| 02/28/2011 12:11 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিতভাবে শেয়ার ক্রয়ের সিদ্ধান্ত
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
দৈনিক সংবাদ
পুঁজিবাজারের সংকট উত্তরণে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বিতভাবে শেয়ার ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি এ সংকট কাটাতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে আরও বিনিয়োগ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে গতকাল ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (আইসিবি) রাষ্ট্রায়ত্ত ৫ ব্যাংক, আইসিবি এবং সাধারণ বীমা করপোরেশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে বিচ্ছিন্নভাবে বিনিয়োগ না করে সমন্বিতভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়।
জানা গেছে, ওই বৈঠকে পুঁজিবাজারে নতুন করে আরও বিনিয়োগ বাড়াতে সোনালী, রূপালী, জনতা, অগ্রণী ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), আইসিবি এবং সাধারণ বীমা করপোরেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়েকুজ্জামান বলেন, আমরা রাষ্ট্রায়ত্ত কয়েকটি ব্যাংকের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছি কীভাবে বাজার স্থিতিশীল রাখা যায়। আলাদা আলাদা বিনিয়োগ না করে সমন্বিতভাবে কাজ করতে গতকাল এ বৈঠক হয়েছে। এ সপ্তাহে আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে বিনিয়োগ হয়েছে আরও হবে। আশা করা যায় শীঘ্রই বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।
কী পদ্ধতিতে বিনিয়োগ করছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের দিকে নজর রেখেই বিনিয়োগ করছে। সরকারি কয়েক দফা উদ্যোগের পরই বাজার আবার পড়ে যাচ্ছে কেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ধৈর্য নেই। চারদিন পরই মুনাফা নিচ্ছে। এমন বাজারে দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ তেমন কাজে আসে না।
আইসিবিসহ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান তিন ব্যাংককে একাধিকবার শেয়ার কেনার নির্দেশ দিলেও প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্তব্য যথাযথ পালন না করায় তেমন প্রভাব ফেলছে না বাজারে। সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নজরদারি করা দরকার বলে মনে করেন তারা।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ার কিনছে। তাই বাজারে দরপতন কিছু কম হয়েছে। তা না হলে গতকাল অন্তত ৫০০ পয়েন্ট সূচক পড়ে যেত। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ক্রয়ের বিষয়টি কতটুকু যৌক্তিকভাবে বিনিয়োগ হচ্ছে তা জানা যায়নি।
এর আগে বাজারে তারল্য সংকট কাটাতে মিউচুয়াল ফান্ড ৩৯৫ কোটি টাকা এবং আইসিবি ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের ব্যাংকগুলো সরকারি নির্দেশে শেয়ার কিনে। কিন্তু এসব উদ্যোগ অপ্রতুল হওয়ায় বাজারে তার কোন ইতিবাচক প্রভাব না পড়ায় নতুন এ উদ্যোগ নেয়া হয়। বরং প্রতিদিন দরপতন হচ্ছে শেয়ারের। এতে চরম আস্থা সংকটে পড়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এ পরিস্থিতিতে বড় অংকের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিল সরকার।
গতকাল সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) মাধ্যমে সরকারি এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পরে তা স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর ওয়েবসাইটেও প্রচার করা হয়।
তবে এসব প্রতিষ্ঠান কত টাকার শেয়ার কিনবে সে বিষয় কিছু বলা হয়নি। এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি ওই পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয় সরকার।
সেদিন সরকার আইসিবির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ২০০ কোটি টাকার ফান্ড দেয়ার ঘোষণা দেয়। এর আগে পুঁজিবাজারের টানা দরপতন রোধে আইসিবিকে আরও ৪০০ কোটি টাকা দেয়া হয় শেয়ার কেনার জন্য। তবে সরকারি এসব উদ্যোগের পরও পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতন রোধ করা যায়নি। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/28/2011 12:12 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | [দরপতনে ফের বিক্ষোভ ডিএসইতে
অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
দৈনিক সংবাদ
কোনভাবেই থামানো যাচ্ছে না পুঁজিবাজারের দরপতনের ধারা। সরকারি পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয়ার পরও সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে দরপতন হলে বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বিক্ষোভ ও রাস্তা অবরোধ করেন। গতকাল লেনদেনের প্রথম ঘণ্টা শেষে সাধারণ সূচক ২০০ পয়েন্টের বেশি কমে গেলে তারা ডিএসইর সামনের সড়ক অবরোধ করে মিছিল শুরু করেন। এ সময় আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়ার কর্মসূচি ঘোষণা দেয় তারা। পরে বেলা দুইটার দিকে পুলিশ রাস্তা থেকে বিনিয়োগকারীদের সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে সকাল থেকেই ডিএসইর আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকায় ভাঙচুরের কোন ঘটনা ঘটেনি। ডিএসইতে দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক ২৬০.২৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল লেনদেনকৃত ২৫২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৩০টির কোম্পানির আর কমেছে ২১৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার লেনদেন শুরু হওয়ার ১ ঘণ্টা পরই মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে এ বিক্ষোভ শুরু হয়। এর আগের দিনগুলোতে ডিএসইতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখীভাব দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও গতকাল তাও হয়নি। লেনদেনের শুরুতেই সূচক নিম্নমুখী হতে থাকে এবং ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে। এ সময় মতিঝিলে ইত্তেফাক মোড় থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরা অর্থমন্ত্রী, এসইসি ও ডিএসইর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সেস্নাগান দেন। ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা মধুমিতা ভবন থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ নিয়ে পুরো মতিঝিল জুড়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। তবে পুঁজিবাজারে টানা দরপতনে বিক্ষোভের আশঙ্কায় সকাল থেকেই ডিএসইর আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বাজার পরিস্থিতি : ডিএসইতে দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক ২৬০.২৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন শুরুর ৭ মিনিটের দিকে সূচক ১৪৫ পয়েন্ট কমে যায়। এর ৫ মিনিট পর সূচক কমে ১৮১ পয়েন্ট। এভাবে ডিএসই ও ডিএসইতে দিনভর সূচক কমতে থাকে, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। গতকাল ডিএসইতে মোট ২৫২টি কোম্পানির ৫ কোটি ২৭ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯৫টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৪৮৯ কোটি ৪১ লাখ ৮৯ হাজার ১৬৮ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা কম। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৭৩.০০ পয়েন্ট কমে ৩৫১৪.৫১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো বেক্সিমকো লিমিটেড পিপলস লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, বেক্সটেক্স, তিতাস গ্যাস, গ্রামীণফোন, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, এবি ব্যাংক লিমিটেড ও স্কয়ার ফার্মা।
দর বৃদ্ধিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- কে এন্ড কিউ, মার্কেন্টাইল ইনস্যুরেন্স, কন্টিনেন্টাল ইনস্যুরেন্স, ইস্টার্ণ লুব্রিকেন্টস, সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স, প্রাইম ১ আইসিবিএ, মিরাক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, এমবিএল ১ম মিউচুয়াল ফান্ড, ১ম আইসিবি ও ইস্টার্ন ইনস্যুরেন্স। অন্যদিকে সিএসইতে সাধারণ সূচক ৭২৫.৯২ পয়েন্ট কমে সার্বিক মূল্যসূচক ১৪,৬৮৪.১২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এ সময়ে মোট লেনদেন হয়েছে ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে বেড়েছে ১৩টির, কমেছে ১৬৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ৬৬ কোটি ৩০ লাখ ৪৭ হাজার ৪২০ টাকার।
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/28/2011 12:13 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | জঙ্গি অর্থায়নে ইসলামী ব্যাংক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
দৈনিক সংবাদ
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু জানিয়েছেন, ইসলামী ব্যাংক তাদের লভ্যাংশের শতকরা ৮ ভাগ জঙ্গি অর্থায়নে ব্যয় করে। গতকাল বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকার কমিটির নবম সভা শেষে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ তথ্য জানান।
সভায় স্বরাষ্ট্র সচিব আবদুস সোবহান শিকদার, পুলিশ মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার, র্যাবের মহাপরিচালক মোখলেছুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংক তাদের লভ্যাংশের শতকরা ২ ভাগ নিজ ব্যাংকে এবং শতকরা ৮ ভাগ ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনে জমা রাখে। এই ৮ শতাংশ অর্থ জঙ্গিবাদ অর্থায়নে ব্যয় করছে বলে সরকার মনে করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি দন্ত করছে। তিনি বলেন, সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কমিটির আগামী সভায় ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ফাউন্ডেশনের অর্থ খরচের বিবরণী অর্থ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থাকেও ইসলামী ব্যাংকের কার্যকলাপ নজরদারি করতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংক জাকাতের অর্থ সংগ্রহ এবং বিতরণ করে থাকে। সাধারণ বিধি অনুয়ায়ী আট পদ্ধতিতে জাকাত সংগ্রহ এবং বিতরণ করে। কিন্তু ইসলামী ব্যাংক ১৬টি পদ্ধতি অনুসরণ করছে। জাকাতের অর্থ সংগ্রহ এবং বিতরণের হিসাবও অর্থ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে বলা হয়েছে ইসলামী ব্যাংককে। ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়নে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ সরকারের কাছে রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে গণসচেতনতা সৃষ্টি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুক্রবার মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে ইমামরা জঙ্গিবাদ ও মাদক ইসলাম পরিপন্থী বিষয়ে মুসলি্লরাকে সচেতন করবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকরা শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করবেন। সরকারি কমিউনিটি পুলিশও গ্রামের তৃণমূল পর্যায়ে জঙ্গিবাদবিরোধী প্রচারণা চালাবে। এতে করে কেউ জঙ্গিবাদে মদদ বা প্রশিক্ষণ দিতে নিরুৎসাহিত হবে।
বর্তমানে জঙ্গিবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে সরকারের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ায় জঙ্গিরা ভীত হয়ে আছে। বিগত জোট সরকারের আমলে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছে অভিযোগ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলীয় নেতানেত্রীদের প্রতি আহ্বান তারা এমন বক্তব্য দেবেন না যাতে জঙ্গিরা উৎসাহ পায়। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/28/2011 8:58 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারের জন্য ৭ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিশেষ তহবিল গঠন
চার রাষ্ট্রীয় ব্যাংক, আইসিবি ও বিডিবিএল সমন্বয়ে বিনিয়োগ হবে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে নিজস্ব বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি একটি বিশেষ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ৭টি প্রতিষ্ঠান। বাজারের শেয়ারের দর ধরে রাখতে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, জনতা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (বিডিবিএল) সমন্বয়ে গঠিত এ তহবিলের মাধ্যমে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করা হবে। সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে অনুমোদনের পর দ্রম্নততম সময়ের মধ্যে তহবিল গঠনের পর বাজারে বিনিয়োগ শুরম্ন হবে। গতকাল সোমবার আইসিবি সভাকৰে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ বৈঠকে এ সিদ্ধানত্ম গ্রহণ করা হয়। বৈঠকে ভাল মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারের দর ধরে রাখতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দেয়া হয়েছে।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আসতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সক্রিয় রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এসব প্রতিষ্ঠান আরও বেশি সক্রিয় প্রচেষ্টা গ্রহণ করবে। তবে সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় থাকা জরম্নরী। বাজারে শেয়ারের দর ধরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য একটি যৌথ তহিবল গঠনের সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। তহবিলের মাধ্যমে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার সৃষ্টিকারীর মতো কাজ করবে।
তহবিলের আকার সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আকার নির্ধারণ করা না হলেও পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় তহবিল গঠনের চেষ্টা করা হবে। সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদে আলোচনার পর চলতি সপ্তাহেই আরেকটি বৈঠক করে চূড়ানত্ম সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে।
তহবিলের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে তিনি বলেন, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বাজার থেকে শেয়ার কিনবে। এ কাজের জন্য কোন প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলে যে কোন সময় এ তহবিল থেকে ঋণ নিতে পারবে। শেয়ার বিক্রি বা অন্য উৎস থেকে অর্থ পাওয়ার পর পুনরায় তহবিলে টাকা ফেরত দেবে। একটি স্থায়ী তহবিল হিসেবে এর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মোঃ ফায়েকুজ্জামান আরও জানান, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মৌলভিত্তি ও সূচকে প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনবে। বৈঠকে এ ধরনের কিছু কোম্পানির তালিকা করা হয়েছে। কোন্ প্রতিষ্ঠান কোন্ কোন্ কোম্পানির শেয়ার কিনবে_ তাও ভাগ করে নেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো তার জন্য নির্ধারিত কোম্পানির শেয়ারের দর ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণ করবে।
তিনি জানান, বৈঠকে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বেশকিছু করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের সংশিস্নষ্ট মহলে এ বিষয়ে সুপারিশ পেশ করা হবে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সরকার অত্যনত্ম আনত্মরিক।
বাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, অধিকাংশ শেয়ারের দর যে পর্যায়ে নেমেছে তাতে এখনই বিনিয়োগের সঠিক সময়। বর্তমানে বাজার থেকে শেয়ার কেনা অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত।
উলেস্নখ্য, শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গত ১৫ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আইসিবি এবং সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংককে শেয়ারবাজারে যত বেশি সম্ভব বিনিয়োগ করতে বলা হয়। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আইসিবিকে প্রাথমিকভাবে ২০০ কোটি টাকার তহবিল যোগান দেয়া হয়। সরকারের এ নির্দেশের পেয়ে ওইদিন সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার থেকে ২৭ কোটি টাকার শেয়ার কেনে। এর প্রভাবে বাজারে উর্ধমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। কিন্তু দু'দিনের মধ্যে শেয়ারবাজারে আবারও নেতিবাচক ধারা শুরম্ন হয়। এ কারণে গত রবিবার সরকারের পৰ থেকে এসব প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার কেনার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো নির্দেশ দিতে হয়েছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নির্দেশ পাওয়ার পর রবিবার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ারবাজারে পুনরায় তৎপর হয়ে ওঠে। এদিন পাঁচ প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে সর্বমোট প্রায় ৫০ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছে। সোমবারও এসব প্রতিষ্ঠান বাজারে সক্রিয় ছিল। এদিন বিনিয়োগের পরিমাণ জানা না গেলেও সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আগের দিনের তুলনায় দ্বিগুণ শেয়ার কিনেছে বলে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানিয়েছেন।
কিন্তু তবে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপকভাবে সক্রিয় হলে বাজারের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এর ফলে শেয়ারের দরের সঙ্গে কমে যাচ্ছে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ। সোমবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) ৪৮৯ কোটি ৪১ লাখ ৮৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে_ যা চার ঘণ্টার স্বাভাবিক লেনদেনে দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগ এবং অধিকাংশ শেয়ারের দর মৌলভিত্তির নিচে চলে আসায় শীঘ্রই শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করছেন। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/28/2011 9:00 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | ধারাবাহিক দরপতনে আবারও বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
আজ প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ করবেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
পুঁজিবাজারে বড় দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকায় আবারও বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। সোমবার দিনের লেনদেনের শুরম্ন থেকে অধিকাংশ শেয়ারের দর ও সূচক নিম্নমুখী হয়ে ওঠায় বিনিয়োগকারীরা ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সামনের রাসত্মায় বিৰোভ করেন।
এ সময় বিনিয়োগকারীরা ডিএসইর সামনের সড়ক অবরোধ করে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। তাঁরা অর্থমন্ত্রী, এসইসি ও ডিএসইর কর্মকর্তাদের বিরম্নদ্ধে বিভিন্ন সেস্নাগান দিয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ মধুমিতা ভবনের ওপর থেকে পুলিশকে লৰ্য করে কিছু ইট-পাটকেল নিৰেপ করে। পরে বেলা দু'টার দিকে পুলিশ রাসত্মা থেকে বিনিয়োগকারীদের সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি শানত্ম হয়।
সপ্তাহের প্রথম দিন রবিবারও দরপতনের ঘটনা ঘটে। তবে ওইদিন বিনিয়োগকারীরা কোন ধরনের প্রতিবাদ করেননি। কিন্তু অব্যাহত দরপতনের ফলে ৰুদ্র বিনিয়োগকারীরা ক্রমশ সর্বস্বানত্ম হয়ে যাচ্ছেন। বিনিয়োগকারীদের একজন ইমামুল ইসলাম ইমু জনকণ্ঠকে তাঁর ৰোভের কথা জানান। ইমু ঋণ নিয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছেন। অব্যাহত দরপতনের পর এখন তাঁর আসলের পরও ৫০ হাজার টাকা নেই। কিভাবে এই লোকসান সামলাবেন তিনি। তাঁর মতে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ও ব্যক্তিবর্গ এ বিষয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করছেন না।
এদিকে অব্যাহত দরপতনে ক্ষতিগ্রসত্ম বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে প্রধানমন্ত্রীর হসত্মক্ষেপ কামনা করেন। তাঁরা মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়ার ঘোষণা দেন।
সোমবার এক সভায় সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, সাধারণ বীমা করপোরেশন ও আইসিবির শেয়ার কেনার সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তবে দিন শেষে সূচকের নিম্নধারার কোন পরিবর্তন হয়নি সরকারী এ প্রচেষ্টার ফলে। রবিবারও একই ধরনের ঘোষণার কথা শোনা গেলেও অব্যাহত দরপতনের নাগপাশেই বন্দী ছিল দেশের পুঁজিবাজার।
ডিএসইতে সোমবারের লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক ২৬০.২৭ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ২০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন শুরম্নর সাত মিনিটের দিকে সূচক ১৪৫ পয়েন্ট কমে যায়। এর পাঁচ মিনিট পর সূচক কমে ১৮১ পয়েন্ট। এভাবে সিএসই ও ডিএসইতে দিনভর সূচক কমতে থাকে, যা লেনদেনের শেষ পর্যনত্ম অব্যাহত ছিল।
সোমবার মোট ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ২১৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল নয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয় ৪৮৯ কোটি টাকার।
অন্যদিকে সিএসইতে সাধারণ সূচক ৭২৫.৯২ পয়েন্ট কমে সার্বিক মূল্যসূচক ১৪,৬৮৪.১২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে মোট লেনদেন হয়েছে ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে বেড়েছে ১৩টির, কমেছে ১৬৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ৬৬ কোটি ৩০ লাখ ৪৭ হাজার ৪২০ টাকার। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/28/2011 9:01 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | স্টক এক্সচেঞ্জ বিন্যস্তকরণে কমিটি গঠন
শীঘ্রই শুরু হচ্ছে কর্মপ্রক্রিয়া নির্ধারণের কাজ
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
শেয়ারবাজারের সামগ্রিক কার্যক্রম বিন্যসত্মকরণের (ডিমিউচু্যয়ালাইজেশন) জন্য ৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)। গত রবিবার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে স্টক এঙ্চেঞ্জের নিজস্ব প্রতিনিধি ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিৰক, চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞদের অনত্মর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিন্যসত্মকরণের লৰ্যে কর্মপ্রক্রিয়া নির্ধারণের জন্য শীঘ্রই এই কমিটি কাজ শুরম্ন করবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বিন্যসত্মকরণ প্রক্রিয়া শুরম্নর জন্য চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ একটি উপ-কমিটি গঠন করে। ওই উপ-কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিভিন্ন পর্যায়ের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বিন্যসত্মকরণ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ডিএসই সদস্যদের মধ্যে নানা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকলেও সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে বিন্যসত্মকরণের বিষয়ে বর্তমানে অধিকাংশ সদস্যই একমত। বিশেষ করে এ বিষয়ে পরিচালনা পর্ষদের সর্বসম্মত সিদ্ধানত্ম রয়েছে। শেয়ারবাজারের স্বার্থেই বিন্যসত্মকরণ প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করছেন।
জানা গেছে, বিন্যসত্মকরণে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হলেও কাজ শেষ করার জন্য কোন সময় বেঁধে দেয়া হয়নি। সামগ্রিক পরিস্থিতি ও অন্যান্য দেশের দৃষ্টানত্ম বিশেস্নষণ করে ধাপে ধাপে কাজ শেষ করার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটিই সময়সীমা নির্ধারণ করবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে একটি কাঠামো নির্ধারণ করে চূড়ানত্ম কাজ শুরম্ন করা হবে।
স্টক এঙ্চেঞ্জের বিন্যসত্মকরণ বা ডিমিউচু্যয়ালাইজেশন বলতে এর মালিকানা, ব্যবস্থাপনা এবং লেনদেন কার্যক্রম পৃথকীকরণকে বোঝায়। বর্তমান ব্যবস্থা অনুযায়ী দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে মালিকানা, ব্যবস্থাপনা এবং লেনদেন একই কর্তৃপৰের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। এৰেত্রে সদস্য বা ব্রোকাররা একইসঙ্গে স্টক এঙ্চেঞ্জের মালিক এবং বিনিয়োগকারী। আবার তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করেন। এভাবে স্টক এঙ্চেঞ্জ ও ব্রোকারেজ হাউসের কতর্ৃত্ব একই ব্যক্তির হাতে থাকলে এবং তিনিই বিনিয়োগকারী হলে পুঁজিবাজার স্বাধীনভাবে চলতে পারে না। একই ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ভিন্নধর্মী তিনটি দায়িত্ব পালন করায় স্টক এঙ্চেঞ্জের কার্যক্রমে তাদের স্বার্থগত বিষয় জড়িত হয়ে পড়তে পারে। এ কারণে আধুনিক পুঁজিবাজারে প্রতিটি সত্মরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ আলাদাভাবে পরিচালিত হয়। বিন্যসত্মকরণ হলে সদস্যরাই স্টক এঙ্চেঞ্জের মালিক থাকলেও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপৰ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করবে। আবার ব্রোকার বা লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হবে সম্পূর্ণ তৃতীয় পৰ। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ইতোমধ্যেই স্টক এঙ্চেঞ্জ বিন্যসত্মকরণের মাধ্যমে মালিকানা, ব্যবস্থাপনা ও লেনদেন কার্যক্রম পৃথক করেছে।
লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৭ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার ও ৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান কন্টিনেন্টাল ইন্সু্যরেন্স লিমিটেড। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৭টি বোনাস শেয়ার পাবেন ও ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার প্রতি নগদ ৫ টাকা লভ্যাংশ পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২২ মার্চ সকাল ১১টায় রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ডিপেস্নামা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ৮ মার্চ রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১০ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়ায় ২০ টাকা ২১ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৪৮ টাকা ১৬ পয়সা। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/28/2011 9:03 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক লেনদেনে নজরদারি করা হচ্ছে না
সংবাদ সম্মেলনে এসইসির মুখপাত্র
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥
দৈনিক জনকণ্ঠ
শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক লেনদেনের ৰেত্রে বিনিয়োগকারীদের ওপর সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা তদনত্ম কমিটির পৰ থেকে কোন নজরদারি, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি বা বিধি-নিষেধ আরোপ করা হচ্ছে না। বিনিয়োগকারীরা কোন রকম দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছাড়াই স্বচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগ করতে পারেন। সোমবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) এক সংবাদ সম্মেলনে বাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিনিয়োগকারীসহ সংশিস্নষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, শেয়ারবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে নানা ধরনের গুজব ছড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভ্রানত্মি তৈরি হয়েছে। এসব গুজবে কান না দিয়ে বিনিয়োগকারীরা স্বচ্ছন্দ্যে বিনিয়োগ করতে পারেন। কারণ সরকার, এসইসি বা তদনত্ম কমিটির পৰ থেকে কোন বিনিয়োগকারীর স্বাভাবিক লেনদেনের ওপর কোন ধরনের বিধি-নিষেধ বা প্রতিবন্ধকতা আরোপ করেনি। স্বাভাবিক শেয়ার লেনদেনের ৰেত্রে কারও ওপর কোন নজরদারিও করা হচ্ছে না। তিনি গুজবে কান না দিয়ে স্বাভাবিক লেনদেন অব্যাহত রাখার জন্য বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান।
মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোর প্রতি ফোর্স সেল বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়ে এসইসির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ৰুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে অর্থমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সংশিস্নষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ফোর্স সেল বন্ধের জন্য এসইসির পৰ থেকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রচেষ্টা সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকারের পৰ থেকে আইসিবি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে শেয়ার কেনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান বাজারে সক্রিয় রয়েছে। সব প্রতিষ্ঠানই শেয়ার কেনা অব্যাহত রেখেছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/28/2011 9:04 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | DSE shares keep sliding amid pervasive gloom
FE Report
Dhaka stocks continued to dip for the fifth straight session, hitting 13 months' low Monday which prompted hundreds of angry investors to take to the street and demonstrate in front of the country's premier bourse, the Dhaka Stock Exchange (DSE).
The news of buying shares by state-owned financial institutions failed to attract investors as DSE General Index (DGEN), the benchmark index of the market, ended at 5,203.08 points, shedding 4.76 per cent or 260.27 points, the lowest since January 24 of last year when DGEN was at 5,156.62 points.
The index lost more than 1,185 points or 17 per cent in the consecutive five trading sessions, and from its highest value of 8,918.51 as on December 5, 2010, it lost 44 per cent or 3,715 points.
The day's total turnover stood at only Tk 4.89 billion in value terms, down by 2.4 per cent compared to the previous session.
Nearly 85 per cent scripts lost in prices on the day as out of 252 issues traded, only 30 advanced, 213 declined and nine remained unchanged.
The aggrieved investors came into the street from the different brokerage houses at about 11.50am, when the benchmark index of the DGEN shed more than 200 points.
They blocked the road in front of the DSE building, staged demonstrations and chanted slogans against the finance minister for his latest comment on the share market and investors. Later, the angry investors staged a sit-in, in front of DSE.
The finance minister last Sunday was reported to have said at the Jatiya Sangsad that 0.1 million new investors entered the stock market, when it experienced the downfall and many investors injected more money into the market when it was on a downward trend and that was the reason why they were being punished.
"I don't understand their behaviour….do they come for speculations?" He reportedly told parliament, replying to a question from Awami League MP Abdur Rahman.
Many investors blamed the finance minister's comments for the day's market fall.
Some of the angry investors also hurled brickbats at the police from the Madhumita building.
Vehicle movement at the bustling business hub from Motijheel Shapla Chattar up to Ittefaq crossing, came to a halt for about two hours. However, it was restored at around 2pm.
Police and members of Rapid Action Battalion (RAB) took strong position in front of the DSE main building and brought the situation under control without any untoward incident.
Meanwhile, the market opened with a negative note in the morning and fell by more than 180 points within fifteen minutes. It recovered some points in the mid-session, then fell steadily and finally closed at 260 points lower.
The broader DSE All Shares Price Index (DSI) lost 215.76 points or 4.76 per cent to 4317.89. The DSE-20, including its blue chips index, dropped 4.69 per cent or 172.99 points to 3514.51.
A total of 52.80 million shares changed hands against 54.91 million in the previous trading session. The number of trade deals stood at 121,467 which was 121,536 on Sunday.
The total market capitalisation came down to Tk 2413.07 billion against Tk 2,512.87 billion in the previous session.
Extreme confidence-loss among the small investors, liquidity crunch and inactivity of most of the big and institutional investors in the current volatile situation are the main reasons of the market fall, dealers said.
The market lost across the board with most of the major sectors losing in big margin with telecommunication losing 6.61 per cent, non-banking financial institutions (NBFIs) 6.02 per cent, banks 4.94 per cent and pharmaceuticals 3.77 per cent.
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/28/2011 9:06 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | শেয়ারে ধস ঠেকাতে তহবিল
নিজস্ব প্রতিবেদক
কালের কণ্ঠ
নিজের ২১ লাখ টাকা এবং ব্রোকারেজ হাউস থেকে আরো ২৩ লাখ টাকা নিয়ে শেয়ার কিনেছিলেন হাবিবুর রহমান। টানা দরপতনের পর তাঁর কেনা শেয়ারের দাম ২২ লাখ টাকার নিচে নেমে আসায় সংশ্লিষ্ট হাউস সব শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে নিজেদের টাকা উঠিয়ে নিয়েছে। আর রাতারাতি নিজের সব পুঁজি খুইয়েছেন হাবিবুর রহমান। এএনএফ সিকিউরিটিজ হাউসে তাঁর কোড নম্বর ৩২৬৩। এদিকে টানা পাঁচ দিনের মতো গতকাল সোমবারও দরপতন ঘটে শেয়ারবাজারে।
ফোর্সড সেল বন্ধ করার ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী বা এসইসি মৌখিক সুপারিশ করলেও লিখিত কোনো নির্দেশনা না দেওয়ায় লোকসান কমাতে হাউসগুলো এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে জানা গেছে। বিনিয়োগকারীদের বিও অ্যাকাউন্টে জমা থাকা টাকার নিচে বা কাছাকাছি আসার ফলে হাউসগুলো শেয়ার বিক্রি করে তাদের দেওয়া ঋণের টাকা তুলে নিচ্ছে। বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসে কেনাবেচার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা বিনিয়োগকারীদের ফোর্সড সেলের আতঙ্ক ঢুকিয়ে শেয়ার বিক্রি করতে উৎসাহিত করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
তহবিল গঠনের উদ্যোগ : পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে নিজস্ব বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি একটি বিশেষ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সাতটি প্রতিষ্ঠান। বাজারে শেয়ারের দর ধরে রাখতে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), সাধারণ বীমা করপোরেশন, সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, জনতা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (বিডিবিএল) সমন্বয়ে গঠিত এ তহবিলের মাধ্যমে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করা হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে অনুমোদনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে তহবিল গঠনের পর বাজারে বিনিয়োগ শুরু হবে। গতকাল আইসিবি সভাকক্ষে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, বাজারে শেয়ারের দর ধরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য একটি যৌথ তহিবল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তহবিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার সৃষ্টিকারীর মতো কাজ করবে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদে আলোচনার পর চলতি সপ্তাহেই আরেকটি বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তহবিলের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে মো. ফায়েকুজ্জামান বলেন, পুঁজিবাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার থেকে শেয়ার কিনবে। এ কাজের জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলে যেকোনো সময় এ তহবিল থেকে ঋণ নিতে পারবে। শেয়ার বিক্রি বা অন্য উৎস থেকে অর্থ পাওয়ার পর আবার তহবিলে টাকা ফেরত দেবে। একটি স্থায়ী তহবিল হিসেবে এর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মো. ফায়েকুজ্জামান আরো জানান, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মৌলভিত্তি ও সূচকে প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন কম্পানির শেয়ার কিনবে। বৈঠকে এ ধরনের কিছু কম্পানির তালিকা করা হয়েছে। কোন প্রতিষ্ঠান কোন কোন কম্পানির শেয়ার কিনবে_তাও ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো তার জন্য নির্ধারিত কম্পানির শেয়ারের দর ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
ফোর্সড সেল চলছে : গত দুদিনে অনেক ব্রোকারেজ হাউস থেকে ট্রিগার সেলের (ফোর্সড সেল) ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। অনেক হাউস থেকে ফোর্সড সেলের তালিকাও তৈরি করা হয়েছে বলে শেয়ারবাজারে ব্যাপক প্রচার ছিল গতকাল। বিনিয়োগকারীরা বলছেন, বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে ফোর্সড সেলের যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তাতে ৮০ শতাংশ বিনিয়োগকারীই ফোর্সড সেলের আওতায় চলে এসেছে।
ফোর্সড সেলে নিঃস্ব হওয়া বিনিয়োগকারী হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, গত ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে এএনএফ সিকিউরিটিজ তাঁর শেয়ারের ফোর্সড সেল শুরু করে। ২১ লাখ টাকার বিপরীতে ২৩ লাখ টাকা মার্জিন ঋণ ছিল তাঁর। বর্তমানে শেয়ারের দাম ২২ লাখের নিচে নেমে আসায় তাঁকে না জানিয়ে ওই হাউস থেকে তাঁর শেয়ার বিক্রি শুরু করা হয়। হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ফোর্সড সেল শুরুর দুদিন পর তাঁকে হাউস থেকে বিষয়টি জানানো হয়। হাউস তাঁকে ঋণ দিয়েছিল প্রায় ২৩ লাখ টাকা এবং বিক্রি করেছে ২২ লাখ টাকা। বর্তমানে ওই হাউস তাঁর কাছে আরো ৯০ হাজার টাকা দাবি করেছে।
ফোর্সড সেল বন্ধ করতে বলেছে এসইসি : গতকাল মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলোর প্রতি ফোর্সড সেল বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এক সংবাদ সম্মেলনে এসইসির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে অর্থমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ফোর্সড সেল বন্ধের জন্য এসইসির পক্ষ থেকে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের ওপর সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে কোনো নজরদারি, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি বা বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে না। তাই বিনিয়োগকারীরা কোনো রকম দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছাড়াই স্বচ্ছন্দে বিনিয়োগ করতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারবাজারের অনিয়ম অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্তে কয়েকজন বড় বিনিয়োগকারীর লেনদেন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এতে তাঁদের অনিয়মের বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে ওঠে। ফলে এসব বিনিয়োগকারীর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। এ ভয় থেকে তাঁরা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগও বন্ধ করে দেন। এসব বড় বিনিয়োগকারীর ভয় দূর করতেই এ ধরনের আশ্বাস দেওয়ার উদ্যোগ নেয় এসইসি।
মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ মোর্তজা আহমেদ গত রবিবার কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আমার জানামতে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো ফোর্সড সেল করছে না। কোনো কোনো ব্রোকারেজ হাউস ফোর্সড সেল করছে বলে শুনেছি।'
ডিমিউচ্যুয়ালাইজ করতে কমিটি : শেয়ারবাজারের সামগ্রিক কার্যক্রম বিন্যস্তকরণের (ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন) জন্য আট সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে ডিএসই। গত রবিবার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে স্টক এঙ্চেঞ্জের নিজস্ব প্রতিনিধি ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিন্যস্তকরণের লক্ষ্যে কর্মপ্রক্রিয়া নির্ধারণের জন্য শিগগিরই এ কমিটি কাজ শুরু করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বিন্যস্তকরণ প্রক্রিয়া শুরুর জন্য চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ একটি উপকমিটি গঠন করে। ওই উপকমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিভিন্ন পর্যায়ের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বিন্যস্তকরণ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাজার পরিস্থিতি : গতকালও দরপতনের ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। সূচক নেমেছে এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে। আর গত পাঁচ দিনে সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ১১৮৬.৫৪ পয়েন্ট। গত ৫ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ সূচক, লেনদেন ও মূলধন বৃদ্ধির দিন থেকে গতকাল পর্যন্ত সূচক কমেছে ৩৭১৫.৪৩ পয়েন্ট।
দরপতনে ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা এবার নেমেছেন অহিংস আন্দোলনে। গতকাল দরপতনের একপর্যায়ে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তাঁরা ডিএসই ভবনের সামনে শুয়ে পড়েন। এ অবস্থায় পুলিশ রাজধানীর মতিঝিল এলাকার শাপলা চত্বর থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। এর ফলে দুপুর সোয়া ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত এ এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।
গতকাল ডিএসইতে সূচক ২৬০.২৭ পয়েন্ট কমে ৫২০৩.০৮ পয়েন্টে স্থির হয়েছে। গত এক বছরের মধ্যে এটাই সর্বনিম্ন সূচক। ২০১০ সালের ২৪ জানুয়ারি এই সূচক ছিল ৫১৫৬.৬১ পয়েন্ট। গতকাল লেনদেন হওয়া ২৫২টি কম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ২১৩টির, বেড়েছে ৩০টির। অপরিবর্তিত থেকেছে ৯টি কম্পানির শেয়ার। একইভাবে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ১৬৩টির। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 02/28/2011 9:13 pm |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠছে
সমকাল প্রতিবেদক
শেয়ারবাজারের কারসাজি বিষয়ে তদন্ত কমিটিকে স্বয়ং নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনই (এসইসি) যথাযথ সহযোগিতা করছে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন সংস্থার একাধিক কর্মকর্তা ও বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্র। তবে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খালেদ বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, এসইসির কাছ থেকে যে তথ্য চাচ্ছি, তার থেকেও অনেক বেশি তথ্য দেওয়া হচ্ছে। তথ্য চেয়ে পাইনি এমনটি হয়নি। এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকারও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে, বিশেষ এক সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ পর্যায় থেকে তদন্ত কমিটি বা তদন্ত কাজে সংশ্লিষ্টদের প্রচার মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
এদিকে, তদন্ত কাজে সংশ্লিষ্ট ও এসইসির নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত কমিটি সুনির্দিষ্ট বেশ কিছু তথ্য চাওয়ার পরও এসইসি থেকে একাধিকবার কয়েকশ' পৃষ্ঠার তথ্য পাঠানো হয়েছে, যা তদন্ত কাজে অসহযোগিতার শামিল। বিশেষত, গত কয়েক
মাসে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ও বিশেষত বুক-বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি-না, এমন বিষয়ে তথ্য চাওয়ার পর এ বিষয়ে সব তথ্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশাল এ তথ্যভাণ্ডার থেকে মূল তথ্য বের করা অনেকটাই অসাধ্য বা সময়সাপেক্ষ বিষয়। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খালেদ সমকালকে বলেন, 'আমরা যে তথ্য চাচ্ছি, তা পাচ্ছি। এটাই বড় কথা।' তবে অতিরিক্ত তথ্য পাঠানোর সঙ্গে বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি-না, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি। অবশ্য ইব্রাহিম খালেদ জানান, তদন্ত কাজ বানচাল করার জন্য বিশেষ মহলের উদ্দেশ্যমূলকভাবে কিছু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা অসম্ভব কিছু নয়। এক্ষেত্রে তদন্ত কমিটি সম্পর্কে নানা গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ইব্রাহিম খালেদ বলেন, 'রোববার আমার মোবাইল ফোনে কয়েকজন সাংবাদিক জানান, আমি পদত্যাগ করেছি। একইভাবে তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে এমন গুজব ছড়ানো হচ্ছে।'
অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে তদন্ত কমিটির কাজকে ধীর করা হচ্ছে কি-না, এমন প্রশ্নের মুখে এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার সমকালকে বলেন, 'তদন্ত কমিটি আমাদের কাছে যে তথ্য চেয়েছে, আমরা তা দিয়েছি। তবে কোনো তথ্য দিতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, তার কারণ তথ্যগুলো বের করে যথাযথভাবে দিতে হয়।'
এসইসির একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তথ্য চাওয়ার পর যৌক্তিক সময়ের তুলনায় বেশি সময় নেওয়া এবং অতিরিক্ত তথ্য পাঠানোর ঘটনা ঘটেছে একাধিকবার। তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে, এমন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার প্রেক্ষাপটে তদন্ত কাজে ধীরগতি আনতে সংস্থার কোনো কোনো কর্মকর্তা এমনটা করতে পারেন বলে মনে করে সূত্র।
তদন্ত কমিটির সদস্য তৌহিদ এলাহী সমকালকে বলেন, এসইসি অসহযোগিতা করছে, এ কথা বলব না। কখনও কখনও এত বেশি তথ্য আসছে যে, আমরা দিনরাত কাজ করেও শেষ করতে পারছি না।
এদিকে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির নেপথ্যেও তদন্ত কাজ ব্যাহত করার উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মনে করেন ইব্রাহিম খালেদ। তিনি বলেন, 'এখন শেয়ারদর আরও কমার যৌক্তিক কারণ নেই। শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞরাও এমন কথা বলছেন। তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি, নেপথ্যে থেকে বিশেষ কোনো গোষ্ঠী শেয়ারে দরপতনে কাজ করছে।' এ গোষ্ঠীর সঙ্গে এর আগে বাজার কারসাজিতে যুক্ত ব্যক্তিদের যোগসাজশ থাকতে পারে বলে মনে করেন শেয়ারবাজারে কারসাজি বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, তারা ইতিমধ্যে বাজার কারসাজি বিষয়ে অনেক তথ্য পেয়েছেন। ইব্রাহিম খালেদ বলেন, এটা ঠিক নানাভাবে তদন্ত কাজে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরাসরিভাবে আমাদের ওপর কোনো চাপ বা অন্য কোনো সমস্যা তৈরি হচ্ছে না।
গত বছরের সবচেয়ে বেশি আলোচিত অধ্যায় প্রাইভেট প্লেসমেন্ট বাণিজ্য বিষয়ে এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তদন্ত কমিটিকে দিতে পারেনি এসইসি। এসইসির একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্লেসমেন্ট বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধিমালা না থাকায় সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো প্রাইভেট প্লেসমেন্টে শেয়ার বিক্রির কোনো তথ্য দেয়নি। তবে তদন্ত কমিটির চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে নির্দেশ দিয়েছে এসইসি। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে বেশ কিছু কোম্পানির প্রাইভেট প্লেসমেন্ট বিষয়ে তারা তথ্য সংগ্রহ করেছে। শিগগিরই তা তদন্ত কমিটির কাছে পেঁৗছে দেওয়া হবে।
তিনি জানান, অনেক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি স্বপ্রণোদিত হয়ে অনেক তথ্য প্রদান করেছেন। এসব তথ্য তদন্ত কাজকে সহজ করছে। |
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/01/2011 6:51 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে চাঙ্গাভাব
ঢাকা, ১ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
টানা দরপতন থেকে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে পুঁজিবাজার। আজ মঙ্গলবার লেনদেন শুরু থেকেই সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত রয়েছে। তবে দাম বাড়ার প্রবণতায় বাজার বিক্রিতাশূন্য হয়ে পড়ে।
লেনদেন শেষে ডিএসই'র সাধারণ সূচক ৩৯৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫৬০১ পয়েন্টে অবস্থান করছে । ৫ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানসহ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বাজারে বড় ধরনের বিনিয়োগের তহবিল গঠনের ঘোষণায় বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা। তবে সূচক বাড়লেও বিনিয়োগকারীরা শঙ্কামুক্ত হতে পারছেন না। তারা বলছেন, এর আগে দেখেছি বাজার একদিন ভালো গেলে পরে আরো খারাপ হয়ে যায়। গত কয়েক মাসের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আরো অন্তত দুই হাজার সূচক বাড়তে হবে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
এদিকে মঙ্গলবার শুরুর ১০ মিনিটের লেনদেনকৃত বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দরবৃদ্ধি পায়। যার প্রভাবে সূচক ২৯৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫৫০২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। লেনদেনের দেড় ঘণ্টার মধ্যে শতাধিক কোম্পানির শেয়ারের দরবৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে। ফলে সার্কিট ব্রেকার স্পর্শকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বন্ধ হয়ে যায়। তবে সার্কিট ব্রেকার স্পর্শকৃত মূলে কিংবা এর কমে কেউ শেয়ার বিক্রি করতে চাইলে সে ধরনের লেনদেনে কোনো ধরনের বাধা ছিল না।
মঙ্গলবারের বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আর্থিক, গার্মেন্টস, টেঙ্টাইল, ইঞ্জিনিয়ারিং, সিরামিকসহ প্রায় সবক'টি খাতের শেয়ারের দরবৃদ্ধি পেয়েছে। মোট লেনদেন হয়েছে ২৫৩ টি কোম্পানির শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৪৬টির, কমেছে ৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে একটি কোম্পানির শেয়ারের দর। সূচক বাড়লেও গতকালের চেয়ে লেনদেন কমেছে ৫৮ কোটি টাকা।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/ বিএইচ/এমএইচ/১৫:৫০ ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/01/2011 6:52 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেয়া থেকে সরে এসেছে বিনিয়োগকারীরা
ঢাকা, ১ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্মারকলিপি দেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বাজার পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হওয়ার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীদের প্রতিনিধি হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, সকাল থেকেই বাজার কিছুটা ভালো হওয়ার কারণে আপাতত প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেয়া হচ্ছে না। তবে পরবর্তীতে বাজার পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে স্মারকলিপি দেয়া কিংবা না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, টানা পাঁচদিন দরপতনের কারণে সোমবার বিক্ষোভ থেকে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের অসহায় বিনিয়োগকারীদের ব্যানারে আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টায় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএমএম/মউ/১২.৫৫ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
| 03/01/2011 6:53 am |
 Administrator Cool Senior Forum Expert

Regist.: 12/19/2010 Topics: 309 Posts: 2083
 OFFLINE | এসআইবিএল, সোনারগাঁও টেক্সাইলের রাইট শেয়ার অনুমোদন
ঢাকা, ১ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম)
পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) ও সোনারগাঁও টেক্সটাইলের রাইট শেয়ারের অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ মঙ্গলবার এসইসির নিয়মিত সভায় এ দুটি কোম্পানির রাইট শেয়ারের অনুমোদন দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন এসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহি পরিচালক সাইফুর রহমান। এছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তার নিয়োগ ও বরখাস্তের জন্য এসইসির পূর্বানুমতির বিধান রেখে মার্চেন্ট ব্যাংক বিধিমালা সংশোধন করা হয়েছে। অপরদিকে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে দুটি আইপিও অনুমোদন দেয়া হয়নি বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে সমপরিমাণ রাইট শেয়ারের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে এসইসি। প্রতিটি রাইট শেয়ারের দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে মোট ২৯ কোটি ৮৭ লাখ ৮১ হাজার ৫৭৫টি রাইট শেয়ারের মাধ্যমে ২৯৮ কোটি ৭৮ লাখ ১৫ হাজার ৭৫০ টাকা সংগ্রহ করবে। সংগৃহীত টাকা দিয়ে কোম্পানিটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি করবে। এছাড়া এসইসির অনুমোদন পাওয়া সোনারগাঁও টেক্সটাইল প্রতি একটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার ছাড়তে পারবে। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের দর ধরা হয়েছে ১৫০ টাকা (৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ)। কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ১০ লাখ ৯১ হাজার ২০০টি রাইট শেয়ারের মাধ্যমে ১৬ কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে।
মঙ্গলবার কমিশনের নিয়মিত সভায় এসটিএস হোল্ডিংস (এপোলো হাসপাতাল) ও রংপুর ডেইরী এন্ড ফুড প্রডাক্টসের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদনের অনুমোদন দেয়নি এসইসি। পুঁজিবাজারের বর্তমান তারল্য সংকট ও আইপিও'র প্রক্রিয়ায় থাকা বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের প্রস্তাবিত মূল্য নিয়ে বিতর্ক থাকায় আপাতত নতুন আইপিও অনুমোদন না দেয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির মাধ্যমে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। তবে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়ায় থাকা কোম্পানিগুলোর আইপিও অনুমোদন আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ না থাকলে পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে তা বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং শেয়ারের দর নির্ণয়ে যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি বের করার পরই আইপিও অনুমোদন পুনরায় শুরু হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এএম/এমএইচ/১৬.১৮ঘ.)
|
................ Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.
http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
|
|