Page 1 / 1
NEWS 24.02.2011
02/23/2011 8:23 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে আরেক দফা মূল্য সংশোধন
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজার স্বাভাবিক, আতঙ্কের কিছু নেই


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকন্ঠ

অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর পর্যবেৰণশীল মনোভাবের কারণে দ্বিতীয় দিনের মতো সংশোধনের ধারায় শেষ হয়েছে পুঁজিবাজারের লেনদেন। বুধবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১৫৫ পয়েন্ট এবং চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) নির্বাচিত সূচক ২৪৮ পয়েন্ট কমেছে। একইসঙ্গে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে কমেছে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ।
তবে শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক আখ্যায়িত করে বাজার বিশেস্নষকরা বলছেন, বড় বিপর্যয়ের সময় কেনার সুযোগ পাওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারীর হাতে মুনাফা তুলে নেয়ার মতো শেয়ার রয়েছে। আগের দু'দিন উলেস্নখযোগ্যহারে দরবৃদ্ধির কারণে তারা সেই শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নিচ্ছেন। এর প্রভাবেই মঙ্গলবার থেকে বাজারে সংশোধন হচ্ছে। বুধবারও সেই ধারা অব্যাহত ছিল। তাঁরা মনে করেন, বাজারের গতি-প্রকৃতিতে বিনিয়োগকারীদের কোনভাবেই আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। একটু ধৈর্য ধরলেই বাজার ভাল হয়ে যায়।
সিএসই সভাপতি ফখরউদ্দীন আলী আহমেদ জনকণ্ঠকে বলেন, বাজারে বিনিয়োগের ৰেত্রে এখন ঝুঁকির মাত্রা অনেকটা কমে গেছে। অধিকাংশ মৌলভিত্তির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের অনুপাত (পিই রেশিও) এখন ভাল অবস্থায় রয়েছে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি সব ধরনের বিনিয়োগকারীর জন্যই ইতিবাচক। এই মুহূর্তে বিনিয়োগ করা হলে লোকসানের আশঙ্কা খুবই কম।
সিএসই সভাপতি বলেন, বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে অধিকাংশেরই মৌলভিত্তিই ফেলে দেয়ার মতো নয়। সব কোম্পানিরই শেয়ার প্রতি সম্পদ আছে। কোন কোম্পানিই বাজার থেকে উধাও হয়ে যাবে না। তারা এই বাজারে আছে। তাই বিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তাদের উচিত মৌলভিত্তি দেখে আস্থার সঙ্গে বিনিয়োগ করা।
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা রাখতে হবে। ভাল মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনে থাকলে ঝুঁকির কিছু নেই।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের পুঁজিবাজারকে স্বাভাবিক গতিতে চলতে দিতে হলে এই মুহূর্তে বড় প্রয়োজন বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করে আস্থা ফিরিয়ে আনা। এ জন্য বাজার সংশিস্নষ্ট সকল পক্ষকে আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি সরকার ঘোষিত সিদ্ধানত্মগুলো দ্রম্নত বাসত্মবায়ন করতে হবে। তা না হলে বাজারে কিছুটা দরপতন হলেই বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়বে_ যা আরও বড় পতনের পথ ত্বরান্বিত করবে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, বুধবার ডিএসইতে মোট ২৪৮টি কোম্পানির ৫ কোটি ৯ লাখ ৫৩ হাজার ১৭০টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট এবং কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ৫৭৩ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার ২৩০ টাকা_ যা আগের দিনের চেয়ে ৩৮৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা কম।
লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৯২টির শেয়ারের দরই আগের দিনের তুলনায় কমে গেছে। এর বিপরীতে বেড়েছে ৪৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টির শেয়ারের দর। ফলে ডিএসই সাধারণ মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৫৪.৯০ পয়েন্ট কমে ৬০১৮.৪৮ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। দিন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৬৮৯ কোটি ৮৭ লাখ ২৫ হাজার ৮২৩ টাকায়।
ডিএসইতে আর্থিক লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো_ বেঙ্মিকো লিমিটেড, পিপলস্ লিজিং এ্যান্ড ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, বেঙ্টেঙ্, প্রাইম ফাইন্যান্স, আইডিএলসি, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, বেলিজিং, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ও ব্র্যাক ব্যাংক।
দরবৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষ ১০টি কোমপানি হলো_ রেকিট বেনকিজার, এশিয়া ইন্সু্যরেন্স, আইডিএলসি, প্রাইম ফাইন্যান্স প্রথম মিউচু্যয়াল ফান্ড, প্রাইম ফাইন্যান্স, এসিআই ফর্মুলেশন, লিবরা ইনফিউশন, পপুলার লাইফ ইন্সু্যরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক ও আইসিবি প্রথম এনআরবি মিউচু্যয়াল ফান্ড।
অন্যদিকে দর হ্রাসের শীর্ষ ১০টি কোমপানি হলো_ বিডি ওয়েল্ডিং, সিএমসি কামাল, প্রাইম ইন্সু্যরেন্স, ব্র্যাক ব্যাংক, তালস্নু স্পিনিং, রহিমা ফুড, বিডি অটোকারস, কাশেম ড্রাইসেল, সায়হাম টেঙ্টাইল ও ইমাম বাটন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/23/2011 8:25 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ডিএসইর পরিচালক নির্বাচনে ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা
এসইসির ছাড়পত্র পেলেও নির্বাচন করছেন না তিন জন


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকন্ঠ

ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক নির্বাচনে চারটি পদের জন্য মোট ৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার ছিল এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন। এসইসির ছাড়পত্র পেলেও তিন প্রার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোয়নপত্র জমা দেননি।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বুলবুল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহুদুল হক বুলবুল, গেস্নাব সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান, সাবেক সহ-সভাপতি ও রশীদ ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ রশীদ লালী, মোনা ফাইন্যান্সিয়াল এ্যান্ড সিকিউরিটিজের আহসানুল ইসলাম টিটো, সাবেক সভাপতি ও রয়েল গ্রিন সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান আবদুল হক, এম এ্যান্ড জেড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ, ফিনিঙ্ সিকিউরিটিজের এ কাদের চৌধুরী এবং ধানমণ্ডি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান খান। এসইসির ছাড়পত্র পেলেও মনোনয়নপত্র জমা দেননি এ্যাসেঞ্জ সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লাইনুন নাহার একরাম, শিকদার সিকিউরিটিজের শহিদুল হক শিকদার লিটু এবং দিয়া সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালব মাহবুবুর রহমান।
আগামী ১৩ মার্চ ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদের চারটি শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের মোট সদস্য সংখ্যা ২৪। এরমধ্যে ১২ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। বাকি ১২ জন বিভিন্ন পর্যায় থেকে মনোনীত হবেন। পরে নির্বাচিত পরিচালকরা তাদের মধ্যে থেকে এক বছরের জন্য সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সহ-সভাপতি নির্বাচিত করবেন। নতুন কমিটি সাধারণ সভার মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করবেনডিএসইর পরিচালক নির্বাচনে ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা
এসইসির ছাড়পত্র পেলেও নির্বাচন করছেন না তিন জন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক নির্বাচনে চারটি পদের জন্য মোট ৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার ছিল এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন। এসইসির ছাড়পত্র পেলেও তিন প্রার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোয়নপত্র জমা দেননি।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বুলবুল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহুদুল হক বুলবুল, গেস্নাব সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান, সাবেক সহ-সভাপতি ও রশীদ ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ রশীদ লালী, মোনা ফাইন্যান্সিয়াল এ্যান্ড সিকিউরিটিজের আহসানুল ইসলাম টিটো, সাবেক সভাপতি ও রয়েল গ্রিন সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান আবদুল হক, এম এ্যান্ড জেড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ, ফিনিঙ্ সিকিউরিটিজের এ কাদের চৌধুরী এবং ধানমণ্ডি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান খান। এসইসির ছাড়পত্র পেলেও মনোনয়নপত্র জমা দেননি এ্যাসেঞ্জ সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লাইনুন নাহার একরাম, শিকদার সিকিউরিটিজের শহিদুল হক শিকদার লিটু এবং দিয়া সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালব মাহবুবুর রহমান।
আগামী ১৩ মার্চ ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদের চারটি শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের মোট সদস্য সংখ্যা ২৪। এরমধ্যে ১২ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। বাকি ১২ জন বিভিন্ন পর্যায় থেকে মনোনীত হবেন। পরে নির্বাচিত পরিচালকরা তাদের মধ্যে থেকে এক বছরের জন্য সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সহ-সভাপতি নির্বাচিত করবেন। নতুন কমিটি সাধারণ সভার মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/23/2011 8:28 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
চাঙ্গা ভাবে আবারও ছন্দপতনডিএসইতে সূচক ও লেনদেন কমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
কালের কণ্ঠ

দ্বিতীয় দিনের মতো গতকালও দরপতন হয়েছে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই)। বারবার ওঠা-নামার পর ডিএসইতে আগের দিনের তুলনায় সূচক কমেছে ১৫৪.৯০ পয়েন্ট। কমেছে বাজার মূলধন ও লেনদেন। লেনদেন হওয়া ২৪৮টি কম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ১৯২টির। টানা দুদিন মূল্যবৃদ্ধির পর দুদিনের দরপতনকে আর স্বাভাবিকভাবে দেখছেন না কেউ কেউ। তারল্য সংকট কাটাতে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের ধীরগতিতে শেয়ারবাজারের প্রতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া কয়েকটি পদক্ষেপের প্রভাবে গত বৃহস্পতিবার ও রবিবার শেয়ারবাজারে তেজিভাব দেখা যায়। চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে শেয়ার কিনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)কে ২০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া, অর্থমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফোর্সড সেল বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মূলধন বৃদ্ধির পদক্ষেপ শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক দরপতন থেকে উত্তরণে ভূমিকা রাখে। তখন বিশেষজ্ঞরা মনে করেছিলেন, স্থিতিশীল হচ্ছে শেয়ারবাজার।
কিন্তু পর পর দুদিনের দরপতনে আবারও হতাশ হয়েছেন বিশ্লেষকরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষক ও ডিএসইর সাবেক নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খান গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, 'সরকারের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে দেওয়া থোক বরাদ্দ এত বড় শেয়ারবাজারের তুলনায় অনেক কম। এভাবে তারল্য সংকট কাটবে না। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মূলধন বাড়ানোর কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আর এটা করতে হলেও কমপক্ষে তিন মাস সময় লাগবে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সমন্বিত উদ্যোগ দরকার।'
তিনি বলেন, 'এ বাজারে আশঙ্কার কথা হলো, যেদিন দাম বাড়ে, সেদিন সবকটির দাম একসঙ্গে বাড়ে এবং যেদিন কমে, সেদিন সব কম্পানির দাম কমে যায়। এটা বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার বহিঃপ্রকাশ।'
এত আশঙ্কার মধ্যেও আশার কথা শুনিয়েছেন অধ্যাপক সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, 'এখন ভালো মৌলভিত্তির ব্যাংক খাতের কম্পানিগুলোর শেয়ারের বাজারদর তার মূলধন, ইপিএস বা পিইর তুলনায় কম। খাদ্য খাতের কম্পানিগুলোর শেয়ারের বাজারদর তার মৌলভিত্তির প্রায় সমান। এসব কম্পানিতে বিনিয়োগ এখন লাভজনক।'
গতকালের বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইতে মোট ২৪৮টি কম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের পাঁচ কোটি ৯ লাখ ৫৩ হাজার ১৭০টি শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের পরিমাণ ৫৭৩ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার ২৩১ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৮৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা কম।
সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৫৪.৯০ পয়েন্ট কমে ৬০১৮.৪৮ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৪৮টি কম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ১৯২টির, বেড়েছে ৪৬টির, অপরিবর্তিত ছিল ১০টির দাম। বাজার মূলধন ছিল_দুই লাখ ৭২ হাজার ৬৮৯ কোটি ৮৭ লাখ ২৫ হাজার ৮২৩ টাকা।
লেনদেনের ভিত্তিতে গতকালের প্রধান ১০টি কম্পানি হলো_বেঙ্মিকো লিমিটেড, পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, বেঙ্টেঙ্, প্রাইম ফাইন্যান্স, আইডিএলসি, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, বে-লিজিং, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেস ও ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।
অন্যদিকে মূল্যবৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কম্পানি হলো_রেকিট বেঙ্কাইজার, এশিয়া ইনস্যুরেন্স, আইডিএলসি, প্রাইম ফাইন্যান্স প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, প্রাইম ফাইন্যান্স, এসিআই ফর্মুলেশন, লিব্রা ইনফিউশন, পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক ও আইসিবি প্রথম এনআরবি।
দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কম্পানি হলো_বিডি ওয়েল্ডিং, সিএমসি কামাল, প্রাইম ইনস্যুরেন্স, ব্র্যাক ব্যাংক, তাল্লু স্পিনিং, রহিমা ফুড, বিডি অটোকারস্, কাশেম ড্রাইসেল, সায়হাম টেঙ্টাইল ও ইমাম বাটন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/23/2011 8:30 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বাইব্যাক অনুমোদন করে সংশোধন আসছে কোম্পানি আইনে

আনোয়ার ইব্রাহীম
সমকাল

শেয়ার 'বাইব্যাক' ব্যবস্থা চালু করার জন্য কোম্পানি আইন-১৯৯১ সংশোধন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গত মাসে যখন কোনোভাবেই শেয়ারবাজারের দরপতন ঠেকানো যাচ্ছিল না, সেই প্রেক্ষাপটে শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টদের দাবির পর এ বিষয়ে আইন করার উদ্যোগ নেয় সরকার। শেয়ার বাইব্যাক করার পর পরবর্তী এক বছরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মূলধন বাড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রেখে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এ বিষয়ে আইনের খসড়া প্রস্তুত করেছে। শিগগির কোম্পানি আইন সংশোধনের মাধ্যমে বাইব্যাক প্রথা চালু করার জন্য একটি বিল সংসদে উত্থান করা হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এদিকে, শেয়ারবাজার ও কোম্পানি আইনে বিশেষজ্ঞরা বাইব্যাক আইন করার উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, বর্তমান দেশজ প্রেক্ষাপটে এই আইন করার অর্থ হবে আরও একটি জুয়ার কোর্ট স্থাপন করা। এর কারণ ব্যাখ্যা করে শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ আবু আহমেদ বলেন, আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, কেবল শেয়ারের দর বাড়ানোর জন্যই বাইব্যাক আইনের অপব্যবহার হতে পারে। এমনকি কোম্পানি নিজে শেয়ার ব্যবসায় প্রলুব্ধ হবে। যার পরিণতি হবে ভয়াবহ।
প্রসঙ্গত, মূলধন কমানোর জন্য কোনো কোম্পানি ইতিপূর্বে শেয়ারহোল্ডারদের কাছে যে শেয়ার বিক্রি করেছিল, তা আবার কিনে নেওয়ার প্রক্রিয়া বাইব্যাক হিসেবে পরিচিত। বাইব্যাক আইনের উদ্দেশ্য হলো, প্রয়োজনের তুলনায় কোনো কোম্পানির মূলধন বেশি হয়ে গেলে বিক্রীত শেয়ার কিনে নিয়ে কোম্পানির অতিরিক্ত মূলধন বিনিয়োগকারীদের ফেরত দেওয়ার সুযোগ প্রদান করা। এতে কোম্পানির সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের ফলে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় বৃদ্ধি পায় এবং বিনিয়োগকারীরা বেশি মুনাফা পান।
কোম্পানি আইন ও শেয়ারবাজার বিষয়ে অভিজ্ঞ অ্যাডভোকেট হাসান মাহমুদ বিপ্লব বিশ্বব্যাপী গৃহীত বাইব্যাক আইন ব্যাখ্যা করে সমকালকে বলেন, কোনো কোম্পানি যখন দেখে তার কাছে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ রয়েছে, কিন্তু কাজে লাগাতে পারছে না বা স্বল্প সময়ের মধ্যে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ নেই, তখন সে শেয়ার কিনে নিয়ে বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত দেয়। এক্ষেত্রে আবশ্যকীয় শর্ত হলো, কোম্পানিতে অবশ্যই অতিরিক্ত মূলধন থাকতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশে এ আইন এখন ব্যবহার করার সুযোগ নেই_ এমন মন্তব্য করে তিনি জানান, আমাদের দেশে কয়েকটি বহুজাতিক কোম্পানি ছাড়া আর কোনো কোম্পানির অতিরিক্ত মূলধন নেই।
গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি বাটা সু, ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, গ্গ্নাক্সোস্মিথ, রেকিট বেনকিজার, ম্যারিকো ও গ্রামীণফোন কোম্পানির মূলধনের পরিমাণ বেশি। কিন্তু কোম্পানিগুলো বলছে, তাদের মূলধন কমানোর সুযোগ নেই। বহুজাতিক কোম্পানি ম্যারিকো বাংলাদেশের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স ম্যানেজার সারোয়ার আলম সমকালকে বলেন, সব খাতেই ব্যবসা সম্প্রসারণ হচ্ছে। আমরা মনে হয় না এ অবস্থায় বহুজাতিক কোম্পানিগুলো মূলধন কমাবে।
অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, এটা স্পষ্ট, কেবল শেয়ারদর বাড়ানোর জন্য স্টক এক্সচেঞ্জের নেতারা বাইব্যাক আইন করার দাবি তুলেছিলেন। কিন্তু আইন করা হয়ে গেলে শেয়ারবাজারের মন্দার সময় যেমন এ আইন ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে, তেমনি যখন শেয়ারবাজার চাঙ্গা হবে তখনও আইনটি ব্যবহার করা যাবে।
তিনি বলেন, বাইব্যাক করার ফলে একদিকে শেয়ারের চাহিদা বাড়ে, বিপরীতে জোগান কমে। আবার শেয়ার কমে যাওয়া ও আয় একই থাকায় কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে যায়। এই তিন কারণে বাইব্যাক প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট শেয়ারের দর সব সময় বাড়ে। তাহলে ভবিষ্যতে কোনো চাঙ্গা বাজারে কোম্পানি শেয়ার বাইব্যাক করার ফলে ওই কোম্পানির শেয়ারদর যদি আরও বেড়ে যায়, সে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রকরা কীভাবে সামাল দেবেন, তা এখনই ভেবে দেখা দরকার। এসইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী ভারতের আইনটিকে এক্ষেত্রে অনুসরণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বাইব্যাকের পর এক বছর সময়ের মধ্যে কোম্পানির মূলধন বাড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি ফকর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, অপব্যবহার যাতে না করা যায়, এমন ত্রুটিমুক্ত আইন করার চেষ্টা করতে হবে।
এদিকে এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউ মন্তব্য করতে চাননি। এসইসির এক কর্মকর্তা বলেন, ত্রুটিমুক্ত আইন করার জন্য চেষ্টা করছেন তারা।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/23/2011 8:31 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজি বাজারে দিনভর সূচকের ওঠা-নামা

ডিএসই পরিচালক নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা


ইত্তেফাক রিপোর্ট

স্থিতিশীলতা আনতে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপেও শেয়ারবাজারে পিছু ছাড়ছে না দরপতন। পর পর টানা দুইদিন দরপতনের মুখে পড়ে দুই শেয়ারবাজার। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেনে দিনভর সূচকের ওঠানামা ছিল লক্ষণীয়। লেনদেন শেষে সাধারণ সূচকের পাশাপাশি কমেছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।

ডিএসইতে সাধারণ সূচক ১৫৪ দশমিক ৯০ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ১৮ দশমিক ৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের শুরু থেকেই সাধারণ সূচক কমতে থাকে। শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যে সূচক ১৪২ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর সূচক কমার গতি কিছুটা কমতে শুরু করে। একপর্যায়ে দুপুর একটার দিকে ডিএসই কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। এ সময় সূচক গত দিনের চেয়ে তিন পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর আবার শুরু হয় দরপতন। দরপতনের মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়।

ডিএসইতে মোট ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৬টির কমেছে ১৯২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টির। মোট লেনদেন হয়েছে ৫৭৩ কোটি টাকা। যা গত দিনের চেয়ে ৫৮৯ কোটি টাকা কম।

অপরদিকে, গতকাল সিএসইতে দিনের লেনদেন শেষে সূচক ৩৯৫ দশমিক ২০ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ৯৬৪ দশমিক ৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মোট ১৮৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৬টির, কমেছে ১৪৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টির। মোট লেনদেন হয়েছে ৭৬ কোটি ৮৯ লাখ ৪০ হাজার ৫১২ টাকার।

ডিএসইর পরিচালক নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা

গতকাল ডিএসইর পরিচালক নির্বাচনে চারটি পদের বিপরীতে মোট ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। গতকাল এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল। আর ১ মার্চ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। তবে নির্বাচনের লক্ষ্যে এসইসি'র ছাড়পত্র নিয়ে তিন জন প্রাথর্ী মনোয়নপত্র জমা দেননি।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বুলবুল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহুদুল হক বুলবুল, গেস্নাব সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান, রশীদ ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ রশীদ লালী, মোনা ফাইন্যান্সিয়াল এ্যান্ড সিকিউরিটিজের আহসানুল ইসলাম টিটো, রয়েল গ্রিন সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান আবদুল হক, এম এ্যান্ড জেড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ, ফিনিক্স সিকিউরিটিজের এ কাদের চৌধুরী এবং ধানমন্ডি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান খান।

এসইসি'র ছাড়পত্র পেলেও মনোনয়নপত্র জমা দেননি এ্যাসেঞ্জ সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লাইনুন নাহার একরাম, শিকদার সিকিউরিটিজের শহিদুল হক শিকদার লিটু এবং দিয়া সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালব মাহবুবুর রহমান।

আগামী ১৩ মার্চ ডিএসই'র পরিচালনা পর্ষদের চারটি শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/23/2011 8:34 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত রয়েছে


নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৪-০২-২০১১
প্রথম আলো

আবারও দরপতনের ধারায় দেশের শেয়ারবাজার। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে শেয়ার কিনে বাজারকে স্থিতিশীল করার সরকারি নির্দেশের পর মূল্যসূচক বেড়েছিল। তবে এ ধারা দুই দিনের বেশি স্থায়ী হয়নি। তৃতীয় দিন থেকেই সূচক কমতে শুরু করে।
এ ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) মূল্যসূচক কমেছে। আগের দিন দরপতনের মধ্যে লেনদেন বাড়লেও গতকাল তা-ও কমে গেছে।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী ব্যাংক এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) দিয়ে শেয়ার কেনানোর উদ্যোগের পর বিনিয়োগকারীরা কিছুটা হলেও আশান্বিত হয়ে উঠেছিলেন।
কিন্তু এতে পরপর দুই দিন বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লে অনেকেই মুনাফা তুলে নিতে তৎপর হন। বিশেষ করে যাঁরা দরপতনের সময় সর্বনিম্ন দামে শেয়ার কিনেছিলেন, এ ক্ষেত্রে তাঁরাই ছিলেন বেশি সক্রিয়।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এতে বোঝা যায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা এখনো পুরোপুরি ফিরে আসেনি। গত দুই মাসের অব্যাহত দরপতনে তাঁরা এতটাই আতঙ্কিত যে একটু লাভেই এখন শেয়ার হাতছাড়া করে দিচ্ছেন।
আবার যাঁরা এখনো লোকসান থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি, বিনিয়োগকারীদের এ প্রবণতা তাঁদের বেশি করে আতঙ্কিত করে তুলছে। তাই কোনো এক দিন বিক্রির চাপ একটু বেড়ে গেলে তাঁরা লোকসান দিয়ে হলেও শেয়ার বিক্রি করে দিতে চাইছেন। এই অবস্থা বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে বলেও বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দরপতন থেকে বিনিয়োগকারীদের এ শিক্ষা নেওয়া উচিত যে শেয়ারবাজার স্বল্প সময়ের লাভের জায়গা নয়। কোম্পানির মৌলভিত্তি দেখে ধৈর্য ধরে বিনিয়োগ করলে ভালো মুনাফা করা সম্ভব। ভালো কোম্পানির শেয়ার কিনেও বর্তমানে যাঁরা লোকসানের মুখে পড়েছেন, এক সময় তাঁরাই আবার লাভবান হবেন।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেনের শুরুতে সাধারণ মূল্যসূচক ১৪২ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর একাধিকবার সূচক ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিলেও দিন শেষে তা প্রায় ১৫৫ পয়েন্ট কমে ছয় হাজার ১৮ পয়েন্টে নেমে আসে।
অপরদিকে, সিএসইতে দিনের লেনদেন শেষে সূচক ৩৯৫ পয়েন্ট কমে ১৬ হাজার ৯৬৫ পয়েন্টে গিয়ে ঠেকেছে। সিএসইতে গতকাল মোট ১৮৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৬টির, কমেছে ১৪৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টির। আর লেনদেন হয়েছে ৭৬ কোটি টাকার শেয়ার।
গতকাল ডিএসইতে মোট ৫৭৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৮৯ কোটি টাকা কম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল মোট ২৪৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৬টির, কমেছে ১৯২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/23/2011 8:37 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারে আবারও অস্থিরতা লেনদেন কমেছে ৩৮৯ কোটি টাকা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
আমার দেশ

শেয়ারবাজারে আবারও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। গতকাল লেনদেনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দফায় দফায় সূচকের ওঠানামা হয়েছে। সূচকের ওঠানামার মধ্য দিয়েই দিনশেষে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ সূচকের পতন হয়েছে প্রায় ১৫৫ পয়েন্ট। এ নিয়ে টানা দুদিন সূচকের পতন হলো। সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। আগের দিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে ৩৮৯ কোটি টাকার বেশি। লেনদেনে অংশ নেয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। ২৪৮টি কোম্পানির মধ্যে দর হারিয়েছে ১৯২টি। অপরদিকে দর বেড়েছে ৪৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১০টির। এদিকে দিনশেষে সূচকের পতনের চেয়ে বরং বাজারে যেভাবে সূচকের ওঠানামা হয়েছে তা নিয়ে বাজার বিশ্লেষকরা কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থান-পতন হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একদিনের লেনদেনে বারবার সূচকের ওঠানামা হলে এটিকে স্বাভাবিক বাজার বলা যায় না। এ ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আবারও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
গতকালের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, পতন দিয়েই দিনের লেনদেন শুরু হয়। প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইর সাধারণ সূচকের পতন ঘটে ১৪০ পয়েন্টেরও বেশি। কিন্তু পরক্ষণেই ঘুরে যায় বাজার পরিস্থিতি। পরবর্তী ১০ মিনিটে সূচক বেড়ে যায় ১০০ পয়েন্টের মতো। কিন্তু সেখানেও স্থির থাকতে পারেনি সূচক। আবার শুরু হয় পতনের ধারা। মাত্র ৫ মিনিটের ব্যবধানেই ফের পতন ঘটে ৮০ পয়েন্টের বেশি। বাজার বিশ্লেষক ও এ্যালায়েন্স ক্যাপিটাল অ্যাসেট ম্যানেজম্যান্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালি-উল মারুফ মতিন বলেন, শেয়ারবাজারে কিছুটা অস্থিরতা রয়েছে। এ অস্থিরতার মধ্য দিয়েই বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। গতকালের বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ডিএসইতে মোট ২৪৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ৫ কোটি ৯ লাখ ৫৩ হাজার ১৭০টি শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। লেনদেনের পরিমাণ ৫৭৩ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার ২৩১ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৮৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা কম। লেনদেনের ভিত্তিতে গতকালের প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো—বেক্সিমকো লিমিটেড, পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, বেক্সটেক্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, আইডিএলসি, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, বে-লিজিং, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ফাইন্যান্স এন্ড সার্ভিসেস ও ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।
অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো—রেকিট বেঙ্কাইজার, এশিয়া ইন্সুরেন্স, আইডিএলসি, প্রাইম ফাইন্যান্স ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, প্রাইম ফাইন্যান্স, এসিআই ফর্মুলেশন, লিব্রা ইনফিউশন, পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক ও আইসিবি ১ম এনআরবি। দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো—বিডি ওয়েল্ডিং, সিএমসি কামাল, প্রাইম ইন্সুরেন্স, ব্র্যাক ব্যাংক, তাল্লু স্পিনিং, রহিমা ফুড, বিডি অটোকারস্, কাশেম ড্রাইসেল, সায়হাম টেক্সটাইল ও ইমাম বাটন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/24/2011 8:23 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
তারল্য ও ক্রেতা সঙ্কটে পুঁজিবাজার

ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


ক্রেতা ও তারল্য সঙ্কটের কারণে আবারো ধারাবাহিক দরপতনের মুখে পড়েছে পুঁজিবাজার। এছাড়া ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ফোর্স সেলের (বাধ্যতামূলক বিক্রি) কারণে পুঁজিবাজারের পতন ত্বরান্বিত হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার কারণে বিফলে গেছে পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতায় সরকারি সব উদ্যোগ। সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবি ও রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে স্বল্প পরিমাণ অর্থ দিয়ে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ের উদ্যোগও বাজারের পতন ঠেকাতে পারছেনা। তবে বিনিয়োগ করার মতো সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও নির্দেশনা অনুযায়ী রাষ্টায়ত্ব প্রতিষ্ঠানগুলো পুঁজিবাজারে উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা রাখছেনা বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে অর্থমন্ত্রী নির্দেশ উপেক্ষা করে কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংক ফোর্স সেল অব্যাহত রেখেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ফোর্স সেল অব্যাহত থাকলে পরবর্তি দিনগুলোতে পতন আরো জোরালো হবে বলে মন্তব্য করেন বাজার বিশ্লেষকরা।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষনে দেখা যায়, পূর্বের দরপতনের ধারা কাটিয়ে চলতি সপ্তাহের প্রথম দু'দিন বাজার উর্ধ্বমুখী থাকলেও এ প্রবণতা ধরে রাখা যায়নি। পরবর্তী তিন কার্যদিবসে পুঁজিবাজার আবারো পতনের ধারায় ফিরে এসেছে। মূলতঃ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ না থাকায় তালিকাভুক্ত শেয়ারগুলো প্রতিদিনই দর হারাচ্ছে। বিশেষ করে যখন লভ্যাংশ ঘোষণা আসছে, তখন সংশ্লিষ্ট শেয়ারের দর কমে যাচ্ছে। বাজারের এ আচরণকে অস্বাভাবিক বলেছেন বিশ্লেষকরা। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঁজিবাজার থেকে অর্জিত মুনাফার একাংশ পূনঃবিনিয়োগের বিষয়ে জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে বলে বিশ্লেষকরা জানান।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওসমান ইমাম শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার কারণেই বাজার আবার পতনের ধারায় চলে যাচ্ছে। সরকার রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান ও ইতিপূর্বে অনুমোদন পাওয়া মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা অংশের বিনিয়োগের মাধ্যমে মার্কেট ধরে রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু সেটা ফলপ্রসু হচ্ছেনা। তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন ব্যক্তি বাজার স্থিতিশীলতার জন্য সূচক যে পয়েন্টে নেমে আসার কথা বলছেন সেটির কারণেও পুঁজিবাজারে পতন ত্বরান্বিত হয়েছে। তিনি মনে করেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা যদি শেয়ার ক্রয় করা শুরু করেন তাহলে বাজার আবার ঘুরে দাড়াবে। বর্তমান সূচকের অবস্থান অনুযায়ী পুঁজিবাজার অতি মূল্যায়িত নয় বলে তিনি মনে করেন।
আজ বৃহস্পতিবারের বাজার বিশ্লেষনে দেখা যায়, সপ্তাহের শেষ দিন ২১৭ পয়েন্ট কমে ৫৮০০ পয়েন্টে দাড়িয়েছে। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক পরেছে ৫৩৪ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২৪৯টি কোম্পানির মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ১৬টির, কমেছে ২৩১টির ও অপরিবর্তীত অবস্থায় রয়েছে ২টি কোম্পানির শেয়ারের দর। হাতবদল হয়েছে ৫৫৯ কোটি টাকার শেয়ার। গত সপ্তাহে শেষ কার্যদিবস সূচক বৃদ্ধি পেলেও এরআগে দু'কার্যদিবসে সূচক কমেছে ৬০০ পয়েন্ট।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এইচএমএম/ এএএ/ এসসি/১৯.৩৩ ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/24/2011 8:26 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দরপতন দিয়েই সপ্তাহ শেষ
     

ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ২৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


আগের দুই দিনের মতো দরপতন দিয়েই সপ্তাহ শেষ করলো ঢাকার পুঁজিবাজার। কমেছে সূচক, লেনদেন ও অধিকাংশ শেয়ারের দাম।

দিনের লেনদেন শেষে বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক (ডিজিইএন) ২১৭ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৫৮০০ দশমিক ৯৩।

সারাদিনে হাতবদল হয় ৫৫৯ কোটি টাকার শেয়ার, যা গত দিনের চেয়ে ২ শতাংশ কম।

লেনদেন হওয়া ২৩১টি শেয়ারেরই দাম কমেছে, বেড়েছে মাত্র ১৬টির। অপরিবর্তিত ছিলো ২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।

টানা কয়েক দিনের উত্থানের পর মঙ্গলবার থেকে বাজারে দরপতন শুরু হয়। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাবেই এমনটা ঘটছে। যদিও ডিএসই সভাপতি সপ্তাহের শুরুতে বলেছিলেন, বাজারের ওপর বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসছে।

সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস অব বাংলাদেশের নির্বাহী প্রধান ইওয়ার সাঈদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বাজারে এখনো আস্থা ফিরে আসেনি। শেয়ারের একটু দাম বাড়লেই বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন।

"গত তিন মাসে বাজার থেকে প্রায় ৩ হাজারের বেশি পয়েন্ট চলে গেছে। তাই এ ধরণের অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে।"

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের পতন হয়। সেইসঙ্গে কমে লেনদেন ও শেয়ারের দাম।

সিএসই সিলেক্টিভ ক্যাটাগরিজ ইনডেক্স (সিএসসিএক্স) গত কার্যদিবসের চেয়ে ৪১৫ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ কমে দিন শেষে দাঁড়িয়েছে ১০৫৫৮ দশমিক ৩৪।

এদিন হাতবদল হয় মোট ৬৭ কোটি টাকা। যা গতদিনের চেয়ে ১১ শতাংশ কম।

হাতবদল হওয়া ১৯২টি শেয়ারের মধ্যে ১৭৭টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ১৩টির ও অপরিবর্তিত ছিলো ২টি শেয়ারের দাম।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/জেবি/এমআই/১৬০৪ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/24/2011 8:27 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে দরপতনের ধারা অব্যাহত


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম


ঢাকা: দেশের দুই পুঁজিবাজারে বৃহস্পতিবারও অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর পতনের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

বেলা ১২ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২৩০টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫ টির, কমেছে ২১০টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে পাঁচটি কোম্পানির দাম। পাশাপাশি সাধারণ সূচক ১১৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯০৩ পয়েন্টে।

ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে ১১ টা থেকে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত সূচকের ঊর্ধ্বমুখি প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। কিন্তু ১১টা ৫মিনিট থেকে সূচকের পতন শুরু হয়। মাঝখানে ১১টা ২০ মিনিটে খানিকটা ঘুরে দাঁড়লেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। এরপর ১১টা ২৫ মিনিট থেকে ১২ টা ১০ মিনিট পর্যন্ত সূচকের টানা পতন হতে দেখা গেছে।

অপরদিকে, বেলা ১২ টা ২০মিনিট পর্যন্ত চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয় ১৪৯টি কোম্পানির শেয়ারের। এদের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩টির, কমেছে ১৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। পাশাপাশি সূচক ১১১ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৮৬২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ১২৪৫ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/24/2011 8:28 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ব্যাংক এশিয়ার ৪০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ও রাইট শেয়ার ঘোষণা


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম


ঢাকা : পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ব্যাংক এশিয়ার পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের পঞ্জিকা বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ও রাইট শেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। চারটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার দেওয়া হবে।

ব্যাংক এশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ৩০ মার্চ অনুষ্ঠেয় কোম্পানির জরুরি সাধারণ সভা (ইজিএম) ও বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) ঘোষিত লভ্যাংশ ও রাইট শেয়ার অনুমোদিত হবে। ইজিএম ও এজিএম-এ রাইট শেয়ারের বিষয়টি অনুমোদনের পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তা এসইসি-তে পাঠানো হবে।

সমাপ্ত বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ও শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৬৪ টাকা ২৬ পয়সা এবং ২৩৫ টাকা ১২ পয়সা।  
কোম্পানির শেয়ারের রেকর্ড ডেট হচ্ছে ৭ মার্চ।



বাংলাদেশ সময় : ১৫২৯ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ২৪ , ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
02/24/2011 8:31 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

তিন দিনে ডিএসইতে সূচক কমেছে ৫৮৯ পয়েন্ট

অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ২৪-০২-২০১১
প্রথম আলো


দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ বৃহস্পতিবারও দরপতন অব্যাহত রয়েছে। এ নিয়ে তিন দিনে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচকের ৫৮৯ পয়েন্ট পতন হয়েছে। আজ ডিএসইতে সূচকের পতনের পাশাপাশি কমেছে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম ও আর্থিক লেনদেন।
বাজার বিশ্লেষকেরা দরপতনের জন্য বিনিয়োগকারীদের অযৌক্তিক আস্থাহীনতাকে দায়ী করছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পর বাজার কিছুটা স্বাভাবিক হলেও তিন দিনের দরপতন অনেকটা অস্বাভাবিক ব্যাপার। এর জন্য তিনি বিনিয়োগকারীদের অযৌক্তিক আস্থাহীনতাকে দায়ী করছেন।
তাঁর মতে, এরই মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানের মূল্য আয়ের অনুপাত বা পিই বেশ ভালো। এ অবস্থায় ওই সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমার কথা নয়। তবে বাজারে দেখা যাচ্ছে, দাম বাড়লে একসঙ্গে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ছে। আবার দাম কমলে একসঙ্গে প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমছে। সুতরাং এটা বিনিয়োগকারীদের অপরিপক্বের লক্ষণ।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে লেনদেনের শুরুতে সূচক কিছুটা বাড়লেও পাঁচ মিনিটের মাথায় সূচকের পতন শুরু হয়, যা সারা দিনই অব্যাহত থাকে। দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২১৭.৫৪ পয়েন্ট কমে ৫৮০০.৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া গতকাল বুধবার ডিএসইতে ১৫৪ পয়েন্ট ও আগের দিন মঙ্গলবার ২১৬ পয়েন্ট পতন হয়।
আজ ডিএসইতে মোট ২৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬টির, কমেছে ২৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইতে আজ লেনদেনের পরিমাণ ৫৫৯ কোটি টাকা, যা গতকালের চেয়ে ১৪ কোটি টাকা কম।
এ দিকে আজ ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, বেক্সটেক্স, বেক্সিমকো, প্রাইম ফিন্যান্স, এনবিএল, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, তিতাস গ্যাস, লঙ্কা-বাংলা ফিন্যান্স, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ও গ্রামীণ ফোন।
আজ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে গ্লাক্সো স্মিথকেলাইনের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া এমবিএল প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড, সন্ধানী ইনস্যুরেন্স, বাংলাদেশ অক্সিজেন কোম্পানি, ইসলামী ব্যাংক, বেক্সটেক্স, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস প্রথম সাতটির তালিকায় রয়েছে।
আজ সবচেয়ে বেশি কমেছে ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ারের দাম। এ ছাড়া লিগাসি ফুটওয়্যার, আনলিমা ইয়ার্ন, সাফকো স্পিনিং, তাল্লু স্পিনিং, সিএমসি কামাল, পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স, আজিজ পাইপ, ইমাম বাটন ও বিডি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রডস দাম কমে যাওয়া শীর্ষ ১০টির মধ্যে রয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview