| 05/01/2011 10:59 am |
 Cool Senior Member

Regist.: 12/23/2010 Topics: 0 Posts: 55
 OFFLINE | Thanks a lot TAJ Vai for your generous efforts |
|
|
| 05/01/2011 2:22 pm |
 NEWBIE

Regist.: 02/06/2011 Topics: 0 Posts: 2
 OFFLINE | 6 month to 1 year |
|
|
| 05/01/2011 2:22 pm |
 Senior Member

Regist.: 12/20/2010 Topics: 0 Posts: 27
 OFFLINE | আইসিবি ও ইদানীং ট্রেডার এর ভূমিকা পালন করছে।
Taj vai ........ I salute you for your efforts. |
|
|
| 05/01/2011 10:26 pm |
 Junior Member

Regist.: 01/30/2011 Topics: 0 Posts: 15
 OFFLINE | Thanks Taj Bhai, as its seems market needs its liquidity and its big buyers back, BF is become a drama script, Govt seems always disfavoring small investors. So how could the scenario will change? |
|
|
| 05/02/2011 1:03 am |
 Senior Member

Regist.: 01/10/2011 Topics: 0 Posts: 29
 OFFLINE | Thanks Taj Vai, Hope for the best |
|
|
| 05/02/2011 10:55 am |
 NEWBIE

Regist.: 01/06/2011 Topics: 0 Posts: 1
 OFFLINE | Originally Posted by Taj U Ahmed: বাজার পূর্বাভাস (০২-০৫-২০১১)
==================
গত কয়েকদিনের বাজার পুর্বাভাসের সাথে বাস্তবতা মিলছেনা। যখন চার্টের সাথে বাস্তবতা মেলেনা , তখনই কিছু অশুভ আলামতের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ডিএসই সাধারণ সূচকের বৃহস্পতিবারের ক্যান্ডেলস্টিক একটি ইনভার্টেড হ্যামার তৈরী করেছে, যা আসলে ট্রেন্ড রিভার্সাল এর ইঙ্গিত দেয়। গত ৩ মার্চের ক্যান্ডেলস্টিকের লোয়ার পয়েন্ট ও ৯ মার্চের ক্যান্ডেলস্টিকের আপার পয়েন্ট কে এক্সট্রিম পয়েন্ট ধরে ফিবো রিট্রাসমেন্ট লাইন ড্র করলে দেখা যায়, বাজার গত ২৭ তারিখ ৬১% ফিবো থেকে (৫৭৫০) ঘুরে ৩৮% ফিবো তে (৬০৮৩) ক্লোজ হয়েছে এবং গত বৃহস্পতিবার আবার ৩৮% ফিবো এর নিচে (৬০৫০) ক্লোজ হয়েছে। গত মার্চ মাসের ৯ তারিখ থেকে এ মাসের ২৪ তারিখ পর্যন্ত বাজার ৬০৭৫ থেকে ৬৬৫৫ এর মধ্যে ঘুরা ফিরা করেছে এবং একটা ট্রেন্ড চ্যানেল তৈরী করেছে। ২৬ ও ২৭ তারিখ ৬০৭৫ (৩৮% ফিবো) থেকে ৫৭৫০ (৬১% ফিবো) এ নেমে এসেছে। ২৮ তারিখ ৫৭৫০ থেকে বাজার ৬২০০ পর্যন্ত উঠে আবার ৬০৫০ এ ক্লোজ হয়েছে। ৩৮% ও ৬১% ফিবো এর মধ্যে বাজার আরেকটি ট্রেন্ড চ্যানেল তৈরী করেছে। ফিবো ফ্যান চার্ট এঁকে দেখা যায়, ফিবো ফ্যান চার্টের ডানের লাইনকে বাজার রেজিস্ট্যান্স লাইন হিসেবে অনুসরণ করছে। চার্ট দেখে বাজার ৬০৫০-৫৭৫০ ট্রেন্ড চ্যানেলের মধ্যে ঘুরাফিরা করবে বলে মনে হয়। ইলিয়ট ওয়েভ থেকেও সর্বশেষ ওয়েভ কাউন্ট বিয়ারিশ দেখাচ্ছে। বাজার বড় ধরণের ভলিউম সাপোর্ট পাচ্ছে না। আগামীকাল ২২ টি শেয়ারের ডিক্লারেশন আসছে, বেশীরভাগ শেয়ারের ডিক্লারেশন বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে পারবে বলে মনে হয়না। এই শেয়ারগুলোর দাম যদি অন্তত ১০% পড়ে যায়, তাহলে এই কয়েকটি শেয়ারের কারণে সূচক অন্তত ৫০ পয়েন্ট পড়ে যেতে পারে। তাতে শক্তিহীন বাজার আরো কতটুকু পড়বে তা সময়ই বলে দেবে।
এখন, এক্স ফ্যাক্টর এর প্রভাব দেখা যাক।
১। গত শুক্রবার প্রথম আলোর গোলটেবিল বৈঠকে প্রায় সবাই বাংলাদেশ ফান্ড সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন। তাদের বক্তব্য হচ্ছে বাংলাদেশ ফান্ড বাজারকে আরো অতিমূল্যায়িত করবে।
২। সরকার তদন্ত রিপোর্ট হুবহু প্রকাশ করেছে, কয়েকজনের বিরুদ্ধে এসইসি অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী ফৌজদারী ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এবং বাকিদের ক্ষেত্রে অধিকতর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
৩। বাংলাদেশ ফান্ড এর এসইসি তে নিবন্ধণ হবার কথা আগামী সোমবার, এসইসি চেয়ারম্যান কে সরানোর ফলে আগামীকাল নিবন্ধণ হবে কিনা তা নিশ্চিত নয়।
৪। এসইসির চেয়ারম্যান সহ সদস্যদের অপসারণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে যার কথা শোনা যাচ্ছে তিনি আগামীকাল দায়িত্ব নিচ্ছেন না, আগামীকাল প্রজ্ঞাপন জারী হলে এর পরদিন হয়তো তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
৫। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংস্কারের চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে।
৬। বাজারে একমাত্র আইসিবি ছাড়া আর কোন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের কোন আলামত পাওয়া যাচ্ছে না। আইসিবি ও ইদানীং ট্রেডার এর ভূমিকা পালন করছে।
এই এক্স ফ্যাক্টরগুলো বাজারে কিভাবে প্রভাব ফেলবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। বাজার সম্পর্কে এখনো আশাবাদী হতে পারছি না। আগামী কাল বাজার সামান্য উত্থান বা পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বলে আমার অনুমান।
taj bhai this one is excellent.....Im new here so I dont know what Im doing |
|
|