে হবে। আইনী বাধ্যবাধকতা অনুসরণে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের প্রভাবে পুঁজিবাজারের লেনদেনে যে মন্দা তৈরি হয়েছে তা দূর করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ভূমিকা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদৰেপ নিতে হবে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুুঁজিবাজার থেকে যে অর্থ তুলে নিয়েছে আইনী সীমার মধ্যেই তার একটি অংশ পুনরায় বিনিয়োগ শুরম্ন করলে বাজারে চাহিদা সৃষ্টি হবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের তৎপরতা বাড়লে বাজারে চাঙ্গাভাব ফিরে আসবে। এতে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা উৎসাহিত হয়ে লেনদেনে সক্রিয় হবেন।
সংশিস্নষ্টরা বলছেন, গত দু'তিন বছরে শেয়ারবাজার উর্ধমুখী করার ৰেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের। এ সময় এসব প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজার থেকে ব্যাপক মুনাফা অর্জন করেছে। গত বছরে ব্যাংকগুলো মুনাফার সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছে। পুুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের সময় তাদের অবশ্যই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত।
পুঁজিবাজারে গত কয়েক দিনের ধসের পেছনে অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করেছে আগামী বাজেটকে ঘিরে নানা ধরনের গুজব। বিশেষ করে পুঁজিবাজার থেকে অর্জিত আয়ের ওপর কর আরোপ এবং বিও হিসাব খোলার জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হতে পারে বলে বাজারে ব্যাপকভাবে গুজব উঠেছে। শেয়ারবাজারকে বর্তমান সঙ্কট থেকে মুক্ত করতে হলে কোনভাবেই এ ধরনের পদৰেপ নেয়া উচিত হবে না। পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে_ আগামী বাজেটে এমন কোন পদৰেপ নেয়া ঠিক হবে না। বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করতে এখনই এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ঘোষণা দেয়া উচিত বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। |
|
|
| 05/11/2011 3:28 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
৩০০ কোটি টাকায় নেমেছে লেনদেন
পুঁজিবাজারের নিম্নমুখী যাত্রা অব্যাহত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারের নিম্নমুখী যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ৩০০ কোটি টাকার কাছাকাছি নেমে এসেছে।
বুধবার এই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩০৭ কোটি ১১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। পূর্ণ দিবসের স্বাভাবিক লেনদেনে গত সোয়া দুই বছরের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন লেনদেন। লেনদেন কমার পাশাপাশি দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বেশিরভাগ শেয়ারের দর হ্রাস পাওয়ায় আরেক দফা কমেছে সূচক।
বাজার সংশিস্নষ্টরা বলছেন, বেশ কিছুদিন ধরে পুঁজিবাজারে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা বিশেষ করে অনেক বড় বিনিয়োগকারী বাজার থেকে দূরে থাকছেন। এর ফলে লেনদেন অনেক কমেছে।
বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ঘুরে সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে হাউসগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি অনেক কমে গেছে।
আবার অনেকে হাউসে এলেও লেনদেনে অংশ না নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেৰণ করছেন। আবার লোকসান দিয়ে একবার যারা শেয়ার বিক্রি করছেন, তারা আর ওই টাকায় শেয়ার কিনছেন না। বাজারে স্থিতিশীলতা না ফিরলে ক্রমশ এ ধরনের প্রবণতা বাড়তে থাকবে বলে মনে করছেন সংশিস্নষ্টরা।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বুধবার ডিএসইতে হাতবদল হওয়া ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১২টির শেয়ারের দর বেড়েছে, ১২৪টির কমেছে এবং আটটির অপরিবর্তিত রয়েছে। এর প্রভাবে দিন শেষে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ৩৭ পয়েন্ট কমে ৫৪৮২.৮৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সারা দিনে ডিএসইতে ৩০৭ কোটি ১১ লাখ ৫৮ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ৭৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা কম।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৩৪টির, কমেছে ১৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। এতে সিএসই সার্বিক মূল্যসূচক ১৯৪.৭৮ পয়েন্ট কমে ১৫৩১৩.২২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সিএসইতে মোট ৪০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ১২ কোটি টাকা কম।
ডিএসইতে আর্থিক লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো_ তিতাস গ্যাস লিমিটেড, আফতাব অটোমোবাইলস, মেঘনা লাইফ ইন্সু্যরেন্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, বে লিজিং, আরএন স্পিনিং, বিএসআরএম, ইউসিবিএল, এবি ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক।
দর বৃদ্ধিতে শীর্ষে থাকা ১০টি কোমপানি হলো_ এশিয়া ইন্সু্যরেন্স, সিনোবাংলা ইন্সু্যরেন্স, আইসিবি তৃতীয় এনআরবি, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, ফু-ওয়াং ফুড, রেকিট বেনকিজার, এসিআই ফমূলেশন, ফাইন ফুডস্, আরামিট সিমেন্ট ও কেয়া ডিটারজেন্ট।
দর হ্রাসের শীর্ষে থাকা ১০টি কোমপানি হলো_ স্কয়ার টেঙ্টাইল, তাকাফুল ইন্সু্যরেন্স, গোল্ডেনসন, স্ট্যান্ডার্ড ইন্সু্যরেন্স, রংপুর ফাউন্ড্রি, সিএমসি কামাল, জিকিউ বলপেন, ঢাকা ইন্সু্যরেন্স, পূরবী জেনারেল ও এপেঙ্ স্পিনিং। |
|
|
| 05/11/2011 3:28 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
৩০০ কোটি টাকায় নেমেছে লেনদেন
পুঁজিবাজারের নিম্নমুখী যাত্রা অব্যাহত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারের নিম্নমুখী যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ৩০০ কোটি টাকার কাছাকাছি নেমে এসেছে।
বুধবার এই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩০৭ কোটি ১১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। পূর্ণ দিবসের স্বাভাবিক লেনদেনে গত সোয়া দুই বছরের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন লেনদেন। লেনদেন কমার পাশাপাশি দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বেশিরভাগ শেয়ারের দর হ্রাস পাওয়ায় আরেক দফা কমেছে সূচক।
বাজার সংশিস্নষ্টরা বলছেন, বেশ কিছুদিন ধরে পুঁজিবাজারে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা বিশেষ করে অনেক বড় বিনিয়োগকারী বাজার থেকে দূরে থাকছেন। এর ফলে লেনদেন অনেক কমেছে।
বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ঘুরে সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে হাউসগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি অনেক কমে গেছে।
আবার অনেকে হাউসে এলেও লেনদেনে অংশ না নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেৰণ করছেন। আবার লোকসান দিয়ে একবার যারা শেয়ার বিক্রি করছেন, তারা আর ওই টাকায় শেয়ার কিনছেন না। বাজারে স্থিতিশীলতা না ফিরলে ক্রমশ এ ধরনের প্রবণতা বাড়তে থাকবে বলে মনে করছেন সংশিস্নষ্টরা।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বুধবার ডিএসইতে হাতবদল হওয়া ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১২টির শেয়ারের দর বেড়েছে, ১২৪টির কমেছে এবং আটটির অপরিবর্তিত রয়েছে। এর প্রভাবে দিন শেষে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ৩৭ পয়েন্ট কমে ৫৪৮২.৮৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সারা দিনে ডিএসইতে ৩০৭ কোটি ১১ লাখ ৫৮ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ৭৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা কম।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৩৪টির, কমেছে ১৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। এতে সিএসই সার্বিক মূল্যসূচক ১৯৪.৭৮ পয়েন্ট কমে ১৫৩১৩.২২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সিএসইতে মোট ৪০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ১২ কোটি টাকা কম।
ডিএসইতে আর্থিক লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো_ তিতাস গ্যাস লিমিটেড, আফতাব অটোমোবাইলস, মেঘনা লাইফ ইন্সু্যরেন্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, বে লিজিং, আরএন স্পিনিং, বিএসআরএম, ইউসিবিএল, এবি ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক।
দর বৃদ্ধিতে শীর্ষে থাকা ১০টি কোমপানি হলো_ এশিয়া ইন্সু্যরেন্স, সিনোবাংলা ইন্সু্যরেন্স, আইসিবি তৃতীয় এনআরবি, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, ফু-ওয়াং ফুড, রেকিট বেনকিজার, এসিআই ফমূলেশন, ফাইন ফুডস্, আরামিট সিমেন্ট ও কেয়া ডিটারজেন্ট।
দর হ্রাসের শীর্ষে থাকা ১০টি কোমপানি হলো_ স্কয়ার টেঙ্টাইল, তাকাফুল ইন্সু্যরেন্স, গোল্ডেনসন, স্ট্যান্ডার্ড ইন্সু্যরেন্স, রংপুর ফাউন্ড্রি, সিএমসি কামাল, জিকিউ বলপেন, ঢাকা ইন্সু্যরেন্স, পূরবী জেনারেল ও এপেঙ্ স্পিনিং। |
|
|
| 05/11/2011 3:29 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের লভ্যাংশ ঘোষণা
১:১ হারে রাইট শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা করেছে লিগ্যাসি ফুটওয়্যার কোম্পানি লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পাশাপাশি কোম্পানিটি পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে ১:১ হারে (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) রাইট শেয়ার ইসু্যর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদনের পর পরিচালনা পর্ষদের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
লিগ্যাসি ফুটওয়্যার পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোম্পানির ২০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৩০ টাকা নেয়া হবে। এসইসিতে আবেদন করার আগে এ বিষয়ে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) করে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয়া হবে।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৮ জুলাই বেলা ১২টায় গাজীপুরে কোম্পানির নিজস্ব ভবনে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন একই জায়গায় বেলা সাড়ে ১২টায় লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১ জুন রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১ টাকা ১৪ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২১ টাকা ৪০ পয়সা।
লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা করেছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১২টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ জুলাই বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ হোটেলে ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৩০ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ২ টাকা ৩৩ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১২ টাকা ৮১ পয়সা। |
|
|
| 05/11/2011 3:29 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
তালিকা-বহির্ভূত কোম্পানির মূলধন সংগ্রহে শর্ত আরোপ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগে মূলধন সংগ্রহের জন্য উদ্যোক্তাদের বাইরে অন্য কারও কাছে শেয়ার বিক্রি করতে হলে কোম্পানির আর্থিক বিবরণীসহ প্রস্তাবনাপত্র (অফার ডকুমেন্ট) প্রকাশ বাধ্যতামূলক করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গত রবিবার এ বিষয়ে কমিশনের পৰ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সাধারণ শেয়ারের পাশাপাশি সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরযোগ্য যে কোন সিকিউরিটিজের ৰেত্রেও কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উলেস্নখ করা হয়েছে। মূলধন সংগ্রহের নামে পুঁজিবাজারে অনৈতিক প্রাইভেট পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য বন্ধের লক্ষেই এসইসি এ ধরনের শর্ত আরোপ করেছে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহে শৃঙ্খলা আনতে এ বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। তবে সংশিস্নষ্ট আইন সংশোধন করে পেস্নসমেন্টের নীতিমালা কার্যকর করতে হলে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করতে বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। কিন্তু পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য বন্ধে এসইসি আর কোন সময় নিতে চায় না। এজন্য সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ এর ২সিসি ধারার ৰমতাবলে প্রস্তাবনাপত্র প্রকাশ বাধ্যতামূলক করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়নের আগ পর্যন্ত এই নির্দেশনা মেনেই শেয়ারবাজারে তালিকার বাইরে থাকা কোম্পানির মূলধন সংগ্রহ করতে হবে।
এসইসির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারের বাইরে থাকা যে কোন কোম্পানি উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের বাইরে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সাধারণ শেয়ার, বোনাস শেয়ার বা রাইট শেয়ার ইসু্য করতে চাইলে সে বিষয়ে উন্মুক্ত ঘোষণা দিতে হবে।
এৰেত্রে শেয়ার বরাদ্দের জন্য কোম্পানিকে ইসু্য ম্যানেজার নিয়োগ করে প্রসত্মাবনাপত্র (অফর ডকুমেন্ট) প্রকাশ করতে হবে। ইসু্য ব্যবস্থাপকের মাধ্যমে নির্ধারিত ফরমে আবেদনপত্র গ্রহণ করে শেয়ার বরাদ্দ করতে হবে। কোন ৰেত্রে আবেদনের সংখ্যা নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় বেশি হলে লটারির মাধ্যমে বরাদ্দ করতে হবে।
পাশাপাশি শেয়ারের অভিহিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ (প্রিমিয়াম) সংগ্রহ করতে চাইলে আইপিও'র মতো তার যৌক্তিকতা প্রমান করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, মূলধন সংগ্রহের জন্য ইসু্য ম্যানেজারের মাধ্যমে প্রসত্মাবনাপত্র প্রস্তুত করে এসইসিতে জমা দিতে হবে। এৰেত্রে পাবলিক ইসু্য বিধিমালা ২০০৬-এর সংশিস্নষ্ট ধারা অনুসরণ করে ইস্যু ম্যানেজার প্রস্তাবনাপত্র জমা দেবে। |
|
|
| 05/11/2011 3:30 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
BB warns banks against anomalies
Rejaul Karim Byron
The Bangladesh Bank (BB) has detected various irregularities in commercial banks, including waiver of the principal amount of loans, and warned the banks against such malpractices.
The irregularities found through an investigation were presented at a meeting of the chief executives of all banks yesterday with the central bank Governor Atiur Rahman in the chair.
The irregularities were projected on the basis of the central bank's inspection to bank branches at different times.
The banks normally exempt the interest on loans but cannot forego the principal amount. The BB inspection also found incidents of waiving the principal amount.
Though the classified loans were not recovered, the banks were putting those as recovered to show a big amount of profit. Besides, the irregularities detected by the BB included granting loans to defaulters, and rescheduling classified loans without down payment.
The central bank also found that after giving fresh loans, the banks adjust the old loans, which is a big malpractice, BB officials said. The banks often declassify classified loans without following central bank rules, they said.
After the meeting yesterday, BB Deputy Governor Nazrul Huda said the real situation is not being reflected in the balance sheets of the banks due to such irregularities. He said: “We have asked the banks to be cautious in future; otherwise we will be tougher.”
In the meeting, various issues including the banks' liquidity and their exposure to the capital market were discussed.
Huda told journalists that the banks do not have any liquidity crisis now, though one or two banks are facing a little pressure. He said the amount of excess liquidity is about Tk 28,000 crore now and the rate of interest in call money market is between 4 percent and 6 percent.
The BB deputy governor said fresh money is being injected into the money market every day as the government's development expenditure is increasing now. The government has already released Tk 1,500 crore development funds, which gave a rise to liquidity in the banks.
Huda said export receipts are lagging behind export shipment by nearly $2 billion. Normally, the banks bring back the export receipts to the country within four months. “We have asked the banks to take initiative to bring back the export receipts in one month, giving special efforts to further improve the liquidity situation.”
In the meeting, the BB governor said: “I would strongly urge the bank CEOs to direct their export desk staffs in the respective branches to be active in timely collection of export bills from abroad.”
The governor also said the central bank will ease further the pressure on the taka-dollar exchange rate and interest rate.
Huda also said the credit-deposit ratio was beyond limit in different banks but it has come down. Now the ratio is above 85 percent in nine banks.
If the present trend continues, the credit-deposit ratio of these banks will come down below 85 percent by June, he added.
Huda said the ratio in 26 banks was above 85 percent only a few months back. He also said, another positive note was that the overall credit-deposit ratio of the banks is 82 percent.
The BB deputy governor said no bank has over-exposure to the capital market now.
The central bank has already started working on the basis of the share market debacle probe committee report. The BB will also form an investigation committee. If any irregularity is proved against any bank, the BB will take action.
Huda said the banks were advised to launch a new product to provide financial assistance to the Bangladeshi migrant workers who returned home from Libya.
The Association of Banks Bangladesh (ABB) will prepare the product after discussion. |
|
|
| 05/11/2011 3:31 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Non-banks to double capital
Star Business Report
The central bank is set to double the capital of non-bank financial institutions to strengthen their financial base. The capital of non-bank financial institutions is being raised to Tk 100 crore from Tk 50 crore now.
For raising capital, the financial institutions will be set a deadline until June 2012, said an official of Bangladesh Bank. Currently, 29 financial institutions operate in Bangladesh, with 19 having no capital shortfall at the current level |
|
|
| 05/11/2011 3:31 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Turnover on DSE hits 27-month low
Star Business Report
Turnover on the Dhaka Stock Exchange hit a 27-month low yesterday as jittery investors went for panic sell-offs in the wake of a back-to-back fall for two days.
The turnover on the country's premier bourse was at Tk 307 crore at the end of the trading session, down by 24.50 percent on the previous day, the lowest since February 19, 2009 when transactions recorded Tk 302 crore.
However, shares worth Tk 68 crore could change hands on January 20 this year, as trading had been suspended before midday on the day amid violent protests by angry investors following unusual falls.
At the end of the four-hour topsy-turvy trading session yesterday, the benchmark general index of DSE shed 37 points, or 0.67 percent, to close at 5,482 points. The index lost 155 points in the last two sessions.
The selective price index of Chittagong Stock Exchange declined 124 points, or 1.20 percent, to end the day at 9,859 points.
Professor Khairul Hossain, chairman of Investment Corporation of Bangladesh, said a long-term cash flow is needed to stabilise the market.
Hossain, who teaches finance at Dhaka University, said the capital market has to be developed to drive the country's industries, infrastructure and economy.
His colleague Prof Salahuddin Ahmed Khan thinks the government's delay in taking actions in line with the recommendations of a probe committee has dented investor spirits.
“A lack of participation by the institutional investors due to a credit crisis also pushed the market down,” said Khan, also a former chief executive officer of DSE.
Mir Sabbir, a retail investor, said, “The central bank should take some steps to increase the liquidity inflow into the market to save investors.”
“The government should implement the probe report recommendations as soon as possible to restore investor confidence,” he added.
Of the total 244 issues traded on the DSE floor, 124 declined, 11 advanced and eight remained unchanged. Titas Gas topped the turnover leaders ranking with 1.42 lakh shares worth Tk 11.39 crore changing hands.
Asian Insurance was the biggest gainer of the day, posting a 9.27 percent rise in its share prices, while Square Textile was the worst loser, losing 24.71 percent. In another development, Hac Securities resumed at 1:30pm |
|
|
| 05/11/2011 3:33 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Stock turnover dips further
FE Report
High volatility marked the Wednesday trading on the Dhaka Stock Exchange (DSE) amid nearly four-month low turnover as the investors' confidence continued to remain in lower level.
Lack of confidence among the general investors persisted and they sold their stocks in panic, as a result the market could not get strength, said a merchant banker.
Continuation of liquidity crunch in the money market took heavy tolls in stock market as daily turnover came down to only Tk 3.07 billion in value terms, down by 19 per cent, against Tk 3.82 billion in the previous session.
This was the nearly four-month low daily turnover since January 25. On January 25 the turnover was Tk 2.06 billion.
Record date for Beximco groups share also contributed heavily for lower turnover, market insiders said.
Meanwhile, the market opened with a negative note in the morning and lost more than 50 points within five minutes. After that DGEN fluctuated between highest 5,519.87 to lowest 5,445.69 points several times throughout the session and finally closed 36 points lower.
The benchmark DSE General Index (DGEN), main gauge of the market shed 36.99 points or 0.67 per cent to close at 5,482.87.
The broader All Shares Price Index (DSI) came down to 4563.85, shedding 32.63 points or 0.70 per cent. The DSE-20 index comprising blue-chip shares also lost 18.40 points or 0.50 per cent to 3,625.92.
Market sentiment was affected in recent days over the speculation of further fall of market and government to follow slow pace regarding re-cast of SEC including recruitment of its chairman, stock brokers said.
Liquidity crunch in the money market, low confidence of general investors and absence of big and institutional investors caused the market dragging down, said capital market analyst Akter H Sannamat.
"To increase cash support in the market, the central bank should immediately reduce the SLR (Statutory Liquidity Requirements) and CRR (Cash Reserve Ratio) ratio of the commercial banks to bring bank confidence in the market," said Mr. Sannamat.
He said the Securities and Exchange Commission's surveillance team should strictly monitor the market trading. |
|
|
|