Page 1 / 2 1 - 2 Next »
News 11.04.2011
04/10/2011 1:35 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
অমনিবাস হিসাব বন্ধের সুপারিশ তদন্ত কমিটির
মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য আলাদা বিও হিসাব ॥ হিসাবের সুবিধার জন্য শ্যাডো এ্যাকাউন্ট রাখা যায়


The Daily Janakantha
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মার্চেন্ট ব্যাংকের অমনিবাস হিসাব বন্ধ করে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য পৃথক বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব খোলার সুপারিশ করেছে পুঁজিবাজার সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি। এ বিষয়ে কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনত শেয়ার লেনদেন শুধুমাত্র বিও হিসাবের মাধ্যমে করা যায়। কিন্তু আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মার্চেন্ট ব্যাংকার নিজেরা অমনিবাস হিসাব (ইনভেস্টর এ্যাকাউন্ট) খুলছে এবং প্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার হিসাবের জন্য মার্চেন্ট ব্যাংকারের নিজস্ব নামে একটি বিও হিসাব রাখছে। ফলে বিনিয়োগকারী থাকছে বিও হিসাবের অনত্মরালে, লোকচৰুর আড়ালে। দুর্নীতি, অনিয়মের আখড়া হয়ে উঠেছে মার্চেন্ট ব্যাংকের অমনিবাস হিসাবগুলো। যাঁদের শেয়ার কেনাবেচা হচ্ছে বিও হিসাব তাঁদের নামে নেই। এ কারণে আইনগত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য মার্চেন্ট ব্যাংকের কাছে খোলা প্রতিটি হিসাবের জন্য বিও হিসাব খোলা প্রয়োজন।
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশের (সিডিবিএল) সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকায় সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) প্রত্যৰ নজরদারির বাইরে থেকেই শেয়ার লেনদেন করছেন মার্চেন্ট ব্যাংকের বিনিয়োগকারীরা। মার্চেন্ট ব্যাংকের এক একটি অমনিবাস বা ইনভেস্টরস এ্যাকাউন্টে কয়েক হাজার বিনিয়োগকারীর শেয়ার লেনদেন করা হয়। ওই হিসাবের আওতাধীন কোন বিনিয়োগকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সিডিবিএল-এ থাকে না। বিনিয়োগকারীরা মার্চেন্ট ব্যাংকের দেয়া একটি নম্বরের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করেন। ফলে অমনিবাস হিসাবের আওতায় শেয়ার ব্যবসায় যুক্ত বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বা অর্থ লেনদেনের কোন তথ্য এসইসির পৰে জানা সম্ভব হয় না। শেয়ার লেনদেনে এ ধরনের ব্যবস্থাকে শেয়ারবাজারের স্বচ্ছতার পরিপন্থী বলে মনত্মব্য করেছে তদনত্ম কমিটি।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ১৬ জুন এসইসি একটি গেজেট জারি করে ১৯৯৬ সালের সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার) বিধিমালা সংশোধন করে মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য পৃথক বিও হিসাব খোলার বিধান করে। এতে বলা হয় 'অজড় পদ্ধতিতে সংরক্ষিত সিকিউরিটিজ এর ক্ষেত্রে, পোর্টফোলিও ম্যানেজার প্রত্যেক মক্কেলের জন্য পৃথকভাবে সুবিধাভোগী মালিক (বিও) হিসাব সংরক্ষণ করবে এবং উক্ত হিসাবের পক্ষে সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয় করবে এবং যেক্ষেত্রে সমষ্টিগত হিসাব (অমনিবাস টাইপ বিও এ্যাকাউন্ট) এ সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয় করা হবে সেক্ষেত্রে গড়পড়তা মূল্যে আনুপাতিকভাবে নিজ নিজ সুবিধাভোগী মালিক হিসাব (বিও) এ সিকিউরিটিজ স্থানানত্মর করবে।' তবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বিরোধিতার কারণে সেই সময় এই সিদ্ধানত্ম বাসত্মবায়ন সম্ভব হয়নি। পরে ২০১০ সালের ৩ জানুয়ারি মর্ােচন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে এসইসি ওই গেজেটে উলিস্নখিত বিধি বাসত্মবায়নের নির্দেশ দেয়। কমিশনের পৰ থেকে ওই বছরের জুন মাসের মধ্যে এ সংক্রানত্ম কাজ শেষ করতে বলা হয়। কিন্তু এক বছরের বেশি সময় পার হলেও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এসইসির এই নির্দেশ বাসত্মবায়নের উদ্যোগ নেয়নি।
অমনিবাস হিসাব সম্পর্কে তদনত্ম প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'প্রক্রিয়াটি আইনানুগ নয় বলে প্রতীয়মান হয়। সিডিবিএলে পরিচালিত প্রতিটি অমনিবাস এ্যাকাউন্টের আড়ালে তিন হাজার থেকে দশ হাজার পর্যনত্ম গোপন হিসাব থাকে প্রতিটি মার্চেন্ট ব্যাংকারের খাতায়। অর্থাৎ ৩-১০ হাজার এ্যাকাউন্টের মোট অঙ্ক বিও হিসাবে যাচ্ছে মার্চেন্ট ব্যাংকারের নামে। ইনডিভিজুয়াল এ্যাকাউন্ট অপ্রদর্শিত থাকছে। তদনত্ম কমিটির তদনত্মে প্রতীয়মান হয়েছে যে, এ ধরনের এ্যাকাউন্টেই অনৈতিক লেনদেন অধিক। শেয়ার লেনদেন যেহেতু বিও এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হওয়া বাধ্যতামূলক, অতএব মার্চেন্ট ব্যাংকার কর্তৃক রক্ষিত হিসাবে শেয়ার লেনদেন দৃষ্টির বাইরে থাকে।'
তদনত্ম প্রতিবেদনে অমনিবাস এ্যাকাউন্টের আড়ালে থাকা সব ইনডিভিজুয়াল হিসাবের জন্য পৃথক পৃথক বিও এ্যাকাউন্ট খোলার সুপারিশ করে বলা হয়েছে, বিও এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেন হবে। মার্চেন্ট ব্যাংকার তাদের হিসাবের সুবিধার জন্য শ্যাডো এ্যাকাউন্ট রাখতে পারে। মার্চেন্ট ব্যাংকার ক্লায়েন্টের শেয়ারের ওপর প্রয়োজনে জেনারেল লিয়েন রাখতে পারে, যাতে শেয়ার লেনদেনে বাধা সৃষ্টি না হয় এবং মার্চেন্ট ব্যাংকারের ঋণ সিকিউরড থাকে।
Quote   
04/10/2011 1:39 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
বিডি ফাইন্যান্স ও এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

The Daily Janakantha
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০১০ সালের লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড (বিডি ফাইন্যান্স) এবং এশিয়া প্যাসিফিক ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এরমধ্যে বিডি ফাইন্যান্স ২২ শতাংশ হারে বোনাস এবং এশিয়ার প্যাসিফিক ইন্সু্যরেন্স ১০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে।
বিডি ফাইন্যান্স : বিডি ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২২ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২১ জুন সকাল ১০টায় রাজধানীর কাকরাইলে ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে ২৮ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১০ সালে বিডি ফাইন্যান্সের করপরবর্তী মুনাফা ছিল ২৪ কোটি ৬১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এতে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ৫ টাকা ৫৯ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২১ টাকা ১৭ পয়সা।
এশিয়া প্যাসিফিক ইন্সু্যরেন্স : কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৩ জুলাই বিকেল ৪টায় রাজধানীর কাকরাইলে ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে ৪ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১০ সালে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ১৪ টাকা ৬১ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৬১ টাকা ৯২ পয়সা।

মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি অনুমোদন করেনি ডিএসই
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মবিল যমুনা লুব্রিকেন্টের (এমজেএল) তালিকাভুক্তির প্রসত্মাব অনুমোদন করেনি ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)। গতকাল রবিবার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় কোম্পানির প্রসত্মাবের ওপর মতামত ব্যক্ত করে তালিকাভুক্তির বিষয়ে এসইসির পরামর্শ চাওয়ার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
মবিল যমুনা লুব্রিকেন্ট (এমজেএল) প্রাথমিক গণ-প্রসত্মাবে (আইপিও) শেয়ার বরাদ্দপ্রাপ্তদের ৩০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দেয়ার প্রসত্মাব করা হয়। এ বিষয়ে বিসত্মারিত জানতে ডিএসই পরিচালনা পর্ষদের সভায় এমজেএলের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কোম্পানির লিখিত প্রসত্মাব এবং চেয়ারম্যানের বক্তব্যের ভিত্তিতে ডিএসইর মতামতসহ সামগ্রিক বিষয়টি এসইসিতে পাঠানোর সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদৰেপ গ্রহণ করা হবে।
Quote   
04/10/2011 1:47 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্টি নিয়োগের চিঠি দিয়েছে এসইসি

The Daily Janakantha
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান নিয়োগের জন্য ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) চিঠি দিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান নিয়োগের পাশাপাশি সকল সহযোগী উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের সম্মতিপত্র পেলে জরম্নরী সভা ডেকে ফান্ডটি অনুমোদন করা হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট কাটাতে ৫ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ডের' ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য গত ২৯ মার্চ এসইসিতে আবেদন জমা দেয় আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। তবে আবেদনের সঙ্গে ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান নিয়োগের কাগজপত্র জমা দেয়া হয়নি। এছাড়া ফান্ডের অন্যতম সহযোগী উদ্যোক্তা অগ্রণী ব্যাংকের সম্মতিপত্রও পায়নি এসইসি। এ কারণে গত বৃহস্পতিবার এসব কাগজপত্র জমা দেয়ার জন্য আইসিবিকে চিঠি দেয়া হয়েছে। সকল কাগজপত্র পেলে কমিশনের জরম্নরী সভা ডেকে ফান্ডটি অনুমোদন করা হবে।

Quote   
04/10/2011 1:50 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
এসইসির ১০ কর্মকর্তার পদোন্নতি

The Daily Janakantha
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসির) দুটি নির্বাহী পরিচালক ও আটটি পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার পদোন্নতি কমিটির প্রস্তাবের ভিত্তিতে কমিশন সভায় এ সিদ্ধানত্ম অনুমোদন করা হয়েছে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
কমিশনের পরিচলক থেকে নির্বাহী পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন আশরাফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ। এছাড়া উপ-পরিচালক থেকে পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মাহমুদুল হক, প্রদীপ কুমার বসাক, রাজীব আহমেদ, আবুল কালাম, মনসুর রহমান, আবুল হাসান ও শেখ মাহবুব উর রহমান। পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা রবিবারই তাদের নতুন পদে যোগদান করেছেন বলে জানা গেছে।
Quote   
04/10/2011 1:51 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন
দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বেড়েছে সূচক ও লেনদেন


The Daily Janakantha
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর আস্থা রেখেছেন বিনিয়োগকারীরা। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর নানামুখী আলোচনার কারণে বাজারের ভবিষ্যত নিয়ে অনেকের মধ্যে সংশয় দেখা গেলেও সপ্তাহের প্রথম লেনদেনেই উলেস্নখযোগ্যহারে বেড়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন ও সূচক। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরবৃদ্ধির প্রভাবে রবিবার ১৫.৯২ পয়েন্ট বেড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক। পাশাপাশি ৮১ কোটি টাকা বেড়েছে আর্থিক লেনদেন।
তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে নানামুখী আলোচনার কারণে গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারের লেনদেনে কিছুটা শস্নথগতি লক্ষ করা গেছে। তবে প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন গত বৃহস্পতিবার সূচক সামান্য কমলেও লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পায়। তা সত্ত্বেও গত তিন দিনে তদনত্ম প্রতিবেদনের প্রভাব নিয়ে কিছুটা সংশয়ে ছিলেন অনেক বিনিয়োগকারী। কিন্তু সব রকম সংশয় কাটিয়ে সপ্তাহের প্রথম দিনে সামগ্রিক লেনদেনে চাঙ্গাভাবের মধ্য দিয়ে তদনত্ম কমিটির প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। একই সঙ্গে তাঁরা কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টানত্মমূলক শাসত্মি দাবি করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েক বিনিয়োগকারী সাংবাদিকদের বলেন, পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত যাঁরাই হোক না কেন_ তাঁদের অবশ্যই শাসত্মি দিতে হবে। এসব ব্যক্তি পার পেয়ে গেলে আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।
রবিবার ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ১৫.৯১ পয়েন্ট বেড়ে ৬৫৫৬.৫১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৫৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪৭টির শেয়ারের দর বেড়েছে, ১০৪টির কমেছে এবং ২টির অপরিবর্তিত রয়েছে। মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২৮৯ কোটি ৮০ লাখ ১২ হাজার টাকার_ যা গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে ৮১ কোটি ১৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকা বেশি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) মোট ২০৪টি কোম্পানির শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়। এরমধ্যে বেড়েছে ১০২টির, কমেছে ৯৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে চারটির দর। সিএসইর সাধারণ সূচক ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ৭৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৮ হাজার ২২৫ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। মোট লেনদেন হয়েছে ১১৯ কোটি ৯ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা বেশি।
Quote   
04/10/2011 3:36 pm

Forum Addict


Regist.: 12/31/2010
Topics: 14
Posts: 92
OFFLINE
Pavel & DseTiTan ভাই, নীচের ওয়েবসাইট টিতে ভালো নিউজ পাওয়া যায়।

http://www.dse-news-today.blogspot.com/
Quote   
04/10/2011 11:06 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE

Originally Posted by Arshad Syed:
Pavel & DseTiTan ভাই, নীচের ওয়েবসাইট টিতে ভালো নিউজ পাওয়া যায়।

http://www.dse-news-today.blogspot.com/



Thnx Arshad vai for ur kind information. i also visited the site earlier.
Quote   
04/10/2011 11:08 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
উত্থানে যারা পতনেও তারা

প্রথম আলো
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩২

দেশের পুঁজিবাজারের বিরাট উত্থান বা স্ফীতি পর্বে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শীর্ষ ক্রেতা ছিল, পতন বা ধস পর্বেও ঘুরেফিরে তাদের অধিকাংশকে আবার শীর্ষ বিক্রেতা হিসেবে দেখা গেছে।
পুঁজিবাজারের অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। কমিটি এ কাজে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সক্রিয়তাকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করেছে।
কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে গত ২৭ জানুয়ারি গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এ বক্তব্য উঠে এসেছে। ৭ এপ্রিল সকালে কমিটির প্রধান প্রতিবেদনটি দাখিল করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে।
প্রতিবেদনে বাজারের উত্থান-পতন প্রক্রিয়ায় যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ভূমিকা রেখেছে, তা ‘সেকেন্ডারি বাজারের শীর্ষ ঘটকেরা’ এবং ‘প্রাক-আইপিও আকাশচুম্বী মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তি ও সংস্থা’—এমন দুটি ভিন্ন পর্বে ভাগ করে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কমিটি বাজারের উত্থানের দুটি পর্ব চিহ্নিত করেছে।
কমিটি বলেছে, পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক (নভেম্বর-ডিসেম্বর) ধস বা পতন কোনো স্বাভাবিক ঘটনা ছিল না। আর এবারের ধস ১৯৯৬ সালের ধসের মতোও নয়। সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির এবং ভিন্ন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত।
কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের মূল ঘটনা অনেকটা পর্দার অন্তরালে প্রাথমিক বাজারের কর্মকাণ্ড থেকে উদ্ভূত। এটি এসইসির সমর্থন-সহায়তায় ইস্যুয়ার, ইস্যু ব্যবস্থাপক, মূল্যায়নকারী (ভ্যালুয়ার), চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট এবং প্লেসমেন্টধারীদের একটি শক্তিশালী চক্রের অবৈধ যোগসাজশের (সিন্ডিকেশন) কুফল বলে মন্তব্য করেছে কমিটি।
প্রতিবেদন মতে, আইপিও ছাড়ার আগে প্রিমিয়াম, বুক বিল্ডিং এবং প্লেসমেন্টের অপপ্রয়োগে যে বিশাল দরস্ফীতির চাপ তৈরি হয়েছিল, সে চাপই সেকেন্ডারি বাজারে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি করে। আইপিওর আগে মূল্য কেলেঙ্কারি রোধ করতে এসইসি ব্যর্থ না হলে সম্ভবত এবার বাজারধস হতো না।
এতে বলা হয়েছে, দুই উত্থান পর্বে আইসিবি অমনিবাস হিসাবে শেয়ার কিনেছিল দুই হাজার ২০০ কোটি টাকার মতো। আর পতনের দুই মাসে আইসিবির মোট বিক্রি দুই হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা। বলা হয়, উল্লম্ফন ও ধস—উভয় সময়েই সিন্ডিকেট আইসিবির অমনিবাস হিসাবের আড়ালে খেলা করেছিল, এটা প্রায় নিশ্চিত।
উত্থান পর্ব: প্রতিবেদনে বাজারে বুদ্বুদ সৃষ্টি বা স্ফীতির প্রথম সময়কাল বিবেচনা করা হয়েছে ২০০৯ সালের অক্টোবর-নভেম্বরকে। এ সময় বাজারের সূচক দুই হাজার ৮০০ পয়েন্ট থেকে চার হাজার ৫০০ পয়েন্টে ওঠে। তারপর আবার ২০১০ সালের জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারিতে সূচক ওঠে চার হাজার ৯৪১ থেকে পাঁচ হাজার ৬১২ পয়েন্টে। এ সময়কালকে দ্বিতীয় পর্ব বলছে কমিটি। এ সময় মূল্যবৃদ্ধির জন্য পরিকল্পিতভাবে শেয়ার কেনা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, এই দুই সময়কালে বাজারের প্রায় একই চক্র বা সিন্ডিকেট কাজ করেছে।
এ ক্ষেত্রে আইসিবির ভূমিকা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি সরকারি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হওয়া সত্ত্বেও ২০০৯ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে বড় আকারে ট্রিগার ক্রয়ে যোগ দেয়। ১৩টি অমনিবাস হিসাবের মাধ্যমে আইসিবি দুই মাসে কিনে নেয় ৭৪০ কোটি টাকার শেয়ার। এ অঙ্ক এক হাজার কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
প্রতিবেদন অনুসারে আইসিবির এসব অমনিবাস হিসাবের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে পরিচয় গোপনকারী খেলোয়াড়েরা, যার দায়িত্ব আইসিবি অস্বীকার করতে পারে না। এসব ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ইয়াকুব আলী খোন্দকার, গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা, মো. খলিলুজ্জামান, মো. শহীদুল্লাহ, আরিফুর রহমান প্রমুখ। এ ছাড়া আবু সাদাত মো. সায়েম নামের এক ব্যক্তি একাধিক হিসাবেও শেয়ার কিনেছেন।
আর প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে এবি ব্যাংক, উত্তরা ফিন্যান্স, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক। এরা বুদ্বুদ সৃষ্টিকারী ক্রয়ে অংশ নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উত্থান পর্বের প্রথম দফায় যারা শীর্ষ ক্রেতা ছিল, দ্বিতীয় দফায়ও (জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি, ২০১০) তাদের অধিকাংশই শীর্ষ ক্রেতা ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ সময় আটটি অমনিবাস হিসাবের মাধ্যমে আইসিবি কিনে নেয় এক হাজার ১৪৩ কোটি টাকার শেয়ার। এখানে নাম এসেছে গোলাম মোস্তফা, আরিফুর রহমান, সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা, ইয়াকুব আলী খোন্দকার, আবদুল মতিন, শাহাদাত হোসেন প্রমুখের। আর প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আগেরগুলোসহ নতুন যোগ দেয় ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স ইত্যাদি।
পতন পর্ব: কমিটির মতে, উত্থান যেহেতু হয়েছে, পতনও অনিবার্য ছিল। আর এই পতনের মূলে আবার ছিল উল্লিখিত দুই সময়কালের উল্লম্ফন। প্রতিবেদন অনুসারে, এ সময়ের শীর্ষ খেলোয়াড়েরা বাজার অতিরিক্ত তেজীকরণে অবদান রেখেছে। তবে এদের আন্তসংযোগ (নেক্সাস) নির্ণয় করা না গেলে আইন ভঙ্গকারী বলা সংগত হবে না বলে কমিটি মনে করছে।
বাজারের ‘পতন পর্ব’ ধরা হয়েছে ২০১০ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরকে, যাকে ‘ঝড়ের পূর্ব সময়’ বলেও অভিহিত করেছে কমিটি। ২০১০ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে বাজারে কমবেশি আট হাজার ৩০০ পয়েন্টে লেনদেন চলছিল।
প্রতিবেদনে পতন পর্বের ব্যাখ্যায় বলা হয়, বাজারে উত্থানের দুই পর্বে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শীর্ষ ক্রেতা ছিল, তাদের অধিকাংশই ২০১০ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরের পতন পর্বে ছিল শীর্ষ বিক্রেতা। নভেম্বরে নয়টি অমনিবাস হিসাবের মাধ্যমে এক হাজার ৩৭১ কোটি টাকা এবং ডিসেম্বরে নয়টি অমনিবাস হিসাবের মাধ্যমে ৯৭৭ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে আইসিবি।
প্রতিবেদনে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসকে অস্থিরতার মাস বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, এ মাসের শীর্ষ বিক্রেতারাও ২০১০ সালের বুদ্বুদ বিস্ফোরণ প্রক্রিয়াকালে শীর্ষ বিক্রেতা ছিল। জানুয়ারিতেও এবি ব্যাংক, এ কে এম আরিফুর রহমান, আমিন রেজওয়ানী, এলিজা রহমান, মো. ভাই ও নুরজাহান হুদা, মো. খলিলুজ্জামান, রেহানা খান মজলিশ, নৃপেন চৌধুরী, রিচার্ড ডি রোজারিও, সারা খন্দকার, ইয়াকুব আলী খোন্দকার, ড্রিম হোল্ডিং, ড্রিমল্যান্ড হোল্ডিং, সৈয়দ আবু জাফর, সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা, রাশেদা আক্তার মায়া প্রমুখ সক্রিয় ছিলেন।
এঁদের ‘সম্ভাব্য সন্দেহজনক ম্যানিপুলেটর’ হিসেবে অভিহিত করে হিসাবের কেওয়াইসি (গ্রাহক তথ্যাদি) পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছে কমিটি।
এই সময়কালে শীর্ষ বিক্রেতা হিসেবে ফ্রন্টিয়ার ফান্ড, আইসিবি অমনিবাস, ব্র্যাক ব্যাংক, বেক্সিমকো লিমিটেড, এভারেস্ট ক্যাপিটাল, যারা নামরিন, সোমা আলম রহমান, আরিফুর রহমান, গোলাম কিবরিয়া, মো. খলিলুজ্জামান, কাজী ইউসুফ খালেদ প্রমুখ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।
প্রতিবাদ: ৯ এপ্রিল প্রকাশিত ‘কারসাজিতে জড়িত ৬০ ব্যক্তি’ শীর্ষক সংবাদে ডা. এইচ বি এম ইকবালের নাম থাকায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী এম মোকছাদুল ইসলাম। লিখিত প্রতিবাদপত্রে তিনি জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক শেয়ারবাজার ধসের সঙ্গে তাঁর মক্কেল কোনোভাবেই জড়িত নন, বরং সব নিয়ম মেনেই তিনি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছেন এবং বিনিয়োগসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য তাঁর আয়কর নথিতে যথাযথভাবে উল্লেখ করেছেন।  
Quote   
04/10/2011 11:09 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
বিডি থাই-জেম গ্লোবালের ঘটনা
সিআইডিকে দিয়ে তদন্তের পরামর্শ


প্রথম আলো
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩২

দেশের শেয়ারবাজারে বহুল আলোচিত-সমালোচিত বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম ও জেম গ্লোবাল ইল্ড ফান্ড লিমিটেডের মধ্যে শেয়ার বেচাকেনা ও বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের বিষয়ে তদন্ত কমিটি একটি পৃথক পর্যালোচনা (কেস স্টাডি) তুলে ধরেছে। কমিটির ভাষায়, ‘অর্থ লোপাটের পুরো প্রক্রিয়াটিই কেলেঙ্কারিমূলক।’ বিষয়টি বিস্তারিত তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে হস্তান্তরের মত দিয়েছে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি।
সরকারের কাছে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে কমিটি বলেছে, জেম গ্লোবাল পশ্চিম ক্যারিবীয় সাগরে অবস্থিত কেম্যান আইল্যান্ডে নিবন্ধিত একটি কোম্পানি। ২০০৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি তালিকাভুক্ত বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের নয় লাখ ৮৭ হাজার শেয়ারের ওয়ারেন্ট জেম গ্লোবালের কাছে বিক্রির সিদ্ধান্ত দেয়। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের ওয়ারেন্ট বিক্রির দর ছিল ৩৭৫ টাকা।
বিডি থাই একই বছরের ১৯ এপ্রিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) জানায়, ওয়ারেন্টের সুবাদে কোম্পানি জেম গ্লোবালকে ৯১ হাজার শেয়ার প্রাইভেট প্লেসমেন্টে দেওয়া হয়েছে। যার বিনিময় মূল্য ছিল তিন কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
দুই দিন পর অর্থাৎ ২১ এপ্রিল থেকে জেম গ্লোবাল ৯০৯ দশমিক ৫১ টাকা গড় দরে বাজারে শেয়ার বিক্রি শুরু করে। এ পর্যায়ে ২৭ মে পর্যন্ত জেম গ্লোবাল দুই লাখ ৭২ হাজার শেয়ার বিক্রি করে বাজারে। এই যে দুই লাখ ৭২ হাজার শেয়ার বিক্রি করল জেম গ্লোবাল, তার মধ্যে মাত্র ৯১ হাজার শেয়ার বরাদ্দের তথ্য ডিএসইকে দিয়েছিল বিডি থাই। তদন্ত কমিটি বলেছে, বাকি এক লাখ ৮১ হাজার শেয়ার দেওয়ার তথ্য ডিএসইকে দেয়নি বিডি থাই।
জেম গ্লোবাল এই শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ১৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭৬ টাকা অর্থাৎ ১৪২ দশমিক ৫৪ শতাংশ মুনাফা করেছে। তদন্ত কমিটি এই মুনাফাকে অস্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
জেম গ্লোবাল যে দেশের কোম্পানি সেই কেম্যান আইল্যান্ড একটি দ্বীপ, যেখানে জনসংখ্যার চেয়ে নিবন্ধিত কোম্পানির সংখ্যা বেশি। কোনো আয়কর বা প্রাতিষ্ঠানিক করব্যবস্থা না থাকায় বিশ্বের নানা দেশের ফন্দিফিকিরের কোম্পানি এই দ্বীপে গিয়ে নিবন্ধন করে। জেম গ্লোবালও এমনই একটি কোম্পানি। এই কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০ হাজার মার্কিন ডলার দেখানো হলেও পরিশোধিত মূলধন বিস্ময়করভাবে মাত্র এক সেন্ট। জেম গ্লোবালের বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ করতে গিয়ে আইনি বিবাদে জড়িয়ে পড়ারও ঘটনা রয়েছে। এর মধ্যে ২০০৬ সালে চীনা ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারী ওয়ান রুই ইয়ান জেম গ্লোবাল ইল্ড ফান্ডের বিরুদ্ধে মামলাটি ছিল অন্যতম। মামলার রায়ে ২০০৭ সালের মার্চ মাসে হংকং হাইকোর্ট জেম গ্লোবাল ইল্ড ফান্ডকে চার কোটি হংকং ডলার (৫০ লাখ মার্কিন ডলারের কিছু বেশি) বাদী ইয়ানকে সুদে-আসলে পরিশোধের নির্দেশ দেন।
তদন্ত কমিটি বলেছে, জেম গ্লোবাল ১৫ কোটি টাকা বিদেশে স্থানান্তর করেছে সিটি ব্যাংক এনএর মাধ্যমে। নিটা (বিদেশি বিনিয়োগের বিশেষ ব্যাংক হিসাব) হিসাবের মাধ্যমে এই টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটি বলেছে, তারা বিডি থাইয়ের শেয়ারমূল্যের গতি পর্যালোচনা করে দেখতে পেয়েছে, ২০০৭ সালে শেয়ারটির মূল্য ৫৩ থেকে ৫৭ টাকার মধ্যেই সাধারণত ছিল। ২০০৮ সালের মে মাসে ১১৪ টাকা ছিল। জুন মাসে সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের সংবাদ প্রচার করে দর বাড়ানো হয়। ৩১ জুলাই মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা আসে এবং দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৩০৫ টাকা। ২৩ অক্টোবর আরেক মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে জেম গ্লোবালের সঙ্গে সম্পর্কের কথা প্রচারিত হয় এবং দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮৯ টাকা। ২০০৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এসইসি জেম গ্লোবালের কাছে বিডি থাইয়ের শেয়ার বিক্রির অনুমোদন দেয়। এদিন কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়ে গিয়ে ৫৭৫ দশমিক ৫০ টাকা হয়।
তদন্ত কমিটি মনে করে, ‘এতে প্রমাণিত হয়, মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রচারের দ্বারা ইস্যু ব্যবস্থাপকের কারসাজিতে মূল্য উত্থান ঘটানো হয়।’ কমিটি বলেছে, যেহেতু প্রায় ১৫ কোটি টাকা বিদেশে স্থানান্তরিত হওয়ার সংবাদ রয়েছে (সম্ভবত সিটি ব্যাংক এনএ চার কোটি টাকা আটকে রেখেছে) এবং অর্থ লোপাটের পুরো প্রক্রিয়াটিই কেলেঙ্কারিমূলক, তাই এই বিষয়টি বিস্তারিত তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা যায়।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ৮ জুলাই প্রথম আলোতে ‘বিদেশি কোম্পানি দিয়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ তুলে নেওয়ার ফন্দি’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেই প্রতিবেদনের ফটোকপি তদন্ত প্রতিবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।
Quote   
04/10/2011 11:11 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
শেয়ারবাজারে কারসাজি
আগামী সপ্তাহে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে: অর্থমন্ত্রী


প্রথম আলো
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩২

আগামী সপ্তাহে শেয়ারবাজার কারসাজির তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যত শক্তিশালীই হোক না কেন, তাদের যথাযথ বিচারেরও ব্যবস্থা করা হবে।
গতকাল রোববার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
অর্থমন্ত্রী এ সময় আরও জানান, শেয়ারবাজার কারসাজি ঘটনার তদন্তের প্রতিবেদন সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য সঠিকভাবে গণমাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমি কখনো বলিনি যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে না। আমি শুধু বলেছি, এটি প্রকাশ করা হবে, তবে সম্পাদনা করে।’
অর্থমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে তাঁর মন্তব্য করা সাজে না, বিশেষ করে যখন প্রতিবেদনটিই চূড়ান্ত করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ব্যস্ততা থাকলেও আগামী সপ্তাহের মধ্যে এ প্রতিবেদন সবার সামনে প্রকাশ করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
শেয়ারবাজারের প্রভাবশালীরা রাষ্ট্রের চেয়ে শক্তিশালী—এ ধরনের কোনো মন্তব্য তিনি করেননি বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।
প্রাক-বাজেট আলোচনার সময় শেয়ারবাজারসংক্রান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবাদপত্র সাংবাদিকদের সরবরাহ করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (ব্যাংকিং প্রশাসন) গকুল চাঁদ দাস স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, শেয়ারবাজারের অনিয়ম তদন্তের জন্য গঠিত কমিটির প্রতিবেদন অর্থ মন্ত্রণালয়ে পর্যালোচনা করে কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করা হবে, সে সম্পর্কে আংশিক তথ্য প্রয়োজনে সম্পাদনা করে উপস্থাপন করা হবে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও সময়ের আগেই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। মন্ত্রণালয় অহেতুক চরিত্র হননে অবদান রাখতে চায় না বলে সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব নিয়েছে।
Quote   
04/10/2011 11:12 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
কারসাজিতে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করেছেন বিনিয়োগকারীরা
বাজার ছিল স্থিতিশীল


প্রথম আলো
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩২

শেয়ারবাজারবিষয়ক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পর প্রথম কার্যদিবসে গতকাল রোববার দেশের শেয়ারবাজার ছিল মোটামুটি স্থিতিশীল। আর বিনিয়োগকারীরা কারসাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দিনের লেনদেন শুরুর প্রথম আধা ঘণ্টায় সূচক কিছুটা কমলেও এরপর ধীরে ধীরে তা বাড়তে থাকে। দিনের লেনদেন শেষে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে শতাধিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে লেনদেনও কিছুটা বেড়েছে।
ডিএসইতে গতকাল সাধারণ মূল্যসূচক ১৫ দশমিক ৯১ পয়েন্ট বেড়ে ছয় হাজার ৫৫৬ দশমিক ৫১ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৫৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৭টির, কমেছে ১০৪টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের। মোট লেনদেন হয়েছে ১২৮৯ কোটি টাকার, যা গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে ৮১ কোটি টাকা বেশি।
ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো তিতাস গ্যাস, বেক্সিমকো, আফতাব অটো, বেক্সটেক্স, ডেসকো, বিএসআরএম স্টিল, বে লিজিং, স্কয়ার ফার্মা, কনফিডেন্স সিমেন্ট ও ফু ওয়াং সিরামিকস।
পুঁজিবাজারে দুই মাস তদন্ত শেষে শেয়ারবাজারবিষয়ক তদন্ত কমিটি গত বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
ওই প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু ব্যক্তির নাম উঠে আসে। তবে জড়িত ব্যক্তিদের নাম নিশ্চিত না হয়ে প্রকাশ করা হবে না বলে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে ফয়সাল আহমেদ নামের এক বিনিয়োগকারী বলেন, ‘একটি নির্বাচিত সরকার কি তাহলে কিছু লোককে ভয় পায়? পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত এসব লোকের ভয়ে সরকার তাদের নাম প্রকাশ করছে না। সরকার দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে না পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করা উচিত।’
আরেক বিনিয়োগকারী বলেন, সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল দোষীদের শাস্তি দিতে চায় না। কেননা, এতে নিজেদের ভিত নষ্ট হয়ে যাবে।
বিনিয়োগকারী রিয়াজ ও সাইফুল বলেন, ‘আমরা পুঁজি হারিয়ে রাজপথে বিক্ষোভ করতে চাই না। আমরা বাজারে স্থিতিশীলতা চাই।’ তাই বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে প্রয়োজনে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
আবার কয়েকজন বিনিয়োগকারী বলেন, কারসাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি দিলে বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। তাই অর্থমন্ত্রী তাঁদের নাম প্রকাশ করতে চাইছেন না।
কয়েকজন বিনিয়োকারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যে-ই হোক না কেন, তাঁদের অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে। তাঁরা আরও বলেন, একদিকে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে রাস্তায় বসে, অন্যদিকে সরকারি ছত্রছায়ায় কিছু ব্যক্তি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। তাই শেয়ারবাজারে কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যাতে পার পেয়ে না যায়, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে।
এসইসির ১০ কর্মকর্তার পদোন্নতি: পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) দুজন কর্মকর্তাকে নির্বাহী পরিচালক ও আটজনকে পরিচালক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার কমিশনের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
নির্বাহী পরিচালক পদে পদোন্নতি পাওয়া দুজন হলেন আশরাফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।
এ ছাড়া পরিচালক পদে পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মাহমুদুল হক, প্রদীপ কুমার বসাক, রাজীব আহমেদ, আবুল কালাম, মনসুর রহমান, আবুল হাসান ও শেখ মাহবুব-উর রহমান।
পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা এরই মধ্যে তাঁদের নিজ নিজ পদে যোগদান করেছেন।
Quote   
04/10/2011 11:13 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির কয়েকটি চিত্র

প্রথম আলো
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩২

শেয়ারবাজারবিষয়ক তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অনৈতিকতা ও দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কিছু তথ্য-উপাত্ত দেওয়া হয়েছে। এ জন্য কমিটি কয়েকটি নমুনা হিসাবের লেনদেন পরীক্ষা করেছে। সংখ্যায় খুব অল্প হলেও পরীক্ষান্তে কমিটি নিশ্চিত হয়েছে যে এত অল্প নমুনার মধ্যেও দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লিখিত দুর্নীতির কয়েকটি চিত্র এখানে তুলে ধরা হলো।
১. সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়ার স্ত্রী রোকসানা আখতারের নামে চারটি বিও হিসাব পাওয়া গেছে। এগুলোর মধ্যে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ব্রোকারেজ হাউস, বিএলআই সিকিউরিটিজ এবং লংকাবাংলা সিকিউরিটিজে তিনটি বিও হিসাবের বিপরীতে ব্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের শেরাটন শাখায়। আর এনবিএল সিকিউরিটিজের বিও হিসাবের বিপরীতে ব্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে এনবিএলের দিলকুশা শাখায়।
চারটি হিসাবের লেনদেনের বিস্তারিত পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটি বলছে: এসইসির দপ্তরাদেশ (এসইসি/প্রশাসন/৫৩.০০/২০০১-২০০২-২২১২, তারিখ: ১১ এপ্রিল ২০১০) অনুযায়ী ‘কমিশনের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী নিজ বা স্বামী/স্ত্রী, পিতা-মাতা, ছেলে-মেয়ে ও পোষ্যদের নামে প্রাইমারী বা সেকেন্ডারী মার্কেটে সিকিউরিটিজ লেনদেন করতে কিংবা উক্ত প্রকার লেনদেনে কোনোভাবে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না।’ আর দপ্তরাদেশটি আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়ার স্বাক্ষরেই ইস্যু করা হয়েছিল। স্ত্রীর নামে চারটি বিও হিসাব পরিচালনা করা সরাসরি এসইসির দপ্তরাদেশের লঙ্ঘন। এসব হিসাবে বড় অঙ্কের লেনদেন হওয়ায় সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করতে পারে বলে কমিটি মনে করে।
২. কফিলউদ্দিন আহমদ চৌধুরী ছিলেন ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) উপমহাব্যবস্থাপক। এ বছরের ২২ মার্চ তিনি মহাব্যবস্থাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে (এইচবিএফসি) যোগদান করেছেন। তিনি শেয়ার লেনদেন করেছেন তাঁর স্ত্রী ফারজানা আকতার এবং স্ত্রীর ভাই মনসুর বিল্লাহর হিসাবের মাধ্যমে। আইডিএলসি ফিন্যান্সে অমনিবাস হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন সংঘটিত হয়েছে। দুজনই আইএফআইসি ব্যাংকে হিসাব খুলেছেন। মনসুর বিল্লাহর হিসাবকে ‘ডামি অ্যাকাউন্ট’ অভিহিত করে এর প্রকৃত সুবিধাভোগী হিসেবে কফিল উদ্দিন চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী ফারজানা আকতারকে চিহ্নিত করেছে কমিটি।
এ জন্য মনসুর বিল্লাহর হিসাবে টাকা জমা দেওয়া ও উত্তোলন করে একাধিক ব্যাংকে ফারজানা আকতারের নামে স্থায়ী আমানত (এফডিআর) করার প্রমাণ পেয়েছে কমিটি। যেমন: ২০১০ সালের মার্চ মাসে আইডিএলসি ফিন্যান্স ফারজানা আকতারের ইনভেস্টরস অ্যাকাউন্টের টাকা হাতবদল হয়ে তাঁর স্বামী কফিল উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর যমুনা ও এক্সিম ব্যাংকে তিনটি এফডিআরে মোট এক কোটি টাকা জমা করা হয় এবং ফারজানা আকতারের নামে এনসিসি ব্যাংক মতিঝিল শাখায় দুটি এফডিআরে ৬০ লাখ টাকা জমা হয়। এভাবে মাত্র দুই মাসের মধ্যে কফিলউদ্দিন চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রীর নামে এফডিআর হয়েছে তিন কোটি টাকা এবং হিসাবে আরও জমা রয়েছে ১৪ লাখ টাকা। আরও অনেক টাকা ব্যাংক হয়ে পুনরায় সিকিউরিটিজ কোম্পানিতে ঢুকেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কমিটির সামনে বক্তব্য দেওয়ার জন্য কফিলউদ্দিনকে আহ্বান করা হয়েছিল। তিনি কমিটিকে জানিয়েছেন, মিউচুয়াল ফান্ডের প্লেসমেন্ট ফেসভ্যালুতে নিয়ে বিক্রি করে লাভ করেছেন এবং কাজটি দোষণীয় মনে করেন না। কফিলউদ্দিন কমিটিকে বলেন, আইসিবির প্রায় সব কর্মকর্তা-কর্মচারীই শেয়ার লেনদেন করেন। সার্ভিস রুলে কর্মকর্তাদের শেয়ার ব্যবসার অনুমতি আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি তা জানেন না এবং সার্ভিস রুল পড়েননি। স্ত্রী ও শ্যালকের নামে ব্যবসা করাও বৈধ মনে করেন কফিলউদ্দিন। তিনি কমিটির কাছে এও দাবি করেছেন যে আয়কর পরিশোধ করা হয়েছে।
কমিটি বলছে, একজন ডিজিএম (আইসিবি) কী করে দুই মাসে এত বড় অঙ্কের টাকা জমা করেন, তা পরীক্ষা করা যেতে পারে। আর যেহেতু তিনি বর্তমানে এইচবিএফসির মহাব্যবস্থাপক, তাই অর্থ মন্ত্রণালয় তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করার এবং দুর্নীতি দমন বিভাগে প্রেরণের সুপারিশ করেছে।
৩. মো. আবদুস সালাম নামের একজন লংকাবাংলা ফিন্যান্সে অমনিবাস (শ্যাডো) হিসাবে শেয়ার ব্যবসা করেন। তিনি বেসিক ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান শাখায় হিসাব পরিচালনা করেন। তদন্তে পাওয়া গেছে, তিনি পে-অর্ডারের মাধ্যমে দুই কোটি টাকা জিএমজি এয়ারলাইনস লিমিটেডকে দেন। এ থেকে কমিটি ধারণা করছে, এই টাকা জিএমজি কোম্পানিকে প্লেসমেন্ট বাবদ দেওয়া হয়েছে। অথচ জিএমজি এখনো আইপিওর অনুমতি পায়নি। কমিটি মনে করে, এসইসি পুনর্গঠিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিশদ তদন্ত হতে পারে। আর এই ঘটনাটি পূর্ণাঙ্গ তদন্তের একটি ক্ষুদ্র ইঙ্গিতবহ তথ্য হিসেবে ব্যবহূত হতে পারে।
৪. লংকাবাংলা ফিন্যান্স লিমিটেডের মাধ্যমে শামিমা শরিফ নামের এক বিনিয়োগকারী ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি এবং অক্টোবর মাসে লেনদেন করে কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলোনের হিসাবের মাধ্যমে এক কোটি ৫২ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করেছেন এবং এসএআর সিকিউরিটি ও লংকাবাংলা সিকিউরিটিতে তা প্রবেশ করিয়েছেন। শামিমা শরিফের স্বামী ডিএসইর সদস্য। পুরো লেনদেনকে সন্দেহজনক চিহ্নিত করে কমিটি এক কোটি ৫২ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন মানি লন্ডারিং হিসেবে বিবেচিত হবে কি না, তা পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানোর সুপারিশ করেছে।
Quote   
04/10/2011 11:14 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
বিএটিবির শেয়ারপ্রতি ৪৩ টাকা লভ্যাংশ অনুমোদন

প্রথম আলো
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩২

ব্রিটিশ আমেনিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবি) কোম্পানি লিমিটেড ২০১০ সালের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৪৩ টাকা হারে চূড়ান্ত লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে।
ঢাকার একটি হোটেলে গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত কোম্পানির ৩৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় এই লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।
সভায় কোম্পানির চেয়ারম্যান গোলাম মইনউদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। এতে কোম্পানির পরিচালক কে এইচ মাসুদ সিদ্দিকি, শেহজাদ মুনিম, মো. ফায়েকুজ্জামান ও মো. কামরুল হাসান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরুণ কাউল এবং পরিচালক ও কোম্পানি সচিব মো. মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, বিএটিবি ২০১০ সালে মূল্যসংযোজন কর (মূসক), সম্পূরক শুল্ক ও অন্যান্য রাজস্ব বাবদ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ৪ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা প্রদান করেছে। বিজ্ঞপ্তি।
Quote   
04/10/2011 11:15 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
ডিএসই এমজেএলের তালিকাভুক্তির বিষয় নাকচ করেছে

প্রথম আলো
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩২

এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের তালিকাভুক্তির বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। তালিকাভুক্তির জন্য প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগকারীদের ৩০ ভাগ বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দেয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল রোববার বিকেলে অনুষ্ঠিত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী ডিএসইর শুনানিতে উপস্থিত হন। সভায় উপস্থিত ছিলেন এমন একটি বিশ্বস্ত সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
সূত্র জানায়, এমজেএলের উদ্বৃত্ত টাকা (রিজার্ভ) থেকে পরিচালকসহ সব শেয়ারহোল্ডারকে ৩০ ভাগ বোনাস শেয়ার দেওয়ার প্রস্তাব করে ডিএসইতে তালিকাভুক্তির জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
এর আগে আইপিওর মাধ্যমে নির্ধারিত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার শর্তে তালিকাভুক্তির জন্য এসইসি অনুমোদন দিলেও ডিএসই এর বিরোধিতা করে। ডিএসইর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ধরনের ব্যবস্থা আইনসিদ্ধ না হওয়ায় বিষয়টি নাকচ করা হয়েছে। এ ছাড়া বাইব্যাক পদ্ধতি না থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়নি ।
আইপিওর পর স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ৩১ মার্চ শেষ হওয়ায় এসইসি আরও দুই সপ্তাহ সময় বাড়ায়। বর্ধিত সময়সীমা অনুযায়ী ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির তালিকাভুক্তির সময়সীমা শেষ হবে।
Quote   
04/10/2011 11:16 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
শেয়ারের মূল্য বিভাজন
ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতা পুঁজি করা হয়েছে


প্রথম আলো
সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০১১, ২৮ চৈত্র ১৪১৭, ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩২

স্টক স্প্লিট বা শেয়ার বিভাজনের কারণে অভিহিত মূল্য সমন্বয় সাধন ছাড়া শেয়ারের বাজারমূল্যের ওপর অন্য কোনো প্রভাব থাকার কথা নয়।
কিন্তু তদন্তে বের হয়েছে, শেয়ার বিভাজনের কারণে ২০০৯-১০ সময়কালে পুঁজিবাজারে শেয়ারের মূল্য ও তারল্যের ওপর অপ্রত্যাশিত প্রভাব পড়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বিনিয়োগকারী বিশেষত, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতাকে পুঁজি করে বিভাজিত শেয়ার ক্রয়ের প্রতি তাদের আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়ে শেয়ারের বাজারমূল্যের ওপর অতিমাত্রায় প্রভাব ফেলা হয়েছে।’
প্রতিবেদন অনুসারে, ২০০৯ ও ২০১০ সালে ৬২টি তালিকাভুক্ত কোম্পানি শেয়ার বিভাজন করেছে। কোম্পানিগুলো শেয়ার বিভাজন শুরু করে জুলাই ২০০৯ থেকে। কমিটি ২০০৯ সালের ২ জুলাই থেকে শুরু করে ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর সময়কালে পুঁজিবাজারের সার্বিক বাজার মূলধনে কী পরিবর্তন হয়েছে, তা বিশ্লেষণ করেছে।
পর্যালোচনার ভিত্তিতে কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাজার মূলধনের ঊর্ধ্বগতি শুধু শেয়ার বিভাজন দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না। কিন্তু এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, শেয়ার বিভাজিত কোম্পানিগুলোর বাজার মূলধন বেড়েছে ৬৫৫ শতাংশ, আর অন্যদিকে শেয়ার অবিভাজিত কোম্পানিগুলোর বাজার মূলধন বেড়েছে মাত্র ৪৬ শতাংশ। ২০০৯ সালে ২ জুলাই অবিভাজিত কোম্পানিগুলোর বাজার মূলধন অবিভাজিত কোম্পানিগুলোর তিন গুণেরও বেশি। অথচ ৫ ডিসেম্বর বিভাজিত কোম্পানিগুলোর বাজার মূলধন অবিভাজিত কোম্পানির বাজার মূলধনের প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। জুলাই, ২০০৯ থেকে ডিসেম্বর ২০১০ পর্যন্ত বাজার মূলধন বৃদ্ধির পেছনে শেয়ার বিভাজিত কোম্পানিগুলোর অবদান ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেয়ারের বিভাজনকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ৬২টি শেয়ার বিভাজিত কোম্পানির মধ্যে ২৫টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ তালিকাভুক্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০ শতাংশই শেয়ার বিভাজন প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিল। তা ছাড়া ২১টি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ও সাতটি টেক্সটাইল কোম্পানি ও শেয়ার বিভাজন করেছিল। কিন্তু ওষুধ ও রাসায়নিক খাতের অন্তর্ভুক্ত কোনো কোম্পানি শেয়ার বিভাজন করেনি।
Quote   
Page 1 / 2 1 - 2 Next »
Login with Facebook to post
Preview