| 03/12/2011 4:04 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
আলোচনা সভায় বিএনপির নেতাদের দাবি
শেয়ারবাজারের বিপর্যয়ের জন্য অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিতনিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৩-০৩-২০১১
০ শেয়ারবাজার ধসের দায়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে।
‘বিপর্যস্ত শেয়ারবাজার: ব্যর্থ সরকার’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নেতারা গতকাল শনিবার এ দাবি করেন।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সম্মেলনকক্ষে গ্রুপ-২০০৯ নামে একটি সংগঠন আলোচনা সভার আয়োজন করে।
এতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই শেয়ারবাজারে ধস নামে। আর দেশের অর্থনীতি নিম্নমুখী হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক এ বিপর্যয়ে ৩৩ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে রাস্তায় বসে গেছে। তবে সামগ্রিকভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের অর্থনীতি।
তাঁর মতে, শেয়ারবাজারে ধস ও মুহাম্মদ ইউনূসকে আঘাত করা দেশের অর্থনীতিকে আঘাত করার শামিল। এর অর্থ দেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় অবস্থায় দাঁড়াতে না দেওয়া।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান বলেন, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষের সঞ্চিত অর্থ ছিনিয়ে নিয়ে তাদের সর্বস্বান্ত করে দলের কয়েকজনের কাছে সেই অর্থ তুলে দেওয়া হচ্ছে।
মঈন খান আরও বলেন, ভারতে মুম্বাইতে শেয়ার কেলেঙ্কারির কারণে তৎ কালীন অর্থমন্ত্রী পদত্যাগ করেছিলেন। একই ভাবে এ দেশের অর্থমন্ত্রীরও উচিত শেয়ার কেলেঙ্কারির দায় নিয়ে পদত্যাগ করা। কিন্তু তিনি পদত্যাগ না করে দায়দায়িত্ব অন্যের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছেন।
মঈন খানের মতে, অর্থমন্ত্রী বিনিয়োগকারীদের ফাটকাবাজ বলে দায়দায়িত্ব উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাচ্ছেন। তিনি জনগণকে ধোঁকা না দিয়ে দেশের উন্নতির লক্ষ্যে সরকারকে কাজ করার আহ্বান জানান।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক বিপর্যয়কে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে ভয়াবহ বলে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, শেয়ারবাজার যেকোনো দেশের অর্থনীতির বড় একটি চালিকাশক্তি। যারা সরাসরি বড় বড় প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করতে পারে না, তারা শেয়ারবাজারের মাধ্যমে ওই সব প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে থাকে। একই সঙ্গে সেখান থেকে মুনাফা অর্জন করে।
আমীর খসরু বুক বিল্ডিং ও সরাসরি তালিকাভুক্তির বিষয়টির সমালোচনা করে বলেন, কারসাজির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। এর দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।
অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বলেন, পুঁজিবাজারে বিপর্যয় ঘটানোর প্রক্রিয়া অনেক আগেই শুরু হয়েছে। সম্প্রতি এর ফল দেখা গেছে।
আবু আহমেদ আরও বলেন, বিনিয়োগকারীরা কেন চোখের পানি ফেলছে, কেন তারা বিক্ষোভ করছে, তা সরকারের বোঝা উচিত। তিনি এ বিপর্যয়ের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনসহ (এসইসি) বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে দায়ী করেন।
বেসরকারীকরণ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের পেছনে বাইরের দেশের জড়িত থাকার অভিযোগ আনেন। তিনি এজন্য দেশবাসীকে আরও সতর্ক হয়ে একসঙ্গে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্রুপ-২০০৯-এর সদস্য মহসীন কবীর। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম। |
|
|
| 03/12/2011 4:09 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Kaler Kantha
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের চার পরিচালক পদে ভোট আজ
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আজ রবিবার। চারটি শূন্য পদ পূরণে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ চারটি পদে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এরা হলেন_বুলবুল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহুদুল হক বুলবুল, গ্লোব সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান, সাবেক সহসভাপতি ও রশিদ ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ রশিদ লালী, মোনা ফাইন্যান্সিয়াল অ্যান্ড সিকিউরিটিজের আহসানুল ইসলাম টিটো, সাবেক সভাপতি ও রয়েল গ্রিন সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান আবদুল হক, এম অ্যান্ড জেড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ, ফিনিঙ্ সিকিউরিটিজের এ কাদের চৌধুরী এবং ধানমণ্ডি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান খান। পরে সাবেক সভাপতি আবদুল হক প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন।
এর আগে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য এই আটজনসহ মোট ১২ জন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের ( এসইসি) ছাড়পত্র নেন।
এসইসির ছাড়পত্র পেলেও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে বিরত থাকেন অ্যাসেঞ্জ সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লাইলুন নাহার একরাম, শিকদার সিকিউরিটিজের শহিদুল হক শিকদার লিটু এবং দিয়া সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুবুর রহমান।
ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের মোট সদস্যসংখ্যা ২৪। এর মধ্যে ১২ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। বাকি ১২ জন বিভিন্ন পর্যায় থেকে মনোনীত হবেন। নির্বাচিত পরিচালকরা তাঁদের মধ্যে থেকে এক বছরের জন্য সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি এবং সহসভাপতি নির্বাচিত করে থাকেন। নতুন কমিটি সাধারণ সভার মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করবে। |
|
|
| 03/12/2011 4:14 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Somokal
বাজারকে টেনে তুলছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর
লেনদেন দ্বিগুণ, সূচক বেড়েছে ২২ শতাংশের বেশি
সমকাল প্রতিবেদক
টানা পাঁচ সপ্তাহ পর দেশের শেয়ারবাজারে শেয়ারদর ও বাজার মূল্যসূচক বৃদ্ধি পেয়েছে। আর জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর সর্বাধিক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে গত সপ্তাহে। ডিএসইতে গত সপ্তাহে সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে আগের সপ্তাহের তুলনায় ১ হাজার ২১০ দশমিক ৭৭ পয়েন্ট; সূচক বৃদ্ধির এ হার ২২ দশমিক ৩০ শতাংশ। ডিএসইতে এ সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৮৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজ। লেনদেন বৃদ্ধির এ হার আগের সপ্তাহ থেকে দ্বিগুণেরও বেশি। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন ছিল ২ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। দেশের অপর শেয়ারবাজার সিএসইতে একই অবস্থা ছিল। আর বাজারকে এ অবস্থায় তুলে আনার নেপথ্যে ভূমিকা রাখছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরাই। তবে তাদের এ ভূমিকা গ্রহণের পেছনে কাজ করছে সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার কোটি টাকার ওপেন এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত।
গত সপ্তাহে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর ও লেনদেন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়ায় অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসে দেশের শেয়ারবাজার। যেসব বিনিয়োগকারী টানা দরপতনের কারণে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছিলেন, তারা আবার নতুন করে আশার আলো দেখছেন। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর দেশের শেয়ারবাজারে দরপতন শুরু হয়। মাঝের কয়েকদিন সরকারি নানা পদক্ষেপে শেয়ারবাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও শেষরক্ষা হয়নি। ফলে ৫ ডিসেম্বরের ডিএসইর সাধারণ সূচক ৮ হাজার ৯১৮ থেকে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অবস্থান করছিল ৬ হাজার ৬৩৯ পয়েন্টে। যদিও গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ডিএসই সাধারণ সূচক ৫ হাজার ২৯২ পয়েন্টে নেমে যায়, যা ছিল আগের ১৪ মাসের সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১০ সালের ২৬ জানুয়ারি ডিএসইর সাধারণ সূচক ছিল ৫ হাজার ২৪৩ পয়েন্ট। এরপর ক্রমাগত ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সূচক বৃদ্ধি পায়।
তবে গত সপ্তাহের শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে আইসিবি ও রাষ্ট্রায়ত্ত চার বাণিজ্যিক ব্যাংক ছাড়া বেসরকারি ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক খাতের ভূমিকা ছিল না। বাজারের সিংহভাগ লেনদেন হয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে। বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বাজারে অংশ নেওয়ার কারণ তারল্য সংকট।
এদিকে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী মনে করেন, বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক কেটে গেছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে যে অস্থিরতা ছিল তাও কমেছে। ফলে নতুন বিনিয়োগকারীরা এখন আবার বাজারে আসতে শুরু করেছে।
তিনি বলেন, অস্থির অবস্থার মধ্যে নতুন বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে চান না। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় প্রতিদিনই নতুন নতুন বিনিয়োগকারী বাজারে আসছেন। আবার অস্থিরতার কারণে যেসব বিনিয়োগকারী বাজার থেকে সরে গিয়েছিলেন, তারাও বাজারে ফিরে আসছেন। এ কারণে বাজারে শেয়ারদর ও লেনদেন বেড়েছে।
সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম মনে করেন, বাজার এখন পুরোটাই চলছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের নির্দেশনায়। গত সপ্তাহের দরবৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আবারও বাজারমুখী করবে বলে মত দিয়ে তিনি বলেন, বাজারে গত সপ্তাহে প্রায় সব শেয়ারের দর বেড়েছে। এক্ষেত্রে ভালো কোম্পানির পাশাপাশি খারাপ কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরও বেড়েছে।
বাজার পরিস্থিতি : ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া ২৬৩টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ২৪৯টির দর বাড়ে, কমে মাত্র ১৪টির। ডিএসই সাধারণ সূচক ১ হাজার ২১০ পয়েন্ট বেড়ে ক্লোজ হয় ৬ হাজার ৬৩৯ দশমিক ১৮ পয়েন্টে। প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫৫ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের শেয়ার। খাতভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং খাত ছিল সবার থেকে এগিয়ে। গত সপ্তাহে এ খাতে মোট লেনদেনের প্রায় ২৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়। এর পরের অবস্থানে ছিল যথাক্রমে লিজিং, টেক্সটাইল খাত প্রভৃতি। সপ্তাহজুড়ে একক কোম্পানি হিসেবে লেনদেনে শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড ও বেক্সটেক্স। লেনদেন হয়েছে যথাক্রমে ২৮৩ কোটি ও ২৩২ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের শেয়ার। এর পরের অবস্থানে ছিল যথাক্রমে পিপলস লিজিং, ম্যাকসন্স স্পিনিং প্রভৃতি। সিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া ২১৩টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ২০০টির দর বাড়ে, কমে মাত্র ১১টির। প্রতিদিন মোট ৬৩৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। |
|
|
| 03/13/2011 3:08 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | এবার ইউসিবিএলের হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের ঘোষণা
সমকাল প্রতিবেদক
দেশের শেয়ারবাজারের একক বৃহত্তম ক্লোজড এন্ড (নির্দিষ্ট মেয়াদ ও মূলধন বিশিষ্ট) মিউচুয়াল ফান্ড গঠন করার উদ্যোগ নিয়েছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল)। 'ইউসিবিএল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড' নামে তহবিলটির আকার হবে এক হাজার কোটি টাকা। উদ্যোক্তা ইউসিবিএলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অনুমোদন পেলে এ ফান্ডের ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজার এবং ৫০ শতাংশ দেশের অবকাঠামো খাতের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা হবে। গত বুধবার ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ফান্ডটি গঠন করা বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে।
নতুন এ ফান্ড গঠনের উদ্যোগের বিষয়ে ইউসিবিএলের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুল আলম সমকালকে জানান, ফান্ডের মেয়াদ হবে ১০ বছর এবং এতে ব্যাংক মোট আকারের ১০ শতাংশ বা ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। বাকি ৯০০ কোটি টাকার বেশিরভাগই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আইপিও প্রক্রিয়ায় এবং কিছু অংশ প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। শফিকুল আলম বলেন, দেশের শেয়ারবাজার ও অবকাঠামো খাতের উন্নয়নে বিনিয়োগ করার লক্ষ্য নিয়েই এ ফান্ড গঠন করা হবে। আগামী তিন থেকে চার মাস সময়ের মধ্যে ফান্ডটির অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বর্তমানে বাজারে সবচেয়ে বড় আকারের ক্লোজড এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড হলো_ পপুলার লাইফ ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, পিএইচপি ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক ১ম মিউচুয়াল ফান্ড এবং ১ম জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড। এ ফান্ডগুলোর প্রতিটিরই আকার ২০০ কোটি টাকা। গত বুধবার রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) বাংলাদেশ ফান্ড নামে পাঁচ হাজার কোটি টাকার ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড গঠনের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদন দেয়। উভয় ফান্ডই নিজ নিজ পরিচালনা পর্ষদে অনুমোদিত হলেও বাজারে আসতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির অনুমোদন লাগবে। |
|
|