Page 1 / 2 1 - 2 Next »
NEWS 28.02.2011
02/27/2011 12:01 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজার নিয়ে একের পর এক ঘোষণা_ বাস্তবায়ন নেই
অর্থ মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের স্পষ্ট নির্দেশনার অভাব, এসইসির
নীতিমালাও হয়নি


রাজু আহমেদ/খায়রুল হোসেন রাজু ॥
দৈনিক জনকন্ঠ


পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের দিক থেকে একের পর এক পদৰেপের ঘোষণা দেয়া হলেও কার্যৰেত্রে এর অধিকাংশই বাসত্মবায়িত হচ্ছে না। অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট নির্দেশনা সত্ত্বেও বাজারে চাহিদা বাড়াতে রাষ্ট্রায়ত্ত ৫ প্রতিষ্ঠান কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না থাকায় বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও শেয়ারবাজার থেকে অর্জিত মুনাফা পুনরায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের উদ্যোগ নিতে পারছে না। অন্যদিকে এক মাস পার হলেও মার্জিন ঋণের নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শেষ করতে পারেনি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। একইভাবে ফোর্স সেল বন্ধে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট ঘোষণা দিলেও লিখিত আদেশ না থাকায় কোন কোন মার্চেন্ট ব্যাংক আগের মতোই এ ধরনের প্রবণতা অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরকারের বিভিন্ন ঘোষণায় প্রাথমিকভাবে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হলেও ধীরে ধীরে তা হতাশায় রূপ নিচ্ছে। বিপুল পরিমাণ লোকসান সত্ত্বেও সব শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজছেন তাঁরা। ক্রেতাশূন্যতার কারণে শেয়ারবাজার এখন শুধু বিক্রেতার বাজারে পরিণত হয়েছে। ফলে প্রতিদিনই ব্যাপকহারে কমে যাচ্ছে শেয়ারের দর। সামগ্রিক পরিস্থিতিতে আৰরিক অর্থেই লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর পথে বসার যোগাড় হয়েছে বলে মনে করছেন সংশিস্নষ্টরা।
বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা ফেরাতে সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে আলোচনার প্রেৰিতে সরকারের পৰ থেকে ১৪ দফা পদৰেপ গ্রহণের ঘোষণা দেয়া হয়। গত ২৪ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ধারাবাহিক দরপতন সামাল দিতে বাজারে শেয়ারের চাহিদা বৃদ্ধির জন্য ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করা হতে বলা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যে পরিমাণ মুনাফা করেছে তার একাংশ পুনরায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য বলা হয়। পাশাপাশি মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকেও তাদের মুনাফার অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়া পুঁজিবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের ৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংককে নমনীয় নীতি অনুসরণ করতে বলা হয়। প্রজ্ঞাপনে মার্জিন ঋণের ৰেত্রে এসইসির পৰ থেকে দীর্ঘমেয়াদী নীতি ঘোষণার কথা বলা হয়।
সরকারের এসব ঘোষণায় তাৎৰণিকভাবে শেয়ারবাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। কিন্তু বাজারে প্রত্যৰ প্রভাব ফেলতে সৰম কোন পদৰেপই বাসত্মবায়িত না হওয়ায় কয়েক দিনের মধ্যেই বড় দরপতনের ধারায় ফিরে যায় পুঁজিবাজার। ওই অবস্থায় গত ১৫ ফেব্রম্নয়ারি সরকারের পৰ থেকে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এবং চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয়া হয়। এজন্য আইসিবিকে ২০০ কোটি টাকার তহবিলও দেয়া হয়। কিন্তু বাজারের গতি-প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ না করায় আবারও মন্দার কবলে পড়েছে শেয়ারবাজার। এ কারণে বাজার স্থিতিশীল করতে গতকাল রবিবার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আইসিবিকে শেয়ার কেনার জন্য আবারও নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গত ১৫ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আইসিবি এবং সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংককে শেয়ারবাজারে যত বেশি সম্ভব বিনিয়োগ করতে বলা হয়। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আইসিবিকে প্রাথমিকভাবে ২০০ কোটি টাকার তহবিল যোগান দেয়া হয়। সরকারের এই নির্দেশনা পেয়ে ওইদিন সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার থেকে ২৭ কোটি টাকার শেয়ার কিনে। এর প্রভাবে বাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। কিন্তু দু'দিনের মধ্যে শেয়ারবাজারে আবারও নেতিবাচক ধারা শুরম্ন হলেও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের মতো করে তেমন কোন ভূমিকাই নেয়নি। এ কারণে গতকাল রবিবার সরকারের পৰ থেকে এসব প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার কেনার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো নির্দেশ দিতে হয়েছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নির্দেশ পাওয়ার পর রবিবার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ারবাজারে পুনরায় তৎপর হয়ে উঠেছে। এদিন পাঁচ প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে সর্বমোট প্রায় ৫০ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। কিন্তু আগের দফায় একদিন শেয়ার কিনে হাত গুটিয়ে বসে থাকায় এবার বিনিয়োগকারীরা সরকারী নির্দেশের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। এ কারণে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তৎপর হলেও বাজারে এর কোন প্রভাব পড়েনি।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংগুলোর উর্ধতন কর্মকর্তারা জনকণ্ঠকে জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এবং শেয়ারবাজার স্বাভাবিক রাখতে ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করবে এতে কোন সন্দেহ নেই। তবে ব্যাংকগুলোর কাছে বর্তমানে পর্যাপ্ত অর্থ নেই। যে অর্থ দিয়ে বর্তমানে শেয়ার ক্রয় করা হচ্ছে বা হবে তা ডিপোজিটদের টাকা। কিন্তু ডিপোজিটদের অর্থ দিয়ে ব্যাংক স্বাধীনভাবে শেয়ারে বিনিয়োগ করতে পারে না। এ ৰেত্রে সরকারের উচিত আইসিবি'র পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর জন্য একটি ফান্ড গঠন করে অর্থ প্রদান করা।
তাঁরা বলেন, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সঙ্কটের কারণে সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে কার্যকরভাবে বিনিয়োগ করতে পারছে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসএলআর ও সিআরআর বৃদ্ধি করায় অনেক ব্যাংকই তারল্য সঙ্কটে ভুগছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সিআরআর ও এসএলআর আগের হারে নিয়ে যাওয়া দরকার।
৯ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তাৎৰণিকভাবে বিনিয়োগের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে পুঁজিবাজারে বড় আকারের বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। চলতি বছর চার ব্যাংক মিলিয়ে পুঁজিবাজারে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারবে। তবে মুদ্রাবাজারের স্থিতিশীলতা এবং তারল্য প্রবাহের ওপর এই পরিকল্পনার বাসত্মবায়ন নির্ভর করছে বলে সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সব রাষ্ট্রীয় ব্যাংকই নিজেদের মতো করে বিনিয়োগের লৰ্যমাত্রা নির্ধারণ করছে। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংক বিনিয়োগ করবে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি জনতা ব্যাংক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে ২ হাজার ৫০০ কোটি। অগ্রণী ব্যাংক বিনিয়োগ করবে ২ হাজার কোটি এবং রূপালী ব্যাংক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা।
অগ্রণী ব্যাংকের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা জনকণ্ঠকে বলেন, ব্যাংকের পৰ থেকে পুঁজিবাজারে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে সরকার তহবিল যোগান দিলে এই বিনিয়োগের পরিমাণ আরও বাড়ানো যাবে। রবিবার অগ্রণী ব্যাংক পুঁজিবাজার থেকে ৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছে বলে তিনি জানান।
রূপালী ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, সরকারের নির্দেশ পাওয়ার পর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ শুরম্ন হয়েছে। ব্যাংকের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা হবে। তবে সরকার থেকে অর্থ পেলে বিনিয়োগের গতি আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।
বেসরকারী ব্যাংকের বিনিয়োগে জটিলতা ২০১০ সালে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজার থেকে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা মুনাফা করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে মুনাফার এই অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে স্পষ্ট কোন নির্দেশনা না পাওয়ায় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মুনাফার টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ঘোষণা কার্যকর করতে পারছে না বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পৰ থেকে ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজার থেকে অর্জিত মুনাফার অর্থ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও ওই টাকা পুঁজিবাজারে পুনর্বিনিয়োগের বিষয়ে কোন নির্দেশনা নেই। ব্যাংক কোমপানি আইন অনুযায়ী আমানতের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ নেই। ফলে পুঁজিবাজার থেকে অর্জিত মুনাফা কোন্ প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগ করা হবে_ সে বিষয়ে সিদ্ধানত্ম নিতে পারছে না ব্যাংকগুলো। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পুঁজিবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের ৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংককে নমনীয় নীতি অনুসরণ করতে বলা হলেও এখন পর্যনত্ম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পৰ থেকে তেমন কোন পদৰেপ নেয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
এক মাসেও হয়নি মার্জিন ঋণের নীতিমালা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সুনির্দিষ্ট ঘোষণার পর এক মাসেরও বেশি সময় পার হলেও মার্জিন ঋণের নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারেনি এসইসি। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই স্টক এঙ্চেঞ্জ ও মার্চেন্ট ব্যাংকারদের সঙ্গে কমিশনের কর্মকর্তারা একাধিকবার বৈঠক করেছেন। মার্চেন্ট ব্যাংকের পৰ থেকে নীতিমালার একটি খসড়াও জমা দেয়া হয়েছে। তবে দু'দফা সময় বাড়ানোর পরও স্টক এঙ্চেঞ্জের খসড়া হাতে পায়নি এসইসি।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মার্জিন ঋণ নিয়ে কোন সমস্যা হলেই বিভিন্ন পৰ থেকে এসইসিকে দায়ী করা হয়। এ কারণে ঋণের পূর্ণ ৰমতা মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের ওপর ছেড়ে দিতে চায় এসইসি।
জানা গেছে, নীতিমালা চূড়ানত্ম হওয়ার পর শেয়ারের বিপরীতে মার্জিন ঋণ বিতরণের ৰেত্রে ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের ওপর কোন রকম হসত্মৰেপ করবে না সিকিউরটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। নীতিমালা মেনে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকদের মার্জিন ঋণ প্রদান করবে। এৰেত্রে কোম্পানির শেয়ারের বিপরীতে ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা এবং ঋণের হার নির্ধারণের এখতিয়ার মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের ওপর ছেড়ে দেয়া হবে। তবে কবে নাগাদ এ নীতিমালা চূড়ানত্ম করা হবে_ সে বিষয়ে স্পষ্ট কোন ধারণা দিতে পারছেন না এসইসির কর্মকর্তারা।
ফোর্স সেল আতঙ্ক কাটছে না অর্থমন্ত্রীর স্পষ্ট ঘোষণার পরও ফোর্স সেল আতঙ্ক থেকে মুক্তি পাচ্ছে না বিনিয়োগকারীরা। সরকার বা এসইসির পৰ থেকে লিখিত কোন নির্দেশনা না দেয়ায় কোন কোন প্রতিষ্ঠান মার্জিন কল ও ফোর্স সেলের প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউস থেকে মার্জিন ঋণ নিয়ে শেয়ার কিনে বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছেন প্রায় ১২ লাখ বিনিয়োগকারী। ধারাবাহিক পতনের কারণে অধিকাংশ শেয়ারের এমন পর্যায়ে পেঁৗছেছে যে, এই মুহূর্তে শেয়ার বিক্রি করলে বিনিয়োগকারীদের নিজস্ব মূলধনের প্রায় পুরোটা মার্জিন ঋণ পরিশোধ করতেই শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু শেয়ারের দর ব্যাপকহারে কমে যাওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলক বিক্রির (ফোর্স সেল) মাধ্যমে ঋণ আদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে চরম দুশ্চিনত্মায় পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। ইতোমধ্যে কোন কোন প্রতিষ্ঠান অনেক গ্রাহকের শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে বলেও জানা গেছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/27/2011 12:10 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজার স্থিতিশীল রাখতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে

স্বতন্ত্র সদস্যের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী


০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, গত বছরের তুলনায় চলতি অর্থ বছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৯ শতাংশ বেশি ধার্য করা হয়েছে। আর নতুন অর্থ বছরের প্রথম ছয় মাসে বিদেশ থেকে পাঁচ হাজার ৫৪৪ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স এসেছে। বিদেশে মুদ্রা পাচার রোধ করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে আহ্বায়ক করে একটি আন্ত:সংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এছাড়া হুন্ডি তৎপরতা বন্ধের লক্ষ্যে একটি কেন্দ্রীয় ও সাতটি আঞ্চলিক টাস্কফোর্স রয়েছে। একই সাথে অর্থমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, শেয়ার বাজার যখন পড়তির দিকে তখন নতুন করে এক লাখ বিনিয়োগকারী কেন বিনিয়োগ করলেন? তারা কি কারণে বাজারে এসেছিলেন? ফটকাবাজি করে লাভ করার জন্য? পড়তি বাজারে যারা এসেছিলেন তাদের শাস্তি তো হবেই।

গতকাল রবিবার বিকালে স্পিকার এডভোকেট আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে অর্থমন্ত্রী প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদকে এ কথা জানান। শেয়ার বাজার সম্পর্কে আবদুর রহমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা শেয়ার বাজার পর্যবেক্ষণে রেখেছি। বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপও নিয়েছি। গঠিত তদন্ত কমিটিকেও এব্যাপারে দেখার জন্য বলা হয়েছে। তিনি বলেন, শেয়ার বাজার নেমে যায়। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি, বাজার আবার ওঠে। বাজার যখন উঠতে থাকে তখন কেউ শেয়ার বিক্রি করেন না। বিক্রি করলে বাজার পড়তো না। এর মাধ্যমে তারা পড়তি বাজারকে আরো শক্তিশালী করে দেন। কেউ ১০ লাখ, কেউ ১১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। তাদের এই টাকা ব্যবহারের কোনো কারণ দেখি না।

একমাত্র স্বতন্ত্র সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের সম্পূরক প্রশ্ন করলে অর্থমন্ত্রী জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি স্বতন্ত্র সদস্যের প্রশ্ন এক্সপাঞ্জ করার দাবি করেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে মোহাম্মদ ফজলুল আজিম তার সম্পূরক প্রশ্নে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নাজুক, শেয়ার বাজারে ধ্বস এবং অর্থনীতির চাকাকে চাঙ্গা করতে মন্ত্রী কি ধরনের পদক্ষেপ নেবেন জানতে চান। অর্থমন্ত্রী জবাব না দিয়ে অনেকটা রেগে বলেন, মাননীয় স্পিকার আমি এ প্রশ্নের উত্তর দেবো না। কারণ প্রশ্ন হচ্ছে ব্যাংকিং নিয়ে, আর উনি প্রশ্ন করছেন শেয়ার বাজার নিয়ে। আমি লক্ষ্য করেছি, ওই এমপি প্রশ্ন করার সুযোগ পেলেই এ ধরনের মন্তব্য করার সুযোগ নেন। তার এ ধরনের কথা-বার্তা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। আমার কাছে মনে হচ্ছে, তার প্রশ্নের উত্তর না দেয়া ঠিক হবে। তিনি মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের প্রশ্ন এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানান। এসময় স্পিকার বলেন, মাননীয় মন্ত্রী একজন এমপি যে কোন প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার উত্তর জানা থাকলে উত্তর দেবেন। তা নাহলে বিষয়টি নিয়ে নোটিস চাইতে পারেন। উলেস্নখ্য, ফজলুল আজিমের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নটি ছিল, নোয়াখালি জেলায় তফসিলী ব্যাংকের নতুন কোন শাখা খোলার পরিকল্পনা সরকারের আছে কিনা? থাকলে উপজেলা ওয়ারি হিসাব কি? না থাকলে কারণ কি? এ প্রশ্নের জবাবের পরই তিনি সম্পূরক প্রশ্ন করেন।

শেয়ার বাজার সম্পর্কিত মো. ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত শেয়ার কেনা-বেচার জন্য বিও একাউন্টধারীর সংখ্যা হচ্ছে ৩৩ লাখ ৫৪ হাজার ৪৬টি। শেয়ার বাজারে মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধি একটি স্বাভাবিক ঘটনা। পুঁজির হ্রাস-বৃদ্ধি কখনোই সুনির্দিষ্ট নয়। শেয়ার বাজারে দৈনন্দিন লেনদেনে প্রতি মুহূর্তেই বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম পরিবর্তিত হতে পারে। একই বিষয়ে এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদের প্রশ্নে তিনি বলেন, পুরুষ বিও একাউন্টধারীর সংখ্যা ২৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮৩ এবং মহিলা আট লাখ ৭০ হাজার ২৫১টি। কোম্পানি হচ্ছে আট হাজার ৫১২টি। সম্প্রতি বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ারের মূল্য অযৌক্তিক পর্যায়ে অতিমূল্যায়িত হয়েছিল। পুঁজিবাজারে প্রচুর সংখ্যক বিনিয়োগকারী স্বল্পমেয়াদে মুনাফা লাভের জন্য বিনিয়োগ করে থাকেন। এছাড়া সম্প্রতি বেশ কিছু বিনিয়োগকারী বাজার সম্পর্কে পূর্ব ধারণা ছাড়াই দ্রুত লাভের আশায় বিনিয়োগ করেছিলেন। এদের ধারণা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করলেই লাভ পাওয়া যাবে। এ ধরনের বাস্তব ধারণা বিবর্জিত গুজবভিত্তিক বিনিয়োগের কারণে বাজারে অস্থিতরতা সৃষ্টি হতে পারে।

হোসেন মকবুল শাহরিয়ারের প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ারের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধি পুঁজিবাজারের একটি স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। তবে এতে যে কোন ধরনের অস্বাভাবিকতা রোধে সরকার সব সময়ই সক্রিয় আছে। প্রয়োজন অনুযায়ী যথাসময়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ইতিমধ্যে সরকার মূল্য সূচকের অস্বাভাবিকতা রোধকল্পে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে সরকার আরো কিছু যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নিচ্ছে। মোল্যা জালাল উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বছরের জানুয়ারির ১৮ তারিখ পর্যন্ত ঢাকা স্টক একচেঞ্জে ৭৯টি কোম্পানি ওটিসিতে রয়েছে। এরমধ্যে ১০টি কোম্পানির শেয়ার ডিম্যাটের জন্য যোগ্য বিবেচিত হওয়ার প্রেক্ষিতে এ কোম্পানিগুলোর শেয়ার ২৩ জানুয়ারি স্টক এক্সচেঞ্জে মূল মার্কেটে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির বোর্ড পুনর্গঠন করার নির্দেশনাসহ প্রাতিষ্ঠানিক শাসন নিশ্চিতকরণের জন্য সরকার ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করেছে।

মো. মনিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমদানির মাধ্যমে পণ্যের প্রকৃত মূল্যের অধিক বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে প্রেরণ তথা ওভার ইনভয়েসিং-এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা পাচার রোধকল্পে পণ্য আমদানির সময় আমদানিতব্য পণ্যের মূল্যের ন্যায্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দলিলাদি যাচাই এবং প্রয়োজনে বিদেশস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সকল ব্যাংককে নির্দেশনা প্রদান করেছে। এ বিষয়ে একটি আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। বেগম নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান ব্যাংক এ পর্যন্ত এক লাখ ৮৬ হাজার ৬০১ জন বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের ৮১১ কোটি ৬১ লাখ টাকা ঋণ প্রদান করেছে। চলতি অর্থ বছরে ৩৩০ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। মো. শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে তিনি সংসদকে বলেন, দেশে আয়কর দাতার সংখ্যা ৩০ লাখ ১৫ হাজার। এই সংখ্যা যথেষ্ট নয়।

মো. ইসরাফিল আলমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে দেশের ৬৪টি জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প থেকে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে দুই হাজার ২৭২ কোটি ১৩ লাখ টাকা জমা হয়েছে। এই সদস্যের অপর একটি লিখিত প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সাতটি খাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক অর্থায়ন করেছে। খাতগুলো হচ্ছে- কৃষি, বহৎ ও মাঝারি শিল্প, চলতি মূলধন, রফতানি ঋণ, বাণিজ্যিক ঋণ, ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্পে মেয়াদী ঋণ এবং অন্যান্য।

ফরিদুন্নাহার লাইলীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলতি অর্থ বছরের প্রথম ছয় মাসে বিদেশ থেকে পাঁচ হাজার ৫৪৪ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স এসেছে। অধ্যাপিকা অপু উকিলের প্রশ্নের জবাবে তিনি সংসদকে জানান, চলতি অর্থ বছরে ৯৪ দশমিক ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধ করা হয়েছে। ১৯৭২ সাল থেকে ২০০৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ ৫৩ দশমিক ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক সাহায্য পেয়েছে। এরমধ্যে ৩০ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ এবং ২২ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান। উক্ত সাহায্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় অবকাঠামো ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচীতে ব্যয় করা হয়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/27/2011 12:15 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ব্যাংকে নগদ টাকার সংকট বেড়েই চলছে

শেয়ারবাজার চাঙ্গা না হলে তারল্য সংকট কাটবেনা


সাইফুল ইসলাম
দৈনিক ইত্তেফাক


ব্যাংকিং খাতে নগদ অর্থ সংকট বেড়েই চলছে। শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের জমা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ১৩ থেকে সাড়ে ১৩ শতাংশে আমানত সংগ্রহ করছে। টাকার অভাবে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক সময়ে ঋণ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হচ্ছে অনেক ব্যাংক। অভিজ্ঞ শীর্ষ ব্যাংকাররা মনে করছেন শেয়ার বাজারে ব্যাংকগুলির বড় বিনিয়োগ আটকে যাওয়ায় টাকার সংকট তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকে নগদ জমার হার বৃদ্ধি এবং আমদানি বেড়ে যাওয়ায় সহসা এই সংকট কাটবে না বলে মত তাদের। নগদ টাকা সংকটের ফলে আর্থিক খাতে বিশৃঙ্খলা দেয়া দেয়ার আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অভিজ্ঞ ব্যাংকাররা মনে করছেন, শেয়ারবাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে নগদ টাকার সংকট কাটবে না। কারণ শেয়ারবাজারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠাগুলোর হাজার হাজার কোটি টাকা আটকে গেছে। শীর্ষপর্যায়ের একজন ব্যাংকার বলেন- ব্যাংক একদিকে নিজে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছে আবার বিত্ত অ্যাকাউন্টের বিপরীতে গ্রাহককে শেয়ার কিনতে ঋণ দিয়েছে। এখন শেয়ারের দাম পতনের ফলে ব্যাংকের শেয়ারের এ বিনিয়োগ অর্ধেক হয়ে গেছে। তাই এখন শেয়ার বিক্রি করতেও পারছে না।

অপরদিকে শেয়ার বাজার চাঙ্গার সময় নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন ব্যাংক থেকে স্বল্প সময়ের জন্য ঋণ করে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে। শেয়ারের দর পতনের ফলে সে টাকাও আটকে গেছে। ব্যাংকগুলো কলমানিতে ধার দেয়া এসব ঋণকে মেয়াদী ঋণে রূপান্তর করছে। এখন ব্যাংকগুলো অনেকটা জীবন রক্ষায় অদিক সুদে আমানত সংগ্রহ করছে। কলমানির সুদ হার নির্ধারিত থাকায় ব্যাংকগুলো এখন রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অধিক সুদে পেস্নসমেন্টে ১৩ বা সাড়ে ১৩ শতাংশে আমানত নিয়ে কোন রকমে বাংলাদেশ ব্যাংকের নগদ জমা ঠিক রেখেছে।

শেয়ার বাজারে ব্যাংকগুলো সত্যিকারে বিনিয়োগের পরিমাণ কত সে হিসাব বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে নেই বলেও ধারণা করেছেন অভিজ্ঞ শীর্ষ ব্যাংকাররা। শুধুমাত্র ব্যাংক সরাসরি শেয়ার বাজারে যে বিনিয়োগ করেছে এবং বিত্ত হিসাবের বিপরীতে যে মার্জিন ঋণ দিয়েছে সেটার হিসাব রয়েছে। এছাড়াও শিল্প ঋণের নামে নেয়া বিরাট অর্থও শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ হয়েছে। অপরদিকে ক্রেডিট কার্ড ও জামানত বিহীন ঋণের (এনি পারপাস ঋণ) বড় একটা অংকও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ হয়েছে। সমপ্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তেও সেটাউঠে এসেছে। বিশেষ করে এক্সিম ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকের এরকম ঋণের সন্ধান পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জানাযায়, সরকারের প্রভাশালী অফিসের কয়েকশ কর্মকর্তারা বেসিক ব্যাংক থেকে এনি পারপাস ঋণ নিয়ে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করেছে। কোন রকমের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে স্বয়ং ব্যাংকের চেয়ারম্যান এ ঋণ দিয়েছে।

অপরদিকে ক্রেডিট কার্ডের ঋণ নিয়ে বিরাট অংক শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ হয়েছে। কোন কোন ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে জামানত ছাড়া ৫ লাখ টাকা পযংন্ত ঋণ উত্তোলণ করতে পারেন একজন গ্রাহক। এই সুযোগে কাজে লাগাতে অনেকে ৪/৫টা ব্যাংক থেকে ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সর্বোচ্চ ঋণ নিয়ে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করেছে। শেয়ারের বড় ধরনের মূল্য পতনের ফলে এসব ঋণ এখন আটকে গেছে। অর্থাৎ ব্যাংকের বিনিয়োগ আছে সেটা লিকুইড না। একজন শীর্ষ ব্যাংকার মনে করেন বিভিন্ন ভাবে শেয়ার বাজারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলোর আটকে যাওয়া অর্থে পরিমান প্রায় এক লাখ কোটি টাকার মত। তিনি আরো বলেন, ব্যাংকগুলো আগে যে মুনাফা করেছে সেটা বাদ দিলে এখন যেটা আটকে আছে সেটা লিকুইড না। অর্থাৎ এখানে তারল্যের পরিমান কমে গেছে। শেয়ারে এসব বিনিয়োগ এখন ন্যাদায়ন করতে না পারায় তার ল্য সংকট দেখা দিয়েছে।

ঋণ দেয়ার চেয়েও ব্যাংকারদের এখন প্রধান কাজ আমানত সংগ্রহ। দীর্ঘমেয়াদি নগদ টাকার সংকট মেটাতে বিভিন্ন আমানত সংগ্রহে হন্যে হয়ে ঘুরছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। এমনকি আমানত রাখতে বেশি করে উদ্বুদ্ধ করতে ৬ বছরে দ্বিগুণ মুনাফার লোভও দেখাচ্ছে কোনো কোনো ব্যাংক। অপরদিকে সাময়িকভাবে নগদ টাকার সংকট মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে রেপো ও বিশেষ তারল্য সহযোগিতা নিচ্ছে ব্যাংকগুলো। ট্রেজারি বন্ড জমা রেখেও টাকা ওঠাচ্ছে কেউ কেউ। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আগের মতো চাহিদা অনুযায়ী নগদ টাকার সহায়তা পাওয়া যায় না বলেও অভিযোগ করেছেন ব্যাংকাররা। বাংলাদেশ ব্যাংক কলমানির সুদের হার নির্ধারণ করে দেয়ায় অগ্রিম জমা হার (এডি রেশিও) ঠিক রাখতে আমানত সংগ্রহে ব্যাংগুলো হন্যে হয়ে ঘুরছে।

এছাড়া সমপ্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআরআর ও এসএলআর জমার পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে প্রায় আড়াই থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত জমা দিয়েছে ব্যাংকগুলো। এসবের পাশাপাশি সামপ্রতিক সময়ে জ্বালানির পাশাপাশি ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া ও অনুৎপাদনশীল খাতে আমদানি ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। বর্তমানে বিভিন্ন মেয়াদি আমানত রাখলে ১৩ থেকে সাড়ে ১৩ শতাংশ সুদ দেয়া হচ্ছে। ৬ বছর মেয়াদি আমানতে কোনো কোনো ব্যাংক আরও বেশি সুদ দেয়ারও প্রস-াব করছে। আমানত জমা রাখার পর সিআরআর এবং এডি রেশিও ঠিক রেখে শতকরা ৭৮ টাকা লোনের জন্য ব্যবহার করা যায়। ফলে সব মিলিয়ে আমানতে বর্তমানে সুদের হার দাঁড়াচ্ছে ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ। কিন্তু ঋণের সুদের হার বেঁধে (ল্যান্ডিং ক্যাপ) ১৩ শতাংশের বেশি সুদ নেয়া যাবে না, এ শর্তের কারণে ব্যাংকগুলো সুদের হারও বাড়াতে পারছে না।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলো আমানতের সুদের হার বাড়িয়ে দিলে ঋণের ক্ষেত্রেও সুদের হার বাড়াতে হবে। অন্যথায় তারা লোকসানের সম্মুখীন হবে। এজন্য ল্যান্ডিং ক্যাপ ওঠাতে ব্যাংক মালিকরা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে দাবি করছেন।

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস আগেও তারল্য সংকট ছিল না। এমনকি চাহিদা না থাকায় ব্যাংকগুলোর কাছে আমানত বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ওই সময় ব্যাংকগুলোর কাছে অলস আমানত পড়ে ছিল প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/27/2011 12:52 pm

Cool Senior Member


Regist.: 02/27/2011
Topics: 0
Posts: 50
OFFLINE
thxxxxxxxxxxxxx
Quote   
02/27/2011 2:21 pm

Forum Addict


Regist.: 12/31/2010
Topics: 14
Posts: 92
OFFLINE
পুঁজিবাজারে প্রকৃত বিনিয়োগকারী ১১ লাখ: মুহিত

প্রথম আলো | তারিখ: ২৭-০২-২০১১

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন,   পুঁজিবাজারের ৩০ লাখ বিনিয়োগকারীর মধ্যে ১১ লাখ হচ্ছে সত্যিকার বিনিয়োগকারী।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সাংসদ আবদুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অনেক বিনিয়োগকারীর আচরণের কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাই না। যখন দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়, তখন যাঁরা লোকসানে আছেন, তারা বিক্রি করে ক্ষতি সামাল দেবেন। কিন্তু দাম যখন নিম্নমুখী, তখনই এক লাখ নতুন বিনিয়োগকারী ঢুকেছে। তারা কী ফটকাবাজির জন্য ঢুকেছেন? এ জন্যই তাঁদের শাস্তি হচ্ছে।’
বর্তমানে শেয়ারবাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।
মোশতাক আহমেদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ারবাজারে যে একটা কেলেঙ্কারির মতো হচ্ছে, তা তদন্তাধীন। আগামী কিছুদিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবে। শেয়ারবাজারের অশুভচক্রের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যে শাস্তির বিধান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, শাস্তি হিসেবে অনেক সময় সাসপেন্ড, ব্যবসা বন্ধ ও জরিমানা করা হয়েছে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ারের মূল্য অযৌক্তিক পর্যায়ে অতিমূল্যায়িত হয়েছে। পুঁজিবাজারে প্রচুর বিনিয়োগকারী স্বল্প মেয়াদে মুনাফা লাভের জন্য বিনিয়োগ করে থাকেন। এ ছাড়া সম্প্রতি বেশ কিছু বিনিয়োগকারী বাজার সম্পর্কে পূর্বধারণা ছাড়াই দ্রুত লাভের আশায় বিনিয়োগ করেছেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, তাঁদের ধারণা, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করলেই লাভ পাওয়া যাবে। এ ধরনের বাস্তব ধারণাবিবর্জিত গুজবভিত্তিক বিনিয়োগের কারণে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।  
Quote   
02/27/2011 2:33 pm

Forum Addict


Regist.: 12/31/2010
Topics: 14
Posts: 92
OFFLINE

Originally Posted by Arshad Syed:
পুঁজিবাজারে প্রকৃত বিনিয়োগকারী ১১ লাখ: মুহিত

প্রথম আলো | তারিখ: ২৭-০২-২০১১

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন,   পুঁজিবাজারের ৩০ লাখ বিনিয়োগকারীর মধ্যে ১১ লাখ হচ্ছে সত্যিকার বিনিয়োগকারী।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সাংসদ আবদুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।  



আমার মনে হয়, প্রকৃত বিনিয়োগকারী ১১ লাখের অনেক বেশি। আমি অন্ততঃ তিনটি বিও এ্যাকাউন্টের খবর জানি।

১। আমার ছোটভাইয়ের বন্ধুরা প্রায় ৭ জন মিলে একটি বিও এ্যাকাউন্ট পরিচালনা করেন।
২। আমার খালাত দু'ভাই এবং অন্য আরো দুজন খালা এক সংগে সেকেন্ডারী মার্কেটে বিনিয়োগ করেন।
৩। আমার ছোট বোনের কলিগরা প্রায় ৫ জনের একটি গ্রুপ বিনিয়োগ করেন।

আমি যদি এসব জেনে থাকি, আমাদের মন্ত্রীরা জানেন না কেন?
Quote   
02/27/2011 3:07 pm

Forum Addict


Regist.: 12/31/2010
Topics: 14
Posts: 92
OFFLINE
ইব্রাহিম খালেদ : আইনসম্মত হলেও অনৈতিক ব্যাপার ঘটেছে পুঁজিবাজারে
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৮-০২-২০১১

পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেছেন, আইনসম্মত হলেও অনেক অনৈতিক বিষয় পুঁজিবাজারে ঘটেছে। সেই বিষয়গুলোও তদন্ত প্রতিবেদনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।
গতকাল রোববার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
ইব্রাহিম খালেদ বলেন, নির্ধারিত দুই মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তবে প্রতিবেদনের জন্য সময় আরও বেশি হলে ভালো হতো। তিনি আরও জানান, কমিটি ২০০৯ থেকে ২০১১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত শেয়ারবাজারের বিভিন্ন অনিয়মের তদন্ত করবে। এরই অংশ হিসেবে তদন্ত কমিটির সদস্যরা এসইসির কর্মকর্তাদের বিভিন্ন কাজের বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ জানুয়ারি কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে সরকার প্রথমে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে।
কমিটির অপর দুজন সদস্য হলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী এবং ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী। পরে চতুর্থ সদস্য হিসেবে ব্যারিস্টার নিহাদ কবীরকে যুক্ত করা হয়।
Quote   
02/28/2011 8:21 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
টানা দরপতনে ডিএসইর সামনে বিক্ষোভ

ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)

পুঁজিবাজারে দরপতনে বিক্ষোভ করছে বিনিয়োগকারীরা। সোমবার লেনদেন শুরু হওয়ার ১ ঘণ্টা পরই মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে এ বিক্ষোভ শুরু হয়। লেনদেনের শুরু থেকে ব্যাপক দরপতনের মুখে রাস্তায় নেমে আসে বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষোভে মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে দৈনিক ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বেলা ২টার দিকে ওই রাস্তায় যান চলাচল শুরু হয়।
ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা মধুমিতা ভবন থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ নিয়ে পুরো মতিঝিল জুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। তবে পুঁজিবাজারে টানা দরপতনে বিক্ষোভের আশঙ্কায় সকাল থেকেই ডিএসই'র আশপাশে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/মউ/এমএইচ/১৪.১০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/28/2011 8:23 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ফোর্স সেল বন্ধ করতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর প্রতি এসইসি'র আহবান

ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


ফোর্স সেল না দেয়ার বিষয়ে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের পরামর্শের বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
আজ দুপুরে এসইসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসইসি মুখপাত্র সাইফুর রহমান এ কথা জানান।

উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত চলতি মাসের ১৮ তারিখে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর ফোর্স সেলকে অনৈতিক বলে আখ্যায়িত করেন এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে ফোর্স সেল থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। এছাড়া মার্জিন ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কথাও বলেন তিনি।

সাইফুর রহমান আরো জানান, সামপ্রতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী মার্চেন্ট ব্যাংকসহ পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে সক্রিয় রয়েছে বলেও তিনি অবহিত করেন। তবে এসব রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বাজারে কি পরিমাণ বিনিয়োগ করেছে সাংবাদিকদরা তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য এসইসির কাছে নেই।
একই সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা (এসইসি) কিংবা তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে বাজারের সাধারণ লেনদেনের ওপরে কোনো প্রকার নজরদারি, বাধ্যবাধকতা কিংবা প্রতিবন্ধকতা নেই। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কোনো ধরনের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব না রেখে স্বাচ্ছন্দ্যে স্বাভাবিক লেনদেনে অংশগ্রহণ করতে পারে বলেও অবহিত করেন তিনি।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম / এইচএমএম / মাবি /এআইকে/ ১৯.১০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/28/2011 8:24 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
দরপতনের বৃত্তে শেয়ারবাজার

ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ব্যাপক দরপতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারে লেনদেন। সোমবার লেনদেনের শুরুতেই অধিকাংশ শেয়ারের দাম কমে যায়। ব্যাপক লোকশানের মুখে রাস্তায় নেমে আসে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে ঘোষণা আসে সরকারি বিনিয়োগ আরো বাড়ানোর। কিন্তু তাতেও বাজারে আস্থা আসেনি। শেষ পর্যন্ত সূচকের বড় রকমের পতন দিয়েই শেষ হলো লেনদেন। এ দিন ঢাকা স্টক একচেঞ্জে সাধারণ সুচক কমে ২৬০ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ২৫২টি কোম্পানির শেয়ার। এর মধ্যে দাম কমেছে ২১৩টির। বেড়েছে ৩০টির কোম্পানির। অপরিবর্তিত শেয়ার সংখ্যা ৯টি।
এ দিকে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত গতকাল সংসদে বলেছেন, বাজার পড়ে যাওয়ার পরেও শেয়ার বাজারে নতুন ১ লাখ বিনিয়োগকারী ঢুকেছে। তারা ফটকাবাজি করে লাভ করতে চাচ্ছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এমএইচ/মউ/এমএইচ/১৫.৩৩ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/28/2011 8:28 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ চলছে


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম


ঢাকা: সরকারি পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেওয়ার পরও থামানো যাচ্ছে না পুঁজিবাজারের দর পতন। লেনদেন হওয়া এর আগের ৪দিনও দরপতনের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা ব্রোকারেজ হাউজ ছেড়ে ডিএসইর সামনের রাস্তায় নেমে আসে। তারা বিভিন্ন দাবিতে রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন এবং আগামীকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। ডিএসসির সামনের রাস্তায় যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্তক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

গত রোববার পুঁজিবাজারের পতন রোধে রাষ্ট্রয়ত্ব ব্যাংক সোনালী, জনতা, রূপালী, অগ্রণী ব্যাংক ও  ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয় সরকার।  

এরপরও সোমবার দেশের দুই পুঁজিবাজারেই বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দাম কমার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে লেনদেন।

বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে(ডিএসই) ২২৩টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯টির, কমেছে ২০৯টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টি কোম্পানির দাম। ]

একই সঙ্গে সাধারণ সূচক ২৩৯ পয়েন্ট কমে পৌঁছায় ৫ হাজার ২২৩ পয়েন্টে।

রোববারসহ এর আগের সপ্তাহের বেশিরভাগ দিন ডিএসইতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখি প্রবণতা দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও সোমবার তাও হয়নি। লেনদেনের শুরুতেই সূচক নিম্নমুখি হতে থাকে যা অব্যাহত থাকে বেলা ১১টা ২০মিনিট পর্যন্ত। এরপর সামান্য মোড় নিলেও ১১ টা ২৫ মিনিট  থেকে ১১ টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত  টানা কমেছে।  

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেলা ১১ টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত ১৪৩টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দর কমেছে ১৩৮টির ও বেড়েছে মাত্র ৫টি কোম্পানির দাম।

পাশাপাশি সূচক ৩৭৪ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৫৭৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১২১০ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/28/2011 8:29 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারের লেনদেনের ওপর কোনো নজরদারী বা প্রতিবন্ধকতা নেই


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম


ঢাকা: বাজারের স্বাভাবিক লেনদেনের ওপর সরকার, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কিংবা তদন্ত কমিটির কোনো নজরদারি, বাধা-নিষেধ ও প্রতিবন্ধকতা নেই। বিনিয়োগকারীরা স্বাভাবিকভাবে পুঁজিবাজারে লেনদেন করতে পারেন।

সোমবার বিকেলে এসইসির মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান এসইসি কার্যালয়ে এক ব্রিফিং-এ সাংবাদিকদের একথা জানান।

সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের বিষয়ে এসইসির  পক্ষ থেকে তিনি সাংবাদিকদের আরও জানান, কমিশন ফোর্স সেল থেকে বিরত থাকার জন্য বাজার মধ্যস্থতাকারীদের আহ্বান জানিয়েছে।

সাইফুর রহমান বলেন, পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কেনার জন্য সরকার এরই মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক এবং আইসিবিকে নির্দেশ দিয়েছে। তারা এখন সক্রিয় রয়েছে। কোনো প্রকার গুজবে কান না দিতে বিনিয়োগকারীদের তিনি আহ্বান জানান।

তবে ব্রিফিং এ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্ন তিনি এড়িয়ে যান।


বাংলাদেশ সময়: ১৫৪০ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/28/2011 8:30 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
দরপতনের মধ্যে শেষ হলো লেনদেন
     
     

ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


পুঁজিবাজারে সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের লেনদেনও শেষ হলো দরপতনের মধ্য দিয়ে।

সোমবার দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক দুশ ৬০ দশমিক ২৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় পাঁচ হাজার দুশ তিন পয়েন্ট। এদিন লেনদেন হয় মোট চারশ ৮৯ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার।

লেনদেন হওয়া দুশ ৫২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩০টির, কমেছে দুশ ১৩টির। দাম অপরিবর্তিত ছিলো ৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের।

বেলা ১১টায় লেনদেন শুরুর পর প্রথম ঘণ্টায় সূচক কমে দুশ ৩১ দশমিক ৯০ পয়েন্ট বা চার দশমিক ২৪ শতাংশ।

বেলা ২টা ১১ মিনিটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক দুশ ৭০ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় পাঁচ হাজার একশ ৯২ পয়েন্ট। এ সময় পর্যন্ত লেনদেন হয় তিনশ ৭২ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার।

এ অবস্থায় ডিএসই'র সামনে কয়েকশ বিনিয়োগকারী অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকায় বেলা ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত মতিঝিল শাপলা চত্ত্বর থেকে রামকৃষ্ণ মিশন পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ ছিল।

বিনিয়োগকারীরা জানান, তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিতে যাবেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/পিডি/১৫২৫ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/28/2011 8:33 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

পুঁজিবাজারে সরকার ও আমাদের কোনো বিধিনিষেধ নেই: এসইসি


অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ২৮-০২-২০১১
প্রথম আলো

পুঁজিবাজারে স্বাভাবিক লেনদেনের ওপর সরকার, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এবং পুঁজািবাজারে কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটির কোনো প্রকার বাধা কিংবা নিষেধ নেই। আজ সোমবার এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
সাইফুর রহমান বলেন, বিনিয়োগকারী কোনো প্রকার দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই লেনদেনে অংশ নিতে কিংবা বিনিয়োগ করতে পারবেন। এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংক এবং আইসিবি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী শেয়ার কেনা অব্যাহত রেখেছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ফোর্সড সেল না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেছি।’
সাইফুর রহমান বিনিয়োগকারীদের গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধও করেছেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/28/2011 9:05 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ইসলামী ব্যাংক লাভের ৮ শতাংশ জঙ্গি অর্থায়নে ব্যয় করে: টুকু


ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড তাদের লভ্যাংশের শতকরা ৮ ভাগ জঙ্গি অর্থায়নে ব্যয় করে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু। সোমবার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকার কমিটির নবম সভা শেষে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় স্বরাষ্ট্র সচিব আবদুস সোবহান শিকদার, পুলিশ মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার, র‌্যাবের মহাপরিচালক মোখলেছুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংক তাদের লভ্যাংশের শতকরা ২ ভাগ নিজ ব্যাংকে এবং শতকরা ৮ ভাগ ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনে জমা রাখে। এই ৮ শতাংশ অর্থ জঙ্গিবাদ অর্থায়নে ব্যয় করছে বলে সরকার মনে করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি তদন্ত করছে। রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত লভ্যাংশের ৮ শতাংশ অর্থ ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনে জমা দেয়া রয়েছে। তিনি বলেন, আজকের সভার সিদ্ধান্তানুযায়ী কমিটির আগামী সভায় ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ফাউন্ডেশনের অর্থ খরচের বিবরণী অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থাকেও বলা হয়েছে ইসলামী ব্যাংকের কার্যকলাপ নজরদারি করতে।
তিনি আরো বলেন, ইসলামী ব্যাংক যাকাতের অর্থ সংগ্রহ এবং বিতরণ করে থাকে। সাধারণ বিধি অনুয়ায়ী আট পদ্ধতিতে যাকাত সংগ্রহ এবং বিতরণ করে। কিন্তু ইসলামী ব্যাংক ষোলটি পদ্ধতি অনুসরণ করছে। যাকাতের অর্থ সংগ্রহ এবং বিতরণের হিসাবও অর্থ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে বলা হয়েছে ইসলামী ব্যাংককে।
ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়নে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ সরকারের কাছে রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে গণসচেতনতা সৃষ্টি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুক্রবার মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে ইমামগণ জঙ্গিবাদ ও মাদক ইসলাম পরিপন্থী বিষয়ে মুসলি্লগণকে সচেতন করবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকরা শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করবেন। সরকারি কমিউনিটি পুলিশও গ্রামের তৃণমূল পর্যায়ে জঙ্গিবাদবিরোধী প্রচারণা চালাবে। এতে করে কেউ জঙ্গিবাদে মদদ বা প্রশিক্ষণ দিতে নিরুৎসাহিত হবে। এছাড়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেন জঙ্গি সদস্য সংগ্রহ এবং প্রশিক্ষণ দিতে না পারে সে ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
বর্তমানে জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে সরকারের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ায় জঙ্গিরা ভীত হয়ে আছে। বিগত জোট সরকারের আমলে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছে অভিযোগ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলীয় নেতানেত্রীদের প্রতি আহ্বান- তারা এমন বক্তব্য দেবেন না যাতে জঙ্গিরা উৎসাহ পায়। বিরোধী দলকে সংসদে এসে জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। আগামী ৭ এপ্রিল জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকার কমিটির দশম সভা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এমএইচআর/ এনএম/ এসসি/১৮.২৮ঘ.)

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 1 / 2 1 - 2 Next »
Login with Facebook to post
Preview