| 04/08/2011 3:27 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
শেয়ারবাজার ত দ ন্ত প্র তি বে দ ন
কারসাজিতে জড়িত ৬০ ব্যক্তি
বিশেষ প্রতিনিধি | তারিখ: ০৯-০৪-২০১১
শেয়ারবাজারে অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটি বাজার কারসাজির জন্য প্রায় ৬০ ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে। এঁদের মধ্যে, বিশেষ করে দুজনের ব্যাপারে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। এই দুজন হলেন বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজার লেনদেন ও পরিচালনায় সালমান এফ রহমান ও রকিবুর রহমানের প্রভাব বিস্তারের বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের সতর্কতা অবলম্বন প্রয়োজন। কেননা, মার্কেট প্লেয়াররা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ওপর প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হলে এসইসি অকার্যকর হয়ে পড়বে এবং আবারও বাজারে বিপর্যয় ঘটবে।
তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ গতকাল শুক্রবার সালমান এফ রহমান ও রকিবুর রহমান প্রসঙ্গে প্রথম আলোকে বলেন, শেয়ারবাজারে এ রকমের শীর্ষ মার্কেট প্লেয়ার যাঁরা আছেন, এঁদের সম্পর্কে সরকারকে একটু সতর্ক থাকতে হবে। এ জন্য যে, তাঁরা যাতে সরকারের নীতিনির্ধারণীতে বা এসইসির উচ্চপদের নিয়োগের ব্যাপারে কোনো রকমের সুপারিশ ও তদবির করে প্রভাবিত করতে না পারেন।
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ আরও বলেন, ‘আমরা বাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৫০০ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। এঁদের মধ্যে আছেন দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সব সদস্য, পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও গবেষক এবং সাংবাদিক। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে এই দুজনের সম্পর্কে আমরা এ রকম ধারণা পেয়েছি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও আমরা তথ্য পেয়েছি যে অর্থ পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান জেম গ্লোবালের জন্য সালমান এফ রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়ে তদবির করেছিলেন।’
এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদনেও বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের তদন্ত প্রতিবেদনে সন্দেহের তালিকায় ছিলেন ইমতিয়াজ হোসেন, খোরশেদ আলম, সালমান এফ রহমান, এনায়েতুর রহিম, রকিবুর রহমান, শাকিল রিজভী প্রমুখ। বর্তমান তদন্তে এঁদের মধ্যে সালমান রহমান ও রকিবুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক মতামত এসেছে এবং কিছু তথ্যও পরিবেশিত হয়েছে। এসইসিকে প্রভাবিত করতে দুজনেই সক্রিয় ছিলেন। এসইসির বর্তমান চেয়ারম্যান নিয়োগ এবং সদস্য মনসুর আলমের পুনর্নিয়োগে সালমান রহমান ও রকিবুর রহমানের জোর তদবির এবং সমর্থন ছিল বলে অনেকের বিশ্বাস। বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের অস্বচ্ছ ঘটনাটির তদবিরে সালমান রহমান নিজেই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে ধরনা দিয়েছিলেন। আবার জিএমজি ও ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসংক্রান্ত ঘটনায় সালমান রহমান সম্পৃক্ত রয়েছেন। এ ঘটনাগুলোও অস্বচ্ছ। এসইসি পরিচালনায় দুজনেরই অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব ছিল। এ কারণে সাধারণ্যে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে রকিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ডিএসইর সভাপতি থাকার সময়ে এবং পরে একজন সাবেক সভাপতি হিসেবেই তিনি শেয়ারবাজার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলেছেন। এ ক্ষেত্রে প্রভাবিত করার কোনো বিষয় ছিল না। তা ছাড়া তিনিই সবার আগে সরাসরি তালিকাভুক্তি বন্ধ করে দিলেও সরকার নির্দেশ দিয়ে দুটি কোম্পানিকে বিশেষ সুবিধা দিয়েছিল।
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, প্রতিবেদনে প্রায় ৬০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকার বিস্তারিত তদন্ত করতে পারে। তবে প্রাথমিক অভিযুক্ত হিসেবেই সবার নাম প্রকাশ করা যায়। আর প্রচলিত আইনেই এঁদের শাস্তি দেওয়া সম্ভব।
অর্থমন্ত্রীর কাছে গত বৃহস্পতিবার জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে প্লেসমেন্টের শেয়ার-বাণিজ্য নিয়ে জিএমজি এয়ারলাইনসের সম্পৃক্ততা নিয়েও বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। এ কোম্পানিরও অন্যতম উদ্যোক্তা সালমান রহমান। জিএমজি এয়ারলাইনস অনুমোদন না পেয়েও প্লেসমেন্টের শেয়ার বিক্রি করেছে। অথচ অনুমোদন না পাওয়ায় এখনো কোনো শেয়ার বিতরণ করতে পারেনি। এর মধ্যে একটি বেসরকারি ব্যাংক আট কোটি টাকার শেয়ার কিনেও বরাদ্দ পায়নি।
শেয়ারবাজার পতনের জন্য আরও অনেকের দায়দায়িত্ব ও সংশ্লিষ্টতার কথা বলা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। তবে সবচেয়ে বেশি দায়ী করা হয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসিকে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনৈতিকতাকে বৈধতা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় মূল ঘটকের কাজটি করেছেন এসইসির সাবেক সদস্য মনসুর আলম। আর সংস্থাটির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের আনুকূল্য ও সম্মতি ছাড়া কোনো কিছুই করা সম্ভব নয়। কমিটি এই দুজনকেই দায়ী করে বলেছে, শীর্ষ এই কর্মকর্তাকে সক্রিয় সহায়তা দিয়ে অন্যায় করেছেন দুই নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া ও তারিকুজ্জামান। তদন্ত প্রতিবেদনে এই চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত এবং কর্মরত তিনজনকে অপসারণের সুপারিশ করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটি প্রতিবেদনে বলেছে, আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়ার স্ত্রী রোকসানা আখতারের নামে চারটি হিসাবে বিপুল অঙ্কের শেয়ার লেনদেনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আইসিবির সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক (বর্তমানে গৃণ ঋণদান সংস্থার মহাব্যবস্থাপক) কফিল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর স্ত্রী ফারজানা আকতার ও শ্যালক মনসুর বিল্লাহর নামে শেয়ার লেনদেন ও প্লেসমেন্টের শেয়ার নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব লেনদেনের মুনাফার অর্থ কফিল উদ্দিন চৌধুরীর নিজ নামে স্থায়ী আমানত হিসেবে রয়েছে। এবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী আর ওয়াই শমসের নিজেও প্রায় ১২ কোটি টাকার প্লেসমেন্ট শেয়ার নিয়েছেন, যা স্বার্থ সংঘাতজনিত কাজ। কমিটি এঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
সূত্র জানায়, কমিটি বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংকে রক্ষিত অমনিবাস হিসাব নমুনা চয়ন করে পরীক্ষা করে দেখেছে। গোপনে রক্ষিত এসব হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ শেয়ার লেনদেন করে কারসাজি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে মোসাদ্দেক আলী ফালু, সালমান রহমান ও নুর আলীর ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, ডা. এইচ বি এম ইকবাল, মুনিরুদ্দিন আহমদ, রোকসানা আমজাদ, গোলাম মোস্তফা, আহসান ইমাম, ইয়াকুব আলী খোন্দকার, নিউ ইংল্যান্ড ইক্যুইটি, লুৎফর রহমান বাদল, তাঁর স্ত্রী সোমা আলম রহমানের নাম।
তদন্ত কমিটি দুই ঠিকানায় ১৯ ব্যক্তিকে ১৯ কোটি টাকার প্লেসমেন্ট শেয়ার বরাদ্দ দেওয়ার তথ্যও পেয়েছে। এঁদের মধ্যে আছেন আহসান ইমাম, সোমা আলম রহমান, শামিমা শরীফ, লুৎফর রহমান বাদল, মনসুর বিল্লাহ প্রমুখ।
জানা গেছে, তদন্ত কমিটি দেখেছে, বাজার চাঙা এবং মন্দার সময় নির্দিষ্ট কয়েক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ব্যাপকভাবে শেয়ার লেনদেন করেছে। এসব শীর্ষ প্লেয়ারদের সন্দেহজনক লেনদেনের বিবরণ দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। তাঁরা হলেন—গোলাম মোস্তফা, আবু সাদাত মো. সায়েম, ইয়াকুব আলী খোন্দকার, সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা, মো. খলিলুজ্জামান, মো. শহীদুল্লাহ, আরিফুর রহমান, সোমা আলম রহমান, ফ্রন্টিয়ার ফান্ড, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ, এবি ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, উত্তরা ফিন্যান্স, ন্যাশনাল ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক। কমিটি এদের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের সুপারিশ করেছে।
কমিটি এতগুলো নাম পেলেও অনেকেরই বিস্তারিত পরিচয় চিহ্নিত করতে পারেনি। এ প্রসঙ্গে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘কখনো নাম শুনিনি এ রকম অনেকে আছেন। যদিও তাঁরা বিপুল অঙ্কের শেয়ার লেনদেন করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে সরকার বিস্তারিত তদন্ত করে দেখতে পারে।’
এ ছাড়া কমিটি এসইসির কোনো সাবেক কর্মকর্তা যাতে পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বা পরামর্শক হিসেবে কাজ করতে না পারেন, সে বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সুপারিশ করেছে। কারণ, তাঁদের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ থাকে এবং স্বার্থ সংঘাতের সুযোগ তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে কমিটি এসইসির সাবেক সদস্য সাহাবুব আলমের নাম উল্লেখ করে বলেছে, তিনি অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব অনুমোদন করানোর ব্যবস্থা করেন।
মোসাদ্দেক আলীর প্রতিবাদ: মোসাদ্দেক আলী ফালুর পক্ষে গতকাল একটি প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন। তিনি স্বচ্ছতার সঙ্গে বিনিয়োগ করেন এবং এ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সব তথ্য আয়কর নথিতে দেখানো আছে। তিনি বলেন, দেশের লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর মতো তিনিও অস্বাভাবিক দরপতনের কারণে মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। |
|
|
| 04/08/2011 3:28 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
সূচক ও লেনদেন বেড়ে সপ্তাহ শেষ
নিজস্ব প্রতিবেদক
গতকাল বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই সূচক ও লেনদেন বেড়েছে।
পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটি গতকাল সকালে অর্থমন্ত্রীর কাছে তাদের প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেয়। বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা। তাই দুই স্টক এক্সচেঞ্জে দিনভর চাঙাভাব ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৮৬ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে ছয় হাজার ৫৪০.৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৪টির, কমেছে ৩৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের। মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২০৮ কোটি টাকার।
ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো: বেক্সিমকো, আফতাব অটো, কেয়া কসমেটিকস, আরএকে সিরামিকস, গ্রামীণফোন, পিএলএফএসএল, কর্ণফুলী, কনফিডেন্স সিমেন্ট, মেঘনা লাইফ ইনস্যুরেন্স ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ২৭০ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৮ হাজার ২৭১ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল লেনদেন হওয়া ২০২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৯টির, কমেছে ২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের। মোট লেনদেন হয়েছে ১০৬ কোটি টাকার।
|
|
|
| 04/08/2011 3:29 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে ধসের কারণ এসইসির অব্যস্থাপনা ও রাজনৈতিক প্রভাব
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: শেয়ারবাজারে কারসাজি ও অনিয়মের কারণ হিসেবে তদন্ত কমিটি স্টক এক্সচেঞ্জ পরিচালনা বোর্ডের সদস্য তথা এসইসির অদক্ষতাকে প্রধানত দায়ী করা হয়েছে। কয়েকজন রাজনীতিকেরও এতে ভূমিকা রয়েছে বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে মর্মে জানিয়েছে সূত্র।
শেয়ারবাজারে কারসাজি ও অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটি বৃহস্পতিবার সকালে অর্থমন্ত্রীর কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।
সূত্র জানায়, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এ প্রতিবেদনটি অর্থমন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের নিয়ে পর্যালোচনা করছেন। এসইসির সংশ্লিষ্টদেরও তিনি মন্ত্রণালয়ে ডেকেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলেই তিনি সংবাদ সম্মেলন করে এর ওপর বক্তব্য দেবেন।
তদন্ত কমিটি শেয়ারবাজারের ঘটনার তদন্তে বেশ কিছু বিষয় খতিয়ে দেখে। এর ভিত্তিতেই প্রতিবেদন তৈরি হয়।
সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউস এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানি পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের ব্যঘাত ঘটিয়ে বাজারকে অস্থিতিশীল করার কাজে লিপ্ত ছিল কি না তা এ তদন্তে খতিয়ে দেখা হয়েছে এবং এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট মতামত রিপোর্টে রয়েছে।
শেয়ারবাজারের ঘটনা তদন্তে গত ২৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও কৃষিব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। পরে আরেকজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
কমিটির সদস্যরা হলেন, বিআইবিএম’র মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী, আইসিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী ও ব্যারিস্টার নিহাদ কবির।
বাংলাদেশ সময়: ১১৩৫ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৭, ২০১১ |
|
|
| 04/08/2011 3:29 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | বাংলানিউজ স্পেশাল:
শেয়ারবাজারে কারসাজির ২০ নায়ক
আনোয়ারুল করিম, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে কারসাজির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছে শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক ধস সংক্রান্ত ঘটনা তদন্তকারী কমিটি।
বাংলানিউজের বিশেষ অনুসন্ধানে এর সঙ্গে জড়িত ১৮ ব্যক্তি ও ২ মার্চেন্ট ব্যাংকের নাম জানা গেছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বাংলানিউজকে জানায়, এদের বাইরে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন। তবে সময়ের অভাবে তদন্ত কমিটি অন্যদের খুঁজে বের করতে পারেনি।
এবারে আরও তদন্ত করতে হবে বলে সরকারকে সুপারিশ করেছে কমিটি।
বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের কাছে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে থাকা নামগুলোর মধ্যে রয়েছে- সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) বর্তমান চেয়ারম্যান খন্দকার জিয়াউল হক, এসইসির দুই নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া ও তারেকুজ্জামান, সাবেক নির্বাহী পরিচালক মনসুরুল আলম, বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালু, লুৎফর রহমান বাদল ও তার স্ত্রী সোমা আলম রহমান, বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানের ভাইয়ের কেপিসিএল, অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বিসিবির সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) এমপি, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের উপ-মহাব্যবস্থাপক কফিল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, তার স্ত্রী ফারজানা আখতার ও তার শ্যালক মনসুর বিল্লাহ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান ও তার ভাগ্নে আরিফুর রহমান, শেয়ার ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা, শেয়ার ব্যবসায়ী আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, শেয়ার ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলী খন্দকার এবং দু’টি মার্চেন্ট ব্যাংক রেস ও এল আর গ্লোবাল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে সংস্থাটির চেয়ারম্যান খন্দকার জিয়াউল হক এবং দু’জন নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া, তারেকুজ্জামানের বিরুদ্ধে।
প্রতিবেদনে তাদের অপসারণের সুপারিশ করা হয়েছে।
সাবেক নির্বাহী পরিচালক মনসুর আলমের বিরুদ্ধেও বাজার কারসাজির প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে তদন্ত কমিটি মনে করছে পুঁজিবাজারের স্বার্থে মনসুর আলেমের বিরুদ্ধে আরও নিবিড় তদন্ত প্রয়োজন। এর ফলে তার সঙ্গে সম্পৃক্ত বড় রাঘব বোয়ালদের নাম বেড়িয়ে আসতে পারে।
সূত্র আরও জানায়, এসইসির সাবেক নির্বাহী পরিচালক মনসুর আলমের মেয়াদ শেষে তাকে আবারও এসইসিতে পুনঃনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হলে অর্থমন্ত্রীর তাতে সায় ছিল না। তবে ওই সময় সালমান এফ রহমান এবং ডিএসই‘র তখনকার প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমানের জোর তদবিরে তাকে পুনঃনিয়োগ দেওয়া হয় বলে জানতে পেরেছে তদন্ত কমিটি।
এছাড়া বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালু, লুৎফর রহমান বাদল তার স্ত্রী সোমা আলম রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে বাজার কারসাজির প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বাজার কারসাজির ক্ষেত্রে ইনভেস্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)’র বিশেষ ভূমিকা ছিল বলে প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।
সংস্থাটির উপ-মহাব্যবস্থাপক কফিল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, তার স্ত্রী ফারজানা আখতার এবং শ্যালক মনসুর বিল্লাহর নামে শেয়ার লেনদেন ও প্লেসমেন্ট করা হয়েছে।
ওই টাকা পরে কফিলউদ্দিনের নামে এফডিআর করা হয়েছে বলেও জানতে পারে তদন্ত কমিটি।
ডিএসই’র সাবেক প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান তার ভাগ্নে আরিফুর রহমানের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কারসাজি করে বলে প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।
এছাড়া শেয়ার ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা, আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, ইয়াকুব আলী খন্দকারসহ আরও কয়েকজন সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নামে শেয়ার কারসাজির বিভিন্ন ধরনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে যে কেস স্টাডিগুলো বিশদ আলোচনা করা হয়েছে তার মধ্যে সালমান এফ রহমানের জিএমজি এয়ারলাইনস, বাণিজ্য মন্ত্রী ফারুক খানের ভাইয়ের মালিকানাধীন কোম্পানি কেপিসিএল এবং অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আহম মোস্তফা কামালের সিএমসি কামাল কোম্পানিগুলোর নাম উঠে এসেছে।
এছাড়া পুঁজিবাজার কারসাজির সঙ্গে দু’টি মার্চেন্ট ব্যাংক রেস ও এল আর গ্লোবালের সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ এসেছে তদন্ত প্রতিবেদনে।
উল্লেখ্য, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে গতবছরের শেষ থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত শনৈ শনৈ দরবৃদ্ধির পর হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতন ঘটে। এতে নিমিষেই কয়েক হাজার কোটি টাকা বাজার থেকে হারিয়ে যায়।
তোলপাড় করা এ ঘটনার পর অর্থমন্ত্রীর নির্দেশে গত ২৬ জানুয়ারি এসইসির পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী এবং আইসিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী এফসিএ।
পরে গত ২২ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিহাদ কবিরকে অন্তর্ভুক্ত করে তদন্ত কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শেয়ার ইস্যুতে সরাসরি তালিকাভুক্তি, সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপপ্রয়োগ, শেয়ারের উচ্চমূল্য নির্ধারণ, অভিহিত মূল্যে বিশেষ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্লেসমেন্ট প্রদান ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যাপক কারসাজি হয়েছে। সেকেন্ডারি বাজারে অস্বাভাবিক লেনদেন ও ব্লক ট্রেডিংসহ নানা অনিয়ম হয়েছে।
প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পর্যায়ে কারসাজিতে বাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান স্টক ব্রোকার, ডিলার, ইস্যু ম্যানেজার, অডিটরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। এসব অনৈতিকতাকে বৈধতা দান ও দায়িত্বে অবহেলার জন্য এসইসিকে দোষারোপ করেছে কমিটি। তদন্ত কমিটি মনে করে, এসইসি সঠিক দায়িত্ব পালন করলে শেয়ারবাজারে এমন ধস নামত না।
প্রতিবেদনে একটি অনিয়মের সুনির্দিষ্ট উদাহরণ তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, দু`জন বিনিয়োগকারী অনেকগুলো হিসাব খুলে নিজেদের মোট লেনদেনের ২৫ শতাংশই নিজেদের মধ্যে করে। এতে তাদের শেয়ারদর মাত্র ৬ দিনের মাথায় দ্বিগুণ হয়ে যায়।
এসইসির অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের অপসারণ করে এসইসি পুনর্গঠন করার সুপারিশের পাশাপাশি তদন্ত কমিটি স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ডিমিউচুয়ালাইজেশন, সরকারি কর্মকর্তাদের শেয়ারবাজারে ব্যবসা ও অমনিবাস হিসাব প্রথা বন্ধ এবং বিও অ্যাকাউন্ট খোলার সময় টিআইএন নম্বর প্রদানের বিধান করাসহ ২৫টি সুপারিশ করেছে।
সব শেয়ারের ফেসভ্যালু ১০ টাকা করারও সুপারিশ করা হয়েছে এতে।
গত দু`বছর আইন লঙ্ঘন করে যেসব ব্যাংক শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছে, তদন্ত কমিটি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে।
প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে- কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারের নীতি-পরিকল্পনাকে ব্যবহার করে বাজারের স্বার্থান্বেষী মহল অনেক কারসাজি করেছে।
বাজার খেলোয়াড়রা এসইসির ওপর প্রভাব বিস্তারে সক্ষম হলে এসইসি অকার্যকর হয়ে থাকবে এবং শেয়ারবাজারে আবার বিপর্যয় ঘটবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে কমিটি বলেছে, যদিও ডিএসই পরিচালনা পর্ষদে বহিরাগত ১২ জন পরিচালক রয়েছেন, তবে স্বার্থের প্রশ্নে ব্রোকারদের থেকে মনোনীত ১২ জনের ইচ্ছা-অনিচ্ছাই স্টক এক্সচেঞ্জ পরিচালনায় রীতি দেখা গেছে।
শিগগিরই দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে প্রশাসনিক বিভাগ থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগ পৃথক করারও সুপারিশ করেছে কমিটি।
এক্ষেত্রে ডিএসই ডিমিউচুয়ালাইজেশন কমিটির সুপারিশ মোতাবেক কাজ না করলে সরকারকেই এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক্ষেত্রে একজন করে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে এ কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে আলাদা আলাদা অনুচ্ছেদে সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। এগুলো হচ্ছে-
প্রাইভেট প্লেসমেন্ট : এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, `প্লেসমেন্ট এখন মহামারী আকার ধারণ করেছে।` প্রভাবশালীদের আইপিও মূল্যের তুলনায় কম মূল্যে প্লেসমেন্ট বরাদ্দ দিয়ে অনেক অনৈতিক কর্মকা- করার ঘটনা ঘটেছে। এক্ষেত্রে এসইসির প্রাইভেট প্লেসমেন্ট সম্পর্কে কোনো বিধিমালা না থাকায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তাদের শেয়ার লেনদেন : `সরকারি এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কর্মকর্তাদের মধ্যে শেয়ার লেনদেনের প্রবণতা সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে অফিসের কাজকর্মে ক্ষতি হচ্ছে। কর্মকর্তারা অনেক সময় ঘুষ হিসেবে প্লেসমেন্ট শেয়ার দাবি করার ঘটনা দেশের ঘুষ প্রদানের নতুন সংস্করণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক কর্মকর্তা নিজ নামে না নিয়ে বেনামেও শেয়ার কেনাবেচা ও প্লেসমেন্ট শেয়ার নিয়েছেন।
এ বিষয়ে কমিটি সুপারিশে বলেছে, এসইসি, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, সিডিবিএল, বাংলাদেশ ব্যাংক ও তফসিলি ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শেয়ার লেনদেন সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
এসইসি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি : এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়ার দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে। এতে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তার স্ত্রী রোকসানা আখতারের নামে চারটি বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের (প্রাথমিক ধারণা মতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা) লেনদেনের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া আইসিবির সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক (বর্তমানে হাউস বিল্ডিং করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক) কফিল উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর স্ত্রী ফারজানা আকতার এবং শ্যালক মনসুর বিল্লাহর নামে শেয়ার লেনদেন ও প্লেসমেন্ট শেয়ার গ্রহণের সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছে তদন্ত কমিটি। লেনদেনের ক্ষেত্রে এবি ব্যাংকের মালিকানাধীন এবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আর ওয়াই শমসের নিজ নামে প্রায় ১২ কোটি টাকার প্লেসমেন্ট শেয়ার কিনেছেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি প্রথম দু`জনের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় মামলা করা ছাড়াও দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য বিভাগীয় মামলা গঠনে দুর্নীতি দমন বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করে। এছাড়া শমসেরকে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা উচিত বলে মনে করে কমিটি।
সন্দেহজনক লেনদেন : শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক সম্ভাব্য অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত যেসব ব্যক্তি সম্পর্কে কমিটি তথ্য পেয়েছে, প্রতিবেদনের পঞ্চম অধ্যায়ে তা উল্লেখ রয়েছে। এক্ষেত্রে যাদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- গোলাম মোস্তফা, আবু সাদাত মো. সায়েম, ইয়াকুব আলী খন্দকার, সৈয়দ সিরাজউদ্দৌলা, মো. খলিলুজ্জামান, মো. শহিদুল্লাহ, আরিফুর রহমান, সোমা আলম রহমান প্রমুখ। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল- আইসিবি, ফ্রন্টিয়ার ফান্ড (বারমুডা), ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এবি ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, উত্তরা ফিন্যান্স, ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক প্রভৃতি।
অমনিবাস অ্যাকাউন্ট : তদন্ত কমিটি বলেছে, সময়ের স্বল্পতার জন্য কমিটি মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর অমনিবাস অ্যাকাউন্টের কয়েক লাখ হিসাব পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তবে এসব অ্যাকাউন্টের আড়ালেই শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বেশি অনৈতিক কর্মকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে মোসাদ্দেক আলী ফালু, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, ডা. এইচবিএম ইকবাল, মুনিরুদ্দিন আহমদ, রোকসানা আমজাদ, গোলাম মোস্তফা, আহসান ইমাম, ইয়াকুব আলী খন্দকার, নিউ ইংল্যান্ড ইকুয়িটি, মোঃ লুৎফর রহমান (বাদল), সোমা আলম রহমান প্রমুখ নিজেরা অনেক লেনদেন করেছেন, যা স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে হয়নি। এক্ষেত্রে এসব অ্যাকাউন্ট বিষয়ে পুনরায় তদন্ত সম্পন্ন করার সুপারিশ করেছে কমিটি।
সরকারকে সতর্কতা : তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারের নীতি-পরিকল্পনাকে ব্যবহার করে বাজারে স্বার্থান্বেষী মহল অনেক কারসাজি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকারকে যেকোনো নীতি-পরিকল্পনা গ্রহণে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ১৯৯৬ সালের বাজার কারসাজির ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন না করার জন্যও সরকারের সমালোচনা করা হয়েছে।
ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত কমিটি বলেছে, ১৯৯৬ সালের তদন্ত প্রতিবেদনে সন্দেহের তালিকায় ছিলেন ইমতিয়াজ হোসেন, খোরশেদ আলম, সালমান এফ রহমান, এনায়েতুর রহিম, রকিবুর রহমান, শাকিল রিজভী প্রমুখ। বর্তমান তদন্তে এদের মধ্যে সালমান এফ রহমান এবং রকিবুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক মতামত এসেছে এবং কিছু তথ্যও পরিবেশিত হয়েছে। এসইসিকে প্রভাবিত করতে দু`জনই সক্রিয় ছিলেন বলে অনেকের ধারণা।
এসইসির চেয়ারম্যান নিয়োগ এবং মেম্বার মনসুর আলমের পুনর্নিয়োগে সালমান ও রকিবের জোরালো তদবির ও সমর্থন ছিল বলে অনেকের বিশ্বাস। বিডি থাই এলুমিনিয়ামের অস্বচ্ছ কেসটির তদবিরে সালমান এফ রহমান নিজেই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে ধর্না দিয়েছেন। জিএমজি, ইউনিক হোটেল প্রভৃতি কেসে সালমান নিজেই সম্পৃক্ত রয়েছেন। কেসগুলো অস্বচ্ছ। এসইসি পরিচালনায় দু`জনেরই অনাকাঙ্খিত প্রভাব ছিল। এ কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ০০২২ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৮, ২০১১ |
|
|
| 04/08/2011 3:31 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | শেয়ারবাজারের কারসাজি:
দোষীদের নাম বাদ দিয়েই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হবে: অর্থমন্ত্রী
সিনিয়র করেসপন্ডন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: শেয়ারবাজারে কারসাজি সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে জড়িতদের নাম বাদ দিয়ে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
নিশ্চিত না হয়ে নাম প্রকাশ করা সঠিক হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘নাম প্রকাশ করতে চাই না এই জন্য যে এটা নিয়ে আমি আরও নিশ্চিত হতে চাই। কারণ তদন্ত কমিটিই বলেছে, তারা সময় কম পেয়েছে।’
শেয়ারবাজারের কারসাজির ঘটনা তদন্তে ইব্রাহীম খালেদকে প্রধান করে গঠিত কমিটি বৃহস্পতিবার সকালে অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। এ প্রতিবেদনে তারা বেশ কয়েকটি সুপারিশ করেছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবেদন পেয়েছি, তবে এখনও পড়ে দেখিনি। যদিও তাদের সুপারিশের কথা শুনেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমি খুব দ্রুত গতিতে দেখবো। দেখে আমার প্রথম সিদ্ধান্ত হবে, আমি এটা প্রকাশ করবো।’
‘তবে এটাতে হয়তো কিছু ব্যক্তি বা অন্য কোনো নাম থাকবে, সেটাকে বাদ দিয়েই আমি প্রকাশ করবো।
তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ কিছু ব্যাপারে তাদের সুপারিশ প্রতিবেদনে রয়েছে।
তাদের প্রথম সুপারিশ হলো এসইসিকে জনশক্তি, ব্যক্তি ও কাঠামোগতভাবে শক্তিশালী করতে হবে।’
এসইসিতে ফিনানসিয়াল অ্যানালিস্ট নিয়োগের জন্য একজন চার্টার্ড একাউন্টেন্ট প্রয়োজন বলে তারা জানিয়েছে।
আরও সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, মার্চেন্ট ব্যাংকিংয়ের অমনিবাস অ্যাকাউন্ট থাকলে কে দোষী তা নির্ধারণ করা কষ্টসাধ্য। এর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অমনিবাস অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে। তবে ইনডিভিজুয়াল অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৫০, ১০০ বা ২০০ অ্যাকাউন্ট থাকলে এর বাটোয়ারা ঠিক করতে হবে।’
বুক বিল্ডিং পদ্ধতি সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী আবারও পুরনো কথাই বলেন।
তিনি বলেন, ‘তদন্ত কমিটিও বলেছে, বুক বিল্ডিং পদ্ধতি ভালো; তবে আমরা এর সুষ্ঠু ব্যবহার করতে পারিনি।’
ডাইরেক্ট লিস্টিং সম্পর্কে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘এটা বন্ধই থাকা উচিত। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এর আওতায় পড়বে না।’
বাই ব্যাকের ওপর তদন্ত কমিটি কোনো সুপারিশ করেনি।
তদন্ত কমিটি সুপারিশ করেছে, যে তারা সময়ের স্বল্পতায় বিস্তারিতভাবে সুপারিশ দিতে পারেনি।
তবে সুপারিশ বাস্তবায়নে একটি ‘বাস্তবায়ন সেল’ গঠনের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
যাদের নাম এসেছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে কী না- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটা আমি এখন বলতে পারবো না, প্রতিবেদন পড়ে দেখি আগে।’
তদন্ত কমিটি নাম উল্লেখ করলো, কিন্তু অর্থমন্ত্রণালয় নাম প্রকাশ করবে না - তাহলে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট কি পূর্ণাঙ্গ নয়, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তা নয়, তবে তারা বলেছে, তারা সময় কম পেয়েছে। আমাদের খোঁজ-খবর নিয়ে দেখতে হবে।’
৯৬ এর ঘটনার দোষীদের বিচার না হওয়ায় আবারও শেয়ারবাজারে এমন ঘটনা ঘটেছে কী না এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ওই সময় তো কাউকে সাক্ষী পাওয়া যায়নি। কিন্তু এখন আর তা হবে না। এখন সিডিবিএল পদ্ধতির কারণে এখন দোষীদের খুঁজে পাওয়া যাবে।’
সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, অর্থসচিব ড. মোহাম্মদ তারেক, ব্যাংকিং বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, তদন্ত কমিটি বলেছে, তদন্ত রিপোর্ট পূর্ণাঙ্গ নয়। আরো অধিকতর তদন্ত করা যেতে পারে। তবে কমিটির বিবেচনায় তদন্তের সময় বাড়িয়ে কোনও লাভ হতো না।’
তিনি বলেন, ‘তদন্তে এসইসির বেশ কিছু দুর্বলতা পেয়েছে কমিটি। তবে তা বিস্তারিতভাবে করা হয়নি। তাই সরকারকে আরো বিস্তারিত তদন্ত করতেও বলেছে কমিটি।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পুজিবাজার সংশ্লিষ্ট যেখানেই দোষ বা অন্যায় দেখা যাবে সেখানেই শাস্তি দেয়া হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে তারল্য সংকট নেই। বরং তারল্যের প্রাচুর্য্যতা রয়েছে। তাছাড়া বৈদেশিক দুদ্রার রির্জাভও যথেষ্ট ভাল।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘৩ শতাংশ কলমারি রেট থাকলে তারল্য সংকট হয় কী করে।’
ব্যাংকগুলোতেও নিজস্ব রির্জাভ রয়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এলসি খোলার জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় কোনো সংকট নেই।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিজার্ভ নিয়ে এলসি খোলতে হলে তাদের একটা চার্জ দিতে হয়। সে চার্জ যাতে না দিতে হয় সে জন্য হয়তো বা তারা রির্জাভ সংকটের কথা বলছে।’
বাংলাদেশ সময়: ১৯৪০ ঘণ্টা, এপ্রিল ০৭, ২০১১ |
|
|
| 04/08/2011 3:31 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রোববার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে আগামী রোববার। ওই দিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ(ডিএসই) ও চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) আলাদা বোর্ড মিটিং রয়েছে। বোর্ডের সদস্যদের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্তির ব্যাপারে পৃথকভাবে সিদ্ধান্ত নেবে।
বৃহস্পতিবার মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির ব্যাপারে ডিএসই লিস্টিং কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে এ কোম্পানির ৩০ শতাংশ বোনাস দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়।
এ ব্যাপারে ডিএসইর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আহসানুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, কোম্পানির প্রস্তাব নিয়ে লিস্টিং কমিটি আলোচনা করেছে। আগামী রোবাবর ডিএসইর বোর্ড মিটিংয়ে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সিএসই প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দীন আলী আহমেদ বলেন, তালিকাভুক্তির ব্যাপারে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ পৃথক ভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে ৩০ শতাংশ বোনাস দেওয়ার প্রস্তাবকে আইন সঙ্গত মনে করছে সিএসই। আগামী রোববার সিএসইর বোর্ড মিটিং আছে। ওই দিন এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের অনেক টাকা আটকে আছে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে খুব দ্রুত এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির জটিলতা নিরসন করা হবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৫ঘণ্টা, এপ্রিল ০৭, ২০১১ |
|
|
| 04/08/2011 3:32 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে সূচক, মূলধন বেড়েছে
ঢাকা, ৮ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্যসূচক, প্রতিদিনকার লেনদেন ও বাজার মূলধন বিবেচনায় গত সপ্তাহ ছিল ইতিবাচক। পূর্ববর্তী সপ্তাহের তুলনায় সমাপ্ত সপ্তাহে ডিএসই'র সব সূচক, দৈনিক লেনদেন, গড় লেনদেন, বাজার মূলধন বেড়েছে। এছাড়া এ সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক ধসের কারণ নির্ণয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হস্তান্তর বিনিয়োগকারীদের জন্য আরো একটি ইতিবাচক সংবাদ। এখন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, স্বল্প সময়ের ব্যবধানে কারসাজির হোতাদের নামসহ রিপোর্ট জনগণের সামনে উপস্থাপন করবে সরকার।
৩ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাপ্তির এ সপ্তাহে পাঁচ কার্যদিবস ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে। যার মধ্যে তিনদিন সাধারণ সূচক বেড়েছে। আর মঙ্গল ও বুধবার এ দুই কার্যদিবস সূচক কমেছে। যার মধ্যে মঙ্গলবার সাধারণ সূচক কমেছে ৮০ দশমিক ০৬ পয়েন্ট এবং বুধবার ১ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট। সপ্তাহের শুরু দিন ৬৩৫২ দশমিক ১০ পয়েন্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করে ডিএসই সাধারণ সূচক। যা সপ্তাহান্তে ১৮৮ পয়েন্ট ৫০ পয়েন্ট বেড়ে ৬৫৪০ দশমিক ৬০ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়। বাড়ার হার ২ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এর আগের সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক বেড়েছিল ১৮৭ দশমিক ২৮ পয়েন্ট।
এদিকে ডিএসআই সার্বিক মূল্যসূচক ৫২৭৫ দশমিক ১৩ পয়েন্ট থেকে ৫৪২৪ দশমিক ৩৮ পয়েন্টে সপ্তাহান্তে থেমেছে। পুরো সপ্তাহে ১ দশমিক ৬০ শতাংশ হারে বেড়েছে ১৪৯ দশমিক ২৫ পয়েন্ট। পূর্ববর্তী সপ্তাহে বেড়েছিল ১৬৪ দশমিক ০৪ পয়েন্ট।
এ সপ্তাহের শুরুতে ডিএসই-২০ সূচক অবস্থান ছিল ৩৯৬৮ দশমিক ৩৮ পয়েন্টে। শেষ কার্যদিবসে তা ৪০৩১ দশমিক ৭২ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়। ১ দশমিক ৬০ শতাংশ হারে বেড়েছে ৬৩ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট। এর আগের সপ্তাহে এ মূল্যসূচক বেড়েছিল ৫৯ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট।
এছাড়া এ সপ্তাহে সবধরনের মূল্যসূচক বাড়ার ফলে বাজার মূলধন বেড়েছে। বাজার মূলধন দুই লাখ ৮৫ হাজার ৫৩০ কোটি ২২ লাখ ৮২ হাজার ৭৯৬ টাকা নিয়ে শুরু হয় সপ্তাহ। বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে তা ছয় হাজার ৫০৩ কোটি ৩৩ লাখ ৮২ হাজার ৩১২ টাকা বেড়ে দুই লাখ ৯২ হাজার ৩৩ কোটি ৫৬ লাখ ৬৫ হাজার ১০৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। বাড়ার হার ২ দশমিক ২৮ শতাংশ।
এ সপ্তাহে পুঁজিবাজারে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৫২ কোটি ৬৯ লাখ ৮৫ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা। ৫ কার্যদিবসে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ২৬৩ কোটি ৪৯ লাখ ২৭ হাজার ৯৫৩ কোটি টাকা। যা এর আগের সপ্তাহের চেয়ে ১ হাজার ১০১ কোটি ৩১ লাখ ৬৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকা বেশি। ওই সপ্তাহে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৮শ ৩২ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৫ টাকা। যা এ সপ্তাহের লেনদেনের তুলনায় ২৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ কম। উল্লেখ্য, এ সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে এক হাজার কোটি টাকার ওপরে। বাকি একদিন লেনদেন হয়েছে ৮১৯ কোটি টাকার কিছু বেশি।
এ সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫০টি করে মোট ৩৭ কোটি ৬৪ লাখ ৮৯ হাজার ৭৪৯ টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। পূর্ববর্তী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩২ কোটি ৭৬ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৫টি শেয়ার। যা চলতি সপ্তাহের তুলনায় ১৪ দশমিক ৯১ শতাংশ বা চার কোটি ৮৮ লাখ ৫৫ হাজার ৪৯৪টি কম।
সমাপ্ত সপ্তাহে পুঁজিবাজারে ২৬২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। যার মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৬টির, কমেছে ৭৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টির দাম।
ডিএসইতে শীর্ষ দশ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল আফতাব অটোমোবাইলস, বেক্সিমকো, পিপলস লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস, কনফিডেন্স সিমেন্ট, বেক্সটেক্স, বিএসআরএম স্টিলস, ন্যাশনাল ব্যাংক, বে লিজিং এন্ড ইনভেস্টমেন্ট, গোল্ডেনসন ও তিতাস গ্যাস।
এছাড়া দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় ছিল জেমিনি সি ফুড, রহিম টেক্সটাইল, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, লিবরা ইনফিউসন, ইউনাইটেড লিজিং, আরএকে সিরামিকস, অ্যামবি ফার্ম, এসিআই, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স ও ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স।
দর কমার শীর্ষ দশের তালিকায় ছিল ইউনাইটেড ক্যাপিটাল, পিপলস লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস, যমুনা ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, সাভার রিফ্রেক্টরিজ, চিটাগাং ভেজিট্যাবেল, সোনারগাঁও টেক্সটাইলস ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট। |
|
|
| 04/08/2011 3:33 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Stocks shrug off probe jitters
Star Business Report
Stocks returned to the black yesterday as investors were undeterred by the findings of a report submitted by a probe committee to the finance minister.
The benchmark general index of Dhaka Stock Exchange gained 86 points, or 1.34 percent, to close at 6,540 points. The selective price index of Chittagong Stock Exchange also advanced.
A committee led by Khondkar Ibrahim Khaled submitted the probe report to Finance Minister AMA Muhith yesterday.
Prof Mahmood Osman Imam, a teacher of finance at Dhaka University, said investors anticipated that the market would not relapse into deep losses anymore.
But there are clouds still looming on the horizon, as Muhith did not want to disclose the names of stockmarket manipulators.
Retail investors traded, but institutional investors adopted a wait-and-see policy anticipating negative impacts of the probe report, said a stockholder.
Investors said the market would become a risky place to invest further in, if the government failed to take action against the manipulators identified in the probe report.
The day's trading began upbeat. Small, confident investors went into big buying.
Most of the major sectors such as banks gained 0.94 percent, non-bank financial institutions 0.62 percent, pharmaceuticals 1.81 percent and telecoms 3.92 percent.
Daily turnover on the DSE stood at Tk 1,208 crore, down by Tk 328.64 crore from the previous day. Of the total 256 issues traded on the DSE floor, 214 advanced, 34 declined and eight remained unchanged on the day.
Beximco topped the turnover leaders with 12.74 lakh shares worth Tk 38.53 crore traded on the day. Rangpur Foundry was the biggest gainer of the day, posting a 9.92 percent rise in its share prices, while Jamuna Bank was the worst loser, slumping by 17.17 percent. |
|
|
| 04/08/2011 3:34 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE REPORT
SEC in for overhaul
Nazmul Ahsan
The government will go for a drastic restructuring of the Securities and Exchange Commission (SEC), highly placed sources in the government said Friday.
The overhaul will take place as per the recommendations made by a probe committee on the recent share market crash, headed by Bangladesh Krishi Bank (BKB) chairman Khondker Ibrahim Khaled.
The probe committee report was submitted to the government on Thursday. The report strongly suggested that the government should go for sweeping changes in the top positions of the commission.
The incumbent SEC chairman Ziaul Haque Khondker will be shown the door next week, with a senior member of the commission getting the charge of the securities regulator for an interim period, the sources said.
The government is also considering to re-investigate the recent share market manipulation, a top official in the government said Friday.
The probe committee on the share market crash may be given further three months' time to re-investigate the irregularities in more details, he said.
"We need a detailed investigation into the share market scam as the probe committee did not get enough time to find out the irregularities in greater details and unearth the whole game that was at work during manipulation of the capital market," the official said.
The probe committee, formed on January 25, was given three months' time to prepare the report. It, however, completed the report about a month before the deadline.
Finance Minister AMA Muhith at a press briefing on Thursday said the names of individuals, who have been mentioned in the report, would be published at this stage because they might not be found really 'involved' in the process of further or final investigations.
"The probe committee itself has suggested to us to be more sure about the wrong-doings of the individuals mentioned in the report as having played foul-games in the capital market leading to its 'crash', before proceeding for any action against them," Mr Muhith told the reporters Thursday.
The Ministry of Finance will initiate the process from tomorrow (Sunday) for assigning the probe committee the responsibility to re-investigate the share market scam from a broader perspective, a high official said.
The government has already started its head-hunting for a suitable person to head the SEC to replace Mr Ziaul Haque, the sources told this correspondent.
The Prime Minister's Office (PMO) is in close contact now with the Ministry of Finance (MoF) in selecting the "appropriate" persons for the top positions in SEC, a top official at the ministry said.
However, the government is in a fix about finalising the name for the post of the SEC chairman as it could not make any choice until Friday among some already short-listed ones, sources said.
"We are yet to find out a suitable person for the post," a top policy-maker of the government told the FE.
"People have proposed to us the names for the SEC chairman, considering their own interests. This is frustrating and worrying for us," he added.
The policy-maker said they were now searching for a suitable person as the top boss of SEC from among former bureaucrats and bankers.
|
|
|
| 04/08/2011 3:34 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE REPORT
Same group played key role in rise and fall of stock prices
Mohammad Mufazzal
The investigation committee on the recent stock market scam has identified one particular group of major market players who were active during both unusual rise and fall of the market.
A member of the committee told the FE Friday: "At the very beginning of our investigation, we collected data from the Central Depository Bangladesh Limited (CDBL) on major sell-buy deals executed during extremely bull market. We collected data from mid-September to December 5, 2010, the day when the DGEN touched the highest ever mark at 8,918 points."
The probe body collected the data relating to 50 major individuals and institutional investors who purchased the maximum number of shares at particular points. As a result, the DGEN went up abnormally.
Then the probe body collected data of another 50 large investors who played key roles in pulling the market down, also abnormally -- a trend that continued up to January 20, 2011.
The probe body became surprised to see that it was the same group of traders who were active during both abnormal rise and fall in stock prices.
Then the probe body started to detect the BO (beneficiary owner) accounts of those major players.
Among the players, the major individual traders, as per records in BO accounts, include Golam Mostofa, Abu Sadat Mohammad Sayem, Sirajuddoula, Golam Kibra, Helal Mia and Tasmi Ambari.
According to probe body's findings, on a certain trading day Mr Mostofa withdrew his buy orders covering a large volume of shares 13 times to manipulate the market price of the shares of a company.
The probe body member said, "It's a matter of great surprise that these persons influenced the market by getting information from the DSE and CDBL on major sell-buy deals in shares of some specific companies having the strength to impact the market."
He said by getting prior information from these two organisations, which preserve data on regular sell-buy deals, such quarters made their plan of action before the beginning of the next trading session.
"That's why the probe body has brought only one allegation against the CDBL as it leaked information to the vested quarters," he said.
The probe body studied 17 cases to find out manipulation occurred in the primary market.
The major case studies include BD Thai, Khulna Power and Company Limited (KPCL), GMG Airlines, Chittagong Vegetables, CMC Textile and Meghna Cement.
Studying such cases, the probe body identified many devices that helped the vested quarters to reap hefty profits through direct listing, book building method, distribution of placement shares, asset revaluation and window-dressed balance sheets.
The probe body member said these devices increased the overall market capitalisation by 80 per cent.
"The major manipulation that had occurred in the primary market played a key role behind the recent volatility of the secondary market," he said.
He said, "Undoubtedly, there are many key players belonging to different political parties who manipulated the market through some big individual traders. Business interests help create a bridge between the leaders of the rival camps."
"The government should form a task force to identify such masterminds," he said.
However, another source said, during the submission of probe body's report, the finance minister termed a top businessman an "evil genius".
According to the probe body, a group of officials in the SEC and ICB were involved in the transactions of a large volume of private placement shares.
The probe body chairman and three other members signed every page of the report to help avoid its any possible doctoring. |
|
|
| 04/08/2011 3:35 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE REPORT
Khaled for disclosing names of suspects
The chairman of the Probe Committee on the share market scam, Khondkar Ibrahim Khaled said Friday it would be better for the government to disclose the names of those accused, mentioned in its report, reports UNB.
"As a citizen, I personally feel that the government could disclose the names of the accused. It could help increase transparency and acceptability of the government," he told the news agency.
Khondkar Ibrahim who is also the chairman of Bangladesh Krishi Bank (BKB), said: "I'm not suggesting to disclose their names as being 'guilty' but as the suspects."
Asked whether he supports the decision of the government, the probe committee chairman said he does not have the right to suggest the government on this issue. "I'm not a part of the government. We're asked to probe the matter; we did and submitted the report."
Earlier on Thursday last, Finance Minister AMA Muhith had said if he was convinced that the allegation was sustainable he would publish the names of the accused. The report will be made public within next 10-15 days.
"This is not a foolproof report. The committee told me to be sure about the individuals," Muhith told reporters adding that action would be taken as quickly as possible on the other allegations. |
|
|
| 04/08/2011 3:35 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Turnover up amid high expectation on DSE
FE Report
Dhaka stocks passed another positive week with substantial rise in the turnover value as expectation ran high among the investors on flotation of much expected Bangladesh Fund.
The market sentiment was not affected at all due to the submission of probe report on the stock market scam.
The probe committee formed to investigate the reasons behind the large scale correction on January 25 this year submitted its findings to Finance Minister AMA Muhith Thursday, the last trading day of the week.
The probe committee emphasized mainly on reconstruction of the market mechanism and Securities and Exchange Commission (SEC) rather than pointing out to any particular person for the unusual fall, according to the published media report.
Meanwhile, in the five trading sessions during the week, two sessions incurred loss in index and three sessions gained. Out of the five trading sessions, daily turnover also crossed Tk 10 billion in the four trading sessions except Wednesday.
Total turnover for the week increased significantly and stood at Tk 52.63 billion compared to the previous week's Tk 41.62 billion.
The daily average turnover in the week was Tk 10.53 billion in value terms, up by 26.46 per cent from Tk 8.32 billion in the previous week.
During the week, the benchmark index, DGEN rose 188.50 points or 2.97 per cent to end 6,540.60 points.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 5,424.38, rising 149.25 points or 2.83 per cent. The DSE-20 index including blue chips went up by 1.60 per cent or 63.34 points to 4031.72.
At the end of the week, the total market capitalisation and stood at Tk 2,920.33 billion up by 2.28 per cent, from Tk 2,855.30 billion, opening day of the week.
Out of 262 issues traded during the week, 176 advanced, 79 declined and seven issues remained unchanged.
Most of the major sectors finished positively during the week. Banks and NBFIs gained 2.10 per cent and 5.92 per cent respectively while general insurances surged 10.39 per cent and life insurances 3.49 per cent compared with the previous week.
Among others, pharmaceuticals gained 2.04 per cent, telecommunications 0.69 per cent and fuel and power 0.53 per cent during the week while cement and tannery lost 1.62 per cent and 0.56 per cent respectively.
In continuation of the previous week's upbeat mood, the Dhaka stocks started the week with rising trend in the index as DGEN rose 94.90 points or 1.49 per cent and settled at 6,447.00. Turnover remained virtually the same as the previous session at Tk 10.3 billion.
On Monday, the market also closed 88.87 points or 1.38 per cent higher and ended at 6,535.87 as investors opted to buy some particular sectors share heavily, despite a hartal enforced by Islamic forces.
Total turnover slightly increased 3.20 per cent to Tk 10.60 billion on the day.
On Tuesday, the market entered into negative zone, snapping four straight sessions of rally, shedding 80.07 points or 1.23 per cent amid volatility remained in the majority part of the trading. Investors opted to booked profit from their previous purchase on that day.
However, the day's total turnover increased substantially and stood at Tk 11.48 billion in value terms, up by 8.3 per cent.
On Wednesday, the market closed at 6,454.05 with a marginal loss of 0.03 per cent or 1.76 points with turnover slashed to a lower level as the investors were cautious in their trading mainly due to much-talked stock-scam probe report.
On Thursday, The market finished on a positive note with DGEN moving up by 86.55 points or 1.34 per cent to close at 6,540.60 points. Turnover for the day was significantly higher than the previous day amounting to Tk 12.1 billion.
Gemini Sea Food was the week's top gainer posting 27.59 per cent rise during the week. It was followed by Rahim Textile, Paragati Insurance, Libra Infusions Limited, United Leasing, RAK Ceramics, Ambee Pharma, ACI Limited, Takaful Islami Insurance Limited and Eastern Insurance.
Aftab Automobiles topped the week's turnover leader with share worth Tk 2.11 billion changing hands. BEXIMCO Limited, Peoples Leasing & Fin Services, Confidence Cement, BEXTEX Limited, BSRM Steels Limited, National Bank, Bay Leasing & Investment Ltd and Titas Gas were the other turnover leaders of the week.
The week's prominent losers included Union Capital, Peoples Leasing & Fin Services, Jamuna Bank, Trust Bank, Reliance Insurance, Social Islamic Bank Ltd, Savar Refractories, Chittagong Vegetable, Sonargaon Textile and Lafarge Surma Cement.
During the week, a total of six companies announced corporate declaration for the year 2010. Of them BSRM Steels recommended 20 per cent bonus, Islamic Finance 16 per cent bonus, Premier Leasing 20 per cent bonus, Sonargaon Textile 10 per cent bonus, United Insurance 10 per cent cash and 20 per cent bonus and United Leasing recommended 7.50 per cent cash and 75 per cent bonus for their share-holders.
|
|
|
| 04/08/2011 3:36 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | NAV of Prime Financial UF disclosed
The total NAV of Prime Financial First Unit Fund stood at Tk 207,133,583 on the basis of cost price and Tk 192,632,583 on the basis of market price at the close of business operation April 7, 2011.
The NAV per unit stood at Tk 100.15 on the basis of cost price and Tk 93.14 on the basis of current market price on the same day against the face value of Tk 100.00 per unit after taking into consideration all assets and liabilities of the Fund.
The sale and re-purchase prices of the Prime Financial First Unit Fund's unit certificate have been re-fixed at Tk 96 and Tk 93 per unit respectively that would be valid till April 13, 2011.
|
|
|
| 04/08/2011 3:39 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিলে সরকারের ক্ষতি হতে পারে
শেয়ার বাজার কেলেংকারি :তদন্ত কমিটি প্রধান ইব্রাহিম খালেদের প্রতিক্রিয়া
০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট
শেয়ারবাজারে কারসাজির ঘটনা তদন্তে উলেস্নখ করা অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ না করার বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। গতকাল সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, 'আমরা তদন্তকারী দল কিছু লুকানোর চেষ্টা করিনি। সরকারেরও লুকানোর চেষ্টা না করাটাই ভাল। প্রকাশ পেলে হয়তো সরকারের কোনো ক্ষতি হবে না বরং উপকারই হবে। লুকালেই সরকারের ক্ষতি হওয়ার আশংকা বেশি।'
তিনি বলেন, সরকারের উচিত তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সরকার যদি তা না করে তাহলে জনগণের কাছে ধরা খাবে, আর যদি সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাহলে জনগণ সরকারকে সাধুবাদ জানাবে।
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ আরো বলেন, 'জড়িত ব্যক্তিদের কেউ সরকারি দল করেন, কেউ বিরোধী দল করেন। আবার অনেকে কোনো দলই করেন না। তবে এটাকে পলিটিক্স বলব, নাকি মানিটিক্স বলব, সেটা একটি বিষয়। এখানে রাজনীতি থাকে না। তবে যেটা হতে পারে তা হলো, যখন যারা ক্ষমতায় থাকেন, সেই দলীয় ব্যক্তিরা সামনে থাকেন। আর সরকার বদল হলে অন্যরা সামনে চলে আসেন। এখানে রাজনীতি নয়, আসল উদ্দেশ্য অর্থ।'
নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক মাস আগে বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রীর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন তিনি। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২০ হাজার কোটি টাকা কিছু লোকের পকেটে গেছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উলেস্নখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এসকল অনিয়মে জড়িত ছিল, তাদের একাংশের নামও উলেস্নখ করা হয়েছে।
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, অভিযুক্তদের নাম প্রকাশে কোনো দোষ আমি দেখি না। আমার মনে হয়, নাম প্রকাশ করা হলে সরকারের স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। না হলে জনগণের মনে হতে পারে সরকার কিছু লুকানোর চেষ্টা করছে।
নিজেদের সময়ের সীমাবদ্ধতার কথা উলেস্নখ করে তিনি বলেন, গবেষণার মতো করে কয়েকটি নমুনার ওপর ভিত্তি করেই প্রণীত হয়েছে তার তদন্ত প্রতিবেদন। সার্বিকভাবে সব অনিয়ম বের করতে বছরব্যাপী একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকে টাকা লেনদেন হয়েছে। ব্যাংক বদল হওয়া টাকাগুলো শেষ পর্যন্ত কোথায় গেল? কাজেই টাকার প্রবাহ বের করতে হলে এসইসি, ডিএসই ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত গ্রুপ এমনকি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি থাকা দরকার।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ বি মির্জা আজিজুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। নাম প্রকাশ করা হলে সরকারের স্বচ্ছতা আরো বৃদ্ধি পাবে।
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থ নিয়ে এত বড় একটি কারসাজির গণতদন্ত প্রয়োজন। শ্রেণীস্বার্থের কারণেই সরকার স্পষ্টভাবে অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ করতে পারছে না। |
|
|
| 04/08/2011 3:40 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিকারসাজিতে ব্যবহার হয়েছে ভুয়া নাম ভুতুড়ে অ্যাকাউন্ট
টিটু দত্ত গুপ্ত ও মাসুদ রুমী
২০০৯ সালের দুই মাস এবং ২০১০ সালের দুই মাস_এই সময়কে বুস্টার পিরিয়ড হিসেবে চিহ্নিত করেছে শেয়ারবাজার বিপর্যয়ের ঘটনা তদন্তে গঠিত তদন্ত কমিটি। এই চার মাসে শেয়ারবাজারে সূচক যখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল সে সময়টায় কারা সবচেয়ে বেশি শেয়ার কিনেছেন তাঁদের শনাক্ত করেছে তদন্ত কমিটি। গত বছরের ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে শেয়ারবাজার বিপর্যয়ের সময় তাঁরাই আবার শেয়ার বিক্রি করে মার্কেট থেকে বের হয়ে গেছেন। এ ধরনের শেয়ারগুলো লেনদেন হয়েছে মূলত মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর 'অমনিবাস' নামের ভুতুড়ে অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। এ ধরনের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নামে-বেনামে শেয়ারবাজারে গত দুই বছরে কোটি কোটি টাকা সেকেন্ডারি মার্কেট থেকে যাঁরা হাতিয়ে নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন লুৎফর রহমান বাদল ও তাঁর স্ত্রী সোমা বাদল, মেসাদ্দেক আলী ফালু, ডা. এইচ বি এম ইকবাল, আরিফুর রহমানসহ আরো অনেকের নাম। এ রকম শীর্ষ ১০০ জনের কারসাজির বিবরণ প্রতিবেদনে রয়েছে। তাঁদের কারোরই সরাসরি বেনিফিশিয়ারি ওনারস অ্যাকাউন্ট বা বিও অ্যাকাউন্ট না থাকলেও মার্চেন্ট ব্যাংকের শ্যাডো অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কারসাজিতে তাঁদের যুক্ত থাকার প্রমাণ মিলেছে বৃহস্পতিবার জমা দেওয়া তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে। এর মধ্যে সরকারি কর্মকর্তাও রয়েছেন, যাঁরা মূলত বেনামেই লেনদেন চালিয়েছেন। সব মার্চেন্ট ব্যাংকও এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিল। এর মধ্যে প্রাইম ব্যংকের মার্চেন্ট ব্যাংকিং শাখায় তদন্তকাজেও বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
সেকেন্ডারি মার্কেট ছাড়াও প্রাইমারি মার্কেটে বড় ধরনের কারসাজির প্রমাণ পাওয়া গেছে সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান জিএমজি এয়ারলাইন্স, বেঙ্টেঙ্, বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানের ভাই আজিজ খানের মালিকানার বিদ্যুৎ খাতের কম্পানি খুলনা পাওয়ার কম্পানি লিমিটেডের (কেপিসিএল) এবং আ ন হ মোস্তাফা কামালের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। বুক বিল্ডিংয়ের মতো একটি আধুনিক পদ্ধতিকেও কলুষিত করেছে কারসাজিচক্র। এ পদ্ধতিতে অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়িয়ে কেপিসিএল এবং ওশান কনটেইনার লিমিটেড বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। একই সঙ্গে এসব কম্পানি নিজেরাই নিজেদের শেয়ার কিনে দাম বাড়িয়ে শেষে বিনিয়োগকারীদের বিপদে ফেলে মার্কেট থেকে টাকা নিয়ে সটকে পড়েছে।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তদন্ত কমিটির প্রধান ইব্রাহিম খালেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আমরা মূলত বিভিন্ন পর্যায়ে অস্বাভাবিক লেনদেনের জন্য কিছু প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছি। আর সেকেন্ডারি মার্কেটে সন্দেহজনক লেনদেনের জন্য কিছু ব্যক্তিকেও শনাক্ত করেছি। প্রতিটি স্তরেই পাঁচ থেকে ১০ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছে, যেটা রিপোর্টজুড়েই রয়েছে। সব মিলিয়ে কতজন এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত সেটা আমরা হিসাব করিনি।' তিনি বলেন, কারসাজির মাধ্যমে সেকেন্ডারি এবং প্রাইমারি মার্কেট থেকে বিনিয়োগকারীদের ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে গেছে। তবে এ টাকার সবটাই দেশের বাইরে চলে যায়নি। শেয়ার বিক্রির টাকা ব্যক্তিগত, বেনামি অ্যাকাউন্ট ও অন্য খাতে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের মাধ্যমে কম্পানির শেয়ারের টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট বা অন্য কোনোখানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাচার হওয়ার অন্তত একটি প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। বিডি থাইয়ের শেয়ারে বিনিয়োগ করা প্রায় ১৫ কোটি টাকা দেশের বাইরে চলে গেছে সিটি ব্যাংক এনএর অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে। এ প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিল ক্যারিবীয় দ্বীপে নিবন্ধিত জিএম গ্লোবাল ইন নামে একটি ভুঁইফোড় কম্পানি, যার পরিশোধিত তহবিল ছিল মাত্র এক সেন্ট। এ কম্পানির মাধ্যমে দেশে দুই কোটি ডলার বিনিয়োগ করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। শেয়ার বিক্রিতে লকইন থাকলেও তা মানা হয়নি। এ ক্ষেত্রে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনও (এসইসি) নিশ্চুপ থেকেছে।
১৯৯৬ সালের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে ২০১০-এর ঘটনার তুলনা করে ইব্রাহিম খালেদ বলেন, এবার সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে ডিম্যাট শেয়ার হয়ে যাওয়ায় সেকেন্ডারি মার্কেট তুলণামূলক ভালো রয়েছে। বেশির ভাগ কারসাজি প্রাইমারি মার্কেটে হওয়ায় সামগ্রিকভাবে বাজার মূলধনে টান পড়েছে। প্রাইমারি রিভ্যালুয়েশন-ওভারভ্যালুয়েশনসহ নানা প্রক্রিয়ায় কারসাজি করা হয়েছে।
ইব্রাহিম খালেদ বলেন, 'ছিয়ানব্বইয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি। এবার অর্থমন্ত্রী বলেছেন, কয়েক দিন পর প্রকাশ করবেন। আমাদের কাজ আমরা করেছি। এখন বাকি কাজ সরকারের। তারা নাম প্রকাশ করতেও পারে আবার না-ও পারে। আমরা সুপারিশ করেছি, সেটা বাস্তবায়ন করা আমাদের কাজ নয়। সরকার যদি সঠিক কাজটি না করে তাহলে এর দায় তাদেরই নিতে হবে। নির্বাচনের সময় তো জনগণের কাছেই যেতে হবে তাদের।
তবে ইব্রাহিম খালেদ কিছুটা উদ্বেগের সঙ্গে বলেন, শেয়ারবাজারের এই বিপর্যয়ের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে এসইসির ব্যর্থতার দায় অন্য সবার চেয়ে বেশি। তাই এসইসির বর্তমান নেতৃত্ব ও কাঠামো রেখে শেয়ারবাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।
কমিটি প্রদত্ত সুপারিশগুলো সরকার বাছাই করে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করবে বলে আশা করেন ইব্রাহিম খালেদ। এ জন্য এসইসিতে একটি 'বাস্তবায়ন কমিটি' গঠন এবং তদারকির জন্য একটি 'মনিটরিং কমিটি' গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। |
|
|
|