Page 2 / 2 1 - 2 « previous
News 12.04.2011
04/12/2011 12:13 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
বিনিয়োগের নামে ৫৫০০ কোটি টাকা উত্তোলনহাতিয়ার প্লেসমেন্ট, রাইট ও অগ্রাধিকার শেয়ার

কালের কণ্ঠ
তারিখ: ১২-০৪-২০১১

বিশেষ প্রতিনিধি
মূল্য বিভাজন, প্লেসমেন্ট, রাইট ও অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যু করে পুঁজিবাজারকে অস্থিরতার মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে সরকারের তদন্ত প্রতিবেদনে। এতে উল্লেখ করা হয়, বিভাজনের কারণে বাজারে শেয়ারের মূল্য ও তারল্যে অপ্রত্যাশিত প্রভাব পড়ে। রাইট শেয়ার ইস্যুর বিষয়টি অনুমোদন দেওয়ার আগেই কম্পানি থেকে ফলাও প্রচারের কারণে বাজারে উল্টো প্রভাব পড়েছে। আর অগ্রাধিকার শেয়ারের নামে বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে বড় অঙ্কের টাকা। অর্থাৎ মানুষের পকেট খালি করা হয়েছে রাইট ও অগ্রাধিকার শেয়ারের নামে।
সব মিলিয়ে গত দুই বছরে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের নামে বাজার থেকে অন্তত পাঁচ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে বেশ কয়েকটি কম্পানি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা ওঠানো হয়েছে প্লেসমেন্টের মাধ্যমে। এ কারণে পুঁজিবাজারের বাইরে শেয়ার লেনদেনের নতুন পদ্ধতি চালু হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর সুযোগ নিয়ে বেশ কিছু দুর্বল কম্পানি সাজানো আর্থিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা অনভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে তুলে নিয়েছে। প্লেসমেন্টে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনেক টাকা আটকে যাওয়ায় পুঁজিবাজারে তারল্য সংকট প্রকট আকার ধারণ করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনের বিশেষ পর্যবেক্ষণ অংশে মূল্য বিভাজনের প্রভাব উল্লেখ করে বলা হয়, এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মনস্তাত্তি্বক দুর্বলতাকে পুঁজি করে বিভাজিত শেয়ার কেনার আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়ে শেয়ারের মূল্যের ওপর অভাবিত প্রভাব ফেলা হয়েছে। ২০০৯ এবং ২০১০ সালে মোট ৬২টি তালিকাভুক্ত কম্পানি শেয়ার বিভাজন করেছে। কম্পানিগুলো শেয়ার বিভাজন শুরু করে ২০০৯ সালের জুলাই থেকে। এ বিষয়ে এসইসির ভূমিকা ছিল খুবই দোদুল্যমান। এসইসি ২০১০ সালের ১০ মে এক সার্কুলারে শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকাকে ১০ টাকায় রূপান্তর করে। চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি সেই সার্কুলার আবার স্থগিতও করে। এসইসির এমন ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বাজার নিয়ন্ত্রণকারীদের দুর্বলতাই প্রকাশ করে এবং ওই সুযোগ ব্যবহার করেন বাজার কারসাজির হোতারা।
প্রতিবেদনে রাইট শেয়ারের নানা অনিয়ম তুলে ধরে বলা হয়, রাইট শেয়ারের সুযোগে ২০০৯ সালে ছয়টি কম্পানি ১৪৫ কোটি টাকা বাজার থেকে তুলে নেয়। এভাবে ২০১০ সালে ২২টি কম্পানি তুলে নেয় দুই হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। প্রায় ৭০ শতাংশ কম্পানি প্রিমিয়ামে রাইট ইস্যু করেছিল। এর মধ্যে কনফিডেন্স সিমেন্ট ৬০০ শতাংশ, বে লিজিং ২৫০ শতাংশ, প্রাইম ব্যাংক ও ইস্টার্ন ইনস্যুরেন্স ২০০ শতাংশ এবং দি সিটি ব্যাংক, ফিনিঙ্ ফাইন্যান্স ও এশিয়া ইনস্যুরেন্স ১০০ শতাংশ প্রিমিয়াম দিয়ে এই রাইট ইস্যু করেছিল। এর ফলে কম্পানিগুলোর শেয়ারপ্রতি আয় কমে যাওয়ার কথা, সঙ্গে শেয়ারের দামও। কিন্তু বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ঘটেছে উল্টো ঘটনা। এখানে রাইট ইস্যু ঘোষণা করার পর থেকেই শেয়ারের মূল্য বাড়তে থাকে। বাজার কারসাজির হোতারা যে অপকর্মটি করেছেন, তদন্ত প্রতিবেদনে এশিয়া ইনস্যুরেন্স ও বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডসের দুটি উদাহরণ দিয়ে বলা হয়, কম্পানিগুলো ইজিএমে রাইট ইস্যু-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদনের আগেই সেই সংবাদ অনলাইনে প্রচার করে। ফলে বাজারে এর প্রভাব পড়ে। কম্পানি দুটির রাইট ইস্যুর আবেদন ও চূড়ান্ত অনুমোদনের মধ্যে কয়েক মাস কেটে যায়। অনুমোদনের আগে ঘোষণা এবং অনুমোদন দিতে বিলম্বের কারণে ওই সব কম্পানির শেয়ারের দাম বেড়ে যায়। সেই সময়ের মধ্যে এশিয়া ইনস্যুরেন্সের শেয়ারের দাম বাড়ে ১৭৫ শতাংশ আর বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডসের ১৪৪ শতাংশ। তদন্ত প্রতিবেদনে এ জন্য এসইসিকে দায়ী করা হয়।
প্রতিবেদনে অগ্রাধিকার শেয়ারের উল্লেখ করে বলা হয়, ২০০৯ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে হঠাৎ করে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানিগুলোর মধ্যে অগ্রাধিকার শেয়ার ছাড়ার হিড়িক পড়ে। অগ্রাধিকার শেয়ারকে আবার আকর্ষণীয় করার জন্য তা রূপান্তরেরও সুযোগ দেওয়া হয়। রূপান্তরযোগ্য অগ্রাধিকার শেয়ার ছেড়ে ২০১০ সালে আটটি কম্পানি বাজার থেকে মোট এক হাজার ১৮২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা তুলে নেয়। এ সময়ে বেঙ্মিকো ফার্মা ৪১০ কোটি, সামিট পাওয়ার ৩০০ কোটি, আফতাব অটোমোবাইল ১৮০ কোটি এবং পিপলস লিজিং ১২০ কোটি টাকা বাজার থেকে তুলে নিয়েছে। লক্ষণীয় বিষয় হলো, এসব শেয়ারে এসইসির সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই। ফলে কম্পানিগুলো এসইসি থেকে তাদের সুবিধামতো প্রস্তাব অনুমোদন করিয়ে নিয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এতে আরো বলা হয়, অগ্রাধিকার শেয়ারকে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তরের মাধ্যমে কম্পানির পরিচালকরা কৌশলে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করেছেন। রূপান্তরযোগ্য অগ্রাধিকার শেয়ারের ক্ষেত্রে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের আধিক্য ও অনৈতিক ট্রেডিংয়ের অভিযোগ রয়েছে। এ শেয়ারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে এদের মেয়াদকাল ও রূপান্তর-প্রক্রিয়া নিয়ে। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় রাইট শেয়ার বা প্রিমিয়াম শেয়ার ছাড়ার যোগ্যতা না থাকলেও কোনো কোনো কম্পানি অগ্রাধিকার শেয়ারের মাধ্যমে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছে। আর এসব কাজ করা সম্ভব হয়েছে এসইসির নীতিমালার অভাবে, দুর্বলতার কারণে। এ সুযোগে সক্ষমতা ছাড়াই বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং তার অনিবার্য পতনও হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্লেসমেন্ট কেলেঙ্কারি
শেয়ারবাজারের বাইরেই ঘটেছে এবারের কেলেঙ্কারির বড় ঘটনা। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আগেই কম্পানির প্রি-আইপিও শেয়ার বা প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি হয়েছে কার্ব মার্কেটে। ১৯৯৬ সালে মূল শেয়ারবাজারের বাইরে কার্ব মার্কেটে যেভাবে কাগুজে শেয়ার বিক্রি হয়েছিল, এবার সেভাবেই শেয়ার মার্কেটের বাইরে আরেকটি কার্ব মার্কেটে বিক্রি হয়েছে প্লেসমেন্ট শেয়ার। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কার্ব মার্কেটে প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে গত দুই বছরে ৩৪টি কম্পানি তিন হাজার ৭৭৬ কোটি টাকার মূলধন তুলেছে। এর মধ্যে নন-লিস্টেড আটটি কম্পানি তুলেছে এক হাজার ৮১৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। পুঁজিবাজারের লিস্টেড ২৬টি কম্পানি তুলেছে এক হাজার ৯৬০ কোটি সাত লাখ টাকা।
পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা অতিক্রম করায় প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক হওয়ার পরও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কম্পানি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেছে। এই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে গঠিত তদন্ত কমিটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারে অবাধ লুটপাটের নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করেছে অনৈতিক প্লেসমেন্ট বাণিজ্য। স্টক এঙ্চেঞ্জের নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্লেসমেন্টের শেয়ার 'উপঢৌকন' দিয়ে যথেচ্ছ লুটপাটের ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে। বিভিন্ন কম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর জন্য প্লেসমেন্ট শেয়ার বরাদ্দ রাখা পুঁজিবাজারের অলিখিত রেওয়াজে পরিণত হয়েছিল। বাজারে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে ওই গোষ্ঠীটি সরকার ও সরকারের বাইরের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিদেরও এই শেয়ার উপহার দিয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও এ তালিকা থেকে বাদ যাননি। পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট এবং এর বাইরে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনৈতিকভাবে প্লেসমেন্ট শেয়ার নিয়েছেন বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। প্রতিবেদনে প্লেসমেন্টের সুবিধাভোগী শীর্ষ ১০০ ব্যক্তির নামের তালিকা সংযুক্ত করা হয়েছে। প্লেসমেন্টধারী এসব ব্যক্তির অর্থসংস্থান, আন্তসংযোগ নিবিড় পরীক্ষা করার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
তদন্ত প্রতিবেদনে উলি্লখিত লিস্টেড কম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে রয়েছে এসআই (২০ শতাংশ রূপান্তরযোগ্য জিরো কুপন বন্ড) অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যাল, এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বিকন ফার্মা, ব্র্যাক ব্যাংক (২৫ শতাংশ সাব অর্ডিনেটেড কনভারটেবল বন্ড), ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, দেশবন্ধু পলিমার, ইবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, মালেক স্পিনিং, এমআই সিমেন্ট, কেপিসিএল, ওশান কনটেইনার, আরএকে সিরামিকস, জিএমজি এয়ারলাইনস, সলভো কেমিক্যাল, লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজ, ফনিঙ্ ফাইন্যান্স মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইসিবি থার্ড এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ডিবিএইচ, প্রাইম ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইসিবি এমপ্লয়িজ মিউচ্যুয়াল ফান্ড, গ্রামীণফোন, আইসিবি সেকেন্ড এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বে-লিজিং, প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ বাজারে আসার প্রক্রিয়াধীন বেশ কিছু কম্পানির প্লেসমেন্ট নিয়ে কার্ব মার্কেট গড়ে তোলা হয়েছে। নন-লিস্টেড আটটি কম্পানির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। শুধুু মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্রাইভেট প্লেসমেন্ট ছিল ৮০০ কোটি টাকা। কম্পানিগুলো অতিরিক্ত প্রিমিয়াম যুক্ত করে প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে।

মোট প্রাইভেট প্লেসমেন্ট
লিস্টেড কম্পানি - টাকা : ১৯৬০.০৭ কোটি
নন-লিস্টেড কম্পানি - টাকা : ১৮১৬.৭৯ কোটি
সর্বমোট = টাকা : ৩,৭৭৬.৮৬ কোটি

ব্যক্তি পর্যায়ের সর্বোচ্চ প্লেসমেন্ট-প্রাপ্তদের তালিকা
ক্রমিক নং - নাম - ইস্যুর সংখ্যা (লক্ষ) - আর্থিক মূল্য (কোটি টাকায়)
১. মো. নূর আলী - ৩৩ - ১৬.৫
২. রিচার্ড ডি রোজারিও - ১৬.২০ - ১৫.৬২
৩. কো ইউ চুয়ান - ২৬.৪৫ - ১৩.৭২
৪. আর ওয়াই সমসের - ২৩.৩০ - ১১.৯৯
৫. তাসমিয়া আমবেরীন - ৫৬.১০ - ১১.২৫
৬. হেলাল উদ্দিন আহমেদ - ৩৩.৫০ - ৩.৭৬
+(3A & Company Ltd. +(৪৫.০০) +(৪.৫০)
৭. সৈয়দ জালাল আহমেদ - ১৮.৮০ - ৩.৩৫
৮. কফিল উদ্দিন ভূঁইয়া - ৩.০০ - ৩.০০
৯. সোমা আলম রহমান - ৩০.০০ - ২.৮৯
১০. মনসুর বিল্লাহ - ২৬.৫০ - ৩.০০
১১. আব্দুল মজিদ মণ্ডল - ২.৭৫ - ২.৭৫
১২. বিলকিস বানু - ২৩.০০ - ২.৭৫
১৩. সৈয়দ গোলাম ওয়াদুদ - ৩.৭০ - ২.৭৫
১৪. কে বি এম মঈনুদ্দিন চিশতি - ২৬.০০ - ২.৬০
১৫. খালেদ হোসেন খান - ২১.০০ - ২.৫৯
১৬. আফসারউজ্জামান - ৮.৭০ - ২.১৭
১৭. খন্দকার জামিল উদ্দিন - ১.২০ - ২.১০
১৮. মোহসীন আহমেদ - ২.৭০ - ২.০১
১৯. আব্দুল কাইয়ুব চৌধুরী - ২.২০ - ১.৮৭
২০. মো. আবদুস সালাম - ৯.৫০ - ১.৮৫
২১. ফারজানা আখতার - ১৭.০০ - ১.৭৫
২২. জিনাত বেগম - ১৬.০০ - ১.৭৫
২৩. মো. রফিকুল ইসলাম - ১৪.০০ - ১.৭৬
২৪. শামীমা শরীফ - ১২.০০ - ১.৫৬
২৫. সমীর দত্ত - ১.৫০ - ১.৫০
২৬. মো. রেজাউল করিম - ১১.০২ - ১.৪৭
২৭. শাহনাজ বেগম রোজী - ৬.১৯ - ১.৪০
২৮. আনোয়ার হোসেন - ৯.৯৩ - ১.৩০
২৯. আহমেদ রশীদ - ৭.৯৫ - ১.২৩
৩০. রফিকুল আনোয়ার - ৯.২০ - ১.২২
Quote   
04/12/2011 12:14 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
রাজনীতিবিদদের অভিমতশেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির হোতাদের শাস্তি হওয়া উচিত

কালের কণ্ঠ
তারিখ: ১২-০৪-২০১১

নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির তদন্ত প্রতিবেদন সরকারিভাবে প্রকাশ করা এবং কেলেঙ্কারির নায়কদের বিচারের পক্ষে রাজনীতিবিদরা। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতা এ ব্যাপারে চুপ থাকলেও তাঁদের শরিক ও বিরোধী দলগুলো এ দাবিতে সোচ্চার। প্রায় সব রাজনীতিকই বলেছেন, শেয়ার কেলেঙ্কারি একটি বড় ধরনের অপরাধ। সরকারিভাবে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে এবং যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার ব্যর্থ হলে দায় নিতে হবে তাদেরই।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, সরকারের উচিত ত্বরিত গতিতে শেয়ার কেলেঙ্কারির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা। তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী নিজে বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা জড়িত, নাম দেখে প্রকাশ করা হবে। অর্থমন্ত্রীর এসব কথায়ই প্রমাণ হচ্ছে, সরকারের বড় বড় লোকজন জড়িত আছে। ড. মোশাররফ আরো বলেন, এটা দেশের বড় ধরনের অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারি। এটা কোনোভাবেই ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। কে কোন দলের, তা না দেখে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির নায়কদের বড় পরিচয় তারা লুটেরা। এসব কেলেঙ্কারি করার সময় রাজনীতিবিদদের কেউ জানিয়ে করেন না। যখন ধরা খান, তখনই রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা চান। তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রীর কথায়ই প্রমাণ হচ্ছে, ঘটনার নায়কদের বিচার হবে কি না সন্দেহ। ৩৩ লাখ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী আজ পথে বসেছে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে ও দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে তদন্ত সাপেক্ষে কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই বিচার করতে হবে।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, 'আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের আগে দোষীদের ব্যাপারে কিছু বলতে চাই না।' অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, "কেন রিপোর্ট প্রকাশ হচ্ছে না। রিপোর্ট প্রকাশ করুক। এটি কোনো 'প্রিভিলেজ রিপোর্ট' নয়। তবু অর্থমন্ত্রী এ রিপোর্ট চেপে রেখেছেন কেন?"
জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদার কালের কণ্ঠকে বলেছেন, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত হিসেবে চিহ্নিতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের কোনো ভুল কিংবা ব্যর্থতার কোনো অবকাশ নেই। তিনি বলেন, 'আমরা মনে করি, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির ঘটনাটি অতি সুপরিকল্পিত। এটা জাতীয় পর্যায়ের বৃহৎ একটি ষড়যন্ত্র। এর সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দিতেই হবে।'
জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির তদন্ত প্রতিবেদন হুবহু জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে এবং দোষীদের বিচার করতে হবে।
ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী বলেন, যে বা যারাই শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।
Quote   
04/12/2011 12:15 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
শেয়ার : কয়েক দিন বৃদ্ধির পর এবার দরপতন

কালের কণ্ঠ
তারিখ: ১২-০৪-২০১১

নিজস্ব প্রতিবেদক
তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য গণমাধ্যমে আসার পর গতকাল সোমবার প্রথমবারের মতো বড় ধরনের দরপতন ঘটেছে শেয়ারবাজারে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক কমেছে ২৯৩.৮৩ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২৬১টি কম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ২৩০টির। কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সিলেক্টিভ ক্যাটাগরিজ সূচক কমেছে ৪৩১.৭৮ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২০৭টি কম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ১৭৩টির।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের প্রভাব কি না, তা এখনো স্পষ্ট হয়নি। কোনো কোনো বাজার বিশ্লেষক বলেছেন, টানা কয়েক দিনের দর বৃদ্ধির পর এটা ছিল স্বাভাবিক দরপতন। ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভী কালের কণ্ঠকে বলেন, বাজারে টানা কয়েক দিন দর বৃদ্ধির পর অনেকে মুনাফা তুলে নিয়েছে। এ জন্য দরপতন হতে পারে। সংবাদমাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের প্রভাবে দরপতন হয়েছে কি না, এখনই তা বলা যাবে না।
এদিকে গতকাল লেনদেন শেষে বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনে জটলা করে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনের কারণে দরপতন হয়েছে বলে পরস্পর মন্তব্য করেন। তাঁদের মধ্যে মতিউর রহমান নামের এক বিনিয়োগকারী মন্তব্য করেন, 'গেম্বলাররা না থাকলে বাজার ঠিক হবে কী করে?' তাঁদের মধ্যে অনেকে চিহ্নিত কারসাজিচক্রের বিচার দাবি করে লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় আরেক দল লিফলেট বিতরণকাজে বাধা দেয়।
বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি এ কে এম মিজান উর রশীদ এই লিফলেট বিতরণ করেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'কারসাজিচক্রের বিচারের দাবিতে যেন তৎপর না হই, সে জন্য তিন দিন ধরে চাপের মধ্যে রয়েছি।' তিনি জানান, আজ মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় ডিএসইর সামনে কারসাজিচক্রের বিচারের দাবিতে সমাবেশ করা হবে। একটি গ্রুপ এ ধরনের সমাবেশের বিরোধিতা করছে বলেও মিজান অভিযোগ করেন।
গতকাল ডিএসইতে ১০ কোটি ৭৬ লাখ ২০ হাজার ২৩১টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া এসব শেয়ারের আর্থিক মূল্য এক হাজার ২২৪ কোটি ১৬ লাখ ৫৪ হাজার ৬১১ টাকা। আগের দিনের তুলনায় ৬৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা কম। ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৯৩.৮৩ পয়েন্ট কমে ৬২৬২.৬৯ পয়েন্টে আসে। বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল দুই লাখ ৮১ হাজার ৮৩০ কোটি ৫৭ লাখ ৭১ হাজার ৯৮৩ টাকা। এদিকে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১২৩ কোটি ৮২ লাখ ২৬ হাজার টাকা।
Quote   
04/12/2011 12:18 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
শেয়ার কেলেঙ্কারির তদন্ত প্রতিবেদনের মূল্যায়ন তুলে ধরবে বিএনপি

ঢাকা, ১২ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): শেয়ার কেলেঙ্কারির তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর বিএনপি তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামীকাল বুধবার গুলশান কার্যালয়ে বেলা ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলটি তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর তাদের মতামত তুলে ধরবে বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি তদন্তে সরকার গঠিত কমিটির প্রতিবেদনসহ সার্বিক বিষয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সোমবার রাতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে শেয়ারবাজারের তদন্ত প্রতিবেদনসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে বৈঠক করেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শেয়ারবাজারের অস্থিতিশীলতা ও কেলেঙ্কারির সার্বিক বিষয় তদন্ত শেষে সরকার গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। শেয়ারবাজারের অস্থিতিশীলতার কারণ অনুসন্ধানে সরকার খালিদ ইব্রাহিমকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। এ কমিটি তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির জন্য সালমান এফ রহমান, মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানকে অভিযুক্ত করে। ইতিমধ্যে বিএনপি তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করার দাবি জানিয়েছে। যদিও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত প্রথমদিকে তা প্রকাশ করতে অনীহা প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি তার অবস্থান থেকে সরে এসে জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
Quote   
04/12/2011 1:13 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
পুঁজিবাজারে কারসাজি
এসইসি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে দুদক


আনোয়ারুল করিম, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: পুঁজিবাজারে কারসাজির কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেলে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ব্যাপারে স্বত:প্রণোদিত হয়েই তদন্ত করবে দুদক।

দুদকের চেয়ারম্যান ড. গোলাম রহমান ও কমিশনার মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন সোমবার বাংলানিউজকে এ তথ্য জানান।

প্রায় ৩০ লাখ বিনিয়োগকারীর কথা বিবেচনা করেই দুদক স্বত:প্রণোদিত হয়ে তদন্ত করে পুঁজিবাজারে কারসাজির নায়কদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘শেয়ারবাজারে কারসাজির কারণে লক্ষ লক্ষ বিনিয়োগকারী ও দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অপরাধী যারাই হোক কেউ পার পাবে না।’

প্রসঙ্গত, খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিটি এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার এবং দুই নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া ও তারেকুজ্জামানের বিরুদ্ধে সরাসরি কারসাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছে।  

এ প্রসঙ্গে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘এসইসির বর্তমান বা সাবেক কোনো কর্মকর্তা যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে থাকেন এবং কোনো ধরনের প্রভাব খাটিয়ে থাকেন তবে অবশ্যই তাদের ব্যবস্থা নেবে দুদক।’

এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম রহমান বলেন, ‘বেসরকারি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি এসইসি কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে কোনো অনিয়ম করে থাকেন তবে ওই বেসরকারি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুদক কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না।’  

তদন্ত প্রতিবেদন এখনও দুদকের কাছে আসেনি জানিয়ে গোলাম রহমান বলেন, ‘এখতিয়ারভুক্ত বিষয়গুলোতে স্বপ্রণোদিত হয়েই তদন্ত করবে দুদক।’  

এদিকে বিডি-থাই অ্যালুমিনিয়াম ও জেএম গ্লোবাল ১৫ কোটি টাকা পাচার করেছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ সম্পর্কে দুদকের কমিশনার মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘ দুদক আইনে মানি লন্ডারিং (অর্থ পাচার) তপসিলভুক্ত অপরাধ।’

তিনি বলেন, ‘দুদক নিজের আইন অনুযায়ীই মানি লন্ডারিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রাখে।’
Quote   
04/12/2011 1:19 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
Stock protectors turned predators
Officials of regulators used their relatives to notch windfall gains


The daily Star
Tuesday, April 12, 2011
Rejaul Karim Byron and Sarwar A Chowdhury

Market regulator officials and their relatives made windfall profits from sharemarket by using power, which played a major role behind the recent stockmarket manipulation, says government probe.

They engaged in share business although it is not permitted for them because of conflict of interest, said the probe report.

Given a time limit, the probe committee could only examine a few beneficiary owner's (BO) accounts with a speculation that “corruption may have happened here”.

The probe report presented some case studies and recommendations.

Anwarul Kabir Bhuiyan, an executive director of Securities and Exchange Commission (SEC), violating a circular that he had signed did share business through his wife's BO accounts. The circular prohibited stock business for SEC officials and their relatives.

Anwarul Kabir bought shares worth around Tk 21 crore through four BO accounts of his wife Roksana Akter between January 2009 and December 2010, found the probe.

During the time, shares worth about Tk 19 crore were sold from these accounts with Al-Arafah Islami Bank, LankaBangla Securities, BLI Securities and NBL Securities.

Operating four BO accounts in wife's name is a direct violation of the SEC circular. Besides, big transactions were made through these accounts. The intelligence can investigate the matter, recommended the probe report.

Kafiluddin Ahmed Chowdhury, the then deputy general manager of state-run Investment Corporation of Bangladesh (ICB) during the stockmarket debacle and currently general manager of House Building Finance Corporation (HBFC), maintained two BO accounts -- a joint account with his wife Farzana Akter and a dummy account in the name of his brother-in-law Masum Billah -- in IFIC Bank.

From these two accounts Kafiluddin withdrew more than Tk 3 crore in just two months and deposited the same amount as FDR in NCC Bank, Exim Bank and Jamuna Bank.

The probe committee summoned Kafiluddin for a hearing on March 24.

“Kafiluddin said he made profits by selling mutual funds that he received through private placement at face value. He did not think it illegal. He said almost every official of the ICB were involved in share business,” the probe report said.

“Asked whether share business is permitted in the service rule, he replied he had not read the rules. He believed it was illegal doing business in the names of wife and brother-in-law. He did not answer why his wife and brother-in-law's money was deposited in his name,” the probe report said.

The report also recommended investigating how the DGM of ICB deposited such huge amount of money and that the finance ministry can file a departmental case against him, as he is now the general manager of HBFC. The matter can also be sent to Anti-Corruption Commission, it added.

The probe committee became suspicious when they found that Shamima Sharif, wife of a Dhaka Stock Exchange member, withdrew Tk 1.52 crore from Commercial Bank of Ceylon through LankaBangla Finance. She deposited the money in SAR Securities and LankaBangla Securities.

In light of this case, the probe committee recommended, “The SEC can investigate the matter. This issue can also be sent to the Bangladesh Bank to see whether the withdrawal can be considered as money laundering.”

RY Shamser, chief executive officer of AB Investment Ltd, a subsidiary of AB Bank, got placement shares of eight companies and mutual funds worth Tk 11.99 crore in his own name. “It appeared that he made profits through selling the placement shares in higher prices,” the report said.

The report suggested removing Shamser from his post for doing share business being the chief of AB Investment.
Quote   
04/12/2011 1:24 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
Probe committee report on stock mkt scam
Panel depicts SEC in poor light


The Financial Express
Dhaka, Tuesday April 12 2011

The Securities and Exchange Commission (SEC) failed utterly in leashing the capital market when it was taking a dangerous turn, says probe report on the recent stock market disaster, reports bdnews24.com.

The report submitted to the finance minister Thursday last points out that the SEC's steps were "mainly reactive", indicating that it only responded to the happenings and did nothing to stop it from happening.

In 2010, the SEC issued 32 directives on margin loans out of a total of 81 directives.

Between 2010-end and 2011-beginning, when the market became unstable, the SEC went on fixing margin loan ratio ceiling again and again.

In the span of just one week, the ratio was re-fixed from zero to 1:1 to 1:2, which clearly showed that the SEC was reacting pursuant to the market movement.

The report underlined that this kind of intervention, although meant to stabilise the irrational rise and fall of the index, actually created a downward pressure, as lowering the margin loan ratio caused forced sale by brokers and merchant banks to adjust the loans they had extended to their clients.

"Though SEC directives were meant to protect investors' interest, it's quite clear from the situation of the stock market that it didn't happen so," read the report.

The probe committee also stated that it did not see the market regulator, including Dhaka and Chittagong stock exchange authorities, doing anything to verify the incidents of market manipulation reported in details in the media.

"It can be said that these bodies, especially the SEC, didn't take any step to trace the funds used for suspicious transactions," said the report.

In the report, the committee also cited some examples to drive home the point that funds used in suspicious transactions could be traced out within a "short time", which the SEC failed to.

The probe body said they had discovered that the DSE and CSE did not submit any daily or even weekly surveillance report to the SEC, to date.

Accusing finger at 50 brokerage houses

The stocks probe committee has listed the names of 50 brokerage houses, who sold the highest amount of shares between October last year and January this year.

The committee, headed by Khondker Ibrahim Khaled, has drawn up the list based on the data collected from the surveillance software of the market regulator, SEC.

However, the brokerage houses listed in the report seem to have been picked up on the basis of their turnovers, and find a mention in the report under the category of "Top 50 Sellers".

The probe body found the omnibus account of the Investment Corporation of Bangladesh (ICB) Securities Trading to have had the highest number of transactions, with the total turnover of Tk 9.43 billion.

BRAC EPL Stock Brokerage Limited followed the suit, with BRAC Bank Limited trading shares worth Tk 6.8 billion through this house. ICB Securities Trading Company Limited also recorded the third and fourth largest turnovers. Similarly, BRAC EPL Stock Brokerage Limited came again at the fifth position.

Individual trader Mohammed Helal Miah traded shares worth Tk 1.8 billion through Hazrat Shah Amanat Securities. Tasmia Amberin traded Tk 1.68-billion shares via Lanka Bangla Securities and Afroza Sharmin's trading through Mult-Securities and Services Limited stood at Tk 1.67 billion.

All-in-the-family

trading to fore

The stocks probe committee has found evidence of bubble of share prices through syndicated trading.

The committee outlined three cases where trade between accounts of close relatives or multiple organisations owned by an individual led to overpricing of shares of People's Leasing and Financial Services Limited (PLFSL).

Bangladesh Krishi Bank chief Khondker Ibrahim Khaled - led probe body pointed out that a section of traders hyped share-splitting and managed to hike share prices through internal bulk transactions.

The market value of shares continued to rise, thus allowing the manipulators to reap benefits by selling off the shares at inflated prices.

The investigators traced internal trade worth Tk 60.3 million between Syed Sirajuddaula, his wife Rasheda Akter and account-introducer Habibur Rahman from Sep 15 to Nov 4, 2010 through PFI Securities brokerage house.

The report also outlined similar syndicated efforts by Yukub Ali Khandker, his daughter Sarah Khandker and brother Yasin Khandker via Prime Bank Securities. Their internal trade from Sep 6 to Oct 24, 2010 amounted to Tk 29.3 million.

Meanwhile, trade by three organisations owned by Anwar Hossain Khan-Anwar Khan Modern Hospital, Modern Farm Industries and Hazi Shakhawat Anwar Eye Hospital-amongst themselves between Sep 2 and Oct 24, 2010 led to the price hike of PLFSL shares.

The first two organisations were clients of Prime Finance and Investment Limited, while the third traded shares through National Bank.

All's wrong with

KPCL listing

The share market probe committee has found massive irregularities in direct listing of Khulna Power Company Limited (KPCL) in April and May last year.

The report found that although the company's earning per share (EPS) was Tk 2.79 and its net asset value (NAV) was Tk 18.53 on Dec 31, 2009, its indicative price during the direct listing was Tk 162.

The initial selling price was set at Tk 194.25 per share, which was 69 times higher than the EPS and over 10 times of the NAV.

The report stated that the average selling price of each share was Tk 211.23, but it came down to Tk 170 barely a month after the direct listing, and it never went up.

My hands clean,

claims Kamal

AHM Mostafa Kamal, MP, chairman of parliamentary standing committee on finance, has trashed media reports that said his name figured in the stocks crash probe report.

Kamal, chairman of CMC Kamal Textile Mills, on being informed about the gist of the report, inferred that the probe committee had not charged him at all.

The report, of which bdnews24.com has a copy, states that although earning per share (PE ratio) of the company was negative Tk 2.61 and incurred a loss of Tk 4 million in the first quarter of 2009, the share price of the company jumped by 16 times of the face value to about Tk 1,600.

In the report, the committee also identifies nine points for increased share value of CMC Kamal Textile Mills.

Kamal, however, asserted that none of the points in the report suggested that he was engaged in any illegal or immoral activity.

The report said that the company declared 10 per cent stock dividend in 2009 and declared Tk 7-million profit after tax for the first quarter (Jan-Mar) of 2010.

Then it converted its share value from Tk 100 to Tk 10 in July last year by splitting them, and due to declaration of dividend, it was upgraded to "A" category share from "Z" category one in August 2010.
Quote   
Page 2 / 2 1 - 2 « previous
Login with Facebook to post
Preview