Page 1 / 2 1 - 2 Next »
NEWS 28.03.2011
03/27/2011 3:25 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom Alo
লংকাবাংলা ফিন্যান্স ৫৫% বোনাস শেয়ার দেবে

সম্প্রতি লংকাবাংলা ফিন্যান্স লিমিটেডের ১৪তম বার্ষিক সাধারণ সভায় শেয়ারধারীরা ২০১০ সালের জন্য লভ্যাংশ হিসেবে ৫৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার অনুমোদন করে।
লংকাবাংলা ফিন্যান্সের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ মঈন সভায় সভাপতিত্ব করেন। বিদেশি এবং বাংলাদেশি শেয়ারধারীরা ও তাঁদের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন। লংকাবাংলা ফিন্যান্স যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
সভায় জানানো হয়, লংকাবাংলা ২০১০ সালে ১৭০ কোটি টাকা কর-পরবর্তী মুনাফা করে, যা আগের বছরের ৭৪ কোটি ৪০ লাখ টাকার তুলনায় ১২৮ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। আলোচ্য বছরে কোম্পানির বিনিয়োগ পোর্টফোলিও ৪০ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে গত বছরের প্রায় এক হাজার ৭০ কোটি টাকা থেকে এক হাজার ৫০৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। ২০১০ সালে কোম্পানির ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয় ৩২ টাকা, যা গত বছর ছিল ১৪ টাকা।
লংকাবাংলা ফিন্যান্স বিভিন্ন আর্থিক সেবা প্রদান করে থাকে। বিজ্ঞপ্তি।
Quote   
03/27/2011 3:27 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
চার ইস্যু নিয়ে চাপের মুখে এসইসি
-----------------------------
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
  


ঢাকা: মার্জিন লোনের নীতিমালা, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি, মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। তাই এই চার ইস্যু নিয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি এখন নানা চাপের মুখে।

ঢাকা ও চট্রগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) ও পাবলিক লিস্টেড কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএপিএলসি) উল্লিখিত বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে। তাই এসইসি বিষয়টি নিয়ে দোটানায় রয়েছে এসইসি।  

জানা যায়, মার্জিন লোন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বাজারকে প্রভাবিত করে। মার্জিন লোন নিয়ে ঘন ঘন সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণে একাধিকবার তোপের মুখে পড়েছে এসইসি। ফলে মার্জিন লোনের বিষয়টি এড়াতে এসইসি বিএমবিএ ও দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে নীতিমালা তৈরীর নির্দেশ দেয়।

বিএমবিএ একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করলেও স্টক এক্সচেঞ্জ মার্জিন লোনের নীতিমালা তৈরির ব্যাপারে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। বরাবরই মার্জিন লোনের সিদ্ধান্ত বাজারের জন্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে কাজ করে। তাই মার্জিন লোনের সিদ্ধান্তের ভার কোনো প্রতিষ্ঠানই নিচ্ছে না।  

বিএমবিএ ১:২ বহাল রেখে খসড়া প্রস্তাবনা তৈরি করেছে। এসইসিও এ প্রস্তাবনাকে চুড়ান্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু স্টক এক্সচেঞ্জের অনিহার কারণে বিএমবিএ চুড়ান্ত প্রস্তাবনা এসইসিতে জমা দিচ্ছে না। ফলে প্রায় দুই মাস পার হলেও এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হচ্ছে না।

মার্জিন লোনের ব্যাপারে স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিএমবিএর অনাগ্রহের কথা জানতে চাইলে তা এড়িয়ে গিয়ে বিএমবিএর সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, বিএমবিএ একটি প্রস্তাবনা জমা দিয়েছিল। পরে এসইসির নির্দেশে সেখানে নতুন কিছু সংযোযন বিয়োজন করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমরা একটি কমিটি করেছি।

জনতা ইনভেস্টমেন্টর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জাহাঙ্গীর মিয়াকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।

বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধন করে এসইসি একটি প্রস্তাবনা তৈরি করেছে। এ প্রস্তাবনাটি দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএপিএলসি ও বিএমবিএ এ চার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এসইসি গত ২১ মার্চ একটি বৈঠক করে। বৈঠকে বিএপিএলসির সভাপতি সালমান এফ রহমানসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেকেই দ্বিমত পোষণ করে। ফলে পুনরায় পর্যালোচনার প্রস্তাবনাটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেয়া হয়েছে।

গত ২৬ মার্চ এ চার প্রতিষ্ঠান বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধন নিয়ে বৈঠকে বসে। বৈঠকে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে সিএসইর প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দীন আলী আহমেদ বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে কোনো ত্রুটি চিহ্নিত করা হতে পারে কিংবা কোনো  পরামর্শ বা সুপারিশ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে সকল ত্রুটি, পরামর্শ ও সুপারিশ নিয়ে সংশোধনে আসতে হবে। এজন্য আপাতত এ পদ্ধতির সংস্কার স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এদিকে এ প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামত না পাওয়ায় এসইসিও বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধন নিয়ে চুড়ান্ত প্রস্তাবনা অর্থমন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারছে না।

মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে এসইসি। কোম্পানিদুটিকে তালিকাভুক্তির জন্য এসইসি নির্দেশনা দিলেও দুই স্টক এক্সচেঞ্জ বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

এসইসি থেকে তালিকাভুক্তির জন্য যে শর্ত দেওয়া হয়েছে স্টক এক্সচেঞ্জ সে শর্তগুলোকে তালিকাভুক্তির আইন পরিপন্থী মনে করছে। এজন্য এসইসি দুই সপ্তাহ সময় বাড়িয়েছে। তবে এ সময়েও স্টক এক্সচেঞ্জ তালিকাভুক্ত করবে না বলে জানা গেছে। ফলে এসইসি থেকে তালিকাভুক্তির বিষয়টি হাইকোর্টে পাঠানো হতে পারে।

এ ব্যাপারে ডিএসইর পরিচালক মোস্তাক আহমেদ সাদেক বলেন, যেহেতু কোম্পানিটি বাইব্যাক থেকে সরে এসে ক্ষতিপূরনের শর্ত দিচ্ছে। সেহেতু ডিএসই এ শর্তে কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করবে না। কোম্পানিটির স্পন্সররা যদি বাইব্যাকের শর্তে রাজি হয় তাহলে তালিকাভুক্তির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  

বাংলাদেশ সময়: ১৮৫০ ঘণ্টা, মার্চ ২৭, ২০১১
Quote   
03/27/2011 3:28 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
শেয়ারবাজার কেলেংকারি
৩১ মার্চের আগে তদন্ত রিপোর্ট, আড়ালেই থাকছে নেপথ্য নায়করা
--------------------------------------------------------
পবন আহমেদ, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
  
ঢাকা: শেয়ারবাজার কেলেংকারির কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটির কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে কমিটি। তবে রিপোর্টে কেলেংকারির সঙ্গে জড়িত কারো নাম থাকছে না।

তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ উল্লিখিত সময়ে সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

তিনি বলেছেন, পুঁজিবাজার একটি বিশাল ক্ষেত্র। সেখানে রয়েছে ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী। সামগ্রিক তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা অনেক কঠিন। তারপরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত শেষ করার বিষয়ে সচেতন ছিলাম।

তিনি বলেন, তদন্তে বাজার কারসাজির দুর্বল স্থানগুলোকে চিহ্নিত করার বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। সেই সঙ্গে সে বিষয়ে সমাধানের জন্যও সুপারিশ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির ব্যাপারেও কোনো সুপারিশ থাকছে না তদন্ত রিপোর্টে। তবে পুঁজিবাজার সংস্কারের জন্য চারটি ভাগে ৪৮টি সুপারিশ করা হচ্ছে।

এসইসি’র সংস্কার, আইন ও বিধি মালা সংশোধন, কোম্পানি আইন সংশোধন এবং মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের গঠনতন্ত্র সংশোধনের সুপারিশ করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে যে সব অভিযোগ পাওয়া গেছে তা পর্যালোচনা করে আইন, বিধি-বিধান ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি বাজার থেকে অর্থ তুলে নেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করে ভবিষ্যতে পুঁজিবাজারে বিপর্যয় রোধে সংস্কারের সুপারিশ করা হচ্ছে।

সুপারিশের মধ্যে থাকছে, মূলধন সংগ্রহের নামে প্লেসমেন্ট বাণিজ্য, অস্বাভাবিক প্রিমিয়াম, নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি এবং বিশেষ মহলের সুবিধা সৃষ্টির জন্য আইন ও বিধি-বিধান সংশোধন। পাশাপাশি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের জবাবদিহিতা, শক্তিশালীকরণ ও দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে নেটওর্য়াকিং-এ নিয়ে আসা।

সূত্র জানায়, রিপোর্টে উল্লেখ করা হচ্ছে, সরকারের বিভিন্ন মহলকে দীর্ঘদিন ‘ম্যানেজ’ করে পুঁজিবাজার ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের প্লেসমেন্ট শেয়ার।

এছাড়াও দুর্বল কোম্পানির সঙ্গে একত্র হয়ে ডিভিডেন্ট ঘোষণার নামে জেড ক্যাটাগরি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এদিকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বাংলানিউজকে বলেন, আমার মনে হয় না পুঁজিবাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। তার জন্য শক্ত প্রমাণ লাগবে।

তিনি বলেন, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ (সিডিবিএল) এবং স্টক এক্সচেঞ্জের পাশাপাশি বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে পুঁজিবাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের প্রমাণ পাওয়া যাবে। তবে এর জন্য অনেক সময়ের প্রয়োজন।

মন্ত্রী বলেন, এক ব্যক্তির একাধিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। পাশাপাশি নামে-বেনামে বহু অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করতে হলে তদন্ত কমিটির দুই মাস নয়, দুই বছরেরও বেশি সময় দিতে হবে।

গতবছর ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পুঁজিবাজারে বিপর্যয় ঘটতে থাকে। এই বিপর্যয়ের কারণ উদঘাটন ও কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন।

গত ২৬ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এসইসির পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।

কমিটির সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী ও আইসিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী, এফসিএ ও সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিহাদ কবির।

কমিটিকে দুই মাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়। শনিবার কমিটির দুই মাস পূর্ণ হবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫২ ঘণ্টা, ২৫ মার্চ, ২০১১
Quote   
03/27/2011 3:30 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
পুঁজিবাজারে টানা চার কার্যদিবস সূচকের পতন
----------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
  
ঢাকা: দেশের দুই পুঁজিবাজারে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববারও সূচক ও মোট লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। একইসঙ্গে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে অর্ধেক প্রতিষ্ঠানেরই দরপতন হয়েছে। এ নিয়ে গত সপ্তাহের শেষ তিন কার্যদিবসসহ টানা ৪ কার্যদিবসে উভয় বাজারের সূচক কমলো।

রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট ২৬০টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৬টির, কমেছে ১২৭টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টি কোম্পানির দাম।

পাশাপাশি সাধারণ সূচক ৭০ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৯৪ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সার্বিক সূচক ৫৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৫ পয়েন্টে নেমে এসেছে।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৬২৫ কোটি ১৭ লাখ ৩৯ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৮৬৭ কোটি টাকার কিছু বেশি।

রোববার ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড। এরপর পর্যায়ক্রমে ছিল গোল্ডেন সন, তিতাস গ্যাস, পিএলএফএসএল, আরএন স্পিনিং, ম্যাকসন্স স্পিনিং, দেশবন্ধু পলিমার, আফতাব অটোমোবাইলস, বেক্সটেক্স ও সিঙ্গার বিডি।

দাম বৃদ্ধির শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো-বিডি অটোকারস, কেয়া ডিটারজেন্ট, এপেক্স ফুডস, আইসিবি এএমসিএল ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, বঙ্গজ, ফাইন ফুডস, ফিনিক্স ফিন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ৩য় আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও ফার্মা এইডস।

দাম কমার ভিত্তিতে শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো, সোনারগাঁও টেক্সটাইলস, এসআইবিএল, এনসিসি ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, নর্দান জুট, এপেক্স অ্যাডেলচি ফুটওয়্যার, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, সিএমসি কামাল ও অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ।

অন্যদিকে, রোববার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয় মোট ১৯২টি কোম্পানির। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯২টির, কমেছে ৯০টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি কোম্পানির দাম।

একইসঙ্গে সিএসসিতে সাধারণ সূচক ৬৭ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ৯৯ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ১৪৬ পয়েন্টে নেমে আসে।

এদিন সিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৭৫ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ১০৪ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ সময়: ১৬২৫ ঘণ্টা, মার্চ ২৭, ২০১১
Quote   
03/27/2011 3:33 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
ব্যাংকিং খাত নিয়ে দুর্ভাবনার কারণ নেই: বিবি গভর্নর
-----------------------------------------------
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
  
ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, দেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে দুর্ভাবনা বা দুশ্চিন্তার কারণ নেই। এই খাতকে আরও স্থিতিশীল রাখতে ব্যাংকারদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে।  

রোববার সকালে রাজধানীর হোটেল র‌্যাডিসনে আমানত বীমা বিষয়ে এক কর্মশালার উদ্ভোধনী অনুষ্ঠাতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এসব কথা বলেন।  

বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিপোজিট ইন্সুরেন্সের (আইএডিআই) যৌথ উদ্যোগে ‘ডিপোজিট ইন্সুরেন্স সিষ্টেমস’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় বাংলাদেশে কার্যরত তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা যোগ দেন।

গভর্নর বলেন, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের কথা ঢালাও ভাবে বলা হচ্ছে সেটা ঠিক নয়। কিছু ব্যাংকের তহবিল ব্যবস্থাপনার অদক্ষতা ও অতিরিক্ত বিনিয়োগের কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছিলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকিতে এখন সেটি কেটে গেছে।

তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে গ্রাহককে চড়া সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে এমন প্রচারণা সঠিক নয়। ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব নিয়ম মেনেই ঋণ দিচ্ছে।

গভর্নর জানান, ব্যাংকিং খাতের স্থায়ীত্বের জন্য বাংলাদেশে ১৯৮৪ সাল থেকে ‘আমানত বীমা’র প্রচলন আছে। বিশ^ব্যাপী আর্থিক খাতের বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে এ বীমাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। কর্মশালার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে আমানত বীমাকে আরো এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করেন।

কর্মশালায় এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল কমিটির সদস্যদেশ থাইল্যান্ড হতে আগত বিশেষজ্ঞ বক্তা সিংগা নিকর্নপুন, ভারত থেকে আগত কুমুদিনী হাজরা এবং তাইওয়ান হতে আগত হ্যারিসন হোয়াঙ ও উইলিয়াম সু আমানত বীমার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

বিভিন্ন দেশ থেকে আগত এসব বক্তারা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আমানত বীমার কার্যক্রম, বীমা বিষয়ে জনসচেতনতার ভূমিকা, এ বীমার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন। ব্যাংকিং খাতের স্থ’ায়ীত্বের জন্য এ ধরনের বীমা বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা জানান।

কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. নজরুল হুদা, নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, কোনো ব্যক্তি যখন ব্যাংকে টাকা রাখেন তার স্বার্থ সংরক্ষণে সেখান থেকে শতকরা ৭ পয়সা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকে বর্তমানে এ ধরনের টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হলে এ তহবিল থেকে আমনতকারীকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। আর এক লাখ টাকার নীচে যে কোনো পরিমাণ টাকা জমা থাকলে তাকে সম্পূর্ণ অর্থ দিয়ে দেওয়া হয়। এ নিয়মের পরিবর্তন এনে আমানতের ওপর টাকা দেওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করা গেলে তাতে আমানতকারী ব্যাংকে টাকা রাখার বিষয়ে আস্থা আরও বাড়বে বলে আইএডিআইর কর্মকর্তারা মত দেন।

বাংলাদেশ সময় : ১৯৫০ঘণ্টা, মার্চ ২৭, ২০১১
Quote   
03/27/2011 3:35 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে দ্বিতীয় দফা বৈঠক সোমবার
------------------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
  
ঢাকা: বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে দ্বিতীয় দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে সোমবার। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) সকাল ১১টায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এসইসি সূত্রে এতথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বৈঠকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএর নেতারা বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে তাদের মতামত দিবেন। ইতিমধ্যে এ চার প্রতিষ্ঠান পৃথক একটি বৈঠক করেছে। বৈঠকে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এ পদ্ধতির সংস্কার স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকে এসইসিকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হবে।

বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে গত ২১ মার্চ এসইসিতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এসইসির পক্ষ থেকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএর নেতাদের কাছে সংশোধনী প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হয়। ওই বৈঠকে বিএপিএলসির চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে জটিলতা এড়াতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব করেছিলেন। তিনি নির্ধারিত মূল্য (ফিক্সড প্রাইস) পদ্ধতির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির প্রস্তাব করেন। তবে ডিএসই-সিএসই, বিএমবিএ প্রতিনিধি এবং এসইসি কর্মকর্তারা তার এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।

ওই বৈঠকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএ প্রতিনিধিরা তাৎক্ষণিকভাবে এসইসির প্রস্তাবের ওপর কোনো মতামত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ কারণে পরবর্তীতে আরেকটি বৈঠক করে সব প্রতিষ্ঠানের মতামত গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওইদিনই ২৮ মার্চ বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে আরেকটি বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কমিশনের প্রস্তাবের ওপর নিজ নিজ ফোরামে আলোচনার পর বৈঠকে মতামত পেশ করার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৯২১ ঘন্টা, ২৭ মার্চ, ২০১১
Quote   
03/27/2011 3:39 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
সোমবার বুক বিল্ডিং পদ্ধতির খসড়া চূড়ান্ত হচ্ছে না

ঢাকা, ২৭ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): বুক বিল্ডিং পদ্ধতির খসড়া চূড়ান্তে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। স্টেকহোল্ডাররা কোনো মতামত না দেয়ার সিদ্ধান্তের কারণে এ আইন তৈরির প্রক্রিয়া ঝুলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। মূলত শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি নিয়ে এ জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। এসইসির প্রস্তাব অনুযায়ী বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হলে ইতিপূর্বে উচ্চ প্রিমিয়ামে কেনা প্লেসমেন্ট শেয়ারে বিপুল পরিমাণের আর্থিক ক্ষতির শিকার হতে হবে প্লেসমেন্টধারীদের। আর এ কারণেই বুক বিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধন যাতে না হয় সেজন্য বিভিন্নভাবে বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে স্টেকহোল্ডাররা আগামীকাল সোমবার এসইসি আয়োজিত বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন।
সোমবার সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সাথে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএমবিএ, বিএপিএলসি'র বৈঠকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার দিন ধার্য্ ছিল। কিন্তু পুঁজিবাজারের উত্থান-পতন অনুসন্ধান বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বুক বিল্ডিং বিষয়ে স্টেকহোল্ডাররা কোনো মতামত দেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আহসানুল ইসলাম টিটো। স্টেকহোল্ডারদের এ সিদ্ধান্তের কারণে সোমবার বুক বিল্ডিং পদ্ধতির খসড়া চূড়ান্ত হচ্ছে না।
এ বিষয়ে ডিএসইর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আহসানুল ইসলাম টিটো শীর্ষ নিউজ ডটকমকে জানান, শনিবার ডিএসইতে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সাথে বিপিএলসি, মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশনের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আমরা বুক বিল্ডিং বিষয়ে কোনো প্রস্তাব এসইসিতে দিব না। অপরদিকে এ বিষয়ে এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকার কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
এর আগে ২১ মার্চ এসইসিতে আয়োজিত বুক বিল্ডিং পদ্ধতির খসড়া বিষয়ে বৈঠক শেষে সালমান এফ রহমান সাংবাদিকদের জানান, বুক বিল্ডিং পদ্ধতি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারদের নিজেদের প্রস্তাব ২৮ মার্চ উপস্থাপন করবে এবং সে দিনই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সেদিন তিনি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি এ পদ্ধতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে উল্লেখ করেন।
জানা গেছে, বুক বিল্ডিং পদ্ধতির প্রস্তাবিত সংশোধনে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ও পিই রেশিও (মূল্য আয় অনুপাত) বেঁধে দেয়ার প্রস্তাব রয়েছে। কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী এ সংক্রান্ত আইন সংশোধন হলে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ও প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) বিবেচনায় নিয়ে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে লেনদেন শুরুর আগে কোনো কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের (পি/ই) অনুপাত ১৫ এর বেশি হতে পারবে না। একইসঙ্গে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য কোম্পানির শেয়ার প্রতি এনএভির পাঁচ গুণের নিচে থাকতে হবে। এছাড়া কোম্পানির আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার জন্য আইসিএবি, আইসিএমএবি, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। তবে এতে কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি থাকতে পারবেন না বলে খসড়া প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগেই অতি মূল্যায়ন রোধ এবং বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ স্থানান্তরের সুযোগ বন্ধে গত ১৯ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের পরামর্শে এসইসি বুক বিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০০৯ সালে আইন প্রণয়নের এক বছর পর ২০১০ সালের মার্চ মাস থেকে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির বাস্তব প্রয়োগ শুরু হয়। তবে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে কারসাজি প্রমাণিত হওয়ায় গত বছরের ৯ জুন বিতর্কিত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন করে এসইসি। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির প্রয়োগ সঠিকভাবে হয়েছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে এসইসি। আহ্বায়ক কমিটির সুপারিশ এবং পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জনমত যাচাইয়ের পর বুক বিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার করে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে এসইসি।
Quote   
03/27/2011 3:40 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
প্রাইম ব্যাংকের ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা

ঢাকা, ২৭ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড ২০১০ সালের বার্ষিক হিসাবের ভিত্তিতে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫% স্টক ডিভিডেন্ড এবং ৫% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত প্রাইম ব্যাংকের ষষ্ঠদশ বার্ষিক সাধারণ সভায় এ ঘোষণা দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী শেয়ারহোল্ডারদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ব্যাংকের প্রতি তাদের অবিচল আস্থার কারণেই ব্যাংক বর্তমান সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি বলেন, গত বছর প্রাইম ব্যাংক তার কার্যক্রমের সর্বক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাইম ব্যাংক ২০১০ সালে নিরীক্ষিত ৩০০ কোটি টাকা কর পরবর্তী নীট মুনাফা অর্জন করেছে। আমানতের পরিমান গত বছরের ১০ হাজার ৬৯৬ কোটি থেকে বেড়ে ১২ হাজার ৪৫২ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধির হার ১৬%। ঋণ পোর্টফোলিওর পরিমান ১১ হাজার ১১৭ কোটি টাকা, যা ২০০৯ সালের ৮ হাজার ৯২৫ কোটি টাকার তুলনায় ২৫% বেশি। বৈদেশিক বিনিময় ব্যবসা ২৮ হাজার ৩০৮ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা পূর্ববর্তী বছরের ১৯ হাজার ৯০০ কোটি টাকা অপেক্ষা ৪২% বেশি। মুলধন পর্যাপ্ততার হার ১১.৬৯% যা প্রয়োজনীয় ৯% এর তুলনায় বেশি। ব্যাংক দক্ষতার সাথে তার ঋণ পোর্টফোলিওর নিবিড় তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে খেলাপী ঋণের হার মোট ঋণের ১.২৩ শতাংশে সীমিত রাখতে সক্ষম হয়েছে। রিটার্ণ অন এ্যাসেটের হার ২.১৬%।
সভায় প্রাইম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস শাহনাজ কাশেম, নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারপারসন মিসেস হাসিনা খান, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর আইনুন নিশাত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Quote   
03/27/2011 3:41 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ডিএসই'র লেনদেন

ঢাকা, ২৭ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে আজ রোববার শেষ হয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন। এ নিয়ে টানা চতুর্থ দিনের মতো ডিএসই সূচকের নিন্মমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হলো। চার কার্যদিবসে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে ৪৩৪ পয়েন্ট। তবে দুই তিন বার সূচক নগণ্য হারে বাড়লেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ৭০ পয়েন্ট কমে ৬০৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসআই সার্বিক সূচক কমেছে ৫৫ দশমিক ৫৫ পয়েন্ট। পুঁজিবাজারের অস্থিরতায় গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশের দিন ঘনিয়ে আসায় এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করায় বাজারে এ আচরণ করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া ২১ মার্চ আইএমএফ'র বাংলাদেশ ফান্ড সম্পর্কিত মন্তব্যের ফলেও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থায় চিড় ধরেছে। যার প্রভাবে পুঁজিবাজার ফের অস্থির হয়ে উঠছে বলেও মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
রোববারের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিট অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দর হ্রাস পায়। যার প্রভাবে কমতে থাকে ডিএসই সাধারণ সূচক। তবে বেলা ১২টার দিকে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দর বৃদ্ধি পায়। কিন্তু দরবৃদ্ধি পেলেও সূচক বাড়েনি। আজ পুঁজিবাজারে লেনদেন হওয়া ২৪০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ১২৬টির, কমেছে ১২৭টির এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দর। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬২৫কোটি টাকার শেয়ার।
আজ লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় রয়েছে বেক্সিমকো, গোল্ডেনসন, তিতাস গ্যাস, পিপলস লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, ম্যাকসন স্পিনিং, দেশবন্ধু পলিমার, আফতাব অটো, বেক্সটেক্স ও সিঙ্গার বাংলাদেশ।

Quote   
03/27/2011 3:42 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
ব্যাংকিং খাতে কোনো তারল্য সংকট নেই: গভর্নর

ঢাকা, ২৭ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ব্যাংকিং খাতে কোনো তারল্য সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ রয়েছে। তারল্য সংকটের যে কথা বলা হচ্ছে তার কোনো সত্যতা নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আজ রোববার রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ডিপোজিট ইন্স্যুরারস্্ (আইএডিআই) এর এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওনাল কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আমানত বীমা শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর আরো বলেন, কোনো কোনো ব্যাংক তাদের আমানতের বিপরীতে লোন দেয়া নিয়ে কিছুটা সংকটের মুখে পড়েছে। সেটা তাদের নিজেদের অব্যবস্থাপনার কারণে। অব্যবস্থাপনার কারণে কোনো ব্যাংকে সংকট তৈরী হলে তাকে কোনোভাবেই তারল্য সংকট বলা যায় না। তিনি আরো বলেন, অব্যবস্থাপনার কারণে ব্যাংক খাত অস্থিতিশীলও নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক এজন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করেছে যেন কোনো ব্যাংক নীতিবহির্ভূত লেনদেন বা লোন না দেয়। ব্যাংকগুলোকে নীতিবহির্ভূত লেনদেন ও আমানতের বিপরীতে অতিরিক্ত লোন না দেয়ার জন্যও তিনি পরামর্শ দেন।

সেমিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নজরুল হুদা, বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের এমডি এবং আইএডিআই'র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Quote   
03/27/2011 3:45 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
'নির্ধারিত মূল্য' পদ্ধতি সক্রিয় করার প্রস্তাব দেবে চার প্রতিষ্ঠান
বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে এসইসিতে বৈঠক আজ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন পেশ করার আগে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে সংশোধনী না আনার পৰে অবস্থান নিয়েছে দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি) এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। একইসঙ্গে আপাতত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর না করে ইতোমধ্যে রোড শো'র মাধ্যমে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করে ফেলা কোম্পানিগুলোকে নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসতে চায় তারা। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) বৈঠকে চার প্রতিষ্ঠানের পৰ থেকে এ প্রসত্মাব দেয়া হবে। আজ সোমবার সকাল ১১টায় এসইসিতে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার নিয়ে গত ২১ মার্চ এসইসিতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এসইসির পৰ থেকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএর নেতাদের কাছে সংশোধনী প্রসত্মাবগুলো তুলে ধরা হয়। ওই বৈঠকে বিএপিএলসির চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে জটিলতা এড়াতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি বাতিলের প্রসত্মাব করেছিলেন। তিনি নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির প্রসত্মাব করেন। তবে ডিএসই-সিএসই, বিএমবিএ প্রতিনিধি এবং এসইসি কর্মকর্তারা তাঁর এই প্রসত্মাবের বিরোধিতা করেন।
ওই বৈঠকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএ প্রতিনিধিরা তাৎৰণিকভাবে এসইসির প্রসত্মাবের ওপর কোন মতামত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ কারণে পরবর্তীতে আরেকটি বৈঠক করে সব প্রতিষ্ঠানের মতামত গ্রহণের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। ওইদিনই ২৮ মার্চ আজ বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে আরেকটি বৈঠকের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। কমিশনের প্রসত্মাবের ওপর নিজ নিজ ফোরামে আলোচনার পর আজকের বৈঠকে মতামত পেশ করার কথা।
তবে এসইসির সঙ্গে বৈঠকের আগেই গত শনিবার বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে নিজেদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএপিএলসি এবং বিএমবিএ নেতারা। বৈঠকে তদনত্ম কমিটির সুপারিশ পাওয়ার আগে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনের উদ্যোগ স্থগিত রাখার বিষয়ে মতৈক্য হয়। এসইসির সঙ্গে বৈঠকে চার সংগঠনের পৰ থেকে এ বিষয়টি তুলে ধরা হবে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখরউদ্দীন আলী আহমেদ রবিবার জনকণ্ঠকে বলেন, পুঁজিবাজার সম্পর্কে তদনত্ম কমিটির কাজ শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। হয়ত বা সপ্তাহখানেকের মধ্যেই কমিটি তাদের প্রতিবেদন পেশ করবে। কমিটির প্রতিবেদনে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়েও সুপারিশ থাকতে পারে। এ কারণে কমিটির সুপারিশগুলো পাওয়ার পরই বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার করা উচিত। এর আগে তাড়াহুড়ো করে কিছু করলে একই বিষয়ে দু'বার কাজ করতে হতে পারে।
তিনি বলেন, নানা কারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি ঠিকভাবে কাজ করেনি। ফলে পদ্ধতিটি বিভিন্ন মহলে সমালোচিত হয়েছে। সমালোচনার মুখে সরকারের পক্ষ থেকে পদ্ধতিটি স্থগিত করা হয়েছে। ফলে এ বিষয়ে তদনত্ম কমিটির মতামত পর্যালোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধানত্ম নেয়া উচিত।
বাজারে শেয়ার সরবরাহে স্থবিরতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে নুতন শেয়ার সরবরাহের ৰেত্রে এক ধরনের বন্ধ্যত্ব তৈরি হয়েছে। এটা বাজারের জন্য ভাল বিষয় নয়। শেয়ার সরবরাহের ধারা অব্যাহত রাখতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে। বিশেষ করে ইসু্য ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানগুলোকে উদ্যোগী হতে হবে। বর্তমান অবস্থায়ও যে শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করা যায়_ উদ্যোক্তাদের তা বোঝাতে হবে। দেশের স্বার্থে সবাইকে এ বিষয়ে মনোযোগী হতে হেব।
সিএসই সভাপতি আরও বলেন, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর না হওয়া পর্যনত্ম নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে নতুন নতুন কোম্পানিকে বাজারে নিয়ে আসতে হবে। ইতোমধ্যে যেসব কোম্পানি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারের আসার প্রক্রিয়া শুরম্ন করেছিল, সেসব কোম্পানিকেও নির্ধারিত মূল্যে বাজারে আনা যেতে পারে। উদ্যোক্তাদের দিক থেকে সদিচ্ছা থাকলে এৰেত্রে কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এজন্য ইসু্য ব্যবস্থাপকদের কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করা উচিত।
Quote   
03/27/2011 3:47 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির সময় দু'সপ্তাহ বৃদ্ধি
কোম্পানির আবেদনে এসইসির সাড়া

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি করে লোকসান হলে সংশিস্নষ্ট শেয়ারহোল্ডারকে ৰতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে জটিলতার নিরসন না হওয়ায় মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের (এমজেএল) তালিকাভুক্তির সময়সীমা দু'সপ্তাহ বৃদ্ধি করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কোম্পানিটির আবেদনের প্রেৰিতে তালিকাভুক্তির জন্য আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার এসইসির পৰ ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জ (সিএসই) এবং সংশিস্নষ্ট কোম্পানিকে এ সংক্রানত্ম চিঠি পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তে গত মঙ্গলবার মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির বিষয়ে এসইসির পৰ থেকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণ করতে বলা হয়। কিন্তু ডিএসইর তালিকাভুক্তি বিভাগ আইনজীবীর মতামতের ভিত্তিতে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তুলে। ৰতিপূরণ প্রদানের ৰেত্রে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ৫৭(২) এর গ ধারাকে ভিত্তি ধরা হলেও ওই ধারায় প্রিমিয়াম আয় থেকে এ ধরনের ব্যয় অনুমোদন করে না বলে ডিএসই মনে করে। এ কারণে তালিকাভুক্তি কমিটি মবিল যমুনার দেয়া অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে তালিকাভুক্তির বিষয়ে নেতিবাচক অবস্থান ব্যক্ত করেছে। পরে গত বৃহস্পতিবার ডিএসই পরিচালনা পর্ষদ সভায় ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে আখ্যায়িত করে মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির প্রসত্মাব নাকচ করা হয়।
ৰতিপূরণের অঙ্গীকার নাকচ হয়ে যাওয়ায় মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হয়। প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দের পর ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্তির বিধান থাকলেও এই কোম্পানিটি সময় মতো তা করতে পারবে কিনা_ সে বিষয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। আইপিওর মাধ্যমে প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা জমা নেয়ার শেষ সময়ের হিসাবে আগামী ৩১ মার্চ মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির শেষ দিন। তবে বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় কোম্পানির পৰ থেকে এসইসির কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়। এর প্রেৰিতে তালিকাভুক্তির সময়সীমা দু'সপ্তাহ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
উলেস্নখ্য, মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট লিমিটেড (এমজেএল) পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। এজন্য শেয়ার প্রতি ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৬০৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে মবিল যমুনার পিই দাঁড়াচ্ছে ৬২।
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ডাকা বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার প্রবণতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের নির্ধারিত মূল্যকে কোম্পানির মৌলভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংক্রানত্ম বিধি সংশোধন করে স্থায়ীভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় এ দু'টি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতার শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্ত আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
Quote   
03/27/2011 3:48 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে আতঙ্কে প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীরা
টানা চার কার্যদিবস নিম্নমুখী পুঁজিবাজার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে পুঁজিবাজারের প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের পাশাপাশি গত দু'বছরে বড় অঙ্কের মুনাফা অর্জনকারীরাও বিষয়টি নিয়ে বিভ্রানত্মিতে পড়েছেন। বিশেষ করে গত নবেম্বর-ডিসেম্বরে অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে যেসব বড় বিনিয়োগকারী মুনাফা তুলে নিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে ভীতি বিরাজ করছে। চলতি সপ্তাহেই তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন জমা দেয়ার সম্ভাবনা থাকায় এসব বিনিয়োগকারীরা আপাতত লেনদেন না করে পরিস্থিতি পর্যবেৰণের চেষ্টা করছেন। এর প্রভাবে সামগ্রিক লেনদেন ও শেয়ারের দর কমে যাচ্ছে বলে বাজার সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন।
তবে তদনত্ম কমিটির কার্যক্রম বা প্রতিবেদনের কারণে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন বাজার বিশেস্নষকরা। কারণ কোন বিশেষ ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অনিয়মের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে কিনা_ তদনত্ম কমিটি তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি বাজারের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিপর্যয়ের ৰেত্রে আইন ও বিধি-বিধানের দুর্বলতা চিহ্নিত করারও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যেসব বিনিয়োগকারী বিদ্যমান আইন ও বিধি-বিধান মেনে শেয়ার লেনদেন করে মুনাফা অর্জন করেছেন তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে তাঁদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখরউদ্দীন আলী আহমেদ জনকণ্ঠকে বলেন, তদনত্ম প্রতিবেদনের সঙ্গে বাজারে লেনদেনের কোন সম্পর্ক থাকার কথা নয়। কারণ তদনত্ম কমিটি বর্তমান লেনদেন নিয়ে কাজ করছে না। তারা গত কয়েক মাসের বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি বাজারে বড় কোন অনিয়ম হয়েছে কিনা তা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। ফলে বর্তমান লেনদেনে এর প্রভাব পড়ার কারণ নেই।
তিনি বলেন, বাজারে এখন কিছুটা অর্থ সঙ্কট বিরাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের হাতে টাকা নেই। কারও কারও হাতে টাকা থাকলেও তাঁরা হয়ত আরও দর কমার জন্য অপেৰা করছে। আবার যাঁদের হাতে শেয়ার আছে তাঁরা লোকসানে বিক্রি করতে চাইছে না। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বিপরীতমুখী এই দুই অবস্থানের কারণেই সামগ্রিক লেনদেন কমে গেছে।
বাজার সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাসত্মবতা যাই হোক না কেন_ গত কিছুদিন ধরেই অনেক বিনিয়োগকারীর মধ্যে তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে আতঙ্ক ভর করেছে। মাঝে কিছুদিন দরবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে তাঁরা শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। মূলত এ কারণেই কয়েক দিন লেনদেনের পরিমাণ অনেকটা বেড়ে গিয়েছিল বলে কেউ কেউ ধারণা করছেন। কিন্তু যেসব বিনিয়োগকারী ওই সময় শেয়ার বিক্রি করেছেন, তাঁরা নতুন করে কেনার সিদ্ধানত্ম না নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেৰণ করছেন। তদনত্ম কমিটি বাজারে কারসাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে কাদের চিহ্নিত করে_ তা দেখার জন্য প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীরা অপেৰা করছেন। প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর তাঁরা পুনরায় সক্রিয় হলে বাজারের লেনদেনে গতি ফিরে আসবে।
এদিকে রবিবার টানা চতুর্থ দিনের মতো শেয়ারবাজারে সূচক কমেছে। পাশাপাশি কমেছে আর্থিক লেনদেনও। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ২৬০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২৬টির শেয়ারের দর বেড়েছে, ১২৭টির কমেছে এবং ৭টির অপরিবর্তিত রয়েছে। দর হ্রাসের তালিকায় ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিবিধ খাতের মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির প্রাধান্য থাকায় ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৭০.১৮ পয়েন্ট কমে ৬০৯৪.৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়ে গত চার কার্যদিবসে এই সূচক ৪৩৪ পয়েন্ট কমল।
সূচকের পাশাপাশি শেয়ারবাজের লেনদেন হ্রাসের প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। রবিবার ডিএসইতে আর্থিক লেনদেন হয়েছে মাত্র ৬২৫ কোটি ১৭ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। গত তিন সপ্তাহে মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন লেনদেন। গত ৩ মার্চ ৫৬৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা লেনদেনের পর এৰেত্রে বেশ খানিকটা উর্ধগতি তৈরি হয়েছিল। গত ২১ মার্চ লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৫৯২ কোটি ৬০ লাখ ৬২ হাজার টাকা।
Quote   
03/27/2011 3:49 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
ব্যাংকিং খাত নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই :গভর্নর  
সমকাল প্রতিবেদক

ব্যাংকিং খাত নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। তবে ব্যাংকারদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আর্থিক খাতে আরও স্থিতিশীলতা আনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি। রোববার রাজধানীর হোটেল র‌্যাডিসনে আমানত বীমা বিষয়ে কর্মশালার উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্সের (আইএডিআই) যৌথ উদ্যোগে 'ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স সিস্টেমস' শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা যোগ দেন।
গভর্নর বলেন, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের যে কথা বলা হচ্ছে তা সঠিক নয়। কয়েকটি ব্যাকের ফান্ড ম্যানেজমেন্টে অদক্ষতা ও অতিরিক্ত বিনিয়োগের ফলে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকিতে এখন সেটি কেটে গেছে। তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে গ্রাহককে চড়া সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে এমন প্রচারণা সঠিক নয়। ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব নিয়ম মেনেই ঋণ দিচ্ছে। তিনি জানান, ব্যাংকিং খাতের স্থায়িত্বের জন্য বাংলাদেশে ১৯৮৪ সাল থেকে আমানত বীমার প্রচলন আছে। বিশ্বব্যাপী আর্থিক খাতের বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে এ বীমাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। কর্মশালার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে আমানত বীমাকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করেন। কর্মশালায় এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল কমিটির সদস্য দেশ থাইল্যান্ড থেকে আসা বিশেষজ্ঞ বক্তা সিংগা নিকর্ণপুন, ভারতের কুমুদিনী হাজরা এবং তাইওয়ানের হ্যারিসন হোয়াং ও উইলিয়াম সু আমানত বীমার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তারা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমানত বীমার কার্যক্রম, বীমা বিষয়ে জনসচেতনতার ভূমিকা, এ বীমার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন। ব্যাংকিং খাতের স্থায়িত্বের জন্য এ ধরনের বীমা বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা জানান। কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মোঃ নজরুল হুদা, নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।
কোনো ব্যক্তি যখন ব্যাংকে টাকা রাখেন তার স্বার্থ সংরক্ষণে সেখান থেকে শতকরা ৭ পয়সা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকে বর্তমানে এ ধরনের টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হলে এ তহবিল থেকে আমানতকারীকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা দেওয়া হয়। আর এক লাখ টাকার নিচে যে কোনো পরিমাণ টাকা জমা থাকলে তাকে সম্পূর্ণ অর্থ দিয়ে দেওয়া হয়।
এ নিয়মের পরিবর্তন এনে আমানতের ওপর টাকা দেওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করা গেলে তাতে আমানতকারীর ব্যাংকে টাকা রাখার বিষয়ে আস্থা আরও বাড়বে বলে আইএডিআইর কর্মকর্তারা মত দেন।
Quote   
03/27/2011 3:52 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Indices, turnover plummet on DSE
FE Report

The Dhaka Stock Exchange (DSE) opened the week Sunday with fall, as most of the big capital companies lost prices amid significant decline in the turnover. All the indices tumbled on the day.

Although the number of gainers and losers were almost even on the day, fall in prices of big capital companies pulled down the main index DGEN which plummeted by 70.18 points to settle at 6094.63.

DSE All Shares Price Index (DSI) fell by 55.55 points to settle at 5055.50.

Out of the total traded issues, 126 gained, while 127 declined on the day.

Price adjustment of four companies after record date also prompted the indices' fall, market insiders observed.

Uttara Bank, NCC Bank, SIBL and Sonargaon Textile experienced massive price adjustment after record date for dividends entitlement. The four companies lost 21.98 per cent, 28.68 per cent, 37.55 per cent and 37.88 per cent respectively on the day.

Big capital companies including bank, NBFIs and fuel and power sectors lost prices on the day.

Among the 30 listed banks, only two gained, while among 11 listed fuel sector companies five gained and among 21 listed NBFIs only six gained on the day.

The turnover in value terms also experienced massive decline which stood at Tk 6.25 billion due mainly to 'wait and see' policy by the institutional investors.

The top turnover list comprises of Beximco Ltd, Golden Sons, Titas Gas, PLFSL, RN Spinning, Maksons Spinning, Deshbandhu, Aftab Auto, Bextex and Singer Bd.

Market insiders said big market players are observing the situation, as the three-member probe committee formed on capital market crash which is headed by prominent banker Khandaker Ibrahim Khaled is set to publish its investigation report very soon.

One of the leading brokers, on condition of anonymity, told the FE that market players were bit shaky considering the possible outcome of the probe report.

No body is sure who will be made responsible for the recent unusual price fall in the capital market, he added.

Market analyst Salahuddin Ahmed Khan said the proposed Bangladesh Fund remains as a critical issue for the capital market. The longer time it takes to get listed in the capital market the more confusion among the general investor arises.

Government should take steps to give permission to the proposed fund as soon as possible, he added.

When asked if the probe committee report will cast any impact on the market, Mr Khan made no comments.

Prices of most of companies with small capital gained heavily on the day. The top gainers list consists of BD Autocar, Keya Detergent, Apex Foods, ICB Islamic MF, Miracle Industries, Bangas, Fine Foods, Phonix Finance 1st MF, 3rd ICB and Pharma Aid.

Among the major sectors, banks lost 2.44 per cent, while NBFIs 1.43 per cent, fuel and power 0.29 per cent, tannery 2.47 per cent and jute 1.03 per cent on the day.

Among the gainers sector, pharmaceuticals gained 0.23 per cent, while mutual fund 0.50 per cent, general insurance 0.03 per cent, life insurance 0.41 per cent, cement 0.09 per cent and textile 0.02 per cent.

A total of 58.07 million shares changed hands on the day against 86.70 million Thursday. The trade deals also decreased to 137353 which were 176,218 in the previous session.

The market capitalisation also dropped and stood at Tk 2753 billion against Tk 2772.52 billion Thursday trading.

Quote   
Page 1 / 2 1 - 2 Next »
Login with Facebook to post
Preview