| 03/19/2011 4:42 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
স্বাভাবিক হয়ে আসছে পুঁজিবাজার
দুর্বল কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বড় ধরনের বিপর্যয় কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থানে ফেরার আভাস দিয়ে গত সপ্তাহ পার করেছে দেশের পুঁজিবাজার। শেয়ারবাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা অনুযায়ী শেয়ারের দর ও সূচকের উত্থান-পতনের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকা বাজারের স্থিতিশীলতা ফেরার লক্ষণ বলে মনে করছেন বিশেস্নষকরা।
তাঁরা মনে করেন, বড় বিপর্যয় কাটিয়ে পুঁজিবাজার আবারও স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরছে। এই সময় বাজারের গতি-প্রকৃতিতে বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী কিংবা আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। এ সময় লোকমুখে কিছু শুনে লোভের বশে কোন বিনিয়োগ করা ঠিক হবে না। শেয়ার কেনার আগে সংশিস্নষ্ট কোম্পানির মৌলভিত্তি এবং সাম্প্রতিক লেনদেনের গতি-প্রকৃতি দেখে কেনা উচিত। বিশেষ করে দুর্বল কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরম্নরী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বিনিয়োগকারীরা আগেও দুর্বল শেয়ার কিনেছেন, এখনও কিনছেন। যার ফলে অপেক্ষাকৃত দুর্বল শেয়ারের দর বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রায় নয় শতাংশ হারে। এসব শেয়ারে বিনিয়োগে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন তিনি। তাঁর মতে, আগামী ১২ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের প্রথম কার্যর্দিবস এবং তৃতীয় কার্যদিবসে ডিএসই সাধারণ সূচক কমেছে ৫৯৯ পয়েন্ট। অপরদিকে দ্বিতীয় এবং চতুর্থ কার্যদিবসে সূচক বেড়েছে ৩৭১ পয়েন্ট। সব মিলিয়ে আগের সপ্তাহের চেয়ে সাধারণ সূচক ২২৮ পয়েন্ট কমে ৬৪১১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর আগে টানা ৬ দিনে ডিএসইর সাধারণ সূচক প্রায় ১৩০০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। সারা সপ্তাহে লেনদেন হওয়া ২৬০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ারের দর বেড়েছে ১০১টির, কমেছে ১৫৮টির ও অপরিবর্তিত ছিল একটি কোম্পানির শেয়ারের।
বাজার বিশেস্নষকদের মতে, পুঁজিবাজারে শেয়ার দরের উত্থান-পতন অস্বাভাবিক কোন ব্যাপার নয়। দিনের কোন সময়ে মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ার কেনার চাহিদা বাড়লে সূচক বাড়তে পারে। আবার এ ধরনের শেয়ারের বিক্রির চাপ বেশি থাকলে সূচক নিম্নমুখী হবে। এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। সূচক কমলেও শেয়ারবাজারে আর্থিক লেনদেন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২০৪ কোটি ৮৮ লাখ ৫৭ হাজার টাকার শেয়ার। আগের সপ্তাহে লেনদেনের গড় ছিল ১ হাজার ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। সপ্তাহের চার কার্যদিবস মিলিয়ে সর্বমোট ৪ হাজার ৮১৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর আগের সপ্তাহে পাঁচ কার্যদিবসে মোট লেনদেন হয়েছিল ৫ হাজার ৮৭ কোটি টাকা।
আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে বাজার মূলধন কমেছে ৯ হাজার ২৮৬ কোটি ৭২ লাখ ৩৫ হাজার ৭৬৭ টাকা বা ৩.১৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহের বাজার মূলধন ছিল ২ লাখ ৯৬ হাজার ২৯৮ কোটি ২৩ লাখ ১৬ হাজার ৫০৭ টাকা। গত সপ্তাহে বাজার ডিএসইর এই বাজার মূলধন ছিল ২ লাখ ৮৭ হাজার ১১ কোটি ৫০ লাখ ৮০ হাজার।
ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো_ বেঙ্মিকো, পিপলস লিজিং, বেঙ্টেঙ্, আফতাব অটোমোবাইলস, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ম্যাকসন্স স্পিনিং, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, শাইনপুকুর সিরামিকস, গ্রামীণফোন এবং গোল্ডেন সন।
দরবৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষ দশটি কোম্পানি হলো_ সিঙ্গার বাংলাদেশ, সিএমসি কামাল, চিটাগাং ভেজিটেবল, সোনালী অাঁশ, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, এ্যাকটিভ ফাইন, মেঘনা সিমেন্ট, কাশেম ড্রাইসেলস, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ ও ফিনিঙ্ ইন্সু্যরেন্স।
দর হ্রাসের দিক থেকে ১০টি কোম্পানি হলো_ ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড, পূবালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ফাইন্যান্স, নর্দান জুট ও দুলামিয়া কটন।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) মোট ২১৯টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এরমধ্যে দর বেড়েছে ১৬২টির, কমেছে ৪৮টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টির। সিএসই সাধারণ সূচক ৩ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১১৬৪৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ৩ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১৭৯৯৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে। |
|
|
| 03/19/2011 4:51 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
৫৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির চুক্তি বাতিল করেছে বিদেশী উদ্যোক্তা
সিঙ্গারের শেয়ার কিনতে পারছে না বেক্সিমকোসহ পাঁচ প্রতিষ্ঠান ও তিন ব্যক্তি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের ৫৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির লৰ্যে বেঙ্মিকোসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান ও তিন ব্যক্তির সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি বাতিল করে দিয়েছে কোম্পানির নেদারল্যান্ডসভিত্তিক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার ভোল্ড বি.ভি। প্রতিষ্ঠানটির কাছে থাকা ১২ লাখ ৩৪ হাজার ১২৪টি শেয়ার বিক্রির জন্য গত বছরের ৪ নবেম্বর চুক্তিটি স্বাৰরিত হয়েছিল।
সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এবং দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সিঙ্গার বাংলাদেশের পৰ থেকে দেয়া এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, কোম্পানির সর্ববৃহৎ উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার ভোল্ড বি.ভি গত বছরের ৪ নবেম্বর স্বাক্ষরিত শেয়ার বিক্রির চুক্তিটি বাতিল করেছে। ফলে এই চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠানটি সিঙ্গারের কোন শেয়ার বিক্রি করবে না। তবে কী কারণে চুক্তিটি বাতিল করা হয়েছে তা জানা যায়নি।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিঙ্গার বাংলাদেশের ৫৫ শতাংশ শেয়ারের মধ্যে বেক্সিমকো হোল্ডিংস ৯.৮ শতাংশ শেয়ার বা ২ লাখ ২০ হাজার ৩০টি শেয়ার, বোরাক রিয়েল এস্টেট ৪.৪ শতাংশ শেয়ার বা ১ লাখ শেয়ার, নিউ ইংল্যান্ড ইকু্যয়িটি ২ লাখ ২০ হাজার শেয়ার বা ৯.৮ শতাংশ, পিএইচপি এনওএফ কন্টিনিউয়াস গ্যালভানাইজিং মিলস লিমিটেড ২ লাখ ২০ হাজার বা ৯.৮ শতাংশ শেয়ার, ক্রিসেন্ট লিমিটেড ৮০ হাজার ৪৪৭ বা ৩.৬ শতাংশ শেয়ার জারা নামরিন ২ লাখ ২০ হাজার বা ৯.৮ শতাংশ শেয়ার, আনিকা তেহজিব ৫৩ হাজার ৬৪৭ বা ২.৪ শতাংশ শেয়ার এবং সেলিনা আলী ১ লাখ ২০ হাজার বা ৫.৩ শতাংশ শেয়ার ক্রয় করার কথা ছিল। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ৪৫০০ টাকা হিসাবে মোট ৫৫৫ কোটি ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার টাকায় এসব শেয়ার হসত্মানত্মর করার কথা।
বাজার মূল্যের প্রায় অর্ধেক মূল্যে শেয়ার বিক্রির চুক্তি করা হলেও এ বিষয়ে অনুমোদন দেয়ার জন্য ডিএসইর পৰ থেকে এসইসিতে সুপারিশ পাঠানো হয়। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী বস্নক মার্কেটে কম দরে শেয়ার হসত্মানত্মর করা হলে এসব শেয়ার বিক্রির ৰেত্রে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। কিন্তু ডিএসইর পৰ থেকে সিঙ্গারের শেয়ারের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করা হয়নি।
ভারতের সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষরে অগ্রগতি নেই
বাংলা নিউজ ডটকম ॥ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বি-পাৰিক বাণিজ্যে বিপুল ঘাটতির কোন সুরাহা হচ্ছে না। ঘাটতি কমাতে গত কয়েক বছর ধরে উভয় দেশের পক্ষ থেকে 'মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি' (এফটিএ) স্বাৰরের কথা বলা হলেও কার্যত এ ব্যাপারে কোন অগ্রগতি নেই। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ কথা জানা গেছে।
সূত্র জানায়, এফটিএ সম্পাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রকৃতপক্ষে কতটুকু লাভবান হবে_ তা খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। এ কমিটির কাছ থেকে প্রতিবেদন পাওয়ার পরই এ ব্যাপারে সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে। তবে গঠিত কমিটির কাজ কবে নাগাদ শেষ হবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু জানা যায়নি। উলেস্নখ্য, সরকারী হিসাবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের গড় বাণিজ্য ঘাটতি হচ্ছে বছরে ৩শ' কোটি ডলার। আর অবৈধ বাণিজ্য আমনে নিলে ঘাটতির পরিমাণ এর দ্বিগুণ হবে। ভারত তার মোট আমদানির মাত্র ২ শতাংশ আমদানি করে বাংলাদেশ থেকে। অন্যদিকে বাংলাদেশের মোট আমদানির ১৬ শতাংশ আসে ভারত থেকে।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ২০০৯-১০ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ ছিল ৩০ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। এর বিপরীতে ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে ৩২১ কোটি ৪৬ লাখ ডলারের পণ্য। অর্থাৎ গত অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২৯১ কোটি ডলার। এর আগের অর্থবছরে (২০০৮-০৯) বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২৫৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার। সর্বশেষ চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রানত্মিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর '১০) বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৪ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। |
|
|
| 03/19/2011 4:52 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
গুজবনির্ভর বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন
বাজার সংশ্লিষ্টদের শেয়ারবাজার সম্পর্কে মন্তব্য করা নিষিদ্ধ!
রাজু আহমেদ ॥ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বাড়িয়ে গুজবনির্ভর বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণের জন্য পেশাদার বিশেস্নষক প্রতিষ্ঠান চালু করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চালুর ব্যবস্থা থাকলেও বাংলাদেশে এখনও এ ধরনের কোন উদ্যোগ নেই। উল্টো শেয়ারবাজার সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের জন্য বাজার সম্পর্কে যে কোন ধরনের মন্তব্য নিষিদ্ধ করে রেখেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, কারসাজির মাধ্যমে অতিরিক্ত মুনাফা লাভের জন্য একাধিক জুয়াড়িচক্র দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজারে সক্রিয় রয়েছে। এদের প্রতিনিধিরা ব্রোকারেজ হাউস ঘুরে গুজব ছড়ায়। এতে আকৃষ্ট হয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট ওই কোম্পানির শেয়ার কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। এতে শেয়ারটির দর বেড়ে গেলে জুয়াড়িরা তাদের হাতে থাকা শেয়ারগুলো বিক্রি করে দেয়। আর এরপরই ওই শেয়ারের দর টানা কমতে থাকে। ফলে শেষ পর্যন্ত লোকসান দিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তাদের হাতের শেয়ার বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন। এভাবে গুজবের ভিত্তিতে শেয়ার লেনদেন করায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা না হলে গুজব বা হুজুগের ওপর ভিত্তি করে লেনদেনে এ প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।
কিন্তু বাংলাদেশে পুঁজিবাজার সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের সচেতন করা বা প্রশিৰিত করার প্রাতিষ্ঠানিক কোন উদ্যোগ নেই। এসইসি ও ডিএসইর প্রশিৰণ কর্মসূচী চালু থাকলেও প্রচারণার অভাবে তা খুব একটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। এ অবস্থায় শেয়ারবাজারে বিশেস্নষণধর্মী বিনিয়োগ প্রবণতা বাড়াতে পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চালু করা প্রয়োজন। তবে এ পর্যনত্ম নিয়ন্ত্রক সংস্থার দিক থেকে এ ধরনের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। উল্টো শেয়ারবাজার সম্পর্কে বাজার সংশিস্নষ্টদের কোন রকম মনত্মব্য নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
২০০৯ সালের ২১ অক্টোবর জারি করা এক সাকর্ুলারের মাধ্যমে এসইসি ব্রোকার, ডিলার, এ্যাসেট ম্যানেজার, মার্চেন্ট ব্যাংক কর্মকর্তা, তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর্মকর্তাসহ সবাইকে বাজার সম্পর্কে যে কোন ধরনের মনত্মব্য করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়। এ বিষয়ে এসইসির বক্তব্য হলো, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থেই এ ধরনের পদৰেপ নেয়া হয়েছে। বাজার সংশিস্নষ্টদের কোন বক্তব্য যাতে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রানত্ম বা প্রলুব্ধ করতে না পারে সে জন্যই তাদের যে কোন মনত্মব্য করতে নিষেধ করা হয়েছে।
এসইসির ওই সার্কুলারে বলা হয়, "গত কিছুদিন ধরে পুঁজিবাজারে বিপুল সংখ্যক নতুন বিনিয়োগকারী এসেছেন। বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতিও উৎসাহব্যঞ্জক। কিন্তু নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ারবাজার সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান ও সচেতনতা না থাকায় অনেকেই গুজব, কানকথা ও বিভিন্ন মহলের বক্তব্যে বিভ্রানত্ম হয়ে লেনদেন করছেন। এতে তাঁদের কষ্টার্জিত পুঁজি ঝুঁকির মুখে পড়ছে। এ ধরনের ঘটনা একদিকে বিনিয়োগকারীদের মনোবল নষ্ট করছে, অন্যদিকে পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক উন্নয়নকে বাধাগ্রসত্ম করছে।''
পুঁজিবাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে এসইসির এই মূল্যায়ন সম্পূর্ণ বাসত্মবভিত্তিক। কোন রকম পূর্ব ধারণা ছাড়াই নতুন নতুন বিনিয়োগকারী শুধু মোটা লাভের আশায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে আসছেন। শেয়ার লেনদেনের সঠিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা না থাকায় তাঁরা গুজবের ওপর ভিত্তি করে লেনদেন করেন। অধিকাংশ ৰেত্রেই এ ধরনের বিনিয়োগকারীরা শেষ পর্যনত্ম বড় রকমের আর্থিক ৰতির মুখে পড়েন। এতে শেয়ারবাজার সম্পর্কে সামগ্রিকভাবেই একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়।
নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা সৃষ্টির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাঁদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা। নতুন বিনিয়োগকারীদের যথাযথ প্রশিৰণের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে যুক্ত করতে পারলে একদিকে যেমন তাঁদের লোকসানের আশঙ্কা অনেক কমে যাবে, অন্যদিকে দেশের পুঁজিবাজারও শক্তিশালী হবে। গত দুই বছরে বিপুল সংখ্যক নতুন বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। এদের অধিকাংশই বাজার সম্পর্কে কোন পূর্ব ধারণা নিয়ে আসেননি। এই বিনিয়োগকারীদের সচেতন বিনিয়োগের পরামর্শ দেয়ার মতো তেমন কোন ব্যবস্থা এখনও দেশে গড়ে ওঠেনি। বাজার সংশিস্নষ্টরা সঠিকভাবে পরামর্শ দিয়ে এসব বিনিয়োগকারীকে সচেতন করে তুলতে পারেন।
বাজার সংশিস্নষ্টদের মনত্মব্য করা থেকে বিরত রেখে গত এক বছরে কোন লাভ হয়নি। বরং কোন কোন ৰেত্রে এর উল্টো ফল হয়েছে। কারণ বিনিয়োগকারীরা বাজার না বোঝার কারণে গুজবের পেছনেই ছুটছেন। আর এর ফায়দা নিচ্ছে সুযোগ সন্ধানীরা। |
|
|
| 03/19/2011 4:54 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Somokal
বীমা, সিমেন্ট ও সিরামিক ছাড়া সব খাতের শেয়ারদর কমেছে
সমকাল প্রতিবেদক
টানা পাঁচ সপ্তাহ দরপতনের পর মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে দরবৃদ্ধির ধারা বিনিয়োগকারীদের দুর্ভাবনা কিছুটা কমিয়েছিল। কিন্তু তৃতীয় সপ্তাহে ঢাকার শেয়ারবাজারের দরপতন বিনিয়োগকারীদের আবারও ভাবনায় ফেলে দিয়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬০টি কোম্পানির মধ্যে ১৫৮টিরই দর কমেছে। দর কমার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়েছিল ব্যাংকিং খাত। বিপরীতে বীমা খাতের সব কোম্পানির শেয়ারদরই বেড়েছে। দরহ্রাসের পরও সার্বিকভাবে শেয়ারবাজারে লেনদেন বৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে।
গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ব্যাংকিং খাতের মোট ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২৯টিরই দর কমেছে। ব্যতিক্রম ছিল ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, দর বেড়েছে আগের সপ্তাহের তুলনায় ২৬৪ টাকা, দরবৃদ্ধির হার ২০ দশমিক ৩৬ শতাংশ। যদিও সার্বিকভাবে ব্যাংকিং খাতের শেয়ারদর হ্রাসের হার ছিল ১০ শতাংশ। এ খাতে লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমেছে। গত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে মোট ৯৪৬ কোটি টাকার শেয়ার, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ। অন্যদিকে গত সপ্তাহে দর বৃদ্ধি পাওয়া ১০১টি কোম্পানির মধ্যে বীমা খাতের ৪৪টি কোম্পানিই রয়েছে। এ খাতের প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারদরই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। সার্বিক দরবৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এ খাতের সর্বাধিক দর বেড়েছে ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের। এর পরের অবস্থানে ছিল_ তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, প্রিমিয়ার ইন্স্যুরেন্স ও পিপলস ইন্স্যুরেন্স। বীমা খাতে গত সপ্তাহে লেনদেন বৃদ্ধিও ছিল উল্লেখ করার মতো। গত সপ্তাহে এ খাতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫১৫ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এর আগের কয়েক সপ্তাহে বীমা খাতের মোট লেনদেনের এ হার ছিল ৪ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে।
গত সপ্তাহে লিজিং খাতেরও প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। এ খাতের ২১টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ৫টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৬টির। তবে লেনদেনের পরিমাণ আগের মতোই রয়েছে। লেনদেন হয়েছে মোট ৬৭৮ কোটি টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৪ শতাংশ। বস্ত্র খাতের মোট লেনদেন বেড়েছে।
এ খাতের লেনদেন হওয়া মোট ২৪টি কোম্পানির মধ্যে ১২টির দর বেড়েছে, কমেছে ১২টির। সার্বিকভাবে এ খাতের শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে; বৃদ্ধির হার দশমিক ৭৮ শতাংশ। অন্য খাতগুলোর মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে_ সিমেন্ট খাতে ৫ দশমিক ২২, সিরামিক খাতে ১ দশমিক ৩১ এবং খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে দশমিক ৩৭ শতাংশ। সার্বিকভাবে দর হ্রাস পেয়েছে_ মিউচুয়াল ফান্ড খাতের, ৬ দশমিক ২২, লিজিং খাতের ৪ দশমিক ৭৮, জ্বালানি ও শক্তি খাতে ২ দশমিক ৮৬, বিবিধ খাতে দশমিক ৮৬ শতাংশ। ডিএসইতে সার্বিকভাবে গত সপ্তাহে দর হ্রাসের হার ছিল ৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ। 'জেড' ক্যাটাগরির শেয়ার ছাড়া অন্যান্য কোম্পানির শেয়ার ও সিকিউরিটিজের দর সার্বিকভাবে কমেছে ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ।
ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের পর গত সপ্তাহ পর্যন্ত ১৫ সপ্তাহের মধ্যে ডিএসইতে ১২ সপ্তাহে সার্বিকভাবে শেয়ারদর কমেছে আর বেড়েছে মাত্র তিন সপ্তাহ। অব্যাহত এ দরপতনের ফলে অনেক বিনিয়োগকারী নিজস্ব পুঁজির বৃহৎ অংশ হারিয়েছেন। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, সহসাই হয়তো শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু কী করে_ সে প্রশ্নের উত্তর তাদেরও জানা নেই। |
|
|
| 03/19/2011 5:00 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
Sunday, March 20, 2011
BusinessStocks pass volatile week
Star Business Report
Stocks passed a volatile week as the benchmark yardstick of the prime bourse lost 3.42 percent because the confidence of investors turned topsy-turvy.
The general index of Dhaka Stock Exchange (DGEN) decreased by 227 points week-on-week to 6,411.92 points.
The index witnessed a large downslide last week, breaking with the previous week's strong rally. The DSE on Sunday lost 459.66 points or 6.92 percent in the wake of rumours that the state-run Investment Corporation of Bangladesh (ICB) failed to form the much-talked-about fund.
However, the government quickly refuted the rumour and the market responded positively on Monday.
Professor Mahmud Osman Imam, who teaches finance at Dhaka University, said: "Some low-profile companies shares behaved unusually.”
"Investors should stop investing in those low-profile companies." Imam also said some market manipulators manipulate those companies easily because of their vulnerability.
The surveillance and the market monitoring committee should work efficiently to foil market manipulation, said Osman.
Trade volume improved moderately last week although the trading week was cut short by one day because of a public holiday to mark the birth anniversary of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman.
The total turnover was only 5.3 percent lower while average daily turnover of the week was 18.4 percent higher compared to the previous week.
The daily average turnover of the week stood at Tk 1,204.88 crore, compared with Tk 1,017.55 crore of the previous week.
Most of the major sectors retraced this week: banks lost 8.12 percent, non-bank financial institutions 2.8 percent, telecoms 5.87 percent, pharmaceuticals 2.91 percent, fuel and power 4.37 percent and tannery 2.82 percent.
However, insurance companies had a good week as general insurances and life insurances gained 9.30 percent and 3.65 percent respectively.
Of the total 260 issues traded last week on the DSE, 101 advanced, 158 declined and one remained unchanged.
Beximco topped the turnover leaders with 79.11 lakh shares worth Tk 234.99 crore traded through the week.
The other turnover leaders of the week were People's Leasing and Financial Services, Bextex, Aftab Automobiles, United Airways, Maksons Spinning Mills, Union Capital, Shinepukur Ceramics, Grameenphone and Golden Son.
Singer Bangladesh was the biggest gainer of the week, posting a 42.96 percent rise in its share price, while One Bank was the worst loser, slumping by 40.08 percent.
|
|
|
| 03/19/2011 5:03 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Star
Sunday, March 20, 2011
Pharma securities lucrative on stockmarket
Sarwar A Chowdhury
Most of the listed companies on Dhaka Stock Exchange (DSE) under the “pharmaceuticals and chemicals” segment are treated like lucrative scrip, although the sector accounts for less than 3 percent of the total market capitalisation.
High performances or earnings, good dividend payout ratios and handsome capital gains achieved by the retail investors of pharma securities make the companies so lucrative.
Of the 20 listed companies in pharmaceuticals and chemicals sector, 18 trade under A-category -- an area for good performing companies that pay dividend at a rate of 10 percent and above.
Market experts said export growth and potentiality are the main strengths of the sector.
"Pharmaceuticals is one of the sectors in Bangladesh that have tremendous export potential," said Professor Mahmud Osman Imam, who teaches finance at Dhaka University.
He said exports from the sector are worth around $0.8 billion now, and a big export market of $10 billion is open for the country until 2017.
The growth and potentiality also leave an impact on the share prices of the listed pharmaceutical companies, he said.
“Most of the listed pharma companies are in a position to offer or declare good dividends because of their earnings growth,” he said.
Many of them are producing new products to meet the demand of the international markets as well as local market that make these securities lucrative to the investors, Imam added.
Akter H Sannamat, another market analyst, said: "A huge export of pharmaceuticals inspired the investors to pour more money into the sector."
Strong growth rates increase the companies' profitability and also the ability to give good dividends, he said.
Sannamat also said Bangladeshi pharmaceutical companies produce drugs approved by the International Organisation for Standardisation (ISO) for which they become able to maintain a strong growth trend.
The sector is not only lucrative to the local investors, foreign investors also prefer to invest there.
Recently, managers of a Swiss fund, who invested around 10 million euros in Bangladesh stockmarket in the last four months, said pharmaceuticals companies were their first choice for investment as the sector's performance and future prospects were good.
Merchant bankers, who also work as issue managers in listing new companies, said some of them are working with a few local drug and chemical manufacturing companies to float initial public offering (IPO).
Orion Laboratories was preparing to launch IPO before the suspension of the book building system.
|
|
|
| 03/19/2011 5:19 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | প্রত্যাশিত ডিভিডেন্ড না পাওয়ায় হতাশ বিনিয়োগকারীরা
-----------------------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৫ কোম্পানি গত এক সপ্তাহে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। কিন্তু এর মধ্যে ৪টি কোম্পানিই আগের বছরের চেয়ে তুলনামূলক কম ডিভিডেন্ড দিয়েছে। প্রত্যাশিত ডিভিডেন্ড না পাওয়ায় গত সপ্তাহে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। ফলে সূচকের ওঠানামা দিয়ে সপ্তাহ শেষ হয়েছে।
জানা গেছে, গত সপ্তাহে ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা কোম্পানিগুলো হলো- যমুনা ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, সিঙ্গার বাংলাদেশ, উত্তরা ব্যাংক ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম। এর মধ্যে সিঙ্গার বাংলাদেশ ছাড়া বাকি ৪টি কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা হতাশ করেছে বিনিয়োগকারীদের।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায, যমুনা ব্যাংক ২০১০ সালের জন্য গত সপ্তাহে ২২ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে। আগের বছর এ কোম্পানি ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছিল। এনসিসি ব্যাংক এ বছরের জন্য ৩২ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে। আগের বছর এ কোম্পানি ৪৭ শতাংশ বোনাস দিয়েছিল।
উত্তরা ব্যাংক এ বছরের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস দিয়েছে। আগের বছর এ কোম্পানি ৫০ শতাংশ বোনাস দিয়েছিল। মেঘনা পেট্রোলিয়াম এ বছর ৪৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস দিয়েছে। আগের বছর এ কোম্পানি ৪০ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস দিয়েছিল।
শুধুমাত্র সিঙ্গার বাংলাদেশ তুলনামূলক ভালো ডিভিডেন্ড দিয়েছে। এ বছর কোম্পানিটি ৬০০ শতাংশ নগদ ও ৭৫ শতাংশ বোনাস দিয়েছে। আগের বছরে এ কোম্পানি ৯০ শতাংশ নগদ দিয়েছিল।
বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১০ সালের ডিসেম্বরে এসে পুঁজিবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসে। এতে বিনিয়োগকারীরা ৫০ শতাংশেরও বেশি মূলধন হারান। এতে বাজার বিমুখ হয়ে ওঠে বিনিয়োগকারীরা। তবে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও লাভবান হয় কোম্পানিগুলো। কারণ গত এক বছরের চাঙ্গা বাজারে কোম্পানিগুলো ভালো মুনাফা অর্জন করে।
বিশেষ করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সবচেয়ে বেশি মুনাফা তুলে নেয়। ফলে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিয়ে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও সরকার থেকে কোম্পানিগুলোকে ভালো ডিভিডেন্ড দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম দিকে ব্যাংকগুলো থেকে ভালো ডিভিডেন্ডের ঘোষণা আসতে শুরু করে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করে। কারণ আগের বছরের তুলনায় এ বছরে বোনাস শেয়ার বেশি দেওয়া হলে বিনিয়োগকারীরা লোকসান কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে।
তবে ডিভিডেন্ড ঘোষণার শেষ দিকে এসে এ ধারাবাহিকতা থাকেনি। গত সপ্তাহে ঘোষণা করা ৩ ব্যাংকের ডিভিডেন্ড হতাশ করেছে বিনিয়োগকারীদের। এর নেতিবাচক প্রভাবে ওই দিন বাজারে সূচকের পতনও ছিল লক্ষনীয়। প্রত্যাশিত ডিভিডেন্ড না আসায় বিনিয়োগকারীদের এসব কোম্পানি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রবণতাও ছিল বেশি। এতে আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে এসব কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে।
যমুনা ব্যাংকের আগের সপ্তাহে সর্বশেষ শেয়ার দর ছিল ৪৯ টাকার মধ্যে। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এর শেয়ার দর হয় ৪২ টাকা ২০ পয়সা। সপ্তাহের ব্যবধানে দর কমেছে প্রায় ৭ টাকা।
এনসিসি ব্যাংকের আগের সপ্তাহে সর্বশেষ শেয়ার দর ছিল ৫৯ টাকা ৬০ পয়সা। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এর শেয়ার দর হয় ৫৪ টাকা ২০ পয়সা। সপ্তাহের ব্যবধানে দর কমেছে প্রায় ৫ টাকা।
উত্তরা ব্যাংকের আগের সপ্তাহে সর্বশেষ শেয়ার দর ছিল ১২১ টাকা। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এর শেয়ার দর হয় ৯৭ টাকা ৫০ পয়সা। সপ্তাহের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ২৩ টাকা ৫০ পয়সা।
মেঘনা পেট্রোলিয়ামের আগের সপ্তাহের সর্বশেষ শেয়ার দর ছিল ১৯৭ টাকা ৯০ পয়সা। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এর শেয়ার দর হয় ১৯০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে দর কমেছে প্রায় ৮ টাকা।
এদিকে ভালো ডিভিডেন্ড ঘোষণা করায় সিঙ্গার বাংলাদেশের গতি ছিল উল্টো পথে। আগের সপ্তাহে এ কোম্পানির শেয়ার দর ছিল ৫ হাজার ৪০০ টাকার মধ্যে। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এর দর হয় ৭ হাজার ৬৬৭ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে দর বেড়েছে ২ হাজার ২৬৭ টাকা।
বাংলাদেশ সময়: ১৫০২ ঘণ্টা, মার্চ ১৯, ২০১১
|
|
|
| 03/19/2011 5:29 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ৬ কোম্পানির এজিএম-ইজিএম চলতি সপ্তাহে
----------------------------------------------------
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন তারিখে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৬টি কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও অতিরিক্ত সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী ২০ মার্চ রোববার সকাল ১০টায় এয়ারপোর্ট রোডের আর্মি গলফ ক্লাবে আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটি গত অর্থ বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ১০ ফেব্রুয়ারি।
আগামী ২২ মার্চ সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ব্যাংকটি গত অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ৬ মার্চ।
আগামী ২৩ মার্চ সকাল ১০টায় রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ঢাকা ডায়িং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের ইজিএম অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানিটি এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১ আর : ১ হারে রাইট শেয়ার দিয়েছে। এজন্য রেকর্ড ডেট ছিল গত ১২ জানুয়ারি।
আগামী ২৪ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর দিলকুশার বিসিআইসি অডিটোরিয়ামে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লিমিটেডের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট ছিল গত ৬মার্চ।
একইদিন সকাল ১০টায় সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ব্যাংকটি গত অর্থ বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ২৭ ফেব্রুয়ারি।
আগামী ২৪ মার্চ সকাল ১০টায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে ব্র্যাক ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। ব্যাংকটি গত অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ৬ মার্চ।
বাংলাদেশ সময় : ১৪৩৯ ঘণ্টা, মার্চ ১৯, ২০১০
|
|
|
| 03/19/2011 5:31 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা সংশোধন : প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের প্লেসমেন্ট বরাদ্দের সীমা তুলে দেয়া হয়েছে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
মিউচুয়াল ফান্ডের প্রাইভেট প্লেসমেন্ট বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সীমা তুলে দেয়া হয়েছে। এর ফলে প্লেসমেন্টের মাধ্যমে এখন থেকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান যে কোনো সংখ্যক বা যে কোনো পরিমাণে (টাকার অঙ্কে) মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট বরাদ্দ নিতে পারবে। এর আগে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকার ইউনিট বরাদ্দ নিতে পারত। ১৪ মার্চ সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচুয়াল ফান্ড) বিধিমালা-২০০১ সংশোধন করে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। একইসঙ্গে প্রজ্ঞাপনে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীর ক্ষেত্রেও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইউনিট বরাদ্দের সীমা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে একক ব্যক্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার ইউনিট বরাদ্দ দেয়া যাবে। এর আগে এ সীমা ছিল সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা। ইউনিট বরাদ্দপ্রাপ্তদের চূড়ান্ত তালিকা প্রসপেক্টাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে প্রাইভেট প্লেসমেন্ট সম্পর্কে বলা হয়েছে, মিউচুয়াল ফান্ডের প্রাইভেট প্লেসমেন্টে সংশ্লিষ্ট ফান্ডের উদ্যোক্তার বাইরে অতালিকাভুক্ত কোম্পানি বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার অনুকূলে (শুধু নিজস্ব পোর্টফোলিওর ক্ষেত্রে) বরাদ্দের কোনো সীমা থাকবে না। তালিকাভুক্ত কোম্পনি ও মিউচুয়াল ফান্ডের অনুকূলে (শুধু নিজস্ব পোর্টফোলিওর জন্য, তবে মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে সংরক্ষিত কোটা প্রযোজ্য হবে না) বরাদ্দের কোনো সীমা থাকবে না। এছাড়া রেজিস্টার্ড ট্রাস্ট ফান্ড, পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও সুপার এনুয়েশন ফান্ডের অনুকূলে (শুধু নিজস্ব পোর্টফোলিওর জন্য) বরাদ্দের ক্ষেত্রেও কোনো সীমা থাকবে না। মিউচুয়াল ফান্ডের প্রসপেক্টাসে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইউনিট বরাদ্দপ্রাপ্তদের চূড়ান্ত তালিকা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
প্রজ্ঞাপনে মিউচুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশ ঘোষণা ও বিতরণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মিউচুয়াল ফান্ডের ট্রাস্টি বোর্ডের যে সভায় নিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব বিবরণী অনুমোদিত হবে সেই একই সভায় সংশ্লিষ্ট বর্ষের জন্য লভ্যাংশ প্রদান, রেকর্ড ডেট সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ঘোষণা করতে হবে। কমিশনের পূর্বানুমোদন ছাড়া ঘোষিত লভ্যাংশ ও রেকর্ড ডেট পরিবর্তন করা যাবে না। বোনাস বা রাইট শেয়ার প্রদানের যোগ্য মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর এ ধরনের ঘোষণা দিতে চাইলেও ফান্ডের আর্থিক বিবরণী অনুমোদনের সঙ্গে একই সভায় তা নির্ধারণ করতে হবে। এ ধরনের ঘোষণা কার্যকর করার ক্ষেত্রে এসইসির পূর্বানুমোদন গ্রহণের বাধ্যবাধকতা থাকায় ট্রাস্টি বোর্ডের ঘোষণার সময় একইসঙ্গে প্রকাশ বা প্রচার করতে হবে যে, এসইসির অনুমোদন সাপেক্ষে বিষয়টি কার্যকর হবে। কমিশনের অনুমোদন পাওয়ার পরও তা সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় প্রকাশ বা প্রচার করতে হবে। এক্ষেত্রে অনুমোদন পাওয়া না গেলে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাস্টি বোর্ড সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ব্যাপারে পুনরায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ঘোষণা করবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মিউচুয়াল ফান্ডের লভ্যাংশসহ ট্রাস্টি বোর্ডের যে কোনো মূল্য সংবেদনশীল সিদ্ধান্ত স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শেষে অথবা লেনদেন বন্ধ থাকার দিন গ্রহণ করতে হবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর ৩০ মিনিটের মধ্যে ফ্যাক্স ও বিশেষ বার্তাবাহক মারফত কমিশন ও সব এক্সচেঞ্জকে অবহিত করতে হবে। পাশাপাশি পরদিন কমপক্ষে ৩টি বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করতে হবে। ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ ট্রাস্টি বোর্ডে অনুমোদনের পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ইউনিটহোল্ডারদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে ইউনিটহোল্ডারের পছন্দ অনুযায়ী নগদ লভ্যাংশ তার ব্যাংক হিসাবে জমা করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠাতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কোনো সার্ভিস চার্জ আরোপ করলে তা ইউনিটহোল্ডারকে বহন করতে হবে। ব্যাংক হিসাবে নগদ লভ্যাংশ পাঠানোর সময় একইসঙ্গে ইউনিটহোল্ডারের কাছে একটি অবহিতকরণপত্র ইস্যু করতে হবে। এতে উেস কর কর্তন, নগদ লভ্যাংশ পাঠানোর তারিখ, পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নাম ইত্যাদি বিষয় বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে। |
|
|
| 03/19/2011 5:34 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Amar Desh
বুকবিল্ডিং নিয়ে এসইসিতে বৈঠক কাল
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনের খসড়া চূড়ান্তকরণে আগামীকাল সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কার্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পদ্ধতিটির সংশোধনে সংশ্লিষ্টদের মতামত নেয়ার জন্য এ বৈঠক ডেকেছে এসইসি। এতে স্টক এক্সচেঞ্জ, মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতে খসড়া সংশোধনী চূড়ান্ত করে তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে এসইসি।
প্রসঙ্গত, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের প্রাথমিক দর নির্ধারণে কারসাজির অভিযোগের প্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রালয়ের সুপারিশে গত ২০ জানুয়ারি তা স্থগিত করে দেয় এসইসি। একইসঙ্গে এ পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তির সুযোগও বাতিল করা হয়। তবে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন করে তা চালু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এসইসির পক্ষ থেকে এ পদ্ধতিটির সংশোধনে কিছু সুপারিশ তৈরি করা হয়েছে। এসব সুপারিশের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত নেয়ার জন্যই আগামীকাল এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এসইসির সংশোধিত প্রস্তাবে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত এবং প্রকৃত সম্পদমূল্যকে (এনএভি) বিবেচনায় নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পিই ১৫ এবং এনএভির ৫ গুণের মধ্যে যেটি কম হবে নির্দেশক মূল্য তার চেয়ে বেশি হতে পারবে না। এছাড়া বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওতে আগ্রহী কোম্পানির এসইসির কাছে জমা দেয়া নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে কোম্পানির সঙ্গে স্বার্থসংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন কেউ কমিটির সদস্য হতে পারবে না। এসইসির সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কমিটিতে পর্যবেক্ষক হিসাবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
বিডিং প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিপরীতে বরাদ্দকৃত শেয়ারের বিক্রির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা (লক ইন) ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া চূড়ান্ত বিডিংয়ের পর আইপিওর মাধ্যমে চাঁদা গ্রহণ ২৫ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিডিংয়ের সময় ৩ দিনের পরিবর্তে ২ দিন করা হয়েছে এসইসির সংশোধিত প্রস্তাবে। বিডিং প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজারকে আইপিওর জন্য শেয়ারের প্রস্তাবিত মূল্যসহ (কাট অব প্রাইস) চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তাব এসইসিতে জমা দিতে হবে। রোড শো আয়োজনের অন্তত ৫ দিন আগে মুদ্রিত প্রাথমিক খসড়া প্রসপেক্টাস মনোনীত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সমিতির কাছে পাঠাতে হবে। এতে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য উল্লেখ করা যাবে না। নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি, কোম্পানির সহযোগী বা অঙ্গপ্রতিষ্ঠান অথবা পরিচালকদের স্বার্থসংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের জন্যই বুকবিল্ডিং পদ্ধতিটি চালু করা হয়েছিল। কিন্তু পদ্ধতির মাধ্যমে কোম্পানিগুলো বাজার থেকে অতিরিক্ত মুনাফা তুলে নিচ্ছে বলে ব্যাপক অভিযোগ ওঠে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে এসইসির হস্তক্ষেপের বিধান না থাকায় কোম্পানির মৌলভিত্তির চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দামে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের সুযোগ পেয়ে যায়। ইস্যু ম্যানেজার, নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইস্যুয়ার ও বিডিং প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়া বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী পারস্পরিক যোগসাজশে কোম্পানির শেয়ারের অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণ করে বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়ার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে এ পদ্ধতিটিকে। এরই মধ্যে এ পদ্ধতিতে বাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে আর এ কে সিরামিকস, ওশ্যান কনটেইনার লিমিটেড এবং খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। এছাড়া আইপিও প্রক্রিয়া শেষে তালিকাভুক্ত হওয়ার পথে রয়েছে এমআই সিমেন্ট এবং মবিল যমুনা লুব্রিকেন্টস। |
|
|
| 03/19/2011 6:11 pm |
 Senior Member

Regist.: 01/10/2011 Topics: 5 Posts: 13
 OFFLINE | FE REPORT
Banks' stock market exposure declines
Siddique Islam
The commercial banks' exposure to the capital market has declined in recent months following continuous monitoring by the central bank.
The average investment in stocks of all 47 scheduled banks came down to 3.7 per cent in February, from 5.0 per cent of the previous month, according to the Bangladesh Bank (BB) statistics.
Under the existing act, banks are not allowed to invest more than 10 per cent of their total liabilities in the capital market.
Currently, at least five private commercial banks (PCBs) have investment in stocks worth more than 10 per cent of their respective liabilities, violating the permissible limit, central bank officials said.
"Three PCBs, out of five, are expected to bring down their exposure in April, after launching their own subsidiaries to deal with capital market business," a senior official of the BB told the FE.
The BB official also said three PCBs launched their subsidiaries this month, and it will be shown in their reports in April.
"Other two PCBs will be able to bring down their holding by the end of the next month. The central bank is closely monitoring the performance of all the banks in this connection," he said.
A total of 11 PCBs, which have exceeded the exposure limit, have been identified since June last.
"It is a good news that the banks have been gradually reducing their investments in the country's capital market without disturbing the market," another BB official said.
"The capital market investment of the banks has been calculated using marking to market system to minimise their credit risk," he added.
Marking to market or mark to market system is a process of calculation to determine the market value of assets.
|
|
|
| 03/20/2011 4:56 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | ফাস্ট লিজ ফাইন্যান্স লভ্যাংশের ঘোষণা
ঢাকা, ২০ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম):
ফাস্ট লিজ ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ২৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ২০১০ সালের জন্য প্রতিষ্ঠানটির ঘোষিত লভ্যাংশের তথ্য রোববার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, ফাস্ট লিজ ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২১ এপ্রিল ১১টায় রাজধানীর ট্রাস্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া এজিএমের রেকর্ড ডেট ২৯ মার্চ। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩৪.৪৫ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য (এনএভি) ১৯৭ টাকা।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এইচএমএম/ এআই/ ১৩.০৫ঘ)
|
|
|
|