Page 1 / 1
NEWS 24.04.2011
04/24/2011 4:35 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
চলতি সপ্তাহেই শুরু হবে বাংলাদেশ ফান্ডের কার্যক্রম

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চলতি সপ্তাহের মধ্যে পুঁজিবাজারে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের কার্যক্রম শুরম্ন হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে উদ্যোক্তা অংশের দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
গত ১৮ এপ্রিল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাভের পর দ্রম্নততম সময়ের মধ্যেই ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মূল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। ১৯ এপ্রিল আইসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর ভিত্তিতে গত সপ্তাহেই ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রস্তুতি শুরু করেছে আইসিবি। দু'-একদিনের মধ্যেই ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করা হবে বলে আইসিবি সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, নিবন্ধন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সত্যায়িত ফটোকপি এসইসিতে পাঠানো হবে। এরপরই উদ্যোক্তাদের যোগান দেয়া দেড় হাজার কোটি টাকায় ফান্ডের কার্যক্রম শুরম্ন হবে। একইসঙ্গে দেড় হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত সাড়ে তিন হাজার টাকা সংগ্রহের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানানো হবে।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারের পতনের ধারা রোধ করতে গত ২৮ ফেব্রম্নয়ারি ৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠন করার সিদ্ধানত্ম নেয় আইসিবি। কয়েক দফা আলোচনার পর ৬ মার্চ এ বিষয়ে চূড়ানত্ম সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। বাংলাদেশ ফান্ডে যৌথ উদ্যোক্তা হিসেবে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বিডিবিএল, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং জীবনবীমা কর্পোরেশন রয়েছে।
বাংলাদেশ ফান্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১০০ টাকা। ফান্ডটির ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। এসইসির বিধি অনুযায়ী ফান্ডের ৭৫ শতাংশ বা ৩ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা পুঁজিবাজারে এবং বাকি ২৫ শতাংশ মুদ্রাবাজারসহ অন্যত্র বিনিয়োগ করতে হবে।

লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা করেছে সিটি জেনারেল ইন্সু্যরেন্স লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১২টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ২৩ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় কোম্পানির রাজধানীর কাকরাইলের ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউশনে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৰেত্রে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ২৬ টাকা ৫২ পয়সা এবং ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৰেত্রে ইপিএস ছিল ২ টাকা ৬৫ পঁয়সা।
অন্যদিকে, ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৰেত্রে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৫১ টাকা ৬৪ পয়সা এবং ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৰেত্রে এনএভি ছিল ১৫ টাকা ১৬ পয়সা।
Quote   
04/24/2011 4:36 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন না করার পরামর্শ দিলেন বারকাত
তারল্য সঙ্কট নিরসন সম্পর্কে অভিমত

খায়রুল হোসেন রাজু ॥ ব্যাংকিং খাতে এখনও তারল্য সঙ্কট রয়েছে। তবে এ সঙ্কট ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। ব্যাংকগুলোতে তারল্য সঙ্কট থাকলেও একশ্রেণীর মানুষের কাছে প্রচুর পরিমাণ টাকা আছে। এ টাকা ধীরে ধীরে ব্যাংকিং চ্যানেলে আসবে তবে দ্রুত বের করতে হলে কোন প্রশ্ন করা যাবে না। প্রশ্ন করা হলে এ সঙ্কট কাটবে না বলে মনত্মব্য করেছে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত।
সম্প্রতি শেয়ারবাজারের ধস নিয়ে বিভিন্ন মহল বিভিন্নভাবে মনত্মব্য করেছেন। কিন্তু প্রকৃতপৰে কি কারণে শেয়ারবাজারে ধস সৃষ্টি হয়েছে এসব বিষয় উলেস্নখ করে অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাত বলেন, বর্তমানে শেয়ারবাজার ধসের জন্য প্রধানত নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোর ভুল সিদ্ধানত্মই দায়ী। কারণ শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতির ৰেত্রে যখন সম্প্রসারণ নীতি গ্রহণ করার কথা ছিল, তখন সঙ্কোচন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এতে বাজারে ধস হয়েছে অথবা শেয়ারবাজারের যেমন দ্রম্নত উত্থান, তেমনি দ্রম্নততার সঙ্গে পতন। এৰেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভাব লৰ্য করা গেছে। কিন্তু শেয়ারবাজার যখন মোটামুটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে, ঠিক তখনই সব নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ঐকমত্য হয়ে সিদ্ধানত্ম নিতে শুরম্ন করেছে। এটি আগে করা হলে বাজারের এ অবস্থা সৃষ্টি হতো না। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে বর্তমান প্রায় ৩৫ লাখ বিনিয়োগকারীর বেনিফিশিয়ারি ওনার (বিও) এ্যাকাউন্ট রয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপৰে ৩৫ লাখ বিনিয়োগকারী নয়। শেয়ারবাজারের সঙ্গে প্রত্যৰ ও পরোৰভাবে প্রায় ৪ কোটি মানুষ জড়িত রয়েছেন। ফলে এ বাজার নিয়ন্ত্রণে সঠিক সিদ্ধানত্ম নিতে হলে তা ভেবেচিনত্মে সংশিস্নষ্ট সকলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে শেয়ারবাজারে যে কোন সময় ধসের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
ব্যাংকিং খাতের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ বলেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অন্যান্য চার বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতো শুধু গ্রাহকদের সেবা প্রদান, প্রচলিত ব্যাংকিং করা, সিএসআর এবং ব্যাংকের মূলধন আর মুনাফা বৃদ্ধি করা হবে না পাশাপাশি ব্যাংকটিকে শুধু দেশে নয়, আনত্মর্জাতিকভাবেও এটির একটি ব্রান্ডিং করা হবে। এ লৰ্যে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা কতর্ৃপৰসহ সর্বসত্মরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজ শুরম্ন করে দিয়েছেন।
ব্যাংকিং খাতে অটোমেশন করার চেষ্টা চলছে সর্বত্র। এরই অংশ হিসেবে জনতা ব্যাংকেও দ্রম্নতগতিতে কাজ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ড. আবুল বারকাত বলেন, জনতা ব্যাংকের সব কার্যক্রমে অটোমেশন করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ৰেত্রে জনতা ব্যাংক অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এ ব্যাংকের সব শাখায় অনলাইন সার্ভিস চালু করা হবে। অন্য ব্যাংকগুলোর মতো নয়, আধুনিক সেবা প্রদানের লৰ্যে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হয়েছে। যাতে করে এ ব্যাংকের গ্রাহকরা দ্রম্নত ও তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা পেতে পারেন। অর্থাৎ বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার আগে ডিজিটাল ব্যাংকিং করতে হবে। আমরা জনতা ব্যাংক থেকে সে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এ ব্যাংকের সব সেক্টরে অটোমেশনের কাজ চলছে।
সুদবিহীন ঋণ বিতরণ করা কল্পনার বাইরে। কিন্তু জনতা ব্যাংক তা করেছে। এ বিষয়ে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান বলেন, দেশে এই প্রথম জনতা ব্যাংকই দেশের সিডর, আইলা, মঙ্গা পিড়িত, ভূমিহীন এলাকার এবং প্রানত্মিক কৃষকদের স্বল্প মেয়াদী (৬ মাস) সুদবিহীন ঋণ বিতরণ করেছে। দেশের অন্য কোন ব্যাংক সুদবিহীন ঋণ প্রদান করেনি। তবে মজার বিষয় হলো যে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে তার প্রায় ৯৯ শতাংশ শোধ করছেন সংশিস্নষ্ট ঋণগ্রহীতারা। তিনি বলেন, এভাবে যদি পর পর পাঁচবার সুদবিহীন ঋণ প্রদান করা হয় তাহলে সমাজের দরিদ্র মানুষেরা আর মহাজনদের শরণাপন্ন হবে না। মহাজনদের সুদের অত্যাচার থেকে তাঁরা রৰা পাবেন। পাশাপাশি তাঁরা আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিরও উন্নয়ন হবে।
সব রাজনৈতিক সরকারের আমলে ব্যাংকিং খাতে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল। বর্তমান সরকারের আমলেও রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এ বিষয় উলেস্নখ করে এ অর্থনীতিবিদ বলেন, বর্তমান সরকার রাজনৈতিক সরকার। ফলে এখানে ব্যাংকিং খাতে কিছুটা রাজনীতিকরণ হতে পারে। এটি অস্বীকার করা যাবে না। তবে জনতা ব্যাংকে এ ধরনের তেমন কোন সমস্যা নেই। জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকের দৈনন্দিন রম্নটিন কাজে হসত্মৰেপ করে না। এ ব্যাংকের বোর্ডসভা আর অন্য ব্যাংকের বোর্ডসভার মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। আমাদের ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা হয় ৭ থেকে ১০ ঘণ্টাব্যাপী। এখানে অত্যনত্ম স্বচ্ছতার সঙ্গে ঋণ প্রসত্মাবসহ বোর্ডে উপস্থিত সব মেমো পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার-বিশেস্নষণ করা হয়। এখানে কোন পরিচালক অন্যায়ভাবে হসত্মৰেপ করছে না। দেশের কোন ব্যাংক অস্থায়ী কর্মচারীদের স্থায়ী করেনি। কিন্তু জনতা ব্যাংক তার অস্থায়ী কর্মচারীদের স্থায়ী করেছে। বিষয়টি নিয়ে আবুল বারকাত বলেন, জনতা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ক্যাজুয়াল কর্মচারী (দাস) রয়েছেন যাঁরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এঁদের মধ্যে গোডাউন গার্ড, কৃষি ক্লার্ক, গোডাউন কিপার, পিওন, ড্রাইভার, মালী এবং পরিছন্নতাকর্মীসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মচারী রয়েছেন। তাঁরা প্রায় ২৬ বছর ধরে ব্যাংকের উন্নয়ন করলেও এর কোন অংশদারী হতে পারত না। পাশাপাশি তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কিন্তু আমি জনতা ব্যাংকে যোগদান করার পর থেকেই অস্থায়ী কর্মচারীদের তালিকা সংগ্রহ করি। একই সঙ্গে তাদের স্থায়ী করার জন্য পরিচালনা পর্ষদের সংশিস্নষ্টদের সহযোগিতায় প্রাথমিকভাবে ৬৪৯ জনকে স্থায়ী করি; যা দেশের সব ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বীমাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করি। কারণ জনতা ব্যাংক ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠানেই সুদীর্ঘ বছর কর্মরত অস্থায়ী বা ক্যাজুয়াল কর্মচারীদের স্থায়ী করা হয়নি। যদিও এটি করতে আমাকে অনেক প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে কাজ করতে হয়েছে। তবে শেষ পর্যনত্ম আমি সফল হয়েছি।
জনতা ব্যাংকের সিএসআর নিয়ে ড. আবুল বারকাত বলের, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতা ব্যাংক সবচেয়ে বেশি সিএসআর করছে। ব্যাংকটি অসহায় মুক্তিযোদ্ধা, দরিদ্র মেধাবী শিৰাথর্ী, দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা-স্বাস্থ্যসেবা এবং দুস্থদের মাঝে সিএসআরের অর্থ প্রদান করা হচ্ছে। এ কারণেই জনতা ব্যাংকের বোর্ডকে কেউ কেউ সিএসআর বোর্ড বলেই আখ্যায়িত করছেন। তিনি বলেন, কোন অঞ্চলের দরিদ্র মেধাবী শিৰার্থীরা যদি অর্থের অভাবে লেখাপড়া থেকে বিরত থাকেন, আর আমাদের ব্যাংকে সাহায্যের জন্য আবেদন করেন তাহলে ওই শিৰার্থীদের লেখাপড়ার খরচ প্রদান করা হবে। কারণ জনতা ব্যাংক শুধু মুনাফা করে না, এর পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়ে ব্যাপক কাজ করে।
দেশের প্রত্যনত্ম অঞ্চলে গিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করার কথা উলেস্নখ করে প্রখ্যাত এ অর্থনীতিবিদ বলেন, জনতা ব্যাংক দেশের প্রত্যনত্ম অঞ্চলে গিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ লৰ্যে নতুন শাখা খোলার ব্যাপারে দেশের প্রত্যনত্ম অঞ্চল অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। কারণ দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় নিয়ে আসাই আমাদের মূল লৰ্য। আর এ লৰ্য নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাংকিং খাতের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূলচালিকা শক্তি। একই সঙ্গে দেশের প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতেও ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত অনেক প্রসংশার দাবিদার। বিশ্ব মন্দার পরেও দেশের অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব পড়েনি। কারণ ব্যাংকিং খাত ভাল ছিল।
ব্যাংক পরিচালনা করতে গিয়ে তার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, জনতা ব্যাংকে যোগদানের পর থেকেই আমি সকলের পর্যাপ্ত সহযোগিতা পেয়েছি। কারও অসহযোগিতা পাইনি। তিনি বলেন, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এবং ম্যানেজমেন্ট অত্যনত্ম সৃষ্টিশীল। সকলেই ব্যাংকের সার্বিক উন্নয়ন ও ইতিবাচক পরিবর্তন কামনা করছেন। তাছাড়া দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি আমার দায়িত্ববোধ থেকে আমি কাজ করি। তাই এ ব্যাংকের অগ্রগতি নিশ্চিত।
এসএমইর কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য কৃষির পাশাপাশি এসএমই খাতে অধিক হারে বিনিয়োগ করতে হবে। এ লৰ্যে দেশের প্রত্যনত্ম অঞ্চলে গিয়ে উদ্যোক্তা খুঁজে বের করে লোন দিয়ে তাদের যোগ্য ও দৰ করে গড়ে তুলতে হবে। যাতে করে স্থানীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষ পণ্য উৎপাদন করে স্বাবলম্বী হতে পারে। এ কার্যক্রম যথাযথভাবে বাসত্মবায়ন করা হলে দেশের মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এর পাশাপাশি শহরমুখিতাও রোধ করা সম্ভব হবে। মোটকথা সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়ন হবে। তিনি আরও বলেন, জনতা ব্যাংকের মোট ঋণের মধ্যে এমএসএমই হিসেবে ৬০ শতাংশ ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জনতা ব্যাংক অনু ঋণ (মাইক্রো ঋণ) বিষয়ে ভাবছে।
শ্রেণীকৃত লোন নিয়ে তিনি বলেন, জনতা ব্যাংক রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শ্রেণীকৃত লোন আদায় করেছে। বর্তমান হিসেব অনুযায়ী ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ কমে মাত্র ৫ শতাংশ এসে দাঁড়িয়েছে, যা এখনও অন্য কোন ব্যাংকের পৰে এ পর্যনত্ম কমিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, ম্যানেজমেন্ট এবং কর্মকর্তারা মিলেই উদ্যোগ নিয়েই শ্রেণীকৃত ঋণ কমিয়ে আনতে সৰম হয়েছেন।
জনতা ব্যাংকের আধুনিকায়নের কথা তুলে ধরে অধ্যাপক ড.বারকাত বলেন, ব্যাংকের প্রায় সব শাখায়ই কম্পিউটারাইডজ পদ্ধতি চালু হচ্ছে। যেসব ব্রাঞ্চ ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ বাণ্যিজকভাবে ব্যবসা করে, সেগুলোতে আগে কম্পিউটারাইডজ পদ্ধতি চালু করা হবে। একই সঙ্গে সেবার মানও আরও উন্নত করা হচ্ছে। গ্রাহকরা যাতে কোন ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ও লৰ্য রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে অটোমেশন পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে। এছাড়া ব্যাংকের কেন্দ্রীয় অফিসে সব হিসাব-নিকাশ কম্পিউটারাইডজের মাধ্যমেই করা হচ্ছে।
রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধি করতে জনতা ব্যাংকের সার্বিক অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ যাতে তাদের স্বজনরা অতিসহজে এবং দ্রম্নত পেতে পারেন এজন্য জনতা ব্যাংক শর্ট মেসেজ সিস্টেম (এসএমএস) সার্ভিস চালু করেছে। ২০৫টি ব্রাঞ্চ ইতোমধ্যে এই সেবার আওতায় এসেছে। আরও ২১৫টি ব্রাঞ্চ খুব শীঘ্রই চলে আসবে। প্রবাসীদের অর্থ জনতা ব্যাংকের সংশিস্নষ্ট শাখায় এলেই গ্রাহকদের এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হয়। একই সঙ্গে গ্রাহকদের সুবিধা অনুযায়ী সংশিস্নষ্ট ব্রাঞ্চ থেকে রেমিটেন্স পরিশোধ করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে গ্রাহকরা দ্রম্নত টাকা পাচ্ছেন। এছাড়া রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধি করতে ১০৫টি এঙ্চেঞ্জ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই সারা বিশ্বের এঙ্চেঞ্জগুলোর সঙ্গে চুক্তি করা হবে। যাতে রেমিটেন্স প্রবাহ আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়।
ব্যাংকের ম্যানেজারদের ঘুষ দুর্নীতি রোধে তিনি বলেন, ঘুষ গ্রহণ কমবেশি হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থাও নেয়া হবে। তবে জনতা ব্যাংকের কোনো ম্যানেজার যাতে দুর্নীতি করাসহ ঘুষ গ্রহণ করতে না পারেন এজন্য বিভিন্ন পর্যায়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আকস্মিক টিমও মাঠে কাজ করছে। এছাড়া এ ব্যাংক থেকে গ্রাহকদের ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের সঙ্গে ঋণ পাওয়া নিয়ে (কত টাকা ঋণ পেয়েছেন, ঋণ পেতে কোন ঘুষ দেয়া হয়েছি কিনা, এছাড়া অন্য কোন হয়রানি করা হচ্ছে কিনা) বিভিন্নভাবে কথা বলা হবে। এ প্রক্রিয়ায় সেন্ট্রাল অফিস থেকে শুরম্ন করে আঞ্চলিক ও এরিয়া অফিস পর্যনত্ম মনিটরিংয়ের আওতায় আসবে।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতা ব্যাংককে শ্রেষ্ঠ করার বিষয় উলেস্নখ করে তিনি বলেন, জনতা ব্যাংক ইতোমধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। ক্লাসিফায়েড লোন অন্যান্য ব্যাংকের চেয়ে বেশি আদায় করা হচ্ছে। মামলার সংখ্যাও কমে আসছে। ব্যাংকের আধুনিকায়নের লৰ্যে একাধিক পদৰেপও হাতে নিয়েছি, যা অন্য ব্যাংকের চেয়ে এগিয়ে। একাধিক নতুন প্রডাক্ট নিয়ে আসা হচ্ছে। ব্যাংকটিকে ব্র্যান্ডিং করা হচ্ছে। এছাড়া প্রয়োজন হলে আরও যুগোপযোগী উদ্যোগ নেয়া হবে। যাতে করে ব্যাংকটি অন্যান্য ব্যাংকের মধ্যে সবসময় শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করতে পারে।
Quote   
04/24/2011 4:40 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
মবিনুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: শেয়ারবাজার তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আংশিক বাতিল চেয়ে কমিটির চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার ঢাকার দ্বিতীয় সহকারী জজ আদালতে বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেডের পক্ষে আইন কর্মকর্তা আব্দুছ সেলিম মিয়া বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

বিচারক আফতাবুজ্জামান বাদীর মামলা গ্রহণ করে আগামী ১২ জুনের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদীদের প্রতি সমন জারি করেছেন।

বিবাদীরা হলেন, শেয়ারবাজার তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, চাটার্ড অ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশের সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল বারী, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের পরিচালক তৌফিক আহম্মেদ চৌধুরী, সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নিহাত কবির, সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক, সিটি ব্যাংক এন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, ইব্রাহিম খালেদ শেয়ারবাজারের অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে অর্থমন্ত্রীর কাছে গত ৭ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় “আমরা  বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম এর ১৫ কোটি টাকা পাচার বা স্থানান্তরের প্রমাণ পেয়েছি।”

বাদী দাবী করেন এ অভিযোগ মিথ্যা ও মানহানিকর।

বাদী দাবি করেন, ‘বিডি থাই এ পেইড আপ ক্যাপিটাল বাড়ানোর জন্য শেয়ার হোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে জেম গ্লোবাল ইন ফান্ড ও জেম ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজার আইএনসিস সঙ্গে ২০০৮ সালের ২১ অক্টোবর চুক্তিবদ্ধ হয়। ২০০৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন উক্ত বিনিয়োগ অনুমোদন করেন।
উক্ত অনুমোদন সাপেক্ষে ২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল  থেকে ১৮ জুনের মধ্যে কোম্পানি দুটি বিডি থাই-এর অ্যাকাউন্টে তের কোটি ১২ লাখ ২১ হাজার ৯৫০ টাকা বিনিয়োগ করেন।

বাদী আরও দাবি করেন  ‘বিডি থাই গ্লোব্যাল জেম এর অনুকুলে কোনও বন্ড ইস্যু করেনি।’ শেয়ারবাজার তদন্ত কমিটি বিডি থাই কর্তৃপক্ষের বক্তব্য না শুনেই একতরফাভাবে এ রিপোর্ট দাখিল করেছে এবং গণমাধ্যমে বক্তব্য প্রদান করেছে। এতে বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে।


বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট খালেদ আহমেদ ও অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান।

বাংলাদেশ সশয়: ১৪৩০ঘণ্টা, এপ্রিল ২৪, ২০১১
Quote   
04/24/2011 4:40 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে শেয়ার বাজার তদন্ত কমিটিকে লিগ্যাল নোটিশ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে শেয়ার বাজারের কারসাজির ঘটনায় খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি ক্ষতিপূরণ বাবদ ১০০ কোটি টাকা প্রতিশোধের জন্য লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ থাই অ্যালুমনিয়াম লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

রোববার প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে অ্যাডভোকেট একিউএম সোহেল রানা এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধসহ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অসত্য ও বানোয়াট রিপোর্ট প্রকাশ করার জন্য লিখিত ভাবে ক্ষমা চাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

অন্যথায় দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনের বিধানমতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন, তদন্ত কমিটির প্রধান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, কমিটির সদস্য মো. আব্দুল বারী, তৈফিক আহমেদ চৌধুরি এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্চ কমিশনের আইনজীবী নিহাত কবীর।

বাংলাদেশ সময়: ১৫১২ঘণ্টা, এপ্রিল ২৪, ২০১১
Quote   
04/24/2011 4:42 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে এমআই সিমেন্ট
সিনিয়র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: শর্তসাপেক্ষে এমআই সিমেন্টকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন-এসইসি।
রোববার এসইসি সভাকক্ষে বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে এসইসি’র এক কর্মকর্তা বাংলানিউজকে জানিয়েছেন।

রোববার দুপুরে এসইসি, ডিএসই, সিএসই’র যৌথ ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, খুব দ্রুত সময়ে এমআই সিমেন্ট তালিকাভুক্তির তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

এদিকে শর্তসাপেক্ষে এমআই সিমেন্টকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে - কোম্পানির তালিকাভুক্ত হওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে বুকবিল্ডিং মূল্যের কম হলে সেই কম মূল্যের ভর্তুকি দিতে হবে এমআই সিমেন্টকে।

এজন্য এমআই সিমেন্টকে  ব্যাংক গ্যারান্টি হিসেবে পাঁচ কোটি টাকা জমা দিতে হবে।

এ শর্তেই এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এসইসি’র ওই কর্মকর্তা

বাংলাদেশ সময় : ১৪৪৫ ঘন্টা, এপ্রিল ২৪, ২০১১
Quote   
04/24/2011 4:43 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
ইব্রাহিম খালেদের কাছে ১শ' কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

ঢাকা, ২৪ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং পুঁজিবাজারের অস্থিরতা নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান খন্দকার ইব্রাহিম খালেদের কাছে ১শ' কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ থাই এলুমিনিয়াম (বিডি-থাই) লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ওই ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দাবিকৃত ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধ এবং অসত্য তথ্যের জন্য লিখিত ক্ষমা প্রার্থনা করা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ কিউ এম সোহেল রানা আজ রোববার এ লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেছেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, শেয়ার কেলেঙ্কারীর সাথে নোটিশদাতার মক্কেলের প্রতিষ্ঠানের নাম জড়িয়ে অসত্য, মিথ্যা, অশালীন, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য দেয়া হয়েছে। এতে তার মক্কেলের সামাজিক, আর্থিক ব্যবসায়িক ও কোম্পানির প্রচণ্ড সুনামের ক্ষতি হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৭ এপ্রিল খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ পুঁজিবাজারের ধসের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেন। এর পর থেকেই বিভিন্ন মহলে এর পক্ষে-বিপক্ষে সমালোচনার ঝড় বইছে।
এর আগে ১৮ এপ্রিল খন্দকার ইব্রাহিম খালেদের বিরুদ্ধে ঢাকার মহানগর মুখ্য হাকিমের (সিএমএম) আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। তবে মহানগর হাকিম বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর ওই দিনই মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন।
Quote   
04/24/2011 4:43 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
এমআই সিমেন্ট তালিকাভুক্তির জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করবে এসইসি

ঢাকা, ২৪ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির জটিলতা নিরসনে প্রজ্ঞাপন জারি করবে সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। চলতি সপ্তাহে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। আজ রোববার এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়ে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ ও এমআই সিমেন্টের প্রতিনিধির সাথে আলোচনা শেষে এসইসিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে রোববারের বৈঠকে শর্ত সাপেক্ষে এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির বিষয়ে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ সম্মতি প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে।
রোববারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরুর পরবর্তী ৬ মাস পর্যন্ত এমআই সিমেন্টের শেয়ারের দর কমে গেলে প্রাইমারী শেয়ারহোল্ডারদের কোম্পানির পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানির পরিচালকদের হিসাব থেকে এ ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা হিসেবে কোম্পানির পরিচালকদের হিসাব থেকে প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে জামানত হিসেবে রাখা হবে। প্রয়োজনে আরো অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে। এছাড়া ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তার অংশ হিসেবে এমআই সিমেন্টের যে পরিমাণের শেয়ার বাজারে ছাড়া হয়েছে তার এক চতুর্থাংশ শেয়ার পরিচালকদের হিসেব থেকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লিয়েন রাখা হবে। এসব সিদ্ধান্ত দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ মেনে নেয়ায় চলতি সপ্তাহেই এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গেছে।
বৈঠক শেষে এমআই সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোক্তার এইচ তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এসইসির সকল শর্ত মেনে নিয়েছি। শর্তানুযায়ী প্রাইমারি শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে রাখা হবে। এছাড়া যে পরিমাণ শেয়ার অফলোড করা হয়েছে তার এক চতুর্থাংশ শেয়ার দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লিয়েন রাখা হবে। আশা করছি খুব শিগগির এমআই সিমেন্ট বাজারে আসবে।
Quote   
04/24/2011 4:43 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
এমআই সিমেন্ট তালিকাভুক্তির জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করবে এসইসি

ঢাকা, ২৪ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির জটিলতা নিরসনে প্রজ্ঞাপন জারি করবে সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। চলতি সপ্তাহে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। আজ রোববার এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়ে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ ও এমআই সিমেন্টের প্রতিনিধির সাথে আলোচনা শেষে এসইসিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে রোববারের বৈঠকে শর্ত সাপেক্ষে এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির বিষয়ে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ সম্মতি প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে।
রোববারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরুর পরবর্তী ৬ মাস পর্যন্ত এমআই সিমেন্টের শেয়ারের দর কমে গেলে প্রাইমারী শেয়ারহোল্ডারদের কোম্পানির পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানির পরিচালকদের হিসাব থেকে এ ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা হিসেবে কোম্পানির পরিচালকদের হিসাব থেকে প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে জামানত হিসেবে রাখা হবে। প্রয়োজনে আরো অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে। এছাড়া ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তার অংশ হিসেবে এমআই সিমেন্টের যে পরিমাণের শেয়ার বাজারে ছাড়া হয়েছে তার এক চতুর্থাংশ শেয়ার পরিচালকদের হিসেব থেকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লিয়েন রাখা হবে। এসব সিদ্ধান্ত দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ মেনে নেয়ায় চলতি সপ্তাহেই এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গেছে।
বৈঠক শেষে এমআই সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোক্তার এইচ তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এসইসির সকল শর্ত মেনে নিয়েছি। শর্তানুযায়ী প্রাইমারি শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে রাখা হবে। এছাড়া যে পরিমাণ শেয়ার অফলোড করা হয়েছে তার এক চতুর্থাংশ শেয়ার দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লিয়েন রাখা হবে। আশা করছি খুব শিগগির এমআই সিমেন্ট বাজারে আসবে।
Quote   
04/24/2011 4:44 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
পতনের বৃত্তে পুঁজিবাজার

ঢাকা, ২৪ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): এক কার্যদিবস বিরতিতে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) আবারো দরপতনের ঘটনা ঘটেছে। লেনদেনের শুরু থেকেই ডিএসইতে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর হ্রাস পায়। পরবর্তিতে যা আর ঘুড়ে দাঁড়ায়নি। অধিকাংশ কোম্পানির দরপতন অব্যাহত থাকলে লেনদেন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ১১৬ দশমিক ২৯ পয়েন্ট কমে ৬০৭৬ দশমিক ৩১ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ৯৫ দশমিক ৮৩ পয়েন্ট কমে গিয়ে ৫০৫৩ দশমিক ২৭ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচক ৬০ পয়েন্টের কিছু বেশি বাড়ে। কিন্তু, এর আগে টানা পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসই সাধারণ সূচক ২৯১ কমে যায়। একই সঙ্গে কমে যায় পুঁজিবাজারের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর। গত সাত কার্যদিবসে এ নিয়ে ছয় কার্যদিবসই ডিএইতে দরপতন হয়েছে। আর এ ছয় কার্যদিবসে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে ৪০০ পয়েন্টের কিছু বেশি।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বড় বিনিয়োগকারীরা লেনদেনে অংশগ্রহণ না করা, বাজারে প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ না থাকা এবং পুঁজিবাজার কারসাজির নেপথ্যের নায়কদের নাম তদন্ত রিপোর্টে উঠে আসাতে এরাও পুঁজিবাজারে বড় ধরনের পতন ঘটানোর জন্য সক্রিয় রয়েছে বলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন।
এদিকে রোববারের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইতে আজ ২৫৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৩টির, কমেছে ২২৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
আজ ডিএসইতে ৬ কোটি ৭১ লাখের কিছু বেশি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যার বাজার মূল্য ৬৩১ কোটি টাকার কিছু বেশি। যা বৃহস্পতিবারের লেনদেনের চেয়ে ১৫৫ কোটি টাকা বেশি। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৪৭৬ কোটি টাকা।
ব্যাংক, বীমা আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের কোম্পানির শেয়ারদর আজ হ্রাস পেয়েছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের পতনের ভিতি ছাড়িয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে বাজার বিশ্লেষকেরা ভীত হয়ে শেয়ার বিক্রি না করার জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দিয়েছেন।
Quote   
04/24/2011 4:45 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
DSE to probe scam allegations
Gazi Towhid Ahmed

Dhaka Stock Exchange has decided to launch an internal committee to investigate the allegations that were raised against the bourse in a probe report on the recent stockmarket scam.

“It was decided in a board meeting of the bourse that an investigation committee will be formed with non-elected directors of the DSE after the government releases the probe report officially,” said a DSE director, who was present at the meeting on Thursday.

Although the share scam probe report is yet to be released officially by the government, the media published the report. The report alleged that some member of the DSE got price sensitive information prior to legitimate declaration and made hefty profit.

“The DSE committee's prime responsibility will be to find out the members and officers, who got prior information and reaped financial benefit,” said the DSE director asking for anonymity.

All members present at the meeting denied the allegations of the probe report and claimed it was not true, while some members said it is not an investigative report at all.

“We will take action on the allegations of the probe report for the greater interest of the market,” said a member, who was present at the meeting.

Some directors claimed that the report has no specific allegations because share placement business was not illegal.

The omnibus account is a matter of merchant banks and investors would get only statements at the end of the day; so how the probe committee could name people for manipulating in disguise of an omnibus account, said a director.

“The report named 100 people without hearing, so we can say that it is not ethical,” a DSE official said.

Some of the directors claimed that the probe report is a substandard document, which is enough to defame the government.

They claimed that the focus of the probe committee was to investigate why the market crashed, but there was “no clear mention of it” in the report.

“Investors want to know why the market experienced such a big debacle, but the committee failed to fulfil the expectations,” said another director, asking not to be named.

“I know some investors, who have bought more than Tk 10 crore shares of one company but the probe committee did not mention their names.”

“I have no idea why the probe committee did not name them,” he added.
Quote   
04/24/2011 4:47 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Kaler Kantha
চলতি সপ্তাহেই নিবন্ধন বাংলাদেশ ফান্ডের
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি সপ্তাহেই বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত আটটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংগঠিত ফান্ডের ট্রাস্টি ডিড ও বিনিয়োগ চুক্তিনামায় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) দেওয়া অনুমোদনের লিখিত প্রজ্ঞাপন কপি হাতে পেলেই এ নিবন্ধন শুরু হবে। আজ রবিবার লিখিত আকারে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, 'বাংলাদেশ ফান্ডের উদ্যোক্তা রাষ্ট্রায়ত্ত আটটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে এক জায়গায় এনে এ নিবন্ধন করতে হবে।' ঢাকা সাব রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে এ নিবন্ধন করতে হবে। প্রয়োজনে সাব রেজিস্ট্রারের অধীন গঠিত কমিশন আইসিবির কার্যালয়েও এ নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারবে বলে জানান তিনি।
নিবন্ধন শেষ হলে তাঁর সত্যায়িত ফটোকপি আবার এসইসিতে জমা দিতে হবে উল্লেখ করে তিনি জানান, এসইসির কাছ থেকে পুনরায় এ ফান্ডের রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে। এ দায়িত্ব পালন করবে ইস্যু মানেজার কম্পানি আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট। প্রাথমিকভাবে উদ্যোক্তা অংশের দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে। এটা করতে এ সপ্তাহ পার হয়ে যেতে পারে। উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল এসইসি রাষ্ট্রায়ত্ত আটটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংগঠিত ট্রাস্টি ডিড ও বিনিয়োগ চুক্তিনামায় অনুমোদন দেয় এসইসি।
Quote   
04/24/2011 4:48 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Amar Desh
শেয়ারবাজারে তারল্য সঙ্কট তীব্র হয়ে উঠছে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার

শেয়ারবাজারে তারল্য সঙ্কট তীব্র হয়ে উঠছে। তারল্য সঙ্কটের কারণে গত সপ্তাহের শেষ লেনদেন দিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৫০০ কোটি টাকার কম। লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪৭৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর আগে ডিএসইতে ৫০০ কোটি টাকার কম লেনদেন হয়েছিল গত ১ মার্চ। ওইদিন লেনদেন হয়েছিল ৪৩১ কোটি টাকা। শুধু তাই নয়, গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমে গেছে আগের সপ্তাহের তুলনায় ৩৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। আগের সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৪০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, যা গত সপ্তাহে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬৬৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকায়।
কয়েকটি কারণে শেয়ারবাজারে লেনদেন কমে যাচ্ছে বলে মনে করেন বাজার বিশ্লেষকরা। বর্তমানে অর্থবাজারে তীব্র তারল্য সঙ্কট দেখা দেয়ায় তার প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। গত বছর এ সময়ে ব্যাংকগুলোর কাছে অতিরিক্ত তারল্য থাকায় তারা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছিল। এমনকি তারা আইনি সীমার চেয়েও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করেছিল শেয়ারবাজারে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতির কারণে ব্যাংকগুলো তীব্র অর্থ সঙ্কটে ভুগছে। ফলে ব্যাংকগুলোর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মতো অর্থ নেই। আবার অর্থ থাকলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের কারণে ব্যাংকগুলো আইনি সীমার অতিরিক্ত অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছে না। গত বছর শেয়ারবাজারে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারীর আগমন ঘটেছে। তার অন্যতম কারণ হচ্ছে, ব্যাংকের আমানতের সুদের হার কমে যাওয়া। কিন্তু বর্তমানে আমানতের সুদের হার ১৩ থেকে ১৪ শতাংশে বেড়ে দাঁড়িয়েছে। গত বছর এ সুদের হার ছিল ৯ শতাংশের মতো। শেয়ারবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় এবং ব্যাংকের আমানতের সুদের হার বেড়ে যাওয়ার কারণে শেয়ারবাজারে নতুন করে বিনিয়োগে অনাগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেকে। এর ফলে যেমন লেনদেনের পরিমাণ কমছে অন্যদিকে শেয়ারবাজারে কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনের কারণে বড় বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশ লেনদেন কার্যক্রম থেকে দূরে সরে গেছেন বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ না পাওয়া সত্ত্বেও লেনদেন কার্যক্রমে অংশ নেয়ার কারণে অনেক বিনিয়োগকারীর নাম তদন্ত প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে। এ কারণে ব্যক্তিখাতে বড় বিনিয়োগকারীর একটি অংশ লেনদেন কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন না। এর ফলে বাজারে লেনদেনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। লেনদেন কমতে থাকলে শেয়ারের চাহিদা কমে যাবে এবং বাজারে বড় ধরনের সঙ্কট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। তবে বাংলাদেশ ফান্ড গঠন এবং এটি কার্যক্রম শুরু করলে তারল্য সঙ্কট কিছুটা কাটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক এবং ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, অর্থবাজারে তারল্য সঙ্কটের কারণে পুঁজিবাজারেও তার প্রভাব পড়ছে। কলমানি সুদের হারও আগের তুলনায় বেড়েছে। অর্থবাজারের সঙ্গে পুঁজিবাজারের সম্পর্ক থাকায় তার প্রভাব পড়ছে। তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিনের ধারাবাহিক দরপতনের কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারী লেনদেনের ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করছেন। এছাড়া তদন্ত প্রতিবেদনের কারণে বড় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ নিষ্ক্রিয় থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে নানা ধরনের ব্যাখ্যা চলছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। ফলে তারা বিনিয়োগের ব্যাপারে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। আইনকানুন মেনে লেনদেন করেছেন—এমন বিনিয়োগকারীর নামও তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকায় অনেক বিনিয়োগকারী এখন লেনদেন করতে ভয় পাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেয়ার লেনদেন কি অবৈধ? তিনি বলেন, আমরা চাই যারা সত্যিকার অর্থে শেয়ার কারসাজির সঙ্গে জড়িত তাদের শাস্তি হোক। তা না হলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অহেতুক আতঙ্ক কাজ করবে। এটি বাজারের জন্য ইতিবাচক হবে না।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত ১২ এপ্রিল থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। অনেকটা ধারাবাহিকভাবে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। এ সময়ে ডিএসইতে এক দিনও হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়নি। অথচ ৩১ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত এক দিন বাদে (৬ এপ্রিল) ডিএসইতে প্রতিদিনই হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে মোট ৫ কার্যদিবস এবং এ সময়ে লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৩৩৮ কোটি ৯২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। গত সপ্তাহে ৪ কার্যদিবেস লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ১৬১ কোটি ৫৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। গত সপ্তাহে ১ কার্যদিবস লেনদেন বেশি হলেও আগের সপ্তাহের তুলনায় লেনদেন কমেছে ১৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আর দৈনিক গড় লেনদেনের ভিত্তিতে আগের সপ্তাহের তুলনায় লেনদেন কমে গেছে ৩৫ দশমিক ৮১ শতাংশ।
এদিকে গত সপ্তাহে লেনদেন কমে যাওয়ার পাশাপাশি ডিএসই সূচকের পতন হয়েছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় ডিএসই সাধারণ সূচকের পতন হয়েছে ১৯৩ দশমিক ৭৪ পয়েন্টের। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতনে সূচকের পতন দিয়েই সপ্তাহ পার হয়েছে ডিএসইতে।
Quote   
04/24/2011 4:49 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Amar Desh
এ সপ্তাহে কার্যক্রম শুরু হতে পারে বাংলাদেশ ফান্ডের
অর্থনৈতিক রিপোর্টার

আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এ সপ্তাহেই কার্যক্রম শুরু হতে পারে বাংলাদেশ ফান্ডের। গত ১৮ এপ্রিল ৫ হাজার কোটি টাকার এ মিউচুয়াল ফান্ডটির অনুমোদন দেয় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। পুঁজিবাজারের তারল্য সঙ্কট কাটাতে আইসিবি এ ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নেয়। আইসিবি মূল উদ্যোক্তা হিসেবে ৫০০ কোটি টাকা যোগান দিচ্ছে। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত আরও ৭টি প্রতিষ্ঠান দিচ্ছে ১ হাজার কোটি টাকা। গত সপ্তাহে এসইসি ট্রাস্টি চুক্তি অনুমোদনের মাধ্যমে এ গঠনের অনুমোদন দেয়। তবে এর জন্য ট্রাস্টি চুক্তির নিবন্ধন সম্পন্ন করে এসইসিতে তার সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। মূলত এসইসিতে নিবন্ধনের সত্যায়িত কপি জমা দেয়ার মাধ্যমে ফান্ড গঠিত হবে। এদিকে গত সপ্তাহে ফান্ড গঠনের অনুমোদনের পরদিনই আইসিবি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্রুত ট্রাস্টি চুক্তির নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সপ্তাহে তা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আইসিবির শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, এ সপ্তাহেই নিবন্ধন শেষে ফান্ডটির কর্মকাণ্ড শুরু করতে পারব। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আপাতত উদ্যোক্তা অংশ নিয়ে অর্থাত্ দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে ফান্ডটি কার্যক্রম শুরু করবে। তারপর ধীরে ধীরে ফান্ডটির আকার বাড়ানো হবে। প্রাতিষ্ঠানিক এবং ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ফান্ডটির ইউনিট বিক্রি করা হবে। যেহেতু বাংলাদেশ ফান্ড একটি ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড সেহেতু এটি ওভার দ্য কউন্টার মার্কেটে বেচাকেনা হবে। ফান্ডটির ৭৫ শতাংশই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হবে। বাকি অর্থ মুদ্রাবাজারসহ পুঁজিবাজারের বাইরে অন্যান্য ইনস্ট্রুমেন্টে বিনিয়োগ করা যাবে। যদিও উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসিবি ফান্ডের ৫০ শতাংশ অর্থ পুঁজিবাজারে এবং বাকি অর্থ অর্থবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ চেয়েছিল। কিন্তু কমিশন তাদের এ প্রস্তাব নাকচ করে দেয়।
এছাড়া ফান্ডের রেজিস্ট্রেশন ফি এবং বার্ষিক ফি মওকুফের আবেদনেও সাড়া দেয়নি এসইসি। রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ০.২০ শতাংশ এবং বার্ষিক ফি বাবদ ০.১০ শতাংশ এসইসিকে দিতে হবে। এর ফলে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবাদ ১০ কোটি টাকা এবং বার্ষিক ফি বাবদ ৫ কোটি টাকা এসইসির কোষাগারে জমা দিতে হবে।
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview