Page 1 / 2 1 - 2 Next »
NEWS 09.05.2011
05/08/2011 11:38 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
শেয়ার ব্যবসায় সর্বস্বান্ত যুবকের আত্মহত্যা

The Daily Janakantha
সোমবার, ৯ মে ২০১১, ২৬ বৈশাখ ১৪১৮

নিজস্ব সংবাদদাতা, ৮ মে, টঙ্গী ॥ শেয়ার মার্কেট ধসের কারণে সর্বস্বান্ত হয়ে আত্মহত্যা করলেন হতাশাগ্রস্ত যুবক রনি জামান (২৩)। শনিবার রাতে টঙ্গী পৌর এলাকার মধ্য আরিচপুরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের বড় ভাই আব্দুল কাইয়ুম ও পরিবারের অন্য সদস্যরা জানান, রনি জামান নিজের স্ত্রী ও অন্য আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ধার এনে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করেন। কিন্তু শেয়ার মার্কেট ধসের কারণে পুঁজি হারিয়ে তিনি চরম হতাশায় ভুগছিলেন। এক পর্যায়ে হতাশাগ্রস্ত রনি গত শনিবার রাত সাড়ে ৭টায় গলায় গামছা পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারী হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে টঙ্গী থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে নিহতের লাশ থানায় নিয়ে যায়। নিহত রনি জামান পিরোজপুর জেলা সদরের 'মধ্য রাস্তা পিরোজপুর' গ্রামের আব্দুস সালাম শেখের ছেলে। রনির স্ত্রী অনন্যা গাইবান্ধা জেলার সাদুলস্নাপুর উপজেলার রসুলপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। রনি টঙ্গীর মধ্য আরিচপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে ভাড়া থাকত। গতকাল রবিবার তার লাশ পিরোজপুরের গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। তার আত্মহত্যার কারণ হিসেবে শেয়ার মার্কেটের আলোচিত ঘটনাটি উলেস্নখ করে এ ব্যাপারে টঙ্গী থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।
Quote   
05/08/2011 11:40 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
একসঙ্গে সব শেয়ারের দরপতন ॥ নজিরবিহীন
০ ডিএসইর ২৪৪টির কমেছে, বেড়েছে একটির
০ সিএসইর ১৮১টির কমেছে, বেড়েছে চারটির
০ ঢাকায় বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

The Daily Janakantha
সোমবার, ৯ মে ২০১১, ২৬ বৈশাখ ১৪১৮

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দেশের পুঁজিবাজারে গত পাঁচ মাসে একের পর এক বিপর্যয় ঘটলেও একসঙ্গে সব শেয়ারের দরপতনের ঘটনা নজিরবিহীন। রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ সময় জুড়েই লেনদেন হওয়া সব শেয়ারের দর আগের চেয়ে নিচে অবস্থান করে। দিন শেষে মাত্র একটি শেয়ারের দর বাড়লেও এর বিপরীতে ব্যাপক মাত্রায় কমেছে ২৪৪টির। ফলে ডিএসই সাধারণ সূচক ২৮৭ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট বা ৪.৮৮ শতাংশ কমে গেছে। এ অবস্থায় আবারও রাসত্মায় নেমে বিৰোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। বাজেট সামনে রেখে নানামুখী গুজব এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার সঙ্কটের কারণেই পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনের ঘটনা ঘটছে বলে সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন।
বড় দরপতনের পর পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য বিকেলে স্টক এঙ্চেঞ্জ, মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কর্মকর্তারা। বৈঠকে এসইসির পৰ থেকে বাজারসংশিস্নষ্টদের কাছে অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে চাওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাজারসংশিস্নষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কটকেই ধারাবাহিক দরপতনের প্রধান কারণ হিসেবে উলেস্নখ করেন। তাঁরা জানান, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে বড় বিপর্যয়ের পর সরকারের দিক থেকে বেশকিছু ইতিবাচক পদৰেপের ঘোষণা দেয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আস্থা ফিরে এসেছিল। কিন্তু পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংকের অর্জিত মুনাফা পুনর্বিনিয়োগসহ অধিকাংশ সিদ্ধানত্ম বাসত্মবায়িত না হওয়ায় বাজারে তারল্য সঙ্কট অব্যাহত রয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীরা আবারও বাজারের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছেন।
তাঁরা বলেন, মন্দার মধ্যেই বাজেট সামনে রেখে নানা ধরনের গুজব বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত করে তুলছে। বিশেষ করে পুঁজিবাজার থেকে অর্জিত আয়ের ওপর কর আরোপ এবং বিও হিসাব খোলার জন্য টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হতে পারে বলে বাজারে ব্যাপকভাবে গুজব উঠেছে। শেয়ারবাজারকে বর্তমান সঙ্কট থেকে মুক্ত করতে হলে কোনভাবেই এ ধরনের পদৰেপ নেয়া উচিত হবে না। পুঁজিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে_ আগামী বাজেটে এমন কোন পদৰেপ নেয়া ঠিক হবে না। বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করতে এখনই এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ঘোষণা দেয়া উচিত। বৈঠকে বাজারসংশিস্নষ্টরা যেসব বিষয় তুলে ধরেছেন, সেগুলো সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে বলে এসইসির পৰ থেকে জানানো হয়।
বাজার পরিস্থিতি ॥ রবিবার দিনের লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ২৮৭.৯৩ পয়েন্ট বা চার দশমিক ৮৮ শতাংশ কমে ৫৬১১ দশমিক ৪৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া মাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে। আর কমেছে ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের। এছাড়া তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সারা দিনে ডিএসইতে মোট ৪৬২ কোটি ২৭ লাখ ৫৭ হাজার ২৭৪ টাকার শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের (বৃহস্পতিবার) চেয়ে ৬৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা কম।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক চার দশমিক ৫৩ শতাংশ বা ৭৪৪ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট কমে ১৫৭০০ দশমিক ৪৩ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সিএসইতে লেনদেন হওয়া মাত্র চারটি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে, কমেছে ১৮১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। এখানে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৬ কোটি টাকা।
বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ ॥ রবিবার দিনের শুরু থেকে অধিকাংশ শেয়ারের দর ব্যাপকহারে কমতে থাকলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে বেলা ১টার দিকে তাঁদের একাংশ বিক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। তাঁরা ডিএসইর সামনে জড়ো হয়ে শানত্মিপূর্ণভাবে বিৰোভ প্রদর্শন করেন। মাঝে বিরতি দিয়ে বেলা তিনটার দিকে বিনিয়োগকারীরা আবারও ডিএসইর সামনে থেকে মিছিল শুরু করেন। পরে সোয়া তিনটার দিকে বিনিয়োগকারীরা তাঁদের বিক্ষোভ কর্মসূচী শেষ করেন।
Quote   
05/08/2011 11:42 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
এসইসি সদস্য আনিসুজ্জামানের পদত্যাগ
ইয়াছিনকে ফের তাগিদ


The Daily Janakantha
সোমবার, ৯ মে ২০১১, ২৬ বৈশাখ ১৪১৮

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ কোন ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ না থাকলেও সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সদস্য মো. আনিসুজ্জামান। রবিবার দুপুরে কমিশনের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য পদত্যাগপত্র অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর তাঁর পদত্যাগ কার্যকর হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে কমিশনের আরেক সদস্য মোঃ ইয়াছিন আলীকে পদত্যাগ করানোর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে রবিবারও তাগাদা দেয়া হয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী টেলিফোন করে তাঁকে দ্রুত পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার অনুরোধ জানান। তবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশে ফেরার পর তাঁর সঙ্গে পরামর্শ করে পদত্যাগপত্র জমা দিতে চান বলে ইয়াছিন আলী জানিয়েছেন।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, কমিশনের সদস্য মোঃ আনিসুজ্জামান রবিবার বেলা ১২টার দিকে চেয়ারম্যানের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ উলেস্নখ করেছেন। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী কমিশনের সদস্যদের পদত্যাগের ক্ষেত্রে তিন মাসের নোটিস প্রদানের সুযোগ থাকলেও তিনি কোন সময়সীমা উলেস্নখ করেননি। এ কারণে অর্থ মন্ত্রণালয় যে কোন সময় থেকে তাঁর পদত্যাগ কার্যকর করতে পারবে।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে আনিসুজ্জামান জনকণ্ঠকে বলেন, 'সরকার আমাকে এসইসিতে নিয়োগ দিয়েছে। এখন সরকার চাইছে আমি এখান থেকে সরে যাই। সরকারের ইচ্ছা পূরণের জন্যই পদত্যাগ করেছি। তবে পদত্যাগপত্রে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েছি।'
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মোঃ আনিসুজ্জামানকে এসইসির সদস্য পদে নিয়োগ দেয়া হয়। দু'বছরেরও বেশি সময় দায়িত্ব পালনকালে অনেক ৰেত্রে সাহসিকতার পরিচয় দিতে না পারলেও তিনি সম্পূর্ণ নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর সততা ও নৈতিকতা নিয়েও পুঁজিবাজারে কখনও কোন প্রশ্ন ওঠেনি। পুঁজিবাজারে কারসাজি তদনত্মে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনেও তাঁর সম্পর্কে কোন অনৈতিক কর্মকা-ের অভিযোগ নেই। তদনত্ম কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ৩০ এপ্রিল এসইসি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেন। তার ঘোষণা অনুযায়ী সর্বপ্রথম এসইসিতে নতুন চেয়ারম্যান ও দু'জন সদস্য নিয়োগ দেয়ার কথা। সর্বশেষ কমিশনের দু'সদস্যকেও যথাসময়ে চলে যেতে হবে বলে তিনি জানিয়েছিলেন।
কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যানকে সরিয়ে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়ার আগেই গত ৩ মে এসইসি সদস্য মোঃ ইয়াছিন আলীকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ডেকে পদত্যাগপত্র পেশের তাগিদ দেয়া হয়। পরিদন আরেক সদস্য আনিসুজ্জামানকেও পদত্যাগ করতে বলা হয়। এর প্রেৰিতে রবিবার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
Quote   
05/08/2011 11:44 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
ব্যাংকে নতুন শাখা খোলা বন্ধ, শাস্তি হিসেবে এই ব্যবস্থা
সিডিআর নির্দিষ্ট মাত্রায় কমিয়ে আনার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের


The Daily Janakantha
সোমবার, ৯ মে ২০১১, ২৬ বৈশাখ ১৪১৮

খায়রুল হোসেন রাজু ॥ ব্যাংকের নতুন শাখা খোলা বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণ ও আমানত হার (সিডিআর) নির্দিষ্ট মাত্রায় কমিয়ে আনার লৰ্যে ব্যাংকগুলোকে শাস্তিস্বরূপ এটি করা হয়েছে। আগামী মে মাস পর্যন্ত ব্যাংকের নতুন ব্রাঞ্চ খোলা বন্ধ থাকবে বলেও সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকগুলোতে তারল্যের চাহিদার চেয়ে যোগানের অনেক স্বল্পতা রয়েছে। কারণ একাধিক ব্যাংক ঋণ বিতরণ সীমার চেয়েও অতিরিক্ত লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করে বিতরণ করেছে। কোন ব্যাংকের সিডিআর বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশিত পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশি রয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোতে কিছুটা হলেও তারল্য সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন করে শাখা খোলার অনুমতি দেয়া হলে ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে। সংশিস্নষ্ট বিষয়টি বিবেচনা করেই ব্যাংকের নতুন শাখা খোলার অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। তবে বিশেষ রাজনৈতিক কোন চাপ থাকলে শাখা খোলার লাইসেন্স দেয়া হতে পারে।
জানা গেছে, যেসব ব্যাংক কলমানির ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হচ্ছে, ঋণ ও আমানতের অনুপাতের (সিডিঅর) চেয়ে অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করেছে, যেসব ব্যাংক আগ্রাসী অর্থায়ন করে শেয়ারমার্কেটে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করেছিল এবং তাদের মোট টার্গেটের মধ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কৃষি ঋণ বিতরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের এ বছর শাখা খোলার লাইসেন্স দেয়া হবে না। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকেই সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক উর্ধতন কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে বলেন, এ বছর ব্যাংকগুলোর নতুন শাখা খোলার বিষয়ে অনেক কঠোরতা অবলম্বন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লৰ্যে ইতোমধ্যেই নীতিনির্ধারণী মহলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও এটি প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে কোন ব্যাংক নতুন শাখা খোলার জন্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করলেই নির্দিষ্ট সময়ে ওই ব্যাংকের কার্যক্রমসহ একাধিক বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবেচনা করা হবে। এর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হলো- ব্যাংকটি তার টার্গেটের মধ্যে ৫০ শতাংশ পর্যনত্ম কৃষিঋণ বিতরণ করছে কিনা, ব্যাংকটি অতিলোভে শেয়ারমার্কেট বিনিয়োগ করেছিল কিনা, কলমানির ওপর নির্ভর করে লেনদেন করছে কিনা এবং সর্বশেষ ব্যাংকের মোট ডিপোজিট রেশিও'র তুলনায় অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ করেছে কিনা এসব বিষয় ভালোভাবেই তদনত্ম ও যাচাইবাছাই শেষেই নতুন ব্রাঞ্চ খোলার অনুমতি প্রদান করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, নতুন শাখা খোলার সময় প্রতিশ্রম্নতি দেয়া হয় প্রত্যনত্ম অঞ্চলে গিয়ে মানুষের সেবা প্রদান করবে ব্যাংক। পাশাপাশি কৃষিঋণ বিতরণ এবং ৰুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে অধিক হারে ঋণ বিতরণ করবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্বিক নিয়মকানুন অনুযায়ী ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কোনভাবেই ব্যাংক কোম্পানি আইন বা বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইডলাইন অমান্য করবে না। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক পরিদর্শনে দেখা গেছে, একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে যেগুলো প্রতিশ্রম্নতি দিয়ে শাখা খোলার অনুমতি নিলেও বাসত্মবে সে প্রতিশ্রম্নতি রৰা করছে না। এতে ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতার সৃষ্টি হচ্ছে। যার দায়ভার বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপরই পড়ছে। ফলে এ বছর ব্যাংকের নতুন শাখা খোলার ৰেত্রে ব্যাংকগুলোর সার্বিক কর্মকা- বিবেচনা করেই দেয়া হবে। ব্যাংকগুলোর শাসত্মিস্বরূপ এ সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবায় (ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন) অনত্মভর্ূক্ত করার লৰ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমান বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শহরের পাশাপাশি গ্রামেও আনুপাতিকের চেয়ে বেশি করে শাখা খোলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেবার মান উন্নত করারও চেষ্টা চলছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করলেও অধিকাংশ ব্যাংক অবহেলা করে ব্যাংক কোম্পানি আইন বা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার বাইরে গিয়ে আগ্রাসী ব্যাংকিং করেছে। আগ্রাসী ঋণ বিতরণ থেকে শুরম্ন করে শেয়ারবাজার, অতিসুদে ডিপোজিট সংগ্রহ করাসহ একাধিক কাজ করেছে। যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক তদারকি করে চিহ্নিত করেই ব্যাংকের নতুন শাখা খোলা বন্ধ করে দিয়েছে।
এদিকে সারা দেশে ব্যাংকগুলোর মোট ৭ হাজার ২৪৬টি শাখা রয়েছে। এর মধ্যে শহর এলাকায় রয়েছে ৩ হাজার ৭৭টি এবং গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৪ হাজার ১৬৯টি। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ব্রাঞ্চের সংখ্যা রয়েছে মোট ৩ হাজার ৩৯৪টি। এর মধ্যে শহরে রয়েছে ১ হাজার ২৪২টি এবং গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ২ হাজার ১৫২টি। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর ব্রাঞ্চ রয়েছে মোট ১ হাজার ৩৬৬টি। এর মধ্যে শহরে রয়েছে ১৫৭টি এবং গ্রামে রয়েছে ১ হাজার ২০৯টি। এছাড়া বেসরকারী ব্যাংকগুলোর মোট ব্রাঞ্চ রয়েছে ২ হাজার ৪২৭টি। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে রয়েছে ১ হাজার ৬১৯টি এবং গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৮০৪।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমান থেকে শুরম্ন করে সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা ব্যাংকিং সেবা মানুষে দোঁরগোড়ায় পেঁৗছে দিতে বিভিন্ন কার্যক্রম শুরম্ন করেছেন। এরই অংশ হিসেবে শহরের সঙ্গে পালস্না দিয়ে গ্রামাঞ্চলে শাখা খোলার অনুমতি দিয়েছিল। ৪ঃ১ (অর্থাৎ শহরে ৪টি খুললে গ্রামে ১টি খুলতে হবে) অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর শাখা খোলার কথা থাকলেও অনেকাংশে বেশি খোলা হয়েছে গত বছর।
Quote   
05/08/2011 11:47 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
ডিএসইর আবেদন নাকচ করেছে এসইসি
সিএসইতে এমআই সিমেন্টের লেনদেন শুরু ॥ প্রথম দিনে সর্বোচ্চ ১৫২ টাকা ও সর্বনিম্ন ১২২ টাকায় লেনদেন


The Daily Janakantha
সোমবার, ৯ মে ২০১১, ২৬ বৈশাখ ১৪১৮

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ অবশেষে বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে বেশি দরেই পুঁজিবাজারে অভিষেক হলো এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের (ক্রাউন সিমেন্ট)। প্রাথমিক শেয়ারের অতি মূল্যায়ন ইসু্যতে নানা জটিলতার পর রবিবার চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরম্ন হয়েছে। বরাদ্দ মূল্য ১১১ টাকা ৬০ পয়সার কমে লেনদেন হলে পরিচালকদের পৰ থেকে ৰতিপূরণ দেয়ার শর্ত থাকলেও এর চেয়ে বেশি দরেই লেনদেন শুরু হয়। ১২২ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শুরম্ন হয়ে এক পর্যায়ে শেয়ারটির দর ১৫২ টাকা পর্যনত্ম উঠে যায়। তবে পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতনের প্রভাবে এরপর দর কমে যায়। তা সত্ত্বেও ১২৫ টাকা ৪০ পয়সায় সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে এমআই সিমেন্টের শেয়ার।
এদিকে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়ে জারি করা নির্দেশনা পুনর্বিবেচনার জন্য ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) আবেদন নাকচ করে দিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। রবিবার অনুষ্ঠিত কমিশনের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর ফলে এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করা ছাড়া ডিএসইর সামনে আর কোন বিকল্প রইল না। এসইসির নির্দেশনা সত্ত্বেও কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত না করলে জরিমানাসহ শাসত্মির মুখে পড়তে পারে ডিএসই।
সম্প্রতি এসইসি এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্তির জন্য দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের প্রতি এক নির্দেশনা জারি করে। কিন্তু গত ৩ মে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ এসইসির ওই নির্দেশনা অনুসরণ না করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ করে। এসইসি ডিএসইর ওই অনুরোধ নাকচ করে আবারও তালিকাভুক্তির নির্দেশনা দিয়েছে।
সিএসইতে লেনদেন শুরম্ন ॥ এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার সিএসই এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করেছে। রবিবার থেকে এই স্টক এঙ্চেঞ্জে এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরম্ন হয়েছে। প্রথম দিনে কোম্পানিটির সর্বমোট ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ শেয়ার হাতবদল হয়েছে_ যার মোট মূল্য ৮ কোটি ৪৪ লাখ ৯২ হাজার ৫৯০ টাকা। সারা দিনে সর্বনিম্ন ১২২ টাকা ৭০ পয়সা এবং সর্বোচ্চ ১৫২ টাকা দরে শেয়ারটি লেনদেন হয়েছে। এর ফলে প্রথম দিনের লেনদেনের জন্য কোম্পানির পরিচালকদের কোন ৰতিপূরণ দিতে হচ্ছে না।
রবিবার সকালে সিএসইর ঢাকা অফিসে এমআই সিমেন্টের শেয়ার লেনদেন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ। এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রম্নত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের গুরম্নত্ব বাড়ছে। বর্তমানে সাময়িক কিছু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলেও অচিরেই তা কেটে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বিনিয়োগকারীদের কোম্পানির মৌলভিত্তি দেখে এবং স্বল্পমেয়াদের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
সিএসই সভাপতি বলেন, আইপিওতে বরাদ্দকৃত শেয়ারের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি আবেদন করার পরও কোন কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত না করার নজির সারা বিশ্বেই বিরল। এ অবস্থায় এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করা না হলে আনত্মর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতো। তাছাড়া দেশীয় উদ্যোক্তারাও পুঁজিবাজারে আসার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত হতেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই এসইসির নির্দেশনা অনুসরণ করে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করেছে সিএসই। এই কোম্পানির লেনদেন শুরু হওয়ায় বাজারে কিছুটা হলেও নতুন বিনেয়োগ আসবে।
অনুষ্ঠানে এমআই সিমেন্টের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে কোম্পানির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৫৩ পয়সায়_ যা বার্ষিক হিসাবে ৭ টাকা ৩৭ পয়সায় দাঁড়ায়। সেই হিসাবে ২০১০-১১ অর্থবছর শেষে কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের (পিই) অনুপাত দাঁড়াবে ১৫.১৪। একইভাবে ২০০৯-১০ অর্থবছরের আয়ের হিসাবে পিই অনুপাত ২২.৩৬_ যা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট কোম্পানিগুলোর তুলনায় অনেক কম। ফলে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এমআই সিমেন্টের শেয়ারের মূল্য ১১১ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারণ করা হলেও তা কোনভাবেই অতি মূল্যায়িত নয়।
তিনি জানান, কোম্পানির মৌলভিত্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ মূল্য নির্ধারণ করা হলেও সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা যাতে কোনভাবে ৰতিগ্রসত্ম না হন, সেজন্য বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে শেয়ারের দর কমে গেলে ৰতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ফলে আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ বিনিয়োগের দ্বার উন্মুক্ত হওয়ায় কোম্পানির সামগ্রিক ব্যবসা ও মুনাফা দ্রম্নত সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে সিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. আবদুলস্নাহ মামুন, পরিচালক মোহাম্মদ মফিজউদ্দিন, ডেপুটি সিইও সাইদ সাজিদ হোসেইন, এমআই সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্লা, পরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর কবির, মোলস্না মোহাম্মদ মজনু, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মোল্লা, মোহাম্মদ আলমাস শিমুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
Quote   
05/08/2011 11:47 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির সময় আরও দু'সপ্তাহ বৃদ্ধি

The Daily Janakantha
সোমবার, ৯ মে ২০১১, ২৬ বৈশাখ ১৪১৮

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের (এমজেএল) তালিকাভুক্তির সময়সীমা আরও দু'সপ্তাহ বৃদ্ধি করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল রবিবার কমিশনের এক বৈঠকে সময়সীমা বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির শর্ত হিসেবে ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ১০ টাকা পর্যন্ত ৰতিপূরণ প্রদানের প্রসত্মাব সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সরকারের নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারের জন্য ২০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দেয়ার প্রসত্মাব দিয়েছে মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট (এমজেএল)। এছাড়া নগদ লভ্যাংশের পাশাপাশি শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর ছয় মাস পর্যনত্ম শেয়ারের দর বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে নিচে নামলে সর্বোচ্চ ১০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেয়ারও প্রসত্মাব দিয়েছে কোম্পানিটি।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানির এই প্রসত্মাব নিয়ে আলোচনা হলেও এসইসি কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। কারণ বিনিয়োগকারীদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়ে ইতোপূর্বে সরকারের পৰ থেকে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল_ লভ্যাংশ প্রদানের প্রসত্মাবটি তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এ কারণে সরকারের নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করেই বিষয়টি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া শ্রেয় মনে করছে এসইসি। নগদ লভ্যাংশ ও ১০ টাকা পর্যন্ত ৰতিপূরণের বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর সম্মতি পেলেই কেবল মবিল যুমনাকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করতে নির্দেশনা জারি করবে এসইসি।
উল্লেখ্য, মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট লিমিটেড (এমজেএল) পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। এজন্য শেয়ারপ্রতি ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৬০৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে মবিল যমুনার পিই দাঁড়ায় ৬২।
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ডাকা বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার প্রবণতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের নির্ধারিত মূল্যকে কোম্পানির মৌলভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংক্রান্ত বিধি সংশোধন করে স্থায়ীভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় এ দু'টি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতায় শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্ত আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
Quote   
05/08/2011 11:49 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
তিন কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা

The Daily Janakantha
সোমবার, ৯ মে ২০১১, ২৬ বৈশাখ ১৪১৮

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের বিভিন্ন হারে লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিন প্রতিষ্ঠান।

বে লিজিং ॥
গত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ১০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে বে লিজিং।
কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৫৫টি বোনাস শেয়ার ও ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে নগদ ১০ টাকা লভ্যাংশ পাবেন। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২২ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১৭ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১১২ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৪০৭ টাকা।

প্রগতি ইন্সু্যরেন্স ॥
গত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ১৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে প্রগতি ইন্সু্যরেন্স ।
কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ২০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি বোনাস শেয়ার ও ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে নগদ ১৫ টাকা লভ্যাংশ পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০ জুন বেলা ১২টায় টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের যমুনা অবকাশ কেন্দ্রে কোম্পানির এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১৮ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৩৩ টাকা ৭৭ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৪৯৮ টাকা।

এবি ব্যাংক ॥
গত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ১০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এবি ব্যাংক লিমিটেড ।
কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১৫টি বোনাস শেয়ার ও ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে নগদ ১০ টাকা লভ্যাংশ পাবেন। আগামী ১৩ জুলাই বেলা ১১টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১৯ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১২৪ টাকা ৪৭ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৪৪১ টাকা ৩৬ পয়সা।
Quote   
05/08/2011 11:50 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিৰোভ

The Daily Janakantha
সোমবার, ৯ মে ২০১১, ২৬ বৈশাখ ১৪১৮

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ কোন কিছুতেই পুঁজিবাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না। সরকারী প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশ ফান্ড বাজারে আসার পরও পরিস্থিতি অব্যাহতভাবে খারাপ হওয়াতে আবারও রাসত্মায় নেমে বিৰোভ কর্মসূচী পালন করেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। আজ থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের একটি দল অনশন কর্মসূচী পালন করারও ঘোষণা দেয়।
গতকাল পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতনের একপর্যায়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনের রাসত্মায় নেমে বিৰোভ মিছিল করে। ব্যাপক পুলিশের উপস্থিতি ও বাধার কারণে তারা কোন ধরনের ভাংচুর বা ধ্বংসাত্মক কর্মে লিপ্ত হয়নি। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে তারা সরকারের বিভিন্ন সমালোচনা করেন। এ সময় তারা অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বহীনতার জন্য তার পদত্যাগ দাবি করেন। অসংখ্য বেকারের আশার আলো এই পুঁজিবাজার বাঁচাতে তাঁরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
ডিএসইর মূল ভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিনিয়োগকারীরা তাঁদের সমস্যার কথা বলেন। তাঁরা বলেন, আমরা সরকারকে অনেক বলেছি। সরকার আমাদের কথা না শুনে কান কথায় বিশ্বাস স্থাপন করেছে। ভবিষ্যতে এর খেসারতও দিতে হবে। তাঁরা অর্থমন্ত্রীর আচরণের কঠোর সমালোচনা করেন। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়েও অনেক বিনিয়োগকারী ৰোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে এ সংস্কার প্রক্রিয়া হচ্ছে না। এর পেছনে ভিন্ন ধরনের স্বার্থ কাজ করছে। দ্রম্নত তাঁরা তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
শানত্মিপূর্ণ কর্মসূচী থেকে বিনিয়োগকারী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি অনেক হারিয়েছি। কী হারিয়েছি তা জানি না। তবে আমার সকল স্বপ্ন নিঃশেষ হয়ে গেছে। মানসিকভাবে আমি অসুস্থ। আমার কী অপরাধ? লেখাপড়া করে নষ্ট রাজনীতির সুযোগ নেইনি। চুরি-ডাকাতি বা ছিনতাইকারীদের দলে ভিড় করিনি। সমুদয় সম্পদ পুঁজিবাজারে জড় করে বাঁচার চেষ্টা করেছি।
আনোয়ারের মতো আরও অনেকের বিলাপ ডিএসইর সামনের রাসত্মায় যত্রতত্র শোনা যায়। বরিশালের মাঈনুল হোসেন বলেন, জীবনকে গুছিয়ে আনতে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করি। বিয়ে করার ইচ্ছে ছিল। আত্মীয়স্বজন পাত্রী ঠিক করেছে। কিন্তু আমি আর সাহস পাইনি। কারণ আমার সব শেষ। আজ আর কোন স্বপ্ন নেই। সবকিছু এখানেই শেষ হয়ে গেছে।
মাঈনুল আরও বলেন, আমার মতো অনেক বিনিয়োগকারী তাঁদের জীবনের এই স্বপ্নটা ত্যাগ করেছেন। মাঈনুল এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হসত্মৰেপ কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি জনকণ্ঠকে বলেন, আমাদের অনেক কিছু নিঃশেষ হয়ে গেছে। দয়া করে আপনি আমাদের আত্মহত্যার মঞ্চ থেকে টেনে তুলুন। আমাদের স্বপ্নের জীবন ফিরিয়ে দিন। আমাদের কথাগুলো শুনুন। কোন মাধ্যম নয়, সরাসরি বিনিয়োগকারীদের পোর্টফলিও দেখার আহ্বান করেন মাঈনুল।
Quote   
05/08/2011 11:57 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
বড় দরপতনে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
‘আমাদের গুলি করে মেরে ফেলুন’


প্রথম আলো
তারিখ: ০৯-০৫-২০১১

দেশের শেয়ারবাজারে গতকাল রোববার বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে আবারও বিক্ষোভ-সমাবেশ ও মিছিল করেছেন।
বিনিয়োগকারীদের অনেককেই এ সময় ‘আমাদের গুলি করে মেরে ফেলুন’ এমন প্ল্যাকার্ড বহন করেছেন। তাঁরা বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এদিকে, বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে গতকাল জরুরি বৈঠক করেছে। বৈঠকে বলা হয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনের ব্যাপারে সরকারের অবস্থান নিয়ে এখনো নানা অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। এর হাত ধরে বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে নানা ধরনের গুজব, যা বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করছে।
আবার ব্যক্তিশ্রেণীর বিনিয়োগকারীদের মূলধনি আয়ের ওপর করারোপ ও বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব খোলার ক্ষেত্রে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে—এ খবরটিও অনেক বিনিয়োগকারীর মধ্যে আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিয়েছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তারল্যসংকট। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও ক্রেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারছে না।
এ অবস্থায় বাজারের স্থিতিশীলতার স্বার্থে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরামর্শ দেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এ বৈঠকে ডিএসই, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই), মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
যোগাযোগ করা হলে এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের ভাবনা জানতেই এ বৈঠকের আয়োজন। বৈঠকে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে যেসব বক্তব্য পাওয়া গেছে, তা কমিশনকে অবহিত করা হবে।
জানা গেছে, বৈঠকে মার্চেন্ট ব্যাংক ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিগুলোকে দরপতন ঠেকাতে শেয়ার কেনার জন্য আহ্বান জানানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দরপতনের মধ্য দিয়েই গতকাল শেয়ারবাজারের লেনদেন শুরু হয়। বেলা একটার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২২৩ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। এ সময় আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে বেরিয়ে ডিএসইর কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। তাঁরা সেখানে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেন। বিনিয়োগকারীরা এ সময় অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান (এসইসি) ও ডিএসইর সভাপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
বিনিয়োগকারীদের অনেককেই এ সময় ‘আমাদের গুলি করে মেরে ফেলুন’ এমন প্ল্যাকার্ডও বহন করতে দেখা যায়।
পরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মিজানুর রশীদ চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর আলম, সাজ্জাদ হোসেন, জব্বারসহ বেশ কয়েকজন বক্তব্য দেন।
এ সময় বক্তারা এসইসি পুনর্গঠন নিয়ে সরকারের দোদুল্যমানতার সমালোচনা করেন। তাঁরা বলেন, একজন সদস্য পদত্যাগ করলেও চেয়ারম্যান ও একজন সদস্য বহাল রয়েছেন, যা এসইসি পুনর্গঠনের সরকারি প্রতিশ্রুতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
একপর্যায়ে বিকেল তিনটার দিকে ডিএসইর সামনে থেকে মিছিল শুরু করেন বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। মিছিলটি ডিএসইর সামনে থেকে শুরু হয়ে কিছুক্ষণ পর একই জায়গায় এসে শেষ হয়। পরে বিকেল সোয়া তিনটার দিকে বিনিয়োগকারীরা তাঁদের বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ করেন।
তবে এ কর্মসূচি চলাকালে ডিএসইর সামনের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
বাজার পরিস্থিতি: দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক প্রায় ২৮৮ পয়েন্ট বা ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমে পাঁচ হাজার ৬১১ পয়েন্টে নেমে আসে। এ নিয়ে ১৯ কর্মদিবসের মধ্যে ডিএসইর সাধারণ সূচক এক হাজার পয়েন্টের মতো কমেছে।
গত মাসে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরের দিন ডিএসইর সাধারণ সূচক ছিল ছয় হাজার ৫৫৬ পয়েন্ট।
অন্যদিকে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ বা ৭৪৫ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৭০০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে ৬৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বাড়ার তালিকায় ছিল মাত্র একটি কোম্পানির নাম। ভাগ্যবান সেই কোম্পানিটি হলো রহিম টেক্সটাইল লিমিটেড।
ডিএসইতে গতকাল দাম কমার তালিকায় ছিল ২৪৪টি এবং অপরিবর্তিত থাকে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
জানা গেছে, একপর্যায়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ৬০টির মতো কোম্পানি ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে, লেনদেনের ওপর যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ডিএসইতে গতকাল ৪৬২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
Quote   
05/08/2011 11:58 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
তালিকাভুক্তির জন্য ডিএসইকে আবারও নির্দেশ এসইসির
সিএসইতে শুরু এমআই সিমেন্টের লেনদেন


প্রথম আলো
তারিখ: ০৯-০৫-২০১১

এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডকে অবিলম্বে তালিকাভুক্ত করতে আবারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
অন্যদিকে এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের তালিকাভুক্তির মেয়াদ আরও ১৪ দিন বাড়ানো হয়েছে। সংস্থাটির এক জরুরি সভায় গতকাল রোববার এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত হয়।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এসইসি এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্তির জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতি নির্দেশনা জারি করে। কিন্তু ৩ মে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ এসইসির ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ করে। এসইসি ডিএসইর অনুরোধ নাকচ করে আবারও তালিকাভুক্তির নির্দেশনা জারি করেছে।
তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এসইসির নির্দেশনা মেনে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জটিতে এমআই সিমেন্টের শেয়ারের লেনদেন শুরু হয়েছে। প্রথম দিনই শেয়ারটির সর্বোচ্চ দাম ওঠে ১৫২ টাকা। সিএসইতে এদিন মোট ছয় লাখ ৪৭ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য আট কোটি ৪৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা।
সকালে সিএসই ঢাকা কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ফখরউদ্দিন আলী আমহদ এমআই সিমেন্টের শেয়ারের লেনদেন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এমআই সিমেন্টের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্লা, পরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর কবির, মোল্লা মোহাম্মদ মজনু, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মোল্লা, মোহাম্মদ আলমাস শিমুল। সিএসইর পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ মামুন, উপপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদ সাজিদ হোসেইন ও পরিচালক মোহাম্মদ মফিজউদ্দিন।
ফখরউদ্দিন আলী আহমদ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই সঙ্গে পুঁজিবাজারও। পুঁজিবাজারের সাময়িক প্রতিবন্ধকতা কেটে যাবে—এ আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন শুরু হওয়ায় বাজারে নতুন বিনেয়োগ আসবে।
প্রসঙ্গত, গত ২০ জানুয়ারি এমজেএল ও এমআই সিমেন্টের শেয়ার অতিমূল্যায়িত উল্লেখ করে সরকার তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে। পরে সরকারের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় এসইসি।
Quote   
05/09/2011 12:01 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
এসইসির সদস্য আনিসুজ্জামানের পদত্যাগ

প্রথম আলো
তারিখ: ০৯-০৫-২০১১

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সদস্য মো. আনিসুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন।
গতকাল রোববার দুপুর ১২টার দিকে তিনি এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
অবশ্য গত বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়।
প্রসঙ্গত, পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটি এসইসি পুনর্গঠনের সুপারিশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩০ এপ্রিল এসইসি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
এরপর গত সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী এসইসির দুই সদস্য ইয়াসিন আলী ও আনিসুজ্জামানকে পদত্যাগ করতে বলেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে আনিসুজ্জামান গতকাল পদত্যাগ করেন। কিন্তু ইয়াসিন আলী আপাতত পদত্যাগ করবেন না বলে সচিবকে জানিয়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
Quote   
05/09/2011 12:05 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
গতকাল ডিএসই সূচক পড়েছে ২৮৮ পয়েন্ট : পুঁজিবাজারে বিক্ষোভ : ‘আমাদের গুলি করুন আমাদের হত্যা করুন’

আমার দেশ
সোমবার ৯ মে ২০১১, ২৬ বৈশাখ ১৪১৮, ০৪ জমাদিউস সানি ১৪৩২ হিজরী

শেয়ারবাজারে ক্রমাগত দরপতন চলছে। দরপতনে পুঁজি হারিয়ে প্রায় নিঃস্ব হওয়ার পথে বিনিয়োগকারীরা। গতকাল সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে দেশের দুই শেয়ারবাজারে আবারও বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচকের পতন হয়েছে প্রায় ২৮৮ পয়েন্টের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্য সূচকের পতন হয়েছে ৭৪৫ পয়েন্টের। দরপতনের প্রতিবাদে গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। এ সময় বিনিয়োগকারীরা ‘আমাদের গুলি করুন’, ‘আমাদের হত্যা করুন’, ‘আমাদের ভাত দাও’ ইত্যাদি সেম্লাগান লেখা প্লাকার্ড বহন করেন।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত চার সপ্তাহ ধরেই দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সূচকের ক্রমাগত পতন হচ্ছে। গত ৭ এপ্রিল ডিএসই সাধারণ সূচক ছিল ৬ হাজার ৫৪০ পয়েন্ট। ৪ সপ্তাহ শেষে গত ৫ মে ডিএসই সাধারণ সূচক কমে এসে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৮৯৯ পয়েন্টে। অর্থাত্ এ সময়ের ব্যবধানে ডিএসই সাধারণ সূচকের পতন ঘটে ৬৪১ পয়েন্টের। অব্যাহত দরপতনে বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি নিয়ে ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। বাংলাদেশ ফান্ডের বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু হলে বাজার পরিস্থিতি ঘুরে দাঁড়াবে—এমন আশায় অনেক বিনিয়োগকারী বুক বাঁধলেও তাদের সেই আশা নিরাশায় পরিণত হয়েছে।
অনেকেই মনে করছেন, বাজারের স্থিতিশীলতা ফেরানোর নামে বাংলাদেশ ফান্ডের নামে আইসিবি নিজস্ব একটি ব্যবসার ফ্রন্ট খুলেছে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ নয় বরং উদ্যোক্তাদের লাভবানের বিষয়টি নিয়েই তারা কাজ করছে। এসইসির একটি সূত্র জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে ক্রমাগত দরপতন হলেও আইসিবির ভূমিকা বাজার সহায়ক নয়। বাজারে বিক্রয় চাপ থাকলেও আইসিবি প্রয়োজন অনুযায়ী শেয়ার কিনছে না। এসইসির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
এ ধরনের ফান্ডের চেয়ে বরং বাজারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখার জন্য ‘মার্কেট স্টেবল ফান্ড’ অনেক বেশি সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারত।
এদিকে বাজারে ক্রমাগত দরপতনে বিনিয়োগকারীরা তাদের পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হলেও শেয়ারবাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ১ মে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাত্কারে বলেছেন, এপ্রিল মাস থেকে শেয়ারবাজার স্থিতিশীল রয়েছে এবং এটি স্থিতিশীল থাকবে। এখন বাজারে একদিন ৫০ পয়েন্ট নামে আবার একদিন ১৫০ পয়েন্ট উঠে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি কিছুই না। দরপতনে নির্বোধ, অজ্ঞ লোক কিছু মার খেয়েছে বলে মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, যাতে তারা আর মার না খায় সে জন্য বাজারকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা হচ্ছে।
পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবু আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বাজারে ক্রেতা না থাকায় চাহিদা কমছে। বড় বিনিয়োগকারীরা নানা কারণে লেনদেন কার্যক্রম থেকে দূরে রয়েছেন। তারা বাজারে ফিরে না এলে চাহিদা তৈরি হবে না। ছোট বিনিয়োগকারীদের পক্ষে বাজার ধরে রাখা সম্ভব নয়।
বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ : দরপতনের মধ্য দিয়ে গতকাল ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। বেলা একটার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্য সূচক ২২৩ পয়েন্টে পড়ে গেলে পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা ও আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে বেরিয়ে ডিএসই কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। তারা সেখানে বিক্ষোভ-সমাবেশ করতে থাকেন। বিনিয়োগকারীরা এ সময় ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন প্লেকার্ড বহন করেন। তাতে লেখা ছিল ‘আমাদের গুলি করে মেরে ফেলুন’, ‘আমাদের হত্যা করুন’, আমাদের ভাত দাও’ ইত্যাদি। সমাবেশে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মিজানুর রশীদ চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর আলম, সাজ্জাদ হোসেন ও জব্বারসহ বেশ কয়েকজন বক্তব্য দেন। তারা এসইসি পুনর্গঠন, শেয়ারের অতি মূল্যায়ন রোধে প্রিমিয়াম বন্ধ করার দাবি জানান। বেলা সোয়া তিনটার দিকে বিনিয়োগকারীরা তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ করেন। তবে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে ডিএসইর সামনের সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
এসইসিতে বৈঠক : ক্রমাগত দরপতনের কারণে গতকাল বাজার পরিস্থিতি নিয়ে এসইসিতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ কর্মকর্তা, মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধিদের সঙ্গে এসইসি কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন। জানা গেছে, বাজার পতনের জন্য বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কটকে প্রধান কারণ বলে জানিয়েছেন বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা। পুঁজিবাজার তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি, এসইসির পুনর্গঠন, বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকারের সিদ্ধান্তহীনতায় বিনয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সঙ্কট তৈরী হয়েছে। এছাড়া বাজারে বড় বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার ফলেও দরপতন হচ্ছে বলে বৈঠকে জানানো হয়। তবে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়েছে। এ ব্যাপারে এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান জানান, আমরা বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ মতামত জানতে চেয়েছি। তবে বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।
বাজার পরিস্থিতি : গতকাল দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২৮৭.৯৩ পয়েন্ট বা চার দশমিক ৮৮ শতাংশ কমে ৫৬১১.৪৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া মাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে। আর কমেছে ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের। অপরিবর্তিত ছিল তিনটি প্রতিষ্ঠানের দাম। লেনদেন হয়েছে ৪৬২ কোটি টাকার শেয়ার। ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষ ১০-এর তালিকায় রয়েছে, বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, বেক্সটেক্স, স্কয়ার ফার্মা, আফতাব অটো, ইউনাইটেড এয়ার, ইউসিবিএল, আরএন স্পিনিং, বিএসআরএম স্টিল ও এনবিএল। একমাত্র দাম বাড়া কোম্পানি হলো রহিম টেক্সটাইল।
অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি কমেছে সিনোবাংলার শেয়ারের দাম। এছাড়া এবি ব্যাংক, নিটল ইন্স্যুরেন্স, আইপিডিসি, প্রগতি লাইফ ইন্সু্যুরেন্স, দেশবন্ধু পলিমার, বিকন ফার্মা, ফাইন ফুডস, বিচ হ্যাচারি ও সিএমসি কামাল ছিল দাম কমে যাওয়া শীর্ষ ১০-এর তালিকায়।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক গতকাল চার দশমিক ৫৩ শতাংশ, ৭৪৪.৭৬ পয়েন্ট কমে ১৫৭০০.৪৩ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সিএসইতে লেনদেন হওয়া মাত্র চারটি প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে, কমেছে ১৮১টির এবং অপরিবর্তিত ছিল একটি প্রতিষ্ঠানের দাম। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৬ কোটি টাকার।
Quote   
05/09/2011 12:09 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
নানা গুজবে ফের বড় দরপতন শেয়ারবাজারে
অনশন ধর্মঘটের হুমকি


কালের কণ্ঠ
সোমবার ৯ মে ২০১১, ২৬ বৈশাখ ১৪১৮, ০৪ জমাদিউস সানি ১৪৩২ হিজরী

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ ফান্ডের বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরুর দ্বিতীয় দিনে বড় ধরনের দরপতন হলো শেয়ারবাজারে। গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচকের পতন হয় ২৮৭.৯৩ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২৪৮ কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র একটির। কমেছে ২৪৪টির। দরপতনকালে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ ভবনের সামনে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করে। গতকাল একই মাত্রায় দরপতন ঘটে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জেও।
বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেছেন, বাজারে তারল্য সংকটসহ নানা নেতিবাচক গুজব বাজারকে আবার অস্থির করে তুলেছে। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সভাপতি শাকিল রিজভী কালের কণ্ঠকে বলেন, বাজারে তারল্য সংকট চলছে। এ ছাড়া বাজারে গুঞ্জন রয়েছে যে পুঁজিবাজারে 'গেইন ট্যাঙ্' আরোপ এবং বিও অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য টিআইএন নাম্বার বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। তিনি বলেন, সরকার কী করবে সেটা কেউ জানে না। বাজেট সামনে রেখে এসব গুজব বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিষয়গুলো সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হলে ভালো হতো বলে মন্তব্য করে ডিএসই সভাপতি বলেন, এমনিতেই এখন পরিস্থিতি নাজুক। তাই নতুন করে কোনো ধরনের ট্যাঙ্ বসানোর চিন্তা না করে কয়েকটি খাতে কর অব্যাহতি দেওয়া দরকার।
অধ্যাপক আবু আহামেদ বলেন, শেয়ারবাজারে তারল্য সঙ্কট আবারও প্রকট আকার ধারণ করেছে। বাজার থেকে যে পরিমাণ টাকা বেরিয়ে গেছে তা আর প্রবেশ করেনি। এ সময় বাংলাদেশ ফান্ড থেকে বিনিয়োগ হচ্ছে না বলে মনে হয়। তিনি বলেন, মার্চেন্ট ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানগুলো এবং বড় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনা থেকে বিরত রয়েছেন। তারা এখনো পর্যবেক্ষণ করছে। নতুন বিনিয়োগকারী বাজারে আসছে না। এ ছাড়া আসন্ন বাজেটে বাংলাদেশ ব্যাংক আমানতের ওপর সুদের হার বাড়িয়ে দেবে বলে প্রচার রয়েছে। এটা করলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ না করে ব্যাংকে টাকা জমা রাখবে। তারাও এখন অপেক্ষা করছে। তা ছাড়া তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর বড় বিনিয়োগকারীদের মনে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। কোনটা বিনিয়োগ আইনের আওতায় অপরাধ আর কোনটা নয়, সেটা বোঝার অপেক্ষা করছে কেউ কেউ। এসব একাধিক কারণ বাজারের দরপতনে ভূমিকা রেখেছে বলে আবু আহামেদ মন্তব্য করেন।
গতকাল দরপতনের ধারাবাহিকতায় দুপুর ১টার দিকে সূচক ২২৩ পয়েন্ট পড়ে গেলে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসের বিনিয়োগকারীরা ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের সামনে সমবেত হতে থাকেন। তারা ডিএসই ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করে। বিকেল ৩টা পর্যন্ত এ সমাবেশ বলে। তবে অন্যান্য দিনের মতো এ সমাবেশ সহিংস রূপ নেয়নি।
বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজানুর রশীদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও বিনিয়োগকারী সাজ্জাদ হোসেন জব্বার বক্তৃতা করেন। বক্তারা বাংলাদেশ ফান্ডকে 'বাংলাদেশ ফান' হিসেবে আখ্যায়িত করে তা বন্ধের দাবি জানান। সমাবেশ থেকে তাঁরা অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ দাবি করেছেন। প্রয়োজনে বিনিয়োগকারীরা অনশন ধর্মঘট কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলে সমাবেশে উল্লেখ করা হয়। বক্তারা বলেন, বাজারে আরো দরপতন হলে আজ সোমবার থেকেই তাঁরা অনশন করবেন বলে জানিয়েছেন। বিকেল ৩টার দিকে বিনিয়োগকারীরা মিছিলের চেষ্টা করলে পুলিশের বাধায় তা পণ্ড হয়ে যায়।
এ ব্যাপারে শাকিল রিজভী কালের কণ্ঠকে বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর বড় বিনিয়োগকারীদের মনে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। কোনটা আইনের আওতায় অপরাধ আর কোনটা অপরাধ নয়, তা নিয়ে বড় বিনিয়োগকারীদের মনে এক ধরনের আতঙ্ক রয়েছে। এ কারণে তারা হয়তো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তবে শেয়ারবাজারে এখন বেশির ভাগ কম্পানির শেয়ারের দাম মৌলভিত্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য পর্যায়ে রয়েছে। ফলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ফান্ড শেয়ারবাজারের একমাত্র উপাদান নয়। তাই এটি শেয়ারবাজার ঠিক করার একমাত্র উপাদান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।
এদিকে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গতকাল মোট ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের পাঁচ কোটি ২১ লাখ ৮১ হাজার ১৭০টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে গতকাল মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪৬২ কোটি ২৭ লাখ ৫৭ হাজার ২৭৪ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৬৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা কম। আগের দিনের চেয়ে সাধারণ মূল্যসূচক ২৮৭ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট কমে ৫৬১১ দশমিক ৪৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ২৪৮টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে একটির, কমেছে ২৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি কম্পানির শেয়ারের দাম। বাজার মূলধন দুই লাখ ৬০ হাজার ৮৭৪ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৬৯০ টাকা। গতকাল দর বৃদ্ধি পাওয়া একমাত্র কম্পানি হলো রহিম টেঙ্টাইল।
Quote   
05/09/2011 12:17 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
Stocks slump sparks protests
DGEN loses 4.88 pc to two-month low


The Financial Express
Dhaka, Monday May 9 2011

FE Report

Dhaka stocks plunged nearly five per cent to two months low on Sunday, sparking demonstrations by hundreds of investors as turmoil at the securities regulator continued to weigh on the market.

The investors took to streets as the benchmark DGEN index suffered steepest one-day fall since April 11, even as the country's largest open-ended mutual fund came into operation Thursday last.

They barricaded key roads at Motijheel and staged rowdy protests in front of the Dhaka stock exchange building as the market declined 80 points just 10 minutes into trading.

The resignation of a member of the Securities and Exchange Commission exacerbated the situation mid-way through the session, as the regulator continued to operate like a lame-duck authority.

The DSE's four-hour trading session ended with more than 99 per cent of the stocks bleeding red, sending the DGEN 287.93 points, or 4.88 per cent, lower to 5,611.47 --- the lowest figure since March 6.

Of the 248 issues traded on the day, 244 declined, three remained unchanged and one gained. The broader All Shares Price Index (DSI) went down by 237.92 points or 4.85 per cent to 4,669.25.

The DSE-20 index comprising the bourse's twenty best performing companies lost 123.81 points or 3.26 per cent to 3,672.79.

Protesters swarmed the road in front of the DSE building, shouting slogans against the finance minister and the Bangladesh Bank governor and seeking intervention of the government.

They dispersed peacefully as riot police retook the control of the road. Some investors who have been gutted by the recent stock slump, however, threatened to stage a hunger strike from today (Monday).

Experts said lack of confidence in the market, a growing uncertainty over the appointment of new SEC chairman and members and poor corporate results by some financial institutions have had a negative effect on the market.

"Panic has gripped small investors. Lack of confidence has prompted many of them to sell off shares. Big and institutional investors are also avoiding the market due to the same reason," said fund manager Arif Khan.

"Banks are deliberately keeping a safe distance because of the ongoing liquidity crunch. All eyes are on the SEC, but I don't see any improvement of the situation until the government selects right persons for the commission," he added.

Other dealers have demanded immediate appointment of top regulators at the SEC and announcement of a government road-map to stabilise the market.

Khan said the entry of the Bangladesh Fund just a session earlier could not boost investors' confidence. "The BF has also suffered from lack of confidence. It's wrong to think that the fund alone can bring back stability," he said.

A total of 52.18 million shares changed hands on the day against 58.27 million in the previous session. Trade deals also decreased to 121,469 against 135,480 on Thursday.

Stocks worth US$1.50 billion was wiped off the market on the day in one of the worst mayhems in the market, as the DSE market capitalization slumped to Tk 2,608.75 billion from Tk 2,715.04 billion in the previous session.

Turnover declined to Tk 4.62 billion, down by 13.0 per cent, from Tk 5.3 billion Thursday.

All sectors lost with paper and printing sector suffering the biggest decline of 8.07 per cent.

Banks, the market bellwether, lost 4.79 per cent, NBFIs 5.76 per cent, telecommunications 4.80 per cent, fuel and power 3.41 per cent, general insurance 6.71 per cent and life insurance 5.38 per cent

Cement dived 4.69 per cent ceramics 7.46 per cent, textile lost 6.73 per cent mutual fund sector 3.66 per cent.
Quote   
05/09/2011 12:18 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/09/2011
Topics: 31
Posts: 155
OFFLINE
SEC vows to restore stability in market
Fund managers quoting commission officials say


The Financial Express
Dhaka, Monday May 9 2011

FE Report

The Securities and Exchange Commission (SEC) on Sunday vowed to bring stability in the stock market hours after the bourses suffered one of the worst slumps in recent months, officials said.

The regulator made the pledge during a hurriedly-called crisis meeting with the officials of the Dhaka and Chittagong stock exchanges, merchant banks, asset managers and brokerage houses.

Officials who attended the meeting told the FE that the regulator had discussed the recent market slump and sought suggestions as to how to ride out the crisis.

Stakeholders told the SEC that the market was suffering from lack of confidence, liquidity crunch in the banks and swirling speculation over imposition of capital gains tax and other taxes in the upcoming budget.

SEC executive director Mohammad Saifur Rahman led the meeting. He could not be contacted for comments.

"The SEC called the meeting urgently to discuss the latest market situation. They are concerned over continued plunge of the market," said a fund manager who was present in the meeting.

He said the regulator assured the market stakeholders of unveiling a new set of measures to boost investors' confidence. They, however, did not give any time-table for enforcing the measures, he added.

"We told the SEC officials to move fast to quell the rumours now swirling in the market that the government would impose in the upcoming budget capital gains tax and make TIN mandatory in opening BO accounts," he said.

"These rumours have weighed on investors' morale," he added.

Finance minister announces the budget for the next fiscal year on June 9.

"They took notes of our suggestions and they said the issues would be discussed at the highest-level meeting of the commission," another fund manager said.

DSE Chief Executive Officer (CEO) Satipati Moitra and CSE CEO Professor Mohammed Abdullah Mamun were present in the meeting.
Quote   
Page 1 / 2 1 - 2 Next »
Login with Facebook to post
Preview