Page 1 / 1
newspaper news
03/25/2011 7:08 am

Senior Member


Regist.: 01/06/2011
Topics: 3
Posts: 24
OFFLINE
এসইসির প্রস্তাব নাকচ করেছে ডিএসই

প্রাথমিক শেয়ারধারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার শর্তে এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের তালিকাভুক্তির জন্য এসইসির প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় গতকাল বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ডিএসই বলছে, কোম্পানি আইনের যে ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, সেই ধারাতে এ ধরনের কোনো সুযোগ নেই।
এ ব্যাপারে ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহসানুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, গত ২১ মার্চ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এমজেএলের তালিকাভুক্তির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ডিএসইতে চিঠি পাঠায়। এতে কোম্পানি আইনের ৫৭-এর ২(সি) ধারার কথা উল্লেখ বলা হয়, প্রাথমিক শেয়ারধারীরা তালিকাভুক্তির ছয় মাসের মধ্যে শেয়ার বিক্রি করে ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোম্পানির তহবিল থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
কিন্তু আইন পরামর্শকের মতামতের ভিত্তিতে ডিএসই নিশ্চিত হয়েছে ওই ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের কোনো সুযোগ নেই। ডিএসইর এ মতামতই এসইসিকে লিখিতভাবে জানানো হবে।
পুঁজিবাজারে স্বাভাবিকতা ফেরাতে ভাল শেয়ারের যোগান বাড়াতে হবে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুজিবাজার নিয়ন্ত্রণে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) ব্যর্থ হিসেবে অভিহিত করেছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। জাতীয় প্রেসক্লাবে বৃহস্পতিবার সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক) আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ দাবি করেন।
সুজনের বৈঠকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মিজর্া আজিজুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারে সূচকের পতন প্রয়োজন ছিল। অতি মূল্যায়িত বাজার ও সূচকের উলস্নম্ফন বন্ধ করে বাজারে স্বভাবিকতা ফেরাতে সংশোধনের বিকল্প ছিল না।
এসইসির এই সাবেক চেয়ারম্যান পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য ৫ দফা সুপারিশ করেন। পুঁজিবাজারে স্বভাবিকতা ফেরাতে ভাল শেয়ারের যোগান বাড়াতে হবে। নীতিমালা প্রণয়নের ৰেত্রে এসইসি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে সমন্ব্বয় থাকতে হবে। পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা বাসত্মবায়নে নীতি প্রণয়নের আগে ভাবতে হবে, প্রয়োজনে গবেষণা ও জরিপ করে দেখতে হবে। আজ এক নীতি কাল পরিবর্তন করে নতুন নীতি পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করে। পুঁজিবাজারের কার্যক্রম পর্যবেৰণে এসইসি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যৌথ কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। তিনি পুঁজিবাজারের স্বার্থে দ্রম্নত বিকেন্দ্রীকরণ প্রক্রিয়া বাসত্মবায়নের সুপারিশ করেন। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ, অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহম্মেদ খান, সৈয়দ মাহবুব রশীদ, সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ অনেকে। প্রফেসর আবু আহমেদ বলেন, এসইসির দুর্বল তদারকি ব্যবস্থাই পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক এই দরপতনের জন্য দায়ী। তিনি এসইসিকে দায়ী করে বলেন, ক্ষমতা আর আইন দুটোই এসইসিকে দেয়া আছে। কিন্তু এসইসি দুর্নীতিগ্রসত্ম হলে করার কিছু নেই। এখানে বেশিরভাগ দুর্নীতির সঙ্গে এসইসির নাম জড়িত। কিন্তু কোন সরকার তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে সৰম হয় নি।
অধ্যাপক সালাহউদ্দিন এসইসিকে দায়ী করে বলেন, এ পরিস্থিতির দুটি কারণ জড়িত আর তা হলো সরবরাহ ঘাটতি ও পর্যাপ্ত মনিটরিংয়ের অভাব।
এসইসি কর্মকর্তাদের বিষয়ে মিজর্া আজিজুল ইসলাম বলেন, পেশাগত দক্ষতা, সততা আর নতজানু হয়ে কাজ না করার সামথর্্য তাদের থাকা প্রয়োজন। সার্বিকভাবে একটা আস্থার পরিবেশ তৈরি করার প্রতি তিনি গুরম্নত্ব আরোপ করেন।
সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারও অন্যান্য বক্তাদের সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করে পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের উপযুক্ত বিচার দাবি করেন।
মাহবুব রশীদ (শেয়ারবাজারের সাবেক কর্মকর্তা) বলেন, এখানে কি বিনিয়োগ হয়েছে নাকি ফটকাবাজি হয়েছে তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। '৯৬ সালের ঘটনার কিন্তু ভাল তদনত্ম হয়েছিল। কিন্তু অপরাধীদের কোন বিচার হয়নি। অন্যায় করে পার পাওয়ার সংস্কৃতি থেকে আমাদের মুক্ত হওয়া প্রয়োজন।
সুজন আয়োজিত এ সমাবেশে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির (সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম হোসেন। 'পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও সমাধান কোন পথে' শীর্ষক প্রবন্ধে তিনি বলেন, ২০১০ সালের ডিসেম্বরের পূর্বে বাজারে প্রকৃত অর্থনীতিতে বিনিয়োগ সঙ্কট ছিল। বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ১২.৭% যা বিগত ৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। জানুয়ারি ২০১১ শেষে ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ২০ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা। স্বল্প ঝুঁকি ও স্বল্প সময়ে অধিক মুনাফার আশায় পুঁজিবাজারে ব্যাপকহারে নতুন বিনিয়োগকারীর আগমন ঘটে। জানুয়ারি-ডিসেম্বর ২০১০ সময়কালে পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ১৫% বেড়েছে। মোট বিও এ্যাকাউন্টের সংখ্যা ডিসেম্বর ২০১০ পর্যনত্ম ৩২ লাখ হলেও অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর পুঁজিবাজার সম্পর্কে রয়েছে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব। ৩২টি জেলায় ২৩৮টি ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে ৫৯০টি শাখা খোলা হয়েছে, বিভিন্ন জেলায় শেয়ারমেলা করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিনিয়োগকারীকে বিভিন্নভাবে আকৃষ্ট করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
বিশেস্নষণে উঠে আসে পুঁজিবাজারের ব্যবস্থাপনা ও তদারকিতে দুর্বলতার চিত্র। এসইসি মার্জিন ঋণের সিদ্ধানত্ম বার বার পরিবর্তন করেছে। পেস্নসমেন্ট শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে লক-ইন সময় মানা হয়নি। রাইট শেয়ার ছেড়ে কোম্পানি টাকা তুলেছে। পুঁজিবাজারের অনিয়ম পর্যবেক্ষণ, অনুসন্ধানের জন্য পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি এবং সফটওয়্যারের অভাব রয়েছে। এসইসিতে অডিট রিপোর্ট পরীক্ষার জন্য বিশেষজ্ঞের অভাব রয়েছে। এসইসির মনিটরিং ব্যবস্থা দুর্বল। অর্থ মন্ত্রণালয় ও এসইসির সম্পর্কের মধ্যে সমস্যা এবং অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির 'উপদেষ্টামূলক' ভূমিকাও পুঁজিবাজার ব্যবস্থাপনায় অহেতুক চাপ ফেলেছে।
পুঁজিবাজারের সংস্কার ও উন্নয়ন বিষয়ে তাঁর কতিপয় সুপারিশ প্রদান করেন গবেষক। উলেস্নখযোগ্য সুপারিশ হলো : পুঁজিবাজারে স্বল্প মেয়াদী লেনদেন নিরম্নৎসাহিত করা; আইনজীবী, চার্টার্ড এ্যাকাউন্টেন্ট নিয়োগ এবং শক্তিশালী কম্পিউটার সফটওয়্যার ব্যবস্থা স্থাপন করে এসইসির পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করা। নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য শিক্ষামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা। এসইসি পরিচালনা পর্ষদ শক্তিশালী করা; লিস্টেড এবং নন-লিস্টেড কোম্পানির কর্পোরেট ট্যাঙ্রে ব্যবধান বাড়ানো (বর্তমানের ১০% ব্যবধান বাড়িয়ে ২৫% করা যেতে পারে)। তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন অনিয়মের বিরম্নদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয় জোরালোভাবে।

ইনসাইডার ট্রেডিং : শুনানিতে ডেকেছে এসইসি

ইনসাইডার ট্রেডিংয়ের (সুবিধাভোগী ব্যবসা) সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স করপোরেশন (বিআইএফসি) এবং ফাইন ফুড কোম্পানির কয়েকজন সুবিধাভোগীকে (ইনসাইডারস) শুনানিকে ডেকেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। একইসঙ্গে এসব সুবিধাভোগীকে কারণ দর্শানো নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে। সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী সুবিধাভোগী ব্যবসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিআইএফসির শেয়ার লেনদেনে দু’জন সুবিধাভোগী সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালা ১৯৯৫-এর ৪(১) এবং ৪(২) ধারা লঙ্ঘন করেছে। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই সুবিধাভোগী ব্যক্তি যদি কোনো ব্রোকার, স্টক ডিলার বা অনুমোদিত প্রতিনিধি বা অন্য কোনো মাধ্যম হন, তবে তার সনদ বাতিল বা স্থগিত করতে পারবে কমিশন। অপরদিকে ফাইন ফুড কোম্পানির ক্ষেত্রে ৪(১) এবং ৩(১) ধারা ভঙ্গ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
৩(১) ধারা অনুযায়ী—‘তালিকাভুক্ত প্রতিটি সিকিউরিটি ইস্যুকারী উহার কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ৩০ মিনিটের মধ্যে কিংবা তথ্যটি গোচরে আসার তারিখেই তাত্ক্ষণিকভাবে উহার চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা কোম্পানি সচিব-এর স্বাক্ষরে লিখিতভাবে একই সাথে এসইসি এবং স্টক এক্সচেঞ্জকে ফ্যাক্স, বার্তাবাহক মারফত, ক্ষেত্রবিশেষে কুরিয়ার সার্ভিসযোগে প্রেরণ করিবে এবং উক্ত তথ্য দুটি বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশনা নিশ্চিত করিবে।’ কিন্তু ফাইন ফুড কোম্পানির পরিচালনা পরিষদের বৈঠকে মূল্য সংবেদনশীল সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও তা সময়মত যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

শেয়ারবাজার পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট নয় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক

শাহনেওয়াজ
বর্তমান শেয়ারবাজার পরিস্থিতিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক সন্তুষ্ট নয়। যে কারণে তারা শেয়ারবাজারের উন্নতির জন্য যত দ্রুত সম্ভব এখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠার তাগিদ দিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের অর্থায়নে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কাছে যেসব প্রস্তাব দিয়েছিল সেগুলো এখনও বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণ জানতে চায়। এদিকে ৩০ ও ৩১ মার্চ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সঙ্গে তাদের অর্থায়নের প্রকল্প বাস্তবায়নের হালনাগাদ জানতে বৈঠক ডেকেছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন অর্থনৈতিক বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। বৈঠকে শেয়ারবাজারের উন্নতির জন্য যে কর্মসূচি নেয়া হয়েছে তার বাস্তবায়ন হালনাগাদসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
শেয়ারবাজারের উন্নতি ও এ প্রতিষ্ঠানের সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বেশ কিছুদিন আগে এডিবি’র অর্থায়নে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে পরামর্শক নিয়োগসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা অব্যাহত রয়েছে। যে কারণে এডিবি যত দ্রুত সম্ভব এ প্রকল্প শেষ করার জন্য তাগিদ দিয়েছে। এমনকি তারা ২০১২ সালের প্রথম দিকে এ প্রকল্পের কাজ শেষ করার নিশ্চয়তা চায়। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারের উন্নয়নের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের বিদ্যমান আইন সংশোধন করা হচ্ছে। সদ্য শেষ হওয়া জাতীয় সংসদ অধিবেশনে একটি বিলও উত্থাপন হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা আর হয়নি। তবে মে মাসে অনুষ্ঠেয় স্বল্প সময়ের অধিবেশনে সংশোধিত এ আইন উপস্থাপন করা হবে। এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০ মার্চ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ও পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক উত্থান-পতন বিষয়ে তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি করণীয় সম্পর্কে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। মন্ত্রী চিঠিতে লিখেছেন, শেয়ার বাই ব্যাক সম্পর্কে এসইসি ইতিমধ্যে বিস্তৃত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে স্টক এক্সচেঞ্জ তদন্ত কমিটির অভিমত চাওয়া যেতে পারে। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, মে মাসে যে স্বল্প সময়ের অধিবেশন হবে সেখানে এটি দিতেই হবে। তিনি এসইসিকে কয়েকটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণের তাগিদ দিয়েছেন। জানা গেছে, ৩০-৩১ মার্চ অনুষ্ঠেয় এডিবি অর্থায়নের প্রকল্প নিয়ে যখন আলোচনা হবে তখন তাদের মূলধন বাজার বা শেয়ারবাজারের সর্বশেষ অবস্থা অবহিত করা হবে। একই সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিমধ্যে কি ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে তারও একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হতে পারে। বৈঠকে আরও যেসব বিষয় আলোচনা হবে তার মধ্যে রয়েছেÑ মাধ্যমিক শিক্ষকদের গুণগত মানের উন্নয়নের জন্য যে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে তার সর্বশেষ অবস্থা। এর পাশাপাশি দ্বিতীয় মাধ্যমিক শিক্ষা খাতে যে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে তা বর্তমানে কি অবস্থায় রয়েছে তার সর্বশেষ অবস্থা অবহিত করা হবে এডিবিকে।
সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য কি ধরনের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো যায় সে ব্যাপারে ইতিমধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক পরামর্শ দিয়েছে। এমনকি তারা এ ব্যাপারে পরামর্শক নিয়োগের জন্য অর্থায়নের ব্যবস্থা করেছে। তবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ জানিয়েছে, প্রকল্প ধীরগতিতে হওয়ায় তারা এখনও মোটা অংকের অর্থ ছাড় করেনি।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক দীর্ঘদিন যাবৎ সড়ক নেটওয়ার্ক উন্নয়ন ও সড়ক ব্যবস্থাপনার জন্য প্রকল্প সহায়তা দিয়ে আসছে। কিন্তু এখনও বেশকিছু প্রকল্পের অনেক কাজ বাকি রয়েছে। যে কারণে এডিবি বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চায়। পদ্মা বহুমুখী সেতুর ব্যাপারে আলোচনার বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হলেও এ বিষয়টি নিয়ে এখনও দ্বিধা-দ্বন্দ্বে রয়েছে সেতু বিভাগ। তবে এডিবি বিষয়টি আলোচনা করতে চাইলে তারা সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করবে। একইভাবে রেল খাতের উন্নয়নের জন্য এডিবি যে কর্মসূচি নিয়েছে তারও সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাওয়া হবে ওই বৈঠকে। এর পাশাপাশি রয়েছেÑ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, দ্বিতীয় শহর প্রাথমিক স্বাস্থ্য প্রকল্প, দক্ষিণ এশিয়া পর্যটন অবকাঠামো, আঞ্চলিক পরিবহন প্রকল্প, প্রাকৃতিক গ্যাস উন্নয়ন, বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন, বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যুৎ আন্তঃসংযোগ ইত্যাদি।
Quote   
03/25/2011 7:15 am

Junior Member


Regist.: 01/21/2011
Topics: 0
Posts: 12
OFFLINE
Thanks Asad bhai.
Quote   
03/26/2011 12:49 am

NEWBIE


Regist.: 03/26/2011
Topics: 0
Posts: 4
OFFLINE
Thanks....
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview