| 03/08/2011 12:07 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পরিচালন মুনাফা করতে পারেনি ১৫ ব্যাংক
ব্যাংকিং খাতে
তারল্য সংকট
রেজাউল করীম
দৈনিক ইত্তেফাক
দেশের ব্যাংকিং খাতে তীব্র তারল্য সংকটে চলছে। এর ফলে ব্যাংকগুলো কাংখিত ঋন বিতরণ করতে পারছে না। নিয়মিত গ্রাহকদেরও অর্থের সংস্থান করতে পারছে না। পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার (ডলার) অভাবে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলা ব্যহত হচ্ছে। ফলে ব্যাংকের ব্যবসা ক্রমেই সংকোচিত হয়ে আসছে। তারল্য সংকট নিয়ে বছর শুরু করা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এখন ভয়াবহ তহবিল সংকটের মুখে। বছরের দ্বিতীয় মাস-ফেব্রুয়ারিতে এসে ১৫টি ব্যাংক কোনো মুনাফাই করতে পারেনি। উল্টো তারা পরিচালনা মুনাফায় লোকসান গুনেছে। সংশিস্নষ্ট ব্যাংক সূত্রগুলো বলেছে, মুদ্রাবাজারের প্রাথমিক ডিলার ব্যাংকগুলোর অধিকাংশই গত ফেব্রুয়ারি মাসে পরিচালন মুনাফায় বিপুল অংকের টাকা লোকসান দিয়েছে। পাশাপাশি প্রথম প্রজন্মের দু'টি এবং তৃতীয় প্রজন্মের তিনটি ব্যাংকও কোনো ধরনের পরিচালন মুনাফা করতে পারেনি।
সংশিস্নষ্টরা বলছেন, ব্যাংকিং খাতের অব্যাহত তারল্য সংকটের কারণে আর্থিক খাতে জন্ম দিয়েছে চরম অস্থিরতা। ব্যাংকগুলোর বিধিবদ্ধ জমা (এসএলআর) রাখার বিধানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তে মুদ্রাবাজারে নগদ অর্থের প্রবাহে টান পড়ে। দেখা দিয়েছে ব্যাপক তারল্য সংকট। এই তারল্য সংকট মেটাতে না পারলে শেয়ারবাজারে চেয়েও ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে বলে মত দিয়েছেন সংশিস্নষ্টরা। তারা আরো জানায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসএলআর বৃদ্ধি করায় তারল্য সংকট তৈরি হয়েছে। তারল্য ঘাটতি দূর করতে কিছু ব্যাংক কলমানি থেকে অর্থ তুলেছে। কিন্তু এর প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে। সবমিলিয়ে আর্থিক বাজার এখন অস্বাভাবিক।
এদিকে সমপ্রতি বেসরকারি ব্যাংকের মালিকরা শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ানোর ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। ব্যাংকের মোট আমানতের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে তারা বলেছেন, শেয়ারবাজারের ধস থেকে বেরিয়ে আসতে হলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বিশেষত ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি তারা বাংলাদেশ ব্যাংকে ব্যাংকগুলোর বিধিবদ্ধ নগদ জমা (সিআরআর) কমানো, ঋণের সুদের হারের ওপর সীমা প্রত্যাহার, ঋণ-আমানত অনুপাতের সীমা বাড়ানোসহ বেশ কিছু দাবি জানিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপাত্ত পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সদ্য সমাপ্ত বছরে অধিকাংশ বেসরকারি ব্যাংক আমানতের চেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করেছে। কোনো কোনো ব্যাংক অত্যন্ত বেশি ঝুঁকি নিয়ে আমানতের ১শ' ভাগের বেশি অর্থ ঋণ দিয়েছে। অন্যদিকে কোন কোন ব্যাংকে আমানতের প্রবৃদ্ধির তুলনায় ঋণের প্রবৃদ্ধি বেশি হয়েছে। গেল বছর ব্যাংকিং খাতের দায়-সম্পদ ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের ব্যাপক অসামঞ্জস্য পেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সতর্কও করেছে।
দেশের ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিএবি'র চেয়ারম্যান এবং এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার এ প্রসঙ্গে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য এবং বিনিয়োগ চাহিদা বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে তারল্য প্রবাহ বাড়ানোর প্রয়োজন। বাংলাদেশ ব্যাংক ডিসেম্বরে সিআরআর এবং এসএলআর যতটুকু বাড়িয়েছে সেটুকুই আবার কমিয়ে আনলে তারল্য সমস্যার কিছুটা হলেও সমাধান হবে। এছাড়া ঋণ-আমানত অনুপাত এ বছরের জন্য প্রচলিত ব্যাংকগুলোর ৯০ শতাংশ এবং ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে ৯৫ শতাংশে সীমা আরোপ করা হোক। ব্যাংকগুলো তহবিল সংকটের কারণে ১২ শতাংশ পর্যন্ত সুদহারে আমানত নিচ্ছে। এদিকে উৎপাদনশীল খাতগুলোতে ঋণের সুদ হার সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশে বেঁধে দেয়া রয়েছে। তিনি মনে করেন, আমানতের মতো ঋণের সুদ হারও বাজারভিত্তিক হওয়া উচিত।
ব্যাংকাররা বলছেন-অব্যাহত তারল্য সংকটের কারণে নতুন বিনিয়োগ করা যাচ্ছে না। বিশেষত তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। ব্যাংকগুলো আমানত ভেঙ্গে ঋণ দিয়ে বসে আছে। একটি ইসলামী ব্যাংকের বিনিয়োগ-আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২০ শতাংশ।
এদিকে ঋণ-্আমানত ব্যবধান প্রকট হওয়ায় ব্যাংক ঋণের সুদের হারে আবারও অসামঞ্জস্যতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক উৎপাদনশীল বিভিন্ন খাতের ঋণের বিপরীতে সুদ হার সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ বেঁধে দেওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নানা ধরনের সার্ভিস চার্জ ও ফি যোগ করে ব্যাংকগুলো কৌশলে অতিরিক্ত সুদ নিচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সুদ হারের সঙ্গে অতিরিক্ত কোন সার্ভিস চার্জ বা ফি না রাখার নির্দেশনা দিয়ে সম্প্রতি সাকর্ুলার জারি করেছে। দেশের শিল্প-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখার প্রয়োজনে উদ্যোক্তারা এ ব্যাপারে অতিসত্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এমনিতেই বিদু্যৎ ও গ্যাস সংকটে উদ্যোক্তারা এখন দিশেহারা। অনেকেই কারখানা চালু করতে না পেরে বসে আছেন এবং ঋণ পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। এর ওপর বাড়তি সুদ তাদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/08/2011 12:09 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এসইসির নজরদারির বাইরে শেয়ার লেনদেন!
অমনিবাস হিসাব বিলুপ্ত করতে মার্চেন্ট ব্যাংকের অনীহা
রাজু আহমেদ ॥
দৈনিক জনকন্ঠ
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশের (সিডিবিএল) সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকায় সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) প্রত্যক্ষ নজরদারির বাইরে থেকেই শেয়ার লেনদেন করছেন মার্চেন্ট ব্যাংকের বিনিয়োগকারীরা। মার্চেন্ট ব্যাংকের এক একটি অমনিবাস বা ইনভেস্টরস এ্যাকাউন্টে কয়েক হাজার বিনিয়োগকারীর শেয়ার লেনদেন করা হয়। ওই হিসাবের আওতাধীন কোন বিনিয়োগকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সিডিবিএলে থাকে না। বিনিয়োগকারীরা মার্চেন্ট ব্যাংকের দেয়া একটি নম্বরের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করেন। ফলে অমনিবাস হিসাবের আওতায় শেয়ার ব্যবসায় যুক্ত বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বা অর্থ লেনদেনের কোন তথ্য এসইসির পৰে জানা সম্ভব হয় না। শেয়ার লেনদেনে এ ধরনের ব্যবস্থাকে শেয়ারবাজারের স্বচ্ছতার পরিপন্থী মনে করেন বাজার বিশেস্নষকরা। এসব হিসাব বিলুপ্ত করে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য আলাদা বিও হিসাব খোলা হলে কারসাজির সুযোগ বন্ধ করে শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি হবে বলে তাঁরা মনে করেন।
এদিকে অমনিবাস হিসাব পদ্ধতি বিলুপ্ত করে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য আলাদা হিসাব খোলার জন্য এসইসির পৰ থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হলেও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর অনীহার কারণে তা বাসত্মবায়িত হচ্ছে না বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ১৬ জুন এসইসি একটি গেজেট জারি করে ১৯৯৬ সালের সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার) বিধিমালা সংশোধন করে মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য পৃথক বিও হিসাব খোলার বিধান করে। এতে বলা হয় 'অজড় পদ্ধতিতে সংরক্ষিত সিকিউরিটিজ এর ক্ষেত্রে, পোর্টফোলিও ম্যানেজার প্রত্যেক মক্কেলের জন্য পৃথকভাবে সুবিধাভোগী মালিক (বিও) হিসাব সংরক্ষণ করবে এবং উক্ত হিসাবের পক্ষে সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয় করবে এবং যেক্ষেত্রে সমষ্টিগত হিসাব (অমনিবাস টাইপ বিও এ্যাকাউন্ট) এ সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয় করা হবে সেক্ষেত্রে গড়পড়তা মূল্যে আনুপাতিকভাবে নিজ নিজ সুবিধাভোগী মালিক হিসাব (বিও) এ সিকিউরিটিজ স্থানানত্মর করবে।' তবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর বিরোধিতার কারণে সেই সময় এই সিদ্ধানত্ম বাসত্মবায়ন সম্ভব হয়নি। পরে ২০১০ সালের ৩ জানুয়ারি মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে এসইসি ওই গেজেটে উলিস্নখিত বিধি বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়। কমিশনের পৰ থেকে ওই বছরের জুন মাসের মধ্যে এ সংক্রান্ত কাজ শেষ করতে বলা হয়। কিন্তু এক বছরের বেশি সময় পার হলেও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এসইসির এই নির্দেশ বাসত্মবায়নের উদ্যোগ নেয়নি।
জানা গেছে, অমনিবাস বিও হিসাবের আওতাধীন সকল বিনিয়োগকারীর জন্য পৃথক হিসাব চালু না করায় সম্প্রতি এসইসির পৰ থেকে তিনটি মার্চেন্ট ব্যাংককে কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ বিষয়ে বক্তব্য দেয়ার জন্য মঙ্গলবার এসইসিতে শুনানিতে ডাকা হয়। তবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর পৰ থেকে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনকে (বিএমবিএ) বিষয়টি জানানো হয়। এর প্রেৰিতে গত রবিবার এসইসি চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি দিয়ে অমনিবাস হিসাব বিলুপ্ত না করার দাবি জানিয়ে এর স্বপৰে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরা হয়।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএমবিএর পৰ থেকে এসইসিতে দেয়া চিঠিতে মার্জিন ঋণের হিসাব সংরৰণকে পৃথক বিও হিসাব চালুর ৰেত্রে প্রধান সমস্যা হিসেবে উলেস্নখ করা হয়েছে। এছাড়া পৃথক হিসাব খোলা হলে গ্রাহকের কাছ থেকে বিভিন্ন ফি আদায়, তহবিল নিষ্পত্তি, শেয়ার সংরৰণের সর্বশেষ অবস্থা নির্ণয়, ব্যয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা উলেস্নখ করা হয়েছে। এছাড়া বিএমবিএর মতে, বিপুলসংখ্যক একক বিও হিসাব খুলতে হলে সিডিবিএলের সফটওয়্যারের ৰমতা বাড়াতে হবে। এছাড়া প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর জন্য আলাদা বিও হিসাব খুলতে হলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট (ডিপি) লাইসেন্স নিতে হবে। পাশাপাশি নতুন ডিপি যুক্ত করতে সিডিবিএলের সফটওয়্যার আপডেট করতে হবে।
তবে বিএমবিএর এসব যুক্তিকে অগ্রহণযোগ্য মনে করেন বাজার বিশেস্নষকরা। তাঁদের মতে, মার্চেন্ট ব্যাংকের মতো স্টক এঙ্চেঞ্জের অনেক ব্রোকারেজ হাউসও গ্রাহকদের মার্জিন ঋণ দিয়ে থাকে। পৃথক বিও হিসাবের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেনে তাঁদের কোন সমস্যা হচ্ছে না। ফলে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোতেও কোন সমস্যা হওয়ার কারণ নেই। এছাড়া অন্যান্য যেসব সমস্যার কথা বলা হয়েছে সেগুলো স্টক এঙ্চেঞ্জ, সিডিবিএল ও তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
এদিকে এসইসির এই উদ্যোগ মার্চেন্ট ব্যাংকের মূল নীতির লঙ্ঘন বলে দাবি করেছেন একাধিক মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তা। তাঁদের মতে, মার্চেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মূল লৰ্যই হলো বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা। ব্যক্তিগতভাবে যাঁরা শেয়ার ব্যবসায় যুক্ত থাকতে পারেন না, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো তাদের হয়ে শেয়ারবাজারে লেনদেন করে। এতে ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখতে আগ্রহীদের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়। অমনিবাস হিসাব বিলুপ্ত হলে এ ধরনের সুযোগ বন্ধ হবে। এতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম সঙ্কোচিত হয়ে পড়বে সামগ্রিকভাবেই শেয়ারবাজারে। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজার থেকে দূরে সরে যাবে। তাদের জন্য কেনা লাখ লাখ শেয়ার একসঙ্গে বিক্রি শুরম্ন হলে বাজারে বড় ধরনের ধস নামবে। অবশ্য মার্চেন্ট ব্যাংকের গ্রাহকদের বর্তমান হিসাবকেই পৃথক বিও হিসাবে রূপানত্মর করার ব্যবস্থা করা গেলে এসব সমস্যা সহজেই সমাধান করা সম্ভব বলে কেউ কেউ মনে করেন।
অন্যদিকে শেয়ার লেনদেনে অমনিবাস হিসাব পদ্ধতিকে শেয়ারবাজারের স্বচ্ছতার পরিপন্থী বলে মনে করে অধিকাংশ বাজার বিশেস্নষক। তাঁরা মনে করেন, এসব হিসাব বিলুপ্ত করে প্রত্যেকের জন্য আলাদা বিও হিসাব খোলা হলে কারসাজির সুযোগ বন্ধ করে শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। বিনিয়োগকারীরা এতদিন অন্যের হিসাবে টাকা রাখত। ফলে শেয়ার লেনদেন নিয়ে অনেকের মধ্যেই সংশয় তৈরি হতো। নতুন নিয়মের ফলে সেই সুযোগ বন্ধ হবে।
জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে সরকার শেয়ারবাজারে কালো টাকার প্রশ্নহীন সুযোগ দেয়ায় অমনিবাস হিসাবের মাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়তে শুরম্ন করে। এর প্রভাবে সামগ্রিকভাবে শেয়ারবাজারে লেনদেন বৃদ্ধি পায়। কারণ এসব হিসাবের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে অনৈতিক লেনদেন হয়। অমনিবাস হিসাব বিলুপ্ত হলে শেয়ারবাজারের অনেক অনিয়ম দূর হবে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/08/2011 12:10 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পাঁচ ব্রোকারেজ হাউস ও দুই বিনিয়োগকারীকে এসইসির তলব
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকন্ঠ
বিচ হ্যাচারির শেয়ারে অস্বাভাবিক কেনাবেচার অভিযোগে ৫ ব্রোকারেজ হাউস ও দুই বিনিয়োগকারীকে শোকজ করেছে এসইসি। আর অভিযুক্তদের নিয়ে আগামী ২৮ মার্চ এসইসিতে শুনানির জন্য তলব করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার এসইসি থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি ইসু্য করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত হাউসগুলো হলো_ এনবিএল সিকিউরিটিজ, ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজ, ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ, মাল্টি সিকিউরিটিজ এবং পিএফআই সিকিউরিটিজ। আর অভিযুক্ত দুই বিনিয়োগকারী হলেন_ নুর ইসলাম ও আবদুল আলিম।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে শেয়ারবাজারে বিচ হ্যাচারির শেয়ার নিয়ে অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এরসঙ্গে কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস জড়িত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
মেঘনা পেট্রোলিয়ামকে শুনানিতে ডেকেছে এসইসি : সময়মতো শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা পেট্রোলিয়াম কোম্পানি, এর সকল পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কোম্পানি সচিবকে শোকজ এবং শুনানিতে ডেকেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কোম্পানিটি ২০০৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত আর্থিক বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ঘোষিত ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট বিতরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
বার্জার পেইন্টসের লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৮০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড (বিপিবিএল)। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০ টাকা মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের ৰেত্রে ১৮ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ৯ মে সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ২২ মার্চ রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর বার্জার পেইন্টসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৩০ টাকা ৩৯ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৭২ টাকা ৬৪ পয়সা। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/08/2011 12:11 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | বাইব্যাক পদ্ধতিতে কারসাজির আশঙ্কা
সেকেন্ডারি মার্কেটের সঙ্গে সম্পর্কিত না করার পরামর্শ বিশ্লেষকদের
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকন্ঠ
শেয়ারের দর কমে গেলে সংশিস্নষ্ট কোম্পানির জন্য পুনঃক্রয় বা বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করা হলে শেয়ারবাজারে নতুন করে কারসাজির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে মন্দা বাজারে শেয়ার ক্রয় এবং চাঙ্গা অবস্থায় বিক্রির প্রবণতা শুরম্ন হলে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। ফলে কোম্পানির মূলধন সঙ্কোচন ছাড়া অন্য কোন প্রয়োজনে বাইব্যাকের সুযোগ না রাখা এবং চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে পুনরায় শেয়ার বিক্রি করে মূলধন সংগ্রহের অনুমতির না দেয়ার ব্যবস্থা রেখে বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করা উচিত বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
বিশেস্নষকরা মনে করেন, শেয়ারবাজারে বাইব্যাকের মতো একটি পদ্ধতি চালু করার আগে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এজন্য অন্যান্য দেশে বিদ্যমান আইন-কানুন এবং বাজার সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে পদ্ধতিটি চালু করতে হবে। তাড়াহুড়ো কোন কিছু করা ঠিক হবে না। কারণ শেয়ারের দর নির্ধারণের জন্য বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হলেও ইতোমধ্যেই এটিকেও বিতর্কিত করে ফেলা হয়েছে। কারসাজির মাধ্যমে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিতে ওই পদ্ধতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন। একইভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাইব্যাক পদ্ধতি চালু রয়েছে। কিন্তু শুধু শেয়ারবাজারে দর নিয়ন্ত্রণের জন্য এ ধরনের পদ্ধতি চালুর নজির নেই। বাসত্মব কারণে কোম্পানির মূলধন সঙ্কোচন ছাড়া অন্য কোন কারণে বাইব্যাকের সুযোগ দেয়া হলে কোম্পানিগুলো নিজেরাই শেয়ার কেনা-বেচায় জড়িয়ে পড়তে পারে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহ উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, শুধু বন্টনযোগ্য মুনাফা উদ্বৃত্ত আকারে থাকলে তবেই কোম্পানি শেয়ার বাইব্যাক করতে পারে। কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি বা কমে যাওয়ার সঙ্গে বাইব্যাকের কোন ধরনের সম্পর্ক নেই। যদি দর কমে গেলে বাইব্যাক করার সুযোগ দেয়া হয় তাহলে শেয়ারের দরের ক্ষেত্রে কারসাজির ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করেন।
উলেস্নখ্য, গত সোমবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করার কথা ঘোষণা করেন। সংসদের চলতি অধিবেশনেই কোম্পানি আইন সংশোধন করে এ পদ্ধতিটি চালু করা হবে বলে তিনি জানান।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শেয়ার বাইব্যাক করা হলে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন কমে যায়। কোন কোম্পানি তার পরিশোধিত মূলধন কমাতে চাইলে শেয়ার বাইব্যাক করতে পারে। কিন্তু বাইব্যাক করতে হলে কোম্পানির কাছে বন্টনযোগ্য মুনাফা উদ্বৃত্ত থাকতে হবে। রিজার্ভ বা অন্য কোন উৎস থেকে অর্থ ধার করে শেয়ার বাইব্যাক করা যায় না। কোন কোম্পানি তখনই শেয়ার বাইব্যাক করে থাকে যখন কোম্পানির কর্মকা- সম্প্রসারণ সম্ভব হচ্ছে না অথচ কোম্পানির কাছে বিপুল পরিমাণ বন্টনযোগ্য মুনাফা রয়েছে। এছাড়া মুদ্রাবাজারে সুদের হার ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ার ফলে পুঁজিবাজারের তুলনায় কম ব্যয়ে (কস্ট অব ফান্ড) তহবিল সংগ্রহের সুযোগ সৃষ্টি হলে কোম্পানি তার মূলধন কমিয়ে ব্যাংক ঋণ নিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণের সিদ্ধানত্ম নিতে পারে।
সংশিস্নষ্টরা আরও জানান, ভবিষ্যতে কোন কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর আর প্রয়োজন না হলে কোম্পানি শেয়ার বিলুপ্ত করতে পারে। অপরদিকে বাইব্যাক পদ্ধতিতে শেয়ার কেনার পর যদি পুনরায় কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণে মূলধনের প্রয়োজন হয় তাহলে সঠিক কারণ জানিয়ে বাজার মূল্যে সেসব শেয়ার পুনরায় বাজারে ছাড়তে পারবে। কিন্তু শেয়ারের দর কমে গেলে বাইব্যাকের মাধ্যমে শেয়ার তুলে নেয়া এবং পুনরায় দর বেড়ে গেলে শেয়ার বিক্রির সুযোগ দেয়া হলে বাজারে কারসাজির প্রবণতা তৈরি হতে পারে।
এ বিষয়ে অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করতে হলে অত্যনত্ম সতর্কতার সঙ্গে তা করতে হবে। শেয়ারের দর কমে গেলে বাইব্যাক করার সুযোগ থাকলে কোম্পানি নিজেই শেয়ার বেচাকেনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়তে পারে। তখন কোম্পানি নিজেই শেয়ারের দর কমাতে বা বাড়াতে পারে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/08/2011 4:30 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
আবার বাজারমুখী বিনিয়োগকারীরানিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৯-০৩-২০১১
আবারও সক্রিয় হতে শুরু করেছেন শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা। অব্যাহত দরপতনে আতঙ্কিত হয়ে যাঁরা শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই এখন ফিরতে শুরু করেছেন। আর এর প্রভাব পড়েছে মূল্যসূচক ও লেনদেনে। ফলে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে গতকাল মঙ্গলবার টানা চতুর্থ দিনের মতো মূল্যসূচক ও লেনদেন বেড়েছে। বাজার-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারের স্থিতিশীলতা ফেরাতে বড় ধরনের তহবিল গঠন, শেয়ার পুনঃ ক্রয়ের আইন প্রণয়নের উদ্যোগসহ বেশ কয়েকটি ইতিবাচক পদক্ষেপ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। এ কারণে যাঁরা এর আগে বাজার থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁরা অনেকেই শেয়ার কিনছেন। ব্রোকারেজ হাউসগুলোর সূত্রে জানা গেছে, দরপতন শুরু হওয়ার পর যেসব বিনিয়োগকারী বাজারে বেচাকেনা বন্ধ করে দিয়েছিলেন, তাঁরা আবার শুরু করেছেন। বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, গত কয়েক দিনের লেনদেনে বাজার স্থিতিশীল হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তবে এ সময় বিনিয়োগকারীদের সতর্ক হয়ে বিনিয়োগ করতে হবে, যেন অতি মূল্যায়িত শেয়ারে বিনিয়োগ করে আবার ক্ষতিগ্রস্ত হতে না হয়। ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গতকাল লেনদেনের পাঁচ মিনিটের মধ্যে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৪০ পয়েন্ট কমে যায়। তবে এর পর থেকে সূচক ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফেরে, যা সারা দিন অব্যাহত থাকে। দিনশেষে সূচক ২৭১ পয়েন্ট বেড়ে ছয় হাজার ৫১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৭৩৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৯৬ পয়েন্টে ছাড়িয়েছে। এদিন সিএসইতে মোট ২০১টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯৪টির, কমেছে পাঁচটির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল ১১৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। অন্যদিকে, ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৯৬৪ কোটি টাকার, যা গতকালের চেয়ে ১৪৩ কোটি টাকা বেশি। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে মোট ২৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৩টির, কমেছে ১১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের। এদিকে, খাত অনুযায়ী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় গতকাল ব্যাংক, বিমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় সব খাতেরই দাম বাড়ে। |
|
|
| 03/08/2011 4:36 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | FE REPORT
VOL 18 NO -119 REGD NO DA 1589 | Dhaka, Wednesday March 9 2011
Buy-back: Necessary but need not be a priority
Shamsul Huq Zahid
The stock market, after a continuous plunge for weeks, has bounced back. It is difficult to say how long the reverse trend would last.
The decision, having strong support from the government, to float a Tk. 50 billion open-ended mutual fund by the Investment Corporation of Bangladesh (ICB), four state-owned banks and two insurance companies soon, apparently, has helped the market look up. But did the news about the government decision to introduce the buy-back of securities by listed companies anyway influence the market last Tuesday? If yes, that would be yet another addition to the long list of wrongs committed by so-called investors for past few months.
The way the finance minister disclosed the decision to incorporate the provision into the Companies Act allowing the listed companies to buy back their stocks, it sounded something big as far as stock market is concerned. The disclosure was also supplemented by the president of the association of publicly listed companies. However, the buy-back arrangement is not a big deal as it has nothing to with the current developments in the Bangladesh capital market.
The buy-back arrangement is there in many countries, including neighbouring India. The Securities and Exchange Board of India (SEBI) in 1998 introduced the buy-back arrangement through a regulation.
In fact, the arrangement does not anyway help the investors in distress. The system is not meant to force a listed company to buy-back from investors the shares purchased at higher prices. Nor it can compel the company to buy-back shares if the market prices of the same go below the face value.
The arrangement is for voluntary buying back of stocks by the companies concerned under certain circumstances. In fact, the buy-back can mean strengths or weaknesses of a company, depending on the situation. When a company feels threatened by a syndicated move to take over the controlling stakes by others, it can offer high prices for stocks to maintain its control over the majority stakes. A company, having surplus fund, can opt for expansion or diversification or buying its own shares from the market. Investors should have no reasons to be suspicious if the company offers less than the real worth of the share. But if the offered price is more than the real worth, the investors need to be cautious. They should go through the financial statements of the companies concerned thoroughly to understand the hidden agenda.
Then again, if a company's stock is highly undervalued and the company has surplus fund to dispose of, it can use a part of that fund for buying back its own stock for liquidating the same. Such a move helps the shareholders in terms of increased return on their investment.
But for a company with enough of surplus fund, the ideal move should be to increase the rates of dividend and please its shareholders. This also adds to the name and fame of a listed company.
Incorporation of the provision for the buy-back of stocks in the Companies Act of Bangladesh is justified for any company needing to do so might face problem, in the absence of the necessary legal provision. This is, however, not anything urgent under the prevailing circumstances. The government and the securities regulator have some more urgent tasks to do, including that of stabilizing the market and nabbing the masterminds of the recent market crash. There are lots of lacunae in the securities law that should also be removed immediately.
What is more important is reforming the securities regulatory body thoroughly, in terms of manpower, logistics and independence. The Securities and Exchange Commission should not be a body to carry out overt and covert directives from the government and requests from quarters having strong links with the power-that-be.
As far as the introduction of buy-back system is concerned, the SEC should first ensure submission of quality and authentic balance-sheets by the listed companies. Most investors here do not have enough confidence in the financial reports submitted by a good number of companies from time to time. However, the use of buy-back system in Bangladesh conditions is likely to be highly occasional, at least, in the near future.
|
|
|
| 03/08/2011 10:17 pm |
 Cool Senior Member

Regist.: 12/23/2010 Topics: 0 Posts: 55
 OFFLINE | Buy back is a good system. But it might be used in a wrong way alike Book Building System for our the non-structured trading system in Bangladesh! Caution must be needed! |
|
|
| 03/09/2011 5:22 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
স্থিতিশীলতা ফেরাতে বিনিয়োগকারীদের খতমে ইউনুস-দোয়া
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ০৯-০৩-২০১১
প্রথম আলো
বিনিয়োগকারীদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতন ঠেকাতে এবং বর্তমান স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মহান আল্লাহর দরবারে খতমে ইউনুস ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করেন বিনিয়োগকারীরা। আজ বুধবার বেলা আড়াইটায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
খতমে ইউনুস পাঠ শেষে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে বিশেষ দোয়া করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুর রাজ্জাক, মো. সেলিম চৌধুরী, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর আলম, এম ফয়সাল আহমেদ ও এ কে এম শাহাদাত উল্যাহ ফিরোজ প্রমুখ। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/09/2011 5:23 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ঊর্ধ্বমুখি পুঁজিবাজারে ডিএসই’র লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: দেশের দুই শেয়ারবাজারের ঊর্ধ্বমুখি প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ(ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের(সিএসই) বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে সূচক ও লেনদেনের পরিমাণ।
ডিএসই’তে এদিন লেনদেনের পরিমাণ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়।
বুধবার ডিএসই’তে মোট ২৫৯টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে বেড়েছে ২৪৩টির, কমেছে ১৩টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৩টি কোম্পানির দাম। পাশাপাশি সাধারণ সূচক ২শ’ ৬৫ দশমিক ৪২৮৫৯ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩শ’ ১৬ দশমিক ৫৩৮১৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ২শ’ ১৬ দশমিক ৯৬৯৪৮ পয়েন্টে বেড়ে ৫ হাজার ২শ’ ৩৪ দশমিক ৪২৬৪৫ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
ডিএসই’তে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২শ’ ৪৩ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। আগের কার্যদিবসে যার পরিমাণ ছিল ৯শ’৬৪ কোটি টাকা।
এদিন ডিএসই’তে দাম বাড়ার শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো: ওশেন কন্টেইনার্স, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স,খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, কাশেম ড্রাইসেলস,সিএমসি কামাল, অ্যাকটিভ ফাইন ক্যামিকেলস,আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স ও বিডিকম অনলাইন।
দাম কমার শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো: এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ৩য় আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, জিল বাংলা সুগার মিলস, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, মুন্নু জুটেক্স, আলহাজ টেক্সটাইল,এস আলম কোল্ড রোল্ড ও অষ্টম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
লেনদেনের ক্ষেত্রে শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো: বেক্সিমকো,বেক্সটেক্স,আফতাব অটোমোবাইলস,তিতাস গ্যাস,পিএলএফএসএল,ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ,ওয়ান ব্যাংক,ম্যাকসন স্পিনিং, বে-লিজিং ও গ্রামীণ ফোন।
অন্যদিকে, সিএসই’তে মোট ২০৪টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৬টির,কমেছে ১৩টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টি কোম্পানির দাম। বুধবার সিএসই সিলেক্টিভ ক্যাটাগরির সূচক ৪শ’৬৭ দশমিক ৫৩৩৬ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ৫শ’২২ দশমিক ৯৯২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ৭শ’ ২১ দশমিক ৩৯১৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৮শ’১৭ দশমিক ৭৬ পয়েন্টে উঠে আসে। সিএসই’তে মোট লেনদেন হয় একশ ৫০ কোটি টাকার কিছু বেশি।
বাংলাদেশ সময়: ১৬০৫ঘণ্টা, মার্চ ০৯,২০১১ |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/09/2011 5:46 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | ডিএসইতে লেনদেন ১২৪৩ কোটি টাকা, সূচক বেড়েছে ২৬৫ পয়েন্ট
ঢাকা, ৯ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিযে বুধবারের লেনদেন শেষ হয়েছে। এ নিয়ে টানা ৫ম দিনের মতো সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে ৩১ জানুয়ারির পর আজই প্রথম এক হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। আজ লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২শ ৪৩ কোটি টাকা। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৫৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দরবৃদ্ধি পেয়েছে ২৪৩টির, কমেছে ১৩টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টি কোম্পানির শেয়ারের দর। |
|
|
| 03/09/2011 5:54 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রবাসীরা
Wed, Mar 9th, 2011 1:35 pm BdST
লন্ডন, মার্চ ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ে লন্ডনে মেলায় ব্যাপক সাড়া মিলছে জানিয়ে মেলায় অংশ নেওয়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রবাসীদের উদ্বেগ কাটানো গেলে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিনিয়োগ আসবে; যা বাজার স্থিতিশীল করতেও ভূমিকা রাখবে।
গত ৫ মার্চ থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত লন্ডনে আয়োজিত হয় প্রথম বাংলাদেশ শেয়ার বাজার মেলা। প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টের পৃষ্ঠপোষকতায় এ মেলার আয়োজন করে কারি লাইফ ইভেন্টস।
তিন দিনের এ মেলায় পুঁজিবাজারে লেনদেন করার জন্য প্রবাসীরা এক হাজারেরও বেশি বেনিফিশিয়ারী ওনার্স (বিও) একাউন্ট খুলেছেন বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান মেলার উদ্যোক্তাদের অন্যম সৈয়দ বেলাল আহমদ।
মেলায় প্রবাসীদের সাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মর্তুজা আহমদ।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "প্রচুর প্রবাসী শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। তবে যে বিষয়টি তারা সবচেয়ে বেশি উত্থাপন করেছেন, তা হলো আর্থিক নিরাপত্তা। তারা দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগে আগ্রহী। তাই তাদের বিনিয়োগের সুরক্ষার নিশ্চয়তা তারা সরকারিভাবে চান।"
"আমি লন্ডনে আসার আগে এসইসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। ফিরে গিয়ে প্রবাসীদের উদ্বেগের কথাগুলো তাদের কাছে তুলে ধরবো", বলেন মর্তুজা।
তিনি বলেন, "বাংলাদেশের শেয়ার বাজারের সঙ্কট উত্তরণে প্রবাসী বিনিয়োগ বিশাল ভূমিকা রাখতে পারে। প্রবাসীদের বিনিয়োগ পেলে বাজার পরিস্থিতি আরো উন্নত হবে।"
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বাইব্যাক পদ্ধতি চালু হলে তার প্রভাব কী ধরনের হবে- জানতে চাইলে মর্তুজা বলেন, এটা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এটি চালু হলে সহসা দরপতনের সম্ভাবনা কম থাকে। তবে এর অপব্যবহারের সুযোগও রয়েছে। তাই তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনেক খুঁটিনাটি বিষয় দেখতে হবে।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য সরকারের ৫ হাজার কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ড গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা ভালো। কিন্তু এর চেয়েও বেশি প্রয়োজন এখন বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা।
"এখন ১৯৯৬ সাল নয়। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। শেয়ার বাজারে এখন অনেক বেশি লোকের পার্টিসিপেশন রয়েছে", বলেন মর্তুজা।
তিনি জানান, শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিরাই নয়, ব্রিটিশ ব্যাংক বার্কলেসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বার্কলেস ওয়েলস ও স্টকব্রোকার কোম্পানি চার্লস স্ট্যানলিও বাংলাদেশের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। |
|
|
| 03/09/2011 5:55 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে লেনদেনে খরা কাটছে
Wed, Mar 9th, 2011 2:06 pm BdST
ঢাকা, মার্চ ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- প্রায় দেড় মাস পর হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে ঢাকার পুঁজিবাজারে। সাধারণ সূচক বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে প্রায় সব শেয়ারের দাম। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে বিনিয়োগকারীরাও।
ঢাকার মতোই চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারেও।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিলো ১ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা। সর্বশেষ গত ৩১ জানুয়ারি লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছিলো। সেদিন প্রায় ১১শ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়।
সেদিনের পর আর লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়ায়নি। টানা দরপতনের পর গত কয়েকদিনে সূচক বাড়লেও লেনদেন তেমন বাড়ছিলো না।
ডিএসইতে বুধবার দিন শেষে সাধারণ সূচক ২৬৫ পয়েন্ট বা ৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ ৬৩১৬ দশমিক ৫৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে এদিন মোট ২৫৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৪৩টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১৩টির। ৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত ছিলো।
পুঁজিবাজারের এই চাঙাভাবে দুপুরে ডিএসইর সামনে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন।
তারা বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষা, দরপতন রোধ ও বিনিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের জন্য স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করেন।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সারাদিনে ১৫০ কোটি ৬৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে।
সেখানে সূচক ৪৬৭ পয়েন্ট বেড়ে ১১৫২২ দশমিক ৯৯ এ দাঁড়িয়েছে।
সিএসইতে মোট ২০৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৮৬টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১৩টির। অপরিবর্তিত ছিলো ৫টি শেয়ারের দাম। |
|
|
| 03/09/2011 6:50 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/09/2011 Topics: 31 Posts: 155
 OFFLINE | শেয়ারবাজারের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ড অনুমোদন দিয়েছে আইসিবি
০৯ মার্চ (রেডিও তেহরান)
শেয়ার বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ৫ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠনের অনুমতি দিয়েছে আইসিবি (ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ)। আজ (বুধবার)আইসিবির চেয়ারম্যান ড. মো: খায়রুল হোসেন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এই ফান্ডের জন্য পাঁচশ' কোটি টাকা দেবে আইসিবি। বাকি টাকা দিবে সোনালী, অগ্রনী, জনতা, রূপালী ব্যাংক এবং বিডিবিএল ও সাধারণ বীমা করপোরেশন। এদিকে টানা পাঁচ কার্যদিবসে শেয়ার বাজারে সূচকের উর্ধমূখী প্রবণতা অব্যাহত আছে। এই পাঁচ দিনে সূচক বেড়েছে এক হাজার পয়েন্টের মত। |
|
|
| 03/09/2011 7:31 am |
 Moderator Forum Addict

Regist.: 01/27/2011 Topics: 13 Posts: 75
 OFFLINE | Stocks pull in Swiss fund
sarwar@thedailystar.net
A Swiss fund invested around 10 million pounds (Tk 115.79 crore) in the Bangladesh stockmarket during the last four months, when the secondary market was experiencing a massive correction in share prices.
The fund styled “Bangladesh and EM Equity Fund” was created targeting the Bangladesh and some other emerging markets.
The fund sees a huge potential in the Bangladesh stockmarket with the country's economic growth and performances by the listed companies. It will also continue to invest on the Bangladesh market, the fund manager said.
“This country is a big potential for the Swiss fund. We will be here for a long-term investment,” said Roberto Pusterla, member of the management, private banking of Banque Morval, manager of the fund.
Banque Morval is a Swiss bank, while the Bangladesh and EM Equity Fund is an investment fund under Swiss law.
The Swiss fund was launched in Bangladesh in November last year, and still the manager is in process to collect more capital from individual and institutional investors globally.
In the Bangladesh stockmarket, the fund's preferable sectors include pharmaceuticals, power, insurance and banks.
Commenting on the recent market behaviour, Ales Glavan, an adviser to the fund manager, said, with the recent price correction, many of the fundamentally strong companies' share prices came down to far below their fundamental.
“I am talking about good shares, not the junk ones, and it's surprising why the investors here are not buying these shares,” he said.
The Swiss fund is not the only one to focus on the
Bangladesh market. Data on portfolio investment showed that foreign investors or global fund managers are also investing here.
In February this year, the net portfolio investment increased to Tk 8.61 crore, while it was on a downward trend in January. In February, the foreign investors bought shares worth around Tk 51.59 crore and sold worth around Tk 42.98 crore. The figures were Tk 91 crore and Tk 247 crore respectively in January.
However, on the back of a bearish trend in the market, state-run Investment Corporation of Bangladesh (ICB) and seven other state-owned enterprises have recently come forward to give a massive liquidity support to the stockmarket by creating a Tk 5,000 crore fund.
The eight SoEs have formed the fund styled “Bangladesh Fund”, which will be an open-ended mutual fund.
Half of the fund will be utilised in buying shares from the secondary market, while the rest will be kept for the money market.
ICB, Sonali Bank, Janata Bank, Agrani Bank, Rupali Bank, Bangladesh Development Bank, Sadharan Bima Corporation and Jibon Bima Corporation are the
sponsors of the Bangladesh Fund. |
|
|
|