Page 1 / 1
NEWS 21.04.2011
04/20/2011 1:59 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিভ্রান্ত বিনিয়োগকারী ॥ তদন্ত রিপোর্ট, হাইকোর্টের রুল, সরকারের ভূমিকা
আইসিবির পরিচালকের মতে বাজার ঘুরে দাঁড়াবে



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, সরকারী কর্মকর্তাদের বিনিয়োগ এবং ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড নিয়ে নানামুখী আলোচনার প্রভাবে আবারও ধারাবাহিক নিম্নমুখী ধারায় ফিরেছে পুঁজিবাজার। বুধবার দেশের দুই শেয়ারবাজারেই অধিকাংশ শেয়ারের উলেস্নখযোগ্য দরপতন হয়েছে। এতে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ১১৭.৪৩ পয়েন্ট কমে গেছে। এ নিয়ে টানা পাঁচ কার্যদিবসের দরপতনে সূচক প্রায় ২৫৪ পয়েন্ট হারিয়েছে। পাশাপাশি অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর পর্যবেৰণশীল মনোভাবের কারণে একদিনে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ১৮০ কোটি টাকা কমে গেছে। টানা দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দিনের লেনদেন শেষে কিছুসংখ্যক বিনিয়োগকারী ডিএসই ভবনের সামনে বিৰোভ করেছেন।
বাজারসংশিস্নষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাস্তবতা যাই হোক না কেন_ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করার পর প্রথম কয়েক দিন এতে অভিযুক্তদের কেউ কেউ খুব বেশি গুরুত্ব দেননি। তবে গণমাধ্যমে একের পর এক সংবাদ প্রকাশের পর তাঁদের প্রায় সবাই এখন আতঙ্কের মধ্যে আছেন। বিশেষ করে কারসাজির দায়ে অভিযুক্তদের বিরম্নদ্ধে আইনগত পদৰেপ গ্রহণের বিষয়ে সরকারের প্রতি হাইকোর্টের রুলনিশি জারির কারণে বড় বিনিয়োগকারীদের অনেকেই অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করছেন।
জানা গেছে, সেকেন্ডারি মার্কেটে কারসাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে তদনত্ম প্রতিবেদনে যাদের নাম এসেছে তারা দীর্ঘদিন ধরেই পুঁজিবাজারে 'গেম্বলার' হিসেবে পরিচিত। বাজারে শেয়ারের দর ওঠানামার ৰেত্রে এদের ভূমিকা রয়েছে। এসব বিনিয়োগকারী নিজেরা যেমন বড় অঙ্কের শেয়ার কেনাবেচা করে বাজারে প্রভাব ফেলতে সক্ষম, তেমনি এদের অনুসরণ করে শেয়ার ক্রয় বা বিক্রি করেন এমন বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও প্রচুর। আবার বাজারে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে গুজব ছড়ানোর জন্য প্রায় প্রতিটি ব্রোকারেজ হাউসেই এদের লোকজন রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে নাম আসার পর এরা সতর্কতার সঙ্গে লেনদেন করায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও এর প্রভাব পড়েছে।
জানা গেছে, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর দু'-একদিন দরবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে কোন কোন বড় বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। মূলত এ কারণেই কয়েক দিন লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছিল। কিন্তু যেসব বিনিয়োগকারী ওই সময় শেয়ার বিক্রি করেছেন, তাঁরা নতুন করে কেনার সিদ্ধানত্ম না নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেৰণ করছেন। সরকারের দিক থেকে তদনত্ম প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কি ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়_ তা দেখার জন্য প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীরা অপেৰা করছেন।
অন্যদিকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে_ বুধবার এ ধরনের খবর প্রকাশিত হওয়ায় বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিপুলসংখ্যক সরকারী কর্মকর্তা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে আসছেন। চাকরিবিধি লঙ্ঘনের দায়ে সরকার ব্যবস্থা নেয়া শুরু করলে এসব বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজার থেকে বিনিয়োগকৃত অর্থ তুলে নিতে পারেন। একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ টাকা বাজার থেকে চলে গেলে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা থাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও এর প্রভাব পড়েছে। এ কারণেই বুধবার বাজারে মাঝারি ধরনের দরপতনের পাশাপাশি আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ গত দেড় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখরউদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ফান্ড নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেকটাই কমে গেছে। এখন বাজারে তদনত্ম প্রতিবেদনের প্রভাব বিরাজ করছে। যত দ্রম্নত সম্ভব এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে দায়ীদের শাসত্মির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে কে প্রকৃত দোষী আর কে নির্দোষ_ এ নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে বাজারে আতঙ্ক বিরাজ করছে, যা শেয়ারের দরপতন ত্বরান্বিত করছে। তদনত্ম প্রতিবেদন নিয়ে স্পষ্ট কোন ধারণা না পাওয়ায় শেয়ারবাজারে নতুন বিনিয়োগকারী আসছে না। এখানে বিক্রেতা বাড়ছে, কমে যাচ্ছে ক্রেতা । বিশেস্নষণে দেখা গেছে, নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে বুধবার ডিএসইতে লেনদেন শুরম্ন হয়। তবে ১৫ মিনিটের মাথায় বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালে সাধারণ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর থেকে সূচক নিম্নগামী হতে থাকে_ যা দিনের শেষ পর্যনত্ম অব্যাহত ছিল। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ২০টির শেয়ারের দর বেড়েছে। এর বিপরীতে কমেছে ২৩০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। এর ফলে দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১১৭.৪৩ পয়েন্ট কমে ৬১৩২.৫৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর্থিক হিসাবে মোট ৬১১ কোটি ৬৫ লাখ ৮৮ হাজার টাকার শেয়ার, মিউচৃ|য়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ১৮০ কোটি টাকা কম।
চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৩৬৬.৭৬ পয়েন্ট কমে ১৭২৪০.০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৯টির, কমেছে ১৮৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। মোট ৭৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ৩ কোটি টাকা কম।
এদিকে বাজারে ধারাবাহিক দরপতন সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশসহ (আইসিবি) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারী বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান হিসেবে শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আইসিবির ভূমিকা গুরম্নত্বপূর্ণ হলেও প্রতিষ্ঠানটি সে অনুযায়ী কাজ করছে না বলে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে। বাজারসংশিস্নষ্টদের মতে, বুধবার আইসিবি বিক্রির চাপ কমিয়ে ৫০ কোটি টাকার শেয়ার কিনলেই বাজারে দরপতন ব্যাপক হতো না। কিন্তু ডিএসইর পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত দু'দিন ধরে বাজারে দরপতন ঘটলেও আইসিবি শেয়ার কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। বুধবার দরপতনের মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন শুরম্ন হলেও ওই সময় আইসিবি শেয়ার বিক্রির প্রবণতায় ছিল। দর হ্রাসের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার কেনা শুরম্ন করে। কিন্তু বেলা ১টার পর আবারও আইসিবি শেয়ার বিক্রি শুরম্ন করে। ওই সময় বাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটে। শেষ দিকে এ প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার কেনা শুরম্ন করায় বাজার কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়াতে সৰম হয়। এদিন আইসিবির নিট ক্রয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ২০ কোটি টাকা। সারাদিনে আইসিবি ৩৬ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে এবং বিক্রি করেছে ১৬ কোটি টাকার। এর আগে মঙ্গলবার আইসিবির নিট ক্রয় ছিল ১৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে শেয়ার বিক্রি করেছে ২৫ কোটি টাকার; কিনেছে ৩৮ কোটি টাকার।
এ প্রসঙ্গে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামান বলেন, আইসিবি শেয়ার বিক্রির ধারায় ছিল এ অভিযোগ সঠিক নয়। বুধবার আইসিবি ১৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। ৩৬ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। এর মধ্যে ১২ কোটি টাকার শেয়ার নিজস্ব পোর্টফোলির মাধ্যমে কেনা হয়েছে। বাকিটা বিনিয়োগকারীদের এ্যাকাউন্ট থেকে কেনাবেচা করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা বিক্রি করলে তার দায় আইসিবির নয়। তিনি বলেন, শেয়ারবাজারে শীঘ্রই তারল্য সঙ্কট কেটে যাবে। অচিরেই বাজার ভাল হয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। এসইসি সময়ের অভাবে হয়ত এ ফান্ডের জন্য কোন ধরনের প্রণোদনা দিতে পারেনি। কিন্তু পরবর্তীতে প্রণোদনা দেয়ার সুযোগ রয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
04/20/2011 2:03 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
৪ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের বিভিন্ন হারে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত ৪ কোম্পানি।
ঢাকা ইন্স্যুরেন্স ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৭ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ২ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১০৯ টাকা ৫২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২৯৩ টাকা ২৬ পয়সা।
হাইডেলবার্গ সিমেন্ট ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪৩ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে নগদ ৪৩ টাকা লভ্যাংশ পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ১৩ জুন বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কোম্পানির কারখানায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৫ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১৭৭ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৮৪২ টাকা ।
এসিআই ফরমুলেশন ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে এসিআই ফরমুলেশন কোম্পানি লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে নগদ ৩ টাকা লভ্যাংশ পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ১৫ জুন বেলা ১২টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৪ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৩ টাকা ০৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৫২ টাকা ৭৩ পয়সা।
স্কয়ার টেঙ্টাইল ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৬ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ ও ২০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে স্কয়ার টেঙ্টাইল কোম্পানি লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১ টাকা ৬০ পয়সা নগদ লভ্যাংশ ও প্রতি ৫টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় গাজীপুরের কাশিমপুরে কোম্পানির নিজস্ব ভবনে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১০ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৬ টাকা ৯৬ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৫২ টাকা ৭৩ পয়সা।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
04/20/2011 2:05 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
এমআই সিমেন্টের শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়নি
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য উপস্থাপন করে পরিচালকদের দাবি



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥

The Daily Janakantha


বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়নি বলে দাবি করেছেন কোম্পানির পরিচালকরা। গতকাল বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানির আর্থিক তথ্য তুলে ধরে তাঁরা বলেন, পুঁজিবাজারে এই কোম্পানিকে তালিকাভুক্তি না করার কোন কারণ নেই।
সংবাদ সম্মেলনে এমআই সিমেন্টের চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আইপিও প্রক্রিয়ার কোন ৰেত্রেই কোম্পানির পক্ষ থেকে কোন ত্রুটি ছিল না। পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট সব রকম আইন ও বিধি-বিধান মেনেই আইপিওর মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১৫০ কোটি টাকার কম হওয়ায় পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে কোন শেয়ার বিতরণ করা হয়নি।
তিনি জানান, আইপিওর জন্য কোম্পানির বিবরণীতে (প্রসপেক্টাস) ২০০৯-১০ অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ধরা হয়েছিল ৪ টাকা ৫৬ পয়সা। বার্ষিক হিসাব শেষে ওই সময় শেয়ারপ্রতি প্রকৃত আয় হয়েছে ৪ টাকা ৯৯ পয়সা। ২০১০-১১ অর্থবছরের সম্ভাব্য ইপিএস দেখানো হয়েছিল ৫ টাকা ৫৯ পয়সা। কিন্তু অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসেই প্রকৃত ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৫৩ পয়সায়_ যা বার্ষিক হিসাবে ৭ টাকা ৩৭ পয়সায় দাঁড়ায়। সেই হিসাবে ২০১০-১১ অর্থবছর শেষে কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের (পিই) অনুপাত দাঁড়াবে ১৫.১৪। একইভাবে ২০০৯-১০ অর্থবছরের আয়ের হিসাবে পিই অনুপাত ২২.৩৬_ যা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট কোম্পানিগুলোর তুলনায় অনেক কম। ফলে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এমআই সিমেন্টের শেয়ারের মূল্য ১১১ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারণ করা হলেও তা কোনভাবেই অতি মূল্যায়িত নয়।
তিনি বলেন, এমআই সিমেন্ট তিন কোটি শেয়ার বিক্রির লক্ষ্যে প্রতি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা এসইসি অনুমোদন করে। এর ভিত্তিতে নিয়ম অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের (ব্যাংক, এনবিএফআই, বিমা কোম্পানি, মার্চেন্ট ব্যাংক, এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ও স্টক ডিলার) আহ্বান জানানো হলে ২০৮টি প্রতিষ্ঠান বিডিংয়ে অংশ নেয়। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই নির্দেশক মূল্যের চেয়ে ২০ শতাংশ ওপরে অর্থাৎ ১১১.৬০ টাকা মূল্য প্রসত্মাব করে। এর ভিত্তিতে এসইসির চূড়ানত্ম অনুমোদনের পর আইপিওর জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়। নির্ধারিত মূল্যে শেয়ার কেনার জন্য বিপুল সংখ্যক বিনিয়োগকারী আবেদন করে। নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় আবেদন জমার পরিমাণ ৮.৬ গুণ বেশি ছিল। গত ৯ ফেব্রম্নয়ারি লটারির মাধ্যমে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হয়।
তিনি জানান, কোম্পানির মৌলভিত্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ মূল্য নির্ধারণ করা হলেও শেয়ারবাজারে বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থে বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে শেয়ারের দর কমে গেলে ৰতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে দু'দফা অঙ্গীকারনামা দেয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসইসির পৰ থেকে ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তে তালিকাভুক্তির যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, ডিএসই তার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে। এ কারণেই এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করা হয়নি। তবে সিএসইর পৰ থেকে এখনও নেতিবাচক কোন সিদ্ধানত্ম জানানো হয়নি। তালিকাভুক্তি বিধি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (আজ) নির্ধারিত সময় শেষ হবে। তবে ইতোমধ্যেই কোম্পানির পৰ থেকে এক মাস সময় বাড়ানোর জন্য এসইসিতে আবেদন জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে এমআই সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খবির উদ্দিন মোলস্না, পরিচালক এবি সিদ্দিক, এমএ রউফ, মিজানুর রহমান মোলস্না, মোলস্না মোহাম্মাদ মজনু, আলমগীর কবির, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) তালুকদার মোক্তার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
04/20/2011 2:26 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
দরপতন অব্যাহত শেয়ারবাজারে

ইত্তেফাক রিপোর্ট  |
২০ এপ্রিল ২০১১,



দরপতন অব্যাহত রয়েছে শেয়ারবাজারে । গতকাল  বুধবার টানা ৫ কার্যদিবস পতনের ধারায় ছিল পুঁজিবাজার। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচকসহ সব ধরনের মূল্যসূচক কমেছে। বুধবার  ডিএসই’র সাধারণ মূল্যসূচক ১১৭ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট কমে ৬১৩২ দশমিক ৫৬ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এছাড়া সার্বিক সূচক ৯৫ দশমিক ০৯ পয়েন্ট কমে ৫১০১ দশমিক ২২ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দাম কমেছে। গত ৫ কার্যদিবসে ডিএসই’র সাধারণ সূচক কমেছে ২৯১ পয়েন্ট।

সম্প্রতি শেয়ারবাজার নিয়ে বিভিন্ন ঘটনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আস্থাহীনতা তৈরি করার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। সরকারি তরফ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট কোন বক্তব্য বা নির্দেশনা না পাওয়া এবং বড় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ভীতি তৈরি হয়েছে। ফলে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড গঠন করা হলেও ক্রমাগত পতন ঠেকাতে পারছে না। গতকাল ডিএসইতে ২৫১টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যার মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ২০টির, কমেছে ২৩০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিকে বুধবার ডিএসই’র তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৫১টি কোম্পানির ৬ কোটি ৭৬ লাখের কিছু বেশি লেনদেন হয়েছে, যা চলতি সপ্তাহের সর্বনিম্ন লেনদেন। এছাড়া গতকাল ডিএসইতে ৭ কোটির বেশি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। গতকাল ক্রমাগত দরপতন হতে থাকলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা পার্শ্ববর্তী ভবনগুলো থেকে হৈ-চৈ শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে খাতভিত্তিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের শেয়ারের দাম কমেছে।

বুধবার লেনদেনে শীর্ষ দশ কোম্পানি ছিল-  বেক্সিমকো, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, এসিআই ফরমুলেশন, আফতাব অটো., মালেক স্পিনিং, বেক্সটেক্স, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, এইমস ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, তিতাস গ্যাস ও গ্রামীণফোন।

দাম বাড়ার শীর্ষে দশ কোম্পানি ছিল- এসিআই ফর্মুলেশন, ইস্টার্ন ক্যাবলস, এসিআই লিমিটেড, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, সপ্তম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইবনে সিনা, ন্যাশনাল টি, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, সোনারগাঁও টেক্সটাইলস ও জনতা ইন্স্যুরেন্স।

দাম কমার শীর্ষে দশ কোম্পানি ছিল- সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা পেট, সমতা লেদার, অষ্টম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ফিডেলিটি অ্যাসেট, দেশ গার্মেন্টস, এইমস ফার্স্ট ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, রেকিট বেনকিজার, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ও সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ ।   অন্যদিকে, বুধবার সিএসইতে লেনদেন হওয়া মোট ১৯৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৯টির ও কমেছে  ১৮৮টির। পাশাপাশি সাধারণ সূচক ১৬৬ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ১৭৬ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। সার্বিক সূচক ১১৩ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ৬০৬ পয়েন্টে নেমে আসে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
04/20/2011 2:33 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
টানা পাঁচ দিন দরপতন শেয়ারবাজারে[/bb]

নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho


টানা পাঁচ দিনের মতো দরপতন হলো শেয়ারবাজারে। গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক কমেছে ১১৭.৪৩ পয়েন্ট। লেনদেন হওয়া ২৫১টি কম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ২৩০টির। দাম কমেছে ২০টির। এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ কম লেনদেন হয়েছে গতকাল। গতকাল লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৬১১ কোটি ৬৫ লাখ ৮৮ হাজার ৩৯৬ টাকা। এর আগে গত ৬ মার্চ এই লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫৬৪ কোটি ৯৬ লাখ ৪৫ লাখ। গত পাঁচ দিনে ডিএসইতে সূচক কমেছে ২৯০.৬৬ পয়েন্ট। বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদনের পরও বাজারের এ দরপতনে হতাশা ব্যক্ত করেছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
দরপতনকালে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে নেতিবাচক ভূমিকায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সব মিলিয়ে আইসিবি যদি ক্রেতার ভূমিকায় থেকে ৫০ কোটি টাকার শেয়ার কিনত, তাহলে বাজারে দরপতন ব্যাপক হতো না।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, গত দুদিনে বাজারের দরপতনকালে আইসিবি শেয়ার কেনার পরিমাণ কমিয়ে দেয়। গতকাল দিনের শুরুতে যখন দরপতন ঘটে তখনো আইসিবি ছিল বিক্রির ধারায়। এরপর বেশি দরপতন ঘটলে আবার শেয়ার কেনা শুরু করে। লেনদেনের মাঝামাঝি বেলা ১টা থেকে ২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত আবার দরপতন ঘটে। তখনো আইসিবি বিক্রির ধারায় ছিল।
গতকাল দিনভর আইসিবি নেট শেয়ার কিনেছে ২০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার বিক্রি করেছে ১৬ কোটি টাকার। কিনেছে ৩৬ কোটি টাকার। আগের দিন মঙ্গলবার ডিএসইতে ৬২ পয়েন্ট সূচক পতন ঘটে। এ দিন আইসিবি নেট শেয়ার কিনেছে ১৩ কোটি টাকার। এর মধ্যে শেয়ার বিক্রি করেছে ২৫ কোটি টাকার। কিনেছে ৩৮ কোটি টাকার। বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, বাংলাদেশ ফান্ডে যেসব প্রণোদনা চেয়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা, সেসব প্রণোদনা না দেওয়ায় আইসিবি শেয়ার কেনার পরিমাণ কমিয়ে দেয়। আর তার প্রভাব পড়ে শেয়ারবাজারে। এ প্রসঙ্গে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, 'বাংলাদেশ ফান্ড নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। এসইসি সময়ের অভাবে হয়তো আমাদের কোনো ধরনের প্রণোদনা দিতে পারেনি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে প্রণোদনা দেওয়ার সুযোগ দিতে পারে।'
তিনি বলেন, আইসিবি বিক্রির ধারায় ছিল এই অভিযোগ ঠিক নয়। গতকাল বুধবার আইসিবি ১৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। ৩৬ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। এর মধ্যে ১২ কোটি টাকার শেয়ার নিজেদের পোর্টফোলিও থেকে কিনেছে আইসিবি। বাকিটা বিনিয়োগকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে কেনাবেচা করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা বিক্রি করলে তার দায় আইসিবির নয়।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ফান্ড নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেকটাই কমে গেছে। এখন বাজারে তদন্ত রিপোর্টের প্রভাব বিরাজ করছে। যত দ্রুত সম্ভব এ রিপোর্ট প্রকাশ করে দিয়ে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। নির্দোষ ব্যক্তিদের খালাস করে দিতে হবে। নইলে কে দোষী আর দোষী নয়, সেটা নিয়ে যে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে, তার অবসান করতে হবে। তার প্রভাবে বিরাজমান আতঙ্ক থেকে দরপতন ঘটছে। শেয়ারবাজারে নতুন বিনিয়োগকারী আসছে না। এখানে বিক্রেতা বাড়ছে, কমে যাচ্ছে ক্রেতা।
গতকালের বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে মোট ২৫১টি কম্পানির ৬ কোটি ৭৬ লাখ ১৭ হাজার ৬৬০টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া এসব শেয়ারের আর্থিক মূল্য ছিল ৬১১ কোটি ৬৫ লাখ ৮৮ হাজার ৩৯৭ টাকা। এটা আগের দিনের চেয়ে ১৮০ কোটি ২১ লাখ টাকা কম। সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১১৭.৪৩ পয়েন্ট কমে ৬১৩২.৫৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২৫১টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২০টির, কমেছে ২৩০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটি কম্পানির শেয়ারের দাম। গতকাল ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল দুই লাখ ৭৭ হাজার ৬১৬ কোটি এক লাখ ১৭ হাজার ১০০ টাকা।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview