| 02/26/2011 12:17 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | লোকসানে শেয়ার বিক্রি না করার আহ্বান
জেনারেল ইনভেস্টরস ফোরামের আলোচনাসভা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে লোকসানে শেয়ার বিক্রি না করার জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জেনারেল ইনভেস্টরস ফোরাম নামে একটি সংগঠন। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) কনফারেন্স হলে আয়োজিত আলোচনাসভায় সংগঠনের নেতারা এ আহ্বান জানান।
পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারী মোঃ ইয়াকুব আলী খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় গোলাম মোস্তফা, মোঃ বাহাউদ্দীন, বুলবুল আহমেদ, কাজী আহসান হাবিব, ইকবাল আহমেদসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী বিনিয়োগকারী বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে উলেস্নখযোগ্যসংখ্যক বড় বিনিয়োগকারী উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনাসভায় পুঁজিবাজারের আলোচিত বিনিয়োগকারী ইয়াকুব আলী খন্দকার বলেন, গত ডিসেম্বর থেকে একের পর এক বিপর্যয় হলেও বিনিয়োগকারীরা অনেক ধৈর্য দেখিয়েছে। সরকারও এসইসিও বাজার স্থিতিশীল করতে বিভিন্ন পদৰেপ নিয়েছে। এর আগে উর্ধমুখী বাজারে এসইসি যেসব নেতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছিল সেগুলোও প্রত্যাহার করা হয়েছে। কিন্তু এরপরও বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে না।
তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের সূচক দৃশ্যমান অবস্থায় ৬ হাজারের কাছাকাছি থাকলেও প্রকৃতপৰে তা এখন ৩ হাজারের নিচে অবস্থান করছে। গত দু'বছরে বাজারে যেসব নতুন শেয়ার এসেছে তার প্রভাবে সূচক প্রকৃত অবস্থার চেয়ে উপরে অবস্থান করছে। এক বছর আগের শেয়ারের দরের সঙ্গে বর্তমান বাজার দর তুলনা করলেই সূচকের প্রকৃত চিত্র অনুধাবন করা যাবে।
তিনি বলেন, লোকসানের পরিমাণ বাড়তে বাড়তে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ইকু্যয়িটি শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। বিশেষ করে মার্জিন ঋণ নিয়ে যাঁরা শেয়ার কিনেছেন, তাঁদের অনেকেই বিনিয়োগের সব টাকা হারাতে বসেছেন। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের রৰায় অবশ্যই কার্যকর পদৰেপ নেয়া প্রয়োজন।
ইয়াকুব আলী খন্দকার আরও বলেন, যাঁরা ইতোমধ্যে শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন তাঁদের কেউ কেউ গুজব ছড়িয়ে বাজারে আরও ধস নামানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু পরিস্থিতি সেদিকে গেলে শুধু বিনিয়োগকারীরাই নন, অনেক প্রতিষ্ঠানও ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো বিপুল পরিমাণ অর্থ ও লোকবল নিয়োজিত করে প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়েছে। বাজার ধ্বংস হলে তাদের অসত্মিত্বও বিপন্ন হবে।
বিনিয়োগকারীদের প্রতি আতঙ্কে শেয়ার বিক্রি না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র গুজব ছড়িয়ে দর কমিয়ে শেয়ার কিনে নিচ্ছে। তা না হলে প্রতিদিন ৫০০-৭০০ কোটি টাকা লেনদেন হওয়ার কথা নয়। এতেই প্রমাণ হয়, বাজারে ক্রেতা আছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি না করলে কুচক্রীরা ফায়দা লুটতে পারবে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে যাঁরা শেয়ার বিক্রি করবেন তাঁদের লোকসান নিয়ে চলে যেতে হবে। আর যাঁরা শেয়ার ধরে রাখবেন তাঁরা অবশ্যই লোকসান থেকে বেরিয়ে লাভবান হবেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের দিক থেকে তাগিদ দেয়া হলেও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের মুনাফার একাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করছে কিনা_ তা স্পষ্ট নয়। অর্থমন্ত্রীকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে শেয়ার কেনার জন্য দেয়া তহবিল ঠিকভাবে বিনিয়োগ হচ্ছে কিনা_ তাও খতিয়ে দেখা উচিত।
তাঁরা বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে নেতিবাচক কথাবার্তা বলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশিস্নষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। শেয়ারবাজারে মূলত আস্থা কেনাবেচা হয়। আস্থা নষ্ট হওয়ার ফলে পুঁজিবাজার ধ্বংস হলে অর্থনীতিতে বিনিয়োগ যোগান দেয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/26/2011 12:19 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ৬ ব্রোকারেজ হাউসের শুনানি ১৩ মার্চ
আগ্রাসী বিক্রির অভিযোগ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
শেয়ার বিক্রির ক্ষেত্রে আগ্রাসী কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত ৬ ব্রোকারেজ হাউসের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৩ মার্চ। সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) এ প্রতিষ্ঠানগুলোর শুনানি হবে। ইতোমধ্যে এসইসি থেকে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ ব্যাপারে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো_ পিএফআই সিকিউরিটিজ, আইআই ডিএফসি, এনসিসি ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক ও এলায়েন্স সিকিউরিটিজ।
জানা যায়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এবং বর্তমান পুঁজিবাজার পরিস্থিতির প্রেৰাপটে গত ৮ ফেব্রম্নয়ারি ৫ ব্রোকারেজ হাউসের লেনদেন চালুর সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি এনসিসি ব্যাংকের লেনদেন চালু করে দেয়া হয়। তবে এ প্রতিষ্ঠানগুলো লেনদেন কার্যক্রম শুরম্ন করতে পারলেও তদনত্ম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানায় এসইসি। এরই প্রেৰিতে আরও তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফায় শুনানি অনুষ্ঠিত হবে ১৩ মার্চ। শুনানিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর বক্তব্য যাচাই করে শাস্তির হার নির্ধারণ করা হবে। এ শুনানির পরই জরিমানা করা হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের প্রাথমিক শুনানিতে ডাকা প্রতিষ্ঠানগুলো এ্যাগ্রেসিভ লেনদেনের জন্য টেকনিক্যাল ত্রুটিকে দায়ী করে মতামত দিয়েছিল।
এসিআই বন্ড রূপান্তরের রেকর্ডের তারিখ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে বিক্রয় ও রূপান্তরযোগ্য জিরো কুপন বন্ড শেয়ারে রূপানত্মরের রেকর্ড ডেট ঘোষণা করেছে এ্যাডভান্সড ক্যামিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (এসিআই)। ওই বন্ড পরিবর্তনের ৰেত্রে পরিপক্বতা আসায় আগামী ৬ মার্চ রেকর্ড ডেট ধার্য করা হয়েছে।
কোম্পানির ঘোষণা অনুযায়ী ২০% কনভার্টেবল জিরো কুপন শেয়ারে রম্নপানত্মর করা হবে। অবশিষ্ট ৮০ শতাংশ নগদ অর্থে পরিশোধ করার সিদ্ধানত্ম নিয়েছে এসিআই পরিচালনা পর্ষদ।
কিন্তু যারা বন্ডকে শেয়ারে রূপানত্মর করবে না তাদের রেকর্ড ডেটের পরে ৫ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিতভাবে কোম্পানিকে অবহিত করতে হবে।
২০০৯ সালের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি কোম্পানির সম্পদ মূল্য ছিল ১৫৬ টাকা ১৬ পয়সা।
এসিআই ১ লাখ ৬ হাজার ৮৬৮ লটে বিভক্ত ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৩৪০টি বন্ড ইসু্য করে_ যার মোট মূল্য ৪০ কোটি ৬ হাজার ৯২৪ টাকা। ৫ হাজার টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি লটের জন্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩,৭৪৩ টাকা টাকা নেয়া হয়। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/26/2011 12:20 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ভাল লভ্যাংশেও আস্থা ফিরছে না বিনিয়োগকারীদের
আরেকটি মন্দা সপ্তাহ পার করেছে পুঁজিবাজার
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ভাল লভ্যাংশ ঘোষণা করলেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কট কাটছে না। এ পর্যন্ত যেসব কোম্পানি ২০১০ সালের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, তার অধিকাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংকগুলোর বেশিরভাগই বোনাস শেয়ার দিয়েছে। কিন্তু এরপরও রেকর্ড ডেটের আগেই এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমছে। বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা না ফেরার কারণেই এ ধরনের অস্বাভাবিক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে মন্দা অবস্থার মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারের আরেকটি সপ্তাহ পার হয়েছে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ৪ দিনে ডিএসইতে দুই হাজার ৬৭৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকার ২৩ কোটি ৭২ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৬৬৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে ৩ দিনে দুই হাজার ৬৮ কোটি ১৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। প্রতিদিন গড়ে ৬৮৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। এ হিসেবে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ২৭১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। প্রতিদিন গড়ে লেনদেন কমেছে ২০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।
রবিবার সপ্তাহের প্রথম লেনদেনে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল দুই লাখ ৭১ হাজার ৪৯ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তা কমে ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৭৩ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। এ হিসেবে গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৬ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা কমেছে। সপ্তাহের শুরম্নতে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৫ হাজার ৯২৬ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট। সপ্তাহ শেষে তা কমে ৫ হাজার ৮০০ দশমিক ৯৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এ হিসেবে মূল্যসূচক ১২৫ দশমিক ৪১ পয়েন্ট কমেছে। শতাংশের হিসেবে যা ২ দশমিক ১২ শতাংশ। লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বেড়েছে ৫৭টির এবং কমেছে ২০২টির শেয়ারের দর।
বিশেস্নষকরা বলছেন, শেয়ারবাজারে মন্দা অবস্থার কারণে ব্যাংকগুলো দুরবস্থায় রয়েছে। কারণ বিগত বছরে ব্যাংকগুলোর আয়ের বিশাল একটি অংশ এসেছে শেয়ারবাজার থেকে। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে থেকে ওইভাবে আয় করতে পারছে না। এ কারণে চলতি বছরের প্রথম প্রানত্মিকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ইপিএস (প্রতি শেয়ারের বিপরীতে আয়) তুলনামূলক খারাপ আসবে। তাই বিনিয়োগকারীরা ব্যাংকের শেয়ারে ঝুঁকছে না।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে যে কোম্পানির শেয়ার সবচেয়ে বেশি লেনদেনে হয়েছে সেগুলো হলো_ ন্যাশনাল ব্যাংক ১৪২ কোটি ০৫ লাখ টাকা, বেঙ্মিকো লিমিটেড ১১৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা, পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ১১৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, লংকা বাংলা ফাইন্যান্স ৮২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, বেঙ্মিকো টেঙ্টাইল ৭৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল ৭৪ কোটি ৮ লাখ টাকা, ওয়ান ব্যাংক ৭২ কোটি ২১ লাখ টাকা, বে লিজিং ৭০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, প্রাইম ফাইন্যান্স ৬৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা এবং তিতাস গ্যাসের ৬১ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসইতে গত সপ্তাহে যে সব কোম্পানির শেয়ারের দর সবচেয়ে বেড়েছে সেগুলো হলো_ প্রাইম ফাইন্যান্স, আইডিএলসি, এশিয়া ইন্সু্যরেন্স, ফিনিঙ্ ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ড, এসিআই লিমিটেড, ফার্স্ট লিজ ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, গস্নাস্কো স্মিথ ক্লেইন, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, বেঙ্মিকো টেঙ্টাইল এবং বিডি ফাইন্যান্স।
অন্যদিকে যে সব কোম্পানির শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি কমেছে সেগুলো হলো- বিডি অয়েল্ডিং, সিএমসি কামাল, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক, তালস্নু স্পিনিং, রহিমা ফুড, আনলিমা ইয়ার্ন, বার্জার পেইন্ট, সোনারগাঁও টেঙ্টাইল এবং ইমাম বাটন।
গত সপ্তাহে যে সব কোম্পানি ২০১০ সালের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এরমধ্যে হলো- ব্যাংক এশিয়া ৪০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ, ব্র্যাক ব্যাংক ২০ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ, ঢাকা ব্যাংক ৩৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার, লংকা বাংলা ফাইন্যান্স ৫৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ২২ শতাংশ বোনাস শেয়ার, ওয়ান ব্যাংক ৫৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার, প্রাইম ব্যাংক ৩৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, আইডিএলসি ৬৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ও ৩৫ শতাংশ নগদ, প্রাইম ফাইন্যান্স ৮০ শতাংশ বোনাস শেয়ার এবং এবং সাউথ ইস্ট ব্যাংক ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার এবং ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
৮০% বোনাস শেয়ার দিচ্ছে প্রাইম ফাইন্যান্স
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৮০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্ট লিমিটেড। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ৫টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৪টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৯ মার্চ সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৭ মার্চ রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১০ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ১৯ টাকা ১৩ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৩৮ টাকা ৬৫ পয়সা। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/26/2011 12:22 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতায় সকলকে দায়িত্বশীল হতে হবে
বিশেষ সাক্ষাতকারে সিএসই পরিচালক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ
আতিকুর রহমান ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে সংশিস্নষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল হতে হবে। সরকারী কর্মকর্তাদের বাজারবিষয়ক বক্তব্য দেয়ার ক্ষেত্রে সাবধান হওয়া দরকার বলে মনে করেন চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) পরিচালক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ।
সিএসইর ওই পরিচালক জনকণ্ঠের সঙ্গে সাৰাতকারে আরও বলেন, পুঁজিবাজার অন্যসব বাজার থেকে আলাদা। বিনিয়োগ করে দু'এক দিনের মধ্যে লাভের আশা করা যাবে না। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তাঁরা বিনিয়োগ করে দ্রুত লভ্যাংশ পেতে চান। এটা পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক আচরণের ব্যত্যয় ঘটায়।
তবে বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থেই বাজার এখন অস্থিতিশীল। এই অস্থিতিশীলতা কাটতে সময় লাগবে।
সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদৰেপ সত্ত্ব্বেও বাজারে স্বাভাবিকতা ফিরছে না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারী পদৰেপের কার্যকারিতা আসতে সময় লাগবে। এছাড়াও বাজারে স্বাভাবিকতা ফিরাতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রম্নত লভ্যাংশ ঘোষণা করতে হবে। দ্রম্নত বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করতে হবে। এজিএমের ঘোষণা করা হলে বাজার স্বাভাবিক হতে সহায়ক হবে।
আর বাজার স্বাভাবিক করতে ডিলিস্টেড কোম্পানিগুলোর বিষয়ে দ্রম্নত সিদ্ধানত্ম নিতে হবে। প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) বিষয়টি স্বাভাবিক গতিতে রাখতে হবে। এটি নিয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য প্রতিবন্ধক স্বরূপ।
পুঁজিবাজারে বিপর্যয় এড়াতে বিনিয়োগকারীদের প্রশিৰণের ব্যবস্থা করতে হবে। মহিউদ্দিন আহমদের মতে, প্রশিৰণ ছাড়া পুঁজিবাজার নিরাপদ রাখা সম্ভব নয়। পুঁজিবাজার একটি গুরম্নত্বপূর্ণ জায়গা। এখানে কানে শুনে বিনিয়োগ করলে বড় অঙ্কের খেসারত দিতে হবে। আমাদের দেশের বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী গুজবভিত্তিক বিনিয়োগ করে থাকেন। পুঁজিবাজার সম্পর্কে তাদের পরিষ্কার ধারণা নেই। শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে তাঁরা অন্যদের অনুসরণ করেন।
একই সঙ্গে ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তাদেরও যথাযথ প্রশিৰণের ব্যবস্থা করা দরকার। আর এগুলোর সমন্বয় হলে বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচবে পুঁজিবাজার।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে কারসাজি রোধে সার্ভেইল্যান্স (নজরদারি) জোরদার করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে- পুঁজিবাজারের সাম্প্রতিক ঘটনায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদনত্ম কমিটি গঠন, ইনডেঙ্ ব্রেকার প্রত্যাহার, প্রত্যেকটি শেয়ারের সার্কিট ব্রেকার স্টক এঙ্চেঞ্জের সঙ্গে আলাপ করে নির্ধারণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিনিধি অনত্মর্ভুক্ত করে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এর পরামর্শক কমিটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ, কোস্পানি আইন সংশোধন করে কোস্পানির মাধ্যমে বাই-ব্যাকের উদ্যোগ গ্রহণ, সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পুঁজিবাজার সংক্রানত্ম নীতিগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য বারবার বৈঠকের সিদ্ধানত্ম, লোন মার্জিন নির্ধারণে বাজারে কোন হসত্মক্ষেপ না করে একটি দীর্ঘমেয়াদি নীতি প্রণয়ন, বিনিয়োগকারীদের অধিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী তথা ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংকের পুঁজিবাজার থেকে অর্জিত মুনাফার একাংশ পুঁজিবাজারে পুনর্বিনিয়োগের পরামর্শ প্রদান, অস্বচ্ছ ও ত্রম্নটিপূর্ণ নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর জন্য সতর্কীকরণ ও অন্যান্য শাসত্মিমূলক ব্যবস্থা, বাজার মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে অধিকতর সমন্বয় সাধনের ব্যবস্থা, কোনও সিকিউরিটি অতিমূল্যায়িত বিবেচিত হলে সাময়িকভাবে সেটির লেনদেন স্থগিত, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর কোয়াটার্লি রিপোর্ট প্রকাশের ব্যবস্থা |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/26/2011 12:23 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে শীঘ্রই সংলাপ
৪৭টি ব্যাংকের এমডিদের চিঠি দেয়া হচ্ছে, ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার নিয়ে কাজ শুরু
খায়রুল হোসেন রাজু ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকি রোধে কঠোর অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর্থিক ঝুঁকির পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা ঝুঁকি প্রতিরোধেও নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করা হবে। এসব প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়গুলো উলেস্নখ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খুব শীঘ্রই ৪৭টি তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে চিঠি পাঠাবে বলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশিস্নষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশিস্নষ্ট বিভাগের এক উর্ধতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনকণ্ঠকে বলেন, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকিসহ সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলা করার লৰ্যে ব্যাসেল-২ এর (এক নম্বর পিলার) বাস্তবায়নে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে গাইডলাইন তৈরি করে সব তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়। এরই অংশ হিসেবে আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোর নূ্যনতম মূল্যধন ৪শ' কোটি রাখতে হবে। গত ডিসেম্বর অনুযায়ী মাত্র ৬টি ব্যাংক ছাড়া প্রায় সকল ব্যাংকই নূ্যনতম মূলধন সংরৰণ করেছে। বাকি ব্যাংকগুলোও বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে মূলধন সংগ্রহ করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, এখন আবার ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় নম্বর পিলার বাসত্মবায়ন করতে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংলাপ করা হচ্ছে। এর নাম হবে সুপারভাইজারি রিভিউ প্রোসেস (এসআরপি) এবং সুপারভাইজারি রিভিউ ইবেলুয়েশন প্রোসেসে (এসআরইপি) সংলাপ। এতে প্রতিটি ব্যাংকের এমডিরা উপস্থিত থাকবেন। এ সংলাপে ব্যাংকগুলোই নির্ধারণ করবে ঋণ বিতরণে কি পরিমাণ ভুল তথ্য এবং পর্যাপ্ত জামানত ছিল না। এসব বিষয় উলেস্নখ করে খুব শীঘ্রই ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে চিঠি দেয়া হবে।
সূত্রে জানা গেছে, ব্যাসেল-২ -এর প্রথম পিলার বাসত্মবায়নের কিছু আগেই দ্বিতীয় পিলারের কাজ শুরম্ন হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা জোরেশোরে কাজ শুরম্ন করছেন। এরই অংশ হিসেবে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়নের জন্য ব্যাংকগুলোতে চিঠি দেয়া হচ্ছে সংলাপ করার জন্য। সংলাপের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণের সময় কতভাগ ভুল তথ্যর ওপর ভিত্তি করে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি উপযুক্ত জামানত বা মটগেজ না রেখে ঋণ বিতরণ করা হয়। এছাড়া এসব ভুলতথ্য ও মটগেজ ছাড়া বিতরণকৃত ঋণ আদায় করতে কি পরিমাণ সময় মূল্য নির্ধারণ করা হবে তাও সংশিস্নষ্ট ব্যাংক নির্ধারণ করবে। ব্যাংক কর্মকর্তাদের অসাবধানতার জন্য সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের মূলধন রাখতে হবে। কিন্তু কি পরিমাণ মূলধন বাড়াতে হবে তা সংলাপে ব্যাংকগুলোর উর্ধতন কর্মকর্তারা উলেস্নখ করবেন।
আরও জানা গেছে, দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়ন নিয়ে সংলাপে সকল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে উর্ধতন কর্মকর্তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে উপস্থিত থাকবেন। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে সংশিস্নষ্ট বিভাগের নির্বাহী পরিচালক এবং মহাব্যবস্থাপকসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। এ বিষয়ে খুব শীঘ্রই ৪৭টি ব্যাংকে চিঠি দেয়া হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতের আর্থিক ঝুঁকি মোকাবেলা করা, ঋণ বিতরণে উপযুক্ত মটগেজ রাখা, পর্যাপ্ত তথ্য ও নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ করা এবং আনত্মর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে একযোগে কাজ করার লৰ্যেই বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে ব্যাসেল-২ বাসত্মবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাসেল-এর প্রথম কাজ প্রায় শেষের পথে। দ্বিতীয় কাজ শুরম্ন হচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পিলারের কাজ সম্পর্কে সংশিস্নষ্টদের জানানোই হবে ব্যাসেল-২-এর তৃতীয় পিলারের কাজ। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ১৫০টি'র বেশি দেশে ব্যাসেল-২ কার্যকর রয়েছে।
এদিকে নূ্যনতম মূলধন সংরৰণ করতে ব্যর্থ হয়েছে ৬টি ব্যাংক। বাকি ৪১টি ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন রয়েছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত তিনটি এবং বেসরকারী তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নূ্যনতম মূলধন সংগ্রহ করতে না পারায় ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি দেখা দেয়। তবে এতে আতঙ্কের কিছু নেই। ৬টি ব্যাংকে যে পরিমাণ মূলধন ঘাটতি রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিংয়ে তা কমিয়ে আসবে বলেও সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকের নূ্যনতম মূলধন ৪শ' কোটি টাকা বা ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ৯ শতাংশ এ দুই অপেৰা যেটি বেশি ওই পরিমাণ মূলধন সংরৰণ করতে হবে। ২০০৮ সালের আগস্ট মাসে এ সংক্রানত্ম একটি সাকর্ুলার জারি করে বাংলাদেশ। এ নির্দেশনায় বলা হয়, ২০১১ সালের আগস্টের মধ্যে ব্যাংকের মূলধন ৪শ' কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। এরমধ্যে ২শ' কোটি টাকা অনাদায়ী মূলধন এবং ২শ' কোটি টাকা সংরৰিত মূলধন রাখতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের মোট ৯ শতাংশ মূলধন থাকার কথা থাকলেও তা নেই। নির্ধারিত মোট ৬টি ব্যাংক ছাড়া বাকি ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত মূলধন রয়েছে। কিন্তু কিছু সংবাদ মাধ্যমে মূলধন ঘাটতি সম্পর্কে প্রায় ২০টি ব্যাংকের কথা উলেস্নখ করা হয়। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গত ডিসেম্বরের তথ্য মতে, মাত্র ৬টি ব্যাংক রয়েছে যেগুলোর পর্যাপ্ত মূলধনের অভাব রয়েছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে রূপালী ব্যাংকের মূলধন অনেক শক্তিশালী বলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিপোর্টে উলেস্নখ করা হয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/27/2011 7:03 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এসইসির বিভাগীয় প্রধানদের সাথে তদন্ত কমিটির বৈঠক
ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) বিভাগীয় প্রধানদের সাথে পৃথক বৈঠক করেছে পুঁজিবাজারের অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটি। আজ রোববার এসইসির নির্বাহি পরিচালকদের সাথে বৈঠক শেষে তদন্ত কমিটির প্রধান খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম তদন্তের জন্য গঠিত কমিটি নির্ধারিত সময়েই রিপোর্ট দাখিল করবে। যদিও এটি তদন্তের জন্য অনেক কম সময়। রিপোর্ট প্রকাশের বিষয়ে তিনি বলেন, রিপোর্ট দাখিলের দায়িত্ব কমিটির এবং তা প্রকাশের দায়িত্ব সরকারের।
তিনি আরো বলেন, মূলত ২০১০ সালের অনিয়মের বিষয়টি তদন্তে প্রাধান্য পাবে। এছাড়া ২০০৯ সালের লেনদেনের বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হবে। এ কমিটি শুধুমাত্র ২৫ জানুয়ারির আগ পর্যন্ত কোনো অনিয়ম হয়েছিল কিনা সে বিষয়টি তদন্ত করবে। পুঁজিবাজারের সামগ্রিক কার্যক্রমের মধ্যে অনেক কিছুই আইনি সীমার মধ্যে থাকলেও কিছু বিষয় হয়তো অনৈতিক ছিল। এসইসিতে অফিস পাওয়ার পরও সেখানে না বসা প্রসঙ্গে ইব্রাহিম বলেন, আমরা কৃষি ব্যাংকের প্রধান অফিসে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। যখন যাদের সাথে বসা দরকার আমরা নিজেরাই গিয়ে তাদের সাথে বসছি। এখন পর্যন্ত সবার কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান ইব্রাহিম খালেদ।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/মউ/এমএইচ/১৫.৪২ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/27/2011 7:04 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | নতুন বিনিয়োগকারীরা ফটকাবাজি করে লাভ করতে চাচ্ছে: মুহিত
ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, বাজার পড়ে যাওয়ার পরেও শেয়ার বাজারে নতুন ১ লাখ বিনিয়োগকারী ঢুকেছে। তারা ফটকাবাজি করে লাভ করতে চাচ্ছে। এদের শাস্তি হবেই।
আজ রোববার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সাংসদ আবদুর রহমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। এর আগে হোসেন মকবুল শাহরিয়ারের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী দাবি করেন- শেয়ারের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধি একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে এক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা রোধে সরকার সব সময় সক্রিয় আছে।
মোল্লা জালাল উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, এ বছরের ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ৭৯টি কোম্পানি ওটিসিতে রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি কোম্পানির শেয়ার ডিম্যাটের জন্য যোগ্য বিবেচিত হওয়ার প্রেক্ষিতে এ কোম্পানিগুলোর শেয়ার ২৩ জানুয়ারি স্টক এক্সচেঞ্জে মূল মার্কেটে প্রেরণ করা হয়েছে। মো. ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বছরের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বিও একাউন্টধারীর সংখ্যা ৩৩ লাখ ৫৪ হাজার ৪৬ জন। তিনি আরো বলেন, শেয়ারবাজারে দৈনন্দিন লেনদেনের মাধ্যমে প্রতিদিনই বিনিয়োগের পরিমাণ পরিবর্তিত হয়। ফলে বিনিয়োগকৃত অর্থ কখনো স্থির থাকে না। এ সময় শেয়ারবাজারের দরপতন বা অস্বাভাবিকতা রোধের জন্য সরকারের ৭টি পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কোনো একটি ট্রেডিং দিবসে যাতে নির্দিষ্ট হারের বেশি বা কম পরিমাণে শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি বা হ্রাস পেতে না পারে সেজন্য শেয়ারের মূল্যের ওপর সার্কিট ব্রেকার আরোপ করা হয়েছে। জাহিম মালেকের এক প্রশ্নের জবাবে মুহিত শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য সরকারের নেয়া ১০টি পদক্ষেপ সম্পর্কে সংসদকে অবহিত করেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এসকে/টিআই/এআইকে/১৮.০০ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/27/2011 7:10 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে টানা দরপতন
ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ব্যাপক দরপতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারে লেনদেন। রোববার লেনদেনের শুরু থেকে অধিকাংশ শেয়ারের দাম কমতে থাকে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত পতনের এ ধরা অব্যাহত থাকে। সরকারি ৫ প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার কেনার সরকারি নির্দেশের পরও বড় রকমের এ দরপতনে দিশেহারা সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। দিন শেষে ঢাকা স্টক একচেঞ্জে সাধারণ সুচক কমে ৩৩৭ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ২৫৫টি কোম্পানির শেয়ার। এর মধ্যে দাম কমেছে ২৪৯টির। বেড়েছে ৬টির কোম্পানির শেয়ার। গেল সপ্তাহের শেষ ৩ দিনেও টানা পতন হয় শেয়ারের। তিনদিনে মোট সূচক কমে ৫৮৭ পয়েন্ট। এ নিয়ে ৪ কার্যদিবসে সাধারণ সূচক কমলো ৯২৪ পয়েন্ট। মূলত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ না থাকায় তালিকাভুক্ত শেয়ারগুলো প্রতিদিনই দর হারাচ্ছে। বিশেষ করে যখন লভ্যাংশ ঘোষণা করা হচ্ছে তখন সংশ্লিষ্ট শেয়ারের দর কমে যাচ্ছে। বাজারের এ আচরণকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে টানা দরপতনের কারণে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সরকারের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ্যাংকর সিকিউরিটিজ-এর এক বিনিয়োগকারী বলেন, সরকার শুধু শেয়ারবাজার নয়, প্রতিটি ক্ষেত্রেই দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে। বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, পতন হতে হতে বাজার এমন একটি অবস্থায় গিয়েছে যেখানে বিনিয়োগকারীদের হাত-পা কেটে ফেলার মত অবস্থা হয়েছে। শেয়ারবাজারের সূচকের ব্যপারে আহম মোস্তফা কামালের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এক বিনিয়োগকারী বলেন, তার বক্তব্যের কারণেই সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বাজারের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। যে কারণে সরকার বাজারে সাপোর্ট দেয়ার পরেও বাজার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে না।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/এএম/মউ/এমএইচ/১৬.২৮ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/27/2011 7:11 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সরকারি ৫ প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার কেনার নির্দেশ
ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
অব্যাহত দরপতন রোধে পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কেনার জন্য আবারো সরকারি ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছে সরকার। যেসব প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক ও ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।
রোববার সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) মাধ্যমে সরকারি এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। তবে এসব প্রতিষ্ঠান কত টাকার শেয়ার কিনবে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি উক্ত ৫ প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। সেদিন সরকার আইসিবির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০০ কোটি টাকার ফান্ড দেয়ার ঘোষণা দেয়। এর আগে পুঁজিবাজারের টানা দরপতন রোধে আইসিবিকে ৪০০ কোটি টাকা দেয়া হয়। তবে সরকারি এসব উদ্যোগের পরও পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতন রোধ করা যায়নি।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/মউ/এমএইচ/১৩.৩৮ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/27/2011 7:12 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে দরপতন দিয়ে সপ্তাহ শুরু
ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ২৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
আগের রেশ ধরে দরপতন দিয়েই নতুন সপ্তাহ শুরু করেছে ঢাকার পুঁজিবাজার। কমেছে লেনদেন ও প্রায় সব শেয়ারের দাম।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) রোববার লেনদেন শুরুর প্রথম ৬ মিনিটেই সাধারণ সূচক ১৪১ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমে যায়। দুপুর ১টার দিকে কিছুটা চাঙা হয়ে উঠলেও দিনের লেনদেন সূচকের পতন দিয়েই শেষ হয়।
বিকাল ৩ টায় বাজার বন্ধ হওয়ার পর সাধারণ সূচকের অবস্থান দিন শুরুর চেয়ে ৩৩৭ দশমিক ৫৮ পয়েন্ট বা ৫ দশমিক ৮১ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৫৪৬৩ দশমিক ৩৫।
সারাদিনে হাতবদল হয় ৫০১ কোটি টাকার শেয়ার, যা গত দিনের চেয়ে ১০ শতাংশ কম।
লেনদেন হওয়া ২৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দামই কমেছে, বেড়েছে ৬টির। কোনো শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত ছিলো না।
টানা কয়েক দিনের উত্থানের পর গত সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকে বাজারে দরপতন শুরু হয়, যা সপ্তাহের শেষ দিন পর্যন্ত অব্যাহত ছিলো।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাবেই এমনটা ঘটছে। যদিও ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী গত সপ্তাহের শুরুতে দর উত্থানের পর বলেছিলেন, বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসছে।
অনৈতিক বিষয় দেখবে তদন্ত কমিটি
শেয়ার লেনদেনের অনৈতিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে বিষয়ে সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছে পুঁজিবাজারে ধসের কারণ খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটি।
রোববার তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, "আমরা পুঁজিবাজারের সেই বিষয়গুলো দেখবো, যা বেআইনি নয়; কিন্তু বাজারের বাস্তবতায় যা অনৈতিক বলে বিবেচনা করা যেতে পারে।"
এসইসি কার্যালয়ে সংস্থার নির্বাহী প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ইব্রাহিম খালেদ বলেন, "পুঁজিবাজারের ধারাবাহিকতা ও ২০০৯ সাল থেকে কমিটি গঠন হওয়া পর্যন্ত বাজার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি।"
তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে কমিটি । তবে দুই মাসের মধ্যে এ বিষয়ে তদন্ত কাজ পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হবে না।
গত দুই মাসে ঢাকার পুঁজিবাজার ৩ হাজার পয়েন্ট হারিয়েছে। আর এতে বিক্ষোভ করছেন বিনিয়োগকারীরা। পুঁজিবাজারে ধসের কারণ খতিয়ে দেখতে দুই মাসের সময় দিয়ে গত ২৫ জানুয়ারি তিন সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে গত ২২ ফেব্র"য়ারি কমিটিতে একজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/এমআই/১৬৩০ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/27/2011 7:14 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সংসদে অর্থমন্ত্রী: পড়তি বাজারের সুযোগে ফটকাবাজ ঢুকেছে, শাস্তি হবেই
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: একটি গ্রুপ ফটকাবাজারির জন্য পড়তি বাজারে শেয়ার মাকের্টে প্রবেশ করেছে মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ‘বাজার যখন পতনমুখী তখন এক লাখ বিনিয়োগকারী নতুন করে বাজারে ঢুকেছে।’
এরা কারা, কেন ঢুকেছে? এমন প্রশ্ন তুলে তিনি নিজেই বলেন, ‘ফটকাবাজারী করার জন্য এরা ঢুকেছে। এদের শাস্তি হবেই।’
সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান আইনে শেয়ারবাজারে কোম্পানীগুলোর কারসাজি নিয়ন্ত্রণে তেমনটা সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, শেয়ারবাজারে বাইব্যাক সিস্টেম চালু করার জন্য সরকার আইন করছে। এই আইনের ফলে বাজারে শেয়ারের দাম কমে গেলে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে তার নিজস্ব শেয়ার কিনতে বাধ্য করা যাবে। চলতি অধিবেশনেই এই আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে মন্ত্রী জানান।
আন্তরিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার কেন ব্যর্থ হচ্ছেÑ সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমানের এ সংক্রান্ত সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন পদেক্ষপ নিয়েছি। বাজার পর্যবেক্ষণে রাখছি। তদন্ত কমিটি করেছি, তারাও এটা নিয়ে কাজ করছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘শেয়ারবাজার নেমে যায়, আবার ওঠে। উঠতি বাজারে লাভ থাকে। বাজার যখন উঠতে থাকে তখন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা তাদের শেয়ার বিক্রি করেন না। তারা পড়তি বাজারে বিক্রি করেন। এতে করে তাদের লোকসান হয়।’
এক্ষেত্রে সরকারের ভুমিকা রাখার কী আছে এমন প্রশ্ন তুলে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা বলেছি উঠতি বাজারে বিক্রি করে লোকসান কিছুটা সামলান। কিন্তু তারা পড়তি বাজারে কেন বিক্রি করেন তার কারণ আমরা খুজে পাচ্ছি না।’
হোসেন মকবুল শাহরিয়ারের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, শেয়ার বাজারের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধি পুজিবাজারের একটি স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। তবে, যে কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা রোধে সরকার সব সময়ই সক্রিয় আছে। প্রয়োজন অনুযায়ী যথা সময়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
এরই মধ্যে সরকার মূল্য সূচকের অস্বাভাবিকতা রোধকল্পে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে সরকার আরও কিছু যুক্তিসংগত পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নিচ্ছে।
বাংলাদেশ সময় ১৮২০ ঘন্টা, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/27/2011 7:15 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
শেয়ারাবাজার দুর্নীতিই এ সরকারের পতন ঘটাবে, গণ শুনানি হবে: বিএনপি
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: শেয়ারবাজার দুর্নীতিই এ সরকারের পতন ঘটাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।
রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জিয়া সেনা আয়োজিত ‘শেয়ার বাজারে ভয়াবহ ধস: ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মওদুদ আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ জন্মের পর শেয়ারবাজারের মতো এতবড় দুর্নীতি আর কোনো দিন ঘটেনি। এ ঘটনার কারণেই সরকারের পতন ঘটবে।’
বিএনপি ক্ষমতায় এলে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন মওদুদ।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিচারের জন্য গণআদালত গঠন করা হবে ও ক্ষতিগ্রস্তদের সাক্ষ্যগ্রহণ করে সরকারের কাছে একটি সুপারিশ উপস্থাপন করা হবে।’
অপরাধীদের বাঁচানো জন্যই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে মন্তব্য করে ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, ‘তদন্ত কমিটির আবরণে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির বিষয়টি ঢেকে দেওয়া হয়েছে। আর এ কারণে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের সময় নেওয়া হয়েছে দুই মাস।’
শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাও প্রত্যাহারের দাবি জানান
ব্যারিস্টার মওদুদ।
বিএনপি ক্ষমতায় এলে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি নিয়ে গণশুনানি করার ঘোষণা দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘পাবলিক হেয়ারিংয়ের মাধ্যমে সারাদেশের মানুষকে টিভিতে সরাসরি দেখানো হবে কারা শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত। একই সঙ্গে জনগণের আকাক্সক্ষা অনুযায়ী তাদের বিচার করা হবে।’
বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘শেয়ারবাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীকে পথে বসালেও আমাদের অর্থমন্ত্রীর হাসি বন্ধ হচ্ছে না।’
খালেদা জিয়ার পরামর্শ অনুযায়ী সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার যদি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে তাহলে তাদের উচিত মানুষের দুঃখ দুর্দশার কথা চিন্তা করে সংসদ ভেঙে দেওয়া।’
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জিয়া সেনা’র সিনিয়র সহ-সভাপতি একেএম আমিনুল হক।
জিয়া সেনা’র সভাপতি আবদুর রহমান তপনের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা করেন বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ রেহেনা আক্তার রানু, কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মিয়া স¤্রাট প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময় ১৮৩০ ঘন্টা, ২০১১
এজেড/ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/27/2011 7:15 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | প্রাইম ফাইন্যান্স ও আইডিএলসি’র লভ্যাংশ ঘোষণা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত দু’টি কোম্পানি তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানি দু’টি হচ্ছে প্রাইম ফাইন্যান্স ও আইডিএলসি।
রোববার সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর প থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-কে এ বিষয়ে জানানো হয়।
প্রাইম ফাইন্যান্স: পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের ২০১০ সালের জন্য ৮০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
এছাড়া কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা থেকে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রাইম ফাইন্যান্স‘র পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, আগামী ২৯ মার্চ কোম্পানির অনুষ্ঠিতব্য বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এবং পরে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে অনুমোদিত মূলধন বাড়ানো হবে।
প্রাইম ফাইন্যান্স জানায়, গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানি নিট মুনাফা অর্জন করেছে ১৭২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ও শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৯ টাকা ১৬ পয়সা এবং ৪৩ টাকা ১৪ পয়সা।
কোম্পানির শেয়ারের রেকর্ড তারিখ হচ্ছে আগামী ৭ মার্চ।
আইডিএলসি: পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের ২০১০ সালের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ৬৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
আইডিএলসি’র প থেকে জানানো হয় যে, আলোচ্য সময়ে কোম্পানি নিট মুনাফা অর্জন করেছে ১৩২ কোটি ৭০ লাখ টাকা, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ও শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২২১ টাকা ১৮ পয়সা এবং ৬১৫ টাকা।
কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)‘র তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩১ মার্চ।
কোম্পানির শেয়ারের রেকর্ড তারিখ হচ্ছে ১০ মার্চ।
বাংলাদেশ সময়: ১৭১০ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/27/2011 7:16 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দরপতন দিয়ে শুরু দুই পুঁজিবাজার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা : দরপতনের মধ্যদিয়ে সপ্তাহ শুরু করেছে দেশের দুই পুঁজিবাজার।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববারও ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর কমার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে।
লেনদেনের শুরুতে প্রথম ৫ মিনিটে সূচক বেড়ে ৫ হাজার ৮০৮ পয়েন্টে উঠে যায়। এরপরই সূচকের টানা পতন হতে থাকে।
বিকেল তিনটা পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দু’শ ৫৫টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দু’শ ৪৯টি কোম্পানিরই দাম কমেছে ও বেড়েছে মাত্র ৬টির। একই সঙ্গে সাধারণ সূচক ৩২৯ দশমিক ২২ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪৭১ দশমিক ৫০ পয়েন্টে।
এর আগে বেলা ১২ পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দু’শ ৩৪টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দু’শ ২৯টি কোম্পানিরই দাম কমেছে ও বেড়েছে মাত্র ৫টির। এ সময় পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে মোট একশ ৬১ কোটি ৭৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। একই সঙ্গে সাধারণ সূচক ৩০৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪৯১ পয়েন্টে।
গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার সূচক ছিল ৫ হাজার ৮০০ পয়েন্টে।
অপরদিকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই) লেনদেন হওয়া ১৭৭ টি কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ১৭৪টির ও বেড়েছে বাকি তিনটির। পাশাপাশি সাধারণ সূচক ৪৬১ দশমিক ৭১ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৮৮০ দশমিক ২৬ পয়েন্টে নেমে আসে।
এরআগে বেলা ১২ টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই) লেনদেন হওয়া ১৫০ টি কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ১৪৭টির ও বেড়েছে বাকি তিনটির। পাশাপাশি সাধারণ সূচক ৪৫১ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ১০৬ পয়েন্টে নেমে আসে।
বাংলাদেশ সময় : ১৫০৫ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/27/2011 11:58 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE | 'ফাটকাবাজ' বলায় সংসদে তোপের মুখে অর্থমন্ত্রী
পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগকারীদের 'ফাটকাবাজ' অভিহিত করে সাংসদদের তোপের মুখে পড়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
রোববার সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ফরিদপুর-১ আসনের সাংসদ আব্দুর রহমানের পুঁজিবাজার সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে পতনমুখী বাজারে নতুন এক লাখ বিনিয়োগকারী 'ফাটকাবাজির জন্য' এসেছেন বলে মন্তব্য করেন মুহিত।
পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে মানিকগঞ্জ-১ আসনের সরকার দলীয় সাংসদ এ বি এম আনোয়ারুল হক এবং নোয়াখালী-৬ আসনের সতন্ত্র সাংসদ ফজলুল আজিমসহ কয়েকজন সাংসদ ওই বক্তব্য এক্সপাঞ্জের দাবি জানান।
তখন আবুল মাল আবদুল মুহিত অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত ছিলেন না।
মন্তব্যে একটু সতর্ক হওয়া উচিত
আনোয়ারুল হক বলেন, "অর্থমন্ত্রী তার বক্তৃতার এক পর্যায়ে বিনিয়োগকারীদের ফাটকাবাজ বলেছেন। কিন্তু শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা আমাদের সম্মানিত নাগরিক। তাই তাদের সম্পর্কে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে একটু সর্তক হওয়া উচিত।"
এ সময় অধিবেশন সভাপতিত্বকারী ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী বলেন, "তখন আমি ছিলাম না আমি জানি না উনি কী বলেছেন। মাননীয় স্পিকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।"
ডেপুটি স্পিকারের এ বক্তব্যের পর আনোয়ারুল হকসহ সরকারদলীয় কয়েকজন সাংসদ অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার জন্য খালি গলায় চিৎকার করতে থাকেন। একই দাবিতে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দিতে দাঁড়ান শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও তোফায়েল আহমেদ।
জবাবে শওকত আলী বলেন, "এ বিষয়ে আমরা আর কোনো বিতর্কে যাব না।"
এ প্রশ্নের উত্তর দেব না
এর আগে প্রশ্নোত্তর পর্বে দেশের অর্থনীতি চাঙা করা বিষয়ে স্বতন্ত্র সাংসদ ফজলুল আজিমের প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানান অর্থমন্ত্রী।
তার প্রশ্ন ছিলো- দেশের অর্থনীতির চাকাকে চাঙা (গতিশীল) করতে অর্থমন্ত্রী কী ধরনের পদক্ষেপ নেবেন?
জবাব দিতে দাঁড়িয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, "আমি এই প্রশ্নের উত্তর দেব না। এই সংসদ সদস্য সুযোগ পেলেই অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন তোলেন। এগুলো এক্সপাঞ্জ করা দরকার।
"প্রশ্ন হচ্ছে ব্যাংকিং নিয়ে আর উনি প্রশ্ন করছেন অন্য প্রসঙ্গে। তার এ ধরনের কথা-বার্তা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। আমার কাছে মনে হচ্ছে তার প্রশ্নের উত্তর না দেওয়াই ঠিক হবে।"
স্পিকার আবদুল হামিদ ওই বক্তব্য এক্সপাঞ্জ না করে বলেন, "একজন সাংসদ যে কোনো প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার উত্তর জানা থাকলে উত্তর দেবেন। তা না হলে বিষয়টি নিয়ে নোটিস চাইতে পারেন।"
এরপর পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে অর্থমন্ত্রীর 'ফাটকাবাজ' কথাটি এক্সপাঞ্জের দাবি জানান স্বতন্ত্র সাংসদ ফজলুল আজিম।
তিনি বলেন, "আমরা প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে উনি কিছু সুইপিং কমেন্ট করেছেন। উনি মন্ত্রিসভার সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য। উনি আমাকে ধমক মেরেছেন। এটা অনভিপ্রেত। উনি সম্মানী ব্যক্তি। কিন্তু আমরা তো নিজ নিজ ক্ষমতাবলে এখানে এসেছি। জনগণ আমাদের এখানে পাঠিয়েছে। আমিও এ বি এম আনোয়ারুল হকের মতো অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য এক্সপাঞ্জের দাবি জানাচ্ছি। |
|
|
|