DSE SMALL INVESTORS PLATFORM (DSIP) > DISCUSSION > NEWS AND INFO
Breaking News: বুধবার শেয়ার কেলেংকারির রিপোর্ট প্রকাশ
Page 1 / 1
Breaking News: বুধবার শেয়ার কেলেংকারির রিপোর্ট প্রকাশ
04/19/2011 6:42 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
এসইসির জনবল কাঠামো জানতে চেয়ে চিঠি
বুধবার শেয়ার কেলেংকারির রিপোর্ট প্রকাশ
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: বুধবার বিকালে শেয়ারবাজার কেলেংকারির তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করছে সরকার। অর্থমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে  এই রিপোর্ট সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করতে পারেন। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ কথা জানা গেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বাংলানিউজের তরফ থেকে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বুধবার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘বুধবার আসুক তো তারপর দেখা যাবে।’

এসইসি’র পুনর্গঠন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির সুপারিশের আলোকে সরকার কিছু কিছু কাজ শুরু করেছে। তবে প্রথম ধাপেই এসইসিকে পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

এদিকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার।  
মঙ্গলবার বিকেলে এসইসি’র জনবল কাঠামো চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়েছে এসইসিকে। ১৯৯৩ সালে এসইসি গঠনের পর দীর্ঘ ১৮ বছর পর এই প্রথমবারের মতো পুরো এসইসিকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।

এছাড়া বুধবার এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ারবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর তদন্ত কমিটি’র সুপারিশের পরিপ্রক্ষিতে প্রথম ধাপেই এসইসিতে সংস্কারে উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, এসইসি’র সংস্কারের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানসহ তিনটি সদস্য পদে পরির্বতন আসছে। সেই সঙ্গে ৯জন নির্বাহী পরিচালকদের মধ্যেও পরির্বতন হবে। তবে বর্তমানে ৭জন নির্বাহী পরিচালক রয়েছেন। দু’টি পদ শূন্য রয়েছে।

একই অবস্থায় রয়েছে সদস্যে’র ক্ষেত্রে। চেয়ারম্যানসহ ৫ সদস্য থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৪জন। একটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।

এছাড়া, এসইসি’র আইন ও বিধি মালা সংশোধন, কোম্পানি আইন সংশোধন এবং মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের গঠনতন্ত্র সংশোধন করা হবে। সেই সঙ্গে পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও আইনের সংশোধন করা হচ্ছে।

পাশাপাশি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের জবাবদিহিতা, শক্তিশালীকরণ ও দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে নেটওর্য়াকিং-এ নিয়ে আসা হবে।

এদিকে এসইসি’র চেয়ারম্যান কে হবে তা নিয়ে শেয়ার বাজারেসহ বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

এছাড়া এরইমধ্যে চেয়ারম্যান তালিকায় কয়েক জনের নাম অর্থমন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবও করা হয়েছে। পাশাপাশি সদস্য তালিকার নামও রয়েছে এ তালিকায়।

চেয়ারম্যান পদে আইসিএবির সাবেক প্রেসিডেন্ট জামাল উদ্দীন, সিটি ব্যাংক এন্এ’র সাবেক কান্ট্রি ম্যানেজার মামুন রশীদ ও ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানের নাম বেশি শোনা যাচ্ছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির ওপর।

সুত্র জানায়, সরকারের পক্ষে থেকে এসইসিকে আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়ার আইন কাজে লাগানোর কথা চিন্তা-ভাবনাও করা হচ্ছে। সরকাারের পক্ষে একজন আইনজীবী এ বিষয়ে কাজ করছেন।

এদিকে অথর্ মন্ত্রণালয়ের চিঠি পাওয়ার পর বিকেলে এসইসি’র জরুরি কমিশন সভা করে।

এ বিষয়ে এসইস’র সদস্য ইয়াছিন আলী বাংলানিউজকে জানান, কমিশনকে ঢেলে সাজানোর জন্য একটি সভা হয়। বর্তমানে কে কি কাজ করবে তার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

উল্লেখ, এসইসি’র চেয়ারম্যানসহ ৫সদস্য থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে চেয়ারম্যানসহ দুই জন রয়েছেন। বাকি দুটি পদ এখনো শূন্য রয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাহী পরিচালক পদে ৯ জন থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৭ জন।

এদিকে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ সম্পর্কে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রতিবেদনে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরা হবে। এজন্য তদন্ত প্রতিবেদনের সার সংক্ষেপ এরই মধ্যে তৈরি করা হয়েছে।

এ সারসংক্ষেপে অভিযুক্তদের নামসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘তবে অভিযুক্তদের বিচার প্রক্রিয়ার বিষয়ে কিছু বলা হবে না। অভিযোগ প্রমাণের জন্য আরও গভীর তদন্তের কথা বলা হবে।’

বাংলাদেশ সময়: ১৮.৩৮ ঘণ্টা ১৯ এপ্রিল ২০১১
Quote   
04/19/2011 6:44 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারী
তদন্ত প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ প্রকাশ বুধবার
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারীর তদন্তে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামীকাল বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ কথা জানা গেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলানিউজকে জানান, বুধবার বিকেলে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের
এ প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রতিবেদনে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরা হবে। এজন্য তদন্ত প্রতিবেদনের সার সংক্ষেপ এরই মধ্যে তৈরি করা হয়েছে।

এ সারসংক্ষেপে অভিযুক্তদের নামসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘তবে অভিযুক্তদের বিচার প্রক্রিয়ার বিষয়ে কিছু বলা হবে না। অভিযোগ প্রমাণের জন্য আরও গভীর তদন্তের কথা বলা হবে।’

বাংলাদেশ সময়: ২০২২ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৯, ২০১১
Quote   
04/19/2011 6:52 pm

Moderator
Forum Expert


Regist.: 02/08/2011
Topics: 60
Posts: 781
OFFLINE
The Daily Janakantha
প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কে
বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদন সত্ত্বেও শেয়ারবাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে নানামুখী আলোচনায় পুঁজিবাজারের প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্ত হিসেবে যেসব বড় বিনিয়োগকারীর নাম এসেছে তাদের প্রায় সবাই এখন নিষ্ক্রিয়। সরকারের পৰ থেকে চলতি সপ্তাহেই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেয়ার সম্ভাবনা থাকায় এসব বিনিয়োগকারী আপাতত লেনদেন না করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করছেন। এর প্রভাবে সামগ্রিক লেনদেনে শস্নথগতি ও শেয়ারের দর কমে যাচ্ছে বলে বাজার সংশিস্নষ্টরা জানিয়েছেন।
বাজার সংশিস্নষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাসত্মবতা যাই হোক না কেন_ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করার পর প্রথম কয়েক দিন অভিযুক্তদের কেউ কেউ খুব বেশি গুরুত্ব দেননি। তবে গণমাধ্যমে একের পর এক সংবাদ প্রকাশের পর তাঁদের প্রায় সবাই এখন আতঙ্কের মধ্যে আছেন। বিশেষ করে মঙ্গলবার দু'একটি দৈনিকে কারসাজির দায়ে অভিযুক্তদের বিরম্নদ্ধে মামলা হচ্ছে_ এ ধরনের খবরে বড় বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে দূরে ছিলেন। ফলে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ড অনুমোদনের প্রভাবে দিনের শুরুতে বাজারের উত্থান হলেও শেষ পর্যনত্ম পতনের মধ্যে দিয়েই লেনদেন শেষ হয়েছে।
জানা গেছে, সেকেন্ডারি মার্কেটে কারসাজির সঙ্গে জড়িত হিসেবে তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের নাম এসেছে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই পুঁজিবাজারে 'গেম্বলার' হিসেবে পরিচিত। বাজারে শেয়ারের দর ওঠা-নামার ৰেত্রে এদের ভূমিকা রয়েছে। এসব বিনিয়োগকারী নিজেরা যেমন বড় অঙ্কের শেয়ার কেনাবেচা করে বাজারে প্রভাব ফেলতে সক্ষম, তেমনি এদের অনুসরণ করে শেয়ার ক্রয় বা বিক্রি করেন_ এমন বিনিয়োগকারীর সংখ্যাও প্রচুর। আবার বাজারে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে গুজব ছড়ানোর জন্য প্রায় প্রতিটি ব্রোকারেজ হাউসেই এদের লোকজন রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে নাম আসার পর এরা সতকর্তার সঙ্গে লেনদেন করায় সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও এর প্রভাব পড়েছে। সর্বশেষ প্রভাবশালী এসব বিনিয়োগকারীর বিরম্নদ্ধে মামলা হচ্ছে_ এ ধরনের খবরে তারা হাত গুটিয়ে ফেলায় বাজারে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, তদনত্ম প্রতিবেদন প্রকাশের পর দু'একদিন দরবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে কোন কোন বড় বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। মূলত এ কারণেই কয়েক দিন লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছিল। কিন্তু যেসব বিনিয়োগকারী ওই সময় শেয়ার বিক্রি করেছেন, তাঁরা নতুন করে কেনার সিদ্ধানত্ম না নিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেৰণ করছেন। সরকারের দিক থেকে তদনত্ম প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কী ধরনের পদৰেপ নেয়া হয়_ তা দেখার জন্য প্রভাবশালী বিনিয়োগকারীরা অপেৰা করছে। প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর তাঁরা পুনরায় সক্রিয় হলে বাজারের লেনদেনে গতি ফিরে আসবে।
বাজার পরিস্থিতি ॥ মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) মোট ২৫৩টি কোম্পানির শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে। এরমধ্যে দর বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ২১৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬টির। এর প্রভাবে ডিএসই সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬৮.২৩ পয়েন্ট কমে ৬২৪৯.৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১৬.২৩ পয়েন্ট কমে ৩৮৯৫.৮৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। দিন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন ২ লাখ ৮২ হাজার ৮ কোটি ৬৯ লাখ ৬২ হাজার ৪৮১ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
সারা দিনে মোট ৭ কোটি ৯৯ লাখ ৬২ হাজার ৩৮০টি শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যার আর্থিক মূল্য ছিল ৭৯১ কোটি ৮৭ লাখ ৫৩ হাজার ৪০৪ টাকা। লেনদেনের এই পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে ৭৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বেশি।
ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো_ বেঙ্মিকো লিমিটেড, বেঙ্টেঙ্, তিতাস গ্যাস, ডেসকো, মালেক স্পিনিং, আফতাব অটোমোবাইলস, বিএসআরএম স্টিল, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, এইমস ফার্স্ট মিউচু্যয়াল ফান্ড এবং অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।
দরবৃদ্ধিতে শীর্ষ অবস্থানে থাকা ১০টি কোমপানি হলো_ জনতা ইন্সু্যরেন্স, মুন্নু জুটেঙ্, ন্যাশনাল টি কোম্পানি, আইসিবি এমপস্নয়িজ মিউচ্যুয়াল ফান্ড, জেমিনি সি ফুড, ৮ম আইসিবি, সমরিতা হাসপাতাল, ইসলামী ব্যাংক, ফেডারেল ইন্সু্যরেন্স ও ৪র্থ আইসিবি।
অন্যদিকে দর হ্রাসের দিক থেকে শীর্ষ ১০টি কোমপানি হলো_ ফিডেলিটি এ্যাসেট, সমতা লেদার, আনলিমা ইয়ার্ন, ৬ষ্ঠ আইসিবি, সোনারগাঁও টেঙ্টাইল, সাভার রিফ্র্যাক্টরিজ, এমবি ফার্মা, ইস্টার্ন ইন্সু্যরেন্স, রেইনউইক যজ্ঞেশ্বর ও পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স।
Quote   
Page 1 / 1
Login with Facebook to post
Preview