| 05/09/2011 7:23 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
শেয়ারবাজার
পুঁজি হারিয়ে পথে বিনিয়োগকারীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১০-০৫-২০১১
কিছুদিন স্থিতিশীল থাকার পর আবারও দরপতনের ধারায় চলে গেছে দেশের শেয়ারবাজার। আবারও দরপতনের এই ধাক্কা সামলে উঠতে না পেরে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দিশেহারা। এরই প্রতিক্রিয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় গতকাল সোমবার বিক্ষোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা।
পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার পর কিছুদিন শেয়ারবাজার ছিল স্থিতিশীল। প্রতিবেদন প্রকাশ নিয়ে সরকারের অহেতুক বিলম্বে বাজার হয়ে উঠেছিল অস্থিতিশীল। প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর বিভিন্ন সুপারিশ বাস্তবায়নে আবার বিলম্ব বাজারকে দরপতনের দিকে নিয়ে যাওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমেছেন।
রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে ‘বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে গতকাল অবস্থান ধর্মঘট ও অনশন কর্মসূচি পালন করেছে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া অনেক বিনিয়োগকারীর হাতে ছিল নানা বক্তব্যসংবলিত প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা ছিল, ‘শেয়ারবাজার ভালো করো, নইলে বুকে গুলি করো’; ‘আর কত ধৈর্য ধরব’; ‘আমরা নিঃস্ব আমাদের বাঁচান’ ইত্যাদি।
এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের অনেককেই ডিএসইর সামনের সড়কে শুয়ে কান্নাকাটি করতে দেখা গেছে। আবার কেউ কেউ বিভ্রান্তের মতো ছোটাছুটি করছেন। একজন বিনিয়োগকারী কাঁদতে কাঁদতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘২৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলাম। এর মধ্যে আমার নিজের টাকা ছিল ১১ লাখের মতো। আর বাকিটা মার্চেন্ট ব্যাংকের ঋণ। টানা দরপতনের কারণে শেয়ারের মূল্য ১৩ লাখ টাকায় নেমে এসেছে। সেই হিসাবে এখন নিজের এক লাখ টাকা আছে মাত্র।’ আতাউর রহমান নামের এই বিনিয়োগকারী আরও বলেন, ‘যেকোনো সময় মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে ঋণ সমন্বয়ের জন্য চাপ দিয়ে শেয়ার বিক্রি করে দিলে (ফোর্সড সেল) আমি শেষ হয়ে যাব। তখন আত্মহত্যা করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।’
এদিকে, তদন্ত প্রতিবেদনে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়ার আগে শুরুতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠনের সুপারিশ থাকলেও এ নিয়ে তেমন অগ্রগতি নেই। এখনো নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ হননি। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগের অতি উৎসাহে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন দুজন সদস্য। যদিও এই দুই সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটির কোনো ধরনের অভিযোগ ছিল না, বরং অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন এসইসিতে। এসব কারণে বিনিয়োগকারীরাও কোনো আস্থা ফিরে পাচ্ছেন না।
বিনিয়োগকারীদের অনশন: প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগের দিনের মতো গতকালও দরপতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। এর প্রতিবাদে বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিনিয়োগকারীরা পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ডিএসইর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। দুপুর ১২টার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২০০ পয়েন্টের মতো কমে গেলে মতিঝিলের বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা বেরিয়ে এসে কর্মসূচিতে যোগ দেন।
এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে পুঁজিবাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য অর্থমন্ত্রী, অর্থ উপদেষ্টা, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এসইসির চেয়ারম্যান ও ডিএসইর সভাপতিকে দায়ী করে তাঁদের পদত্যাগের দাবি তোলা হয়। সমাবেশে ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মিজান উর রশিদ চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুর রাজ্জাক, সদস্য-সচিব জাহাঙ্গীর আলম, শাহাদাত উল্লাহ ফিরোজ, এম এ তারেক, গোলাপ হোসেন, আনোয়ার হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
সমাবেশে বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে দুটি প্রচারপত্র বিলি করা হয়। এর একটিতে দরপতন ঠেকাতে অনির্দিষ্টকালের জন্য লেনদেন বন্ধ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এসইসির পুনর্গঠন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ, বিনিয়োগকারীদের আর্থিক ক্ষতিপূরণসহ ১০ দফা দাবি জানানো হয়।
অন্য প্রচারপত্রে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শেয়ারবাজারের অসহায় বিনিয়োগকারীরা আপনার প্রতিপক্ষ নয়।’ এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত বিধিবদ্ধ জমার হার (এসএলআর ও সিআরআর) কমানো এবং শেয়ারবাজার থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অর্জিত মুনাফার টাকা আবার বিনিয়োগের ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারে কারসাজির ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে যেসব বিনিয়োগকারী ও প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে, তাদের কমপক্ষে তিন বছর টাকা তোলা যাবে না—এই শর্তে আবার বিনিয়োগে বাধ্য করার দাবিও জানানো হয়।
কর্মসূচি চলাকালে হঠাৎ করেই শেয়ারবাজারের মূল্যসূচক আবার বাড়তে শুরু করে। তবে সূচক বাড়লেও বিনিয়োগকারীদের কর্মসূচি চলে লেনদেনের পুরো সময়টায়। এ সময় দুই বিনিয়োগকারী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের স্যালাইন দেওয়া হয়। কর্মসূচি চলাকালে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তিনটা পর্যন্ত মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ ছিল। লেনদেন শেষে বিনিয়োগকারীরা কর্মসূচি শেষ করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। কর্মসূচিতে আসার পথে পুলিশ আমির হোসেন নামের এক বিনিয়োগকারীকে আটক করলেও বেলা দুইটার দিকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাজার-পরিস্থিতি: পতনের মধ্য দিয়ে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত ডিএসইর সাধারণ সূচক বেড়েছে। তবে দিনভর সূচকের ওঠানামা ছিল চোখে পড়ার মতো। ডিএসইর সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৭ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার ৬৩৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়। কিন্তু ডিএসইতে বাড়লেও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক প্রায় ১৬ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৬৮৫ পয়েন্টে নেমে আসে। সার্বিক মূল্যসূচক কমলেও স্টক এক্সচেঞ্জটির অপেক্ষাকৃত ভালো মৌল ভিত্তির কোম্পানি নিয়ে গঠিত সিএসই-৩০ সূচক ১৯ পয়েন্ট বেড়েছে।
হঠাৎ সূচক বাড়ার কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়, বাংলাদেশ ফান্ডসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় ভূমিকার কারণেই সূচক বেড়েছে। বাংলাদেশ ফান্ডের মূল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ কোম্পানি ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান বলেন, শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে বাংলাদেশ ফান্ডের মাধ্যমে স্বাভাবিক মাত্রায় বিনিয়োগ করা হয়েছে। এতে হয়তো পতনমুখী বাজার স্বাভাবিক ধারায় ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ফান্ডের বিনিয়োগ নিয়ে নানা গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এসব দিকে কান না দিয়ে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্যের সঙ্গে বিনিয়োগ করতে হবে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
ডিএসইতে গতকাল ২৫৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭২টির, কমেছে ৭৬টির ও অপরিবর্তিত ছিল পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে এ দিন ৪২৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৬ কোটি টাকা কম। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ১১৫টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল ৬৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মন্তব্য: বাজারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি বলেন, শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকার উভয় সংকটে রয়েছে—একদিকে বাজারের স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, অন্যদিকে বাজারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা পুনর্গঠনসহ দোষীদের শাস্তি প্রদান। যোগাযোগ করা হলে মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও জেনিথ ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের আরিফ খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘শেয়ারবাজার নিয়ে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি থেকে শুরু করে বাজারসংশ্লিষ্ট সবাই ভুল করেছে। সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্ত এখন করতে হচ্ছে।’ তিনি বলেন, এ ভুল যাতে ভবিষ্যতে না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকেই সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
আরিফ খান বলেন, তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এক মাস হতে চলল। কিন্তু প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকারের পদক্ষেপগুলো এখনো দৃশ্যমান হয়নি। এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নানা অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। এ অনিশ্চয়তার মধ্যে অনেক বিনিয়োগকারী নিষ্ক্রিয় রয়েছেন। তা ছাড়া ব্যাংকগুলো চরম তারল্য-সংকটে ভুগছে। তাদের ঋণ ও আমানতের অনুপাত ঠিক করার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এ জন্য একদিকে যেমন তারা নতুন ঋণ ছাড় করতে পারছে না, অন্যদিকে উচ্চ হারে আমানত সংগ্রহ করছে। ফলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের পরিমাণও বাড়াতে পারছে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ কমবে, এটা অস্বাভাবিক নয়।
গায়েবানা জানাজা: ডিএসইর সামনে বিনিয়োগকারীদের অবস্থান ধর্মঘট ও অনশন কর্মসূচির পর গায়েবানা জানাজা পড়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। রনি জামান (২৩) নামের টঙ্গীর এক বিনিয়োগকারী পুঁজি হারিয়ে গত রোববার আত্মহত্যা করায় এ জানাজা পড়া হয়।
চট্টগ্রাম ও বগুড়ায় বিক্ষোভ: পুঁজিবাজারে দরপতনের প্রতিবাদে বন্দরনগর চট্টগ্রাম ও উত্তরবঙ্গের জেলা শহর বগুড়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করা হয়। ইনভেস্টরস ফোরামের ব্যানারে একদল বিনিয়োগকারী গতকাল দুপুরে সিএসইর কার্যালয়ের সামনের সড়কে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেন। তবে এ নিয়ে কোনো বড় ধরনের অঘটন ঘটেনি। পরে তাঁরা সিএসই কর্তৃপক্ষের কাছে আট দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি দেন।
ইনভেস্টরস ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ কাদের বলেন, ‘আমরা সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি বলেই রাস্তায় নেমেছি এবং নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি। সিএসই কর্তৃপক্ষের কাছে আট দফা দাবির স্মারকলিপি দিয়েছি। তারা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবে বলেছে।’ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের করপোরেট ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার এ কে এম শাহরোজ আলম স্মারকলিপি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আমাদের বগুড়া প্রতিনিধি জানান, দুপুর ১২টায় বগুড়া শহরে বড়গোলার আইসিবিসহ সব ব্রোকারেজ হাউস থেকে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে মিছিল করেছেন। মিছিলটি শহরের থানা রোড, সাতমাথা ও বড়গোলা সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে আইসিবি কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়।
ইয়াসিন আলীর পদত্যাগ: পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সদস্য মো. ইয়াছিন আলী। তিনি গতকাল সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে গিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বরাবর পেশ করা পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। এর আগে গত রোববার কমিশনের আরেক সদস্য মো. আনিসুজ্জামান পদত্যাগ করেন। পদত্যাগপত্র পেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে মো. ইয়াছিন আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘এসইসি পুনর্গঠনে সরকারের উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েই পদত্যাগপত্র পেশ করেছি।’ |
|
|
| 05/09/2011 7:29 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
শেয়ারবাজারে বিক্ষোভ অনশন ও অবস্থান ধর্মঘট
সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের দিক থেকে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিৰোভ, অনশন ও অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচী পালন করেছেন বিনিয়োগকারীরা। সোমবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সামনে এসব কর্মসূচী থেকে সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করা হয়। এ সময় বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে ধসের জন্য অর্থ উপদেষ্টা, অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নরকে দায়ী করে তাঁদের পদত্যাগ দাবি করেন। তাঁরা লাখ লাখ বিনিয়োগকারীকে রৰার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হসত্মৰেপ কামনা করেন। কর্মসূচী শেষে বিকেলে শেয়ারবাজারে বিপুল লোকসানের হতাশা কাটাতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়া বিনিয়োগকারী রনি জামানের উদ্দেশ্যে গায়েবানা জানাজা পড়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রবিবার বড় ধরনের দরপতনের পর সোমবারও নিম্নমুখী প্রবণতা দিয়ে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরম্ন হয়। এর প্রতিবাদে বেলা সোয়া ১১টার দিকে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্যপরিষদের ব্যানারে ডিএসই কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ধর্মঘট ও অনশন কর্মসূচী শুরম্ন হয়। একপর্যায়ে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২০০ পয়েন্টের মতো নেমে গেলে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে বেরিয়ে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী ওই কর্মসূচীতে যোগ দেন। বেলা সাড়ে তিনটা পর্যনত্ম কর্মসূচী চলে। অনশন চলাকালে দুই বিনিয়োগকারীকে স্যালাইন দেয়া হয়।
এদিকে ওই কর্মসূচী চলাকালে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে তিনটা পর্যনত্ম মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যনত্ম যান চলাচল বন্ধ থাকে। কর্মসূচীতে আসার পথে সকালে পুলিশ আমির হোসেন নামে এক বিনিয়োগকারীকে আটকের পর বেলা দুইটার দিকে তাকে ছেড়ে দেয়। কর্মসূচীতে সংগঠনের আহ্বায়ক মিজান-উর-রশিদ চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম, শাহাদাত উলস্নাহ ফিরোজ, এমএ তারেক, গোলাপ হোসেন, আনোয়ার হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, ফয়সালসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন।
কর্মসূচী থেকে বিনিয়োগকারীরা সরকারের প্রতি ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে রয়েছে পুঁজিবাজার স্বাভাবিক না হওয়া পর্যনত্ম অনির্দিষ্টকালের জন্য লেনদেন বন্ধ রাখা, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এসইসি পুনর্গঠন, বিনিয়োগকারীদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান, বাংলাদেশ ব্যাংক গবর্নরের পদত্যাগ, গ্রেফতারকৃত সকল বিনিয়োগকারীর নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার, বিনিয়োগকারীদের ব্যাপারে ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের অনৈতিক হসত্মক্ষেপ বন্ধ, বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য আলাদা বরাদ্দ দেয়া, বাংলাদেশ ফান্ড নিয়ে (হা-ডু-ডু) খেলা বন্ধ করা এবং বাজার থেকে চুরি করা অর্থ ফিরিয়ে আনা।
এ সময় বিনিয়োগকারীরা প্রধানমন্ত্রীর হসত্মৰেপ কামনা করে আরেকটি লিফলেট বিলি করেন। এ লিফলেটে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলা হয়, 'শেয়ারবাজারের অসহায় বিনিয়োগকারীরা কখনই আপনার প্রতিপক্ষ নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক কতর্ৃক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নির্ধারিত এসএলআর ও সিআরআর হার কমানো, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজার থেকে যে পরিমাণ মুনাফা অর্জন করেছে, সেই মুনাফার টাকা শেয়ারবাজারে আবার বিনিয়োগের ব্যবস্থা নেয়া হোক।'
লিফলেটে আরও বলা হয়, 'পুঁজিবাজারের কারসাজির ঘটনা তদনত্মে গঠিত কমিটির রিপোর্টে যেসব বিনিয়োগকারী ও প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে তাদের আবার বিনিয়োগে বাধ্য করা হোক। শেয়ারবাজার থেকে তাদের বিনিয়োগের টাকা কমপক্ষে তিন বছর তোলা যাবে না। তারা কেবল লাভের টাকা তুলতে পারবেন এ শর্ত দেয়া হোক। অর্থ উপদেষ্টা, অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নরের অপসারণেরও দাবি করেন।'
সংগঠনটির আহ্বায়ক মিজান-উর-রশিদ চৌধুরী বলেন, 'আমাদের কর্মসূচী লাগাতার চলতেই থাকবে। বাজার স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন কোন বিনিয়োগকারী ভাই রাসত্মা ছাড়বে না। সরকারের পক্ষ থেকে হুমকি আসতে পারে এবং বিরোধী দলের পক্ষ থেকে আসতে পারে উস্কানি। সে ব্যাপারে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের কোন দলমত নেই। আমরা ভাই ভাই। আমাদের পুঁজিবাজার রৰায় শেষ পর্যনত্ম আন্দোলন করে যাব।'
অনশনকারীরা বেলা ৩টার দিকে শেয়ারবাজারে সর্বস্বানত্ম হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়া বিনিয়োগকারী রনি জামানের গায়েবানা জানাজা ও তার আত্মার শানত্মি কামনা করেন। এর আগে তাঁরা ডিএসইর সামনের চত্বর ও ডিএসইর প্রধান গেটকে রনি জামান গেট হিসেবে ঘোষণা করেন। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে অনশন কর্মসূচী সাময়িক স্থগিত ঘোষণা করা হয়।
উলেস্নখ্য, রনি জামান একজন ৰুদ্র বিনিয়োগকারী। মাত্র সাড়ে ৫ লাখ টাকা ধার করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেন তিনি। কিন্তু পুঁজিবাজারে চলমান মহাধসের কারণে সর্বস্বানত্ম হয়ে পড়েন তিনি। আত্মীয়স্বজনের ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে রবিবার রাতে আত্মহত্যা করেন রনি।
বিনিয়োগকারীরা বলেন, আমাদের মধ্যে এ রকম অসংখ্য রনি রয়েছে। যাঁরা ভারসাম্যহীনতায় ভুগছেন। বাজার ঠিক না হলে আরও অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন। |
|
|
| 05/09/2011 7:30 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
এসইসির আরেক সদস্য ইয়াছিন আলীর পদত্যাগ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সরকারের ইচ্ছার প্রতি সম্মান জানিয়ে অবশেষে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) সদস্য মো. ইয়াছিন আলী। তিনি সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে গিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বরাবর পেশ করা পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ উলেস্নখ করেছেন। এর আগে গত রবিবার কমিশনের আরেক সদস্য মো. আনিসুজ্জামান পদত্যাগ করেন। পুঁজিবাজার সম্পর্কিত তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদনে এই দুই সদস্যের বিরম্নদ্ধে কোন অভিযোগ নেই। বাজার সংশিস্নষ্টদের মধ্যেও তাঁরা সৎ ও নিষ্ঠাবান হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
পদত্যাগপত্র পেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে মো. ইয়াছিন আলী জনকণ্ঠকে বলেন, 'এসইসি পুনর্গঠনে সরকারের উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েই পদত্যাগপত্র পেশ করেছি।'
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসইসি সদস্য মো. ইয়াছিন আলী সোমবার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে সচিবালয়ে যান। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারীর সঙ্গে সাৰাত করে তিনি পদত্যাগপত্র পেশ করেন। পদত্যাগপত্রে তিনি ব্যক্তিগত কারণ উলেস্নখ করে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ৫(৭) ধারা অনুযায়ী যথাসময়ে অব্যাহতি প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পদত্যাগপত্রে ইয়াছিন আলী বলেছেন, 'বিগত দুই বছর চার মাসের অধিক সময় ধরে আমি এসইসির একজন সদস্য হিসেবে আমার সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, সততা, মেধা, আনত্মরিকতা ও পরিশ্রম দ্বারা প্রতিষ্ঠানকে সেবা প্রদানে সচেষ্ট থেকেছি। বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানও আমাকে আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক মর্যাদা, সম্মান ও প্রতিষ্ঠা দিয়েছে। এ জন্য আমি প্রতিষ্ঠানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সেইসঙ্গে পেশাগত জীবনে আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা এবং উৎসাহ প্রদানের জন্য আপনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সেইসঙ্গে এসইসিতে আমার সকল সহকর্মীকে গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও শুভকামান জানাচ্ছি। আমি কায়মনোবাক্যে প্রত্যাশা করি আমার পদত্যাগ পুঁজিবাজারে কোন বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করবে না।'
২০০৮ সালের ১৭ নভেম্বর সংস্থাপন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মো. ইয়াছিন আলীকে এসইসির সদস্য পদে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করে। সরকারের সিদ্ধানত্মের প্রেৰিতে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকের পদ থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করে ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি এসইসিতে যোগদান করেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বর তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।
পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক বিপর্যয়ের প্রেৰিতে গঠিত তদনত্ম কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সরকার এসইসি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত বুধবার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারী এসইসি সদস্য ইয়াছিন আলীকে পদত্যাগের অনুরোধ জানান। সরকারের ইচ্ছা অনুযায়ী ওইদিন পদত্যাগের বিষয়ে ইয়াছিন আলী সম্মতি প্রকাশ করেন। তবে তিনি অর্থমন্ত্রী দেশে ফেরার পর তাঁর কাছে পদত্যাগপত্র পেশের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তা সত্ত্বেও পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় থেকে একাধিকবার যোগাযোগ করে অর্থমন্ত্রী দেশে ফেরার আগেই তাঁকে পদত্যাগ করার জন্য তাগাদা দেয়া হয়। এ বিষয়ে ইয়াছিন আলী তাঁর পরিবারের সদস্য ও শুভাকাঙ্ৰীদের সঙ্গে পরামর্শের পর সোমবার পদত্যাগপত্র পেশ করেছেন।
জানা গেছে, এসইসিতে যোগদানের পর থেকে মো. ইয়াছিন আলী সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট কোন মহলেই তাঁর সততা নিয়ে কখনও প্রশ্ন উঠেনি। বাজারের অতি মূল্যায়ন ও বিপর্যয়কালে ইয়াছিন আলী সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ এবং সরকারের মর্যাদা রৰায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পৰ থেকে পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থবিরোধী যেসব সুবিধা চাওয়া হয়েছিল ইয়াছিন আলী প্রতিটি ৰেত্রেই আপত্তি তুলেছেন। বিশেষ করে সরাসরি তালিকাভুক্তি, বুকবিল্ডিংয়ের মাধ্যমে অতি মূল্যায়িত শেয়ার বাজারে নিয়ে আসা, পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য, অগ্রাধিকার শেয়ারে কারসাজি বন্ধের জন্য তিনি সব সময় সোচ্চার ছিলেন। প্রাথমিক শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার সবগুলো ঘটনায় তিনি আপত্তি দিয়েছেন। ২০০৯ সাল থেকেই তিনি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির মূলধন সংগ্রহ এবং পেস্নসমেন্ট নিয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের প্রসত্মাব দিয়ে এসেছেন। মূলধন সংগ্রহের নামে বিভিন্ন কোম্পানির পেস্নসমেন্ট বাণিজ্য বন্ধের জন্যও তিনি সোচ্চার ছিলেন। তবে কমিশনের অন্য সদস্যদের অনাগ্রহের কারণে এসব বিষয়ে এসইসি কোন নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারেনি।
সব রকম পরিস্থিতিতেই শেয়ারবাজারে অনৈতিক কর্মকা-ের বিরম্নদ্ধে সোচ্চার থাকায় বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতরা তাঁর বিরম্নদ্ধে ৰিপ্ত ছিল। তদনত্ম প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওই মহলটি ইয়াছিন আলীকে জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছে। এসইসির বিভিন্ন সিদ্ধানত্ম গ্রহণে ইয়াছিন আলীর ভূমিকা নিয়ে বিভ্রানত্মি সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বিরোধীতাকারী এই মহলটিও তাঁর সততা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেনি। |
|
|
| 05/09/2011 7:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
দিনভর অস্থিরতার পর উর্ধমুখী পুঁজিবাজার
সক্রিয় ভূমিকায় বাংলাদেশ ফান্ড
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দিনভর অস্থিরতার পর অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ হয়েছে। সোমবার দিনের লেনদেন শুরম্নর ৫০ মিনিটের মধ্যে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক প্রায় ২০০ পয়েন্ট পতন ঘটলেও শেষ দিকে এসে প্রায় সব খাতের কোম্পানির শেয়ারের উর্ধগতির প্রভাবে পতনের ধারা থেকে বেরিয়ে আসে শেয়ারবাজার। লেনদেন শেষে ২৭.৩৩ পয়েন্ট বেড়েছে সূচক। তা সত্ত্বেও বাজারে তারল্য সঙ্কট অব্যাহত থাকায় আগের দিনের তুলনায় ৩৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা কমে গেছে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ। বাংলাদেশ ফান্ডসহ সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় ভূমিকার কারণেই শুরম্নর মন্দা কাটিয়ে শেষ পর্যনত্ম উর্ধমুখী প্রবণতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ফান্ডের মূল উদ্যোক্তা ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান, শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে সোমবার বাংলাদেশ ফান্ডের মাধ্যমে স্বাভাবিক মাত্রায় বিনিয়োগ করা হয়েছে। এতে পতনমুখী বাজার স্বাভাবিক ধারায় ফিরে এসেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের পর এর কিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এই ফান্ডের বিনিয়োগ নিয়ে নানা গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এসব দিকে কান না দিয়ে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্যের সঙ্গে বিনিয়োগ করতে হবে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
বিশ্লেষজ্ঞদের মতে, শেয়ারবাজারে এখনও আস্থা-সঙ্কট অব্যাহত রয়েছে। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে বড় বিপর্যয়ের পর সরকারের দিক থেকে বেশকিছু ইতিবাচক পদৰেপের ঘোষণা দেয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আস্থা ফিরে এসেছিল। কিন্তু পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংকের অর্জিত মুনাফা পুনর্বিনিয়োগসহ অধিকাংশ সিদ্ধানত্ম বাসত্মবায়িত না হওয়ায় বাজারে তারল্য সঙ্কট অব্যাহত রয়েছে। মূলত এ কারণেই গত কিছুদিন ধরে বাজার অস্থির আচরণ করছে। অবশ্য সোমবার শেষ দিকে এসে বাজার অনেকটাই ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। তবে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য ইতোমধ্যে সরকারের দিকে থেকে যেসব ইতিবাচক পদৰেপের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল, সেগুলো বাসত্মবায়ন করতে হবে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ ফান্ডের মাধ্যমে যথাযথ সমর্থন দেয়া হলে এ যাত্রায় পুঁজিবাজার বড় বিপর্যয় থেকে রৰা পাবে বলে তাঁরা মনে করেন।
আগের দিন ডিএসই সাধারণ সূচক ২৮৭.৯৩ পয়েন্ট কমার পর সোমবারও লেনদেনের শুরম্ন থেকে সেই ধারা অব্যাহত ছিল। দরপতনের মাত্রা কিছুৰণের মধ্যেই ব্যাপক রূপ ধারণ করে। লেনদেন শুরম্নর পর প্রথম ৫০ মিনিটে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে মাত্র ১২টির শেয়ারের দর ছিল উর্ধমুখী। এর বিপরীতে দর হ্রাস পাওয়া কোম্পানির সংখ্যা ছিল ২২৩টি। এর ফলে সাধারণ সূচক ২০০ পয়েন্ট কমে যায়। এ সময় বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও আতঙ্ক শুরম্ন হয়।
এর আগে সকাল থেকেই আগের দিনের ঘোষিত অবস্থান ধর্মঘট ও আমরণ অনশন কর্মসূচী পালন করেন বিনিয়োগকারীরা। বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এই কর্মসূচী পালিত হয়। এ সময় বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারের অস্থিতিশীলতার জন্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সংসদ সদস্য লোটাস কামাল, বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর আতিউর রহমান, এসইসি ও ডিএসইর কর্মকর্তাদের দায়ী করে তাঁদের পদত্যাগ দাবি করেন।
অবশ্য বেলা ১১টা ৫০ মিনিট থেকে বাজার কিছুটা উর্ধমুখী হয়ে ওঠে। বেলা ১২টা ১০ মিনিটে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৫০ পয়েন্ট নিচে অবস্থান করে। এরপর আরেক দফা নিম্নমুখী অবস্থানের পর বেলা সাড়ে ১২টা থেকে অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়তে থাকে। এক ঘণ্টা উর্ধমুখী থাকার পর দেড়টার দিকে আবারও কিছুটা দরপতন ঘটে। তবে বেলা ২টার পর থেকে শেষ পর্যন্ত উর্ধমুখী অবস্থানে ছিল ডিএসই সূচক। সূচকের উত্থান-পতনই ছিল সোমবারের বাজারের প্রধান বৈশিষ্ট্য। অডলট মার্কেটের মূল্য সমন্বয়ের পর দিন শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৭.৩৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫৬৩৮.৮০ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজার স্থিতিশীল করতে বাংলাদেশ ফান্ডসহ সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তৎপরতা তাদের কিছুটা হলেও আশাবাদী করে তুলেছে। তবে গত দু'মাসে বেশ কয়েক দফা দরবৃদ্ধির পরও তা দু'একদিনের বেশি স্থায়ী না হওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারী এবারও সতর্কতার সঙ্গে লেনদেন করছেন। এ কারণে দর ওঠার পরই বিক্রির চাপ বেড়ে যাচ্ছে। এ কারণেই বাজারে উত্থান-পতনের ঘটনা ঘটছে।
ডিএসইতে সোমবার সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫৩টি কোম্পানির মধ্যে ১৭২টি শেয়ারের দর বেড়েছে। এর বিপরীতে কমেছে ৭৬টির দর। বাকি ৫টি কোম্পানির শেয়ারের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। ডিএসইতে মোট ৫ কোটি ১৩ লাখ ৭৪ হাজার ৩৮৯টি শেয়ার, কর্পোরেট বন্ড ও মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আর্থিক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ ৪২৬ কোটি ৬০ লাখ ২১ হাজার ৬৬৩ টাকা যা আগের দিনের চেয়ে ৩৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা কম।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ১৫.৬২ পয়েন্ট কমে ১৫৬৮৪.৮১ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ১১৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। এই স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ৬৫ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ফান্ডের সাপোর্টের কারণেই হয়ত শেষ পর্যনত্ম বাজার ভাল হয়েছে। তবে এত বড় পুঁজিবাজারে এই ফান্ডকেই একমাত্র উপাদান ভাবার কারণ নেই। বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য নতুন বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করার জন্য পদৰেপ নিতে হবে। পাশাপাশি বর্তমান বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করাও এৰেত্রে অত্যনত্ম গুরুত্বপূর্ণ। |
|
|
| 05/09/2011 7:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The daily Janakantha
১০% বোনাস শেয়ার দেবে রিপাবলিক ইন্সু্যরেন্স
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার দিচ্ছে রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২১ জুন সকাল ১০টায় রাজধানীর ট্রাস্ট মিলনায়তনে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ২৯ মে রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১৬ টাকা ৯৫ পয়সা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৩২ টাকা ৮৯ পয়সা। |
|
|
| 05/09/2011 7:46 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
মুনাফা বাড়লেও কাঙ্খিত হারে লভ্যাংশ পাচ্ছেন না শেয়ারহোল্ডাররা
পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে উৎসাহ কমছে
রাজু আহমেদ ॥ আগের বছরের তুলনায় মুনাফার পরিমাণ বাড়লেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের কাঙ্ৰিত হারে লভ্যাংশ দিচ্ছে না। ফলে শেয়ারবাজারে বড় বিপর্যয়ের পর কোম্পানির লভ্যাংশ থেকে লোকসান পুষিয়ে নেয়ার প্রত্যাশা করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা পূরণ হচ্ছে না। বরং আগের বছরের চেয়ে লভ্যাংশ কমে যাওয়ায় বাজারে শেয়ারের দরে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। শেয়ারপ্রতি আয়ের (ইপিএস) তুলনায় অনেক কম লভ্যাংশ দেয়ায় কোম্পানির উদ্বৃত্ত তহবিল শক্তিশালী হলেও বড় ধরনের লোকসানে পড়ছেন শেয়ারহোল্ডাররা। অধিকাংশ কোম্পানির ৰেত্রেই এ ধরনের প্রবণতা তৈরি হওয়ায় পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হবেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।
গত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের সময় বাজার বিশ্লেষক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা লোকসানে শেয়ার বিক্রি না করে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, গত বছর অধিকাংশ কোম্পানি ভাল মুনাফা অর্জন করায় এবার লভ্যাংশের পরিমাণ বাড়বে। বাজার ধসের কারণে বিনিয়োগকারীরা যে পরিমাণ ক্ষতির শিকার হয়েছেন, তা কোম্পানির লভ্যাংশ থেকে পুষিয়ে নিতে পারবেন। এ কারণে অনেক বিনিয়োগকারী ওই সময় শেয়ার বিক্রি না করে লভ্যাংশের আসায় দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে উৎসাহিত হয়েছেন। কিন্তু ইপিএসের তুলনায় কম লভ্যাংশ ঘোষণা করায় সেসব বিনিয়োগকারী বিপুল পরিমাণ লোকসানের মুখে পড়েছেন।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানিই ২০১০ সালে আগের বছরের চেয়ে অধিক মুনাফা অর্জন করেছে। এরমধ্যে কোন কোন কোম্পানির মুনাফা দেড় থেকে দ্বিগুণ পর্যনত্ম বেড়েছে। অর্ধবার্ষিক ও ত্রৈমাসিক হিসাব প্রকাশ হওয়ার পর এসব কোম্পানি বছর শেষে ভাল লভ্যাংশ দেবে বলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোম্পানিগুলো বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেছে। ইপিএসের এক-তৃতীয়াংশ বা তার চেয়েও কম লভ্যাংশ ঘোষণা করেই দায়িত্ব শেষ করেছে অধিকাংশ কোম্পানি।
পুঁজিবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ আয় করায় গত বছর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক মুনাফার পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি নির্দেশনার কারণে বড় আকারের এই মুনাফার সুফল পাচ্ছেন না বিনিয়োগকারীরা। পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের পরপরই একটি নির্দেশনা জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে শেয়ারবাজার থেকে অর্জিত মুনাফা লভ্যাংশ হিসেবে বণ্টন না করার নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্যদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এই অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের নির্দেশ দেয়া হলেও তা কার্যকর করার উদ্যোগ নেয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে একদিকে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ন্যায্য লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অন্যদিকে বাজারে শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় বেড়েছে লোকসানের হার।
অন্যদিকে মূল ব্যবসা থেকে অর্জিত মুনাফার ক্ষুদ্র অংশ লভ্যাংশ হিসেবে বণ্টন করেছে অধিকাংশ ব্যাংক। কয়েকটি ব্যাংকের ইপিএস ও ঘোষিত লভ্যাংশ বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এরমধ্যে এবি ব্যাংক লিমিটেড ২০১০ সালে শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১২৪ টাকা ৪২ পয়সা (১২৪.৪২%)। কিন্তু ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মাত্র ২৫ শতাংশ হারে (১০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক) লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। একইভাবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক শেয়ার প্রতি ১০০ টাকার বেশি আয় করলেও শেয়ারহোল্ডারদের দিয়েছে ৩০ টাকা। শেয়ারহোল্ডারদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে সামাজিক কল্যাণে ব্যাংকটির ১০২ কোটি টাকা ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া বস্ত্র, খাদ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন খাতের বেশকিছু কোম্পানি শেয়ারপ্রতি আয়ের এক তৃতীয়াংশেরও কম লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদানের সুনির্দিষ্ট কোন নীতিমালা না থাকায় পরিচালকরা তাঁদের ইচ্ছে মতো লভ্যাংশ নির্ধারণ করেন। এমনকি বোনাস লভ্যাংশ প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি বা অর্জিত মুনাফার একাংশকে উদ্বৃত্ত তহবিলে (রিজার্ভ ফান্ড) স্থানান্তরের ক্ষেত্রে যৌক্তিক কারণও প্রকাশ করতে হয় না। লভ্যাংশ প্রদানের জন্য কোন নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন প্রয়োজন না হওয়ায় যখন যেমন খুশি লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, শেয়ারবাজারে দর বাড়ানো বা কমানোর লৰ্য সামনে রেখে অনেক কোম্পানির পরিচালকরা তাদের সুবিধা মতো লভ্যাংশ নির্ধারণ করেন। কোন কোন বছর অস্বাভাবিক কম লভ্যাংশ ঘোষণা করে দর কমিয়ে তারা বাজার থেকে শেয়ার কিনে নেন। আবার পরের বছর আকর্ষণীয় লভ্যাংশ ঘোষণা করে উদ্যোক্তারা শেয়ার বিক্রি করে দেন। এ ধরনের প্রবণতার কারণেই গত কয়েক বছরে বেশকিছু কোম্পানির লভ্যাংশের হারে ব্যাপক ওঠা-নামা লৰ্য করা গেছে। লভ্যাংশ ঘোষণার পর উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের রেকর্ড পর্যালোচনা করলেই কারসাজির এই প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। |
|
|
| 05/09/2011 7:47 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Investors demand SEC overhaul in 72 hours
Demo also held in Ctg
FE Report
Retail investors placed a 10-point charter of demands on Sunday, a day after a steep fall in stock prices in the two bourses of the country.
Assembled under the banner of 'Sharebazar Oikyo Parishad', the investors demanded immediate resignation of Finance Minister AMA Muhith and Bangladesh Bank governor Atiur Rahman for their alleged failure to control the share market.
The investors demanded completion of the process of restructuring the capital market regulator, the Securities and Exchange Commission (SEC), within 72 hours.
They also demanded suspension of trading in bourses for an indefinite period and payment of compensations to the general investors.
Among other demands, the investors asked the government to withdraw all cases filed against them, stopping 'irrational' interference by merchant banks and brokerage houses in the decision making of investors, special allocation in the upcoming budget for the capital market and bringing back the money that has been siphoned off from the capital market.
The investors also demanded clearing of the position with regards to Tk 50 billion rescue fund called the 'Bangladesh Fund'.
Meanwhile, after the closure of trading hours at Dhaka Stock Exchange (DSE), Sharebazar Oikyo Parishad organised a 'Gayebana Namaz-e-Janaza' for Rony Zaman, a 23-year-old youth, who is said to have committed suicide upon incurring huge losses in the share market.
After the janaza, a Doa Mahfil was held in front of the DSE building seeking divine justice for those responsible for the share market debacle.
Among others, president of the Sharebazar Oikyo Parishad Mizanur Rashid Chowdhury, organising secretary Jahangir Alam, joint secretary Shahadat Ullah Feroz, and members of the organisation Anwar Hossain and Golap Hossain were present at the programme.
UNB from Chittagong adds: Investors demonstrated in the port city Monday noon protesting sharp fall in share prices.
Hundreds of frustrated investors took to the street in Agrabad area and later submitted a memorandum comprising 8-point demand to Chittagong Stock Exchange office under the banner of Chittagong Investment Forum.
The leaders of the forum criticised the reluctant attitude of the government during the ongoing crisis in the share market.
The 8-point demand included removal of the central bank governor, rejection of the probe report, stopping the interferences of Anti- Corruption Commission (ACC) and National Board of Revenue (NBR) and halting trade in CSE and DSE ahead of SEC reform. |
|
|
| 05/09/2011 7:48 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Stocks close higher amid low turnover
FE Report
Dhaka stocks closed higher amid high volatility on Monday although early slump prompted the angry investors to stage demonstrations for the second consecutive day.
The small investors took to the street coming out from the different brokerage houses at about 11.50am when the DGEN fell more than 200 points.
In the later part of the trading the market made a rebound with support from the institutional investors including Investment Corporation of Bangladesh (ICB), market insiders said.
At the end of the day, the benchmark DSE General Index (DGEN), the yardstick of the DSE ended at 5,638.80, rising 27.34 points or 0.48 per cent.
The broader All Shares Price Index (DSI) rose 21.11 points or 0.45 per cent to 4,690.35. The DSE-20 index comprising blue-chip shares advanced 18.97 points or 0.51 per cent to 3,691.76.
Meanwhile, a group of investors under the banner of 'Bangladesh Share Investors Association' observed sit-in programme in front of the DSE main building protesting the share price fall.
During the demonstration, police picked-up an investor named Amir Hossain, from the DSE main building as he allegedly tried to vandalize a car, later he was released.
The aggrieved investors chanted slogans against the finance minister, the Bangladesh Bank governor, DSE president and the SEC chairman for their alleged failure in taking effective steps to stabilise the country's stock market.
Vehicle movement in the bustling business hub Motijheel Shapla Chattar to Ittefaq Crossing came to a halt for about four hour till 3.0pm due to demonstrations and sit-in programme.
They also sought the Prime Minister's 'direct intervention' to solve the share market crisis and bring back market stability.
Investors also demanded to reduce the SLR (Statutory Liquidity Requirements) and CRR (Cash Reserve Ratio) of the commercial banks to stabilise the market.
Yawer Sayeed, managing director of AIMS of Bangladesh said the investors are losing confidence and they are also confused over the recruitment of the SEC new chairman as the government is making delay over the issue.
He said, the government remained in dilemma over the recruitment of the new chairman of the SEC and taking action against the market manipulators.
"Though the market closed positive today, it was gained with the artificial support," he said.
On the other hand, the vested quarters and market manipulators are still active in the market, he alleged.
"The government should take initiative in proper way and proper time, otherwise investors' confidence won't be restored," he added.
A total of 51.37 million shares changed hands on the day against 52.18 million in the previous session. The trade deals also decreased to 116,828 against Sunday's 121,469.
Total market capitalization increased slightly and stood at Tk 2620.23 billion against Tk 2,608.75 billion in the previous session.
Turnover continued to decline and stood at Tk 4.27 billion compared to Tk 4.62 billion in the previous session.
Out of 253 issues traded, 172 advanced, 76 declined and five remained unchanged.
Among the major sectors, banks, the market's bellwether gained 0.77 per cent, telecommunications 1.77 per cent and fuel and power 1.11 per cent while NBFIs lost 1.10 per cent.
Among other sector cement, general insurance and ceramics gained 2.83 per cent, 1.16 per cent and 1.76 per cent respectively while pharmaceuticals, life insurance and textile lost 0.07 per cent, 0.39 per cent and 0.53 per cent.
Beximco Ltd was the most traded share with turnover value of Tk 225.15 million. |
|
|
| 05/09/2011 7:48 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | DSE news in brief
Al-Arafah Islami Bank postpones AGM
The board of directors of Al-Arafah Islami Bank Limited has postponed the 16th AGM of the bank scheduled for today (Tuesday) due to unavoidable circumstances. The venue, date and time of the AGM will be announced later. Other information related to the AGM will remain unchanged as announced earlier.
Republic Ins recommends 10pc stock dividend
The board of directors of Republic Insurance Company Limited has recommended 10 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The annual general meeting of the company will be held at Trust Milonayatan, 545, Old Airport Road, Dhaka Cantonment, Dhaka at 10:00am on June 21. The record date is May 29. The company has stated net profit after tax of Tk 27.97 million, EPS of Tk 16.95, NAV per share of Tk 132.89 and NOCFPS of Tk 28.61 for the year that ended on December 31, 2010.
Cos' board meet
First Security Islami Bank: A meeting of the board of directors of First Security Islami Bank Limited will be held today (Tuesday) at 3:00pm to consider, among others, audited financial statements of the bank for the year that ended on December 31, 2010.
Purabi Gen Ins: A meeting of the board of directors of Purabi Gen Insurance will be held on May 12, 2011 at 3:15pm to consider, among others, audited financial statements of the company for the year that ended on December 31, 2010.
Singer credits stock dividend
The authorities of Singer Bangladesh have stated that they have credited the stock dividend for the year that ended on December 31, 2010 to the respective shareholders' BO accounts.
— DSE Online |
|
|
| 05/09/2011 7:51 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | এসইসি'র আরেক সদস্য ইয়াসিন আলীর পদত্যাগ
ঢাকা, ৯ মে (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) সদস্য আনিসুজ্জামানের পর অপর সদস্য ইয়াসিন আলী পদত্যাগ করেছেন। আজ বেলা পৌনে ৩টার দিকে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
পুঁজিবাজারে কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটি এসইসি পুনর্গঠনের সুপারিশ করে। গত ৩০ এপ্রিল এসইসি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল অবদুল মুহিত। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইয়াসিন আলী আজ এসইসির চেয়ারম্যানের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।
গতকাল রোববার এসইসি সদস্য আনিসুজ্জামান চেয়ারম্যান খোন্দকার জিয়াউল হকের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। |
|
|
| 05/09/2011 7:51 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি বিনিয়োগকারীদের
ঢাকা, ৯ মে (শীর্ষ নিউজ ডটকম): ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। একই সঙ্গে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ার সম্পন্ন করারও দাবি জানিয়েছে বিনিয়োগকারীরা। অব্যাহত দরপতনের প্রেক্ষিতে আজ সোমবার ডিএসই'র সামনে অবস্থান ধর্মঘট ও আমরণ অনশন কর্মসূচি আজকের মত স্থগিত করে এসব দাবি জানান সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
অনশন কর্মসূচিতে মোট দশ দফা দাবি জানানো হয় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে বিনিয়োগকারীদের আর্থিক ক্ষতি প্রদান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগ, গ্রেফতারকৃত সকল বিনিয়োগকারীদের নি:শর্ত মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার ও বাজার থেকে চুরি করা অর্থ ফিরিয়ে আনা।
এর আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে ডিএসই সাধারণ সূচক ১৩৭ পয়েন্ট কমে গেলে অবস্থান ধর্মঘট ও আমরণ অনশন শুরু করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এ সময় আনোয়ার হোসেন নামে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারী গাড়িতে হামলা চালালে তাকে আটক করে পুলিশ। তবে বেলা আড়াইটার দিকে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এর পরে বিনিয়োগকারীরা ডিএসই'র সামনে কর্মসূচি চালিয়ে গেলেও পুলিশ কোন ধরনের বাধা প্রদান করেনি।
এভাবে বেলা সোয়া তিনটা পর্যন্ত কর্মসূচি চলতে থাকে। এরপর উল্লিখিত দাবি জানিয়ে আজকের মত কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। তবে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে না আশা পর্যন্ত তাদের এ কর্মসূচি চলতে থাকবে বলে জানান বিনিয়োগকারীরা। এতে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মিজানুর রশিদ চৌধুরী, সদস্য সচিব জাহাঙ্গির আলম, সহ সদস্য সচিব একেএম সাহাদাত উল্লাহ ফিরোজ, ঐক্য পরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন, মো. গোলাপ হোসেন, সাধারণ বিনিয়োগকারী এমএ তারেকসহ আরো অনেকে।
এদিকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন কর্মসূচির ঘোষণা চলতে থাকলে দিনশেষে ডিএসই'র সাধারণ সূচক বড়েছে ২৭ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট বা ০.৪৮ শতাংশ। এর আগে বেলা ১২টার দিকে ডিএসই সাধারণ সূচক ২০১ পয়েন্ট কমে যায়। তবে এর পর থেকে সূচক বাড়তে থাকে। দিনশেষে ডিএসই সাধারণ সূচক অবস্থান করছে ৫৬৩৮ দশমিক ৮০ পয়েন্ট।
আজ ডিএসইতে মোট ২৫৩টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যার মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছে ১৭২টির, কমেছে ৭৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টির দাম।
আজ ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪২৬ কোটি টাকার শেয়ার। যা গতকালের লেনদেনের চেয়ে ৩৬ কোটি টাকা কম।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এচইএমএম/সস/১৬.৫৫ঘ.) |
|
|
| 05/09/2011 7:51 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতায় অর্থমন্ত্রী-গভর্নরের অব্যাহতি দাবি
ঢাকা, ৯ মে (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায়ে অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ও প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টাকে অব্যাহতি দেয়ার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে অবস্থান ধর্মঘট ও আমরণ অনশন কর্মসূচি পালনকালে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পক্ষে এক প্রচারপত্রে এ দাবি জানানো হয়। প্রচারপত্রে শেয়ারবাজার স্থিতিশীল করতে ৪ দফা দাবি করা হয়।
ওই প্রচারপত্রে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিপক্ষ নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলির প্রতি এসএলআর ও সিআরআর হার কমানো হোক। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে অনিয়মে জড়িতদের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে শেয়ারবাজারে আবারো বিনিয়োগে বাধ্য করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ৩ বছরের জন্য বিনিয়োগের টাকা শেয়ারবাজার থেকে উত্তোলন না করা এবং শুধু লাভের টাকা উত্তোলন করার শর্ত আরোপের দাবি জানায় বিনিয়োগকারীরা।
প্রসঙ্গত, সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে লেনদেনের শুরুতেই সূচকের ব্যাপক পতনে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে আসে। পরে তারা ডিএসই'র সামনের সড়কে অবস্থান নেয় ও আমরণ অনশন শুরু করে। |
|
|
|