Page 1 / 1
NEWS 11-12.03.2011
03/11/2011 12:17 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
তারল্য প্রবাহে উর্ধমুখী পুঁজিবাজার
আস্থাশীল হয়ে উঠছেন বিনিয়োগকারীরা



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
১১-০৩-২০১১

সঙ্কট উত্তরণে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের ফলে আস্থা ফিরে পাওয়ায় সব ধরনের বিনিয়োগকারীরা আবারও পুঁজিবাজারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। এর ফলে বাজারে তারল্য প্রবাহ স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ। বিক্রির তুলনায় কেনার চার বেশি থাকায় স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই পুঁজিবাজারে টানা উর্ধমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। আগের পাঁচ দিনের ধারা বজায় রেখে বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ দিনেও দুই শেয়ারবাজারে অধিকাংশ শেয়ারের দর, সূচক ও লেনদেনের পরিমাণ আরেক দফা বেড়েছে। শেয়ারবাজারে স্বাভাবিকতা ফিরে আসায় বাজার বিশেস্নষকরাও সনত্মোষ প্রকাশ করছেন। তবে স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই শেয়ারের দর একটানা বাড়তে থাকলে বাজার আবারও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে তাঁরা আশঙ্কা করছেন।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, দফায় দফায় বড় দরপতনের পর গত ৩ মার্চ থেকে শেয়ারবাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। গত সাড়ে তিন মাসে কখনই বাজারে টানা তিন দিনের বেশি শেয়ারের দর ও সূচক বাড়েনি। কিন্তু এবার একটানা ছয় দিন ধরে উর্ধমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক বেড়েছে ১৩৪৭ পয়েন্ট। এর আগে তিন মাসে এই সূচক ৩৬২৬ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছিল।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি মার্চেন্ট ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, গত তিন মাস ধরে পুঁজিবাজারে টানা সংশোধন হয়েছে। ওই অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে নানা পদৰেপ গ্রহণ করা হয়। এতে তাদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হওয়ায় বাজার এখন উর্ধগতির ধারায় রয়েছে। তবে লেনদেনে বিনিয়োগকারীরা দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন না। পাঁচ দিন টানা উর্ধগতির পর কিছুটা মূল্য সংশোধন হওয়া উচিত ছিল। এভাবে একটানা বাড়তে থাকলে বাজারে কিছুটা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শুরম্ন থেকেই অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়তে থাকে। তবে ১৫ মিনিটের মধ্যে কিছুটা সংশোধনের প্রবণতা তৈরি হয়। কিন্তু ক্রেতাদের দিক থেকে চাপ বেড়ে যাওয়ায় বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যেই বাজার ঘুরে দাঁড়ায়। এরপর বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অধিকাংশ শেয়ারের দর উর্ধমুখী হয়ে ওঠে। এতে সূচকও বাড়তে থাকে। দেড়টার দিক থেকে দরবৃদ্ধির গতি শস্নথ হয়ে আসলেও দিন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ৩২২.৬৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬৬৩৯.১৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
সারাদিনে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোম্পানি ও মিউচু্যয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৪৪টিরই দর বেড়েছে। এর বিপরীতে কমেছে ১০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২টির। শেয়ার সংখ্যা ও আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ অনেকটা বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে মোট ১৫ কোটি ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৭৮২টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে মোট মূল্য ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৯৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা। যা গতকালের চেয়ে_ ২৪৯ কোটি ৩৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা বেশি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সূচক ৮৭৯.৮৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৮৬৯৭.৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এই স্টক এঙ্চেঞ্জে মোট ২০২টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৭টির, কমেছে চারটির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটির। মোট লেনদেন হয়েছে ১৭৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
টানা এক সপ্তাহ ধরে ইতিবাচক অবস্থানে থাকায় বিনিয়োগকারীদের হতাশা কেটে যেতে শুরম্ন করেছে। গত কয়েক দিনে পুঁজিবাজারে লেনদেন ভাল হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা আবার বাজারে আসতে শুরম্ন করেছেন। এর আগে যারা শেয়ার বিক্রি করে চলে গিয়েছিলেন তারাও আবার বাজারে ফিরছেন। আরও কিছুদিন এ ধারা বজায় থাকলে তারা লোকসান পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/11/2011 12:19 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের ৩৭% বোনাস শেয়ার ঘোষণা
১:৩ হারে রাইট শেয়ার ইস্যুর সিদ্ধান্ত


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
১১-০৩-২০১১


২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩৭ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে ইস্টল্যান্ড ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি। এ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৩৭টি বোনাস শেয়ার পাবেন। একই সঙ্গে মূলধন বৃদ্ধির জন্য কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ১:৩ হারে রাইট শেয়ার ইসু্যরও সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। কোম্পানির বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) ও সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন সাপেৰে প্রতি ৩টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি রাইট শেয়ার ইসু্য করা হবে। প্রতিটি রাইট শেয়ারের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের থেকে ২০০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৩০০ টাকা গ্রহণের প্রসত্মাব করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী ইস্টল্যান্ড ইন্সু্যরেন্সের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আগামী ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কোম্পানির বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন ওই ভেনু্যতে বেলা ১২টায় এজিএম অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। এজিএম ও ইজিএম সামনে রেখে আগামী ২১ মার্চ রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এসইসির কাছ থেকে রাইট শেয়ার ছাড়ার প্রসত্মাব অনুমোদন পেলে আরেকটি রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হবে।
পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১০ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ৬১ টাকা ৬৫ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২৪৬ টাকা ৭২ পয়সা।

................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/11/2011 12:20 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বিওসি বাংলাদেশ


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
১১-০৩-২০১১

২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিওসি বাংলাদেশ লিমিটেড। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারপ্রতি নগদ ১০ টাকা লভ্যাংশ পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে। তবে এজিএমের তারিখ, সময় ও স্থান জানানো হয়নি। এজিএম সামনে রেখে আগামী ২৩ মার্চ রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১০ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ৪৩ টাকা ৯০ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম কোম্পানির মোট শেয়রোর সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৯৯ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/11/2011 12:21 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সপ্তাহের শেষ দিনেও চাঙ্গা শেয়ারবাজার
টানা দর বৃদ্ধির ধারায় সূচক বেড়েছে ৩২২.৬৪ পয়েন্ট


নিজস্ব প্রতিবেদক
কালের কণ্ঠ
১১-০৩-২০১১


আগের পাঁচ দিনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবারও দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে অধিকাংশ শেয়ারের দর, সূচক ও লেনদেন আরেক দফা বেড়েছে। বিক্রির তুলনায় কেনার চাপ বেশি থাকায় স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই পুঁজিবাজারে টানা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) সূচক বেড়েছে ৩২২.৬৪ পয়েন্ট। লেনদেন বেড়েছে ২৪৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) সূচক বেড়েছে ৮৭৯.৮৯ পয়েন্ট।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সংকট উত্তরণে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের ফলে আস্থা ফিরে এসেছে শেয়ারবাজারে। তাই সব ধরনের বিনিয়োগকারীরা আবারও পুঁজিবাজারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। এর ফলে বাজারে তারল্যপ্রবাহ স্বাভাবিক হয়ে আসছে। ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণ।
তবে স্বাভাবিক সংশোধন ছাড়াই শেয়ারের দর একটানা বাড়তে থাকলে বাজার আবারও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে তাঁরা আশঙ্কা করছেন।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দফায় দফায় বড় দরপতনের পর গত ৩ মার্চ থেকে শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। গত সাড়ে তিন মাসে কখনই বাজারে টানা তিন দিনের বেশি শেয়ারের দর ও সূচক বাড়েনি। কিন্তু এবার এক টানা ছয় দিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক বেড়েছে ১৩৪৭ পয়েন্ট। এর আগে তিন মাসে এই সূচক ৩৬২৬ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছিল।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে আইসিবি ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রউফ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'গত তিন মাস পুঁজিবাজারে টানা সংশোধন হয়েছে। ওই অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সর্বশেষ পাঁচ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠনের খবরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে তার প্রভাবেই বাজার এখন ঊর্ধ্বগতির ধারায় রয়েছে। তবে লেনদেনে বিনিয়োগকারীরা দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন না। পাঁচ দিন টানা ঊর্ধ্বগতির পর কিছুটা মূল্য সংশোধন হওয়া উচিত ছিল। এভাবে একটানা বাড়তে থাকলে বাজারে কিছুটা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।' বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের শুরু থেকেই অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। তবে ১৫ মিনিটের মধ্যে কিছুটা সংশোধনের প্রবণতা তৈরি হয়। কিন্তু ক্রেতাদের দিক থেকে চাপ বেড়ে যাওয়ায় বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যেই বাজার ঘুরে দাঁড়ায়। এরপর বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অধিকাংশ শেয়ারের দর ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে। এতে সূচকও বাড়তে থাকে। দেড়টার দিক থেকে দরবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়ে আসে। দিনশেষে ডিএসই সাধারণ সূচক ৩২২.৬৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬৬৩৯.১৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৪৪টিরই দর বেড়েছে। এর বিপরীতে কমেছে ১০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটির। শেয়ারসংখ্যা ও আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ অনেকটা বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে মোট ১৫ কোটি ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৭৮২টি শেয়ার, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিট ও করপোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে মোট মূল্য এক হাজার ৪৯২ কোটি ৯৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে_২৪৯ কোটি ৩৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা বেশি। ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল দুই লাখ ৯৬ হাজার ২৯৮ কোটি ২৩ লাখ ১৬ হাজার ৫০৬ টাকা। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সূচক ৮৭৯.৮৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৮৬৯৭.৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এই স্টক এঙ্চেঞ্জে মোট ২০২টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৭টির, কমেছে চারটির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটির। মোট লেনদেন হয়েছে ১৭৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা। ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০ কম্পানি হলো_বেঙ্মিকো লিমিটেড, ওয়ান ব্যাংক, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, বেঙ্টেঙ্, ম্যাকসন স্পিনিং, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, তিতাস গ্যাস, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল ও গ্রামীণফোন।
অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ কমপানি হলো_ইস্টল্যান্ড ইনস্যুরেন্স, সায়হাম টেঙ্টাইল, ফেডারেল ইনস্যুরেন্স, আল-আরাফাহ ব্যাংক, খুলনা পাওয়ার কোং, সিএমসি কামাল, ইউসিবিএল, কাসেম ডাই সেল, রূপালি ইনস্যুরেন্স ও যমুনা ব্যাংক।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/11/2011 12:22 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ছয় দিনে ডিএসইতে সূচক বেড়েছে এক হাজার ২১১ পয়েন্ট

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
আমার দেশ
১১-০৩-২০১১


শেয়ারবাজারে সূচক এবং লেনদেন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক দিন শেষে ৩২২ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৬৩৯ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়ে টানা ৬ কার্য দিবসে সূচকের বৃদ্ধি ঘটেছে। আর এ সময়ে সূচক বেড়েছে ১ হাজার ২১১ পয়েন্টের। তবে সূচকের এ ধরনের টানা ঊর্ধ্বগতিতে বাজার বিশ্লেষকরা কিছুটা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তারা মনে করেন, বাজারে অব্যাহত দরপতন কিংবা দর বৃদ্ধি কোনোটিই স্বাভাবিক নয়। শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থান-পতন থাকবে। কিন্তু টানা উত্থান বা পতন ঘটলে বাজারের স্বাভাবিক প্রবণতা নষ্ট হয়ে যায়। বিনিয়োগকারীদের হুজুগে কোনো ধরনের বিনিয়োগ না করার পারমর্শ দিয়েছেন তারা।
এদিকে সূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। আগের দিন ১ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা লেনদেনের মধ্য দিয়ে গত দুই মাসের মধ্যে ডিএসইতে সর্বোচ্চ আর্থিক লেনদেনের ঘটনা ঘটে। গতকাল তা থেকে আরও ২৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকার চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে। গতকাল লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৯২ কোটি ৯০ লাখ টাকার বেশি। শেয়ারবাজারে সূচক এবং লেনদেন বৃদ্ধিতে ধারণা করা হচ্ছে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে আস্থার সঙ্কট তৈরি হয়েছিল তা কাটতে শুরু করেছে। ব্যক্তি বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ বেড়ে যাওয়ার কারণে প্রতিদিন বাজারে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েই চলছে। লেনদেন এবং দর বৃদ্ধির কারণে বাজারে শেয়ার বিক্রেতার চেয়ে ক্রেতাই বেশি। সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ মূল্যেও অনেক কোম্পানির শেয়ারের বিক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। বিনিয়োগকারীদের ধারণা, দাম আরও বাড়বে। আর এ কারণে তারা শেয়ার ধরে রাখতে চাইছেন। বিশেষ করে যারা শেষদিকে বাজারে বিনিয়োগ শুরু করেছিলেন তাদের অনেকেই এখনও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মধ্যে রয়েছেন। তারা লোকসানে শেয়ার বিক্রি করার ক্ষেত্রে এখন আর উত্সাহী নন। অথচ গত এক সপ্তাহ আগেও বাজারের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। অব্যাহত দরপতনে আতঙ্কিত হয়ে অনেক বিনিয়োগকারী তাদের শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছিলেন। ওই সময় বাজারে বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতা ছিল খুবই কম।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আইসিবিসহ রাষ্ট্রায়ত্ত ৭টি প্রতিষ্ঠানের বড় আকারের ফান্ড গঠন করার ঘোষণায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিন অর্থাত্ গত রোববার ফান্ডের আকার ৫ হাজার কোটি টাকা বলে ঘোষণা দেয়া হয়। ‘বাংলাদেশ ফান্ড’ নামে গঠিত এ ফান্ডটি একটি ওপেন অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ড হিসেবে কাজ করবে এবং এর ৫০ শতাংশ অর্থই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। এ ধরনের ঘোষণায় বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী হয়ে ওঠেন। অবশেষে গত বুধবার আইসিবির বোর্ড সভায় ফান্ড গঠনের বিষয়টি অনুমোদিত হয়। শিগগিরই ফান্ডটির অন্যান্য কো-স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা বোর্ডেও ফান্ডটি অনুমোদিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুঁজিবাজারে এ ফান্ডটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘টনিক’ হিসেবে কাজ করছে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে শুধু হুজুগের বশবর্তী হয়ে দেখেশুনে বিনিয়োগ না করলে বিনিয়োগকারীদের জন্য ঝুঁকি বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
বাজার বিষয়ে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বাজারে সম্প্রতি বড় ধরনের দরপতনের পর এখন দর বাড়ছে। তবে টানা দর বাড়তে থাকা বাজারের জন্য ভালো নয়। তিনি আরও বলেন, যেভাবে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারের দরও বাড়ছে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তিনি বিনিয়োগকারীদের দেখেশুনে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন।
গতকাল ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। লেনদেনকৃত ২৫৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৪টির, কমেছে ১০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২টির দাম। মোট ২ লাখ ৫২ হাজার ২২টি হাওলায় ১৫ কোটি ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৭৮২টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের হাতবদল হয়েছে। গতকাল আর্থিক লেনদেনে শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো। এ কোম্পানির লেনদেনকৃত শেয়ারের মূল্য ৭৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এর পরেই ছিল ওয়ান ব্যাংক। এ কোম্পানিটির ৫৩ কোটি ৯২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/11/2011 12:24 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দামও বাড়ছে
বাজার এখন ঊর্ধ্বমুখী


নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১১-০৩-২০১১
Prothom-Alo

কিছুদিন আগেও দেশের শেয়ারবাজার প্রায় ক্রেতাশূন্য ছিল। অব্যাহত দরপতনে আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপে ভালো-মন্দনির্বিশেষে অনেক কোম্পানির শেয়ার ক্রেতাহীন হয়ে পড়ে। কিন্তু টানা ছয় দিনের দর বৃদ্ধিতে এখন অনেক শেয়ারেরই বিক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে এসে ৮০টির মতো কোম্পানি বিক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে। এই তালিকায় তুলনামূলক ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানি যেমন ছিল, তেমনি ছিল দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানিও।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজারের স্থিতিশীলতা ফেরাতে বিশেষ তহবিল গঠনসহ নানা ইতিবাচক পদক্ষেপের পর বাজার বাড়তে থাকায় লোকসান দিয়ে এখন আর কেউ শেয়ার হাতছাড়া করতে চাইছেন না। অন্যদিকে যাঁরা আগে শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে বাজারের বাইরে চলে গিয়েছিলেন, তাঁরা আবার নতুন করে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছেন। তাই শেয়ারের জোগানের চেয়ে চাহিদা বেড়ে গেছে। ফলে শেয়ারের দাম দ্রুতগতিতে বাড়ছে, যার প্রভাব পড়েছে মূল্যসূচকে।
বিশ্লেষকেরা আরও বলছেন, একটি বড় ধরনের ধসের পর সরকারের পক্ষে নেওয়া নানা প্রণোদনামূলক কর্মসূচির প্রভাবে অনেক দেশের শেয়ারবাজার দ্রুতগতিতে বাড়তে দেখা গেছে। এটা বাজারের জন্য স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু ভালো-মন্দনির্বিশেষে সব ধরনের শেয়ারের দাম বেড়ে যাওয়াটা কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশ্লেষকেরা বলেন, বাজারে অনেক কোম্পানির শেয়ার রয়েছে, যেগুলো এখনো অতিমূল্যায়িত। অথচ গত কয়েক দিনে এসব শেয়ারের দামও সমান হারে বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের উচিত হবে দরপতন থেকে শিক্ষা নিয়ে এ ধরনের শেয়ারে বিনিয়োগ না করা। কারণ, ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারের দাম কমে গেলেও লভ্যাংশ দিয়ে একসময় ঠিকই ক্ষতি পুষিয়ে যাবে। কিন্তু অতিমূল্যায়িত দুর্বল কোম্পানির শেয়ার কিনলে সেই সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
আর তাই বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থারও দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ার বিষয়টি এখন থেকেই নজরদারি করা উচিত বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা।
বাজার পরিস্থিতি: ডিএসইতে গতকাল সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৩২৩ পয়েন্ট বা ৫ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়ে ছয় হাজার ৬৩৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক ৮৭৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৮ হাজার ৬৯৭ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে।
সিএসইতে এদিন মোট ২০১ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৭টির দাম বেড়েছে, কমেছে চারটির এবং অপরিবর্তিত থাকে একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইতে গতকাল লেনদেন হয়েছে ১৭৭ কোটি টাকার। আর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৪৯২ কোটি টাকার। এই স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়ার তালিকায় ছিল ২৪৪টি কোম্পানির নাম। আর কমেছে ১০টি এবং অপরিবর্তিত ছিল দুটি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/11/2011 12:26 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারে আস্থা ফিরে আসছে

সমকাল প্রতিবেদক
১১-০৩-২০১১


টানা পাঁচদিন প্রায় সব শেয়ার ও মূল্যসূচকের বৃদ্ধি দিয়ে শেষ হলো দেশের শেয়ারবাজারের গত সপ্তাহের লেনদেন। গোটা সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক বেড়েছে ১২১০ দশমিক ৭৮ পয়েন্ট। সূচক বৃদ্ধির এই হার ২২ দশমিক ৩০ শতাংশ; অর্থাৎ গত সপ্তাহে গড়ে সব কোম্পানির শেয়ারের (জেড ক্যাটাগরি বাদে) দর বেড়েছে প্রায় এক-চতুর্থাংশ। আগের সপ্তাহে ডিএসই সূচক কমে ৩৭২ পয়েন্ট। এর আগের কয়েক সপ্তাহেও টানা দরপতন ছিল। অব্যাহত দরপতনের পর এ সপ্তাহে শেয়ারদর বৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগকারীদের মুখ থেকে আতঙ্কের রেশ অনেকটাই কেটেছে। সেখানে এখন ক্রমশ ফুটে উঠছে হাসির রেখা। কয়েকদিন আগেও যেখানে শেয়ার কেনাবেচার কেন্দ্রস্থল ব্রোকারেজ হাউসগুলো ফাঁকা ছিল, শেয়ারদর বাড়ার প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীরা ফিরে আসায় সরগরম হয়ে উঠছে সেগুলো। এদিকে বাজারসংশ্লিষ্ট ও বিশ্লেষকরা বাজারের এই ঘুরে
দাঁড়ানো বিষয়ে সতর্ক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। সপ্তাহের সার্বিক লেনদেন বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তারা জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান আইসিবির সর্বশেষ প্রচেষ্টা বিনিয়োগকারীদের দারুণভাবে আশান্বিত করেছে। সশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ছাড়া বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা গতকাল পর্যন্ত বিনিয়োগে ফেরেননি। যদিও আগের সপ্তাহের গড় তুলনায় লেনদেন বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। সূত্র আরও জানায়, এ সপ্তাহের লেনদেনে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণই সবচেয়ে বেশি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম গত সপ্তাহের লেনদেন প্রসঙ্গে সমকালকে বলেন, বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে বাজার বেশ ভালো ছিল। এর প্রয়োজনও ছিল, কারণ টানা দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা নিজেদের ওপর, বাজারের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছিল। এ দরবৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে কাজ করবে। এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান সতর্কতা ব্যক্ত করে আরও বলেন, তবে দর বাড়া-কমার ক্ষেত্রে সব সময় ভারসাম্য থাকা উচিত, যা আগে দরপতনের সময়ও ছিল না, গত সপ্তাহে দরবৃদ্ধির ক্ষেত্রে ছিল না। এভাবে দর বাড়লে বিনিয়োগ ঝুঁকি বাড়বে বলে সতর্ক করে মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, এ সপ্তাহে ভালো-মন্দ সব শেয়ারেরই দর উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে, যা উদ্বেগের কারণ।
বাজার পরিস্থিতি : গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৬টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ২৪৪টির দর বাড়ে, কমে ১০টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ২টির দর। ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৩২২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ক্লোজ হয় ৬৬৩৯ দশমিক ১৮ পয়েন্টে; যা গত এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত ৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসই সাধারণ সূচক ছিল ৬৬৭৩ পয়েন্ট। ডিএসইতে গতকাল মোট এক হাজার ৪৯২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়। খাতভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে গতকাল এগিয়ে ছিল ব্যাংকিং খাত; লেনদেন হয় ৪২৬ কোটি টাকার শেয়ার; যা মোট লেনদেনের ২৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এর পরের অবস্থানে ছিল ২১৮ কোটি টাকা। লেনদেনের শীর্ষে ছিল আফতাব অটোমোবাইলস, বে-লিজিং, এবি ব্যাংক, বিডি ফাইন্যান্স, আল-আরাফা ব্যাংক প্রভৃতি।
দেশের অপর শেয়ারবাজার সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২০২টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ১৯৭টির দর বাড়ে, কমে ৪টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ১টির দর। সিএসই নির্বাচিত খাত সূচক আগের দিনের তুলনায় ৫৬৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ক্লোজ হয় ১২০৯২ দশমিক ৭৯ পয়েন্টে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৭৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/11/2011 12:27 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
রেপো ও রিভার্স রেপোর সুদ হার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

সমকাল প্রতিবেদক


মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেপো ও রিভার্স রেপোর সুদ হার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ দুটিতেই ০ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ বাড়িয়ে রেপোতে ৬ এবং রিভার্স রেপোতে ৪ শতাংশ সুদ হার নির্ধারণ করা হয়েছে। গতকাল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরি পলিসি বিভাগ (এমপিডি) থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনাটি আগামী ১৩ মার্চ থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
জানা যায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে স্বল্প সময়ের জন্য ব্যাংকগুলোকে যে টাকা ধার দেওয়া হয় তাকে রেপো বলে। আর ট্রেজারি বিল বা বিল বন্ডের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক যে টাকা উঠিয়ে নেয় তাকে রিভার্স রেপো বলে। এর আগে রেপোতে সুদ হার নির্ধারণ করা ছিল ৫ দশমিক ৫ শতাংশ, বর্তমানে ০ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে সুদ হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ শতাংশ। রিভার্স রেপোতে এর আগে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ হার নির্ধারণ করা ছিল। এতেও ০ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে বর্তমান সুদ হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ শতাংশ। বার্ষিক হিসেবে এ সুদ হার নির্ধারিত হবে।
সুদ হার বাড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বেগম সুলতানা রাজিয়া সমকালকে বলেন, বাজারে টাকা সরবরাহ কমানোর জন্য রেপো ও রিভার্স রেপোতে সুদের হার বাড়ানো হয়েছে। কেননা বাজারে টাকার সরবরাহ বাড়লে পণ্যের দাম বাড়ে। তবে সুদের হার বেশি থাকলে টাকার সরবরাহ কিছুটা কমবে। বর্তমান মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি বিবেচনায় নিয়ে রেপো ও রিভার্স রেপোতে সুদ হার বাড়ানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/11/2011 12:28 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে এসইসির নির্দেশ

সমকাল প্রতিবেদক

তালিকাভুক্ত কোম্পানির ত্রৈমাসিকসহ সব আর্থিক প্রতিবেদন নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করে সংস্থাটি। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করার জন্য দৈনিক সংবাদপত্রে তা প্রকাশ করার পাশাপাশি কোম্পানিকে নিজস্ব ওয়েবসাইটেও তা প্রকাশ করতে হবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত অনেক কোম্পানি এসইসির এই নির্দেশনা না মানায় নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং সব তালিকাভুক্ত কোম্পানির প্রতি এ বিষয়ে নতুন করে নির্দেশনা দিয়েছে।
এবং দেশের উভয় শেয়ারবাজার কর্তৃপক্ষকে তা নজরদারি করারও নির্দেশনা দিয়েছে। একই সঙ্গে কোম্পানির আর্থিক হিসাব সম্পর্কিত তথ্য একই সময়ে প্রকাশ করার এবং কোম্পানিগুলো এসব তথ্য সঠিকভাবে ও সঠিক সময়ে প্রকাশ করছে কি-না সে সম্পর্কে ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
রেটিং দিন :
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/11/2011 1:07 pm

Junior Member


Regist.: 02/24/2011
Topics: 0
Posts: 10
OFFLINE
thank taj vai.ai news gulo aksathi korar jonno.


bazaraar ai obostahi amra ki korta pari?ami a bazar a akabari notun.but ami ja din bazar a duki tar por din thake dam komta suru kora.barba asai asai thaka 1808tk abbnk share 885tk aslo.tar por ki korbo?suru holo share ki ar buy-sell korbo tar kousol shikhar chasta.tar por apnar moto ak oviggo lok paya mona ak santi aslo.apnar dao video,forecast -a bas upokritoholam.kintu oviggotar ovabi buj chi na ki korbo?


akhon ai poristitita jodi cholta thaka ta hola ami bas kichu invest kora amar loss ta pusia nita pari.but ki korbo bujchi na?


apni jodi kono suggestion dita ta hola khub upokrito hotam.
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview