| 03/28/2011 3:48 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
তদন্ত প্রতিবেদনের আগে বুকবিল্ডিং সংস্কার নয়
এসইসির সঙ্গে বৈঠকে ডিএসই-সিএসই, বিএপিএলসি ও বিএমবিএর প্রস্তাব
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও কারসাজি অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের আগে কোন রকম সংস্কার না করে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জ, বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশনে পাবলিকলি লিস্টেট কোম্পানিজ (বিএপিএলসি) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। গতকাল সোমবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে চার প্রতিষ্ঠানের পৰ থেকে যৌথভাবে এ প্রস্তাব দেয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে এসইসির পৰ থেকে তাৎৰণিকভাবে কোন সিদ্ধানত্ম বা মতামত দেয়া হয়নি বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।
বৈঠক শেষে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখরউদ্দীন আলী আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, পুঁজিবাজার সম্পর্কে তদনত্ম কমিটির কাজ শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। হয়ত বা সপ্তাহখানেকের মধ্যেই কমিটি তাদের প্রতিবেদন পেশ করবে। কমিটির প্রতিবেদনে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়েও সুপারিশ থাকতে পারে। তদনত্ম কমিটির মতামত পর্যালোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধানত্ম নেয়া উচিত।
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি বন্ধ রয়েছে। আপাতত এটা বন্ধ রাখাই শ্রেয়। তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনে কোন সুপারিশ থাকলে সে অনুযায়ী এটা সংশোধন করা যেতে পারে।
এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিশনের সদস্য মোঃ ইয়াসিন আলী, মোঃ আনিসুজ্জামান, বিএপিএলসির সভাপতি সালমান এফ রহমান, বিএমবিএ সভাপতি শেখ মোর্তুজা আহমেদসহ এসইসির উর্ধর্তন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উলেস্নখ্য, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে গত ২১ মার্চ এসইসিতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এসইসির পৰ থেকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএর নেতাদের কাছে সংশোধনী প্রসত্মাবগুলো তুলে ধরা হয়। ওই বৈঠকে বিএপিএলসির চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে জটিলতা এড়াতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি বাতিলের প্রসত্মাব করেছিলেন। তিনি নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির প্রসত্মাব করেন। তবে ডিএসই-সিএসই, বিএমবিএ প্রতিনিধি এবং এসইসি কর্মকর্তারা তাঁর এই প্রসত্মাবের বিরোধিতা করেন।
ওই বৈঠকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএ প্রতিনিধিরা তাৎৰণিকভাবে এসইসির প্রসত্মাবের ওপর কোন মতামত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ কারণে পরবর্তীতে আরেকটি বৈঠক করে সব প্রতিষ্ঠানের মতামত গ্রহণের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। কমিশনের প্রসত্মাবের ওপর নিজ নিজ ফোরামে আলোচনার পর পরবর্তী বৈঠকে মতামত পেশ করার কথা।
কিন্তু এসইসির সঙ্গে বৈঠকের আগেই গত শনিবার বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে নিজেদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএ নেতারা। বৈঠকে সংগঠনগুলোর নেতারা তদনত্ম কমিটির সুপারিশ পাওয়ার আগে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনের উদ্যোগ স্থগিত রাখার পৰে অবস্থান নেন। সোমবার এসইসির সঙ্গে বৈঠকে তাদের এই সিদ্ধানত্মের বিষয়টি এসইসিকে অবহিত করা হয়। |
|
|
| 03/28/2011 3:49 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
চারদিন পর উর্ধমুখী শেয়ারবাজার
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ টানা চার দিন সংশোধনের পর আবার উর্ধমুখী ধারায় ফিরেছে দেশের পুঁজিবাজার। অধিকাংশ কোম্পানির দরবৃদ্ধির প্রভাবে সোমবার ১৪৮.৮৯ পয়েন্টেরও বেশি বেড়েছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই)। ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সব খাতেই অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। সামগ্রিকভাবে বাজার পরিস্থিতি ইতিবাচক হলেও শেয়ার লেনদেনে শস্নথগতি অব্যাহত রয়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক কাটতে শুরু করলেও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা কমে যাওয়ায় লেনদেন কম হচ্ছে বলে বাজার বিশেস্নষকরা মনে করছেন।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে সোমবার চাঙ্গাভাবের মধ্য দিয়েই লেনদেন শুরম্ন হয়। দিনের অধিকাংশ সময়ই এ ধারা অব্যাহত ছিল। দিন শেষে লেনদেন হওয়া ২৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ারের দর বেড়েছে ২৩৯টির, কমেছে ২০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দু'টির। এর প্রভাবে ডিএসই সাধারণ সূচক ১৪৮.৮৯ পয়েন্ট বেড়ে ৬২৪৩.৫৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সারা দিনে মোট ৭৯০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে চেয়ে ১৭৫ কোটি টাকা বেশি।
ডিএসইতে সিরামিক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, তথ্য-প্রযুক্তি, টেলিযোগযোগ ও বিবিধ খাতের সব কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। এছাড়া ব্যাংকিং খাতের তালিকাভুক্ত ৩০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৫টির, সিরামিক খাতে ৫টির মধ্যে ৪টির, প্রকৌশল খাতে ২৩টির মধ্যে ২০টির, খাদ্য খাতের ১৫টির মধ্যে ১৪টির, জ্বালানি খাতে ১১টির মধ্যে ১০টির, বীমা খাতের ৪৪টির মধ্যে ৪২টির, ওষুধ খাতের ২০টির মধ্যে ১৮টির এবং বস্ত্র খাতের ২৫টি কোম্পানির মধ্যে ২৩টিরই শেয়ারের দর বেড়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত ৩৩টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৯টিরই দর বেড়েছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৩৯০.৪৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৭৫৩৭.১১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এখানে লেনদেন হওয়া ২০০টি প্রতিষ্ঠানের ১৮১টির শেয়ারের দর বেড়েছে, ১৫টির কমেছে এবং ৪টির অপরিবর্তিত রয়েছে। সারা দিনে ৯০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ১৫ কোটি টাকা বেশি।
পিপলস ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ এবং ৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান পিপলস ইন্সু্যরেন্স লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়।
কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০ টাকা মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের ৰেত্রে ৫০ পয়সা নগদ লভ্যাংশ এবং ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৫টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর লেডিস ক্লাবে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১১ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর পিপলস ইন্সু্যরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ২ টাকা ১১ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৯ টাকা ৮৯ পয়সা। |
|
|
| 03/28/2011 3:50 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
'বাংলাদেশ ফান্ড' চূড়ান্ত
ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য এসইসিতে আবেদন জমা দেয়া হবে আজ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারের তারল্য সঙ্কট কাটাতে ৫ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ড' গঠনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য আজ (মঙ্গলবার) সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন জমা দেয়া হবে। কমিশনের অনুমোদনের পর মেয়াদহীন (ওপেন এ্যান্ড) মিউচ্যুয়াল ফান্ডের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী উদ্যোক্তা অংশের অর্থ নিয়ে শীঘ্রই এই তহবিলের কার্যক্রম শুরু হবে।
তহবিলের মূল উদ্যোক্তা ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান, 'বাংলাদেশ ফান্ড' নিয়ে আর কোন সংশয়ের অবকাশ নেই। ইতোমধ্যেই সব প্রায় উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ এই ফান্ডের জন্য অর্থ বরাদ্দের প্রসত্মাব অনুমোদন করেছে। এসইসির অনুমোদন পাওয়ার পর পরই ট্রাস্ট চুক্তি স্বাৰর করে ফান্ডটিকে সক্রিয় করা হবে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ফান্ডের মোট আকার হবে ৫ হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে আটটি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা যোগান দিচ্ছে। ইতোমধ্যেই আইসিবি ৫০০ কোটি টাকা, সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, সাধারণ বীমা করপোরেশন ১০০ কোটি টাকা এবং রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ বরাদ্দ করেছে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংক ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা দেবে বলে জানিয়েছে। দু'একদিনের মধ্যেই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এ অর্থ অনুমোদন করবে। তবে জীবন বীমা কর্পোরেশন ৫০ কোটি টাকা দেয়ার কথা জানালেও বিষয়টি নিশ্চিত নয়। অবশ্য জীবন বীমা কর্পোরেশন টাকা না দিলে সোনালী ব্যাংক আরও ৫০ কোটি টাকা প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়েছে।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান, এসইসির কাছ থেকে ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন পাওয়ার পর ফান্ডে অংশগ্রহণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বেসিক ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন এই ফান্ডে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া বেসরকারী ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও এর সঙ্গে যুক্ত করা হবে। দ্রম্নততম সময়ের মধ্যেই ফান্ডে প্রাথমিক আকার ৫ হাজার কোটি টাকা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৬ মার্চ 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল চূড়ানত্ম করা হয়। এই ওপেন এন্ড (মেয়াদহীন) মিউচু্যয়াল ফান্ড হিসেবে গঠিত এই তহবিলের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার বিবেচনায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তহবিলের আকার বাড়ানো যাবে। তহবিলের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি। রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানই ফান্ডের ট্রাস্টির দায়িত্ব পালন করবে। ফান্ড ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। এছাড়া আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি বাংলাদেশ ফান্ডের কাস্টডিয়ানের দায়িত্ব পালন করবে। |
|
|
| 03/28/2011 3:53 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The daily Janakantha
২০ ব্যাংকের আগ্রাসী লেনদেন
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনার কারণে কমতে শুরু করছে সিডিআরের পরিমাণ
খায়রুল হোসেন রাজু ॥ আগ্রাসী ব্যাংকিংয়ের কারণেই ২০টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ-আমানতের অনুপাতের (সিডিআর) গড়ে প্রায় ৮৯ শতাংশ দাঁড়িয়েছে। এসব ব্যাংকগুলো ডিপোজিটের তুলনায় অধিক হারে ঋণ বিতরণ করেছে। যদিও ঋণ বিতরণের পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে নামিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি নির্দেশনা জারি করে। আগামী জুনের মধ্যে এ নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ মার্চের হিসাব অনুযায়ী অধিকাংশ ব্যাংকই তাদের সিডিআর কমিয়ে আনছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং ও নির্দেশনার কারণেই এটি হচ্ছে।
এ বিষয় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকেসুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর তত্ত্বাবধানের কারণেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সিডিআরের অনুপাত কমতে শুরম্ন করছে। ইতোমধ্যেই অধিকাংশ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশিত সীমার মধ্যেই নেমে এসেছে। যেসব ব্যাংকের অতিরিক্ত সিডিআর রয়েছে তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কমিয়ে আনা হবে। তিনি আরও বলেন, অনুৎপাদনশীল খাতে ঋণ বিতরণ কমিয়ে খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করতে এবং উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ ঠিক রাখা হবে। যাতে করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করতে ও উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ হ্রাস না পায়। এ লৰ্যে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পাওয়া তথ্যমতে, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে গত ১৭ মার্চের মধ্যে মধ্যে তুলনা করলে দেখা যাবে ব্যাংকগুলো আগের তুলনায় সিডিআর অনেকাংশে কমাতে শুরম্ন করেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, পূবালী ব্যাংকের ৯২.২৬ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ৮৬.৬৪ শতাংশ, এবি ব্যাংকের ৯০.৮০ থেকে ৮৬.২৩ শতাংশ, দ্য সিটি ব্যাংক ৮৩.৫৫ থেকে ৮১.৩৫ শতাংশ, ইউসিবিএল ৮৮.৫২ থেকে ৮৫.৫১ শতাংশ, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ৯৭.৬০ থেকে ৯২.৭৩, ডাচ্-বাংলা ৮৬.৭৯ থেকে ৮৩.৯২ শতাংশ, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ৯১.৯১ থেকে কমে ৮৮.৯৭ শতাংশ, স্টান্ডার্ড ব্যাংক ৯৬.৬৮ থেকে ৯৩.০৯ শতাংশ, এঙ্মি ব্যাংক ১০৭.৭২ শতাংশ থেকে নেমে ৯৮.৭৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে সিডিআর। এভাবে প্রায় সব ব্যাংকের অতিরিক্তি ঋণ বিতরণের হার কমতে শুরম্ন করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর নজরধারীর কারণেই এটি হচ্ছে।
সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি অতিমাত্রায় আগ্রাসী ব্যাংকিং পরিচালনা করছিল। ফলে ব্যাংকগুলো উৎপাদনশীল খাতের চেয়ে অনুৎপাদনশীল খাতে বেশি ঋণ বিতরণ করেছে। ফলে ব্যাংকগুলোর সিডিআরের পরিমাণ প্রায় শতভাগ ছাড়িয়েছিল, যা ব্যাংকগুলোর জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোতে ব্যাপক হারে তারল্য সঙ্কট সৃষ্টি হয়। ব্যাংকগুলো অনুৎপাদনশীল খাতে ঋণ বিতরণ বেশি করে উৎপাদনশীল খাতে অপেৰাকৃত কম ঋণ বিতরণ করায় বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক কতর্ৃপৰ খতিয়ে দেখেই ব্যাংকগুলোর সিডিআর কমিয়ে আনার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। এ নির্দেশনার ফলে ব্যাংকগুলো তাদের অতিরিক্ত ঋণ বিতরণ কমাতে শুরম্ন করেছে। পাশাপাশি অনুৎপাদনশীল খাতেও ঋণ বিতরণ কমিয়ে দিয়েছে।
জানা গেছে, ডিপোজিট ও বিতরণকৃত ঋণের মধ্যে সমন্বয় করার লৰ্যে ব্যাংকগুলো ডিপোজিট সংগ্রহের ৰেত্রে মরিয়া হয়ে নামছে। ১০ থেকে শুরম্ন করে সাড়ে ১৩ শতাংশ পর্যনত্ম এফডিআর গ্রহণ করছে। যদিও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও এখন ১০.২৫ শতাংশের মধ্যে থেকেই ডিপোজিট সংগ্রহ করছে। কিন্তু বেসরকারি ও বিদেশী একাধিক ব্যাংক অতি সুদে ডিপোজিট সংগ্রহের তালিকায় রয়েছে। ব্যাংকগুলো ডিপোজিট সংগ্রহ করার পাশাপাশি নতুন করে অনুৎপাদনশীল খাতে ঋণ বিতরণও হ্রাস করছে। কারণ নতুন করে ঋণ বিতরণ হ্রাস করলে এবং ডিপোজিট বাড়ালে আগের বিতরণকৃত ঋণের সঙ্গে একটি সমন্বয় করা যাবে।
এদিকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চার ব্যাংকের সিডিআরের পরিমাণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশিত সীমার মধ্যেই রয়েছে। ২৭ জানুয়ারি ভিত্তিক তথ্যমতে, চার ব্যাংকের সিডিআরের পরিমাণ ছিল গড়ে ৭৪.৬৭ শতাংশ। আর গত ১৭ মার্চ পর্যনত্ম এর হার দাঁড়িয়েছে ৭৭.৫৮ শতাংশ। সরকারী ব্যাংকগুলোর সিডিআরের গ্রোথ এখনও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার মধ্যেই রয়েছে। |
|
|
| 03/28/2011 3:56 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
ব্যাংকের মূলধন ৭শ' কোটি টাকা করতে ব্যাসেল-২
খায়রুল হোসেন রাজু ॥ ব্যাংকগুলোতে আর নূ্যনতম মূলধন নয়, পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি এড়াতে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এটি করতে হবে। অর্থাৎ সকল তফসিলি ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে মূলধন কমপৰে ৭শ' কোটি টাকার ওপরে হতে পারে। এ লৰ্যে খুব শীঘ্রই সুপারভাইজরি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজরি রিভিউ ইভালুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ শুরম্ন করা হবে। এসব বিষয় উলেস্নখ করে সোমবার ৪৭টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধতন এক কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে বলেন, এখন থেকে ব্যাংকগুলো আর নূ্যনতম মূলধন রাখবে না। পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি নিরসন এবং আর্থিক দিক দিয়ে শক্তিশালী করার লৰ্যেই এটি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সোমবার তফসিলি ব্যাংকগুলোতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই ব্যাংক টু সংলাপ শুরম্ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, ব্যাসেল-২ এর প্রথম পিলার অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তাদের নূ্যনতম ৪শ' কোটি টাকা রাখবে। কিন্তু দ্বিতীয় পিলার অনুযায়ী নতুন করে ব্যাংকগুলোকে আবার আরও ৩শ' কোটি টাকা ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ অনুযায়ী মূলধন রাখতে হবে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পকের পরিমাণ হতে পারে প্রায় ৭শ' কোটি টাকার ওপরে।
সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকিসহ সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলা করার লৰ্যে ব্যাসেল-২ এর (এক নম্বর পিলার) বাসত্মবায়নে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে গাইডলাইন তৈরি করে সকল তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়। এরই অংশ হিসেবে আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম মূলধন রাখতে হবে ৪শ' কোটি। এ লৰ্যে ব্যাংকগুলো মূলধন সংগ্রহ করছে। ব্যাসেল-২ প্রথম পিলার বাসত্মবায়নের কিছু আগেই দ্বিতীয় পিলারের কাজ শুরম্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা জোরেসোরে কাজ শুরম্ন করছেন। এরই অংশ হিসেবে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়নের জন্য ব্যাংক টু ব্যাংক সংলাপ করতে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ সংলাপের নাম দেয়া হয়েছে- সুপারভাইজরি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজরি রিভিউ ইবেলুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ। এ সংলাপের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণের সময় কতভাগ ভুল তথ্যর ওপর ভিত্তি করে ঋণ বিতরণ করেছে, পাশাপাশি উপযুক্ত জামানত বা মটগেজ না রেখে কি পরিমাণ ঋণ বিতরণ করেছে এসব বিষয় তুলে ধরা হবে। এছাড়া এসব ভুল তথ্য ও মটগেজ ছাড়া বিতরণকৃত ঋণ আদায় করতে কি পরিমাণ সময় মূল্য নির্ধারণ করা হবে তাও সংশিস্নষ্ট ব্যাংক নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম নয়, পর্যাপ্ত মূলধন রাখার নির্দেশ দেয়া হবে। কিন্তু কি পরিমাণ মূলধন বাড়াতে হবে তা সংলাপে ব্যাংকগুলোর উর্ধতন কর্মকর্তারা উলেস্নখ করবেন। তবে সেটি ৩শ' কোটি টাকার কম হবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকি মোকাবেলা করা, ঋণ বিতরণে উপযুক্ত মটগেজ রাখা, পর্যাপ্ত তথ্য ও নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ করা এবং আনত্মর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে একযোগে কাজ করার লৰ্যেই বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে ব্যাসেল-২ বাসত্মবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাসেল-এর প্রথম কাজ প্রায় শেষের পথে। দ্বিতীয় কাজ শুরম্ন হচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পিলারের কাজ সম্পর্কে সংশিস্নষ্টদের জানানোই হবে ব্যাসেল-২ এর তৃতীয় পিলারের কাজ। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ১৫০টির বেশি দেশে ব্যাসেল-২ কার্যকর রয়েছে।
এদিকে, নূ্যনতম মূলধন সংরৰণ করতে ব্যর্থ হয়েছে ৬টি ব্যাংক। বাকি ৪১টি ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন রয়েছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত তিনটি এবং বেসরকারী তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নূ্যনতম মূলধন সংগ্রহ করতে না পারায় ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি দেখা দেয়। তবে এতে আতঙ্কের কিছু নেই। ৬টি ব্যাংকে যে পরিমাণ মূলধন ঘাটতি রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিংয়ে তা কমিয়ে আসবে বলেও সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন ৪শ' কোটি টাকা বা ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ এ দুই অপেৰা যেটি বেশি ওই পরিমাণ মূলধন সংরৰণ করতে হবে। ২০০৮ সালের আগস্ট মাসে এ সংক্রানত্ম একটি সাকর্ুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নির্দেশনায় বলা হয়, ২০১১ সালের আগস্টের মধ্যে ব্যাংকের মূলধন ৪শ' কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। এরমধ্যে ২শ' কোটি টাকা অনাদায়ী মূলধন এবং ২শ' কোটি টাকা সংরৰিত মূলধন রাখতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের মোট ৯ শতাংশ মূলধন থাকার কথা থাকলেও তা নেই। নির্ধারিত মোট ৬টি ব্যাংক ছাড়া বাকি ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত মূলধন রয়েছে। |
|
|
| 03/28/2011 3:57 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের তদন্ত রিপোর্ট জমা পিছিয়ে যাচ্ছে
অর্থমন্ত্রী বিদেশ যাচ্ছেন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বিদেশ সফরের কারণে চলতি সপ্তাহে প্রতিবেদন জমা দিতে পারছে না পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে সরকার গঠিত তদন্ত কমিটি। আগামী ৬ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী দেশে ফেরার পর এই প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজার সম্পর্কিত তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করার জন্য তদন্ত কমিটির পৰ থেকে আগামী ৩১ মার্চ বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে সময় চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাষ্ট্রীয় কাজে তিনি বুধবার ভোরে ফ্রান্সের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। এ কারণে অর্থমন্ত্রী তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেশের সময় নির্ধারণ করেননি। বিদেশ সফর থেকে ফিরে কখন তদন্ত কমিটিকে সময় দেবেন সে বিষয়ে আজ (মঙ্গলবার) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হতে পারে। আগামী ৬ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরবেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদনত্ম কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ জনকণ্ঠকে বলেন, '৩১ মার্চ প্রতিবেদন পেশের প্রস্তুতি নিয়ে আমরা তদনত্ম প্রতিবেদন তৈরি করছি। এজন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে সময় চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি দেশে থাকছেন না। দ্রম্নত কাজ শেষ করে বুধবার প্রতিবেদন জমা দেয়া সম্ভব হলেও ওইদিন ভোরেই অর্থমন্ত্রী ঢাকা ত্যাগ করবেন। আর শত চেষ্টা করেও মঙ্গলবারের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না। ফলে অর্থমন্ত্রী দেশে ফেরার পরই প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। বিদেশ যাত্রার আগেই অর্থমন্ত্রী প্রতিবেদন জমার সময় নির্ধারণ করে যাবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন।'
উলেস্নখ্য, গত ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পুঁজিবাজারে একের পর এক বিপর্যয়ের প্রেৰিতে এর কারণ উদ্ঘাটন ও কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একটি তদনত্ম কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। গত ২৬ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এসইসির পৰ থেকে তিন সদস্যের তদনত্ম কমিটি এবং এর কার্যপরিধি ঘোষণা করা হয়। কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে গঠিত তদনত্ম কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন_ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী এবং আইসিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী এফসিএ। পরে গত ২২ ফেব্রম্নয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিহাদ কবিরকে অন্তুর্ভুক্ত করে তদনত্ম কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। ওই প্রজ্ঞাপনে কার্যপরিধি অপরিবর্তিত রাখা হলেও এর মাধ্যমে কমিটির কার্যক্রম এসইসির পরিবর্তে মন্ত্রণালয়ের আওতায় ন্যসত্ম হয়। এ কারণে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছেই প্রতিবেদন জমা দেবে তদনত্ম কমিটি। |
|
|
| 03/28/2011 4:01 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজারের বেশিরভাগ কোম্পানির দাম, সূচক ও লেনদেন বেড়েছে
---------------------------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: দেশের দুই পুঁজিবাজারে টানা চার কার্যদিবস পর সোমবার বেশিরভাগ কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে সূচক ও মোট লেনদেনর পরিমাণ। এর আগের চার কার্যদিবসে উভয় পুঁজিবাজারের সূচক টানা কমেছে।
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট ২৬১টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩৯টির, কমেছে ২০টির ও অপরিবর্তিত ছিল ২টি কোম্পানির দাম।
পাশাপাশি সাধারণ সূচক ১৪৮ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ২শ’ ৪৩ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সার্বিক সূচক ১শ’ ২২ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ১শ’ ৭৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৭শ’ ৯০ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬শ’ ২৫ কোটি ১৭ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।
সোমবার লেনদেনের দিক দিয়ে দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড। এরপর পর্যায়ক্রমে ছিল আরএন স্পিনিং, পিএলএফএসএল, গোল্ডেন সন, তিতাস গ্যাস, কেয়া কসমেটিকস, বেক্সটেক্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ম্যাকসন্স স্পিনিং ও ন্যাশনাল ব্যাংক।
দাম বাড়ার দিক থেকে দশ কোম্পানি হলো- সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, কাশেম ড্রাইসেলস, কেয়া ডিটারজেন্ট, সায়হাম টেক্সটাইল, আনলিমা ইয়ার্ন, মেট্টো স্পিনিং, হাক্কানী পাল্প, রংপুর ফাউন্ড্রি, বিডি অটোকারস ও পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স।
সবচেয়ে বেশি দাম কমা দশ কোম্পানি হলো- পিপলস ইন্স্যুরেন্স, এআইবিএল, ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, িঝল বাংলা, এপেক্স স্পিনিং, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, এবি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, দেশবন্ধু পলিমার ও ব্যাংক এশিয়া।
অন্যদিকে, সোমবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয় মোট ২০০টি কোম্পানির। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮১টির, কমেছে ১৫টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৪টি কোম্পানির দাম।
একইসঙ্গে সিএসসিতে সাধারণ সূচক ২৫৪ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ৩শ’ ২৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ৩শ’ ৯০ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৫শ’ ৩৭ পয়েন্টে উঠে আসে।
এদিন সিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৯০ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭৫ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৩২ ঘণ্টা, মার্চ ২৮, ২০১১
|
|
|
| 03/28/2011 4:02 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | প্রাইম ব্যাংকের নিট মুনাফা ৩০০ কোটি টাকা
-----------------------------------------
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা : ২০১০ সালে প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড নিরীতি ৩০০ কোটি টাকা কর পরবর্তী নীট মুনাফা অর্জন করেছে।
পাশাপাশি ব্যাংকটি বার্ষিক হিসাবের ভিত্তিতে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড এবং ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে।
রোববার সকালে হোটেল শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত প্রাইম ব্যাংকের ষষ্ঠদশ বার্ষিক সাধারণ সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী।
আজম জে চৌধুরী শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশে বলেন, ব্যাংকের প্রতি তাদের অবিচল আস্থার কারণেই ব্যাংক বর্তমান সাফল্য অর্জন করেছে।
তিনি আরও বলেন, গত বছর প্রাইম ব্যাংক তার কার্যক্রমের সর্বেেত্র উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাইম ব্যাংক ২০১০ সালে নিরীতি ৩০০ কোটি টাকা কর পরবর্তী নিট মুনাফা অর্জন করে। আমানতের পরিমাণ গত বছরের ১০ হাজার ৬৯৬ কোটি থেকে বেড়ে ১২ হাজার ৪৫২ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
এেেত্র প্রবৃদ্ধির হার ১৬ শতাংশ। ঋণ পোর্টফোলিওর পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি টাকা। এটা ২০০৯ সালের ৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকার তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি।
বৈদেশিক বিনিময় ব্যবসা ২৮ হাজার ৩০৮ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এটি আগের বছরের ১৯ হাজার ৯০০ কোটি টাকা অপেক্ষা ৪২ শতাংশ বেশি।
মূলধন পর্যাপ্ততার হার ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এটাও প্রয়োজনীয় ৯ শতাংশের তুলনায় বেশি।
ব্যাংক দতার সঙ্গে তার ঋণ পোর্টফোলিওর নিবিড় তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে খেলাপী ঋণের হার মোট ঋণের ১ দশমিক ২৩ শতাংশে সীমিত রাখতে সম হয়েছে।
রিটার্ন অন অ্যাসেটের হার ২ দশকি ১৬ শতাংশ।
সভায় প্রাইম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহনাজ কাশেম, নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারপারসন হাসিনা খান, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আইনুন নিশাত, পরিচালক- মোহাম্মদ আমিনুল হক, কাজী সালিমুল হক, সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, খন্দকার মোহাম্মদ খালেদ, এমএ খালেক, মুসলিমা শিরীন, মফিজ আহমেদ ভূঁইয়া, মেহেরুন্নেসা হক, রাজিয়া রহমান, মনজুর মোর্শেদ, অধ্যাপক মোহাম্মদ আসলাম ভূঁইয়া এবং মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এহসানুল হক, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রিয়াজুল করিম, আহমেদ কামাল খান চৌধুরী, আই বি চৌধুরী ও গোলাম রব্বানী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৯২৭ ঘণ্টা, মার্চ ২৭, ২০১১
|
|
|
| 03/28/2011 4:04 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
বুক বিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন
তদন্ত প্রতিবেদনের পর পদক্ষেপের সুপারিশনিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৯-০৩-২০১১
পুঁজিবাজারে কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বুক বিল্ডিং পদ্ধতির কার্যক্রম স্থগিত রাখাসহ পদ্ধতিটি সংশোধনের উদ্যোগ থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) বিরত থাকার দাবি জানিয়েছেন বাজার-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতারা।
এসইসির উদ্যোগে আয়োজিত বুক বিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধন নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় গতকাল সোমবার তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে এ অভিমত ও দাবি জানান।
এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি ফখরউদ্দিন আলী আহমদ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহসানুল ইসলাম, বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সালমান এফ রহমান এবং মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে ফখরউদ্দিন আলী আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের পর এ ব্যাপারে কমিটির কোনো সুপারিশ থাকলে সে অনুযায়ী বুক বিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন করার কথা এসইসিকে বলেছি।’
আহসানুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি যে বন্ধ রয়েছে তা আপাতত অব্যাহত থাকুক, এটাই আমাদের সম্মিলিত অভিমত।’
তিনি বলেন, তদন্ত কমিটি বুক বিল্ডিং পদ্ধতি কীভাবে বাজারে সমস্যা সৃষ্টি করেছে বা আদৌ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে। সুতরাং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে যথাযথ সুপারিশ এলে সেটা পর্যালোচনা করে পদ্ধতি সংশোধনের চিন্তাভাবনা করা যাবে।
আহসানুল ইসলাম অবশ্য বলেন, ‘বাজার স্থিতিশীল করতে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির প্রয়োজন রয়েছে। তবে বুক বিল্ডিংয়ে শেয়ারের মূল্য স্থির করে দেওয়ার কোনো নিয়ম থাকুক সেটাও আমরা চাই না। এ পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য কী হবে, সেটা বাজার শক্তির ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। বর্তমান আইন অনুযায়ী কোনো কোম্পানি স্থির মূল্য পদ্ধতিতে আসতে চাইলে আসতে পারবে।’
এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির ব্যাপারে আহসানুল ইসলাম বলেন, কোম্পানির পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি আইনত বৈধ নয়। বরং সঠিক পুনঃক্রয় নীতি অনুযায়ী আসতে চাইলে তারা আসতে পারবে।
এদিকে গতকাল এসইসি এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির মেয়াদ ১৪ দিন বাড়িয়েছে। নিয়মানুযায়ী প্রাথমিক শেয়ারের বিপরীতে চাঁদা গ্রহণের (সাবস্ক্রিপশন) শেষ হওয়ার ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্ত হতে হয়। এ নিয়মানুযায়ী গতকাল কোম্পানিটির তালিকাভুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে বলে এসইসি জানিয়েছে। |
|
|
| 03/28/2011 4:06 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Tuesday, March 29, 2011
BusinessBook building reforms hinge on probe report
Star Business Report
Regulators will decide on reforms to the controversial book building system after a stockmarket probe committee submits its report to the government early next month.
Stakeholders proposed that the stockmarket regulator should decide the fate of the book building system after submission of the probe report. The Securities and Exchange Commission accepted it.
The SEC sat with the stakeholders, who were earlier asked to come up with suggestions on modifications of the book building method. The commission's Chairman Ziaul Haque Khondker presided over the meeting.
Representatives of Dhaka and Chittagong stock exchanges, Bangladesh Merchant Bankers' Association and Bangladesh Association of Publicly Listed Companies Association were present.
Apart from its findings on the recent stockmarket debacle, the probe committee is expected to give advice on amendments to securities rules and regulations, including the book building regulation, an IPO pricing mechanism that was criticised by economists, market experts and analysts before it was suspended in January.
“If so, it will be better putting the issue on the table after seeing the probe committee's recommendations,” said an SEC official who attended the meeting.
Ahasanul Islam Titu, senior vice-president of Dhaka Stock Exchange, said: "After reviewing the concrete proposals of the probe committee, if there is any, we will fine-tune the book-building method."
Echoing Titu, Chittagong Stock Exchange President Fakhor Uddin Ali Ahmed said, "A modified book-building method depends on the report of the probe committee that, we expect, will propose a new guideline on the system.”
Earlier on March 14, the SEC recommended some changes in the book building method and sought suggestions from the market stakeholders on the proposed changes.
But the stakeholders opposed some of the SEC's suggestions on fixing an indicative price based on price-earnings (PE) and net asset value (NAV), and calculation method of earnings per share (EPS), meeting participants said.
In line with the SEC recommendations, the offer price of a company's share will be no more than 15 PE (price-earnings), or must not exceed five times its net asset value per share, or whichever is lower, under the book building system.
The PE should be calculated based on the company's preceding three years' average earnings per share (EPS) mentioned in the audited accounts.
A committee comprising the Institute of Chartered Accountants of Bangladesh, the Institute of Cost and Management Accountants of Bangladesh and Dhaka and Chittagong bourses will scrutinise the audited accounts submitted by the companies before IPO.
The officials of other departments concerned will also be on the committee. If the committee has any comments or opinions after the scrutiny, those will have to be sent to the commission within seven working days.
The lock-in period for institutional investors has been proposed to be 60 days instead of 15, while the subscription period at 15 days, down from 25.
The SEC also recommended a cut in the institutional bidding period from 72 hours down to 48 hours.
After the bidding, the issuer company and the issue manager will have to submit the final IPO prospectus to the SEC within 48 hours.
The printed draft IPO prospectus will have to be sent to the related institutions and organisations at least five days before the road-show, where DSE and CSE officials will be present.
|
|
|
| 03/28/2011 4:08 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
Battle for deposits eases
Tuesday, March 29, 2011
A battle for deposits, which erupted a few months ago, is easing following the central bank's strict order to bring down the loan-deposit ratio within 85 percent by June, top bankers said.
Still some private banks are embarking on aggressive campaigns to offer higher interest rates on deposits to gather more resources to reduce their loan exposure in line with the regulatory order.
The private banks are offering a 12-13.5 percent interest rate on deposits in recent months. A few banks were reported to offer as high as 14 percent.
“The deposit crisis has slowed, but still there are challenges,” Ali Reza Iftekhar, managing director and CEO of Eastern Bank told The Daily Star.
Shahjahan Bhuiyan, managing director of United Commercial Bank, Helal Ahmed Chowdhury, managing director of Pubali Bank, and Anis A Khan, managing director and CEO of Mutual Trust Bank, also echoed Iftekhar's view on the situation in the deposit market.
“The demand for money has been marginalised due to Bangladesh Bank's intervention,” said Bhuiyan.
Recently, banks are facing a deposit crisis, mainly due to funding the rising imports of commodities and power plant equipment. The withdrawal of deposits to take those to the stockmarket has also made the banks deposit-starved since the last quarter of 2010.
The central bank found that some banks' loan-deposit ratio went up as high as 100 percent, well above the ceiling at 85 percent. The Bangladesh Bank has ordered all scheduled banks to bring down the ratio within 85 percent by June to avoid regulatory actions and help reduce the inflationary pressure.
So, banks have two options -- reducing the lending and enhancing the deposits -- to keep the loan-deposit ratio within the regulatory framework.
Finding the first option as 'impossible' to do, the banks have been involved in a fierce competition to attract deposits. Still four/five banks offer 13.5 percent rate for fixed deposits. Dhaka Bank is one of those, which offer 13.5 percent interest rate for one-year fixed deposits above Tk 25 lakh.
First Security Bank and SIBL also give 13.5 percent interest against deposits. BRAC Bank offers 13 percent interest for one-year deposit scheme.
“Things are improving gradually,” said Anis A Khan of Mutual Trust Bank. The bank's loan-deposit ratio is at 81 percent, well below the ceiling of 85 percent.
Khan hopes the situation will improve further for taking another measure relating to the participation of primary dealers (PD) into the treasury auctions.
Now, only PD banks are allowed in the treasury auctions, he said, quoting a recent central bank decision. Earlier non-PD banks could also participate in the bidding.
“This is a very positive step; it will boost banks' liquidity,” said Khan.
Helal Ahmed Chowdhury blamed some banks for treasury mismanagement by lending beyond their capacity.
“Some banks opened LCs (letter of credit) for capital machinery anticipating a significant improvement in the power sector. Later, they were in trouble to pay against those LCs,” said Chowdhury. “These banks are pushing the cost of fund up,” he added.
Though the banks are offering higher deposit rates, the real effective rates (deposit rates-inflation rates) are still less than 5 percent.
|
|
|
| 03/28/2011 4:09 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Tuesday, March 29, 2011
BusinessStocks back in black
Star Business Report
Stocks gained yesterday after a continuous four-day plunge, as investors started buying shares to take advantage of low prices.
The benchmark general index of Dhaka Stock Exchange (DGEN) achieved 148 points, or 2.44 percent, to close at 6243.52. DGEN had lost a total of 433.57 points in the past four trading sessions.
The selective price index of Chittagong Stock Exchange also achieved 254 points, or 2.3 percent, to close at 11,328 points.
Market insiders said uncertainty about the funds was gone as the Banking Division officials said the Investment Corporation of Bangladesh (ICB) is efficient in fund management.
However, the officials said, following the International Monetary Fund (IMF) concern, the ICB will operate the fund more cautiously.
Earlier, the IMF opposed the Tk 5,000 crore Bangladesh Fund as it could invite moral hazards and pose added risks to its sponsors, including state-owned commercial banks.
Investors went for buying shares as the ICB will submit the fund within this week for approval, said a stockbroker.
Trading volume increased on the day so it proves that investors regained some confidence, he added.
Salahuddin Ahmed Khan, who teaches finance at Dhaka University, said: "The market gained some points as investors wanted to avail themselves of the lower share prices."
The surveillance department of the Securities and Exchange Commission should work properly to find the unusual performances of the low-profile companies, he added.
Akter H Sannamat, a market analyst, said, "It is good for the stockmarket that trading volume has increased.”
Most of the major sector gained yesterday: banks 1.03 percent, fuel and power 3.89 percent and telecoms 3.06 percent.
Of the total 261 issues traded on the day, 239 advanced, 20 declined and two remained unchanged.
The daily turnover on the DSE was stood at Tk 790 crore, up Tk 165.59 crore from the previous day.
Beximco topped the turnover leaders with 12.59 lakh shares worth Tk 39.07 crore traded on DSE.
The other turnover leaders were RN Spinning, Peoples Leasing and Financial Services, Golden Son, Titas Gas, Keya Cosmetics, Bextex, United Airways, Maksons Spinning Mills and National Bank.
|
|
|
| 03/28/2011 4:17 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Mutual fund IPOs face under-subscriptions
FE Report
The IPO (initial public offering) subscription of mutual funds (MFs) are facing under-subscription due to investors' poor response, market sources said.
The situation deteriorated after the recent stock market crash that also made investors' confidence very shaky.
Some fund managers termed the present crisis of MFs as "unfortunate".
However, they also expressed their hope that investors' confidence to MFs would be restored when the market would bounce back to a normal situation.
Recently two MFs faced under-subscriptions as their fund managers have failed to complete the subscriptions within the timeframe, set by the Securities and Exchange Commission (SEC).
"This is the first time that two MF IPO seekers got under subscription due to poor response of primary unit-holders," an SEC official told the FE.
He said, the other fund managers presently are in uncertainty regarding the full subscriptions of the MFs, which are already approved by the SEC to go public.
"This crisis is very unfortunate for our MF industry," Reaz Islam, a fund manager, told the FE.
"Our previous practice of gaining over-night profit through the units of MFs is an obstacle in establishing this industry," he said.
He said both the fund managers and investors will have to follow the worldwide practice for the sake of MF industry.
The MFs, which went public during the bullish period of the stock market experienced better subscriptions.
For example, EBL First Mutual Fund had been over-subscribed by 17.19 times, ICB AMCL 2nd Mutual Fund by 8.29 times, ICB Employees Provident Mutual Fund One : Scheme One by 7.91 times, Trust Bank 1st Mutual Fund by 10.28 times, DBH 1st Mutual Fund 10.77 times, Prime Bank 1st ICB AMCL Mutual Fund by 10.77 times, IFIC Bank 1st Mutual Fund 17.59 times and Phoenix Finance 1st Mutual Fund 19.23 times.
Recently, the SEC increased the maximum limit for individuals from Tk 100 million to Tk 250 million in the placement shares of MFs, as the fund managers were facing problems to complete the placement portions.
The regulator has also lifted the limitations for institutional investors in the placement shares of MFs.
The regulator has also paved the way for MFs to quote prices in the bidding process of the IPO issues that will go public under the book building method.
But presently, the MFs are not able to do so as, the ministry of finance temporarily suspended the book building method.
|
|
|
| 03/28/2011 4:18 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Dhaka stocks up after four consecutive days
FE Report
Dhaka stocks bounced back Monday with encouraging rise in the turnover after four consecutive days due to increased participation from institutional investors.
DGEN, the benchmark of Dhaka Stock Exchange (DSE) made a hefty gain of 148.88 points or 2.44 per cent on the day to peg at 6243.52 points.
The daily total turnover increased to Tk 7.91 billion in value terms, up by 26.5 per cent from Tk 6.25 billion in the previous session.
The gainers number took strong lead over the losers as out of 261 issues traded, 239 issues advanced, only 20 declined and two remained unchanged.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) rose 122.49 points or 2.42 per cent to 5,177.99. The DSE-20 index including blue chips gained 1.52 per cent or 58.82 points to 3,928.18.
Capital market analyst Akter H Sannamat said the market closed positive as some clarification came up over the IMF's recent comments on formation of proposed Bangladesh Fund.
"The investors who were confused and get panicked in the last few days of trading over the IMF comments on share market and formation of Tk 50 billion Bangladesh Fund, now have realized that the IMF would not make any recommendation which may affect the stock market," he said.
Another market analyst, Managing director and CEO of AIMS of Bangladesh Yawer Sayeed remains skeptical on the overall situation of the capital market saying that "The market is still in volatile situation and it should be stand at the strong fundamental and for this we should wait for some times."
"The market faces many problems like investigation report, IMF problem, book-building method problem, Mobil Jamuna Lubricants listing problem," Mr Sayeed said.
Meanwhile, the market opened with a flying note and the momentum continued until the closure, as the investors went for fresh buying.
All major sectors share witnessed moderate gain on the day lead by Insurance, NBFIs, Life Insurance and Paper and Printing sector.
Banking sector, the market's bellwether gained 1.03 per cent. Among the other notable gainers of the day NBFIs raises 2.34 per cent, telecommunication 3.06 per cent, fuel and power 3.89 per cent, mutual fund 2.35 per cent, general insurance 2.73 per cent, life insurance 4.05 per cent, pharmaceuticals 2.01 per cent, cement 3.94 per cent, textile 4.55 per cent, ceramics 5.16 per cent and jute 5.51 per cent.
Among the 30 listed banks, only 4 declined, among the 40 listed Insurance companies only 2 declined on the day. All the NBFI shares gained as investors were keen to buy.
A total of 67.17 million shares changed hands which were 58.08 million in the previous session. The trade deals also increased and stood at 157,041 against 137,353 in the previous session.
The market capitalization also increased and stood at Tk 2,811.32 billion which was Tk 2,753.87 billion Sunday.
City General Insurance was the day's highest gainer posting 9.89 per cent. It was followed by Quasem Drycell, Keya Detergents, Saiham Textile, Anlima Yarn, Metro spinning, Hakkani Paper and Pulp, Rangpur Foundry, BD Autocars and Popular Life Insurance.
|
|
|
| 03/28/2011 4:19 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Final draft amendment to banking cos act by June
FE REPORT
Bangladesh Bank (BB) will finalise the draft amendment to the Banking Companies Act by June, a central bank official told BSS Monday.
The final draft will take the major amendment process a step forward, but the fate of the much-talked about reform will depend on the active efforts of the higher authorities, the official said.
Finance Minister Abul Maal Abdul Muhith earlier told media that the Banking Companies Act would be amended by June this year to ensure more transparency in the financial sector.
Chairman of the Parliamentary Standing Committee on Finance AMH Mostafa Kamal said the committee was reviewing the pros and cons of the amendment to ensure a better legal framework for the country's financial sector.
Referring to the government's commitment to update the legal framework that governs the banking and financial sector, BB Executive Director Jahangir Alam told the news agency that a committee of the central bank would finalise the draft and submit it to the finance ministry by June.
He said the draft will have some major reform proposals to establish more transparency and accountability, removing the room for all sorts of conflict of interests in the financial sector.
The official, however, did not want to elaborate on the extent of the reform proposals.
A high official of the finance ministry said the government plans to place the final draft of the act before the parliament by year-end Joint Secretary of the Finance Division Amalendu Mukherjee said the finance ministry would hold a series of meetings with stakeholders on the draft after getting it from the central bank.
Framed in 1991, the Bank Companies Act has so far been amended twice in 1993 and 1995 to make it more effective in managing the financial sector in a better way.
The caretaker government in 2007 amended the law through an ordinance, but it did not come to effect as the then government later changed its mind and refrained from ratifying it.
The present government again initiated the amendment process as part of its plan to reform legal frameworks to expedite the country's business, trade and investment.
One of the major objectives of the reform process is to bring an end to the system of holding directorships simultaneously in more than one financial institution.
Sources said a group of directors of banks, financial institutions and insurance companies are opposing the reform process to protect their vested interest.
According to BB, there are at least 120 businessmen who are now enjoying dual directorships in a bank and other financial institutions or insurance companies.
|
|
|
|