Page 1 / 2 1 - 2 Next »
NEWS 03.03.2011
03/02/2011 12:00 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসে ফোর্স সেল না করার ঘোষণা
বিএমবিএ'র বৈঠকে মার্জিন ঋণ বৃদ্ধি ও নিজস্ব পোর্টফোলিওতে শেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ

পুঁজিবাজারে সক্রিয় ২৪ মার্চেন্ট ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা বাজারে বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রাহকের হিসাব থেকে কোন শেয়ার বাধ্যতামূলক বিক্রি (ফোর্স সেল) না করার ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে রাজধানীর দিলকুশায় হোটেল পূর্বাণীতে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) এক বৈঠকে এ ঘোষণা দেয়া হয়। বিএমবিএর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো এখন পর্যনত্ম কোন ফোর্স সেল করেনি বলেও বৈঠকে জানানো হয়। অন্যদিকে আইসিবিতে অনুষ্ঠিত আরেক বৈঠকে শীর্ষস্থানীয় ৩২টি মার্চেন্ট ব্যাংকের পৰ থেকেও ফোর্স সেল না করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বিএমবিএ'র বৈঠকে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে তারল্য প্রবাহ বাড়ানোর ৰেত্রে সব মার্চেন্ট ব্যাংক তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী ভূমিকা রাখার কথা জানিয়েছে। এৰেত্রে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই নিজস্ব পোর্টফোলিওতে শেয়ার কেনা অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য মার্জিন ঋণ বাড়ানোর বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো সাধ্যমতো চেষ্টা করবে।
বৈঠক শেষে বিএমবিএ সভাপতি শেখ মোর্তজা আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্চেন্ট ব্যাংকের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় এ্যাসেসিয়েশনের সদস্য ২৪ মার্চেন্ট ব্যাংক গ্রাহকদের শেয়ার ফোর্স সেল করেনি বলে নিশ্চিত করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কোন ফোর্স সেল করা হবে না বলেও সব প্রতিষ্ঠানের পৰ থেকে ওয়াদা করেছে।
তিনি বলেন, সূচকের দিকে না তাকিয়ে এই মুহূর্তে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের (পিই) অনুপাত দেখে লেনদেন করা উচিত। বিনিয়োগকারীরা বাজারে সক্রিয় থেকে ভাল মৌলভিত্তির শেয়ার কিনলে কোন লোকসান হবে না।
বিএমবিএর সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ বলেন, বৈঠকে মার্জিন ঋণের নীতিমালা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইতোমধ্যেই বিএমবিএর পৰ থেকে এ সংক্রানত্ম একটি নীতিমালার খসড়া এসইসিতে জমা দেয়া হয়েছিল। পরে এসইসি কিছু বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে। বিএমবিএর বিশেষজ্ঞ কমিটি ওই খসড়ার পরিবর্তন-পরিমার্জন করার পর এসইসিতে জমা দেয়া হবে।
বৈঠকে অমনিবাস হিসাব নিয়ে আলোচনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, অমনিবাস হিসাব নিয়ে আমরা কোন বিতর্কে যেতে চাই না। সকলেই এ বিষয়ে একমত হয়েছেন। এসইসির সঙ্গে আলোচনা করে বিও অথবা অমনিবাস হিসাব রাখার বিষয়ে নিষ্পত্তি করা হবে।
তিনি জানান, সব মার্চেন্ট ব্যাংক তাদের সাধ্য মতো মার্জিন ঋণ প্রদানের প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে সব মার্চেন্ট ব্যাংকই তাদের নিজস্ব পোর্টপলিওতে শেয়ার ক্রয় করবে।
বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের করণীয় সম্পর্কে তিনি বলেন, একটু চিনত্মা-ভাবনা করে কম পিই অনুপাতের শেয়ারে বিনিয়োগ করলে লোকসানের ঝুঁকি থাকবে না। পাশাপাশি সবাইকে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করার সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করতে হবে।
৩২ ব্রোকারেজ হাউসের ঘোষণা ॥ ফোর্স সেল না করতে শীর্ষস্থানীয় ৩২ ব্রোকারেজ হাউস সম্মত হয়েছে। বুধবার ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সঙ্গে এসব ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে তাঁরা এ কথা জানিয়েছেন।
সভা শেষে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ৩২টি ব্রোকারেজ হাউস ফোর্স সেল করবে না বলে আমাদের জানিয়েছে। আর বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আমরা তহবিল গঠন করার সিদ্ধানত্ম নিয়েছি। সেখানে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পৃক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে। এ জন্য আমরা একটা গাইড লাইন তৈরি করব। বৈঠকে এ বিষয়েও আলোচনা হবে। তিনি বাজার নিয়ে কাউকে নেতিবাচক মনত্মব্য না করার জন্য এসইসির এ বিষয়ক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান। আর ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা (এঙ্পোজার লিমিট) হিসাবের ৰেত্রে বাজার মূল্যের পরিবর্তে ক্রয় মূল্য বিবেচনায় নেয়ার দাবি জানান। আর এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং ও প্রবিধান আইন প্রয়োজনে সংশোধন করা যেতে পারে বলেও তিনি মনত্মব্য করেন।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/02/2011 12:02 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
বিনিয়োগকারীদের ভিন্ন রকমের প্রতিবাদ
মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা ফেরানোর ফরিয়াদ



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ


অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে ভিন্ন কর্মসূচীর আশ্রয় নিয়েছে বিনিয়োগকারীরা। আগের দিনগুলো থেকে গতকালের প্রতিবাদের ভাষা ছিল আলাদা। অভিযোগ জানানোর লক্ষস্থল ছিল ভিন্ন। চাওয়া পাওয়ার মাত্রাও ছিল ভিন্ন। ছিল না কোন ভাংচুর, মিছিল সমাবেশ। মুখে ছিল স্রষ্টার নাম, চোখে ছিল ছল ছল পানি আর প্রভুর বরাবর বিনম্র প্রার্থনারত দু'হাত।
পুঁজিবাজারে স্বাভাবিকতা ফেরাতে বুধবার বেলা ৩টায় মহান আলস্নাহর সন্তুষ্টির আশায় দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন তাঁরা।
গত বছরের ডিসেম্বর থেকে দেশের পুঁজিবাজারে ধস শুরম্ন হলে বিনিয়োগকারীরা বারবার রাসত্মায় নেমে বিৰোভ ভাংচুর করেছেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু না হওয়ায় সংশিস্নষ্ট কতর্ৃপৰের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদৰেপেও স্বাভাবিক হচ্ছে না পুঁজিবাজার। তাই সবশেষে আলস্নাহর কৃপার আশায় ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সামনের রাসত্মায় দু'হাত তুলে মোনাজাত করেছেন পুঁজি হারানো বিনিয়োগকারীরা। এ সময় কেউ কেউ কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তাঁরা বলেন, হে আলস্নাহ আমাদের রৰা কর। লুটেরাদের লোলুপ দৃষ্টি থেকে আমাদের বাঁচাও। আমাদের পুঁজির নিরাপত্তা নিশ্চিত কর।
পূর্ব ঘোষিত এ সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনে সমবেত হয়। দুপুর ২টার দিকে সূচকের বড় ধরনের পতন হলে তাদের পালে হাওয়া লাগে। ডিএসই ও মধুমিতা ভবন থেকে নেমে আসেন অনেক বিনিয়োগকারী। সবাই একাত্মতা ঘোষণা করেন দোয়া অনুষ্ঠান কর্মসূচীতে।
দোয়া অনুষ্ঠানে তারা পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করেন। সদ্য কারামুক্ত বিনিয়োগকারীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তাঁদেরই একজন আব্দুর রাজ্জাক, সাংবাদিকদের সামনে পুলিশী হয়রানির বর্ণনা করেন।
'বাংলাদেশ ৰুদ্র বিনিয়োগকারী ঐক্যপরিষদের আয়োজনে এ দোয়া অনুষ্ঠান দুপুর আড়াইটায় শুরম্ন হয়। অনুষ্ঠানের শুরম্নতে কোরান থেকে তেলাওয়াত করেন বিনিয়োগকারী নজরম্নল ইসলাম। এরপর মিলাদ অনুষ্ঠানের আগে পরিষদ নেতৃবৃন্দ পুঁজিবাজারের সার্বিক অবস্থার ওপর বক্তৃতা রাখেন। নেতৃবৃন্দের মধ্যে পরিষদের সভাপতি এ কে এম মিজানুর রশীদ চৌধুরী, সহসভাপতি সেলিম চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রজ্জাক ও যুগ্ম সচিব ফয়সাল পুঁজিবাজারের বেহাল দশার অবস্থার কথা বলেন। পরে পাশর্্ববতী মসজিদের ইমামকে এনে দোয়া আনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন তাঁরা। দোয়া শেষে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে পুঁজিবাজার স্বাভাবিক না হলে আগামী বুধবার খতমে ইউনুস পাঠ করব। তিনি বলেন, স্রষ্টা ছাড়া অন্য কেউ আমাদের অবস্থার উত্তোরণ করতে পারবে না। তাই, শানত্মিপূর্ণ কর্মসূচীর মাধ্যমে আমরা এই প্রতিবাদ কর্মসূচী চালিয়ে যাব।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/02/2011 12:03 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
শেয়ারবাজারে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুস্পষ্ট উদ্যোগ জরুরী
সিএসইর প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে সালাহউদ্দীন আহমেদ খান



অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক সালাহউদ্দীন আহমেদ খান বলেছেন, বর্তমান অস্থির শেয়ারবাজারকে স্থিতিশীল করার স্বার্থে সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইতিবাচক এবং সুস্পষ্ট উদ্যোগ একান্ত জরম্নরী। শেয়ারবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের কারণে এখনও বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হচ্ছে না। গত সোমবার চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) ১২তম সমন্বিত প্রশিৰণ কর্মসূচীতে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক সালাহউদ্দীন খান আরও বলেন, শেয়ারবাজারের সামপ্রতিক উর্ধগতি ও অবনমন উভয়ই বাজার নিয়ন্ত্রকদের সমন্বয়হীনতা, বিনিয়োগকারীদের অধিক লাভের আকাঙ্ৰা এবং সর্বোপরি ভাল মৌলভিত্তির শেয়ার সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের ভুল সিদ্ধানত্মের ফল। শেয়ারবাজারে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ সুবিধা না থাকায় বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগ সিদ্ধানত্ম গ্রহণে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

সালভো কেমিক্যালের আইপিও লটারি আজ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আবেদন-কারীদের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য সালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) লটারি আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। লটারির ফলাফল ডিএসই, সিএসই ও কোম্পানির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
সালভো কেমিক্যাল ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ২ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে কোন প্রিমিয়াম ছাড়াই পুঁজিবাজার থেকে ২৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতি ৫০০টি শেয়ারে এক মার্কেট লট হিসাবে সর্বমোট ৫২ হাজার আবেদনকারী এই কোম্পানির শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। আইপিওতে ২৬ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে ১ হাজার ৯৫ কোটি ৯ লাখ ১০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে_ যা নির্ধারিত শেয়ারের ৪২.১২ গুণ।
সালভো কেমিক্যালের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ১৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষ মূলধনের পরিমাণ ৪০ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী ৯১ পয়সা। তবে আইপিও প্রক্রিয়া শেষে ইপিএস দাঁড়াবে ৮০ পয়সায়। শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির ঋণ পরিশোধ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের কাজে ব্যয় করা হবে।

মিউচ্যুয়াল ফান্ডের পেস্নসমেন্ট বরাদ্দের সর্বোচ্চ সীমা বৃদ্ধি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মিউচু্যয়াল ফান্ডের পেস্নসমেন্ট বরাদ্দের ৰেত্রে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পেস্নসমেন্ট বরাদ্দের ৰেত্রে সর্বোচ্চ সীমা তুলে দেয়া হয়েছে। এর ফলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা মিউচু্যয়াল ফান্ডের যত খুশি ইউনিট বরাদ্দ নিতে পারবে। গত মঙ্গলবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) সভায় মিউচু্যয়াল ফান্ড বিধিমালার এ সংক্রানত্ম ধারা সংশোধন করা হয়।
পেস্নসমেন্ট বরাদ্দের সীমা বৃদ্ধি মিউচু্যয়াল ফান্ড খাতের বর্তমান সঙ্কট কাটাতে সহায়ক হবে বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করেন।
সূত্র জানায়, মিউচু্যয়াল ফান্ড খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের কারণে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। এ অবস্থায় এ খাতের সঙ্কট কাটাতে এসইসির পৰ থেকে পদৰেপ নেয়া প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করেন। এ কারণেই মিউচু্যয়াল ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে গঠিত সংগঠন এএএমসির পৰ থেকে গত নবেম্বর মাসে এসইসি চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি দেয়া হয়। এতে মিউচু্যয়াল ফান্ড খাতের সমস্যা তুলে ধরে তা দূর করতে ৬ দফা প্রসত্মাব পেশ করা হয়। চিঠিতে বলা হয়, বিনিয়োগকারীদের নেতিবাচক মনোভাবের কারণে কোন কোন ফান্ডের স্পন্সর প্রতিষ্ঠান আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীরা মিউচু্যয়াল ফান্ডের পেস্নসমেন্টে অংশ নিতে অনাগ্রহী হয়ে উঠেছে। ফলে প্রসত্মাবিত অনেক মিউচু্যয়াল ফান্ড সঙ্কটের মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে এসইসির অনুমোদন পাওয়া ফান্ডগুলোর পৰেও যথাসময়ে পেস্নসমেন্ট শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। একইভাবে আইপিওতে নির্ধারিত ইউনিটের চেয়ে কম আবেদন জমা পড়ার (আন্ডার সাবস্ক্রাইবড) আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর কিছুদিন এভাবে চললে স্পন্সর ও বিনিয়োগকারীরা মিউচু্যয়াল ফান্ডের দিক থেকে সম্পূর্ণভাবে মুখ ফিরিয়ে নেবে এবং কয়েক বছরের মধ্যে এ খাতটি ধ্বংস হয়ে যাবে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে মিউচু্যয়াল ফান্ডের ৰেত্রে ইতোমধ্যেই বেশকিছু নিয়ম-কানুন শিথিল করেছে এসইসি। শেয়ারবাজারে মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট কেনার জন্য মার্জিন ঋণের শর্ত তুলে দেয়া হয়েছে। মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য বুকবিল্ডিং পদ্ধতির দর প্রসত্মাবের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। পাশাপাশি গত ডিসেম্বরে মিউচু্যয়াল ফান্ডের পেস্নসমেন্ট বরাদ্দের সীমা শিথিল করার নীতিগত সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়। বিধিমালা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করে গত মঙ্গলবার এ সংক্রানত্ম সিদ্ধানত্ম চূড়ানত্মভাবে অনুমোদন করা হয়।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/02/2011 12:05 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
'শেয়ার কেলেংকারিতে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না'

ইত্তেফাক রিপোর্ট

গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে শেয়ারবাজারের কেলেঙ্কারি ও বিপর্যয়ের সাথে জড়িতদের কোনোভাবে ছাড় দেয়া হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎকালে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, 'আমি বুঝি না, কেন মানুষ মানুষের অভিশাপ নেয়।' আর হত দরিদ্রদের অর্থ আত্মসাৎ করে কি লাভ পায়।' বৈঠকে উপস্থিত ব্যাংক মালিকরাও এ বিষয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানান। এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন তারা।

উলেস্নখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে শেয়ারবাজারে কেলেঙ্কারি ঘটনা তদন্তের জন্য কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/02/2011 1:57 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/27/2011
Topics: 13
Posts: 75
OFFLINE

BREAKING NEWS : BREAKING NEWS
পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দেয়া হয়েছে। বুধবার এ চিঠি প্রদান করা হয়। চিঠিতে বলা হয়, যে কোনভাবেই হোক পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতে হবে।
Top News : http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&dd=2011-03-03&ni=50955
Quote   
03/02/2011 1:59 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/27/2011
Topics: 13
Posts: 75
OFFLINE
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ সীমা শিথিল ও ঋণ সুদের হার উন্মুক্ত হবে
ব্যাংকারদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, অর্থমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ সীমা শিথিল ও ঋণ সুদের হার উন্মুক্ত হবে
ব্যাংকারদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, অর্থমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ


অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজারের বিদ্যমান সঙ্কট দূর করে অর্থনীতির গতিশীলতা বাড়াতে বিধিবদ্ধ জমার হার (এসএলআর) এবং নগদ জমা সংরৰণের (সিআরআর) হার হ্রাস, শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা শিথিল এবং ব্যাংক ঋণের সুদের হার উন্মুক্ত করার বিষয়ে ইতিবাচক পদৰেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে এ আশ্বাস দেন। অর্থনীতির ৰেত্রে গুরম্নত্ব বিবেচনা করে এসব বিষয়ে দ্রম্নত পদৰেপ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তাৎৰণিকভাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজারের সমস্যা সমাধানে বিএবির পৰ থেকে ১৪ দফা প্রসত্মাব পেশ করা হয়। বিএবি নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, এসএলআর ও সিআরআর হার বৃদ্ধির কারণে দেশের অধিকাংশ ব্যাংক আর্থিক সঙ্কটে ভুগছে। এর ফলে বিনিয়োগের ৰেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বাজারে তারল্য প্রবাহ বাড়িয়ে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য এলআরআর ও সিআরআর হার কমানো প্রয়োজন। তারা এই হার বর্তমানের তুলনায় ১ শতাংশ হ্রাস করার প্রসত্মাব করেন।
বিএবি নেতারা আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে ব্যাংক ঋণের সর্বোচ্চ হার ১৩ শতাংশে নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে আমানতের সুদের হার ১২ শতাংশ নির্ধারিত রয়েছে। ঋণ ও আমানতের সুদের হারে মাত্র এক শতাংশ ব্যবধান বহাল থাকলে কোন ব্যাংকের পৰেই মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হবে না। এ কারণে তারা ঋণের সুদের হারের সর্বোচ্চ সীমা তুলে দেয়ার প্রসত্মাব করেন।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির প্রসত্মাব করে তাঁরা বলেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ হিসাবের ৰেত্রে বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রয় মূল্যের পরিবর্তে বাজার মূল্য বিবেচনা করছে। কিন্তু ব্যাংকের বিনিয়োগের ঝুঁকি মূলত ক্রয় মূল্যের ওপর নির্ভর করে। বর্তমান হিসাব পদ্ধতি পরির্বতন করে ক্রয় মূল্যের ভিত্তিতে বিনিয়োগের পরিমাণ হিসাব করা হলে কোন রকম ঝুঁকি না বাড়িয়েই ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে তাদের বিনিয়োগ বাড়াতে পারবে। তারা একইসঙ্গে পুঁজিবাজারের সঙ্কট উত্তরণে ব্যাংকের বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা সাময়িকভাবে মোট দায়ের ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার প্রসত্মাব করেন। পাশাপাশি মার্চেন্ট ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা মূলধনের ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রসত্মাব করা হয়। এছাড়া এক খাতের জন্য ঋণ নিয়ে অন্য খাতে বিনিয়োগ করা অর্থ সমন্বয়ের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যনত্ম বৃদ্ধিরও প্রসত্মাব করেন তাঁরা।
বিএবি নেতারা বলেন, বর্তমানে সাধারণ ব্যাংকগুলো তাদের আমানতের ৮১ শতাংশ এবং ইসলামী ব্যাংকগুলো ৯০ শতাংশ পর্যনত্ম বিনিয়োগ করতে পারে। অর্থনীতিতে আরও বেশি ভূমিকা রাখার জন্য সাধারণ ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগসীমা ৯০ শতাংশ এবং ইসলামী ব্যাংকের ৰেত্রে ৯৫ শতাংশ করার প্রসত্মাব করা হয়। এছাড়া বিএবির অন্যান্য প্রসত্মাবের মধ্যে রয়েছে_ ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের হার মূলধনের ৯ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে বৃদ্ধির সময়সীমা এ বছরের শেষ পর্যনত্ম বৃদ্ধি, রাষ্ট্রীয় আমানতের অর্থ ৫০ শতাংশ বেসরকারী ব্যাংকে সংরৰণ, রেপোর মাধ্যমে অর্থ প্রদানের হার ১০০ শতাংশ নির্ধারণ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদান।
বিএবির দাবির প্রেৰিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রম্নততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অর্থমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন। এ সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানান, শীঘ্রই ব্যাংকারদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণ করা হবে।
বৈঠকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো খাদ্যশস্য আমদানির জন্য ঋণের বিদ্যমান সুদের হার ১৩-১৪ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ১২ শতাংশ করতে সম্মতি প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সুদের হার কমানোর পরামর্শ দিলে ব্যাংকের চেয়ারম্যানরা তাৎক্ষণিকভাবে এ পরামর্শ গ্রহণ করে ১২ শতাংশ সুদের হার নির্ধারণে সম্মত হন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কেউ যেন খাদ্য সঙ্কটের কবলে না পড়ে এ জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদের ওপর গুরম্নত্বারোপ করেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এমএ করিম, এফবিসিসিআই সভাপতি একে আজাদ, বিএবি সভাপতি নজরম্নল ইসলাম মজুমদার আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
Quote   
03/02/2011 2:04 pm

Moderator
Forum Addict


Regist.: 01/27/2011
Topics: 13
Posts: 75
OFFLINE
পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে চিঠি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দেয়া হয়েছে। বুধবার এ চিঠি প্রদান করা হয়। চিঠিতে বলা হয়, যে কোনভাবেই হোক পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতে হবে। আর এ জন্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংকিং বিভাগ, সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি), মার্চেন্ট ব্যাংকসহ সংশিস্নষ্ট সকল স্টেক হোল্ডারদের মধ্যে সমন্বয় করেই সিদ্ধানত্ম নিতে হবে। এসব স্টেক হোল্ডারদের কোন একটির একক সিদ্ধানত্ম পুঁজিবাজারের জন্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিঠিতে আরও উলেস্নখ করা হয়, সম্প্রতি পুঁজিবাজার নিয়ে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। এদের খুঁজে বের করে দৃষ্টানত্মমূলক শাসত্মি দেয়া হবে। পাশাপাশি শেয়ারবাজার বিষয়ে কোন সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করা হলে তা পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িত সংশিস্নষ্ট সকল ষ্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সকলের সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতেই নিতে হবে। এ ৰেত্রে সকলের গ্রহণযোগ্য সিদ্ধানত্মই কার্যকর করতে হবে।

সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি পুঁজিবাজার নিয়ে এসইসি বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন মনত্মব্য করেছে। এগুলোর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হলো- ফেসভ্যালু পরিবর্তন আনা। যা সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের আয় বৃদ্ধির সঙ্গে মোটেই সামঞ্জস্য ছিল না। ফেসভ্যালুর অনুমোদন নিয়ন্ত্রণ সংস্থার হাতে রেখে শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধির পরিবেশ সৃষ্টি করা। কোন শেয়ারের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধির একটি সাধারণ সীমা নির্ধারণ না করে কোন একটি কোম্পানির শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করা হয়েছে। আবার কোন একটি কোম্পানির শেয়ারের ট্রেড বন্ধ করে দেয়া হয়। এ ছাড়া নিয়ন্ত্রণ সংস্থার বাজারের ওপর খুব ঘন ঘন হসত্মৰেপ করা। এতেই মূলত সূচক বেড়েছে, তবে বাজারে নেতিবাচাক প্রভাব পড়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে-এর ব্যাপক প্রভাব পড়ে। আর এ সুযোগ নিয়েছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী বিনিয়োগকারী। তারা এ সুযোগে বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বের হয়ে গেছেন। এতে বাজারে তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

এখন থেকে পুঁজিবাজার নিয়ে কোন সিদ্ধানত্ম বা মনত্মব্য করতে হলে অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, এসইসি এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সংশিস্নষ্ট সকল প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেই করতে হবে। কোনভাবেই কোন প্রতিষ্ঠানের একক সিদ্ধানত্ম পুঁজিবাজারের জন্যে কার্যকর হবে না বলেও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে লিখিতভাবে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানানো হয়েছে।  

চিঠিতে বলা হয়, যে কোনভাবেই হোক পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতে হবে।
Quote   
03/02/2011 2:32 pm

Senior Member


Regist.: 01/26/2011
Topics: 0
Posts: 29
OFFLINE
FE Report

The Ministry of Finance (MoF) Wednesday formed an eight-member implementation committee to oversee the activities of the capital market and help implement the decisions of the government to this effect.

The move came as part of the fresh government measures to check manipulation in the country's two stock exchanges and help stabilise the capital market, following the recent crash in share prices, said a top official in the MoF.

The prime objective of the committee will be to monitor and review implementation of the decisions taken at the meetings of the Advisory Committee on Capital Market, the official added.

The committee includes representatives from the central bank, Investment Corporation of Bangladesh (ICB), Securities and Exchange Commission (SEC), Insurance Development and Regulatory Authority, Association of Bankers, Registrar of Joint Stock Companies and Firms, and Merchant Bankers' Association.

A deputy secretary of Banking and Financial Institution Division under the MoF has been made the convener of the committee, according to an office order issued by the ministry.

The implementation committee, which will hold its meeting every month, will report to the finance minister on the overall development and implementation status of the decisions, the order added.

"The committee has been formed, as both the Bangladesh Bank (BB) and the SEC have endorsed its formation," a top MoF official said.

"The committee will monitor the liquidity crisis that is affecting the capital market, and also help execute the decisions of the advisory committee on the capital market," he added.

SEC Chairman Ziaul Haque Khondker is the chief of the Advisory Committee on Capital Market. However, many decisions, taken by the committee, have not been implemented properly or timely, affecting the overall scenario of the bourses and allowing speculators to manipulate the system, a high official said.

The central bank came up with the idea of setting up the committee to review the market, amid persistent volatility in trading, the official said, adding that the ministry has taken the move in line with the BB's suggestion.

  
Quote   
03/02/2011 2:34 pm

Senior Member


Regist.: 01/26/2011
Topics: 0
Posts: 29
OFFLINE
FE Report

All subsidiaries of merchant banks or bank brokerage firms, as per new SEC provision, must be fully owned by their parent companies with a view to protecting the interest of shareholders, sources said.

Under this provision, the Securities and Exchange Commission (SEC) this week will approve the proposals of the firms, which are yet to be subsidiaries.

Earlier, the owners of parent companies used to hold 51 per cent of the paid-up capital of their merchant banks.

The SEC will approve the merchant banks and brokerage firms by keeping the ownership of subsidiary firms in the hand of the parent companies.

According to new rules, an individual director will be allowed to own only the qualifying volume of shares, which might be one or two in number.

The firms, which have already become subsidiaries, will have to transfer the shares to their parent companies, to comply with the decision of the SEC.

In March, 2010, the SEC ordered two firms to transfer 51 per cent of their shares to their parent companies.

On October 23, 2010, the SEC asked the merchant banks and bank brokerage firms not to operate margin loan-related activities if they fail to turn the firms into subsidiaries by November 30. But a maximum number of parent companies failed to separate the firms as subsidiaries.
Quote   
03/02/2011 2:36 pm

Senior Member


Regist.: 01/26/2011
Topics: 0
Posts: 29
OFFLINE
"One year time should be given to those who have invested more than 10% of their liability to the share market", it further suggested.

Noting that merchant banks are currently allowed to invest up to five times of their paid-up capital in the stock market, it pleaded for extension of this limit up to ten times.


-----------------Financial Express
Quote   
03/02/2011 8:17 pm

Senior Member


Regist.: 01/22/2011
Topics: 0
Posts: 31
OFFLINE
Here are the jokes :

Joke 1 : If you have a look at a margin account,you would see that the broker house actually has not increased any loan ratio. Just have a look and ask yourself "why"!!!

Joke 2 : All of the proposals above are just proposals(most of them are verbal or written request!!!). They have no value other than public display. So many things are said in our country. How many of them are really implemented? There is one term for such a situation : EYEWASH.

Joke 3 : We may see one or two days rise again. Fun part is,we will still lose. Why? Because in the long run,we need liquidity,which is still missing!!
Quote   
03/03/2011 7:36 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
উত্থান-পতনের পর দিন শেষে সূচক বেড়েছে, কমেছে লেনদেন

ঢাকা, ৩ মার্চ, (শীর্ষ নিউজ ডটকম)


ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার উত্থান-পতন মধ্য দিয়ে কেটেছে। দিন শেষে ১৩৬ পয়েন্ট বেড়ে ডিএসই'র সাধারণ সূচক ৫৪২৮ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। সূচক বাড়লেও গতকালের তুলনায় কমেছে লেনদেন। লেনদেন হয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির ৫০৩ কোটি টাকার শেয়ার। যা আগের দিনের চেয়ে ৮৮ কোটি টাকা কম। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ করাসহ কিছু ভালো খবরের কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও সক্রিয় অবস্থানে থাকার কারণে বাজারে উত্থান-পতন লক্ষ করা গেছে বলে মনে করেন পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞরা।
এর আগে লেনদেন শুরুর ৫ মিনিটে সূচক ৫১ পয়েন্ট বাড়লেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ক্রেতা শূন্যতায় বেলা সোয়া ১১টার দিকে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যায়। এ সময় ডিএসই'র সাধারণ সূচক আবার ১০৯ পয়েন্ট কমে ৫১৮২ পয়েন্টে নেমে আসে। তখন লেনদেনকৃত ১৯৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মধ্যে দর বৃদ্ধি পেয়েছিল মাত্র ১৭টির, কমেছিল ১৭২টির এবং অপরিবর্তিত অবস্থায় ছিলো ৮টি কোম্পানির শেয়ার। পরে সূচক আবারো বাড়ে। এভাবে দিনভর সূচকের উঠা-নামা অব্যাহত থাকে।
আজকের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইতে মোট হাতবদল হয়েছে ২৫৩টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। ব্যাংক, করপোরেট ব্যাংক, সিমেন্ট, সিরামিকস, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইটি ও টেলিকম সেক্টরের প্রায় প্রতিটি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া ইনস্যুরেন্স ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে কিছুটা মিশ্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। এরমধ্যে দর বেড়েছে ২০৫টির, কমেছে ৪৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/এমএইচ/১৫.২০ঘ.)
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/03/2011 10:52 am

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
Banks under stress
BAB concerned over problems



FE Report

The private commercial banks (PCBs) are facing tough times to mobilise deposits for maintaining their liquidity in line with the statutory requirements of the central bank, according to some close observers of the situation in the country's financial sector.

Furthermore, the banks are in difficulties in meeting their obligations for settlement of import letters of credits (LCs) and also for providing credits to their clients, in keeping with their earlier commitments, due to a heavy pressure on their currently available funds.

Some PCBs are offering deposit rate at even over 13 per cent, particularly for term deposits, though the central bank has earlier instructed them verbally not to accept any deposit above 12 per cent rate of interest.

The Bangladesh Bank (BB) can not enforce compliance by all the PCBs with its "instruction" about deposit rate, the sources said.

Meanwhile, the lending rate capping at 13 per cent for key credit operations has put the banks in a tight position.

In a situation where term deposit rate is on the rise, this reflects a critical situation in the country's banking sector whose implications can be "more damaging" than that of the capital market, in the coming months, if immediate measures are not taken to address the emerging problems effectively, said some insiders in the sector.

Without a reasonable spread between deposit and lending rates, the operational viability of banks will be in a jeopardy, the sources said.

The real problems, if the current situation is not properly addressed, will adversely impact the overall economy.

The economy will face some more critical constraints because of an unabated the inflationary pressure, the unrest in the Arab World where a majority of the overseas workforce of Bangladesh are concentrated and whereform a large chunk of remittance funds come, and the soaring petroleum prices in the international market in a situation when the global commodity markets are also heated up, the analysts observed.

Meanwhile, Bangladesh Association of Bankers (BAB) on Wednesday drew the attention of Prime Minister Sheikh Hasina, when its members met her at her office, to the problems prevailing in the country's financial sector.

The BAB made strong pleas for taking steps to remove the cap on lending rate of the banks, because now the latter are mobilising deposits at a higher rate as a result of which their cost of fund has increased and the spread has reduced.

This situation "has an ultimate negative impact on banks' profitability. Small or no profit will generate low or no tax for the government", it said while noting that private banks has been contributing about 10% of the national tax revenues.

The BAB suggested credit-deposit ratio should be re fixed at 90% for conventional banks and at 95% for Islamic banks.

It noted that the prices of commodities like food items, cotton etc., have increased in the global market as a result of which banks can not maintain the existing credit deposit ratio (CDR) limit.

The BAB also called for reduction of cash reserve requirement (CRR) and statutory liquidity ratio (SLR) by 1.0% for giving liquidity support to the financial institutions.

"Now financial institutions in Bangladesh are facing a severe liquidity crisis. At present, import of food grains is hampered as banks are unable to open L/Cs due to liquidity crisis", it noted.

It further stated that BASEL 11 would require more capital for banks to maintain capital adequacy ratio.

Mentioning that all scheduled banks will, under a circular issued by the BB on March 10, 2010, have to maintain regulatory capital adequacy ratio (CAR) at 9.0% up to June 30, 2011, BAB suggested that the deadline should be extended to December 31, 2011 and from January 01, 2012, the CAR may be set at 10%.

The association also felt that REPO should be 100% or as the same as earlier and the banks should be allowed to recover the credit funds that were diverted from areas for which those were sanctioned, to the capital market by December 31, 2011.

While pointing out that under the BB guidelines, banks' holding position in shares is currently considered on the market price basis, the BAB called for considering this 'position' on the cost/purchase price.

"One year time should be given to those who have invested more than 10% of their liability to the share market", it further suggested.

Noting that merchant banks are currently allowed to invest up to five times of their paid-up capital in the stock market, it pleaded for extension of this limit up to ten times.

The emphasis should be placed on lending operations by the banks in the productive sectors and lending in un productive sectors must be stopped, it observed.

Furthermore, the BAB suggested that corporate tax rate should be revised and the tax on provision for unclassified, classified loans and advances and off-balance sheet exposures should exempted.

While pointing out that the, while keeping a reserve of more than US$10 billion, the BB has been asking the commercial banks to purchase dollar from outside for settlement of their L/C payments, the association observed that the central bank, under this situation, could provide dollar to the private banks to keep the foreign exchange market stable.

It made pleas for removing the bar on placement of government deposit and suggested that the ratio should be at 50:50 between the state-owned banks and the private banks.

Income, in the form of capital gains, from investments in shares which is subject to 10% tax should be fully removed, it observed.

The BAB also suggested that its participation should be ensured by the central bank in the latter's policy-making process.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/03/2011 12:43 pm

NEWBIE


Regist.: 02/15/2011
Topics: 0
Posts: 4
OFFLINE
Bhai Amar Makson 57 & Saiham 125  kore buy kora. ai muhurte sell target koto? Boro loss ar modde asi. ki kora uchit
Quote   
03/03/2011 11:55 pm

Senior Member


Regist.: 01/22/2011
Topics: 0
Posts: 31
OFFLINE

Originally Posted by Farjana Akter Tania:
Bhai Amar Makson 57 & Saiham 125  kore buy kora. ai muhurte sell target koto? Boro loss ar modde asi. ki kora uchit



You got no other choice now but to hold them. Makson has a chance to recover. Not sure about shaihamtex........
Quote   
Page 1 / 2 1 - 2 Next »
Login with Facebook to post
Preview