| 05/03/2011 9:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | NEWS 04.05.2011
Prothom Alo
এসইসির নির্দেশ উপেক্ষা
এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করছে না ডিএসই
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৪-০৫-২০১১
এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। বরং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে যেসব বিনিয়োগকারীর শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। যদিও ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভীর উপস্থিতিতে এক বৈঠকে কোম্পানিটিকে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার শর্তে তালিকাভুক্তির নির্দেশ দিয়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি।
জানা গেছে, ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ গতকাল এসইসির সেই নির্দেশকে উপেক্ষা করে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি না দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভীর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহসানুল ইসলাম বলেন, বাজারের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে তাঁদের টাকা দ্রুত ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে এসইসির কাছে আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, কোম্পানিটিকে যে শর্তে তালিকাভুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তার নজির বিশ্বের কোথাও আছে কি না জানা নেই। এ ছাড়া বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ বাবদ যে শেয়ার ডিএসইর কাছে জামানত রাখার কথা বলা হয়েছে, প্রয়োজনের সময় তা বিক্রি করতে সমস্যায় পড়তে হবে। এসব সমস্যার কথা বিবেচনা করে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই।
এদিকে বাজারসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এমআই সিমেন্টের কোনো প্লেসমেন্টের শেয়ার ছিল না। তাই ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের কেউ কেউ এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির ব্যাপারে শুরু থেকেই নাখোশ ছিলেন। তাঁদের মতে, প্লেসমেন্ট না পেয়েই তাঁরা এখন কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি দিচ্ছেন না।
গত ২০ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ারঅতি মূল্যায়িত উল্লেখ করে সরকার তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে। পরে সরকারের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় এসইসি।
এদিকে, সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের কোম্পানির শেয়ারের দাম কোনোভাবেই অতি মূল্যায়িত নয়। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, কোম্পানির শেয়ারের মূল্য-আয় অনুপাত ১৬-এর নিচে, যা সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত যেকোনো কোম্পানির চেয়ে কম। |
|
|
| 05/03/2011 9:47 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prorhom Alo
হোম অর্থ ও বাণিজ্য শেয়ারবাজারে দরপতন চলছে
শেয়ারবাজারে দরপতন চলছে
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৪-০৫-২০১১
দেশের শেয়ারবাজারে দরপতনের ধারা অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের এক দিন আগে থেকে যে পতন শুরু হয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকে বড় ধরনের পতন ঘটেছে। এ নিয়ে টানা তিন দিন সূচকের পতন ঘটল দেশের শেয়ারবাজারে।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং এর বিভিন্ন বিষয়ে সরকার বক্তব্য দিলেও অনেক বিষয়েই স্পষ্ট করা হয়নি। অনেক বিষয়ে অধিকতরও তদন্ত করার কথা বলা হলেও ঠিক কোন বিষয়গুলো এতে স্থান পাবে, সেটিও স্পষ্ট নয়। তাই বড় বিনিয়োগকারীদের অনেকেই পুরোপুরি আশঙ্কামুক্ত হতে পারেননি, হননি লেনদেনে সক্রিয়। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তাঁদের যাঁরা অনুসরণ করেন, তাঁরাও প্রায় নিষ্ক্রিয় রয়েছেন।
এ ছাড়া তারল্য সংকটের কারণে অনেক ব্যাংকই আমানতের সুদহার বাড়িয়েছে। শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের অনেকেও এখন ব্যাংকে টাকা রাখাকে বেশি নিরাপদ মনে করছেন।
এসব কারণে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগে কিছুটা টান পড়াটা অস্বাভাবিক নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
বাজার সূত্রে জানা যায়, নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে গতকাল দুই স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু হয়।
দিনের শুরুতেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ১৮ পয়েন্ট কমে যায়। বেলা সোয়া ১১টার দিকে সূচক কিছুটা বাড়লেও এর পর থেকে আবার তা নিম্নমুখী হতে থাকে। দিন শেষে দেখা যায়, ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১২৫ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ৮৬৬ পয়েন্টে নেমে আসে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৩১০ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ৪০৩ পয়েন্টে এসে ঠেকেছে। সিএসইতে এদিন ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩টির, কমেছে ১৬৩ এবং অপরিবর্তিত ছিল ছয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল ৫৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ১৭ কোটি টাকা কম।
ডিএসইতে গতকাল ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৩০টির, কমেছে ২০৭ এবং অপরিবর্তিত ছিল ১১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল ৪৫৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ৫৬ কোটি টাকা কম।
খাতওয়ারি বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতকাল প্রায় সব ধরনের খাতেরই দরপতন হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের ৩০টির মধ্যে ২৭টি প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে। এ ছাড়া সিমেন্ট খাতের পাঁচটির মধ্যে চারটির, সিরামিক খাতের পাঁচটির মধ্যে চারটির, প্রকৌশল খাতের ২৩টির মধ্যে ২০টির, অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২১টির মধ্যে ১৯টির, খাদ্য ও সেবা খাতের ১৫টির মধ্যে ১২টির, বিমা খাতের ৪৪টির মধ্যে ৩৭টির, বিবিধ খাতের নয়টির মধ্যে ছয়টির, ওষুধ খাতের ২১টির মধ্যে ১৭টির, টেলিযোগাযোগ খাতের একমাত্র প্রতিষ্ঠান জিপির এবং বস্ত্র খাতের ২৫টির মধ্যে ২০টির দরপতন হয়।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেনে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল—বেক্সটেক্স, ইউসিবিএল, বেক্সিমকো, বিএসআরএম স্টিল, আফতাব অটো, আরএন স্পিনিং, মালেক স্পিনিং, এনবিএল, তিতাস গ্যাস ও ইউনাইটেড এয়ার। |
|
|
| 05/03/2011 9:48 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
উল্টো পথে এসইসি পুনর্গঠনের কাজ
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৪-০৫-২০১১
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে উল্টো পথে। পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটি এসইসির চেয়ারম্যানকে সবার আগে সরিয়ে পুনর্গঠনের সুপারিশ করেছিল। কিন্তু সরকার কাজটি শুরু করেছে সদস্যদের দিয়ে, যাঁদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ তদন্ত প্রতিবেদনে নেই।
এদিকে বাজার-কারসাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা এমন একজনকে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের কাজটি প্রায় চূড়ান্ত করেছিলেন, যাঁর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম এবং বঙ্গবন্ধুর খুনিদের লালনকারী হিসেবে লিখিত প্রতিবেদন রয়েছে। এর ফলে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রক্রিয়াও পিছিয়ে গেল।
সূত্র জানায়, গতকাল মঙ্গলবার এসইসির সদস্য মো. ইয়াছিন আলীকে পদত্যাগের ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হয়। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারীর সঙ্গে সচিবালয়ে এ নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ইয়াছিন আলীর। আজ বুধবার অন্য সদস্য মো. আনিসুজ্জামানের সঙ্গেও বৈঠকের কথা রয়েছে সচিবের।
তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে কয়েকজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে সরকারের উচ্চপর্যায়কে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছিল। কমিটির মতে, তাঁরা বাজারে প্রভাব বিস্তার করেন এবং তাতে বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সূত্রমতে, তদন্ত কমিটি সতর্ক করার পরও তাঁরাই নিয়োগসহ নানা বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রমোশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশের (আইপিডিসি) একজন সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালককে এসইসির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছিল। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত ফাইল পাঠানো হয়। অনাপত্তিপত্র দেয় বিভিন্ন সংস্থা। তবে কারসাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা নামটি প্রচার করায় এ নিয়ে সমালোচনা হওয়ায় অর্থ মন্ত্রণালয় মতামত চায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে।
গত সোমবার এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক মতামত পাঠায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে। সঙ্গে পাঠায় আইপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালে ওই ব্যক্তির নানা অনিয়ম-দুর্নীতি সম্পর্কে দুটি প্রতিবেদন। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনমতে, আলোচিত ব্যক্তি জাতির পিতার খুনিদের লালনকারী। আইপিডিসিতে থাকাকালে তিনি বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করেন। আইন লঙ্ঘন করে তিনি ঋণ বিতরণ এবং ব্যক্তিবিশেষের স্বার্থে তিনি এমনকি কোম্পানির সংঘস্মারক পরিবর্তন করেছেন।
এদিকে গতকাল এসইসির সদস্য ইয়াছিন আলীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী সাংবাদিকদের জানান, ‘এসইসির চেয়ারম্যান নিয়োগের বিষয়টিতে আরও কিছু দিন সময় লাগবে।’ নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে সচিব বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী দেশে না ফেরা পর্যন্ত কিছু হওয়ার সম্ভাবনা কম।’
বৈঠকের পর ইয়াছিন আলী সাংবাদিকদের জানান, সচিবের সঙ্গে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার চাইলে যেকোনো মূহূর্তে পদত্যাগ করতে তিনি প্রস্তুত।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে ইয়াছিন আলী গত দুই বছরে এসইসির বিভিন্ন সভায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন সিদ্ধান্তে যেসব আপত্তি জানিয়েছিলেন, তার লিখিত বিবরণী দিয়েছেন। এসব কারণে কারসাজিকারীদের বিরাগভাজন হয়েছিলেন তিনি। তাঁরাই প্রথম সুযোগে অভিযোগহীন দুই সদস্যের পদত্যাগ নিশ্চিত করছেন বলে সূত্রগুলো মনে করছে। |
|
|
| 05/03/2011 9:49 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE REPORT
SEC member Yasin asked to resign
Mohammad Mufazzal
The Securities and Exchange Commission (SEC) Member Muhammad Yasin Ali has been asked to resign from his post as the government moves to restructure the securities regulator.
The other SEC Member M. Anisuzzaman has also been asked to meet the Secretary of Banking and Financial Institution Division Shafiqur Rahman Patwary today (Wednesday) at his secretariat office.
When contacted, Mr. Ali while confirming the news about his resignation said, "Yes, the ministry of finance has asked me to resign from the post of SEC member."
Ali met the Secretary of Banking and Financial Institution Division at 4 pm on Tuesday at the latter's secretariat office.
When asked, Ali said he would resign as soon as possible.
The other SEC Member Anisuzzaman also confirmed his today's appointment with the Secretary of Banking and Financial Institution Division.
But Zaman said he was not sure whether the government would ask him to resign from the SEC.
|
|
|
| 05/03/2011 9:49 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE REPORT
DSE board’s `no’ to MI Cement
Asaduzzaman Pallab
The board of directors of Dhaka Stock Exchange (DSE) has once again rejected MI Cement's listing application and decided to appeal to the capital market regulator to reconsider its earlier issued directive in this connection.
The capital market watchdog Securities and Exchange Commission (SEC) earlier directed the bourse to allow MI Cement listing considering investors' interest.
In response to the SEC directive, the DSE board at a meeting decided Tuesday to appeal to the SEC requesting not to ask for MI Cement listing and also to make proper arrangement to refund the money of primary shareholders.
When contacted, DSE Senior Vice President Ahsanul Islam Titu told the FE that the market was experiencing severe liquidity crisis now. In this situation, the DSE should not take the responsibility of further losses to the investors in a particular shar |
|
|
| 05/03/2011 9:50 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | DSE news in brief
Co board meet
AB Bank: A meeting of the board of directors of the bank will be held on May 07, 2011 at 12:15pm to consider, among others, audited financial statements of the bank for the year that ended on December 31, 2010.
Confirmation of shares sale
Prime Insurance: Shah Syed Muradullah Ahmed, one of the sponsors of Prime Insurace Limited, has stated that he has completed his sale of 100,000 shares of the company at prevailing market price through stock exchange as announced earlier.
ONE Bank: Asaduz Zaman, one of the sponsors of ONE Bank Ltd, has stated that he has completed his sale of 60,000 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange as announced earlier.
Fu Wang Food: Biplob Kumar Chakraborty, one of the directors of Fu Wang Food Limited, has stated that he has completed his sale of 14,000 shares of the company at prevailing market price through stock exchange as announced earlier.
Offer to sell shares
Exim Bank: Md Fahim Zaman Pathan, one of the sponsors/directors of Export Import (Exim) Bank of Bangladesh, has expressed his willingness to sell 200,000 shares out of his total holdings of 9,246,562 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
ONE Bank: Asaduz Zaman, one of the sponsors of ONE Bank Ltd, has expressed his willingness to sell 60,000 shares (bonus shares) out of his total holdings of 349,346 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
NCC Bank: Pervez Hossain, one of the sponsors of NCC Bank Limited, has expressed his willingness to sell 200,000 shares out of his total holdings of 1,368,710 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days. |
|
|
| 05/03/2011 9:50 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
এই তাহলে সততার পুরস্কার!
রাজু আহমেদ শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত হিসেবে অভিযুক্তদের আগেই শাস্তি পাচ্ছেন সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দোষ দুই সদস্য ইয়াছিন আলী ও মোঃ আনিসুজ্জামান! কোন ধরনের অনৈতিক কর্মকাÐের অভিযোগ না থাকলেও সবার আগে এই দুই সদস্যকে এসইসি থেকে পদত্যাগ করানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এরমধ্যে মঙ্গলবার বিকেলে ইয়াছিন আলীকে মন্ত্রণালয়ে ডেকে পদত্যাগপত্র পেশের অনুরোধ জানিয়েছেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব। একই উদ্দেশ্যে আজ (বুধবার) সকালে মোঃ আনিসুজ্জামানকে মন্ত্রণালয়ে ডাকা হয়েছে। শেয়ারবাজারে অনৈতিক কর্মকা ৈবন্ধে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনকারী কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেয়ার মধ্য দিয়ে বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের ‘নৈতিক বিজয়’ হচ্ছে বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এসইসির দুই সদস্য মোঃ ইয়াছিন আলী এবং মোঃ আনিসুজ্জামানের পদত্যাগের বিষয়টি চূড়ান্তô হয়ে গেছে। বুধবার বিকেলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী তাঁর সচিবালয়ের কার্যালয়ে এসইসি সদস্য মোঃ ইয়াছিন আলীর সঙ্গে কথা বলেছেন। আগামী ১১ মে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশে ফেরার আগেই তাঁকে পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী পদত্যাগের বিষয়ে ইয়াছিন আলী সম্মতি প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে কমিশনের আরেক সদস্য মোঃ আনিসুজ্জামানকে আজ (বুধবার) সকাল ১০টায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের সঙ্গে সাড়্গাতের জন্য ডাকা হয়েছে। তাঁকেও একই সময়ের মধ্যে পদত্যাগপত্র পেশের অনুরোধ জানানো হবে।
পুঁজিবাজার তদন্তô কমিটির প্রতিবেদনে এসইসির এই দু’ সদস্যের বিরম্নদ্ধে কোন রকম অভিযোগ নেই। ওই প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারে অনৈতিকতাকে বৈধতা প্রদান প্রক্রিয়ায় মূল ঘটকের হিসেবে এসইসির সদস্য মনসুর আলমকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তদন্তô শুরম্নর আগেই তিনি পদত্যাগ করেন। তদন্তô প্রতিবেদনে মনসুর আলমের নেতিবাচক কর্মকাÐে এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের আনুকূল্য ও সম্মতি ছিল উলেস্নখ করে বলা হয়েছে, তাঁদের সক্রিয় সহায়তা প্রদান করে অন্যায় করেছেন দু’ জন নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারম্নল কবির ভূঁইয়া এবং এটিএম তারিকুজ্জামান। এই চারজন প্রধান নির্বাহীর ছত্রছায়ায় এসইসির অনেক কর্মকর্তা সুবিধা গ্রহণ ও অনৈতিক কাজে সহায়তা করেছেন বলে কমিটি মনে করে। এ কারণে তদন্তô কমিটি এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার, নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারম্নল কবির ভূঁইয়া এবং এটিএম তারিকুজ্জামানকে অপসারণের সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি পদত্যাগী সদস্য মনসুর আলমের বিষয়ে নিবিড় তদন্তô হওয়া প্রয়োজন বলে অভিমত ব্যক্ত করেছে।
গত শনিবার পুঁজিবাজার সংক্রান্তô তদন্তô কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তদন্তô কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারকে সরিয়ে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়েছে। চুক্তিসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে দু’-চার দিনের মধ্যেই তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। চেয়ারম্যানের পাশাপাশি এসইসিতে দু’জন নতুন সদস্য নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে দায়িত্বে থাকা দু’ জন সদস্যকেও যথাসময়ে চলে যেতে হবে বলে অর্থমন্ত্রী জানান।
কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যানের বিদায় ও নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্তô হওয়ার আগেই কমিশনের নির্দোষ দুই সদস্যের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। বাজার সংশিস্নষ্ট কোন মহলেই এই দুই সদস্যের সততা নিয়ে প্রশ্ন ছিল না। বাজারের অতি মূল্যায়ন ও বিপর্যয়কালে ইয়াছিন আলী সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ এবং সরকারের মর্যাদা রড়্গায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন। সব রকম পরিস্থিতিতেই শেয়ারবাজারে অনৈতিক কর্মকাÐের বিরম্নদ্ধে সোচ্চার থাকায় বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতরা তাঁর বিরম্নদ্ধে ড়্গিপ্ত ছিল। তদন্তô প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওই মহলটি ইয়াছিন আলীকে জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছে। এসইসির বিভিন্ন সিদ্ধান্তô গ্রহণে ইয়াছিন আলীর ভূমিকা নিয়ে বিভ্রান্তিô সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বিরোধিতাকারী এই মহলটিও তার সততা ও অনৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেনি।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, গত দু’ বছরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পড়্গ থেকে পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থবিরোধী যেসব সুবিধা চাওয়া হয়েছিল ইয়াছিন আলী প্রতিটি ড়্গেত্রেই আপত্তি তুলেছেন। বিশেষ করে সরাসরি তালিকাভুক্তি, বুকবিল্ডিংয়ের মাধ্যমে অতি মূল্যায়িত শেয়ার বাজারে নিয়ে আসা, পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য, অগ্রাধিকার শেয়ারে কারসাজি বন্ধের জন্য তিনি সব সময় সোচ্চার ছিলেন। প্রাথমিক শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার সব ঘটনায় তিনি আপত্তি দিয়েছেন। ২০০৯ সাল থেকেই তিনি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির মূলধন সংগ্রহ এবং পেস্নসমেন্ট নিয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তôাব দিয়ে এসেছেন। মূলধন সংগ্রহের নামে বিভিন্ন কোম্পানির পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য বন্ধের জন্যও তিনি সোচ্চার ছিলেন। তবে কমিশনের অন্য সদস্যদের অনাগ্রহের কারণে এসব বিষয়ে এসইসি কোন নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারেনি। এই সুযোগে পুঁজিবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা তুলে নিয়েছে সুযোগসন্ধানীরা।
অন্যদিকে এসইসির সদস্য আনিসুজ্জামান অনেক ড়্গেত্রে সাহসিকতার পরিচয় দিতে না পারলেও সম্পূর্ণ নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। তাঁর সততা ও নৈতিকতা নিয়েও পুঁজিবাজারে কখনও কোন প্রশ্ন ওঠেনি। দীর্ঘকাল জেলা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালেও তিনি সততার পরিচয় দিয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি দেশের ১৬টি জেলায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বত্রই তাঁর সততা ও দায়িত্বশীলতা প্রশংসিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এসইসি পুনর্গঠনের শুরম্নতেই নির্দোষ দুই সদস্যকে সরিয়ে দেয়ায় পুঁজিবাজার নিয়ে সরকারের সামগ্রিক প্রচেষ্টা প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে বিশেস্নষকরা মনে করছেন। তাঁদের মতে, বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায়ে বর্তমান কমিশনের সকল সদস্যকে সরিয়ে এসইসি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তô থাকলেও সবার আগে প্রয়োজন ছিল অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরম্নদ্ধে ত্বরিত ব্যবস্থা নেয়া। অভিযুক্তদের বহাল রেখে যাঁদের বিরম্নদ্ধে অভিযোগ নেই তাঁদের আগে সরানো হলে সরকারের ভূমিকা নিয়েই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে পারে। সৎ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেয়ার ফলে কমিশনের নতুন সদস্যদের ওপর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা প্রভাব বিস্তôার করার সুযোগ পাবে।
উলেস্নখ্য, সিকিউরিট এ্যান্ড এচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী এসইসির চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে কাউকে নিয়োগ প্রদানের পর তিনি কোন আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত না হলে, কোন আদালত তাঁকে অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা না করলে এবং নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্তô না হলে সরকার তাঁকে অপসারণ করতে পারে না। অবশ্য সরকারের বিবেচনায় তিনি যদি তাঁর পদমর্যাদার এমন কোন অপব্যবহার করেন যাতে চেয়ারম্যান বা সদস্য পদে বহাল থাকা জনস্বার্থের পরিপন্থী হয় কিংবা তিনি কোন কোম্পানি বা সংস্থায় পরিচালক বা কর্মকর্তা পদে নিযুক্ত হন, তাহলে সরকার তাঁকে কারণ দর্শাতে পারে। এড়্গেত্রে তিনি যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদানে ব্যর্থ হলেই কেবল সরকার তাঁকে অব্যাহতি দিতে পারবে। তবে কমিশনের চেয়ারম্যান বা সদস্য তাঁর চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময় সরকারের উদ্দেশে অন্যূন তিন মাসের অগ্রিম নোটিস প্রদান করে স্ব স্ব পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন। তবে শর্ত থাকে যে, সরকার কর্তৃক পদত্যাগ গৃহীত না হওয়া পর্যন্তô চেয়ারম্যান বা সদস্য স্ব স্ব কাজ চালিয়ে যাবেন। |
|
|
| 05/03/2011 9:50 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
বাংলাদেশ ফান্ডের বিনিয়োগ কৌশল চূড়ান্ত
আজকালের মধ্যেই শেয়ারবাজারে উদ্যোক্তা অংশের অর্থ বিনিয়োগ শুরু হবে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও কৌশল চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক ও উদ্যোক্তারা। কৌশল অনুযায়ী ফান্ডের অর্থ দিয়ে পুঁজিবাজার মূল্য ও আয়ের (পিই) ২০-এর নিচে থাকা কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করা হবে। আজকালের মধ্যেই এই বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরম্ন হবে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার সাবরেজিস্ট্রি অফিস থেকে নিবন্ধনের সার্টিফাইড কপি পাওয়ার এসইসির কাছে নিবন্ধন ফিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ফান্ডের প্রধান উদ্যোক্তা আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে মঙ্গলবার ফান্ড নিবন্ধনের সার্টিফাইড কপি এসেছে। এর পরপরই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ১০ কোটি টাকার ফি এসইসিতে জমা দেয়া হয়েছে। এরসঙ্গে উদ্যোক্তা অংশের অর্থ বিনিয়োগের অনুমোদন চেয়ে একটি আবেদন করা হয়েছে। এসইসি থেকে নিবন্ধন সনদ ও বিনিয়োগের অনুমতি পেলেই পুঁজিবাজারে ফান্ডের কার্যক্রম শুরম্ন হবে।
তিনি জানান, মিউচুøয়াল ফান্ড বিধিমালা অনুসরণ করেই এই ফান্ডের অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে একটি বড় ফান্ড বিনিয়োগে একটি কৌশলগত নীতি অবলম্বন করা হবে। এসইসি এ ফান্ড অনুুমোদনের সময় কিছু মৌলিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগের নির্দেশনা দিয়েছে। আমরা সে আলোকেই বিনিয়োগ করব।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফান্ডের পোর্টফোলিও পরিচালনার জন্য একটি মৌলিক নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে। গাইডলাইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ফান্ডের পোর্টফোলিওতে শেয়ার ক্রয় করার জন্য ব্যাংক ও লিজিং খাত ব্যতীত প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে শেয়ার প্রতি আয় (পিই) ২০ নির্ধারণ করা হয়েছে। যে সকল কোম্পানির শেয়ারের বর্তমান বাজার অনুযায়ী পিই ২০-এর মধ্যে রয়েছে ফান্ডের পোর্টফোলিওতে সে সকল কোম্পানির শেয়ারই ক্রয় করা হবে। তবে ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে পিই ১০ এবং লিজিং কোম্পানির ক্ষেত্রে পিই ১৫ নির্ধারণ করা হয়েছে। মিউচুøয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে যে সকল ফান্ড নেট এ্যাসেট ভ্যালুর (এনএভি) নিচে রয়েছে, সেসব মিউচুøয়াল ফান্ডের শেয়ার বাংলাদেশ ফান্ডের পোর্টফোলিওতে ক্রয় করা হবে।
উলেস্নখ্য, গত ১৮ এপ্রিল এসইসি বাংলাদেশ ফান্ড নামে ৫ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন মিউচুøয়াল ফান্ড অনুমোদন করে। ফান্ডের ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
এর আগে পুঁজিবাজারের পতনের ধারা রোধ করতে গত ২৮ ফেব্রম্নয়ারি ৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠন করার সিদ্ধান্তô নেয় আইসিবি। কয়েক দফা আলোচনার পর ৬ মার্চ এ বিষয়ে চূড়ান্তô সিদ্ধান্তô নেয়া হয়। বাংলাদেশ ফান্ডে যৌথ উদ্যোক্তা হিসেবে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বিডিবিএল, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং জীবন বীমা কর্পোরেশন রয়েছে। |
|
|
| 05/03/2011 9:51 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
দুই কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের বিভিন্ন হারে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পঁুজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩ কোম্পানি।
ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক (আইএসএন) গত বছরের জন্য ১০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এ কোম্পানিটি। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীড়্গিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
একইসঙ্গে কোম্পানিটি ১ঃ১ হারে রাইট ইসুøরও সিদ্ধান্তô নিয়েছে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) অনুমোদন করলে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২০ টাকা নেয়া হবে।
এজন্য আগামী ২৬ জুন বেলা ১১টায় রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) ও বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। ইজিএম ও এজিএম সামনে রেখে আগামী ১২ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১ টাকা ৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৭ টাকা ৭১পয়সা।
আরামিট সিমেন্ট গত বছরের জন্য ১০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এ কোম্পানিটি। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীড়্গিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তô অনুযায়ী আগামী ২৫ জুন দুপুর পৌনে ১টায় চট্টগ্রামের পেনিনসুলায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১৮ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
একদিনে ১২৫ পয়েন্ট কমেছে ডিএসইর সূচক
অর্থনৈতিক রিপোর্টার দেশের পুঁজিবাজারে টানা তৃতীয় দিনের মতো দরপতন অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার দুই স্টক এচেঞ্জেই তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমেছে। এর প্রভাবে একদিনে ১২৫ পয়েন্টেরও বেশি কমেছে ঢাকা স্টক এচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক। একই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনও কমেছে।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন শুরম্ন হয়। প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ১৮ পয়েন্ট নেমে যায়। মাঝে বেলা সোয়া ১১টার দিকে সূচক ১৪ পয়েন্ট বাড়লেও এরপর থেকে সূচক নিম্নমুখী হতে থাকে। দিন শেষে দেখা যায়, ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১২৫•৬৭ পয়েন্ট কমে ৫৮৬৫•৭০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ২০৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। স্টক এচেঞ্জটিতে মোট ৪৫৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ৫৬ কোটি টাকা কম।
শেয়ারপ্রতি ২০ টাকা লভ্যাংশের প্রস্তাব মবিল যমুনার
অর্থনৈতিক রিপোর্টার প্রাথমিক গণপ্রস্তôাবের (আইপিও) বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারের জন্য ২০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দেয়ার প্রস্তôাব দিয়েছে মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট (এমজেএল) বাংলাদেশ লিমিটেড। এছাড়া নগদ লভ্যাংশের পাশাপাশি শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরম্নর ছয় মাস পর্যন্তô শেয়ারের দর বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে নিচে নামলে সর্বোচ্চ ১০ টাকা পর্যন্তô ক্ষতিপূরণ দেয়ারও প্রস্তôাব দিয়েছে কোম্পানিটি। গতকাল মঙ্গলবার এ সংক্রান্তô কাগজপত্র এসইসিতে জমা দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে তালিকাভুক্তির জটিলতা এড়াতে গত বৃহস্পতিবার এসইসিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসইসি ও দুই স্টক এচেঞ্জের সঙ্গে আলোচনায় এমজেএল কর্তৃপক্ষ এ প্রস্তôাবনা দেয়। নগদ লভ্যাংশের এই বিষয়টি প্রতিষ্ঠানটির পর্ষদ সভায় অনুমোদনের জন্য আজ এসইসিতে চূড়ান্তô প্রস্তôাবটি জমা দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১০ এপ্রিল ঢাকা স্টক এচেঞ্জের (ডিএসই) বোর্ডসভায় এমজেএলকে তালিকাভুক্ত না করার সিদ্ধান্তô নেয়া হয়। আইনগত জটিলতার কারণে এ সিদ্ধান্তô নেয়া হয় বলে ডিএসই জানায়। এদিকে প্রতিষ্ঠানটি তালিকাভুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিন দফা সময় বাড়ানো হয়। তবে এসইসি নির্দেশনা আকারে জারি করলে এমজেএলের তালিকাভুক্তির বিষয়ে আর কোন জটিলতা থাকবে না। |
|
|
| 05/03/2011 9:51 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
লিগ্যাল নোটিস দিয়েছেন এসইসির ৯ কর্মকর্তা
উদ্বৃত্ত ঘোষণার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার উদ্বৃত্ত ঘোষণার সিদ্ধান্ত বাতিল করে সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতি চেয়ে সরকারের প্রতি লিগ্যাল নোটিস পাঠিয়েছেন চাকরির বৈধতা সঙ্কটে পড়া সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ৯ ব্যক্তিগত কর্মকর্তা। কর্মকর্তাদের পড়্গে সুপ্রীমকোর্টের সিনিয়র এ্যাডভোকেট আবদুর রব চৌধুরী জনপ্রশাসন (সংস্থাপন) মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং এসইসি চেয়ারম্যানের গত বৃহস্পতিবার এই নোটিস দেন।
জানা গেছে, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করলেও অর্থমন্ত্রণালয় ও সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়হীনতার কারণে চাকরির বৈধতা সঙ্কটে পড়েছেন সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ১০ কর্মকর্তা। কমিশনের জনবল কাঠামো পরিবর্তন করে ১৯৯৭ সালে এসব কর্মকর্তাকে আত্তীকরণ করা হয়েছিল। কিন্তু যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করায় সম্প্রতি ওই ১০ কর্মকর্তাকে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে উদ্বৃত্ত জনবল ঘোষণা করে।
জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী ৬৪ কর্মকর্তা নিয়ে এসইসির যাত্রা শুরম্ন হয়। ১৯৯৭ সালে জনবল ৭৭ জনে উন্নীত করা হয়। ওই বছর উচ্চমান সহকারী (ইউডিএ), নিম্নমান সহকারী (এলডিএ) ও স্টেনোরাইটারের পদ বিলুপ্ত করে এসব পদের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) পদে আত্তীকরণ করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এই আত্তীকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলেও সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেয়া হয়নি। পরে ২০০৪ সালে এসে তাদের স্ড়্গেল ধরা হয়। পিএ এবং পিও এ দুটি পদের স্ড়্গেল একই হওয়ায় এসইসি অভ্যন্তôরীণভাবে চিঠি দিয়ে পিএ পদের ১০ কর্মকর্তাকে পিও পদে উন্নীত করে। একই প্রক্রিয়ায় ১০ জনের মধ্যে একজনকে সহকারী পরিচালক (এডি) পদে উন্নীত করা হয়। এভাবে পদোন্নতি ওই কর্মকর্তাদের ৯ জন পিও এবং বাকি একজন এডি হিসেবে কর্মরত আছেন। পিও পদে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা হলেন- মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, আশরাফুল ইসলাম, শাহানা পারভীন, মোঃ সেলিম, নান্নু মিয়া, মাহফুজুর রহমান, নাহার, মুন্সী এনামুল হক ও হাবিবুলস্নাহ। এডি পদে কর্মরত রয়েছেন মোঃ জহিরম্নল হক।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আত্তীকরণের ১৩ বছর পর ২০১০ সালে এই কর্মকর্তাদের পদোন্নতির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। গত জানুয়ারিতে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে এসইসির জনবল বাড়ানোর অনুমোদন দিয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়। ফলে কমিশন নিয়োগ প্রক্রিয়ার কার্যক্রম শুরম্ন করে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে পদোন্নতি প্রক্রিয়া শুরম্ন করা হয়। পদোন্নতি প্রক্রিয়া শেষ হলে খালি পদগুলোতে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ দেয়া হবে। এড়্গেত্রে পিও পদে থাকা ৯ কর্মকর্তাকে এডি পদে পদোন্নতি দেয়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়। এ চিঠির প্রেড়্গিতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, সংশিস্নষ্ট ১০ কর্মকর্তাকে আত্তীকরণের আগে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না নেয়ায় এসব কর্মকর্তাকে উদ্বৃত্ত জনবল ঘোষণা করা হবে। উদ্বৃত্ত ঘোষণার পর ১০ কর্মকর্তাকে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে যেতে হবে। তবে তার আগে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া পদোন্নতি দেয়ায় তাদের উচ্চতর স্ড়্গেলে যে বেতন দেয়া হয়েছে তা ফেরত দিতে হবে। এ বিষয়ে সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে এসইসিতে চিঠি পাঠানো হয়।
উদ্বৃত্ত ঘোষণার সিদ্ধান্তô বাতিলের দাবিতে সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা এসইসি চেয়ারম্যানসহ সরকারের সংশিস্নষ্ট দফতরগুলোতে বার বার যোগাযোগ করলে বিষয়টির কোন সমাধান হয়নি। এ অবস্থায় আইনী পদড়্গেপের সিদ্ধান্তô নিয়েছেন তাঁরা। প্রথম পদড়্গেপ হিসেবে লিগ্যাল নোটিস দেয়া হয়েছে।
নোটিসে ১০ কর্মকর্তাকে উদ্বৃত্ত ঘোষণার প্রক্রিয়াকে অবৈধ উলেস্নখ করে বলা হয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে ভুক্তভোগী কর্মকর্তাদের কোন সম্পৃক্ততা ছিল না। সকল শর্ত পূরণ করে পরীড়্গায় উত্তীর্ণ হয়ে তারা এসইসিতে চাকরি পেয়েছেন। নিয়োগের পর কমিশনের নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘদিন ধরে তারা কর্মরত আছেন। অথচ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জড়িতদের সমন্বয়হীনতার কারণে এসব কর্মকর্তাকে মাসুল দিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও আগের পদে ফিরে যাওয়া এবং পদোন্নতির পর বর্ধিত বেতন ভাতা ফেরতের নির্দেশ অমানবিক। এ কারণে নোটিস পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে তাদের উদ্বৃত্ত ঘোষণার আদেশ বাতিল করে সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে সুপ্রীমকোর্টে রিট মামলা দায়ের করা হবে বলে নোটিসে উলেস্নখ করা হয়েছে। |
|
|
| 05/03/2011 9:57 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Bourses reject MI Cement listing
Star Business Report
The bourses rejected the listing of MI Cement Factory Ltd in the stockmarket yesterday.
The bourses requested the Securities and Exchange Commission (SEC) to ask the company to return the initial public offering (IPO) money to the investors for the market's greater interest.
Ahasanul Islam, senior-vice president of Dhaka Stock Exchange, said: “We requested the SEC to ask the company to return money to the investors as per the section 20(A).”
Now the market is facing a credit crunch, so it will be best to return the money of the investors, said a director of MI Cement. After the SEC is restructured, the company could go for new IPO, he added.
Earlier, MI Cement proposed that sponsor directors will compensate the investors if share prices go below offer price within first six months of trading. The company was supposed to deposit Tk 5 crore in security funds to fulfil the compensation package before receiving the listing approval from the bourses |
|
|
| 05/03/2011 9:57 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | শেয়ার কেলেঙ্কারি: আইসিবি-এসইসি'র শীর্ষকর্তাদের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক
মুহাম্মদ নঈমুদ্দিন, ৪ মে (শীর্ষ নিউজ ডটকম): অবশেষে শেয়ার বাজারে কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এবং পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার (এসইসি) শীর্ষকর্তাদের দুর্নীতি অনুসন্ধানে নামছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযুক্ত শীর্ষ কর্মকর্তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম-দুর্নীতি অনুসন্ধান করবে কমিশন। তারা অনিয়ম করে নিজেরা এবং অন্যদের লাভবান করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তাছাড়া দুর্নীতি করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়টিও দেখবে দুদক। গত শনিবার শেয়ারবাজারে কেলেঙ্কারির ঘটনায় সরকারের গঠিত তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশের পর কমিশন অনানুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কাউকে তদন্তভার দেয়া হয়নি। অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের চৌকষ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী অনুসন্ধান দল গঠন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। দু'একদিনের মধ্যে দল গঠন করে মাঠে নামবে দুদক। সরকারের প্রকাশিত শেয়ার কেলেঙ্কারির তদন্ত রিপোর্টে আইসিবি ও এসইসি'র শীর্ষকর্তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। রিপোর্টের সূত্র ধরে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী নিজেও এ ব্যাপারে তদন্ত করে দুদককে আইনগত ব্যবস্থার নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। কমিশন ইতিমধ্যে শেয়ার কেলেঙ্কারির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট সংগ্রহ করেছে। দ্রুত অনুসন্ধান কাজ শেষ করে কমিশন জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করবে বলেও জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান শীর্ষ নিউজ ডটকমকে জানান, অর্থমন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইসিবি ও এসইসির শীর্ষকর্তাদের দুর্নীতি অনুসন্ধান করবে কমিশন। অর্থমন্ত্রী নিজেও বিষয়টি দুদককে দেখতে বলেছেন। খুব শীঘ্রই এর অনুসন্ধান কাজ শুরু করা হবে।
গোলাম রহমান আরো বলেন, শেয়ার কেলেঙ্কারির সঙ্গে আইসিবি ও এসইসি'র যেসব কর্মকর্তাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদের এবং সহযোগীদেরও দুর্নীতি অনুসন্ধান করা হবে। তবে এরা যতই শক্তিশালী হউক না কেন জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা। এমন মত ব্যক্ত করেন দুদকের চেয়ারম্যান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শেয়ার কেলেঙ্কারির ঘটনায় আইসিবি এবং এসইসি'র কর্মকর্তা হিসেবে যারা অভিযুক্ত তাদের অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি তাদের আয়-ব্যয় এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব নিবে দুদক। দুদকের অনুসন্ধানের তালিকায় এসইসি'র একজন সাবেক ও বর্তমান চার শীর্ষ কর্মকর্তা রয়েছেন। এরা হলেন- এসইসির বর্তমান চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার, নির্বাহি পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূঁইয়া, নির্বাহি পরিচালক ফরহাদ আহমেদ ও তারিকু উজ জামান এবং সদ্য পদত্যাগ করা সদস্য মনসুর আলম। এদের বিরুদ্ধে কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধি করে প্লেসমেন্ট ব্যবসায় সহায়তা পূর্বক বাজার কারসাজি এবং স্ত্রী পুত্রের নামে শেয়ার ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া এসইসি'র আরো কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও শনাক্ত করার চেষ্টা করবে দুদক। একইভাবে আইসিবি'র সাবেক কর্মকর্তা বর্তমান হাউস বিল্ডিং ফাইনেন্স কর্পোরেশনের উপ ব্যবস্থাপক কফিল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, বর্তমান এমডি মো. ফায়েকুজ্জামানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা শেয়ার কারসাজির সঙ্গে জড়িত কিনা দুদক তা খতিয়ে দেখবে। |
|
|
| 05/03/2011 9:58 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | এসইসি পুনর্গঠনের নামে সৎ ব্যক্তিদের বাদ
ঢাকা, ৪ মে (শীর্ষ নিউজ ডটকম): সাম্প্রতিক পুঁজিবাজারের ধসের কারণ নির্ণয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুসারে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠন করতে যাচ্ছে। তবে এ পুনর্গঠনের নামে এসইসি'র সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের বাদ দেয়ার একটি পায়েতারা চলছে। এরই ধরাবাহিকতায় মঙ্গলবার বিকেল ৪ টায় এসইসি সদস্য ইয়াসিন আলীকে ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারি চা পানের আমন্ত্রণ জানান। এতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের বরাত দিয়ে শফিকুর রহমান এসইসি সদস্য ইয়াসিন আলীকে পদত্যাগের অনুরোধ করেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। তাঁকে ১১ মে অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরে আসার আগেই পদত্যাগের অনুরোধ করেন অর্থ সচিব। একইভাবে বুধবার সকালে মো. আনিসুজ্জামানকেও অর্থমন্ত্রণালয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকেও পদত্যাগ করতে বলা হবে বলে জানা যায়।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারবাজারের স্বার্থান্বেষী একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে বর্তমান এ দুই সদস্যকে অপসারণের চেষ্টা করছে। এমনকি বর্তমান চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারকে স্ব পদে বহাল রাখার জন্য নানাবিধ চেষ্টা তদবির করা হচ্ছে। যাতে পরবর্তীতে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বৈধতা পেতে সহজ হয়। এতে সরকারে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিরাও এতে ভূমিকা রাখছেন বলে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সূত্র আরোও জানায়, শেয়ারবাজারে অনেক অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এসইসি সদস্য ইয়াছিন আলী ব্যাপক পদক্ষেপ নিলে বাজার সংশ্লিষ্ট কয়েকটি পক্ষ প্রধানমন্ত্রীর দফতরে গত বছরই 'ইয়াছিন আলী বাজার বান্ধব নয়' এমন শিরোনামে একটি চিঠি প্রদান করে। তাকে অপসারণ করতেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ চিঠি দেয়া হয়।
পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এসইসির বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে। এসইসি'র চেয়াম্যানের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে এসইসি চেয়াম্যানের অপসারণের সুপারিশ করে তদন্ত কমিটি। একইভাবে ওই প্রতিবেদনে পুঁজিবাজারে অনৈতিকতাকে বৈধতা প্রদান প্রক্রিয়ায় মূল ঘটক হিসেবে এসইসির সদস্য মনসুর আলমকে চিহ্নিত করা হয়েছে। মনসুর আলম তদন্ত শুরুর আগেই পদত্যাগ করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে মনসুর আলমের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সম্মতি ছিলো বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তদন্ত রিপোর্টে যে দু'জন এসইসি সদস্যের বিরুদ্ধে কোন ধরনের অভিযোগ আনা হয়নি তারা হলেন মো. আনিসুজ্জামান ও ইয়াসিন আলী। বাজার সংশ্লিষ্ট কোন মহলেই এ দুই সদস্যের সততা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। বাজারের অতি মূল্যায়ন ও বিপর্যয়কালে ইয়াছিন আলী সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ এবং সরকারের মর্যাদা রক্ষায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন। সব রকম পরিস্থিতিতেই শেয়ারবাজারে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতরা তার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত ছিলো। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওই মহলটি ইয়াছিন আলীকে জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছে। এসইসি'র বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইয়াছিন আলীর ভূমিকা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বিরোধীতাকারী এ মহলটিও তার সততা ও অনৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেনি।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, গত দু'বছরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থবিরোধী যেসব সুবিধা চাওয়া হয়েছিল ইয়াছিন আলী প্রতিটি ক্ষেত্রেই আপত্তি তুলেছেন। বিশেষ করে সরাসরি তালিকাভুক্তি, বুকবিল্ডিংয়ের মাধ্যমে অতি মূল্যায়িত শেয়ার বাজারে নিয়ে আসা, প্লেসমেন্ট বাণিজ্য, অগ্রাধিকার শেয়ারে কারসাজি বন্ধের বিষয়ে ইয়াসিন আলী সব সময় সোচ্চার ছিলেন।
নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন সূত্র জানায়, গত বছরের ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত কমিশনের ৩৪৪তম সভায় পিএইচপি কোম্পানির মিউচ্যুয়াল ফান্ড অনুমোদনের আপত্তি জানান ইয়াসিন আলী। এ সময় তিনি বলেন, এটি পণ্য উৎপাদনমুখী একটি প্রাইভেট কোম্পানি। তাই এসব কোম্পানিকে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা হওয়ার অনুমোদন দেয়া ঠিক হবে না। এক্ষেত্রেও চেয়ারম্যান ও মনসুর আলম তার কোন যুক্তি না শোনে তা অনুমোদন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে এ ধরনের আর কোনো কোম্পানিকে অনুমোদন না দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। একইভাবে অসংখ্য ক্ষেত্রে শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতিনির্ধারক হিসেবে ইয়াছিন আলী তার সঠিক ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার ও সাবেক সদস্য মনসুর আলমের কারণে তাঁর প্রস্তাব বা আপত্তিগুলো গৃহীত হয়নি।
অন্যদিকে এসইসির সদস্য আনিসুজ্জামানেরও অনেক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালন করার সুনাম রয়েছে। এসইসি'র শীর্ষ কর্মকতারাও তার কর্মকাণ্ডের প্রসংশা করে। তাঁর সততা ও নৈতিকতা নিয়েও পুঁজিবাজারে কখনো কোন প্রশ্ন উঠেনি। দীর্ঘকাল জেলা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালেও তিনি সততার পরিচয় দিয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি দেশের ১৬টি জেলায় দায়িত্ব পালন করেছেন বিচারক হিসেবে। সর্বত্রই তাঁর সততা ও দায়িত্বশীলতা প্রশংসিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
তাই এসইসি পুনর্গঠনের শুরুতেই এসব সৎ ও যোগ্য লোকদের পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার মাধ্যমে মূলত একটি স্বার্থান্বেসী মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। |
|
|
| 05/03/2011 9:58 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | এসইসি সদস্য ইয়াসিন আলীর পদত্যাগে অর্থসচিবের চাপ
ঢাকা, ৩ মে (শীর্ষ নিউজ ডটকম): কোনো ধরনের অপরাধ না থাকা সত্ত্বেও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সদস্য ইয়াসিন আলীকে পদত্যাগ করতে চাপ দিচ্ছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় ইয়াসিন আলীকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ডেকে এনে অর্থসচিব এ চাপ প্রয়োগ করেন। এদিকে আগামীকাল বুধবার সকাল ১০টায় এসইসির আরেক সদস্য আনিসুজ্জামানকেও অর্থ মন্ত্রণালয়ে ডাকা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে ইয়াসিন আলী শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, তিনি পদত্যাগ করতে প্রস্তুত রয়েছেন। সরকার যেদিন চাইবে সেদিনই তিনি পদত্যাগ করবেন। এমন কি আগামী দু-একদিনের মধ্যেই পদত্যাগ করতে পারি। উল্লেখ্য, সামপ্রতিক পুঁজিবাজার ধসের ব্যাপারে এসইসি'র চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পেলেও ইয়াসিন আলীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করতে পারেনি এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি। এছাড়া ইয়াসিন আলী এসইসি'র অনেক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এইচএমএম/ এস/ সস/ ১৯.৪০ঘ.) |
|
|
| 05/03/2011 9:58 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Stocks in free fall
Star Business Report
Stocks continued to slump for the third consecutive session yesterday as the investors went for panic sell-offs due to absence of big institutional investors in the capital market.
The benchmark general index of Dhaka Stock Exchange (DGEN) declined 125 points, or 2.09 percent, to close at 5,865 points, while the selective price index of Chittagong Stock Exchange lost 199 points, or 1.85 percent, to close at 10560.
Saiful Islam, vice-chairman of BRAC EPL Investment and managing director of BRAC EPL Stock Brokerage, said: “Most of the big institutional investors adopted a wait-and-see policy.”
“The session observed the fragile investors' confidence and the reduced participation of investors,” said Lankabangla Securities.
Banks lost 2.28 percent, non-bank financial institutions 2.95 percent, telecommunications 1.35 percent, fuel and power 1.28 percent, and pharmaceuticals 1.53 percent.
Of the total 248 issues traded on the bourse, 207 declined, 30 advanced and 11 remained unchanged. Turnover on the DSE stood at Tk 453 crore, down by Tk 56.44 crore from the previous day. Bextex topped the turnover leaders with 93.44 lakh shares worth Tk 46.75 crore changing hands.
ICB AMCL Islamic Mutual Fund was the biggest gainer of the day, posting a 7.31 percent rise in its share prices, while Dhaka Insurance was the worst loser, slumping 51.07 percent.
Meanwhile, the SEC gave a go-ahead to the Trust Bank to issue non-convertible bonds worth Tk 250 crore |
|
|
|