| 04/17/2011 1:58 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Stocks close lower on DSE
FE Report
Dhaka stocks closed in negative territory Sunday with low turnover as investors booked profit in the major sectors. This was consecutive two sessions loss in the prime bourse of the country.
Market insiders said, although there were some glimpses of rise in the intra-day trading, the market closed negative mainly due to concern over National Board of Revenue's (NBR) move to scrutiny more than 100 leading share investors who availed of tax exemption opportunity that was offered in 2009 with a condition to hold the investment for two consecutive years.
The market opened with a negative note in the morning. However, it back to positive terrain within five minutes and gained more than 50 points at about 11.30am. After that the DGEN gradually fell amid moderate ups and down and finally closed 39 points lower.
At the end of the day, the benchmark DSE General Index (DGEN), the yardstick of the DSE lost 39.37 points or 0.62 per cent to 6,346.99.
The broader All Shares Price Index (DSI) went down by 28.49 points or 0.54 per cent to close at 5,274.64. The DSE-20 index comprising blue-chip shares lost 16.07 points or 0.41 per cent to 3,914.97.
Ahmad Rashid Lali, managing director of Rashid Investment Services said though the market closed negative, the market's behavior is rational and it's a normal price correction.
"The market closed negative as investors booked profit from major sectors and it's a normal price behaviour," said Ahmad Rashid Lali, also a DSE director.
|
|
|
| 04/17/2011 1:59 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | DSE news in brief
Dividends
Green Delta Insurance: The board of directors of Green Delta Insurance has recommended 40 per cent cash dividend for the year that ended on December 31, 2010. The annual general meeting (AGM) of the company will be held at Hotel Purbani International, 1, Dilkusha C/A, Dhaka-1000 at 11:00am on June 15. The record date is April 28. The company has stated EPS of Tk 12.31, NAV per share of Tk 76.60 and NOCFPS of Tk 3.14 for the year that ended on December 31, 2010 as against Tk 5.70, Tk 52.41 and Tk 1.62 respectively for the year that ended on December 31, 2009.
Mercantile Insurance: The board of directors of Mercantile Insurance Company Ltd has recommended 12 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The AGM of the company will be held at BIAM Foundation, 63, New Eskaton, Dhaka-1000 at 11:00am on June 27. The record date is April 27. The company stated EPS of Tk 20.69, NAV per share of Tk 160.69 and NOCFPS of Tk 23.14 for the year that ended on December 31, 2010.
Cos' board meet
Bata Shoe: A meeting of the board of directors of Bata Shoe will be held on April 21, 2011 at 3:00pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.
Takaful Islami Ins: A meeting of board of the directors of Takaful Islami Insurance Limited will be held on April 24, 2011 at 3:30pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.
Offer to sell shares
Islamic Finance: Md Shafiqul Islam, one of the sponsors/directors of Islamic Finance & Investment Ltd, has expressed his willingness to sell 10,000 shares out of his total holdings of 1,00,046 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
Islamic Finance: Rezakul Haider, one of the sponsors/directors of Islamic Finance & Investment Ltd, has expressed his willingness to sell 12,000 shares out of his total holdings of 1,31,146 shares of the company at prevailing market price through Stock Exchange within next 30 working days.
NCC Bank: ANM Alamgir, one of the sponsors of NCC Bank Limited, has expressed his willingness to sell 600,000 shares out of his total holdings of 1,204,990 shares while Din M Rana, one of the directors of the bank, has expressed his willingness to buy 600,000 shares (in the block market) of the bank at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
NCC Bank: Aslam-ul-Karim, one of the sponsors of NCC Bank Limited, has expressed his willingness to sell 65,000 shares out of his total holdings of 21,25,130 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
BSRM Steels: Bangladesh Steel Re-Rolling Mills Ltd, one of the corporate sponsors/directors of BSRM Steels Limited, has expressed its willingness to sell 1,00,000 shares (bonus shares) out of its total holdings of 91,34,105 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
BSRM Steels: Tehseen Zohair Taherali, one of the directors of BSRM Steels Limited, has expressed her willingness to sell 7,500 shares (bonus shares) out of her total holdings of 4,74,432 shares of the company at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
Completion of shares sale
Mohammed Iqbal, one of the sponsors/directors of Continental Insurance Ltd, has stated that he has completed his sale of 10,000 shares of the company at prevailing market price through stock exchange as announced earlier.
Spot trading
Trading of the shares of Shahjalal Islami Bank Ltd will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from today (Monday) to April 20. Trading of the shares of the bank will remain suspended on record date on April 21.
Suspension of trading
Trading of the shares of Fidelity Assets & Securities Company Ltd will remain suspended on record date today (Monday).
Resumption of trading
Normal trading of the shares of Sonargaon Textiles will resume today (Monday) after record date.— DSE Online
|
|
|
| 04/17/2011 2:00 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | অবশেষে অনুমোদন পেতে যাচ্ছে সালমানের নর্দার্ন পাওয়ার
ঢাকা, ১৭ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): অবশেষে সব সমালোচনা থোড়াই কেয়ার করে সালমান রহমানের নর্দার্ন পাওয়ারকে অনুমোদন দিতে যাচ্ছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। সাম্প্রতিক তদন্তে যে প্রাইভেট প্লেসমেন্টকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে সেই প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউসনের আবেদন অনুমোদন হতে পারে আগামীকাল সোমবার। সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নিয়মিত সভার কার্যতালিকায় নর্দার্ন পাওয়ারের আবেদনটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের বন্ড ছাড়ার অনুমোদন দেয়ার বিষয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার উপরে বিভিন্ন মহলের চাপ রয়েছে।
গত ৬ এপ্রিল সালমান এফ রহমানের নর্দার্ন পাওয়ারের রূপান্তরিত বন্ড ছেড়ে টাকা উত্তোলনের প্রস্তাবপত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি থাকায় তা অনুমোদন দেয়নি এসইসি।
এর আগে সালমান এফ রহমানের নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড রূপান্তরযোগ্য বন্ড ইস্যু করে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ৩০ মার্চ এসইসিতে একটি আবেদনপত্র জমা দেয়। একইসঙ্গে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) বন্ডটির ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের অনুমোদনে আবেদন করে। ওই আবেদন পাওয়ার পরপরই তড়িঘড়ি করে বন্ডটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু করে এসইসি। আবেদন পাওয়ার পর মাত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের জন্য আইসিবিকে অনুমতি দেয়া হয়। একই দিন বন্ড ইস্যু করে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদনের জন্য সব আয়োজন সম্পন্ন করে কমিশনের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু ওই দিন একজন সদস্য অনুপস্থিত থাকায় বৈঠকের কোরাম পূর্ণ না হওয়ায় বৈঠকের তারিখ পুনর্নিধারণ করা হয়।
এসইসিতে দেয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ। ৬ মাসের অবকাশকালসহ (গ্রেস পিরিয়ড) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে সাড়ে ৪ বছর। অবকাশকাল শেষে প্রতি তিন মাস পর পর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করা হবে। প্রতি এক বছর পর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে। মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কোম্পানির শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে বন্ডে বিনিয়োগকারীরা অভিহিত মূল্যে (১০ টাকা) নর্দার্ন পাওয়ারের শেয়ার পাবেন। নর্দার্ন সলিউশনের প্রায় অর্ধেক অংশের মালিক সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন বেক্সিমকো টেক্সটাইল। এসইসির অনুমোদন সাপেক্ষে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন গত বছরের ডিসেম্বরে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১ কোটি টাকা থেকে ৯০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৯১ কোটি টাকায় উন্নীত করে।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, এসইসির বিধি অনুযায়ী কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা পূর্ণ হলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক। গত ডিসেম্বরে কোম্পানিকে ৯০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দেয়ার সময় এসইসি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসার শর্ত বেঁধে দিয়েছিল। ফলে নর্দার্ন পাওয়ারকে এক বছর পরই পুঁজিবাজারে আসতে হবে। কোম্পানির আইপিওতে অভিহিত মূল্যের অতিরিক্ত (প্রিমিয়াম) অর্থ সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্তির পর শেয়ারবাজারে কোম্পানির শেয়ার অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি দরে লেনদেন হওয়াই স্বাভাবিক। ওই সময় কোম্পানির ইস্যুকৃত বন্ডকে অভিহিত মূল্যে শেয়ারে রূপান্তর করা হলে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের পাশাপাশি বন্ডে বিনিয়োগকারীরাও পুঁজিবাজার থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা তুলে নেয়ার সুযোগ পাবেন। তালিকাভুক্তির আগেই কোম্পানির উদ্যোক্তা ও তাদের ঘনিষ্ঠজনদের জন্য বিপুল মুনাফার সুযোগ তৈরি করে রাখার জন্যই রূপান্তরযোগ্য বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে বলে কেউ কেউ ধারণা করছেন।
জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১২ অক্টোবর নর্দান পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রাথমিকভাবে এ কোম্পানির উদ্যোক্তা ছিলেন রাজশাহী থেকে নির্বাচিত সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হক। প্রাথমিকভাবে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ছিল ৫০ লাখ টাকা। এরমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের নামে ৪০ লাখ এবং তার স্ত্রী তহুরা হকের নামে ১০ লাখ টাকার শেয়ার ছিল। পরে বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বেক্সটেক্স লিমিটেডের কাছে ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। এরপর গত বছরের ডিসেম্বরে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৯০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৯১ কোটি টাকা উন্নীত করার জন্য এসইসিতে আবেদন করা হয়। ২৭ ডিসেম্বর এসইসির পক্ষ থেকে এরমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের নামে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার শেয়ার ইস্যু করে ৪৫ কোটি ৩ লাখ টাকা এবং বেক্সটেক্স লিমিটেডের নামে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার শেয়ার ইস্যু করে ৪৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু এসইসি শুধুমাত্র বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দিলেও কোম্পানির পরিচালকরা শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেন।
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি (আরজেএসসি) থেকে প্রাপ্ত রিটার্ন অব এলটমেন্টে দেখা যায়, এসইসির পক্ষ থেকে দুই শেয়ারহোল্ডারের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দিলেও কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার সংখ্যা বেড়ে ৮-এ দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে রয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক (৪৯.৮৭%), বেক্সটেক্স লিমিটেড (৪৯.৯৭%), তহুরা হক (০.১১%), মোসলেহউদ্দীন (০.০১%), মমিনুল ইসলাম (০.০১%), নিউ ইংল্যান্ড ইক্যুয়িটি লিমিটেড (০.০১%), শোর ক্যাপিটাল হোল্ডিংস লিমিটেড (০.০১%) এবং ক্রিসেন্ট লিমিটেড (০.০১%)।
উল্লেখ্য, শেয়ারবাজারের সামপ্রতিক ধসের নেপথ্যের নায়কদের চিহ্নিত করতে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে প্লেসমেন্ট বাণিজ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়। এ প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের মাধ্যমে বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কারসাজি সংঘটিত হয়েছে বলে তদন্ত রিপোর্টে উঠে এসেছে। তার পরেও আবার নতুন করে এ রূপান্তরযোগ্য বন্ড গঠনের আড়ালে প্লেসমেন্ট ব্যবসার অনুমোদন এসইসির কার্মকা-কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। |
|
|
| 04/17/2011 2:00 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদন পেতে পারে আজ
ঢাকা, ১৯ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) প্রস্তাবিত ৫ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন (ওপেন এন্ডেড) মিউচ্যুয়াল ফান্ডটি আজ সোমবার অনুমোদন দিতে পারে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসইসি'র এক শীর্ষ কর্মকর্তা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বাংলাদেশ ফান্ডের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি ফান্ডটির অনুমোদনের জন্য গত ২৯ মার্চ এসইসিতে পাঠায়।
তবে ফান্ডটি এসইসি অনুমোদন দিলেও তা কতদিনের মধ্যে বাজারে আসতে সক্ষম হবে এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এছাড়া ফান্ডটি গঠনের ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এক হাজার ২০০ কোটি টাকার আশ্বাস পাওয়া গিয়েছে। যা বাংলাদেশ ফান্ডের প্রস্তাবিত আকারের চেয়ে ৩ হাজার ৮শ কোটি টাকা কম। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে মৌখিকভাবে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনে অর্থ প্রদানের বিষয়ে আশ্বাস পাওয়া গিয়েছে বলে আইসিবি'র পক্ষ থেকে জানানো হয়। তবে এ অর্থ কত দিনের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।
ফান্ডটি গঠনের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিষয়ে ছাড় চেয়েছে ফান্ডটির উদ্যোক্তা আইসিবি। যে সকল বিষয়ে ছাড় চাওয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা- ২০০১'র কিছু বিধির বিষয়ে ছাড়, ফান্ডে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ উৎস জানতে না চাওয়া, কর অব্যাহতি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির শেয়ারের জন্য কোটা দাবির মতো কিছু বিষয়ে ছাড়। এ ছাড়গুলোর বিষয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারণী বিষয় জড়িত থাকায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা আরো জানান, আইসিবি যে সকল বিষয়ে ছাড় চেয়েছে, সেগুলোর মধ্যে কিছু জায়গাতে এসইসি ছাড় নাও দিতে পারে। সকল বিষয়ে ছাড় দেয়া হবে এটি আইসিবি আশা করতে পারে না। তবে বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদন দেয়ার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে কোনো ইচ্ছার অভাব নেই বলেও জানান তিনি।
এদিকে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের ক্ষেত্রে ট্রাস্টি, কাস্টোডিয়ান, আন্ডারাইটার ও স্পন্সর একই প্রতিষ্ঠানে হওয়াতে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ আইসিবির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। যার প্রতিফলন ঘটেছে কারসাজির নেপথ্যের নায়কদের খুঁজে বের করতে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে। এর আগে আইসিবি সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ছয়শ কোটি টাকা বাজারে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাই নতুন করে বড় আকারের একটি ফান্ড আইসিবি'র হাতে চলে গেলে তা আইসিবি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হবে কি-না এ বিষয়ে সন্দেহ থেকে যায়।
এদিকে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা- ২০০১ অনুযায়ী অনুমোদন পাওয়ার পর, বাংলাদেশ ফান্ডের টার্গেট সাইজ বা পরিকল্পিত বিনিয়োগ আকার ৫ হাজার কোটি টাকার ৬০ ভাগ বা ৩ হাজার কোটি টাকা নির্ধারিত ৪৫ দিনের মধ্যে সংগ্রহ করতে সক্ষম নাও হতে পারে। এমন আশঙ্কা থেকে আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালার ৫৬ ধারা থেকে এ ফান্ডটিকে অব্যাহতি বা ছাড় দেয়ার আবেদন করেছে। কেননা ওই বিধিতে, অনুমোদন পাওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে পরিকল্পিত বিনিয়োগ আকারের অন্তত ৬০ শতাংশ বা বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের ক্ষেত্রে ৩ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য ১ হাজার ২শ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাই ওই বিধিতে যদি ছাড় না দেয়া হয় তাহলে অনুমোদন পরবর্তী ৪৫ দিনের মধ্যে বাকি ১ হাজার ৮শ কোটি টাকা জোগাড় করতে সক্ষম হবে কি-না এ বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। |
|
|
| 04/17/2011 2:01 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টিতে এসইসিকে প্ররোচিত করা হচ্ছে
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা : প্লেসমেন্ট ব্যবসার নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) প্ররোচিত করা হচ্ছে। প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের জন্য হাতিয়ার হিসেবে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে। এটি অনুমোদনের জন্য এসইসিতে জোর তদবির চালাচ্ছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।
সোমবার এসইসির কমিশন সভায় কোম্পানিটির বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব প্রাধান্য পাবে বলে এসইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা যায়, পুঁজিবাজার তদন্ত রিপোর্টে আইনের মধ্যে থেকে অনৈতিক প্লেসমেন্ট বাণিজ্য এবং এসইসিকে প্ররোচিত করে নতুন নতুন বিধিমালা তৈরির অভিযোগ উঠেছে বেক্সটেক্স কোম্পানির মালিক সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে।
তারই সংশ্লিষ্টতায় একই কায়দায় আবারও অনৈতিকভাবে প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের সুযোগ নিতে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের কনভার্টেবল বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ কোম্পানিতে বেক্সটেক্স লিমিটেডের ৪৯.৯৭ শতাংশ মালিকানা রয়েছে।
গত ৬ এপ্রিল এসইসির কমিশন বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সদস্যের দ্বিমতের কারণে নর্দার্ন পাওয়ার বন্ডের অনুমোদন দেওয়ার কথা থাকলেও এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কমিশন।
কিন্তু কোম্পানি থেকে অনুমোদনের জন্য এসইসির সদস্যদের বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার বিতর্কিত এ কনভার্টেবল বন্ডটি অনুমোদনের জন্য সম্মত রয়েছেন। কিন্তু অন্যান্য সদস্যদের দ্বিমতের কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।
কোম্পানি কর্তৃপক্ষের তদবিরের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় দফায় আগামীকাল সোমবার বন্ড ইস্যুর বিষয়ে আলোচনায় বসবে এসইসি।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, প্লেসমেন্ট বাণিজ্যকে প্রশ্রয় দিয়ে এসইসি নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। নতুন করে এ কোম্পানিকে অনুমোদন দেওয়া হলে তা প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের আর একটি নতুন সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হবে।
তবে এক্ষেত্রে এসইসি প্লেসমেন্ট বাণিজ্য বন্ধে কোম্পানিটিকে কিছু শর্ত দিয়ে অনুমোদন দিতে পারে।
প্রথমত: কোম্পানিটি কনভার্টেবল বন্ড ইস্যু করার প্রস্তাব দিয়েছে। এক্ষেত্রে তারা বন্ড ইস্যু করতে চাইলে নন কনভার্টেবল করতে হবে।
দ্বিতীয়ত: কনভার্ট করতে চাইলে ফেসভ্যালুতে না করে মার্কেট প্রাইসে করতে হবে।
তৃতীয়ত: কোম্পানি বন্ড ইস্যু না করে আইপিওর মাধ্যমে আসতে পারে।
জানা যায়, এসইসিতে দেওয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।
বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ। ৬ মাসের অবকাশকালসহ (গ্রেস পিরিয়ড) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে সাড়ে ৪ বছর।
অবকাশকাল শেষে প্রতি তিন মাস পর পর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করা হবে। প্রতি এক বছর পর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে।
মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কোম্পানির শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে বন্ডের বিনিয়োগকারীরা অভিহিত মূল্যে (১০ টাকা) নর্দার্ন পাওয়ারের শেয়ার পাবেন।
নর্দার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবিত বন্ডের সুদের হার এবং শেয়ারে রূপান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ১৩-১৪ শতাংশ হার সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও কী কারণে কোম্পানিটি ১৮ শতাংশ সুদে বন্ড ইস্যু করছে তা অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়।
ব্যাংকে আমানত রেখে যে হারে সুদ পাওয়া যায় তার চেয়ে কমপক্ষে ৬ শতাংশ বেশি সুদ দেওয়ার পরও অভিহিত মূল্যে শেয়ারের রূপান্তরের সুযোগ প্রদানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৮০০ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৭, ২০১১ |
|
|
| 04/17/2011 2:01 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | সূচক ও লেনদেন কমে পুঁজিবাজারের নতুন সপ্তাহ শুরু
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার দেশের দুই পুঁজিবাজারে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম, সূচক ও লেনদেন কমেছে। তবে এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বেড়ে লেনদেন শুরু হয়েছিল।
রোববার ডিএসইতে মোট ২৫৯ টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২০টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪টি প্রতিষ্ঠানের দাম।
এদিন ডিএসইতে মোট ৮ কোটি ৩৪ লাখ ২ হাজার ৯৫টি শেয়ার ১ লাখ ৫০ হাজার ৩৬২ বারে হাতবদল হয়। যার বাজার মূল্য মোট ৭৪৩ কোটি ৫২ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৮৫৫ কোটি ৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা।
পাশাপাশি সাধারণ সূচক ৩৯ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৩৪৬ পয়েন্টে নেমে যায়। সার্বিক সূচক ২৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২৭৪ পয়েন্টে।
রোববার লেনদেনের ভিত্তিতে দশ কোম্পানির শীর্ষে উঠে আসে বিএসআরএম স্টিল। এরপর পর্যায়ক্রমে ছিল মালেক স্পিনিং, আফতাব অটোমোবাইলস, বেক্সিমকো, আরএন স্পিনিং, বেক্সটেক্স, এইমস ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, তিতাস গ্যাস, অ্যাকটিভ ফাইন ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।
এদিকে দাম বাড়ার দশ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষে ছিল মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইন টেক অনলাইন, ইনফরমেশন সার্ভিস লিমিটেড, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স, কে অ্যান্ড কিউ, এমবি ফার্মা, ষষ্ঠ আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, বিডি কম, বিডি ওয়েল্ডিং ও বিএসসি।
দাম কমার শীর্ষ দশ কোম্পানি ছিল ইসলামী ব্যাংক, প্রিমিয়ার লিজিং, আইবিবি মুদারাবা পারপিচুয়াল বন্ড, গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, রেকিট বেনকিজার, এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স, ন্যাশনাল টিউবস ও নর্দার্ন ইন্স্যুরেন্স।
অন্যদিকে, রোববার সিএসইতে মোট ২০৩টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়। এর মধ্যে বেড়েছে ৭৫ টির, কমেছে ১২৪ টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
এদিন সিএসই’র সাধারণ সূচক ৭৫ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৪৬৫ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। সার্বিক সূচক ৯৯ পয়েন্ট কমে ১৭ হাজার ৭৮৫ পয়েন্টে নেমে যায়।
মোট লেনদেন হয় ৭৬ কোটি ২১ লাখ ২৪ হাজার ৬৩ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৮৬ কোটি ৫৯ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯৬ টাকা।
বাংলাদেশ সময়: ১৬১৩ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৭, ২০১১ |
|
|
|