| 03/13/2011 12:49 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE |
মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি
৬ মাস পর্যন্ত শেয়ার কেনার শর্ত সরকারের
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: স্টক এক্সচেঞ্জে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সরকারের জুড়ে দেওয়া শর্ত পূরণ নিয়ে এ জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।
নির্ধারিত মূল্যের নিচে নামলে পূর্বনির্ধারিত এক মাসের পরিবর্তে ছয় মাস পর্যন্ত শেয়ার কিনতে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে কোম্পানিগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু কোম্পানিদু’টি এ শর্ত মানতে রাজি নয়।
জানা যায়, অতিরিক্ত প্রিমিয়াম নেওয়ার অভিযোগে গত ২৩ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত করে দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। কিন্তু এর আগেই আইপিওতে অংশ নেওয়া বিনিয়োগকারীদের বিপুল অর্থ কোম্পানিগুলোর কাছে আটকে পড়ে।
পরে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এসইসি এ দুটি কোম্পানিকে বাজারে আসার জন্য একটি শর্ত বেঁধে দেয়। তা হলো- লেনদেন শুরুর প্রথম ৩০ কার্যদিবস শেয়ারের দর নির্ধারিত মূল্যের নিচে নামতে পারবে না। এ শর্তে রাজি হয়েই কোম্পানিদু’টি তাদের আইপিও কার্যক্রম শেষ করে।
তবে তালিকাভুক্তির পর্যায়ে এসে নতুন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। কোম্পানির শেয়ারের দর প্রাথমিক দরের নিচে নামলে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কোম্পানি দু’টিকে কিনে নেওয়ার শর্তও দিয়েছে এসইসি। কিন্তু লেনদেনের সময় প্রাইমারি সেকেন্ডারি বিও অ্যাকাউন্ট বোঝা অসম্ভব নয়।
এমনকি ডিএসই ও সিএসইর পওে তা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে শেয়ারের দর পড়ে গেলে ঢালাওভাবে কোম্পানিকে শেয়ার কিনতে হবে। অর্থাৎ ওপেন বাই দিয়ে রাখতে হবে। ফলে ডিএসই ও সিএসইও এসইসির এই শর্তে তালিকাভুক্তি করতে রাজি হচ্ছে না।
একমাসের েেত্রই যেখানে ডিএসই ও সিএসইর দ্বিমত, সেখানে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক চিঠিতে কোম্পানি দু’টিকে ছয় মাসের জন্য শেয়ার কেনার নিশ্চয়তা দিতে বলা হয়েছে। ফলে তালিকাভুক্তি নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আরও জটিলতা। আবার তালিকাভুক্ত না হলে আইপিওর টাকা বিনিয়োগকারীদের ফেরত দেওয়াও কোম্পানির জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।
ইতোমধ্যে কোম্পানি দু’টি আইপিও কার্যক্রম থেকে শুরু করে প্রিমিয়ামের ট্যাক্স, ডিএসই ও সিএসইর চার্জসহ এ পর্যন্ত বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ করেছে।
সরকারের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে খুব শিগগিরই এসইসি কোম্পানি দু’টির সঙ্গে আলোচনায় বসবে বলে জানা গেছে। কোম্পানি দু’টি তাদের তালিকাভুক্তির জটিলতা নিয়ে ডিএসই ও সিএসইর সঙ্গে একাধিকবার আলোচনাও করেছে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আবারো কোম্পানি দু’টির তালিকাভুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসবে।
এ ব্যাপারে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, এসইসির শর্ত অনুযায়ী কোম্পানিদুটিকে তালিকাভুক্ত করা যাচ্ছে না। আমরা এখনও এ ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নেইনি।
তিনি আরও বলেন, শর্তানুযায়ী দু’টি কোম্পানিকে বাজারে আসার সুযোগ দিলে তা একটি খারাপ উদাহরণ সৃষ্টি করবে। অন্যান্য কোম্পানিও এ সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে। সকল স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে আমরা আলোচনায় বসব।
এ ব্যাপারে সিএসইর প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দীন আলী আহমদ বলেন, ‘এসইসির শর্তানুযায়ী প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি বিনিয়োগকারী আলাদা করা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে এ দায়িত্ব আমরা নেব না।’
এদিকে, ডিএসইর নিয়ম অনুযায়ী আইপিও আবেদন গ্রহণের তারিখ থেকে ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্ত হতে হবে। কিন্তু দুই কোম্পানির ক্ষেত্রে ৬০ দিন পার হয়ে গেছে। এখনো তালিকাভুক্তির ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
কোম্পানি দু’টির মধ্যে মবিল যমুনার ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে প্রিমিয়াম নেওয়া হয়েছে ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা। কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা।
এমআই সিমেন্টের ১০ টাকা ফেসভ্যালুর শেয়ারে প্রিমিয়াম নেওয়া হয়েছে ১০১ টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১১ টাকা ৬০ পয়সা।
কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এলায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
বাংলাদেশ সময়: ১৭০৫ ঘন্টা, ১০ মার্চ ২০১১ |
|
|
| 03/13/2011 12:52 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE | বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর হাতে সাড়ে ২৩ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত তারল্য
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর হাতে ২৩ হাজার ৭৭৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত তারল্য (নগদ মুদ্রা) রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত কয়েক মাসে তারল্য এর নীচে নেমে আসেনি।
রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরী এ তথ্য জানান।
বাজারে তীব্র তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
তিনি বলেন, ‘কিছু লোক কৃত্রিম তারল্য সংকট তৈরি করতে চাচ্ছে, যাতে বাংলাদেশ ব্যাংক নগদ অর্থ বাজারে ছাড়ে। ওই চক্রটি এই অর্থ দিয়ে শেয়ারবাজারকে আবার ফুলিয়ে ফায়দা লুটতে চায়। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনের বাইরে বাজারে নগদ অর্থ ছাড়বে না।’
নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘কয়েকটি ব্যাংক আমানতের তুলনায় বেশি অর্থ ঋণ দিয়েছে। তাদের মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় ত্র“টি থাকায় সমস্যা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘তারল্য সংকট যদি থাকতো তাহলে ব্যাংকগুলো সিআরআর ( নগদ সংরণ) ও এসএলআর (সংবিবিদ্ধ সংরণ) বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে ব্যর্থ হতো। এছাড়াও কল মানি সুদের হার ১২ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতো।’
বাজারে নগদ অর্থের পরিমাণ বাড়ানো হলে মুদ্রাস্ফিতি ঘটবে বলে জানান তিনি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘কিছু লোক কয়েকটি ব্যাংকের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে বাজারে নগদ অর্থ ছাড়া পাঁয়তারা করছে। যা দিয়ে শেয়ারবাজারে আবার ‘গেইম’ করা যায়।’
তিনি বলেন, ‘তারল্য কম থাকলে গত কয়েকদিন আগে শেয়ারবাজারে এক হাজার কোটি টাকা লেনদেন হতো না।’ |
|
|
| 03/13/2011 3:20 pm |
 Senior Member

Regist.: 01/26/2011 Topics: 0 Posts: 29
 OFFLINE | ICB rules out uncertainty of floating Bangladesh Fund
FE Report
The state-owned asset management company-Investment Corporation of Bangladesh (ICB)-has ruled out the uncertainty of floating the country's largest mutual fund--- Bangladesh Fund (BF), officials said.
The dismissal came at a press briefing Sunday at the ICB office immediately, after an online report by a news magazine expressed uncertainty over the future of BF.
"There is no doubt about the floatation of the fund as the joint sponsors are giving it top priority," Md. Fayekuzzaman, the managing director of ICB, told the reporters.
He said the sponsors had already given green signal over the issue during a meeting with the ICB officials.
"Now we are working towards that goal," he said.
He said, "We should realise that the BF is an open-end mutual fund whose total size can be fulfilled step by step as per securities rules, if the fund manager feels its necessity."
"However, we can assure the investors that BF will be offloaded in accordance with our previous declaration. So there is nothing to be worried about the future of the fund," he added.
|
|
|
| 03/13/2011 11:22 pm |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE | মার্চেন্ট ব্যাংকার বৃদ্ধির চিন্তা করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী
ঢাকা, ১৩ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা এবং পুঁজি তারল্য বাড়ানোর জন্য সরকার মার্চেন্ট ব্যাংকার আরো বৃদ্ধির চিন্তা-ভাবনা করছে। আজ রোববার স্পিকার এডভোকেট মো. আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনের ২৫তম কার্যদিবস শুরুর পর টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা জানান।
এবিএম গোলাম মোস্তফার এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, পুঁজিবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংকের সরাসরি বিনিয়োগের ব্যাপারে সরকার কোনো বিধি নিষেধ আরোপ করেনি। মোশতাক আহমেদ রুহীর প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চাহিদা ও যোগানের ভিত্তিতে শেয়ারবাজারে মূল্য নিরূপিত হয়। সম্প্রতি শেয়ারের চাহিদা যোগানের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একারণেই বাজারের মূল্য সংশোধনের অংশ হিসাবে শেয়ারের দরপতন হয়। তবে সরকারের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে শিগগিরই বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা যায়। তিনি আরো জানান, বাজার উত্থান-পতনের বিষয়টি তদন্ত করার জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনে যদি সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জাহিদ মালেকের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, শেয়ারবাজারে পতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ১৩টি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। হোসেন মকবুল শাহরিয়ারের অপর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর আরো শেয়ার দ্রুত পুঁজিবাজারে ছাড়ার ব্যাপারে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। আশা করা যায়- সরকারি কোম্পানির শেয়ার অচিরেই বাজারে আসবে।
ে(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এসকে/টিএইচ/এসসি/১৭.৩৫ঘ. ) |
|
|
| 03/14/2011 10:30 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE | তারল্য সঙ্কট: ব্যাংকগুলোকে ৯ হাজার কোটি টাকা প্রদান
ঢাকা, ১৪ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): মুদ্রা বাজারে বর্ধিত চাহিদা মেটানোর জন্য রেপোর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে ৯ হাজার কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য প্রকাশ করে।
জানা যায়, গত ডিসেম্বর মাসে নগদ জমার হার (সিআরআর) বিধিবদ্ধ জমার হার (এসএলআর) বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত ১৭শ কোটি টাকা জমা রাখতে হয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সময় রেপো চুক্তির (বন্ড ও অন্যান্য সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে বিশেষ তহবিল ধার) মাধ্যমে টাকা প্রদান করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বলা হয়, গত তিন মাসে প্রদত্ত টাকা অতিরিক্ত জমার পাঁচ গুণের বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আরো জানানো হয়, আমদানি চাহিদা বৃদ্ধির কারণে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলসি (ঋণপত্র) খুলতে সরকারি ব্যাংকগুলোকে ডলার সরবরাহ করা হচ্ছে। ডলার সরবরাহের কারণে গত ৮ মার্চ পর্যন্ত ২ হাজার ৬১৮ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে ব্যাংকগুলো কাছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে ১০ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। ফলে আগামি সময় দেশে বৈদেশিক মুদ্রার কোনো সঙ্কট হবে না বলে মনে করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এআর/সাদি/এসসি/২০.৫০ঘ.) |
|
|