Page 1 / 1
NEWS 06.03.2011
03/05/2011 12:57 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
আরেকটি মন্দা সপ্তাহ পার করেছে পুঁজিবাজার
আরও সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা কমেছে ডিএসইর বাজার মূলধন


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকন্ঠ

অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন, সূচক, বাজার মূলধন এবং আর্থিক লেনদেন অব্যাহত নিম্নগতি মিলিয়ে আরেকটি মন্দা সপ্তাহ পার করল দেশের পুঁজিবাজার। সরকারের নানামুখী উদ্যোগের পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণাও বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনি। টানা দরপতনে আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীদের আস্থা না ফেরার কারণেই বাজারে এ ধরনের প্রবণতা তৈরি হয়েছে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
বাজার স্থিতিশীল করতে সরকারসহ বিভিন্ন মহলের নানামুখী উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের কিছুটা হলেও আশাবাদী করে তুলেছে। বিশেষ করে বুধবার ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এবং মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের ভিন্ন দু'টি বৈঠকে ফোর্সসেল বন্ধসহ বেশকিছু ইতিবাচক সিদ্ধানত্ম বাজারে বেশ প্রভাব ফেলে। তবে গত দু'মাসে বেশ কয়েক দফা দরবৃদ্ধির পরও তা দু'একদিনের বেশি স্থায়ী না হওয়ায় অনেক বিনিয়োগকারী এবারও সতর্কতার সঙ্গে লেনদেন করছেন। এ কারণে দর ওঠার পরই বিক্রির চাপ বেড়ে যাচ্ছে। এ কারণেই বাজারে উত্থান-পতনের ঘটনা ঘটছে।
বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ৫ দিনে ডিএসইতে ২ হাজার ৫১৭ কোটি ৭২ লাখ ৬৪ হাজার ৮০১ টাকা মূল্যের ২৭ কোটি ৩২ লাখ ৩২ হাজার ৮২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৫০৩ কোটি ৫৪ লাখ ৫২ হাজার ৯৬০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহের ৪ দিনে ডিএসইতে দুই হাজার ৬৭৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকার ২৩ কোটি ৭২ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। প্রতিদিন গড়ে ৬৬৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।
বিশেস্নষণে দেখা যায়, দরপতনের মধ্য দিয়ে গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরম্ন হয়। প্রথম দু'দিন বড় দরপতনের পর রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে একটি বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণায় মঙ্গলবার বাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। কিন্তু পরদিনই আবার বড় দরপতনের ধারায় ফিরে যায় শেয়ারবাজার। তবে বৃগস্পতিবার দরবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে সপ্তাহের লেনদেন শেষ হয়।
বিশেস্নষকদের মতে, বাজারে এখনও আস্থা-সঙ্কট অব্যাহত থাকলেও গত কয়েক দিনের তুলনায় বৃহস্পতিবারের বাজার অনেকটাই ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ফলেই বাজার ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তবে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সরকারী পদৰেপগুলো বাসত্মবায়ন করতে হবে। আইসিবির উদ্যোগে যে বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে তা কার্যকর হলে এ যাত্রায় পুঁজিবাজার রৰা পাবে বলে তাঁরা মনে করেন।
রবিবার সপ্তাহের প্রথম লেনদেনে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৭৩ কোটি টাকা। সপ্তাহের শেষদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তা কমে ২ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৩ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। এ হিসেবে গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা কমেছে। সপ্তাহের শুরম্নতে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৫ হাজার ৮০০ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট। সপ্তাহ শেষে তা কমে ৫ হাজার ৪২৮ দশমিক ৪২ পয়েন্ট নেমে এসেছে। এ হিসেবে মূল্যসূচক ২২৩ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট বা ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। সারা সপ্তাহে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৩২টির এবং কমেছে ২২৮টির শেয়ারের দর।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে যে কোম্পানির শেয়ার সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে সেগুলো হলো_ বেঙ্মিকো লিমিটেড ১৪৩ কোটি ১১ লাখ টাকা, বেঙ্টেঙ্ ১০৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, পিপলস লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ৯৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, বে লিজিং ৭৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, প্রাইম ফাইন্যান্স ৬৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা, গ্রামীণফোন ৬৫ কোটি ৭৩ লাখ, তিতাস গ্যাসের ৬২ কোটি ৩২ লাখ টাকা, সাউথ ইস্ট ব্যাংক ৬০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, লংকা বাংলা ফাইন্যান্স ৫৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকা এবং ইউনিয়ন ক্যাপিটাল ৫৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/05/2011 6:36 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
Prothom-Alo
সংকুচিত হয়ে পড়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেননিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৬-০৩-২০১১


০ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে লেনদেনের পরিমাণ আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ছয় শতাংশ কমে গেছে। গত সপ্তায় ডিএসইতে দুই হাজার ৫১৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৫৬ কোটি টাকা কম।
তবে গত মঙ্গলবার ব্রোকারেজ হাউসগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে আইসিবির পক্ষ থেকে বাজারে তারল্য সরবরাহ বাড়াতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো ঋণ সমন্বয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করে বিক্রি বা ফোর্সড সেল করছে না বলে দাবি করে।
অন্যদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্যোক্তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে পুঁজিবাজারে তারল্য সরবরাহ বাড়ানোর দাবি জানায়।
এসব ঘটনা বিনিয়োগকারীদের কিছুটা আশান্বিত করে তোলে। এতে সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসইতে সাধারণ মূলসূচক ১৩৬ পয়েন্টের মতো বাড়ে। এভাবে সূচক বাড়ার বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, অন্যদিনগুলোর মতো একসঙ্গে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার বিক্রেতা বা ক্রেতাশূন্য হয়ে না পড়াটা ছিল ভালো লক্ষণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে কিছু দিন চললে বাজার আবার স্বাভাবিক গতিধারা ফিরে পাবে। কারণ বাজার বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম বা মূল্য-আয় অনুপাত (পিই) গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এ অবস্থায় কারবারির মানসিকতার পরিবর্তে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে শেয়ার কিনলে বিনিয়োগকারীরা ভালো ফল পাবেন।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সর্বশেষ নিরীক্ষিত বা অনিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী বাজারের পিই গড়ে এখন ১৩-এর ঘরে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ২০ জানুয়ারি বাজার পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ২৩ থেকে ২৪ পিই বাজারে বিনিয়োগের জন্য সহনীয়।
পিই: ডিএসইর সর্বশেষ বিশ্লেষণে দেখা যায়, বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের গড় পিই ১০-এর ঘরে। রূপালী ও এসআইবিএল ছাড়া প্রায় সব ব্যাংকের পিই ২০-এর নিচে। অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের গড় পিই ১৭। এ খাতের ২১টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ছয়টির পিই ২৫-এর ওপরে। মিউচুয়াল ফান্ডের গড় পিই ছয়-এর নিচে নেমে এসেছে। তবে প্রকৌশল খাতের পিই এখনো ২৫-এর বেশি। এ খাতের ২২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাতটির পিই ২৫-এর নিচে রয়েছে।
বাজার পরিস্থিতি: সব মিলিয়ে গত সপ্তাহে ডিএসইর সাধারণ সূচক কমেছে ৩৭২ পয়েন্ট। সপ্তাহের শুরুতে রোববার সূচক ছিল পাঁচ হাজার ৮০০ পয়েন্ট, যা সপ্তাহ শেষে ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ কমে পাঁচ হাজার ৪২৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক গত সপ্তাহে এক হাজার ছয় পয়েন্ট কমে। সপ্তাহের শুরুতে স্টক এক্সচেঞ্জটিতে সূচক ছিল ১৬ হাজার ৩৩০ পয়েন্ট, সপ্তাহ শেষে যা ১৫ হাজার ৩২৪ পয়েন্টে নেমে আসে। গেল সপ্তাহে ডিএসইতে ২৬০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩০টির ও কমেছে ২২৮টি প্রতিষ্ঠানের। ডিএসইতে গত সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৫১৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ২৫ শতাংশ কম। এ সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন ৫ দশমিক ১০ শতাংশ কমে দুই লাখ ৫০ হাজার ৬৯৩ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।  
Quote   
03/05/2011 6:58 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
FE REPORT
SEC wants right to issue search orders to banks
VOL 18 NO -116 REGD NO DA 1589 | Dhaka, Sunday March 6 2011        


Nazmul Ahsan

The securities market regulator has decided to go for searching bank accounts of companies and individuals to probe into the alleged irregularities in their transactions relating to capital market activities.

Search orders will be issued to the scheduled banks of the companies by Securities and Exchange Commission (SEC), the official sources said.

Any probe committee, to be formed by Securities and Exchange Commission (SEC), can also ask financial institutions and insurance companies to furnish all relevant information concerning of companies and individuals in question.

The approval has been given at a recent meeting of the Commission. SEC Chairman Ziaul Haque Khondker presided over it.

The proposed measures, aimed to address the share market scam, have been placed to Ministry of Finance (MoF) for final approval.

"The proposed measure will empower SEC as it seldom gets satisfactory findings from probe committees, formed from time to time to unearth the alleged misdeeds on the part of any individual or investor, because of non-cooperation from commercial banks," a top SEC official told the FE, preferring anonymity.

He said the MoF has already indicated about its 'green signal' about to empowering the securities market regulator in line with the decision of the Commission meeting.

Officials in the SEC said, under the provisions of the existing Securities and Exchange Ordinance, 1969, banks and other financial institutions are not law-bound to furnish information to any probe committee, constituted by the SEC.

As a result, the securities regulator cannot issue any search order to the bank or ask banking companies and financial institutions to provide full reports concerning financial transactions of companies or investors against whom allegations are made or suspicions arise, they added.

The institutions and individuals like stock exchanges, stock brokers, directors, listed companies, stock members, auditors and issuers are duty-bound to give the required information to be sought by any SEC probe committee, according to section (2) under clause 21 of the Ordinance.

"The manipulators in the stock market do hardly bear the brunt of any action from SEC as the commission cannot prove financial transactions of suspected companies and individuals for lack of proper evidence," another top SEC official said.

He said International Organisation of Securities Commissions, which has 115 members including Bangladesh, has long been pressing the SEC to exercise the right of bank search orders in order to attain the status of a globally recognised securities regulator.

A top official in the MoF said, currently National Board of Revenue (NBR) and Bangladesh Bank (BB) enjoy the privilege of issuing bank search orders.

Awarding SEC with the similar power will certainly need approval by the cabinet, he added.

The official concerned, however, said, Finance Minister AMA Muhith at a recent meeting has showed his willingness to empower the SEC with bank search order as the role of regulator is now critically important for proper enforcement of regulatory powers.

When asked, a top banker of a private bank said the confidence of bank depositors, who are also investors in the stock market, would be impaired if the proposed measure is endorsed by the government.

He said excepting the BB, no government entity should be given the power of issuing bank search order to help curb capital flight from the country, which has been in practice.

The meeting of the SEC has also approved a number of measures relating to issuing shares and debentures by companies, which are not registered under the Companies Act, a source said.  
Quote   
03/06/2011 9:26 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
পুঁজিবাজারে চাঙ্গাভাব


ঢাকা, ৬ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


চাঙ্গাভাবের মধ্য দিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের লেনদেন শেষ হয়েছে। আজ রোববার লেনদেনের শুরু থেকে সূচকের উঠানামা চললেও শেষ দিকে তা বেড়ে যায়। লেনদেন শুরুর ৫ মিনিটে সাধারণ সূচক ২০ পয়েন্ট বাড়ে। কিন্তু ১০ মিনিটে তা ৩৫ পয়েন্ট কমে যায়। পরের ২০ মিনিটে সূচক ৫০ পয়েন্ট বাড়ে। দর বাড়া-কমার মধ্য দিয়ে চলে লেনদেন। দুপুরের দিকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে আরো ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল গঠনের সিদ্ধান্তের খবর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে বাজারের সূচক ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে। দিন শেষে সাধারণ সূচক বাড়ে ১০৮ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ২৫২টি কোম্পানির শেয়ার। দর বাড়ে ২১২টির, কমে ৩৭টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৩টি কোম্পানির শেয়ার। লেনদেনের শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, প্রাইম ফিন্যান্স, বে লিজিং, ম্যাঙ্ন স্পিনিং, পিপলস লিজিং, ইউনাইটেড এয়ার, আফতাব অটো, সাইনপুকুর সিরামিকস ও গ্রামীণ ফোন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/মউ/এমএইচ/১৫.৩০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/06/2011 9:33 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
দিন শেষে ডিএসইতে সূচক ঊর্ধ্বমুখী
     
     

ঢাকা, মার্চ ০৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)


টানা কয়েকদিনের দরপতনের পর আগের সপ্তাহের শেষ দিনের মতো নতুন সপ্তাহের শুরুতেও ঢাকার পুঁজিবাজারে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী ছিলো সূচক।

রোববার দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০৮ দশমিক ৫০ পয়েন্ট বেড়ে ৫৫৩৬ দশমিক ৯০ পয়েন্ট দাঁড়ায়।

এদিন মোট লেনদেন হওয়া ২৫২টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে দাম বেড়েছে ২১২টির, কমেছে ৩৭টির এবং বাকি তিনটির দাম ছিলো অপরিবর্তিত। হাতবদল হওয়া শেয়ারের বাজার মূল্য ৫৬৪ কোটি ৯৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

এর আগে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ওঠানামার মধ্য দিয়ে চলে লেনদেন। এর পর থেকে প্রায় এক ঘণ্টা উঠতে থাকে সূচক। ২টা ২৫ মিনিটের পর সূচক কিছুটা পড়লেও দিন শেষে আগের দিনের চেয়ে সূচক ছিলো ভালো অবস্থানে।

টানা কয়েক দিনের দরপতনের পর সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার সূচক ১৩৬ পয়েন্ট বেড়ে লেনদেন শেষ হয়েছিলো ঢাকার পুঁজিবাজারে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এমআই/এএল/১৫৫৪ ঘ.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/06/2011 9:36 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজার বিপর্যয়
এসইসিকে দায়ী করেছেন সিএসইর কর্মকর্তারা



স্টাফ করেসপন্ডেণ্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম


চট্টগ্রাম : শেয়ারবাজার বিপর্যয়ের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে গঠিত তদন্ত কমিটি চট্টগ্রামে কাজ শুরু করেছে। দু’দিনের সফরে শনিবার রাতে চট্টগ্রামে পৌঁছায় তদন্ত দল।

রোববার প্রথমদিনে তদন্ত কমিটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) মিলনায়তনে সিএসইর বর্তমান ও সাবেক সভাপতি এবং পরিচালকদের মতামত নিতে বৈঠক করেন।

বৈঠক শুরুর আগে তদন্ত কমিটির প্রধান ড. ইব্রাহিম খালেদ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘১৯৯৬ সালে শেয়ার কেলেঙ্কারীতে যারা জড়িত ছিলেন, তারা এবারো শেয়ার বিপর্যয়ে জড়িত থাকতে পারেন।’

৯৬ সালের মতো এবারো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় শেয়ার বাজারে বিপর্যয় সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটা কাকতালীয়ভাবে হয়ে গেছে।’

সরকারি দলের লোকজন এর সঙ্গে জড়িত কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘সরকারের ভেতরে বা বাইরে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এমন কেউ এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।’

তাদের চিহ্নিত করা গেছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে তিনি তদন্তের স্বার্থে আর কিছু বলতে  অপরাগতা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে মেনিপুলেট করার তেমন সুযোগ না থাকলেও সিএসই দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হওয়ায় এর সদস্য, পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজনীয়তা থেকে চট্টগ্রামে এসেছেন বলে জানান ইব্রাহিম খালেদ। বৈঠকে তদন্ত কমিটির প্রধান ড. খন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ছাড়াও কমিটির আরেক সদস্য বিআইবিএম-এর পরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ ছাড়াও সাবেক সভাপতি সালমান ইস্পাহানি, হাবিবুল্লাহ খান, এমকে মহিউদ্দিন ও নাসিরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

তদন্ত কমিটির সঙ্গে সিএসইর পরিচালনা পর্ষদের এই বৈঠকে সিএসই কর্মকর্তারা শেয়ারবাজারের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসিকে দায়ী করে নতুন করে ঢেলে সাজানোর তাগিদ দেন বলে জানান অংশগ্রহনকারীরা। কমিটির বর্তমান ও সাবেক কর্তকর্তারা নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে শেয়ারবাজার পরিচালনায় এসইসির দুর্বলতা, অসততার কথা উল্লেখ করে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক দর নির্ধারণে অযাচিত হস্তপে, প্লেসমেন্ট শেয়ারের বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ আনেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সিএসই কর্মকর্তা জানান, অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা সত্ত্বেও যথাসময়ে সরকারি শেয়ার কেন বাজারে আসেনি সে বিষয়টিও তদন্ত করার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

সোমবার সকালে সিএসইর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তদন্ত কমিটি।

বাংলাদেশ সময় : ২০৪০ ঘণ্টা, মার্চ ০৬, ২০১১

     
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/06/2011 9:37 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
সূচক বাড়ার মধ্য দিয়ে শেষ হলো পুঁজিবাজারের লেনদেন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমন


ঢাকা: টানা দুই কার্যদিবস-এ  দেশের দুই পুঁজিবাজারের সূচক বাড়লো।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দাম বেড়েছে। একইসঙ্গে  সূচকও বেড়েছে।

গত বৃহস্পতিবার’ও উভয় পুঁজিবাজারের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দাম বাড়ে।

রোববার ডিএসই’তে মোট ২৫২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়।

এর মধ্যে ২১২টির দাম বেড়েছে, কমেছে ৩৭টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৩টি কোম্পানির। পাশাপাশি সাধারণ সূচক ১০৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫শ’ ৩৬ পয়েন্টে  পৌঁছেছে।

ডিএসই’তে আগের কার্যদিবস থেকে  লেনদেনও বেড়েছে। মোট  ৫শ’ ৬৪ কোটি টাকার কিছু উপরে লেনদেন হয়। যা আগের কার্যদিবসে হয়েছিল ৫০৩ কোটি টাকা।

অন্যদিকে,  রোববার সিএসই’তে মোট ১৮৬টি কোম্পানির লেনদেন হয়।

এর মধ্যে ১৫৪টির দাম বেড়েছে, ২৭টির কমেছে ও অপরিবর্তিত ছিল ৫টি কোম্পানির। সিএসই’র সিলেক্টিভ ক্যাটাগরির ইনডেক্স (সিএসসিক্স) ২১৮ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১শ’ ১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

সব ক্যাটাগরি নিয়ে গঠিত সূচক (সিএএসপিআই) ৩৪২ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৬শ’ ৬৬ পয়েন্টে উঠে আসে।

বাংলাদেশ সময় : ১৬১৫ ঘন্টা, মার্চ ৬, ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/06/2011 9:38 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন প্রক্রিয়া শুরু


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: শেয়ারবাজারের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তহবিলের নাম হবে ‘বাংলাদেশ ফান্ড’।

রোববার সরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সঙ্গে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, বিডিবিএলসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তহবিল গঠনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামান এ তথ্য জানান।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, তহবিলটি একটি ওপেন অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ড হবে, তবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হবে না। এ ফান্ড থেকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্তটি আইসিবিসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বোর্ড মিটিংয়ে চূড়ান্ত করা হবে।

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) থেকে এ ব্যাপারে অনুমোদন নেওয়া হবে। এসইসির অনুমোদক্রমে এ তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাজারে বিনিয়োগ করা যাবে।

সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও এ তহবিলে অংশ নেবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৩৫৮ ঘণ্টা, মার্চ ৬, ২০১১
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview