Page 1 / 1
NEWS 10.03.2011
03/09/2011 6:10 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom-Alo
দর বৃদ্ধির ধারায় ফিরছে বাজারনিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১০-০৩-২০১১


পতনের ধারা থেকে দর বৃদ্ধির ধারায় ফিরেছে দেশের শেয়ারবাজার। দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই গতকাল বুধবার মূল্যসূচক ও লেনদেন বেড়েছে। এ নিয়ে টানা পাঁচ দিন ধরে বাড়ল শেয়ারবাজারের মূল্যসূচক।বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাজারের পতন ঠেকাতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ড গঠনের ঘোষণার পর থেকেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। তাই যাঁরা এত দিন লোকসান দিয়ে শেয়ার বিক্রি করে বাজার থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁরাও এখন ফিরতে শুরু করেছেন। মূলত এ কারণেই মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণ বাড়ছে।যোগাযোগ করা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আহমেদ খান প্রথম আলোকে বলেন, লেনদেনের ধরন দেখে মনে হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের অনেকে আবার সক্রিয় হচ্ছেন। এটা নিঃসন্দেহে ভালো খবর। তবে খেয়াল রাখতে হবে দুর্বল মৌলভিত্তির অতিমূল্যায়িত শেয়ার যাতে আবারও অতিমূল্যায়িত হয়ে না পড়ে।বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ও ডিএসইকে এখন থেকেই নজরদারি বাড়াতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গতকাল দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২৬৫ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ছয় হাজার ৩১৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইতে ২৫৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩টির, কমেছে ১৩টির এবং অপরিবর্তিত থাকে তিনটি প্রতিষ্ঠানের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল এক হাজার ২৪৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ২৭৯ কোটি টাকা বেশি। দীর্ঘ দুই মাস পর স্টক এক্সচেঞ্জটিতে এ পরিমাণ লেনদেন হতে দেখা গেল।অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৭২১ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৮১৭ পয়েন্টে ছাড়িয়েছে। আর মোট লেনদেন হয়েছে ১৫০ কোটি টাকার শেয়ার।বিনিয়োগকারীদের দোয়া: বিনিয়োগকারীদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতন ঠেকাতে এবং বর্তমান স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আল্লাহর দরবারে খতমে ইউনুস ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করেন বিনিয়োগকারীরা। গতকাল বেলা আড়াইটায় ডিএসইর সামনে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী ঐক্যপরিষদের ব্যানারে এ দোয়ার আয়োজন করা হয়।  
Quote   
03/09/2011 6:17 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Star
Thursday, March 10, 2011
ICB to seek 3 more months to repay loans
Gazi Towhid Ahmed


The state-run Investment Corporation of Bangladesh (ICB) will seek three more months from the government to repay loans of Tk 600 crore.

On the back of a liquidity crunch in the capital market, the central bank recently gave ICB the loans for three months to buy shares to bring back normalcy in the market.

But ICB would not be able to repay the loans in time, as it does not want to sell shares in the present volatile market situation.

Khairul Hossain, chairman of ICB, said: "After selling a big amount of shares, we would be able to repay the loans."

"If we start selling now, the market will experience another debacle."

However, the board of ICB yesterday approved proceedings on their part to generate fund for the much-hyped “Bangladesh Fund”.

Hossain said the fund was created to boost the investors' confidence and give a massive liquidity support to the stockmarket.

The state-run investment organisation and seven other state-owned enterprises on Sunday announced to create the Tk 5,000 crore open-ended mutual fund.

Apart from the ICB, the seven other SoEs are: Sonali Bank, Janata Bank, Agrani Bank, Rupali Bank, Bangladesh Development Bank, Sadharan Bima Corporation and Jibon Bima Corporation.

Md Fayekuzzaman, managing director of ICB, said: "The ICB issued a letter to the co-sponsors of the fund to set a board meeting next week in support of the approval for the fund."

The ICB earlier said it will apply for the regulatory approval after the eight participating institutions come up with permissions from their respective boards of directors.

The ICB also took an action plan after sitting on Tuesday with the other members of the demutualisation committee, said Fayekuzzaman, chief of the committee.

"Regulatory reform, asset revaluation and capacity building are on the agenda of the action plan," he said.

"We will sit at another meeting within this month," he added.

Finance Minister AMA Muhith earlier said there is no alternative to demutualisation and it must be completed within the tenure of this government.
Quote   
03/09/2011 6:23 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
নতুন উদ্যমে সক্রিয় বিনিয়োগকারীরা
পুঁজিবাজারে উর্ধমুখী ধারা অব্যাহত


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সঙ্কট উত্তরণে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের পর পুঁজিবাজারে টানা উর্ধমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি আতঙ্ক কাটিয়ে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরাও সক্রিয় হয়ে উঠছেন। বিপর্যয়ের সময় শেয়ার বিক্রি করে হাত গুটিয়ে বসেছিলেন_ এমন বিনিয়োগকারীরাও আবার বাজারে ফিরতে শুরু করেছেন। বাজারের প্রতি পূর্ণ আস্থা নিয়ে নতুন উদ্যমে বিনিয়োগ করছেন তাঁরা। ফলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে আর্থিক লেনদেন পরিস্থিতি। অধিকাংশ শেয়ারের টানা দরবৃদ্ধির প্রভাবে পাঁচ দিন ধরে বাড়ছে সব সূচক।
ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তা এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টানা তিন মাস একের পর এক বিপর্যয়ের পর পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে বড় আকারের তহবিল গঠন, বাইব্যাক পদ্ধতি চালু, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করাসহ সরকারের দিক থেকে বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগের প্রভাবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরতে শুরম্ন করেছে। এর আগে যেসব বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করে হাত গুটিয়ে বসেছিলেন তাঁরাও নতুন করে শেয়ার কিনতে শুরম্ন করেছেন। এসব কারণে বাজারে লেনদেনের পরিমাণ বাড়ছে।
বিশেস্নষকদের মতে, দীর্ঘ অস্থিরতা কাটিয়ে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরতে শুরম্ন করেছে। গত কয়েক দিন ধরে আর্থিক লেনদেন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকার মধ্য দিয়ে সব ধরনের বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার প্রমাণ মিলছে। মূলত তারল্য সঙ্কটের কারণেই এতদিন বাজারে দরপতন ঘটেছে। এখন ওই সঙ্কট কেটে গেছে বলেই মনে হচ্ছে।
তবে একটানা দরবৃদ্ধির প্রবণতাকে অনেক বিশেস্নষকই বাজারের জন্য ইতিবাচক বলে মনে করছেন না। তাঁদের মতে, গত তিন মাস ধরে পুঁজিবাজারে টানা সংশোধন হয়েছে। ওই অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে নানা পদৰেপ গ্রহণ করা হয়। এতে তাঁদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হওয়ায় বাজার এখন উর্ধগতির ধারায় রয়েছে। তবে লেনদেনে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন না। চার দিন টানা উর্ধগতির পর কিছুটা মূল্য সংশোধন হওয়া উচিত ছিল। এ সময় বিনিয়োগকারীদের সতর্ক হয়ে বিনিয়োগ করতে হবে_ যাতে অতি মূল্যায়িত শেয়ার কিনে তাঁরা আবারও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে না পড়েন।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, উর্ধগতির মধ্য দিয়ে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরম্ন হয়। অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধির প্রভাবে আধ ঘণ্টার মধ্যে ডিএসই সাধারণ সূচক ২০৬ পয়েন্ট বেড়ে যায়। মঝে কিছু সময়ের মধ্যে দর কমলেও বেলা সাড়ে ১২টা থেকে টানা উর্ধগতির ধারা বজায় রেখেই দিনের লেনদেন শেষ হয়। দিন শেষে সাধারণ সূচক ২৬৫.৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ৬৩১৬.৫৩ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৪৩টিরই দর বেড়েছে। এর বিপরীতে কমেছে ১৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর।
আর্থিক লেনদেনের দিক থেকেও টানা উর্ধমুখী ধারা বজায় রয়েছে। বুধবার ডিএসইতে ১ হাজার ২৪৩ কোটি টাকার শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট এবং কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ২৭৯ কোটি টাকা বেশি।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৭২১.৩৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৭৮১৭.৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২০৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৬টির, কমেছে ১৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর। এই স্টক এঙ্চেঞ্জে মোট ১৫০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।  
Quote   
03/09/2011 6:29 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
লন্ডনে শেয়ারবাজার মেলায় এক হাজার বিও এ্যাকাউন্ট খুলেছে প্রবাসীরা


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের শেয়ারবাজার নিয়ে লন্ডনে মেলায় ব্যাপক সাড়া মিলছে। তিন দিনের এ মেলায় পুঁজিবাজারে লেনদেন করার জন্য প্রবাসীরা এক হাজারেরও বেশি বেনিফিশিয়ারী ওনার্স (বিও) এ্যাকাউন্ট খুলেছেন। দেশের শেয়ারবাজার নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহী তৈরি হয়েছে। তাঁদের উদ্বেগ কাটানো গেলে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিনিয়োগ আসবে। যা বাজার স্থিতিশীল করতেও ভূমিকা রাখবে।
এ প্রসঙ্গে মেলার উদ্যোক্তাদের অন্যতম সৈয়দ বেলাল আহমদ বলেন, 'বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের সঙ্কট উত্তরণে প্রবাসী বিনিয়োগ বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে। প্রবাসীদের বিনিয়োগ পেলে বাজার পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে।'
গত ৫ মার্চ থেকে ৭ মার্চ লন্ডনে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম বাংলাদেশ শেয়ারবাজার মেলা। প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় এ মেলার আয়োজন করে কারি লাইফ ইভেন্টস।
মেলায় প্রবাসীদের সাড়ায় সনত্মোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমদ। তিনি বলেন, প্রচুর প্রবাসী শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। তবে যে বিষয়টি তাঁরা সবচেয়ে বেশি উত্থাপন করেছেন, তা হলো আর্থিক নিরাপত্তা। তারা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগে আগ্রহী। তাই তাদের বিনিয়োগের সুরক্ষার নিশ্চয়তা তারা সরকারীভাবে চান।
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বাইব্যাক পদ্ধতি চালু হলে তার প্রভাব কী ধরনের হবে_ জানতে চাইলে মর্তুজা বলেন, এটা আনত্মর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এটি চালু হলে সহসা দরপতনের সম্ভাবনা কম থাকে। তবে এর অপব্যবহারের সুযোগও রয়েছে। তাই তা বাসত্মবায়নের ক্ষেত্রে অনেক খুঁটিনাটি বিষয় দেখতে হবে।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য সরকারের ৫ হাজার কোটি টাকার মিউচু্যয়াল ফান্ড গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, 'এটা ভাল। কিন্তু এর চেয়েও বেশি প্রয়োজন এখন বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। এখন ১৯৯৬ সাল নয়। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। শেয়ারবাজারে এখন অনেক বেশি লোকের অংশগ্রহণ রয়েছে।
তিনি জানান, 'শুধু প্রবাসী বাংলাদেশীরাই নয়, ব্রিটিশ ব্যাংক বার্কলেসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বার্কলেস ওয়েলস ও স্টকব্রোকার কোম্পানি চার্লস স্ট্যানলিও বাংলাদেশের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।'

স্টক এক্সচেঞ্জ বিন্যস্তকরণে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ শেয়ারবাজারের সামগ্রিক কার্যক্রম বিন্যস্তকরণের (ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন) কর্মপরিকল্পনা চূড়ানত্ম করেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি। বিন্যসত্মকরণের জন্য স্টক এঙ্চেঞ্জের আইন ও বিধি-বিধানের সংস্কার, সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন এবং লেনদেন পদ্ধতিসহ সামগ্রিক সৰমতা বৃদ্ধি করতে হবে বলে কমিটি মনে করে। প্রতিটি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়নের পর প্রতিবেদন পেশ করা হবে বলে বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান।
বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, শেয়ারবাজার বিন্যসত্মকরণ বর্তমান সরকারের অন্যতম একটি পদৰেপ। ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদসহ সদস্যরাও এ বিষয়ে আনত্মরিক। বিন্যসত্মকরণের জন্য পরিকল্পনা নির্ধারণের কাজ দ্রম্নত এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি জানান, ইতোমধ্যেই বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা চূড়ানত্ম করা হয়েছে। অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে প্রতিটি বিষয়ে সামগ্রিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। চলতি মাসেই কমিটির আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান।
জানা গেছে, বিন্যসত্মকরণে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হলেও কাজ শেষ করার জন্য কোন সময় বেঁধে দেয়া হয়নি। সামগ্রিক পরিস্থিতি ও অন্যান্য দেশের দৃষ্টানত্ম বিশেস্নষণ করে ধাপে ধাপে কাজ শেষ করার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটিই সময়সীমা নির্ধারণ করবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে একটি কাঠামো নির্ধারণ করে চূড়ানত্ম কাজ শুরম্ন করা হবে।  
Quote   
03/09/2011 6:32 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
পাঁচ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ড' অনুমোদন
আইসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভা


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে প্রস্তাবিত পাঁচ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ড' অনুমোদন করেছে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) পরিচালনা পর্ষদ। বুধবার আইসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় একইসঙ্গে উদ্যোক্তা হিসেবে এই ফান্ডের ১০ শতাংশ বা ৫০০ কোটি টাকা যোগান দেয়ার প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়। সহযোগী উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনের দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফান্ড গঠনের সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে আইসিবির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রম্নল হোসেন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান।
পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক শেষে আইসিবি চেয়ারম্যান এম খায়রম্নল হোসেন জানান, 'বাংলাদেশ ফান্ডে' অর্থ যোগান দেয়ার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বুধবারই সহযোগী উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে চিঠি দেয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী সাত দিনের মধ্যে তাদের সিদ্ধানত্ম জানাতে বলা হবে। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পর দ্রম্নততম সময়ের মধ্যেই এই তহবিল কার্যকর করা হবে।
তিনি বলেন, তহবিল গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা রৰা করা। অস্বাভাবিক দরপতন ঠেকাতে এই তহবিলের মাধ্যমে শেয়ার কেনা হবে। প্রয়োজনীয় মুহূর্তে যাতে অর্থ সঙ্কট না থাকে সেজন্য তহবিলের অর্ধেক মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিসহ সামগ্রিক দিক বিবেচনা করেই এই তহবিলের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।
আইসিবি চেয়ারম্যান আরও জানান, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আইসিবি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল থেকে ইতোমধ্যেই বাজারে উলেস্নখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য ৬০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। ইতোমধ্যেই এই টাকার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সুচিনত্মিতভাবে বিনিয়োগ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত ঋণের মেয়াদ সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য এই ঋণ দেয়া হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময় শেষে এই ঋণ পরিশোধের জন্য একসঙ্গে শেয়ার বিক্রি করা হলে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ বিষয়টি বিবেচনা করে ঋণের মেয়াদ এক বছর পর্যনত্ম বৃদ্ধির আবেদন জানানো হচ্ছে।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান, পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন পাওয়ার পর দ্রম্নততম সময়ের মধ্যে 'বাংলাদেশ ফান্ডের' ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান নিয়োগের কাজ শেষ করে এসইসিতে জমা দেয়া হবে। সরকারের নীতিগত সহায়তা নিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই ফান্ড বাজারে আনা হবে।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রসত্মাবিত ফান্ডটি কার্যকর করার বিষয়ে কোন সংশয় বা সন্দেহের অবকাশ নেই। আইসিবির পরিচালনা পর্ষদে অনুমোদনই এই ফান্ডের বিষয়ে আনত্মরিকতার প্রমাণ। পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতেই এই তহবিল গঠন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যেতে শুরম্ন করেছে।
তিনি জানান, বাজারের মন্দা পরিস্থিতিতে এই ফান্ডের মাধ্যমে শেয়ার কেনা হবে। আবার বাজার ভাল হলে শেয়ার বিক্রি করা হবে। কারণ যেসব প্রতিষ্ঠান এই ফান্ডে বিনিয়োগ করছে তারা এখান থেকে অবশ্যই মুনাফা অর্জন করতে চাইবে। এ বিষয়ে কোন ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ নেই।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত রবিবার 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল চূড়ানত্ম করা হয়। এই ওপেন এ্যান্ড (মেয়াদহীন) মিউচু্যয়াল ফান্ড হিসেবে গঠিত এই তহবিলের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার বিবেচনায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তহবিলের আকার বাড়ানো যাবে। তহবিলের মূল উদ্যোক্তা হবে আইসিবি। প্রতিষ্ঠানটি মোট তহবিলের ১০ শতাংশ অর্থ যোগান দেবে। প্রাথমিকভাবে যৌথ উদ্যোক্তা হিসেবে রয়েছে চার রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা, জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল)। এছাড়া বেসিক ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনও এই তহবিলে বিনিয়োগ করবে। পাশাপাশি অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানও ফান্ড গঠনে অংশ নিতে পারবে।  
Quote   
03/09/2011 6:37 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
ভারতের আদলে তৈরি হচ্ছে বাইব্যাক আইন
------------------------------------
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম



ঢাকা: শেয়ারদর ওঠানামায় কোম্পানির ভূমিকাকে প্রাধান্য দিয়ে ভারতের আদলে তৈরি হচ্ছে বাইব্যাক আইন।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির মতো বাইব্যাক আইনও পুঁজিবাজার বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। তাই আইনটি যেন কারসাজির হাতিয়ার না হয়ে ওঠে সেজন্য আইন প্রণয়নে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

অন্যান্য দেশে বাইব্যাক আইন থাকলেও বাংলাদেশের কোম্পানি আইনে ওই আইনের অনুমোদন নেই। তাই বাইব্যাক আইন করতে হলে প্রথমে কোম্পানি আইন সংশোধন করতে হবে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনসহ (এসইসি) ঢাকা ও চট্রগ্রাম দুই স্টক এক্সচেঞ্জ বাইব্যাক আইনের প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে। আইনটিতে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শেয়ারদরের ওঠানামার ওপর কোম্পানির সাপোর্টের বিষয়টি প্রাধান্য পাবে।  

বাইব্যাক আইনের উদ্দেশ্য:

আইন অনুযায়ী শেয়ারের বাইব্যাক যে উদ্দেশ্যে করা হয় সেগুলো হলো-

প্রথমত: উদ্যোক্তাদের শেয়ারের অংশ বাড়াতে আইনটি করা হচ্ছে। অর্থাৎ কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে যদি ৩০ শতাংশ উদ্যোক্তাদের হাতে এবং ৭০ শতাংশ শেয়ারহোল্ডারদের হাতে থাকে সেক্ষেত্রে বাইব্যাক করে উদ্যোক্তাদের শেয়ারের অংশ বাড়ানো হবে।

দ্বিতীয়ত: শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বাড়াতে আইনটি কার্যকর করা হবে। অর্থাৎ কোম্পানি বাইব্যাক করলে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার সংখ্যা কমে যাবে। এতে শেয়ারের ইপিএস বাড়বে।

তৃতীয়ত: কোম্পানির মূলধন অনেক বেড়ে গেলে তা কমাতে বাইব্যাক করা হবে।

চতুর্থত: শেয়ারের দর যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার কাজে আইনটি ভূমিকা রাখবে। অর্থাৎ পরিস্থিতি অনুযায়ী কোম্পানি শেয়ার বাইব্যাক করে দর বাড়াতে অথবা কমাতে পারবে।

পঞ্চমত: কোম্পানির অলস অর্থ বেড়ে গেলে শেয়ার বাইব্যাক করতে পারবে।

কিভাবে বাইব্যাক করা হবে:

প্রথমত: কোম্পানির অতিরিক্ত রিজার্ভ থেকে বাইব্যাক করা হবে।
দ্বিতীয়ত: কোম্পানি শেয়ার থেকে যে অতিরিক্ত প্রিমিয়াম নিয়েছে সেই অর্থ থেকে বাইব্যাক করা হবে। তৃতীয়ত: সাধারণ শেয়াহোল্ডারদের কাছে চিঠি দয়ে বাইব্যাক করা হতে পারে।
চতুর্থত: ওপেন মার্কেট থেকে বাইব্যাক করা হতে পারে।
পঞ্চমত: বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এবং ষষ্ঠত: স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে বাইব্যাক করতে পারবে।

বাইব্যাকের শর্ত: কোম্পানি আইনে বাইব্যাক অনুমোদিত থাকতে হবে।  কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বাইব্যাক করতে হবে। কোম্পানির ঋণের পরিমাণ পরিশোধিত মূলধন ও রিজার্ভের দ্বিগুণ হলে বাইব্যাক করতে পারবে না। কোম্পানি বাইব্যাক করার আগে শেয়ারহোল্ডারদের ডিভিডেন্ডসহ সকল ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

বাইব্যাক করা সকল শেয়ার পরিশোধিত মূলধনে যুক্ত হবে। বোর্ডে সিদ্ধান্ত হওয়ার ১২ মাসের মধ্যে বাইব্যাক সম্পন্ন করতে হবে। বাইব্যাক সম্পন্ন হওয়ার পর পুনরায় বাজারে আসতে হলে তাকে পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে পাবলিক ইস্যু বা রাইট ইস্যু করে আসতে হবে।

কোম্পানি বাইব্যাক করতে চাইলে তাকে অবশ্যই ঘোষণা দিতে হবে এবং অন্তত: একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিক ও একটি বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে হবে। ঘোষণায় বাইব্যাকের একটি নির্দিষ্ট তারিখ ও শেয়ারের প্রাইস উল্লেখ থাকতে হবে।

বিনিয়োগকারীদের ওপর বাইব্যাক আইনের প্রভাব: বিনিয়োগকারীদের ওপর বাইব্যাক আইনের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দু’রকম প্রভাবই থাকবে বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। কোম্পানি বাইব্যাক করলে শেয়ারের ইপিএস বেড়ে যাবে। এতে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হবে। এছাড়া বাজারের পরিস্থিতি প্রেক্ষাপটেও বাইব্যাক আইন অনেক সহায়ক হবে। কোনো কোম্পানির শেয়ার দর অস্বাভাবিক কমে গেলে তখন কোম্পানি ওই শেয়ার বাইব্যাক করবে। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

এছাড়া কোনো কোম্পানি অতিরিক্ত প্রিমিয়াম নিয়ে বাজারে আসার পর শেয়ার দর পড়ে গেলে কোম্পানি বাইব্যাক করতে বাধ্য থাকবে। এতে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকির মুখে পড়বে না।

শেয়ারবাজারের ওপর বাইব্যাকের প্রভাব: শেয়ারবাজারের ওপর বাইব্যাকের প্রভাব থাকবে বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। বাইব্যাক করার আগে কোম্পানিকে ঘোষণা দিতে হবে। এসময় কি দরে বাইব্যাক করা হবে তাও ঘোষণায় থাকবে। সেক্ষেত্রে এ ঘোষণা বাজারে ইতিবাচক ও নেতিবাচক হুজুগ সৃষ্টি করতে পারে। যেমন ফেসভ্যালু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বাজারে হুজুগ সৃষ্টি হয়েছিল।

এছাড়া বাইব্যাক আইনকে সরকার সাপোর্ট হিসেবে নিতে পারে। যেমন, বিপর্যয়কালে এ আইনের বলে শেয়ারদরকে সাপোর্ট দিতে কোম্পানিকে বাধ্য করতে পারবে সরকার।

বাইব্যাক আইন নিয়ে বাজার সংশ্লিষ্টদের অভিমত: বাইব্যাক আইন এখন পুঁজিবাজারে প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে এ আইন যেন কারসাজির হাতিয়ার হয়ে না উঠতে পারে সেদিকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ বুকবিল্ডিং একটি আধুনিক পদ্ধতি হওয়া সত্ত্বেও আইনের ফাঁক থাকায় তা বাজারে বিপর্যয় ডেকে এনেছে। বাইব্যাক আইনেও সতর্কতা অবলম্বন না করা হলে একই বিপর্যয় ঘটার আশংকা রয়েছে।

এ ব্যাপারে ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, বাইব্যাক আইন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট মাথায় রেখেই করতে হবে। এ আইনের মাধ্যমে কোম্পানিগুলো যেন কোনো অন্যায় সুযোগ নিতে না পারে সেদিকে খেয়ার রাখতে হবে। কারণ বাইব্যাক আইনের সুযোগ নিতে অনেক কোম্পানি ইচ্ছাকৃতভাবে কোম্পানির ইপিএস ও শেয়ারদর কমিয়ে দিতে পারে। পরে শেয়ার কিনে নেওয়ার পর আবারও ইপিএস ও শেয়ারদর বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার অনেক কোম্পানি বাইব্যাক আইনের সুযোগে বেশি প্রিমিয়াম নিয়ে বাজারে আসার চেষ্টা করতে পারে। এসব দিক মাথায় রেখেই বাইব্যাক আইন প্রণয়ন করতে হবে। ডিএসই বাইব্যাক আইনের প্রস্তাব নিয়ে কাজ শুরু করেছে।

‘বাইব্যাক আইন অবশ্যই বাজারে সুফল বয়ে আনবে’ বলে মনে করেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দীন আলী আহমেদ। তবে তিনি বলেন,‘তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো পর্যালোচনা করেই এ আইন প্রণয়ন করতে হবে।’

তাঁর মতে, ‘এ আইন পাস করার পর তা আবার কোম্পানির বিধির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। সেক্ষেত্রে অচিরেই এ আইনটি বাজারে প্রয়োগ করা সম্ভব হবে না। তবে বিনিয়োগকারীদের মনে রাখতে হবে এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এটি তাৎক্ষণিকভাবে বাজারে কোনো পরিবর্তন আনবে না।’  

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৩ ঘণ্টা, মার্চ ০৯, ২০১১
Quote   
03/09/2011 8:58 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ফের হাজার কোটি টাকা লেনদেন ডিএসইতে : বিনিয়োগকারীদের খতমে ইউনুস ও দোয়া মাহফিল

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
Amar Desh Online


এক মাস পর ফের হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)। গতকাল লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২৪৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার। সর্বশেষ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল গত ৩১ জানুয়ারি এবং লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৭৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। অবশ্য গতকালের লেনদেনের পরিমাণ ছিল গত দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বশেষ গত ১২ জানুয়ারি ডিএসইতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৪৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। লেনদেন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারবাজারে সূচকেরও বড় ধরনের উল্লমম্ফন অব্যাহত রয়েছে। গতকাল একদিনেই ডিএসই সাধারণ সূচক আগের দিনের তুলনায় ২৬৫ পয়েন্ট বেড়েছে। এ নিয়ে টানা ৫ দিন সূচক বেড়েছে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২৫৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩টির, কমেছে ১৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩টির দাম।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সৃষ্ট আস্থাহীনতা ক্রমশ কমতে শুরু করায় বাজারের লেনদেন বাড়ছে। এটি বাজারের জন্য একটি বড় ধনরনের ইতিবাচক দিক। লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারের চাহিদাও তৈরি হবে। চাহিদার সঙ্গে যোগানের ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারলে বাজার আবার ঝুঁকিতে পড়বে। এছাড়া সম্প্রতি বাজারে সব কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকতে হবে। তা না হলে আবারও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক অস্থিরতার সময় বিনিয়োগকারীদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, বর্তমান স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মহান আল্লাহর দরবারে খতমে ইউনুস ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করেন বিনিয়োগকারীরা। বুধবার বেলা আড়াইটায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত সপ্তাহে এ সংগঠনটি ডিএসইর সামনে মিলাদের আয়োজন করেছিল। ওইদিন পুনরায় খতমে ইউনুসের জন্য বিনিয়োগকারীদের দাওয়াত দেয়া হয়। এছাড়াও ডিএসইর বিভিন্ন ব্র্রোকারেজ হাউসের সামনে লিফলেট বিতরণ করা হয়। ফলে ওই সময় দোয়া মাহফিলের চারপাশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। খতমে ইউনুস পাঠ শেষে বিশেষ দোয়া করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুর রাজ্জাক, মো. সেলিম চৌধুরী, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম, এম ফয়সাল আহমেদ, একেএম শাহাদাত উল্লাহ ফিরোজ প্রমুখ।
বাজারে টানা ৫ দিন সূচক বৃদ্ধি নিয়ে বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে। তবে তারল্য প্রবাহ বাড়ার বিষয়টিকে বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।
এ বিষয়ে ডিএসইর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, বাজারের সার্বিক অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে তারল্য বাড়তে শুরু করেছে। তবে এটা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী না সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের ফলে তা বোঝা যাচ্ছে না। সরকারি ফান্ড গঠনের ঘোষণায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরেছে বলেও মনে করেন তিনি।
গতকাল ডিএসইতে মোট ২৫৯টি কোম্পানির ১২ কোটি ২৩ লাখ ৭১ হাজার ৩৯১টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩টি, কমেছে ১৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। গতকাল মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২৪৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২৭৯ কোটি ২১ লাখ টাকা বেশি। সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৬৫ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩১৬ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৯০ দশমিক ২৬ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ১০৭ দশমিক ৬৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইর বাজার মূলধন আগের দিনের চেয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৭১৫ কোটি টাকা।
লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সটেক্স, আফতাব অটো, তিতাস গ্যাস, পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ওয়ান ব্যাংক, ম্যাকসন স্পিনিং, বে-লিজিং ও গ্রামীণফোন। অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো ওশেন কন্টেইনার, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, খুলনা পাওয়ার কোং, কাসেম ডাই সেল, সিএমসি কামাল, অ্যাক্টিভ ফাইন, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স ও বিডি কম।
এইমসের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি : এইমস ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের রাইট শেয়ারের চাঁদা সংগ্রহে সময় বৃদ্ধিসংক্রান্ত অনিয়ম তদন্তে কমিটি গঠন করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল এ সংক্রান্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি স্বীকার করে ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াওয়ার সাঈদ বলেন, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত সময় রাইট শেয়ারের চাঁদা গ্রহণ করেছি কি না—তা যাচাই করতেই এসইসি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/09/2011 9:00 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ডিএসইতে লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে


নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho

আগের চার দিনের মতো গতকালও দর বেড়েছে শেয়ারবাজারে। টানা পাঁচ দিনের এই দর বৃদ্ধির ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরতে শুরু করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। তাঁরা বলছেন, বাজার স্থিতিশীলতার দিকে এগোচ্ছে।
লেনদেন এক হাজার কোটি টাকার ঘর অতিক্রম করায় বাজার-বিশ্লেষকরা একে স্থিতিশীলতার ভালো লক্ষণ বলে মনে করছেন। ২৩ কার্যদিবস পর গতকাল ঢাকার শেয়ারবাজারে লেনদেন এক হাজার কোটি টাকার ঘর অতিক্রম করে এক হাজার ২৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪১৯ টাকায় পেঁৗছেছে। এটা আগের দিনের তুলনায় চয়ে ২৭৯ কোটি ২১ লাখ টাকা বেশি। আগের চার দিনের ধারাবাহিকতায় গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ২৬৫.৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ৬৩১৬.৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এই পাঁচ দিনে সূচক বেড়েছে ১০২৪.৩৬ পয়েন্ট।
তবে টানা পাঁচ দিন মূল্যবৃদ্ধি ও একসঙ্গে অধিকাংশ কম্পানির মূল্যবৃদ্ধিকে এখনো অস্বাভাবিক বলেছেন বিশ্লেষকরা। গতকাল লেনদেন হওয়া ২৫৯টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩টির। কমেছে ১৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি শেয়ারের। এসব প্রতিষ্ঠানের ১২ কোটি ২৩ লাখ ৭১ হাজার ৩৯১টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। বাজার মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৮৪ হাজার ৭১৫ কোটি ৯৯ লাখ ৭২ হাজার ৮১২ টাকা। জনতা ক্যাপিটাল ইনভেস্ট লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক সাইফ উল্যাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এক হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হওয়া ইতিবাচক। মনে হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের মনে আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। তবে এক সঙ্গে সব কম্পানির দাম বৃদ্ধি বা হ্রাস দুটোই অস্বাভাবিক।'
তিনি বলেন, 'পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের ঘোষণা ও ফোর্সসেল বন্ধের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। এখন অনেকেই নতুন করে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছেন।' এদিকে গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন হওয়া প্রধান ১০টি কম্পানি হলো_বেঙ্মিকো লিমিটেড, বেঙ্টেঙ্, আফতাব অটো, তিতাস গ্যাস, পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ওয়ান ব্যাংক, ম্যাকসন স্পিনিং, বে-লিজিং ও গ্রামীণফোন।
মূল্যবৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কম্পানি হলো_ওশেন কনটেইনার, ফেডারেল ইনস্যুরেন্স, খুলনা পাওয়ার কম্পানি, কাসেম ডাই সেল, সিএমসি কামাল, অ্যাক্টিভ ফাইন, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, প্রাইম ইনস্যুরেন্স ও বিডিকম। দাম কমার শীর্ষ ১০টি কম্পানি হলো_এশিয়া ইনস্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, তৃতীয় আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এআইবিএল প্রথম ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, জিল বাংলা, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, মুন্নু জুটেঙ্, আলহাজ টেঙ্টাইল, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস্ ও অষ্টম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/09/2011 9:00 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
ডিএসইতে লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে


নিজস্ব প্রতিবেদক
Kaler Kantho

আগের চার দিনের মতো গতকালও দর বেড়েছে শেয়ারবাজারে। টানা পাঁচ দিনের এই দর বৃদ্ধির ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরতে শুরু করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। তাঁরা বলছেন, বাজার স্থিতিশীলতার দিকে এগোচ্ছে।
লেনদেন এক হাজার কোটি টাকার ঘর অতিক্রম করায় বাজার-বিশ্লেষকরা একে স্থিতিশীলতার ভালো লক্ষণ বলে মনে করছেন। ২৩ কার্যদিবস পর গতকাল ঢাকার শেয়ারবাজারে লেনদেন এক হাজার কোটি টাকার ঘর অতিক্রম করে এক হাজার ২৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪১৯ টাকায় পেঁৗছেছে। এটা আগের দিনের তুলনায় চয়ে ২৭৯ কোটি ২১ লাখ টাকা বেশি। আগের চার দিনের ধারাবাহিকতায় গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ২৬৫.৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ৬৩১৬.৫৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এই পাঁচ দিনে সূচক বেড়েছে ১০২৪.৩৬ পয়েন্ট।
তবে টানা পাঁচ দিন মূল্যবৃদ্ধি ও একসঙ্গে অধিকাংশ কম্পানির মূল্যবৃদ্ধিকে এখনো অস্বাভাবিক বলেছেন বিশ্লেষকরা। গতকাল লেনদেন হওয়া ২৫৯টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩টির। কমেছে ১৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি শেয়ারের। এসব প্রতিষ্ঠানের ১২ কোটি ২৩ লাখ ৭১ হাজার ৩৯১টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। বাজার মূলধন বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৮৪ হাজার ৭১৫ কোটি ৯৯ লাখ ৭২ হাজার ৮১২ টাকা। জনতা ক্যাপিটাল ইনভেস্ট লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক সাইফ উল্যাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এক হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হওয়া ইতিবাচক। মনে হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের মনে আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। তবে এক সঙ্গে সব কম্পানির দাম বৃদ্ধি বা হ্রাস দুটোই অস্বাভাবিক।'
তিনি বলেন, 'পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের ঘোষণা ও ফোর্সসেল বন্ধের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। এখন অনেকেই নতুন করে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছেন।' এদিকে গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে লেনদেন হওয়া প্রধান ১০টি কম্পানি হলো_বেঙ্মিকো লিমিটেড, বেঙ্টেঙ্, আফতাব অটো, তিতাস গ্যাস, পিপলস্ লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ওয়ান ব্যাংক, ম্যাকসন স্পিনিং, বে-লিজিং ও গ্রামীণফোন।
মূল্যবৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কম্পানি হলো_ওশেন কনটেইনার, ফেডারেল ইনস্যুরেন্স, খুলনা পাওয়ার কম্পানি, কাসেম ডাই সেল, সিএমসি কামাল, অ্যাক্টিভ ফাইন, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, প্রাইম ইনস্যুরেন্স ও বিডিকম। দাম কমার শীর্ষ ১০টি কম্পানি হলো_এশিয়া ইনস্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, তৃতীয় আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এআইবিএল প্রথম ইসলামিক মিউচ্যুয়াল ফান্ড, জিল বাংলা, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, মুন্নু জুটেঙ্, আলহাজ টেঙ্টাইল, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস্ ও অষ্টম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/09/2011 9:05 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
তারল্য অভাবে ব্যাংকিং খাত ॥ চরম সঙ্কট
০ ১৫ বাণিজ্যিক ব্যাংক কোন পরিচালন মুনাফা করতে পারেনি
০ বিদ্যুত সঙ্কট কেটে যাবার সম্ভাবনায় বিপুল বিনিয়োগের চাহিদা



রাজু আহমেদ ॥
The Daily Janakantha


তারল্য সঙ্কট তীব্র হয়ে ওঠায় দেশের ব্যাংকিং খাতে চরম অবস্থা বিরাজ করছে। প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় অধিকাংশ ব্যাংকই নতুন কোন ঋণ বিতরণ করতে পারছে না। পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলা প্রায় বন্ধ রয়েছে। এমনকি কোন কোন ব্যাংক নিয়মিত গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থের সংস্থান করতেও হিমশিম খাচ্ছে। সব মিলিয়ে ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়ে পড়ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কর্মকা-। সবদিক থেকে ব্যবসা কমে যাওয়ায় নতুন বছরের প্রথম দু' মাসে ১৫টি বাণিজ্যিক ব্যাংক কোন পরিচালন মুনাফা অর্জন করতে পারেনি বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
একাধিক ব্যাংকের উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপনা কতর্ৃপৰের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের আর্থিক খাতে বর্তমানে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। ব্যাংকিং খাতে অব্যাহত তারল্য সঙ্কটই এর মূল কারণ। নানামুখী অভিযানের কারণে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দেশের শিল্প ও বাণিজ্য খাতে বিনিয়োগের সুযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে ব্যাংকিং খাতে বিপুল পরিমাণ তারল্য উদ্বৃত্ত হয়ে পড়ে। বিদু্যত ও গ্যাস সঙ্কট অব্যাহত থাকায় বর্তমান সরকারের প্রথম দু'বছরেও বিনিয়োগের ৰেত্রে শস্নথগতি অব্যাহত ছিল। সরকারের নানামুখী উদ্যোগে শীঘ্রই বিদু্যত সঙ্কট কেটে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় শিল্প উদ্যোক্তারা আবারও নতুন শিল্প স্থাপন এবং পুরনো শিল্প সম্প্রসারণে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। ফলে দেশে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্ভাব্য এই বিনিয়োগের উলেস্নখযোগ্য অংশই ব্যাংকিং খাতের ওপর নির্ভরশীল।
তাঁরা জানান, ব্যাংকিং খাত থেকে উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিবেশ সৃষ্টির প্রেৰাপটে তারল্য প্রবাহ বাড়ানো প্রয়োজন ছিল। ঠিক এই সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিধিবদ্ধ জমা হার (এসএলআর) বাড়িয়ে দেয়ায় মুদ্রাবাজারে বড় ধরনের তারল্য সঙ্কট তৈরি হয়েছে। অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধি জরম্নরী হলেও এর সম্পূর্ণ বিপরীত পদৰেপ নিয়ে সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতি কার্যকর করা হয়েছে। এতে মুদ্রাবাজারে নগদ অর্থের প্রবাহে টান পড়ায় দেখা দিয়েছে ব্যাপক তারল্য সঙ্কট। মুদ্রাবাজারের বর্তমান সঙ্কট কাটাতে না পারলে ব্যাংকিং খাতে পুঁজিবাজারের চেয়েও ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে বলে সংশিস্নষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গবর্নর ড. ফরাস উদ্দিন আহমেদ বলেন, বেশির ভাগ ব্যাংকেরই এখন পর্যাপ্ত মূলধন বা ক্যাপিটাল এডিকেসি নেই। যে কারণে ঋণ-আমানত অনুপাতে বড় ধরনের পার্থক্য তৈরি হয়েছে। ঋণ চাহিদা বেশি থাকায় বিনিয়োগও বেশি হয়েছে। অধিকাংশ ব্যাংকই ৯০ শতাংশের ওপরে বিনিয়োগ করে ফেলেছে। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসএলআর বৃদ্ধি করায় তারল্য সঙ্কট তৈরি হয়েছে। তারল্য ঘাটতি দূর করতে কিছু ব্যাংক কলমানি থেকে অর্থ তুলেছে। কিন্তু এর প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। সব মিলিয়ে দেশের আর্থিক বাজারে এখন অস্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছ।
জানা গেছে, পর্যাপ্ত তারল্য বা নগদ অর্থ না থাকায় এই মুহূর্তে বাণিজ্যিক ব্যাংক নতুন করে বিনিয়োগ করতে পারছে না। বিশেষ করে তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। অনেক ব্যাংক আমানত ভেঙ্গে ঋণ দিয়ে বসে আছে। একটি ইসলামী ব্যাংকের বিনিয়োগ-আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি অনুসারে ব্যাংকটির বিনিয়োগ-আমানতের অনুপাত থাকার কথা ৯৪ শতাংশ। ব্যাংকটির দায়-সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অসামঞ্জস্য তৈরি হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্য ব্যাংকের অবস্থাও এর কাছাকাছি। বিপুল পরিমাণ মুনাফা করার পরও ব্যাংকগুলোতে এই তীব্র সঙ্কট ইতোমধ্যেই বিশেষজ্ঞদের ভাবিয়ে তুলেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সদ্য সমাপ্ত বছরে অধিকাংশ বেসরকারী ব্যাংক আমানতের চেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করেছে। কোন কোন ব্যাংক অত্যনত্ম বেশি ঝুঁকি নিয়ে আমানতের ১০০ ভাগের বেশি অর্থ ঋণ দিয়েছে। অন্যদিকে কোন কোন ব্যাংকে আমানতের প্রবৃদ্ধির তুলনায় ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে খুব বেশি হারে। গত বছর ব্যাংকিং খাতের দায়-সম্পদ ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের ব্যাপক অসামঞ্জস্য পেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলোকে সতর্কও করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি অনুসারে ব্যাংকগুলোকে তার আমানতের একটি নির্দিষ্ট অংশ ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে নগদ জমা রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ব্যাংকিং পরিভাষায় এটিকে এসএলআর বলে। গত বছর ব্যাংকগুলোকে আমানতের নূ্যনতম ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ অর্থ এসএলআর হিসেবে সংরক্ষণ করতে হয়েছে। অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে আমানতের সাড়ে দশ থেকে ১১ শতাংশ অর্থ এসএলআর রাখার বাধ্যবাধকতা ছিল। সে হিসেবে প্রচলিত ধারার ব্যাংকে ঋণ-আমানত অনুপাত ৮১ শতাংশ এবং ইসলামী ব্যাংকগুলোতে ৮৯ শতাংশের মধ্যে সীমিত থাকা উচিত ছিল। কিন্তু অনেক ব্যাংকই এসব বাধ্যবাধকতা না মেনে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করেছে।
জানা গেছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) পক্ষ থেকে কিছু ব্যাংকের ক্ষেত্রে দায়-সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা রয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানানো হয়েছে। সংগঠনের সঙ্গে সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন, নতুন বছরের শুরম্নতেই ব্যাংকিং খাতের তারল্যের ওপর যে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল তার অন্যতম কারণ এটি। ঋণ-আমানত ১০০ শতাংশ অতিক্রম করলে তা অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ।
এদিকে ঋণ ও আমানতের হারের ব্যবধান প্রকট হওয়ায় ব্যাংক ঋণের সুদের হারে আবারও অসামঞ্জস্যতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক উৎপাদনশীল বিভিন্ন খাতের ঋণের বিপরীতে সুদ হার সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ বেঁধে দেয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নানা ধরনের সার্ভিস চার্জ ও ফি যোগ করে ব্যাংকগুলো কৌশলে অতিরিক্ত সুদ নিচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সুদ হারের সঙ্গে অতিরিক্ত কোন সার্ভিস চার্জ বা ফি না রাখার নির্দেশনা দিয়ে সম্প্রতি নির্দেশনা জারি করেছে। ঋণের সুদ হারের পাশাপাশি ঋণ প্রক্রিয়াজাতকরণ ফি বাবদ ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ধরনের চার্জ নিচ্ছে। এছাড়া মেয়াদপূর্তির আগে ঋণ সমন্বয় করতে চাইলে কোন কোন ব্যাংক এ বাবদ অতিরিক্ত ৪ শতাংশ চার্জ আদায় করছে। যার ফলে সামগ্রিকভাবে ঋণের সুদ হার ৩ থেকে ৪ শতাংশ পর্যনত্ম বেড়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে শিল্প উদ্যোক্তাদের আগের মতো ১৭ থেকে ১৮ শতাংশ হার সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে। এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। নতুন বিনিয়োগ নিরম্নৎসাহিত হচ্ছে। রফতানি খাতে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে দেশের শিল্প খাত। দেশের শিল্প-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখার প্রয়োজনে উদ্যোক্তারা এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর হসত্মক্ষেপ কামনা করেছেন।
তাঁরা জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরে বিদু্যত ও গ্যাস সঙ্কটের কারণে শিল্প খাতের উদ্যোক্তারা দিশেহারা। অনেকেই কারখানা চালু করতে না পেরে বসে আছেন। সৰমতা অনুযায়ী উৎপাদন করতে না পারায় ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। এর ওপর বাড়তি সুদ তাদের জন্য 'মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা' হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পোশাক রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, কিছুদিন আগেও ১১ শতাংশ সুদে ব্যাংক ঋণ পাওয়া যেত। সম্প্রতি তা বেড়ে ১৬ থেকে ১৭ শতাংশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত সার্ভিস নেয়া ব্যাংকগুলোর নৈমিত্তিক ঘটনা। অধিকাংশ ব্যাংকই নূ্যনতম ৩ থেকে ৪ শতাংশ অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ নিচ্ছে। ফলে সুদ হার বেড়ে যাচ্ছে, যা উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, যখন রফতানি খাত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, দেশে বেশি বেশি রফতানি আদেশ আসছে, তখন ব্যাংক ঋণের এ অতিরিক্ত চাপ শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে রফতানিতে যে হারে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে তা ধরে রাখা সম্ভব নাও হতে পারে।
এদিকে অতিরিক্ত হারে সুদ দিয়ে শিল্প খাতের উদ্যোক্তারা ঋণ পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে। অর্থ সঙ্কট তীব্র হয়ে ওঠায় অনেক ব্যাংক প্রকল্প ঋণ অনুমোদনের পরও সেই অর্থ উদ্যোক্তাদের দিতে পারছেন না। একইভাবে বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্কটের কারণে অনেক ব্যাংক এলসি খোলা বন্ধ রেখেছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে দেশের শিল্প-বাণিজ্যে চরম স্থবিরতা তৈরি হবে বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করেন।
এদিকে অর্থ সঙ্কটের কারণে বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ ব্যাংকই পরিচালন মুনাফা অর্জন করতে পারছে। গত দু'বছর ধরে বড় আকারের মুনাফা করায় ব্যাংকগুলো তাদের কার্যক্রম ব্যাপক হারে সম্প্রসারণ করছিল। এ কাজের জন্য উচ্চ বেতনে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু গত ডিসেম্বর থেকে অর্থ সঙ্কট তীব্র হয়ে ওঠায় বিপুল পরিমাণ ব্যয় নিয়ে সমস্যায় পড়েছে ব্যাংকগুলো। এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে অনেক ব্যাংককে শীঘ্রই কর্মী ছাঁটাই করে কার্যক্রম সঙ্কোচন করতে হতে পারে। কারণ গত দু' মাসে অধিকাংশ ব্যাংকই কাঙ্ৰিত হারে পরিচালন মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। মুদ্রাবাজারের প্রাথমিক ডিলার ব্যাংকগুলোর অধিকাংশই গত ফেব্রম্নয়ারি মাসে বিপুল অঙ্কের পরিচালন লোকসান দিতে বাধ্য হয়েছে। পাশাপাশি প্রথম প্রজন্মের দু'টি এবং তৃতীয় প্রজন্মের তিনটি ব্যাংকও কোন ধরনের পরিচালন মুনাফা করতে পারেনি। সব মিলিয়ে গত দু'মাসে মোট ১৫টি ব্যাংক লোকসানে পড়েছে বলে জানা গেছে।
ব্যাংকিং খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)-এর চেয়ারম্যান এবং এঙ্মি ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরম্নল ইসলাম মজুমদার বলেন, আনত্মর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য এবং বিনিয়োগ চাহিদা বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে তারল্য প্রবাহ বাড়ানোর প্রয়োজন। বাংলাদেশ ব্যাংক ডিসেম্বরে সিআরআর এবং এসএলআর যতটুকু বাড়িয়েছে সেটুকুই আবার কমিয়ে আনলে তারল্য সঙ্কটের কিছুটা হলেও সমাধান হবে। এছাড়া ঋণ-আমানত অনুপাত অনত্মত এ বছরের জন্য প্রচলিত ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশের জায়গায় ৯০ শতাংশ এবং ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশের জায়গায় ৯৫ শতাংশে সীমা আরোপ করা প্রয়োজন। এখন তহবিল সঙ্কটের কারণে সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ হারে আমানত নিচ্ছে। অন্যদিকে উৎপাদনশীল খাতগুলোতে ঋণের সুদ হার সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশে বেঁধে দেয়া রয়েছে। আমানতের মতো ঋণের সুদ হারও বাজারভিত্তিক হওয়া উচিত তিনি মনে করেন।
জানা গেছে, বেসরকারী ব্যাংকের উদ্যোক্তারা ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাৰাত করে ব্যাংকিং খাতের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। তাঁরা বর্তমান সঙ্কট উত্তরণে তাঁর হসত্মৰেপ চেয়েছেন। তাঁরা তারল্য সঙ্কট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকে ব্যাংকগুলোর বিধিবদ্ধ নগদ জমা (সিআরআর) কমানো, ঋণের সুদের হারের ওপর সীমা প্রত্যাহার, ঋণ-আমানত অনুপাতের সীমা বাড়ানোসহ বিভিন্ন প্রসত্মাবের পাশাপাশি ব্যাংকের মোট আমানতের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ চেয়েছেন। তাঁরা শেয়ারের বাজারমূল্য বিবেচনা না করে ক্রয়মূল্য বিবেচনায় ব্যাংকের শেয়ার ধারণের হিসাব করারও দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি এক উদ্দেশ্যে ঋণ নিয়ে অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহূত ঋণ সমন্বয়ের সময়সীমা ডিসেম্বর পর্যনত্ম বাড়ানো, সরকারের আমানতের অনত্মত ৫০ শতাংশ বেসরকারী ব্যাংকগুলোতে রাখাসহ আরও কিছু দাবি জানিয়েছে বিএবি।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/10/2011 6:59 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট নেই: বাংলাদেশ ব্যাংক
--------------------------------------------------------------------------------
টুটুল রহমান, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম



ঢাকা : দেশের ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট (নগদ অর্থেও সংকট) নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, দেশের শেয়ার বাজারে দরপতন শুরুর পর এবং মুদ্রানীতির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংকগুলোর নগদ জমার হার (সিআরআর) বাড়ানোর পর এ বিষয়ে তথ্য ও গণমাধ্যমে বিভিন্ন নেতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে, যা মোটেই ঠিক নয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশের মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রয়েছে এবং কলমানি সুদের হার ১২ শতাংশ। এছাড়াও রেপোর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে দৈনিক ভিত্তিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে নগদ মুদ্রা (তারল্য) সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে বাজারে কোনও তারল্য সংকট নেই ।  

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পে আরো বলা হয়, ব্যাংকগুলো তাদের মুনাফা ও তারল্যের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে দায় ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা করে থাকে।

সম্প্রতি ব্যাংকগুলোর তারল্য ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে দেখা গেছে কিছু ব্যাংক অতিরিক্ত মুনাফার আশায় তাদের সামর্থ্যরে চেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করেছে। এ কারণে ঋণের আমানত হার বেড়েছে। জুন ২০১১ সালের মধ্যে প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোকে ঋণের আমানত-হার  ৮৫ শতাংশে এবং ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংকগুলোকে তা ৯০ শতাংশে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের পর্যালোচনায় দেখেছে এ নির্দেশের ফলে ঋণ-আমানতের হার কমতে শুরু করেছে। ১০ ফেব্র“য়ারি ঋণ-আমানতের হার ছিল ৮৬ দশমিক ০৫ শতাংশ। ২৪ ফেব্র“য়ারি যা দাঁড়ায় ৮৫ দশমিক ৪০ শতাংশে।


বাংলাদেশ সময়: ১৭৪০ঘণ্টা, মার্চ ১০, ২০১১
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview