| 03/31/2011 5:19 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
আগামী সপ্তাহে অনুমোদন হতে পারে 'বাংলাদেশ ফান্ড'
অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের প্রস্তাবে এই ফান্ডের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ আগামী সপ্তাহের মধ্যেই সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন পেতে পারে ৫ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ড'। পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অগ্রাধিকারভিত্তিতে ফান্ডটি অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা অনুযায়ী অত্যাবশ্যকীয় কাগজপত্রগুলো যাচাই-বাছাই শেষে কমিশনের আগামী সভায়ই ফান্ডটির ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন করা হবে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে এসইসি সদস্য মোঃ ইয়াসিন আলী জনকণ্ঠকে বলেন, গত মঙ্গলবার 'বাংলাদেশ ফান্ডের' সম্পদ ব্যবস্থাপক ও উদ্যোক্তাদের পৰ থেকে ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের আবেদন জমা দেয়া হয়েছে। এরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ফান্ড অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। যত দ্রম্নত সম্ভব প্রয়োজনীয় কাজ শেষে ফান্ডটি অনুমোদন করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনে কমিশনের বিশেষ বৈঠকের ব্যবস্থা করা হবে।
আবেদন জমা দেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারের তারল্য সঙ্কট কাটাতে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির পৰ থেকে এ আবেদন জমা দেয়া হয়। স্বল্প সময়ের মধ্যেই এই ফান্ডটি অনুমোদন করা হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। এদিকে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ার খবরে 'বাংলাদেশ ফান্ড' নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সরকারের পৰ থেকে এ ধরনের সুযোগ দেয়া হলে ফান্ডটি পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
জানা গেছে, অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগসহ বাংলাদেশ ফান্ড শক্তিশালী করতে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) পৰ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বেশকিছু প্রসত্মাব পাঠানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশে ফিরলেই এ বিষয়ে চূড়ানত্ম সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে। তবে আইসিবির এ প্রসত্মাবের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধানত্মের জন্য ফান্ডের ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের বিষয়টি ঝুলে থাকবে না। এসইসির প্রয়োজনীয় কাজ শেষ হলেই ফান্ড অনুমোদন করা হবে। অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগ, লভ্যাংশ করমুক্ত রাখা, সরকারী প্রতিষ্ঠানের আইপিওর ১০ শতাংশ এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখাসহ ফান্ডের জন্য প্রসত্মাবিত প্রণোদনাগুলো গৃহীত হওয়ার পর ফান্ডের কাগজপত্রের সঙ্গে এগুলো সংযোজন করে নেয়ার সুযোগ রয়েছে।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো একটি যৌথ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেয়। কয়েক দফা আলোচনার পর গত ৬ মার্চ 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল চূড়ানত্ম করা হয়। এই ওপেন এ্যান্ড (মেয়াদহীন) মিউচু্যয়াল ফান্ড হিসেবে গঠিত এই তহবিলের ৫০ শতাংশ মুদ্রাবাজারে এবং বাকি ৫০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে। তবে অবস্থার বিবেচনায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তহবিলের আকার বাড়ানো যাবে। তহবিলের মূল উদ্যোক্তা আইসিবি। রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানই ফান্ডের ট্রাস্টির দায়িত্ব পালন করবে। ফান্ড ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। এছাড়া আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি বাংলাদেশ ফান্ডের কাস্টডিয়ানের দায়িত্ব পালন করবে।
বাংলাদেশ ফান্ডের মোট ৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে আইসিবি ৫০০ কোটি টাকা, সোনালী ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক ২০০ কোটি টাকা, সাধারণ বীমা করপোরেশন ১০০ কোটি টাকা এবং রূপালী ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ বরাদ্দ করেছে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংক ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা দেবে বলে জানিয়েছে। দু'একদিনের মধ্যেই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এ অর্থ অনুমোদন করবে। তবে জীবন বীমা কর্পোরেশন ৫০ কোটি টাকা দেয়ার কথা জানালেও বিষয়টি নিশ্চিত নয়। অবশ্য জীবন বীমা কর্পোরেশন টাকা না দিলে সোনালী ব্যাংক আরও ৫০ কোটি টাকা প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়েছে।
এসইসির কাছ থেকে ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন পাওয়ার পর ফান্ডে অংশগ্রহণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বেসিক ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন এই ফান্ডে বিনিয়োগ করবে। এছাড়া বেসরকারী ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও এর সঙ্গে যুক্ত করা হবে বলে উদ্যোক্তাদের পৰ থেকে জানানো হয়েছে। |
|
|
| 03/31/2011 5:19 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
শেয়ারহোল্ডারদের উচ্ছৃঙ্খলতায় পূবালী ব্যাংকের এজিএম পণ্ড
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ শেয়ারহোল্ডারদের উচ্ছৃঙ্খলতায় পূবালী ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) প- হয়ে গেছে। উপহারসামগ্রী বণ্টন নিয়ে অসন্তোষের কারণে শেয়ারহোল্ডাররা ব্যাংকের কর্মীদের ওপর হামলা চালালে উভয় পৰের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে শেয়ারহোল্ডাররা এজিএমস্থলে ব্যাপক ভাংচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় একজন শেয়ারহোল্ডারকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেইলী রোডে অবস্থিত অফিসার্স ক্লাবে এ ঘটনা ঘটে।
রমনা থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল এগারোটায় মিন্টু রোডের অফিসার্স ক্লাবে পূবালী ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সকাল সাড়ে নয়টা থেকে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও কর্মকর্তারা একে একে সভাস্থলে আসতে শুরম্ন করেন।
রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবলী নোমান জানান, ব্যাংক নির্ধারিত উপহারসামগ্রী (সুভ্যেনির) নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অসনত্মোষ দেখা দেয়। এক পর্যায়ে বিনিয়োগকারীরা সভাস্থলের মূল স্টেজ এবং চেয়ার- টেবিল ভাংচুর শুরম্ন করেন। এগারোটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাঠিচার্জ করে বিক্ষুব্ধ শেয়ারহোল্ডারদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় দিদার হোসেন নামে একজনকে আটক করে পুলিশ।
এ ঘটনার পর ব্যাংকের এজিএম প- হয়ে যায়। পরিস্থিতি সম্পর্কে কথা বলার জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। তবে পূবালী ব্যাংকের বরাত দিয়ে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের ওয়েবসাইটে এজিএম স্থগিতের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এতে জানানো হয়েছে, কিছু শেয়ারহোল্ডারের উচ্ছৃঙ্খল আচরণ এবং ভাংচুরের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় বেলা একটার দিকে পরিচালনা পর্ষদ জরম্নরী বৈঠকে বসে এজিএম স্থগিত করেছে। এজিএমের নতুন তারিখ ও সময় পরে জানানো হবে।
পূবালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গত ৩ মার্চ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ৩৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছিল।
লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ফিডেলিটি এ্যাসেট
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে ফিডেলিপি এ্যাসেট লিমিটেড। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১৫টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ১৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ট্রাস্ট মিলনায়তনে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১৮ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর বিএটিবিসির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ১৯ টাকা ৮৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২১৪ টাকা ২১ পয়সা।
সিটি ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১০ সালের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ ও ২৮ শতাংশ হারে বোনাস শেয়ার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে যথাক্রমে সিটি ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় নিরীৰিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশের এই হার নির্ধারণ করা হয়। সিটি ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ৩টি বোনাস শেয়ার পাবেন। অন্যদিকে স্ট্যন্ডার্ড ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ১০০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ২৮টি বোনাস শেয়ার পাবেন।
সিটি ব্যাংক ॥ পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ২২ জুন সকাল ১২টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ২০ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৫৯ টাকা ৩৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ২৯৬ টাকা ২৩ পয়সা।
স্ট্যন্ডার্ড ব্যাংক ॥ পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৬ মে সকাল ১১টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এজিএম সামনে রেখে আগামী ১০ এপ্রিল রেকর্ডের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছর ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৪৩ টাকা ১৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ১৭৭ টাকা ২৮ পয়সা। |
|
|
| 03/31/2011 5:20 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | The Daily Janakantha
উর্ধমুখী অবস্থানে থেকেই সপ্তাহ পার করল শেয়ারবাজার
একদিনে লেনদেন বেড়েছে ২৯৯ কোটি টাকা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ লেনদেন ও সূচকের উর্ধমুখী ধারা বজায় রেখেই সপ্তাহ পার করল পুঁজিবাজার। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হওয়া ৯০ শতাংশ কোম্পানির দরবৃদ্ধির প্রভাবে প্রায় ১০৩ পয়েন্ট বেড়েছে সাধারণ সূচক। কয়েক দিন নিম্নমুখী থাকার পর ব্যাংকিং খাতের দরবৃদ্ধির কারণেই সূচক বৃদ্ধির মাত্রা বেড়েছে। পাশাপাশি ৫ কার্যদিবস পর আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ ১ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাজার নিয়ে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার লেনদেনের শুরু থেকেই ডিএসইতে অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়তে থাকে। লেনদেনের প্রথম আধ ঘণ্টা শেষে সাধারণ সূচক ১০৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। দিনের অধিকাংশ সময়ই এ ধারা অব্যাহত ছিল। দিন শেষে লেনদেন হওয়া ২৬০টি কোম্পানি ও মিউচু্যয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২২৬টির। এর বিপরীতে কমেছে ২৭টির দর। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দর। বেশ কয়েক দিন নিম্নমুখী থাকার পর ব্যাংকিং খাতের অধিকাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। লেনদেন হওয়া ২৯টি ব্যাংকের মধ্যে ৫টির দর কমেছে এবং ২টির অপরিবর্তিত রয়েছে। বাকি ২২টির দরই বেড়েছে। এছাড়া রেকর্ড ডেটের কারণে এসআইবিএলের লেনদেন বন্ধ ছিল। এছাড়া বীমা, বিদু্যত ও জ্বালানি, সিমেন্ট, প্রকৌশল, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, ওষুধ এবং বস্ত্রসহ অন্যান্য খাতের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। তালিকাভুক্ত অধিকাংশ মিউচু্যয়াল ফান্ডের দরই ছিল উর্ধমুখী।
দিন শেষে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১০২.৭৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬৩৫২.১০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সপ্তাহ শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন ২ লাখ ৮৫ হাজার ৫৩০ কোটি ২২ লাখ ৮৩ হাজার ৮৯ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে বৃহস্পতিবার মোট ৭ কোটি ১১ লাখ ৯৫ হাজার ৯৩৪টি শেয়ার ও মিউচু্যয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে_ যার মোট মূল্য ১ হাজার ৪৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে আগের দিনের চেয়ে ২৯৯ কোটি ২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা বেশি লেনদেন হয়েছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জে (সিএসই) দিনশেষে মূল্যসূচক ১১৪.২১ পয়েন্ট বেড়ে ১৪৯২৩.৯৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২০২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৫টির, কমেছে ৩৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি প্রতিষ্ঠানের। সিএসইতে সারা দিনে ৯৯ কোটি ৪৮ লাখ ৫৪ হাজার ৯৮৯ টাকার শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭১ কোটি ৭২ লাখ ৭ হাজার ২৫৩ টাকা।
ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ অবস্থানে থাকা দশটি কোম্পানি হলো_ পিএলএফএসএল, আফতাব অটোমোবাইলস, বেঙ্মিকো, তিতাস গ্যাস, আরএন স্পিনিং, বেঙ্টেঙ্, ফুওয়াং সিরামিক, গোল্ডেন সন, ডেসকো ও গ্রামীণফোন।
দরবৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষ-১০ কোম্পানি হলো_ ফিডেলিটি এ্যাসেটস, হাক্কানী পাল্প, আরামিট, ইমাম বাটন, এটলাস বাংলাদেশ, এমবিএল ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ড, এমবি ফার্মা, দেশ গার্মেন্টস, সোনারগাঁও টেঙ্টাইলস ও এসআলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস।
অন্যদিকে দর হ্রাসের শীর্ষে ছিল আরএন স্পিনিং, বিকন ফার্মা, এসিআই ২০% কনভারটেবল জিরো কুপন বন্ডস, বিডি ওয়েল্ডিং, ঢাকা ব্যাংক, কেয়া ডিটারজেন্ট, পিপলস ইন্সু্যরেন্স, এশিয়া ইন্সু্যরেন্স, পঞ্চম আইসিবি মিউচু্যয়াল ফান্ড ও আইএফআইএল ইসলামিক মিউচু্যয়াল ফান্ড-১। |
|
|
| 03/31/2011 5:21 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | IDLC approves 65pc stock, 35pc cash dividends
FE Report
The 26th Annual General Meeting (AGM) of the shareholders of IDLC Finance Limited was held Thursday at the Bangabandhu International Conference Centre in the city.
The shareholders approved stock dividend @ 65% and cash dividend 35% per share for the year 2010 in the AGM.
Anwarul Huq, Chairman of the Company, presided over the meeting. The AGM was also attended by Rubel Aziz, Md. Habibur Rahman Mollah, Aziz Al Kaiser, Meherun Haque, Md. Rezaul Karim and Golam Faruk Ahmed Directors and Selim R. F. Hussain, CEO & Managing Director.
A large number of shareholders were present at the meeting. Anwarul Huq, Chairman of the Company presented the Directors' Report, Auditors' Report and audited Financial Statements for the year 2010 before the shareholders.
Mr Selim R. F. Hussain replied to the shareholders' queries.
Despite intense competition from other players in the field, including banks, IDLC continued to maintain its growth in terms of both business volumes and profitability. IDLC's consolidated equity grew by a robust 54% over 2009. Total assets of the Company stood at Tk. 26.93 billion at the end of 2010, which is 19% higher than the previous year.
During the year, consolidated net profit of the Company stood at Tk.1,327 million, showing an impressive growth of 61.47% over 2009, with total equity reached at Tk 3,690 million at end of 2010. |
|
|
| 03/31/2011 5:22 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Pubali Bank postpones AGM
The authorities of Pubali Bank have stated that the 28th AGM of the bank scheduled to be held Thursday at 11:00am could not be held due to unruly behavior and vandalism created by some shareholders. Situation went beyond control in spite of all support and help of the law enforcing agencies. The board in an emergency meeting held Thursday at 1:00pm has decided to postpone the scheduled 28th AGM of the bank. The new date, time and venue of the 28th AGM of the bank will be notified later on.
— DSE Online |
|
|
| 03/31/2011 5:22 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ICB AMCL discloses NAV of two unit funds
ICB Asset Management Company Limited, a subsidiary of Investment Corporation of Bangladesh (ICB), has disclosed Net Asset Values (NAV) of two unit funds Thursday. The funds are: ICB AMCL Pension Holders' Unit Fund and ICB AMCL Unit Fund.
According to an official statement, the total NAV of ICB AMCL Pension Holders' Unit Fund stood at Tk 386,424,279.35 on the basis of cost price and Tk 452,156,095.38 on the basis of market price at the close of business operation on Tuesday.
The NAV of the fund per unit stood at Tk 238.14 on the basis of current market price on the same day against the face value of Tk 100 per unit after taking into consideration all assets and liabilities of the fund.
The per unit sale and re purchase prices of the 1CB AMCL Pension Holders' Unit certificate have been re fixed at Tk 243 and Tk 238 respectively will effect from April 03, 2011.
The NAV of ICB AMCL Unit Fund stood at Tk 2,823,278,886.27 on the basis of cost price and Tk 3,320,233,531.65 on the basis of market price at the close of business operation on Tuesday.
The NAV per unit stood at Tk 273.14 on the basis of current market price on the same day against the face value of Tk 100 after taking into consideration all assets and liabilities of the fund.
The per unit sale and re purchase prices of the ICB AMCL Unit certificate have been re fixed at Tk 278 and Tk 273 per unit respectively will effect from April 03, 2011.
|
|
|
| 03/31/2011 5:23 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | DSE news in brief
Dividends
City Bank: The board of directors of City Bank Limited has recommended 30 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The annual general meeting will be held at Hall of Fame, Bangabandhu International Conference Centre, Sher-E-Bangla Nagar, Dhaka at 12:00pm on June 22. The record date is April 20. The bank has stated EPS of Tk 59.35, NAV per share of Tk 296.23 and NOCFPS of Tk 205.19 for the year that ended on December 31, 2010.
Standard Bank: The board of directors of Standard Bank Limited has recommended 28 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The AGM will be held at Bashundhara Convention Centre, Baridhara, Dhaka at 11:00am on May 16. The record date is April 10. The bank has stated profit after tax and provision of Tk 1,369.07 million, EPS of Tk 43.15, NAV per share of Tk 177.28 and NOCFPS of Tk 105.84 for the year that ended on December 31, 2010 as against Tk 764.25 million, Tk 28.90, Tk 159.67 and Tk 111.13 respectively for the year that ended on December 31, 2009.
Fidelity Assets: The board of directors of Fidelity Assets & Securities Company Ltd has recommended 15 per cent stock dividend for the year that ended on December 31, 2010. The AGM will be held at Trust Milonayaton, 545, Puratan Biman Bandar Sarak, Dhaka Cantonment, Dhaka at 10:00am on June 16. The record date is April 18. The company has stated consolidated EPS of Tk 19.85, consolidated NAV per share of Tk 214.21 and consolidated NOCFPS of Tk 6.70 for the year that ended on December 31, 2010.
ACI issues redemption warrants
ACI Limited, sponsor of the 'ACI 20% Convertible Zero Coupon Bonds', has stated that the redemption warrants of 1st series of ACI 20 per cent Convertible Zero Coupon Bonds have been dispatched on last Tuesday using multiple courier services providers for delivering them to the respective bondholders.
BRAC Bank credits bonus shares
The authorities of BRAC Bank have stated that it has credited the bonus shares to the respective shareholders' BO Accounts on Thursday.
Peoples Ins rated "A-"
The Rating Committee of CRISL has announced the CPA (claim paying ability) rating of Peoples Insurance Company Ltd as "A-" based on financial statements of the company up to December, 2009 and other relevant quantitative as well as qualitative information up to date of rating declaration.
Offer to sell sponsors shares
NCC Bank: Tofazzal Hossain, one of the directors of NCC Bank Limited , has expressed his willingness to sell 2,00,000 shares out of his total holdings of 47,94,390 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
ONE Bank: Asaduz Zaman, one of the sponsors of ONE Bank Limited, has expressed his willingness to sell 50,000 shares (bonus shares) out of his total holdings of 3,91,626 shares of the bank at prevailing market price through stock exchange within next 30 working days.
Suspension of trading
Trading of the shares of Peoples Leasing and Fin. Services Limited will remain suspended on record date April 3. Another record date for entitlement of the proposed rights shares to be notified later after obtaining approval from the SEC.
Resumption of trading
Normal trading of the shares of Social Islami Bank Limited will resume on April 3 after record date.
Spot trading
Trading of the shares of Jamuna Bank Limited will be allowed only in the spot market and block/odd lot transactions will also be settled as per spot settlement cycle with cum benefit from April 3 to April 5. Trading of the shares of the bank will remain suspended on record date on April 06.
Response on DSE query
National Tea: In response to a DSE query, the authorities of National Tea have stated that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.
Shyampur Sugar Mills: In response to a DSE query, the authorities of Shyampur Sugar Mills Ltd have stated that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.
Zeal Bangla Sugar: In response to a DSE query, the authorities of Zeal Bangla Sugar Mills Ltd have stated that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.
Renwick Jajneswar: In response to a DSE query, the authorities of Renwick Jajneswar & Company (Bd) have stated that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.
Eastern Lubricants: In response to a DSE query, the authorities of Eastern Lubricants have stated that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.
Eastern Housing: In response to a DSE query, the authorities of Eastern Housing have stated that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.
Standard Ceramic: In response to a DSE query, the authorities of Standard Ceramic have stated that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.
Monno Ceramic: In response to a DSE query, the authorities of Monno Ceramic have stated that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.
HR Textile: In response to a DSE query dated on March 30, the authorities of HR Textile have stated that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.
Kohinoor Chemicals: In response to a DSE query dated on March 30, the authorities of Kohinoor Chemicals have stated that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.
Imam Button: In response to a DSE query dated on March 30, the authorities of Imam Button have stated that there is no undisclosed price sensitive information of the company for recent unusual price hike.
— DSE Online
|
|
|
| 03/31/2011 5:23 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি
দুই সপ্তাহে ৬২ কোম্পানিকে নোটিশ
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা : পুঁজিবাজার স্বাভাবিক হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। বাজার চাঙ্গা হয়ে ওঠার সুযোগে কোনো কোম্পানি যেন অতিমূল্যায়িত না হয়, এজন্য অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি চিহ্নিত করে নোটিশ দিচ্ছে ডিএসই।
গত দুই সপ্তাহে লেনদেন হওয়া ৬২টি কোম্পানিকে অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, কোনো কোম্পানির অস্বাভাবিক দর বাড়লে তা তদন্ত করে ডিএসই। এজন্য প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ওই কোম্পানিকে দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে নোটিশ দেওয়া হয়।
কোম্পানি কোনো তথ্য জানাতে না পারলে ডিএসই তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। শেয়ার অতিমূল্যায়িত হওয়ার যেন সুযোগ না পায়, সে জন্য ডিএসই এ তদন্তের অস্ত্র ব্যবহার করে।
তবে বরাবরই নোটিশ দিয়ে ডিএসই নিষ্ক্রিয় ছিল। উর্ধ্বগতির বাজারে ডিএসই দৈনন্দিন কর্মকা- হিসেবে প্রতিদিনই দু’একটি কোম্পানিকে নোটিশ দিয়েছে। তবে পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়নি।
বরং নোটিশ দেওয়ার পর ওই কোম্পানির শেয়ার দর আরও বাড়তে দেখা গেছে। ফলে ডিএসইর এ নোটিশ সমালোচনার মুখে পড়ে।
ধসের বাজারে ডিএসই নোটিশ দেওয়ার এ দৈনন্দিন কর্মকা- বন্ধ রাখলেও সম্প্রতি তা আবার শুরু করেছে।
গত দুই সপ্তাহের অধিকাংশ দিন সূচকের উর্ধ্বগতি ছিল। পাশাপাশি অধিকাংশ শেয়ারের দরও বাড়তে শুরু করে। বাজার স্বাভাবিক হতে শুরু করায় ডিএসইও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে গত সপ্তাহ থেকে বিভিন্ন কোম্পানিকে অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির জন্য নোটিশ দিতে শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত দুই সপ্তাহে ৬২টি কোম্পানিকে দর বৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে দায়সারা নোটিশ দিয়েছে। কোম্পানিগুলোও বরাবরের মতোই দর বৃদ্ধির কারণ নেই বলে জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, ‘অস্বাভাবিক দর বিষয় পেলে কোম্পানিকে নোটিশ দেওয়া ডিএসইর দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের অংশ। শেয়ার দর অস্বাভাবিকভাবে বাড়লে কোম্পানিকে নোটিশ দেওয়ার পর ডিএসই তদন্তে নামে।’
তদন্তের প্রথম ধাপ হিসেবে এ কোম্পানিগুলোকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধি নজরদারি না করলে আগের মতো আবারও শেয়ার অতিমূল্যায়িত হওয়ার সুযোগ পাবে। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এজন্য কোম্পানিগুলোকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, নোটিশ দেওয়া ৬২ কোম্পানির মধ্যে গত ২০ মার্চ ১৩ কোম্পানিকে নোটিশ দেয় ডিএসই। এগুলো হলো- এগুলো হচ্ছে- ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, তাল্লু স্পিনিং, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, পদ্মা অয়েল, বিজিআইসি, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, সিএমসি কামাল, সোনালী আঁশ, চিটাগাং ভেজিটেবল, রেনেটা ও কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স।
২১ মার্চ ৭ কোম্পানিকে নোটিশ দেওয়া হয়। এগুলো হলো- প্রাইম টেক্সটাইল, এসিআই ফর্মুলেশন, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, জনতা ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা কন্ডেন্সন্ড মিল্ক, মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও ফু-ওয়াং ফুড।
২৩ মার্চ ৪ কোম্পানি সাফকো স্পিনিং, আনলিমা ইয়ার্ন, দেশ গার্মেন্টস ও জিকিউ বলপেনকে নোটিশ দেওয়া হয়।
২৪ মার্চ ৭ কোম্পানি লিব্রা ইনফিউশন, ফার্মা এইড, মিথুন নিটিং, বঙ্গজ, অলটেক্স, দুলামিয়া কটন ও এমবি ফার্মাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
২৭ মার্চ ৩ কোম্পানি জেমিনি সি ফুড, সমতা লেদার, স্টাইলক্রাফটকে ২৮ মার্চ বিডি অটোকার ও জুট স্পিনিংকে, ২৯ মার্চ মুন্নু স্টাফলার, মুন্নু জুটেক্স, গোল্ডেন সনকে ৩০ মার্চ উসমানিয়া গ্লাস, সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ, আজিজ পাইপ, রহিমা ফুড, কে অ্যান্ড কিউ, রহিমা টেক্সটাইল, এ্যাপেক্স ফুড, লাফার্জ সুরমা, লিগ্যাসি ফুটওয়্যার ও রেকিট বেঙ্কিজারকে নোটিশ দেওয়া হয়।
সর্বশেষ ৩১ মার্চ ১৩ কোম্পানিকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো- গ্লাস্কো স্মিথক্লাইন, ন্যাশনাল টি, শ্যামপুর সুগার, জিলবাংলা, রেনউইক জজ্ঞেস্বর, ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্ট, ইস্টার্ন হাউজিং, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, এএমসিএল, মুন্নু সিরামিক, এইচআর টেক্সটাইল, কোহিনুর কেমিক্যালস ও ইমাম বাটন।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৪০ ঘণ্টা, মার্চ ৩১, ২০১১ |
|
|
| 03/31/2011 5:24 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ঊর্ধ্বমুখী ধারা দিয়ে সপ্তাহের লেনদেন শেষ
সমকাল প্রতিবেদক
দেশের উভয় শেয়ারবাজারে প্রথম চারদিনে কিছুটা অস্থিরতা থাকলেও গতকাল বৃহস্পতিবার লেনদেন ও শেয়ার দরবৃদ্ধির ঊর্ধ্বমুখী ধারা দিয়ে শেষ হয়েছে সপ্তাহের লেনদেন। গতকাল দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬০টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ২২৬টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, কমেছে ২৭টির দর। সাধারণ সূচক বেড়েছে ১০২ পয়েন্টের বেশি। সার্বিকভাবে গেল সপ্তাহে শেয়ারদর ও বাজার সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিএসই সাধারণ সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে ১৮৭ পয়েন্ট বা প্রায় তিন শতাংশ। দেশের অপর শেয়ারবাজার সিএসইতেও ছিল প্রায় একই অবস্থা।
ডিএসইতে গতকাল অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধির প্রবণতা দিয়েই দিনের লেনদেন শুরু হয়। ব্যাংকিং খাতের বেশির ভাগ কোম্পানি দরবৃদ্ধি পেলে লেনদেনের প্রথম ঘণ্টা শেষে ডিএসই সাধারণ সূচক বুধবারের তুলনায় বৃদ্ধি পায় প্রায় ১২০ পয়েন্ট। এ সময় প্রায় সব কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজেরও দর বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। গত কয়েক সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় গতকালও স্বল্প মূলধন ও জেড ক্যাটাগরির শেয়ারের দর বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। দর বৃদ্ধিতে শীর্ষ কোম্পানির মধ্যে ছয়টিই জেড ক্যাটাগরির। লেনদেন গত কয়েকদিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।
ডিএসইর লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তথ্য ও প্রযুক্তি এবং করপোরেট বন্ড খাত ছাড়া বাকি সব খাতের শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে সর্বাধিক ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এরপর সেবা খাতের দর বৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক ১২, সিরামিক খাতের ৫ দশমিক ৭৭, চামড়া খাতের ৫ দশমিক ৬০, পাট খাতের ৫ দশমিক ২২ শতাংশ। এছাড়া প্রকৌশল খাতের ৪ দশমিক ৫৩, বস্ত্র খাতে ৪ দশমিক ৫৫, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ করে দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
গতকাল ডিএসইতে মোট এক হাজার ৪৮ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের লেনদেন হয়। এর মধ্যে প্রকৌশল খাতের ২৩ কোম্পানির অনুকূলে সর্বাধিক ১৬৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়, যা মোট লেনদেনের ১৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। এরপর লিজিং খাতের লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৩১ কোটি টাকা, বস্ত্র খাতে ১২২ কোটি টাকা, বীমা খাতে ৯৬ কোটি টাকা, জ্বালানি খাতে প্রায় ৯৬ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার। এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে গতকাল ২০২টি কোম্পানির শেয়ার ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের মধ্যে ১৪৮টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, কমেছে ৪৬টির, অপরিবর্তিত ছিল ৮টির দর। সিএসই নির্বাচিত খাত সূচক আগের দিনের থেকে ১৭১ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫১ শতাংশ বেড়ে ক্লোজ হয় ১১৪৫৯ পয়েন্টে। লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। |
|
|
| 03/31/2011 5:24 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে পুঁজিবাজার চাঙা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: দেশের দুই পুঁজিবাজারে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার পুরো লেনদেনে ছিল চাঙভিাব। এদিন সূচক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেনদেনও বেড়েছে। পাশাপাশি দাম বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির। এ নিয়ে টানা দুইদিন উভয় পুঁজিবাজারে বেশিরভাগ কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ডের দাম ও সূচক বাড়লো।
বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট ২৬০টি কোম্পানির লেনদেন হয়। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৬টির, কমেছে ২৭টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৭টি কোম্পানির দাম।
একইসঙ্গে সাধারণ সূচক ১০২ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩শ’ ৫২ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সার্বিক সূচক ৮৪ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২শ’ ৭৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয় মোট ১ হাজার ৪৮ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে ৭শ’ ৪৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল।
বৃহস্পাতিবার ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো: পিএলএফএসএল, আফতাব অটোমোবাইলস, বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, আরএন স্পিনিং, বেক্সটেক্স, ফু-ওয়াং সিরামিক, গোল্ডেন সন, ডেসকো ও গ্রামীণ ফোন।
দাম বাড়ার দশ কোম্পানির শীর্ষে ছিল ফিডেলিটি অ্যাসেটস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ। অন্য কোম্পানিগুলো হলো- হাক্কানী পাল্প, আরামিট, ইমাম বাটন, এটলাস বাংলাদেশ, এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এমবি ফার্মা, দেশ গার্মেন্ট, সোনারগাঁও টেক্সটাইলস ও এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস।
সবচেয়ে বেশি দাম কমা দশ প্রতিষ্ঠান হলো : আরএন স্পিনিং, বিকন ফার্মা, এসিআই ২০% কনভারটিবল জিরো কুপন বন্ডস, বিডি ওয়েল্ডিং, ঢাকা ব্যাংক, কেয়া ডিটারজেন্ট, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, পঞ্চম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও আইএফআইএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড-১।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয় মোট ২০২টি কোম্পানির। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৮টির, কমেছে ৪৬টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টি কোম্পানির দাম।
পাশাপাশি সিএসসিতে সাধারণ সূচক ১শ’৭১ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ৪শ’ ৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক ২৬৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৭ হাজার ৭শ’ ৫৮ পয়েন্টে উঠে আসে।
এদিন সিএসইতে লেনদেন হয় মোট ৯৯ কোটি ৪৮ লাখ ৫৪ হাজার ৯শ’ ৮৯ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসের লেনদেন হয়েছিল ৭১ কোটি ৭২ লাখ ৭ হাজার ২শ’ ৫৩ টাকা।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৪ ঘণ্টা, মার্চ ৩১, ২০১১ |
|
|
| 03/31/2011 5:25 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
পুঁজিবাজারে কারসাজি
অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরলে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দেবে
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০১-০৪-২০১১
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশে ফেরার পর পুঁজিবাজারে কারসাজি তদন্তে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। বর্তমানে প্রতিবেদন তৈরির শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে।
কমিটির চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আজকের (বৃহস্পতিবার) মধ্যে তদন্তকাজ সম্পন্ন হবে। তবে অর্থমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া যাচ্ছে না। আগামী ৬ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি দেশে ফিরলে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’
তদন্ত প্রতিবেদনে কী কী বিষয় উঠে এসেছে—এমন প্রশ্নের উত্তরে ইব্রাহিম খালেদ বলেন, এ ব্যাপারে এখন বলা যাবে না। প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর অর্থমন্ত্রী হয়তো এ ব্যাপারে কথা বলবেন। অন্যথায় প্রতিবেদন পেশ করার পর এ ব্যাপারে কথা বলা যাবে।
তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান আরও বলেন, তদন্তের ব্যাপারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পক্ষ থেকে যতটা আশা করা হয়েছিল, তার চেয়ে বেশি সহযোগিতা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) পক্ষ থেকেও সহযোগিতা পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
তদন্তকাজে কমিটির সদস্যদের সহযোগিতার ব্যাপারে খোন্দকার ইব্রাহিম বলেন, তাঁরা খুবই আন্তরিক ছিলেন। সবাই যথাযথভাবে সহযোগিতা করেছেন। এ ছাড়া প্রতিবেদনে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে তাতে কমিটির কারও মতবিরোধ নেই বলে জানান তিনি।
তদন্ত প্রতিবেদন প্রায় ২০০ পৃষ্ঠার হবে বলেও জানান ইব্রাহিম খালেদ।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক ভয়াবহ ধসের কারণ অনুসন্ধানে গত ২৬ জানুয়ারি কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে চেয়ারম্যান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে দুই মাসের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। ওই সময়সীমা অনুযায়ী ২৭ মার্চ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও পরে ৩১ মার্চের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
|
|
|
| 03/31/2011 5:26 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | Prothom Alo
উপহার না পাওয়ায় পূবালী ব্যাংকের এজিএম ভণ্ডুল
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০১-০৪-২০১১
সাধারণ শেয়ারধারীদের হট্টগোলে ভণ্ডুল হয়ে গেছে পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেসরকারি খাতের এ ব্যাংকের গতকাল বৃহস্পতিবার ২৮তম এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু এজিএম শুরু হওয়ার আগেই কিছু সংখ্যক বিনিয়োগকারী উপহার না পেয়ে গণ্ডগোল শুরু করেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বেলা একটার দিকে জরুরি বৈঠক করে এজিএম স্থগিত করার ঘোষণা দেয়। এজিএমের নতুন সময় ও স্থান পরে জানানো হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজধানীর বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাবে বেলা ১১টায় এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের আগেই অনেক শেয়ারধারী সেখানে উপস্থিত হয়ে ফোলিও নম্বর দিয়ে এজিএমে অংশগ্রহণের জন্য অনুমোদনপত্র সংগ্রহ করেন। এ সময় শেয়ারধারীদের অনেকেই কোনো উপহার না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ব্যাংকের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা এজিএমে উপহার দেওয়ার ব্যাপারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নিষেধাজ্ঞার কথা বললে শেয়ারধারীরা বাগিবতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁরা এজিএমের স্থলে ভাঙচুর শুরু করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি সত্ত্বেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
এজিএমে উপস্থিত একজন শেয়ারধারী বলেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রায় সব কোম্পানিই এজিএমে সাধারণ শেয়ারধারীদের জন্য কিছু না কিছু উপহারের ব্যবস্থা করে। এ কারণেই হয়তো তাঁরা পূবালী ব্যাংকের এজিএমে উপহারের প্রত্যাশা করেছিলেন। এসইসির নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি ভালোমতো প্রচার করা হলে এ সমস্যা হতো না।
উল্লেখ্য, পূবালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গত ৩ মার্চ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ৩৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করে। |
|
|
| 03/31/2011 5:27 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | ১৫ এপ্রিলের মধ্যে বাইব্যাক বিষয়ে লিখিত মতামত প্রদানের নির্দেশ
ঢাকা, ৩০ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে কোম্পানি আইনে বাইব্যাক (শেয়ার পুনঃক্রয়) ধারা সংযোজন বিষয়ে লিখিত মতামত প্রদানের জন্য নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কোম্পানি আইন সংশোধন বিষয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথসভায় এ নির্দেশ প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিকে (বিএপিএলসি) আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে লিখিত মতামত প্রদানের জন্য বলেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্টদের লিখিত মতামত পাওয়ার পরই বাইব্যাক বিষয়ে খসড়া আইনটি চূড়ান্ত করা হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ওই সভায় বাণিজ্য সচিবের সভাপতিত্বে এসইসির চেয়ারম্যান, সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র জানায়, বাইব্যাক বিষয়ে খসড়া উপস্থাপিত হলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। তবে বাইব্যাক বিষয়ে খসড়া আইনটি প্রস্তুত করেছে এসইসি।
বাইব্যাক বিষয়ে এসইসির তৈরি করা খসড়াতে কোম্পানির অতিরিক্ত মূলধন (ফ্রি রিজার্ভ) অথবা সিকিউরিটির প্রিমিয়াম হিসাব ব্যবহারের মাধ্যমে শেয়ার বাইব্যাক করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া বাইব্যাক সম্পন্ন করার পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে কোম্পানি ক্রয়কৃত সিকিউরিটিজ বাতিল এবং ধ্বংসের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বাইব্যাকের প্রস্তাবিত আইনে বাইব্যাক সম্পন্ন করার পরবর্তী দুই বছর পর্যন্ত কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধির উপর বিধি নিষেধ আরোপ করার বিধান রাখা হচ্ছে। এছাড়া এ আইনে কোম্পানির বাইব্যাক সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী ২৪ মাসের মধ্যে বোনাস শেয়ার ব্যতীত এইরূপ সিকিউরিটিজ ইস্যু করতে পারবে না বলে প্রস্তাব করা হয়েছে।
এসইসির প্রস্তাবিত আইনে বাইব্যাকের পরিমাণ কোম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধন এবং ফ্রি রিজার্ভের সর্বোচ্চ দশ শতাংশ বাইব্যাক করা যাবে। তবে কোম্পানির দায়ের পরিমাণ ইহার মোট মূলধন এবং ফ্রি রিজার্ভের দ্বিগুণের বেশি হলেও বাইব্যাক করা যাবে না। কোম্পানির নিজস্ব অথবা সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মাধ্যমে অথবা মূল কোম্পানির মাধ্যমে শেয়ার বাইব্যাক করা যাবে না। এছাড়াও কোম্পানির কোনো ব্যাংকের দেনা ও সুদ, ডিবেঞ্চার বা অগ্রাধিকারভুক্ত শেয়ারের ওপর অর্জিত সুদ পরিশোধে ব্যর্থ হলে বাইব্যাকের সুবিধা গ্রহণ করতে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। এছাড়া কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদান করতে ব্যর্থ হলেও শেয়ার বাইব্যাক করতে পারবে না। বাইব্যাক সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী এক বছর কোম্পানিটি দেউলিয়া হবে না মর্মে ঘোষণা প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। |
|
|
| 03/31/2011 5:27 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | দুই কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
ঢাকা, ৩১ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): সিটি ব্যাংক ও ফিডেলিটি অ্যাসেট এন্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড ২০১০ সালে কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ঘোষিত এ লভ্যাংশের তথ্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
সিটি ব্যাংক কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ৩০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রকাশিত তথ্য মতে, আগামী ২২ জুন ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভা এবং রেকর্ড ডেট ২০ এপ্রিল। এছাড়া ফিডেলিটি অ্যাসেট এন্ড সিকিউরিটিজ কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। প্রাপ্ত তথ্য মতে, ফিডেলিটি অ্যাসেট এন্ড সিকিউরিটিজের বার্ষিক সাধারণ সভা আগামী ১৬ জুন এবং রেকর্ড ডেট ১৮ এপ্রিল। লভ্যাংশ ঘোষণার কারণে আজ কোম্পানি দু'টির শেয়ার লেনদেনে কোন মূল্য সীমা থাকছে না। |
|
|
| 03/31/2011 5:27 pm |
 Moderator Forum Expert

Regist.: 02/08/2011 Topics: 60 Posts: 781
 OFFLINE | পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে
ঢাকা, ৩১ মার্চ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): সপ্তাহের শেষদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন ও সূচক বেড়েছে। আজ ডিএসই সাধারণ সূচক ১০২ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬৩৫২ দশমিক ১০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১০৪৮ কোটি টাকার শেয়ার। যা গতকালের চেয়ে প্রায় তিনশ কোটি টাকা বেশি। এছাড়া চলতি সপ্তাহের মধ্যে শুধু আজ ডিএসইতে এক হাজার কোটি টাকার উপরে লেনদেন হয়েছে। সর্বশেষ ২৩ মার্চ ডিএসইতে লেনদেন হয় এক হাজার ৬৩ কোটি টাকা।
আজ লেনদেনের শুরু থেকেই অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দর বাড়তে থাকে। লেনদেন শুরু হওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে ডিএসই সাধারণ সূচক বাড়ে ৭৭ পয়েন্ট। পরবর্তী ২০ মিনিটে সূচক ১০৫ পয়েন্ট বেড়ে সাধারণ সূচক ৬৩৫৪ পয়েন্টে দাঁড়ায়। সূচকের এ বৃদ্ধি দিনভর অব্যাহত থাকে।
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬০টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২২৬টির, কমেছে ২৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
খাতভিত্তিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংকখাতের ৫টি প্রতিষ্ঠানের দর কমলেও বাকি সবগুলোর দর বেড়েছে, ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের সবক'টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর বেড়েছে, ইনস্যুরেন্স খাতে বিরাজ করছে মিশ্রভাব এবং খাদ্য ও অন্যান্য খাতের সবকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে দর বেড়েছে। টেঙ্টাইল খাতের দুটির দাম কমেছে, অপরিবর্তিত রয়েছে একটি এবং বেড়েছে বাকি সবগুলোর শেয়ারের দর। এদিকে আজ অধিকাংশ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর বেড়েছে।
লেনদেনের শীর্ষ দশের তালিকায় রয়েছে- পিপলস লিজিং এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, আফতাব অটো, বেক্সিমকো, তিতাস গ্যাস, আরএন স্পিনিং, বেক্সটেক্স, ফু-ওয়াং সিরামিকস, গোল্ডেনসন, ডেস্কো ও গ্রামীণ ফোন। |
|
|
|