| 04/19/2011 11:51 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | ঊর্ধ্বমুখী সূচক দিন শেষে নিম্নগামী
প্রথম আলো
তারিখ: ২০-০৪-২০১১
মূল্যসূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে গতকাল মঙ্গলবার দেশের শেয়ারবাজারের লেনদেন শুরু হলেও শেষ হয় নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে।
বাজার স্থিতিশীল রাখতে ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ অনুমোদনের খবরে সূচক বাড়বে—বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এ প্রত্যাশা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই তা কমেছে। এ নিয়ে টানা চার দিন শেয়ারবাজারে দরপতনের ঘটনা ঘটল। তবে সূচক কমলেও লেনদেনের পরিমাণ আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, শেয়ারবাজারের কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে যেসব ব্যক্তির নাম এসেছে, দৈনিক লেনদেনে তাঁদের বড় ধরনের প্রভাব রয়েছে। প্রতিবেদনে নাম আসায় তাঁদের বড় অংশই বাজারে সক্রিয় হচ্ছে না। তাঁদের ব্যাপারে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে সে ব্যাপারে তাঁরা সংশয়ে রয়েছেন।
আবার যাঁরা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এসব ব্যক্তিকে অনুসরণ করেন তাঁরাও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এসব কারণে বিনিয়োগকারীদের একটা বড় অংশ মনে করে, বাজারের স্থিতিশীলতা অনেকখানি নির্ভর করবে তদন্ত প্রতিবেদনসহ সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার হওয়ার ওপর।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গতকাল লেনদেনের প্রথম পাঁচ মিনিটের মাথায় সূচক ১৫০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর থেকে সূচক কমতে শুরু করলেও বেলা একটা ১০ মিনিটে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৯ পয়েন্ট বেশি ছিল। কিন্তু দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৬৮ দশমিক ২৩ পয়েন্ট কমে ছয় হাজার ২৫০ পয়েন্টে নেমে আসে।
স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল ৭৯১ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়, যা গতকালের চেয়ে ৭৬ কোটি টাকা বেশি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ১১৩ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ৬০৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল ৮১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
তিন কোম্পানির লেনদেন স্থগিত: অস্বাভাবিক দাম বাড়ার অভিযোগে গতকাল পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। কোম্পানিগুলো হলো মুন্নু জুটেক্স, জেমিনি সি ফুড ও মডার্ন ডাইং অ্যান্ড স্ক্রিন প্রিন্টিং লিমিটেড।
এর আগে গত সোমবার আরও চারটি কোম্পানির লেনদেন স্থগিত করে ডিএসই। এ নিয়ে দুই দিনে সাতটি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করল সংস্থাটি।
ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানগুলোর দাম বাড়ার কারণে তাদের লেনদেন বন্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোম্পানি তিনটির শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ডিএসই। |
|
|
| 04/19/2011 11:56 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | গ্রামীণফোনের বার্ষিক সভায় মোট ১২০% লভ্যাংশ অনুমোদন
প্রথম আলো
তারিখ: ২০-০৪-২০১১
গ্রামীণফোন লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভায় গতকাল প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারধারীদের জন্য মোট ১২০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়েছে।
এর আগে প্রতিষ্ঠানটি ৩৫ শতাংশ হারে অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ প্রদান করেছিল। আর গতকালের সভায় আরও ৮৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়। এর ফলে মোট অনুমোদিত লভ্যাংশ দাঁড়ায় ১২০ শতাংশ।
গতকাল মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গ্রামীণফোনের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল প্রতিষ্ঠানের ১৪তম বার্ষিক সভা। আর পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর দ্বিতীয় বার্ষিক সভা।
সভায় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টোরে ইয়ানসন বলেন, টেলিযোগাযোগ আইন ও লাইসেন্স নবায়ন নীতিমালা নিয়ে ২০১০ সাল কিছুটা অস্থিতিশীল অবস্থায় কেটেছে। এর পরও প্রতিষ্ঠান ৬৭ লাখ নতুন গ্রাহক যোগ করেছে, যার পেছনে সংযোগে ভর্তুকি দেওয়াটাই প্রধান কারণ। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানের আয় ছিল সাত হাজার ৪৭৩ কোটি টাকা, যা ২০০৯ সালের থেকে ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
সভায় গ্রামীণফোন বোর্ডের চেয়ারম্যান সিগভে ব্রেক্কে প্রতিষ্ঠানের ওপর আস্থা রাখার জন্য অংশীদার ও বিনিয়োগকারীদের ধন্যবাদ জানান। সভা পরিচালনা করেন কোম্পানির সচিব হোসেন সাদাত।
সভার পরিচালকদের প্রতিবেদন ও ২০০৯-এর নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়। |
|
|
| 04/19/2011 11:58 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কে
বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদন সত্ত্বেও শেয়ারবাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত
The Daily Janakantha
বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০১১, ৭ বৈশাখ ১৪১৮
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে নানামুখী আলোচনায় পুঁজিবাজারের প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত হিসেবে যেসব বড় বিনিয়োগকারীর নাম এসেছে তাদের প্রায় সবাই এখন নিষ্ক্রিয়। সরকারের পৰ থেকে চলতি সপ্তাহেই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেয়ার সম্ভাবনা থাকায় এসব বিনিয়োগকারী আপাতত লেনদেন না করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করছেন। এর প্রভাবে সামগ্রিক লেনদেনে শস্নথগতি ও শেয়ারের দর কমে যাচ্ছে বলে বাজার সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন।
বাজার সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাসত্মবতা যাই হোক না কেন_ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করার পর প্রথম কয়েক দিন অভিযুক্তদের কেউ কেউ খুব বেশি গুরুত্ব দেননি। তবে গণমাধ্যমে একের পর এক সংবাদ প্রকাশের পর তাঁদের প্রায় সবাই এখন আতঙ্কের মধ্যে আছেন। বিশেষ করে মঙ্গলবার দু'একটি দৈনিকে কারসাজির দায়ে অভিযুক্তদের বিরম্নদ্ধে মামলা হচ্ছে_ এ ধরনের খবরে বড় বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে দূরে ছিলেন। ফলে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদনের প্রভাবে দিনের শুরুতে বাজারের উত্থান হলেও শেষ পর্যনত্ম পতনের মধ্যে দিয়েই লেনদেন শেষ হয়েছে।
জানা গেছে, সেকেন্ডারি মার্কেটে কারসাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের নাম এসেছে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই পুঁজিবাজারে 'গেম্বলার' হিসেবে পরিচিত। বাজারে শেয়ারের দর ওঠা-নামার ৰেত্রে এদের ভূমিকা রয়েছে। এসব বিনিয়োগকারী নিজেরা যেমন বড় অঙ্কের শেয়ার কেনাবেচা করে বাজারে প্রভাব ফেলতে সক্ষম, তেমনি এদের অনুসরণ করে শেয়ার ক্রয় বা বিক্রি করেন_ এমন বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও প্রচুর। আবার বাজারে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে গুজব ছড়ানোর জন্য প্রায় প্রতিটি ব্রোকারেজ হাউসেই এদের লোকজন রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে নাম আসার পর এরা সতকর্তার সঙ্গে লেনদেন করায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও এর প্রভাব পড়েছে। সর্বশেষ প্রভাবশালী এসব বিনিয়োগকারীর বিরম্নদ্ধে মামলা হচ্ছে_ এ ধরনের খবরে তারা হাত গুটিয়ে ফেলায় বাজারে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, তদনত্ম প্রতিবেদন প্রকাশের পর দু'একদিন দরবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে কোন কোন বড় বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। মূলত এ কারণেই কয়েক দিন লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছিল। কিন্তু যেসব বিনিয়োগকারী ওই সময় শেয়ার বিক্রি করেছেন, তাঁরা নতুন করে কেনার সিদ্ধানত্ম না নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেৰণ করছেন। সরকারের দিক থেকে তদনত্ম প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কী ধরনের পদৰেপ নেয়া হয়_ তা দেখার জন্য প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীরা অপেৰা করছে। প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর তাঁরা পুনরায় সক্রিয় হলে বাজারের লেনদেনে গতি ফিরে আসবে।
বাজার পরিস্থিতি ॥ মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) মোট ২৫৩টি কোম্পানির শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে দর বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ২১৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টির। এর প্রভাবে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৮.২৩ পয়েন্ট কমে ৬২৪৯.৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৬.২৩ পয়েন্ট কমে ৩৮৯৫.৮৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। দিন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন ২ লাখ ৮২ হাজার ৮ কোটি ৬৯ লাখ ৬২ হাজার ৪৮১ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
সারা দিনে মোট ৭ কোটি ৯৯ লাখ ৬২ হাজার ৩৮০টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যার আর্থিক মূল্য ছিল ৭৯১ কোটি ৮৭ লাখ ৫৩ হাজার ৪০৪ টাকা। লেনদেনের এই পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে ৭৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বেশি।
ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো_ বেঙ্মিকো লিমিটেড, বেঙ্টেঙ্, তিতাস গ্যাস, ডেসকো, মালেক স্পিনিং, আফতাব অটোমোবাইলস, বিএসআরএম স্টিল, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, এইমস ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ড এবং অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।
দরবৃদ্ধিতে শীর্ষ অবস্থানে থাকা ১০টি কোমপানি হলো_ জনতা ইন্সু্যরেন্স, মুন্নু জুটেঙ্, ন্যাশনাল টি কোম্পানি, আইসিবি এমপস্নয়িজ মিউচ্যুয়াল ফান্ড, জেমিনি সি ফুড, ৮ম আইসিবি, সমরিতা হাসপাতাল, ইসলামী ব্যাংক, ফেডারেল ইন্সু্যরেন্স ও ৪র্থ আইসিবি।
অন্যদিকে দর হ্রাসের দিক থেকে শীর্ষ ১০টি কোমপানি হলো_ ফিডেলিটি এ্যাসেট, সমতা লেদার, আনলিমা ইয়ার্ন, ৬ষ্ঠ আইসিবি, সোনারগাঁও টেঙ্টাইল, সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ, এমবি ফার্মা, ইস্টার্ন ইন্সু্যরেন্স, রেইনউইক যজ্ঞেশ্বর ও পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স। |
|
|
| 04/19/2011 11:59 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | শীঘ্রই বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন সম্পন্ন করবে আইসিবি
The Daily Janakantha
বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০১১, ৭ বৈশাখ ১৪১৮
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাভের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যেই ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মূল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। গতকাল কর্পোরেশনের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বৈঠকে 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে ৫ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন মিউচু্যয়াল ফান্ড গঠনে এসইসির অনুমোদনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ফান্ডটি পরিচালনার জন্য এসইসির কাছে কয়েকটি বিশেষ সুবিধা প্রদানের আবেদন করলেও সেসব প্রসত্মাব গ্রহণ না করার বিষয় নিয়েও আলোচনা। তবে বিশেষ সুবিধা ছাড়াই ফান্ড অনুমোদনের বিষয়টি সাদরে মেনে নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিবি।
এ বিষয়ে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামন বলেন, উদ্যোক্তা হিসেবে রাষ্ট্রায়ত্ত ৮টি প্রতিষ্ঠানের সকল ব্যবস্থাপনা পরিচালক যৌথভাবে ফান্ডটি নিবন্ধন করবেন। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ কাজটি সম্পন্ন করব। প্রয়োজনে আইসিবিতেই এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। নিবন্ধন শেষে তার সত্যায়িত ফটোকপি এসইসিতে পাঠানো হবে। এরপর ফান্ডের কার্যক্রম শুরম্ন হবে। দেড় হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে আহ্বান জানাব।
উলেস্নখ্য, গত সোমবার এসইসি রাষ্ট্রায়ত্ত ৮টি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে গঠিত ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের ট্রাস্ট ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা চুক্তি অনুমোদন করে।
|
|
|
| 04/20/2011 12:01 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | অস্বাভাবিকভাবে দর বৃদ্ধির কারণে ৩ কোম্পানির লেনদেন স্থগিত
The Daily Janakantha
বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০১১, ৭ বৈশাখ ১৪১৮
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ অস্বাভাবিকভাবে দর বৃদ্ধির কারণে ৩ কোম্পানির লেনদেন একদিনের জন্য স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপৰ। লেনদেন স্থগিত কোম্পানিগুলো হলো- মডার্ন ডাইং এ্যান্ড স্ক্রিন পেইন্টিং লিমিটেড, মুন্নু জুটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ ও জেমিনি সি ফুড লিমিটেড।
গতকাল লেনদেন চালু হওয়ার পর থেকে এ কোম্পানি তিনটির শেয়ারের দাম দ্রম্নত বাড়তে থাকলে ডিএসই এ সিদ্ধানত্ম নেয়। একইসঙ্গে ডিএসই বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি ভেবে চিনত্মে বিনিয়োগের অনুরোধ করেছে। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ খবর জানা গেছে। |
|
|
| 04/20/2011 12:02 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | সালভো কেমিক্যালের শেয়ার লেনদেন শুরু কাল
The Daily Janakantha
বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০১১, ৭ বৈশাখ ১৪১৮
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দেশের দুই শেয়ারবাজারে আগামীকাল বৃহস্পতিবার একটিভ সালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন শুরম্ন হচ্ছে। সালভো কেমিক্যাল ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ২ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে কোন প্রিমিয়াম ছাড়াই পুঁজিবাজার থেকে ২৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। প্রতি ৫০০টি শেয়ারে এক মার্কেট লট হিসাবে সর্বমোট ৫২ হাজার আবেদনকারী এই কোম্পানির শেয়ার বরাদ্দ পেয়েছেন।
আইপিও প্রক্রিয়া শেষে সালভো কেমিক্যালের পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৯১ পয়সা। তবে আইপিও প্রক্রিয়া শেষে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৮০ পয়সায়। শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির ঋণ পরিশোধ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের কাজে ব্যয় করা হবে। |
|
|
| 04/20/2011 12:03 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | এমজেএল ও এমআই সিমেন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীরা
তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে আদালতে যাওয়ার চিন্তা
The Daily Janakantha
বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০১১, ৭ বৈশাখ ১৪১৮
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মবিল যুমনা লুব্রিকেন্ট (এমজেএল) এবং এমআই সিমেন্টের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। দুই কোম্পানির তালিকাভুক্তির প্রস্তাব নাকচ হয়ে যাওয়ায় প্রায় হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা। তালিকাভুক্তির জটিলতা নিরসনের লৰ্যে কেউ কেউ আদালতে যাওয়ার চিনত্মা-ভাবনা করছেন। কোম্পানি কর্তৃপৰ আদালতে যেতে সম্মত না হলেও বিনিয়োগকারীদের পৰে অচিরেই এ বিষয়ে রিট করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
গত ১০ এপ্রিল ডিএসই এমজেএলের তালিকাভুক্তির প্রসত্মাব চূড়ানত্মভাবে নাকচ করে দেয়। তবে ডিএসইর নাকচ করার প্রেৰিতে গত ১২ এপ্রিল কোম্পানিটি সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আবারও এসইসিতে আবেদন করলে এসইসি ৭ দিন সময় বাড়ায়। এদিকে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তিতেও গত সোমবার নাকচ করেছে ডিএসই।
উলেস্নখ্য, এমজেএল বিনিয়োগকারীদের থেকে অতিরিক্ত প্রিমিয়াম নেয়ায়, তালিকাভুক্তির পর প্রসত্মাবিত দরের নিচে দাম নেমে গেলে কোম্পানি তা কিনে নেবে এমন প্রসত্মাব করেছিল। কিন্তু ডিএসই তা মেনে নেয়নি। পরে এমজেএল আবারও ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়ার শর্তে তালিকাভুক্তির প্রসত্মাব করে কিন্তু তাতেও ডিএসই রাজি হয়নি। এমজেএলের ২৫ শতাংশ শেয়ার সরকারী হওয়ায় এবং প্রায় সাড়ে চার লাখ বিনিয়োগকারীর ৬০৯ কোটি টাকা আটকে রয়েছে।
মবিল যমুনা লুব্রিকেন্ট লিমিটেড (এমজেএল) পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি শেয়ার বরাদ্দ করেছে। ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। ফলে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছেড়ে কোম্পানিটি বাজার থেকে ৬০৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। মবিল যমুনা লুব্রিকেন্টের সর্বশেষ বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ২ টাকা ৪৫ পয়সা। এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা।
অন্যদিকে শেয়ারবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩৩৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লমিটেড। ১০১ টাকা ৬০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ এই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১১১ টাকা ৬০ পয়সা। গত ৯-১৩ জানুয়ারি স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ২২ জানুয়ারি পর্যনত্ম প্রবাসীদের কাছ থেকে আইপিও আবেদন গ্রহণ করা হয়। পরে ৯ ফেব্রম্নয়ারি লটারির মাধ্যমে আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দ করা হয়।
ডিএসইর তালিকাভুক্তি বিধিমালা অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিল এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির সময়সীমা শেষ হবে। ওই সময়ের মধ্যে তালিকাভুক্ত হতে ব্যর্থ হলে কোম্পানিকে আইপিওর টাকা ফেরত দিতে হবে। তবে একই ধরনের সমস্যায় তালিকাভুক্তি আটকে যাওয়ার পর এসইসিতে আবেদন করে দু'দফা সময় বাড়িয়ে নিয়েছে মবিল-যুমনা লুব্রিকেন্ট।
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ডাকা বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার প্রবণতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের নির্ধারিত মূল্যকে কোম্পানির মৌলভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংক্রান্ত বিধি সংশোধন করে স্থায়ীভাবে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় এ দু'টি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতায় শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের শর্ত আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। |
|
|
| 04/20/2011 12:05 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডারের অংশগ্রহণে গ্রামীণফোনের এজিএম
৮৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন
The Daily Janakantha
বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০১১, ৭ বৈশাখ ১৪১৮
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডারদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সর্ববৃহৎ কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেডের ১৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এজিএমে ২০১০ সালের জন্য ৮৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর গ্রামীণফোনের দ্বিতীয় এজিএম উপলৰে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারের উপস্থিতি নিবন্ধনের জন্য মোট ৪০টি বুথ স্থাপন করা হয়। এজিএমের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এজিএমে গ্রামীণফোনের চেয়ারম্যান সিগভে ব্রেককে বলেন, ২০১১ সালের প্রথম দিকে গ্রামীণফোন ৩ কোটি গ্রাহকের মাইলফলক অতিক্রম করেছে এবং তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বাজারে শীর্ষ স্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের প্রায় ৪৪ শতাংশ গ্রাহকই গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্কের মধ্যে চলে আসছে।
ব্রেককে আরও বলেন, যাত্রা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত গ্রামীণফোনের প্রসারে ১৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। সরকারী রাজস্ব বাবদ পরিশোধ করেছে ১৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। গতবছর গ্রামীণফোন রাজস্ব দিয়েছে ৭ হাজার ৪৭৩ কোটি টাকা যা ২০০৯ সালের থেকে ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের লৰ্যে নতুন সব তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা প্রদানে গ্রামীণফোন বদ্ধপরিকর_ যার মাধ্যমে স্বাস্থ্য, শিৰা, কৃষি, ই-প্রশাসন এবং মোবাইল আর্থিক কর্মকা- পরিচালিত হবে।
কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টোরে ইয়ানসেন বলেন, ২০১০ সালে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৯৩ পয়সা, ২০০৯ সালে যা ছিল ১২ টাকা ৮ পয়সা। ইপিএস কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ২০০৯ সালে এ কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে সফলভাবে তালিকাভুক্তি হওয়াতে ৪১২ কোটি টাকা আয়কর থেকে অব্যাহতি পায়। যার ফলে ২০০৯ সালে ইপিএস তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।
ইয়ানসেন আরও বলেন, ২০১০ সালে নতুন ৬৭ লাখ গ্রাহক গ্রামীণফোন পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। মূলত কোম্পানির পৰ থেকে সিম ট্যাঙ্রে ৰেত্রে ভর্তুকি দেয়ার কারণেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।
এজিএমে লভ্যাংশের পাশাপাশি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের প্রতিবেদন, ২০১০ সালের নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ২০১১ সালের জন্য নিরীৰক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রসত্মাব অনুমোদন করা হয়। এছাড়া কোম্পানি আইন অনুযায়ী গ্রামীণফোনের পরিচালক নির্বাচনের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কোম্পানি সচিব হোসেন সাদত এজিএমের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে নাজমুল আলম সুমন, সোহরাব হোসেন লিংকন, আফছার উদ্দীন সরকার, এম এ রহিম, নাসির উদ্দীন বাদল, বিশ্বজিত ঘোষ ও নূরম্নল আলমসহ অনেকেই বক্তব্য রাখেন। এঁদের প্রায় সকলেই এজিএম অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনাগত সমালোচনা করেন। তাই সামান্য বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছে গ্রামীণফোনের এজিএম।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী ২১ থেকে ২৬ এপ্রিল সকাল ১০ থেকে বিকাল ৫টা পর্যনত্ম ২১, মতিঝিলের এজিবি কলোনি কমিউনিটি সেন্টারে শেয়ারহোল্ডারদের কাছে ডিভিডেন্ট ওয়ারেন্ট (লভ্যাংশের চেক) বিতরণ করা হবে। এছাড়া ৩৯টি ব্যাংকে হিসাব পরিচালনাকারী শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়ে দেয়া হবে। ব্যাংকগুলো হলো_ সিটি ব্যাংক এনএ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, এইচএসবিসি, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, ডাচ-বাংলা, ইস্টার্ন ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, উরি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, এঙ্মি ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, আইএফআইসি ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, মিউচু্যয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, হাবিব ব্যাংক, শাহজালাল ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এবি ব্যাংক, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ব্যাংক আলফালাহ, বেসিক ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিসত্মান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, প্রাইম ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক লিমিটেড। |
|
|
| 04/20/2011 12:17 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | আরও তিন কোম্পানির লেনদেন স্থগিত
সমকাল
তারিখ: ২০-০৪-২০১১
সমকাল প্রতিবেদক
অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে আরও তিনটি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এর মধ্যে দুটি কোম্পানিই 'এ' গ্রুপভুক্ত। কোম্পানি তিনটি হলো_ মুন্নু জুটেক্স, জেমিনি সি ফুড ও মডার্ন ডাইং। এর আগে গত সোমবার একই কারণে 'জেড' গ্রুপভুক্ত অলটেক্স, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার ও দুলামিয়া কটন কোম্পানির লেনদেন স্থগিত করা হয়। একই দিন লেনদেন চলাকালে মডার্ন ডাইংয়ের লেনদেন স্থগিত করা হয়। দেড় মাস ধরে এসব কোম্পানির শেয়ার অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এ সময় মৌলভিত্তি কোম্পানির শেয়ারদর ক্ষেত্রবিশেষে অর্ধেকেরও বেশি দর হারালেও এসব কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে দুই থেকে তিনগুণেরও বেশি। লেনদেন স্থগিত করার পর এসব কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে ডিএসই। এরই মধ্যে আরও অন্তত ডজনখানেক কোম্পানির শেয়ারদর পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। চলতি মাসের শুরুতে এসব কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধির কারণ খুঁজে দেখতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে নির্দেশ দিয়েছিল।
ডিএসইর লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, মুন্নু জুটেক্স কোম্পানির শেয়ারদর ২৪ মার্চ সর্বনিম্ন ২ হাজার ১৪ টাকায় লেনদেন হলেও গত সোমবার তা সর্বোচ্চ ৩ হাজার ১৯৪ টাকায় লেনদেন হয়। এক মাসেরও কম সময়ে লেনদেন বৃদ্ধির হার প্রায় ৬০ শতাংশ। গতকাল লেনদেনের শুরুতে ৩ হাজার ১৫০ টাকায় একটি মাত্র লেনদেন সম্পন্ন হয়। এরপর দুপুর ১২টায় এ কোম্পানির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করে ডিএসই।
লেনদেন স্থগিত হওয়া 'জেড' গ্রুপের জেমিনি সি ফুডের শেয়ার ২৪ মার্চ ২ হাজার ১ টাকায় লেনদেন হলেও রোববার তা সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৫০ টাকায় লেনদেন হয়। এ সময় কোম্পানিটির দর বৃদ্ধি পেয়েছে ২ হাজার ৪৯ টাকা; দরবৃদ্ধির হার ১০২ শতাংশ। তবে গত ২ ফেব্রুয়ারি কোম্পানির শেয়ার সর্বনিম্ন ১ হাজার ৪৪১ টাকায় লেনদেন হয়। গতকাল দুপুর ১২টায় লেনদেন স্থগিত করার আগে কোম্পানিটির ১১টি শেয়ার লেনদেন হয়, যার সর্বোচ্চ লেনদেন মূল্য ছিল ৪ হাজার ২৫ টাকা।
লেনদেন স্থগিত হওয়া মডার্ন ডাইং কোম্পানির শেয়ার ৮ মার্চের সর্বনিম্ন দর ২৯২ টাকা থেকে গত সোমবার পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫৫০ টাকায় লেনদেন হয়। গতকাল দুপুর ১টায় লেনদেন বন্ধ করার আগে দুপুর পৌনে ১টায় সর্বোচ্চ ৫৯৯ টাকা ৭৫ পয়সায় লেনদেন হয়।
উলি্লখিত কোম্পানিগুলো ছাড়াও আরও কিছু কোম্পানির শেয়ারদর উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ওইসব শেয়ারদর বৃদ্ধির বিষয়টিও ডিএসইর নিবিড় পর্যবেক্ষণের মধ্যে রয়েছে বলে জানা গেছে। লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, 'বি' গ্রুপভুক্ত সাভার রিফ্যাক্টরিজ কোম্পানির শেয়ার ৩ মার্চ সর্বনিম্ন ৪১১ টাকায় লেনদেন হলেও গত ৩ এপ্রিল তা সর্বোচ্চ ৯৭৮ টাকায় লেনদেন হয়। যদিও গত ক'দিন ধরে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমছে। গতকাল এ কোম্পানির শেয়ার ৭৯৫ টাকায় লেনদেন হয়। সমতা লেদার কোম্পানির শেয়ার ২৮ মার্চের সর্বনিম্ন ১১৮ টাকা থেকে রোববার পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩৬৪ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়। গতকাল কোম্পানিটির সর্বোচ্চ লেনদেন মূল্য ছিল ৩১০ টাকা। সাফকো স্পিনিং কোম্পানির শেয়ারদর ৩ মার্চ সর্বনিম্ন ২৯৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে গত রোববার সর্বোচ্চ ৭১০ টাকায় কেনাবেচা হয়; এ সময় দর বেড়েছে ৪১৫ টাকা ও দরবৃদ্ধির হার ১৪১ শতাংশ। রেনউয়িক যজ্ঞেশ্বর কোম্পানির শেয়ার ১ মার্চ সর্বনিম্ন ৫৪৫ টাকায় লেনদেন হলেও ১৩ এপ্রিল সর্বোচ্চ ১ হাজার ২২৯ টাকায় লেনদেন হয়। এই সময় দর বেড়েছে ৬৮৪ টাকা। গতকালও কোম্পানিটির শেয়ার সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪০ টাকায় লেনদেন হয়।
|
|
|
| 04/20/2011 12:18 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | পাঁচ কোম্পানির পরিচালকের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা
সমকাল
তারিখ: ২০-০৪-২০১১
সমকাল প্রতিবেদক
তালিকাভুক্ত ৫টি কোম্পানির কয়েক পরিচালক গতকাল তাদের কাছে থাকা মোট শেয়ারের কিছু অংশ স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন।
এনসিসি ব্যাংক :ব্যাংকটির অন্যতম স্পন্সর পারভেজ হোসেন এক লাখ শেয়ার আগামী এক মাসের মধ্যে বিক্রির ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
পিপলস ইন্স্যুরেন্স :ব্যাংকটির পরিচালক জাফর আহমেদ ৬৫ হাজার শেয়ার বিক্রি করতে চান।
মার্কেন্টাইল ব্যাংক :ব্যাংকটির পরিচালক এম আমানুল্লাহ এক লাখ ২২ হাজার শেয়ার বিক্রি করতে চান।
এমটিবিএল :ব্যাংকটির পরিচালক এএফএম মাহফুজুল হাসান এবং মোঃ নাসিরউল্লাহ যথাক্রমে ২ হাজার এবং ৩ হাজার শেয়ার বিক্রির ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
ইউনিয়ন ক্যাপিটাল :কোম্পানির পরিচালক রুমানা শরীফ বিক্রি করতে চান ৫০ হাজার শেয়ার। |
|
|
| 04/20/2011 12:20 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | টানা তিনদিন নিম্নমুখী সূচক
সমকাল
তারিখ: ২০-০৪-২০১১
সমকাল প্রতিবেদক
দেশের দুই শেয়ারবাজারেই গতকাল মঙ্গলবার টানা তৃতীয় দিনের মতো সূচক ছিল নিম্নমুখী। গত তিনদিনে ডিএসইর সাধারণ সূচক কমেছে ১৩৬ পয়েন্ট। ৫ হাজার কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ড গঠনের সংবাদও বাজার ধরে রাখতে পারেনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ মনে করেন, শেয়ারবাজার কারসাজির তদন্ত প্রতিবেদন, সম্ভাব্য দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক বড় বিনিয়োগকারীদের কর হিসাব পর্যালোচনা করাসহ শেয়ারবাজারে তাদের বিনিয়োগ সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া প্রভৃতি বিষয় লেনদেনে ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, চারদিকে যখন অস্থিরতা দেখা যায়, স্বাভাবিকভাবে লেনদেনেও অস্থিরতা থাকে। আবু আহমেদ আরও বলেন, বিনিয়োগকারীরা বাজার পরিস্থিতি বিষয়ে কোনো স্থির সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। ফলে লেনদেনে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। এই সময় বড় বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে যাওয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করাটা স্বাভাবিক প্রবণতা।
বাজার পরিস্থিতি : সপ্তাহের প্রথম দু'দিনের মতো গতকালও দিনের লেনদেন শুরু হয় ঊর্ধ্বমুখী ধারা দিয়ে। লেনদেনের শুরুতে প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারদর বৃদ্ধি পায়। সকাল ১১টা ১০ মিনিটে ডিএসইতে সাধারণ সূচক আগের দিনের থেকে বৃদ্ধি পায় প্রায় ১৪০ পয়েন্ট। এরপর লেনদেন হওয়া কোম্পানির শেয়ারদর কমতে থাকলেও লেনদেনের প্রথম তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বাজার সূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তবে দিনের শেষে সূচক সোমবারের তুলনায় ৬৮ দশমিক ২৮ পয়েন্ট কমে ক্লোজ হয় ৬২৪৯ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে। লেনদেন হওয়া ২৫৩টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ২১৭টির দরই কমেছে, বেড়েছে মাত্র ৩০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬টির দর। মোট লেনদেন হয়েছে ৭৯১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার শেয়ার ও সিকিউরিটিজ।
দেশের অন্য শেয়ারবাজার সিএসইতেও ছিল প্রায় একই অবস্থা। লেনদেন হওয়া ২০৩টি শেয়ারের দর কমতে থাকলেও লেনদেনের প্রথম তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বাজার সূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তবে দিনের শেষে সূচক সোমবারের তুলনায় ৬৮ দশমিক ২৮ পয়েন্ট কমে ক্লোজ হয় ৬২৪৯ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে। লেনদেন হওয়া ২৫৩টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ১৭১টির দর কমেছে, বেড়েছে ৩০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২টি। সিএসই নির্বাচিত খাত সূচক কমেছে ৭৬ পয়েন্ট। মোট লেনদেন হয়েছে ৮১ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার ও সিকিউরিটিজ।
ডিএসইতে খাতভিত্তিক লেনদেনের দিক থেকে গত ক'দিনের মতো গতকালও বীমা খাতের প্রাধান্য ছিল। গতকাল এ খাতে মোট ১১৪ কোটি ২২ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার লেনদেন হয়, যা মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল বস্ত্রখাত, লেনদেন হয়েছে ৯৬ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের শেয়ার; যা মোট লেনদেনের ১২ দশমিক ১৯ শতাংশ। এছাড়া প্রকৌশল খাতে ৮৮ কোটি, ব্যাংক খাতে ৮৪ কোটি, জ্বালানি ও শক্তি খাতে ৮৪ কোটি, লিজিং খাতে ৮০ কোটি ৬০ লাখ, ওষুধ ও রসায়ন খাতে ৫৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়।
এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড খাতে প্রায় ৪৬ কোটি টাকার ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। খাতভিত্তিক দর ওঠানামার দিক থেকে গতকাল সব খাতের শেয়ারদরই সার্বিকভাবে কমেছে। এক্ষেত্রে সর্বাধিক দর কমেছে বিবিধ খাতে। সর্বাধিক দর কমার হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। এছাড়া সার্বিকভাবে গতকালের লেনদেনে বস্ত্রখাতে ২ দশমিক ২৫, প্রকৌশল খাতে ২ দশমিক ৩১, ওষুধ ও রসায়ন খাতে ২ দশমিক ২০, লিজিং খাতে ১ দশমিক ৭৪, বীমা খাতে ১ দশমিক ৫২ এবং ব্যাংক খাতে দশমিক ৮১ শতাংশ দর কমেছে। |
|
|
|