Page 1 / 1
NEWS 04-05.03.2011
03/05/2011 5:52 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE

পুঁজিবাজার
উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে কাটল আরেকটি সপ্তাহ

অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ০৫-০৩-২০১১
প্রথম আলো


দেশের পুঁজিবাজার উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে আরেকটি সপ্তাহ পার করল। সপ্তাহের পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে দুই দিন চাঙা থাকলেও তিন দিন দরপতনের ঘটনা ঘটে। দরপতনকালে একদিন বিনিয়োগকারীরা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে রাস্তায় নেমে এলেও শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে বিষয়টি সমাধান হয়। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর মধ্যে গত সপ্তাহটি অনেকটা শান্তিপূর্ণভাবেই কেটেছে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, রবি, সোম ও বুধবার ডিএসইতে শেয়ারে দাম পড়ে যায়। আর মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার বাজার চাঙা থাকে। সব মিলিয়ে গত সপ্তাহে ডিএসই সাধারণ সূচক ৩৭২ পয়েন্ট কমে। সপ্তাহের শুরুতে রোববার সূচক ছিল ৫৮০০ পয়েন্ট যা সপ্তাহ শেষে বৃহস্পতিবার ৬.৪২ শতাংশ কমে ৫৪২৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক গত সপ্তাহে ১০০৬ পয়েন্ট কমে যায়। সপ্তাহের শুরুতে স্টক এক্সচেঞ্জটিতে সূচক ছিল ১৬৩৩০ পয়েন্ট, সপ্তাহ শেষে ১৫৩২৪ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সিএসইতেও সপ্তাহের পাঁচ দিনের মধ্যে তিন দিন দরপতন হয়।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে ২৬০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ২২৮টি প্রতিষ্ঠানের। গত সপ্তাহে আর্থিক লেনদেন গড়ে প্রতিদিন ২৪.৬৬ শতাংশ কমে ৫০৩ কোটি টাকা করে হয়েছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬৬৮ কোটি টাকা। সাপ্তাহিক মোট লেনদেনের পরিমাণ ২৫১৭ কোটি টাকা।
একই সময়ে ডিএসইর বাজার মূলধন ৫.১০ শতাংশ কমে দুই লাখ ৫০ হাজার ৬৯৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা সপ্তাহের শুরুতে ছিল দুই লাখ ৬৪ হাজার ১৭৩ কোটি টাকা।
গত সপ্তাহে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো—বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, প্রাইম ফিন্যান্স, গ্রামীণফোন, তিতাস গ্যাস, সাউথইস্ট ব্যাংক, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স ও ইউনিয়ন ক্যাপিটাল।
সমাপনী মূল্যের ভিত্তিতে গত সপ্তাহে দাম বাড়ায় শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—এশিয়া ইনস্যুরেন্স, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় মিউচুয়াল ফান্ড, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ, ব্র্যাক ব্যাংকের ২৫% সাব কনভারটিবল বন্ড, সামিট পাওয়ার, বেক্সটেক্স, বাটা সু ও মেট্রো স্পিনিং।
সমাপনী মূল্যের ভিত্তিতে দাম কমে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠান হলো—ইস্টার্ন ব্যাংক, আইএলএফএসএল, প্রাইম ইনস্যুরেন্স, ঢাকা ব্যাংক, এইচআর টেক্সটাইল, চিটাগং ভেজিটেবল, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, জুট স্পিনার্স, সায়হাম টেক্সটাইল ও বিডি ওয়েল্ডিং ইলেক্ট্রডস।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/05/2011 7:59 am

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/27/2011
Topics: 13
Posts: 75
OFFLINE
IMF mission to gauge stock impact on banks
Rejaul Karim Byron


An International Monetary Fund (IMF) team will seek details from the central bank about the impact of commercial banks' involvement in the stockmarket on their organisational health.

Led by IMF's senior official David Cowen, the mission is due to arrive in Dhaka next week and will also finalise a set of conditions attached to the $1 billion credit to Bangladesh.

The mission will hold talks with the high officials of the finance division, National Board of Revenue, Bangladesh Bank and other agencies, during the March 8-18 visit.

According to the IMF, the outcome of stockmarket development and policy intervention in the banking sector, soundness and capital adequacy and enforcement of existing regulations on a bank's equity share holdings are among the issues to be discussed.

The mission had earlier visited Bangladesh twice to discuss credit issues. On those visits, it had opposed banks' involvement in the share market and supported BB's steps to cut their excessive exposure to stocks.

After its visit in December last year, the IMF mission in a press statement said the central bank should continue to strengthen its supervision on the banking system.

IMF also advised BB to focus on improving the financial conditions of state-owned commercial banks and ensure that all banks comply with the new capital adequacy requirements.

The lending agency said Bangladesh Bank should continue working in tandem with the Securities and Exchange Commission to ensure that banks and their subsidiaries take necessary actions to mitigate risks arising from stockmarket volatility.

IMF has already set 10 conditions which the government must fulfil to receive the loan amount for the first year. The conditions include withdrawal of the ceiling on lending rate and reduction of loss incurred by three major state-owned enterprises.

The IMF mission will also discuss the timeframe for the government to withdraw the ceiling on lending rate. Progress on conducting audits into the state-owned banks by international auditors and reforms of the banking law will also be discussed.

These steps aim to cut the losses of state enterprises by increasing prices of power, petroleum and fertiliser.

A finance ministry official said the government has agreed in principle about these conditions and started taking steps to implement some.

If these issues are finalised during the mission's visit, it may forward the loan proposal to the IMF's board by the end of this month or the beginning of the next month, the official said.
Quote   
03/05/2011 9:44 am

Senior Member


Regist.: 01/26/2011
Topics: 0
Posts: 29
OFFLINE
পুঁজিবাজারে এ সপ্তাহে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের বিশেষ বিনিয়োগকাল আইসিবিতে চূড়ান্ত বৈঠকযাযাদি রিপোর্ট

পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট মেটাতে এ সপ্তাহের মধ্যেই বিশেষ তহবিলের বিনিয়োগ শুরু হবে। তহবিল গঠনের উদ্যোগ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তবে এটির আকার চূড়ান্ত না হলেও এতে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীল রাখার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ থাকবে। ফান্ডটি পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি হবে। আগামীকাল আইসিবিতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ বৈঠকে বিশেষ তহবিলের আকার, প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশীদারিত্ব এবং সামগ্রিক কার্যপ্রণালী চূড়ান্ত করা হবে।
প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত ৭টি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে এ তহবিল গঠিত হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর হলো_ ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (আইসিবি), সাধারণ বীমা করপোরেশন, সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, জনতা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল)। তবে কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাইলে এ তহবিলের অংশীদার হতে পারবে।
তহবিল গঠনের প্রস্তুতি সম্পর্কে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান জানান, ইতোমধ্যেই তহবিল গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামীকাল সকল প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকে এর আকার ও কার্যপ্রণালী চূড়ান্ত করা হবে। অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে এই মুহূর্তে বলা না গেলেও এটি একটি বড় আকারের তহবিল হবে। পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় অর্থ বিনিয়োগের চেষ্টা করা হবে।
তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে নতুন তহবিল গঠনের ব্যাপারে সবাই ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। তহবিলটি যাতে যৌথভাবে হয়, সে জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো একটা বড় অঙ্ক যোগ করবে। বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এসব প্রতিষ্ঠান আরো বেশি সক্রিয় প্রচেষ্টা গ্রহণ করবে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি। বাজারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য এ তহবিল।
শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতন ঠেকাতে গত সপ্তাহের সোমবার আইসিবির পক্ষ থেকে তহবিলটি গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়। ওইদিন তহবিলের আকার কী হবে তা না জানানো হলেও বিনিয়োগকারীরা আশান্বিত হয়ে ওঠেন। এতে মঙ্গলবার বাজারে মূল্যসূচকের বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটে। কিন্তু তহবিল গঠনের বিষয়টি দৃশ্যমান না হওয়ায় এক দিনের ব্যবধানে বুধবার আবারো বড় ধরনের দরপতনের ধারায় ফেরে বাজার। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীরা ফান্ড গঠনের দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তহবিলের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে ফায়েকুজ্জামান বলেন, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বাজার থেকে শেয়ার কিনবে। এ কাজের জন্য কোন প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলে যে কোন সময় এই তহবিল থেকে ঋণ নিতে পারবে। শেয়ার বিক্রি বা অন্য উৎস থেকে অর্থ পাওয়ার পর পুনরায় তহবিলে টাকা ফেরত দেবে। একটি স্থায়ী তহবিল হিসেবে এর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মৌলভিত্তি ও সূচকে প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনবে। বৈঠকে এ ধরনের কিছু কোম্পানির তালিকা করা হয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান কোনো কোনো কোম্পানির শেয়ার কিনবে_ তাও ভাগ করে নেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো তার জন্য নির্ধারিত কোম্পানির শেয়ারের দর ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তিনি জানান, বৈঠকে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বেশ কিছু করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে এ বিষয়ে সুপারিশ পেশ করা হবে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।
শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গত ১৫ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আইসিবি এবং সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংককে শেয়ারবাজারে যত বেশি সম্ভব বিনিয়োগ করতে বলা হয়। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আইসিবিকে প্রাথমিকভাবে ২০০ কোটি টাকার তহবিল যোগান দেয়া হয়। সরকারের এই নির্দেশের পেয়ে ওইদিন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার থেকে ২৭ কোটি টাকার শেয়ার কিনে। এর প্রভাবে বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। কিন্তু দুদিনের মধ্যে শেয়ারবাজারে আবারো নেতিবাচক ধারা শুরু হয়। এ কারণে গত রোববার সরকারের পক্ষ থেকে এসব প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার কেনার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো নির্দেশ দিতে হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নির্দেশ পাওয়ার পর রোববার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ারবাজারে পুনরায় তৎপর হয়ে উঠে। এদিন পাঁচ প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে সর্বমোট প্রায় ৫০ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। সোমবারও এসব প্রতিষ্ঠান বাজারে সক্রিয় ছিল। এদিন বিনিয়োগের পরিমাণ জানা না গেলেও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আগের দিনের তুলনায় দ্বিগুণ শেয়ার কিনেছে বলে ফায়েকুজ্জমান জানিয়েছেন।

Quote   
03/05/2011 6:40 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
তিন মাসে সূচক কমেছে ৩৪৯০ পয়েন্ট

ঢাকা, ৫ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক দরপতনের কারণে মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক কমেছে ৩৪৯০ পয়েন্ট। একই সময়ে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে এক লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা। পুঁজিবাজারের এ বিপর্যয়ের কারণে উল্লিখিত সময়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৭১ কোটি টাকা। পুঁজিবাজারের ধারাবাহিক দরপতনের কারণে ৩ মার্চ বাজার মূলধন কমে ২ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৩ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। একই সময়ে ডিএসইর সাধারণ সূচকও রেকর্ডসংখ্যক পরিমাণ কমেছে। গত বছরের ৬ মাসে অধিকাংশ শেয়ারের দরবৃদ্ধির কারণে ডিএসইর সাধারণ সূচক যে পরিমাণ বেড়েছিল, মাত্র তিন মাসের মধ্যেই তা সমন্বয় হয়েছে। যৌক্তিক কারণ ছাড়াই ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতির কারণে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডিএসইর সাধারণ সূচক বেড়ে ৮৯১৮ পয়েন্টে এসে দাঁড়ায়। সূচকের এ অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলেও সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। উল্লিখিত সময়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পক্ষ থেকে বাজারের ঊর্ধ্বর্গতি রোধে কয়েকটি পদক্ষেপ নেয়া হলেও তা কোনো কাজেই আসেনি। গত বছর নতুন প্রায় ১৫ লাখ বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারে অংশগ্রহণ করলেও নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির হার ছিল আশঙ্কাজনকভাবে কম। একই সময়ে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকারি কোম্পানির শেয়ারও তালিকাভুক্তিতে ব্যর্থ হয় সরকার। ফলে প্রচ- চাহিদার কারণেই শেয়ারের অতি মূল্যায়ন হয়ে পড়ে, যা সূচকের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ সময় কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দরবৃদ্ধি করে একটি চক্র পুঁজিবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। এরসাথে ব্যাংকগুলো তাদের বিনিয়োগের একটি বড় অংশ পুঁজিবাজার থেকে তুলে নেয়ায় বাজারে পতনের ধারা তৈরি হয়। তিন মাসেও পুঁজিবাজার এ সংকট কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এর ফলে মাত্র তিন মাসের মধ্যে ডিএসইর সাধারণ সূচক ৮৯১৮ পয়েন্ট থেকে ৫৪২৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে। চলতি বছরের ৩ মার্চ পর্যন্ত ডিএসইর সাধারণ সূচক কমেছে ৩৪৯০ পয়েন্ট। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সূচকের বড় ধরনের পতন হয় গত ১৯ ডিসেম্বর। এদিন ডিএসইর সাধারণ সূচক ৫৫১ পয়েন্ট হ্রাস পায়। এরপর থেকেই সূচকের বড় ধরনের উত্থান-পতন পুঁজিবাজারের জন্য স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। দরপতনের ধারাবাহিকতায় ১০ জানুয়ারি ডিএসইর সাধারণ সূচক হ্রাস পায় ৬৩৫ পয়েন্ট। তবে পরদিন ১১ জানুয়ারি দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১০১২ পয়েন্ট সূচক বৃদ্ধি পায়। এরপর থেকেই সূচকের বড় ধরনের উত্থান-পতন লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে পুঁজিবাজারের এ নেতিবাচক পরিস্থিতি উত্তরণে সরকার ও সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং দিন দিন আরো সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে পুঁজিবাজার। বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার কারণে প্রতিদিনই বড় ধরনের সূচকের পতন ঘটছে। এ অবস্থায় রাষ্ট্রীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) নেতৃত্বে জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সহযোগিতায় একটি তহবিল গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এ তহবিলের আকার ৫ হাজার কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া এ তহবিলে বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফায়েকুজ্জামান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রোববার আইসিবি কার্যালয়ে প্রায় সবগুলো সরকারি-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সে বৈঠকে পুঁজিবাজারের জন্য গঠন করা তহবিল বিনিয়োগের জন্য একটি গাইডলাইন তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ তহবিলে অর্থ যোগান দেবে। এর ফলে প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল হলেও পর্যায়ক্রমে তা বাড়ানো হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগের ফলে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এএম/ এনএম/ ১৮.২৩ ঘ.)
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview