| 03/01/2011 12:32 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজার উর্ধমুখী তহবিল গঠনের ঘোষণায়
অধিকাংশ শেয়ারের ব্যাপক দর বৃদ্ধি, সূচক বেড়েছে ৩৯৮ পয়েন্ট
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত তহবিল গঠনের ঘোষণায় টানা পতনের ধারা থেকে বেরিয়ে এসেছে পুঁজিবাজার। বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরকারের নানামুখী উদ্যোগের ফলে বাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হওয়ায় মঙ্গলবার সূচকের ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ২৫৩টি কোম্পানির মধ্যে শেষ দিকে এসে প্রায় ২০০টির কোন বিক্রেতা ছিল না। এর বিপরীতে কেনার চাপ প্রবল থাকায় প্রায় ৮০ শতাংশ শেয়ারের দর সর্বোচ্চ সীমা (সার্কিট ব্রেকার) পর্যনত্ম বেড়েছে। সাধারণ সূচক একদিনে বেড়েছে ৩৯৮ দশমিক ৪১ পয়েন্ট।
বাজার বিশেস্নষকরা মনে করেন, সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসতে শুরম্ন করেছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে বাজার শীঘ্রই স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তারা ভীতির কারণে শেয়ার বিক্রি এবং উৎসাহিত হয়ে অতি মূল্যায়িত শেয়ার কেনা থেকে বিরত থাকতে বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে পুঁজিবাজার সম্পর্কে নেতিবাচক কোন মনত্মব্য না করতে সরকারের নীতি-নির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তাঁরা বলেন, স্বাভাবিক অবস্থায়ই পুঁজিবাজার একটি অত্যনত্ম সংবেদনশীল জায়গা। সরকারের উর্ধতন পর্যায় থেকে ইতিবাচক মনত্মব্যের ফলে যেমন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়। তেমনি নেতিবাচক বক্তব্যে বাজারের ওপর তাঁদের আস্থা নষ্ট হয়। এই মুহূর্তে অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখাও অত্যনত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ।
পরিস্থিতি সম্পর্কে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস অব বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ইওয়ার সাঈদ বলেন, সূচক বাড়ার সঙ্গে বাজারে লেনদেন কমে যাওয়ার প্রবণতা কিছুটা অস্বাভাবিক। বাছবিচার ছাড়াই একসঙ্গে সব শেয়ারের দরবৃদ্ধিকেও মোটেই স্বাভাবিক বলা যায় না। দরবৃদ্ধির এই ধারা কতদিন থাকে_ সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারে সক্রিয় হয়ে ওঠার কারণেই পুঁজিবাজারে ঊর্ধমুখী প্রবণতা শুরম্ন হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, আইসিবি ও সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের সমন্বয়ে বড় আকারের তহবিল গঠনের ঘোষণায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এর প্রভাবে মঙ্গলবার লেনদেনের শুরম্ন থেকেই বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে শুরম্ন করে। তবে সূচক বাড়লেও বিনিয়োগকারীরা পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত হতে পারছেন না। তাঁরা বলছেন, এর আগে সরকারের বিভিন্ন ঘোষণায় বাজার ঘুরে দাঁড়ালেও তা দু'একদিনের বেশি স্থায়ী হয়নি। এবারও পরিস্থিতি সে রকম হয় কিনা_ সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। তাঁরা স্বল্প সময়ের মধ্যে ঘোষিত তহবিল গঠন করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ শুরম্নর আহ্বান জানান।
জানা গেছে, পুঁজিবাজারে টানা দরপতন অব্যাহত থাকায় গত রবিবার থেকেই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো উলেস্নখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার কেনা শুরম্ন করে। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কটের কারণে আগের দু'দিন বাজারে এর তেমন প্রভাব পড়েনি। ওই অবস্থায় ৭টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত তহবিল গঠনের ঘোষণা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আশাবাদ তৈরি করেছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংক এসএলআর ও সিআরআর হার হ্রাস করছে_ এ ধরনের গুজবেও অনেক বিনিয়োগকারী বাজার সম্পর্কে ইতিবাচক প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এসব কারণে তাঁরা লোকসানে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে শুরম্ন করেছেন। ফলে বাজারে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতার সংখ্যা ছিল একেবারেই নগণ্য। এতে দিনের শুরম্নতেই অধিকাংশ শেয়ারের দর ব্যাপকহারে বেড়ে যায়।
জানা গেছে, বাজারে শেয়ারের চাহিদা ব্যাপক মাত্রায় বাড়লেও বাজার স্থিতিশীল হওয়ার আশায় কেউই লোকসানে শেয়ার বিক্রি করতে আগ্রহী ছিল না। কারণ আগের প্রায় এক মাস ধরে বড় দরপতনের কারণে প্রায় সব শেয়ারই বিনিয়োগকারীদের কেনা দরের নিচে অবস্থান করছে। মূলত এ কারণেই মঙ্গলবার অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার বিক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে।
ডিএসইতে সারা দিনে লেনদেন হওয়া ২৫৩টি কোম্পানি ও মিউচু্যয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৪৬টিরই দর বেড়েছে। এর বিপরীতে কমেছে মাত্র ৬টির দর। ডিএসই সাধারণ সূচক একদিনে ৩৯৮.৪১ পয়েন্ট বেড়ে গেছে। তবে বিক্রেতা না থাকায় লেনদেনের পরিমাণ খুব বেশি বাড়তে পারেনি। সারাদিনে ৪৩১ কোটি ৭১ লাখ ৫ হাজার ৯৯৭ টাকার শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যা আগের দিনের চেয়ে ৫৭ কোটি ৭০ লাখ ৮৪ হাজার টাকা কম। সারা দিনে ডিএসইতে মোট ৪ কোটি ৩১ লাখ ৪ হাজার ৫৬২টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, আড়াই মাস ধরে দেশের পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক মন্দা চলছে। মাঝে দু'একবার বাজার উর্ধমুখী হলেও ক্রেতা না থাকায় সেই গতি ধরে রাখা যায়নি। ফলে আড়াই মাসে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক পড়েছে ৩২৪৮ পয়েন্ট। এরমধ্যে সর্বশেষ ৫ কার্যদিবসে সূচক পড়েছে ১১৮৬ পয়েন্টে। বাজার মূলধনের হিসাবে গত দু'মাসে তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানির শেয়ারের দর গড়ে ৩৫ শতাংশ কমেছে। এরমধ্যে কোন কোন কোম্পানির শেয়ারের দর ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যনত্ম কমার উদাহরণও রয়েছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের একটি বড় অংশই শেয়ারবাজার থেকে অর্জিত মুনাফার টাকা লোকসান দেয়ার পর মূলধনের একাংশ হারিয়েছেন। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/01/2011 12:34 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এসইসির পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক
কমিশন সভায় বিধিমালা সংযোজনের প্রস্তাব অনুমোদন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের নিয়োগ ও অপসারণের ৰেত্রে সিকিউরিটিজ ও এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পূর্বানুমতি গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এখন থেকে কমিশনের অনুমোদন ছাড়া কোন মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বা ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ প্রদান বা এই পদ থেকে কাউকে অপসারণ বা বরখাস্ত করা যাবে না। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এসইসির সভায় ১৯৯৬ সালের সিকিউরিটিজ ও এঙ্চেঞ্জ কমিশন (মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার) বিধিমালায় এ সংক্রান্ত ধারা সংযোজনের প্রসত্মাব অনুমোদন করা হয়। কমিশনের মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসইসির কাছ থেকে নিবন্ধন গ্রহণ করে পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপক, ইসু্য ব্যবস্থাপক ও অবলেখক (আন্ডার রাইটার) হিসেবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে গুরম্নত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের মাধ্যমে এসব দায়িত্ব পালিত হয়। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো এসইসির কাছে দায়বদ্ধ হলেও প্রধান নির্বাহীরা সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হন। তাদের নিয়োগ ও অপসারণের বিষয়টিও পরিচালকদের ওপর নির্ভর করে। পরিচালনা পর্ষদ ইচ্ছা করলে তুলনামূলক কম যোগ্য, এমনকি বিতর্কিত কোন ব্যক্তিকেও প্রধান নির্বাহী হিসেবে নিয়োগ দিতে পারে। আবার মতের অমিল হলে যে কোন সময় তাকে অপসারণ করতে পারে। এ ধরনের একক নিয়ন্ত্রণ পুঁজিবাজারে মার্চেন্ট ব্যাংকের কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের নিয়োগ ও অপসারণের ৰেত্রে পরিচালনা পর্ষদের একক ৰমতা হ্রাস করে এসইসির অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বর্তমানে যে কোন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী নিয়োগ বা অপসারণের ৰেত্রে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হয়। এই দৃষ্টানত্ম অনুসরণ করেই মার্চেন্ট ব্যাংকের ৰেত্রে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হলো।
উলেস্নখ্য, ২০০৯ সালের ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক কোম্পানি গঠন বাধ্যতামূলক করা হয়। যেসব ব্যাংক আগে থেকেই আলাদা বিভাগের মাধ্যমে মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে_ সেসব ব্যাংককে ২০১০ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে আলাদা কোম্পানি গঠনের জন্য সময় বেঁধে দেয়া হয়। তবে ওই সময়ের মধ্যে কোন প্রতিষ্ঠানই তাদের মার্চেন্ট ব্যাংক পৃথক করতে না পারায় প্রথমে ৩০ মার্চ এবং পরে ৩০ জুন পর্যনত্ম সময় বাড়ানো হয়। তবে ওই সময়ের মধ্যেও অধিকাংশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসকে আলাদা কোম্পানি করতে পারেনি। এ কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে পৃথক কোম্পানি করার সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যনত্ম বাড়ানো হয়। এরপরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পৃথক কোম্পানি করতে না পারায় আগামী ৩০ মার্চ পর্যনত্ম সময় বাড়ানো হয়েছে।
এতদিন ব্যাংকগুলোর মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম সার্বিকভাবে তদারকি করত বাংলাদেশ ব্যাংক। পৃথক কোম্পানি গঠনের পর এসব প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির তদারকিতে চলে আসে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন অনুমোদন পাওয়া ৬টিসহ দেশে বর্তমানে মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৭টি। ২০০৯ সালের ৩১ আগস্ট পুঁজিবাজারে মার্চেন্ট ব্যাংকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য এসইসিকে অনুমোদন দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। ওই সময়ে সর্বোচ্চ ৫০টি প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে মার্চেন্ট ব্যাংকের লাইসেন্স প্রদানের নির্দেশনা দেয়া হয়।
এসইসির মার্চেন্ট ব্যাংক নীতিমালার ১১নং ধারায় মার্চেন্ট ব্যাংকের জন্য ৩টি শর্ত উলেস্নখ রয়েছে। এগুলো হলো_ লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রত্যেক ইন্সু্য ম্যানেজারকে ১টি পাবলিক ইসু্য করাতে হবে, পোর্টফোলিও ম্যানেজারকে নিজের পোর্টফোলিও ছাড়া আরও ৫টি পোর্টফোলিও জমা দিতে হবে, মার্চেন্ট ব্যাংকারকে ১টি পাবলিক ইসু্য, ২টি আন্ডার রাইটার ও আরও ৫টি পোর্টফোলিও গঠন করতে হবে। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে এ তিনটি শর্তের মধ্যে পোর্টফোলিও ম্যানেজমেন্টসহ দু'টি অবশ্যই পালন করতে হবে।
এদিকে কমিশন সভার আলোচ্যসূচীতে থাকলেও এসটিএস হোল্ডিংস (এ্যাপোলো হাসপাতাল) ও রংপুর ডেইরি এ্যান্ড ফুড প্রডাক্টসের প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) আবেদন অনুমোদন করেনি এসইসি। পরবর্তী কোন সভায় আলোচনার পর এ দু'টি আইপিওর বিষয়ে সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে। পুঁজিবাজারে বিদ্যমান তারল্য সঙ্কটের কারণে আপাতত নতুন আইপিও অনুমোদন দিচ্ছে না এসইসি। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক থাকায় ইতোমধ্যেই বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়েছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/01/2011 12:36 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ডিএসই'র পরিচালক নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ৭
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক নির্বাচনে চারটি পদের বিপরীতে মোট ৭ জন প্রার্থী চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হচ্ছেন। গতকাল মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে ডিএসই'র সাবেক সভাপতি আব্দুল হক মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। আগামী ১৩ মার্চ এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার পর ডিএসই নির্বাচনে চূড়ানত্ম প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন_ বুলবুল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহুদুল হক বুলবুল, গেস্নাব সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুর রহমান, রশিদ ইনভেস্টমেন্ট সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ রশীদ লালী, মোনা ফাইন্যান্সিয়াল এ্যান্ড সিকিউরিটিজের আহসানুল ইসলাম টিটো, এম এ্যান্ড জেড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ, ফিনিঙ্ সিকিউরিটিজের এ কাদের চৌধুরী এবং ধানম-ি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান খান।
ডিএসই'র পরিচালনা পর্ষদের মোট সদস্য সংখ্যা ২৪। এরমধ্যে ১২ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। বাকি ১২ জন বিভিন্ন পর্যায় থেকে মনোনীত হবেন। পরে নির্বাচিত পরিচালকরা তাঁদের মধ্যে থেকে এক বছরের জন্য সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সহ-সভাপতি নির্বাচন করবেন। নতুন কমিটি ১৬ মার্চ সাধারণ সভার মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
এসআইবিএল ও সোনারগাঁও টেক্সটাইলের রাইট শেয়ার অনুমোদন
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে রাইট শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন পেয়েছে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং সোনারগাঁও টেঙ্টাইল লিমিটেড। গতকাল মঙ্গলবার সিকিউরিটিজ ও এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সভায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এই দু'টি প্রতিষ্ঠানের রাইট শেয়ারের প্রসত্মাব অনুমোদন করা হয়। কমিশন সভা শেষে এসইসি'র মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান ভুঁইয়া সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এসআইবিএল : ব্যাংকটি মোট ২৯ কোটি ৮৭ লাখ ৮১ হাজার ৫৭৫টি রাইট শেয়ার ছেড়ে ২৯৮ কোটি ৭৮ লাখ ১৫ হাজার ৭৫০ টাকা সংগ্রহ করবে। ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ১:১ হারে (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) রাইট শেয়ার পাবেন। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের রাইট শেয়ারের জন্য কোন অতিরিক্ত অর্থ (প্রিমিয়াম) দিতে হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাসেল-২ বাসত্মবায়নের জন্য পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক রাইট শেয়ার ছেড়ে অর্থ সংগ্রহ করছে।
সোনারগাঁও টেঙ্টাইল : পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে সোনারগাঁও টেঙ্টাইল মোট ১০ লাখ ৯১ হাজার ২০০টি রাইট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৬ কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে। শেয়ারহোল্ডাররা ১:১ (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) হারে রাইট শেয়ার পাবেন। এই কোম্পানির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের জন্য ৫০ টাকা অতিরিক্তসহ (প্রিমিয়াম) মোট ১৫০ টাকা গ্রহণ করা হবে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/01/2011 12:38 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনিয়োগকারীদের স্মারকলিপি পেশ স্থগিত
ডিএসই এলাকায় প্রতীকী ভিক্ষা কর্মসূচী পালন, আজ মিলাদ মাহফিল
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
পুঁজিবাজার সাময়িকভাবে চাঙ্গা হওয়াতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ করেনি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার লেনদেন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির দর বাড়া ও সূচকের উর্ধগতির জন্য আগের দিনের ঘোষণা প্রত্যাহার করে নেন বিনিয়োগকারীরা।
বিনিয়োগকারীরা জানান, তাঁরা সরকারের নেয়া পদক্ষেপের কার্যকারিতা দেখতে চান। এ সপ্তাহের মধ্যে পুঁজিবাজারে স্বাভাবিকতা ফিরে না আসলে তারা প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন।
তবে কে বা কারা প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ করবেন, এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মতানৈক্য। মূলত এজন্যই স্থগিত হয়েছে ওই সিদ্ধান্ত।
তবে, আজ বেলা ১১টায় ডিএসইর সামনের রাসত্মায় মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করবেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। কোন অবস্থাতেই পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা না ফেরাতে মহান আলস্নহর কৃপার উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানান তারা।
এদিকে ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের একটি দল গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সামনের এলাকায় ভিৰা কর্মসূচী পালন করেন। এ সময় তারা বলেন, আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি, আমাদের পরিবারের সদস্যদের খাবার নেই, দয়া করে আমাদের ২ টাকা ভিৰা দিন। দুপুর পৌনে ২টার দিকে প্রতীকী ভিৰুকদের ওই দলটি ডিএসই ভবনের মধ্যে ভিৰার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয় এবং তাদের ওই এলাকা থেকে সরিয়ে দেয়।
ভিৰুকদের একজন জনকণ্ঠকে বলেন, সত্যিই সত্যি আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমাদের পোর্টফোলিও দেখুন। ভিৰা ছাড়া অন্য কোন উপায় আমাদের সামনে খোলা নেই। তিনি আরও জানান, বাসায় ৫ বছরের শিশুর সামনে নেয়ার মতো কোন অর্থ তার কাছে নেই।
স্মারকলিপি পেশ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ভিৰুকদের ওই দলটি জানায়, সরকার তহবিল খুলছে। তাই বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার অপেৰা করছি। এখানে ব্যর্থ হলে প্রয়োজনে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে আত্মাহুতি দেব। তাদের ধারণা, প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উচিত বিনিয়োগকারীদের ডেকে তাদের কথা শোনা।
মূলত ডিএসইতে বিনিয়োগকারীদের ডজনখানেক সংগঠন আছে। সার্বিক কোন সংগঠন না থাকাতে স্মারকলিপি পেশের দায়িত্ব নেবে কে। তাছাড়া তাদের মধ্যে রয়েছে আটক হওয়ার শঙ্কা। পুলিশী হয়রানির ভয়। এজন্যই বার বার পিছিয়ে যাচ্ছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতিশ্রম্নতি। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/01/2011 12:44 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | দু’বছর আগে বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা দ্বিগুণ করার কথা বলেছিলেন অর্থমন্ত্রী : বিনিয়োগকারীদের ‘ফটকাবাজ’ আখ্যা দেয়ায় ক্ষোভ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
আমার দেশ অনলাইন
দু’বছর আগে শেয়ারবাজারে বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) একাউন্টের সংখ্যা দ্বিগুণ করার কথা বলেছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ২০০৯ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি এসইসি কার্যালয় পরিদর্শন শেষে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, বর্তমানে যে পরিমাণ বিও একাউন্ট রয়েছে শিগগিরই সে সংখ্যা দ্বিগুণ করা হবে। অর্থমন্ত্রী যখন বিও একাউন্টের সংখ্যা দ্বিগুণ করার কথা বলেছিলেন তখন সে সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ। কিন্তু দুই বছর পরও বিও একাউন্টের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়নি। সেন্ট্রাল ডিপোজেটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী বিও একাউন্টের সংখ্যা ৩৩ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭৪টি। অর্থমন্ত্রীর সে ঘোষণা অনুযায়ী বিও একাউন্টধারীর সংখ্যা দ্বিগুণ হতে এখনও আরও ৪ লাখ বিও একাউন্ট খোলা বাকি রয়েছে। অথচ এরই মধ্যে অর্থমন্ত্রী পুঁজিবাজারের নতুন বিনিয়োগকারীদের ‘ফটকাবাজি’ করে লাভবান হতে বাজারে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন। পতনমুখী বাজারে আসা নতুন বিনিয়োগকারীদের শাস্তি পেতে হবেই বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি। অর্থমন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্যে পুঁজিবাজার সম্পর্কে অভিজ্ঞরা রীতিমতো অবাক হয়েছেন। অর্থমন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং অবিবেচনাপ্রসূত বলে মন্তব্য করেছেন তারা। সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও অর্থমন্ত্রীর এ ধরনের বক্তব্যে যারপর নাই বিস্মিত। প্রসঙ্গত, গত রোববার অর্থমন্ত্রী সংসদে বলেন, শেয়ারবাজারে দরপতনের পরও নতুন এক লাখ বিনিয়োগকারী ঢুকেছে। তারা ফটকাবাজি করে লাভবান হতে চাচ্ছে। তাদের শাস্তি পেতে হবেই। বর্তমানে শেয়ারবাজারে ফটকাবাজির সঙ্গে জড়িতদের কোনো ধরনের শাস্তির আইন নেই বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সংসদের চলতি অধিবেশনে এ সংক্রান্ত একটি আইন উপস্থাপন করা হবে। অবশ্য অর্থমন্ত্রীর এ বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন তার দলের সংসদ সদস্যরাও।
ফটকাবাজি করে নতুন বিনিয়োগকারীরা কিভাবে লাভবান হবেন তা তারা উপলব্ধি করতে পারছেন না। বরং বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করে বলেন, ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার থেকে চিহ্নিত এবং সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এমন লোকজনই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সরকার কোনো কথা না বলে এখন নতুন বিনিয়োগকারীদের ওপর দায় চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। এর আগে ১৯৯৬ সালেও সরকারের ঘনিষ্ঠ লোকেরা শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এখন বলা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এবারও শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে তারাই জড়িত। তাদের কারণেই লাখ লাখ বিনিয়োগকারী আজ নিঃস্ব হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর ব্যর্থতা এবং প্রভাবশালী মহলের কারসাজিতে লাখ লাখ বিনিয়োগকারী সর্বস্বান্ত হলেও সরকারের শীর্ষ মহল থেকে এজন্য বিরোধী দলকে দায়ী করা হয়। এখন আবার নতুন বিনিয়োগকারীদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা চলছে। বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে তার পদত্যাগ দাবি করেন। কামরুল হুদা নামের একজন বিনিয়োগকারী বলেন, আমরা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে এসেছি। বর্তমানে বাজারে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে বলা হয়েছে। অব্যাহত দরপতনের কারণে অধিকাংশ মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ারের দর ক্রয়ানুকূলে রয়েছে এবং বিনিয়োগের জন্য এখনই উপযুক্ত সময় বলে সরকারসহ স্টক এক্সচেঞ্জের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। কিন্তু এখন বিনিয়োগকারীদের ফটকাবাজ বলে শাস্তির ভয় দেখানো হচ্ছে। এতে করে ধারণা করা হচ্ছে, সরকার চাইছে না নতুন করে কোনো বিনিয়োগকারী বাজারে আসুক। কিন্তু বিনিয়োগকারী আসতে পারবে না বা আসা উচিত হবে না—এ ধরনের কোনো কথা আমরা শুনিনি। তাহলে কেন অর্থমন্ত্রী এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন এমন প্রশ্ন রেখে কামরুল হুদা বলেন, অর্থমন্ত্রী এর আগেও বিনিয়োগকারীদের নিয়ে নানা ধরনের উপহাসমূলক বক্তব্য রেখেছেন। বিনিয়োগকারীদের ‘স্টুপিড’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। এখন আমাদের ফটাকাবাজ বলা হচ্ছে। এ ধরনের অর্থমন্ত্রী দিয়ে পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা আশা করা যায় না।
এদিকে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমান পতনমুখী বাজারে নতুন বিনিয়োগকারীর আগমন একটি ভালো সংবাদ। বাজারে একের পর এক দরপতনে অনেক বিনিয়োগকারী যেখানে বাজার থেকে বেরিয়ে যেতে চাইছেন সেখানে নতুন বিনিয়োগকারীর আগমন বাজারের জন্য স্বস্তিদায়ক খবর। বর্তমান অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর ক্রয়ক্ষমতা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় শেয়ারের চাহিদা কমে গেছে। নতুন বিনিয়োগকারীর আগমনের ফলে বাজারে চাহিদা তৈরি হবে এবং বাজারে চলমান তারল্য সঙ্কট কাটানোর ক্ষেত্রেও ভূমিকা পালন করবে। তারা মনে করেন, এখন বাজারে নতুন বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানানো উচিত। তবে একই সঙ্গে নতুন বিনিয়োগকারীরা যাতে পুঁজিবাজার সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেতে পারেন সে জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে।
অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে বাজার বিশ্লেষক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে তারল্য সঙ্কট। এ কারণে বাজারে শেয়ারের চাহিদা কমে গেছে। বর্তমানে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীর শেয়ার কেনার ক্ষমতা নেই। এ অবস্থায় নতুন বিনিয়োগকারীর বাজারে আগমনের ফলে শেয়ারের চাহিদা তৈরি হবে এবং বাজার স্থিতিশীল হওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। নতুন বিনিয়োগকারীর আগমনকে স্বাগত জানানো উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ডিএসইর বেশ ক’জন সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, বর্তমানে শেয়ার ক্রয়ের জন্য অর্থমন্ত্রী বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বাজারে বিনিয়োগের জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন। আইসিবিকে শেয়ার কেনার জন্য ফান্ড দেয়া হচ্ছে। তাহলে কেন এতসব করা হচ্ছে? এখন যদি সাধারণ বিনিয়োগকারী শেয়ার কিনে ‘ফটকাবাজি’ করে থাকে তাহলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দিয়ে সরকার কি ফটকাবাজি করছে না? আর এসব প্রতিষ্ঠানকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে যে টাকা দেয়া হচ্ছে তা জনগণের টাকা। এখন এ জনগণের টাকা দিয়ে সরকারকে ফটকাবাজি করার অধিকার কে দিয়েছে? সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যদি বিনিয়োগ না করেন তাহলে শেয়ারবাজারে কারা লেনদেন করবে—অর্থমন্ত্রীকে তা স্পষ্ট করতে হবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএসইর একজন সদস্য বলেন, শেয়ারবাজারে নতুন বিও একাউন্ট খোলা যাবে না, সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়নি। ফলে শেয়ারবাজারে নতুন বিনিয়োগকারীদের আগমন বন্ধ রাখার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, যদি একটি ব্রোকারেজ হাউস কোনো ধরনের যৌক্তিক কারণ ব্যতীত বিও একাউন্ট খুলতে অপারগতা প্রকাশ করে থাকে তাহলে তাকে এসইসির কাছে জবাবদিহি করতে হতো। এমনকি তার বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করা হতো। তিনি অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যকে কাণ্ডজ্ঞানহীন এবং অবিবেচনাপ্রসূত বলে মন্তব্য করেন। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/01/2011 12:45 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক তেজিভাব : লেনদেনে নজরদারি না থাকলে কারসাজির ঘটনাকে উস্কে দেবে : বিশেষজ্ঞদের অভিমত
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
আমার দেশ অনলাইন
টানা পাঁচদিন বড় ধরনের পতনের পর ‘অস্বাভাবিক’ তেজিভাবের মধ্য দিয়ে গতকাল শেষ হয়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেন। গত কয়েকদিনে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর সার্কিট ব্রেকারের নিচের সীমায় নেমে এলেও ক্রেতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু গতকালের লেনদেনে দেখা গেল একেবারে ভিন্ন চিত্র। দর বৃদ্ধিতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করলেও বিক্রেতার অভাব ছিল প্রকট। ফলে বড় ধরনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দিয়ে দিনের লেনদেন শেষ হলেও শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি। গতকাল লেনদেনে অংশ নেয়া ২৬৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪৬টির, কমেছে মাত্র ৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল মাত্র ১টির। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধির কারণে গতকাল একদিনেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক বেড়েছে ৩৯৮ পয়েন্ট। দিনশেষে সূচক বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬০১ পয়েন্টে। তবে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়লেও কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। আগের দিনের তুলনায় ৫৮ কোটি টাকা কমে গতকাল দিনশেষে লেনদেন হয়েছে মাত্র ৪৩১ কোটি ৭১ লাখ টাকা।
এদিকে টানা ৫ দিনে সূচকের বড় ধরনের পতনের পর একদিনেই ফের সূচকের এ ধরনের বৃদ্ধি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, একদিনে সব কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ছে কিংবা পড়ে যাচ্ছে—এটি বাজারের স্বাভাবিক আচরণ হতে পারে না। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে কারা শেয়ার কিনছে বা বিক্রি করছে—এ বিষয়ে কঠোর নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে বলে তারা মনে করেন। বর্তমানে শেয়ারবাজারের স্বাভাবিক লেনদেনে কোনো ধরনের মনিটরিং না করার যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, এ বিষয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত শেয়ারবাজারে কারসাজির ঘটনাকে উস্কে দেবে।
বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে তারল্য সঙ্কট মেটাতে আইসিবি, রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকসহ ৭টি প্রতিষ্ঠানের একটি বড় আকারের বিশেষ তহবিল গঠন করার সিদ্ধান্তে গতকাল সূচকের বড় ধরনের উল্লমম্ফন হয়েছে বলে মনে করেন বাজার বিশ্লেষকরা। তবে বিনিয়োগকারীদের অতিরিক্ত আশাবাদী না হয়ে সতর্কতার সঙ্গে লেনদেনের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
বাজার বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, বড় আকারে তহবিল গঠন করার ঘোষণায় বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন বিধায় শেয়ারের দাম বেড়েছে। যদিও তহবিলটি এখনও আসেনি এবং কবে আসবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। তারপরও বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা বাজারে ভালো কিছু হবে। কিন্তু বাজারে যেভাবে একযোগে সব কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি বা পতন হচ্ছে, তা কোনো অবস্থাতেই স্বাভাবিক নয়। এ অবস্থায় শেয়ার লেনদেন মনিটরিং করা দরকার বলে তিনি মনে করেন।
বাজার বিশ্লেষক ও বেসরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস ফার্স্ট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াওয়ার সাঈদ বলেন, শেয়ারবাজারে এখন যা ঘটছে, তা যৌক্তিক বলা যাবে না। যেদিন দাম বাড়ছে, সেদিন প্রায় সবক’টির দাম বাড়ে। আবার যেদিন কমে, সেদিন সবক’টির দাম কমে। এ পরিস্থিতিতে বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা সহজ নয়। আজ (গতকাল) এমন কী হলো সবক’টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়বে। বাজারকে স্বাভাবিক গতিতে চলতে দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবে চলতে না দিলে আরও বড় ধরনের অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকে যায়। তিনিও মনে করেন, বর্তমানে শেয়ারবাজারের লেনদেনের ওপর সতর্ক নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
আগের ৫ দিনের সূচকের বড় ধরনের দরপতন হলেও গতকাল দিনের শুরুতে বড় ধরনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দিয়েই শুরু হয় দিনের লেনদেন। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি হওয়ায় দিনের শুরুতে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করেন। এতে কিছুটা বিক্রি চাপ তৈরি হলে বাজারে আবার পতন শুরু হয়। বেলা ১১টা ৪৫ মি. পর্যন্ত সূচকে নিম্নমুখী প্রবণতা থাকলেও তারপর থেকে সূচকের একটানা বৃদ্ধি ঘটতে থাকে। দিনের শেষ পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকায় দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় ৩৯৮ পয়েন্ট বেড়ে যায়। সূচকের টানা ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারবাজার বিক্রেতাশূন্য হয়ে যায়। এসময় লেনদেনে অংশ নেয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করলেও বিক্রেতার অভাবে লেনদেনে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আইসিবিসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ক্রয়ে সক্রিয় অংশ নেয়ার কারণে বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। সোমবার আইসিবি, সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ক্রয়ানুকূলে রয়েছে—এমন মৌল ভিত্তিসম্পন্ন এবং বাজারে প্রভাব বিস্তারকারী কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। তারই প্রভাবে গতকাল বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ ছাড়া বাজারের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা নিয়ে সন্দেহ-সংশয় রয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সূচকের বড় ধরনের উল্লমম্ফনের পর ফের বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটছে। ফলে গতকাল সূচকের বড় ধরনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় বাজারের লেনদেন শেষ হলেও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসেনি। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/01/2011 9:21 pm |
 Senior Member

Regist.: 01/22/2011 Topics: 0 Posts: 31
 OFFLINE | বাজার বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, বড় আকারে তহবিল গঠন করার ঘোষণায় বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন বিধায় শেয়ারের দাম বেড়েছে। যদিও তহবিলটি এখনও আসেনি এবং কবে আসবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। তারপরও বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা বাজারে ভালো কিছু হবে। কিন্তু বাজারে যেভাবে একযোগে সব কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি বা পতন হচ্ছে, তা কোনো অবস্থাতেই স্বাভাবিক নয়। এ অবস্থায় শেয়ার লেনদেন মনিটরিং করা দরকার বলে তিনি মনে করেন।
বাজার বিশ্লেষক ও বেসরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস ফার্স্ট বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াওয়ার সাঈদ বলেন, শেয়ারবাজারে এখন যা ঘটছে, তা যৌক্তিক বলা যাবে না। যেদিন দাম বাড়ছে, সেদিন প্রায় সবক’টির দাম বাড়ে। আবার যেদিন কমে, সেদিন সবক’টির দাম কমে। এ পরিস্থিতিতে বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা সহজ নয়। আজ (গতকাল) এমন কী হলো সবক’টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়বে। বাজারকে স্বাভাবিক গতিতে চলতে দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবে চলতে না দিলে আরও বড় ধরনের অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকে যায়। তিনিও মনে করেন, বর্তমানে শেয়ারবাজারের লেনদেনের ওপর সতর্ক নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
Rightly said!! |
|
|
| 03/01/2011 9:29 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রধান নিয়োগ ও বরখাস্তে এসইসির অনুমোদন লাগবে দুই কোম্পানির রাইট অনুমোদন, বাতিল দুটি আইপিওর আবেদন
সমকাল প্রতিবেদক
মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের নিয়োগ, অব্যাহতি বা বরখাস্তের বিষয়ে এখন থেকে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন নিতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার কমিশনের নিয়মিত সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠক শেষে এসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান এ কথা জানান। উল্লেখ্য, আগে মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের নিয়োগ, অব্যাহতি বা বরখাস্তের বিষয়ে এসইসির অনুমোদন নিতে হতো না।
গতকালের সভায় কমিশন আরও কয়েকটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যেমন, অভিহিত মূল্যে স্যোসাল ইসলামী ব্যাংকের ১:১ রাইট শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব এবং শেয়ার প্রতি ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ সোনারগাঁ টেক্সটাইলের ১:১ অনুপাতে রাইট শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব বৈঠকে অনুমোদন হয়। এসটিএস হোল্ডিংস (অ্যাপোলো হাসপাতাল) এবং রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টসের 'প্রাথমিক গণপ্রস্তাব' (আইপিও) আবেদন অনুমোদন করেনি এসইসি।
গতকাল এসইসির নিয়মিত কমিশন বৈঠকের পর সংস্থার মুখপাত্র জানান, বৈঠকে মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার বিধিমালা, ১৯৯৬-এ নতুন ধারা সংযোজনের মাধ্যমে সব মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী পদে কাউকে নিয়োগ, অব্যাহতি বা বরখাস্ত করার বিষয়ে এসইসির অনুমোদন নেওয়ার বিধান করা হয়েছে। এর আগে এ বিষয়ে ওই আইনে এ সংক্রান্ত কোনো বিধি ছিল না। তিনি জানান, কমিশন দুটি কোম্পানির রাইট শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন করে। ব্যাংকিং খাতের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে স্যোসাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল) ১:১ রাইট শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে। এ অনুমোদনের ফলে ব্যাংকটি ২৯ কোটি ৮৭ লাখ ৮১ হাজার ৫৭৫টি শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে আরও ২৯৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকার বেশি মূলধন বাড়ানোর সুযোগ পাবে। বর্তমানে কোম্পানিটির মূলধন ২৯৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। রাইট শেয়ার বিক্রির পর কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ৫৯৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এছাড়া সোনারগাঁ টেক্সটাইল কোম্পানির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১৫০ টাকায় ১:১ রাইট শেয়ার বিক্রির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর ফলে বস্ত্র খাতের এ কোম্পানিটি ১০ লাখ ৯১ হাজার ২০০ সাধারণ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে আরও ১৬ কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূলধন বাড়ানোর সুযোগ পাবে। বর্তমানে কোম্পানিটির মূলধন ১০ কোটি ৯১ লাখ টাকা।
এদিকে কমিশন এসটিএস হোল্ডিংস (অ্যাপোলো হাসপাতাল) এবং রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টসের আইপিওর আবেদন অনুমোদন করেনি।
কী কারণে অনুমোদন দেওয়া হয়নি তার ব্যাখ্যা কমিশনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। তবে জানা গেছে, কোম্পানি দুটির অভিহিত মূল্যের বিবেচনায় প্রস্তাবিত বিক্রয় মূল্য মৌলভিত্তির চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় তাদের আইপিওর আবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এর আগেও একবার রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টসের আইপিওর আবেদন এসইসি থেকে ফেরত পাঠানো হয়। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/02/2011 5:08 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে সূচকের ব্যাপক পতন
ঢাকা, ২ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারে ব্যাপক পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বুধবারের লেনদেন। অধিকাংশ কোম্পানির দরবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন শুরু হলেও সময় বাড়ার সাথে সাথে তা কমতে থাকে। লেনদেন শুরুর দশ মিনিটের মাথায় সূচক বাড়ে ১৪৫ পয়েন্ট। দুপুর ১টার দিকে সাধারণ সূচক কমে ৯৩ পয়েন্ট। আর দিন শেষে সাধারণ সূচক ৩০৯ পয়েন্ট কমে ডিএসই'র সাধারণ ইনডেঙ্ ৫২৯২.১৭ পয়েন্টে নেমে আসে। লেনদেন হয় ২৫৭টি কোম্পানির শেয়ার। দর কমে ২৪৭টির, বাড়ে ৮টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ২টি কোম্পানির শেয়ার। বাজারে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর সিদ্ধান্তের পরও এতো বড় পতনে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দিশেহারা হয়ে পড়ে। ব্যাপক এ পতনের জন্য সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সরকারকে দায়ী করে ক্ষোভ প্রকাশ করে।
উল্লেখ্য, টানা ৫ কার্যদিবস সূচকের বড় ধরনের পতনের পর মঙ্গলবার সাধারণ সূচক বেড়েছিল ৩৯৮ পয়েন্ট।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/মউ/এমএইচ/১৩.০২ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/02/2011 5:10 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে উত্থানের পর ব্যাপক দরপতন
ঢাকা, মার্চ ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
উত্থানের এক দিনের মাথায় ব্যাপক দরপতন দেখলো ঢাকার পুঁজিবাজার। আর তাতে কিছু সময় বিক্ষোভও করেছে বিনিয়োগকারীরা।
মঙ্গলবার সাধারণ সূচক প্রায় ৩০০ পয়েন্ট বাড়ার পাশাপাশি সব শেয়ার দাম বেড়েছিলো। তবে কমে গিয়েছিলো লেনদেন। আর এই প্রবণতাকে অস্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন বাজার বিশ্লেষক ইয়াওয়ার সাঈদ।
মঙ্গলবারের বাজার পরিস্থিতি দেখে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস অব বাংলাদেশের প্রধান ব্যবস্থাপক সাঈদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, "দর বৃদ্ধির এই ধারা কতদিন থাকে, সেটাই দেখার বিষয়।"
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার সাধারণ সূচক বেড়েছিলো ৩২৮ পয়েন্ট। তবে বুধবার তা ৩০৯ পয়েন্ট কমে ৫২৯২ দশমিক ১৭ এ অবস্থান নিয়েছে।
অবশ্য আগের দিনের রেশ ধরে বুধবার শুরুতে চাঙাভাবের মধ্যেই লেনদেন শুরু হয়। ১৫ মিনিটেই সাধারণ সূচক ১০০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। মধ্যভাগ থেকে সূচক নামতে থাকে।
সূচক পতন হলেও লেনদেন বেড়েছে ডিএসইতে। সারাদিনে মোট ৫৯১ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়। মঙ্গলবার এর পরিমাণ ছিলো ৪৩১ কোটি টাকা।
বুধবার লেনদেন হওয়া ২৪৭টি শেয়ারের দামই কমেছে, বেড়েছে ৮টির। ২টি শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত ছিলো।
ব্যাপক দরপতনের পর দুপুর ২টার দিকে বিক্ষোভ শুরু করে বিনিয়োগকারীরা। কিছু সময়ের জন্য রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভকারীরা ডিএসই ভবনের উল্টো দিকে মধুমিতা ভবনে অবস্থান নিয়ে সেখান থেকেই স্লোগান দিতে থাকে।
বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ শুরুর পর মতিঝিলে ডিএসই ভবনের সামনের সড়কে গাড়ি চলাচল কমে যায়।
তবে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতির কারণে ঘণ্টাখানেক পর পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে।
রোববার দরপতন দিয়ে সপ্তাহ শুরুর পরদিনও ডিএসইতে সাধারণ সূচক ২৬০ দশমিক ২৬ পয়েন্ট কমে। এতে বিক্ষোভ করে বিনিয়োগকারীরা।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এমআই/১৫৫২ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/02/2011 5:12 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে উত্থানের পর ব্যাপক দরপতন
ঢাকা, মার্চ ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
উত্থানের এক দিনের মাথায় ব্যাপক দরপতন দেখলো ঢাকার পুঁজিবাজার। আর তাতে কিছু সময় বিক্ষোভও করেছে বিনিয়োগকারীরা।
মঙ্গলবার সাধারণ সূচক প্রায় ৩০০ পয়েন্ট বাড়ার পাশাপাশি সব শেয়ার দাম বেড়েছিলো। তবে কমে গিয়েছিলো লেনদেন। আর এই প্রবণতাকে অস্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন বাজার বিশ্লেষক ইয়াওয়ার সাঈদ।
মঙ্গলবারের বাজার পরিস্থিতি দেখে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস অব বাংলাদেশের প্রধান ব্যবস্থাপক সাঈদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, "দর বৃদ্ধির এই ধারা কতদিন থাকে, সেটাই দেখার বিষয়।"
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার সাধারণ সূচক বেড়েছিলো ৩২৮ পয়েন্ট। তবে বুধবার তা ৩০৯ পয়েন্ট কমে ৫২৯২ দশমিক ১৭ এ অবস্থান নিয়েছে।
অবশ্য আগের দিনের রেশ ধরে বুধবার শুরুতে চাঙাভাবের মধ্যেই লেনদেন শুরু হয়। ১৫ মিনিটেই সাধারণ সূচক ১০০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। মধ্যভাগ থেকে সূচক নামতে থাকে।
সূচক পতন হলেও লেনদেন বেড়েছে ডিএসইতে। সারাদিনে মোট ৫৯১ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়। মঙ্গলবার এর পরিমাণ ছিলো ৪৩১ কোটি টাকা।
বুধবার লেনদেন হওয়া ২৪৭টি শেয়ারের দামই কমেছে, বেড়েছে ৮টির। ২টি শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত ছিলো।
ব্যাপক দরপতনের পর দুপুর ২টার দিকে বিক্ষোভ শুরু করে বিনিয়োগকারীরা। কিছু সময়ের জন্য রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভকারীরা ডিএসই ভবনের উল্টো দিকে মধুমিতা ভবনে অবস্থান নিয়ে সেখান থেকেই স্লোগান দিতে থাকে।
বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ শুরুর পর মতিঝিলে ডিএসই ভবনের সামনের সড়কে গাড়ি চলাচল কমে যায়।
তবে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতির কারণে ঘণ্টাখানেক পর পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে।
রোববার দরপতন দিয়ে সপ্তাহ শুরুর পরদিনও ডিএসইতে সাধারণ সূচক ২৬০ দশমিক ২৬ পয়েন্ট কমে। এতে বিক্ষোভ করে বিনিয়োগকারীরা।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এএএম/এমআই/১৫৫২ ঘ. |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/02/2011 5:15 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE |
এক দিন পর পুঁজিবাজারে আবার দরপতন
অনলাইন প্রতিবেদক | তারিখ: ০২-০৩-২০১১
প্রথম আলো
দেশের পুঁজিবাজারে এক দিন পর আজ বুধবার আবারও দরপতন হয়েছে। ঊর্ধ্বগতির মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও প্রথম ঘণ্টার পর থেকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক কমতে শুরু করে। যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। আজ লেনদেন হওয়া প্রায় সবগুলো প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমে যায়।
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে আজ বেলা আড়াইটার দিকে বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন। পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্যপরিষদ এ মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে।
ডিএসইতে আজ দিনের লেনদেন শেষে সূচক ৩০৬.৮৪ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ২৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন শুরুর ছয় মিনিটের দিকে সূচক ১৪৫ পয়েন্ট বেড়েছিল। এরপর সূচক বৃদ্ধির হার ধীর হয়ে পড়ে। লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় সূচক কিছুটা বাড়লেও পরে কমতে শুরু করে। যা দিনভর অব্যাহত ছিল।
আজ ডিএসইতে মোট ২৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে বেড়েছে আটটির, কমেছে ২৪৭টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ৫৯১ কোটি টাকার।
আজ সিএসইতে সূচক ৭৭১.৩৪ পয়েন্ট কমে সার্বিক মূল্যসূচক ১৪ হাজার ৯৫৫.৪১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে মোট ১৯০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে বেড়েছে ১৪টির, কমেছে ১৭৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ৮৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকার। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/02/2011 7:47 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | সালমান, লোটাস কামাল ও ফালুকে গ্রেফতারের দাবি
ঢাকা, ২ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগে সালমান এফ রহমান, লোটাস কামাল ও মোসাদ্দেক আলী ফালুকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। আজ বুধবার দিনের মধ্যভাগে শেয়ারবাজারে ব্যাপক পতনের মুখে ফের রাস্তায় নেমে আসে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। ডিএসই ভবনের সামনে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করে। সমাবেশে পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, শেয়ার কারসাজির সঙ্গে এই তিন ব্যাক্তি জড়িত। তাদেরকে গ্রেফতার করলে পুঁজিবাজারে আবারো আস্থা ফিরে আসবে।
ঐক্য পরিষদের সেক্রেটারি ফয়সাল আহমেদ বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন। তার সফরসঙ্গী ছিলেন ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান। সেখানে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাহলে কেন আজ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জুয়াড়ি বলে অভিহিত করা হচ্ছে।
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার মন্ত্রীপরিষদে যারা আছেন তাদের অনেকে শেয়ারবাজার সম্পর্কে বোঝে না। এ কারণে তারা এ ধরনের মন্তব্য করেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/মউ/এমএইচ/১৫.৩৯ঘ,)
সালমান, লোটাস কামাল ও ফালুকে গ্রেফতারের দাবি
ঢাকা, ২ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগে সালমান এফ রহমান, লোটাস কামাল ও মোসাদ্দেক আলী ফালুকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। আজ বুধবার দিনের মধ্যভাগে শেয়ারবাজারে ব্যাপক পতনের মুখে ফের রাস্তায় নেমে আসে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। ডিএসই ভবনের সামনে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করে। সমাবেশে পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, শেয়ার কারসাজির সঙ্গে এই তিন ব্যাক্তি জড়িত। তাদেরকে গ্রেফতার করলে পুঁজিবাজারে আবারো আস্থা ফিরে আসবে।
ঐক্য পরিষদের সেক্রেটারি ফয়সাল আহমেদ বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন। তার সফরসঙ্গী ছিলেন ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান। সেখানে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাহলে কেন আজ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জুয়াড়ি বলে অভিহিত করা হচ্ছে।
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার মন্ত্রীপরিষদে যারা আছেন তাদের অনেকে শেয়ারবাজার সম্পর্কে বোঝে না। এ কারণে তারা এ ধরনের মন্তব্য করেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/মউ/এমএইচ/১৫.৩৯ঘ,)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|