| 03/29/2011 4:21 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | লেনদেন স্থগিত হতে পারে পদ্মা অয়েলের
ঢাকা, ২৯ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): উচ্চ আদালতের নির্দেশনার সাথে সিকিউরিটিজ আইন সাংঘর্ষিক না হলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করতে পারবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এসইসির বাজার পর্যালোচনা বৈঠকে স্টক এক্সচেঞ্জকে এ নির্দেশনা দিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এক অর্থবছরে বিধি বহির্ভূত দুই বার লভ্যাংশ ঘোষণা করায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি খাতের কোম্পানি পদ্মা অয়েলের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে। তবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনার ব্যত্যয় যাতে না ঘটে তা লক্ষ্য রাখতে নির্দেশ দিয়েছে এসইসি।
দুইবার লভ্যাংশ ঘোষণার জটিলতার কারণে প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণে ডিএসইর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে এসইসি। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ কোম্পানির লেনদেন বিষয়ে ডিএসই কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী আজিজ আহম্মেদ পদ্মা অয়েল কোম্পানি কর্তৃক ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট এবং এজিএম করার বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে আদালতে একটি রিট মামলা করেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানি লিস্টিং বিধি ৩০ লঙ্ঘন করায় এ ঘোষণা অবৈধ হয়েছে মর্মে আদালতকে জানান বিনিয়োগকারীর পক্ষের কৌঁসুলি। ডিএসই কোম্পানি লিস্টিং বিধি-৩০-এ বলা আছে যে সকল লিস্টেড কোম্পানি তার বার্ষিক কর্মকাণ্ড এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার উদ্দেশ্যে যে বোর্ড সভা ডাকা হবে, তা সভার আগেই ডিএসই এবং এসইসিকে জানাতে হবে। যাতে বিনিয়োগকারী এবং শেয়ারহোল্ডাররা জানতে পারে ও ডিএসই ওয়েবসাইটে আপলোড করতে পারে। কিন্তু সে বিষয় কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গত ১৮ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখের পদ্মা অয়েল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখসহ লভ্যাংশ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করে, যা ডিএসই বিধি-৩০ এর পরিপন্থী। এ বিষয়টি নিয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী পদ্মা অয়েল কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
ওই সময় কোম্পানি ১০০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এরপর কোম্পানি ফের তাদের লভ্যাংশ পুনর্বিবেচনা করে ৫০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ও ৫০ ভাগ বোনাস শেয়ার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এখন স্টক এক্সচেঞ্জ তাদের আইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বলে জানা গেছে। |
|
|
| 03/29/2011 4:21 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করতে অনাপত্তি এসইসি’র
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পদ্মা অয়েলের দ্বিতীয় দফায় লভ্যাংশ ঘোষণা নিয়ে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এ কোম্পানির লেনদেন স্থগিত রাখার ব্যাপারে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) মতামত জানতে চাওয়ার পর অনাপত্তি জানিয়েছে এসইসি।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, কোম্পানিটি একই বছরে দুই ধরনের লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এটা এসইসির বিধিসঙ্গত নয়। এক্ষেত্রে ডিএসই কোম্পানিটির লেনদেন স্থগিত রাখলে আইনি বাধা থাকবে না বলে এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনে আইনি দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। পাশাপাশি লেনদেন বন্ধের বিষয়টি স্টক এক্সচেঞ্জের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, আদালতে মামলা নিষ্পত্তির আগেই লভ্যাংশের ধরন পরিবর্তন করায় আপত্তি তুলেছে ডিএসই। উচ্চ আদালতের রায়ের পর ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে স্টক এক্সচেঞ্জ মনে করছে।
এ কারণে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত রাখা যায় কিনাÑ সে বিষয়ে ডিএসইর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এসইসির পরামর্শ চাওয়া হয়।
কাল বুধবার কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধ করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলেও মামলার নিষ্পত্তি ঘটেনি। শুনানি শেষে হাইকোর্ট চূড়ান্ত আদেশ দেওয়ার আগে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ লভ্যাংশ পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে না বলে ডিএসই মনে করে।
আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এ কারণে ডিএসইর পক্ষ থেকে পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়।
পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়েও নির্দেশনা চেয়েছে ডিএসই।
জানা গেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ।
একইসঙ্গে ৫ মার্চ সকাল ১১টায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ঘোষণা করা হয়। এজন্য ৬ জানুয়ারি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
কিন্তু ঘোষিত নগদ লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আজিজ আহমেদ নামে একজন শেয়ারহোল্ডার হাইকোর্টে রিট মামলা করেন। ওই রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ২ জানুয়ারি কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট ও এজিএমের তারিখ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।
পরে হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টে আপিল করে পদ্মা অয়েল লিমিটেড। আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেওয়া পূর্বের রায় স্থগিত করে। ফলে এজিএম অনুষ্ঠিত হতে আর কোনও বাধা থাকে না।
কিন্তু আপিল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ডের তারিখ চলে যায়। এ কারণে নতুন একটি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
পরে গত ২০ মার্চ পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় নতুন করে এজিএম ও রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের পাশাপাশি পূর্বঘোষিত ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কোম্পানির মূল স্থাপনায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ২০৫৫ঘণ্টা, মার্চ ২৯, ২০১১ |
|
|
| 03/29/2011 4:22 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ ঘোষণা নিয়ে আবার আইনী জটিলতা
লেনদেন স্থগিত করতে পারে ডিএসই
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে আবারও আইনী জটিলতা দেখা দিয়েছে। আদালতে মামলা নিষ্পত্তির আগেই লভ্যাংশের ধরন পরিবর্তন করায় আপত্তি তুলেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)। উচ্চ আদালতের রায়ের পর ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে স্টক এঙ্চেঞ্জ মনে করছে। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত রাখা যায় কিনা_ সে বিষয়ে ডিএসইর পৰ থেকে এ বিষয়ে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ এসইসির পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনী দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধানত্ম নিয়েছে এসইসি। পাশাপাশি লেনদেন বন্ধের বিষয়টি স্টক এঙ্চেঞ্জের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ। একইসঙ্গে ৫ মার্চ সকাল ১১টায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ঘোষণা করা হয়। এজন্য ৬ জানুয়ারি রেকর্ডের তারিণ নির্ধারণ করা হয়।
কিন্তু ঘোষিত নগদ লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আজিজ আহমেদ নামে একজন শেয়ারহোল্ডার হাইকোর্টে রিট মামলা করেন। ওই রিট পিটিশনের প্রেৰিতে হাইকোর্ট গত ২ জানুয়ারি কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট ও এজিএমের তারিখ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রীমকোর্টে আপীল করে পদ্মা অয়েল লিমিটেড। আপীল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেয়া পূর্বের রায় স্থগিত করে। ফলে এজিএম অনুষ্ঠিত হতে আর কোন বাধা থাকে না। কিন্তু আপীল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ডের তারিখ চলে যায়। এ কারণে নতুন একটি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
পরে গত ২০ মার্চ পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় নতুন করে এজিএম ও রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের পাশাপাশি পূর্বঘোষিত ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধানত্ম নেয়। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কোম্পানির মূল স্থাপনায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, আপীল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলেও মামলা নিষ্পত্তি ঘটেনি। শুনানি শেষে হাইকোর্ট চূড়ানত্ম আদেশ দেয়ার আগে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ লভ্যাংশ পরিবর্তনের ৰমতা রাখে না বলে ডিএসই মনে করে। আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এতে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা ৰতিগ্রসত্ম হতে পারে। এ কারণেই ডিএসইর পৰ থেকে পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়েও নির্দেশনা চেয়েছে ডিএসই।
জানা গেছে, ডিএসই এই প্রসত্মাব নিয়ে মঙ্গলবার এসইসির বাজার পরিচালনা পর্ষদের সভায় আলোচনা হয়েছে। সভায় কোম্পানির লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনী দিকগুলো খতিয়ে দেখার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। এজন্য পদ্মা অয়েলের কাছে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের আদেশের কপিসহ সংশিস্নষ্ট সব রকম কাগজপত্র চাওয়া হবে। এছাড়া লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়ে কোন সিদ্ধানত্ম দেয়নি কমিশন। তবে ডিএসই সঙ্গত মনে করলে লেনদেন স্থগিত রাখতে পারে বলে কমিশনের পৰ থেকে জানানো হয়েছে। |
|
|
| 03/29/2011 4:23 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
লভ্যাংশের ধরন নিয়ে জটিলতাপদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিতের এখতিয়ার ডিএসইর ওপর ছেড়ে দিয়েছে এসইসি
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত পদ্মা অয়েল কম্পানি লিমিটেডের লেনদেন স্থগিত রাখার এখতিয়ার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) ওপর ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। পাশাপাশি পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনি দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। আদালতে মামলা নিষ্পত্তির আগেই লভ্যাংশের ধরন পরিবর্তন করায় পদ্মা অয়েলের লেনদেন বন্ধ রাখা যায় কি না_ তা নিয়ে ডিএসইর পক্ষ থেকে এসইসির কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়। সে প্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় এসইসি এ সিদ্ধান্ত নেয়। এসইসি সূত্রে এ খবর জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য শতভাগ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ। একই সঙ্গে ৫ মার্চ সকাল ১১টায় কম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ঘোষণা করা হয়। এ জন্য ৬ জানুয়ারি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
এই লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আজিজ আহমেদ নামে এক শেয়ারহোল্ডার হাইকোর্টে রিট মামলা করেন। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ২ জানুয়ারি কম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডে ও এজিএমের তারিখ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে পদ্মা অয়েল লিমিটেড। আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেওয়া আগের রায় স্থগিত করেন। ফলে এজিএম অনুষ্ঠিত হতে আর কোনো বাধা থাকে না। কিন্তু আপিল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ডের তারিখ পার হয়ে যায়। এ কারণে নতুন একটি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
পরে গত ২০ মার্চ পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় নতুন করে এজিএম ও রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের পাশাপাশি পূর্বঘোষিত শতভাগ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কম্পানির মূল স্থাপনায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, হাইকোর্টের আদেশ আপিল বিভাগ স্থগিত করলেও মামলার নিষ্পত্তি ঘটেনি। শুনানি শেষে হাইকোর্ট চূড়ান্ত আদেশ দেওয়ার আগে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ লভ্যাংশ পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে না বলে ডিএসই মনে করে। আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এতে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ কারণেই ডিএসইর পক্ষ থেকে পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়েও এসইসির কাছে নির্দেশনা চাওয়া হয়। সে প্রেক্ষিতে লেনদেনের এখতিয়ার ডিএসইর ওপর ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। অন্যদিকে কম্পানির লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য পদ্মা অয়েলের কাছে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের আদেশের কপিসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র চাওয়া হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। |
|
|
| 03/29/2011 4:23 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তন : আইনি দিক খতিয়ে দেখবে এসইসি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তন বিষয়ে আইনি দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। একইসঙ্গে কোম্পানির লেনদেন বন্ধের বিষয়টি স্টক এক্সচেঞ্জের ওপর ছেড়ে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। আদালতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড লভ্যাংশের ধরন পরিবর্তন এবং এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পক্ষ থেকে এসইসির পরামর্শ চাওয়া হলে গতকাল কমিশনের বাজার পর্যালোচনা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
জানা গেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পরিষদ। একইসঙ্গে ৫ মার্চ সকাল ১১টায় কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ ঘোষণা করা হয়। এজন্য ৬ জানুয়ারি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ঘোষিত নগদ লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আজিজ আহমেদ নামে এক শেয়ারহোল্ডার হাইকোর্টে রিট মামলা করেন। ওই রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ২ জানুয়ারি কোম্পানি ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট ও এজিএমের তারিখ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে হাইকোর্টের দেয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিমকোর্টে আপিল করে পদ্মা অয়েল লিমিটেড। আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেয়া আগের রায় স্থগিত করেন। ফলে এজিএম অনুষ্ঠিত হতে আর কোনো বাধা থাকে না। কিন্তু আপিল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ডের তারিখ চলে যায়। এ কারণে নতুন একটি রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
পরে গত ২০ মার্চ পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পরিষদের এক সভায় নতুন করে এজিএম ও রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণের পাশাপাশি পূর্বঘোষিত ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কোম্পানির মূল স্থাপনায় এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এজিএমকে সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। জানা গেছে, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলেও মামলার নিষ্পত্তি ঘটেনি। শুনানি শেষে হাইকোর্ট চূড়ান্ত আদেশ দেয়ার আগে পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পরিষদ লভ্যাংশ পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে না বলে ডিএসই মনে করে। আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এতে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এ কারণেই ডিএসইর পক্ষ থেকে পদ্মা অয়েলের লভ্যাংশ পরিবর্তনের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত রাখার বিষয়েও নির্দেশনা চেয়েছে ডিএসই। |
|
|
| 03/30/2011 7:19 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Updated NEWS
পদ্মা অয়েল’র লেনদেন স্থগিত
--------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পদ্মা অয়েল’র লেনদেন স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
বুধবার ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ খবর জানা গেছে।
এর আগে পদ্মা অয়েলের দ্বিতীয় দফায় লভ্যাংশ ঘোষণা নিয়ে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হলে ডিএসই কোম্পানিটির লেনদেন স্থগিত করার বিষয়ে এসইসির মতামত জানতে চায়। জবাবে এসইসি এর লেনদেন স্থগিত করার ব্যাপারে অনাপত্তি জানায়।
পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কোম্পানিটির লেনদেন বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৪৬ ঘণ্টা, মার্চ ৩০, ২০১১
|
|
|
| 03/30/2011 7:21 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Updated NEWS
Prothom Alo
পদ্মা অয়েলের লেনদেন বন্ধঅনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ৩০-০৩-২০১১
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করে। আজ ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদে এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। বিনিয়োগকারীদের বৃহত্ স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ ঘোষণা বলবত্ থাকবে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে ৫ মার্চ বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) ঘোষণা দেওয়া হয়। এজিএমের রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় ৬ জানুয়ারি।
কিন্তু ঘোষিত নগদ লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় একজন বিনিয়োগকারী হাইকোর্টে রিট মামলা দায়ের করেন। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির ঘোষিত লভ্যাংশ, এজিএম ও রেকর্ড ডেটের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ জারি করেন। পরে পদ্মা অয়েল হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেওয়া পূর্বের রায় স্থগিত করে। তবে এ ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ড ডেটের সময় চলে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে রেকর্ড ডেট ঘোষণার প্রয়োজন দেখা দেয়।
অবশেষে ২০ মার্চ প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ আবারও আগের ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে ৩০ এপ্রিল বেলা ১১টায় এজিএমের তারিখ ও ৪ এপ্রিল রেকর্ড টেড ঘোষণা করে। এজিএম ও রেকর্ড টেড ঘোষণা করে।
এ দিকে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলেও মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে আদালতে মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর নতুন করে ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই ডিএসইর পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখাতে এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন স্থগিত রাখার ব্যাপারে ডিএসই নির্দেশনা চায়।
ডিএসইর প্রস্তাব নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় আলোচন হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়া লেনদেন বন্ধ করার বিষয়টি ডিএসইর ওপর ছেড়ে দেয় কমিশন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই কর্তৃপক্ষ পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করে। |
|
|
| 03/30/2011 7:23 am |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Updated NEWS
পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত
ঢাকা, ৩০ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): লভ্যাংশ পরিবর্তনের কারণে পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। পদ্মা অয়েলের ঘোষিত লভ্যাংশ ২০০৯ সালের ১ জুনের জারি করা এসইসির নির্দেশনার পরিপন্থি হওয়ায় ডিএসই ম্যানেজমেন্ট বুধবার এ সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে মঙ্গলবার পদ্মা অয়েল কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে এসইসির মতামত চায় ডিএসই। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার সাথে সিকিউরিটিজ আইন সাংঘর্ষিক না হলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করা যাবে বলে এসইসি মতামত দেয়।
একই অর্থবছরে বিধি বহির্ভূত দুই বার লভ্যাংশ ঘোষণা করায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি খাতের কোম্পানি পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করেছে ডিএসই। আদালতে মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই লভ্যাংশের ধরণ পরিবর্তন করায় ডিএসই এ ব্যবস্থা নেয়।
উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী আজিজ আহম্মেদ পদ্মা অয়েল কোম্পানি কর্তৃক ঘোষিত লভ্যাংশ, রেকর্ড ডেট এবং এজিএম করার বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে আদালতে একটি রিট করে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানি লিস্টিং বিধি ৩০ লংঘন করায় এ ঘোষণা অবৈধ হয়েছে মর্মে আদালতকে জানান বিনিয়োগকারীর পক্ষের কৌঁসুলি। ডিএসই কোম্পানি লিস্টিং বিধি-৩০ বলা আছে যে, সকল লিস্টেড কোম্পানি তার বাৎসরিক কর্মকাণ্ড এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণার উদ্দেশ্যে যে বোর্ড সভা ডাকা হবে তা সভার আগেই ডিএসই এবং এসইসিকে জানাতে হবে। যাতে বিনিয়োগকারী এবং শেয়ারহোল্ডাররা জানতে পারে ও ডিএসই ওয়েবসাইটে আপলোড করতে পারে। কিন্তু সে বিষয়ে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই গত ১৮ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখের পদ্মা অয়েল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখসহ লভ্যাংশ ও রেকর্ড ডেট ঘোষণা করে, যা ডিএসই বিধি-৩০ এর পরিপন্থী। এ বিষয়টি নিয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী পদ্মা অয়েল কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
বোর্ড সভায় কোম্পানি ১০০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ঘোষিত লভ্যাংশ চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়েরের পর কোম্পানি পুনরায় তাদের লভ্যাংশ পুনর্বিবেচনা করে ৫০ ভাগ নগদ লভ্যাংশ ও ৫০ ভাগ বোনাস শেয়ার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দু'বার লভ্যাংশ ঘোষণা করায় বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া এসইসি'র জারি করা নির্দেশনা লংঘন করায় ডিএসই এ কোম্পানির লেনদেন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়।
|
|
|