DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION
Mobil Jumuna and MI Cement News
Page 1 / 1
Mobil Jumuna and MI Cement News
03/09/2011 7:05 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Samakal
শেয়ারবাজারে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি অনিশ্চিত
আনোয়ার ইব্রাহীম


অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) শর্ত অনুযায়ী, তালিকাভুক্তির ছয় মাসের মধ্যে ইস্যু মূল্যের (আইপিওতে শেয়ারের বিক্রয় মূল্য) তুলনায় সংশ্লিষ্ট শেয়ারের বাজারমূল্য কমে গেলে কোম্পানি দুটির পরিচালকদের ইস্যু মূল্যেই শেয়ার কিনতে হবে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এসইসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকে উভয় কোম্পানির চেয়ারম্যান এ শর্তে মৌখিক সম্মতি দেন। কিন্তু কোম্পানি দুটির প্রধান এ ব্যাপারে লিখিতভাবে সম্মতি না দেওয়ায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত না করার জন্য উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তু কোম্পানি দুটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা মার্চ মাসেই তালিকাভুক্ত হতে পারে। আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হওয়ার এক মাস পরও কোম্পানি দুটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত না হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের ৯১৩ কোটি টাকারও বেশি আটকে আছে।
তবে মবিল যমুনা লিমিটেডের (এমজেএল) চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী সমকালকে জানান, চলতি মাসের শেষ দিকে মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টসের (এমজিএল) তালিকাভুক্তির বিষয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, ছয় মাস অনেক সময়। আমরা এত সময় শেয়ারমূল্য ধরে রাখার দায়িত্ব নিতে পারব না। আর পরিচালকদের এত টাকা নেই যে, এত শেয়ার কিনে নেবেন। তাহলে বর্তমান সংকট কীভাবে উত্তরণ করা হবে_ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জগুলো দেখছে কী করা যায়।
অন্য কোম্পানি এমআই সিমেন্টের চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম তার কোম্পানির তালিকাভুক্তির বিষয়ে গতকাল কোনো মন্তব্য না করে জানান, আজ তিনি এ বিষয়ে ইতিবাচক বা নেতিবাচক খবর দিতে পারবেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসইসি কোম্পানি দুটিকে দেওয়া শর্তের ব্যাপারে অনড় রয়েছে। এসইসির একটি সূত্র জানায়, সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে এসইসিকেই দায়িত্ব দিয়েছে। এসইসি মনে করছে, ওই শর্ত ছাড়া বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা যাবে না। শর্তে পূরণে রাজি না হলে মবিল যমুনার আইপিও কার্যক্রম বাতিল হবে কি-না তা এখনও নিশ্চিত নয়। এসইসির এক কর্মকর্তা জানান, মবিল যমুনা শর্ত পূরণে রাজি না হলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার অনুমতি নাও পেতে পারে। সেক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী আইপিও আবেদনকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য কোম্পানিটিকে নির্দেশ দিতে পারে এসইসি।
এদিকে কোম্পানি দুটির বিরুদ্ধে অতিমূল্যায়িত শেয়ার বাজারে আনার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টরা। শেয়ারবাজার বিশ্লেষক অ্যাডভোকেট হাসান মাহমুদ বলেন, ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ৬০০ কোটি টাকায় বিক্রির সুযোগ দেওয়াটা ঠিক হবে কি-না তা ভেবে দেখতে হবে। আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, অযৌক্তিক মূল্যের কারণ দেখিয়ে আইপিও প্রক্রিয়া স্থগিত করার পর একই দরে কোম্পানি দুটিকে তালিকাভুক্তির সুযোগ দেওয়া হলে পরে এটাকে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ পাবে অনেক কোম্পানি। শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ খান মনে করেন, ভুল হয়ে গেলে তা সংশোধন করার নামে আবার ভুল করা ঠিক হবে না। সমকালকে তিনি বলেন, সন্দেহ নেই মবিল যমুনার শেয়ারমূল্য অনেক বেশি ধরা হয়েছে। এক্ষেত্রে অনুমোদন দিয়ে ভুল করেছে এসইসি। তাই বলে বিনিয়োগকারীদের শাস্তি দেওয়ার যুক্তি নেই বলে মনে করেন তিনি।
মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্ট কোম্পানির আইপিও জটিলতা নিরসনে এসইসি যে প্রস্তাব করেছে যেখানেও কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে। কোম্পানির পরিচালকরা শেয়ারবাজার থেকে সরাসরি শেয়ার কিনবেন, নাকি বাজারের বাইরে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে কিনবেন_ সে বিষয়টির এখনও সুরাহা হয়নি। এক্ষেত্রে পরিচালকদের কে কী পরিমাণ শেয়ার কিনবেন তা নিয়েও জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টস (এমজেএল) কোম্পানির মালিকানায় রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত যমুনা অয়েল। আর যমুনা অয়েলের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারি কয়েক কর্মকর্তা কোম্পানির পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। এসব সদস্য শেয়ার কিনতে পারবেন না। এসইসির শর্ত অনুযায়ী কেবল ইসি সিকিউরিটিজের পক্ষে ছয়জন পরিচালক ওই শেয়ার কিনবেন বলে লিখিত সম্মতি প্রদান করেছেন। কিন্তু কোনো কারণে শেয়ারদর কমে গেলে, বেশিরভাগ শেয়ারহোল্ডার শেয়ার বিক্রি করতে চাইলে ওই পরিচালকরা সব শেয়ার কিনতে পারবেন কি-না, তারও সুরাহা হয়নি। তাছাড়া ইস্যু মূল্যের তুলনায় বাজারদর কমে গেলে এবং প্রাইমারি শেয়ার ক্রেতা সেকেন্ডারি বাজারে শেয়ার বিক্রি করলে সেক্ষেত্রে কে লোকসানের টাকা ফেরত পাবেন_ এ প্রশ্নের জবাব এখনও মেলেনি। এসইসি সূত্রে জানা গেছে, প্রাইমারি শেয়ার গ্রহণকারীকেই লোকসানের টাকা ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু বেশি মূল্যে শেয়ার বিক্রি করার পর ওই শেয়ারের দাম যদি ছয় মাসের মধ্যে কমে যায়, তবে নতুন শেয়ার গ্রহণকারীর কী হবে তা এখনও পরিষ্কার নয়। শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞরা বলেন, এভাবে সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে উল্টো এসইসি আরও কিছু সমস্যা সৃষ্টি করতে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে শেয়ারবাজার বিশ্লেষকরা বলেন, তালিকাভুক্তির শুরুতে অতিমূল্যায়িত কোনো কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া কোনোক্রমেই যুক্তিযুক্ত হবে না। এক্ষেত্রে উভয় কোম্পানির আগের আইপিও প্রক্রিয়া বাতিল করে নতুন করে শুরু করা যেতে পারে বলে তারা মত দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, অযৌক্তিকভাবে ইস্যু মূল্য নির্ধারণ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পর বুক বিল্ডিং প্রক্রিয়া স্থগিত করার প্রেক্ষাপটে মবিল যমুনা অয়েল ও এমআই সিমেন্ট কোম্পানির আইপিও প্রক্রিয়া স্থগিত করে এসইসি। এর আগে ৩১ জানুয়ারি মবিল যমুনা ও ৯ ফেব্রুয়ারি এমআই সিমেন্ট কোম্পানির আইপিও লটারি হয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, লটারিতে অকৃতকার্য আবেদনকারীদের অর্থ ইতিমধ্যে ফেরত দেওয়া হয়েছে। মবিল যমুনা কোম্পানি ৪০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ৬০৯ কোটি টাকারও বেশি এবং এমআই সিমেন্ট ৩০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ৩০৪ কোটি টাকারও বেশি অর্থ সংগ্রহের জন্য বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিওর অনুমোদন পায়।
বুধবার | ৯ মার্চ ২০১১ | ২৫ ফাল্গুন ১৪১৭ | ৩ রবিউস সানি ১৪৩২
Quote   
03/09/2011 9:02 pm

Administrator
Cool Senior Forum Expert


Regist.: 12/19/2010
Topics: 309
Posts: 2083
OFFLINE
MJL, MI listing uncertain
Cos unwilling to comply with SEC's buy-back condition


FE Report
10.03.2011


The listing of the Mobil Jamuna Lubricants (MJL) and the MI Cement has become uncertain as the companies are found to be reluctant to comply with the government's decision on buying back of their shares, sources said.

The uncertainty surfaced following the Ministry of Finance's advice to the Securities and Exchange Commission (SEC) to impose a condition on both the companies to buy back their shares from the intending shareholders if the market prices of the same go down below the offer prices within six months from the date of their listing.

Earlier, the SEC approved the IPOs (initial public offerings) of the MJL and the MI Cement after both the companies agreed in writing to buy their shares back if the market prices of the same go down below the offer prices within one month from the day of their respective listing.

According a competent source, the ministry of finance has, lately, told the SEC to ask both the MJL and the MI to give assurance to the effect that they would buy their shares back if market prices of the same go down below the offer prices within next six months from the date of listing.

But the MJL has sought two months' time for listing and the MI Cement has not responded to the call of the SEC.

They are reluctant to comply with the regulatory decision taken at the advice of the Ministry of Finance.

The listing of the two companies might be cancelled if they fail to comply with regulatory decision, sources added.

In that case, the companies will have to return the money to their shareholders.

The authorities of the MJL and the MI Cement were not available for comment on the issue.

However, DSE President Shakil Rizvi said the complexity involving the MJL and the MI Cement should be solved on an urgent basis for the greater interest of the companies concerned and their shareholders.

The IPO lotteries of the MJL and the MI Cement were held on January 31 and February 9 respectively.

The MJL collected Tk 6.09 billion against the shares worth Tk 400 million from the investor under the book building method.

On the other hand, the MI Cement collected Tk 3.04 billion against the shares worth Tk 300 million using the same method.

The indicative prices of the MJL and the MI Cement shares were fixed at Tk 152.40 and Tk 111.60 respectively having a face value of Tk 10 each.
................
Reproduction of any of the articles in any means will be treated as as per law.
-----------------------
Help and be Helped.

http://apps.facebook.com/facebook_forums/?forum=209
Quote   
03/10/2011 6:56 am

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি
৬ মাস পর্যন্ত শেয়ার কেনার শর্ত সরকারের
--------------------------------------------
জেবুন নেসা আলো, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম



ঢাকা: স্টক এক্সচেঞ্জে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সরকারের জুড়ে দেওয়া শর্ত পূরণ নিয়ে এ জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

নির্ধারিত মূল্যের নিচে নামলে পূর্বনির্ধারিত এক মাসের পরিবর্তে ছয় মাস পর্যন্ত শেয়ার কিনতে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে কোম্পানিগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু কোম্পানিদু’টি এ শর্ত মানতে রাজি নয়।

জানা যায়, অতিরিক্ত প্রিমিয়াম নেওয়ার অভিযোগে গত ২৩ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত করে দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। কিন্তু এর আগেই আইপিওতে অংশ নেওয়া বিনিয়োগকারীদের বিপুল অর্থ কোম্পানিগুলোর কাছে আটকে পড়ে।

পরে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এসইসি এ দুটি কোম্পানিকে বাজারে আসার জন্য একটি শর্ত বেঁধে দেয়। তা হলো- লেনদেন শুরুর প্রথম ৩০ কার্যদিবস শেয়ারের দর নির্ধারিত মূল্যের নিচে নামতে পারবে না। এ শর্তে রাজি হয়েই কোম্পানিদু’টি তাদের আইপিও কার্যক্রম শেষ করে।

তবে তালিকাভুক্তির পর্যায়ে এসে নতুন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। কোম্পানির শেয়ারের দর প্রাথমিক দরের নিচে নামলে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কোম্পানি দু’টিকে কিনে নেওয়ার শর্তও দিয়েছে এসইসি। কিন্তু লেনদেনের সময় প্রাইমারি সেকেন্ডারি বিও অ্যাকাউন্ট বোঝা অসম্ভব নয়।

এমনকি ডিএসই ও সিএসইর পওে তা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে শেয়ারের দর পড়ে গেলে ঢালাওভাবে কোম্পানিকে শেয়ার কিনতে হবে। অর্থাৎ ওপেন বাই দিয়ে রাখতে হবে। ফলে ডিএসই ও সিএসইও এসইসির এই শর্তে তালিকাভুক্তি করতে রাজি হচ্ছে না।

একমাসের েেত্রই যেখানে ডিএসই ও সিএসইর দ্বিমত, সেখানে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক চিঠিতে কোম্পানি দু’টিকে ছয় মাসের জন্য শেয়ার কেনার নিশ্চয়তা দিতে বলা হয়েছে। ফলে তালিকাভুক্তি নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আরও জটিলতা। আবার তালিকাভুক্ত না হলে আইপিওর টাকা বিনিয়োগকারীদের ফেরত দেওয়াও কোম্পানির জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

ইতোমধ্যে কোম্পানি দু’টি আইপিও কার্যক্রম থেকে শুরু করে প্রিমিয়ামের ট্যাক্স, ডিএসই ও সিএসইর চার্জসহ এ পর্যন্ত বিপুল অঙ্কের টাকা খরচ করেছে।

সরকারের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে খুব শিগগিরই এসইসি কোম্পানি দু’টির সঙ্গে আলোচনায় বসবে বলে জানা গেছে। কোম্পানি দু’টি তাদের তালিকাভুক্তির জটিলতা নিয়ে ডিএসই ও সিএসইর সঙ্গে একাধিকবার আলোচনাও করেছে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আবারো কোম্পানি দু’টির তালিকাভুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসবে।

এ ব্যাপারে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, এসইসির শর্ত অনুযায়ী কোম্পানিদুটিকে তালিকাভুক্ত করা যাচ্ছে না। আমরা এখনও এ ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নেইনি।

তিনি আরও বলেন, শর্তানুযায়ী দু’টি কোম্পানিকে বাজারে আসার সুযোগ দিলে তা একটি খারাপ উদাহরণ সৃষ্টি করবে। অন্যান্য কোম্পানিও এ সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে। সকল স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে আমরা আলোচনায় বসব।

এ ব্যাপারে সিএসইর প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দীন আলী আহমদ বলেন, ‘এসইসির শর্তানুযায়ী প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি বিনিয়োগকারী আলাদা করা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে এ দায়িত্ব আমরা নেব না।’

এদিকে, ডিএসইর নিয়ম অনুযায়ী আইপিও আবেদন গ্রহণের তারিখ থেকে ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্ত হতে হবে। কিন্তু দুই কোম্পানির ক্ষেত্রে ৬০ দিন পার হয়ে গেছে। এখনো তালিকাভুক্তির ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

কোম্পানি দু’টির মধ্যে মবিল যমুনার ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে প্রিমিয়াম নেওয়া হয়েছে ১৪২ টাকা ৪০ পয়সা। কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা।

এমআই সিমেন্টের ১০ টাকা ফেসভ্যালুর শেয়ারে প্রিমিয়াম নেওয়া হয়েছে ১০১ টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানির শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১১ টাকা ৬০ পয়সা।

কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এলায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।

বাংলাদেশ সময়: ১৭০৫ ঘন্টা, ১০ মার্চ ২০১১
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview