| 05/03/2011 9:59 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | দুই কোম্পানির অডিটর নিয়োগে এসইসি‘র অনুমোদন
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ ল্যাম্পস কোম্পানির অডিটর নিয়োগের বিষয় অনুমোদন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
মঙ্গলবার সকালে কমিশনের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এসইসি বৈঠক সূত্রে জানা যায়, লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের অডিটরের সময় শেষ হওয়ায় শিগগিরই নতুন অডিটর নিয়োগ করতে বলা হয়েছে।
অপরদিকে আগামী বছরের শুরু থেকে বাংলাদেশ ল্যাম্পসের অডিটর নিয়োগ দিতে বলা হয়েছে। |
|
|
| 05/03/2011 10:00 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য এমজেএল এসইসি’র কাছে প্রস্তাব
সিনিয়র করসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য শেয়ার হোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ বাবদ ২শ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে মবিল যমুনা ল্যুব্রিক্যান্ট (এমজেএল)।
একই সঙ্গে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর শেয়ারমূল্য কমে গেলে সব্বোর্চ ১০ টাকা লেনদেনের ওপর ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কোম্পানির বোর্ডসভায় পাসকৃত এ প্রস্তাব মঙ্গলবার এসইসিতে পাঠনো হয়েছে।
এমজেএল’র প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এসইসি শিগগিরই কমিশন সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে বলে এসইসি’র সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, এমজেএল’র নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার প্রস্তাব স্বীকৃতি পেলে কোম্পানিটির শেয়ারের বাজারমূল্য দাঁড়াবে ১শ ৩২ টাকা ৪০ পয়সা।
প্রস্তাবে বলা হয়, তালিকাভুক্ত হওয়ার পর লেনদেন চলাকালীন ওই বাজার মূল্যের চেয়ে দাম কমে গেলে কোম্পানির পরিচালকরা শেয়ারপ্রতি ১০ টাকা ক্ষতি পূরণ দেবেন। তবে ১০ টাকার অধিক কমে গেলেও ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ওই ১০ টাকাই থাকবে। যার পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটি ৮০ কোটি টাকা নগদ লভ্যাংশ বাবদ এবং দর আরো কমে গলেও আরো ৪০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে এমজেএল এসইসিকে জানিয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৭ ঘন্টা ০৩. মে ২০১১ |
|
|
| 05/03/2011 10:01 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar desh
গুজবে পুঁজিবাজারে চলছে অস্থিরতা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
এসইসির পুনর্গঠন, শেয়ারবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তহীনতা এবং নানা ধরনের গুজবে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এ জন্য শেয়ারবাজারের তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের পর টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দরপতন হয়েছে। সরকার সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করলে বাজারে আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আগের দিনের ধারাবাহিকতায় গতকালও দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচকের পতন হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেয়া অধিকাংশ কোম্পানির দরপতনে গতকাল একদিনেই দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের তুলনায় ১২৫ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট কমে দিনশেষে ৫ হাজার ৮৬৫ দশমিক ৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ সূচকের পাশাপাশি আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৫৩ কোটি ৪ লাখ ৭১ হাজার টাকার শেয়ার, যা আগের দিনের তুলনায় ৫৬ কোটি ৪৪ লাখ ৯১ হাজার টাকা কম। বাজার বিশ্লেষক এবং বেসরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এলিয়্যান্স ক্যাপিটাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালি উল মারুফ মতিন বলেন, এসইসির পুনর্গঠন নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তহীনতার কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এজন্য অনেকেই লেনদেন কার্যক্রম থেকে দূরে রয়েছেন। সরকারের উচিত এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া। সিদ্ধান্ত যত দ্রুত হবে ততই বাজারের জন্য মঙ্গল। কোনো ধরনের অস্থির পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক বিনিয়োগ হয় না। স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসলে ক্ষুদ্র, বড় সব বিনিয়োগকারী লেনদেনে অংশ নেবে। আর সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা দিয়েই শুরু হয়েছে দিনের লেনদেন। তবে এ অবস্থা থেকে সূচক কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও খুব একটা স্থায়ী হয়নি। এরপর একটানা সূচকের পতন হতে থাকে, যা শেষ অবধি বজায় ছিল। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার অভাব থাকায় ক্রয়ানুকূলে থাকা সত্ত্বেও অনেক কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। গতকাল লেনেদেনে অংশ নেয়া ২৪৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৩০টির, কমেছে ২০৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১১টির দাম। ব্যাংকিং খাতের ৩০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ২টির, প্রকৌশল খাতের ২২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ২টির, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ২০টির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ১টির, জ্বালানি খাতের ১০টির মধ্যে দাম বেড়েছে ১টির, বীমা খাতের ৪২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫টির। দাম কমেছে টেলিকম খাতের একমাত্র কোম্পানি গ্রামীণফোনেরও।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো—বেক্সটেক্স, বেক্সিমকো, ইউসিবিএল, বিএসআরএম স্টিল, আফতাব অটোমোবাইলস, আরএন স্পিনিং, মালেক স্পিনিং, ন্যাশনাল ব্যাংক, তিতাস ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।
দর বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো—আইসিবি ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, কন্টিনেন্টাল ইন্সুরেন্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, স্ট্যান্ডার্ড ইন্সুরেন্স, সিটি জেনারেল ইন্সুরেন্স, ফার্স্টলিজ ইন্টারন্যাশনাল, হিডেলবার্গ সিমেন্ট, অগ্নিসিস্টেম, কে এন্ড কিউ ও এশিয়া প্যাসিফিক ইন্সুরেন্স।
অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো
—ঢাকা ইন্সুরেন্স, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস্, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, ফাইন ফুডস্, মাইডাস ফাইন্যান্স, রিপাবলিক ইন্সুরেন্স, প্রগতি ইন্সুরেন্স, ইউনাইটেড ইন্সুরেন্স ও সায়হাম টেক্সটাইল। |
|
|
| 05/03/2011 10:03 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Somokal
৮ ডিসেম্বরের অস্বাভাবিক উত্থান-পতন
নেপথ্যে মনসুর আলমের দুটি নির্দেশনা
আনোয়ার ইব্রাহীম
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সাবেক সদস্য মনসুর আলমের দুটি নির্দেশনার কারণে গত ৮ ডিসেম্বর শেয়ারদর ও সূচকের অস্বাভাবিক উত্থান-পতনের ঘটনা ঘটে। এসইসি গঠিত চার সদস্যের কমিটি তাদের প্রতিবেদনে একথা উল্লেখ করে। কমিটি গত ৭ এপ্রিল চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারের কাছে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। একই দিন প্রতিবেদন জমা দেয় খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠিত তদন্ত কমিটি।
এসইসির তদন্ত কমিটি তাদের পর্যবেক্ষণে বলেছে, গত ৬ ডিসেম্বর নগদ মূল্যে শেয়ার ক্রয় ও নিটিং সুবিধা বিষয়ে জারি করা দুটি নির্দেশনার কারণে বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হয়। এ কারণে বিক্রির চাপ বাড়লে শেয়ারদর কমে যায়। কমিটি ওই ঘটনার জন্য মনসুর আলমের নির্দেশনাকে দায়ী করলেও দোষী হিসেবে কারও নাম উল্লেখ করেনি।
গত ৮ ডিসেম্বর দেশের শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতনের কারণ অনুসন্ধানে এসইসি ৯ ডিসেম্বর সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করে। কমিটির অপর সদস্যরা ছিলেন নির্বাহী পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামান, পরিচালক মাহবুবুর রহমান ও উপ-পরিচালক তানিয়া আহমেদ। এর আগে গত ৬ ডিসেম্বর দেশের শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক দরপতন শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৮ ডিসেম্বর লেনদেন শুরুর সোয়া ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক রেকর্ড ৫৪৭ পয়েন্ট পড়ে গেলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। লেনদেন মাত্র আধা ঘণ্টার মধ্যে প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারদর উল্লেখযোগ্য কমে যায়। তবে দিনের শেষ দিকে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কিছুটা বাড়লে ডিএসইর সাধারণ সূচক আগের দিন থেকে ১৩৪ পয়েন্ট কমে। ফরহাদ আহমেদের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে ২০১০ সালে শেয়ারদর ও সূচকের বৃদ্ধিকে শেয়ারবাজারের 'স্বাভাবিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা' হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাজারে দর বাড়া-কমা ছিল স্বাভাবিক। এমনকি ৬ ও ৭ ডিসেম্বর ডিএসইর সাধারণ সূচক যথাক্রমে ১৪৭ পয়েন্ট ও ১৮৫ পয়েন্ট পড়ে যাওয়াকে স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন হিসেবে উল্লেখ করে এসইসির তদন্ত কমিটি। তবে ৮ ডিসেম্বর দর ওঠা-নামাকে অস্বাভাবিক বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি ফরহাদ আহমেদ। তবে মনসুর আলম স্বীকার করেন, গত ৬ ডিসেম্বর তার দুটি নির্দেশনা জারি করা অবৈধ ছিল। নিটিংয়ের ক্ষেত্রে অগ্রিম অর্থায়ন সম্পর্কিত নির্দেশনা সম্পর্কে তিনি বলেন, এ নির্দেশনাটিতে নতুন কিছু ছিল না। কারণ ২০০৫ সালে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। আমরা দেখেছি, কিছু কিছু ব্রোকার হাউস ও বিনিয়োগকারী নিটিং সুবিধা অপব্যবহার করছিল।
এসইসির তদন্ত কমিটি গত ৮ ডিসেম্বর শেয়ারদরের অস্বাভাবিক উত্থান-পতনের কারণ খুঁজতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার বিক্রির দিক থেকে শীর্ষে থাকা ১৫টি ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ ৫০ বিনিয়োগকারীর লেনদেনের হিসাব পর্যালোচনা করে। এতে দেখা যায়, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বা তাদের ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে ওইদিন সর্বাধিক শেয়ার বিক্রির চাপ ছিল। শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে শীর্ষে ছিল ট্রাস্ট ব্যাংক আইডিএ হিসাব। এ হিসাব থেকে ওই দিন যে পরিমাণ শেয়ার কেনা হয় তার থেকে ৪৯ কোটি ৮১ লাখের বেশি টাকার শেয়ার বিক্রি করা হয়। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল আইডিএলসির পোর্টফোলিও অ্যাকাউন্ট। তারা কেনার চেয়ে ৪৮ কোটি ৬৮ লাখের বেশি টাকার শেয়ার বিক্রি করে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা প্রাইম ব্যাংকের এমএসডি অ্যাকাউন্ট থেকে ৪৮ কোটি ৪৬ লাখের বেশি টাকার শেয়ার বেশি বিক্রি করা হয়। চতুর্থ অবস্থানে থাকা লংকা-বাংলা ৪৫ কোটি ১৪ লাখ টাকার ও এবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকার শেয়ার বেশি বিক্রি করে। এরপর যথাক্রমে ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্ট ১৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, সাউথইস্ট ব্যাংক এমবিডবি্লও অমনিবাস অ্যাকাউন্ট ১৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল ১৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, জিএসপি ফাইন্যান্স ১৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, এক্সিম ব্যাংক সিআইডি হিসাব থেকে ১৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করা হয়।
এছাড়া ওইদিন ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ব্যাংক এশিয়ার ব্রোকারেজ হাউসের চৌধুরী মোহাম্মদ হানিফের বিও হিসাব থেকে প্রায় ৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করা হয়। লংকা-বাংলা সিকিউরিটিজের যারা নামরীন ৮ কোটি ৫ লাখ টাকা, বুলবুল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস শাহিদুল হক বুলবুল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা, ফারইস্ট স্টক অ্যান্ড বন্ড থেকে গোলাম কিবরিয়া ৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, ব্যাংক এশিয়ার ব্রোকারেজ হাউস থেকে রীতা চৌধুরী ৪ কোটি ২১ লাখ টাকা, প্রিমিয়ার ব্যাংক থেকে জসিম উদ্দিন ৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা, পিএফআই সিকিউরিটিজ থেকে সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা ৪ কোটি ৪ লাখ টাকা, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক থেকে মোঃ শফিকুল ইসলাম ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা, হযরত আমানত শাহ সিকিউরিটিজ থেকে মোহাম্মদ হেলাল মিয়া ৩ কোটি ৩৯ কোটি টাকা, পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ থেকে তাসমিয়া আম্বেরিন ৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা, হ্যাক সিকিউরটিজ থেকে গৌতম সাহা ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ব্রোকারেজ হাউস থেকে মোঃ ইউসুফ আলী খান ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা, আইল্যান্ড সিকিউরিটিজ থেকে আবদুল বাসেত ৩ কোটি ৭ লাখ টাকা, আল-আরাফা ব্যাংকের ব্রোকারেজ হাউস থেকে শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন ৩ কোটি টাকা এবং এ ব্রোকারেজ হাউস থেকে শরিফ আহমেদ ২ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেন। |
|
|
| 05/04/2011 12:06 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | এসইসি’র সদস্য ইয়াসিন আলীকে পদত্যাগের নির্দেশ
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা : পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সদস্য ইয়াসিন আলীকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার বিকেল চারটায় তাকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ডেকে নিয়ে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন ইয়াসিন আলী। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, ‘পদত্যাগ করতে আমি প্রস্তুত। সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী পদত্যাগে সম্মতিও প্রকাশ’ করেছেন বলে জানান তিনি।
ইয়াসিন আলীর সঙ্গে বৈঠক করে অর্থমন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী তাকে পদত্যাগ করতে বলেন।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১১ মে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশে ফেরার আগেই তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বুধবার সকাল ১০টায় এসইসির আরেক সদস্য আনিসুজ্জামানকে অর্থমন্ত্রণালয়ে ডাকা হয়েছে। তাকেও পদত্যাগ করতে বলা হবে বলে জানায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র। |
|
|
| 05/04/2011 5:54 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | এসইসির চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ খোঁজা হচ্ছে
সংবাদ
ঢাকা বুধবার, ২১ বৈশাখ ১৪১৮, ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩২, ৪ মে ২০১১
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
এসইসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে সিএম আলমকে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না। গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়ায় এ নিয়োগ পক্রিয়া থেকে সরে এসেছে সরকার। এসইসি'র চেয়ারম্যান পদে এখন নতুন মুখ খোঁজা হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারি সংবাদকে জানান, এসইসির চেয়ারম্যান পদে এখনো কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। তবে নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও জানান, এসইসি'র প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এটি পুরোপুরি পুনর্গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুসারে এটি আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। তবে পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াগত কিছু বিষয় দেখতে হচ্ছে বলে জানান সচিব। তিনি বলেন, বিধি অনুযায়ী কোন সদস্যকে সরাতে গেলে তাকে আগে নোটিস দিতে হবে, নয়তো পদ থেকে সরানোর জন্য দুটি কারণ দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মতামত নিতে হবে। আমরা একটি সহজ পথে বিষয়গুলো মীমাংসা করতে চাচ্ছি।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশকালে শনিবার অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, এসইসি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আরও দুজন সদস্যের নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এরপরই চেয়ারম্যান হিসেবে সিএম আলমের নাম চলে আসে। সিএম আলমকে এসইসি'র চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মতামত চাওয়া হয় অর্থমন্ত্রণালয় থেকে।
সূত্র জানায়, এসইসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে এর আগে বিএনপি জোট সরকারের আমলে ২০০৩ সালেও সিএম আলমের নাম একবার ঠিক করা হয়েছিল। তবে ওই সময় বেতন-ভাতাজনিত সমস্যার কারণে ওই নিয়োগ চূড়ান্ত হয়নি। এর আগে ২০০০ সালে আইপিডিসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালে তাঁর নানা অনিয়ম চিহ্নিত করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সময় গুরুতর অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় আইপিডিসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদ থেকে তাকে অপসারণের জন্য ব্যাংকের প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগের তদন্ত হয়। এগুলো হচ্ছে গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার নিজের স্ত্রীর নামে ক্রয়, মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে বহাল থাকা ও সার্ভিস রুল লঙ্ঘন, প্রতিষ্ঠানের ক্রয়নীতি না মেনে ক্রয়, উচ্চতর ভাড়ায় মতিঝিল থেকে মহাখালীতে অফিস স্থানান্তর, প্রতিষ্ঠানের একটির পরিবর্তে তিনটি গাড়ি ব্যবহার, উচ্চ বেতন গ্রহণ, প্রভাব খাটিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত অবস্থায় অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি থেকে ঋণ গ্রহণ, বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল রশিদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অফিসের খরচে বিদেশ ভ্রমণ, কর্নেল রশিদের স্ত্রী ও কন্যাদের আইপিডিসিতে চাকরি প্রদান, বোর্ডের অনুমতি না নিয়েই বঙ্গবন্ধুর অপর খুনি মেজর ডালিমের ঘনিষ্ঠ কাজী মনিরকে চাকরি প্রদান এবং আইপিডিসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়েও বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনে অধিক সময় ব্যয়।
এসব অভিযোগের মধ্যে স্ত্রীর নামে গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ধারণ, মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ আগলে রাখা, সার্ভিস রুল লঙ্ঘন ও নিয়মবহির্ভূতভাবে অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে আইপিডিসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে। এছাড়া বাকি অভিযোগগুলো বিষয়ে তথ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শকদের সহযোগিতা না করার দায়ে সিএম আলমকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া ও আইপিডিসিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার সুপারিশ করা হয় পরিদর্শন প্রতিবেদনে।
|
|
|
| 05/04/2011 5:58 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | বাংলাদেশ ফান্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে এসইসি
প্রথম আলো
তারিখ: ০৪-০৫-২০১১
পাঁচ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ বুধবার দুপুরে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
এসইসির সদস্য ইয়াসিন আলী জানান, ‘ফান্ডটির নিবন্ধনের কাগজপত্র ও নিবন্ধন ফি আমাদের কাছে আসে। এর প্রেক্ষিতে আজ এসইসি থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে ফান্ডটির নিবন্ধন সনদ দেওয়া হবে। সময় পেলে আজই ফান্ডটি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে।’ তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ ফান্ড পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশ ফান্ডটির উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা, জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল)। |
|
|
| 05/04/2011 6:00 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | হেলাল উদ্দিন নিজামী আজ এসইসিতে যোগ দিয়েছেন
প্রথম আলো
তারিখ: ০৪-০৫-২০১১
সদ্য নিয়োগ পাওয়া হেলাল উদ্দিন নিজামী আজ বুধবার থেকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক।
গত সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, তিনি অন্য কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত থাকতে পারবেন না। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে সম্মান এবং ফিন্যান্স বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হেলাল উদ্দিন নিজামী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য এবং শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
|
|
|
| 05/04/2011 6:03 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | এসইসির নির্দেশ উপেক্ষা
এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করছে না ডিএসই
প্রথম আলো
তারিখ: ০৪-০৫-২০১১
এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। বরং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে যেসব বিনিয়োগকারীর শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। যদিও ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভীর উপস্থিতিতে এক বৈঠকে কোম্পানিটিকে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার শর্তে তালিকাভুক্তির নির্দেশ দিয়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি।
জানা গেছে, ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ গতকাল এসইসির সেই নির্দেশকে উপেক্ষা করে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি না দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভীর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহসানুল ইসলাম বলেন, বাজারের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে তাঁদের টাকা দ্রুত ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে এসইসির কাছে আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, কোম্পানিটিকে যে শর্তে তালিকাভুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তার নজির বিশ্বের কোথাও আছে কি না জানা নেই। এ ছাড়া বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ বাবদ যে শেয়ার ডিএসইর কাছে জামানত রাখার কথা বলা হয়েছে, প্রয়োজনের সময় তা বিক্রি করতে সমস্যায় পড়তে হবে। এসব সমস্যার কথা বিবেচনা করে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই।
এদিকে বাজারসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এমআই সিমেন্টের কোনো প্লেসমেন্টের শেয়ার ছিল না। তাই ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের কেউ কেউ এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির ব্যাপারে শুরু থেকেই নাখোশ ছিলেন। তাঁদের মতে, প্লেসমেন্ট না পেয়েই তাঁরা এখন কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি দিচ্ছেন না।
গত ২০ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ারঅতি মূল্যায়িত উল্লেখ করে সরকার তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে। পরে সরকারের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় এসইসি।
এদিকে, সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের কোম্পানির শেয়ারের দাম কোনোভাবেই অতি মূল্যায়িত নয়। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, কোম্পানির শেয়ারের মূল্য-আয় অনুপাত ১৬-এর নিচে, যা সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত যেকোনো কোম্পানির চেয়ে কম। |
|
|
|