| 02/22/2011 12:11 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | স্থিতিশীল হচ্ছে পুঁজিবাজার, লেনদেন বেড়েছে ৩৮৫ কোটি টাকা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
দুই কার্যদিবস উর্ধমুখী থাকার পর পুঁজিবাজারে আবারও অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন ঘটেছে। এর প্রভাবে কমেছে সূচক ও বাজার মূলধন। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সধারণ সূচক কমেছে ২১৬ পয়েন্ট। তবে সূচক কমলেও বেশ কিছুদিন পর বাজারে সামগ্রিক লেনদেনে চাঙ্গাভাব ফিরে এসেছে। একদিনে ডিএসইতে আর্থিক লেনদেন বেড়েছে ৩৮৫ কোটি টাকা।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, ধীরে ধীরে বাজার স্থিতিশীল হয়ে আসছে। ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসছে। বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলেও লেনদেন কিছুটা কম হচ্ছিল। লেনদেনের পরিমাণ বাড়লেই ধীরে ধীরে বাজার পরিপক্ব হবে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার উর্ধমুখী প্রবণতার মধ্যেই দিনের লেনদেন শুরম্ন হয়। অধিকাংশ শেয়ারের দর আগের দিনের চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারীর মধ্যে লাভ তুলে নেয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। এ কারণে বিক্রির চাপ বাড়তে থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠানের দর কমতে শুরম্ন করে। বেলা একটা পর্যনত্ম দর হ্রাসের মাত্রা সহনীয় অবস্থানে থাকলেও নিম্নমুখী প্রবণতার কারণে অনেক বিনিয়োগকারীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। এ সময় বিক্রির চাপ আরও বাড়তে থাকায় শেষ পর্যায়ে এসে দরপতনের মাত্রাও বৃদ্ধি পায়।
দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২২৪টিরই দর হ্রাস পেয়েছে। এর বিপরীতে বেড়েছে ২৮টির শেয়ারের দর। ব্যাংকিং খাতের ৩০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৭টিরই দর কমেছে। এ ছাড়া প্রকৌশল খাতের ২৩টির মধ্যে ২২টির, জ্বালানি খাতের ১১টির মধ্যে ৯টির, বীমা খাতের ৪৪টির মধ্যে ৩৯টির, ওষুধ খাতের ২০টির মধ্যে ১৮টির, বস্ত্র খাতের ২৫টির মধ্যে ২১টির এবং টেলিযোগাযোগ খাতের একমাত্র কোম্পানি গ্রামীণফোনের শেয়ারের দর কমেছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত ৩৩টি মিউচু্যয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৭টিরই দর কমেছে। অন্যদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ২১টি কোম্পানির মধ্যে ১১টির দর বেড়েছে এবং ১০টির কমেছে। অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনের কারণে ডিএসই সাধারণ সূচক ২১৬.২৪ পয়েন্ট কমে ৬১৭৩.৩৮-এ দাঁড়িয়েছে।
অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন সত্ত্বেও লেনদেনের ৰেত্রে গতি বেড়েছে। সারা দিনে ডিএসইতে মোট ৯৬২ কোটি ৯৫ লাখ ৯২ হাজার টাকার শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে, যা গত রবিবারের চেয়ে ৩৮৫ কোটি টাকা বেশি। ওইদিন ডিএসইতে ৫৭৭ কোটি ৭১ লাখ ১২ হাজার টাকার লেনদেন হয়। তবে ওইদিন সাধারণ মূল্য সূচক ৪৬৩ পয়েন্ট বেড়েছিল।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) মঙ্গলবার নির্বাচিত সূচক ৫৩৩.৬৯ পয়েন্ট কমে ১৭৩৬০.১১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৩৬টির, কমেছে ১৫৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১২৩ কোটি টাকা, যা গত রবিবারের চেয়ে ৫৫ কোটি টাকা বেশি। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 12:13 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ব্র্যাক ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার ও ১০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২০টি বোনাস শেয়ার পাবেন। এবং ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারপ্রতি নগদ ১ টাকা হারে লভ্যাংশ পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৪ মার্চ সকাল ১০টায় রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৬ মার্চ রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১০ সালে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ৬৮ টাকা ১৭ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৩৭৫ টাকা ৪৮ পয়সা। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 12:15 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | মার্জিন ঋণের সীমা নির্ধারণ করতে চায় না এসইসি
বিএমবিএর প্রস্তাবের অস্পষ্টতা দূর করার নির্দেশ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
শেয়ারের বিপরীতে মার্জিন ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দেয়ার বিষয়ে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। তবে একজন বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ কী পরিমাণ ঋণ নিতে পারবে তা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে। মার্জিন ঋণের নীতিমালা সম্পর্কে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) দেয়া প্রস্তাবের বিষয়ে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসইসির পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়।
বিএমবিএ সূত্রে জানা গেছে, খসড়া নীতিমালায় কিছু অস্পষ্টতা থাকায় ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য এসইসির পক্ষ থেকে তাদের ডাকা হয়। বৈঠকে এসইসি কর্মকর্তারা মার্জিন ঋণের সর্বোচ্চ হার নির্ধারণ না করার বিষয়ে তাদের অবস্থানের কথা জানান। তবে ব্যক্তিপর্যায়ে সর্বোচ্চ কত ঋণ দিতে পারবে এ বিষয়ে প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে।
বিএমবিএর সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফ জানান, আলোচনার মাধ্যমে কিছু বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। এসইসি আরও কিছু বিষয় উলেস্নখ করতে বলেছে। এগুলো নিয়ে আরেকটি সংশোধনী দেয়া হবে। তবে বাধ্যতামূলক বিক্রি (ফোর্স সেল) বিষয়ে কোন আলোচনা হয়নি। ফোর্স সেল বিষয়ে একটি প্রসত্মাব থাকবে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মার্জিন ঋণ নিয়ে কোন সমস্যা হলেই বিভিন্ন পৰ থেকে এসইসিকে দায়ী করা হয়। এ কারণে ঋণের পূর্ণ ৰমতা মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের ওপর ছেড়ে দিতে চায় এসইসি। সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মার্জিন ঋণের নীতিমালা প্রণয়নের জন্য দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ এবং বিএমবিএর কাছে প্রসত্মাব চেয়েছিল এসইসি। প্রসত্মাব জমা দেয়ার জন্য প্রথমে ১০ ফেব্রম্নয়ারি পর্যনত্ম সময় বেঁধে দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে দু'পৰই এসইসির কাছ থেকে সময় বাড়িয়ে নেয়। ইতোমধ্যে বিএমবিএর পৰ থেকে একটি প্রসত্মাব জমা দেয়া হলেও স্টক এঙ্চেঞ্জের পৰ থেকে এখনও তা করা হয়নি।
সূত্র জানায়, বিএমবিএর প্রসত্মাবে মার্জিন ঋণের ৰেত্রে বর্তমানে এসইসির বেঁধে দেয়া হার (১:২) বহাল রাখার প্রসত্মাব করা হয়েছিল। তবে এসইসি ইচ্ছা করলে সময়ে সময়ে এই হার কমাতে বা বাড়াতে পারবে। মার্জিন নির্ধারণের ৰেত্রে গ্রাহকের হিসাবে থাকা শেয়ারের ক্রয়মূল্য ও বাজার মূল্যের মধ্যে যেটি কম তাকে ভিত্তি ধরার প্রসত্মাব করা হয়েছে। এরসঙ্গে আইপিও ও রাইট শেয়ারের জন্য জমা দেয়া অর্থ এবং চলতি সম্পদ (কারেন্ট এ্যাসেট) যোগ করে মার্জিন নির্ধারণ করে তার ওপর নির্ধারিত হারে ঋণ প্রদান করা হবে।
অন্যদিকে ঋণ নিয়ে কেনা শেয়ারের দর নির্ধারিত পর্যায়ের নিচে নেমে গেলে দু'দফা মার্জিন কলের পর জোরপূর্বক বিক্রির প্রসত্মাব করেছে বিএমবিএ। সেৰেত্রে ঋণের টাকায় কেনা শেয়ারের দর গ্রাহকের মোট ইকু্যয়িটির ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে প্রথম দফায় এবং ৭০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে মার্জিন কলের প্রসত্মাব করা হয়েছে। প্রথম কলের পর গ্রাহক নতুন করে টাকা জমা বা শেয়ার বিক্রি করে ঋণ শোধ না করলেই কেবল দ্বিতীয় দফায় কল দেয়া হবে। এরপরও গ্রাহক সাড়া না দিলে এবং শেয়ারের দর ইকু্যয়িটির ৮০ শতাংশের নিচে নামলে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠান ফোর্স সেল করতে পারবে বলে প্রসত্মাবে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, নীতিমালা চূড়ানত্ম হওয়ার পর শেয়ারের বিপরীতে মার্জিন ঋণ বিতরণের ৰেত্রে ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের ওপর কোন রকম হসত্মৰেপ করবে না সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। নীতিমালা মেনে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকদের মার্জিন ঋণ প্রদান করবে। এৰেত্রে কোম্পানির শেয়ারের বিপরীতে ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা এবং ঋণের হার নির্ধারণের এখতিয়ার মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের ওপর ছেড়ে দেয়া হবে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 12:16 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের মূলে বাজার অর্থনীতির লুটেরা চরিত্র
আলোচনাসভায় বক্তাদের অভিমত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
বাজার অর্থনীতির নামে লুটপাটের ব্যবস্থা বহাল থাকার কারণেই অর্থনীতি ও সমাজজীবনে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছে। শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের জন্যও বাজার অর্থনীতির লুটেরা চরিত্র দায়ী। লুটপাটের এই ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে কোন সঙ্কটেরই সমাধান হবে না। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে গণসংহতি আন্দোলন আয়োজিত 'শেয়ারবাজারে ধস ও লুণ্ঠনের অর্থনীতি' শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনিময়সভায় বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
আলোচনাসভায় অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজার ধসের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়ে বলেন, সে সময়ে মামলা হলেও সাৰীর অভাবে তা নিষ্পত্তি হয়নি। এবারও তদনত্ম প্রতিবেদনের ভবিষ্যত সেদিকেই যাবে কিনা_ সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। পুঁজিবাজার বিপর্যয়ে গঠিত দুটি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশিত হলে নেপথ্য অনেক কিছুই বেরিয়ে আসবে।
তিনি বলেন, এক সময়ে যাঁরা সবচেয়ে বড় ঋণখেলাপী ছিল আজ তাঁরাই বিভিন্ন প্রাইভেট ব্যাংক ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মালিক। দখল লুণ্ঠনের মাধ্যমে যে চোরাই টাকা তৈরি হচ্ছে সেটাই শেয়ারবাজারে যাচ্ছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের অর্থ কোথায় কিভাবে বিনিয়োগ হবে সে বিষয়ে কোন পরিকল্পনা না থাকায় সে টাকাও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ হচ্ছে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের জন্য টাকা থাকলেও সরকার তা ব্যবহার না করায় সে টাকাও শেয়ারবাজারে যাচ্ছে, যা কারসাজির মাধ্যমে লুণ্ঠন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, যাঁরা ঋণখেলাপী ও কারসাজির সঙ্গে জড়িত তাঁদের নিয়ন্ত্রণ করার ৰমতা নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নেই। নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি কোন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনায় কাজ করে তাহলে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে তার কোন তফাৎ থাকে না। বড় বিনিয়োগকারীদের কাজে সুবিধা সৃষ্টি করাই হয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ। আনু মুহাম্মদ বলেন, বাজার অর্থনীতির নামে অর্থনীতি ও রাজনীতিকে কিছু লোকের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাজারের ওপর কোন হসত্মৰেপ না করার কথা বলা হলেও সেখানে ধস নামলে জনগণের টাকা ব্যয় করে সমাধানের চেষ্টা করা হয়। তাই মালিকানা ও ৰমতার কেন্দ্রকে বিশেস্নষণ না করলে বাজার অর্থনীতির মূল চরিত্র বোঝা সম্ভব হবে না।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক ও কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, রাজনীতির গুনগত পরিবর্তন না হলে অর্থনীতির পরিবর্তন হবে না। পুঁজিবাজারে রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। তাঁদের কারণেই পুঁজিবাজারে সুপরিকল্পিত বিপর্যয় নেমেছে।
তিনি বলেন, যখন পুঁজি হারিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাসত্মায় নেমে বিৰোভ করেছে তখন প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী বিনিয়োগকারীদের সানত্ম্বনা না দিয়ে বরং কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিয়েছেন। তিনি কয়েকজন অর্থনীতিবিদের সমালোচনা করে তাঁদের দালাল বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ভারত ও আমেরিকাপন্থী কিছু অর্থনীতিবিদ সাধারণ মানুষের সমস্যার চিনত্মা করেন না। ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী ৰতিগ্রসত্ম না হয়ে প্রভাবশালী ৩৫ ব্যক্তিও ৰতিগ্রসত্ম হতো তাহলে সরকারের ভূমিকা অন্য রকম হতো।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুু আহমেদ বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ঠিকমতো কাজ না করলে লুণ্ঠন হবেই। তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, সাধারণ সূচক যখন ৬০০০ থেকে ৮৯০০ পর্যনত্ম উঠল তখন কেন সরকার মিটিং করল না। সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন ও অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দর বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। যার পরিপ্রেৰিতে বিনিয়োগকারীরা বিপুল পরিমাণের আর্থিক ৰতির স্বীকার হয়েছেন।
সংগঠনের সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন আবুল হাসান রম্নবেল। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 12:18 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | Dhaka stocks slip after two days of big gains
FE Report
Dhaka stocks plunged more than three per cent Tuesday after two consecutive days of heavy gains amid profit taking and signs that market volatility remains a cause of concern, dealers said.
The benchmark DSE General Index (DGEN) slipped 3.38 per cent or 216.24 points to end at 6,173.39 as investors booked profit, resulting in an across-the-board price correction in major sectors.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) ended at 5,119.72, shedding 3.32 per cent or 175.88 points. Blue chips making up the DSE-20 index plummeted 5.26 per cent or 227.19 points to 4,094.58.
The market gained 130 points in the opening ten minutes but declined steadily throughout the session on profit taking in all sectors except the non-banking financials which gained 0.86 per cent.
"After major spikes in the previous two sessions, it was expected that market will see some corrections in trading," said a fund manager, on condition of anonymity.
He said investors were very cautious, reflecting the sweet-sour experiences of the recent past. "It shows volatility is far from over and remains a major concern".
Given the jumpy mood of the investors, many traders opted for profit booking rather than hanging on for more profit, which led to the fall, he added.
"Profit taking by investors was the main reason behind the decline and it was normal price correction," said Ahmad Rashid Lali, managing director of the Rashid Investment Services.
He said turnover, which marked 67 per cent growth on the previous session, was the only positive element in Tuesday's trading, indicating broader participation in the market.
Total turnover stood at Tk 9.63 billion, still three and a half times lower than the record set on December 5 last year. Out of 252 issues traded on the day, only 28 issues advanced and 224 declined.
National Bank led the turnover list with shares worth Tk 684.20 million changing hands. It was followed by Peoples Leasing, Beximco Limited, Bay Leasing, Union Capital, Southeast Bank, International Leasing, Grameenphone, Prime Finance and UCBL.
A total of 80.49 million shares changed hands against 52.95 million on Sunday, the previous session. The number of trade deals also increased to 171,487, which was 93,814 a session back.
Market capitalisation stood at Tk 2,785.24 billion (US$39.22 billion) - still $12 billion less than the historic high set on December 5, 2010. The market cap was Tk 2871.49 billion in the previous session.
Major sectors including banks, telecommunications, pharmaceuticals and fuel and power lost 4.29 per cent, 4.42 per cent, 3.46 per cent and 4.75 per cent respectively.
Other sectors such as ceramics, mutual funds, cement and tannery lost 8.21 per cent, 6.08 per cent, 3.98 per cent and 1.01 per cent.
The day's top losers were Southeast Bank, City General Insurance, RAK Ceramics, Keya Detergent, Meghna Petroleum, Malek Spinning, Prime Bank, National Bank, All Textile and Rahima Food.
Prime Finance and Investment Ltd was the highest gainer posting a rise of 8.37 per cent. It was followed by First Lease Finance and Investment Ltd, ACI Limited, Union Capital, Uttara Finance, IDLC Finance, UCBL, Eastern Lubricant United Leasing and Bay Leasing.
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 12:19 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | SEC finds lackings in margin loan guideline
Mohammad Mufazzal
Financial Express
The securities regulator sent back the merchant banks' guideline on margin loans, terming it "incomplete and unclear" and demanding incorporation of individual client's limit in the modus operandi, an official said Tuesday.
The Securities and Exchange Commission made the observation when the merchant bankers association submitted its guideline on margin loans to the regulator at its office in Motijheel.
SEC officials discussed the draft with the association members and sought some changes in the planned guideline, pointing out some gaps and recommending a few suggestions so as to make it investor-friendly.
"We told them to make the guideline clear with specific examples for each of the points. We also ask them to incorporate two new points to make the guideline complete," an SEC official said.
"We have asked them to add individual client's lending limit and specify clearly as to how much shares a merchant bank can purchase for its own portfolio," he said.
The association has been advised to submit the guideline again after making the necessary changes and incorporating the points suggested by the regulator, he added.
"We just have done our job. It is now up to the merchant banks whether they are going to add these points or not," the official said, adding other points in the guideline were up to mark and protected investors' interest.
The association prepared the guideline after the regulator declared last month that it would not fix the margin loan limit for investors any longer and would now allow merchant banks to set the cap on their own.
The association which represents 37 merchant banks now operating in Dhaka and Chittagong has been tasked with drafting a guideline based on which they can set margin loan limits.
The regulator has said it would not intervene in margin loan-related issues any more once the guideline is finalised and approved by the SEC.
"After the guideline is approved, the merchant bankers can revise margin loan ratio once in a quarter or six months," the official said.
In the guideline that the association has prepared, the banks have suggested setting the ratio at 1:2 -- in line with the existing limit fixed by the regulator last month.
A merchant banker said they had a threadbare discussion on the guideline with the SEC officials.
"The regulator has made some specific suggestions on single client's limit and other issues. Personally, I don't think it would be wise on our part to set such limit for an individual investor," the banker said.
"There are big and small investors. We should not impose any barrier for our clients who are big and confident," he added.
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 12:20 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দুই শেয়ার বাজারে সূচক কমেছে
ইত্তেফাক রিপোর্ট
দুই কার্যদিবস ঊধর্্বমুখী থাকার পর গতকাল মঙ্গলবার আবার দেশের দুই শেয়ার বাজারের সাধারণ সূচক ও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক কমেছে ২১৬ পয়েন্ট। তবে লেনদেন বেড়েছে। চাঙাভাবের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। পরে বিক্রির চাপ বেশি হলে অনেক প্রতিষ্ঠানের দাম কমে যায়।
গতকাল ব্যাংকিং খাতের ৩০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৭টির দাম কমেছে। এ ছাড়া প্রকৌশল খাতের ২৩টির মধ্যে ২২টির, জ্বালানি খাতের ১১টির মধ্যে নয়টির, বীমা খাতের ৪৪টির মধ্যে ৩৯টির, মিউচুয়াল ফান্ড ৩৩টির মধ্যে ২৭টির, ওষুধ খাতের ২০টির মধ্যে ১৮টির, বস্ত্র খাতের ২৫টির মধ্যে ২১টির ও টেলিকমিউনিকেশন খাতের একমাত্র প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনের শেয়ারের দাম কমেছে।
গতকাল ডিএসইতে মোট ২৫২টি কোম্পানির ৮ কোটি ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৫টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ৯৬২ কোটি ৯৫ লাখ ৯২ হাজার ৭৩৯ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৩৮৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা বেশি।
সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২১৬ দশমিক ২৪ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ১৭৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত ২৫২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৮টির এবং কমেছে ২২৪টির। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সাধারণ সূচক ৫৩৩ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ৩৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ১৯৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬টির, কমেছে ১৫৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ১২৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত রবিবারের চেয়ে ৫৫ কোটি টাকা বেশি। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/22/2011 4:11 pm |
 Forum Addict

Regist.: 12/31/2010 Topics: 14 Posts: 92
 OFFLINE | সিএমসি কামালের শেয়ারের দর দুই বছরে ৭৫ গুণ বৃদ্ধি!
সুনীতি বিশ্বাস ও হাসান ইমাম | তারিখ: ২৩-০২-২০১১
প্রথম আলো
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি সিএমসি কামালের শেয়ারের দর গত দুই বছরে অস্বাভাবিক বেড়েছে। আর এ সময় নিজেদের শেয়ার বিক্রি করে বিপুলভাবে লাভবান হয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা।
সিএমসি কামাল লোটাস-কামাল গ্রুপের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। আর এ গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি।
কোম্পানিটির শেয়ারের দর অস্বাভাবিক বাড়লেও বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক দিন আগেও কোম্পানিটির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের দর ছিল মাত্র ৪০ টাকা। অথচ অভিহিত মূল্য ১০ টাকায় পরিবর্তন করার পর যা প্রায় ৩০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের হিসাবে যা প্রায় তিন হাজার টাকার সমান। এর অর্থ, এ সময়ে শেয়ারটির দাম বেড়েছে প্রায় ৭৫ গুণ। অথচ প্রতিষ্ঠানটি এর আগে পর পর পাঁচ বছর কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি। এমনকি পর পর দুই বছর বার্ষিক সাধারণ সভাও (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়নি।
শেয়ারের এ অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ নিয়ে শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বিসিবি সভাপতির কার্যালয়ে গত সোমবার মুস্তফা কামালের সঙ্গে প্রথম আলোর দুই প্রতিবেদকের দীর্ঘ সময় কথা হয়। তিনি বলেন, ‘কেবল আমাদের কোম্পানির শেয়ারের দামই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে সব ধরনের কোম্পানির শেয়ারের দামই বেড়েছে। চাহিদার তুলনায় শেয়ারের সরবরাহ কম থাকায় অনেক কোম্পানির শেয়ারই তার মৌলভিত্তির চেয়ে বেশি দামে লেনদেন হয়েছে। এ কারণে আমি অনেকবার সংসদীয় কমিটির বৈঠক থেকে বাজারে শেয়ার সরবরাহ বাড়ানোর কথা বলেছি।’
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, অস্বাভাবিক দাম বাড়ার মাঝপথে সিএমসি কামালের পাঁচজন উদ্যোক্তা মোট দুই লাখ ২৫ হাজার ৮৭৩টি শেয়ার বিক্রি করেছেন। ওই সময়ের বাজারমূল্য হিসাবে (এক হাজার ২০০ টাকা) যার আর্থিক মূল্য প্রায় ২৭ কোটি টাকা। উদ্যোক্তারা শেয়ার বিক্রির আগে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা, সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন, রাইট শেয়ার ইস্যুসহ শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের মতো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করা হয়।
শেয়ারবাজার সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে মুস্তফা কামাল গত ৮ ফেব্রুয়ারি বলেছেন, ‘সূচক তিন-চার হাজারে নেমে না আসা পর্যন্ত কেউ না কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ তাঁর এ বক্তব্যে ক্ষুব্ধ সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাজপথে বিক্ষোভ করেন। এই বক্তব্যের পর সিএমসি কামালের শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বাড়ার বিষয়টি নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।
একাধিক বাজার বিশেষজ্ঞ নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ বিষয়ে প্রথম আলোকে বলেন, নানা পন্থায় শেয়ারের দাম বাড়িয়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করা হয়েছে। আর এতে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন উদ্যোক্তারাই। দর বাড়ানোর পেছনে রাজনৈতিক প্রভাবও কাজে লাগানো হয়েছে এ ক্ষেত্রে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৭ ও ২০০৮ সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটি কোনো এজিএম করেনি। এ সময় বেশ কিছুদিন কোম্পানির উৎপাদন কার্যক্রমও বন্ধ ছিল। পরে ২০০৯ সালে উচ্চ আদালতের অনুমোদনক্রমে একই দিনে দুই বছরের বকেয়া এজিএম করে কোম্পানিটি। এজিএম করলেও এ সময় সাধারণ শেয়ারধারীদের কোনো লভ্যাংশ দেওয়া হয়নি। কিন্তু ২০১০ সালের ৭ জুন প্রতিষ্ঠানটি ২০০৯ সালে সমাপ্ত বছরের জন্য ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে ঘোষণা দেয়। এ সময় কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক মুনাফা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এ হিসাবে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দেখানো হয় ১০ টাকা ছয় পয়সা। অথচ একই বছরের প্রথম ছয় মাসে, অর্থাৎ ৩০ জুন ২০০৯ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের অর্ধবার্ষিক হিসাবে ৮৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা লোকসান দেখানো হয়। ওই পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল পাঁচ টাকা ২২ পয়সা।
কোম্পানির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকা প্রসঙ্গে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আমাকে দুই বছর জেলে আটক রাখা হয়েছিল। ওই সময় কিছুদিন কোম্পানির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। জেল থেকে বেরিয়ে আসার পর উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।’
লভ্যাংশ ঘোষণার আগে সিএমসি কামালের প্রতিটি শেয়ার ২৪০ থেকে ২৮০ টাকা দরে লেনদেন হতো। লভ্যাংশ ঘোষণার পরপরই দাম এক লাফে ৪০০ টাকার ওপরে চলে যায়। এরপর ২০১০ সালের ১৮ জুলাই শেয়ারটি ইলেকট্রনিকস পদ্ধতিতে লেনদেন উপযোগী করতে অজড়করণ (ডিম্যাট) করার পাশাপাশি অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শেয়ারের মার্কেট লট ৫০টির পরিবর্তে ২৫০টি নিয়ে গঠনেরও ঘোষণা আসে। একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ একটা সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে দুটি রাইট শেয়ার দেয়। একই সঙ্গে কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়নেরও ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ঘোষণা আসার পর থেকে শেয়ারটির দাম অস্বাভাবিক গতিতে বাড়তে শুরু করে এবং সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই তা ৮৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
এ পর্যায়েই কোম্পানির উদ্যোক্তারা শেয়ার বিক্রি শুরু করেন। ৩০ সেপ্টেম্বর উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান সাবিনকো ৩৫ হাজার ১২৩টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেয়। ৪ অক্টোবর এক ঘোষণায় কোম্পানির অন্যতম পরিচালক ও মুস্তফা কামালের ছোট ভাই গোলাম সারোয়ার পাঁচ হাজার ২৫০টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেন। এর এক দিন পরে, অর্থাৎ ৫ অক্টোবর আরেক পরিচালক ও মুস্তফা কামালের কন্যা নাফিসা কামাল ১৭ হাজার ১৫০টি বোনাস শেয়ারসহ মোট এক লাখ ৩৬ হাজার ৯০০টি শেয়ার বিক্রি করেন। একই পরিচালক ২৮ অক্টোবর আরেক ঘোষণায় সাত হাজার ১০০টি শেয়ার বিক্রি করেন। আর ২১ অক্টোবর মুস্তফা কামাল ও তাঁর স্ত্রী কোম্পানির পরিচালক কাশ্মিরী কামাল যথাক্রমে ২৩ হাজার ৫০০টি ও ১৮ হাজার বোনাস শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেন।
নিয়ম অনুসারে ঘোষণা দেওয়ার এক মাসের মধ্যে এসব শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন করতে হয়। বিক্রির ঘোষণা আসার পর থেকে বিক্রির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত শেয়ারটি বাজারে সর্বনিম্ন এক হাজার ১৮০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। যদি প্রতিটি শেয়ার গড়ে এক হাজার ২০০ টাকায়ও বিক্রি হয়, তাহলেও মুস্তফা কামালের পরিবারের সদস্যরা প্রায় ২৩ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। অথচ সিএমসি কামালের পরিশোধিত মূলধন মাত্র ১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর মধ্যে মুস্তফা কামালের পরিবারের সদস্যদের বিনিয়োগের পরিমাণ মাত্র সাত কোটি টাকা।
দাম বাড়ার পর শেয়ার বিক্রির বিষয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমরা কোনো উদ্যোক্তা শেয়ার বিক্রি করিনি। লভ্যাংশ হিসেবে যে বোনাস শেয়ার পাওয়া গিয়েছিল, সেটাই বিক্রি করা হয়েছে। উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের শেয়ার বিক্রির যে নিয়ম রয়েছে, তা যথাযথভাবে পরিপালন করা হয়েছে। এমনকি আমার মেয়ের বাজার থেকে কেনা সাধারণ শেয়ার বিক্রির সময়ও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে আমরা বিনিয়োগকারীদের একটা বার্তা দিতে চেয়েছি যে, উদ্যোক্তারা যেখানে শেয়ার বিক্রি করছেন, সেখানে শেয়ারটির দাম বাড়ার উল্লেখযোগ্য কোনো কারণ নেই। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হয়নি। এ অবস্থায় আমি এসইসির চেয়ারম্যানকে বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য “প্রাইস ব্রেকার” বসানোর পরামর্শ দিয়েছিলাম। যাতে কোনো শেয়ারের দাম একটি নির্দিষ্ট মূল্য-আয় অনুপাতের (পিই) বাইরে চলে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন বন্ধ হয়ে যায়।’
বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) সম্প্রতি সিএমসি কামালের রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। কোম্পানিটি মোট তিন কোটি ৭৮ লাখ ৪০ হাজার রাইট শেয়ার বাজারে ছাড়বে। এর মাধ্যমে বাজার থেকে সংগ্রহ করা হবে ৬৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। সাত টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি রাইট শেয়ারের দাম চাওয়া হয়েছে ১৭ টাকা। গত মঙ্গলবার ছিল রাইট শেয়ারের জন্য মনোনীত শেয়ারহোল্ডারদের চিহ্নিত করার জন্য নির্ধারিত দিন বা রেকর্ড ডেট। উদ্যোক্তাদের কাছে বর্তমানে মোট এক কোটি ২৯ লাখ ৯২ হাজারের বেশি শেয়ার রয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মুস্তফা কামাল অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হওয়ার পর জেড গ্রুপে (যারা লভ্যাংশ দেয় না) থাকা সিএমসি কামালের দাম বাড়তে শুরু করে। ২০০৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দর ছিল মাত্র ৪০ টাকা। এর মাত্র ২০ দিন পর বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরের দিন ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারি ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ার সর্বোচ্চ ৫৩ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের পর গত নভেম্বর মাসের শেষভাগে যা ২৯০ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে।
সিএমসি কামালের সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন ও অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের মতো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য শেয়ারের দাম বাড়ানোর জন্য উদ্দীপক (সুইটেনার্স) হিসেবে কাজ করেছে—এ প্রশ্নের জবাবে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকেই কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে। তা ছাড়া এটি কেবল সিএমসি কামাল করেছে, এমন নয়। অন্য কোম্পানিও করেছে। আর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে যখন সব কোম্পানির শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের ব্যাপারে অনাপত্তি দেওয়া হলো, তখনই আমরা এটা করেছি। তার আগে নয়।’ |
|
|
| 02/23/2011 3:18 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | দরপতনের ধারায় পুঁজিবাজার
ঢাকা, ২৩ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম): দরপতন দিয়ে আজ বুধবার পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে। লেনদেন শুরুর প্রথম ৩০ মিনিটেই সাধারণ সূচক কমেছে ১৩২ পয়েন্ট। দাম কমেছে ১৭৮টি কোম্পানির, বেড়েছে ১১টির। বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অনুপস্থিতির পাশাপাশি ফোর্স সেলের কারণে বাজারে অস্থিরতা চলছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। এর আগে মঙ্গলবার সাধারণ সূচক কমে ২১৬ পয়েন্ট।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/মউ/১১.২৭ঘ.)
|
|
|
| 02/23/2011 3:20 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | Last update on Feb 23, 2011 at 15:19:19
Today's News
DSI Index 4989.90448 -129.81569 -2.5356013%
General Index 6018.48371 -154.90227 -2.5091946%
Total Trade 122350
Total Volume 50953170
Total Value in Taka (mn) 5736.74
Issues Advanced 46
Issues declined 192
Issues Unchanged 10
|
|
|
| 02/23/2011 10:37 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে কারসাজি রোধে সরকারের ২২ পদক্ষেপ
ঢাকা, ২৩ ফেব্রুয়ারি (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
পুঁজিবাজারে কারসাজি রোধে সার্ভেইল্যান্স (নজরদারি) জোরদার করাসহ মোট ২২টি পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। বুধবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ তথ্য জানান।
মুহিবুর রহমান মানিকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব পদক্ষেপের বর্ণনা দেন। এর মধ্যে রয়েছে পুঁজিবাজারের সামপ্রতিক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন, ইনডেক্স ব্রেকার প্রত্যাহার, প্রত্যেকটি শেয়ারের সার্কিট ব্রেকার স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে আলাপ করে নির্ধারণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এর পরামর্শক কমিটি পূনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ, কোস্পানি আইন সংশোধন করে কোস্পানির মাধ্যমে বাই-ব্যাকের উদ্যোগ নেয়া, সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পুঁজিবাজার সংক্রান্ত নীতিগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য বার বার বৈঠকের সিদ্ধান্ত, লোন মার্জিন নির্ধারণে বাজারে কোন হস্তক্ষেপ না করে একটি দীর্ঘমেয়াদি নীতি প্রণয়ন, বিনিয়োগকারীদের অধিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী তথা ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংকের পুঁজিবাজার থেকে অর্জিত মুনাফার একাংশ পুঁজিবাজারে পুনঃবিনিয়োগের পরামর্শ প্রদান, অস্বচ্ছ ও ত্রুটিপূর্ণ নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর জন্য সতর্কীকরণ ও অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, বাজার মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে অধিকতর সমন্বয় সাধনের ব্যবস্থা, কোনো সিকিউরিটি অতিমূল্যায়িত বিবেচিত হলে সাময়িকভাবে সেটির লেনদেন স্থগিত, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর কোয়াটার্লি রিপোর্ট প্রকাশের ব্যবস্থা, তালিকাভুক্ত কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদনের সময় NAV per share, cash flow per share এবং EPS প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা আরোপ, এই আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ করে ত্রুটির বিচ্যুতি সংশোধনের বিষয়ে নির্দেশ প্রদান, দুর্বল কোম্পানি OTC মার্কেটে স্থানান্তর, সুবিধাভোগী লেনদেন রোধে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মূল্য সংবেদনশীল সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত বোর্ড সভা ট্রেডিং সময়ের পর বা ছুটির দিনে অনুষ্ঠান ও এসইসির মূল্য সংবেদনশীল তথ্য সংক্রান্ত কমিশন সভার সিদ্ধান্ত ট্রেডিং আওয়ারের আগে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় ঘোষিত লভ্যাংশ ৬০ দিনের বদলে ৩০ দিনের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ, আইপিওর যে ক্ষেত্রে অকৃতকার্য আবেদনকারীদের রি-ফান্ড ওয়ারেন্ট প্রযোজ্য সে ক্ষেত্রে অনলাইনের মাধ্যমে ব্যাংক হিসেবে সরাসরি প্রদানের সুযোগ প্রদান এবং বিনিয়োগকারীদের দেয়া অভিযোগ দ্রুত নিস্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসকে/ জেডআর/এমএইচ/ ১৭.৪১ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/23/2011 1:45 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | ডিএসই নির্বাচন: পরিচালক পদে প্রার্থী ৮ জন
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক নির্বাচনে চারটি পদের জন্য মোট ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, বুলবুল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহুদুল হক বুলবুল, গ্লোব সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান, সাবেক সহ-সভাপতি ও রশীদ ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ রশীদ লালী, মোনা ফাইন্যান্সিয়াল এন্ড সিকিউরিটিজের আহসানুল ইসলাম টিটো, সাবেক সভাপতি ও রয়েল গ্রিন সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান আবদুল হক, এম এন্ড জেড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ, ফিনিঙ্ সিকিউরিটিজের এ কাদের চৌধুরী এবং ধানমন্ডি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান খান।
http://www.sheershanews.com/?view=details&data=Visa&news_type_id=1&menu_id=6&news_id=5429
---------------------------------------------------------------------------------
|
|
|
| 02/23/2011 1:46 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | মূলধন ঘাটতি মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা জারি
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঝুঁকি মোকাবেলা গাইড লাইন অনুযায়ী ৮ ব্যাংক তাদের মূলধন ঘাটতি মেটাতে ঋণ-সংক্রান্ত ঝুঁকির ৯ শতাংশ সংরক্ষণ করতে পারেনি ব্যাংকগুলো। ব্যাংকগুলো হচ্ছে, বেসরকারি আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ইউসিবিএল, ট্রাস্ট ব্যাংক এবং সরকারি ও বিশেষায়িত ব্যাংকের মধ্যে সোনালী, জনতা, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
http://www.sheershanews.com/?view=details&data=Visa&news_type_id=1&menu_id=6&news_id=5428 |
|
|
|