| 03/23/2011 1:25 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom-Alo
এমজেএলের তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত কালঅনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ২৩-০৩-২০১১
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড তালিকাভুক্তির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে কাল বৃহস্পতিবার। ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এমজেএলের তালিকাভুক্তির ব্যাপারে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে গতকাল মঙ্গলবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে নির্দেশ দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসইর তালিকাভুক্তির বিষয়টি কমিটি পরিচালনা পর্ষদের সভায় পাঠায়।
নিয়ম অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখ থেকে ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্ত হতে হয়। এ নিয়ম অনুযায়ী ৩১ মার্চ প্রতিষ্ঠানটির তালিকাভুক্তির সময়সীমা শেষ হবে।
এদিকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় গত ২০ জানুয়ারি এ পদ্ধতিটি অর্থমন্ত্রীর নির্দেশে স্থগিত করে এসইসি। ২৩ জানুয়ারি এমজেএল ও এমআই সিমেন্টের আইপিও প্রক্রিয়া স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এর মধ্যে প্রতিষ্ঠান দুটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আইপিওর মাধ্যমে চাঁদা সংগ্রহ করে ফেলে। এ জন্য আইনি জটিলতা এড়াতে শর্তসাপেক্ষে প্রতিষ্ঠান দুটিকে আইপিও লটারি অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হয়।
শর্ত দুটি হচ্ছে তালিকাভুক্তির ছয় মাসের মধ্যে বরাদ্দমূল্যের চাইতে দর কমে গেলে কোম্পানি শেয়ার বাইব্যাক করবে। এ শর্ত মেনে প্রতিষ্ঠান দুটি আইপিও লটারি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বরাদ্দ দেয়। কিন্তু বাইব্যাক বিষয়ে কোনো আইন না থাকায় শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে এসইসির পক্ষ থেকে শর্ত দেওয়া হয়।
শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি এসইসির শর্ত মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আজ নির্দেশ দেয় কমিশন।
এমআই সিমেন্ট: এ দিকে লেনদেন শুরুর ছয় মাস পর্যন্ত বরাদ্দমূল্যের চেয়ে বাজারমূল্য কমে গেলে প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়েছে এমআই সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ। আজ শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণসংক্রান্ত একটি চিঠি এসইসিতে পাঠানো হয় বলে জানা গেছে। |
|
|
| 03/23/2011 1:26 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom-Alo
অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি
ডিএসইর নোটিশের জবাব দিয়েছে চার প্রতিষ্ঠানঅনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ২৩-০৩-২০১১
শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দেওয়া নোটিশের জবাব দিয়েছে তালিকাভুক্ত চারটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো দেশ গার্মেন্টস, জিকিউ বলপেন, আনলিমা ইয়ার্ন ও সাফকো স্পিনিং।
প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, তাদের শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির পেছনে মূল্য সংবেদনশীল কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। |
|
|
| 03/23/2011 1:27 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom-Alo
বাজারে সূচক এবং অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছেঅনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ২৩-০৩-২০১১
সপ্তাহের চতুর্থ কর্মদিবসের লেনদেনে আজ বুধবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের সঙ্গে কমেছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সময় বাড়ার সঙ্গে সূচক ধীরে ধীরে কমতে থাকে। দিন শেষে সূচক ১১২ পয়েন্ট কমে যায়। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের সঙ্গে কমেছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
ডিএসইতে আজ দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক ১১০.৯৩ পয়েন্ট কমে ৬,৩৪০.৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আজ ডিএসইতে মোট ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ৭৫টির, কমেছে ১৭৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ১,০৬৩ কোটি টাকার।
সিএসইর প্রেসিডেন্ট ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজার খুব বেশি বাড়বে এমন আশা করাটা যেমন ঠিক নয়, তেমনি খুব বেশি যে কমে যাবে তাও নয়। নতুন কোন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার আসার আগ পর্যন্ত ধৈর্য হারানো হারানো ঠিক হবে না।
সিএসইতে আজ সূচক ১৭৩.২৮ পয়েন্ট কমে ১৮.০৩৮.৮৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আজ মোট ২০১টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ১১৯ কোটি টাকার। |
|
|
| 03/23/2011 1:28 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
কোম্পানির হিসাব পুর্ননিরীক্ষার ব্যয় বহনের প্রস্তাব এসইসির
অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামতের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ তালিকাভুক্ত কোম্পানির নিরীৰিত আর্থিক হিসাবে কোন রকম অসঙ্গতি বা সন্দেহজনক তথ্য চিহ্নিত হলে ওই হিসাব পুনরায় নিরীৰা করবে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কমিশনের নিয়োগ করা নিরীৰা প্রতিষ্ঠানের (অডিট ফার্ম) মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। পুনঃনিরীৰা কাজের সামগ্রিক ব্যয় বহনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি। গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় ১৯৮৭ সালের সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন বিধিমালা সংশোধন করে পুনঃনিরীৰা সম্পর্কিত এ ধারা সংশোধনের নীতিগত সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। তবে অর্থ ব্যয়ের প্রশ্ন জড়িত থাকায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত পাওয়ার পর বিষয়টির চূড়ানত্ম করা হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, সন্দেহজনক বা অসঙ্গতিপূর্ণ আর্থিক প্রতিবেদন নিরীৰার জন্য এর আগেও এসইসির পৰ থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। সে সময়ও এসইসির পৰ থেকে নিরীৰক নিয়োগ করলেও তাদের ফি ও অন্যান্য ব্যয় কোম্পানিকে প্রদান করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু বেশ কয়েকটি কোম্পানির হিসাব পুনঃনিরীৰা সম্পন্ন হলেও নিরীৰা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের পাওনা পরিশোধ করা হয়নি। আবার আইনগত এখতিয়ার না থাকায় এসইসির পৰেও এসব ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। পরে এসব পাওনা পরিশোধের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে টাকা বরাদ্দ চেয়েছিল। কিন্তু মন্ত্রণালয় থেকে এসইসির এই প্রসত্মাব অনুমোদন না করায় নিরীৰা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পাওনা বুঝে পায়নি।
সূত্র জানায়, পুনঃনিরীৰা ব্যয় বহনে কোম্পানিগুলোর অনীহা রয়েছে। আবার কোম্পানির পৰ থেকে ব্যয় বহন করলেও নিরীৰা প্রতিষ্ঠানের প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। এ কারণেই এসইসি নিজেই এ সংক্রানত্ম ব্যয় বহনের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। তবে এর আগে নিরীৰা প্রতিষ্ঠানের অর্থ পরিশোধের প্রসত্মাব অনুমোদন না করায় বিধিমালা সংশোধনের আগেই অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত গ্রহণের প্রয়োজন মনে করছে এসইসি। কমিশনের পৰ থেকে শীঘ্রই মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রানত্ম প্রসত্মাব পাঠানো হবে।
সংশিস্নষ্টরা জানান, পুঁজিবাজারে আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কোন কোম্পানির নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদনে ত্রম্নটি পরিলৰিত হলে কমিশন প্রয়োজন মনে করলে পুনরায় তা নিরীৰা করবে। কমিশন সভায় এ সংক্রানত্ম বিধিমালা নীতিগতভাবে চূড়ানত্ম হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক মতামত পেলে সংশিস্নষ্ট বিধিমালায় এ বিষয়টি অনত্মর্ভুক্ত করা হবে। আর্থিক প্রতিবেদন পুনঃনিরীৰার ব্যবস্থা করা হলে সামগ্রিকভাবে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরৰিত হবে বলে কমিশন মনে করছে।
কমিশন সভায় গৃহীত সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী, এখন থেকে কোন কোম্পানির নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন এসইসির কাছে সনত্মোষজনক মনে না হলে কমিশন নিজস্ব নিরীৰকের মাধ্যমে তা পুনরায় নিরীৰার উদ্যোগ নেবে। কমিশন নিযুক্ত নিরীৰকের নিরীৰার পর কোন রকম অনিয়ম ধরা পড়লে ওই কোম্পানির বিরম্নদ্ধে কঠোর পদৰেপ নেয়া হবে।
উলেস্নখ্য, নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদনে প্রতারণার মাধ্যমে তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানি কর ফাঁকি এবং শেয়ারবাজারে মূল্য কারসাজির পথ তৈরি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। নিম্নমানের নিরীৰা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব প্রতিবেদন তৈরি করে কোটি কোটি টাকা কর ফাঁকি দিচ্ছে অনেক কোম্পানি। পাশাপাশি ফরমায়েশি এসব প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা। তালিকাভুক্তি কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদনে এ ধরনের অসংখ্য মনগড়া তথ্য ধরা পড়লেও যথাযথ আইনের অভাবে সামান্য জরিমানা আদায় ছাড়া কোন রকম কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারছে না।
জানা গেছে, কর ফাঁকির পাশাপাশি সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের কম লভ্যাংশ প্রদানের জন্য লাভজনক অনেক কোম্পানি নানা কৌশলে অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে আর্থিক প্রতিবেদন দাখিল করে। এভাবে কোম্পানির মুনাফার বড় অংশ পরিচালকদের পকেটে চলে যায়। অনেক কোম্পানি লাভজনক হওয়া সত্ত্বেও শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেয়ার কৌশল হিসেবে লোকসান দেখায়। আবার পুঁজিবাজারে শেয়ারের দর বাড়াতে কিছু কিছু কোম্পানি 'এ' ক্যাটাগরিতে উন্নীত হওয়ার জন্য লাভের পরিমাণ বাড়িয়ে দেখায় বলেও অভিযোগ রয়েছে। একশ্রেণীর উদ্যোক্তার এ ধরনের প্রবণতা সার্বিকভাবে শেয়ারবাজারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোম্পানির আর্থিক হিসাব নিরীৰার জন্য রাজধানী জুড়ে অসংখ্য চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) ফার্ম গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরেই সুনামের সঙ্গে আর্থিক হিসাব নিরীৰার কাজ করছে। কিন্তু এ ধরনের ভাল প্রতিষ্ঠান দিয়ে হিসাব নিরীৰার জন্য সংশিস্নষ্ট কোম্পানিকে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। এজন্য কম টাকায় নিরীৰা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বেশিরভাগ কোম্পানিই নিম্নমানের ফার্মগুলোর শরণাপন্ন হয়। এরমধ্যে বেশকিছু ফার্ম কোম্পানির ফরমায়েশ অনুযায়ী প্রতিবেদন অনুমোদন করে। শুধু তাই নয় বাড়তি অর্থ দিলে কোন কোন প্রতিষ্ঠান হিসাব নিরীৰা না করেই কোম্পানির কর্মকর্তাদের তৈরি প্রতিবেদন অনুমোদন করে দেয়। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত লোকসানী কোম্পানিগুলো বেশিরভাগ ৰেত্রেই এ ধরনের প্রতিষ্ঠান দিয়ে অডিট করায়। গত এক বছরে এ ধরনের প্রতিবেদনের অসংখ্য গরমিল ধরা পড়লেও আইনের অভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি এসইসি। এমনকি অনেক ৰেত্রে আর্থিক প্রতিবেদনে হিসাবের গরমিল সম্পর্কে নিরীৰা প্রতিষ্ঠানের সুস্পষ্ট মতামত থাকলেও শুধু জরিমানা করেই ৰানত্ম হচ্ছে এসইসি।
জানা গেছে, কোন কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন জমার পর এসইসি কর্পোরেট ফাইন্যান্সিয়াল ডিপার্টমেন্ট তা যাচাই করে। এৰেত্রে আনর্ত্মজাতিক হিসাব মান (আইএএস), বাংলাদেশ হিসাব মান, বাংলাদেশ নিরীৰা মান এবং কোম্পানি আইনে যে নিয়মনীতি রয়েছে সেগুলো অনুসরণ করা হয়। |
|
|
| 03/23/2011 1:28 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান রিলায়েন্স ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৩৫টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের মিডিয়া বাজারে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৩০ মার্চ রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর রিলায়েন্স ইন্সু্যরেন্স কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৭১ টাকা ৫৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৩৮৪ টাকা ৬৪ পয়সা।
৭৫% বোনাস শেয়ার দিচ্ছে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৭৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড।
কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৭৫টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ২৫ এপ্রিল কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১০ টাকা ৪৬ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২২ টাকা ৩৬ পয়সা।
লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে রূপালী ব্যাংক
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ গত এক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে রূপালী ব্যাংক লিমিটেড। ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ।
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে দেয়া ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ২০০০ সাল থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত এ ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দেয়নি। দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকটি লোকসান দিয়ে আসছিল। গত দু'বছর লাভের মুখ দেখলেও পুঞ্জীভূত লোকসানের কারণে লভ্যাংশ দেয়া সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি রূপালী ব্যাংক পুঞ্জীভূত লোকসানকে সুনাম হিসেবে (গুডউইল এ্যাকাউন্ট) রূপানত্মরিত করে। এ অবস্থায় ব্যাংকটি গত বছর শেয়ারপ্রতি ৪৮ টাকা ২ পয়সা মুনাফা অর্জন করে। এর প্রেৰিতে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধানত্ম নেয়। ফলে শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ১৯ মে সকাল ১১টায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১২ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যনত্ম ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১১৩২ টাকা ১২ পয়সা। |
|
|
| 03/23/2011 1:29 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
দুই কোম্পানির তালিকাভুক্তি নিয়ে নতুন জটিলতা
শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার অঙ্গীকারনামা দিয়েছে এমআই সিমেন্ট
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন পেলেও পুঁজিবাজারে মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের তালিকাভুক্তি নিয়ে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি করে লোকসান হলে সংশিস্নষ্ট শেয়ারহোল্ডারকে ৰতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোম্পানির দেয়া অঙ্গীকারকে আইনসঙ্গত মনে না করায় কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে নেতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)। ফলে কোম্পানিটির তালিকাভুক্তি নিয়ে নতুন করে সংশয় তৈরি হলো।
অন্যদিকে তালিকাভুক্তি নিয়ে একই ধরনের সমস্যায় পড়া এমআই সিমেন্ট লিমিটেড (ক্রাউন সিমেন্ট) শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে অঙ্গীকারনামা জমা দিয়েছে। গতকাল বুধবার কোম্পানির পৰ থেকে এসইসিতে দেয়া অঙ্গীকারনামায় তালিকাভুক্তির পর ৬ মাসের মধ্যে কোন শেয়ারহোল্ডার বরাদ্দ মূল্যের কমে প্রাথমিক শেয়ার বিক্রি করলে ৰতিপূরণ প্রদানের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি এসইসির অনুমোদন পেলেও ডিএসইর আপত্তির কারণে মবিল যমুনার মতো এই কোম্পানির তালিকাভুক্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হবে।
জানা গেছে, প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তে গত মঙ্গলবার মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির বিষয়ে এসইসির পৰ থেকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণ করতে বলা হয়। কিন্তু ডিএসইর তালিকাভুক্তি বিভাগ বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তুলেছে। এ বিষয়ে সুপ্রীমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. এম জহিরের মতামত নিয়েছে ডিএসই। ড. জহির জানিয়েছেন, ৰতিপূরণ প্রদানের ৰেত্রে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ৫৭(২) এর গ ধারাকে ভিত্তি ধরা হলেও ওই ধারায় প্রিমিয়াম আয় থেকে এ ধরনের ব্যয় অনুমোদন করে না। তিনি ৰতিপূরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে ডিএসইকে জড়িত না হওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন। আইনজীবীর মতামত পাওয়ার পর ডিএসইর তালিকাভুক্তি কমিটি মবিল যমুনার দেয়া অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে তালিকাভুক্তির বিষয়ে নেতিবাচক অবস্থান ব্যক্ত করেছে। ইতোমধ্যেই বিষয়টি এসইসিকে জানানো হয়েছে। মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির ৰেত্রে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করার জন্য কমিশনের পৰ থেকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এদিকে প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দের পর ৭৫ দিন পার হয়ে যাওয়ায় বুধবার মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে গেছে। তবে ডিএসইর পৰ থেকে জানানো হলে এসইসি এই সময়সীমা বাড়াতে পারে বলে জানা গেছে।
উলেস্নখ্য, মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্ট লিমিটেড (এমজেএল) পুঁজিবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। এজন্য শেয়ারপ্রতি ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৬০৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে মবিল যমুনার পিই দাঁড়াচ্ছে ৬২।
অন্যদিকে শেয়ারবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়েছে এমআই সিমেন্ট মিলস লিমিটেড। ১০১ টাকা ৬০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১১১ টাকা ৬০ পয়সা। ফলে কোম্পানিটি ৩০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে ৩৩৪ কোটি টাকা সংগ্রহের সুযোগ পেয়েছে
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ডাকা বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার প্রবণতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের নির্ধারিত মূল্যকে কোম্পানির মৌলভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংক্রানত্ম বিধি সংশোধন করে স্থায়ীভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় এ দু'টি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতার শেয়ারহোল্ডারদের ৰতিপূরণ প্রদানের শর্ত আরোপের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। |
|
|
| 03/23/2011 1:31 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE REPORT
Mega incentive to lure investors to Tk 50b BF
Money whitening to be allowed
Nazmul Ahsan
The government has planned to allow investment of undisclosed money in the Tk 50 billion Bangladesh Fund to make it attractive to individual and institutional investors, officials said Tuesday.
The incentive will be a part of a package the finance ministry is going to declare soon to boost confidence in the stock market and make sure the proposed BF gets good response from three million small investors.
Eight state-owned financial institutions including Investment Corporation of Bangladesh (ICB), five commercial banks, and two insurers announced the creation of the BF on March 6.
Finance ministry officials fine-tuning the details of the Fund said the government would offer some out-of-box benefits and tax exemption facility to make the open-ended mutual fund investor-friendly.
"It is the largest mutual fund the government-owned ICB is launching. We are going to offer lucrative incentives to investors willing to buy units of the fund," said an official.
He said up to 10 per cent stakes of the state-owned companies -- including petroleum companies -- to be offloaded this year will be reserved for the mega fund.
"Stakes in private sector Initial Public Offering (IPO) may also be reserved for the fund. These measures will add financial muscles to the BF," he said.
"Announcement of the package will be made soon. It will definitely bolster market sentiment," he added.
Officials said individual and institutional investors can be able to whiten their undisclosed savings by investing the same in the fund after paying 10 per cent flat tax rate.
The capital market made a steady and gradual turnaround after the authorities announced creation of the BF. The Dhaka Stock Exchange has gained around 10 per cent in the past two weeks alone.
Five state-owned commercial banks -- Sonali, Rupali, Janata, Agrani and Bangladesh Development Bank Limited (BDBL) -- and two state-owned insurers, Sadharan Bima Corporation and Jibon Bima Corporation, are joint sponsors of the fund to be managed by the ICB.
The authorities have said of the Tk 50 billion, half will be invested in the stocks of listed companies and the rest will be invested in money market in line with regulatory permission.
Officials in the finance ministry said they are finalising the package on the basis of consultation with the ICB officials.
|
|
|
| 03/23/2011 1:33 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
MJL listing runs into debate
Gazi Towid Ahmed
The listing issues of MJL Bangladesh Ltd and MI Cement Ltd have triggered a debate, as compensation offers by the companies do not match the existing rules.
The two companies said they will compensate the retail investors as per clause 57 (2) C of the Companies Act, if their share prices go below the IPO prices within six months of trading.
The clause 57 (2) C states: “The share premium account may be applied by the company in writing off the expenses of, or the commission paid or discount allowed, on any issue of shares or debentures of the company.”
It means, a company can compensate or write off when it issues shares or debentures at a discount price. For example, if share price is Tk 100, and it is sold at a discount price of Tk 90 -- the company can compensate Tk 10 from its account.
But, here it does not mean that the company can compensate for secondary market investors, who are liable for losses or profit from share investment. And it is not also a company's liability if its share prices go up or down than the IPO price in the secondary market.
Following the two companies' offers, the Securities and Exchange Commission has asked the bourses to take necessary steps about the listing of the two companies in line with the listing rules.
But the stock exchanges are yet to take any decision, as they also found complexities.
The Listing Committee of the Dhaka Stock Exchange will sit again today to find a proper solution. Earlier on Tuesday, the committee sat on the issue and primarily came up with a conclusion that if the two companies are now listed in line with the SEC directive, huge complexities will arise.
The companies and the stockbrokers will face problems to manage several lakhs of beneficiary owners' accounts, if their share prices come below the IPO prices, said a member of the listing committee.
“The only simple way would be to buy back,” said a member of the listing committee.
However, a senior official of the SEC said the companies can offer compensation, if share prices go below the IPO price, in line with the Companies Act.
He said there is no complexity in the compensation package. The bourses will have to record who sells shares below the offer prices within six months of listing.
If the bourses want more time to resolve the complexity, then the commission can extend the time of listing under the commission's special power, he added.
Salahuddin Ahmed Khan, a professor of finance at Dhaka University, said listing with compensation package is not a good idea. “It will create more complexities.”
“The issuer company may appoint some dealers who will always give buy order at certain prices so that the price cannot come down,” he said.
Professor Mahmud Osman Imam, another teacher of finance at Dhaka University, said the companies' go public to collect fund from the capital market, not to pay the compensation.
It is an international practice that the issue manager and under writer give money to compensate to the IPO investors on condition, and so the SEC should follow the international trend of compensation, said Osman.
He also said the issue manager and underwriter should place a price same as the offer price through a merchant bank or a brokerage house so that the prices of shares do not cross the offer price.
If MJL Bangladesh and MI Cement cannot be listed within March 29, the two IPOs will be scrapped as per listing rules.
|
|
|
| 03/23/2011 1:35 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজার: বেশিরভাগ শেয়ারের দাম কমেছে
--------------------------------------------------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখি থাকার পর মঙ্গলবার পুঁজিবাজারের সূচক কমেছে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের দুই পুঁজিবাজারের সূচক কমেছে বুধবারও। পাশাপাশি বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট দর কমেছে।
আগের কার্যদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে(ডিএসই) অধিকাংশ কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বাড়লেও দিনশেষে সূচক কমেছিল।
বুধবার ডিএসইতে মোট ২৫৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৭৫টির, কমেছে ১৭৯টির ও অপরিবর্তিত ছিল ২টি কোম্পানির দাম।
একইসঙ্গে সাধারণ সূচক ১১০ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৩শ ৪০ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সার্বিক সূচক ৮৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২শ ৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিন ডিএসইতে মোট ১ হাজার ৬৩ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৫ কোটি টাকা কম।
বুধবার ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম ৬ মিনিটে অর্থাৎ ১১ টা ৬ মিনিট পর্যন্ত সূচক ৩২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপরের ৯ মিনিটে সূচক ২২ পয়েন্ট কমে। পরবর্তীতে বেলা সোয়া ১১ টা থেকে সূচক আবার বাড়তে থাকে যা বেলা সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। দুপুর পৌণে ২ টার দিকে ডিএসইর সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৬ পয়েন্ট কমে যায়। এভাবে উঠানামা করে দিন শেষে সূচক কমেছে।
আগের কার্যদিবসগুলোর ধারাবাহিকতায় এদিনও ডিএসইতে লেনদেন বাড়ার দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড। এরপর যথাক্রমে ছিল ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, আরএন স্পিনিং, তিতাস গ্যাস, পিএলএফএসএল, গোল্ডেন সন, বেক্সটেক্স, আফতাব অটোমোবাইলস, কনফিডেন্স সিমেন্ট ও ম্যাকসন্স স্পিনিং।
দাম বাড়ার শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো: কে অ্যান্ড কিউ, এমবি ফার্মা, দেশ গার্মেন্টস, বিডি অটোকারস, তাল্লু স্পিনিং, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস, এইচআর টেক্সটাইল,বঙ্গজ, মিথুন নিটিং ও জুট স্পিনার্স।
দাম কমার শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো:ফিনিক্স ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স, মাইডাস ফিন্যান্স, কাশেম ড্রাইসেলস, ফিনিক্স ফিন্যান্স, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রাইম ফিন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, রংপুর ফাউন্ড্রি ও কেয়া ডিটারজেন্ট।
অন্যদিকে, বুধবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই) মোট ২০১টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ১৩৫টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৩টি কোম্পানির দাম।
সাধারণ সূচক ১৮৫ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৪শ ৮৩ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সার্বিক সূচক ২৭৪ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ৭শ ৬৩ পয়েন্টে নেমে আসে।
এদিন সিএসইতে লেনদেন হয় মোট ১১৯ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৬ কোটি টাকা বেশি।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৮ঘণ্টা, মার্চ ২৩,২০১১
|
|
|
| 03/23/2011 1:38 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ফের ঊর্ধ্বমুখী জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের দাম
ঢাকা, ২৩ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারের দর কমলেও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে দুর্বল মৌলভিত্তির জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের দর। বছরের পর বছর লভ্যাংশ না দেয়া আর্থিকভাবে দুর্বল এসব কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ায় আবারো বিনিয়োগ ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আর্থিক লোকসানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
চলতি মাসের শুরু থেকেই জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের দরবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় বুধবারও লেনদেন হওয়া অধিকাংশ দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, বুধবার লেনদেন হওয়া ২০টি জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ১৪টির। অপরদিকে ভালো মৌলভিত্তির 'এ' ক্যাটাগরির ১৯২টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৫২টির। মূল্য সংবেদনশীল কোনো তথ্য না থাকার পরও এসব দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারের দর বাড়লেও নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে দরবৃদ্ধি রোধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, আলহাজ্জ টেঙ্টাইল ২৮ ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৪৮ টাকা, যা বর্তমানে ৬০ টাকায় সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে। অলটেঙ্ ৬ কার্যদিবসে ৬৬ টাকা বেড়ে সর্বশেষ ১৯৬ টাকায়, সাফকো স্পিনিং ১৪ কার্যদিবসে ২২৯ টাকা বেড়ে ৫৩৫ টাকায়, দুলামিয়া কটন ১৬ কার্যদিবসে ১১৪ টাকা বেড়ে ২৭৯ টাকায় এবং আনোয়ার গ্যালভানাইজিং ১৫ কার্যদিবসে ৯৮ টাকা বেড়ে ৩৩৩ টাকায় সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে। একই সময়ে আজিজ পাইপস ১১৯ টাকা বেড়ে সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৪৪৮ টাকায়। ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দর ১১ কার্যদিবসে ২২০০ টাকা বেড়ে সর্বশেষ ৩,৯০০ টাকায়, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স ১৬ কার্যদিবসে ১৮৫ টাকা বেড়ে ৫৪৬ টাকায়, প্রভাতি ইন্স্যুরেন্স ১৬ কার্যদিবসে ১৯৭ টাকা বেড়ে সর্বশেষ ৫৮৬ টাকায় লেনদেন হয়েছে। লাফার্জ সুরমার ১৬ কার্যদিবসে বেড়েছে ৫০ টাকা। ১৫ কার্যদিবসে লিগেসী ফুটওয়ারের দর ১৮ টাকা বেড়ে সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৪৩ টাকায়। একই সময়ে সমতা লেদারের শেয়ারের দর ৫১ টাকা বেড়ে সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ১৭০ টাকায়। এ সময়ে রেনউইক জজ্ঞেশ্বরের দর ২২০ টাকা বেড়ে সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৮০০ টাকায়। একই সময়ের ব্যবধানে শেয়ার প্রতি ৩০০ টাকা বেড়ে সর্বশেষ ৭২৪ টাকায় লেনদেন হয়েছে সাভার রিফ্র্যাক্টরীজ। এ সময়ের মধ্যে মেঘনা পিইটি'র শেয়ারের দর ৫ টাকা বেড়ে সর্বশেষ ১৯.৫০ টাকায় লেনদেন হয়েছে।
|
|
|
| 03/23/2011 1:39 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির জটিলতা কাটছে না, সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার
--------------------------------------------------------------------------------
স্টাফকরেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: ৬ মাস শেয়ার বাইব্যাকের শর্তে মুচলেকা দেওয়ার পরও মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে জটিলতা কাটছে না। কোম্পানি মুচলেকা দিলেও শেয়ার বাইব্যাক করার চেয়ে বরং বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতেই বেশি আগ্রহী। জটিলতার মূল কারণটিও এখানেই। ডিএসইর একটি সূত্রে একথা জানা গেছে।
জটিলতা না কাটায় মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি এখনো অনিশ্চিতই রয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার ডিএসইর বোর্ড মিটিংয়ে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান।
জানা গেছে, সরকার থেকে মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির জন্য স্পন্সরদের ৬ মাস শেয়ার বাইব্যাকের শর্ত দেয়। এ শর্ত অনুযায়ী কোম্পানিটি এসইসিতে টানা ৬ মাস বাইব্যাক করবে বলে মুচলেকা দিয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসইর সঙ্গে এসইসি গত ২৩ মার্চ একটি বৈঠক করে। বৈঠকে ডিএসই কোম্পানিটিকে কোম্পানির স্পন্সরদের বাইব্যাক ও প্রাইস সাপোর্ট দেওয়ার শর্তে তালিকাভুক্তির প্রস্তাব দেয়।
কিন্তু কোম্পানির পক্ষ থেকে স্পন্সররা নয় কোম্পানির প্রিমিয়াম অ্যাকাউন্ট থেকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া বাজারে আসার ৬ মাসের মধ্যে এর শেয়ারে প্রাইমারি বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্রোকার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) জানাবে।
ডিএসই ক্ষতির পরিমাণ অনুযায়ী কোম্পানির অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলবে। এসইসি কোম্পানির এ প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে এবং স্টক এক্সচেঞ্জকে তালিকাভুক্তির পদক্ষেপ নিতে বলেছে। কিন্তু কোম্পানির এ শর্তকে ডিএসই গ্রহণযোগ্য মনে করছে না।
এ ব্যাপারে ডিএসইর পরিচালক রকিবুর রহমান বলেন, শেয়ার বাইব্যাক করতে হলে আইন অনুযায়ী স্পন্সররা তা করতে পারবে। কোম্পানির প্রিমিয়াম অ্যাকাউন্ট থেকে করা যাবে না। কারণ এ টাকাও কোম্পানির টাকা। কোম্পানির অর্থ দিয়ে বাইব্যাকের সুযোগ নেই। এটি আইনে গ্রহণযোগ্য হবে না।
ডিএসই এ ধরনের শর্তে তালিকাভুক্তির সুযোগ দিয়ে কোনো দায়ভার নেবে না। এ ব্যাপারে আগামীকাল বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ডিএসইর অপর এক পরিচালক মোস্তাক আহমেদ সাদেক বাংলানিউজকে বলেন, শেয়ার বাইব্যাক কিংবা প্রাইস সাপোর্টের শর্তে তালিকাভুক্ত করতে ডিএসই রাজি আছে।
কিন্ত কোম্পানি শেয়ার বাইব্যাক করতে রাজি নয়। তারা চায় বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারকে বিনিয়োগকারীর ক্ষতির হিসাব রাখতে হবে। এটা কারও পক্ষে সম্ভব নয়।
কারণ প্রতিটি ব্রোকার হাউজে ১৫ থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত বিনিয়োগকারী আছে। এরমধ্যে আলাদা আলাদা ভাবে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি হিসাব করা সম্ভব নয়। কারণ কোনো বিনিয়োগকারী ৪০ টাকা কোনো বিনিয়োগকারী ১০০ টাকা ক্ষতি হবে। আবার কেউ দুই দিন পরেই বিক্রি করবে কেউ বা ৫ মাসের মাথায় বিক্রি করবে। এ ক্ষেত্রে কোন বিনিয়োগকারী কতো টাকা ক্ষতি করল বা কোন বিনিয়োগকারী কবে মবিল যমুনার শেয়ার বিক্রি করল এ হিসাব রাখা ব্রোকারদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ দায়ভার নিয়ে ডিএসই কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করবে না। এ ব্যাপারে আগামীকাল বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
|
|
|
| 03/23/2011 2:10 pm |
 Senior Member

Regist.: 01/26/2011 Topics: 0 Posts: 29
 OFFLINE | BANK CRR is Being reduced---AMADER SOMOY |
|
|
|